1 954
مشترکین
اطلاعاتی وجود ندارد24 ساعت
-77 روز
-1830 روز
آرشیو پست ها
1 954
আপনার নাভিতে লুকিয়ে রয়েছে রোগের বাসা
শরীরে হাজারো রোগের বাসা। তাড়াতে কাঁড়ি কাঁড়ি ট্যাবলেট গিলতে হচ্ছে। অথচ নাভির যত্ন নিলে শরীরের অধিকাংশ রোগকেই দূরে রাখা যায়। শুধু নাড়ির যোগসূত্র নয়, নাভি মানবদেহের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ। নেহাত সৌন্দর্যের প্রয়োজন নয়, উপেক্ষাও নয়, নাভির যত্নই আপনাকে সুস্থ রাখতে পারে।
১. নিয়মিত নাভিতে নিম তেল দিলে ব্রণ ও ফুসকুড়ির হাত থেকে রেহাই পাওয়া যায়। এ সমস্যায় বহু বিউটি প্রোডাক্ট ব্যবহার করা হয়। ব্রণ নিয়ে দুশ্চিন্তার শেষ নেই। কোন কোন ক্রিম বা লোশনে আপাতভাবে ব্রণ দূর হলেও, ফের তা হাজির হয়। অথচ নাভিতে নিম তেল দিলে অনায়াসেই এ সমস্যা থেকে মুক্তি মেলে।
২. শুকনো ঠোঁট নিয়ে মহিলারা প্রায়শই সমস্যায় পড়েন। মেকআপের সঙ্গে মানানসই লিপস্টিকের দফারফা হয় এই ধরনের শুকনো ঠোঁটের জন্য। নাভিতে সরষের তেল দিলেই কিন্তু এ সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
৩. ঋতুকালীন যন্ত্রণায় প্রায় প্রত্যেক মহিলাই কষ্ট পান। তুলোয় ব্র্যান্ডি ভিজিয়ে এই সময়ে নাভিতে রাখুন। যন্ত্রণা ও ক্র্যাম্প থেকে স্বস্তি মিলবে।
৪. আচমকা ঠাণ্ডা লেগে জ্বর বেধে যায় অনেক সময়। সর্দি-কাশির সমস্যাও দেখা দেয়। এসব ক্ষেত্রে অ্যালকোহলে ভেজানো তুলো নাভিতে রাখুন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এতে ম্যাজিকের মতো ফল মেলে।
৫. মুখের সৌন্দর্য নিয়ে যাঁরা সচেতন তাঁরা মুখেই এটা ওটা লাগান। তাতে ফল মেলে অবশ্য। তবে খানিকটা অলিভ অয়েল নাভিতে দিন। এতে মুখের সৌন্দর্য ফিরবে। এছাড়া পরিষ্কার মাখন নাভিতে দিলে ত্বক কোমল হয়।
৬. সৌন্দর্য চর্চায়, বিশেষত চুলের জন্য নারকেল তেলের প্রয়োগের কথা তো আলাদা করে বলার প্রয়োজন নেই। তবে এর একটা আলাদা উপকারিতাও আছে। নাভিতে নারকেল তেল দিলে ফার্টিলিটি বা প্রজনন শক্তি উন্নত হয় বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। তাই নাভি নিয়ে হেলাফেলা না করাই ভাল। নাভি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখলে হাজারও আধি-ব্যধি থেকে এমনিই মুক্তি মেলে।
Source: Zoom bangla
1 954
Topic: ড্রাগ অ্যাডিকশন ম্যানেজমেন্ট
আসক্তি এমন একটি অবস্থা যা ব্যক্তি ক্ষতি জানার সত্ত্বেও একই ধরনের দীর্ঘমেয়াদি আচরণ বারবার করে থাকে।
আসক্তির কারণঃ-
বায়োলজিক্যাল কারণ:- উদাহরণস্বরূপ মস্তিষ্কের সঠিক মাত্রায় মেলাটোনিন হরমোন সিক্রেশন না হওয়ার কারণে ঘুমের সমস্যা হয়ে থাকে, ঘুমের সমস্যা দূর করতে অনেকেই স্লিপিং পিল সেবন করেন। দীর্ঘদিন এই অবস্থা চলতে থাকলে স্লিপিং পিল অ্যাডিকশনে রূপ নিতে পারে।
পরিবেশগত কারণ:- বন্ধুরা মাদক সেবন করে অথবা বাসার পেছনে ফাঁকা জায়গায় সন্ধ্যার পরে মাদক সেবীদের আড্ডা বসে। এমন অবস্থায় পিয়ার পেশার বা পরিবেশের সাথে নিজেকে মানিয়ে নিতে ড্রাগ অ্যাডিকশন হতে পারে।
একজন মানুষ কিভাবে মাদকাসক্ত হয় ?
সাধারণত একজন মানুষ চারটি ধাপে মাদকাসক্ত হয়ে থাকে যেমন-
১. কৌতুহল বা পরীক্ষামূলক: ইয়াবা মানুষ কেন খায় ? এটা খেতে কেমন ? এটা খেলে কি চেহারা সুন্দর হয় ? একদিন একটু পরীক্ষা করে দেখি তাহলে !
এইভাবে মূলত মাদক সেবনের শুরুটা হয়ে থাকে।
২. মাঝে মাঝে গ্রহণ করা: এ পর্যায়ে এসে ওকেশনাল মাদক সেবী হয়ে ওঠে। যেমন- জন্মদিন, বিয়ে, কোন উৎসব বা অনুষ্ঠান সেলিব্রেট করার জন্য মাদক সেবন করে থাকে।
৩. নিয়মিত : সকালে বাসা থেকে বের হলে প্রথমে একটা সিগারেট খেতে হয়। রাত্রে বাসায় প্রবেশের আগে একটা সিগারেট খেয়ে বাসায় ঢুকতে হয় নিয়মিত। অর্থাৎ প্রতিদিন একটা নিয়মিত সময়ে মাদক সেবনের অভ্যাস গড়ে ওঠে।
৪. নির্ভরশীলতা: গাজা না খেলে আমি পড়তে বসতে পারিনা, সিগারেট না খেলে আমার টয়লেট হয় না, আমি যেখানেই থাকি না কেন খাওয়ার পরে আমার একটা সিগারেট লাগবেই। অর্থাৎ কোন একটা কাজের শুরুতে বা শেষে কোন একটি নির্দিষ্ট মাদক গ্রহণ করতেই হবে। মাদক গ্রহণ করলেই সে স্বাভাবিক না করলেই অস্বাভাবিক এমন একটি অবস্থা তৈরি হয়।
ড্রাগ অ্যাডিকশন অ্যাসেসমেন্ট:-
*ডোপ টেস্ট
*সাইকোলজিক্যাল স্কেল
অ্যাডিকশন ম্যানেজমেন্ট:-
*কাউন্সিলিং এন্ড সাইকোথেরাপি।
*নারকোটিক প্রোনোনিমাস অর্থাৎ মাদক সেবীদের মধ্যে গ্রুপ তৈরি করে ২১ টি নীতি ফলো করার মাধ্যমে মাদকাসবন থেকে দূরে থাকা।
"কগনিটিভ বিহেভিয়ার থেরাপি এবং সাইকোট ড্রামা ব্যবহার করা।
পরিবর্তনের উপায়:-
মাদক গ্রহণের ফলে তার ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক এবং অর্থনৈতিক ক্ষতি উপলব্ধি করানো।
ভবিষ্যতে ভালো কিছু করার আকাঙ্ক্ষা তৈরি করা।
তার মধ্যে অনেক ক্ষমতা রয়েছে তা খুঁজে বের করা।
স্ট্রং সেল্ফ কমিটমেন্ট করা।
পরিবর্তনের ছয়টা ধাপ-
ব্যক্তি এই সময় সমস্যা সম্পর্কে সচেতন থাকে না।
সমস্যা সম্বন্ধে বুঝতে পারে বা উপলব্ধি হয়।
কার কাছে গেলে সমাধান হতে পারে এই সম্বন্ধে প্রস্তুতি গ্রহণ করে।
চিকিৎসা গ্রহণ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করে।
পুনরায় মাদক গ্রহণ শুরু করে।
এভাবে আবারও প্রথম ধাপে ফিরে যাই এবং চক্রাকারে চলতে থাকে যতদিন পর্যন্ত সে একেবারেই মাদক গ্রহণ বন্ধ না করছে।
মোঃ আব্দুল লতিব সম্রাট
প্রফেশনাল সাইকোলজিস্ট
1 954
লুমাযাহ কারা? (সুরা হুমাযাহ)
আমাদের আশেপাশে এমন অনেক মানুষ আছেন, যারা বুক ফুলিয়ে বলেন, ’’আমি উচিৎ কথা বলতে কাউকে ছাড়ি না, উচিৎ কথা মুখের উপর বলে দেই, আমি অনেক স্ট্রেইট ফরোয়ার্ড, যা মনে আসে তাই বলি!’’
সব মহলে ঠোটকাটা স্বভাবের হিসেবে আপনি পরিচিত!
সবাইকে একদম সামনেই ধুয়ে দেন এবং এটা নিয়ে আপনি বেশ গর্বও করেন!
ইসলাম ধর্মে এটাকেই "লুমাযাহ" বলা হয় ।
🟥 যদি কোনো ব্যাক্তি:-
🔸সরাসরি কাউকে লাঞ্চিত ও তাচ্ছিল্য করে।
🔸কাউকে অসম্মানজনক ভাবে কোনকিছু নির্দেশ করে (আঙুল,চোখ, মাথা বা ভ্রু দ্বারা)।
🔸কারও অবস্থান বা পদবি নিয়ে তাকে ব্যাঙ্গ করে।
🔸কারো বংশের নিন্দা করে বা বংশ নিয়ে কথা বলে।
🔸কাউকে হেয় প্রতিপন্ন করে কথা বলে, অপমান করে।
🔸কারও মুখের উপর তার সম্পর্কে বিরুপ মন্তব্য করে।
🔸সরাসরি বাজে কথা দিয়ে কাউকে আঘাত করে।
তবে সেই ব্যাক্তিই মূলত "লুমাযাহ" এর অন্তর্ভুক্ত।
আল্লহ্ ওয়া তা'আলা এই মানুষদেরকে পরিবর্তন হতে বলেছেন। নয়তো তাদের জন্য অনিবার্য ধ্বংসের সতর্ক বাণী দিয়েছেন। আল্লাহ তাদের প্রতি কঠোর লানত করেছেন।
নবী (সাঃ) বলেছেন, ”যার ভিতরে নম্রতা নেই, সে সকল কল্যাণ থেকে বঞ্চিত”।
আসুন, আমরা একটু নরম হই, একটু সহনশীল হই, অন্তরকে পরিশুদ্ধ করি। মনে রাখবেন ’নম্রতা’ দুনিয়ার সেরা নিয়ামত।
হয়তো আমিও লুমাজার অন্তর্ভুক্ত, তবে চেষ্টা করছি নিজেকে বাঁচাতে। আল্লাহ তৌফিক দান করুন।
আল্লাহ্ আমাদের সবাইকে হেদায়েত দান করুন।
আমীন l
(Copied)
✍️ ইসলামিক আর্টিকেলস
1 954
ChatGPT বর্তমান সময়ে টেক দুনিয়ায় আলোচিত একটি বিষয়। ChatGPT কি? ChatGPT ki?
সংক্ষেপে বলতে গেলে ChatGPT হচ্ছে মূলত AI(artificial intelligence) language model যা কিনা ট্রেইন করা হয়েছে টেক্সট জেনারেট করে প্রশ্নের উত্তর দেয়ার জন্যে। ভবিষ্যতে এই ChatGPT ইন্টারনেটের সাথে কানেক্টে করলে এবং আরো আপডেট করলে সেটা Google কেও টেক্কা দিতে পারেবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বর্তমানে আমরা কোনো কিছু না জানলে সেটা Google এ সার্চ করি, আর Google আমাদের সার্চকৃত বিষয়ের উপর নানারকম তথ্য দেখায়। সেখান থেকে আমাদের সঠিকটা বেছে নিতে হয়।
কিন্তু, ChatGPT ভিন্ন। এটা একরকম বলতে গেলে মানুষের মতোই প্রশ্নের উত্তর দেয়। মানে আপনি যদি ChatGPT তে কোনো প্রশ্ন করেন সেটার উত্তরটা ওরকমই পাবেন যেরকমটা ওই বিষয়ে দক্ষ মানুষের কাছে পেতেন।
ধরুন, আপনি e-Mail লিখায় অদক্ষ। এখন আপনি শুধু আপনার ক্লায়েন্টের নাম এবং বেসিক কিছু ইনফো দিয়ে ChatGPT কে একটি ফরমাল মেইল লিখতে বললেন। এটা আপনাকে সেকেন্ডের মধ্যে সুন্দর করে e-Mail লিখে দিবে।
বাকিটা নির্ভর করবে আপনার ক্রিয়েটিভিটির উপর এটা দিয়ে Article লিখা, Video স্ক্রিপ্ট তৈরি করা এছাড়াও ইত্যাদি কাজে ব্যাবহার করতে পারবেন।
( সংগৃহীত)
1 954
কালো ঠোঁট গোলাপি করবে ধনেপাতা
নরম, কোমল, গোলাপি ঠোঁট যেকোনো নারীর সৌন্দর্য আরো বাড়িয়ে দেয়। তবে অনেক কারণেই ঠোঁটে কালচে দাগ পড়ে যেতে দেখা যায়। আর কালো ঠোঁট মানেই সৌন্দর্য নষ্ট হয়ে যাওয়া।
তবে এই নিয়ে চিন্তিত হওয়া কিছু নেই। কারণ আপনার জন্য এমন একটি উপায় রয়েছে যা খুব সহজেই এই সমস্যার সমাধান দিতে পারে। আর সেই উপায়টি হচ্ছে ধনেপাতা। কি অবাক হয়েছেন? অবাক হলেও সত্যি! ধনেপাতার ব্যবহারেই আপনার কালো ঠোঁট গোলাপি হয়ে উঠবে। চলুন জেনে নেয়া যাক কীভাবে-
তৈরি ও ব্যবহার পদ্ধতিপ্রথমে কিছু ধনেপাতা নিয়ে ভালভাবে ধুয়ে নিন। তারপর কুচিকুচি করে কেটে একটি বাটিতে রাখুন। এবার একটি চামচ দিয়ে কুচি করা পাতাগুলো থেঁতলে নিন। এবার এই থেঁতলানো পাতাগুলো ঠোঁটে ব্যবহার করুন। কিছুদিন এই পদ্ধতি মেনে চললেই দেখবেন আপনার ঠোঁটের কালচেভাব দূর হয়ে গেছে। আর সেই সঙ্গে আপনার ঠোঁটে দেখা দেবে গোলাপি রঙও।
Source: Zoom bangla
1 954
👓 চশমার যত্নে যা যা করণীয় 👓
আমাদের মধ্য জীবনের এই অপরিহার্য সঙ্গীটির যত্ন না নিলে অল্পতেই ব্যবহারের অনুপযোগী হতে পারে। চলুন দেখে নেই কীভাবে চশমার যত্ন নিতে হবে।
✅ ব্যবহারের নিয়ম
চশমা মাথার ওপর তুলে রাখবেন না। এতে চশমার অ্যালাইনেন্ট নষ্ট হয়ে যায়। চশমার লেন্স ঠিক থাকলেও অ্যালাইনেন্ট ঠিক না হলে দেখতে অসুবিধা হয়।
মাথা ঢুকিয়ে জামাকাপড় পরার সময় চশমা খুলে রাখুন। নাহলে চশমায় ক্রমাগত চাপ পড়ে ফ্রেম বেঁকে যেতে পারে। আবার চশমা পড়ে গিয়ে ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কাও থাকে।
✅ ব্যবহার না করলে
ঘুমানোর সময় চশমা খুলে রাখুন। বালিশের পাশে বা নিচে না রেখে কেস ব্যবহার করুন।
চশমা খুলে রাখার সময় লেন্সের দিকটা সবসময় ওপরের দিকে রাখুন। লেন্স নিচের দিকে রাখলে ঘষা লেগে দাগ হতে পারে।
চশমা সরাসরি রোদে রাখবেন না। এমনকি নিজের চশমা অন্য কাউকে পরতে দেবেন না। এতে চশমার ফিটিংস নষ্ট হয়ে যায়। কয়েক মাস অন্তর দোকানে গিয়ে চশমার স্ক্রু অ্যাডজাস্ট করিয়ে নিতে হবে।
✅ চশমা পরিষ্কার করা
নরম সুতি কাপড় দিয়ে আলতোভাবে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে চশমার লেন্স পরিষ্কার করুন। শক্ত বা খসখসে কাপড় ব্যবহার করবেন না।
সপ্তাহে এক দিন চশমা ধুয়ে পরিষ্কার করুন। বাটিতে কুসুম গরম পানি নিয়ে কয়েক ফোঁটা তরল সাবান মেশান। ওই পানিতে চশমা কিছুক্ষণ ডুবিয়ে রাখুন। এরপর ঠান্ডা পানিতে ধুয়ে নিন। চশমা ধোওয়ার পর নরম কাপড় দিয়ে মুছে নিন।
চশমা পরিষ্কার করার জন্য বাজারে লেন্স ক্লিনার স্প্রে পাওয়া যায়। এই স্প্রে লাগিয়ে সুতি কাপড় দিয়েও চশমা মুছে নিতে পারেন।
চশমা পরিষ্কার করার জন্য অ্যামোনিয়া, ব্লিচ, ভিনিগার বা উইনডো ক্লিনার জাতীয় জিনিস ব্যবহার করবেন না। এগুলো চশমার লেন্স ও কোটিংয়ের ক্ষতি করে।
✅ সতর্কতা
চশমায় ঘাম লাগলে মুছে নিন। ঘাম বসে গেলে ফ্রেমে দাগ হয়ে যায়। তা ছাড়া ঘাম লেন্সেরও ক্ষতি করে। হাত দিয়ে চশমার লেন্স ধরা যাবে না। এতে লেন্সে আঙুলের ছাপ পড়ে যায় এবং দেখতে অসুবিধা হয়।
এমন সব পরামর্শ অথবা ব্লগের জন্য জয়েন করুন -
🔰https://www.facebook.com/groups/149192167228573 🔰
#konna #sunglass #sunglasses #fashion #sunglassesfashion #eyewear #sunglasseslover #style #kacamata #glasses #sunglassesstyle #shades #eyewearfashion #kacamatamurah #summer #rayban #kacamataminus #luxury #eyewearstyle
1 954
সময় থাকতে সচেতন হোন, অচেনা সিম বন্ধ করুন।
সবাই নিজের. ও পরিবারের সকলের NID দিয়ে কয়টা সিম রেজিষ্টেশন আছে অবশ্যই চেক করবেন।। MY GP App থাকলে SIMs you won / Won YOU Sim লেখা অপশনে ক্লিক করে NID নাস্বারের শেষ ডিজিট দিয়ে চেক করুন কয়টা সিম উক্ত NID তে নিবন্ধন আছে। আজ আমি বাবার নাস্বার থেকে ২ টি অচিনা সিম বন্ধ করলাম যা আমরা কেউ জানতাম না।।
1 954
সাইকোলজি বলে:
যখন আপনি নিজের যত্ন নিবেন তখন আপনি অনেক বেটার ফিল করবেন, আপনার নিজেকে আয়নায় দেখতেও ভালো লাগবে, নিজেকে এট্রাক্টিভ মনে হবে, নিজের যত্ন নিলে হ্যাপিনেস খুঁজে পাবেন।
সাইকোলজি বলে:
যে ব্যক্তি আপনাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিতো সে যদি আপনাকে ইগনোর করে তখন আপনার ব্রেইন শারীরিক ব্যাথার মতো রিয়েকশন করবে।
সাইকোলজি বলে:
কাউকে যখন আপনি মিস করেন তখন আপনার ইমোশন হ্যাপিনেস থেকে স্যাডনেসের দিকে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি।
সাইকোলজি বলে:
আপনি যদি আপনার ইমোশনকে কন্ট্রোল না করেন পারেন তাহলে এটি আপনাকে বিরুদ্ধে ম্যানুপুলেট করবে। আপনি আপনার মাইন্ডকে এমন ভাবে প্রশিক্ষণ করেন যা আপনার অনূভুতির চেয়ে শক্তিশালী হয় অন্যথায় প্রতিটা মূহুর্তে আপনি হারবেন।
সাইকোলজি বলে:
যখন আপনি একটি সমস্যায় পড়েন তখন আরো সমস্যা আসে। যখন আপনি একটি সম্ভাবনার দিক ফোকাস দেন তখন আপনি আরো অপরচুনিটি আসবে।
1 954
.
যৌন বিরাগ পুরো যৌন কাজের প্রতিও হতে পারে। আবার হতে পারে নির্দিষ্ট একটা কাজের প্রতি। যেমন কোনো পুরুষ হয়তোবা শুধু যৌন সঙ্গম করতে পছন্দ করে, কিন্তু যৌন আদর যেমন- চুমু দেয়া, স্তন ঘর্ষণ করা, যোনিতে চুমু দেয়া ইত্যাদি পছন্দ করে না। অনেক নারী অভিযোগ করে থাকেন তাদের সঙ্গী কোনোরকম শারীরিক অন্য আদর ছাড়া লিঙ্গ যোনিতে প্রবেশ করিয়ে দেন।
.
কোনো পুরুষের মধ্যে এ সমস্যা থাকলে সেটা তাদের সঙ্গীর সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্কটা খারাপ করে দিতে পারে। তাদের ভালো যৌন সম্পর্ক হয়ে উঠে না। সম্পর্কটা তখন একটা অভ্যাসে পরিণত হয়। এ অবস্থা যদি কারও মধ্যে ৬ মাস চলতে থাকে এবং এজন্য যদি তাদের বৈবাহিক সম্পর্কে মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পেলে তাহলে এটা যৌন বিপর্যয় ডিসঅর্ডার।
.
.
🟩 চিকিৎসা:
আমাদের দেশে যেহেতু যৌন সমস্যা বা যৌনরোগ নিয়ে খোলামেলা আলোচনা হয় না, তাই অনেকেই অপচিকিৎসার ফাঁদে পড়ে। লোভনীয় ও আকর্ষণীয় বিজ্ঞাপন, ১০০% গ্যারান্টি , এক ফাইল যথেষ্ট , ২৪ ঘণ্টায় সমাধানের নিশ্চয়তা ইত্যাদির লোভে অনেকেই প্রতারিত হন।
.
তাই কারো মধ্যে উপরোক্ত যৌন সমস্যাগুলো দেখা দিলে সরাসরি ডাক্তারের শরণাপন্ন হওয়া দরকার।
.
যদি সমস্যা দীর্ঘদিনের হয় তাহলে চিকিৎসকের কাছে কাছে প্রথমে স্বামী গেলেও চিকিৎসার ধাপে ধাপে স্ত্রীকেও স্বামীর সাথে যেতে হতে পারে। এ ক্ষেত্রে রোগীর ধৈর্য ধরে চিকিৎসা চালিয়ে যেতে হয় ।
.
🔴 বলা হয়ে থাকে স্বামী-স্ত্রীর মাঝে যতই সমস্যা থাকুক, মতের অমিল থাকুক, চাওয়া পাওয়া না মিলুক, কিন্তু দিন শেষে তাদের মধ্যে চমৎকার একটা রোমান্টিক যৌন-সম্পর্ক বাকি সব সমস্যাকে গৌণ করে দিতে পারে। যৌন সম্পর্ক শুধুই শারীরিক নয়, মানসিকও।
.
✅ এ বিষয়ে আরো বিস্তারিত জানার জন্য আমার লেখা নিম্নের বই দুইটি পড়তে পারেন:
১) বয়সন্ধিকালের যৌনশিক্ষা
২) বড়দের যৌনশিক্ষা
.
নিচের মোবাইল নাম্বারে ফোন দিয়ে সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে বই দুটি সংগ্রহ করতে পারবেন ।
.
.
.
ডা: মোঃ ফাইজুল হক
২০ বছরের অভিজ্ঞ, সরকারি রেজিস্ট্রেশন প্রাপ্ত হোমিওপ্যাথিক, আয়ুর্বেদিক এবং ইউনানী চিকিৎসক, শিক্ষক ও লেখক । আয়ুর্বেদ তীর্থ
Trained on Cognitive-Behavior Therapy for Depression (DU)
Trained on Therapeutic Counselling
(Department of Clinical Psychology, University of Dhaka)
.
☑️চেম্বারঃ
বাসা# এ-৩৮/১ , ইসলামপুর , [হাসপাতাল রোড , সরকারি হাসপাতাল এবং খাদ্য গোডাউন মোড়ের মাঝে , আমাবাগান জামে মসজিদের গলী ( চার তলা মসজিদ ) ] , ধামরাই , ঢাকা ।
.
☑️মোবাইল নাম্বার:
01712 859950
বা, 01972 859950
1 954
পুরুষের যৌন সমস্যা
( ১৮+ যৌন শিক্ষা বিষয়ক লেখা )
.
🟩 সমস্যা ১ঃ
☑️যৌন আকাঙ্ক্ষার অভাব (Impaired Sexual Interest)
.
☑️লক্ষনঃ
এখানে পুরুষদের মধ্যে যৌন উত্তেজনা আসে এবং যৌন সুখ লাভ করেন কিন্তু তাদের যৌন কাজের প্রতি আগ্রহ তীব্রভাবে কমে যায়। নিজের মধ্যে যৌন আগ্রহ কমে যাওয়ার কারণে সঙ্গীর সব ধরনের যৌন আবেদন বা আচরণ তীব্রভাবে প্রত্যাখ্যান করে এবং পুরুষ নিজ উদ্যোগী হয়ে কখনো সঙ্গীর সঙ্গে যৌনতায় লিপ্ত হয় না। কিছু কিছু পুরুষ সঙ্গীর সঙ্গে যৌনতায় আগ্রহ না পেলেও হস্তমৈথুন করে যৌন সুখানুভূতি লাভ করে।
.
অনেক নারী অভিযোগ করে থাকেন যে তাদের স্বামী তাদের সঙ্গে যৌন মিলন না করলেও তাদের সামনেই হস্তমৈথুন করে। একজন নারী এ ধরনের আচরণ কখনো মেনে নিতে পারে না এবং এতে করে তাদের মধ্যে দাম্পত্য কলহ শুরু হয় যেটা অন্যান্য ছোট খাট বিষয় দিয়ে প্রকাশিত হয়।
.
স্বামী স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক কলহ, ঝগড়াঝাঁটি, বিষন্নতা, সঙ্গীর প্রতি সন্দেহবাতিকতা ইত্যাদি কারণে এ সমস্যা দেখা দিতে পারে।
.
🟩 সমস্যা ২ঃ
☑️ইরেক্টাইল ডিসফাংশন (Erectile Dysfunction)
(লিঙ্গ ঠিকভাবে শক্ত না হওয়া)
.
☑️লক্ষনঃ
DSM- 5 (Diagnostic and Statistical Manual for mental disorders) এর মতে, সঙ্গীর সঙ্গে যৌনসহবাস করার জন্য বা যোনিপথে লিঙ্গ প্রবেশ করানোর জন্য লিঙ্গ প্রয়োজনীয় পরিমান শক্ত হয় না। যৌন আদর করার পরও তাদের লিঙ্গ শক্ত হয় না, অথবা হলেও যোনিতে লিঙ্গ প্রবেশ করানোর সময় লিঙ্গটা নেতিয়ে বা নিস্তেজ হয়ে পড়ে। এতে করে লিঙ্গ যোনিতে ঢুকে না। অথবা ঢুকাতে পারলেও বীর্য বের (Ejaculate) হওয়ার আগেই লিঙ্গ নিস্তেজ হয়ে যায়। ফলাফল, সঙ্গীকে চূড়ান্ত যৌন সুখ দিতে পারে না। ৭ থেকে ১৮ শতাংশ পুরুষদের মধ্যে জীবনে কোনো না কোনো সময়ে এ সমস্যা দেখা দিতে পারে।
এটাকেই মূলত পুরুষত্বহীনতা বলা হয়।
.
শৈশব নির্যাতন অথবা যৌন আঘাত, দীর্ঘ মেয়াদি চাপ, সঙ্গীকে যৌনসুখ না দিতে পারার অপরাধবোধ, বিষন্নতা, দাম্পত্য কলহ ইত্যাদি কারণে ইরেক্টাইল ডিসফাংশন হতে পারে।
.
🟩 সমস্যা ৩ঃ
☑️দ্রুত বীর্যপাত (Premature Ejaculation)
.
☑️লক্ষনঃ
মাস্টার অ্যান্ড জনশন, সেক্স থেরাপিস্ট (১৯৭১) এর মতে, পুরুষদের মধ্যে এটা খুবই কমন সমস্যা। এখানে যৌন আদরের কারণে পুরুষদের লিঙ্গ উত্থিত হয় কিন্তু যৌন সহবাসের নিমিত্তে নারীর যোনিপথে লিঙ্গ প্রবেশ করানোর পরপরই বীর্য বের হয়ে যায়। সময়ের হিসেবে বললে ১ মিনিটের ও কম সময়ের মধ্যে বীর্যপাত হয়ে যায়। যদিও যৌনসঙ্গমের নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা নাই তবুও যদি দ্রুত বীর্যপাত হয়ে যায় তাহলে সঙ্গীর মনে হতে পারে যৌনসুখের সময়টা খুবই ক্ষনস্থায়ী ছিল বা পরিপূর্ণ/চূড়ান্ত সুখ লাভ করতে পারেনি।
.
এরকম দ্রুত বীর্যপাত নারী এবং পুরুষ দুজনের জন্যই চরম লজ্জাকর ও হতাশাজনক হতে পারে। ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ পুরুষের জীবনের কোনো না কোনো সময়ে এ সমস্যা হতে পারে। তবে DSM-5 অনুযায়ী কারো মধ্যে এ সমস্যাটা ৬ মাস ধরে থাকলে ডাক্তার অথবা চিকিৎসা মনোবিজ্ঞানীদের শরণাপন্ন হওয়া দরকার।
.
যদি এ সমস্যার সঠিক কারণ এখনো অজানা তবুও মানসিক চাপ, বিষন্নতা, দুশ্চিন্তা, সঙ্গীকে সুখি করতে না পারার জন্য দোষী, নিজের শরীরের ইমেজ নিয়ে আত্মবিশ্বাসের অভাব, যৌন সহবাসের সময় সম্পর্কে ভুল ধারণা ইত্যাদি কারণে এ সমস্যা দেখা দিতে পারে।
.
🟩 সমস্যা ৪ঃ
☑️বিলম্বিত বীর্যপাত (Retarded Ejaculation)
.
☑️লক্ষনঃ
এটা পুরুষের এমন একটি সমস্যা যেখানে দীর্ঘক্ষণ যৌনসঙ্গম করার ফলেও বীর্যপাত করতে পারে না বা বীর্যপাত হয় না। এমনকি ২৫/৩০ মিনিট পরেও বীর্যপাত হয় না। এতে করে পুরুষ কখনও ক্লাইমেক্স বা চরমপুলক লাভ করে না। ওদিকে সঙ্গীর অর্গাজম হয়ে যায় (শারীরিক স্বাভাবিক অবস্থা)। কিন্তু পুরুষের বীর্যপাত না হওয়ায় বা খুবই দেরিতে হওয়ার কারণে নারী সঙ্গীর অবস্থা তখন ভয়াবহ হয়ে যায়। এ অবস্থা যদি কোনো পুরুষের মধ্যে ৬ মাসের বেশি সময় ধরে থাকে তাহলে মনোবৈজ্ঞানিক চিকিৎসা জরুরি।
.
এটাকে বিলম্বিত অর্গাজম বলা হয়। এ সমস্যার কারণে অনেক নারী বিবাহবিচ্ছেদ ঘটায়। কিন্তু এটার চিকিৎসা করলে সুফল পাওয়া যায়।
.
🟩 সমস্যা ৫ঃ
☑️যৌন বিতৃষ্ণা বা বিরাগ (Sexual Aversion)
.
☑️লক্ষণ:
এখানে পুরুষের মধ্যে যৌন কাজের প্রতি মারাত্মক অনীহা চলে আসে। যৌন কাজের বা যৌন সঙ্গমের প্রতি অনীহা ঘৃণা, অপমান, লজ্জা এবং আত্মসম্মানের সঙ্গে জড়িত থাকে। এ বিতৃষ্ণা বা অনীহা যে কোনো স্পেসিফিক কাজ যেমন ওরাল সেক্স অথবা যৌনিতে লিঙ্গ ঢুকানো নিয়ে হতে পারে, এটা হতে পারে বীর্যের গন্ধ, চুমু দেয়ার সময় লালার গন্ধের প্রতি। এটা হতে পারে সঙ্গীর যৌন অঙ্গ যেমন স্তন বা যোনির প্রতি। এটা হতে পারে যৌন সঙ্গম করার সময় সঙ্গীর বিভিন্ন শব্দের প্রতি।
1 954
আমাদের অফিসে / কর্মক্ষেত্রে / শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে / সোশ্যাল মিডিয়ায় গ্যাঞ্জাম এড়িয়ে ভালো থাকার চেষ্টা করে যেতে হয়। যদিও সকলের কাছে সমান ভালো থাকা সম্ভব নয় !!
.
ভালো থাকার জন্য কিছু টিপস ফলো করা যায়।
.
★ অপরিচিত বা কম পরিচিত বা সোশ্যাল মিডিয়ায় কারো সাথে ব্যক্তগত কথা আলাপ না করা ।
★ সোশ্যাল মিডিয়ায় কারো সাথে গলায় গলায় সম্পর্ক তৈরি না করা ।
★ চুপ চাপ আন্তরিক ভাবে নিজের কাজ করা ।
★ অন্যে কি করলো না করলো এসব না দেখা ।
★ অফিশিয়াল কথা / প্রয়োজনীয় কথা ছাড়া অফিসে/কর্মক্ষেত্রে /শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অন্য কোনো বিষয় আলাপ না করা
★ অফিসে / শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে /সোশ্যাল মিডিয়ায় কে ভালো বা কে মন্দ এসব কথা না বলা ও না শোনা ।
★ নিজের ব্যক্তিত্ব বজায় রাখা ।
★ অন্যের কাজে নাক না গলানো ।
★ সর্বোপরি কারো কোন কাজ ভালো না লাগলে তাকে এড়িয়ে চলা।
★ রাজনৈতিক ও ধর্মীয় আলাপ-আলোচনা এড়িয়ে যাওয়া ।( তাবলীগ/ দাওয়াতী কার্যক্রমের বিষয় আলাদা)
1 954
#সাইবার_বুলিং
আজকে হঠাৎ করে একটা পরিচিত মেয়ের ফেসবুক রিকুয়েস্ট আসলো। আমি রিকুয়েস্ট গ্রহন করার আগে, একটু পোস্টগুলোর দিকে নজন দিতেই অবাগ হয়ে গেলাম। প্রথম পোষ্টটা খুব জাজমেন্টাল টাইপের! নিজেকে প্রশ্ন করলাম, এরকম তিনি লিখেছেন কেন? আগ্রহ বেড়ে গেল। পরবর্তী পোস্টে দেখে চমকে উঠলাম। এবার তাকে নিয়ে এডিট করা কিছু ছবি, আমার সন্দেহ আবার বেড়ে গেল। পরের পোস্টে লেখা ’আমাার অনেকগুলো নোংরা জীবন আছে যা জানলে আপনারা সবাই আমাকে থুথু দিবেন’। এবার বুঝতে বাকি থাকলো না তার কি হয়েছে। মোবাইল নাম্বার কালেক্ট করে তাকে ফোন দিয়ে বুঝলাম আমার ধারনাই সঠিক। তিনি সাইবার বুলিংয়ের শিকার। দ্রুত তাকে সাইবার বুলিংয়ের ওমেন সাপোর্ট কেন্দ্রের ফোন নাম্বার (০১৩২০—০০০৮৮৮) দিয়ে ব্যবস্থা নেয়ার অনুরোধ করেছি।
মনোবিজ্ঞানের ভাষায়, বুলিং হলো কাউকে ছোট করা, অপমান করা কিংবা বল প্রয়োগ করে, ভয় দেখিয়ে বা অপমান বা অপদস্ত করে বিকৃত আনন্দ উৎযাপন করা। আর সাইবার বুলিং হল কাউকে হয়রানি, হুমকি বা ভয় দেখানোর জন্য সেল ফোন, তাৎক্ষণিক বার্তা, ই—মেইল, চ্যাট রুম বা ফেসবুক এবং টুইটারের মতো সামাজিক নেটওয়ার্কিং সাইটগুলির ব্যবহার করে বুলিং করা। গবেষণায় দেখা যায় যে, প্রায় ৬০% কিশোর—কিশোরীদের সোশ্যাল মিডিয়াতে সাইবার বুলিং করা হয়েছে বা অনলাইনে হয়রানি করা হয়েছে। বুলিংকারীরা আক্রমণ করতে, বেদনাদায়ক মিথ্যা ছড়ানো, এমনকি গুজব শুরু বা স্থায়ী করার জন্য সামাজিক প্ল্যাটফর্মগুলি ক্রমবর্ধমান ব্যবহার করে, যা বুলিংয়ের শিকার ব্যক্তিদের দীর্ঘমেয়াদী মানসিক ক্ষত সৃষ্টি করতে পারে।
#কিভাবে_বুঝবেন_আপনার_প্রিয়জন_সাইবার_বুলিংয়ের_স্বীকার: আপনার প্রিয়জন সাইবার বুলিংয়ের স্বীকার হলে তার মধ্যে নিম্নের আচরণগুলো দেখা যেতে পারে:
—সামাজিক আচরণ কমে যায়
—তিনি বন্ধু বা সামাজিক ইভেন্ট এড়িয়ে চলেন
—স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি সময় তাদের ঘরে নিজেকে আলাদা করে ফেলেন
— দিনে চুপচাপ করে একা থাকার প্রবনতা বেড়ে যায়।
— স্কুলের কাজে মনোনিবেশ করা কঠিন হয়ে পড়ে
— পরীক্ষায় গ্রেড কমতে থাকে
— স্বাভাবিক ক্রিয়াকলাপের প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলে, যা তারা সাধারণত উপভোগ করতেন
—স্কুল এড়িয়ে যাওয়া বা স্কুল এড়িয়ে যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করা
—তাদের ফোন, ট্যাবলেট বা কম্পিউটারের দিকে তাকালে রাগ দেখায়
—তাদের ফোন বা কম্পিউটারের পর্দা দৃশ্য থেকে লুকিয়ে রাখতে পারেন
— হঠাৎ তাদের ফোন ব্যবহার এড়িয়ে চলেন
— নিকোটিন বা ড্রাগ বা অ্যালকোহল ব্যবহার করতে পারেন
— নেতিবাচক চিন্তা বা আবেগ প্রকাশ করেন
—কোন কারন ছাড়া আত্মহত্যার কথা বলেন, আত্মহত্যার হুমকি দিতে পারেন কিংবা চেষ্টা করতে পারেন।
#প্রতিকার: সাইবার বুলিংয়ের শিকার হলে দ্রুত তার প্রফেশনাল কাউন্সিলিংয়ের ব্যবস্থা করুন। একজন প্রফেশনাল সাইকোলজিষ্ট এসেমেন্ট করে কি কি করতে হবে সেই ব্যবস্থা নিবেন। তার প্রতি পারিবারিক সহয়োগীতা ও সহমর্মীতা বাড়ান। তাকে দোষ দিবেন না, কারণ তাকে নিয়ে কেউ এমন করছে, এখানে তার কোন দোষ নেই। পাশাপাশি দ্রুত পুলিশের সাইবার ক্রাইম প্রতিরোধ সেলে ফোন করে বিস্তারিত জানান।
(ছবিটি অনলাইন থেকে নেয়া)
জিয়ানুর কবির
ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিষ্ট।
1 954
কিভাবে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স করবেন?
✅পুলিশ ক্লিয়ারেন্স কি?
বিদেশ যাওয়ার জন্য কিভাবে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স করবেন? কিভাবে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট হাতে পাবেন? কিভাবে নিজেই অনলাইনে পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের জন্য আবেদন করবেন? সবকিছু বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে এই লেখায়।
✅ পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট কি?
চাকুরি বা উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশ গমণের ক্ষেত্রে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট প্রয়োজন হয়। এর মাধ্যমে সার্টিফিকেট প্রাপ্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে থানায় কোনও ফৌজদারী অপরাধের রেকর্ড নেই – এই মর্মে প্রত্যয়ন করা হয়। অর্থাৎ পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর মাধ্যমে সার্টিফিকেট প্রাপ্ত ব্যাক্তি অপরাধী নন, এবং তার বিরুদ্ধে থানায় কোনও অভিযোগ নেই এই বিষয়টি নিশ্চিতকরণ করা হয়। পুলিশ কোনও অপরাধীকে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট প্রদান করে না।
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট পাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় শর্তাবলী।
✅ পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট পাওয়ার শর্তাবলী হলো –
১. আবেদনকারীর কমপক্ষে ৩ মাস মেয়াদ সম্পন্ন পাসপোর্ট থাকতে হবে।
২. আবেদনকারীর বর্তমান ঠিকানা হিসেবে পাসপোর্টে উল্লিখিত স্থায়ী কিংবা জরুরী ঠিকানার যে কোন একটি ব্যবহার করতে হবে এবং আবেদনকারীকে অবশ্যই ঐ ঠিকানার বাসিন্দা হতে হবে।
৩. মেশিন রিডেবল পাসপোর্টের (এম আর পি) এর ক্ষেত্রে যদি পাসপোর্টে ঠিকানা উল্লেখ না থাকে তবে ঠিকানার প্রমাণ স্বরূপ জাতীয় পরিচয় পত্র/জন্ম নিবন্ধন সনদপত্র/স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর এর সনদপত্রের ফটোকপি ১ম শ্রেণীর সরকারী গেজেটেড কর্মকর্তা দ্বারা সত্যায়িত করে দাখিল করতে হবে ।
৪. বিদেশে অবস্থানকারী বাংলাদেশী পাসপোর্টধারী কোনও ব্যক্তির পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট পাওয়ার জন্য তিনি যে দেশে অবস্থান করছেন সে দেশে বাংলাদেশ দূতাবাস/হাইকমিশন কর্তৃক পাসপোর্টের তথ্য পাতার সত্যায়িত কপি তার পক্ষে করা আবেদনের সাথে দাখিল করতে হবে ।
৫. বিদেশগামী কিংবা প্রবাসী বাংলাদেশী নাগরিক যারা বাংলাদেশ ব্যতীত অন্য কোনও দেশ থেকে পাসপোর্ট ইস্যু/রি-ইস্যু করিয়েছেন তাদেরকে বাংলাদেশে আসার পর পুলিশ ক্লিয়ারেন্স নিতে চাইলে সর্বশেষ এরাইভেল (Arrival) সিল সম্বলিত পৃষ্ঠাটির স্ক্যান কপি আবেদনের সাথে আপলোড করতে হবে।
৬. প্রবাসী আবেদনকারীগণ যার মাধ্যমে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সনদ সংগ্রহ করতে চান তার নাম এবং জাতীয় পরিচয় পত্রের নম্বর উল্লেখ করে তাকে সত্যায়ন পূর্বক একটি অনুমতি পত্র (Authorization Letter) আবেদনের সাথে আপলোড করতে হবে। স্থানীয় আবেদনকারীর ক্ষেত্রেও সনদ গ্রহণের সময় সংগ্রহকারীকে অনুরূপ অনুমতি পত্রসহ প্রেরণ করতে হবে।
৭. বাংলাদেশের অভ্যন্তরে চাকুরী কিংবা অন্য কোন কাজে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স প্রয়োজন হলে আপনি যে জেলার বাসিন্দা উক্ত জেলা ডিএসবি অফিস অথবা আপনার ঠিকানা যদি মেট্রোপলিটন এলাকায় হয় তাহলে উক্ত মেট্রোপলিটন এলাকার সিটি এসবি অফিসে যোগাযোগ করুন।
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট পাওয়ার জন্য কি ডকুমেন্টস বা কাগজপত্র প্রয়োজন হবে?
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট পাওয়ার জন্য আপনার যেসব ডকুমেন্টস বা নথিপত্র প্রয়োজন হবে সেগুলো হলো –
১. অনলাইনে যথাযথভাবে পূরণকৃত আবেদন পত্র ।
২. ১ম শ্রেণীর গেজেটেড কর্মকর্তা দ্বারা সত্যায়িত পাসপোর্টের তথ্য পাতার স্ক্যানকপি।
৩. বিদেশে অবস্থানকারী বাংলাদেশী নাগরিকগনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দেশে বাংলাদেশ দূতাবাস কর্তৃক সত্যায়িত পাসপোর্টের তথ্য পাতার স্ক্যানকপি।
৪. বিদেশী নাগরিকদের ক্ষেত্রে নিজ দেশের জাস্টিস অব পিস (Justice of Peace) কর্তৃক সত্যায়িত পাসপোর্টের তথ্য পাতার স্ক্যানকপি।
৫. সোনালী ব্যাংকের যে কোন শাখা থেকে (১-৭৩০১-০০০১-২৬৮১) চালান কোডে করা ৫০০/- (পাঁচশত) টাকা মূল্যমানের ট্রেজারী চালান অথবা অনলাইনে ক্রেডিট/ডেবিট কার্ডের মাধ্যমে প্রযোজ্য ক্ষেত্রে নির্ধারিত সার্ভিসচার্জ সহ ফি প্রদান।
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটের জন্য কিভাবে আবেদন করবো?
যদি চাকুরি বা উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশ গমনের উদ্দেশ্যে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট প্রয়োজন হয় তাহলে অবশ্যই আনলাইনে আবেদন করতে হবে। অন্যদিকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে চাকুরী কিংবা অন্য কোনও কাজে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স প্রয়োজন হলে আপনি যে জেলার বাসিন্দা উক্ত জেলা ডিএসবি অফিস (জেলা বিশেষ শাখা) অথবা আপনার ঠিকানা মেট্রোপলিটন এলাকায় হলে উক্ত মেট্রোপলিটন এলাকার সিটি এসবি অফিসে যোগাযোগ করতে হবে।
নতুন নতুন আপডেট জানতে জয়েন করুন আমাদের গ্রুপে -
♻️ https://www.facebook.com/100308635529380 ♻️
বিভিন্ন বিষয় সঠিক তথ্য পেতে অথবা জানাতে যুক্ত থাকুন প্রবাসী অ্যাপের সাথে -
https://play.google.com/store/apps/details...
#probashi #jobs #work #recruitment #jobopportunity #jobvacancy #jobseekers #employment #jobsearching #PoliceClearance #PoliceClearanceCertificate
1 954
ক্যারিয়ার ক্রাইসিস থাকুন সঙ্গীর পাশে !
চাকরিবাকরি নিয়ে সমস্যায় থাকেন না, এমন মানুষ খুব কমই থাকেন। আর যেকোনো সম্পর্ক চলাকালে আপনার সঙ্গী এ নিয়ে নানা সংকটে ভুগতেই পারে। হতে পারে, হঠাৎ চাকরি হারাল বা ছেড়ে দিতে হলো। এমন ক্যারিয়ার ক্রাইসিসে সঙ্গীর জন্য আপনার কি কিছুই করণীয় নেই?
যেকোনো প্রতিষ্ঠানেরই খারাপ অবস্থা যেতে পারে। এমনও হতে পারে আপনার সঙ্গীর চাকরি হারানোর ঝুঁকি রয়েছে, বা এরই মধ্যে চাকরি হারিয়েছে। কিংবা এমনো হতে পারে, সে আর চাকরিটা করতে চায় না, তার লক্ষ্য আরো বড়। সে যা-ই হোক, এ সময় তার ভেতর হতাশা ভর করতে পারে। তাই সঙ্গীকে দোষারোপ করা চলবে না। ক্যারিয়ার ক্রাইসিসে যে কেউ ভুগতে পারে। এ সময় সঙ্গীর পাশে থাকুন। বাড়িয়ে দিন কোমল হাত।
✅ শান্ত থাকুন
এ সময় দয়া করে প্যানিক বাটনে চাপ দেবেন না। সঙ্গীর পাশে থাকুন। তাকে নিয়ে যত নেতিবাচক চিন্তা মাথায় গিজগিজ করছে, তা ঝেড়ে ফেলুন। এ সময় সুশ্রোতা হোন এবং কীভাবে এ পরিস্থিতির উত্তরণ ঘটানো যায়, তা নিয়ে সহৃদয়ে আলোচনা করুন।
✅ মৌন থাকুন
এটা ব্যক্তিগত সংকট। তাই বন্ধুবান্ধব বা পরিবারের লোকজনকে এসব নিয়ে কথা না বলাই ভালো। পরিবার থেকে দূরে রাখুন কাজের স্থান। আপনি যদি এসব বিষয়ে পরিবারের অন্যদের সঙ্গে কথা বলেন, তাহলে আপনার সঙ্গী বিব্রত হতে পারে। এই অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে সঙ্গীকে সাহায্য করুন।
✅ একসঙ্গে চাকরি খুঁজুন
সঙ্গীকে এ ব্যাপারটা বুঝতে দিন যে সে আর একা নয়। আপনিও তার পাশে আছেন। তার প্রতি পদক্ষেপে যথাসাধ্য সাহায্য করার চেষ্টা করুন। হতে পারে সেটা তার জীবনবৃত্তান্ত গোছাতে, কিংবা আপনার যদি জব নেটওয়ার্ক থাকে, সেখানে কড়া নাড়তে। সঙ্গীর কাছ থেকে এটাও জানতে চাইতে পারেন, ভালো চাকরির জন্য তার কোনো প্রফেশনাল ডিগ্রি করার ইচ্ছে আছে কি না। অর্থাৎ যেভাবেই হোক, সঙ্গীর পাশে থাকুন।
✅ আর্থিক দিকটাও দেখুন
ক্যারিয়ারের কোনো সংকট এলে সেটা শান্তভাবে মোকাবিলা করার চেষ্টা করুন। শুধু মানসিকভাবে নয়, আর্থিকভাবেও সঙ্গীকে সাহায্য করার চেষ্টা করুন। জীবন দুজনের, তাই আর্থিক দিকটাও দুজন মিলে সামলান। এ সময় বিলাসদ্রব্য কেনাকাটা পরিহার করতে পারেন। বাইরে খাওয়া-দাওয়া, শপিং কিংবা সাপ্তাহিক ছুটির দিনে আগে যেভাবে খরচ করতেন, সেটা কমিয়ে আনতে পারেন। অর্থাৎ লাইফস্টাইলে কিছুটা পরিবর্তন আনলেই কিন্তু পরিস্থিতি উত্তরণে সহায়ক হবে। সুসময় এলে তো এ অবস্থা থাকবে না, তাই না?
এমন সব পরামর্শ অথবা ব্লগের জন্য জয়েন করুন -
🔰https://www.facebook.com/groups/149192167228573 🔰
#konna #কন্যা #corporate #business #events #corporateevents #event #wedding #branding #marketing #design #work #photography #party #eventplanner #office #entrepreneur #weddings #corporatelife #travel #love #eating #healthy #healthylife
1 954
চিকিৎসা বিজ্ঞানে কিছু Terminology আছে যা সকলের জন্যই জানা প্রয়োজন। অনেক সময় প্রেসক্রিপশন লেখার জন্য অথবা প্রেসক্রিপশন বোঝার জন্য শব্দগুলো প্রয়োজন হয়ে পড়ে।
▪LAP = Lower Abdominal Pain. তলপেটে ব্যথা।
▪LBP = Low Back Pain. মাজাব্যথা।
▪RA = Rheumatic Arthritis. বাতজনিত সন্ধিপ্রদাহ।
▪OA = Osteo-arthritis.= অস্থি এবং অস্থিসন্ধিমূলক প্রদাহ।
▪MI = Myocardial Infarction. = একপ্রকার হৃৎপিন্ডের রোগ।
▪DUB = Dysfunctional Uterine Bleeding. = জরায়ু থেকে একাধিকবার, দীর্ঘস্থায়ী, অনিয়মিত রক্তক্ষরন।
▪ PCOS = Poly-Cystic Ovarian Syndrome.=পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম।
▪ DM = Diabetes Mellitus.= ডায়াবেটিস মেলিটাস।
▪ NIDDM = Non- Insulin Dependent Diabetes Mellitus.= ইনসুলিন অনির্ভর ডায়াবেটিস মেলিটাস।
▪ IDDM = Insulin Dependent Diabetes Mellitus.= ইনসুলিন নির্ভর ডায়াবেটিস মেলিটাস।
▪ CKD = Chronic Kidney Disease.= ক্রনিক কিডনী ডিজিজ।
▪ LVeF = Left Ventricle Failure.= বাম নিলয়ের কার্যকারীতার অভাব।
▪ COPD = Chronic Obstructive Pulmonary Disease.= ফুসফুসের পুরাতন প্রকৃতির প্রতিবন্ধকতামূলক রোগ।
▪ RTI = Respiratory Tract Infection.= শ্বাসতন্ত্রে সংক্রামসজনিত প্রদাহ।
▪ RTA = Road Trafic Accident. = সড়ক দূর্ঘটনা।
▪ UTI = Urinary Tract Infection.= মূত্রনালীর সংক্রামনজনিত রোগ।
▪ GBS = Guillain-Barre Syndrome.= গুলিয়েন-বেরী সিনড্রোম, একধরনের স্নায়ু রোগ।
▪ IBS = Irritable Bowel Syndrome.= অন্ত্রের বিশেষ ধরনের এক রোগ।
▪ IBD = Irritable Bowel Disease. / Inflammatory Bowel Disease.= অন্ত্রের বিশেষ ধরনের এক রোগ।
▪ DU = Duodenal Ulcer.= ডুওডেনামের ক্ষত।
▪ GU = Gastric Ulcer.= পাকস্থলীর ক্ষত।
▪ GU = Genital Ulcer.= জননাঙ্গের ক্ষত।
▪ ARI = Acute Respiratory Infection.= সদ্য শ্বাসতন্ত্রের প্রদাহ।
▪ HTN = Hypertension.= উচ্চরক্তচাপ।
▪ VD = Venereal Disease.= যৌনরোগ।
▪ STD = Sexually Transmitted Disease.= যৌন সংক্রামক রোগ।
▪ NS = Nephrotic Syndrome.= কিডনী সংক্রান্ত রোগ।
▪ ALL = Acute Lymphocytic Leukemia.= এক ধরনের রক্তরোগ বিশেষ।
▪ AML = Acute Myelogenous Leukemia.= এক ধরনের রক্তরোগ বিশেষ।
▪ CML = Chronic Myeloid Leukemia = এক ধরনের রক্তরোগ বিশেষ।
▪ AAA = Abdominal Aortic Aneurysm. = পেটে অবস্থিত মহাধমনী বেলুনের মতো ফুলে যাওয়া।
▪ TAA = Thoracic Aortic Aneurysm.= বক্ষ গহ্বরে অবস্থিত মহাধমনী বেলুনের মতো ফুলে যাওয়া।
▪ PUO = Pyrexia of Unknown Origin.= যে জ্বরের কারন নির্য়য় করা যায় না।
▪ GERD = Gastro-esophageal Reflex Disease.= পাকস্থলী থেকে অন্ননালীর দিকে খাদ্যকনার রিফ্লেক্স জনিত উপসর্গ।
▪ NSAID = Non-Steroidal Anti-Inflammatory Drugs. = এ্যালোপ্যাথিতে ব্যবহৃত বেদনানাশক ঔষধ।
▪ IHD = Ischemic Heart Disease. = হৃৎপিন্ডে “ইস্কেমিয়া”জনিত রোগ।
▪ P/V = Per Vaginal ....= যোনীপথ, যোনীপথে বা যোনীপথ হতে ইত্যাদি ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
▪ P/R = Per Rectal ....= মলদ্বার, মলদ্বারে, মলদ্বার হতে ইত্যাদি ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
▪ IUCD অথবা শুধু CD = Intra-uterine Contraceptive Device অথবা শুধু Contraceptive Device.= জরায়ুর ভেতরে প্রবিষ্ট জন্মবিরতীকরন যন্ত্র বিশেষ। যেমন “কপার-টি।”
▪ A.N = Anxiety Neurosis.= একধরনের মানসিক রোগ। অকারন উদ্বিঘ্নতা।
▪ E.D = Erectile Dysfunction = লিঙ্গোথ্বানজনিত গোলযোগ।
▪ PE = Premature Ejaculation.= সময়ের পূর্বে বীর্যপতন। শীঘ্রপতন।
▪ GIT = Gastro-intestinal Tract.= পরিপাক নালী।
▪ MR = Menstruation Regulation.= ঋতুস্রাব নিয়মিতকরনের জন্য ছোট একধরনের সার্জারী। সাধারনত: ভ্রুন নষ্ট করার পদ্ধতি।
▪ D & C = Dilatation & Curettage.= একধরনের স্ত্রী প্রজননতন্ত্রের সার্জারী।এতে জরায়ু মুখ সম্প্রোসারিত করে জরায়ুর অভ্যান্তর চাঁছা হয়।
▪ VSD = Ventricular Septal Defect.= হৃৎপিন্ডের ব্যবধায়ক পেশীর ক্রুটি।
▪ DNS = Deviation Nasal Septum. = নাকের মাঝখানের নরম অস্থি বাঁকা।
#20_Minute_Medical
1 954
ইমামুল মুসলিমিন বিন বায (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন,
"একজন পুরুষের ভূমিকা হল আয়-উপার্জন করে পরিবারকে আর্থিকভাবে সহযোগিতা করা আর একজন নারীর ভূমিকা হলো ভালোবাসার ছোঁয়ায় বাচ্চাকাচ্চা লালন-পালন করা এবং তাদেরকে মায়া-মমতা প্রদর্শন করা।"
[ফাতওয়া বিন বায, ১/৪১৯]
.
#TheDailyFawaid
1 954
💔 মানসিক চাপে দেহের নানা সমস্যা? 💔
দিনের বেশির ভাগ সময়ই নানা কারণে আমরা মানসিক চাপের মধ্যে কাটাই। আর তার প্রভাব পড়ে আমাদের শরীরের উপরেও। হজমের সমস্যা, উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা, অনিদ্রা, স্নায়ুর সমস্যা- ইত্যাদি নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে এই মানসিক চাপ থেকে। তাই আমাদের প্রথমে মানসিক চাপ দূর করা উচিৎ। অনেকে মনে করতে পারেন, মানসিক চাপ তো চাইলেই দূর করা যায় না! তাহলে কীভাবে সম্ভব! উপায় আছে। মাত্র ১ টুকরো বরফ! এতেই সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে অনেকটা। বিশ্বাস হচ্ছে না? জেনে নিন উপায়।
ঘাড়ের পেছনে একটি বিশেষ প্রেসার পয়েন্ট আছে। আর সেই বিশেষ পয়েন্টে ১ টুকরা বরফ কিছুক্ষণ ধরে রাখতে পারলে আপনার দেহের নানা সমস্যা দূর করে দিতে পারে নিমেষেই। যেমন-
১) হজম সংক্রান্ত সমস্যা,
২) ঘুম সংক্রান্ত সমস্যা,
৩) মানসিক চাপ,
৪) ঠাণ্ডা লাগা বা সর্দি-কাশির সমস্যা,
৫) মাথাব্যথা, দাঁতে ব্যথা সহ শারীরিক নানা দীর্ঘমেয়াদী ব্যথার সমস্যা,
৬) শ্বাস প্রশ্বাসের সমস্যা এবং কার্ডিওভ্যস্কুলার সমস্যা,
৭) থাইরয়েড সমস্যা,
৮) মেয়েদের মাসিকের সমস্যার সমাধানে আমাদের ঘাড়ের পেছনে একটি বিশেষ প্রেসার পয়েন্টে কিছুক্ষণ ধরে রাখতে হবে ১ টুকরা বরফ।
এবার জেনে নেওয়া যাক এর পদ্ধতি সম্পর্কে-
ঘাড়ের ঠিক মাঝখানের যে পয়েন্টের নাম ফেং ফু। এই পয়েন্টটি খুঁজে বের করার পর ১ টুকরা বরফ এই পয়েন্টে ধরে রাখুন। ২০ মিনিট এই পয়েন্টে বরফের টুকরা ধরে রাখুন। নিয়মিত সকালে খাবার খাওয়ার আগে এবং রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে এই কাজটি করুন। তবে শুরুতেই ২০ মিনিট বরফ ধরে রাখা হয়তো সম্ভব হবে না। তাই প্রথম কয়েকটা দিন ৩০-৪০ সেকেন্ড বরফ ধরে ধরে রাখতে পারলেই হবে। খেয়াল করবেন, এই পয়েন্টে কিছুক্ষণ বরফ ধরে রাখার পর কিছুটা উত্তাপ অনুভূত হবে। নিয়মিত এই পদ্ধতি পালনে শারীরিক সমস্যার পাশাপাশি মানসিকভাবেও সুস্থতা বোধ করবেন।
এমন সব পরামর্শ অথবা ব্লগের জন্য জয়েন করুন -
🔰https://www.facebook.com/groups/149192167228573 🔰
#konna #কন্যা #mentalissue #mentalhealth #mentalillness #anxiety #bipolar
1 954
প্লীজ ভুল শুধরে নিনঃ
অনেকেই মনে করেন ১২০/৮০mmHg ই শুধু স্বাভাবিক ব্লাড প্রেসার। কিন্তু সেটা ভুল ধারণা।
এই ভুলের কারনে প্রায়ই আমরা এমন রোগী পাই, যারা এসে বলেন "আমার তো লো প্রেসারের সমস্যা আছে।"
প্রেসার মেপে দেখি ১০০/৭০mmHg. অথচ এটা লো প্রেসার নয়। এটাও স্বাভাবিক প্রেসার।
স্বাভাবিক প্রেসার আসলে কত?
স্বাভাবিক প্রেসারঃ
উপরেরটা ৯০-১৪০mmHg. এটাকে বলে সিস্টোলিক ব্লাড প্রেসার।
আর নিচেরটা ৬০-৯০mmHg. এটা হচ্ছে ডায়াস্টোলিক ব্লাড প্রেসার।
অর্থাৎ প্রেসার উপরেরটা ৯০ এর কম হলে লো প্রেসার, ১৪০ এর বেশি হলে হাই প্রেসার।
আর নিচেরটা ৬০ এর কম হলে লো প্রেসার এবং ৯০ এর বেশি হলে হাই প্রেসার।
Attention:
অল্প কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া একজন নন মেডিকেল মানুষ এটুক জানলেই চলবে।
তবে
১.বয়স বেশি হলে প্রেসার স্বাভাবিকভাবেই একটু বেশি পাওয়া যেতে পারে।
২.ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে প্রেসার থাকা উচিত ১৩০/৮৫ mmHg এর মধ্যে।
সবার এই প্রাথমিক জ্ঞান থাকা উচিত নইলে পদে পদে বিপদে পড়তে পারেন।
Source:
১.Nhs
২.যদিও american heart Association এর মতে কিছুটা ভিন্নতা আছে।
ডা.মাহামুদুল ইসলাম চৌধুরী
এমবিবিএস,বিসিএস স্বাস্থ্য
