Sorowar's talks
الذهاب إلى القناة على Telegram
📈 نظرة تحليلية على قناة تيليجرام Sorowar's talks
تُعد قناة Sorowar's talks (@sorowar_talks) في القطاع اللغوي البنغالي لاعباً نشطاً. يضم المجتمع حالياً 25 881 مشتركاً، محتلاً المرتبة 7 641 في فئة التعليم والمرتبة 820 في منطقة بنغلاديش.
📊 مؤشرات الجمهور والحراك
منذ تأسيسه في невідомо، حقق المشروع نمواً سريعاً وجمع 25 881 مشتركاً.
بحسب آخر البيانات بتاريخ 21 يوليو, 2026، تحافظ القناة على نشاط مستقر. خلال آخر 30 يوماً تغيّر عدد الأعضاء بمقدار -267، وفي آخر 24 ساعة بمقدار -13، مع بقاء الوصول العام مرتفعاً.
- حالة التحقق: غير موثّقة
- معدل التفاعل (ER): يبلغ متوسط تفاعل الجمهور 13.06%. وخلال أول 24 ساعة من النشر يحصد المحتوى عادةً 4.32% من ردود الفعل نسبةً إلى إجمالي المشتركين.
- وصول المنشورات: يحصل كل منشور على متوسط 3 380 مشاهدة. وخلال اليوم الأول يجمع عادةً 1 119 مشاهدة.
- التفاعلات والاستجابة: يتفاعل الجمهور بانتظام؛ متوسط التفاعلات لكل منشور يبلغ 31.
📝 الوصف وسياسة المحتوى
يصف المؤلف القناة بأنها مساحة للتعبير عن الآراء الذاتية:
“Challenges of changing world”
بفضل وتيرة التحديث المرتفعة (أحدث البيانات بتاريخ 22 يوليو, 2026) تحافظ القناة على حداثتها ومستوى وصول مرتفع. وتُظهر التحليلات تفاعلاً نشطاً من الجمهور، ما يجعلها نقطة تأثير مهمة ضمن فئة التعليم.
25 881
المشتركون
-1324 ساعات
-607 أيام
-26730 أيام
جاري تحميل البيانات...
القنوات المماثلة
سحابة العلامات
لا توجد بيانات
هل تواجه مشاكل؟ يرجى تحديث الصفحة أو الاتصال بمدير الدعم الخاص بنا.
الإشارات الواردة والصادرة
---
---
---
---
---
---
جذب المشتركين
يوليو '26
يوليو '26
+15
في 1 قنوات
يونيو '26
+24
في 2 قنوات
Get PRO
مايو '26
+45
في 2 قنوات
Get PRO
أبريل '26
+20
في 3 قنوات
Get PRO
مارس '26
+12
في 3 قنوات
Get PRO
فبراير '26
+42
في 4 قنوات
Get PRO
يناير '26
+65
في 4 قنوات
Get PRO
ديسمبر '25
+31
في 7 قنوات
Get PRO
نوفمبر '25
+41
في 3 قنوات
Get PRO
أكتوبر '25
+78
في 4 قنوات
Get PRO
سبتمبر '25
+48
في 2 قنوات
Get PRO
أغسطس '25
+734
في 12 قنوات
Get PRO
يوليو '25
+70
في 6 قنوات
Get PRO
يونيو '25
+340
في 5 قنوات
Get PRO
مايو '25
+643
في 9 قنوات
Get PRO
أبريل '25
+105
في 5 قنوات
Get PRO
مارس '25
+63
في 4 قنوات
Get PRO
فبراير '25
+263
في 5 قنوات
Get PRO
يناير '25
+640
في 6 قنوات
Get PRO
ديسمبر '24
+237
في 9 قنوات
Get PRO
نوفمبر '24
+236
في 15 قنوات
Get PRO
أكتوبر '24
+442
في 12 قنوات
Get PRO
سبتمبر '24
+1 203
في 23 قنوات
Get PRO
أغسطس '24
+4 729
في 24 قنوات
Get PRO
يوليو '24
+443
في 11 قنوات
Get PRO
يونيو '24
+1 167
في 8 قنوات
Get PRO
مايو '24
+5 707
في 16 قنوات
Get PRO
أبريل '24
+251
في 8 قنوات
Get PRO
مارس '24
+647
في 5 قنوات
Get PRO
فبراير '24
+368
في 3 قنوات
Get PRO
يناير '24
+2 733
في 19 قنوات
Get PRO
ديسمبر '23
+1 677
في 19 قنوات
Get PRO
نوفمبر '23
+1 709
في 18 قنوات
Get PRO
أكتوبر '23
+7 163
في 3 قنوات
| التاريخ | نمو المشتركين | الإشارات | القنوات | |
| 22 يوليو | +2 | |||
| 21 يوليو | 0 | |||
| 20 يوليو | +1 | |||
| 19 يوليو | +2 | |||
| 18 يوليو | +3 | |||
| 17 يوليو | 0 | |||
| 16 يوليو | 0 | |||
| 15 يوليو | 0 | |||
| 14 يوليو | +4 | |||
| 13 يوليو | 0 | |||
| 12 يوليو | 0 | |||
| 11 يوليو | 0 | |||
| 10 يوليو | +1 | |||
| 09 يوليو | 0 | |||
| 08 يوليو | 0 | |||
| 07 يوليو | 0 | |||
| 06 يوليو | +1 | |||
| 05 يوليو | 0 | |||
| 04 يوليو | +1 | |||
| 03 يوليو | 0 | |||
| 02 يوليو | 0 | |||
| 01 يوليو | 0 |
منشورات القناة
*মাদ্রাসার সংস্কার নয়, মূল টার্গেট মাদ্রাসা ব্যবস্থাকেই আঘাত করা*
অবক্ষয় শুধু আমাদের সমাজে নয়, সারা বিশ্বেই ব্যাপক আকারে বিস্তৃতি ঘটেছে। সমাজের অধঃপতনের প্রভাব থেকে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকও মুক্ত নন। ফলে তাঁদের মধ্যেও কেউ কেউ নেতিবাচক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছেন।
সাম্প্রতিক কয়েকটি ঘটনা লাইমলাইটে আসা ইতিবাচক মনে হয়। এর ফলে মাদ্রাসা ব্যবস্থার সংস্কার হবে।
সমাজের নৈতিকতার অন্যতম কান্ডারি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলো। সেগুলোর সঙ্গে যদি অনৈতিক কর্মকাণ্ড জড়িয়ে যায়, তবে এই অঞ্চলের মুসলিম পরিচয় এক সময় বিলীন হয়ে যাবে।
আমার বিভিন্ন পোস্টের মন্তব্যসহ সোস্যাল মিডিয়ায় দেখছি, ইসলামবিরোধীরা এসব ব্যক্তিকেন্দ্রিক ঘটনাগুলোকে পুঁজি করে পুরো মাদ্রাসা ব্যবস্থাকেই বিলুপ্ত করতে মরিয়া। *তারা ব্যক্তির অপরাধকে পুরো ব্যবস্থার অপরাধ হিসেবে উপস্থাপন করার চেষ্টা করছে।*
সরকারি হিসাব অনুযায়ী দেশে কমপক্ষে *৩ লাখ ৫০ হাজার মসজিদ রয়েছে* । নিবন্ধিত ও অনিবন্ধিত মসজিদ, মাদ্রাসা, মক্তব, ইবতেদায়ি, খানকাসহ বিভিন্ন ধরনের ইসলামী প্রতিষ্ঠান মিলিয়ে *এ সংখ্যা ৬–৭ লাখেরও বেশি* । *এর পাশাপাশি তাবলিগের একটি বিস্তৃত নেটওয়ার্কও রয়েছে।* এসব প্রতিষ্ঠানের একটি বড় অংশ কওমি মাদ্রাসা ধারার সঙ্গে সম্পৃক্ত।
যেভাবেই চেষ্টা করা হোক না কেন, দেশের ইসলামী প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিলুপ্ত করা সম্ভব নয়। এ দেশে ইসলাম আল্লাহর ইচ্ছায় এসেছে, ইনশাআল্লাহ ইসলাম থাকবে। চেষ্টা করা হলে ৫ আগস্টের মতো আবার জেগে উঠবে।
ভাবতে অবাক লাগে, *কিছু সমকামী অ্যাক্টিভিস্টও সমকামিতার* জন্য মাদ্রাসাকেই দায়ী করার চেষ্টা করছে! তারা এখন আবার সুফি-সাধুক সেজেছেন!
মাদ্রাসা বা কোনো ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান থেকে কি কখনো এলজিবিটি অধিকার দাবি করা হয়েছে?
বরং ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে এ ধরনের আচরণকে গর্হিত হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে।
যারা সমকামিতার মতো বিকৃত আচরণে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছে এবং যারা শিশু যৌন অপরাধে জড়িত—তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
এ ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের পক্ষে ব্যাপক আওয়াজ উঠলে কিন্তু কান্নাকাটির রোল পড়ে যাবে, কারোর কারোর চিন্তা হবে, 'আব্বু' তথা পশ্চিমা দাতা দেশ বা সংস্থাগুলো যদি মাইন্ড করে, আবার এনজিও সেক্টরের অনেকে খাবো কি চিন্তায় অস্থির হয়ে উঠবেন...
মুসলিম হিসেবে আমাদের প্রত্যাশা হওয়া উচিত, মাদ্রাসাসহ সমাজের প্রতিটি ক্ষেত্রে ধর্মীয় নৈতিকতার আলোকে প্রয়োজনীয় সংস্কার নিশ্চিত করা।
ড মোহাম্মদ সরোয়ার হোসেন
| 2 | *১৮ জুলাই ২০২৪-এর স্মৃতি*
https://www.facebook.com/mohammad.hossain.182/posts/pfbid02aG8GaZy67e2hC587GXLNifK6Er1iu17mdYEUvZNkTmkecrdrk7YybuXorxBXmnngl
ড সরোয়ার | 1 727 |
| 3 | আজ সারাদিন ঘুরেফিরে ১৮ জুলাই ২০২৪-এর স্মৃতি রোমন্থন করছি।
সকাল শুরু হয়েছিল উৎকণ্ঠা দিয়ে। সকাল ১১টার পর থেকে একের পর এক ভয়ংকর খবর আসতে লাগল। প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর বর্বর হামলার খবর শুনে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে গিয়ে তৎকালীন আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আনোয়ার সাহেবের (বর্তমানে কর্ম কমিশনের প্রধান) সঙ্গে সাক্ষাৎ করি।
আমি তাঁকে বোঝানোর চেষ্টা করি যে আমাদের শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়াতে হবে। তিনি বিষয়টি অনুধাবন করছিলেন, কিন্তু তেমন কোনো উদ্যোগ নিতে পারছিলেন না। ব্র্যাক ও নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় তাদের শিক্ষার্থীদের আইনি ও চিকিৎসা সহায়তা দিচ্ছে—তাহলে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় কেন বসে থাকবে? তিনি অন্যান্য ফ্যাকাল্টির সঙ্গে আলোচনা করার পরামর্শ দিলেন।
কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে একটি টিম গঠনের চেষ্টা চলছিল। দুপুর ১২টার দিকে সরকারের একটি বিশেষ বাহিনীর পক্ষ থেকে ফোনে আমাকে সতর্ক করা হলো। বলা হলো, ফেসবুকে যেন কোনো লেখালেখি না করি।
এরই মধ্যে আমি বসুন্ধরা গেটের সমাবেশে যাওয়ার জন্য বের হয়েছি। আমার ছাত্র ওয়াকিল বারবার ফোন দিচ্ছিল, “স্যার, চলে আসেন। আসিফ মাহতাব স্যারও সমাবেশে চলে এসেছেন।”
শরীফা ইস্যুতে আমাকে নিয়ে যেহেতু অনেক ঘটনা ঘটেছিল, তাই বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন প্রশাসন কিছুটা ভীত ছিল। তারা আশঙ্কা করছিলেন, আমার কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপর চাপ আসতে পারে। সেই চিন্তা থেকেই কয়েকজন ফ্যাকাল্টি আমাকে সমাবেশ এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেন।
আহত শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন ক্লিনিকে খোঁজ নেওয়ার জন্য যে টিম গঠন করা হয়েছিল, সেখানে আমাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। বিকেল ৩টার দিকে সেই টিমে যোগ দিতে বাসা থেকে রিকশায় উঠেছি। ঠিক তখনই ক্যাম্পাস থেকে ফোন এলো—আমাকে আসতে নিষেধ করা হলো। শিক্ষার্থীরা আপনাকে দেখলে আবেগতাড়িত হতে পারে, এ কথা ফোনে জানালেন ড জাহাংগীর ভাই।
বাসায় থেকে গেলাম। মানসিকভাবে ভেঙে পড়ছিলাম। বিভিন্ন গ্রুপে আপডেট দিচ্ছিলাম। সন্ধ্যার পর কান্না থামাতে পারছিলাম না। তখনই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনিয়র অধ্যাপকদের একটি গ্রুপে একটি ভয়েস মেসেজ দিয়ে আবেগঘন ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলাম।
অবশেষে শুরু হলো ভয়াবহ মানসিক যন্ত্রণার ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট। রাতে ঘুমাতে পারিনি। ঢাকায় কী হচ্ছে, তা জানার কোনো উপায় ছিল না।
নেট ব্ল্যাকআউটের সময় আব্দুল্লাহ সাঈদকে (ছাগলকাণ্ডের জন্য পরিচিত, বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা) ফোন করে খবর নেওয়ার চেষ্টা করি। তিনি সাহস দিয়ে বললেন, “সরোয়ার ভাই, আশা এখনো আছে। যাত্রাবাড়ীতে ব্যাপক প্রতিরোধ হচ্ছে। সরকার টিকতে পারবে না।”
যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ায় সবার মধ্যে হতাশা গ্রাস করেছিল। আমি আশাব্যঞ্জক কিছু কথা লিখে ফোনে বার্তা হিসেবে ২০–২৫ জনকে পাঠাতাম। পরে শুভাকাঙ্ক্ষীরা জানালেন, আমার পাঠানো বার্তাগুলো পুলিশের কাছেও জমা হচ্ছে। তাঁরা আর কোনো বার্তা না পাঠানোর পরামর্শ দিলেন, কারণ এতে সবাই বিপদে পড়তে পারে।
আমার কয়েকজন শিক্ষার্থী নিয়মিত খবর জানাত। আহতদের চিকিৎসার জন্য অর্থ সংগ্রহের অনুরোধও করত।
ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট শেষ হওয়ার পর জানতে পারলাম, পুলিশ আমার ফোন ট্র্যাক করছিল। ব্লক রেইডের সময় আমাকে গ্রেপ্তার তালিকায় রাখা হয়েছিল। একজন সাংবাদিক ভাই (যদিও তখন তাঁকে তেমন চিনতাম না), যিনি পুলিশ বিভাগ থেকে খবর সংগ্রহ করতেন, বিশেষভাবে জানালেন—আমি যেন বাসা ছেড়ে কয়েক দিনের জন্য অন্য কোথাও চলে যাই। তিনি মাঝেমধ্যে খবর দিতেন যে আমাকে খোঁজা হচ্ছে।
যেদিন সিদ্ধান্ত নিলাম বাসা ছেড়ে চলে যাব, সেদিন বুঝলাম—বিপদের সময় আশ্রয় দেওয়ার মানুষের সংখ্যা খুব বেশি নয়। বসুন্ধরার একজন সহকর্মী সেদিন রাতে তাঁর বাসায় আমাকে আশ্রয় দিয়েছিলেন।
পরের দিন আমার এক শিক্ষার্থী আমাকে মিরপুরে এক আত্মীয়ের বাসায় পৌঁছে দেয়। সেখানে দুই দিন থাকার পর মনে হলো, জায়গাটি নিরাপদ নয়। পরে সেখান থেকে আমার জুনিয়র বন্ধু বাক্কার আমাকে উত্তরায় তার বাসায় নিয়ে যায়।
ব্ল্যাকআউটের সময় ফোনে একটি ভয়েস ডায়েরি তৈরি করছিলাম। বাসা ছাড়ার সময় পরামর্শ দেওয়া হলো, এই ফোনটি সঙ্গে নেওয়া যাবে না। তাই ফোনটি ফ্যাক্টরি রিসেট করা হলো। এক প্রেসেই সব স্মৃতি হারিয়ে গেল।
খুব খারাপ লাগছিল। তখন সন্তানরা আমাকে বুঝিয়েছিল, “তুমি বেঁচে থাকলে অনেক কিছু করতে পারবে। তোমাকে বেঁচে থাকতে হবে।”
#জুলাই_স্মৃতি, #sorowar_diary | 1 685 |
| 4 | জুলাই গণঅভ্যুত্থান নিয়ে আমাদের গবেষণা, বই, মিডিয়া প্রতিবেদন
https://brfbd.org/july-uprising/
সাতটি আন্তর্জাতিক রিসার্চ পেপার। একটি বই। আর সেই সাথে সেগুলোর প্রিন্ট, অনলাইন ও ভিডিও নিউজ।
প্রফেসর ড মোহাম্মদ সরোয়ার হোসেন | 2 323 |
| 5 | 'ফার্মের মুরগি' নিয়ে দুটি কথা
দুই সন্তানের পিতা হিসেবে নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করছি। এই ট্যাগিংয়ে আমার সন্তানরা খুব কষ্ট পায়। ঢাকা শহরে বেড়ে ওঠা শিশুরা আমাদের সময়ে মফস্বল শহর বা গ্রামে বেড়ে উঠাদের মতো খেলাধুলার সুযোগ পায় না।
সিঙ্গাপুর থেকে ২০১২ সালে দেশে ফিরে আসি। তখন আমার এক সন্তান দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
দেশে ফিরে বনশ্রীতে আবার সংসার শুরু করি। সিঙ্গাপুরে থাকাকালীন আমার সন্তানের খেলাধুলার অনেক সুযোগ ছিল; নিয়মিত সাইকেল চালাত। কিন্তু দেশে ফিরে সে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে। বন্ধু নেই, খেলার জায়গা নেই। জানালার পাশে দাঁড়িয়ে শুধু কাঁদত। তার চেহারা দেখে মনে হতো, দেশে সম্ভবত আমরা সেটেল হতে পারব না। মাঝে মাঝে মনে হতো ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকতা ছেড়ে আবার বিদেশে চলে যাই।
অবশেষে ২০১৪ সালে দ্বিতীয় সন্তান হওয়ার পর শিক্ষকতা ছেড়ে ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালসে যোগ দিই এবং উত্তরায় চলে যাই। এর পেছনে সবচেয়ে বড় প্রেরণা ছিল, সন্তানরা যেন খেলাধুলা করতে পারে এবং ইসলামিক মূল্যবোধের পরিবেশে পড়াশোনা করার সুযোগ পায়। তাছাড়া, ব্র্যাকেও তখন গবেষণার অনুকূল পরিবেশ ছিল না। আরও কিছু ব্যক্তিগত ও পেশাগত কারণও ছিল।
যাই হোক, আব্বা হঠাৎ ইন্তেকাল করার পর বসুন্ধরায় চলে আসি, কারণ সেখানে আমার ছোট ভাই থাকত। পরে সে কানাডায় স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করে।
বসুন্ধরা এত বড় আবাসিক এলাকা, কিন্তু শিশুদের খেলাধুলার জন্য পর্যাপ্ত জায়গা রাখা হয়নি। বর্তমানে এখানে গলফ কোর্সও আছে, কিন্তু শিশুরা নিরাপদে সাইকেল চালাতে পারে—এমন ফুটপাতও নেই।
বসুন্ধরার পরিকল্পনায় শিশুদের প্রয়োজনের প্রতি নূন্যতম গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। সরকারও এখানে কার্যকরভাবে নিজস্ব নিয়মকানুন বাস্তবায়ন করতে পারেনি। প্রতিটি ব্লকে শিশুদের জন্য খেলাধুলার জায়গা বরাদ্দ রাখা উচিত ছিল। কিন্তু এই এলাকার অনেক বাসিন্দাও কমিউনিটির স্বার্থের ব্যাপারে তেমন ভাবিত নন, আত্নকেন্দ্রিকতাকেই বেশি গুরুত্ব দেন।
ঢাকায় বেড়ে ওঠা শিশুরা খেলাধুলার অভাবে 'ফার্মের মুরগি' তকমা পেয়েছে। তারা এক অর্থে গ্রামের শিশুদের তুলনায় বঞ্চিত। গ্রামের শিশুরা হয়তো পুষ্টির ঘাটতিতে ভোগে, কিন্তু তারা তুলনামূলকভাবে মানসিকভাবে সমৃদ্ধ, কারণ তারা প্রকৃতির সঙ্গে মিশে বড় হওয়ার সুযোগ পায়।
শিশুদের খেলার অধিকার নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে গবেষণা সহযোগিতার জন্য আমাকে টানা চার মাস পরিবার থেকে দূরে থাকতে হয়েছে। সে সময় আমার বিশ্ববিদ্যালয় কোনো বেতন বা বোনাস দেয়নি। স্কলারশিপের অর্থে অস্ট্রেলিয়ায় আমার চললেও, দেশে পরিবারের খরচ আমাকে ব্যক্তিগতভাবে বহন করতে হয়েছে।
নিজের আগ্রহ থেকেই শিশুদের শারীরিক কার্যক্রমের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে ৬০টিরও বেশি দেশের গবেষকদের সঙ্গে কাজ করছি। বিশেষ করে শিশুদের ২৪-ঘণ্টার মুভমেন্ট বিহেভিয়ার—ঘুম, স্ক্রিন টাইম এবং শারীরিক কার্যক্রম—নিয়ে গবেষণা করছি।
ঢাকায় বেড়ে ওঠা শিশুরা কি ইচ্ছা করে 'ফার্মের মুরগি' হয়েছে? অবশ্যই না। এটি আমাদের নগর পরিকল্পনা ও রাষ্ট্রীয় ব্যর্থতার ফল।
গত ৫০ বছরেরও বেশি সময় ধরে পরিকল্পনাহীনভাবে নগরায়ণ হয়েছে, যেখানে মানুষের হাঁটার জায়গা পর্যন্ত নেই। ঢাকায় প্রায় ৪ কোটি মানুষ বাস করে, যা অস্ট্রেলিয়ার মোট জনসংখ্যার প্রায় দেড় গুণ। অথচ আয়তনের দিক থেকে অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশের তুলনায় অন্তত ৫১ গুণ বড়। সেই তুলনায় ঢাকা কয়েক শত গুণ ছোট এলাকায় বিপুল জনগোষ্ঠীর বসবাস। তথ্যগুলো শুধু পরিস্থিতির ব্যাপকতা অনুধাবনের জন্য উল্লেখ করলাম।
'ফার্মের মুরগি' বানানোর কারিগর হচ্ছেন সেই রাজনীতিবিদরা, যারা জনগণের অর্থে নিজেদের রাজনৈতিক ক্যারিয়ার গড়েন, অথচ নিজেদের সন্তানদের বিদেশে পাঠিয়ে দেন।
প্রফেসর ড. মোহাম্মদ সরোয়ার হোসেন
জনস্বাস্থ্য গবেষক | 2 845 |
| 6 | لا يوجد نص... | 2 320 |
| 7 | ধেয়ে আসছে এইডস মহামারী
*চলতি বছরেই যশোর নতুন করে ৪৮ জন শনাক্ত হয়েছেন, যাদের মধ্যে ৩৫ জনই বিশ্ববিদ্যালয়শিক্ষার্থী এবং সমকামী সম্পর্কের মাধ্যমে* এইচআইভিতে আক্রান্ত হয়েছেন বলে যশোর স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে। বাকি ১৩ জন বিদেশফেরত।
https://www.dhakapost.com/country/467180 | 2 615 |
| 8 | জুলাই গণভ্যুত্থানে চোখ হারানোদের ওপর আমাদের রিসার্চ ফাইন্ডিংস নিয়ে 'আমার দেশ' পত্রিকার ভিডিও প্রতিবেদন
ড মোহাম্মদ সরোয়ার হোসেন
https://www.facebook.com/reel/1006569548814935 | 2 481 |
| 9 | হাম নিয়ে আমার রিসার্চ ফাইন্ডিংস নিয়ে প্রতিবেদন করেছে।
https://thedailycampus.com/healthcare/263371 | 2 812 |
| 10 | My research article on measles has been highlighted in mainstream media
Dr Sorowar
https://www.tbsnews.net/bangladesh/health/71-critically-ill-measles-children-fail-get-icu-beds-study-1485901 | 2 871 |
| 11 | لا يوجد نص... | 3 556 |
| 12 | Our breast cancer study has been highlighted in many national media. Here is the report of The Business Standard (TBS):
https://www.tbsnews.net/bangladesh/health/low-awareness-poverty-delay-breast-cancer-diagnosis-and-treatment-bangladesh-study | 3 132 |
| 13 | لا يوجد نص... | 3 669 |
| 14 | আমাদের রিসার্চ ফাইন্ডিংস
https://www.kalerkantho.com/online/prescription/2026/07/02/1706064 | 3 200 |
| 15 | *বাংলাদেশে হামে এত শিশু মারা গেলো কেন?*
এই প্রশ্নের জবাবে আজকে আমার একটি পেপার ভালো জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে। ইউরোপে এক লক্ষ ২৮ হাজার (১২৮,০০০) শিশু হামে আক্রান্ত হলেও সেখানে মারা গিয়েছে মাত্র ৫৮ জন। কিন্তু বাংলাদেশে ভিন্ন চিত্র কেন?
আর্টিকেলের লিংক-
https://link.springer.com/article/10.1186/s41182-026-01018-1
Dr. Sorowar | 4 716 |
| 16 | لا يوجد نص... | 3 306 |
| 17 | পেপারটি পড়তে চাইলে
http://dx.doi.org/10.1002/hsr2.72718 | 3 893 |
| 18 | গুড নিউজ
বাংলাদেশের ব্রেস্ট ক্যান্সারের রোগীরা যেসব কারণে দেরীতে চিকিৎসা নেয় তা নিয়ে আমাদের একটি বিস্তারিত কাজ আজকে প্রকাশিত হয়েছে। ৩৫৫ জন রোগীর ওপর এই গবেষণাটি করা হয়েছে। এই কাজটি শুরু হয়েছিলো ২০১৭ সালে। প্রকাশিত হলো ২০২৬ সালে। অনেক চড়াই-উতরাই পার করে আজকের আলোর মুখ দেখলো। দেশে বিনা ফান্ডিং-এ কাজ করা অনেক চ্যালেঞ্জিং। সাদাকায়ে জারিয়া হিসেবে এই কাজটি করার মোটিভেশান ছিলো। বাই দ্য ওয়ে আমার অনেক গবেষণা মূলত শিশু এবং নারীদের সত্যিকারের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করতে ভূমিকা রাখতে পারে।
#sorowar_research | 4 044 |
| 19 | *বাংলাদেশে সমকামিতা ছড়ানোর মাস্টারমাইন্ড কারা? সংকট রোধে সমাজ, পরিবার ও রাষ্ট্রের করণীয়!*
*ড মোহাম্মদ সরোয়ার এর সাক্ষাৎকার*
https://www.youtube.com/watch?v=aSyIlObE38o | 5 218 |
| 20 | সাম্প্রতিককালে প্রকাশিত আমার বইটি ( *জেন্ডার প্রতারণা)* নিয়ে রিভিউ
https://www.facebook.com/share/p/1CqAvA68T4/
ড মোহাম্মদ সরোয়ার হোসেন | 4 548 |
