fa
Feedback
জ্ঞান - Knowledge

জ্ঞান - Knowledge

رفتن به کانال در Telegram

🙂🙂🙂

نمایش بیشتر
1 954
مشترکین
-124 ساعت
-77 روز
-1830 روز
آرشیو پست ها
Repost from Dhikr
উমর (রা) এর দুআটি কত ছোট, কিন্তু কী অদ্ভুত সু্ন্দর। اَللّٰهُمَّ عَافِنَا وَاعْفُ عَنَّا উচ্চারণঃ আল্লাহুম্মা আ-ফিনা ওয়া-ফু আন
উমর (রা) এর দুআটি কত ছোট, কিন্তু কী অদ্ভুত সু্ন্দর। اَللّٰهُمَّ عَافِنَا وَاعْفُ عَنَّا উচ্চারণঃ আল্লাহুম্মা আ-ফিনা ওয়া-ফু আন্না। অর্থঃ হে আল্লাহ! আমাদের সুস্থ রাখুন, আমাদের ক্ষমা করুন। (কিতাবুয যুহদ লিল ইমাম আহমাদ,৫৯৬ )

ডিভোর্স দেওয়ার নিয়ম! Adv Md Oliur Rahman Croydon, UK সকালে ফেইসবুক scroll করতে গিয়ে দেখলাম, পরীমনি রাজকে তালাক দেওয়ার জন্য ২৪ ঘন্টা সময় দিয়েছেন। আসলে আমাদের সমাজে অনেক মেয়েরা জানে না ;তারা নিজেরা চাইলেও তালাক দিতে পারে। তালাক দেওয়ার নিয়ম : বিয়ে করার ক্ষেত্রে যেমন আইনী বৈধতা জরুরী তেমনি তালাকের ক্ষেত্রেও বৈধতা জরুরী। আমাদের দেশের আইনমতে, কেউ যদি ডিভোর্স বা তালাক দিতে চায় তবে মুখে ‘তালাক’ বলার পর এই সংক্রান্ত লিখিত নোটিশও দিতে হবে। যাকে তালাক দেয়া হয় সে স্বামী বা স্ত্রী যাই হোক, তাকে নোটিশ দিয়ে তালাকের বিষয়ে অবগত করতে হবে। পাশাপাশি একই নোটিশ তালাক যাকে দেয়া হয় তার এলাকার চেয়ারম্যান বরাবরে পাঠাতে হবে। চেয়ারম্যান বলতে এখানে বোঝানো হচ্ছে— ১। ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান। ২।পৌরসভার চেয়ারম্যান। ৩।সিটি কর্পোরেশনের মেয়র বা প্রশাসক। ৪। সেনানিবাস এলাকায় চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালনের জন্য সরকারের নিয়োগ করা ব্যক্তি। চেয়ারম্যানের কাছে পাঠানো তালাক নোটিশ পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে দুই পক্ষের পুনঃমিলনের উদ্দেশ্যে চেয়ারম্যান সালিশি কাউন্সিল তৈরি করবেন। যদি দুই পক্ষের মধ্যে কোনোভাবেই পুনঃমিলন সম্ভব না হয় তবে তালাক নোটিশ প্রদানের তারিখ হতে ৯০ দিনের মধ্যে তালাক কার্যকর হয়ে যাবে। এই ৯০ দিন পর্যন্ত স্ত্রীর ভরণপোষণ ও অন্যান্য খরচ বহন করবেন স্বামী। তালাক নিবন্ধন বাধ্যতামূলক। নিকাহ রেজিস্ট্রার দিয়ে সথাসময়ে তালাক নিবন্ধন করতে হবে। তালাকের ক্ষেত্রে একটি বিষয় মাথায় রাখতে হবে, যদি তালাক দেওয়ার সময় স্ত্রী গর্ভবতী হয়ে থাকে তবে তার গর্ভাবস্থার পরিসমাপ্তি না হওয়া পর্যন্ত অর্থাৎ সন্তান ভূমিষ্ঠ না হওয়া পর্যন্ত তালাক কার্যকর হবে না।

চেম্বারে ভিজিট দিয়ে দেখাতে আসলে রোগীদের এই পরামর্শগুলো বলি। যেকোন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের জন্য পরামর্শটি খুব দরকারি। দুটি জিনিস খাবার থেকে যত কমাতে পারেন তত ভালো- ১. চিনি ২. চর্বি জাতীয় খাবার তিনটি খাবার কখনো অতিরিক্ত খাবেন না- ১. অতিরিক্ত ভাত ২. অতিরিক্ত লবণ ৩. অতিরিক্ত তেল ছয়টি জিনিস একটু বাড়িয়ে খাবেন- ১. সব রকমের সবুজ শাক ২. সব রকম সবুজ সবজি,সীম বা মটরশুটি ৩. ফলমূল ৪. পানি ৫. দুধ ও দুধ জাতীয় খাবার ৬. ডিম সাতটি জিনিসের চর্চা রাখুন- ১. নামাজ পড়া,রোজা রাখা, ২. সবার সাথে হাসিমুখে কথা বলা, ৩. মানুষের সাথে ভালো আচরণ করা, ৪. নিয়মিত শরীর চর্চা করা, ৫. ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা। ৬. দৈনিক কমপক্ষে ৭-৮ ঘন্টা ঘুমান ৭. মানসিক চাপ দূর করুন। ৮. সঙ্গী বা সঙ্গিনীর বিশ্বাস ধরে রাখুন। অন্যদিকে নজর দিবেন না। তা না হলে জীবন থেকে শান্তি হারিয়ে যাবে। ৩০-৪০ বছর বয়সের পর নিয়মিত চেক করুন- ১. ব্লাড প্রেশার ২. ব্লাড সুগার তিনটি জিনিস জীবন থেকে নিষিদ্ধ করুন- ১. সিগারেট ২. আলকোহল ৩. পান সুপারি জর্দা পরামর্শটি আপনার পরিবারের সদস্য, বন্ধুবান্ধব, পরিচিত জনদের মাঝে ছড়িয়ে দিন। এগুলো নিজে একা মেনে চললে হবে না। সবাই একসাথে মানলে সর্বোচ্চ উপকার পাবেন। ডা.মাহামুদুল ইসলাম চৌধুরী এমবিবিএস,বিসিএস স্বাস্থ্য আমার ব্যক্তিগত ফেসবুক আই ডিঃ https://www.facebook.com/mahamudulislamchowdhury.mamun

photo content

photo content

প্রস্রাবে ইনফেকশন (Urinary tract infection) প্রতিরোধে/ প্রতিকারে করনীয় -- 💠প্রচুর পানি পান করতে হবে ও পানি জাতীয় খাবার খেতে হবে,গরমের সময় শরীর থেকে অতিরিক্ত ঘাম ও লবণ বেরিয়ে যাওয়ার কারণে কয়েক গ্লাস পানি বেশি খেতে হবে। এ ক্ষেত্রে লেবুর শরবত, ফলের রস, ডাব ইত্যাদি খাওয়া যেতে পারে। 💠প্রস্রাবের চাপ হলে, প্রস্রাব ধরে রাখা যাবে না। 💠 যৌনমিলনের আগে ও পরে প্রস্রাব করতে হবে ও পরিস্কার করতে হবে। 💠 যৌন মিলনে শুষ্কতা এড়াতে জেলি ব্যবহার করতে পারেন। তবে শুক্রাণুনাশক কোনো ওষুধ ব্যবহার করবেন না। 💠ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে হবে। 💠সুতি অন্তঃর্বাস ব্যবহার করতে হবে। 💠 মল ত্যাগের পর পায়ু এলাকা সামনে থেকে পেছনে ধুয়ে ফেলতে হবে, প্রস্রাব করার পর টয়লেট পেপার দিয়ে চেপে মুছতে হবে, কখনো ঘষবেন না এবং পায়খানার রাস্তা থেকে প্রস্তাবের রাস্তার দিকে কখনো মুছবেন না। তাতে পায়ু এলাকা থেকে মূত্রনালিতে ব্যাকটেরিয়া প্রবেশের ঝুঁকি কমবে। 💠কোষ্ঠ্যকাঠিন্য এড়িয়ে চলতে হবে। যাঁদের এ সমস্যা রয়েছে তাঁরা প্রচুর পানি পানের পাশাপাশি আঁশযুক্ত খাবার, যেমন- শাকসবজি, সালাদ, ফল, ইসবগুলের ভুসি ইত্যাদি বেশি করে খাবেন। তবে ইসবগুলের ভুসি ভিজিয়ে না রেখে সঙ্গে সঙ্গে খাবেন। 💠মাসিকের সময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে হবে। 💠 মাসিক বা রজঃস্রাবের সময় যৌন মিলন করবেন না। 💠 যাদের মেনোপজ হয়ে গেছে তাদের বারবার ইউটিআই বা প্রস্রাবে জীবাণু সংক্রমণ হলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী যোনিপথে এবং মূত্রনালির মুখে ইস্ট্রোজেন ক্রিম ব্যবহার করতে হতে পারে। 💠 রিকারেন্ট ইউটিআইয়ের ক্ষেত্রে স্বল্পমাত্রার অ্যান্টিবায়োটিক দীর্ঘদিন সেবন করতে হতে পারে। 💠কর্মরত মহিলাদের, স্কুল-কলেজের মেয়েদের প্রয়োজনে সাধ্যমতো উপযুক্ত ও স্বাস্থ্যসম্মত টয়লেটের ব্যবস্থা করতে হবে। 👉ঘরে বসে চিকিৎসাঃ * পর্যাপ্ত পানি পান করুন। এতে প্রচুর প্রস্রাব হবে, জীবাণু প্রস্রাবের মাধ্যমে বহুলাংশে বের হয়ে যাবে। * যেসব খাবারে ক্যাফেইন আছে, যেমন কফি-অ্যালকোহল-কোমলপানীয় ইত্যাদি ইউরিন ইনফেকশন ভালো না হওয়া পর্যন্ত এড়িয়ে চলুন। * তলপেটে হালকা গরম সেঁক দিলে আরাম পাওয়া যায়। তবে বেশি তাপমাত্রার সেঁক দেওয়া যাবে না। *ক্র‍্যানবেরী জুস নিয়মিতভাবে খেলে প্রস্রাবে ইনফেকশন কম হবে। * গরমের দিনে দই খেতে পারেন। প্রস্রাবে জীবাণু সংক্রমণের উপসর্গ দেখা দিলে অবশ্যই সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। প্রস্রাব পরীক্ষা করে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী অ্যান্টিবায়োটিক সেবন করতে হবে। যথাযথ চিকিৎসা না করালে স্থায়ীভাবে কিডনি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। ডাঃ তাজরীন জাহান Advisor 20 Minute Medical #20minutemedical

photo content

photo content

সারাদিন এসি রুমে থাকেন? তাহলে এখনই সাবধান হন! এই গরমে একটু ঠান্ডা খুঁজতে, একটু শান্তি পেতে যদি আমরা এসির ওপর নির্ভর করি সেটা কি খুব দোষের? অবশ্যই না।কিন্তু যদি আপনি সারাদিন-ই এসির মধ্যে থাকেন সেটা মোটেই ভালো কথা নয়।এতে হতে পারে শারীরিক ক্ষতি। আসুন সারাক্ষণ এসিতে থাকার কয়েকটি স্বাস্থ্যঝুঁকি সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক... ১) যাঁরা দিনের বেশির ভাগ সময় বা অন্তত টানা ৯-১০ ঘণ্টা শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ঘরে কাটান, তাঁদের মধ্যে শ্বাসতন্ত্রের নানা সমস্যায় আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বহুগুণ বেড়ে যায়। অতিরিক্ত এসির ব্যবহার শ্বাসতন্ত্রের নানা সংক্রমণকে আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। ২) অতিরিক্ত এসির ব্যবহার কনজাংটিভাইটিস (conjunctivitis) এবং ব্লেফারাইটিস-এর (blepharitis) মতো চোখের একাধিক সমস্যা বাড়িয়ে দিতে পারে। এ ছাড়া যাঁরা চোখে লেন্স ব্যবহার করেন, তাঁদেরও নানা সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। ৩) অতিরিক্ত এসির ব্যবহার বেশ কয়েকটি রোগের প্রকোপকে বাড়িয়ে দিতে পারে। যাঁরা দিনের বেশির ভাগ সময় বা অন্তত টানা ৯-১০ ঘণ্টা শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ঘরে কাটান, তাঁদের মধ্যে আর্থাইটিস, ব্লাড প্রেসার বা নানা ধরণের স্নায়ুর সমস্যা অনেকটাই বেড়ে যেতে পারে। ৪) অতিরিক্ত এসির ব্যবহার অনেকের অ্যালার্জির সমস্যাও মারাত্মক ভাবে বেড়ে যেতে পারে। ৫) দীর্ঘ ক্ষণ এসিতে থাকার ফলে ত্বক তার স্বাভাবিক আর্দ্রতা হারিয়ে ফেলে। ফলে ত্বক শুষ্ক হয়ে যায় এবং ত্বকের নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে। ৬) যে সব মানুষ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে দীর্ঘ ক্ষণ থাকেন, তাঁরা মাথা ব্যথা বা মানসিক অবসাদের মতো সমস্যায় বেশি ভোগেন। ডাঃ মোঃ ফেরদৌস রায়হান সহকারী অধ্যাপক,( অর্থোপেডিক সার্জারী)। শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বরিশাল।

photo content

যারা মিনিট বান্ডেল কিনেন না বা হোয়াটস অ্যাপ, মেসেঞ্জার, ব্রিলিয়ান্ট-এ কথা বলার সুযোগ নাই, তারা এই রেট-কাটার গুলো ব্যবহার করে কম খরচে আপনার কাজের কথাগুলো সেরে নিতে পারেন। (আপডেট June 01, 2023) সকল মোবাইল অপারেটরের রিচার্জ ভিত্তিক প্রিপেইড রেটকাটার সমূহ (৩৩.২৫% ট্যাক্স সহ): 💚 টেলিটক ৬৩ পয়সা/মি. সবসময় (সবমিলিয়ে): ৳০.৪৭/মি.+ট্যাক্স = ৳০.৬৩/মি, ১ সেকেন্ড পালস। শুধুমাত্র শতবর্ষ ও স্বাগতম প্যাকেজে, কোনো রকম রিচার্জের শর্ত ও মেয়াদ ছাড়াই। (শতবর্ষে মাইগ্রেট করতে: S100 লিখে sms to 888, স্বাগতমে মাইগ্রেট করতে: SAG লিখে sms to 112. শতবর্ষ ও স্বাগতম প্যাকেজে মাইগ্রেট করা যাবে শুধুমাত্র স্বাধীন, প্রজন্ম ও Youth প্যাকেজ থেকে। এছাড়াও স্টুডেন্টরা আগামী ও বর্ণমালা সংযোগে দেশের সর্বনিম্ন ৳০.৪৫/মি.+ট্যাক্স = ৳০.৬০/মি. রেটে কথা বলতে পারবেন।) 💙 গ্রামীণফোন ৬৪ পয়সা/মি. সবসময় (সবমিলিয়ে): ৳০.৪৮/মি.+ট্যাক্স = ৳০.৬৪/মি, ১০ সেকেন্ড পালস। শুধুমাত্র MyGP অ্যাপ থেকে ৳১৩৯ রিচার্জে ৩০ দিন মেয়াদ। (go to mygp app > recharge > keep/edit mobile number > write amount 139 > select ৳0.48/min offer > continue > pay with bkash/nagad/rocket/upay/card & enjoy ৳0.48/min rate) *শুধুমাত্র প্রিপেইড গ্রাহকদের জন্য। 💙 জিপি ৮০ পয়সা/মি. (সবমিলিয়ে): ৳০.৬০/মি.+ট্যাক্স = ৳০.৮০/মি, ১ সেকেন্ড পালস। ৳২২৯/৩০৯ রিচার্জে ৬০/৯০ দিন মেয়াদ। 💙 জিপি ৮৮ পয়সা/মি. (সবমিলিয়ে): ৳০.৬৬/মি.+ট্যাক্স = ৳০.৮৮/মি, ১০ সেকেন্ড পালস। ৳৩৪/৫৪/১১৯ রিচার্জে ৩/৭/৩০ দিন মেয়াদ। 💙 জিপি ১.৩৩ টাকা/মি. (সবমিলিয়ে): ৳১.০০/মি.+ট্যাক্স = ৳১.৩৩২৫/মি, ১০ সেকেন্ড পালস। ৳২১/৩৯/৪৯/৭৯/১০৯/২০৯ রিচার্জে ২/৫/১৫/৩০/৩০/৬০ দিন মেয়াদ। ❤️ রবি ৬৪ পয়সা/মি. সারারাত (সবমিলিয়ে): ৳০.৪৮/মি.+ট্যাক্স = ৳০.৬৪/মি, ১০ সেকেন্ড পালস। রোজ রাত ১১:০০টা থেকে সকাল ০৯:০০টা পর্যন্ত। ফ্রি রেট-কাটার শুধুমাত্র *123*48# ডায়ালে ১৫ দিন মেয়াদে। অফারটি একাধিকবার নেওয়া যাবে। *শুধুমাত্র প্রিপেইড গ্রাহকদের জন্য সীমিত সময়ের অফার। ❤️ রবি ৮০ পয়সা/মি. (সবমিলিয়ে): ৳০.৬০/মি.+ট্যাক্স = ৳০.৮০/মি, ১ সেকেন্ড পালস। ৳২০৮ রিচার্জে ৯০ দিন মেয়াদ। ❤️ রবি ৮৮ পয়সা/মি. (সবমিলিয়ে): ৳০.৬৬/মি.+ট্যাক্স = ৳০.৮৮/মি, ১ সেকেন্ড পালস। ৳২৬/৫৬/৯৭ রিচার্জে ২/৭/৩০ দিন মেয়াদ। ❤️ রবি ১.২৮ টাকা/মি. (সবমিলিয়ে): ৳০.৯৬/মি.+ট্যাক্স = ৳১.২৮/মি, ১০ সেকেন্ড পালস। ৳২১/২৮/৩৯/৪৭/৪৯/১০৯/১৬৬ রিচার্জে ২/৩/৬/১০/১৫/৩০/৬০ দিন মেয়াদ। 💔 এয়ারটেল ৮০ পয়সা/মি. (সবমিলিয়ে): ৳০.৬০/মি.+ট্যাক্স = ৳০.৮০/মি, ১০ সেকেন্ড পালস। ফ্রি রেট-কাটার শুধুমাত্র *123*048# ডায়ালে ৩০ দিন মেয়াদ। অফারটি একাধিকবার নেওয়া যাবে। 💔 এয়ারটেল ৮৭ পয়সা/মি. (সবমিলিয়ে): ৳০.৬৫/মি.+ট্যাক্স = ৳০.৮৭/মি, ১০ সেকেন্ড পালস। ৳২৪/৪২/৫৯/৯৪/১৩৩/২০৯ রিচার্জে ৩/৭/১০/৩০/৬০/১০০ দিন মেয়াদ। 💔 এয়ারটেল ৮৮ পয়সা/মি. (সবমিলিয়ে): ৳০.৬৬/মি.+ট্যাক্স = ৳০.৮৮/মি, ১০ সেকেন্ড পালস। ৳২৬ রিচার্জে ৫ দিন মেয়াদ। 💔 এয়ারটেল ৯২ পয়সা/মি. (সবমিলিয়ে): ৳০.৬৯/মি.+ট্যাক্স = ৳০.৯২/মি, ১০ সেকেন্ড পালস। ৳৩৯/৬৬/৯৯ রিচার্জে ৭/৩০/৬০ দিন মেয়াদ। 🧡 বাংলালিংক ৮৮ পয়সা/মি. (সবমিলিয়ে): ৳০.৬৬/মি.+ট্যাক্স = ৳০.৮৮/মি, ১০ সেকেন্ড পালস। ৳৩৪/৬৪/১১৯ রিচার্জে ৩/৭/৩০ দিন মেয়াদ। 🧡 বাংলালিংক ৳১.১৯/মি. (সবমিলিয়ে): ৳০.৮৯/মি.+ট্যাক্স = ৳১.১৯/মি, ১০ সেকেন্ড পালস। ৳২১/২৯/৩৯/৫৯/৭৯/১০৯/১৫৯/২৩৯ রিচার্জে ২/৩/৫/৭/১০/৩০/৬০/৯০ দিন মেয়াদ। অন্যান্য শর্তসমূহ: ** জিপি/রবি/বাংলালিংকে FnF/sFnF সহ যেকোনো লোকাল নাম্বারে উক্ত রেট-কাটার প্রযোজ্য। ** এয়ারটেলে FnF/sFnF-এর রেট উক্ত রেটকাটারের থেকেও কম হলে সর্বনিম্ন রেটটি প্রযোজ্য হবে। ** শর্টকোড নাম্বার (যেমন, 16216, 16247, 24000, 22222, 3333)-এ এই রেট-কাটার প্রযোজ্য নয়। ** জিপি প্রিপেইডে ইমারজেন্সী ব্যালেন্সের ক্ষেত্রে রেট-কাটার প্রযোজ্য নয়। এক্ষেত্রে ৳১.৯৮/মি.+ট্যাক্স = ৳২.৬৪/মি. রেটে চার্জ হবে। ** ট্যাক্স: ১৫% VAT, ১৫% SD, ১% SC (মোট ট্যাক্স ৩৩.২৫%)। ©

photo content

#সাদাস্রাব_বা_লিউকোরিয়া: কখন স্বাভাবিক এবং কখন অস্বাভাবিক: লিউকোরিয়া বা সাদা স্রাব হচ্ছে নারীদের একটি বিশেষ সমস্যা। অধিকাংশ স্রাব জীবন শৈলী ও শারীর বৃত্তীয় সংক্রান্ত যার কোন চিকিৎসা প্রয়োজন হয় না। সাধারণত, স্বাভাবিক স্রাব পাতলা এবং সামান্য চটচটে হয়। এটা অনেকটা সর্দির মত। 🔵সাদা স্রাব বা লিউকোরিয়া হওয়ার কারণসমূহ কী? ০১. স্বাভাবিক শারীরবৃত্তীয় – বয়সন্ধিকালে রক্ত চলাচল বেড়ে যায় ফলে নিঃসরণ-ও বেশি হয় – যৌন মিলনকালে – যৌন আবেগে – গর্ভাবস্থায় – শরীরের রাসায়নিক সমতা বজায় রাখতে এবং যোনির কোষগুলোকে সচল রাখতে oestrogen হরমোনের প্রভাবে এটি নিঃসৃত হতে পারে। – মেয়ে শিশুর জন্মের প্রথম ৭-১০ দিনের মধ্যে এটি হতে পারে। মায়ের শরীরে যদি অত্যধিক হরমোন থাকে তবেও এটি হতে পারে। – সন্তান ডেলিভারির প্রথম কয়েকদিন-ও সাদা স্রাব বেশি হতে পারে – হস্তমৈথুন বা মাস্টারবেশন – অভুলেশন ( ডিম্বাণু নিঃসরণ কালে ) বা জন্ম বিরতিকরণ পিল ব্যবহার করলে। কাজেই প্রথমে ভয় না পেয়ে দেখুন ও বুঝে নিন আপনার সাদা স্রাব কি অত্যধিক কিনা বা স্বাভাবিক কিনা। তারপর সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নিন। ০২. রোগ সম্বন্ধীয় – মানসিক অশান্তি – পর্যাপ্ত বিশ্রাম ও পুষ্টির অভাব – বিভিন্ন ধরনের কৃমির সংক্রমণ – অপরিচ্ছন্নতা এবং কাপড় সঠিক ভাবে না শুকিয়ে স্যাঁতস্যাঁতে পরিবেশে রাখলে – ইনফেকশন – যক্ষা, ছত্রাক (candida) – জন্ম বিরতিকরণ পিল বা জন্মনিয়ন্ত্রণ খাবার বড়ি খাওয়া – ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ – পেটের নিম্নভাগের প্রদাহ – STD (sexually transmitted disease) -ডায়াবেটিস,কিডনি রোগ বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকলে বা স্টেরয়েড জাতীয় ওষুধ নিয়মিত সেবন করলে বার বার অতিরিক্ত সাদা স্রাব যেতে পারে। বয়ঃসন্ধির আগে এবং স্থায়ী ভাবে মাসিক বন্ধ হবার পরে নিঃসরণ বেড়ে যেতে পারে। কারণ এ সময় সংক্রমণের আশংকা-ও বেশি থাকে। যদি স্রাবের সাথে রক্ত যায়, অথবা অতিরিক্ত নিঃসরণ হয় কিংবা অতি দুর্গন্ধ হয় তবে তা আশংকাজনক। বাচ্চা হওয়ার পর দুর্গন্ধ যুক্ত নিঃসরণ ( lochia ) এটাই নির্দেশ করে যে , জরায়ু তার গর্ভ ধারণের পূর্বাবস্থায় ফিরে যেতে পারেনি। ছত্রাকের সংক্রমণ হলে সাদা দুধের ছানার মত নিঃসরণ যেতে পারে। পাশাপাশি চুলকানো ভাব থাকলে এটি আরও বেশি ছত্রাকের প্রতি নির্দেশ করে। 🚩তাহলে চলুন অস্বাভাবিক লক্ষন গুলো জানা যাকঃ 🗨মাসিকের সময় ছাড়া যদি পুরো মাস জুড়ে সাদা স্রাব যায় তাহলে তা অস্বাভাবিক। 🗨সাদা স্রাব যাওয়ার সময় পেটে বা কোমরে ব্যাথা। 🗨সাদা স্রাব থেকে দুর্গন্ধ বের হওয়া। 🗨সাদা স্রাব যাওয়ার সময় মাসিকের রাস্তায় চুলকানি হওয়া। 🗨সাদা স্রাব যাওয়ার সময় মাসিকের এবং প্রসাবের জায়গায় জ্বালাপোড়া করা। 🗨সাদা স্রাবের সাথে লালচে লালচে রং এর স্রাব বের হওয়া ইত্যাদি। 🗨তলপেট ভারি হয়ে থাকা 🗨 শরীর দুর্বল লাগা। 🗨চোখের নিচ গর্ত হয়ে যাওয়া, চোখের নিচ কালো হয়ে যাওয়া। 🗨 বদ হজম। 🗨চেহারার কোমলতা নষ্ট হয়ে যাওয়া। প্রধানত এই সব লক্ষন গুলো দেখা দিলে অবশ্যই আপনার সাদা স্রাব যাওয়াটা স্বাভাবিক নয়। এর জন্য আপনার ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।সময় মতো চিকিৎসা না নিলে এটি বড় বড় রোগের দিকে এগোতে থাকবে। Dr. Tajreen Jahan Advisor & Course Instructor 20 Minute Medical

photo content

photo content

photo content

photo content