fa
Feedback
জ্ঞান - Knowledge

জ্ঞান - Knowledge

رفتن به کانال در Telegram

🙂🙂🙂

نمایش بیشتر
1 954
مشترکین
-124 ساعت
-77 روز
-1830 روز
آرشیو پست ها
#ব্রেকিং_নিউজ ইতালিতে বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের এইচএসসি এবং এসএসসি ভর্তির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ।
+2
#ব্রেকিং_নিউজ ইতালিতে বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের এইচএসসি এবং এসএসসি ভর্তির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ।

প্রশ্ন:-মেয়েদের কি স্বপ্নদোষ হয় ? যদি হয় সেটা কিভাবে তারা বুঝবে এবং এই ক্ষেত্রে শরীয়তের হুকুম কি ? উত্তর: হ্যা পুরুষের ন্যায় মহিলাদেরও স্বপ্নদোষ হয় । যাহা উম্মে সালমা (রা:) কর্তৃক বর্নিত সহীহ হাদিস দ্বারা প্রমানিত । ইমাম বুখারী (রহ:) সহ অনেক মুহাদ্দিসিনে কিরামগন তাদের কিতাবে ইহা উল্লেখ করেছেন । তন্মধ্যে বুখারী শরীফের হাদিসটি নিম্নে প্রদত্ত হোলো: হযরত উম্মে সালমা (রা:) থেকে বর্নিত , তিনি বলেন " একবার হযরত উম্মে সুলাইম বিনতে মিলহান (রা:) নবী করিম (সা:) এর দরবারে উপস্হিত হলেন । অত:পর বললেন হে আল্লাহর রসুল (সা:) সত্যের ব্যাপারে আল্লাহ তাআলা সংকোচ বোধ করেন না । মহিলাদের যখন পুরুষদের মতো স্বপ্নে স্বপ্নদোষ হতে দেখে , তবে কি তাদের ওপর গোসল ফরজ ? প্রতিউত্তরে রসুল (সা:) বললেন হ্যা যখন সে তরল পদার্থ বা পানি দেখে , তখন যেন সে গোসল করে নেয় । হযরত উম্মে সালমা (রা:) বলেন , আমি তাকে বললাম "উম্মে সুলাইম আপনি তো নারী জাতিকে অপমান করলেন । " সুতরাং উক্ত হাদিস দ্বারা বুঝা গেলো পুরুষের ন্যায় মহিলাদেরও স্বপ্নদোষ হয় । মহিলাদের স্বপ্নদোষ জানার উপায় হোলো দুটি যেটা ইমাম নববী (রহ:) স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন : ১) যখন মহিলার বীর্যের গন্ধ পুরুষের বীর্যের গন্ধের ন্যায় হবে । ২) বীর্যপাতের সময় আনন্দ উপভোগ করা । এবং বীর্যপাতের পর যৌন চাহিদা দুর্বল হয়ে পড়া । এদুটি উপায় থেকে কোনো একটি উপায় পাওয়া গেলে সকল ফুকাহায়ে কিরাম একমত যে তার ওপর গোসল ফরজ। তথ্যসূত্র : ১। বুখারী শরীফ ( ১ম খন্ড - ৯৩ পৃষ্ঠা , ২৮২ নং হাদিস ) ২। তিরমিজী শরীফ ( ১ম খন্ড - ২০৯ পৃষ্ঠা , ১২২ নং হাদিস ) ৩। মুসনাদে আহমদ ( ৬ম খন্ড - ৩৭৬ পৃষ্ঠা , ২৭১১৪ নং হাদিস ) ৪। মুসান্নাফে ইবনে আব্দুর রাজ্জাক ( ১ম খন্ড - ২৮৪ পৃষ্ঠা , ১০৯৬ নং হাদিস ) ৫। মুসলিম শরীফ ( ১ম খন্ড - ২৫০ পৃষ্ঠা , ৩১০ নং হাদিস ) ৬। বাদাউসসানায়ে ( ১ম খন্ড - ২৭৬ পৃষ্ঠা ) ৭। ফতোয়ায়ে শামী ( ১ম খন্ড - ৫৯ পৃষ্ঠা ) ৮। শরহে মুসলিম ( ৮ম খন্ড - ২১৪ পৃষ্ঠা )

photo content
+2

photo content

photo content

photo content

photo content

photo content

photo content

photo content

photo content

photo content

photo content

🔹🔹মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণের ১৪টি উপায়🔹🔹 ১) মানুষের ব্যাপারে খরবদারী করবেন না। কে কী করছে সে বিষয়ে মাথা ঘামানো নিজের মানসিক চাপ বৃদ্ধির একটি কারণ। আরেকটি সমস্যা হবে, অন্যের বিষয় নিয়ে মাথা ঘামালে নিজেকে অন্যদের সাথে তুলনা করার মনোভাব সৃষ্টি হবে। টাকা-পয়সা, সামাজিক অবস্থান, পদমর্যাদা, গাড়ি, বাড়ি, অলংকার, পোশাক, সৌন্দর্য ইত্যাদি দিক থেকে তখন মানসিক চাপ অনুভব করবেন। তাই আল্লাহ আপনাকে যা দিয়েছেন তা নিয়ে খুশি থাকুন আর আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করুন। তাহলে হৃদয়ে পরম প্রশান্তি অনুভব করবেন ইনশাআল্লাহ। ২) আপনার যতটুকু দায়িত্ব ও কর্তব্য ততটুকু পরম আন্তরিকতার সাথে পালন করুন। আপনার সাধ্যের অতিরিক্ত দায়িত্ব কাঁধে তুলতে যাবেন না। অনুরোধে ঢেঁকি গিলবেন না। অন্যথায় আপনাকে অতিরিক্ত মানসিক চাপে থাকতে হবে। ৩) মানুষের সাথে অতিরিক্ত সম্পর্ক মানসিক চাপের অন্যতম কারণ। তাই আত্মীয়, বন্ধু, প্রতিবেশী, কলিগ, ক্লাসমেট ইত্যাদির সাথে সীমিত সম্পর্ক রাখুন। সম্পর্ক যত ব্যাপক হবে ততই আপনি নানা বাধ্যবাধকতার জালে আটকে যাবেন। ৪) অতিলোভ করবেন না। অতিলোভী ব্যক্তি অর্থ-কড়ি, ধন-দৌলত, পদমর্যাদা ইত্যাদি বৃদ্ধির চিন্তায় বিভোর থাকে। যদি সামান্য টাকা-পয়সা হাতছাড়া হয় বা চাকুরীর প্রমোশন থেকে বঞ্চিত হয় তবে তার হাহুতাশ দেখে কে? সুতরাং অল্পে তুষ্টি মানসিক শান্তির জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ এবং এটি তাকওয়ারও পরিচায়ক। ৫) সাধ্যের বাইরে নিজের অর্থ-সম্পদ, আরাম-আয়েশ উজাড় করে দিবেন না। যারা কৃত্রিমভাবে নিজের সব কিছুকে উৎসর্গ করে দেয় তারা তাদের কথা-বার্তা ও আচরণে মানুষের ধন্যবাদ ও প্রশংসা পাওয়ার অপেক্ষায় থাকে। কিন্তু যদি তা না পায় তখন তার মানসিক অস্থিরতা ও টেনশন বেড়ে যায়। ৬) আজকের দিনটিকে ভালভাবে উপভোগ করুন। আগামী কাল কী হবে সেটা আল্লাহর উপর ছেড়ে দিন। ইবাদত-বন্দেগীর পাশাপাশি আল্লাহর দেয়া নেয়ামত স্বাচ্ছন্দ্যে উপভোগ করুন। দুনিয়াবী বিষয়ে আগামীর চিন্তায় অস্থির হয়ে মানসিক চাপ বৃদ্ধি করবেন না। ৭) প্রতিদিন একান্ত নির্জনে কিছু সময় কাটান। এ সময় দুনিয়ার কারও সাথে সম্পর্ক রাখবেন না। বিশেষ করে ইন্টারনেট তথা হোয়াটসএ্যাপ, ফেসবুক ইত্যাদি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে সম্পূর্ণ দূরে থাকুন। এ সময় আত্মসমালোচনা করুন আর আল্লাহর নিকট দুয়া করুন। তাহলে দেখবেন, মহান আল্লাহ আপনার মানসিক চাপ থেকে মুক্তি দান করবেন ইনশাআল্লাহ। ৮) জ্ঞানীদের জীবনী পড়ুন, তাদের উপদেশ ও মূল্যবান বাণীগুলো পড়ুন তাহলে তাদের জীবনের অভিজ্ঞতা ও উপদেশ দুনিয়ার জীবনে আপনার চলার পথকে সহজ করে দিবে ইনশাআল্লাহ। ৯) জীবনে যত বিপদ ও সমস্যাই আসুক না কেন-যেমন, আর্থিক ক্ষতি, পরীক্ষায় খারাপ রেজাল্ট, অসুখ-বিসুখ ইত্যাদি এগুলো নিয়ে খুব বেশী দু:শ্চিন্তা করবেন না। বরং সহজভাবে মেনে নিন। মনে রাখুন, মহান আল্লাহর লিখিত তাকদিরের বাইরে কিছুই ঘটে না। বিপদাপদেই হয়ত কল্যাণ রয়েছে যা বাহ্যিক দৃষ্টিতে মানুষের দৃষ্টিগোচর হয় না। কিন্তু নিশ্চয় আল্লাহ হেকমত ছাড়া কিছুই করেন না। ১০) সব কিছুই গুরুত্বের সাথে গ্রহণ করবেন না। মানুষের প্রতিটি কথা বা কাজ গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা ঠিক নয়। সব কিছু গভীরভাবে বিশ্লেষণ করা ঠিক নয়। বরং মনে আনন্দ বজায় রাখুন, মানুষের সাথে দেখা-সাক্ষাতে হাসতে শিখুন। আপনার কথা ও আচরণে যেন ফুলের সুঘ্রাণ বের হয়। তাহলে ইনশাআল্লাহ মন ফ্রেশ থাকবে আর মানসিক চাপ কমে যাবে ইনশাআল্লাহ। ১১) শরীরকে তার হক দিন। প্রয়োজনীয় খাবার, ঘুম, বিশ্রাম গ্রহণ করা জরুরি। ১২) দৈনন্দিন গুরুত্বপূর্ণ কাজের লিস্ট তৈরি করে আগেরটা আগে পরেরটা পরে করুন। তবে তা করতে গিয়ে নিজেকে কষ্টের মধ্যে ফেলে দিবেন না। মনে রাখবেন, অগোছালো কার্যক্রম মানসিক অস্থিরতা বাড়ায় এবং মানসিক চাপ তৈরি করে। ১৩) ‘প্রতিটি কাজ ১০০ পার্সেন্ট নির্ভুল করতে হবে’ এই চিন্তা মাথা থেকে সরাতে হবে। কেননা, পূর্ণাঙ্গতার গুণ কেবল মাত্র আল্লাহর। যারা সব কাজ নির্ভুল করার চিন্তায় থাকে তাদেরকে চতুর্দিক থেকে দু:শ্চিন্তা, টেনশন,অস্থিরতা ঘিরে ধরে। ফলে তাদের মানসিক চাপ চরম আকার ধারণ করে। ১৪) নিশ্চিত থাকুন, আল্লাহর সাথে সম্পর্ক যত গভীর হবে দুনিয়া ও আখিরাতের সব কাজ তত সহজ হবে। আল্লাহ ভীতি, নামায, সকাল-সন্ধ্যার দুয়া ও যিকির, নেকীর কাজ, মানুষের কল্যাণে কাজ ইত্যাদির মাধ্যমে আল্লাহ বান্দার মনে অফুরন্ত প্রশান্তি বর্ষণ করেন, সমস্যা দূরভিত করেন আর তখন জীবন হয়ে উঠে আরও প্রাণবন্ত, স্বচ্ছন্দয় ও আল্লাহর ভালবাসায় সুরভিত। আল্লাহ সকলকে তাওফিক দান করুন। -সংগৃহীত রহস্যময় বিশ্ব

Repost from Banglay IELTS
ইউনিভার্সিটিতে চান্স হয় নাই তো কি হইছে? DU/Medical/Buet etc এইগুলো তে পড়া জিবনের সব কিছু না। ইউরোপ আমেরিকাতে হাজারো ইউনিভার্সিটি আছে। আর এইগুলোতে পড়ার সব থেকে বড় বাধা Taka/IELTS/SAT scores না। সব থেকে বড় বাধা হলো Information gap. জি, আমি ঠিকই বলতেছি। আপনার মা বাবার Information Gap টা মানা যায়, কিন্তু আপনার টা মানা যায় না। যদিও আমার নিজেরই Information Gap ছিলো। SAT দিয়ে আমেরিকা যাওয়া যায় এটা আমি HSC এর পরে জানতাম না। তাই হয়তো DU তেই পড়া লাগছে। সেটা 8/10 বছর আগের কথা। কিন্তু এখন 2023 সাল!! আপনার এখন মেইন কাজ হলো একটু break নেওয়া! যান, পারলে কোথাও (সাগর/পাহার/চা বাগান) থেকে ঘুরে আসেন। তারপরে ডিসিশন নেন কোন দিকে যাবেন— ইউরোপ নাকি আমেরিকা? আমার পার্সোনাল ওপিনিয়ন থাকবে অনেকগুলো টাকা দিয়ে বাংলাদেশের কোন প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি তে পড়ার দরকার নাই। আপনার আই এল টি এস এর জন্য যা যা লাগে সব আমি ফ্রিতে আমার ইউটিউব আর ওয়েবসাইটে দিয়ে রেখেছি। এখন SAT নিয়ে একটু কাজ করার বাকি আছে। ইনশাআল্লাহ অতিশীঘ্রই SAT নিয়ে খুব ভালো কিছু পেয়ে যাবেন! এটাও ফ্রিতে থাকবে। One more thing....... "স্টুডেন্ট কনসালটেন্সির ফ্রি সার্ভিস নিয়ে আসতেছি! ইনশাআল্লাহ" আপনিও শুরু করেন, লগে আছি, থাকবো! ♥️ - (ভালোবাসলে share দিবেন!)

photo content

photo content

photo content

"অন্তর নষ্টকারী বিষয় হচ্ছে ৫টি: ১) মানুষের সাথে বেশি মেলামেশা করা, ২) অত্যাধিক আশা, ৩) গাইরুল্লাহর সাথে সম্পর্ক কায়েম করা, ৪) ভরপেট আহার, ৫) অতি ঘুম। এই ৫টি হচ্ছে সবচাইতে বড় অন্তর নষ্টকারী বিষয়।" . ~ ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম [রাহ.] . . [ মাদারিজুস সালিকীন: ২/৮৭, দারু ইবন হাযম, ২০১৯ ঈ.]