fa
Feedback
Sorowar's talks

Sorowar's talks

رفتن به کانال در Telegram

Challenges of changing world

نمایش بیشتر

📈 تحلیل کانال تلگرام Sorowar's talks

کانال Sorowar's talks (@sorowar_talks) در بخش زبانی بنگالی بازیگری فعال است. در حال حاضر جامعه شامل 25 543 مشترک است و جایگاه 7 667 را در دسته آموزش و رتبه 832 را در منطقه بنغلاديش دارد.

📊 شاخص‌های مخاطب و پویایی

از زمان ایجاد در невідомо، پروژه رشد سریعی داشته و 25 543 مشترک جذب کرده است.

بر اساس آخرین داده‌ها در تاریخ 02 سپتامبر, 2026، کانال فعالیت پایداری دارد. در ۳۰ روز گذشته تغییر اعضا برابر -267 و در ۲۴ ساعت گذشته برابر -6 بوده و همچنان دسترسی گسترده‌ای حفظ شده است.

  • وضعیت تأیید: تأیید نشده
  • نرخ تعامل (ER): میانگین تعامل مخاطب 9.62% است و در ۲۴ ساعت نخست پس از انتشار، محتوا معمولاً 4.43% واکنش نسبت به کل مشترکان کسب می‌کند.
  • دسترسی پست‌ها: هر پست به طور میانگین 2 457 بازدید دریافت می‌کند. در اولین روز معمولاً 1 131 بازدید جمع‌آوری می‌شود.
  • واکنش‌ها و تعامل: مخاطبان به‌طور فعال حمایت می‌کنند؛ میانگین واکنش به هر پست 50 است.

📝 توضیح و سیاست محتوایی

نویسنده این فضا را محل بیان دیدگاه‌های شخصی توصیف می‌کند:
Challenges of changing world

به لطف به‌روزرسانی‌های پرتکرار (آخرین داده در تاریخ 03 سپتامبر, 2026)، کانال همواره به‌روز و دارای دسترسی بالاست. تحلیل‌ها نشان می‌دهد مخاطبان به‌طور فعال با محتوا تعامل دارند و آن را به نقطه اثرگذاری مهم در دسته آموزش تبدیل کرده‌اند.

25 543
مشترکین
-624 ساعت
-567 روز
-26730 روز

در حال بارگیری داده...

ابر برچسب‌ها
هیچ داده‌ای
مشکلی وجود دارد؟ لطفاً صفحه را تازه کنید یا با مدیر پشتیبانی ما تماس بگیرید.
اشارات ورودی و خروجی
---
---
---
---
---
---
جذب مشترکین
سپتامبر '26
سپتامبر '260
در 2 کانال‌ها
اوت '26
+22
در 3 کانال‌ها
Get PRO
ژوئیه '26
+34
در 4 کانال‌ها
Get PRO
ژوئن '26
+24
در 2 کانال‌ها
Get PRO
مه '26
+45
در 2 کانال‌ها
Get PRO
آوریل '26
+20
در 3 کانال‌ها
Get PRO
مارس '26
+12
در 3 کانال‌ها
Get PRO
فوریه '26
+42
در 4 کانال‌ها
Get PRO
ژانویه '26
+65
در 4 کانال‌ها
Get PRO
دسامبر '25
+31
در 7 کانال‌ها
Get PRO
نوامبر '25
+41
در 3 کانال‌ها
Get PRO
اکتبر '25
+78
در 4 کانال‌ها
Get PRO
سپتامبر '25
+48
در 2 کانال‌ها
Get PRO
اوت '25
+734
در 12 کانال‌ها
Get PRO
ژوئیه '25
+70
در 6 کانال‌ها
Get PRO
ژوئن '25
+340
در 5 کانال‌ها
Get PRO
مه '25
+643
در 9 کانال‌ها
Get PRO
آوریل '25
+105
در 5 کانال‌ها
Get PRO
مارس '25
+63
در 4 کانال‌ها
Get PRO
فوریه '25
+263
در 5 کانال‌ها
Get PRO
ژانویه '25
+640
در 6 کانال‌ها
Get PRO
دسامبر '24
+237
در 9 کانال‌ها
Get PRO
نوامبر '24
+236
در 15 کانال‌ها
Get PRO
اکتبر '24
+442
در 12 کانال‌ها
Get PRO
سپتامبر '24
+1 203
در 23 کانال‌ها
Get PRO
اوت '24
+4 729
در 24 کانال‌ها
Get PRO
ژوئیه '24
+443
در 11 کانال‌ها
Get PRO
ژوئن '24
+1 167
در 8 کانال‌ها
Get PRO
مه '24
+5 707
در 16 کانال‌ها
Get PRO
آوریل '24
+251
در 8 کانال‌ها
Get PRO
مارس '24
+647
در 5 کانال‌ها
Get PRO
فوریه '24
+368
در 3 کانال‌ها
Get PRO
ژانویه '24
+2 733
در 19 کانال‌ها
Get PRO
دسامبر '23
+1 677
در 19 کانال‌ها
Get PRO
نوامبر '23
+1 709
در 18 کانال‌ها
Get PRO
اکتبر '23
+7 163
در 3 کانال‌ها
تاریخ
رشد مشترکین
اشارات
کانال‌ها
03 سپتامبر0
02 سپتامبر0
01 سپتامبر0
پست‌های کانال
মাদ্রাসায় বলাতকারের ইস্যু সরকার সমাধান করতে পারবে না। ফুলস্টপ। সরকার তো স্কুলই ঠিকমতো চালাতে পারে না। যেখানে সমাজের অনেক সুবিধাবঞ্চিত মানুষের সন্তানরা পড়াশুনা করে সেখানে মাদ্রাসা শিক্ষায় জড়িত ওলামা-মাশায়েখদেরই এই সমস্যা সমাধানে বেশী উদ্বিগ্ন এবং সোচ্চার হতে হবে। এই ইস্যু সিরিয়াসলি না নিলে এই অঞ্চলে গত কয়েকশ বছরে গড়ে উঠা ইসলামিক সোস্যাল ক্যাপিটাল (সামাজিক বিশ্বাস) নষ্ট হয়ে যাবে। সামাজিক বিশ্বাস আসলে কি জিনিস ? যে মানুষ নিজেদের জীবনের জন্য এত মায়া, সেই মানুষই চিকিৎসকের চাকুর নীচে নিজেদের জীবন শপে দেয়! অপারেশনের আগে চেতনাহীন করা হয়। সে আর ফিরে না আসতে পারে বিধায় মৃ/ত্যুর পরোয়ানায় স্বাক্ষরও করে যাতে চিকিৎসকের ওপর দায় না আসে। কেন? এটা বিশ্বাসের কারণে, চিকিৎসকরা এই বিষয়ে জ্ঞানী। অন্যদিকে দ্বীন শিক্ষা দেয়ার জন্য পিতামাতা তার অত্যন্ত আদরের ছোট শিশুকে মাদ্রাসার জিম্মায় রেখে আসে। কিন্তু দেখা গেলো- সেই আদরের শিশুটিকে শিক্ষার্থী এবং শিক্ষক ১০ জন মিলে ৬ মাসব্যাপী বলাত কার করলো! যদি এই অপরাধ প্রতিকারে নিষ্ঠাবান হতে দৃষ্টান্ত তুলে না ধরতে পারলে এসব ঘটনার পর কি সাধারণ মুসলিমরা কি মাদ্রাসার প্রতি বিশ্বাস ধরে রাখতে পারবে? ম*মকাম অভ্যাস মাদকের মতো যা চরিতার্থ করতে শিশুর ওপর ঝাপিয়ে পড়ার প্রবনতাই বেশি দেখা যায়। এটা অনেক গবেষণায় উঠে এসেছে। আমার প্রকাশিত বইতে বিস্তারিত আলোকপাত করা হয়েছে। যে বিকৃত আসক্তি তথা অপরাধে শিকার হতে পারে শিশু, পরিবার সিস্টেম, সেই অপরাধকেই এলজি অধিকারের নামে সমাজের অনেক উচ্চশিক্ষিত, প্রভাবশালীরা বৈধ করতে আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। দেশের ওলামা মাশায়েখদের যথাযথ লিডারশীপ ছাড়া এলজি এজেন্ডা প্রতিরোধ করা অসম্ভব। হে মুসলিম, আপনারা আর কতকাল ঘুমাবেন? । ড মোহাম্মদ সরোয়ার হোসেন শিক্ষক ও গবেষক

2
রিসার্চ আপডেট কমিউনিটি বেইজড দুটো ওরিজিনাল রিসার্চ পেপার পাবলিকেশন হওয়ার পথে। একটা হচ্ছে কমিউনিটি পর্যায়ে সীমাবদ্ধতার মাঝেও অবহেলিত ও দরিদ্র থ্যালাসেমিয়া রোগীদের সাপোর্ট সিস্টেম (ইন্টারভেনশন) নিয়ে আমাদের দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টা এবং আরেকটি হচ্ছে প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে অবহেলিত ও দরিদ্র শয্যাশায়ী মরণাপন্ন রোগীদের সাপোর্ট সিস্টেম (হোম বেইজড প্যালিয়েটিভ কেয়ার) নিয়ে প্রচেষ্টা। বিনা ফান্ডিং এ কমিউনিটি পর্যায়ে এই ধরণের গবেষণা শুরু করাও দু:সাহসিক কাজ। আবেগ থেকে শুরু করা কাজগুলো দিয়ে শুধু পেপার পাবলিকেশন তেমন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নয়; রোগীদের কীভাবে সাপোর্ট দেয়া যায় তা মুখ্য বিষয়। রিসার্চ পেপারগুলো থেকে প্রকৃত প্রচেষ্টার লেভেল অনুধাবন করা কঠিন। এগুলো বিশ্বের জন্য ডকুমেন্টেশন করা জরুরী। দেশে কাজে না লাগলেও বিশ্বের অন্যকোন দেশে কেউ কেউ অনুপ্রাণিত হতে পারেন। দেশে কমিউনিটি পর্যায়ে এত কাজ করার সুযোগ আছে তা অনেকের কল্পনারও বাইরে। আমাদের রিসার্চ টিমে নতুন নতুন কর্মঠ মেম্বার দরকার। আমাদের সাথে কাজ করলে চাইলে রিসার্চের বেসিক আগে শিখতে হবে। আমাদের রিসার্চ ট্রেইনিং এর Fall 2026 Semester এর রেজিষ্ট্রেশন শুরু হয়েছে। বিস্তারিত লিংকে আছে। #sorowar_research #communitybasedresearch #ResearchWay https://www.facebook.com/share/p/1Biv1UeR79/
1 314
3
হাসনাত আব্দুল্লাহ নৌকাবাইচ নিয়ে সংসদে কথা উঠান সংস্কৃতি রক্ষার নামে, কিন্তু পরিবার, সমাজ, সংস্কৃতি বিধংসী এলজি বিয়ে নিয়ে চুপ থাকেন। তারা ইসলাম প্র‍্যাক্টিশ করা মানুষের সমর্থন পেয়ে সংসদে যান, কিন্তু পশ্চিমাদের প্রিয়ভাজন হতে কিছুটা ইসলাম ব্যাশিং এ ভূমিকা রাখেন। আফসোস। https://www.facebook.com/share/p/1Mhw38r4En/
2 565
4
https://www.dailyamardesh.com/national/amdy9oxea4h5j
3 201
5
بدون متن...
2 965
6
بدون متن...
2 775
7
بدون متن...
2 459
8
ট্রান্সজেন্ডার হোচিমিন যার ডাকনাম রোকন
ট্রান্সজেন্ডার হোচিমিন যার ডাকনাম রোকন
2 560
9
শুধু এমপি রুমিন ফারহান নয়, প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকিরও একই এলজি গ্রুপের সাথে সখ্যতা আছে। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ পাবলিক ফোরামে এলজি এজেন্ডার পক্ষ নিয়েছে।
2 401
10
بدون متن...
2 581
11
بدون متن...
1 874
12
بدون متن...
1 785
13
খুবই আশা জাগানিয়া খবর। বাংলাদেশের নেতৃস্থানীয় আলেম-ওলেমা-হেফাজত এলজি বিরোধী এজেন্ডা গ্রহন করেছেন। এলজিবান্ধব শ্রম আইন বাতিলের
খুবই আশা জাগানিয়া খবর। বাংলাদেশের নেতৃস্থানীয় আলেম-ওলেমা-হেফাজত এলজি বিরোধী এজেন্ডা গ্রহন করেছেন। এলজিবান্ধব শ্রম আইন বাতিলের দাবী জানিয়ে সেমিনার করবেন।
2 023
14
بدون متن...
2 528
15
চলমান ট্রান্সজেন্ডারবাদ ইস্যুতে আসিফ মাহতাবের শক্তিশালী প্রতিবাদ। শেখার অনেক কিছু আছে। https://www.facebook.com/share/v/1EtXccpSub/ ড সরোয়ার
2 314
16
এলজিবিটি নিয়ে চ্যানেল আই এর তৃতীয়মাত্রা জিল্লুর রহমানের মিথ্যাচারের জবাব। সমাজে বিকৃতি প্রতিষ্ঠার বিরুদ্ধে সোচ্চার হউন। পরিবা
এলজিবিটি নিয়ে চ্যানেল আই এর তৃতীয়মাত্রা জিল্লুর রহমানের মিথ্যাচারের জবাব। সমাজে বিকৃতি প্রতিষ্ঠার বিরুদ্ধে সোচ্চার হউন। পরিবার ও ঈমান রক্ষায় বার্তাটি ছড়িয়ে দিন। https://www.facebook.com/share/v/1CM5bB3tDv/ ড মোহাম্মদ সরোয়ার হোসেন
2 392
17
بدون متن...
2 010
18
এলজিবিটি নিয়ে চ্যানেল আই এর তৃতীয়মাত্রা জিল্লুর রহমানের মিথ্যাচারের জবাব। সমাজে বিকৃতি প্রতিষ্ঠার বিরুদ্ধে সোচ্চার হউন। পরিবার ও ঈমান রক্ষায় বার্তাটি ছড়িয়ে দিন। https://www.facebook.com/share/v/1CM5bB3tDv/ ড মোহাম্মদ সরোয়ার হোসেন
1
19
এই তিন নারী ডাঃ খাদিজার প্রশ্ন এড়িয়ে গিয়ে তৃতীয় লিঙ্গ বা হিজড়াদের রাজনৈতিক মাঠে স্পেস দেওয়ার পক্ষে মত দেন, কিন্তু রাজনৈতিক মাঠে অলরেডি তৃতীয় লিঙ্গ বা হিজড়ারা এক্সিজিস্ট করতেছে বিগত স্বৈরাচার আমলেও তৃতীয় লিঙ্গ বা হিজড়ারা নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করে। তাহলে এই তিন নারী কোন হিজড়াদের রাজনৈতিক মাঠে স্পেস দেওয়ার কথা বলতেছে? সোজা উত্তর হলো হোচিমিন তথা মনে মনে মেয়ে দাবী করা ছেলেদের, সোজা বাংলায় লিঙ্গবাটপারদের। এই বিষয়টা আরো স্পষ্ট করেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি জহরত আদিব চৌধুরী, বেশ কিছুদিন আপনারা হয়তো চাকরি কিংবা কোন কাজের জন্য ফর্ম পুরুণ করতে গেলে দেখেন লিঙ্গ চিহ্নিত ঘরে নতুন একটা ঘর যোগ করা হয়েছে মেল, ফিমেল, থার্ডজেন্ডার, এবং অন্যান্য। এই চর্তুথ ঘরটা অর্থাৎ অন্যান্য নিয়ে জহরত আদিব চৌধুরী বলেন আমরা যদি স্বীকার করি ফর্মের মধ্যে যদি একটা থার্ড জেন্ডারের জায়গা থাকে তাহলে তাদের রাইটস নিয়েও কথা বলতে দিতে হবে। প্রসংগ অনুযায়ী তিনি থার্ডজেন্ডার বলতে ওই অন্যান্যকেই বুঝিয়েছেন। তার এই কথা আরো স্পষ্ট হয় যখন তিনি বলেন আমাদের দেশে তো শরিয়া আইন চলেনা। ভিডিও : চ্যানেল আই #fridaypost #explain
2 069
20
*খুবই গুরুত্বপূর্ণ- এলজিবিটি বৈধ করার পথে হাটছে* ২০০৫ সালের ১০ এপ্রিল নেপাল সরকার জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের কার্যালয়ের সঙ্গে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করে। চুক্তির উদ্দেশ্য ছিল নেপালে একটি জাতিসংঘের OHCHR কার্যালয় প্রতিষ্ঠা করা এবং দেশটির মানবাধিকার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা। চুক্তির পর ২০০৫ সালের মে মাসে OHCHR-এর প্রতিনিধি নেপালে পৌঁছান। শুরুতে প্রায় ১০ জন মানবাধিকার কর্মকর্তা ও সহায়ক কর্মী নিয়ে কার্যালয়টির কার্যক্রম শুরু হয়। জাতিসংঘের নথি অনুযায়ী, এটি সে সময় OHCHR-এর সবচেয়ে বড় স্বতন্ত্র মাঠপর্যায়ের মানবাধিকার মিশনগুলোর একটি ছিল। জাতিসংঘের এই সংস্থার কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর দুইবছর নেপালের টেলিভিশন, সংবাদমাধ্যম এবং কথিত প্রগতিশীল সমাজে যেই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা দেখা যায় সেটি হচ্ছে সমকামীদের স্বীকৃতি এবং তাদের মানবাধিকার নিয়ে আলোচনা। ২০০৭ সালে কথিত মানবাধিকারকর্মী সুনীল বাবু পান্তসহ কয়েকজন নেপাল সরকারের বিরুদ্ধে মামলা করেন। মামলায় যৌন ও সমকামীদের প্রতি বৈষম্যমূলক আইন ও রাষ্ট্রীয় আচরণের বিরুদ্ধে আইনি প্রতিকার চাওয়া হয়। ওই মামলায় ২১ ডিসেম্বর ২০০৭ নেপালের সুপ্রিম কোর্ট রায় দেয় সমকামীরাও দেশের অন্যান্য নাগরিকের মতো মৌলিক অধিকার ভোগ করবেন। একই সঙ্গে আদালত সরকারকে যৌন অভিমুখিতা ও লিঙ্গ পরিচয়ের ভিত্তিতে বৈষম্যমূলক আইন পর্যালোচনা করার নির্দেশ দেয় এবং সমকামীদের আইনি স্বীকৃতির বিষয়েও পদক্ষেপ নিতে বলে। সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পর নেপালে সমকামীদের অধিকার নিয়ে রাষ্ট্রীয় নীতিতে পরিবর্তনের পথ তৈরি হয়। সমকামীদের স্বীকৃতি, পরিচয়পত্রে লিঙ্গ পরিচয় এবং বৈষম্যবিরোধী আইনি সুরক্ষার বিষয়গুলো ধীরে ধীরে রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থায় অন্তর্ভুক্ত হতে থাকে। এরপর ২০১৫ সালে নেপাল নতুন সংবিধান গ্রহণ করে। সংবিধানে লিঙ্গ পরিচয়কে ঘিরে অধিকার ও সমতার বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়। জাতিসংঘের নথির বরাত দিয়ে ২০১৫ সালের সংবিধান সমকামীদের জন্য সমান অধিকারের সাংবিধানিক ভিত্তি তৈরি করে। স্বীকৃতি দিলেও সমকামী বিবাহের বিষয়টি আরও পরে আইনি পর্যায়ে আসে। ২০২৩ সালে নেপালের সুপ্রিম কোর্টের একটি অন্তর্বর্তী আদেশের পর স্থানীয় প্রশাসনকে সমলিঙ্গের দম্পতিদের বিবাহ নিবন্ধনের সুযোগ দেওয়ার পথ তৈরি হয়। একই বছরের নভেম্বরে মায়া গুরুং ও সুরেন্দ্র পান্ডের বিবাহ নেপালে প্রথম আইনগতভাবে নিবন্ধিত LGBTQ+ বিবাহ হিসেবে ব্যাপকভাবে আলোচিত হয়। এবার আসুন বাংলাদেশে : গতবছর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় জাতিসংঘের সেই মানবাধিকার সংস্থা ঢাকায় তাদের কার্যালয় খোলে। সেই থেকে এখন পর্যন্ত টেলিভিশন, সংবাদমাধ্যম গুলাতে সরাসরি সমকামীদের পক্ষে অ্যাডভোকেসি করা হচ্ছে, আর এই অ্যাডভোকেসির গুরুদায়িত্ব পালন করছেন সেন্টার ফর গভর্নেন্স স্টাডিজের নির্বাহী পরিচালক জিল্লুর রহমান। কিছুদিন আগে ঢাকেশ্বরী মন্দিরে সমকামীদের বিয়ে নিয়ে প্রশাসনের নিরবতায় আমরা প্রশ্ন তুলছিলাম বিএনপি সরকার কি সমকামীদের স্বীকৃতি দেওয়ার পথে? সেই প্রশ্নের কিছু উত্তর জিল্লুর রহমানের সেন্টার ফর গভর্নেন্স স্টাডিজের এক সেমিনারে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা বিএনপির দুই নারী নেত্রী এবং এবি পার্টির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার নাসরিন সুলতানা মিলির কাছ থেকে পাওয়া যায়। পোস্টে সংযুক্ত ভিডিওতে দেখা যায় জামায়াত ইসলামির ছাত্রীসংস্থার ডাঃ খাদিজা বিনতে ইসলাম শেফা প্রশ্ন তোলেন যেভাবে ট্রান্সজেন্ডার (লিঙ্গবাটপার) দের স্পেস এবং তাদের পক্ষে অ্যাডভোকেসি করা হচ্ছে কিছুদিন পরে দেখা যাবে একটা ছেলে যে নিজেকে মনে মনে মেয়ে দাবি করে এসে আমার সাথে থাকা শুরু করলো আমার সবকিছু ইউজ করা শুরু করল — ওয়াশরুম, আমার থাকার জায়গা বা ডিফারেন্ট এরকম অনেক কিছু। বিভিন্ন হোস্টেলে আমরা যখন প্রায় অলমোস্ট এক বছর আগে , এই বিষয়টা নিয়ে কথাবার্তা বলা শুরু হয়েছে, তখন অনেকগুলো জায়গায় এই জিনিসগুলো হাইলাইট হয়েছে।""মেয়েরা এই জায়গাটায় অনেক বেশি নিরাপত্তাহীনতা ফিল করা শুরু করেছিল। যে এখন আমরা এই বিষয়টাকে যদি মিনিমাইজ করতে না পারি, কন্ট্রোল করতে না পারি, তাহলে ইন ফিউচার দেখা যাবে যে আমার সাথে এরকম কোন একটা অকারেন্স হচ্ছে যেটাকে এই সোসাইটিও একনলেজ করে না। এন্ড এজ গার্ল বা ফিমেল, আমিও সেই বিষয়টা থেকে বের হয়ে আসতে পারছি না এবং একটা মেয়ের জন্য এটা একটা লাইফটাইম ট্রমা হিসেবে কাজ করে। ডাঃ খাদিজার মূল প্রশ্ন বা তার যে নিরাপত্তাহীনতা সেটা এড়িয়ে গিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা বিএনপির দুই নারী নেত্রী এবং এবি পার্টির ব্যারিস্টার নাসরিন সুলতানা মিলি যে উত্তর দিলো সেটা বিএনপি সরকার সমকামীদের স্বীকৃতি দেওয়ার পথে আছে বলেই ধরা যায়।
1 947