Ammarul Hoque
📈 Аналитический обзор Telegram-канала Ammarul Hoque
Канал Ammarul Hoque (@ammarulhoque) языкового сегмента Бенгальский является активным участником. Сейчас сообщество объединяет 12 631 подписчиков, занимая 7 084 место в категории Религия и духовность и 1 845 место в регионе Бангладеш.
📊 Показатели аудитории и динамика
С момента создания невідомо проект демонстрирует стремительный рост, собрав аудиторию из 12 631 подписчиков.
Согласно последним данным от 21 июля, 2026, канал показывает стабильную активность. За последние 30 дней изменение числа участников составило -130, а за последние 24 часа — -2, при этом общий охват остаётся высоким.
- Статус верификации: Не верифицирован
- Уровень вовлечённости (ER): Средний показатель вовлечённости аудитории составляет 16.07%. В первые 24 часа после публикации контент обычно набирает 4.06% реакций от общего числа подписчиков.
- Охват публикаций: В среднем каждый пост получает 2 031 просмотров. В течение первых суток публикация набирает 513 просмотров.
- Реакции и взаимодействия: Аудитория активно поддерживает контент: среднее количество реакций на один пост — 39.
📝 Описание и контентная политика
Автор описывает ресурс как площадку для выражения субъективного мнения:
“We're glimpses blinked by infinity”
Благодаря высокой частоте обновлений (последние данные получены 22 июля, 2026) канал поддерживает актуальность и высокий уровень охвата публикаций. Аналитика показывает, что аудитория активно взаимодействует с контентом, что делает его важной точкой влияния в категории Религия и духовность.
Загрузка данных...
| Дата | Привлечение подписчиков | Упоминания | Каналы | |
| 22 июля | +1 | |||
| 21 июля | +1 | |||
| 20 июля | 0 | |||
| 19 июля | +1 | |||
| 18 июля | 0 | |||
| 17 июля | 0 | |||
| 16 июля | +1 | |||
| 15 июля | +1 | |||
| 14 июля | 0 | |||
| 13 июля | 0 | |||
| 12 июля | +1 | |||
| 11 июля | 0 | |||
| 10 июля | 0 | |||
| 09 июля | 0 | |||
| 08 июля | 0 | |||
| 07 июля | +3 | |||
| 06 июля | 0 | |||
| 05 июля | +7 | |||
| 04 июля | 0 | |||
| 03 июля | 0 | |||
| 02 июля | 0 | |||
| 01 июля | 0 |
| 2 | Нет текста... | 340 |
| 3 | উত্তম নাসীহাহ। যারা আরবী জানেন তাদের জন্য। আর যারা জানেন না...
যোগাযোগ করুন @Ammar's Online Institution - AOI তে। ভর্তি হোন আরবী কোর্সে। | 752 |
| 4 | আর কতদিন অবহেলায় ফেলে রাখবো প্রাণপ্রিয় কুরআন কে বুক শেলফের ধূলি জমা কোনে?
অশুদ্ধ উচ্চারণের কারণে হয়তো হৃদয়ে হারিয়েই ফেলেছি পবিত্র কুরআনের শানশওকত।এই তো সময়,ভুল গুলো শুদ্ধ করার।
নারীদের জন্য AOI এর বিশেষ আয়োজন "কুরআন শুদ্ধিকরণ কোর্স (নাজেরা)"।
ভর্তি ফি:৫০০৳
মাসিক ফি:৭০০৳
📥 কোর্সে এনরোল করতে ও বিস্তারিত তথ্যের জন্য যোগাযোগ করুন:
📞 ফোন: 01777385647
🌐 ওয়েবসাইট: aoiacademy.com
📧 ইমেইল: ammarsonlineinstitutionaoi@gmail.com | 901 |
| 5 | দৈনন্দিন জীবনের প্রতিটি সমাধান আল্লাহ তা'য়ালা কুরআনে সুসজ্জিত করে রেখেছেন। পারিবারিক,সামাজিক কিংবা অর্থনৈতিক যেকোনো যেকোনো প্রশ্নের উত্তর লুকিয়ে আছে পবিত্র কুরআনের হরফের ফাঁকে ফাঁকে।
তাই জীবনকে সুসজ্জিত করে তুলতে কুরআনুল কারীমকে পড়তে শেখার কোনো বিকল্প নেই।সেই গুরুত্ব বিবেচনায় AOI নিয়ে এসেছে "সহীহ কুরআন শিক্ষা কোর্স"।
পুরুষ এবং নারী উভয়ের জন্যই রয়েছে আলাদা ব্যাচের সুব্যবস্থা।
ভর্তি ফি:৫০০৳
মাসিক ফি:৭০০৳
📥 কোর্সে এনরোল করতে ও বিস্তারিত তথ্যের জন্য যোগাযোগ করুন:
📞 ফোন: 01777385647
🌐 ওয়েবসাইট: aoiacademy.com
📧 ইমেইল: ammarsonlineinstitutionaoi@gmail.com | 803 |
| 6 | কওমি মাদ্রাসা অথবা মাদ্রাসা ও হিফজ নিয়ে আমি কয়েকটি লেখা লিখেছিলাম। আমার সাইটে আছে। যে সমস্যাগুলো নিয়ে কথা হচ্ছে এই সমস্যাগুলো প্রতিষ্ঠিত ও পুরনো সমস্যা। কিন্তু সমাধানের পথে না হাঁটার সবচেয়ে বড় প্রতিবন্ধকতাও মাদ্রাসার ব্যবস্থাপনা।
দ্বীন শিখতে হবে। শেখার জন্য মাদ্রাসার মত প্রতিষ্ঠান লাগবে - এই বাস্তবতা অস্বীকার করা যাবে না। অস্বীকার না করেই সমাধানের রাস্তা ধরতে হবে। মাদ্রাসার সমস্যা তাই মাদ্রাসায় পড়াবো না বা মাদ্রাসায় পড়লে শেষ হয়ে যাবে সব - এই চিন্তাও নেতিবাচক।
প্রত্যেকটা ধারার একটা জাগরণী সময় থাকে। নির্দিষ্ট সময় পার করে ফেলার পর সেই জোয়ারে ভাটা নামে। এখন নতুন খাল কেটে পানির বিকল্প ব্যবস্থা না করলে নদী একসময় মরা নদী হয়ে যাবে। জোয়ার ভাটা কিছুই থাকবে না। মাদ্রাসা ব্যবস্থাপনা বিশেষ করে উপমহাদেশের মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা ও দেওবন্দ-আন্দোলনের অনেকগুলো কারণকে সামনে রেখে মাদ্রাসার মূলনীতি তৈরি করা হয়েছিলো। অবহেলিত মুসলমানদের তাহযিব তামাদ্দুন ধরে রাখতে মাদ্রাসাকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কম রুহানিয়াতের খানকাহ বেশি বিবেচনা করা হয়েছিলো। ফলে সেখানে আধুনিক ব্যবস্থা ও জবাবদিহিতার চেয়ে আধ্যাত্মিক চর্চার গুরুত্ব বেশি ছিলো। ছাত্র ও শিক্ষকদের মধ্যকার সম্পর্কের সাথে দ্বীনি তালিমের যোগসুত্র স্থাপন করতে সম্পর্কটা শিক্ষক ছাত্রের চেয়ে আরো আন্তরিক করার প্রচেষ্টা ছিলো। এগুলো ছিলো তখনকার বাস্তবতা। সময় পাল্টেছে কিন্তু ব্যবস্থা অপরিবর্তনীয় রয়ে গেছে তাই সমস্যাও অবধারিত হয়েছে।
মাদ্রাসার যে অধঃপতন ও হিফজ বিভাগের যে অনৈতিক যে চর্চা সামনে এসেছে এগুলোর কারণ মাদ্রাসাকে এখনো রুহানিয়াতের খানকাহ হিসেবেই বহাল রাখা ও প্রাতিষ্ঠানিকতা না আনা। মাদ্রাসাকে করতে হবে সম্পূর্ণ কর্পোরেটের মত। যদি এই অধঃপতন থেকে বাঁচাতে হয়। ইট সাউন্ডস হার্শ বাট ইটস দ্য সল্যুশন।
এইচ আর ম্যানেজমেন্ট থাকবে। হায়ারিং এন্ড ফায়ারিং এর প্রপার রুলস রেগুলেশন থাকবে। ইন্টারভিউ বোর্ড ফেইস করে নির্দিষ্ট বেতনে চাকরি নেবে। মাস শেষে বেতন নেবে। মাদ্রাসার শিক্ষক কর্মচারীদের কোয়ার্টার থাকবে। ডোনেশন ফান্ডের যথাযথ ব্যবহার বিধি ও অডিটোরিয়াল টীম থাকবে।
শিক্ষক-ছাত্র-অভিভাবক এই তিনের সম্পর্কই হতে হবে ক্লায়েন্ট ও সার্ভিস প্রোভাইডারের মতন। মাদ্রাসার পিওন ও ওয়াশারের কাজ হবে শিক্ষকের কাপড় ধোয়া ও চা বানিয়ে আনা। খিদমত নেয়ার নামে ছাত্রদের সময় কেড়ে নেয়া ও তার উপর জবরদস্তি বন্ধ করতে হবে। যে রুহানিয়াতের সম্পর্ক কায়েমের জন্য এই খিদমত প্রথা তার জরুরতও এখন নেই এবং লাভ ক্ষতি বিবেচনায় ক্ষতিও বেশি। আবাসিক ব্যবস্থাপনা হবে হোস্টেলের মতই। যেমনটা আবাসিক স্কুলে হয়ে থাকে।
যা যা বলেছি সবগুলোই সম্ভব। শুধুমাত্র সদিচ্ছা ও প্রয়োগ। কিন্তু মানসিক আলস্য ও বয়সের জড়তার কারণে কেউই করে না। কেউই না। | 994 |
| 7 | ওয়ালাইকুমুস সালাম।
আমার জীবনের তিনটা মূলনীতি আছে। এগুলো আমি কাজে লাগাই এবং সফল হই। আপনিও কাজে লাগান।
১. নিজের চারপাশে একটা অদৃশ্য দেয়াল তৈরী করা। যা আপনার একান্ত নিজস্ব জগত। যার আর কারো না। নেভার লেট এনিওয়ান গেট ইনটু দিস।
২. অতি প্রতিক্রিয়াশীলতা পরিহার ও সবর বাড়ানো। চুপ থাকতে শেখা। সবার সব কথার উত্তর দিতেই হবে জরুরী না। সবার সাথে মিশবেন কিন্তু সবাই আপনার বন্ধু না এইটা জেনে রাখবেন। যে যাই বলুক না কেন আপনি আপনার ব্যাপারে কনফিডেন্ট ও মেন্টালি স্ট্রং থাকবেন। ফলে সবার আচরণ ও কথা অটোমেটিক্যালি আপনার ভেতর পর্যন্ত যাওয়ার সুযোগ পাবে না।
৩. এফোর্ট ক্যালকুলেশন। যেখানে আপনি এফোর্ট দিলেও কাজ হবে না সেইটা আগেই হিসাব নিকাশ করে এফোর্ট কতটুকু দিবেন ঠিক করবেন। যে দুশ্চিন্তা করে কাজ হবেনা সেই দুশ্চিন্তা করবেনই না। যা আপনি পারবেন না বা সমাধান আপনার হাতে নাই তার চেষ্টাই করতে যাবেন না। সেই টাইম ও চেষ্টা অন্য জায়গায় দেন৷
দিনশেষে আপনি নিজের জায়গায় সুখী হবেন ইনশাআল্লাহ। | 1 085 |
| 8 | Нет текста... | 969 |
| 9 | না আমি আর্কিটেক্ট না। আমি আর্কিবিল্ড সল্যুশন ইণ্টেরিয়র এন্ড কন্সট্রাকশন ফার্মের এমডি ও সিএমও। আমাদের ফার্মের আর্কিটেক্টরাই আমাদের প্রজেক্টগুলোর টুডি-ত্রিডি ও ওয়ার্কিং ড্রইং করেন। মাঝেমাঝে আমরা বাইর থেকেও আর্কিটেক্ট হায়ার করি। | 1 005 |
| 10 | Нет текста... | 1 015 |
| 11 | ওয়ালাইকুমুস সালাম।
১. অভিভাবক ছাড়া দূরের শহরে পড়াশোনা করার প্রথম রিস্ক হলো পারিবারিক শাসনের বাইরে চলে যাওয়া। অনেক নৈতিক শক্তি না থাকলে শাসনের ভেতর থাকা অসম্ভব। দ্বিতীয় রিস্ক নিরাপত্তা।
২. শরয়ী ভাবে উত্তর হলো সেকেন্ড হোম হিসেবে যদি কোথাও প্রয়োজনের খাতিরে যাওয়ার মাসআলা আসে তবে যাওয়া যাবে কিন্তু এভাবে অভিভাবকবিহীন ঘুরতে যাওয়া কোনো মেয়ের জন্যই নিরাপদ নয়। | 840 |
| 12 | Нет текста... | 874 |
| 13 | ওয়ালাইকুমুস সালাম।
নেগেটিভ সাইন নয়। পাত্রপক্ষ বা পাত্র মেয়ের পড়াশোনার খরচ দেয়া বা পড়াশোনা করানোর জন্য না শরয়ীভাবে বাধ্য না দেশীয় আইনে বাধ্য। এটা ইহসানের পর্যায়েও না যে সে এই খরচ বহন করবে। এটা সম্পূর্ণ তার উপর নির্ভর করবে। এটার জন্য ওয়াদা নেয়া বা বাধ্য করতে চাওয়া জুলুম।
বিয়ের পর প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশোনা করবে কী করবে না এই নিয়ে যদি পাত্র রাজী না হয় বা আপনাদের কন্ডিশনে না মেলে সেখানে আপনি যাবারই দরকার নেই। কিন্তু যদি বিয়ে করতে চান তাহলে আপনি তাকে কোনোভাবেই আপনার পড়াশোনার খরচ জোগানোর শর্তারোপ করতে পারেন না। কারণ এর সাথে বিয়ের মাকাসিদের কোনো সম্পর্কই নেই। | 837 |
| 14 | Нет текста... | 641 |
| 15 | ওয়ালাইকুমুস সালাম।
ডিপিএস থেকে স্পষ্টত সুদ দেয়া হয় এতে কোনো সন্দেহ নেই। আপনার দায়িত্ব হলো সবাইকে বুঝিয়ে বিরত রাখা ও প্রাপ্ত সুদ সাওয়াবের নিয়ত ছাড়া কোথাও দিয়ে দেয়া। বাকী আপনার ছোটবেলায় আপনাকে নমিনী দেয়ায় আপনার গুনাহ হবে না। তখন আপনি মুকাল্লাফুশ শরিয়াহ ছিলেন না। | 638 |
| 16 | Нет текста... | 568 |
| 17 | ওয়ালাইকুমুস সালাম।
এবিষয়ে আল কাউসারের লেখাগুলো ও মুফতী আব্দুল মালিক দা.বার লেখাগুলো পড়তে পারেন। মাওলানা সাদ বেশকিছু বিতর্কিত বক্তব্য দিয়েছেন এবং তাবলীগের মূলনীতির বিরুদ্ধে গিয়েছিলেন৷ এগুলো যেহেতু তাফরিক্ব তৈরী করে তাই আমি এসব বিষয় এড়িয়ে চলি। | 614 |
| 18 | Нет текста... | 650 |
| 19 | ওয়ালাইকুমুস সালাম। খুবই জরুরি একটা প্রশ্ন এটা।
হুরমতকে তিনভাগে ভাগ করা হয়।
১. হুরমতে নসবী - যা বংশের মাধ্যমে সাব্যস্ত হয়। মা বাবা ও দাদা নানাসহ যারা আছে।
২. হুরমতে রিযায়ী - দুধপানের মাধ্যমে যারা মাহরাম হয়।
৩. হুরমতে মুসাহারা - বৈবাহিক সম্পর্কের মাধ্যমে যারা মাহরাম হয়।
স্বামীর বাবা অথবা স্ত্রীর মা এই পর্যায়ে আছেন। তার পুত্র/কন্যার সাথে বৈবাহিক সম্পর্কের ফলে তারা চিরস্থায়ী মাহরামে পরিণত হয়েছে।
স্বামীর পিতা (শ্বশুর) চিরকালের জন্য মাহরাম পুরুষদের অন্তর্ভুক্ত যদিও তার স্বামীর সাথে তালাক সংঘটিত হয়ে গিয়ে থাকে অথবা স্বামী মৃত্যু বরণ করে থাকেন। কেননা আল্লাহ তাআলা কুরআনে বলেন:
وَحَلَائِلُ أَبْنَائِكُمُ الَّذِينَ مِنْ أَصْلَابِكُمْ
এবং তোমাদের জন্য হারাম করা হয়েছে তোমাদের ঔরসজাত সন্তানদের স্ত্রীগণকে। [সূরা নিসা: ২৩]
একইভাবে স্ত্রীর মা চিরস্থায়ী মাহরাম। স্ত্রীর মৃত্যু হলে কিংবা তাকে তালাক দিলেও শাশুড়ী মাহরাম হিসেবেই থাকবেন। তাঁকে কখনো বিবাহ করা যাবে না। আর যাদের কখনো বিবাহ করা জায়েজ নাই তারা চিরস্থায়ী মাহরাম। যতদিন বেঁচে থাকবেন আপন মায়ের ন্যায় তাদের সাথে সাক্ষাৎ করা যাবে।
যাদের বিবাহ করা হারাম তাদের তালিকা পেশ করে আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেন:
وَأُمَّهَاتُ نِسَائِكُمْ
অর্থাৎ তোমাদের স্ত্রীদের মায়েরাও তোমাদের জন্য হারাম।
তাই প্রয়োজনে তাদের সামনে দেখা দেয়া বৈধ হবে। | 605 |
| 20 | Нет текста... | 639 |
