1 996
Подписчики
+124 часа
+37 дней
+430 день
Архив постов
1 996
দেশের বাইরে ঘুরতে গেলে অন্যতম ইস্যু হচ্ছে নেভিগেশন আর কম্যুনিকেশন! আর এজন্য ভিনদেশে গেলে আমাদের প্রথমেই দরকার হয় ইন্টারনেটের! যেহেতু হোটেল এর বাইরে সবখানে wifi থাকেনা, আমাদের দরকার হয় লোকাল সিমের অথবা দেশ থেকে কেনা roaming sim এর। এখন আলোচনার শুরুতেই ডিসক্লেইমার দিয়ে রাখি।
Roaming sim is actually much more expensive than local sim for calling but fairly reasonable for data usage.
তাহলে রোমিং কেন নিব?
- সব এয়ারপোর্টেই নেমেই লোকাল সিম নাও পেতে পারেন। পেলেও এয়ারপোর্টে দাম বাইরের চেয়ে সাধারণত ১০-১৫ গুন হয়! প্যাকেজগুলি সবসময় ট্যুরিস্টদের স্ক্যাম করার জন্যই বানানো। সেখানে রোমিং থাকলে ধুম করে মোবাইল ডাটা দিয়ে উবার/গ্রাব ইউজ করে হোটেলে যেতে পারবেন। উবার/গ্রাব না নিয়ে লোকাল এয়ারপোর্ট ট্যাক্সি নিলে চরমভাবে স্ক্যামড হবেন। অন্তত ৫ গুন দাম রাখবেই!
প্রিপেইড রোমিং নাকি পোস্টপেইড রোমিং নিব?
- আমি প্রিপেইড রোমিং সাজেস্ট করব। এতে খরচ নিয়ন্ত্রণে রাখা ইজিয়ার। তবে সব দেশে প্রিপেইড রোমিং সাপোর্ট দেয়না সিম কোম্পানি। সেক্ষেত্রে পোস্টপেইড ছাড়া উপায় থাকেনা।
রোমিং সিমে নেট এর খরচ কেমন?
- আমি নিজে যেহেতু robi postpaid roaming ইউজ করি, তাই এটার অভিজ্ঞতাই শেয়ার করছি! এতে প্রতিদিন unlimited internet package পাবেন ৯৯ টাকা + ভ্যাট এ। বাস্তবে ১৩২ টাকা বা 1.56$ কেটে নেয়। আগে ২ জিবি ইউজ করার পরে FUP এপ্লাই হইত। স্পিড খুব খুব কমে যেত। ফলে মাঝে মধ্যে বিরকত হয়ে একদিনে দুইবার কিনতাম। এখন লিমিট আরো কমিয়ে দিয়েছে!
বর্তমানে পোস্টপেইডে দিনে ১ জিবি ইউজ করার পর স্পিড ২৫৬ কেবিপিএস এ নামিয়ে আনা হয়। বাংলাদেশ সময় রাত ১২ টার পরে আবার রিসেট করে লিমিট বাড়িয়ে দেয়!
প্রিপেইড রোমিং এ ৩০০ এমবি ইউজ এর পরে FUP এপ্লাই করে!
রোমিং এর জন্য ব্যাংক দুইটা অপশন দেয়। একটা ডাটা রোমিং আরেকটা ফুল রোমিং। ডাটা রোমিং এ খালি নেট কিনা যায়। ফুল রোমিং এ ইনকামিং, আউটগোয়িং কল করা যায়। তো আমিও খুশি মনে নাচতে নাচতে ফুল রোমিং এ টিক দিয়ে দিছি পরিণাম না জেনেই!
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, আমি বাইরে গেলে লোকাল সিমও কিনি হোটেলের আশে পাশের এলাকার দোকান বা সুপার শপ থেকে। এইসব জায়গায় খুবই সামান্য দাম। এই সিম দিয়ে ড্রাইভার সহ লোকাল কাজে ইউজ করি। তবে আমি মনে করি ডাটা রোমিং থাকলে এটা লাগেনা, কারণ উবার, গ্রাবেই ip call এর অপশন থাকে। মেসেজিং থাকে।
তো ফিরে আসি রোমিং এর গল্পে! ফুল রোমিং অন করা থাকলে আপনি কাউকে কল দিলে মিনিটে ১৪/১৫ টাকা কাটবে। কিন্ত কেউ আপনাকে দেশ থেকে কল দিলেও আপনার থেকে ৪০ টাকার মত কাটবে প্রতি মিনিটে। এই ছোট্ট ইনফোটা আমার জানা ছিলনা! ব্যস! দেশ থেকে রেগুলার কল আসত! ধরতাম! ৫ দিন পর দেখি পুরা ১০০ ডলার গায়েব!
সো, ভুলেও আমার মত ব তে বেকুবি করবেন না। দেশের যোগাযোগ whatsapp এ করাই বেটার।
শুধু ডাটা রোমিং নিলে দিনে ১.৫১ ডলার খরচ। ফলে অনেক শান্তিতে ইউজ করা যায়।
প্রিপেইড রোমিং এর জন্য কি কি লাগবে?
- পাসপোর্ট, পাসপোর্ট এর কপি, nid, nid এর কপি, ছবি ২ কপি। আপনাকে ফর্ম দিবে, ফিলাপ করে দিবেন।
এর সাথে লাগবে dual currency card (prepaid/debit/credit). কার্ড যার পাসপোর্টে এন্ডোরস করা, তার নামে রেজিস্ট্রি করা সিম এ roaming অন করা যায়। অন্যর কার্ড দিয়ে পসিবল না। কার্ডে ন্যুনতম ১০ ডলার থাকতে হয়। আমি রিকমেন্ড করব, যতদিন বাইরে থাকবেন, সেই অনুযায়ী লোড করে রাখবেন কার্ডে। ধরেন ১০ দিন থাকলে ২০ ডলার রাখা সেইফ! আপনার কার্ডের উভয় পাশের ছবি জমা রাখবে। আপনি যেকোন সময় কাস্তমার কেয়ারে কল দিয়ে অথবা whatsapp support নাম্বারে নক দিলে ওরা নিজেরাই আপনার কার্ড থেকে সিমে ডলার লোড করে দিবে। দেশের বাইরে থাকা অবস্থায় সিমের ডলার শেষ হয়ে গেলেও তাই চিন্তার কিছু নেই। আর কার্ডের ইনফো দিয়ে ফ্রড হবে, এমন ভয় পাবারও কিছু নাই। আর যদি prepaid card ইউজ করেন, তাহলে তো আরো নিশ্চিন্ত, যেহেতু এসব কার্ডে লোকে সামান্য ব্যালেন্স রাখে!
পোস্টপেইড রোমিং এর জন্য কি কি লাগবে?
- পাসপোর্ট, পাসপোর্ট এর কপি, nid, nid এর কপি, ছবি ২ কপি। আপনাকে ফর্ম দিবে, ফিলাপ করে দিবেন।
এর সাথে লাগবে dual currency credit card. কার্ড যার পাসপোর্টে এন্ডোরস করা, তার নামে রেজিস্ট্রি করা সিম এ roaming অন করা যায়। অন্যর কার্ড দিয়ে পসিবল না।
এক্ষেত্রে প্রিপেইড রোমিং এর চেয়ে পেইন বেশি। কারণ আপনাকে সিকিউরিটি ডিপোজিট হিসেবে ন্যুনতম ১০০০০ টাকা জমা রাখতে হবে যা পরে roaming off করে তুলে ফেলা যায়।
তবে EBL, SCB, CITY, UCB এই ব্যাঙ্কগুলির ক্রেডিট কার্ড থাকলে robi কোন সিকিউরিটি ডিপোজিট ছাড়াই postpaid roaming এলাউ করে। এক্ষেত্রে সিম কোম্পানি auto debit এর ফর্ম দিবে, যাতে মাস সেশে অটো বিল কেটে নেয়। আমার জন্য এটা বেশ কনভেনিয়েন্ট!
কোন কোম্পানির সিম রোমিং এর জন্য ভাল হবে?
- রোমিং এর জন্য রবি বেস্ট। জিপি চলার মত আর টেলিটক একেবারে ছেড়ে দে মা, কেঁদে বাঁচি অবস্থা!
#Roaming
#Travel
1 996
মানুষ পরিশ্রম করে যতটুকু ক্লান্ত হয়, তারচেয়ে বেশি ক্লান্ত হয় আশপাশের মানুষের কারণে।
আপনি সারাদিন মাটি কেটে যতটুকু পরিশ্রান্ত হবেন, সেটা শরীরের জন্য ভালো। মনের জন্য ভালো। আপনার ক্ষুধা লাগবে, খেতে পারবেন। আপনি বিছানায় গেলেই ঘুমিয়ে পড়বেন।
কিন্তু আপনার কাছের মানুষটি আপনাকে মানসিকভাবে যতটুকু ক্লান্ত করবে, সেটা আপনার খাওয়া, ঘুম সব কেড়ে নিবে।
আপনার কাজের ফোকাস ধ্বংস করবে। সারাদিন মাটি কাটার চেয়ে, সে ক্লান্তি অনেক বেশি ক্ষতিকর!
আপনি যদি ক্লান্ত হন, তাহলে ভাবুন কোন মানুষগুলো আপনাকে ক্লান্ত করছে।
যারা আপনাকে ক্লান্ত করছে তাদেরকে বুঝান। তাদের সাথে খোলামেলা কথা বলুন। খুব কাছের কেউ না হলে ধীরে ধীরে এড়িয়ে চলুন।
নিজেকে ক্লান্তি মুক্ত না রাখতে পারলে জীবন নিরানন্দে ধ্বংস হয়।
……………………….
@RAUFUL ALAM
https://www.facebook.com/rauful.alam15?mibextid=LQQJ4d
1 996
1 996
#AL_QURAN
Don't lie (Q22:30)
Don't spy (Q49:12)
Don't insult (Q49:11)
Don't waste (Q17:26)
Feed the poor (Q22:36)
Don't backbite (Q49:12)
Keep your oaths (Q5:89)
Don't take bribes (Q27:36)
Honour your treaties (Q9:4)
Restrain your anger (Q3:134)
Don't spread gossip (Q24:15)
Think good of others (Q24:12)
Be good to guests (Q51:24-27)
Don't harm believers (Q33:58)
Don't be rude to parents (Q17:23)
Turn away from ill speech (Q23:3)
Don't make fun of others (Q49:11)
Walk in a humble manner (Q25:63)
Respond to evil with good (Q41:34)
Don't say what you won't do (Q62:2)
Keep your trusts & promises (Q23:8)
Don't insult others' false gods (Q6:108)
Don't deceive people in trade (Q6:152)
Don't take items without right (Q3:162)
Don't ask unnecessary questions (Q5:101)
Don't be miserly nor extravagant (Q25:67)
Don't call others with bad names (Q49:11)
Don't claim yourselves to be pure (Q53:32)
Speak nicely, even to the ignorant (Q25:63)
Don't ask for repayment for favours (Q76:9)
Make room for others at gatherings (Q58:11)
If enemy wants peace, then accept it (Q8:61)
Return a greeting in a better manner (Q4:86)
Don't remind others of the favours you done to them(Q2:264)
Make peace between fighting groups (Q49:9)
©️
1 996
# আপনার যে চিন্তা গুলো সিক্রেট রাখা দরকার।
#
১)আপনার প্ল্যান কারো সাথে শেয়ার করবেন না।
#
২)আপনার পারসোনাল লাইফস্টাইল সম্পর্কে বিস্তারিত ভাবে সেয়ার করবেন না।
#
৩)সোশ্যাল মিডিয়াতে আপনার ছবি বা ব্যাক্তিগত জীবন নিয়ে কিছু শেয়ার করবেন না।
#
৪)আপনার ফ্যামিলি প্রবলেম নিয়া কখনো কোথাও আলোচনা করবেন না।
#
৫)আপনি কতটা জ্ঞানী, আলোকিত, সাহসী তা কখনই প্রকাশ করবেন না।
#
৬)অন্যান্য মানুষের সিক্রেট জানলেও শেয়ার করবেন না।
#
৭)নিজের দুর্বল পয়েন্ট কারো সাথে শেয়ার করবেন না।
#
# নিজের প্রাইভেসিকে রেসপেক্ট করুন।
1 996
বাচ্চারা কেন জীনে আক্রান্ত হয়!
বাচ্চারা জীনে আক্রান্ত হওয়ার অন্যতম একটি কারণ হচ্ছে, কিছু অজ্ঞ, অপরিণামদর্শী ব্যক্তি ছোট বাচ্চাদেরকে বিভিন্ন জিনিস দেখিয়ে বা বিভিন্ন জিনিসের কথা বলে ভয় দেখায় এবং আতঙ্কিত করে তোলে। যেমন ভয়ঙ্কর ভাব নিয়ে বলে, এটা আসছে, ওটা আসছে! তখনই বাচ্চা আতঙ্কিত হয়ে পড়ে এবং তার অন্তরে একটি ভয় বিরাজ করতে থাকে। সর্বদা সে একটি আতঙ্কের মধ্যে পড়ে যায়। এই ভুলটি অনেক সময় পিতা-মাতা থেকেও হয়ে থাকে।
বরং কতক নির্বোধ তো এমনও রয়েছে, যারা বাচ্চা কোন ভুল করলে তাকে একটি নির্জন কক্ষে আটকে রেখে দরজা লাগিয়ে দেয়। ওই ভয়ঙ্কর মুহূর্তে বাচ্চা চিৎকার-চেঁচামেচি করতে থাকে। তবুও সে তার উপর কোন দয়া করে না এবং দরজা খুলে দেয় না।
বাচ্চাকে জীনে ধরার এটা অন্যতম একটি কারণ। কিছু জীন থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে। জীন বলেছে, যখন বাচ্চা আতঙ্কিত অবস্থায় একলা ঘরে চিৎকার করছিল তখনই সে তাকে আক্রমণ করেছে।
সুতরাং, এধরনের দুঃখজনক কাজগুলো থেকে বেঁচে থাকা উচিত। যদিও বর্তমানে অধিকাংশ মানুষ এমনটি করে থাকে। এসব ব্যাপারে আমাদের খুবই সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। বাচ্চাদের সাথে এ ধরনের আচরণ সম্পূর্ণ ত্যাগ করতে পারলে ইনশাআল্লাহ বাচ্চাদেরকে নিরাপদ রাখতে পারব।
আর হ্যাঁ, এটাই একমাত্র কারণ নয়। বাচ্চাদেরকে জিনের আক্রমণ থেকে হেফাজত করার জন্য, নিজেরা মাসনুন আমলগুলো করে বাচ্চাদের শরীর বন্ধ করে রাখলে ইনশাআল্লাহ আল্লাহ হেফাজত করবেন!
শেইখ সালেহ ইবনে উসাইমীন রাহিমাহুল্লাহর একটি লেকচার অবলম্বনে।
'بيان حقيقة صرع الجن للإنس
Raqi Saifullah Aiyub
Sineor Raki & consultant
1 996
অনেক পাগল আছে সবকিছুই বুঝে এবং তারা সহবাসে সক্ষম এমন পাগলের সামনে পর্দা করা ফরজ।
উম্মুল মুমিনীন উম্মে সালামা রা. বলেন, আমি একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট ছিলাম। উম্মুল মুমিনীন মায়মুনা রা.ও সেখানে উপস্থিত ছিলেন। এমন সময় আবদুল্লাহ ইবনে উম্মে মাকতুম উপস্থিত হলেন। এটি ছিল পর্দা বিধানের পরের ঘটনা। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তোমরা তার সামনে থেকে সরে যাও। আমরা বললাম, তিনি তো অন্ধ, আমাদেরকে দেখছেন না?! তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তোমরাও কি অন্ধ? তোমরা কি তাকে দেখছ না?-সুনানে আবু দাউদ ৪/৩৬১, হাদীস : ৪১১২; জামে তিরমিযী ৫/১০২, হাদীস : ২৭৭৯; মুসনাদে আহমাদ ৬/২৯৬; শরহুল মুসলিম, নববী ১০/৯৭; ফাতহুল বারী ৯/২৪৮
1 996
বাংলাদেশে বর্তমানে আলাপ (Alaap), ব্রিলিয়ান্ট কানেক্ট (Brilliant Connect), ডায়াল (Dial) এবং আম্বার আইটি (Amber IT) আইপি কলিং অ্যাপ গুলো চালু আছে।
প্রত্যেক আইপি কলিং অ্যাপ গুলোতে সকল সার্ভিস চার্জ বাদে কলরেট ৪০ পয়সা/মিনিট এবং সকল সার্ভিস চার্জ সহ কলরেট ৪৬ পয়সা/মিনিট!
তবে ব্রিলিয়ান্ট কানেক্ট (Brilliant Connect) অ্যাপে তাদের ভেরিফায়েড এজেন্ট থেকে রিচার্জ (১০-যেকোনো অ্যামাউন্ট) করলে ১০% থেকে ২০% পর্যন্ত বোনাস পাওয়া যায়। এবং ডায়াল (Dial) অ্যাপে নির্দিষ্ট কিছু অ্যামাউন্ট রিচার্জ করলে মিনিট বোনাস পাওয়া যায়। এছাড়া আম্বার আইটি (Amber IT) অ্যাপে বিকাশ থেকে রিচার্জ করলে ২০% বোনাস পাওয়া যায়। Tong থেকে আলাপে রিচার্জ করলে ২০% বোনাস পাওয়া যায়।
প্রত্যেক আইপি কলিং অ্যাপ ব্যবহার করতে ইন্টারনেট সংযোগ থাকতে হবে এবং এনআইডি দিয়ে ভেরিফাই করতে হবে। তবে আলাপ এবং আম্বার আইটি অ্যাপে এনআইডির ছবি সহ এনআইডিতে থাকা চেহারা দিয়েও ফেস স্ক্যান করে ভেরিফাই করতে হবে।
সকল আইপি কলিং অ্যাপ থেকে অ্যাপে কল এবং মেসেজ ফ্রি। এছাড়া আইপি কলিং অ্যাপ থেকে যেকোনো টেলিফোনি নাম্বারে কল ফ্রি❗
1 996
ছেলে ও মেয়ের উভয় পরিবারের সম্মতিতে যদি তারা ইজাব কবুল করিয়ে রাখে তাহলে ছেলে মেয়ে তারা ফোনে কথা বলতে পারবে।
আর চার মাস সহবাস না করার দ্বারা স্ত্রী তালাক হয়না।তবে চার মাস পর পর কমপক্ষে একবার সহবাস করা স্বামীর উপর ওয়াজিব যদি স্ত্রী চায়।
ইসলামি শরিয়তে বিয়ে শুদ্ধ হওয়ার জন্য আবশ্যক ও ন্যূনতম শর্ত হলো, বিয়ের আকদের সময় সাক্ষী রাখতে হবে। সাক্ষী এমন দুইজন পুরুষ (স্বাধীন) সাক্ষী বা একজন পুরুষ (স্বাধীন) ও দুইজন মহিলা সাক্ষী হতে হবে, যারা প্রস্তাবনা ও কবুল বলার উভয় বক্তব্য উপস্থিত থেকে শুনতে পায়। (আদ-দুররুল মুখতার ৩/৯ ফাতওয়ায়ে হিন্দিয়া ১/২৬৮)
1 996
ওলিমার মূল বিষয় হলো নব বিবাহিত পুরুষ তার আত্মীয় বন্ধু বান্ধবদের কে খাওয়াবে।
হযরত আবু হুরায়রা রা. বলেছেন-
شَرّ الطّعَامِ طَعَامُ الْوَلِيمَةِ يُدْعَى لَهَا الأَغْنِيَاءُ وَيُتْرَكُ الْفُقَرَاءُ، وَمَنْ تَرَكَ الدّعْوَةَ فَقَدْ عَصَى اللهَ وَرَسُولَهُ صلى الله عليه وسلم.
যে ওলিমায় কেবল ধনীদেরকেই আমন্ত্রণ জানানো হয় আর গরীবদেরকে বর্জন করা হয়, সে ওলিমার খাবার নিকৃষ্ট খাবার। আর যে আমন্ত্রণ রক্ষা করে না, সে তো আল্লাহ ও তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়সাল্লামের অবাধ্য হল। -সহীহ বুখারী, হাদীস ৫১৭৭
অতএব টাকা দিয়ে দিলে ওলিমা হয় না।আপনার যদি বাড়িতে আয়োজন করা সম্ভব না হয় তাহলে যে কোন মাদ্রাসায় আয়োজন করতে পারবেন।
1 996
পরিষ্কার ভাষায় সুস্থ মস্তিষ্কে তিন তালাক দেয়ার মাধ্যমে উক্ত ব্যক্তির বিবাহ সম্পূর্ণরূপে বিচ্ছেদ হয়ে যায়। (আল ফিকহুল ইসলামী ওয়া আদিল্লাতুহু ৭/৩৬৪ দারুল ফিকর)
হাদিসে এসেছে, আবু হুরায়রা রাযি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,
ثَلاثٌ جِدُّهُنَّ جِدٌّ وَهَزْلُهُنَّ جِدٌّ : النِّكَاحُ ، وَالطَّلاقُ ، وَالرَّجْعَةُ
তিনটি বিষয় এমন রয়েছে যা গোস্বায় হোক বা হাসি ঠাট্টায় হোক সর্বাবস্থায় কার্যকরী হয়ে থাকে। বিবাহ, তালাক ও রজয়াত। (আবু দাউদ ২১৯৪ তিরমিযি ১১৮৪)
এখন যদি সে তার স্ত্রীকে পুনরায় বরণ করে নেয়ার ইচ্ছা পোষণ করে থাকে তাহলে এর জন্য একমাত্র বৈধ ব্যবস্থা হলো ‘হালালাহ’ করা। অর্থাৎ উক্ত স্ত্রীকে অন্য স্বামীর নিকট নিয়মিত বিবাহ দেয়া এবং তাদের মধ্যে স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক গড়ে ওঠা। অতঃপর তাদের মাঝে সংসার জীবনে কোনো কারণে যদি ছাড়াছাড়ি হয়ে যায়; তবে ইদ্দত পালনের পর তাকে সে পুনরায় বিয়ে করতে পারবে। উক্ত স্ত্রীকে পুনরায় বরণ করে নেয়ার এই ছাড়া দ্বিতীয় কোন রাস্তা নেই।
এ প্রসঙ্গে আল্লাহ তাআলা বলেন,
فَإِن طَلَّقَهَا فَلَا تَحِلُّ لَهُ مِن بَعْدُ حَتَّىٰ تَنكِحَ زَوْجًا غَيْرَهُ ۗ فَإِن طَلَّقَهَا فَلَا جُنَاحَ عَلَيْهِمَا أَن يَتَرَاجَعَا إِن ظَنَّا أَن يُقِيمَا حُدُودَ اللَّهِ ۗ وَتِلْكَ حُدُودُ اللَّهِ يُبَيِّنُهَا لِقَوْمٍ يَعْلَمُونَ
অতঃপর স্বামী যদি স্ত্রীকে তৃতীয় তালাক দেয় তবে অন্য লোকের সাথে বিবাহ দেয়া ব্যতিত সেই স্ত্রী (প্রথম) স্বামীর জন্য হালাল নয়। অতঃপর যদি দ্বিতীয় স্বামী তালাক দিয়ে দেয়, তাহলে তাদের উভয়ের জন্যই পরস্পরকে পুনরায় বিয়ে করাতে কোন পাপ নেই। যদি আল্লাহর হুকুম বজায় রাখার ইচ্ছা থাকে। আর এই হলো আল্লাহ কর্তৃক নির্ধারিত সীমা; যারা উপলব্ধি করে তাদের জন্য এসব বর্ণনা করা হয়। (সূরা বাকারা-২৩০)
1 996
বাউবি এইচএসসি ( BOU HSC 23 Batch) ২০২৩-২০২৪ শিক্ষাবর্ষে ভর্তির শেষ তারিখ ৩১ আগষ্ট ২০২৩ ইং।
--------
© জুয়েল
--------
✳️ যেভাবে ভর্তির কার্যক্রম সম্পন্ন করবেন স্টেপ বাই স্টেপ...
নোটঃ লাল ষ্টার (*) চিহ্নিত তথ্য গুলো অবশ্যই পুরণ করতে হবে ।
১. যে মাধ্যমে ফি প্রদান করতে চান (বিকাশ, নগদ, রকেট ও ব্যাংক কার্ড) সেই মাধ্যমে ন্যূনতম ৪৫৯০/- টাকা রাখুন। ( বিভাগ অনুযায়ী টাকার পরিমাণ কম-বেশি হতে পারে, তবে সর্বোচ্চ পরিমাণ ৬০০০/-। )
২. কোন একটা নোটপ্যাডে নিম্মের তথ্যগুলো নোট করুন...
ক. Applicant's Name:
খ. Applicant's Name (Bengali):
গ. Father's Name:
ঘ. Father's Name (Bengali):
ঙ. Mother's Name:
চ. Mother's Name (Bengali):
ছ. Identify no (আপনার জন্মনিবন্ধন নাম্বার অথবা জাতীয় পরিচয়পত্র নাম্বার লিখুন)
জ. Place of Birth (আপনার জন্মস্থান লিখুন)
ঝ. Email Address:
ঞ. Mobile Number (আপনার ব্যবহৃত মোবাইল নাম্বার লিখুন)
ট. Present Address
ঠ. Permanent Address
ড. Photo (Soft Copy Photo, Must be in JPG format, Must be 300x300 pixel, Size not more than 100 KB)
ঢ. Signature (Soft Copy Signature, Must be in JPG format, Must be 300x100 pixel, Size not more than 100 KB)
ণ. Institute Name
ত. Registration No
থ. Roll No
দ. Grade Point (GPA)
ধ. Duration (Academic Year)
✳️এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদন সম্পন্ন করতে হবে https://osapsnew.bou.ac.bd/applicant/registrationForm#step-1
✳️ আবেদন করার সাত দিনের মধ্যে যে সকল কাগজপত্র স্টাডি সেন্টার / উপ-আঞ্চলিক / আঞ্চলিক অফিসে জমা দিতে হবে।
১. এসএসসি (SSC) / সমমান পাশের সার্টিফিকেট / মার্কশিটের ফটোকপি
২. জম্ন নিবন্ধন / জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি
৩. অনলাইনে ভর্তির আবেদন পত্র কপি
1 996
6️⃣অন্যকেও অবগত করা: আমল একা করার বিষয় নয়। বরং কোনো আমলের অভ্যাস করতে চাইলে নিজের পরিবার-পরিজন, বন্ধু-বান্ধব বা যার সাথে ঘনিষ্ঠতা আছে, এমন ব্যক্তিকেও আমলটির ব্যাপারে অবগত করা উত্তম। এতে করে এক সময় একজন ভুলে গেলে, আরেকজন স্মরণ করে দিতে পারেন। তার চেয়ে বড় বিষয়, সঙ্গী থাকলে আমলের প্রতি উৎসাহ বাড়ে।
7️⃣হিসাবনিকাশ: কাজের বেলায় আমাদের হিসাবনিকাশ কষে কাজ করতে হবে। তাহলে অপ্রয়োজনীয় এবং অলাভজনক কাজ থেকে আমরা দূরে থাকব। ফলে আমাদের হাতে আমলের সময় থাকবে এবং আমাদের ব্রেনই ফ্রেশ থাকবে। এজন্য কোনো কাজ করার আগে এর ফায়দা কতটুকু, এটা এখন করা জরুরি কিনা সেই হিসাব করে নিতে হবে। যেমন, ইশরাকের সালাতের সময় আপনার সামনে অন্য আরেকটি কাজ আছে। কাজটি যদি তৎক্ষণাৎ না করলেও চলে, তাহলে তখন ওই কাজের চেয়ে ইশরাকের সালাত আদায় করার ফায়দা বেশি ইনশা আল্লাহ।
8️⃣মনভোলা: যারা মনভোলা বা বিভিন্ন ব্যস্ততায় আমল করতে ভুলে যান, তাদের যখন স্মরণ আসবে তখনই আমলটি করে নিতে হবে। কারণ "পরে করব" ভাবলে একটি নতুন আমল অভ্যাস গড়ে তোলা দুষ্কর। এমনতাবস্থায় আপনি এভাবে ভাবতে পারেন যে, এই মুহূর্তে কোনো বিপদ বা দু:সংবাদ আসলে আপনার চলমান কাজ ঠিকই স্থগিত করে ভিন্ন কিছু করতে হত। আর বিপদ থেকে নিশ্চয়ই ছোট্ট আমল করা সহজ।
সর্বোপরি আমাদের প্রথমে নিয়্যাত করতে হবে এবং সেই অনুযায়ী চেষ্টা করতে হবে। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআ'লা আমাদের বেশি বেশি নিয়মিত আমল করার তাওফিক দান করুন, আমিন।
📣কমেন্টে সহজ কিছু আমলের পরামর্শ দিতে পারেন। ইনশা আল্লাহ, এতে করে অন্যরা উপকৃত হবেন এবং আপনি হবেন সাওয়াবের ভাগিদার।
1 996
ভেবে দেখুন, আপনার কি কোনো নিয়মিত আমল আছে?
আলহামদুলিল্লাহ, মুসলিম হিসেবে অনেকেই কম-বেশি আমল করার চেষ্টা করেন। কেউ ফরজ সালাত নিয়মিয় আদায় করেন, কেউবা পাশাপাশি জিকির করেন। আবার কেউ তিলাওয়াত করেন কিংবা দান-খয়রাত করেন। কিন্তু পাকাপোক্তভাবে আমাদের কয়জনের নিয়মিত কোনো আমল আছে?
এই প্রশ্নের ইতিবাচক উত্তর প্রদানকারীর সংখ্যা তুলনামূলক কম। যেমন নিয়মিত সালাত আদায় করা হলেও তা ফরজ সালাত পর্যন্ত সীমাবদ্ধ। এদিকে জিকির-আযকার করা হলেও তা একদম নিয়মিতভাবে করা নয়। তিলাওয়াতের ক্ষেত্রেও একই ঘটনা বর্তায়। ফলে আমাদের নিয়মিত আমলের ঝুড়িটি হালকা রয়ে যায়। অথচ আপনি জানেন কি,
"আল্লাহর কাছে কোন আমল সর্বাধিক প্রিয়?"
প্রশ্নটি হযরত আয়িশা রা. করেছিলেন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট। উত্তরে তিনি কি বলেছিলেন জানেন?
উত্তরে তিনি বলেন, "যে আমল সর্বদা করা হয়, চাই তা কম হোক" (বুখারি : ৬৪৬৫)।
অন্য হাদিসে এসেছে, "আল্লাহ তায়ালার কাছে সবচেয়ে পছন্দের আমল হলো যা নিয়মিত করা হয়, যদিও তা পরিমাণে হয় অল্প।" (মুসলিম : ২৮১৮)
অর্থাৎ আল্লাহর কাছে নিয়মিত আমলই সর্বাধিক প্রিয় আমল। এক্ষেত্রে তা পরিমাণে কম হলেও সমস্যা নেই। কিন্তু এই আমলের তালিকায় কি কি থাকতে পারে? চলুন দেখে সহজতর কিছু আমলের নমুনা:
1️⃣দুরুদ শরীফ পাঠ করা
2️⃣যেকোন জিকির করা
3️⃣প্রতিদিন সাইয়্যিদুল ইস্তেগফার করা
4️⃣প্রতিদিন কোনো না কোনো ভালো কাজ করা
5️⃣পেয়ারে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে সালাম পাঠানো
6️⃣কুরআন তিলাওয়াত করা
7️⃣ঘুমানোর আগে আমল করা
8️⃣ঘুমানোর পূর্বে সবাইকে ক্ষমা করে দেওয়া
8️⃣বারান্দা বা বাড়ির আসেপাশে পশুপাখির জন্য পানি রাখা
9️⃣ঝটপট ৩ বার সূরা ইখলাস তিলাওয়াত করা (এতে কুরআন খতমের সাওয়াব মিলে)
🔟৪ বার সূরা ফাতিহা তিলাওয়াত করা (এতে কুরআন খতমের সাওয়াব মিলে)
1️⃣1️⃣নিয়মিত যেকোনো নফল সালাত আদায় করা, যেমন তাহ্যিয়াতুল ওজু, ইশরাক।
1️⃣2️⃣আমলী সূরা, যেমন মাগরিবের সালাত পরে সূরা ওয়াকিয়াহ (রিজিক বৃদ্ধি করে), এশার সালাতের পর সূরা মূলক (কবরের আযান কমায়) কিংবা শুক্রবার সূরা কাহফ (দাজ্জালের ফেতনা থেকে মুক্তিসহ অনেক ফজিলত রয়েছে)
1️⃣3️⃣'বিসমিল্লাহ' বলা: যেকোনো কাজের শুরুতে 'বিসমিল্লাহ' বলার অভ্যাস করা। হোক সেটা ফোন হাতে নেওয়া কিংবা কোনো সাংসারিক বা অফিসিয়াল কাজ, শুরুতে বিসমিল্লাহ বললে এতে আল্লাহকে স্মরণ করা হয় আর সাথে জুড়ে যায় বারাকাহ। তাই প্রতিদিন আবশ্যিক কাজের শুরুতে 'বিসমিল্লাহ' বলার আমল করা।
1️⃣4️⃣সালাম দেওয়া: প্রতিদিন মেসেজ কিংবা সরাসরি আমরা কারো না কারো সাথে আলাপ করি। এই আলাপের শুরুটা সালাম দিয়ে করলেও অনেক ফায়দা রয়েছে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য একটি ফায়দা হল সালামের মাধ্যমে আমরা অপরের জন্য শান্তির দোয়া করি। আর অপরের জন্য আমরা যে দোয়া করি, ফেরেস্তারা আমাদের জন্য সে দোয়া করেন, সুবহান আল্লাহ।
1️⃣5️⃣সুন্নাহ মেনে চলা: আমাদের প্রতিটি কাজে সুন্নাহ অনুসরণ করা উত্তম। জীবনে এমন কিছু কাজ আছে যা আমরা প্রতিদিনই করি। এই কাজগুলো সুন্নাতি তরিকায় করার অভ্যায়া গড়ে তুলতে পারলে অনেক বেশি ফায়দা হবে ইনশা আল্লাহ। যেমন টয়লেটে প্রবেশের সময় বাম পা আগে প্রবেশ করানো আবার টয়লেট থেকে বের হওয়ার সময় ডান পা আগে বের করা। কিংবা জুতা পরার সময় ডান পায়ে আগে জুতা পরা আবার জুতা খোলার সময় বাম পায়ের জুতা আগে খুলা। এ জাতীয় ছোটখাটো কিন্তু নিত্যদিনের কাজগুলো ৩-৪দিন একটু খেয়াল করে সুন্নাহ মোতাবেক করলে পরবর্তীতে তা অভ্যাসে পরিনত হয়। পাশাপাশি আমাদের বাচ্চারাও সুন্নাহের চাদরে বেড়ে উঠবে ইনশা আল্লাহ।
🔸কিভাবে অভ্যাস গঠন করা যায়:
আমাদের মাঝে অনেকে আছেন যারা নিয়মিত আমল করতে চান কিন্তু ব্যস্ততা কিংবা স্মরণ না থাকায় আমল করা হয় না। তবে আমরা চাইলে সহজে একটি আমলে অভ্যস্ত হতে পারি। এজন্য যা করতে হবে:
1️⃣নিয়্যাত: প্রথমে অন্তরে পাকাপোক্ত নিয়্যাত করতে হবে।
2️⃣স্টিকি নোট: যে সময়ে আমলটি করতে হবে, ওই সময় যে স্থানে সচরাচর আমরা অবস্থান করি, সেখানে স্টিকি নোট লাগিয়ে দেওয়া। যেমন টয়লেটের দরজায় বাম পা প্রথমে প্রবেশের সুন্নাহ কিংবা দোয়া লিখে রাখা।
3️⃣এলার্ম সেট করা: টার্গেটকৃত আমলটি সময় কেন্দ্রিক হলে ফোনে এলার্ম সেট করে রাখা যেতে পারে। যেমন ঘুমানোর পূর্বে সবাইকে ক্ষমা করে দেওয়া কিংবা ঘুমানোর সময় নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে সালাম পাঠানো বা দুরুদ শরীফ পাঠ করা।
4️⃣পুরষ্কার: টানা ৩/৫/৭দিন একটি আমল করতে পারলে নিজেকে পুরস্কৃত করা। এতে আগ্রহ বাড়বে ইনশা আল্লাহ।
5️⃣চেকলিস্ট: ফোনে কিংবা প্রিন্ট আকারে বহুল প্রচলিত "To Do list" ব্যবহার করা। এতে চোখের সামনে নিজের আমলের অবস্থা দেখা যায়, ফলে আগ্রহ বাড়ে।
Уже доступно! Исследование Telegram 2025 — ключевые инсайты года 
