fa
Feedback
জ্ঞান - Knowledge

জ্ঞান - Knowledge

رفتن به کانال در Telegram

🙂🙂🙂

نمایش بیشتر
1 996
مشترکین
-124 ساعت
-67 روز
-730 روز

در حال بارگیری داده...

ابر برچسب‌ها
هیچ داده‌ای
مشکلی وجود دارد؟ لطفاً صفحه را تازه کنید یا با مدیر پشتیبانی ما تماس بگیرید.
اشارات ورودی و خروجی
---
---
---
---
---
---
جذب مشترکین
ژوئن '26
ژوئن '26
+6
در 0 کانال‌ها
مه '26
+20
در 0 کانال‌ها
Get PRO
آوریل '26
+17
در 0 کانال‌ها
Get PRO
مارس '26
+226
در 0 کانال‌ها
Get PRO
فوریه '26
+129
در 0 کانال‌ها
Get PRO
ژانویه '26
+9
در 0 کانال‌ها
Get PRO
دسامبر '25
+12
در 0 کانال‌ها
Get PRO
نوامبر '25
+15
در 0 کانال‌ها
Get PRO
اکتبر '25
+16
در 0 کانال‌ها
Get PRO
سپتامبر '25
+18
در 0 کانال‌ها
Get PRO
اوت '25
+26
در 0 کانال‌ها
Get PRO
ژوئیه '25
+53
در 0 کانال‌ها
Get PRO
ژوئن '25
+167
در 0 کانال‌ها
Get PRO
مه '25
+17
در 0 کانال‌ها
Get PRO
آوریل '25
+24
در 0 کانال‌ها
Get PRO
مارس '25
+27
در 0 کانال‌ها
Get PRO
فوریه '25
+15
در 0 کانال‌ها
Get PRO
ژانویه '25
+14
در 0 کانال‌ها
Get PRO
دسامبر '24
+20
در 0 کانال‌ها
Get PRO
نوامبر '24
+24
در 0 کانال‌ها
Get PRO
اکتبر '24
+31
در 0 کانال‌ها
Get PRO
سپتامبر '24
+67
در 0 کانال‌ها
Get PRO
اوت '24
+109
در 0 کانال‌ها
Get PRO
ژوئیه '24
+19
در 0 کانال‌ها
Get PRO
ژوئن '24
+17
در 0 کانال‌ها
Get PRO
مه '24
+26
در 0 کانال‌ها
Get PRO
آوریل '24
+107
در 0 کانال‌ها
Get PRO
مارس '24
+25
در 0 کانال‌ها
Get PRO
فوریه '24
+42
در 0 کانال‌ها
Get PRO
ژانویه '24
+94
در 0 کانال‌ها
Get PRO
دسامبر '23
+50
در 0 کانال‌ها
Get PRO
نوامبر '23
+38
در 0 کانال‌ها
Get PRO
اکتبر '23
+105
در 0 کانال‌ها
Get PRO
سپتامبر '23
+43
در 0 کانال‌ها
Get PRO
اوت '23
+33
در 0 کانال‌ها
Get PRO
ژوئیه '23
+103
در 0 کانال‌ها
Get PRO
ژوئن '23
+1 153
در 0 کانال‌ها
تاریخ
رشد مشترکین
اشارات
کانال‌ها
10 ژوئن0
09 ژوئن+1
08 ژوئن0
07 ژوئن0
06 ژوئن0
05 ژوئن+1
04 ژوئن0
03 ژوئن+2
02 ژوئن+1
01 ژوئن+1
پست‌های کانال
নিজেকে সুপার-ফিট এবং স্ট্রং রাখার একটা ম্যাজিক কম্বিনেশন হচ্ছে: ১। ওয়েট লিফটিং করা ২। পর্যাপ্ত প্রোটিন খাওয়া ৩। প্রতিদিন হাটা ৪। ঘুমকে প্রাধান্য দেওয়া ৫। সঠিক ভাবে নিউট্রিশন নেওয়া উপরের ৫টা কাজ যদি আপনি সময় নিয়ে করতে পারেন এবং কোন শর্টকাট না খুঁজেন, তাহলে সারাজীবন ফিট এবং স্ট্রং থাকতে পারবেন। #fitforlife

2
বৃদ্ধাশ্রম নিয়ে অনেকের এলার্জি আছে, কেউ কেউ হাসাহাসি করেন। কেউ কেউ মনে করেন, সন্তানদের সুশিক্ষা দেয়নি বলে বাবা-মা'কে বৃদ্ধাশ্রমে থাকতে হয়। মোটাদাগে এটাকে এক ধরণের শাস্তি মনে করা হয়। কারো কাছে বৃদ্ধাশ্রমে থাকাটা / রাখাটা এক ধরণের পাপ। তবে আমার ভাবনাটা ভিন্ন। একেবারেই ভিন্ন। আমাদের দুই মেয়ে। ওদের যতটুকু পারি, ভালো পড়াশুনা করানোর চেষ্টা করবো। ভালো বিয়ে শাদী দেয়ার চেষ্টা করবো। অবশ্য এই যুগে এটি সহজ হবেনা, তাও জানি! সেটি ভিন্ন গল্প। এখন দুই মেয়ে ভালো পড়াশুনা করলে, ভালো ক্যারিয়ার হলে, ওরা নিজেদের নিয়েই ব্যস্ত থাকবে। নিজের পরিবার নিয়েই ব্যস্ত থাকবে। ওরা ওসময় আমার সেবা করার জন্য বসে থাকবে, সে আশা করাটা বাতুলতা। আমি কিছুই আশা করিনা। ওরা ভালো থাকলেই আমি খুশী। ওরা আমার খবরা খবর রাখলে খুশী হবো, না রাখলে হয়তো কষ্ট পাবো। তবে মেনে নিবো, মেনে না নিয়ে কি লাভ? আর সামনে যে যুগ আসছে, ভয়ংকর রকম কম্পিটিশন। ক্যারিয়ার ইত্যাদি নিয়ে এক রকম উন্মাদনা কাজ করবে। সবাই ভীষণ, ভীষণ বিজি থাকবে। আমাদের দেয়ার মতো সময় ওরা পাবে? বৃদ্ধ হলে নাতি নাতনী নিয়ে আনন্দঘন সময় কাটাবো, সেই সৌভাগ্য কয়জনের হবে আমি ঠিক নিশ্চিত নই। আর সবাই এখন বিদেশ মুখী। যেন এই দেশটা একটা নরক, বিদেশ মানেই স্বর্গ! মেয়েরা সপরিবার বিদেশে সেটল হতে চাইলে আমাদের করার বেশী কিছু থাকবেনা। তখন বেঁচে থাকলে, ওরা হয়তো আমাদেরকে বিদেশে নিয়ে যেতে চাইবে। তবে ঐ বয়সে বিদেশে গিয়ে ও কি করবো? মেয়েরা ওদের লাইফ নিয়ে বিজি থাকবে। দেশের চেয়ে বিদেশের লাইফ আরো স্ট্রেসফুল। বুয়া নেই, কাজের সহকারী নেই, ড্রাইভার নেই, বাবুর্চি নেই। নিজেকেই সব করতে হয়। আর সারাদিন বাসায় বসে বসে কি করবো? কতক্ষণ আর পার্কে হাঁটবো? বিদেশে কাউকে হুটহাট আড্ডা দেয়ার জন্য পাওয়া ও যাবেনা। আর কানাডা ইত্যাদি ঠাণ্ডা, বরফের দশে যেখানে বছরের বড় একটা অংশেই বরফ পড়ে, সেখানে এত ঠাণ্ডায় হাঁটবোই বা কিভাবে? শপিং মলে, রেস্টুরেন্টে দিনের পর দিন একা একা কফি খেতে তেমন ভালো লাগার কথা নয়। তার চেয়ে বরং দেশে ভালো একটা বৃদ্ধশ্রমে থাকলে কি সমস্যা? অন্য সব বৃদ্ধদের সাথে গল্প করে, স্মৃতি রোমন্থন করে সময়টা একেবারে খারাপ কাটার কথা নয়। বৃদ্ধরা তো অতীত নিয়েই বাঁচে, ওটাই সম্বল। মধুর মধুর স্মৃতির জাবর কেটে কেটে দিনযাপন! বয়স হলে আমরা সবাই চাইবো আমাদেরকে সবাই সময় দিক, পাশে বসে গল্প করুক, নাতি নাতনী পরিবেষ্টিত হয়ে থাকি। যারা খুবই ভাগ্যবান, তারা হয়তো এরকম থাকবে। তবে ওটা নিশ্চিত, গ্যারান্টিড ধরে নেয়ার কোন কারণ নেই। সবকিছুর জন্য রেডি থাকা ভালো, মানসিক প্রস্তুতি থাকা ভালো। #পুনশ্চ যদি সম্ভব হয় তাহলে নিজেই একটা ভালো মানের বৃদ্ধাশ্রম গড়ে তুলবো। সবুজে ঘেরা, একটা বড় জায়গা নিয়ে মনোরম পরিবেশে নান্দদিক একটা বৃদ্ধাশ্রম হবে। সার্বক্ষণিক ডাক্তার / নার্স থাকবে, প্রয়োজনীয় সব ফ্যাসিলিটিজ থাকবে। হাঁটার জায়গা থাকবে। নামাজ / দোয়া, প্রার্থনার সুন্দর ব্যবস্থা থাকবে। লাইব্রেরি থাকবে। সুন্দর কমন স্পেস থাকবে। দোলনা থাকবে। জিম থাকবে। সুইমিংপুল থাকবে। গেস্টদের জন্য সুন্দর বসার ব্যবস্থা থাকবে। বড় একটা পুকুর থাকবে। পার্কের মতো কিছু একটা থাকবে। এরকম কোন বৃদ্ধাশ্রমে থাকলে, খুব একটা খারাপ থাকার কথা না। আর মেয়েরা দেশে থাকলে তাদের সাথে তো দেখা হবেই। মাঝে মাঝে ওদের বাসায় ঘুরে আসবো। ইচ্ছে হলে ওরাও আমাদের দেখতে আসলো। আর যেহেতু জীবনে অনেক দিন শিক্ষকতায় আছি, ছিলাম --- কোন কোন ছাত্র - ছাত্রী ও হয়তো তাদের অবসরে দেখা করতে আসতে পারে। এখন বদনাম করলেও তখন হয়তো সুনাম করবে, হয়তো মিছেমিছি! এভাবেই কেটে যেতে পারে শেষ বয়সটা। তবে জীবনের একেবারে শেষ, একেবারে অন্তিম মুহূর্তে পরিবারের সদস্যরা পাশে থাকুক, হাতটা ধরে রাখুক, পাশে বসে দোয়া দরুদ পড়ুক - সেটা কে না চায়? সেই আশা পূরণ হবে সেই নিশ্চয়তা অবশ্য কেউই দিতে পারবেনা। এটাই বাস্তবতা 😢 #পুনশ্চ_১ নুরজাহান বেগমের অসহায় মৃত্যু সবাইকে ভাবাচ্ছে। বিক্ষুব্ধ ও করছে। সন্তানদের দোষ তো আছেই। ওরা আসলে অপরাধী ও বটে। নিজেদের ভবিষ্যত নিয়ে অনেকে হয়তো উদ্বিগ্ন। তবে ক্যারিয়ারের পাশাপাশি আমাদের নিজেদের রিটায়ারমেন্টের পরের জীবন নিয়েও একটু ভাবা দরকার। একটা প্ল্যান থাকা দরকার। সন্তানদের পড়াশুনা, ক্যারিয়ার ইত্যাদির পাশাপাশি ওদেরকে মানুষের মতো মানুষ করার চেষ্টা করা দরকার। আর হ্যাঁ, নিজেদের সব টাকা পয়সা, সব সম্পদ, নিজেদের ডিপিএস, এফডিআর, পেনশন সহ সর্বস্ব সন্তানের পড়াশুনা, বিয়ে এমনকি সন্তানদের ব্যবসা ইত্যাদির জন্য একেবারে বিলিয়ে দেওয়ার দরকার নেই। নিজেদের ভবিষ্যতের জন্য কিছু নিজেদের জন্য রাখুন। নিজেদের কাছেই রাখুন। কারো মুখাপেক্ষী যেন হতে না হয়, সেটা নিশ্চিত করুন। একটু হলেও স্বার্থপর হোন। ধন্যবাদ।
145
3
​এখানে মূল শর্ত হলো—জিনিসটি আপনাকে 'বুঝতে' হবে। যে খাত সম্পর্কে আপনার কোনো ধারণা নেই, সেখানে ভুলেও বাজি ধরবেন না। যেমন, আপনি যদি স্বাস্থ্যসেবা খাতে কাজ করেন, তবে একজন সাধারণ মানুষের চেয়ে আপনি অনেক আগেই বুঝতে পারবেন হেলথ-টেকনোলজির কোন ক্ষেত্রটিতে সুযোগ আছে। আপনার জানা জ্ঞানকে কাজে লাগান। নিরাপদ অংশটি আপনাকে খেলায় টিকিয়ে রাখবে, আর ঝুঁকিপূর্ণ অংশটি আপনাকে এমন বড় লাভের সুযোগ করে দেবে যা সাধারণ ইনডেক্স ফান্ড কখনোই দিতে পারবে না। ​৪. 'জিওআর্বিট্রেজ' ব্যবহার করে প্রতিটি টাকার সর্বোচ্চ ব্যবহার করুন: ​উচ্চ জীবনযাত্রার ব্যয়বহুল শহরগুলোতে ভালো আয় করেও মাস শেষে হাত খালি হয়ে যেতে পারে। বাড়ি ভাড়া, ট্যাক্স, খাবার ও যাতায়াত খরচ আপনার আয়ের প্রায় সবকিছুই কেড়ে নেয়, ফলে সঞ্চয় বা বিনিয়োগের জন্য কিছুই অবশিষ্ট থাকে না। ​'জিওআর্বিট্রেজ' হলো এমন একটি কৌশল, যেখানে আপনি আয় করবেন কোনো ব্যয়বহুল অঞ্চলের বা বড় শহরের হারের সমান, কিন্তু বসবাস করবেন অনেক সস্তা বা কম খরচের কোনো জায়গায়। তাহলে আপনি আর্থিকভাবে অনেক সুবিধাজনক অবস্থানে থাকবেন। কারণ সেখানে বাসা ভাড়া, খাওয়া-দাওয়া ও যাতায়াত খরচ অনেক কম হবে এবং প্রতি মাসে বেঁচে যাওয়া এই বড় অঙ্কের টাকা সরাসরি পকেটে জমা হবে। আয় একই থাকছে, কিন্তু জীবনযাত্রার খরচ নাটকীয়ভাবে কমে যাচ্ছে। ​আপনি যদি রিমোট কাজ করেন বা এমন কোনো পেশায় থাকেন যা যেকোনো জায়গায় বসে করা সম্ভব, তবে কম খরচের কোনো এলাকায় চলে যাওয়া আপনার আর্থিক অবস্থাকে যেকোনো সাধারণ বেতন বৃদ্ধির চেয়েও দ্রুত বদলে দেবে। যে আয় দিয়ে দামি শহরে কেবল টিকে থাকা যায়, সেই একই আয় দিয়ে একটি সস্তা শহরে খুব আগ্রাসীভাবে সঞ্চয় ও বিনিয়োগ করা সম্ভব। আপনার উপার্জনের ক্ষমতা এক থাকছে, কিন্তু খরচ কমে যাচ্ছে অনেকখানি। ​• ​বাজেট তৈরি করে চলা বা খরচ কমানোর নিজস্ব গুরুত্ব আছে, তবে এটি নিজে থেকে আপনার সম্পদ বৃদ্ধির ক্ষমতাকে বহুগুণ করতে পারবে না। এই ৪টি কৌশল ভিন্নভাবে কাজ করে কারণ এগুলো কেবল আপনার খরচের অভ্যাস পরিবর্তন করে না, বরং আপনার আয়ের মূল সমীকরণটিকেই বদলে দেয়। ​আপনার বর্তমান পরিস্থিতির সাথে যেটি সবচেয়ে ভালো মানায়, সেটি বেছে নিন এবং আজই শুরু করুন। বেশিরভাগ মানুষ নিখুঁত মুহূর্তের জন্য অপেক্ষা করতে গিয়েই সারাজীবন এক জায়গায় আটকে থাকে। ______
228
4
ব্যক্তিগত অর্থায়ন সংক্রান্ত বেশিরভাগ পরামর্শই দেওয়া হয় তাদের জন্য, যাদের অর্থনৈতিক অবস্থা কিছুটা ভালো। একজন কর্মজীবী মানুষকে প্রতিদিনের কফি না খেতে বলা বা বাজারের কুপন জমিয়ে খরচ বাঁচাতে বলা কেবল তাদের অভাবকে কিছুটা সামাল দেয়, কিন্তু তা জীবনকে সমৃদ্ধ বা প্রাচুর্যময় করে তোলে না। ​একেবারে কম পুঁজি থেকে সম্পদকে বহুগুণ করতে চাইলে সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি পদ্ধতি অবলম্বন করতে হয়। মনের মানসিকতা, অসম ঝুঁকি নেওয়ার ক্ষমতা এবং প্রচলিত অর্থনৈতিক নিয়মগুলোকে উপেক্ষা করার সাহস আপনাকে একটি সাধারণ বাজেট তৈরি করার চেয়ে অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যাবে। এখানে এমন ৪টি আগ্রাসী এবং বাস্তবমুখী কৌশল দেওয়া হলো, যা যে কেউ চাইলে নিজের জীবনে কাজে লাগাতে পারেন। • ​১. ডিজিটাল আয়ের মাধ্যমে 'অসম ঝুঁকি' ব্যবহার করুন: ​অসম ঝুঁকি মানে হলো এমন এক পরিস্থিতি, যেখানে আপনার লোকসানের বা ক্ষতির সম্ভাবনা খুবই কম, কিন্তু লাভ বা সফল হওয়ার সম্ভাবনা সীমাহীন। বেশিরভাগ কর্মজীবী মানুষের মাথাতেই কোনো না কোনো বিশেষায়িত ও কষ্টার্জিত জ্ঞান থাকে, কিন্তু তারা মাস শেষে কেবল বেতনের বিনিময়েই তা কাজে লাগান, অন্য কোনোভাবে তা থেকে আয় করেন না। এটি একটি বড় সুযোগ হাতছাড়া করা। ​লজিস্টিকস, বিভিন্ন কারিগরি পেশা কিংবা স্বাস্থ্যসেবা খাতে আপনার যে অভিজ্ঞতা রয়েছে, তার মূল্য আপনার নিয়োগকর্তা আপনাকে যা বেতন দেন তার চেয়ে অনেক বেশি। প্রতিদিন সন্ধ্যায় কিছুটা সময় ব্যয় করে আপনার এই জ্ঞানকে একটি ডিজিটাল সম্পদে রূপান্তর করুন—যেমন একটি ই-বুক, কোনো গাইডলাইন বা নির্দিষ্ট বিষয়ের ওপর একটি ভিডিও কোর্স। Gumroad, Teachable বা Amazon-এর মতো প্ল্যাটফর্মগুলো পেমেন্ট ও ডেলিভারির কাজগুলো সহজ করে দেয়, তাই প্রযুক্তিগত দিক নিয়ে খুব বেশি ভাবার প্রয়োজন নেই। ​তবে কোনো প্রোডাক্ট তৈরি করতে কয়েক সপ্তাহ সময় নষ্ট করার আগে, বাজারে এর চাহিদা আছে কিনা তা যাচাই করে নিন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই বিষয়টি নিয়ে পোস্ট করুন এবং দেখুন মানুষ আপনাকে এই বিষয়ে আরও জানতে প্রশ্ন করছে কিনা। যদি তারা আগ্রহী হয়, তবে বুঝবেন আপনার ক্রেতা তৈরি আছে। একবার একটি ডিজিটাল প্রোডাক্ট তৈরি করে ফেললে তা বিক্রি বা বিতরণ করতে আর কোনো খরচ হয় না এবং সারা বিশ্বের মানুষের কাছে তা বিক্রি করা যায়। আপনি কষ্ট করবেন মাত্র একবার, কিন্তু সেই সম্পদ আপনাকে আজীবন আয় এনে দেবে। ​২. দামি ডিগ্রির পেছনে না ছুটে উচ্চ-আয়ের দক্ষতা অর্জন করুন: ​আবার কোনো প্রথাগত চার বছরের ইউনিভার্সিটির ডিগ্রির পেছনে ছোটার মানে হলো বিপুল পরিমাণ ঋণের বোঝা মাথায় নেওয়া এবং আয় বাড়ানোর জন্য বছরের পর বছর ক্লাসরুমে বসে থাকা। যেসব কর্মজীবী মানুষের এখনই বেশি টাকা উপার্জনের প্রয়োজন, তাদের জন্য এই দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করা একটি বড় সমস্যা। ​এর চেয়ে দ্রুততম উপায় হলো একটি 'হাই-ইনকাম স্কিল' বা উচ্চ-আয়ের দক্ষতা অর্জন করা। এটি এমন একটি বিশেষ যোগ্যতা যার জন্য বিভিন্ন কোম্পানি আপনাকে অনেক বেশি টাকা দিতে প্রস্তুত থাকবে, আপনার প্রাতিষ্ঠানিক সার্টিফিকেট যাই হোক না কেন। ডিজিটাল অ্যাডভার্টাইজিং, টেকনিক্যাল সেলস, সাইবার সিকিউরিটি, ওয়েবসাইট ডিজাইন এবং প্রফেশনাল কপিরাইটিং—এসবই এর অন্তর্ভুক্ত। সঠিক দক্ষতা বেছে নেওয়াটা শেখার মতোই গুরুত্বপূর্ণ; তাই বিভিন্ন জব বোর্ড ও ফ্রিল্যান্স প্ল্যাটফর্মগুলো ঘুরে দেখুন কোন কাজের চাহিদা বেশি এবং কোন কাজে কেমন টাকা পাওয়া যায়। ​চাকরির চেয়ে ফ্রিল্যান্স বা চুক্তিভিত্তিক কাজে এই দক্ষতাগুলোর প্রতি ঘণ্টার রেট সাধারণত অনেক বেশি হয়। ইউটিউব টিউটোরিয়াল, নির্দিষ্ট বুটক্যাম্প বা বিভিন্ন সার্টিফিকেশন কোর্সের মাধ্যমে আপনি বছরের পর বছর নষ্ট না করে মাত্র কয়েক মাসেই নিজেকে কাজের উপযোগী করে তুলতে পারেন। আপনার আয়ে একটি বড় লাফ বা বড় পরিবর্তন, বার্ষিক সামান্য বেতন বৃদ্ধির চেয়ে আপনাকে বিনিয়োগের জন্য অনেক বেশি পুঁজি এনে দেবে। ​৩. বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বারবেল স্ট্র্যাটেজি ব্যবহার করুন: ​সাধারণত কর্মজীবী বিনিয়োগকারীদের পরামর্শ দেওয়া হয় যে, তাদের সব টাকা নিরাপদ ও বৈচিত্র্যময় ফান্ডে রেখে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে। নিরাপদ ফান্ডগুলো আপনার সম্পদ রক্ষা করতে এবং ধীরে ধীরে বাড়াতে সাহায্য করে সত্যি, কিন্তু যার প্রায় শূন্য থেকে শুরু করতে হচ্ছে, তার সম্পদ দ্রুত বাড়াতে এটি খুব একটা ভূমিকা রাখতে পারে না। ​লেখক ও পরিসংখ্যানবিদ নাসিম নিকোলাস তালেবের জনপ্রিয় করা 'বারবেল স্ট্র্যাটেজি' মাঝপদ্ধতিকে পুরোপুরি এড়িয়ে চলে। এই কৌশল অনুযায়ী, আপনার বিনিয়োগযোগ্য টাকার সিংহভাগ (যেমন ৮০-৯০%) একদম নিরাপদ ও সাধারণ সম্পদ বা ইনডেক্স ফান্ডে রাখুন, যাতে বাজার ধসে পড়লেও আপনি দেউলিয়া না হয়ে যান। আর বাকি ছোট অংশটি (যেমন ১০-২০%) এমন কিছু উচ্চ-ঝুঁকি ও উচ্চ-লাভের জায়গায় খাটান, যা আপনি নিজে খুব ভালো বোঝেন—হতে পারে তা কোনো সাইড বিজনেস, নতুন কোনো সম্ভাবনাময় খাত, অথবা কম মূল্যের কোনো সম্পদ কিনে পরে বেশি দামে বিক্রি করা।
169
5
আজকের দিনে সফল হতে হলে আপনাকে শুধু অন্ধের মতো খাটলেই হবে না। এর পরিবর্তে আপনার প্রয়োজন মনোযোগ ধরে রাখা, শক্তি সঞ্চয়, সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং কাজের পর ক্লান্তি দূর করার বা রিকভারির জন্য একটি চমৎকার কার্যপদ্ধতি বা সিস্টেম তৈরি করা। বিজ্ঞানসম্মত গবেষণার ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা এমন ১০টি কার্যকরী উপায় এখানে আলোচনা করা হলো, যা আপনাকে কম পরিশ্রমে বেশি এবং মানসম্মত কাজ করতে সাহায্য করবে। • ১. কম জিনিসে মনোযোগ দিন: গবেষণায় দেখা গেছে, আমরা একসাথে অনেক কাজ করতে গিয়ে আসলে কোনো কাজই ঠিকঠাক করতে পারি না। তাই কাজের সংখ্যা না বাড়িয়ে কম গুরুত্বপূর্ণ জিনিসগুলো তালিকা থেকে বাদ দিন। জীবনের বা কাজের প্রধান লক্ষ্যগুলোর দিকে মনোযোগ দিলে কাজের মান বহুগুণ বেড়ে যায়। ২. নিয়মিত বিরতি বা ব্রেক নিন: একটানা কাজ করলে আমাদের মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা কমতে থাকে। গবেষণা বলছে, নির্দিষ্ট সময় পর পর ছোট বিরতি নিলে কাজের গতি ও মনোযোগ পুনরায় ফিরে আসে। তাই ডেস্কে টানা বসে না থেকে একটু হাঁটাহাঁটি করুন বা চোখ বন্ধ করে জিরিয়ে নিন। ৩. স্পষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণ করুন: আপনার লক্ষ্য যদি স্পষ্ট না থাকে, তবে আপনি বিভ্রান্ত হয়ে পড়বেন। প্রতিটি দিনের শুরুতেই ঠিক করে নিন আজ ঠিক কোন কাজগুলো আপনি শেষ করতে চান। স্পষ্ট এবং সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য আপনার কাজের দিকনির্দেশনা ঠিক রাখে। ৪. ধ্যান বা মেডিটেশন করুন: মেডিটেশন কেবল মানসিক প্রশান্তি দেয় না, এটি আপনার ফোকাস বা মনোযোগের পেশিকে শক্তিশালী করে। প্রতিদিন মাত্র কয়েক মিনিটের ধ্যান আপনার মস্তিষ্ককে শান্ত রাখতে এবং যেকোনো কঠিন সিদ্ধান্ত সহজে নিতে সাহায্য করবে। ৫. জরুরি নয়, গুরুত্বপূর্ণ কাজে মনোযোগ দিন: আমাদের সামনে প্রতিদিন এমন অনেক কাজ আসে যা দেখতে খুব জরুরি মনে হয় (যেমন: হুট করে আসা কোনো ইমেইল বা মেসেজ), কিন্তু সেগুলো হয়তো আমাদের দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নয়। তাই কোনটি আসলেই গুরুত্বপূর্ণ তা বাছাই করে আগে শেষ করুন। ৬. সব ধরণের নোটিফিকেশন বন্ধ রাখুন: স্মার্টফোনের একটি টুং শব্দ আপনার গভীর মনোযোগ মুহূর্তের মধ্যে নষ্ট করে দিতে পারে। বিজ্ঞান বলে, একবার মনোযোগ বিঘ্নিত হলে পুনরায় সেই কাজে পুরোপুরি মগ্ন হতে প্রায় ২৩ মিনিট সময় লাগে। তাই গভীর মনোযোগের কাজের সময় সোশ্যাল মিডিয়া ও অ্যাপের নোটিফিকেশন বন্ধ রাখুন। ৭. কাজের জায়গা পরিষ্কার ও গোছানো রাখুন : এলোমেলো টেবিল বা চারপাশের বিশৃঙ্খলা আপনার অজান্তেই মস্তিষ্কে মানসিক চাপ সৃষ্টি করে। কাজের পরিবেশ পরিষ্কার ও পরিপাটি রাখলে মন শান্ত থাকে এবং কাজে একাগ্রতা বাড়ে। ৮. নতুন দক্ষতা অর্জন করুন: আপনি যে কাজটি করছেন তা আরও দ্রুত ও নিখুঁতভাবে করার জন্য কোনো আধুনিক টুলস বা কৌশল শেখা প্রয়োজন কি না তা ভাবুন। নিজেকে অনবরত আপগ্রেড করলে কঠিন কাজও অনেক সহজ ও অল্প সময়ে করা সম্ভব হয়। ৯. টাইম ব্লকিং বা সময়ের ভাগ তৈরি করুন: আপনার পুরো দিনটিকে কয়েকটি নির্দিষ্ট সময়ের ব্লকে ভাগ করে নিন। যেমন: সকাল ৯টা থেকে ১১টা পর্যন্ত কেবল একটি নির্দিষ্ট প্রজেক্টের কাজ করবেন এবং ওই সময়ে অন্য কোনো কাজ হাত দেবেন না। এই পদ্ধতিটি মাল্টিটাস্কিংয়ের হাত থেকে বাঁচায়। ১০. একবারে কেবল একটি কাজেই মনোযোগ দিন: মানব মস্তিষ্ক আসলে একসাথে একাধিক জটিল কাজ বা মাল্টিটাস্কিং করার জন্য তৈরি হয়নি। যখন আপনি একসাথে অনেক কাজ করতে যান, তখন কাজের সময় ও ভুল করার সম্ভাবনা দুটিই বাড়ে। তাই এক সময়ে কেবল একটি কাজই সম্পূর্ণ শেষ করার অভ্যাস করুন। • কর্মদক্ষতা বা এফিশিয়েন্সি বাড়ানোর জন্য অলৌকিক কোনো সূত্রের প্রয়োজন নেই। এর মূল চাবিকাঠি হলো কাজকে সহজ করা এবং নিজের শক্তিকে সঠিক উপায়ে ব্যবহার করা। কঠোর পরিশ্রমের চেয়ে সঠিক কৌশলে কাজ করাই আপনাকে সফলতার চূড়ায় নিয়ে যাবে। _______
229
6
80) ইতিবাচক মনোবিজ্ঞান (Positive Psychology) 81) সৃজনশীলতা মনোবিজ্ঞান (Psychology of Creativity) 82) নান্দনিক মনোবিজ্ঞান (Aesthetics Psychology) 83) ক্রীড়া মনোবিজ্ঞান (Sports Psychology) 84) পারফরম্যান্স মনোবিজ্ঞান (Performance Psychology) 85) যোগাযোগ মনোবিজ্ঞান (Communication Psychology) 86) সাইকোলিঙ্গুইস্টিক্স (Psycholinguistics) 87) বক্তৃতা ও ভাষা মনোবিজ্ঞান (Speech & Language Psychology) 88) আচরণগত অর্থনীতি মনোবিজ্ঞান (Behavioral Economics Psychology) 89) সিদ্ধান্ত গ্রহণ মনোবিজ্ঞান (Decision-Making Psychology) 90) আর্থিক মনোবিজ্ঞান (Financial Psychology) 91) আধ্যাত্মিক মনোবিজ্ঞান (Spiritual Psychology) 92) ট্রান্সপার্সোনাল মনোবিজ্ঞান (Transpersonal Psychology) 93) অস্তিত্ববাদী মনোবিজ্ঞান (Existential Psychology) 94) মাইন্ডফুলনেস মনোবিজ্ঞান (Mindfulness Psychology) 95) খাদ্য মনোবিজ্ঞান (Food Psychology) 96) ব্যায়াম মনোবিজ্ঞান (Exercise Psychology) 97) বিবর্তনীয় মনোবিজ্ঞান (Evolutionary Psychology) 98) জৈব মনোবিজ্ঞান (Biopsychology) 99) জেনেটিক কাউন্সেলিং মনোবিজ্ঞান (Genetic Counselling Psychology) 100) Reproductive Psychology লিখেছেন, Jahidul Hasan BSc in Psychology রেফারেন্সঃ 1) Corsini, R. J. (2002). The Dictionary of Psychology. Brunner-Routledge. 2) American Psychological Association (APA). (2024). Divisions & Fields of Psychology. https://www.apa.org/about/division 3) Schultz, D. P., & Schultz, S. E. (2016). A History of Modern Psychology (11th ed.). Cengage Learning. 4) Barlow, D. H. (Ed.). (2014). The Oxford Handbook of Clinical Psychology. Oxford University Press. 5) Muchinsky, P. M. (2012). Psychology Applied to Work (10th ed.). Hypergraphic Press. 6) Howitt, D. (2018). Introduction to Forensic & Criminal Psychology (6th ed.). Pearson. 7) Berlyne, D. E. (1971). Aesthetics and Psychobiology. Appleton-Century-Crofts. 8) Seligman, M. E. P. (2011). Flourish: A Visionary New Understanding of Happiness and Well-being. Free Press. 9) World Health Organization (WHO). (2022). Mental Health and Applied Psychology Reports. https://www.who.int/mental_health 10) Statt, D. A. (1998). The Concise Dictionary of Psychology (3rd ed.). Routledge. 11) Kaplan, R. M., & Saccuzzo, D. P. (2018). Psychological Testing: Principles, Applications, and Issues (9th ed.). Cengage Learning. 12) Luthans, F. (2011). Organizational Behavior (12th ed.). McGraw-Hill Education. 13) American Psychological Association (APA). Specialty Guidelines for Professional Psychology. https://www.apa.org 14) American Board of Professional Psychology (ABPP). Psychology Specialties and Subspecialties. https://abpp.org
235
7
মনোবিজ্ঞানের ফলিত শাখা মোট ১০০ টা। অর্থাৎ ১০০ টা সেক্টরে মনোবিজ্ঞানীদের কাজ চর্চা হচ্ছে.. নিম্নে রেফারেন্স সহকারে দেওয়া হলো শাখা গুলোর তালিকাঃ 1) ক্লিনিক্যাল মনোবিজ্ঞান (Clinical Psychology) 2) কাউন্সেলিং মনোবিজ্ঞান (Counselling Psychology) 3) স্বাস্থ্য মনোবিজ্ঞান (Health Psychology) 4) নিউরোসাইকোলজি (Neuropsychology) 5) পুনর্বাসন মনোবিজ্ঞান (Rehabilitation Psychology) 6) পেডিয়াট্রিক মনোবিজ্ঞান (Pediatric Psychology) 7) অনকোলজি মনোবিজ্ঞান (Psycho-Oncology) 8) কার্ডিয়াক মনোবিজ্ঞান (Cardiac Psychology) 9) ব্যথা ব্যবস্থাপনা মনোবিজ্ঞান (Pain Psychology) 10) মাদকাসক্তি মনোবিজ্ঞান (Addiction Psychology) 11) পুষ্টি মনোবিজ্ঞান (Nutritional Psychology) 12) ঘুম মনোবিজ্ঞান (Sleep Psychology) 13) যৌন মনোবিজ্ঞান / সেক্সোলজি (Sexual Psychology / Sexology) 14) সাইকোসোমাটিক্স (Psychosomatics) 15) প্যালিয়েটিভ কেয়ার মনোবিজ্ঞান (Palliative Care Psychology) 16) সাইকোনিউরোইমিউনোলজি (Psychoneuroimmunology) 17) সাইকোডার্মাটোলজি (Psychodermatology) 18) পেরিনেটাল মনোবিজ্ঞান (Perinatal Psychology) 19) ডায়াবেটিস মনোবিজ্ঞান (Diabetes Psychology) 20) স্থূলতা ও খাদ্যাভ্যাস মনোবিজ্ঞান (Obesity & Eating Psychology) 21) শিক্ষা মনোবিজ্ঞান (Educational Psychology) 22) স্কুল মনোবিজ্ঞান (School Psychology) 23) শিশু মনোবিজ্ঞান (Child Psychology) 24) কিশোর মনোবিজ্ঞান (Adolescent Psychology) 25) উন্নয়নমূলক মনোবিজ্ঞান (Developmental Psychology) 26) বিশেষ শিক্ষা মনোবিজ্ঞান (Special Education Psychology) 27) প্রতিভাবান শিশু মনোবিজ্ঞান (Gifted Psychology) 28) শিক্ষণ প্রযুক্তি মনোবিজ্ঞান (Educational Technology Psychology) 29) মোটিভেশনাল মনোবিজ্ঞান ইন এডুকেশন (Motivational Psychology in Education) 30) শিল্প ও সংগঠন মনোবিজ্ঞান (Industrial & Organizational Psychology) 31) নেতৃত্ব মনোবিজ্ঞান (Leadership Psychology) 32) কোচিং মনোবিজ্ঞান (Coaching Psychology) 33) ভোক্তা মনোবিজ্ঞান (Consumer Psychology) 34) বিপণন মনোবিজ্ঞান (Marketing Psychology) 35) অকুপেশনাল মনোবিজ্ঞান (Occupational Psychology) 36) কর্মক্ষেত্র মনোবিজ্ঞান (Workplace Psychology) 37) উদ্যোক্তা মনোবিজ্ঞান (Entrepreneurial Psychology) 38) আলোচনা ও দ্বন্দ্ব মনোবিজ্ঞান (Negotiation & Conflict Psychology) 39) সামাজিক মনোবিজ্ঞান (Social Psychology) 40) কমিউনিটি মনোবিজ্ঞান (Community Psychology) 41) রাজনৈতিক মনোবিজ্ঞান (Political Psychology) 42) ধর্মীয় মনোবিজ্ঞান (Psychology of Religion) 43) ক্রস-কালচারাল মনোবিজ্ঞান (Cross-Cultural Psychology) 44) পারিবারিক মনোবিজ্ঞান (Family Psychology) 45) দম্পতি মনোবিজ্ঞান (Couples Psychology) 46) নারী মনোবিজ্ঞান (Psychology of Women) 47) পুরুষ মনোবিজ্ঞান (Psychology of Men) 48) বার্ধক্য মনোবিজ্ঞান (Geropsychology) 49) জেন্ডার মনোবিজ্ঞান (Gender Psychology) 50) সংখ্যালঘু মনোবিজ্ঞান (Minority Psychology) 51) অভিবাসন মনোবিজ্ঞান (Migration Psychology) 52) ফরেনসিক মনোবিজ্ঞান (Forensic Psychology) 53) আইনি মনোবিজ্ঞান (Legal Psychology) 54) পুলিশ মনোবিজ্ঞান (Police Psychology) 55) অপরাধ মনোবিজ্ঞান (Criminal Psychology) 56) ভিকটিমোলজি মনোবিজ্ঞান (Victim Psychology) 57) সন্ত্রাসবাদ মনোবিজ্ঞান (Psychology of Terrorism) 58) কারা মনোবিজ্ঞান (Correctional Psychology) 59) ইঞ্জিনিয়ারিং মনোবিজ্ঞান (Engineering Psychology) 60) মানব উপাদান মনোবিজ্ঞান (Human Factors Psychology) 61) এরগোনোমিক্স মনোবিজ্ঞান (Ergonomics Psychology) 62) সাইবার মনোবিজ্ঞান (Cyberpsychology) 63) মিডিয়া মনোবিজ্ঞান (Media Psychology) 64) AI ও মনোবিজ্ঞান (AI & Psychology) 65) গেমিং মনোবিজ্ঞান (Gaming Psychology) 66) রোবোটিক্স মনোবিজ্ঞান (Robotics Psychology) 67) ভার্চুয়াল রিয়েলিটি মনোবিজ্ঞান (Virtual Reality Psychology) 68) পরিবেশ মনোবিজ্ঞান (Environmental Psychology) 69) ইকো-সাইকোলজি (Eco-Psychology) 70) সংরক্ষণ মনোবিজ্ঞান (Conservation Psychology) 71) জলবায়ু পরিবর্তন মনোবিজ্ঞান (Climate Psychology) 72) সামরিক মনোবিজ্ঞান (Military Psychology) 73) দুর্যোগ মনোবিজ্ঞান (Disaster Psychology) 74) সংকট হস্তক্ষেপ মনোবিজ্ঞান (Crisis Psychology) 75) ট্রমা মনোবিজ্ঞান (Trauma Psychology) 76) এভিয়েশন মনোবিজ্ঞান (Aviation Psychology) 77) মহাকাশ মনোবিজ্ঞান (Space Psychology) 78) ট্রান্সপোর্টেশন মনোবিজ্ঞান (Transportation Psychology) 79) ট্রাফিক মনোবিজ্ঞান (Traffic Psychology)
165
8
৩০ হাজারে LASIK এর Details ১. কই থেকে করাইসি? - শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, শেরে বাংলা নগর, ঢাকা। ২. কারা করাতে পারবে? - বয়স ১৮ এর বেশি -শেষ ১২ মাসে চোখের পাওয়ার যাদের ০.৫ এর বেশি পরিবর্তন হয়নি - মাইনাস পাওয়ার -০.৫০ হতে -১৪.০০ D -প্লাস পাওয়ার +১.০০ হতে +৫.০০ ৩.আমার কত ছিল? - ডান চোখে -7.00D X -3.50Cyl বাম চোখে -4.75D X -4.00Cyl আর স্টেবল ২০২০ সাল থেকে ৪. হসপিটাল স্টে কেমন? - No hospital stay, যেদিন অপারেশন তার সকালে LASIK করে ২-৩ ঘন্টা observation এর পরই বাসায় ৫. আমার পাওয়ার এত এত আমার হবে কিনা? - Depends on your pre LASIK test. আমি তো আপনার সার্জারি করবো না,যে করবে সে বলবে বেটার। আপনার কর্নিয়াল থিকনেস সবচেয়ে বড় ফ্যাক্টর সাথে ড্রাই আই, এলার্জি এগুলাও মেইনটেইন করা লাগবে। ১২ জনের কথায় কান না দিয়ে ডিরেক্ট ডাক্তারের কাছে দেখান। ৬.সার্জন কে? - Associate Prof. AQM Omar Sharif Sir ৭. ফুল কারেকশন? - আমার ডান চোখের thickness কম তাই -১.০০ আন্ডার কারেকশন হইসে কিন্তু ভিশন এখন ৬/৬ ৮.কোন পদ্ধতির LASIK? - Micro Keratome and Femtosecond both are available. সার্জন ঠিক করবে আপনার জন‍্য লাগবে কোনটা। আমার Micro Keratome এ হইসে। ৯. আপনি তো ডাক্তার এজন‍্য করাইতে পারসেন, আমরা কি পারবো নাকি রেফারেন্স ছাড়া? - আমার সাথের আরেকজন যে করাইসে, সে কোনো রেফারেন্স ছাড়াই সিরিয়াল পাইসে।কারন তখনো মানুষ কম জানতো, আর টেস্ট রিপোর্ট আগে জমা দিলে সিরিয়ালও আগে। ১০. খরচ কত? -LASIK এর জন‍্য ১০ টাকার বহির্বিভাগ এর টিকেট আর ড্রাগস আর ইন্সট্রুমেন্ট এর জন‍্য ৩০ হাজার, To be precise ২৮ হাজার, কিন্তু এটা আপনার ল‍্যাসিকের টাইপ, তখন সাপ্লাইয়ে থাকা বিভিন্ন জিনিস এর উপর ডিপেন্ড করবে। আর আমি ইন্টার্ন ডাক্তার হিসেবে ডিসকাউন্ট পেয়েছিলাম কিছু… সো ৩৫-৪০ এর বেশি যাবে না সেটা। ১১. ব‍্যাস ৩০ হাজারই? - এটা LASIK cost.. Pre LASIK কিছু টেস্ট আছে সেটা করতে যত লাগে আপনার।আমি বাইরে থেকে করাইসি ১৩ হাজার লাগসে। শেয়ার করে জানিয়ে দিন আপনার LASIK করতে চাওয়া মানুষদের আর কোনো প্রশ্ন থাকলে বলবেন পরবর্তীতে পোস্টে সবার জন‍্য সেটা বলবো।
127
9
১. পর্যাপ্ত ঘুমান: ঘুম কোনো বিলাসিতা নয়, এটি শারীরিক ও মানসিক শক্তির ভিত্তি। ২. প্রতিদিন শরীরচর্চা করুন: এটি কেবল শরীরের জন্য নয়, আপনার মেজাজ এবং মস্তিষ্কের কার্যকারিতা ঠিক রাখতেও জরুরি। ৩. প্রকৃতির সান্নিধ্যে যান: বাইরে সময় কাটালে মানসিক চাপ কমে। ৪. চিনি এবং অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত খাবার এড়িয়ে চলুন: আপনি যা খান, আপনার শরীর ও মন সেভাবেই কাজ করে। ৫. বই পড়ুন: ভিডিও দেখার চেয়ে বই পড়া গভীর চিন্তায় সাহায্য করে। ৬. ডিজিটাল ডিভাইস থেকে দূরে থাকুন: বিশেষ করে ঘুমানোর আগে ফোন ব্যবহার করবেন না। ৭. গভীর মনোযোগ দিয়ে কাজ করুন: দিনে অন্তত ১-২ ঘণ্টা সব ধরনের বিমুখতা (ফোন, ইন্টারনেট) থেকে দূরে থেকে কাজ করুন। ৮. ফলাফলের চেয়ে প্রক্রিয়ায় মনোযোগ দিন: আপনি কী পাচ্ছেন তার চেয়ে আপনি কীভাবে কাজ করছেন সেটি বেশি গুরুত্বপূর্ণ। ৯. বিশ্রাম নিন: একটানা কাজ না করে মাঝে মাঝে বিরতি দিন। ১০. অহংকার ত্যাগ করুন: শেখার মানসিকতা বজায় রাখুন। নিজেকে সবজান্তা ভাববেন না। ১১. ছোট ছোট পা ফেলুন: বড় লক্ষ্য অর্জনে প্রতিদিন অল্প অল্প করে এগোতে থাকুন। ১২. সফলতার পেছনে না ছুটে উৎকর্ষের (Excellence) পেছনে ছুটুন: কাজ ভালো হলে সফলতা এমনিতেই আসবে। ১৩. ধৈর্য ধরুন: বড় কোনো কিছু অর্জন করতে সময় লাগে। ১৪. নিজের ওপর নিয়ন্ত্রণ রাখুন: আপনার আবেগ যেন আপনাকে নিয়ন্ত্রণ না করে। ১৫. অনিশ্চয়তাকে গ্রহণ করুন: জীবন সবসময় আপনার পরিকল্পনা অনুযায়ী চলবে না। ১৬. সহমর্মিতা দেখান: অন্যের প্রতি দয়ালু হওয়া আপনার নিজের মানসিক প্রশান্তি বাড়ায়। ১৭. নিজেকে প্রশ্ন করুন: আমি কি সঠিক পথে আছি? আমার জীবনের উদ্দেশ্য কী? ১৮. অল্পতে সন্তুষ্ট থাকা শিখুন: চাহিদার শেষ নেই, তাই যা আছে তা নিয়ে খুশি থাকার চেষ্টা করুন। ১৯. ভালো বন্ধু নির্বাচন করুন: আপনার চারপাশের মানুষ আপনার চিন্তা ও আচরণকে প্রভাবিত করে। ২০. শুনতে শিখুন: কথা বলার চেয়ে অন্যের কথা মন দিয়ে শোনা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। ২১. সাহায্য করুন: প্রতিদান না চেয়ে অন্যকে সাহায্য করার আনন্দ অন্যরকম। ২২. পরিবারকে সময় দিন: দিনশেষে পরিবারই আপনার বড় অবলম্বন। ২৩. ভুল থেকে শিখুন: ভুল করা দোষের কিছু নয়, কিন্তু একই ভুল বারবার করা বোকামি। ২৪. অজুহাত দেবেন না: নিজের কাজের দায়ভার নিজেই নিতে শিখুন। ২৫. সরল জীবন যাপন করুন: জীবনকে জটিল করবেন না। অপ্রয়োজনীয় জিনিস বর্জন করুন। ২৬. বর্তমান মুহূর্তে বাঁচুন: অতীত নিয়ে আফসোস বা ভবিষ্যৎ নিয়ে অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা করবেন না। ২৭. কৌতূহলী হোন: সবসময় নতুন কিছু জানার আগ্রহ রাখুন। ২৮. স্বাস্থ্যই সম্পদ: শরীর ঠিক না থাকলে কোনো সাফল্যই উপভোগ করা যায় না। ২৯. অন্যের সাথে তুলনা করবেন না: আপনার একমাত্র প্রতিযোগিতা হওয়া উচিত আপনার নিজের সাথে। ৩০. কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করুন: প্রতিদিন অন্তত তিনটি জিনিসের জন্য কৃতজ্ঞ থাকুন। ৩১. সাহসী হোন: ভয় পেলেও সঠিক কাজটি করার সাহস রাখুন। ৩২. শখ বজায় রাখুন: কাজের বাইরে এমন কিছু করুন যা আপনাকে আনন্দ দেয়। ৩৩. স্পষ্টভাবে কথা বলুন: মনের কথা সরাসরি এবং নম্রভাবে বলুন। ৩৪. নিজের আদর্শে অটল থাকুন: পরিস্থিতি যাই হোক, নিজের সততা হারাবেন না। ৩৫. মনে রাখুন—জীবন সংক্ষিপ্ত: তাই প্রতিটি দিনকে অর্থবহ করার চেষ্টা করুন। • এই নিয়মগুলো আপনার জীবনকে একবারে বদলে দেবে না, কিন্তু এগুলো নিয়মিত মেনে চললে আপনি একজন উন্নত এবং সুখী মানুষ হিসেবে গড়ে উঠবেন। _____
182
10
বাংলাদেশে একটি অদ্ভুত এবং উদ্বেগজনক প্রবণতা বহু বছর ধরে দেখা যাচ্ছে— শিশুর প্রকৃত বয়স ইচ্ছাকৃতভাবে কমিয়ে Birth Certificate তৈরি করা। সবচেয়ে দুঃখজনক বিষয় হলো, এই কাজটি করে স্বয়ং পিতামাতাই। অনেক অভিভাবক মনে করেন বয়স এক বা দুই বছর কমিয়ে রাখাটা অনেক “চালাকি” বা ভবিষ্যতের জন্য “স্মার্ট সিদ্ধান্ত”। কিন্তু বাস্তবে এই ভুল সিদ্ধান্তের ক্ষতি বহন করতে হয় শিশুকেই। একটি শিশুর বয়স শুধু একটি সংখ্যা নয়। বয়সের সাথে জড়িত থাকে তার শারীরিক বৃদ্ধি, মানসিক বিকাশ, সামাজিক দক্ষতা, শিক্ষাগত সক্ষমতা এবং চিকিৎসাগত প্রয়োজন। যখন জন্মসনদে বয়স ভুলভাবে কমিয়ে দেওয়া হয়, তখন শিশুর পুরো Developmental Identity-ই ভুলভাবে উপস্থাপিত হয়। ধরুন, একটি শিশুর প্রকৃত বয়স ৭ বছর। কিন্তু তার Birth Certificate-এ বয়স লেখা হয়েছে ৫ বছর। এখন ডাক্তার যদি কাগজে থাকা বয়স অনুযায়ী চিকিৎসা পরিকল্পনা করেন, তাহলে অনেক ক্ষেত্রে সমস্যা তৈরি হতে পারে। কারণ চিকিৎসাবিজ্ঞানে বয়স অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অনেক ওষুধের ডোজ, আচরণগত মূল্যায়ন, Developmental Milestone এবং থেরাপির পরিকল্পনা বয়স অনুযায়ী নির্ধারণ করা হয়। প্রকৃত বয়সের চেয়ে কম বয়স ধরে চিকিৎসা করা হলে অনেক সময় চিকিৎসা সঠিকভাবে কার্যকর হয় না। মানসিক বিকাশের ক্ষেত্রেও এর প্রভাব অত্যন্ত গুরুতর। একটি ৭ বছরের শিশুর চিন্তাভাবনা, সামাজিক আচরণ, আবেগ নিয়ন্ত্রণ এবং খেলাধুলার ধরন স্বাভাবিকভাবেই ৫ বছরের শিশুর তুলনায় আলাদা হয়। কিন্তু বয়স কমিয়ে দেওয়ার কারণে তাকে ছোট শিশুদের সাথে তুলনা করা হয় বা ছোটদের সাথে মানিয়ে চলতে বাধ্য করা হয়। যে বয়সে তার সমবয়সী শিশুদের সাথে খেলাধুলা, শেখা ও সামাজিক সম্পর্ক গড়ে ওঠার কথা, সে তখন ছোটদের পরিবেশে আটকে যায়। এতে শিশুর সামাজিক ও মানসিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হতে পারে। শিক্ষাক্ষেত্রেও এই ভুল তথ্য শিশুর জন্য ক্ষতিকর হয়ে দাঁড়ায়। শিক্ষকরা বয়স অনুযায়ী শিশুর পারফরম্যান্স মূল্যায়ন করেন। ফলে বয়স কম থাকলে শিশুর প্রকৃত সক্ষমতা সঠিকভাবে মূল্যায়িত হয় না। আবার অনেক সময় শিশুর কাছ থেকে বয়সের তুলনায় কম প্রত্যাশা করা হয়, যা তার আত্মবিশ্বাস ও বিকাশের ওপর প্রভাব ফেলে। বিশেষ করে Autism, ADHD, Speech Delay, Learning Disability বা অন্যান্য Developmental Condition-এর ক্ষেত্রে সঠিক বয়স জানা অত্যন্ত জরুরি। কারণ Assessment Tool এবং Therapy Goal সবই বয়সভিত্তিকভাবে তৈরি করা হয়। বয়স ভুল হলে পুরো মূল্যায়নই বিভ্রান্তিকর হয়ে যেতে পারে। সবচেয়ে কষ্টের বিষয় হলো— অনেক পিতামাতা এটিকে “স্মার্টনেস” মনে করেন, অথচ তারা বুঝতে পারেন না যে এই সাময়িক সুবিধার চিন্তা শিশুর দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতির কারণ হতে পারে। একটি শিশুর প্রকৃত বয়সই তার প্রকৃত পরিচয়। সেখানে ইচ্ছাকৃত ভুল তথ্য দেওয়া মানে শিশুর ভবিষ্যৎ বিকাশকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দেওয়া। শিশুর সুস্থ বিকাশ, সঠিক চিকিৎসা এবং মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য তার প্রকৃত বয়স অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। Ashadujjaman Mondol (Clinical Psychologist)
229
11
যখন আপনার জীবনে কোনো স্বপ্ন থাকে না, চ্যালেঞ্জ থাকে না, তখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম আপনার স্কেপ রুট হয়ে দাঁড়ায়। কিন্তু যাদের জীবনে দারুন একটি লক্ষ্য আছে, তাঁরা এই ছোট্ট স্ক্রিনের ফাঁদে পা দেয় না। কারণ তারা জানে মনোযোগ এই পৃথিবীর সবচেয়ে মূল্যবান মুদ্রা। ## ৬. শুধু বই পড়া না, বই এপ্লাই করা শুরু করুন ষষ্ঠ শিক্ষাটি বই পড়া নিয়ে। অনেকেই বই পড়েন শুধু “আমি এই বইটা পড়েছি” এই তৃপ্তি পাওয়ার জন্য। কিন্তু জ্ঞানের প্রকৃত মূল্য তথ্যে নয়, এর প্রয়োগে। বাস্তবতা হলো, পৃথিবীর বেশিরভাগ মানুষ ইতিমধ্যে জানে তাদের কী করা উচিত। সমস্যা জ্ঞানের অভাব নয়, বরং বাস্তবায়নের অভাব। একটা ব্যবসার বই পড়ে যদি ব্যবসা শুরুই না করেন, তাহলে সেই বই বিনোদন ছাড়া আর কিছুই নয়। সত্যিকারের শেখা তখনই হয় যখন আপনি শেখা জিনিস বাস্তবে প্রয়োগ করেন। এটি আরও শক্তিশালী হয় যখন আপনি তা অন্য কাউকে শেখান। কারণ শেখানো আপনার ইন্সাইটকে আরও গভীর করে তোলে। ## ৭. অন্য কারো সাথে নিজেকে Compare করা বন্ধ করুন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম আমাদের এমন একটি বিভ্রমের মধ্যে ফেলেছে যেখানে মনে হয় সবাই আমাদের থেকে এগিয়ে আছে। কেউ বেশি সফল, কেউ বেশি বুদ্ধিমান, কেউবা বেশি সুন্দর। কিন্তু তুলনা হলো আত্মবিশ্বাসের এক নীরব ঘাতক। কারণ আপনি কখনো অন্য মানুষের পুরো গল্পটি জানেন না। আপনি শুধু তাদের জীবনের উজ্জ্বল অংশটুকুই দেখেন। আপনার জীবনের তৃতীয় অধ্যায়কে অন্য কারো জীবনের সাতাশতম অধ্যায়ের সাথে তুলনা করা বোকামি। প্রত্যেক মানুষের জীবনের টাইম লাইন আলাদা। আপনার পরিবেশ, কষ্ট, সুযোগ এবং সংগ্রাম সবকিছুই অনন্য, কারো সাথেই মিলবে না। আর এই অনন্যতাই আপনার সবচেয়ে বড় শক্তি। পৃথিবী অনুকরণ নয়, বরং ইউনিকনেসকে পুরস্কৃত করে। তাই অন্য কারো মতো হওয়ার চেষ্টা না করে নিজের বেস্ট ভার্সন হওয়ার চেষ্টা করাই সবচেয়ে বুদ্ধিমান সিদ্ধান্ত। আজ থেকেই নিজের জীবনেঃ * যেসব মানুষ আপনার স্বপ্নকে ছোট করে দেখে, তাদের থেকে ধীরে ধীরে দূরত্ব তৈরি করুন। * সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ওপর নিয়ন্ত্রণ আনুন, কারণ এগুলো আপনার সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ মনোযোগ চুরি করে। * প্রতিদিন অন্তত কিছু সময় ডীপ ফোকাস করার অভ্যাস তৈরি করুন। * বই পড়লে সঙ্গে সঙ্গে একটি ছোট পদক্ষেপ নিন, যেন অর্জিত জ্ঞান বাস্তব জীবনে রেজাল্ট দিতে শুরু করে। * *মনে রাখবেন, জীবন বদলানোর জন্য সব সময় নতুন কিছু শুরু করতে হয় না। অনেক সময় শুধু ভুল জিনিসগুলো ছেড়ে দিলেই মানুষ নিজের আসল পটেনশিয়াল খুঁজে পায়। * *Based on a video by Dan Martell* *Adapted & Analyzed in Bangla by Nur Rahman *
247
12
# যে ৭টি অভ্যাস আজই ছেড়ে দিলে আপনি জীবনে অন্যদের চেয়ে বহুগুণ এগিয়ে যাবেন! আমরা বেশিরভাগ মানুষই ভাবি সফল হতে হলে আরও বেশি কিছু করতে হবে। আরও বেশি কাজ, আরও বেশি হাসল, আরও বেশি কানেকশন। কিন্তু সত্যিটা অদ্ভুত। জীবনে বড় পরিবর্তন অনেক সময় “কী শুরু করলাম” থেকে আসে না, বরং “কী বন্ধ করলাম” সেখান থেকেই আসে। একজন মানুষের জীবন তখনই বদলাতে শুরু করে, যখন সে বুঝতে শেখে সবকিছু ধরে রাখাই বুদ্ধিমানের কাজ নয়। কিছু জিনিস ছেড়ে দেওয়াও গ্রোথ এর অংশ। আমাদের জীবনের সবচেয়ে বড় সমস্যা সময়ের অভাব নয়। সমস্যা হলো আমরা *ভুল জায়গায়* সময়, শক্তি আর মনোযোগ খরচ করি। আপনি যদি খেয়াল করেন, অনেক মানুষ সারাদিন ব্যস্ত থেকেও জীবনে কোথাও পৌঁছাতে পারে না। আবার কিছু মানুষ তুলনামূলক কম কাজ করেও অসাধারণ ফলাফল তৈরি করে। পার্থক্যটা স্কিল এ নয়, বরং মাইন্ডসেট এ। ## ১। Energy Vampire মানুষদের সাথে সময় কাটানো বন্ধ করো প্রথম যে জিনিসটা একজন সফল মানুষ ছেড়ে দেয়, সেটা হলো এনার্জি ভ্যাম্পায়ার মানুষদের সাথে সময় কাটানো। এমন কিছু মানুষ আছে যারা আপনার জীবনে আসে শুধু কিছু নেওয়ার জন্য। তারা আপনার স্বপ্নকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য একটি কাজও করবে না, বরং সুযোগ পেলে আপনার কাছ থেকে নিতে নিতে আপনাকে নিঃশেষ করে ফেলে। মজার ব্যাপার হলো, অনেক সময় আমরা শুধু পুরনো পরিচয়ের কারণে মানুষকে ধরে রাখি। স্কুলে একসাথে পড়তাম, অনেক দিনের বন্ধু কিংবা আত্মীয় এই পরিচয়গুলোকে আমরা খুব গুরুত্বপূর্ণ মনে করি। কিন্তু বাস্তবতা হলো, সব পুরনো সম্পর্ক হেলদি নয়। একটা গাছকে যদি প্রতিদিন একটু একটু করে বিষ দেওয়া হয়, সে একদিন শুকিয়ে যাবে। মানুষও তাই। প্রতিদিন যদি আপনি নেতিবাচকতা, অভিযোগ, হিংসা আর নিরুৎসাহের মধ্যে থাকেন, তাহলে আপনার উচ্চাকাঙ্ক্ষা ধীরে ধীরে মারা যাবে। এজন্য পরিবেশ খুব গুরুত্বপূর্ণ। কারণ মানুষ তার পারিপার্শ্বিকতার গড় হয়ে যায়। ## ২। ভুল মানুষের কাছ থেকে Advice নেওয়া বন্ধ করুন দ্বিতীয় বড় শিক্ষা হলো ভুল মানুষের উপদেশ নেওয়া বন্ধ করা। আজকের পৃথিবীতে উপদেশ বিনামূল্যে পাওয়া যায়, কিন্তু এই ফ্রি উপদেশ আপনার জন্য খুব এক্সপেন্সিভ হতে পারে। সবাই মতামত দিতে ভালোবাসে, কিন্তু সবার মতামতে রেজাল্ট আসে না। একজন আর্থিকভাবে অসচ্ছল মানুষ যদি আপনাকে ব্যবসা শেখায়, সেটা ঠিক এমন যেন সাঁতার না জানা কেউ ডুবন্ত মানুষকে বাঁচানোর চেষ্টা করছে। আমরা অনেক সময় বড় সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে এমন মানুষের কাছে যাই যারা নিজেরাই সেই স্তরে কখনো পৌঁছাতে পারেনি। তারপর অবাক হই কেন জীবন পাল্টাচ্ছে না। আপনি যদি অ্যাথলেট হতে চান, তবে অ্যাথলেটের কাছ থেকে শিখুন। ব্যবসা করতে চাইলে ব্যবসায়ীর কাছে যান। কারণ বাস্তব অভিজ্ঞতার মূল্য কোনো তত্ত্ব দিয়ে পূরণ করা সম্ভব নয়। ## ৩। নিজের পরিস্থিতির জন্য অন্যকে দোষ দেওয়া বন্ধ করুন তৃতীয় যে বিষয়টি জীবন বদলে দেয়, সেটা হলো দোষারোপের খেলা বন্ধ করা। বেশিরভাগ মানুষ নিজের ব্যর্থতার জন্য অর্থনীতি, পরিবার, দেশ, ভাগ্য কিংবা অন্য কাউকে দায়ী করে। কিন্তু অন্যকে দোষ দেওয়ার সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো, এটি আপনাকে যোগ্যতাহীন বানিয়ে দেয়। ধরুন আপনি রান্না করলেন আর খাবার খারাপ হলো। তখন উপকরণের দোষ দিলে খাবার ভালো হবে না। রাঁধুনি হিসেবে নিজেকেই দায় নিতে হবে। জীবনের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম। আপনি সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন না, কিন্তু আপনার প্রতিক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন। আর এটাই শক্তিশালী মানুষের বৈশিষ্ট্য। যেদিন একজন মানুষ বুঝতে পারে যে নিজের জীবনের দায়িত্ব নিজেরই, সেদিন থেকেই তার উন্নতি শুরু হয়। ## ৪। সব Opportunity তে “Yes” বলা বন্ধ করুন চতুর্থ শিক্ষাটি আরও দারুন। সব সুযোগে হ্যাঁ বলা বন্ধ করা। শুরুতে আমরা ভাবি যত বেশি কাজ, নেটওয়ার্কিং আর অপারচুনিটি ধরব, তত দ্রুত সফল হব। কিন্তু বাস্তবে হয় উল্টোটা। যখন আপনি সবকিছুকে হ্যাঁ বলেন, তখন আসলে কোনো কিছুকেই অগ্রাধিকার দেন না। একটা ব্যাগে যদি ক্রমাগত জিনিস দিয়ে ভরা হয়, একসময় সেটি বহন করা অসম্ভব হয়ে পড়ে। মানুষের মস্তিষ্কও তাই। ফোকাস হচ্ছে এক অতিমানবীয় শক্তি, একটি সুপার পাওয়ার। স্টিভ জবস বলেছিলেন, প্রডাক্টিভ হওয়ার সবচেয়ে শক্তিশালী উপায়গুলোর একটি হলো না বলতে শেখা। ## ৫. ফোনের দাস হয়ে থাকবেন না পঞ্চম বিষয়টি বর্তমান প্রজন্মের সবচেয়ে বড় ফাঁদ, ফোন আসক্তি। মানুষ এখন আর একা থাকতে পারে না। দুই মিনিট অবসর পেলেই ফোন বের করে স্ক্রল করা শুরু করে। কিন্তু এই অভ্যাসের সবচেয়ে বিপজ্জনক দিক হলো এটি ধীরে ধীরে আপনার *এম্বিশনকে মেরে ফেলে।*
204
13
৪. টাইম ব্লকিং দিনের নির্দিষ্ট কিছু সময়কে নির্দিষ্ট কাজের জন্য 'লক' করে দাও। যেমন: সকাল ৯টা থেকে ১১টা পর্যন্ত ফোন একদম দূরে রেখে শুধু তোমার সিলেক্ট করা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হবে। যখন তোমার সময় আগে থেকেই ব্লক করা থাকবে, তখন তোমাকে বারবার ভাবতে হবে না যে "এখন আমি কী করবো?" যখন তুমি এই ছোট ছোট সিদ্ধান্তগুলো আগে থেকেই ঠিক করে রাখবে, তখন তোমার প্রি-ফ্রন্টাল কর্টেক্স (মস্তিষ্কের সিদ্ধান্ত নেওয়ার অংশ) ক্লান্ত হবে না। ফলে তোমার বড় প্রজেক্ট বা ক্রিয়েটিভ কাজের জন্য অনেক বেশি এনার্জি থাকবে। এই অভ্যাসগুলো গড়ে তোলা মানে নিজের স্ট্যান্ডার্ডকে উঁচুতে নিয়ে যাওয়া। Red Pill
211
14
জীবনকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার জন্য চমৎকার একটি গাইড দিব আজকে। এতে আছে ৭ টি অনন্য অভ্যাস, যেগুলো বিলিয়নেয়ারদের আসল শক্তির উৎস। এগুলো স্রেফ কিছু রুলস নয়, বরং সফলতার একটি শক্তিশালী মাইন্ডসেট। ১. মেন্টাল এনার্জি বাঁচানো তারা জানে যে, প্রতিদিন আমাদের সীমিত পরিমাণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা থাকে। তাই সকাল থেকে রাত পর্যন্ত কী পরবে বা কী খাবে, এই সাধারণ বিষয়ে তারা মগজ খরচ করেনা। এটি তাদের বড় ব্যবসার জটিল সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে। ২. কথার ওজন বাড়ানো তারা যা বলে, একবারেই পরিষ্কারভাবে বলে। বারবার বুঝিয়ে বলার মানে হলো নিজের ওপর আত্মবিশ্বাসের অভাব। একবার বলার পর দ্বিতীয়বার ব্যাখ্যা না করার মানে হলো তুমি নিজের কথার ওপর শতভাগ নিশ্চিত। যারা বারবার বুঝিয়ে বলে, তারা আসলে অবচেতনভাবে অন্যের অনুমোদনের অপেক্ষা করে। স্থিরতা এবং সংক্ষিপ্ত কথাই হলো নেতৃত্বের ভাষা। ৩. নিজের জন্য ১ ঘণ্টা সকালটা হলো পুরো দিনের ফাউন্ডেশন। বিলিয়নেয়াররা বাইরের জগতের হট্টগোল শোনার আগে নিজের ভেতরের আওয়াজ শোনে। এটি তাদের সারা দিনের ফোকাস ঠিক রাখতে সাহায্য করে। সকালের প্রথম এক ঘণ্টা তাদের নিজের জন্য। কোনো ফোন কল বা বিশৃঙ্খলা নয়। এই প্রথম এক ঘণ্টাই ঠিক করে দেয় পরবর্তী ১২ ঘণ্টা কেমন কাটবে। ৪. প্রশ্ন করার দক্ষতা যে প্রশ্ন করে, সে তথ্য পায়। আর যে উত্তর দেয়, সে তথ্য দেয়। তথ্যই হলো বর্তমান যুগের সবচেয়ে বড় সম্পদ। তাই কম কথা বলে বেশি শোনার অভ্যাসটি তোমাকে যেকোনো আলোচনায় শক্তিশালী অবস্থানে রাখে। যেকোনো জায়গায় যে ব্যক্তি প্রশ্ন করে, নিয়ন্ত্রণ আসলে তার হাতেই থাকে। বেশি কথা বলা মানে হলো নিজেকে প্রমাণ করার চেষ্টা করা, আর শোনা মানে হলো পরিস্থিতি নিজের আয়ত্তে রাখা। ৫. তাড়াহুড়ো বর্জন করা যেকোনো সফল মানুষের হাঁটাচলা এবং কথা বলার ধরন লক্ষ্য করলে দেখবে তারা বেশ ধীরস্থির। তাড়াহুড়ো হলো ভয়ের লক্ষণ। আর ধীরগতি হলো সামর্থ্য এবং আত্মবিশ্বাসের প্রতীক। তারা কোনো কাজ হুটহাট বা তাড়াহুড়ো করে করে না। অস্থিরতা মানেই হলো দুশ্চিন্তা। শান্ত থাকাটাই হলো আসল শক্তি। ৬. পোশাকের গাম্ভীর্য দামি ব্র্যান্ডের লোগো দেখিয়ে নিজেকে বড় প্রমাণ করার চেষ্টা তারা করে না। তারা এমন পোশাক পরে যা তাদের ব্যক্তিত্বকে তুলে ধরে। তাদের উপস্থিতিই বলে দেয় যে তারা কারা, পোশাকের আওয়াজ করার প্রয়োজন পড়ে না। তাদের পোশাক ঝলমলে বা লোকদেখানো হয় না, কিন্তু মার্জিত হয়। এমনভাবে নিজেকে উপস্থাপন করো যেন পরিবেশ নিজে থেকেই তোমাকে সম্মান দেয়। ৭. আজীবন ছাত্র থাকা অহংকার মানুষকে শেখা থেকে দূরে রাখে। বিলিয়নেয়াররা জানে যে, জগত প্রতিনিয়ত বদলাচ্ছে। তাই তারা সবসময় নতুন তথ্যের সন্ধানে থাকে। এটিই তাদের সময়ের চেয়ে এক ধাপ এগিয়ে রাখে। তারা কখনোই ভাবে না যে তারা সব জানে। বই, মেন্টর কিংবা নিজের ভুল—সবকিছু থেকেই তারা শেখে। সফল মানুষেরা সবসময় কৌতূহলী থাকে। সফলতা কোনো জাদুর কাঠি নয়, এটি হলো দিনের পর দিন পালন করা কিছু ডিসিপ্লিনের ফল। তুমি যখন নিজের স্ট্যান্ডার্ড এভাবে উঁচুতে রাখবে, তখন জগত তোমাকে সেভাবেই সম্মান দিতে শুরু করবে। আমি তোমাকে একটি মেথড শিখিয়ে দিব যা দিয়ে তুমি তোমার প্রতিদিনের অপ্রয়োজনীয় সিদ্ধান্তগুলো কমিয়ে নিজের মেন্টাল এনার্জি সেভ করতে পারবে। এই পদ্ধতিটি তোমাকে প্রতিদিনের ছোটখাটো সিদ্ধান্ত নেওয়ার চাপ থেকে মুক্তি দিয়ে তোমার ব্রেনকে বড় কাজের জন্য প্রস্তুত রাখবে। একে আমরা বলতে পারি 'ডেইলি ডিসিশন মিনিমাইজার'। এখানে ৪টি সহজ স্টেপ আছে যা তুমি আজ থেকেই শুরু করতে পারো: ১. 'রুল অফ থ্রি' প্রতিদিন সকালে বা আগের রাতে মাত্র ৩টি বড় এবং গুরুত্বপূর্ণ কাজের তালিকা করো। আমাদের ব্রেইন যখন ১০-১২টি কাজের লিস্ট দেখে, তখন সে খেই হারিয়ে ফেলে এবং অলসতা শুরু করে। মাত্র ৩টি কাজ মানে হলো তোমার ফোকাস থাকবে একদম পাওয়ারফুল। এই ৩টি কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত অন্য কোনো ছোট সিদ্ধান্তে মাথা ঘামাবে না। ২. পোশাক ও খাবারের 'স্ট্যান্ডার্ডাইজেশন' সকালে উঠে "আজ কী পরবো?" বা "দুপুরে কী খাবো?" এই চিন্তাগুলো আমাদের মগজের অনেক এনার্জি নষ্ট করে। তাই পোশাকের ক্ষেত্রে নিজের জন্য ২-৩ সেট আরামদায়ক এবং মার্জিত পোশাক নির্দিষ্ট করে রাখো যা সব জায়গায় পরা যায়। প্রতিদিনের খাবারের একটি সাধারণ রুটিন করে ফেলো। খাবার হবে হেলদি কিন্তু সিম্পল— হাই কোয়ালিটি প্রোটিন, ফ্যাট, সালাদ এবং অল্প কার্বহাইড্রেট। এতে প্রতিদিন নতুন করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ঝামেলা থাকবে না। ৩. 'টু-মিনিট' রুল যদি কোনো কাজ করতে ২ মিনিটের কম সময় লাগে (যেমন: ইমেইল চেক করা, টেবিল গোছানো বা কাউকে ছোট একটা মেসেজ দেওয়া), তবে সেটা নিয়ে চিন্তা না করে সাথে সাথে করে ফেলো। এগুলো জমিয়ে রাখলে সেগুলো মাথায় জট পাকায় এবং অবচেতন মনে সিদ্ধান্ত নেওয়ার চাপ তৈরি করে।
210
15
[#relationshipgoals](https://www.facebook.com/hashtag/relationshipgoals?cft[0]=AZam4O0okEQGfpx50dz5KOULmMBkC1_F3OB3q-0ttJZFw3M5eTYTbliKK182w-qskg0Wq8PMQmXbA4f9E0xxclxAzqSQDBPkbX09gMB1zm26UpvDDdWOKFbscgwsbZDAfuVVX6hIjc-ktuk7WF_UQ8jxncviP7ZcUrdoaJPLaZOloydPwk8Z0_TE0Od3ivZuhu0&tn=*NK-R) [#marriageadvice](https://www.facebook.com/hashtag/marriageadvice?cft[0]=AZam4O0okEQGfpx50dz5KOULmMBkC1_F3OB3q-0ttJZFw3M5eTYTbliKK182w-qskg0Wq8PMQmXbA4f9E0xxclxAzqSQDBPkbX09gMB1zm26UpvDDdWOKFbscgwsbZDAfuVVX6hIjc-ktuk7WF_UQ8jxncviP7ZcUrdoaJPLaZOloydPwk8Z0_TE0Od3ivZuhu0&tn=*NK-R) [#BengaliPost](https://www.facebook.com/hashtag/bengalipost?cft[0]=AZam4O0okEQGfpx50dz5KOULmMBkC1_F3OB3q-0ttJZFw3M5eTYTbliKK182w-qskg0Wq8PMQmXbA4f9E0xxclxAzqSQDBPkbX09gMB1zm26UpvDDdWOKFbscgwsbZDAfuVVX6hIjc-ktuk7WF_UQ8jxncviP7ZcUrdoaJPLaZOloydPwk8Z0_TE0Od3ivZuhu0&tn=*NK-R) --- > উৎস: ডঃ এমারসন এগেরিচ-এর বিখ্যাত বই "Love & Respect: The Love She Most Desires, The Respect He Desperately Needs" অবলম্বনে।
236
16
# আপনার দাম্পত্য জীবন কি একই বৃত্তে আটকে আছে? বিয়ে কোনো 'ফিফটি-ফিফটি' চুক্তি নয়; বরং এটি দুটি ভিন্ন চিন্তা জগতের মধ্যে সংঘর্ষ ও সমন্বয়। অধিকাংশ দম্পতি টাকা-পয়সা, সন্তান বা ঘরের কাজ নিয়ে ঝগড়া করেন। কিন্তু এগুলো আসল সমস্যা নয়। আসল অপরাধী কে জানেন? আপনারা দুজন দুটি ভিন্ন ভাষায় কথা বলছেন! ডঃ এমারসন এগেরিচ-এর সেই বিখ্যাত 'Love & Respect' ফ্রেমওয়ার্ক অনুযায়ী দাম্পত্যের এই জটিল ধাঁধাটি বুঝার চেষ্টা করা যাক: মৌলিক চাহিদা: একজন স্ত্রীর বেঁচে থাকার জন্য যেমন 'ভালোবাসা' (Love) প্রয়োজন, একজন স্বামীর ঠিক তেমনি প্রয়োজন 'শ্রদ্ধা' (Respect)। ▶️পাগলাটে চক্র (The Crazy Cycle): যখন স্ত্রী ভালোবাসা পায় না, তখন সে অসম্মানজনক আচরণ করে; আবার স্বামী যখন শ্রদ্ধা পায় না, তখন সে ভালোবাসা দিতে কার্পণ্য করে। এভাবেই ঝগড়ার এক অন্তহীন চক্র চলতে থাকে। ▶️গোলাপি ও নীল লেন্স: স্ত্রী পৃথিবীকে দেখেন ভালোবাসার চশমা দিয়ে, আর স্বামী দেখেন শ্রদ্ধার চশমা দিয়ে। দৃষ্টিভঙ্গির এই ভিন্নতাই সব ভুল বোঝাবুঝির মূল। ▶️প্রেরণার চক্র (The Energizing Cycle): স্বামীর ভালোবাসা স্ত্রীকে শ্রদ্ধা করতে উৎসাহিত করে, আর স্ত্রীর শ্রদ্ধা স্বামীকে আরও বেশি ভালোবাসতে অনুপ্রাণিত করে। ▶️দায়িত্বশীল চক্র: আপনার সঙ্গী কেমন আচরণ করছে সেটা বড় কথা নয়; আপনার আচরণের দায়িত্ব আপনার নিজের। --- ## চক্রটি ভাঙবেন কীভাবে? সঙ্গী কখন আপনাকে 'সম্মান' বা 'ভালোবাসা' পাওয়ার যোগ্য হবে—সেই অপেক্ষায় বসে থাকবেন না। এই বিষাক্ত চক্রটি তখনই থামবে, যখন কোনো একজন সঙ্গী পরিণত মানুষের মতো প্রথম পদক্ষেপটি নেবেন। আপনার সঙ্গীর মনের ভাষা বুঝতে প্রস্তুত তো? এনার্জাইজিং সাইকেলের মূলনীতিগুলো আজই অ্যাপ্লাই করে দেখুন। বিভিন্ন বই থেকে আপনাদের জন্য বের করে আনা ন্যারেটিভ পাওয়ার জন্য সাথে থাকুন [#দাম্পত্যজীবন](https://www.facebook.com/hashtag/%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AA%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%9C%E0%A7%80%E0%A6%AC%E0%A6%A8?cft[0]=AZam4O0okEQGfpx50dz5KOULmMBkC1_F3OB3q-0ttJZFw3M5eTYTbliKK182w-qskg0Wq8PMQmXbA4f9E0xxclxAzqSQDBPkbX09gMB1zm26UpvDDdWOKFbscgwsbZDAfuVVX6hIjc-ktuk7WF_UQ8jxncviP7ZcUrdoaJPLaZOloydPwk8Z0_TE0Od3ivZuhu0&tn=*NK-R) [#ভালোবাসা](https://www.facebook.com/hashtag/%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%BE?cft[0]=AZam4O0okEQGfpx50dz5KOULmMBkC1_F3OB3q-0ttJZFw3M5eTYTbliKK182w-qskg0Wq8PMQmXbA4f9E0xxclxAzqSQDBPkbX09gMB1zm26UpvDDdWOKFbscgwsbZDAfuVVX6hIjc-ktuk7WF_UQ8jxncviP7ZcUrdoaJPLaZOloydPwk8Z0_TE0Od3ivZuhu0&tn=*NK-R) [#শ্রদ্ধা](https://www.facebook.com/hashtag/%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A6%BE?cft[0]=AZam4O0okEQGfpx50dz5KOULmMBkC1_F3OB3q-0ttJZFw3M5eTYTbliKK182w-qskg0Wq8PMQmXbA4f9E0xxclxAzqSQDBPkbX09gMB1zm26UpvDDdWOKFbscgwsbZDAfuVVX6hIjc-ktuk7WF_UQ8jxncviP7ZcUrdoaJPLaZOloydPwk8Z0_TE0Od3ivZuhu0&tn=*NK-R) [#সম্পর্ক](https://www.facebook.com/hashtag/%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%95?cft[0]=AZam4O0okEQGfpx50dz5KOULmMBkC1_F3OB3q-0ttJZFw3M5eTYTbliKK182w-qskg0Wq8PMQmXbA4f9E0xxclxAzqSQDBPkbX09gMB1zm26UpvDDdWOKFbscgwsbZDAfuVVX6hIjc-ktuk7WF_UQ8jxncviP7ZcUrdoaJPLaZOloydPwk8Z0_TE0Od3ivZuhu0&tn=*NK-R) [#সংসার](https://www.facebook.com/hashtag/%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%B0?cft[0]=AZam4O0okEQGfpx50dz5KOULmMBkC1_F3OB3q-0ttJZFw3M5eTYTbliKK182w-qskg0Wq8PMQmXbA4f9E0xxclxAzqSQDBPkbX09gMB1zm26UpvDDdWOKFbscgwsbZDAfuVVX6hIjc-ktuk7WF_UQ8jxncviP7ZcUrdoaJPLaZOloydPwk8Z0_TE0Od3ivZuhu0&tn=*NK-R) [#বিয়ে](https://www.facebook.com/hashtag/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87?cft[0]=AZam4O0okEQGfpx50dz5KOULmMBkC1_F3OB3q-0ttJZFw3M5eTYTbliKK182w-qskg0Wq8PMQmXbA4f9E0xxclxAzqSQDBPkbX09gMB1zm26UpvDDdWOKFbscgwsbZDAfuVVX6hIjc-ktuk7WF_UQ8jxncviP7ZcUrdoaJPLaZOloydPwk8Z0_TE0Od3ivZuhu0&tn=*NK-R) # [#LoveAndRespect](https://www.facebook.com/hashtag/loveandrespect?cft[0]=AZam4O0okEQGfpx50dz5KOULmMBkC1_F3OB3q-0ttJZFw3M5eTYTbliKK182w-qskg0Wq8PMQmXbA4f9E0xxclxAzqSQDBPkbX09gMB1zm26UpvDDdWOKFbscgwsbZDAfuVVX6hIjc-ktuk7WF_UQ8jxncviP7ZcUrdoaJPLaZOloydPwk8Z0_TE0Od3ivZuhu0&tn=*NK-R)
199
17
بدون متن...
129
18
নারীর অভিভাবক ও শাসক হলো পুরুষ। অভিভাবকত্ব ও শাসনে ব্যর্থ পুরুষ কে বলে দাইয়্যুস। অর্থাৎ গাড়ির ড্রাইভার ছাড়া যেমন গাড়ি বিপদজনক। তেমনি অভিভাবক ছাড়া নারী বিপদজনক। তাকে ঘরে রাখার জন্যই পুরুষ কে, শারিরীক ও মনস্তাত্ত্বিক ভাবে শক্তিশালী করা হয়েছে৷ নারী দুর্বল ও আবেগ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। তার আবেগ ও অনুভূতির পাহারাদার পুরুষ নামক অভিভাবক। তার চোখের আড়ালে যদি এই আবেগের নিয়ন্ত্রণ পর পুরুষ নিতে পারে৷ তখন জন্মদাতা মা-বাবাও নারী কে আটকিয়ে রাখতে পারে না৷ সে পরপুরুষের হাত ধরে উধাও হবেই৷ মেয়ে ঘর থেকে বের হওয়ার আগে অনুমতি নিয়েছে কিনা গার্ডিয়ানের৷ বের হওয়ার পর কোথায় গিয়েছে, এই গতিবিধি রাখা। ফোন ব্যবহারের অনুমতি কিভাবে পেলো? কিভাবে সে দিনের পর দিন ফোন ব্যবহার করছে। গার্ডিয়ান কোনো এক্সেস চাওয়া প্রয়োজন মনে করে না। যাস্ট এই ব্যাপার গুলোই বিপর্যয়ের কারণ৷ নারী কে ৭৮ কিলো অধিক গার্ডিয়ান ছাড়া ভ্রমণ করতে দেওয়া যাবে না। সেই জায়গায় শতমাইল দূরে ভার্সিটিতে গিয়ে অবস্থান করে পড়াশোনো। কি এক তামাশায় পরিণত হলো আজ। নারীর সীমানা গৃহ। তার সৃষ্টি সিফাত হলো সে শাসক ছাড়া পরিচালিত হওয়ার গুণসম্পন্ন নয়৷ সে কোনো অঘটন ঘটালে তাহাজ্জুদি বাবাও দাইয়্যুস। খুব সেন্সেটিভ ব্যাপার এগুলো। অথচ দ্বীন নিয়ে এত এত লেকচার বই। জিহা-দের এত এত ফ্যান্টাসি গল্প টাইম লাইনে। নিজ কন্যা,বোন,স্ত্রীর অভিভাবকত্ব কে কোনো ফ্যাক্ট মনে করে না৷ আপনার স্ত্রী। আপনার কন্যা শিশু আগামীর অগ্নিকুণ্ড। খুব ভয়ানক পরিস্থিতি আসতে যাচ্ছে। অধিকাংশ ব্যর্থ হবে তাদের শিকলবন্দী করতে৷ — আল ইন্তিফাদা
170
19
আজকাল মেয়েদের মধ্যে অনেক বেশি শোনা যায় যে, - পিরিয়ড সময় মতো হয় না, মাসের পর মাস লেট হয়। - অনেক চেষ্টা করেও ওজন কমছেনা, অথবা ওজন বাড়ছেনা। - হঠাৎ করেই প্রচণ্ড মুড সুইং হয়, রেগে যায় বা কান্না পায়। - চেহারায় বা শরীরে অবাঞ্ছিত লোম দেখা যাচ্ছে। - চুল পড়া বেড়ে গেছে। এগুলোই PCOS (Polycystic Ovary Syndrome) এর লক্ষণ। পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম (PCOS) একটি জটিল হরমোনাল ও মেটাবলিক সমস্যা। এটা এখন শুধু ১জন ২জনের সমস্যা না, পুরা একটা প্রজন্ম এর শিকার! গবেষণা বলছে, গত ৩০ বছরে PCOS-এর হার প্রায় ২ গুণ বেড়েছে! গ্লোবালি বর্তমানে প্রজননযোগ্য বয়সের প্রায় ৮-১৩% মেয়েদের মধ্যে PCOS ধরা পড়ে। দক্ষিণ এশিয়ায় এই হার প্রায় ২০% বা তারও বেশি! বিশেষ করে, ১০–২৪ বছরের কিশোরী ও তরুণীদের মধ্যে এর হার বেশি! এর জন্য দায়ী কি কি? - অপ্রাকৃতিক জীবনযাপন, অতিরিক্ত মোবাইল-ল্যাপটপ ব্যবহার। - কাজ, পড়ালেখা, সম্পর্ক, অভাব ইত্যাদি থেকে দীর্ঘস্থায়ী মানসিক চাপযুক্ত ও হতাশাগ্রস্ত জীবন কাটানো। - সারাদিন বসে থাকা, প্রকৃতিতে হাঁটাচলা না করা। - চিনি ও চিনিযুক্ত খাবার, জাঙ্ক ফুড, প্রসেসড ফুড, রিফাইন্ড ফুড, ট্রান্সফ্যাট সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া। - পুষ্টিকর সুষম খাবার: প্রোটিন, হেলদি ফ্যাট, শাকসবজি, ফলমূল, আঁশযুক্ত খাবারের অভাব। - ঘুমের ব্যাঘাত ও রাত জাগা থেকে শরীরের সার্কাডিয়ান রিদম নষ্ট হওয়া। - আধুনিক পরিবেশ দূষণ, প্লাস্টিক, কীটনাশক, কৃত্রিম প্রসাধনী থেকে এন্ডোক্রাইন ডিসরাপ্টশন। এর ফলে কি হচ্ছে? - অনিয়মিত বা অনুপস্থিত ডিম্বস্ফুটনের কারণে গর্ভধারণে সমস্যা হওয়া (ইনফার্টিলিটি)। - টাইপ-২ ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, রক্তে চর্বি বেড়ে যাওয়া, লিভারে চর্বি জমা এবং এন্ডোমেট্রিয়াল ক্যান্সারের ঝুঁকি বেড়ে যায়। - হরমোনের ওঠানামা, শারীরিক অসৌন্দর্য (অনেক কম বা বেশি ওজন, লোম, ব্রণ ইত্যাদি), প্রজনন সংক্রান্ত দুশ্চিন্তা, ক্রনিক অসুস্থতা সব মিলিয়ে PCOS আক্রান্ত একটি মেয়ের মধ্যে ডিপ্রেশন, অ্যাংজাইটি, প্যানিক ডিসঅর্ডার, ইটিং ডিসঅর্ডার এবং মারাত্মক আত্মবিশ্বাসের ঘাটতি দেখা দেয়। PCOS শুধু মেয়েদের রোগ নয়, এটা একটা সোশ্যাল হেলথ ক্রাইসিস হয়ে দাঁড়াচ্ছে। ইতোমধ্যেই PCOS-এর ব্যাপকতা একটি বড় ধরনের পাবলিক হেলথ ইস্যু হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরবর্তী প্রজন্মকে রক্ষা করতে হলে আমাদের এখনই জরুরি ভিত্তিতে পদক্ষেপ নিতে হবে। - লাইফস্টাইল পরিবর্তনই PCOS ম্যানেজমেন্টের প্রথম ও প্রধান স্তম্ভ। বাঁচতে হলে প্রাকৃতিক জীবনধারায় ফিরতে হবে। - পুষ্টিকর খাদ্যাভ্যাস শুরু করা। হোল ফুড, কম গ্লাইসেমিক ইনডেক্স যুক্ত খাবার, শাকসবজি, ফল, পর্যাপ্ত প্রোটিন, স্বাস্থ্যকর ফ্যাট খাওয়া; যেমনটি আমাদের পূর্বপুরুষগণ খেয়েছেন। - চিনি, রিফাইন্ড ফুড, জাঙ্ক ফুড, প্রক্রিয়াজাত খাবার সম্পূর্ণ এড়িয়ে চলা। - নিয়মিত ব্যায়াম করা। হাঁটা, দৌঁড়ানো, সাইকেল চালানো, সাঁতার ইত্যাদি সহ স্ট্রেংথ ট্রেনিংও গুরুত্বপূর্ণ। - মেডিটেশন, মাইন্ডফুলনেস, গভীর শ্বাস-প্রশ্বাসের চর্চা করা। - রাতে পর্যাপ্ত ঘুমানো (৭-৮ ঘণ্টা) এবং নিয়মিত ঘুমের সময় মেনে চলা। - ডিজিটাল টেকনোলজিস ব্যবহার থেকে দূরে থাকা। - পরিবার ও সমাজের সহানুভূতি, সহযোগিতা এবং পজিটিভ মনোভাব PCOS-এ আক্রান্ত নারীদের ভালো করতে সাহায্য করবে। অসুস্থতা, ওজন বা চেহারা নিয়ে মন্তব্য না করে বরং প্রাকৃতিক জীবনযাপন ও স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসে উৎসাহ দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। Mission: Captain Green 📺 Youtube- @missioncaptaingreen 💻 Facebook Page- @missioncaptaingreen 📱 Facebook ID- @thecaptaingreen 🟢 Whatsapp- wa.me/8801768788932 📱 Instagram- @missioncaptaingreen 📱 Upscrolled- @missioncaptaingreen
0
20
সুস্থ থাকতে খরচ লাগে। অসুখের পেছনে আরও অনেক বেশি খরচ লাগে। জিমের মেম্বারশিপ মাসে ৩,০০০ টাকা। হাসপাতালের এক রাত ৩০,০০০ টাকা। ভালো খাবার মনে হয় একটু বেশি দামি। ডায়াবেটিসের ওষুধ সারাজীবনের। মানুষ ভাবে হেলথে টাকা দেওয়াটা খরচ। অসুস্থ হওয়ার খরচটা কেউ হিসাব করে না। আজকে invest না করলে কাল পে করতে হবে। সুদে-আসলে। আপনি নিজের স্বাস্থ্যের জন্য কিসে invest করেছেন?
0