Ammarul Hoque
📈 تحلیل کانال تلگرام Ammarul Hoque
کانال Ammarul Hoque (@ammarulhoque) در بخش زبانی بنگالی بازیگری فعال است. در حال حاضر جامعه شامل 12 611 مشترک است و جایگاه 7 077 را در دسته دین و مذهبی و رتبه 1 839 را در منطقه بنغلاديش دارد.
📊 شاخصهای مخاطب و پویایی
از زمان ایجاد در невідомо، پروژه رشد سریعی داشته و 12 611 مشترک جذب کرده است.
بر اساس آخرین دادهها در تاریخ 26 ژوئیه, 2026، کانال فعالیت پایداری دارد. در ۳۰ روز گذشته تغییر اعضا برابر -120 و در ۲۴ ساعت گذشته برابر 13 بوده و همچنان دسترسی گستردهای حفظ شده است.
- وضعیت تأیید: تأیید نشده
- نرخ تعامل (ER): میانگین تعامل مخاطب 8.91% است و در ۲۴ ساعت نخست پس از انتشار، محتوا معمولاً 4.00% واکنش نسبت به کل مشترکان کسب میکند.
- دسترسی پستها: هر پست به طور میانگین 1 125 بازدید دریافت میکند. در اولین روز معمولاً 505 بازدید جمعآوری میشود.
- واکنشها و تعامل: مخاطبان بهطور فعال حمایت میکنند؛ میانگین واکنش به هر پست 19 است.
📝 توضیح و سیاست محتوایی
نویسنده این فضا را محل بیان دیدگاههای شخصی توصیف میکند:
“We're glimpses blinked by infinity”
به لطف بهروزرسانیهای پرتکرار (آخرین داده در تاریخ 27 ژوئیه, 2026)، کانال همواره بهروز و دارای دسترسی بالاست. تحلیلها نشان میدهد مخاطبان بهطور فعال با محتوا تعامل دارند و آن را به نقطه اثرگذاری مهم در دسته دین و مذهبی تبدیل کردهاند.
در حال بارگیری داده...
| تاریخ | رشد مشترکین | اشارات | کانالها | |
| 27 ژوئیه | 0 | |||
| 26 ژوئیه | +16 | |||
| 25 ژوئیه | 0 | |||
| 24 ژوئیه | 0 | |||
| 23 ژوئیه | 0 | |||
| 22 ژوئیه | +1 | |||
| 21 ژوئیه | +1 | |||
| 20 ژوئیه | 0 | |||
| 19 ژوئیه | +1 | |||
| 18 ژوئیه | 0 | |||
| 17 ژوئیه | 0 | |||
| 16 ژوئیه | +1 | |||
| 15 ژوئیه | +1 | |||
| 14 ژوئیه | 0 | |||
| 13 ژوئیه | 0 | |||
| 12 ژوئیه | +1 | |||
| 11 ژوئیه | 0 | |||
| 10 ژوئیه | 0 | |||
| 09 ژوئیه | 0 | |||
| 08 ژوئیه | 0 | |||
| 07 ژوئیه | +3 | |||
| 06 ژوئیه | 0 | |||
| 05 ژوئیه | +7 | |||
| 04 ژوئیه | 0 | |||
| 03 ژوئیه | 0 | |||
| 02 ژوئیه | 0 | |||
| 01 ژوئیه | 0 |
| 2 | অপেক্ষার পালা শেষ। আয়োজিত হতে যাচ্ছে আমাদের প্রথম অফলাইন আয়োজন "ফার্স্ট এইড ও জরুরি চিকিৎসা প্রশিক্ষণ" কোর্সের অফলাইন সেশন।
এই সেশনে আমরা দুইজন অভিজ্ঞ ডাক্তারের কাছে হাতে কলমে শিখতে পারব ফার্স্ট এইড ও জরুরি চিকিৎসা কীভাবে করতে হয়।
রেজিস্ট্রেশন ফর্ম ওপেন করা হয়েছে। যেকোনো বয়সের যে কেউই চাইলে রেজিষ্ট্রেশন করতে পারবে। কোনো যোগ্যতার প্রয়োজন পড়বে না।
রেজিষ্ট্রেশনের একটা নুন্যতম ফি আছে। ৫০০৳ মাত্র। কিন্তু আরো মজার ব্যাপার হচ্ছে ফার্স্টএইড কোর্সের অনলাইন রেকর্ডেড কোর্সটা আমাদের ওয়েবসাইট থেকে এনরোল করলেই আপনি এই অফলাইন সেশনটা ফ্রি পেয়ে যাবেন! অনলাইন কোর্স লিংক কমেন্টে দেয়া হয়েছে।
শুধু তাই নয়! আরো চমক হচ্ছে এই অফলাইন সেশনে স্পেশাল একটা হিজামা সেশনও হবে। মাত্র ৫০০ টাকায় কতকিছু!
Sponsor partner: Sukunlife & Haramainstore.com
অফলাইন সেশনের বিস্তারিত:
🗓 তারিখ: ৭ই আগস্ট। রোজ জুমাবার।
📍ভেন্যু:৩১/১, লেভেল ৪, ইনসাফ টুয়েন্টি ফোর কার্যালয়, তোপখানা রোড, পুরাতন পল্টন, ঢাকা।
(নারী পুরুষের উভয়ের ভেন্যু একই হবে)
⏱ সময়:
• নারীদের জন্য: সকাল ১০ টা হতে দুপুর ০২ টা
• পুরুষদের জন্য: বিকাল ৩ টা হতে সন্ধ্যা ৭ টা।
🎁 বিশেষ অফার: ফার্স্ট এইড কোর্সের স্টুডেন্ট দের জন্য অফলাইন সেশনের রেজিস্ট্রেশন ফি সম্পূর্ণ ফ্রি! কোর্সের স্টুডেন্ট ব্যতীত যারা ওয়েবসাইট থেকে ফার্স্ট এইড কোর্স এনরোল করবেন তারাও অফলাইন সেশনটি পেয়ে যাচ্ছেন সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।
💊বিশেষ আকর্ষণ:
অফলাইন সেশনে ইন্সট্যান্ট কুইজ হবে। কুইজে অংশগ্রহণ করে বিজয়ী হলেই প্রত্যেকের জন্য রয়েছে একটি করে ফার্স্ট এইড বক্স।
★অংশগ্রহণকারী সকলকেই দেয়া হবে সার্টিফিকেট★
রেজিস্ট্রেশন ফি: ৫০০৳ মাত্র
সীট সংখ্যা সীমিত। আজই রেজিষ্ট্রেশন করুন এই লিংকে গিয়ে:
https://forms.gle/oKvrgz5Wt4riyNbf7
যোগাযোগ করুন আমাদের ইনবক্সে অথবা নিম্নোক্ত নাম্বারে:
📞 ফোন: 01777385647 (হোয়াটসএপ ও টেলিগ্রাম)
🌐 ওয়েবসাইট: aoiacademy.com
📧 ইমেইল: ammarsonlineinstitutionaoi@gmail.com | 407 |
| 3 | بدون متن... | 256 |
| 4 | অপেক্ষার পালা শেষ। আয়োজিত হতে যাচ্ছে আমাদের প্রথম অফলাইন আয়োজন "ফার্স্ট এইড ও জরুরি চিকিৎসা প্রশিক্ষণ" কোর্সের অফলাইন সেশন।
এই সেশনে আমরা দুইজন অভিজ্ঞ ডাক্তারের কাছে হাতে কলমে শিখতে পারব ফার্স্ট এইড ও জরুরি চিকিৎসা কীভাবে করতে হয়।
রেজিস্ট্রেশন ফর্ম ওপেন করা হয়েছে। যেকোনো বয়সের যে কেউই চাইলে রেজিষ্ট্রেশন করতে পারবে। কোনো যোগ্যতার প্রয়োজন পড়বে না।
রেজিষ্ট্রেশনের একটা নুন্যতম ফি আছে। ৫০০৳ মাত্র। কিন্তু আরো মজার ব্যাপার হচ্ছে ফার্স্টএইড কোর্সের অনলাইন রেকর্ডেড কোর্সটা আমাদের ওয়েবসাইট থেকে এনরোল করলেই আপনি এই অফলাইন সেশনটা ফ্রি পেয়ে যাবেন! অনলাইন কোর্স লিংক কমেন্টে দেয়া হয়েছে।
শুধু তাই নয়! আরো চমক হচ্ছে এই অফলাইন সেশনে স্পেশাল একটা হিজামা সেশনও হবে। মাত্র ৫০০ টাকায় কতকিছু!
অফলাইন সেশনের বিস্তারিত:
🗓 তারিখ: ৭ই আগস্ট। রোজ জুমাবার।
📍ভেন্যু:৩১/১, লেভেল ৪, ইনসাফ টুয়েন্টি ফোর কার্যালয়, তোপখানা রোড, পুরাতন পল্টন, ঢাকা।
(নারী পুরুষের উভয়ের ভেন্যু একই হবে)
⏱ সময়:
• নারীদের জন্য: সকাল ১০ টা হতে দুপুর ০২ টা
• পুরুষদের জন্য: বিকাল ৩ টা হতে সন্ধ্যা ৭ টা।
🎁 বিশেষ অফার: ফার্স্ট এইড কোর্সের স্টুডেন্ট দের জন্য অফলাইন সেশনের রেজিস্ট্রেশন ফি সম্পূর্ণ ফ্রি! কোর্সের স্টুডেন্ট ব্যতীত যারা ওয়েবসাইট থেকে ফার্স্ট এইড কোর্স এনরোল করবেন তারাও অফলাইন সেশনটি পেয়ে যাচ্ছেন সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।
💊বিশেষ আকর্ষণ:
অফলাইন সেশনে ইন্সট্যান্ট কুইজ হবে। কুইজে অংশগ্রহণ করে বিজয়ী হলেই প্রত্যেকের জন্য রয়েছে একটি করে ফার্স্ট এইড বক্স।
★অংশগ্রহণকারী সকলকেই দেয়া হবে সার্টিফিকেট★
রেজিস্ট্রেশন ফি: ৫০০৳ মাত্র
সীট সংখ্যা সীমিত। আজই রেজিষ্ট্রেশন করুন এই লিংকে গিয়ে:
https://forms.gle/FbWkxy1eMtP6eh5f6
যোগাযোগ করুন আমাদের ইনবক্সে অথবা নিম্নোক্ত নাম্বারে:
📞 ফোন: 01777385647 (হোয়াটসএপ ও টেলিগ্রাম)
🌐 ওয়েবসাইট: aoiacademy.com
📧 ইমেইল: ammarsonlineinstitutionaoi@gmail.com | 200 |
| 5 | ইসলামি আন্দোলনের প্রাণপুরুষ সাইয়েদ কুতুব শহীদ রহ. এর অনবদ্য গ্রন্থ - মাআলিম ফিত তরিক্ব। এই বইয়ের পর্যালোচনা পুরোটা শুনুন এই লিংকে:
https://youtu.be/fnn3ncLplSw?si=MjnZg46asYc6cgSE | 792 |
| 6 | সোশ্যাল মিডিয়ায় কারো গোনাহ সামনে এলে সবাই ঝাঁপিয়ে পড়ে। নিজেদের ভেতরকার কালিমা ভুলে যায়। এই যে এমন দ্বিমুখী মানসিকতা শামস ই তাবরিযী একে সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন তার কবিতায়~
همه ما گناهکارانی انتخابگر هستیم.
گناهانی را انتخاب میکنیم که با آنها راحت هستیم.
و دیگرانی را که مرتکب گناهانی میشوند که ما با آنها راحت نیستیم قضاوت میکنیم
Hame-ye ma gonāhkārāni entekhāb-gar hastim.
Gonāhāni rā entekhāb mikonim ke bā ānhā rāhat hastim.
va digarāni rā ke mortakeb-e gonāhāni mishavand ke ma bā ānhā rāhat nistim. qazāvat mikonim
We choose the sins we love to keep
And walk with them in easy grace.
Yet judge the ones who fall too deep
In errors that we can't embrace. | 937 |
| 7 | আল্লাহ তায়ালা ইসলামের স্তম্ভ দিয়েছেন পাঁচটি। এরমধ্যে কালিমা শাহাদাহ আমাদের পড়তেই হয় না ঈমান আনতে। কারন বাপ-দাদার দ্বীন আমরা ফ্রিতে পেয়ে গেছি।
রোযাও রমাদ্বান মাসে রাখতে না পারলে অসুস্থ হলে পরেও রাখা যায়। অশীতিপর বৃদ্ধ হয়ে গেলে মওকুফ হয়ে যায়। ফিদইয়া আদায় করলেই হয়ে যায়।
ধন সম্পদ না থাকলে যাকাতও নেই হজ্বও নেই।
রইলো শুধু একটাই কাজ। নামাজ। ওয়াক্তমত নামাজ আদায়। ঈমানের পরিচায়ক। ঈমান কুফরের সীমারেখা এই নামাজই ঠিক করে দেয়। এটাও যদি আদায় করা না হয় কতবড় হতভাগা আমি!
আজ পড়ব কাল পড়ব করতে করতে মালাকুল মওত এসে যাবে। কাস্তে দিয়ে খুঁচিয়ে জানটা কবয করে নিয়ে যাবে। অথচ তখনও আল্লাহর দরবারে সিজদা দেয়া বাকীই রয়ে যাবে। | 885 |
| 8 | গভীর রাত। চারপাশ নির্জন নিস্তব্ধ। দূরে শুধু শোনা যায় ভবঘুরে কুকুরের তারস্বরে চিৎকার। থেমে থেমে নাইটগার্ডের হুইসেল বেজে উঠে।
হাসান অনেক আগেই শুয়েছে। কিন্তু ঘুম এখনো আসেনি। তার হাতে ফোন। চোখ স্থির ফোনের স্ক্রিনে। সে অন্য এক নেশায় বুঁদ হয়ে আছে। সারাটা দিন গেছে অলসতায়। এই রাত্তিরে ঘুম আসছে না। অলস মস্তিষ্ক কোনো কাজও খুঁজে পাচ্ছে না। তাই সে কিছুক্ষণ ফেইসবুক স্ক্রল করে। আবার কিছুক্ষণ দেখে ইন্সটাগ্রামের রিলস।
শোয়া থেকে উঠে বসল সে। একটু ইতিউতি করে নিলো। নাহ! দরজা লাগানোই আছে। মা বাবা ঘুমিয়ে পড়েছে। বাবা একবার এসে অবশ্য বকে গেছে। যেন ফোন রেখে ঘুমিয়ে পড়ে। এখন আর আসবে না। তাই নিশ্চিন্ত হয়ে নিলো হাসান।
ঠিক সেই মূহুর্তে শয়তান ধোঁকাটা দিয়ে দিলো।
এই ছেলে! বয়স তোমার এখন আঠারোর চৌকাঠে। এখন যদি একটু আধটু নিজেকে আনন্দ না দাও আর কবে! কদিন পর তোমাকে অনেক ব্যস্ত হতে হবে। পড়াশোনার চাপ বাড়বে। কী হবে এত আত্মনিয়ন্ত্রণ করে। একটু মজা করো।
হাসান ঢুকে গেলো অন্য এক জগতে। নিষিদ্ধ জগত। বড়ই অন্ধকার জগত। যে জগত পম্পেই ধ্বংস করেছে। যে জগত ধ্বংস করে চলছে বর্তমান জগতটাকে। পর্ণগ্রাফি!
একি! তার চোখ এভাবে দুলছে কেন! খাটের কোণায় এভাবে এগিয়ে আসছে কে? শ্বাস বন্ধ হয়ে এলো যে! আঙ্গুল নড়ছে না কেন? সে কি অজ্ঞান হয়ে যাচ্ছে যে? ভোর পর্যন্ত তার জ্ঞান ফিরে পাবে তো! মা বাবা এসে যদি দেখে তার হাতে ফোন ধরা। ফোনে চলছে আদিম অশ্লীলতা!
হাতও নড়ছে না। ফোনও বন্ধ করা যাচ্ছে না।
চোখটা খুলে গেলো। চোখ লেগে এসেছিলো। হাতে ফোন ধরা অবস্থাতেই। সে মাত্র ভেবেছিলো সে গুগলের সার্চবারে যাবে। কিন্তু এভাবে ঘোর লাগা ঘুম এলো কী করে?
ঘেমে নেয়ে একাকার হয়ে গেলো হাসান। পরক্ষণেই মনে পড়ে গেলো একটা আয়াতের কথা:
لَعَلِّي أَعْمَلُ صَالِحًا فِيمَا تَرَكْتُ ۚ كَلَّا ۚ إِنَّهَا كَلِمَةٌ هُوَ قَائِلُهَا ۖ وَمِنْ وَرَائِهِمْ بَرْزَخٌ إِلَى يَوْمِ يُبْعَثُونَ
যেন আমি যা (দুনিয়া) ছেড়ে এসেছি সেখানে সৎকাজ করতে পারি। কক্ষনো না! এ তো কেবল তার একটি কথার কথা মাত্র। আর তাদের সামনে আছে পুনরুত্থানের দিন পর্যন্ত ‘বারযাখ’ (এক অন্তরাল বা পর্দা)।
এই ক্ষনিকের আনন্দের জন্য এই অশ্লীলতায় ডুবতে গিয়ে সে কবরের জগতকে ভুলতে বসেছিলো? যেখানে কবরের চাপে পাঁজরের হাড় ঢুকে যাবে?
গুনাহের সুখ তো শেষ হয়ে যায়। পরিতাপ রয়ে যায়। পরিণাম তাড়িয়ে বেড়ায়। ভেতরটা ফোকলা করে দেয়।
হাসান উঠে গেলো। অজু করে দাঁড়িয়ে গেলো জায়নামাযে। মাওলা! একমুহূর্তে তোমার ভুলতে বসেছিলাম। তুমি আমায় ফিরিয়ে নাও।
[গোপন গুনাহ ও চোখের যিনা যাদের ভাবায় না তাদের জন্য এই ভিডিও] | 1 185 |
| 9 | ওয়ালাইকুমুস সালাম।
হাদিসে এসেছে -
إنَّ المؤمنَ إذا أذنب ذنبًا كانت نُكتةٌ سوداءُ في قلبِه ، فإن تاب ، ونزع ، واستغفر صقَل منها ، وإن زاد زادت حتَّى يُغلَّفَ بها قلبُه ، فذلك الرَّانُ الَّذي ذكر اللهُ في كتابِه : كَلَّا بَلْ رَانَ عَلَى قُلُوبِهِمْ
নিশ্চয়ই কোনো মুমিন যখন একটি গুনাহ করে তখন তার অন্তরে একটি কালো দাগ পড়ে। অতঃপর যদি সে তওবা করে গুনাহ থেকে ফিরে আসে এবং আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে, তাহলে তা মুছে যায়। আর যদি সে (গুনাহ) বাড়াতে থাকে তবে সেই দাগও বাড়তে থাকে—এমনকি তা তার অন্তরকে ঢেকে ফেলে। আর এটিই হলো সেই মরিচা যার কথা আল্লাহ তাঁর কিতাবে উল্লেখ করেছেন:
كَلَّا بَلْ رَانَ عَلَى قُلُوبِهِمْ
কখনোই নয়! বরং তাদের অন্তরের উপর মরিচা পড়ে গেছে।
হাদিসে এও এসেছে -
إِنَّ القُلُوبَ تَصْدَأُ كَمَا يَصْدَأُ
الحَدِيدُ
قِيلَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، وَمَا جِلَاؤُهَا؟
قَالَ: كثرة ذِكْر الموت وَتِلَاوَةُ
القُرْآن
নিশ্চয়ই অন্তরসমূহ মরিচা ধরে যায় যেমন লোহা মরিচা ধরে।
সাহাবীগণ জিজ্ঞেস করলেন:
হে আল্লাহর রাসূল! এর পরিস্কার (মরিচা দূর করার উপায়) কী?
তিনি বললেন: মৃত্যুর কথা বেশি স্মরণ করা এবং কুরআন তিলাওয়াত করা।
ভাই আমার! গোপন গুনাহ করার সময় আল্লাহকে ভয় করুন। কেউ না দেখুক আল্লাহ তায়ালা দেখছেন। সেই সময় যদি মারা যান কী হবে ভেবে দেখেছেন? আপনি গুনাহে ব্যস্ত মানুষ আপনাকে সেই অবস্থায় লাশটা তুলে নিয়ে যাবে। দুনিয়াতেও যিল্লতি আখিরাতে তো আছেই।
একাকী থাকবেন না। সবসময় অযু করবেন। কুরআনের কপি পাশে রাখবেন। বেশি গুনাহ করতে মন চাইলে উঠে নামাজে দাঁড়িয়ে যাবেন। আল্লাহর কাছে কান্নাকাটি করবেন। | 1 297 |
| 10 | بدون متن... | 1 062 |
| 11 | উত্তম নাসীহাহ। যারা আরবী জানেন তাদের জন্য। আর যারা জানেন না...
যোগাযোগ করুন @Ammar's Online Institution - AOI তে। ভর্তি হোন আরবী কোর্সে। | 1 463 |
| 12 | আর কতদিন অবহেলায় ফেলে রাখবো প্রাণপ্রিয় কুরআন কে বুক শেলফের ধূলি জমা কোনে?
অশুদ্ধ উচ্চারণের কারণে হয়তো হৃদয়ে হারিয়েই ফেলেছি পবিত্র কুরআনের শানশওকত।এই তো সময়,ভুল গুলো শুদ্ধ করার।
নারীদের জন্য AOI এর বিশেষ আয়োজন "কুরআন শুদ্ধিকরণ কোর্স (নাজেরা)"।
ভর্তি ফি:৫০০৳
মাসিক ফি:৭০০৳
📥 কোর্সে এনরোল করতে ও বিস্তারিত তথ্যের জন্য যোগাযোগ করুন:
📞 ফোন: 01777385647
🌐 ওয়েবসাইট: aoiacademy.com
📧 ইমেইল: ammarsonlineinstitutionaoi@gmail.com | 1 491 |
| 13 | দৈনন্দিন জীবনের প্রতিটি সমাধান আল্লাহ তা'য়ালা কুরআনে সুসজ্জিত করে রেখেছেন। পারিবারিক,সামাজিক কিংবা অর্থনৈতিক যেকোনো যেকোনো প্রশ্নের উত্তর লুকিয়ে আছে পবিত্র কুরআনের হরফের ফাঁকে ফাঁকে।
তাই জীবনকে সুসজ্জিত করে তুলতে কুরআনুল কারীমকে পড়তে শেখার কোনো বিকল্প নেই।সেই গুরুত্ব বিবেচনায় AOI নিয়ে এসেছে "সহীহ কুরআন শিক্ষা কোর্স"।
পুরুষ এবং নারী উভয়ের জন্যই রয়েছে আলাদা ব্যাচের সুব্যবস্থা।
ভর্তি ফি:৫০০৳
মাসিক ফি:৭০০৳
📥 কোর্সে এনরোল করতে ও বিস্তারিত তথ্যের জন্য যোগাযোগ করুন:
📞 ফোন: 01777385647
🌐 ওয়েবসাইট: aoiacademy.com
📧 ইমেইল: ammarsonlineinstitutionaoi@gmail.com | 1 393 |
| 14 | কওমি মাদ্রাসা অথবা মাদ্রাসা ও হিফজ নিয়ে আমি কয়েকটি লেখা লিখেছিলাম। আমার সাইটে আছে। যে সমস্যাগুলো নিয়ে কথা হচ্ছে এই সমস্যাগুলো প্রতিষ্ঠিত ও পুরনো সমস্যা। কিন্তু সমাধানের পথে না হাঁটার সবচেয়ে বড় প্রতিবন্ধকতাও মাদ্রাসার ব্যবস্থাপনা।
দ্বীন শিখতে হবে। শেখার জন্য মাদ্রাসার মত প্রতিষ্ঠান লাগবে - এই বাস্তবতা অস্বীকার করা যাবে না। অস্বীকার না করেই সমাধানের রাস্তা ধরতে হবে। মাদ্রাসার সমস্যা তাই মাদ্রাসায় পড়াবো না বা মাদ্রাসায় পড়লে শেষ হয়ে যাবে সব - এই চিন্তাও নেতিবাচক।
প্রত্যেকটা ধারার একটা জাগরণী সময় থাকে। নির্দিষ্ট সময় পার করে ফেলার পর সেই জোয়ারে ভাটা নামে। এখন নতুন খাল কেটে পানির বিকল্প ব্যবস্থা না করলে নদী একসময় মরা নদী হয়ে যাবে। জোয়ার ভাটা কিছুই থাকবে না। মাদ্রাসা ব্যবস্থাপনা বিশেষ করে উপমহাদেশের মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা ও দেওবন্দ-আন্দোলনের অনেকগুলো কারণকে সামনে রেখে মাদ্রাসার মূলনীতি তৈরি করা হয়েছিলো। অবহেলিত মুসলমানদের তাহযিব তামাদ্দুন ধরে রাখতে মাদ্রাসাকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কম রুহানিয়াতের খানকাহ বেশি বিবেচনা করা হয়েছিলো। ফলে সেখানে আধুনিক ব্যবস্থা ও জবাবদিহিতার চেয়ে আধ্যাত্মিক চর্চার গুরুত্ব বেশি ছিলো। ছাত্র ও শিক্ষকদের মধ্যকার সম্পর্কের সাথে দ্বীনি তালিমের যোগসুত্র স্থাপন করতে সম্পর্কটা শিক্ষক ছাত্রের চেয়ে আরো আন্তরিক করার প্রচেষ্টা ছিলো। এগুলো ছিলো তখনকার বাস্তবতা। সময় পাল্টেছে কিন্তু ব্যবস্থা অপরিবর্তনীয় রয়ে গেছে তাই সমস্যাও অবধারিত হয়েছে।
মাদ্রাসার যে অধঃপতন ও হিফজ বিভাগের যে অনৈতিক যে চর্চা সামনে এসেছে এগুলোর কারণ মাদ্রাসাকে এখনো রুহানিয়াতের খানকাহ হিসেবেই বহাল রাখা ও প্রাতিষ্ঠানিকতা না আনা। মাদ্রাসাকে করতে হবে সম্পূর্ণ কর্পোরেটের মত। যদি এই অধঃপতন থেকে বাঁচাতে হয়। ইট সাউন্ডস হার্শ বাট ইটস দ্য সল্যুশন।
এইচ আর ম্যানেজমেন্ট থাকবে। হায়ারিং এন্ড ফায়ারিং এর প্রপার রুলস রেগুলেশন থাকবে। ইন্টারভিউ বোর্ড ফেইস করে নির্দিষ্ট বেতনে চাকরি নেবে। মাস শেষে বেতন নেবে। মাদ্রাসার শিক্ষক কর্মচারীদের কোয়ার্টার থাকবে। ডোনেশন ফান্ডের যথাযথ ব্যবহার বিধি ও অডিটোরিয়াল টীম থাকবে।
শিক্ষক-ছাত্র-অভিভাবক এই তিনের সম্পর্কই হতে হবে ক্লায়েন্ট ও সার্ভিস প্রোভাইডারের মতন। মাদ্রাসার পিওন ও ওয়াশারের কাজ হবে শিক্ষকের কাপড় ধোয়া ও চা বানিয়ে আনা। খিদমত নেয়ার নামে ছাত্রদের সময় কেড়ে নেয়া ও তার উপর জবরদস্তি বন্ধ করতে হবে। যে রুহানিয়াতের সম্পর্ক কায়েমের জন্য এই খিদমত প্রথা তার জরুরতও এখন নেই এবং লাভ ক্ষতি বিবেচনায় ক্ষতিও বেশি। আবাসিক ব্যবস্থাপনা হবে হোস্টেলের মতই। যেমনটা আবাসিক স্কুলে হয়ে থাকে।
যা যা বলেছি সবগুলোই সম্ভব। শুধুমাত্র সদিচ্ছা ও প্রয়োগ। কিন্তু মানসিক আলস্য ও বয়সের জড়তার কারণে কেউই করে না। কেউই না। | 1 561 |
| 15 | ওয়ালাইকুমুস সালাম।
আমার জীবনের তিনটা মূলনীতি আছে। এগুলো আমি কাজে লাগাই এবং সফল হই। আপনিও কাজে লাগান।
১. নিজের চারপাশে একটা অদৃশ্য দেয়াল তৈরী করা। যা আপনার একান্ত নিজস্ব জগত। যার আর কারো না। নেভার লেট এনিওয়ান গেট ইনটু দিস।
২. অতি প্রতিক্রিয়াশীলতা পরিহার ও সবর বাড়ানো। চুপ থাকতে শেখা। সবার সব কথার উত্তর দিতেই হবে জরুরী না। সবার সাথে মিশবেন কিন্তু সবাই আপনার বন্ধু না এইটা জেনে রাখবেন। যে যাই বলুক না কেন আপনি আপনার ব্যাপারে কনফিডেন্ট ও মেন্টালি স্ট্রং থাকবেন। ফলে সবার আচরণ ও কথা অটোমেটিক্যালি আপনার ভেতর পর্যন্ত যাওয়ার সুযোগ পাবে না।
৩. এফোর্ট ক্যালকুলেশন। যেখানে আপনি এফোর্ট দিলেও কাজ হবে না সেইটা আগেই হিসাব নিকাশ করে এফোর্ট কতটুকু দিবেন ঠিক করবেন। যে দুশ্চিন্তা করে কাজ হবেনা সেই দুশ্চিন্তা করবেনই না। যা আপনি পারবেন না বা সমাধান আপনার হাতে নাই তার চেষ্টাই করতে যাবেন না। সেই টাইম ও চেষ্টা অন্য জায়গায় দেন৷
দিনশেষে আপনি নিজের জায়গায় সুখী হবেন ইনশাআল্লাহ। | 1 447 |
| 16 | بدون متن... | 1 445 |
| 17 | না আমি আর্কিটেক্ট না। আমি আর্কিবিল্ড সল্যুশন ইণ্টেরিয়র এন্ড কন্সট্রাকশন ফার্মের এমডি ও সিএমও। আমাদের ফার্মের আর্কিটেক্টরাই আমাদের প্রজেক্টগুলোর টুডি-ত্রিডি ও ওয়ার্কিং ড্রইং করেন। মাঝেমাঝে আমরা বাইর থেকেও আর্কিটেক্ট হায়ার করি। | 1 452 |
| 18 | بدون متن... | 1 389 |
| 19 | ওয়ালাইকুমুস সালাম।
১. অভিভাবক ছাড়া দূরের শহরে পড়াশোনা করার প্রথম রিস্ক হলো পারিবারিক শাসনের বাইরে চলে যাওয়া। অনেক নৈতিক শক্তি না থাকলে শাসনের ভেতর থাকা অসম্ভব। দ্বিতীয় রিস্ক নিরাপত্তা।
২. শরয়ী ভাবে উত্তর হলো সেকেন্ড হোম হিসেবে যদি কোথাও প্রয়োজনের খাতিরে যাওয়ার মাসআলা আসে তবে যাওয়া যাবে কিন্তু এভাবে অভিভাবকবিহীন ঘুরতে যাওয়া কোনো মেয়ের জন্যই নিরাপদ নয়। | 1 197 |
| 20 | بدون متن... | 1 162 |
