fa
Feedback
Ammarul Hoque

Ammarul Hoque

رفتن به کانال در Telegram

We're glimpses blinked by infinity

نمایش بیشتر

📈 تحلیل کانال تلگرام Ammarul Hoque

کانال Ammarul Hoque (@ammarulhoque) در بخش زبانی بنگالی بازیگری فعال است. در حال حاضر جامعه شامل 12 611 مشترک است و جایگاه 7 077 را در دسته دین و مذهبی و رتبه 1 839 را در منطقه بنغلاديش دارد.

📊 شاخص‌های مخاطب و پویایی

از زمان ایجاد در невідомо، پروژه رشد سریعی داشته و 12 611 مشترک جذب کرده است.

بر اساس آخرین داده‌ها در تاریخ 26 ژوئیه, 2026، کانال فعالیت پایداری دارد. در ۳۰ روز گذشته تغییر اعضا برابر -120 و در ۲۴ ساعت گذشته برابر 13 بوده و همچنان دسترسی گسترده‌ای حفظ شده است.

  • وضعیت تأیید: تأیید نشده
  • نرخ تعامل (ER): میانگین تعامل مخاطب 8.91% است و در ۲۴ ساعت نخست پس از انتشار، محتوا معمولاً 4.00% واکنش نسبت به کل مشترکان کسب می‌کند.
  • دسترسی پست‌ها: هر پست به طور میانگین 1 125 بازدید دریافت می‌کند. در اولین روز معمولاً 505 بازدید جمع‌آوری می‌شود.
  • واکنش‌ها و تعامل: مخاطبان به‌طور فعال حمایت می‌کنند؛ میانگین واکنش به هر پست 19 است.

📝 توضیح و سیاست محتوایی

نویسنده این فضا را محل بیان دیدگاه‌های شخصی توصیف می‌کند:
We're glimpses blinked by infinity

به لطف به‌روزرسانی‌های پرتکرار (آخرین داده در تاریخ 27 ژوئیه, 2026)، کانال همواره به‌روز و دارای دسترسی بالاست. تحلیل‌ها نشان می‌دهد مخاطبان به‌طور فعال با محتوا تعامل دارند و آن را به نقطه اثرگذاری مهم در دسته دین و مذهبی تبدیل کرده‌اند.

12 611
مشترکین
+1324 ساعت
-187 روز
-12030 روز
آرشیو پست ها
ওয়ালাইকুমুস সালাম। আমার সাথে কিছুদিন আগে আমার মাতাজির সাথে বাসার কোনো একটা বিষয়ে তর্ক লেগে যায়। সেসময় আমি ঢাকায়। দুদিন পর আমার চট্টগ্রাম বাসায় যাওয়ার কথা। তর্কে আমি লজিক্যাল পয়েন্টে ছিলাম। আম্মার কথা অযৌক্তিক ছিলো। কিন্তু আমি নানান কাজের ব্যস্ততায় আওয়াজ বড় করে তর্ক করে ফেলি। পরে জেদের বশে আমি ঠিক করি যে বাসায় গেলে ভালোমত ঝগড়া করব। সাধারণত আমি চরম ধৈর্য্যশীল। কিন্তু সেদিন রেগে গেলাম। কিছুক্ষণ পর মাথা ঠাণ্ডা হলো। কিন্তু আমি ঠিক করলাম দুদিন পর বাসায় যাবো না। গেলে যদি আবার এবিষয়ে কথা উঠে এবং আমি আবার তর্ক করে ফেলি! আমি দশদিন পর বাসায় গিয়েছিলাম। এই দশদিন নিজেকে বুঝিয়েছি। কী কী বুঝিয়েছি? - আম্মার তুমি যৌক্তিক অবস্থানে আছো কিন্তু তারা মা বাবা। ভুল হোক বা শুদ্ধ তারা যদি কষ্ট পেয়ে যায় তা তোমার জীবনের জন্য ক্ষতি হবে। - কত কথাই তো বাইরের লোকজন তোমাকে বলে। সেগুলো তুমি সয়ে যাও। মা না হয় দুইটা কথা বলল আর কি! সয়ে নাও। - জীবনে কোথাও কোথাও হেরে যেতে হয়। আল্লাহ তায়ালা অন্য জায়গায় জিতিয়ে দেবেন। এরপর আমি সম্পূর্ণ নিজেকে প্রবোধ দিয়ে বুঝিয়ে শান্ত করে বাসায় গেলাম। আত্মনিয়ন্ত্রণ করলাম। বাসায় পা দেয়ার পর সালাম কালাম ও স্বাভাবিক গল্প জুড়ে দিলাম। ইটস লাইক নাথিং হ্যাপেন্ড বিফোর। ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট একটা অনেক বড় যোগ্যতা। এই যোগ্যতার জন্য সবচেয়ে বড় তিনটা গুণ দরকার - নিজের যবান নিয়ন্ত্রণ করা। - আত্মনিয়ন্ত্রণ করা। - নিজেকে সময় দেয়া ও কন্সিকোয়েন্সেস ভাবা। আর আমলী দিক হলো - ইস্তিগফার করা - যাদের উপর রাগ হচ্ছে তাদের পজিটিভিটি ভাবা - আল্লাহর কাছে নিজের রাগ ক্ষোভের ব্যাপারে সাহায্য চাওয়া

photo content

সম্ভবত আপনার ওসিডি আছে। এইখানে কোনোটা কোনোটার সাথে সাংঘর্ষিক না। জন্মের পরপরই স্কিন টু স্কিন ও শালদুধ এটা অবধারিত ও রেগুলার প্র‍্যাকটিস। এটাই হয়ে থাকে সাধারণত। তাহনিক করানো সুন্নাতে মুয়াক্কাদা টাইপ সুন্নত না। মুস্তাহাব পর্যায়ের সুন্নাহ। খেজুর পাওয়া না গেলে জিহবার তালুতে মিষ্টি কিছু লাগিয়ে দেয়া। সবচেয়ে বড় কথা এসময় দ্বীনদার ডাক্তারের কথাই অগ্রগণ্য হবে। হ্যাঁ জন্মের পরপরই আযান ও ইকামত দেয়া যাবে।

photo content

ওয়ালাইকুমুস সালাম। দায়ি দুই প্রকার ১. একাডেমিক দায়ি। যাকে দলীলের সাথে তর্ক বিতর্কের মাধ্যমে দাওয়াত উপস্থাপন করতে হয়। বাতিল খন্ডন করে হক প্রমাণ করতে হয়। এক্ষেত্রে তার দ্বীনের বুনিয়াদি বিষয়ে প্রাজ্ঞ হতে হবে। ইখতিলাফি বিষয়ে তুলনামূলক জ্ঞান রাখতে হবে। মুকারানাতুল আদইয়ানে পাণ্ডিত্য রাখতে হবে। মোটকথা দ্বীনের মূল বিষয়গুলোতে সুগভীর পাণ্ডিত্য। এই দাওয়াত যিনি করবেন তিনি ভার্সেটাইল দায়ি হবেন। যেমন - মাওলানা কলিম সিদ্দিকী। মাওলানা যুবাইর সাহেব। জাকির নায়েক। ২. মুসলিহ বা সংশোধনকারী দায়ি। এই দায়ির দাওয়াত মুসলমানদের সংস্কার ও আমলের দাওয়াহ। এই দাওয়াতের জন্য প্রাথমিক জ্ঞান ও ফযিলত জানা থাকলেই যথেষ্ট হবে। দুনিয়াবি জ্ঞান আপনি সাবজেক্ট ওয়াইজ চুজ করবেন। আমার সম্পাদিত রিফায়ি সুরুরের দাওয়াহ হিকমাহ বইটা পড়তে পারেন। চিন্তাপত্রে পেয়ে যাবেন নক করলে।

photo content

ওয়ালাইকুমুস সালাম। শুধু পাত্র আর আপনার মধ্যে কথা হলে দেবেন না। পাত্রপক্ষের পক্ষ থেকে উপযুক্ত অভিভাবক ও মধ্যস্থতাকারী কথাবার্তা মোটামুটি পাকাপাকি করলে নিরাপত্তাবোধ করলে দূরের জেলা হলে সবদিক বিবেচনা করে দেয়া যায় গার্ডিয়ানকে। সবচেয়ে ভালো হয় পছন্দ হোক বা না হোক এসে দেখে যেতে বলবেন পারিবারিকভাবে। ঝামেলা শেষ।

photo content

ওয়ালাইকুমুস সালাম। একাডেমি থেকে এই বোনের অভিযোগের ব্যাপারে জানানো হয়েছে আমাকে। সম্ভবত তিনি তার টেলিগ্রাম চ্যানেলে কারো প্রশ্ন
ওয়ালাইকুমুস সালাম। একাডেমি থেকে এই বোনের অভিযোগের ব্যাপারে জানানো হয়েছে আমাকে। সম্ভবত তিনি তার টেলিগ্রাম চ্যানেলে কারো প্রশ্নের উত্তরে ফার্স্টএইড কোর্সের ব্যাপারে অভিযোগ দিয়েছেন। আমরা পজিটিভলি নিয়েছি। তিনি পুরো কোর্স কন্টিনিউ করলে ধারণা পালটে যেতে পারতো। প্র‍্যাকটিক্যাল ক্লাস শুরু হবার আগেই মডিউল ডিসকাশন রিলেটেড ক্লাস করে তিনি এই অভিযোগ উত্থাপন করেছেন। ইয়েট উই ডোন্ট ব্লেইম হার অর ডিফেন্ড আস। উনার সম্পূর্ণ অধিকার আছে আমাদের সার্ভিসের ব্যাপারে আপত্তি করার। একটা কোর্সে দুইশজন ভর্তি হলে মিনিমান বিশজনের ভালো না লাগার অবশ্যই যৌক্তিকতা আছে। আমাদের কোর্স ও ইন্সট্রাকটরদের ব্যাপারে আমাদের আস্থা আছে। তারা ভালোভাবেই কোর্স শেষ করেছেন। প্র‍্যাকটিক্যাল কোর্সের অনেকগুলো বিষয় অফলাইনে দেখাতে হয়। তাই আমরা অফলাইন আয়োজন করতে যাচ্ছি। আশা করি এখানে এসে বিস্তারিত সব বুঝেই যাবেন ও সরাসরি প্রশ্ন করার সুযোগ থাকবে। আমরা উনার মতামতকে সম্মান করি ও আমাদের জন্য কল্যাণকামিতা হিসেবেই নিচ্ছি।

photo content

অপেক্ষার পালা শেষ। আয়োজিত হতে যাচ্ছে আমাদের প্রথম অফলাইন আয়োজন "ফার্স্ট এইড ও জরুরি চিকিৎসা প্রশিক্ষণ" কোর্সের অফলাইন সেশন। এই সেশনে আমরা দুইজন অভিজ্ঞ ডাক্তারের কাছে হাতে কলমে শিখতে পারব ফার্স্ট এইড ও জরুরি চিকিৎসা কীভাবে করতে হয়। রেজিস্ট্রেশন ফর্ম ওপেন করা হয়েছে। যেকোনো বয়সের যে কেউই চাইলে রেজিষ্ট্রেশন করতে পারবে। কোনো যোগ্যতার প্রয়োজন পড়বে না। রেজিষ্ট্রেশনের একটা নুন্যতম ফি আছে। ৫০০৳ মাত্র। কিন্তু আরো মজার ব্যাপার হচ্ছে ফার্স্টএইড কোর্সের অনলাইন রেকর্ডেড কোর্সটা আমাদের ওয়েবসাইট থেকে এনরোল করলেই আপনি এই অফলাইন সেশনটা ফ্রি পেয়ে যাবেন! অনলাইন কোর্স লিংক কমেন্টে দেয়া হয়েছে। শুধু তাই নয়! আরো চমক হচ্ছে এই অফলাইন সেশনে স্পেশাল একটা হিজামা সেশনও হবে। মাত্র ৫০০ টাকায় কতকিছু! Sponsor partner: Sukunlife & Haramainstore.com অফলাইন সেশনের বিস্তারিত: 🗓 তারিখ: ৭ই আগস্ট। রোজ জুমাবার। 📍ভেন্যু:৩১/১, লেভেল ৪, ইনসাফ টুয়েন্টি ফোর কার্যালয়, তোপখানা রোড, পুরাতন পল্টন, ঢাকা। (নারী পুরুষের উভয়ের ভেন্যু একই হবে) ⏱ সময়: • নারীদের জন্য: সকাল ১০ টা হতে দুপুর ০২ টা • পুরুষদের জন্য: বিকাল ৩ টা হতে সন্ধ্যা ৭ টা। 🎁 বিশেষ অফার: ফার্স্ট এইড কোর্সের স্টুডেন্ট দের জন্য অফলাইন সেশনের রেজিস্ট্রেশন ফি সম্পূর্ণ ফ্রি! কোর্সের স্টুডেন্ট ব্যতীত যারা ওয়েবসাইট থেকে ফার্স্ট এইড কোর্স এনরোল করবেন তারাও অফলাইন সেশনটি পেয়ে যাচ্ছেন সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। 💊বিশেষ আকর্ষণ: অফলাইন সেশনে ইন্সট্যান্ট কুইজ হবে। কুইজে অংশগ্রহণ করে বিজয়ী হলেই প্রত্যেকের জন্য রয়েছে একটি করে ফার্স্ট এইড বক্স। ★অংশগ্রহণকারী সকলকেই দেয়া হবে সার্টিফিকেট★ রেজিস্ট্রেশন ফি: ৫০০৳ মাত্র সীট সংখ্যা সীমিত। আজই রেজিষ্ট্রেশন করুন এই লিংকে গিয়ে: https://forms.gle/oKvrgz5Wt4riyNbf7 যোগাযোগ করুন আমাদের ইনবক্সে অথবা নিম্নোক্ত নাম্বারে: 📞 ফোন: 01777385647 (হোয়াটসএপ ও টেলিগ্রাম) 🌐 ওয়েবসাইট: aoiacademy.com 📧 ইমেইল: ammarsonlineinstitutionaoi@gmail.com

photo content

অপেক্ষার পালা শেষ। আয়োজিত হতে যাচ্ছে আমাদের প্রথম অফলাইন আয়োজন "ফার্স্ট এইড ও জরুরি চিকিৎসা প্রশিক্ষণ" কোর্সের অফলাইন সেশন। এই সেশনে আমরা দুইজন অভিজ্ঞ ডাক্তারের কাছে হাতে কলমে শিখতে পারব ফার্স্ট এইড ও জরুরি চিকিৎসা কীভাবে করতে হয়। রেজিস্ট্রেশন ফর্ম ওপেন করা হয়েছে। যেকোনো বয়সের যে কেউই চাইলে রেজিষ্ট্রেশন করতে পারবে। কোনো যোগ্যতার প্রয়োজন পড়বে না। রেজিষ্ট্রেশনের একটা নুন্যতম ফি আছে। ৫০০৳ মাত্র। কিন্তু আরো মজার ব্যাপার হচ্ছে ফার্স্টএইড কোর্সের অনলাইন রেকর্ডেড কোর্সটা আমাদের ওয়েবসাইট থেকে এনরোল করলেই আপনি এই অফলাইন সেশনটা ফ্রি পেয়ে যাবেন! অনলাইন কোর্স লিংক কমেন্টে দেয়া হয়েছে। শুধু তাই নয়! আরো চমক হচ্ছে এই অফলাইন সেশনে স্পেশাল একটা হিজামা সেশনও হবে। মাত্র ৫০০ টাকায় কতকিছু! অফলাইন সেশনের বিস্তারিত: 🗓 তারিখ: ৭ই আগস্ট। রোজ জুমাবার। 📍ভেন্যু:৩১/১, লেভেল ৪, ইনসাফ টুয়েন্টি ফোর কার্যালয়, তোপখানা রোড, পুরাতন পল্টন, ঢাকা। (নারী পুরুষের উভয়ের ভেন্যু একই হবে) ⏱ সময়: • নারীদের জন্য: সকাল ১০ টা হতে দুপুর ০২ টা • পুরুষদের জন্য: বিকাল ৩ টা হতে সন্ধ্যা ৭ টা। 🎁 বিশেষ অফার: ফার্স্ট এইড কোর্সের স্টুডেন্ট দের জন্য অফলাইন সেশনের রেজিস্ট্রেশন ফি সম্পূর্ণ ফ্রি! কোর্সের স্টুডেন্ট ব্যতীত যারা ওয়েবসাইট থেকে ফার্স্ট এইড কোর্স এনরোল করবেন তারাও অফলাইন সেশনটি পেয়ে যাচ্ছেন সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। 💊বিশেষ আকর্ষণ: অফলাইন সেশনে ইন্সট্যান্ট কুইজ হবে। কুইজে অংশগ্রহণ করে বিজয়ী হলেই প্রত্যেকের জন্য রয়েছে একটি করে ফার্স্ট এইড বক্স। ★অংশগ্রহণকারী সকলকেই দেয়া হবে সার্টিফিকেট★ রেজিস্ট্রেশন ফি: ৫০০৳ মাত্র সীট সংখ্যা সীমিত। আজই রেজিষ্ট্রেশন করুন এই লিংকে গিয়ে: https://forms.gle/FbWkxy1eMtP6eh5f6 যোগাযোগ করুন আমাদের ইনবক্সে অথবা নিম্নোক্ত নাম্বারে: 📞 ফোন: 01777385647 (হোয়াটসএপ ও টেলিগ্রাম) 🌐 ওয়েবসাইট: aoiacademy.com 📧 ইমেইল: ammarsonlineinstitutionaoi@gmail.com

ইসলামি আন্দোলনের প্রাণপুরুষ সাইয়েদ কুতুব শহীদ রহ. এর অনবদ্য গ্রন্থ - মাআলিম ফিত তরিক্ব। এই বইয়ের পর্যালোচনা পুরোটা শুনুন এই লিংকে: https://youtu.be/fnn3ncLplSw?si=MjnZg46asYc6cgSE

সোশ্যাল মিডিয়ায় কারো গোনাহ সামনে এলে সবাই ঝাঁপিয়ে পড়ে। নিজেদের ভেতরকার কালিমা ভুলে যায়। এই যে এমন দ্বিমুখী মানসিকতা শামস ই তাবরিযী একে সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন তার কবিতায়~ همه ما گناهکارانی انتخاب‌گر هستیم. گناهانی را انتخاب می‌کنیم که با آن‌ها راحت هستیم. و دیگرانی را که مرتکب گناهانی می‌شوند که ما با آن‌ها راحت نیستیم قضاوت می‌کنیم Hame-ye ma gonāhkārāni entekhāb-gar hastim. Gonāhāni rā entekhāb mikonim ke bā ānhā rāhat hastim. va digarāni rā ke mortakeb-e gonāhāni mishavand ke ma bā ānhā rāhat nistim. qazāvat mikonim We choose the sins we love to keep And walk with them in easy grace. Yet judge the ones who fall too deep In errors that we can't embrace.

আল্লাহ তায়ালা ইসলামের স্তম্ভ দিয়েছেন পাঁচটি। এরমধ্যে কালিমা শাহাদাহ আমাদের পড়তেই হয় না ঈমান আনতে। কারন বাপ-দাদার দ্বীন আমরা ফ্রিতে পেয়ে গেছি। রোযাও রমাদ্বান মাসে রাখতে না পারলে অসুস্থ হলে পরেও রাখা যায়। অশীতিপর বৃদ্ধ হয়ে গেলে মওকুফ হয়ে যায়। ফিদইয়া আদায় করলেই হয়ে যায়। ধন সম্পদ না থাকলে যাকাতও নেই হজ্বও নেই। রইলো শুধু একটাই কাজ। নামাজ। ওয়াক্তমত নামাজ আদায়। ঈমানের পরিচায়ক। ঈমান কুফরের সীমারেখা এই নামাজই ঠিক করে দেয়। এটাও যদি আদায় করা না হয় কতবড় হতভাগা আমি! আজ পড়ব কাল পড়ব করতে করতে মালাকুল মওত এসে যাবে। কাস্তে দিয়ে খুঁচিয়ে জানটা কবয করে নিয়ে যাবে। অথচ তখনও আল্লাহর দরবারে সিজদা দেয়া বাকীই রয়ে যাবে।

গভীর রাত। চারপাশ নির্জন নিস্তব্ধ। দূরে শুধু শোনা যায় ভবঘুরে কুকুরের তারস্বরে চিৎকার। থেমে থেমে নাইটগার্ডের হুইসেল বেজে উঠে। হাসান অনেক আগেই শুয়েছে। কিন্তু ঘুম এখনো আসেনি। তার হাতে ফোন। চোখ স্থির ফোনের স্ক্রিনে। সে অন্য এক নেশায় বুঁদ হয়ে আছে। সারাটা দিন গেছে অলসতায়। এই রাত্তিরে ঘুম আসছে না। অলস মস্তিষ্ক কোনো কাজও খুঁজে পাচ্ছে না। তাই সে কিছুক্ষণ ফেইসবুক স্ক্রল করে। আবার কিছুক্ষণ দেখে ইন্সটাগ্রামের রিলস। শোয়া থেকে উঠে বসল সে। একটু ইতিউতি করে নিলো। নাহ! দরজা লাগানোই আছে। মা বাবা ঘুমিয়ে পড়েছে। বাবা একবার এসে অবশ্য বকে গেছে। যেন ফোন রেখে ঘুমিয়ে পড়ে। এখন আর আসবে না। তাই নিশ্চিন্ত হয়ে নিলো হাসান। ঠিক সেই মূহুর্তে শয়তান ধোঁকাটা দিয়ে দিলো। এই ছেলে! বয়স তোমার এখন আঠারোর চৌকাঠে। এখন যদি একটু আধটু নিজেকে আনন্দ না দাও আর কবে! কদিন পর তোমাকে অনেক ব্যস্ত হতে হবে। পড়াশোনার চাপ বাড়বে। কী হবে এত আত্মনিয়ন্ত্রণ করে। একটু মজা করো। হাসান ঢুকে গেলো অন্য এক জগতে। নিষিদ্ধ জগত। বড়ই অন্ধকার জগত। যে জগত পম্পেই ধ্বংস করেছে। যে জগত ধ্বংস করে চলছে বর্তমান জগতটাকে। পর্ণগ্রাফি! একি! তার চোখ এভাবে দুলছে কেন! খাটের কোণায় এভাবে এগিয়ে আসছে কে? শ্বাস বন্ধ হয়ে এলো যে! আঙ্গুল নড়ছে না কেন? সে কি অজ্ঞান হয়ে যাচ্ছে যে? ভোর পর্যন্ত তার জ্ঞান ফিরে পাবে তো! মা বাবা এসে যদি দেখে তার হাতে ফোন ধরা। ফোনে চলছে আদিম অশ্লীলতা! হাতও নড়ছে না। ফোনও বন্ধ করা যাচ্ছে না। চোখটা খুলে গেলো। চোখ লেগে এসেছিলো। হাতে ফোন ধরা অবস্থাতেই। সে মাত্র ভেবেছিলো সে গুগলের সার্চবারে যাবে। কিন্তু এভাবে ঘোর লাগা ঘুম এলো কী করে? ঘেমে নেয়ে একাকার হয়ে গেলো হাসান। পরক্ষণেই মনে পড়ে গেলো একটা আয়াতের কথা: لَعَلِّي أَعْمَلُ صَالِحًا فِيمَا تَرَكْتُ ۚ كَلَّا ۚ إِنَّهَا كَلِمَةٌ هُوَ قَائِلُهَا ۖ وَمِنْ وَرَائِهِمْ بَرْزَخٌ إِلَى يَوْمِ يُبْعَثُونَ যেন আমি যা (দুনিয়া) ছেড়ে এসেছি সেখানে সৎকাজ করতে পারি। কক্ষনো না! এ তো কেবল তার একটি কথার কথা মাত্র। আর তাদের সামনে আছে পুনরুত্থানের দিন পর্যন্ত ‘বারযাখ’ (এক অন্তরাল বা পর্দা)। এই ক্ষনিকের আনন্দের জন্য এই অশ্লীলতায় ডুবতে গিয়ে সে কবরের জগতকে ভুলতে বসেছিলো? যেখানে কবরের চাপে পাঁজরের হাড় ঢুকে যাবে? গুনাহের সুখ তো শেষ হয়ে যায়। পরিতাপ রয়ে যায়। পরিণাম তাড়িয়ে বেড়ায়। ভেতরটা ফোকলা করে দেয়। হাসান উঠে গেলো। অজু করে দাঁড়িয়ে গেলো জায়নামাযে। মাওলা! একমুহূর্তে তোমার ভুলতে বসেছিলাম। তুমি আমায় ফিরিয়ে নাও। [গোপন গুনাহ ও চোখের যিনা যাদের ভাবায় না তাদের জন্য এই ভিডিও]

ওয়ালাইকুমুস সালাম। হাদিসে এসেছে - إنَّ المؤمنَ إذا أذنب ذنبًا كانت نُكتةٌ سوداءُ في قلبِه ، فإن تاب ، ونزع ، واستغفر صقَل منها ، وإن زاد زادت حتَّى يُغلَّفَ بها قلبُه ، فذلك الرَّانُ الَّذي ذكر اللهُ في كتابِه : كَلَّا بَلْ رَانَ عَلَى قُلُوبِهِمْ নিশ্চয়ই কোনো মুমিন যখন একটি গুনাহ করে তখন তার অন্তরে একটি কালো দাগ পড়ে। অতঃপর যদি সে তওবা করে গুনাহ থেকে ফিরে আসে এবং আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে, তাহলে তা মুছে যায়। আর যদি সে (গুনাহ) বাড়াতে থাকে তবে সেই দাগও বাড়তে থাকে—এমনকি তা তার অন্তরকে ঢেকে ফেলে। আর এটিই হলো সেই মরিচা যার কথা আল্লাহ তাঁর কিতাবে উল্লেখ করেছেন: كَلَّا بَلْ رَانَ عَلَى قُلُوبِهِمْ কখনোই নয়! বরং তাদের অন্তরের উপর মরিচা পড়ে গেছে। হাদিসে এও এসেছে - إِنَّ القُلُوبَ تَصْدَأُ كَمَا يَصْدَأُ الحَدِيدُ قِيلَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، وَمَا جِلَاؤُهَا؟ قَالَ: كثرة ذِكْر الموت وَتِلَاوَةُ القُرْآن নিশ্চয়ই অন্তরসমূহ মরিচা ধরে যায় যেমন লোহা মরিচা ধরে। সাহাবীগণ জিজ্ঞেস করলেন: হে আল্লাহর রাসূল! এর পরিস্কার (মরিচা দূর করার উপায়) কী? তিনি বললেন: মৃত্যুর কথা বেশি স্মরণ করা এবং কুরআন তিলাওয়াত করা। ভাই আমার! গোপন গুনাহ করার সময় আল্লাহকে ভয় করুন। কেউ না দেখুক আল্লাহ তায়ালা দেখছেন। সেই সময় যদি মারা যান কী হবে ভেবে দেখেছেন? আপনি গুনাহে ব্যস্ত মানুষ আপনাকে সেই অবস্থায় লাশটা তুলে নিয়ে যাবে। দুনিয়াতেও যিল্লতি আখিরাতে তো আছেই। একাকী থাকবেন না। সবসময় অযু করবেন। কুরআনের কপি পাশে রাখবেন। বেশি গুনাহ করতে মন চাইলে উঠে নামাজে দাঁড়িয়ে যাবেন। আল্লাহর কাছে কান্নাকাটি করবেন।

photo content

উত্তম নাসীহাহ। যারা আরবী জানেন তাদের জন্য। আর যারা জানেন না... যোগাযোগ করুন @Ammar's Online Institution - AOI তে। ভর্তি হোন আরবী কোর্সে।