1 955
مشترکین
-124 ساعت
-67 روز
-1730 روز
آرشیو پست ها
1 955
আলহামদুলিল্লাহ, আমি বর্তমানে PARIS এ আছি, তাই আমি আমার অভিজ্ঞতা থেকে বলতেছি, হয়তো আপনার কাজে আসতে পারে।
আপনারা যারা ইউরোপ বা অন্য কোনো দেশে আসবেন বলে চিন্তা করতেছেন তারা এই জিনিস গুলো মাথায় রাখবেন, আমি মাএ ৪-৫ টা পয়েন্ট বলবো যা অনেক গুরুত্বপূর্ণ,
(১) ভাষা
(২) লিগাল ডকুমেন্টস
(৪) সবস্তরের মানুষের সাথে ভালো ব্যবহার
(৫) অন্তত একটা কাজের অভিজ্ঞতা
(৬) ধৈর্য ও মনোবল
[ ভাষা হচ্ছে অনেক গুরুত্বপূর্ণ, আপনি যদি কোনো দেশে আসবেন বলে চিন্তা করতেছেন তাহলে সেই দেশের খুটিনাটি আর গুরুত্বপূর্ণ শব্দ আয়ত্ত করে নিতে পারেন, আপনি যে ভাষা শিখতে চান তা অনলাইনে পেয়ে যাবেন, আমার নিজের দেখা অনেক বাংলাদেশিরা এইখানে এসেই কাজের জন্য সারা শহর চোটে বেড়ায়, ভাষা জানা নেই তাই মালিক পক্ষ কাজে নেয়না, তাই যারা ভাষা না জেনে চলে এসেছেন তাদের ও অনেক শুজোগ আছে, যদি প্যারিসে কেউ ভাষা শিখতে চান বাইলেন আমি ভালো ভাষা শিক্ষা ফ্রি স্কুল বলে দেবো।
[ লিগাল ডকুমেন্টস সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ, অনেকেই আছে এমন যে তারা স্টুডেন্ট বিসায় বা বাই রোড, হয়ে এক দেশ হতে অন্য দেশে চলে আসেন কিন্তু আপনি বর্তমানে যেই দেশে আছেন সেই দেশের কোনো লিগাল ডকুমেন্টস নেই, এইগুলা মোটেও করবেন না ভাই, আপনি বৈধ বা অবৈধ যেভাবেই হোক আসেন না কেনো, আপনি সর্বপ্রথম বৈধতার জন্য কাজ করবেন, আমার অনেক ভাই এইগুলা দেশে এসেই লিগাল ডকুমেন্টস এর প্রতি গুরুত্ব না দিয়ে কাজের জন্য লেগে যায়, একদমই এমনটা করা যাবেনা, আপনার যদি একবার লিগাল ডকুমেন্টস হয়ে যায় তাহলে আপনি মাসে ১-২ গুণ বেশি ইনকাম করতে পারবেন ইনশাআল্লাহ,
[ ভালো ব্যাবহার, অবশ্যই আপনার ব্যবহার ভালো করতে হবে, এইগুলো দেশে অনেক জিনিস অপেনলি হয়ে তাকে অবশ্যই আপনি এইগুলো এরিয়ে চলতে হবে, যেমন : ময়লা ডাস্টবিন চারা অন্য কোতাউ ফেলতে পারবেন না,যেখানে সেখানে থুতু ফেলতে পারবেন না, পাবলিক রাস্তায় বা গাড়িতে চেলে মেয়ে মজা করতেছে তাদের দিকে হা করে তাকিয়ে তাকতে পারবেন না, অবশ্যই পরিচিত কাউকে দেকলে সুভ সকাল বা সুভ রাএি এইগুলা বিনিময় করবেন, আর হা সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ হলো কারো সাথে ধাক্কা এমন অন্য কিছু হলে সাথে সাথে সরি বলা।
[ কাজ শিকা অনেক ভালো, আপনি যদি একন বাংলাদেশে হন তাহলে আপনার উচিত একটা কাজ শিকে আসা, একটা কাজ জানা তাকলে ওইটা অনেক কাজে আসবে, আর যদি আমনি কোনো কাজ না জেনেই অলরেডি চলে আসেন। তাহলে আমার পরামর্শ হলো আপনি আপনার একটু সময় কয় করে একটা কাজ শিকে তার পরে কাজে লাগা, আর তা বাংলাদেশে আছেন এমন অনেকেই বলবেন ভাই কি কাজ শিকে আসলে ভালো হয়? আমি বলবো রেস্টুরেন্টের সেফ এর কাজ শিকে আসোন, পারলে ভালো বাংলাদেশেই বাহিরের দেশের সেফ এর কাজ শিখানো হয় তারা সার্টিফিকেট ও দেয়।
বাকি আরো অনেক খুটিনাটি জিনিস আছে অন্য দিন লিখবো ইনশাআল্লাহ
আর হা আমি বাংলা তেমন লিখতে পারিনা, ভোল বানানের জন্য গালি বা খারাপ মন্তব্য করবেন না দেয়া করে,🙏
1 955
কেন বই পড়বেন?
বই পড়ার মত ২৫টি কারণ, কমেন্টে জানান কোনটি আপনার বই পড়ার কারণ -
১। দুঃশ্চিন্তা থেকে মুক্তি পেতে।
২। সহজেই বর্তমান, অতীতের সময়ে যাবার জন্য।
৩। নিজের কল্পনাশক্তি বৃদ্ধির জন্য। (আইনস্টাইন বলেছেন, "চিন্তাশক্তি জ্ঞানের থেকেও গুরুত্বপূর্ণ।"
৪। অন্যের দৃষ্টিকোণ থেকে পৃথিবী দেখতে।
৫। নতুন কিছু জানতে বা শিখতে।
৬। নিজের বাইরে অন্যের চিন্তাশক্তি ব্যবহার করতে বা বুঝতে।
৭। নতুন শব্দ শিখতে বা পুরোনোগুলো মনে রাখতে।
৮। মন খুলে হাসতে।
৯। মনকে শান্ত করতে।
১০। জেগে থেকেও স্বপ্ন দেখতে।
১১। নিজের অনুভূতি ব্যক্ত করার জন্য সঠিক বাক্য বা শব্দ পেতে।
১২। ঘরের বাইরে না গিয়েও পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্ত ভ্রমণ করতে।
১৩। ডিজিটাল ডিভাইসগুলো থেকে লম্বা সময় দূরে থাকতে।
১৪। পুরোনো স্মৃতি মনে করতে।
১৫। সামনাসামনি দেখা না করেও নতুন মানুষদের সম্পর্কে জানতে।
১৬। নিজেকে উদ্ধুদ্ধ ও অনুপ্রাণিত করতে।
১৭। বাচ্চাদের কাছে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে।
১৮। অন্যের জবানিতে নিজের জীবনের মিল খুঁজে পেতে।
১৯। নতুন দিগন্ত ও নতুন দৃষ্টিভঙ্গী পেতে।
২০। বাচ্চাদের বইয়ের ম্যাজিকের সাথে পরিচয় করিয়ে দিতে।
২১। নিজের নিঃসঙ্গতা দূর করতে।
২২। পৃথিবীর বিখ্যাত সব মানূষদের জানতে ও তাদের মতাদর্শ জানতে।
২৩। নিজেকে ভালোভাবে জানতে।
২৪। নিজের ভিতরে সহমর্মিতা জাগাতে।
২৫। ভালভাবে ঘুমানোর জন্য।
1 955
#কিভাবে_নন_জাজমেন্টাল_বিহেভিয়ার_ডেভেলপ_করা_যায়
"Be curious, not judgmental"- Walt Whitman.
আমরা প্রত্যেকেই জাজমেন্টাল।
হ্যাঁ, আমি, আপনি, আমরা প্রত্যেকে। এটি মানুষের একটি প্রাকৃতিক স্বভাব। যদিও মানুষের স্বভাব জাজমেন্টাল হওয়া তারপরেও এটি সবসময় প্রয়োজনীয় নয়। বরং বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই অপ্রয়োজনীয়।জাজমেন্টের ফলে আমরা অন্য মানুষকে আমাদের চেয়ে খারাপ অবস্থানে দেখি যার ফলে মানুষের মধ্যে বৈষম্য তৈরি হয়।
অনেক সময় আমরা একটা মানুষকে না জেনে শুধুমাত্র তাদের দেখে জাজ করে ফেলি। আমরা ভাবি না মানুষটা কোন পরিস্থিতি তে দাড়িয়ে আছে, তার মানসিক অবস্থা কি, কতটা খারাপ সিচুয়েশানের মধ্য দিয়ে সে যাচ্ছে। আমরা এটাও ভাবি না আমাদের জাজমেন্ট সঠিক কি ভুল!
আবার আমরা আমাদের পরিচিত মানুষদের নিয়েও জাজ করি। তাদের কোনো কাজ হয়তো আমরা দেখি, তাদের প্রতি রাগ বা অসন্তোষ হয়ে আমরা জাজ করি। এক্ষেত্রেও আমরা মানুষটাকে বোঝার চেষ্টা করিনা। বুঝতে হলে মানুষটার সঙ্গে কমিউনিকেট করতে হয়। কমিউনিকেশন এবং বোঝার মধ্যে একটা যোগসূত্র আছে। এই যোগসূত্র স্থাপনের জন্য দরকার সময় এবং প্রচেষ্টা।
আমরা কেবল অন্যকে জাজ করি তা নয়, আমরা নিজেদেরকেও জাজ করি। জাজ করার চর্চা বরং নিজেকে করেই হয়ে থাকে। তাই নিজেকে যত কম জাজ করবো, অন্যের প্রতিও তত সহনশীল হবো।
♦কিভাবে নিজের প্রতি নন জাজমেন্টাল থাকা যায়?
অন্যকে জাজ করার পাশাপাশি আমরা নিজেকেও অনেকটা জাজ করি। এই কাজটা কেন করলাম, এটা ভুল করেছি, ওটা না করলে ভালো কিছু হতো প্রতিনিয়ত আমরা নিজেদেরকে এভাবে জাজ করতে করতে থাকি বিভিন্ন অপ্রয়োজনীয় প্রশ্ন করে। এসব ভেবে কিন্তু আদতে কোনো সাহায্য হচ্ছেনা বরং একটা কাজের জন্য নিজেকে বারবার শাস্তি দেয়ার মতন হয়ে যায়। সবার আগে আমাদের নিজেদের প্রতি দায়িত্ববান হতে হবে যাতে এসব অপ্রয়োজনীয় জাজমেন্ট থেকে বিরত থাকতে পারি। তার জন্য আমাদেরকে একটু ভিন্নভাবে চিন্তা করতে হবে এবং বলতে হবে। যেমন-
★"আমি অনেকটা সময় নষ্ট করে ফেলেছি" এটার পরিবর্তে আমরা বলতে পারি "যে সময়টা এখনও বাকি আছে তার জন্য আমি কৃতজ্ঞ"।
★"আমি ব্যর্থ হয়েছি" এর পরিবর্তে বলতে পারি "আমি আমার ভুল গুলো খুঁজে পেয়েছি"।
★"কাজটি পারফেক্ট হয়নি" এটার পরিবর্তে ভাবতে পারি "পরবর্তী সময়ে আমি আরো ভালোভাবে কাজটি করবো"।
★" আমি খুবই খারাপ সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি " না বলে বলতে পারি "ভালো সময়গুলো সামনে অপেক্ষা করছে"।
★"আমার সামনে এই সমস্যাটি আসছে" না ভেবে ভাবতে পারি "যে সমস্যাই আসুক আমি তা মোকাবিলা করতে পারবো। এটা আমার উন্নতিতে সাহায্য করবে"।
★"এই মানুষটি খারাপ" না বলে বলবো "এই মানুষটির ভালোবাসা প্রয়োজন"।
♦কিভাবে অন্যের প্রতি নন জাজমেন্টাল থাকা যায়?
অন্যের প্রতি জাজমেন্ট কমানোর জন্যেও আমরা কিছু চিন্তাভাবনায় পরিবর্তন আনতে পারি। যেমন-
১. যেকোনো মানুষ বা অবস্থানকে তাদের মতন করে গ্রহণ করুন:
যখন আপনি একজন মানুষকে তার মতন করে গ্রহণ করবেন এবং বোঝার চেষ্টা করবেন, তখন আপনি কম জাজমেন্টাল মানুষ হতে থাকবেন। প্রত্যেকের জীবন আলাদা, চিন্তাভাবনা আলাদা এই সত্যকে মেনে নেয়ার চেষ্টা করুন।
২. নিজের প্রতি ফোকাসড থাকুন:
যখন আপনি নিজের প্রতি ফোকাসড থাকবেন, নিজের কাজগুলো ঠিকভাবে করবেন তখন অন্যের কাজকর্ম নিয়ে ভাববার প্রবণতা এবং সময় দুটোই কমে আসবে। সব মানুষই ত্রুটিযুক্ত। নিজের জীবনে ফোকাস করুন এতে জাজমেন্টাল মনোভাব কমবে।
৩.প্রত্যেকেরই নিজের মতন করে চলার অধিকার রয়েছে:
মানুষের জীবনে নানান চড়াই উৎরাই থাকে। এগুলো পার করতে করতে মানুষ হাপিয়ে উঠে। তাই প্রত্যেকেরই নিজের মতন জীবন যাপন করার অধিকার আছে। প্রত্যেকেই চায় মানসিক শান্তি। এবং একেকজন একেকভাবে চায়। এই সত্যগুলো মাথায় রাখলে অপর মানুষকে জাজ করার প্রবণতা কমবে।
৪. নিজেকে ভালোবাসুন, নিজেকে গ্রহণ করুন যেমন আছেন তেমন ভাবে:
যখন আপনি নিজেকে সকল দোষ গুণ নিয়ে গ্রহণ করবেন এবং ভালোবাসবেন তখন অন্যকেও একই ভাবে গ্রহণ করতে পারবেন তার প্রতি কোনো রকম জাজ না করে। তাই নিজেকে ভালোবাসুন সবার আগে।
৫. অপ্রয়োজনীয় জাজমেন্ট না করে গঠনমূলক আলোচনা করার চর্চা করুন:
সমালোচনা ভালো যখন তা অন্যকে আরেকটু উন্নতি করতে সাহায্য করে। পাশাপাশি অনেকক্ষেত্রে আমাদের জাজ করতেই হয়। যেমন- আমরা কার সঙ্গে অথবা কিভাবে সময় কাটাচ্ছি এটা আমাদের জাজ করা উচিত। কোন স্কুল, কলেজ, চাকরী ইত্যাদি আমাদের জন্য ভালো তা জাজ করা উচিত। কেবল যখন তা অপ্রয়োজনীয় তখন বর্জন করা উচিত।
৬.নিজের রাগের উপর নিয়ন্ত্রণ আনুন:
অনেক সময় অন্যের উপর জমে থাকা রাগ বা ক্ষোভ থেকে আমরা মানুষকে জাজ করে থাকি। খুজে বের করার চেষ্টা করুন এমন কোনো কারন আছে কিনা। থাকলে সেটা নিয়ে কাজ করুন এবং রাগ কন্ট্রোল করুন।
৭. নিজের বাউন্ডারি জানুন:
আপনার বাউন্ডারি সম্পর্কে যথাযথ ধারণা রাখুন। যদি কোনো মানুষ, জায়গা অথবা অন্যকোনো জিনিস আপনার জাজমেন্টাল সাইডকে ট্রিগার করে তাহলে সেগুলো বর্জন করুন।
৮. আপনার জাজমেন
1 955
আমি বিশ্বাস করি, সবাই এটা পড়বে এবং
শেয়ার করবে....
গত ৩ মাসে আমরা কমপক্ষে ৩০ টা ইন্সিডেন্ট পেয়েছি Honey Trap বিষয়ে। এই ২০ জনের মধ্যে দেশের উচ্চবিত্ত ব্যবসায়ী, সরকারি কর্মকর্তা, রাজনৈতিক ও মিডিয়া ব্যক্তিত্ব , সাংবাদিক ও সাধারণ মানুষও রয়েছে।
হঠাৎ কেউ আপনাকে মেয়ে সেজে ফেসবুক আইডি থেকে নক করলো সাথে সাথে আপনি বন্ধু হয়ে গেলেন, ধীরে ধীরে বাংলা বা হিন্দি মিলিয়ে মিষ্টি মিষ্টি কথা বলা শুরু করলো; আপনি হয়তো গলে গেলেন। একটা পর্যায়ে আপনাকে সে আহ্বান জানালো যে সে আপনার সাথে ভিডিও কল করবে, ভিডিও কল করার বলবে বাথরুমে যেতে, বাথরুমে গিয়ে অপর প্রান্তের মেয়েটি তার নিজের নিচের অথবা ওপরের অংশের কাপড় খোলা শুরু করবে এবং কোনো একটা পর্যায়ে আপনাকেও কাপড় খুলতে বলবে, হয়তো আপনি ভুল করে অথবা অন্য কোনো কারণে একটু কাপড় খুলবেন বা অর্ধনগ্ন হবেন, সে তখন পুরোটা ভিডিও করবে ও সে নিজেরটা বাদ দিয়ে আপনারটা রাখবে এবং শুরু করবে ব্লাকমেইল, ব্লাকমেইল করে আপনার কাছ থেকে টাকা চাবে। তারা আপনার কিছু ব্যক্তিগত বা পেশাগত তথ্য সংগ্রহ করে এই ব্ল্যাকমেইল কে আরো প্রগাঢ় করে তুলবে। এই রকম ঘটনায় এক একজন এর কাছ থেকে মিনিমাম ২০ লাখ টাকা থেকে উর্ধ্বে ১.৫ কোটি পর্যন্ত টাকা নিয়েছে বলে এমন খবর আমাদের কাছে আছে।
সম্মানিত নাগরিকদের আমি আহ্বান জানাই কোনো ভাবেই অপরিচিত আইডি থেকে এসএমএস আসলে তার সাথে বন্ধুত্ব করার কোনো দরকার নেই। বন্ধুত্ব করলেও সেক্ষেত্রে সাবধানে কথা বলবেন। বিশ্বাস করে গোপন চ্যাট করবেন না বা ভিডিও কল তো অবশ্যই না, যাকে চেনেন না জানেন না তার সাথে ভিডিও কলে কোনো ভাবেই কথা বলা যুক্তিসম্মত নয়। আর যদি এমন ইন্সিডেন্ট ঘটে যায়, তাহলে আপনি মাথায় রাখবেন এক টাকাও দিবেন না আপনি, টাকা দিলেই বুঝবে আপনার কাছে টাকা আছে তখন সে আপনাকে আরো ব্লাকমেইল করবে। এটা একটা চক্র ও এটা কমপক্ষে ৫০০ লোকের একটা সিন্ডিকেট, যাদের কাছে এটা একটা পেশা, তারা কোনভাবেই আপনার সামাজিক অবস্থান নিয়ে কন্সারন্ড না, তারা চায় টাকা। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত থেকে চক্রগুলো বাংলাদেশী নাগরিক এর সহায়তায় এই সিন্ডিকেট পরিচালনা করে। কথা বলার সময় ভারতীয় হোয়াটসএপ ও টাকা নেয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশী ব্যাংক একাউন্ট বা বিকাশ/নগদ নাম্বার ব্যবহার করে। এরা আরো ২০ জনের সাথে একই কাজ করে, আপনার পেছনে সময় দেয়ার মত সময় তাদের নেই।আপনি হুমকি ধমকিতে টাকা দিলে তারা খুশি, না হলে আর কোনো কিছুই না বা ভাইরাল করার সময় তাদের নাই। অবশ্যই হুমকিতে ভীত হয়ে টাকা দিবেন না।
আর এমন ইন্সিডেন্ট ঘটলে পুলিশ (সাইবার পুলিশ) কে রিপোর্ট করুন। এটা এত বেশি মহামারীর মতো হয়ে যাচ্ছে তাই আমি সকলকে বলবো পোস্টটা পড়বেন এবং শেয়ার করবেন।
মো: নাজমুল ইসলাম
এডিসি
CTTC,Bangladesh police.
1 955
ক্যারিয়ার উন্নয়নে তাহসানের ৫ পরামর্শ ❗
ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির নবীন বরণে একটি বক্তব্য দিয়েছেন জনপ্রিয় সঙ্গীত শিল্পী ও অভিনেতা তাহসান খান। যেখানে পড়াশোনার পাশাপাশি ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্টের জন্য ৫টি বিষয়ে কথা বলেছেন তিনি। ইতোমধ্যে তার বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। বাস্তবধর্মী দুক নির্দেশনামূলক এ বক্তব্যের জন্য ভক্ত- শুভাকাঙ্ক্ষীসহ সব মহলের প্রশংসায় ভাসছেন তাহসান।
ইংরেজিতে দেওয়া তার বক্তব্যটি পাঠকদের জন্য হুবহু তুলে ধরা হল।
সকলকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়ে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তাহসান বলেন, আমি বলব আপনারা ভাগ্যবান কারণ আপনারা একটু উত্তম যায়গায় জীবন শুরু করতে যাচ্ছেন। এটাকে আমি উত্তম যায়গায় বলছি কেননা, এটা এমন একটি জায়গা যেখানে আপনাকে কেউ বলবেনা তুমি পড়তে বসো কিংবা কোন শিক্ষক আপনাকে পড়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করবে না।
আপনাকে নিজে নিজেই আপনার ক্যারিয়ার সম্পর্কে সম্পর্কে সচেতন হতে হবে। নিজের জীবন গড়ার জন্য। যারা সচেতন হবে, তারা সফল হবে। যারা সচেতন হবে না, তারা হয়তো বা সফল নাও হতে পারে। তবে সচেতন সবাই সফল হবে। আমি যখন এখানে গাড়ি চালিয়ে আসছিলাম তখন ভাবছিলাম, কি বলব সেখানে গিয়ে? আমি ভাবছিলাম আমি ক্লাসে কি কি করতাম? আমি ভাবছিলাম এমন কি বললে সবাই অনুপ্রাণিত হয়ে ভাল কিছু করতে পারবে।
আমি চিন্তা করলাম আমাকে এমনভাবে ক্লাস নিতে হবে, যেমন অন্য শিক্ষকরা নেন। সুতরাং এমন কিছু বলতে হবে যা সবার জন্য ভাল। উদাহরণ স্বরূপ, আমি স্টেজে উঠলাম ৮ মি। আমি চিন্তা করলাম আমি কি বলতে পারি? সুতরাং আমি এখানে ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্টের জন্য পড়াশোনার পাশাপাশি জীবনের জন্য ৫ টি বিষয়ে পরামর্শ দিতে চাই।
১. পরিবর্তন: তাহসান বলেন, আমার ১ম পরামর্শ হলো পরিবর্তন। পরিবর্তনকে আলিঙ্গন করতে হবে। বর্তমান যুগে এগিয়ে যেতে হলে পরিবর্তনের সাথে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যেতে হবে। তিনি উদাহরণ হিসেবে বলেন, তিনি যখন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন, তখন তার ব্যবসা অনুষদের শিক্ষকরা কোকাকোলাকে অন্যতম ব্রান্ড হিসেবে তাদের কাছে উপস্থাপন করত। তারা কোকাকোলা খাওয়াকে সাধারণ ব্যাপার মনে করত। কিন্তু বিশ্বখ্যাত ফুটবলার ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো যখন তার সাক্ষাৎকারের পূর্বে কোকাকোলার বোতল টেবিল থেকে সরিয়ে রাখলেন, ঠিক তখন মুহূর্তেই কোকাকোলা শেয়ারবাজারে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ হারালো। কেননা, তরুণ প্রজন্ম এখন বুঝতে পারছে যে, কোকাকোলার মতো পানীয় আসলে কোন স্বাস্থ্যসম্মত খাবার নয়।
সুতরাং কোন কিছুই স্থায়ী নয়, সব কিছুই পরিবর্তনশীল। সব কিছুকে পরিবর্তন হতে হয়। এই পরিবর্তনের মধ্যে নিয়েই আমরা শিক্ষা গ্রহণ করি।
২. আবেগকে প্রধান্য না দেয়া: সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে আবেগকে প্রধান্য দেয়া যাবে না। বরং সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে আরো বেশি বাস্তবিক ও প্রায়োগিক হতে হবে। নেতিবাচক আবেগকে কোন কারণ হিসেবে নিয়ে কখনোই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা উচিত হবে না। এগুলো থেকে অবশ্যই সবাইকে দূরে থাকার পাশাপাশি একজন পরিপক্ব ব্যক্তি হয়ে উঠার পরামর্শ দেন তিনি।
৩. খুব সহজে অন্যকে বিচার করার যে প্রবণতা সেটা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। আমরা খুব সহজেই অন্যকে বিচার করে থাকি এবং এমনটাও মনে করে থাকি এটা যেন আমাদের কোন অধিকারের অংশ। কিন্তু সর্বক্ষেত্রে এটা হওয়া উচিত নয়। কেননা, তার নিজেরও কোন গল্প থাকতে পারে যেটা অন্যের কাছে সঠিক বলে বিবেচিত নয়। তিনি উদাহরণ হিসেবে বলিউডের একজন অভিনেতার এডভাইসম্যান্টের কথা তুলে ধরেন, সম্ভবত ১৯৯৫ সালের একটা টিভি এডভাইসে সঞ্চয়দত্ত অ্যালকাহলিক বেভারেজের টক্সিক ম্যাসকুলনিটি বা পুরুষত্বের বড়াই প্রকাশ করে এটাকে প্রমোট করেন। যেটা সম্প্রতি বাংলাদেশ ও ভারতে ভাইরাল হয়েছে। যেখানে সেই বড়াইটাকে সমালোচনা করে অনেকে মন্তব্য করছেন। এখন তারা মনে করছেন এটা এভাবে করা ঠিক হয় নি। তাহসান সেটাই বলেছেন যে, আমি এটাকে ডিফেন্ড করছি না, আমি এটা বুঝাতে চাই যে, এতো বছর আগে যে অবস্থায় এই এডাভার্টাইম্যান্ট হয়েছে, এখন বর্তমান সময়ে সেটাকে টেনে বিচার করা মোটেও যুক্তি সঙ্গত নয়। আমি এটাকে সমর্থন করছি না কিন্তু তখনকার প্রেক্ষাপট ও বর্তমান প্রেক্ষাপট অনেকটা ভিন্ন। সুতরাং এমন যেকোনো বিষয়কে বিচার করার আগে আরো গভীর ভাবে সে সম্পর্কে জেনে তারপর বিচার করা উচিত।
৪. আত্মদর্শন : তিনি চতুর্থ নম্বর পরামর্শে আত্মদর্শন সম্পন্ন হওয়ার পরামর্শ দেন। আমরা নিজে কি চাই, নিজের মানসিক ও আবেগিক বিষয়গুলো জানান মাধ্যমে নিজের সক্ষমতা ও লক্ষ্যকে স্থির করা। অন্যরা কি করল? তারা কি চায়? এ সবকিছু দূরে রেখে অন্যের উপর নির্ভরশীলতা কমানোর মাধ্যমে নিজের সিদ্ধান্ত নিতে হবে। সুতরাং নিজের লক্ষ্য অর্জনে আত্মমগ্ন হয়ে নিজেকে চিনতে ও জানতে হবে।
৫. সর্বশেষ পরামর্শে নিজে কিছু করার কথা বলেছেন তিনি। অন্যরা কি করল সেটার দিকে না তাকিয়ে বরং নিজের কর্মের মাধ্যমে নিজের একটা জায়গা তৈরি করতে হবে এবং আমাদের আশেপাশে যারা আছেন তাদেরও নিজেদের মূল্য তৈরিতে সহায়তার মাধ্যমে মা
1 955
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৩
ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার প্রক্রিয়া
ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রাপ্তির পূর্ব শর্ত:
ড্রাইভিং লাইসেন্সের পূর্বশর্ত হলো লার্নার বা শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্স।
ড্রাইভিং লাইসেন্সের আবেদনকারীর ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা ৮ম শ্রেণী পাশ।
অপেশাদার এর জন্য ন্যূনতম ১৮ বছর এবং পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স-এর জন্য বয়স ন্যূনতম ২১ বছর হতে হবে।
মানসিক ও শারীরিকভাবে সুস্থ থাকতে হবে।
অনলাইনে (বিআরটিএ সার্পিভিস পোর্টাল) এর মাধ্যমে আবেদনের প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টসমূহ:
আবেদনকারীর ছবি (সর্বোচ্চ ১৫০ কে.বি);
রেজিষ্টার্ড ডাক্তার কর্তৃক মেডিকেল সার্টিফিকেট (সর্বোচ্চ ৬০০কে.বি)। মেডিক্যাল সার্টিফিকেটের ফর্মের জন্য এখানে ক্লিক করুন;
জাতীয় পরিচয়পত্রের স্ক্যান কপি (সর্বোচ্চ ৬০০কে.বি);
ইউটিলিটি বিলের স্ক্যান কপি (সর্বোচ্চ ৬০০কে.বি), [ আবেদনকারীর বর্তমান ঠিকানা এবং জাতীয় পরিচয়পত্রের ঠিকানা যদি ভিন্ন হয় তবে বর্তমান ঠিকানার ইউটিলিটি বিল সংযুক্ত করতে হবে ];
শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদের স্ক্যান কপি (সর্বোচ্চ ৬০০কে.বি);
প্রয়োজনীয় ফিসমূহ:
শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য অনলাইনে (বিআরটিএ সার্পিভিস পোর্টাল) এর মাধ্যমে আবেদন শেষে নির্ধারিত ফী, ১ ক্যাটাগরি (যেমন: শুধু কার) ৫১৮/-টাকা ও ২ ক্যাটাগরি (যেমন: কার ও মোটর সাইকেল) ৭৪৮/-টাকা অনলাইনে পরিশোধ করতে হবে।
দক্ষতা যাচাই পরীক্ষায় (ডিসিটিসি) উত্তীর্ণ প্রার্থীকে স্মার্ট কার্ডের জন্য:
অপেশাদার লাইসেন্সের জন্য ৪,৪৯৭/- টাকা (মেয়াদঃ ১০ বছর)
পেশাদার লাইসেন্সের জন্য ২,৭৭২/- টাকা (মেয়াদঃ ০৫ বছর)
ডাক বিভাগের মাধ্যমে ড্রাইভিং লাইসেন্সের বিতরণ করা হবে তাই ফি'র সাথে অতিরিক্ত ৬০/- টাকা প্রদান করতে হবে।
ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রাপ্তির প্রক্রিয়া:
শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য অনলাইনে (বিআরটিএ সার্পিভিস পোর্টাল) এর মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। এই জন্য ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রত্যাশীকে তার এন আই ডি (NID) ব্যবহার করে একটি ইউজার অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে হবে। একটি অ্যাকাউন্ট থেকে শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট এন আই ডি (NID) ধারীর ড্রাইভিং লাইসেন্স সংক্রান্ত সকল আবেদন করা যাবে।
ইউজার প্রোফাইলে তার বিভাগ, জেলা ও থানা অবশ্যই পূরণ থাকতে হবে। ইউজার প্রোফাইল থানার উপর ভিত্তি করে স্মার্ট ড্রাইভিং লাইসেন্স আবেদন টি সংশ্লিষ্ট বি আর টি এ সার্কেল অফিস এর আওতাধীন হবে।
নির্ধারিত দিন গ্রাহকের শিক্ষানবিশ লাইসেন্স ও নির্দেশিত অন্যান্য ডকুমেন্টসমূহ নিয়ে স্ব-শরীরে পরীক্ষা কেন্দ্রে উপস্থিতি, বায়োমেট্রিক তথ্য প্রদান করতে হবে। একই সাথে আবেদনকারীর ফিঙ্গার প্রিন্ট NID সারভার থেকে যাচাইকরণ সম্পন্ন হলেই পরীক্ষার সুযোগ দেয়া হবে।
সর্বোচ্চ ১(এক) কর্মদিবসের মধ্যে বিআরটিএ কর্তৃক উত্তীর্ণ/অনুত্তীর্ণ এর ফলাফল অনলাইনে আপলোড এবং আবেদনকারীর মোবাইলে SMS এর মাধ্যমে উত্তীর্ণ/অনুত্তীর্ণ ফলাফল জানানো হবে।
আবেদনকারী বিআরটিএ সার্ভিস পোর্টাল (BSP) এ নিবন্ধিত একাউন্ট ব্যবহার করে ড্রাইভিং লাইসেন্সের দক্ষতা যাচাই পরীক্ষার ফলাফল ও নির্ধারিত ফি অনলাইনে (মোবাইল ব্যাংকিং, অনলাইন ব্যাংকিং ও অন্য যে কোন প্রচলিত গেটওয়ে ব্যবহার করে) প্রদান করতে হবে। উল্লেখ্য বিআরটিএ কর্তৃক নির্ধারিত ব্যাংকে সরেজমিনে/ব্যাংক কাউন্টার এ ফি প্রদানের কোনো সুযোগ নেই।
আবেদনকারী তার (বিআরটিএ সার্পিভিস পোর্টাল) এর অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে ড্রাইভিং লাইসেন্সের দক্ষতা যাচাই পরীক্ষার ফলাফল ও নির্ধারিত ফি অনলাইনে (মোবাইল ব্যাংকিং, অনলাইন ব্যাংকিং ও অন্য যে কোন প্রচলিত গেটওয়ে ব্যবহার করে) প্রদান করতে হবে। উল্লেখ্য বিআরটিএ কর্তৃক নির্ধারিত ব্যাংকে সরেজমিনে/ব্যাংক কাউন্টার এ ফি প্রদানের কোনো সুযোগ নেই।
আবেদনকারী তার (বিআরটিএ সার্পিভিস পোর্টাল) এর অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে দক্ষতা যাচাই পরীক্ষা (ডিসিটিসি)-এ উত্তীর্ণ প্রার্থীকে পাস/ফেল সিলসহ শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্স স্ক্যান করে আপলোডসহ পূর্বে শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্স করার সময় যদি কোন Attachment সঠিকভাবে দেয়া না হয় তবে Additional Attachment হিসেবে সেগুলো (যেমন: মেডিকেল সনদ/স্কুল সনদ/ইউটিলিটি বিল) সঠিকভাবে স্ক্যান করে আপলোড করতে হবে।
পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্সের আবেদনকারীগণকে অবশ্যই ডোপ টেস্ট রিপোর্ট স্ক্যান করে আপলোড করতে হবে।
উল্লেখ্য বর্তমানে ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য আবেদনকারীর পুলিশ ভেরিফিকেশন প্রতিবেদন প্রযোজ্য নয়।
সংশ্লিষ্ট বিআরটিএ'র লাইসেসিং অথরিটি কর্তৃক প্রত্যেক ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য নির্ধারিত ফি জমা ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংযুক্তিসহ সঠিক পাওয়া স্বাপেক্ষে অনুমোদন প্রদান করা হব
অনুমোদনের পর আবেদনকারীর (বিআরটিএ সার্পিভিস পোর্টাল) এর অ্যাকাউন্টে অটো জেনারেটেড স্লিপ (Temporary authorization) প্রিন্ট করার অপশন প্রদর্শিত হবে। যা স্মার্ট কার্ড (Smart
1 955
"বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে, একই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছেলে-মেয়েদের মধ্যে বিয়ে-সাদীর একটা প্রচলন করে দেওয়া উচিত ||
কেন?
ধরুন, একই বিশ্ববিদ্যালয়ের একটা ছেলের সাথে আরেকটা মেয়ের বিয়ে হয়ে গেলো ||
এতে লাভ কি?
এক.
লাভ হলো যে মেয়েটার বিয়ে হলো তার নিরাপত্তা নিয়ে সারাদিন আর ফ্যামিলিকে টেনশন করতে হলো না। তখন দায়িত্বটা দায়িত্বশীলের কাছে চলে গেলো।
ছেলেটাও কোথায়-কখন কি খাচ্ছে, ভালো করে খাওয়া-দাওয়া করছে তো? হেনতেন আর ফ্যামিলিকে ভাবতে হবে না। ওই দায়িত্ব টাও দায়িত্বশীলের কাছে পৌছে গেছে।
দুই.
মাঝখান দিয়ে ছেলেমেয়েদের অবাধে সম্পর্ক, ফ্রী মিক্সিং, হেত-তেন করে চরিত্র নষ্ট হলো না।
বাবা-মাও বেঁচে গেলেন, আখিরাতের ভয়াবহ জবাবদিহিতা থেকে। ওদিকে তাদের সন্তানও বেঁচে গেলো হারাম সম্পর্ক তৈরি থেকে।
এবার আসি বিয়ে হয়ে যাবে.. তো সংসার চলবে কি দিয়ে?
ফ্যামিলি ছেলে বা মেয়ে কে যে টাকা টা দিচ্ছে তাদেরকে বিশ্ববিদ্যালয়ে মাসিক খরচ হিসেবে, দুজনের সেই টাকা টা দিয়ে ই খুব সুন্দর করে সংসার টা চলে যাবে ||
°°আল্লাহ তায়ালা সূরা নুরে বলেন-
"চরিত্র রক্ষার জন্য যদি কেউ বিয়ে করে। সে যদি দরিদ্রও হয়, আমি আল্লাহ নিজ অনুগ্রহে তাকে সচ্ছলতা দান করবো" (সুরা নুর: ২৪/৩২)
°°রাসূল সাঃ এর কাছে এক সাহাবি এসে বলেছিল-
ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি ধনী হতে চাই | আমি দারিদ্রতা দূর করতে চাই |
তখন রাসূল সাঃ বলেন, "তুমি বিয়ে করো।"
-দুঃচিন্তা মুক্ত হওয়া
-মানসিক প্রশান্তি
-সচ্ছল হওয়া
-বৈধ সম্পর্ক
-পরিপূর্ণ দ্বীন
-দায়িত্বশীল হওয়ার শিক্ষা
একজন ইমাম আর কিছু খেজুর, সামান্য দেনমোহরে ছোট্ট একটা বিয়ে, একসাথে দূর করে দিচ্ছে কত বড় বড় সমস্যা, পাপ আর কলঙ্ক ||
প্রিয় ভাই/বোন ❤️🌴
ভাবুন বুঝার চেষ্টা করুন
[COLLECTED ]
1 955
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোনো বিপদে বা দুশ্চিন্তায় পড়লে এই দুআ বলতেন─
يَا حَيُّ، يَا قَيُّومُ، بِرَحْمَتِكَ أَسْتَغِيثُ
'হে চিরঞ্জীব, হে সর্বনিয়ন্তা, তোমার দয়ায় আমি সাহায্য চাচ্ছি।'
আস-সুনান, তিরমিযী : ৩৫২৪
1 955
🛐প্রত্যেক আমল করার সময় নিয়ত হবে মহান-আল্লাহুর সন্তুষ্টির জন্য ও প্রত্যেক আমলের আগে👇
🔹দূরুদশরীফ"বেজোড় সংখ্যায়।
🔸আউজুবিল্লাহি মিনাশশাইতানির রজিম"
🔹বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম"
🔸ও আমলের শেষে অবশ্যই দুরুদ শরীফ(বেজোড় সংখ্যায়) পড়তেই হবে🤲
1 955
"Sorry" এর বদলে "Thank you" বলতে শিখুন।
ধরুন, আপনার জন্য আমার বন্ধু অপেক্ষা করছে, আপনি সঠিক টাইমে পৌঁছাতে পারেননি। তখন আপনি পৌঁছে গিয়ে তাকে কি বলেন?
"Sorry, একটু দেরী হয়ে গেল"
এবার থেকে "Sorry" এর বদলে "Thank you" বলবেন। এইভাবে বলতে পারেন, "Thank You so much আমার জন্য অপেক্ষা করার জন্য "।
ধরুন, আপনার বন্ধু আপনার থেকে কিছু খুঁজেছে তাকে দেওয়ার জন্য আপনি জিনিসটি এনেছেন। আপনি দিতে ভুলে গেছেন, তখন সে দ্বিতীয় বার খুঁজলে তাকে কি বলেন?
"Sorry, আমি এটি ভুলে গিয়েছিলাম"
এবার থেকে "Sorry, আমি এটি ভুলে গিয়েছিলাম।" এর বদলে বলতে পারেন, " Thank you so much আমাকে মনে করিয়ে দেওয়ার জন্য"।
দেখবেন এতে অপরের দিকের মানুষটি আপনার উপরে রাগ করতে পারবেন না। কারণ, "Sorry" একটি নেগেটিভ অর্থ প্রকাশ করে আপনি কিছু ভুল করেছেন। কিন্তু "Thank You" একটি পজিটিভ অর্থ প্রকাশ করে, আপনি অন্য মানুষটির প্রশংসা করছেন।
এই ছোট্ট হ্যাক গুলো আপনার জীবনে কাজে লাগাতে পারেন।
1 955
আপনার ভেতরে জ্বিন শয়তান লুকিয়ে আছে তাহলে পড়ুন,
** ৩৩ বার পড়ুন
الٓمّٓ
আলিফ লাম মীম।
*** ২১ বার পড়ুন
اللّٰهُ لَاۤ اِلٰهَ اِلَّا هُوَ ۙ الْحَيُّ الْقَيُّوْمُ
আল্লা-হু লাইলাহা ইল্লা-হুওয়াল হাইয়ুল কাইয়ূম।
"আল্লাহ, তিনি ছাড়া সত্যিকারের কোন ইলাহ নেই, তিনি চিরঞ্জীব সকলের রক্ষণাবেক্ষণকারী।"
*** -৩৩ বার পড়ুন
طٰسٓمّٓ
তা-ছিম মীম।
*** ২১ বার পড়ুন
تِلْكَ اٰيٰتُ الْـكِتٰبِ الْمُبِيْنِ
তিলকা আ-য়া-তুল কিতা-বিল মুবীন।
"এগুলো সুস্পষ্ট কিতাবের আয়াত।"
পড়ার সময় কি কি সমস্যা হয় খেয়াল রাখুন
1 955
সৌদি সরকার ইন্টারনেটের মাধ্যমে তাঁদের ওয়েবসাইটে ভার্চ্যুয়ালি মসজিদে নববি ঘুরে দেখার সুযোগ চালু করেছে।
আসুন না, আল্লাহর রাসুল (সাঃ) এর রওযায়ে আতহারটা একটু ঘুরে আসি...
https://vr.qurancomplex.gov.sa/msq/
1 955
‘হে আল্লাহ, আপনি সাত আকাশের রব, আপনি মহান আরশের রব। আপনার সৃষ্টিকুলের মধ্য থেকে অমুকের পুত্র অমুক এবং তার বাহিনী থেকে আপনি আমাকে আশ্রয় দিন। যেন তাদের কেউ আমার ওপর আক্রমণ বা সীমালঙ্ঘন করতে না পারে। আপনার আশ্রয় শক্তিশালী, আপনার প্রশংসা তো অতি মহান। আপনি ছাড়া কোনো ইলাহ নেই।’
হাদিস : আবদুল্লাহ বিন মাসউদ (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘তোমাদের কেউ অত্যাচারী শাসকের ভয় করলে সে যেন এই দোয়া পড়ে।’ (আল-আদাবুল মুফরাদ, হাদিস নং : ৫৪৫)
1 955
তালাকের নিয়ম দেখে নিন...
লিংকঃ https://at-tahreek.com/article_details/865
সতর্কতা:
পরকীয়া করুক আর যাই বা করুক। তালাক দিলে মামলা খাবেন এটা অলিখিত নিয়ম। কপাল খারাপ থাকলে বাবা-মা সহ জেল খাটবেন।
পরামর্শ:
আপনার কাছে যেহেতু প্রুফ আছে সেহেতু আপনি আগে পর পর চার পাঁচটা মামলা দিন তাদের গুষ্টিসহ এমনি এসে পা ধরে মাফ চাইবে 🥱✌️🔥নয়তো পরে ভুগবেন অনেক। আপনি আগে মামলা না দিলে সে নারী নির্যাতনের মামলা করবে।
* যৌতুক মামলা
Section 3 of The Dowry Prohibition Act, 2018
* আপনার মা/বোনকে বাদী করে Domestic Violence এর মামলা
Section 30 of The Domestic Violence (Prevention & Protection) Act, 2010
( স্ত্রী যদি পরকীয়া করে )
* ব্যাভিচারের মামলা
- ঐ ছেলে সহ আপনার স্ত্রী বাদে কিন্তু স্ত্রীর চৌদ্দগুষ্টি আসামি যাতে সবাই জানে তার চরিত্র কেমন পবিত্র 🥱
Section 497/498 of The PC
* চুরি এবং অর্থ আত্মসাতের মামলা
Section 406/420/379/380 of The PC
* হুমকি এবং চাঁদাবাজির মামলা
Section 506/392 of The PC
* মানহানির মামলা
Section 499/500 of The PC
* শ্বাশুড়ির নামে উস্কানি, কুপরামর্শের মামলা
Section 109/110 of The PC
এসব মামলা তাদের ফ্যামিলির প্রত্যেকের সাইন করা ব্ল্যাংক চেকের বিনিময়ে আপোষ করবেন।
তারপর 20 লাখ টাকার ক্ষতিপূরণ চেক ডিজওনার মামলা 10 লাখ টাকা বিনিময় নিয়ে খুলা তালাক করবেন✌️🔥
✍️ কলমে - Mahdin Habib
1 955
ফেল করে হতাশ হয়ো না। ইংরেজি শব্দ ফেল ‘Fail’ মানে ‘First Attempt in Learning’ অর্থাৎ ‘শেখার প্রথম ধাপ’। বিফলতাই তোমাকে সফল হবার রাস্তা দেখিয়ে দেবে।🖤
~আবুল কালাম🌸
1 955
"আউজুবিল্লাহি মিনাশ শাইতনির রাজিম"
"বিসমিল্লাহ হির রহমানির রাহীম"
* কালেমা তাইয়্যেবা
لا اله الا الله محمد رسول الله
লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ
* কালেমা শাহাদাত
اسهد الا اله الله واحده لاسريك له واسهد ان محمد عبده ورسوله
আশহাদু আল্লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওহদাহু লা শারীকা লাহু ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান আবদুহু ওয়া রাসূলুহু।
* কালেমা তাওহীদ
لا اله الا انت واحدا لاشانى لك محمد رسول الله امام المتقين رسول رب المالمن
লা ইলাহা ইল্লা আনতা ওয়াহিদাল্লা সানিয়া লাকা মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহি ইমামুল মুত্তাকীনা রাসূলু রাব্বিল আলামীন।
* কালেমা তামজীদ
لا اله الا انت نورايهدى الله لنوره من يساء محمد رسول الله امام المر سلين خاتم النبين
লা ইলাহা ইল্লা আনতা নূরাই ইয়াহ্ দিয়াল্লাহু লিনূরিহী মাই ইয়াশাউ মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহি ইমামুল মুরসালীনা খাতামুন্নাবিয়্যীন।
* ঈমানে মুজমাল
امنت بالله عماهو باسماىه وصفاته وقبلت جميم احقا مه وارعانه
আমানতু বিল্লাহি কামা হুয়া বিআসমাইহী ওয়া সিফাতিহী ওয়া কাবিলতু জামীআ আহকামিহী ওয়া আরকানিহী।
* ঈমানে মুফাসসাল
امنت بالله وملىقته وعتبه ورسله واليوم الاخر والمد رخيره وشره من الله تمالى واليمث ىمد الموت
আমানতু বিল্লাহি ওয়া মালাইকাতিহী ওয়া কুতুবিহী ওয়া রুসূলিহী ওয়াল ইয়াওমিল আখিরি ওয়াল কাদরি খাইরিহী ওয়া শাররিহী মিনাল্লাহি তা আলা ওয়াল বা'সি বা'দাল মাওত।
ইয়া আল্লাহ, ইয়া রাহমানুর রাহিম, ইয়া গাফুরুর রাহিম, ইয়া ফাত্তাহ,
তুমি আমাদের সকলের নফসকে হিদায়াত দান
তোমার দ্বিন কায়েম করার তৌফিক দান করো
আল্লাহ ❤️❤️❤️
1 955
আবু হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, দুনিয়া মুমিনের জন্য জেলখানা এবং কাফিরের জন্য জান্নাত।’
[মুসলিম ২৯৫৬, তিরমিযি ২৩২৪, ইবন মাজাহ ৪১১৩, আহমদ ৮০৯০, ২৭৪৯১, ৯৯১৬]
1 955
ইবাদাত/আমল কবুল হওয়ার শর্তসমূহঃ
أعوذ بالله من الشيطان الرجيم.
بسم الله.
الحمد لله.
والصلاه والسلام على رسول الله.
1️⃣. শিরক-কুফর মুক্ত বিশুদ্ধ ঈমান-আক্বীদাহ।
[📖 "লা ইলাহা ইল্লাল্লহ, মু'হাম্মাদুর রসূলুল্লাহ" এই কালিমার রুকন এবং শর্ত সমূহ অন্তরে দৃঢ় বিশ্বাস, কথা ও আমলের মাধ্যমে স্বীকৃতি দেওয়া,
অর্থাৎ,
▪ কুফর বিত-ত্বগুত {সকল প্রকার ত্বগুত/বাতিল উপাস্য সমূহের বৈধতা ও আনুগত্য অস্বীকার করা এবং বারা'আহ (শত্রুতা-বিদ্বেষ পোষণ) করা},
▪ ঈমান বিল্লাহ (আল্লাহর প্রতি ঈমান, তাও'হীদের প্রত্যেক রুকন-প্রকার সহ),
▪ রাসূল সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লামের রিসালাতকে এবং তাঁর ওপর নাজিল কৃত দ্বীন ইসলামকে (ইসলামের প্রতিটি রুকন, বিধান সহ সকল বিষয়কে) সর্বোত্তম, সকল যুগ-স্থানের জন্য উপযুক্ত ও পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা হিসেবে অন্তরে দৃঢ় বিশ্বাস, কথা ও আমলের মাধ্যমে স্বীকৃতি দেওয়া।
▪ এবং, ঈমান ভঙ্গকারি বিষয়সমূহ এড়িয়ে চলা ব্যতীত যতই স্বলাত, সাওম, হাজ্জ, দান-সাদাকাহ করা হোক না কেন, তা আদায়-কবুল হবে না।
📖 শিরক-কুফর পর্যায়ের নয়, এমন বিদ'আতি আকিদা থাকলেও তা বাতিল ফির্কার অন্তর্ভুক্ত/বিদ'আতি হওয়া ও জাহান্নামে যাওয়ার জন্য যথেষ্ট।(আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে হিফাজত করুন, আমীন)
📚 সহায়ক কিতাব সমূহ:
▪'উসূলুস সুন্নাহ' -ইমামু আহলিস সুন্নাহ আ'হমাদ বিন হানবাল,
▪ 'শারহু ইতিক্বাদ আহলিস সুন্নাহ' -ইমাম লালীক্বাঈ,
▪ 'শারহুল আক্বীদাহ আত-ত্বহাবীয়া' -ইমাম ইবনু আবিল ইয আল-হানাফী,
▪ 'আল-ইবানাহ' -ইমাম ইবন বাত্তাহ,
▪ 'ঈ'লামুল মুওয়াক্বিঈন' -ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম,
▪ 'আহকাম আহলিজ জিম্মাহ' থেকে ওয়ালা বারাআত সংক্রান্ত বিষয়গুলো -ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম,
▪ 'লু'মাতুল ইতিক্বাদ' -ইমাম ইবনু কুদামাহ,
▪ 'ইছবাত সিফাত আল-উলূ ওয়া যাম্মুত তাউয়িল' -ইমাম ইবন ক্বুদামাহ,
▪ 'আক্বীদাহ' -ইমাম সাফারিনী,
▪ 'হুজ্জাতুল্লাহিল বালিগাহ' -ইমাম আল-মুহাদ্দিস শাহ্ ওয়ালিউল্লাহ দেহলভী,
▪ 'ইকফারুল মুলহীদিন' -ইমামুল আছার আনওয়ার শাহ্ কাশ্মীরী,
▪ 'তাকবিয়াতুল ঈমান' -ইমাম শাহ মুহাম্মাদ ইসমাইল শহীদ।
(র'হিমাহুমুল্লাহ)
শাইখুল ইসলাম ইমাম ইবনু তাইমিয়্যাহ রহিমাহুল্লাহ এর-
▪ 'কিতাবুল ঈমান',
▪ 'ইক্বতিদা আস-সিরাত্বল মুস্তাকিম',
▪ 'আল-উবুদিয়্যাহ',
▪ 'আক্বীদাহ আল-হামাবিয়্যাহ',
▪ 'মিনহাজুস সুন্নাহ',
▪ 'আক্বীদাহ আল-ওয়াসিতিয়্যাহ' (শাইখ উসাইমিন র'হিমাহুল্লাহ এর শারহ সহ পড়লে উপকৃত হবেন ইনশা আল্লাহ)।
ইমাম আল-মুজাদ্দিদ মু'হাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব আত তামিমী র'হিমাহুল্লাহ এর-
▪ 'উসুল আস-সালাসা' (সারহ্ সহ পড়ার নাসিহাত করছি, শাইখ আ'হমাদ মুসা জিবরীল হাফিজাহুল্লাহ-এর তাওহীদ সিরিজ এই কিতাবের ব্যাখ্যা হিসেবে বানানো),
▪ 'আল ক্বাওয়া’ইদুল আরবাআ' (শিরক ও শিরকের অনুসারীদের শনাক্ত করার চারটি নীতি),
▪ 'উসূল আস-সিত্তাহ',
▪ 'নাওয়াকিদুল ইসলাম'/‘ইসলাম থেকে বেরিয়ে যাওয়ার কারণ সমুহ’, (ইরযা/শৈথিল্য ও গুলাত/কট্টরতা থেকে বেঁচে থাকার জন্য এটার শারহ/ব্যাখ্যা সহ পড়া উচিত)
▪ 'কাশফুশ শুবহাত' (সংশয় নিরসন),
▪ 'কিতাবুত তাও'হীদ',
▪ 'উসুলুল ঈমান',
▪ 'রিসালাহ আসলু দ্বীন আল-ইসলাম ওয়া কা’ঈদাতুহ'।
(এগুলো পড়লেই হবে ইনশা আল্লাহ। ভালভাবে বোঝার জন্য কোন 'আলিমের তত্ত্বাবধানে-দারসের মাধ্যমে শেখার বিকল্প নেই।)
📖 এটা মনেরাখা জরুরি যে- 'আদব ছাড়া ইল্ম একটা মিথ্যা অভিলাষ মাত্র'। এজন্য অন্ততপক্ষে ইমাম বুখারি র'হিমাহুল্লাহ-এর 'আদাবুল মুফরাদ' এবং ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম র'হিমাহুল্লাহ-এর 'আল ফাওয়াইদ' কিতাব দুইটা পড়ার নাসিহাত রইল।]
2️⃣. ইখলাস/শুধু আল্লাহ্র জন্য।
📖 [আল্লাহ সুবহানাহু তা'আলাকে সবচেয়ে বেশি ভালোবেসে এবং শুধুমাত্র তাঁরই ভালোবাসা/সন্তুষ্টি/নৈকট্য লাভের জন্য এবং বিপরীতে রিয়া/লোক দেখানো ও সুম'আত/আত্মপ্রচার/লোকজনের প্রশংসা-সন্তুষ্টি পাওয়ার উদ্দেশ্য থেকে অন্তরকে পরিপূর্ণ ভাবে পবিত্র করা]
3️⃣. তাকওয়া/শুধু আল্লাহকে ভয় করা।
📖 [শুধুমাত্র আল্লাহকে ভয় করে, তাঁর আজাব থেকে বাঁচার উদ্দেশ্যে।
বিপরীতে, কোন মানুষ বা কোন সৃষ্টির ভয়ে বা, লোক লজ্জার জন্য/সমালোচনার ভয়ে খারাপ কাজ থেকে বিরত থাকা বা, ভালো আমল করার নিয়ত থেকে অন্তরকে পরিপূর্ণ ভাবে বিশুদ্ধ করা]
4️⃣. তাওয়াক্কুল/শুধু আল্লাহ্র ওপর ভরসা করা।
📖 [আল্লাহর প্রতি সর্বোত্তম সুধারণা রেখে এবং শুধুমাত্র আল্লাহর কাছে (দুনিয়া ও আখিরাতে) সর্বোত্তম প্রতিদান/সওয়াব/হাসানাহ পাওয়ার পরিপূর্ণ আশা নিয়ে আমলে স্বলিহ/উত্তম কাজ করা ও হারাম থেকে বিরত থাকা।
বিপরীতে কোন মানুষ/জ্বিন/ফেরেশতা/ওয়াসিলা-মাধ্যম বা অন্য কোন সৃষ্টির নিকট আশা ও ভরসা করা থেকে অন্তরকে পরিপূর্ণভাবে পবিত্র করা।]
📖 [আল্লাহ তা'আলার কাছে আপনি যত বেশি চাইবেন, আশা-ভরসা করবেন, আমাদের মহান প্রতিপালক আল্লাহ তা'
