fa
Feedback
Ammarul Hoque

Ammarul Hoque

رفتن به کانال در Telegram

We're glimpses blinked by infinity

نمایش بیشتر

📈 تحلیل کانال تلگرام Ammarul Hoque

کانال Ammarul Hoque (@ammarulhoque) در بخش زبانی بنگالی بازیگری فعال است. در حال حاضر جامعه شامل 12 790 مشترک است و جایگاه 7 075 را در دسته دین و مذهبی و رتبه 1 784 را در منطقه بنغلاديش دارد.

📊 شاخص‌های مخاطب و پویایی

از زمان ایجاد در невідомо، پروژه رشد سریعی داشته و 12 790 مشترک جذب کرده است.

بر اساس آخرین داده‌ها در تاریخ 13 ژوئن, 2026، کانال فعالیت پایداری دارد. در ۳۰ روز گذشته تغییر اعضا برابر 481 و در ۲۴ ساعت گذشته برابر -1 بوده و همچنان دسترسی گسترده‌ای حفظ شده است.

  • وضعیت تأیید: تأیید نشده
  • نرخ تعامل (ER): میانگین تعامل مخاطب 16.53% است و در ۲۴ ساعت نخست پس از انتشار، محتوا معمولاً 5.75% واکنش نسبت به کل مشترکان کسب می‌کند.
  • دسترسی پست‌ها: هر پست به طور میانگین 2 116 بازدید دریافت می‌کند. در اولین روز معمولاً 736 بازدید جمع‌آوری می‌شود.
  • واکنش‌ها و تعامل: مخاطبان به‌طور فعال حمایت می‌کنند؛ میانگین واکنش به هر پست 39 است.

📝 توضیح و سیاست محتوایی

نویسنده این فضا را محل بیان دیدگاه‌های شخصی توصیف می‌کند:
We're glimpses blinked by infinity

به لطف به‌روزرسانی‌های پرتکرار (آخرین داده در تاریخ 14 ژوئن, 2026)، کانال همواره به‌روز و دارای دسترسی بالاست. تحلیل‌ها نشان می‌دهد مخاطبان به‌طور فعال با محتوا تعامل دارند و آن را به نقطه اثرگذاری مهم در دسته دین و مذهبی تبدیل کرده‌اند.

12 790
مشترکین
-124 ساعت
-147 روز
+48130 روز
آرشیو پست ها
Repost from Glimpses of Quran
আল্লাহ তায়ালা কখন কাকে দিয়ে কী করিয়ে নেন কেউই বলতে পারে না। আল্লাহ তায়ালা বংশ ও রঙ দেখে কাউকে নিয়ামত ও বরকত দান করেন না। নিয়ত ও ইখলাস দেখে দান করেন। কুরআনের প্রসিদ্ধ সাত কিরআতের ইমামদের মধ্যে একজন হলেন ইমাম আবু রুয়াইম নাফি ইবনে আব্দির রহমান আল লাইথী আল কিনানী। সংক্ষেপে যাকে আমরা ইমাম নাফি হিসেবে চিনি। কুরআনের প্রসিদ্ধ দুই রিওয়ায়াত রিওয়ায়াতে ওয়ারশ এবং ক্বলুন তার কিরাআত থেকে এসেছে। তার প্রসিদ্ধ দুই ছাত্র উসমান ইবনু সাঈদ ও ঈসা ইবনে মীনা থেকে এ দুই রিওয়ায়াত উত্তর আফ্রিকার দেশগুলোতে ছড়িয়ে গেছে এবং আজো বহুল পঠিত। ইমাম নাফি মদীনার সাত ক্বারীর মধ্যে তিনি একজন ছিলেন। অথচ তিনি ছিলেন ক্রীতদাস। জউনা ইবনে শুউব আল লাইথীর আযাদ করা ক্রীতদাস। এই কালো কুচকুচে দাসই হয়ে উঠলেন কুরআনের মুখপাত্র। আল্লাহ তায়ালা কী পরিমাণ যোগ্যতা ও বরকত দান করলে একজন ক্রীতদাসও কুরআনের ইমাম হয়ে উঠতে পারেন কল্পনা করা যায়! শুধু তা-ই নয়। তিনি মসজিদে নববীতে একাধারে সত্তর বছর ইমামতি করেছেন। প্রায় পঁচানব্বই বছর হায়াত পেয়েছেন। সত্তর জন তাবেয়ি থেকে কুরআন শিখেছেন। মাযহাবে মালেকীর ইমাম মালিক ইবনে আনাস আল আসবাহীও ছিলেন তার ছাত্র। ইমাম নাফির কাছে এসে তিনি কুরআন শিখেছিলেন। আমাদের ইতিহাসে আরো একজন ইমাম আন নাফি আছেন। তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে উমর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর দাস ছিলেন। মুহাদ্দিস ও ফকীহ ছিলেন। ইমাম মালিক তার কাছেও পড়েছেন। এই ক্রীতদাস এত বড় আলিম ছিলেন যে তার দরসে বসার জন্য রীতিমতো ধাক্কাধাক্কি হতো তার দরজায়। তার ইলমের ভার এত বেশি ছিলো কেউ সহজে তার সামনে মুখ খুলত না। তার আসা যাওয়ার পথে লোকজন বসে থাকতো আর ভয়ে ভয়ে জিজ্ঞেস করতো। কুরআন একটা খনি। কুরআনের শাখাগত ইলমের একটা হলো তার কিরাআতে সাবআ। কুরআন তিলাওয়াতের কিরাআত সাত রকম। একে আমরা কিরাআতে সাবআ বলি। সাতজন ইমাম মোট দশটা রিওয়ায়াত করেছেন। আবার এই রিওয়ায়াতসমূহের বিভিন্ন 'ত্বুরুক্ব' বা পদ্ধতি আছে। বিভিন্ন উপশাখা আছে। ইমাম আন নাফির কিরাআতের একটা রিওয়ায়াত হলো রিওয়ায়াতে ওয়ারশ আনিল ইমাম আন নাফি। ইমাম উসমান ইবনু সাঈদ এই রিওয়ায়াত করেন তার উস্তাদ ইমাম আন নাফি থেকে। এই রিওয়ায়াত আলজেরিয়া ও মরক্কোতে ব্যাপক প্রচলিত। এই রিওয়ায়াতের একটা 'ত্বরিকাহ' হলো 'ত্বরিকতুল আযরাক্ব'। এই পদ্ধতির বৈশিষ্ট্য হলো মাদ (দীর্ঘ উচ্চারণ) পূর্ণভাবে টেনে পড়া এবং সাকিনযুক্ত হরফের পর হামযা থাকলে মিলিয়ে পড়া। ভিডিওতে আলজেরিয়ার ক্বারী আব্দুল আযীয আশ শুকরি রিওয়ায়াতে ওয়ারশ তিলাওয়াত করছেন ত্বরিকতুল আযরাক্ব অনুযায়ী।

ওয়ালাইকুমুস সালাম। আপনার হালাল হারামের এই সেন্স অত্যন্ত প্রশংসা জনক। আলহামদুলিল্লাহ। সরকারী এই ল্যাপটপ যদি আপনার বাবাকে মালিকানা হিসেবে দিয়ে দেয়া হয় এবং উনি স্কুল।ত্যাগ করলেও বা রিটায়ার করলেও এই ল্যাপটপের মালিক উনি থাকবেন মর্মে দেয়া হয় তাহলে ব্যবহার করতে পারবেন। যদি এটা শুধুমাত্র স্কুলের কাজের জন্য ব্যবহার ও পরবর্তীতে এর মালিকও উনি নন এমন হয়ে থাকে তবে তা স্কুলের সকল ছাত্র ছাত্রীর হক। আপনার জন্য ব্যবহার করা না জায়েয হবে স্কুলের কেউ না হওয়ার কারণে।

photo content

এই টাকাগুলো সাওয়াবের নিয়ত ব্যতীতই কিছু আবর্জনা টাইপ খাতে দান করে দেয়াই বেটার। আপনি আমার সাথে যোগাযোগ করবেন আমি কিছু খাত দেখিয়ে দেব। আপনি নিজে যোগাযোগ ও যাচাই করে দিয়ে আসবেন।

photo content

ওয়ালাইকুমুস সালাম। অনলাইনে পুরোপুরি রিড তো করা যায় না। অফলাইনে গিয়ে সেশন নেয়াই ভাল আই গেস।

photo content

ওয়ালাইকুমুস সালাম। এটা বরং আরো ভালো। আমি হিফজ শেষ করে বের হওয়ার সময় আমার হিফজের উস্তাদ আমাকে একটা নিয়ম বলে দিয়েছেন যা আজো ফলো করি। দৈনিক তিনপারা তিলাওয়াত করা। না পারলে অন্তত এক পারা। এতে মাসে তিন খতম অথবা এক খতম হবেই। নামাজে অন্যান্য সুরা না পড়ে শুরু থেকে সিরিয়ালে পড়ে যাওয়া। এতে এখানেও আরেক খতম হবে। চলতে ফিরতে সফরে কুরআন শুনতে থাকা।

photo content

১. ঘরকন্যার সমস্ত কাজে সুদক্ষ হওয়া। অনেকে অনেক আধুনিকতার দীক্ষা দিবে। ঘরের কাজ শুধু নারী করবে কেন ইত্যাদি ইত্যাদি। এসবে কান দেয়া মানে নিজের জীবন নিজে হাতে ধরে ধ্বংস করা। এভারেইজ বাঙালী মেয়ে ঘরের কাজকর্ম না জানলে ধরা। ২. সেলাই ও নানারকম হস্তশিল্প। ফার্স্ট এইড ও বেকিং বেকারি। এই কাজগুলোতে অল্প বিস্তর আয়ও করা যায় সুযোগে সুবিধায়। ৩. আরেকটু এডভান্স হলে আরবি ইংরেজি ভাষা শেখা যেন অপরকে শেখানো যায়। মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের কাজ জানা। গ্রাফিক্স ডিজাইনের কাজ শেখা যায়। ঘরে বসে মেধা প্রয়োগ করে যা কিছু শেখা যায় সময় থাকতে শিখে নেয়া ভালো। জীবনের উদ্দেশ্য একেকজনের একেকরকম থাকে। বুঝজ্ঞান থাকলে নিজ জীবনের পরিকল্পনা অভিজ্ঞদের পরামর্শ সাপেক্ষে সাজানোই উত্তম। মেয়েদের জন্য জীবনের শুরু থেক দ্বীনি ও দুনিয়াবি জ্ঞান (শরয়ী সীমারেখায় থেকে) অর্জন করা। নির্দিষ্ট বয়সের পর বিয়ে শাদী হওয়া। সংসার ও নিজের জ্ঞানার্জনকে বৃদ্ধি করা উত্তম প্রজন্ম গড়ে তোলা নিজের জীবনকে ওয়র্দি বানানো।

photo content

এক যুবক আমাকে এসে বলল: আমি চিন্তাবিদ ও দায়ি হতে চাই। আমার দ্বীনি ইলম ও ইতিহাস ভালো লাগে। আমি এখন বুঝতে পারছি না আগে কোন জ্ঞান
এক যুবক আমাকে এসে বলল: আমি চিন্তাবিদ ও দায়ি হতে চাই। আমার দ্বীনি ইলম ও ইতিহাস ভালো লাগে। আমি এখন বুঝতে পারছি না আগে কোন জ্ঞানটা অর্জন করব? আমি তাকে বললাম: আগে তুমি এমন কিছু শিখো যা শিখলে চাকরি পাবে অথবা কোনো উদ্যোগ নিতে পারবে। সেখান থেকে তোমার রিযক উপার্জন করতে পারবে। এরপর জ্ঞানের যে শাখা ভালো লাগে তা অর্জন করো। - ড. আবদুল করিম বকর লেখক ও ইসলামি চিন্তাবিদ বেকার কিন্তু দ্বীনি ভাই-বোনদের জন্য উপযুক্ত টোটকা। বেশিরভাগ ছেলে মেয়ে জীবন দক্ষতা নাই। যাকেই জিজ্ঞেস করি ভাই কী পারেন বা পড়াশোনা কী কী? উত্তর নেই। বেকারত্ব ও অদক্ষতার ফলাফল হলো অহেতুক বিষয় চর্চা। যখন মানুষ অভিজ্ঞতা ও দক্ষতায় স্বয়ংসম্পূর্ণ হয় তখন তাকে অনর্থক ইস্যুচর্চায় মনোযোগী হতে দেখা যায় না।

আমি প্রায়ই কাউকে বিয়েশাদী ও সংসার জীবন নিয়ে এডভাইজ দিলে একটা কথা বলি। সেটা হলো - কোনোকিছু নিয়েই অতিরিক্ত কল্পনা ও অতিরিক্ত আব
আমি প্রায়ই কাউকে বিয়েশাদী ও সংসার জীবন নিয়ে এডভাইজ দিলে একটা কথা বলি। সেটা হলো - কোনোকিছু নিয়েই অতিরিক্ত কল্পনা ও অতিরিক্ত আবেগে ভেসে না যাওয়া। বরং সংসারপূর্ব ও সংসার পরবর্তী জীবনের বাস্তবতা নিয়ে ব্যালান্স ধারণা রাখে। ছেলেরা ভাবে সে বিয়ে করলে তার জীবনে কোনো টেনশন থাকবে না। বিয়ের আগের অস্থিরতা কাটবে। তার বউ তাকে তাহাজ্জুদে ডেকে দিবে। ইত্যাদি ইত্যাদি। মেয়েরা ভাবে বিয়ে করলে তার অনেক বাচ্চা হবে। শশুরবাড়ির সবাই তাকে মাথায় তুলে রাখবে। স্বামীর সাথে কোনোরকম ঝামেলা হবে না। অতিরিক্ত আবেগ ও অতিরিক্ত ধারণা বাস্তব থেকে দূরে সরিয়ে ফেলে। ফলে বিয়ের কোনো বাস্তব প্রস্তুতি নেয় না। এর অবশ্যম্ভাবী ফলাফল হলো বিয়ের পর সংসারের ক্যাচাল ও বাস্তবতার তিক্ততার মুখোমুখি হয়ে আমল-আখলাক থেকে বহুদূরে সরে যায়। ঈমান আমলের স্বাদ আর ভালোই লাগে না। জীবন ও জীবনের বাস্তবতা থেকে এস্কেইপ করতে পারলেই যেন বাঁচে। খুব কম মেয়ে ও কম ছেলেই যথেষ্ট দায়িত্ববান হয়। বাস্তবতাগুলো মাথায় রেখে সুন্দরভাবে অর্গানাইজ করতে পারে। সুন্দর পরিকল্পনা করতে পারে। এগুলো হাজার লক্ষে দুয়েকজনের ভাগ্যে জোটে। নিজেকে পরিপূর্ণ দায়িত্ববান ও সুপার ম্যানেজমেন্ট করতে পারা। আপনার মত সমস্যা আমি অনেকের জীবনে দেখেছি। সমাধানও আছে। আপনি যা কিছু হারিয়েছেন তা আপনি একমুহূর্তে ফেরত পাবেন না। তবে একটা একটা করে পাবেন। আবার রিস্টার্ট দেন। তাকদীরের ফায়সালা মেনে নিন এবং নিজেকে ফেরানোর সুযোগ ধরে নিন। নিজেকে নিয়ে বসুন। প্রশ্ন করুন। নিজেকে লজ্জা দিন। সবার আগে ফরজ নামাজ ঠিক করে ফেলুন। এরপর জীবনটাকে রুটিনের উপর তুলুন। সমস্ত কাজ প্ল্যান ওয়াইজ করুন। নিজের রাগ ক্ষোভ যতই আসুক নিজেকে নিজেই বোঝান। প্রতিদিন সকালবেলা ভাববেন: আমি রাগবোনা আজ। যাই হয়ে যাক। নিজেকে ঠাণ্ডা রাখব। আপনার প্রত্যেকটা সকাল একেকটা নতুন সকাল হোক। নিজের সমস্যা গুলো একটা ডায়েরিতে লিখুন। প্রতিদিন কী কী মনের পরিবর্তন হচ্ছে এগুলো লিখেন। আর আল্লাহর কাছে সবসময় দুআ করুন: ইয়া মুসাররিফাল কুলুব। সাররিফ কুলুবানা আলা ত্বআতিক। আমি আমার দুআ চ্যানেলে লাস্ট যে দুআগুলো দিয়েছি সেগুলো পড়ুন সবসময়। লিংক:

ওয়ালাইকুমুস সালাম। যেহেতু বয়স পার হয়ে যাচ্ছে যে যাই বলুক বিয়ে হওয়াটা আপনার জন্য জরুরী। তাই ফরজ ও ওয়াজিবের প্রতি গুরুত্ব দেয় এ
ওয়ালাইকুমুস সালাম। যেহেতু বয়স পার হয়ে যাচ্ছে যে যাই বলুক বিয়ে হওয়াটা আপনার জন্য জরুরী। তাই ফরজ ও ওয়াজিবের প্রতি গুরুত্ব দেয় এমন কোনো পাত্র যদি আসে এবং দ্বীনের প্রতি আরো ভালোভাবে সারেন্ডারিং মানসিকতা আছে ও আয় ইনকাম হালাল আছে তাহলে এগিয়ে যান। বর্তমান সময়ে দ্বীনের ব্যালান্সড বুঝ আছে এমন ছেলেমেয়ের সংখ্যা কম। প্রচুর ছেলে মেয়ে দ্বীনের জযবা আছে কিন্তু বাস্তবতায় দেখা যায় অলস অথবা শেখার আগ্রহ নাই। কিংবা স্থিরতা নাই। তাই পাত্রের পরিবার ও আশেপাশের খোঁজখবর নিয়ে দেখবেন তার আখলাক ও ইনকাম ঠিক আছে কী না। দ্বীনের ফরজ ও ওয়াজিব আমল ঠিক রাখে কীনা। এসব দেখে আল্লাহর কাছে দুআ করে এগিয়ে যান। আল্লাহ তায়ালা আসান করে দিন। আপনার জন্য সুপাত্রের ব্যবস্থা করে দিন।

ওয়ালাইকুমুস সালাম। ইসলামী ব্যাংক যেহেতু নিজেদেরকে কাগজে কলমে হালাল দাবি করে ও সুদমুক্ত ঘোষণা করে তাই ইসলামী ব্যাংকের চাকরিকে
ওয়ালাইকুমুস সালাম। ইসলামী ব্যাংক যেহেতু নিজেদেরকে কাগজে কলমে হালাল দাবি করে ও সুদমুক্ত ঘোষণা করে তাই ইসলামী ব্যাংকের চাকরিকে পুরোপুরি হারাম সিদ্ধান্ত দেয়ার আগে আরো কিছু বিষয় আলোচনা ও বুঝা জরুরি। যখন কোনোকিছু ব্যাখা করার সুযোগ থাকে সেখানে শরীয়ত অধিকতর যাচাই বাচাই করার সিদ্ধান্ত দেয়। তবে পুরোপুরি সন্দেহমুক্ত নয় একথাও সত্য। এনিয়ে বিস্তারিত জানতে চিন্তাপত্র প্রকাশন থেকে প্রকাশিত - ব্যংকিং ব্যবস্থাপনায় ইসলামী শরিয়াহ- বইটা পড়তে পারেন। আর আপনি যেহেতু মেয়ে তাই যতদিন বাবার ঘরে আছেন ততদিন বাবার ইনকামের দায়ের জন্য আপনার জবাবদিহিতা নাই। আর আপনার দায়িত্ব হলো আপনার বাবাকে সঠিক দাওয়াহ দেয়া যেন তিনি সন্দেহযুক্ত আয় থেকে সরে আসেন। আপনার পরিবারের যদি এই চাকরি ছাড়া অন্য আয়ও থাকে এবং হালাল হারাম মিক্সড থাকে তাহলেও সমস্যা নেই।

ওয়ালাইকুমুস সালাম ওয়ারাহমাতুল্লাহ। আমলের উন্নতি অবনতি ও আখলাকের ইম্ব্যাল্যান্সের সাথে পরিবেশের আছর থাকে। অনেকসময় পরিবেশ পাল্ট
ওয়ালাইকুমুস সালাম ওয়ারাহমাতুল্লাহ। আমলের উন্নতি অবনতি ও আখলাকের ইম্ব্যাল্যান্সের সাথে পরিবেশের আছর থাকে। অনেকসময় পরিবেশ পাল্টালে সমস্যা সেরে যায়। আবার যা কিছু বলেছেন তাতে বদনজর কিংবা রুকইয়াহ জনিত সমস্যাও থাকতে পারে। এগুলোর জন্য কাউন্সেলিং নিতে পারে সুকুনলাইফ থেকে। আশা করি সেরে যাবে ইনশাআল্লাহ। মাসনুন আমল ভালোমত ধরুন। নামাজের ব্যাপারে যেভাবে প্রস্তুতি নিতে বললাম সেভাবে নামাজ আদায় করুন। আল্লাহ তায়ালা আসান করে দেবেন ইনশাআল্লাহ।

ওয়ালাইকুমুস সালাম। ১. ফরয সাদাকাহ - যাকাত। ওয়াজিব সাদাকাহ - ফিতরাহ। কুরআন ও হাদিসে উৎসাহিত করা স্পেসিফিক সাদাকাহ - সাদাকায়ে জ
ওয়ালাইকুমুস সালাম। ১. ফরয সাদাকাহ - যাকাত। ওয়াজিব সাদাকাহ - ফিতরাহ। কুরআন ও হাদিসে উৎসাহিত করা স্পেসিফিক সাদাকাহ - সাদাকায়ে জারিয়াহ। এর বাইরে বাকী সব সাদাকাহ সুন্নাহ ও মুস্তাহাব। ২. সাদাকাহর খাত ও দেয়ার পদ্ধতি হলো আল আউলা বিল আউলা। সবচেয়ে বেশি জরুরিকে নিজ তাগিদে অগ্রাধিকার দেয়া। যদি সামর্থ্য বেশি থাকে সবখানে দেয়া। অথবা ধারাবাহিকভাবে দেয়া। আর উত্তম হলো প্রতিদিন অল্প হলেও কিছু কিছু দেয়া। ইন্তিফাদা ফাউন্ডেশনের সভাপতি সাহেবকে বলব বিষয়টা ইনশাআল্লাহ। পরামর্শের জন্য ধন্যবাদ।

ওয়ালাইকুমুস সালাম। আকীকা দেয়া সামর্থ্যের ভিত্তিতে সুন্নত। ফরজ ওয়াজিব কিছু না। নাম পাল্টালে আকীকা দেয়া জরুরি না।
ওয়ালাইকুমুস সালাম। আকীকা দেয়া সামর্থ্যের ভিত্তিতে সুন্নত। ফরজ ওয়াজিব কিছু না। নাম পাল্টালে আকীকা দেয়া জরুরি না।

ওয়ালাইকুমুস সালাম। কিছু কোর্স আছে ফিমেইল অনলি। ফিমেইল ইন্সট্রাক্টর। সেলাই কুশিকাটা, ফার্স্ট এইড ফিমেইল, ফিকহুন নিসা। এগুলা কম
ওয়ালাইকুমুস সালাম। কিছু কোর্স আছে ফিমেইল অনলি। ফিমেইল ইন্সট্রাক্টর। সেলাই কুশিকাটা, ফার্স্ট এইড ফিমেইল, ফিকহুন নিসা। এগুলা কম্বাইন্ড করতে পারবেন না। এর বাইরে বাকী কোর্সগুলো একই একাউন্ট থেকে দুজনে করলে সমস্যা নেই। লাইভ কোর্স ফিমেইল সেগমেন্ট থাকলে আপনি পারবেন না। আপনার ওয়াইফের আলাদা একাউন্ট থাকতে হবে।