fa
Feedback
জ্ঞান - Knowledge

জ্ঞান - Knowledge

رفتن به کانال در Telegram

🙂🙂🙂

نمایش بیشتر
1 954
مشترکین
اطلاعاتی وجود ندارد24 ساعت
-77 روز
-1830 روز
آرشیو پست ها
MBBS ডাক্তারদের অনলাইনে USA তে উচ্চ শিক্ষার (Doctorate/PhD) করার সুবর্ন সুযোগ! (আগামী ৫দিনের মধ্যে আবেদন করতে হবে!) যে সকল বাংলাদেশী MBBS ডাক্তারগন ইন্টিগ্রেটিভ মেডিসিন লাইনে উচ্চতর ডিগ্রি করতে আগ্রহী তাদের জন্য সম্পূর্ণ অনলাইনে The University of Integrated Health(UIH) এ নিম্নে উল্লেখিত ডিগ্রিগুলো করার সুযোগ রয়েছে। উক্ত ডিগ্রিগুলো করতে যে খরচ হবে Prof. Dr. Mojibul Haque তা সম্পুর্ণ স্পন্সর করবেন। বাংলাদেশী চিকিৎসক গন যেন আরো উন্নত মানের চিকিৎসা সেবা দিতে পারে সে উদ্দেশ্যে Dr. Haque এর এই মহৎ উদ্যোগ। সবাই স্যারের জন্য দোয়া করবেন । আগ্রহী গন শীঘ্রই যোগাযোগ করুন: WhatsApp: +8801705 571 316 অথবা আপনার CV সরাসরি সেন্ড করুন: acrhbd@gmail.com অথবা রেজিস্ট্রেশন করুন: https://forms.gle/zXnCohiWh4H8JD3AA শুধুমাত্র ২৮ বছর বয়সের অধিক অভিজ্ঞ ডাক্তারদেরকে বাছাই করে এই স্পনসর করা হবে। আবেদনের শেষ তারিখ: ফেব্রুয়ারী ০২, ২০২৩, বৃহস্পতিবার! পিএইচডি/ডক্টরেটের বিষয়: -ইন্টিগ্রেটিভ মেডিসিন -ফাঙ্কশনাল মেডিসিন -ন্যাচারাল মেডিসিন Doctoral Program Link: https://uih.education/

"কোনো মহিলা যদি কোনো পুরুষের সামনে, ঘরের ভিতরে দুলাভাই, ভাসুর, দেবরের সামনে, ঘরের বাইরে রাস্তা ঘাটে বেরিয়ে যান; মাথার চুল বেরিয়ে আছে, কান বেরিয়ে আছে, ঘাড়, গলা বেরিয়ে আছে, বাজু, বাহু বেরিয়ে আছে, তবে প্রতি সেকেন্ডে একটা করে মহা কবিরা গুনাহ ওই মহিলা, তার স্বামী, অথবা আব্বা আম্মার আমলনামায় জমা হতে থাকে।" __ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর (রহিমাহুল্লাহ)

🔻এলাচ ভেজানো পানিতে মিলবে রোগের সমাধান 🔻 প্রতিদিনের রান্নায় সবাই কমবেশি এলাচ ব্যবহার করেন। সবার রান্নাঘরেই এই মসলাটি থাকে। শুধু রান্নায় ঘ্রাণ বা স্বাদ বাড়াতে নয় বরং এলাচ স্বাস্থ্যের জন্যও অনেক উপকারী। এলাচে অনেক পুষ্টিগুণ আছে। যা মানুষের শরীরে বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে। এলাচে থাকে ক্যালোরি, ফাইবার, সোডিয়াম, পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, আয়রন, ভিটামিন সি, প্রোটিনসহ নানা উপাদান। অ্যান্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ এলাচ বিভিন্ন রোগের দাওয়াই হিসেবেও কাজ করে। দুই ধরনের এলাচ পাওয়া যায়- সবুজ ও কালো এলাচ। জানেন কি, ছোট ছোট এলাচ দানার গুণে শারীরিক বিভিন্ন ব্যাধি থেকে মেলে মুক্তি। এজন্য এলাচ ভেজানো পানি দৈনিক পান করতে হবে। ওজন কমানো থেকে শুরু করে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে এলাচ। এ ছাড়াও বিভিন্ন সমস্যা থেকেও মুক্তি মেলে এলাচ ভেজানো পানি খেলে। জেনে নিন এলাচ জল খেলে শরীরে কী ঘটে? >> প্রতিদিন সকালে এলাচ ভেজানো পানি খেলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে। এতে থাকা অ্যান্টি অক্সিডেন্ট রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। তাই যাদের উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা আছে, তারা এই পানি খেলে উপকার পাবেন। >> রক্ত জমাট বাঁধার সমস্যাও কিছুটা কমাতে পারে এই পানীয়। রক্ত সঞ্চালনের গতিও বাড়ায় এটি। >> শরীরের দূষিত পদার্থ দূর করে এই পানীয়। ফলে ওজন কমে। >> যাদের ত্বকে দ্রুত বয়সের ছাপ পড়তে শুরু করে, তারা নিয়মিত সকালে খালি পেটে এই পানি খেলে ত্বক টানটান হয় ও বলিরেখা কমে। >> দাঁতের গোড়ার নানা ধরনের সংক্রমণও কমে এই জল খেলে। >> এলাচে থাকা অ্যান্টি অক্সিডেন্ট হার্টের জন্য অনেক উপকারী। হার্টের রোগীদের প্রতিদিন একটি করে এলাচ খাওয়া উচিত। >> এলাচের থাকা ওষুধি গুণ হজম ক্ষমতা বাড়ায়। ফলে পেটের সমস্যা থেকে মুক্তি মেলে। >> শীতে শ্বাসকষ্টের সমস্যা বেড়ে যায়। এ সমস্যা সমাধান করে এলাচ। প্রতিদিন এলাচ ভেজানো পানি খেলে খেলে শ্বাসকষ্ট থেকেও মিলবে মুক্তি। এ ছাড়াও সর্দি-কাশি নিরাময়েও সাহায্য করে এই পানীয়। >> প্রতিদিন এলাচ খেলে তা ক্যানসার রোধে সহায়ক হিসেবে কাজ করে। এলাচ শরীরে ক্যানসারের টিউমার ও কোষগুলো বৃদ্ধিতে বাঁধা দেয়। এটি শরীরে কোলেস্টেরল কমাতেও সাহায্য করে। >> স্মৃতিশক্তি বাড়াতে সবাই বাদাম খান। তবে জানেন কি, এলাচও স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। এলাচের সুগন্ধ মস্তিষ্ককে সতেজ করে ও শান্ত রাখে। প্রতিদিন এলাচ জল খেলে স্মৃতিশক্তি বাড়ে ও ডিপ্রেশন দূর হয়। >> এলাচে থাকা অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল উপাদান অ্যার্লাজির সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে। >> ত্বককে উজ্জ্বল করতেও সাহায্য করে এলাচে থাকা ভিটামিন সি। যা ত্বকে রক্ত সঞ্চালনও বাড়ায়। এলাচ ত্বক পরিষ্কার রাখতেও সাহায্য করে। >> নিয়মিত এলাচ ভেজানো পানি খেলে চুলের স্বাস্থ্যও ভালো রাখে। এলাচ চুলের সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। কীভাবে তৈরি করবেন এলাচ জল? প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর আগে এক গ্লাস পানিতে ৭-৮টি এলাচ ভিজিয়ে রাখুন। সকালে এলাচ ভেজানো পানি ছেঁকে খালি পেটে পান করুন। ভেজানো এলাচগুলো ফেলে না দিয়ে রান্নায় ব্যবহার করতে পারেন। এমন সব পরামর্শ অথবা ব্লগের জন্য জয়েন করুন - 🔰https://www.facebook.com/groups/149192167228573 🔰 #কন্যা #konna #health #healthcare #healthyfood #nutrition #woman #womanhealth #winter #vegetables #cardamom

*প্রতিদিনের গতিবিধি তে আচার-আচরণ কোনো পরিবর্তন হচ্ছে কিনা লক্ষ্য করুন। তার সাথে মিশুন। বন্ধু হোন। তাকে নিজের গল্প গুলো বলুন। স্বপ্ন গুলো বলুন। অপ্রাপ্তি গুলো শুনান।**** * লেখাগুলো অগোছালো মনে হলেও পড়বেন এবং বুঝার চেষ্টা করবেন। * আমাদের ছেলেমেয়ে গুলো আমাদের হাতছাড়া হয়ে যাচ্ছে। নষ্ট ও কুৎসিত সংস্কৃতির দিকে ঝুঁকছে। !!!!!!! রক্ষা করুন!!!!!

অভিভাবকদের দৃষ্টি আকর্ষণ একটা সময় আসবে - আমরা হয়তো ভুলে যাবো কে আমাদের মা? কে আমাদের বাবা? কারা আমাদের পরিবার? তখন হয়তো আমরা আমাদের তথাকথিত প্রেমিক-প্রেমিকাদের মিথ্যে অভিনয়ে জালে ফেঁসে আমাদের বাবা-মা,ভাই-বোনের ত্যাগ- ভালোবাসার কথা ভুলে যাবো। আসলে উপরে যে সময়টার কথা বলেছি- ঐ সময়টা চলে এসেছে। প্রতিনিয়ত আমাদের আশেপাশে এমন অনেক ঘটনা ঘটতেছে। যেগুলো আমরা শুনি- দেখি কিন্তু কিছু বলি না। কারণ ঘটনাগুলো আমাদের সাথে ঘটে না। অন্য কারো সাথে ঘটতেছে। যার কারণে এখন পাত্তা দিই না। তবে হাসতে পারি। আমাদের আশেপাশের ছোটো ভাই - বোনেরা তাদের ভালোবাসার মানুষের হাত ধরে চলে যাচ্ছে এক অমোঘ অন্ধকার জগতের দিকে। তারা ভাবছে না তাদের বাবা- মা আর পরিবারের অন্যদের কথা। গত কয়েকদিনে আমার পরিচিত মহলে এমন দুটি ঘটনা শুনে খুবই ভয় পাচ্ছি। কীভাবে বড় করবো আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে? কী যে বিশ্রি এবং জঘন্য এক সমাজব্যবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছি - তা কেউ ভাবছে না। সারা জীবন যে বাবা-মা সন্তানকে লালন-পালন করে বড় করেছে,পড়ালেখা করিয়েছে, সেই বাবা-মায়ের কথা না ভেবে সন্তানেরা অন্য কোনো ছেলে- মেয়ের সাথে চলে যাচ্ছে! * এইচএসসি পড়ুয়া একটা মেয়ে বাসা থেকে বেরিয়ে যাচ্ছে, টিউশনে যাবে। বাবা-মা জানে মেয়ে কলেজের স্যারের কাছে প্রাইভেটে গেছে। অথচ সেই মেয়ে অন্য ছেলের সাথে পালিয়ে যাচ্ছে, তারা গর্ভধারিণী মা কে ছেড়ে,বাবাকে ছেড়ে।। ***আমরা দিনে দিনে প্রাণহীন পশুতে পরিণত হচ্ছি। আমাদের বাবা-মা আমাদের জন্য কত ত্যাগ করেন। কত দুঃখ-কষ্ট সহ্য করেন। নিজেরা না খেয়ে আমাদের খাওয়ান। আমাদের মায়েরা একই পুরানো শাড়ি দিয়ে বছরের পর বছর কাটিয়ে দেন। **বাবা নামের মানুষটা সকালে বের হয়ে সন্ধ্যায় বাসায় আসেন। একটা শার্ট, একটা পাঞ্জাবি, এক জোড়া জুতা - ব্যস! বছর যায়, বছর আসে - বাবার পরার ঐ শার্ট প্রত্যেক ইদেই নতুন হয়। জুতাখানা কয়শো বার সেলাই হয়- তা বাবাই বলতে পারে না। ***অথচ আমরা কিনা নিজেদের স্বার্থের কথা ভেবে বাবা-মায়ের কষ্টকে পরোয়া না করে চলে যায় অন্য কারো সাথে? এমন সন্তানকে এরপরেও হয়তো বাবা-মা মেনে নেন কারণ তারা আমাদের বাবা-মা.। ****আমাদের বাবা-মা আমাদের কাছে কখনো টাকা পয়সা চান না, তারা চান আমরা যেন সুখে থাকি। অথচ আমরা আমাদের সুখের কথা ভেবে বাবা-মা কে ভুলে যায়? *** মেয়েটা এসএসসি পরীক্ষার্থী। মেধাবী। বাসা থেকে বের হওয়ার সময় মা কে বলেছে, " মা আমি স্কুলে যাচ্ছি। " স্কুলে এসে স্যারকে বললো," স্যার, আমার ছুটি লাগবে। দাদার বাড়ি যাবো।" মা জানে মেয়ে স্কুলে, স্কুলের স্যার জানে ছাত্রী দাদার বাড়ি। আসলে মেয়ে কোনো এক ছেলের সাথে পালিয়ে রেস্টুরেন্টে একটু রোমাঞ্চ করতে এসেছে। পরে মা গিয়ে আবার মেয়েকে ধরে আনে রেস্টুরেন্ট থেকে। **কী একটা অবস্থা। সমাজ থেকে আত্মসম্মান, মান-মর্যাদা, নীতি-নৈতিকতার যে সুস্থ ও স্বাভাবিক ধারা ছিলো সেটা যেন ক্রমশ হারিয়ে যাচ্ছে। *আমাদের নতুন নতুন অভিভাবকরা এটাও জানে না," ছেলে- মেয়েরা কখন কোথায় কোন স্যারের কাছে পড়ছে?" ***বর্তমানের বাবা-মায়ের দরকার শুধু একটা জিপিএ ফাইভ। এটা পেলেই তারা সন্তুষ্ট। এর মাঝে সন্তানকে যে কিচ্ছু শেখাতে হয়, তারা তাও জানে না। *** ছেলেমেয়েরা মোবাইল ব্যবহার করে। মোবাইল ব্যবহার হয়তো কিছু কাজে জরুরী। কিন্তু সবসময় নয়। আপনার ছেলে বা মেয়ে মোবাইলে কী করছে, কার সাথে কথা বলছে, কাকে মেসেজ করছে সেটা মাঝে মাঝে চেক করে দেখেছেন? দেখলে হয়তো অবাক হয়ে অজ্ঞান হয়ে যাবেন। বাবা-মায়ের কষ্ট কোনো সন্তানই বুঝে না। ** করণীয় কী: বর্তমানে সমাজ ব্যবস্থা এমন এক পর্যায়ে চলে গেছে চাইলেও আর আগের অবস্থায় যাওয়া সম্ভব নয়। তাই অভিভাবকদেরও একটু স্পাই বা গোয়েন্দাদের মতো হওয়া উচিত। **আপনার সন্তান স্কুলে নিয়মিত যাচ্ছে কিনা- খবর নিন। সপ্তাহে ২-৩ দিন স্কুলের স্যারদের ফোন করে খবর নিন, সে স্কুলে আছে কিনা? **প্রাইভেটের কথা বলে বেরিয়ে যাওয়ার পর আসলে সেখানে গেছে কিনা- খবর নিয়ে দেখেছেন? খবর নিয়ে দেখেন। হয়তো প্রাইভেটের নামে আপনার মেয়ে বা ছেলে রেস্টুরেন্টে বসে অন্য বিষয়ের উপর কোর্স করছে? **২-৩ দিন পরপর স্কুল ও প্রাইভেটের স্যারের কাছে ফোন করুন। **যত কম মোবাইল ব্যবহার করতে পারেন, তত ভালো হবে। ১৮ বা ২০ বছরের আগে মোবাইল দেওয়া উচিত না। *কোনো কিছু চাওয়া মাত্র দিবেন না। হয়তো আপনার কাছে প্রচুর টাকা, আপনার ছেলে বা মেয়ে চাইলেই আপনি দিয়ে দিচ্ছেন। কিন্তু এতে তার ভবিষ্যৎ কে কতটা নষ্ট করছেন- তা হয়তো আপনি ভাবতে পারছেন না। * ছেলেমেয়েদের কাছে বেশি কঠিন না হয়ে বন্ধু হওয়ার চেষ্টা করুন।*

মানসিক হতাশাগ্রস্ত সন্তানকে কিভাবে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনা সম্ভব? ব্যবস্থাপত্র কি হবে? ----- বিভিন্ন কারনে সন্তান ডিপ্রেশনে বা হতাশায় নিজ্জমিত হতে পারে। বাবা-মা’র অগোচরে সন্তান পর্নোগ্রাফি, মাদকদ্রব্য বা ভিডিও গেইম-এ আসক্ত হয়ে পড়তে পারে। একবার যদি সন্তান বেশীর মাত্রার ডিপ্রেশনে (Clinical depression) পতিত হয় সেখান থেকে সহজে মুক্তি মিলে না। পিতামাতাকে এই কঠিন বাস্তবতা মাথা রাখতে হবে। দীর্ঘদিন প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতাকালীন সময়ে বেশ কিছু ডিপ্রেশনে ভোগা শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে দেখেছি, তাদেরকে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে অনুরোধ করেছি। হতাশায় নিমজ্জিত মানুষকে নিরপেক্ষ মানুষের সহযোগিতা ছাড়া পরিবারের লোকজন তাকে সচারাচর স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আনতে পারে না । এজন্য মনোরোগ বিশেষজ্ঞের অধীনে কাউন্সিলিং নিতে হবে। শুরুতে সন্তানরা যেতে চাইবে না, কিন্তু তাকে বুঝাতে হবে। মনোরোগ বিশেষজ্ঞরা নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে পরামর্শ দিবেন যা বাস্তবায়নে পরিবারের সবার সহযোগিতা দরকার পড়ে। সন্তানের মানসিক অবস্থা উন্নয়নে আরো বিকল্প কিছু যেতে পারে। ছেলে সন্তান হলে তাকে ধর্ম-কর্মে উদ্বুদ্ধ করতে চেষ্টা করা। হতাশাগ্রস্ত মানুষরা নিজের স্থানে (বাসা বা হোস্টেল) অবস্থান করে ধর্ম-কর্ম বা গঠনমূলক কোন সামাজিক কাজে জড়িত হতে আগ্রহ পায় না যা অভিজ্ঞতায় দেখেছি। অবস্থার উন্নতি ঘটাতে হলে থার্ড পার্টি প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে ছেলে সন্তানকে তাবলীগের কাজে জড়িত করা। প্রসংগত, মাদকাসক্ত কাউকে পূর্নবাসন করতে যে পদ্ধতি অনুসরণ (অনেক গবেষণার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত) করা হয় সেই একই পদ্ধতি তাবলীগে মাধ্যমে বাস্তবায়িত হয় যদিও তাবলীগে প্রচলিত সিস্টেম অনেক আগে থেকেই চলে আসছে। তাবলীগে মাধ্যমে বাসা ছেড়ে নির্দিষ্ট সময় (যেমন ৪০ দিন) ব্যয় করলে জীবন সম্পর্কে, জীবনের মিনিং সম্পর্কে অনুধাবন করা যায়। একাধারে অনেকদিন কাটালে সেই অনুভূতি স্থিতিশীল হতে দেখা যায়। তাছাড়া তাবলীগে গিয়ে অনেক শারীরিক পরিশ্রমও করতে হয়, অনেক কষ্ট করতে হয়। পূর্বাসনের ক্ষেত্রে বার বার একই থেরাপি চালু রাখা হয়। তাবলীগের ক্ষেত্রে কেউ বাসায় ফিরে আসলেও তাকে প্রতিদিন নির্দিষ্ট কিছু কাজ করতে হয়, মানুষের সাথে দাওয়াত দেয়ার জন্য মিশতে হয়, প্রতি সপ্তাহের কাজ রয়েছে এবং প্রতি মাসে আবার কয়েকদিন তাবলীগে কাটানো হয়। যারা এগুলোর সাথে লেগে থাকে তারা শুধু স্বাভাবিক লাইফে ফিরে না, তারা অনেক দায়িত্বশীল হতে পারে। নিজের অভিজ্ঞতায় দেখেছি তাবলীগে গিয়ে অনেক মানুষ স্বাভাবিক জীবনে ফিরে এসেছে। #সন্তান_প্রতিপালনে_এ_যুগের_চ্যালেঞ্জ #sorowar_parenting

মাইয়া সন্তানের বাপ হইয়া পড়ছি বিপদে। মাইয়াকে এক্সট্রা শিক্ষা দিতে হবে। মাইয়াকে বোঝাইতে হবে— পুরুষ তোমার শ ত্রু না। মাইয়াকে বোঝাইতে হবে পুরুষবিদ্বেষ মানেই নারীবাদ না। মাইয়াকে বোঝাইতে হবে পুরুষের ওই শক্ত শক্ত পেশির ভেতরে লুকিয়ে আছে এক মমতা কাতর মানুষ, যাকে ভালোবাসা দিয়ে পোষ মানানো যায়। মাইয়াকে আরও বোঝাইতে হবে— স্বনির্ভরতা মানে অর্থনৈতিক মুক্তি। স্বনির্ভরতা মানে হাতা কাটা ব্লাউজ আর বড় টিপ না। স্বনির্ভরতা মানে নিজের কামাই নিজে খাওয়া। মাইয়াকে বোঝাইতে হবে— মানুষের বৈশিষ্ট্য হচ্ছে কম্প্রোমাইজ। মাইয়াকে বোঝাইতে হবে সংসার মানে সেক্রিফাইস ও কম্প্রোমাইজ। মাইয়াকে বোঝাইতে হবে যে— সংসার টিকাইয়া রাখতে পারাও একটা গুণ। ডিভোর্স একটা অস্থায়ী ফ্যাশন। এই ফ্যাশনের ফাঁদ থেকে মাইয়াকে বাঁচাইতে হবে। মাইয়াকে 'ডিপ্রেশন' নামের আধুনিক ফ্যাশন থেকেও দূরে রাখতে হবে। মোটিভেশন স্পিকারদের খপ্পড় থেকে মেয়েকে সুরক্ষা দিতে হবে। মাইয়াকে বুড়া কবিদের সঙ্গে চ্যাটিংয়ের ক্ষতি সম্পর্কে বোঝাইতে হবে। মাইয়ার বাপ হিসেবে আমার অনেক দায়িত্ব, অনেক। আমার মেয়ে পিঠ বের করে তথাকথিত 'সাহসী নারী' হওয়ার আগেই ওকে 'সাহস'—এর আসল সংজ্ঞা শিখাইতে হবে। মাইয়াকে এমনভাবে বড় করে তুলব যাতে পয়সা ইনকামের জন্য ক্যামেরার সামনে ওর বুক ও রান বের করে রাখা না লাগে। আমি চাই আমার মেয়ের শুধু মস্তিষ্কটাই লোকে দেখুক, ওর বুক, রান ও পিঠ নয়। © শিবলী আহমেদ

শেখো। যেখান থেকে পারো, শেখো। বই পড়ে। আড্ডায়। গল্পে। মুভি দেখে। ক্লাস রুমে। ভ্রমণে। প্রকৃতির তুমুল আলোড়নে। পরিবার থেকে। স্বজন থেকে। জীবনের শেখা শুধু চাকরির জন‍্য নয়। জীবনের শেখা শুধু টাকার জন‍্য নয়। জীবনের শেখা হলো জীবনকে উপভোগের জন‍্য। জীবনকে ড্রাইভ করার জন‍্য। তোমার জীবন একটা যাত্রা। এবং তুমি সেটার ড্রাইভার। তোমাকে শিখতে হবে। সেই শিক্ষা তোমার চোখ-কান খোলা রাখবে। তুমি তোমার জীবনকে যেনো ঠিকভাবে ড্রাইভ করতে পারো। তুমি শুধু বড়ো বড়ো ডিগ্রী নিলেই হবে না। পৃথিবীর সেরা সেরা ইউনিভার্সিটিতে পড়লেই শুধু হবে না। তোমাকে শিখতে হবে, কি করে মানুষের সাথে চলতে হয়। তোমাকে শিখতে হবে সহনশীলতা। তোমাকে শিখতে হবে ভিন্ন সংস্কৃতি মেনে নেয়ার শিক্ষা। তোমাকে শিখতে হবে কি করে পারিবারিক বন্ধনকে আগলে রাখতে হয়। তোমাকে শিখতে হবে কি করে সন্তান বড়ো করতে হয়। তোমাকে শিখতে হবে কি করে মানবিক হতে হয়। শুধু বড়ো চাকরি করলেই হবে না। তোমাকে শিখতে হবে কি করে সৃষ্টি করতে হয়। তোমাকে শিখতে হবে কী করে জীবনের আনন্দকে উপভোগ করতে হয়। তোমাকে শিখতে হবে কি করে জীবনকে আগলে রাখতে হয়। তোমাকে শিখতে হবে কি করে দুঃসময়ে শক্ত থাকতে হয়। তোমাকে শিখতে হবে কি করে যন্ত্রণাকে হজম করতে হয়। শেখা শুধু ডিগ্রির জন‍্য নয়। সার্টিফিকেটের জন‍্য নয়। শেখা শুধু অর্থের জন‍্য নয়। শেখা শুধু বাড়ি-গাড়ি কেনার জন‍্য নয়। পাশের বাড়ির ছেলে-মেয়েকে জানানোর জন‍্য নয়। জীবনের অনেক বড়ো বড়ো শিক্ষাগুলো তুমি বইয়ে পাবে না। স্কুল-কলেজে তোমাকে শেখানো হবে না। কিন্তু জীবন তোমাকে শেখাবে। সে শিক্ষা নেয়ার জন‍্য তোমাকে প্রস্তুত থাকতে হবে। শেখা হলো আনন্দের জন‍্য। শেখা হলো জীবনের জন‍্য। শেখা হলো জীবনকে চালিয়ে নেয়ার জন‍্য। জীবনের এই দীর্ঘ পথ পাড়ি দেয়ার জন‍্য। শেখো, শেখো, শেখো। …………………… @Rauful Alam

💔 যৌন অনীহা 💔 নারীর যৌন অনীহা শারীরিক কিংবা মনস্তাস্তিক উভয় কিংবা যেকোন একটি কারনে হতে পারে। স্বাভাবিক ভাবেই বেশিরভাগ নারীর এ সমস্য খুবই ক্ষনস্থায়ী হয়ে থাকে। নারীর যৌন আকাঙ্খা কম থাকাকে যৌন দুর্বলতা অথবা "ফিমেল সেক্সুয়াল এ্যরুসাল ডিজওর্ডার" বলা হয়। অনেক নারী আপনা থেকেই এ সমস্যা কাটিয়ে উঠতে পারে। কিন্তু যারা পারেন না তাদের বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নেবার প্রয়োজন পড়তে পারে। যৌন অনীহা নারীর ক্ষেত্রে সচরাচর দেখা যায়। তবে পুরুষের ক্ষেত্রে এমনটি খুব কমই দেখা যায়। শারীরিক যে সব কারন থাকতে পারেঃ ১।রক্ত স্বল্পতা, যা নারীদের মাসিক ঋজচক্রকালীন রক্তে আয়রনের হার হ্রাস পাওয়া থেকে প্রকট হয়। ২।মদ্যপানে আসক্তি। ৩।মাদাকাসক্তি। ৪।ডায়াবেটিস জাতীয় রোগ দেখা যায়। ৫।সন্তান প্রসব। সন্তান প্রসবের পরবর্তী কিছু সময়কাল নারীর যৌন আকঙ্খা সম্পুর্ন হারিয়ে যায়। এটি শরীরে হরমোনাল পরিবর্তনের সাথে প্রায় সরাসরি জড়িত। বেশির ভাগ নারী সন্তান জন্মদেবার পর মানসিক ভাবে অনেকটা বিক্ষিপ্ত থাকেন তাই তারা শারীরিক মিলন নিয়ে চিন্তা করার অবকাশ পাননা। ৬।কিছু ঔষধের পাশ্বপ্রতিক্রিয়া। ৭।Hyperprolactinaemia - পিটুহিটারী গ্রন্থির অতিরিক্ত ক্রিয়াশীলতায় এ সমস্যা দেখা দেয়। মনস্তাস্তিক কারন সমুহঃ ১।অবসাদ কিংবা বিষন্নতা ২।দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হওয়া; যখন নারী দুশ্চিন্তাগ্রস্ত থাকে তখন এ্যডরিনাল (মুত্র) গ্রন্থি ইষ্ট্রোজেন এবং টেষ্ট্রোষ্টিরন হরমোন সৃষ্টিতে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। ইষ্ট্রোজেন এবং টেষ্ট্রোষ্টিরন হরমোনই নারী শরীরে যৌন আকাঙ্খা উৎপন্ন করে। ৩।উদ্বিগ্নতা। ৪।শিশুসুলভ মনোভাবের পুর্নজন্ম। ৫।পুর্বের ধর্ষণ কিংবা যন্ত্রনাদায়ক শারীরিক সম্পর্কের শিকার হওয়া। ৬।স্বামীর সাথে প্রচন্ড মানসিক বিবাধ থাকা। যৌন অনীহায় নারীর করনীয়ঃ কোন নারী যদি অনুমান করতে পারে যে তার ভেতর যৌন অনীহা কাজ করছে তাহলে সে নারী ডাক্তারের সাথে দেখা করে তার সমস্যা নিয়ে আলোচনা করতে পারে। পরিবার পরিকল্পনা অফিসের নারী কর্মীও এই ব্যপারে সেই নারীকে সহযোগীতা করতে পারে। এমন সব পরামর্শ অথবা ব্লগের জন্য জয়েন করুন - https://www.facebook.com/groups/149192167228573 #konna #girls #pleasure #sexeducationedit #snapchat #instagood #sexeducationnetflix #beautiful #romantic #sexeducator #sexeducation #love #sex #sexpositive #sexualhealth #couplegoals #health #healthy

আপনি ২০ বছরের ছেলে বা মেয়ে হলে আপনার এটা পড়া প্রয়োজন। ১) রুটিন বানান কনসিসট্যান্টলি রুটিনটা ফলো করুন। রুটিন আমাদের সাব-কনশাস মাইন্ডে প্রভাব পরে যেকোন অভ্যাস করতে সাহায্য করে। ১১ টার ভিতরে ঘুমান ৭ টার মধ্যে উঠে পড়ুন। ২) প্রতিদিন ৩০ মিনিট হলেও বই পড়ুন, লিখুন। ৩) লার্ন হাই ইনকাম স্কিল যা পার মান্থ $1000 আর্ন করতে পারবেন।(হিউম্যানিটিস গ্রুপ থেকেও সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হয়, আপনি সায়েন্সের হয়ে পারবেন না কেন?) ৪)প্রতিদিন ১০০ পুশআপ দিন যা ৯৭% মানুষ থেকে আপনাকে হেলদি রাখবে। ৫)বিল্ড সেলফ ডিসিপ্লিন সকালে ঘুম থেকে উঠে ঠান্ডা পানি দিয়ে শাওয়ার করুন। (কয়েকদিন করলেই বুঝতে পারবেন আপনাকে বুস্ট রাখবে) ৬)ইন্টারনেটে আপনার একটি আর্নিং এর ওয়ে রাখুন, ইন্টারনেটে এন্ডলেস পসিবিলিটিস রয়েছে আর্নিং করার। ৭)আপনার সুন্দর জীবনের জন্য দ্বায়িত্ব নিন। এবং কোন পরিস্থিতিতেই অন্যকে দোষারোপ করবেন না। ৮)আপনার হেল্থ অপ্টিমাইজ করার জন্য আপনার দৈনন্দিন ডায়েটে প্রোটিন, তাজা ফল এবং দুই লিটার পানি অন্তর্ভুক্ত করুন। ৯)এমন বন্ধুদের সাথে হ্যাঙ্গআউট করুন যারা ভালো জীবনযাপন করছে, যারা গসিপ, কমপ্লেইন, একে অপরে জেলাস তাদের এভয়েড করে চলুন। ১০) ভালো পোষাক পরিধান করুন, ফ্র্যাগনেন্স মোস্ট ইমপর্ট্যান্ট। কমিউনিকেশন স্কিল বাড়ান আপনার সাকসেসের হার ৯৪% বুস্ট হবে। ১১)প্রকৃতির সাথে বন্ধুত্ব করুন, মাইন্ড রিফ্রেশমেন্টের জন্য ১০০০ স্টেপস হাঁটুন, বুস্ট ইউর মোড এন্ড গেট ক্রিয়েটিভ। ১২)এমন পাবলিক থেকে দূরত্ব বজায় রাখুন যারা তাদের প্রয়োজনে আপনাকে চিনে বাকি সময় আপনাকে চিনে না। দে আর ইউর গ্রেটেস্ট সেটব্যাক। ১৩)ড্রা*গস, প*র্ণ, এলকোহল থেকে দূরে থাকুন এইগুলো আপনার ডোপামিন হরমোন নিঃসরণ হতে দিবে না যার কারনে আপনি ডিপ্রেসড ফিল করবেন।

সহ-বাসের আগে স্বামীদের করনীয়ঃ- ১. পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা,সুগন্ধি ব্যবহার করা,ব্রাশ করা। ২. রোমান্টিকতা করা,সরাসরি মিলন না করা। ৩. সর্তকতা অবলম্বন করা, নির্জন পরিবেশ রক্ষা করা করুন। ৪. সহ-বাসের আগে স্ত্রী কে জানিয়ে দেওয়া তাহলে পূর্বপ্রস্ততি নেওয়া অধিকতর সহজ স্ত্রীদের জন্য, অনেকক্ষেত্রে পুরুষ এই বিষয় কে এড়িয়ে চলে। ৫.কিছু জিনিস হাতের কাছে রাখা সাপ্লিমেন্ট হিসাবে জিনসেং, জিংক,ভিটামিন, স্প্রে ও জেল, কন-ডম ইত্যাদি। ৬.টুকটাক যৌ-ন মিলন সম্পর্কে জ্ঞান রাখা ভালো। ৭.সহ-বাসের আসনে পরিবর্তন ও ফোরপ্লে করা ৮. মিলনের জন্য জোরাজোরি, তাড়াহুড়ো না করা। ৯.স্ত্রীর যো-নিপথ পিচ্ছিল না আসা পর্যন্ত অপেক্ষা অথবা আহবান না করা পর্যন্ত অপেক্ষা করা। ১০.রাগ,শোক, টেনশনে, নে-শা করে মিলন করা থেকে বিরত থাকুন। #DrSRKhan

Choking বা শিশুর গলায় কিছু আটকে গেলে করণীয়ঃ ১ বছরের ছোট্ট আয়েশা রান্নাঘরে মায়ের পাশে বসে খেলছে। তার মা বসে মটরশুঁটি পরিস্কার করছেন। মা পানি পান করতে একটু দূরে গেলেন। হঠাৎ আয়েশা কাশতে শুরু করলো। মা দৌড়ে ছুটে এলেন। মনে হলো ওর গলায় কিছু আটকে গেছে। এই পরিস্থিতিতে কি করা উচিত বলে আপনাদের মনে হয়?? ✴️✴️শিশুর গলায় কিছু আটকে গেলে করণীয়ঃ গলায় কিছু আটকে যাওয়াকে বলে চকিং, যা মৃত্যুও ডেকে আনতে পারে। নিচের লক্ষণ থাকলে ধরে নেওয়া হয় শিশুর গলায় কিছু আটকে গেছে। * শিশুর শ্বাস-প্রশ্বাসে টান উঠেছে বা শাঁই শাঁই শব্দ শোনা যাচ্ছে * কথা বলতে, কান্না করতে বা মুখে আওয়াজ করতে পারছে না * ঠোঁট-জিব-মুখ নীল হয়ে যাচ্ছে * নিজের গলা বা হাতে হাত বোলাচ্ছে * শিশু ভীষণ আতঙ্কিত অবস্থায় আছে। 🔶✅যা করতে পারেন দাঁড়ানো অবস্থায় শিশুর মুখে হাত ঢুকিয়ে বা পিঠে চাপড় দিয়ে আটকে যাওয়া বস্তু বের করে আনতে চেষ্টা করবেন না, বরং এতে তা শ্বাসনালিতে আরো ভয়ানকভাবে আটকে যেতে পারে। শিশুকে পেছন থেকে ধরে মাথা নিচু করে পেটের দিকে চাপ দিন। এ পদ্ধতিটি হেমলিখ ম্যানুইভার (Heimlich maneuver) নামে পরিচিত। শিশুটিকে দ্রুত হাসপাতালে বা ডাক্তারের কাছে নিয়ে যান। ✅মনে রাখুন * শিশু যদি অনবরত কাশে এবং কথা বলতে পারে, তবে বুঝতে হবে শ্বাসনালি পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়নি। এ অবস্থায় বেশি কিছু না করে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যান। * যদি শিশু অচেতন হয়ে যায় এবং শ্বাস-প্রশ্বাস বন্ধ মনে হয়, তবে ট্রেনিং থাকলে কার্ডিওপালমোনারি রিসাসিটেশন বা 'সিপিআর' অবলম্বন করুন। * শিশু যদি অনবরত কাশে বা শ্বাসে শাঁই শাঁই শোনা যায়, শ্বাসকষ্ট বা গিলতে অসুবিধা দেখা যায়, তবে হাসপাতালে নিয়ে যান। * চার বছরের ছোট শিশুকে গলায় আটকে যেতে পারে এমন খাবার দেবেন না। যেমন-ছোলা, বাদাম। ফল কেটে ছোট করে দিন। * খাবার সময়ে যেন কথা না বলে বা জোরে না হাসে। * বোতাম, ব্যাটারি, বেলুন, কয়েন এ জাতীয় জিনিস যেনো ছোট শিশুর নাগালে না আসে। Dr. Tajreen Jahan Advisor 20 Minute Medical

---পুরুষ নয় মহাপুরুষ------ _পুরুষ মানুষ সুযোগ পেলে, কেবল মাত্র শারীরিক উত্তেজনা ও কামবোধ থেকে যেকোন নারী দেহের কাছে যেতে পারে! নারীদের একটা আলাদা বৈশিষ্ট্য আছে। নারী তার কামবোধকে সংযত করতে পারে। মানসিক আগ্রহ ও কোনরকম আবেগের জায়গা সৃষ্টি না হলে, নারীরা সাধারনত দেহের বিনিময় করেনা। পুরুষের ভেতরও এক শ্রেণীর পুরুষ আছেন, যারা তার তীব্র কামবোধকে নিয়ন্ত্রন করতে পারে। সুযোগ থাকার পরও নারীরা যার তার সাথে নিজেকে ভাগ করেনা! এমন পুরুষের সন্ধান পাওয়া বিরল, তবে শূণ্য নয়। যে পুরুষ সুযোগ থাকার পরও তার কাছের মানুষটির কথা ভেবে, নিজের কামনা ও বাসনাকে নিয়ন্ত্রন করে এবং সকল সুযোগ উপেক্ষা করে ঘরে ফিরে আসে, সে কেবল পুরুষ নয় মহাপুরুষ!তাঁরা দেহের পাগল না,খোঁজে শুদ্ধ প্রেম।যে প্রেমে কোন স্বার্থ থাকে না।বিনা স্বার্থে সব কিছু বিসজন দেয় প্রেমিক। তুমি সেই জাতিয় পুরুষ হলে,যে কোন নারী তোমার প্রেমে পড়তে বাধ্য। আগে নিজে ত্যাগ আর বিসজন দেওয়া শিখো।ভোগ বিলাসীতা কেবল অলসা আর পাপ কর্ম বৃদ্ধি করে,ত্যাগ মানুষ কে উদার আর মহানুভব করে। 🌹🌹🌹🌹

নিজের সন্তানকে সম্মান করা কি জরুরি? ১. সন্তানের সাথে কথা বলার সময় ভাষার ব্যাপারে সচেতন হন,তা সে যত ছোট শিশুই হোক না কেন! কখনোই বাচ্চার সামনে তাকে গালাগালি করা ঠিক নয়। ২. সন্তানকে কখনোই 'বোকা', 'গাধা 'ইত্যাদি বলে অসম্মান করবেন না বা ট্যাগ করবেন না। আমরা নিজেও সকল বিষয়ে পারদর্শী নই, একটি শিশুও সকল বিষয়ে পারদর্শী হবে না। বরং তাকে উৎসাহিত করলে সে তার যোগ্যতার চেয়ে বেশি কিছু করতে পারবে। ৩. সন্তানের সাথে আচার-আচরণের ক্ষেত্রে, আপনি নিজে কোন ভুল করলে অবশ্যই ক্ষমা চান। ৪. কিছু ব্যাপারে অবশ্যই সন্তানের সিদ্ধান্তকে সম্মান করতে শিখুন। যেমন, সে কাউকে নিজেকে ধরতে দিবে কিনা, সে নিজে কাউকে ধরবে কিনা, সে আদৌ বাইরে যেতে চায় কিনা ইত্যাদি। ৫.আমাদের যেমন ব্যক্তিগত সময় প্রয়োজন, তেমনি শিশুদেরও প্রয়োজন। সন্তানের প্রাইভেসিকে সম্মান করুন। ৬.একটি নির্দিষ্ট বয়সের পরে, সন্তানের সবকিছু তাকে জিজ্ঞেস না করে ধরার অভ্যাস পরিত্যাগ করুন। ৭. সন্তানের সম্পূর্ণ বক্তব্য শুনুন, এরপর নিজের মতামত দিন। ৮.সন্তানকে বুঝান, আপনি তাকে নি:শর্তভাবে ভালবাসেন। ৯.সন্তানের সামনে বাকিদের সম্মান করে কথা বলুন। ১০. সন্তানকে সবাইকে সম্মান করতে উৎসাহিত করুন। সম্মান একটি দ্বিপাক্ষিক বিষয়, আপনি কাওকে না দিলে,তার থেকে আশা করাটাও অনুচিত! #phyco_logy #psycology #parenting ❤️

মাইয়া সন্তানের বাপ হইয়া পড়ছি বিপদে। মাইয়াকে এক্সট্রা শিক্ষা দিতে হবে। মাইয়াকে বোঝাইতে হবে— পুরুষ তোমার শ ত্রু না। মাইয়াকে বোঝাইতে হবে পুরুষবিদ্বেষ মানেই নারীবাদ না। মাইয়াকে বোঝাইতে হবে পুরুষের ওই শক্ত শক্ত পেশির ভেতরে লুকিয়ে আছে এক মমতা কাতর মানুষ, যাকে ভালোবাসা দিয়ে পোষ মানানো যায়। মাইয়াকে আরও বোঝাইতে হবে— স্বনির্ভরতা মানে অর্থনৈতিক মুক্তি। স্বনির্ভরতা মানে হাতা কাটা ব্লাউজ আর বড় টিপ না। স্বনির্ভরতা মানে নিজের কামাই নিজে খাওয়া। মাইয়াকে বোঝাইতে হবে— মানুষের বৈশিষ্ট্য হচ্ছে কম্প্রোমাইজ। মাইয়াকে বোঝাইতে হবে সংসার মানে সেক্রিফাইস ও কম্প্রোমাইজ। মাইয়াকে বোঝাইতে হবে যে— সংসার টিকাইয়া রাখতে পারাও একটা গুণ। ডিভোর্স একটা অস্থায়ী ফ্যাশন। এই ফ্যাশনের ফাঁদ থেকে মাইয়াকে বাঁচাইতে হবে। মাইয়াকে 'ডিপ্রেশন' নামের আধুনিক ফ্যাশন থেকেও দূরে রাখতে হবে। মোটিভেশন স্পিকারদের খপ্পড় থেকে মেয়েকে সুরক্ষা দিতে হবে। মাইয়াকে বুড়া কবিদের সঙ্গে চ্যাটিংয়ের ক্ষতি সম্পর্কে বোঝাইতে হবে। মাইয়ার বাপ হিসেবে আমার অনেক দায়িত্ব, অনেক। আমার মেয়ে পিঠ বের করে তথাকথিত 'সাহসী নারী' হওয়ার আগেই ওকে 'সাহস'—এর আসল সংজ্ঞা শিখাইতে হবে। মাইয়াকে এমনভাবে বড় করে তুলব যাতে পয়সা ইনকামের জন্য ক্যামেরার সামনে ওর বুক ও রান বের করে রাখা না লাগে। আমি চাই আমার মেয়ের শুধু মস্তিষ্কটাই লোকে দেখুক, ওর বুক, রান ও পিঠ নয়। © শিবলী আহমেদ

ডায়াবেটিস থাকলে মধু খাওয়া যাবে না , উচ্চ রক্তচাপ থাকলে 2 চা চামচ এর জায়গায় চূর্ণ 1 চা-চামচ খেতে হবে। . ★ মাসিক চলাকালীন সময়ে কি স্ত্রী সহবাস করা যাবে ? উত্তর - ইসলাম ধর্মে ও মেডিকেল সাইন্স এ মাসিক চলাকালীন সময়ে সহবাস করা নিষিদ্ধ। . ★ গর্ভ অবস্থায় কি আমি আমার স্ত্রীর সাথে সহবাস করতে পারব ? উত্তর- প্রথম তিন মাস ও শেষের তিন মাস সহবাস করা যাবে না। এরমধ্যে এর সময় সহবাস করা যাবে তবে তা খুব সতর্কতার সাথে। . ★ রাস্তায় পোস্টার / কেবল টিভির ডিশ এর বিজ্ঞাপনে / ইদানিং ফেসবুকে ইউটিউবে দেখা যায় বিভিন্ন হারবাল/আয়ুর্বেদিক/ইউনানী/হোমিও প্রতিষ্ঠান চুক্তিতে , গ্যারান্টি দিতে চিকিৎসা করে।এমনকি তারা বলে 3 দিনে অথবা 7 দিনে 100% গ্যারান্টি তে রোগ ভালো করে দেবে তারা। তাদের কাছে কি যাওয়া যাবে ? উত্তর- মেডিকেল আইন অনুযায়ী 100% গ্যারান্টি অথবা চুক্তিতে 3 দিন বা 7 দিনে চিকিৎসা করা বা এজাতীয় বিজ্ঞাপন প্রচার করা বেআইনি। যারা এগুলো করে তারা রোগীদের সাথে প্রতারণা করার জন্য এমন মুখরোচক কথা দিয়ে বিজ্ঞাপন করে। তাদের কাছে যাওয়া যাবে না। এমনকি ইদানিং ফেসবুকে বা ইউটিউবে বিভিন্ন ফুড সাপ্লিমেন্ট বা ডায়েটারী সাপ্লিমেন্ট বিভিন্ন দেশের নাম দিয়ে বিক্রি করা হচ্ছে। বলা হচ্ছে এগুলোর কোন সাইডএফেক্ট নাই। এগুলো থেকে দূরে থাকতে হবে । এগুলো উপকার করতে পারবে না উল্টা ক্ষতি করবে। আজীবনের জন্য যৌন অক্ষমতা তৈরি করে ফেলবে এই জাতীয় প্রতিষ্ঠান , ফুড সাপ্লিমেন্ট/ডায়েটারী সাপ্লিমেন্ট ,ওষুধগুলো। . ★ আমি মোটা হতে চাই,স্বাস্থ্য ভালো করার জন্য একটি ওষুধের নাম বলে দিন ? উত্তর- পৃথিবীতে মোটা হওয়ার জন্য সত্তিকারের কোনো ওষুধ নেই। বাজারে মোটা হওয়ার জন্য যেসকল ওষুধ আছে বা রুচিবর্ধক যেসকল ওষুধ আছে তা সব কেমিক্যাল দিয়ে তৈরি করা। এতে স্টেরয়েড ব্যবহার করা হয়েছে । মোটা হতে চাইলে আগে দেখতে হবে পেটের বা হজমের কোন সমস্যা আছে কিনা , হজমের সমস্যা দূর করার পর প্রচুর পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে। বেশি করে ভাত, ডাল, ডিম, মাছ, মাংস/গোস্ত , দুধ , ছোলা বুট সিদ্ধ করা খেতে হবে। সাথে দেশি ফল খেতে হবে। পর্যাপ্ত শাকসবজি রাখতে হবে প্রতিবার খাবারের সাথে। এরপরেও যদি স্বাস্থ্য ভালো না হয় তাহলে একজন ডাক্তারের সাথে সরাসরি দেখা করতে হবে। কিন্তু বাজার থেকে নিজে নিজে স্বাস্থ্য মোটা করার কোন ওষুধ খাওয়া যাবেনা। . এই তথ্যগুলো অনেকে জানে না । তাই লজ্জা না পেয়ে লেখাটি শেয়ার করুন। . আরো বিস্তারিত তথ্য জানার জন্য , আমার লেখা দুটি বই পড়তে পারেন: ১) বয়সন্ধিকালের যৌন শিক্ষা ২) বড়দের যৌনশিক্ষা নিম্নের মোবাইল নাম্বারে ফোন দিয়ে সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে বই দুটি সংগ্রহ করতে পারবেন । কুরিয়ার চার্জ বই দুটির দাম ২২০ টাকা। . . ডা: মোঃ ফাইজুল হক ২০ বছরের অভিজ্ঞ হোমিওপ্যাথিক, ইউনানী এবং আয়ুর্বেদিক চিকিৎসক, শিক্ষক ও লেখক । Gov. Registered Ayurvedic , Unani and Homoeopathic Physician , Ayurved Tirtha Advanced Trained on Cognitive-Behavior Therapy for Depression (DU) Trained on Therapeutic Counselling (Department of Clinical Psychology, University of Dhaka) . . চেম্বারঃ বাসা# এ-৩৮/১ , ইসলামপুর , [হাসপাতাল রোড , খাদ্য গোডাউন মোড়ের একটু আগে আমাবাগান দারুস সালাম জামে মসজিদের গলী ( চার তলা মসজিদ ) ] , ধামরাই , ঢাকা ।. . মোবাইলঃ 01712859950 01972859950

এই পোস্টে অনেক ১৮+ শিক্ষামূলক লেখা আছে , তাই সতর্কতার সাথে পড়ুন। এ বিষয়ে এলার্জি থাকলে দূরে থাকা বাঞ্ছনীয়। . . . . . . . . ★ লিঙ্গ বড় করা যায় ? উত্তর- না . ★ লিঙ্গ মোটা করা যায়? উত্তর- না . ★ লিঙ্গ লম্বা করা যায় ? উত্তর- না . ★ ওয়াইফের সাথে/গার্লফ্রেন্ডের সাথে কথা বললে লিঙ্গের মাথায় আঠালো পদার্থ / বীর্য চলে আসে, কি ওষুধ খাব ? উত্তর- এটা স্বাভাবিক বিষয়, কোন রোগ না, তাই ওষুধ খাওয়ার প্রয়োজন নেই। আঠালো যে পদার্থ আসে তা বীর্য না। . ★ পায়খানা করার সময় কোথ দিলে প্রস্রাবের সাথে আঠালো বা বীর্যের মত পদার্থ বের হয়। কি করব ? উত্তর- এটা স্বাভাবিক বিষয় , কোন রোগ না , তাই ওষুধ খাওয়ার প্রয়োজন নেই। . ★ আমার স্বপ্নদোষ হচ্ছে, খুব টেনশন এ আছি। মাসে কতবার স্বপ্নদোষ হওয়া স্বাভাবিক ? উত্তর- স্বপ্নদোষ একটি স্বাভাবিক বিষয়। মাসে ৮ থেকে ১০ বার স্বপ্নদোষ হলেও টেনশনের কোন কারণ নেই। টেনশন ফ্রি থাকুন পুষ্টিকর খাবার খান। রাতে ঘুমানোর আগে প্রস্রাব করে ঘুমাবেন। কোন খারাপ চিন্তা করবেন না। . ★ আমার লিঙ্গ ছোট আমি কি বিয়ে করতে পারব ? উত্তর- উত্থিত অবস্থায় / উত্তেজিত অবস্থায় লিঙ্গ ৩.৫ ইঞ্চির চেয়ে বেশি হলে তা স্বাভাবিক। . ★ উত্থিত অবস্থা ছাড়া / উত্তেজিত অবস্থা ছাড়া আমার লিঙ্গ খুব ছোট হয়ে থাকে । কি করব ? উত্তর- কথিত অবস্থা ছাড়া বা উত্তেজিত অবস্থা ছাড়া লিঙ্গ ছোট হয়ে থাকবে এটাই স্বাভাবিক। দেখতে হবে ঠিকভাবে উত্থান হয় কিনা। ঠিকভাবে উত্থান হলে টেনশনের কোন কারণ নেই। . ★ লিঙ্গে একটা মালিশ ব্যবহার করতে চাই , ভালো কোম্পানির একটা মালিশের নাম বলে দেন উত্তর- পৃথিবীতে যত লিঙ্গের মালিশ আছে , তা লিঙ্গ বড় করা অথবা মোটা করা অথবা দীর্ঘ করার জন্য কোন কাজ করে না । তাই কোন মালিশ ব্যবহার করার প্রয়োজন নেই। . ★ দেশের বড় বড় নামকরা কয়েকটি কোম্পানি লিঙ্গ বড় করার , বক্রতা দূর করার , ও মজবুত করার জন্য ক্রিম বা তেল বাজারে নিয়ে এসেছে । আপনি বললেন এগুলো কোন কাজ করে না তাহলে তারা কেন নিয়ে আসলো ? উত্তর- তারা কেন নিয়ে আসছে উত্তর আমার কাছে নাই । তাদের কাছে আছে। তবে আমরা বুঝি এ বিষয়ে আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞান কি বলছে তা। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞান বলছে কোন মালিশ বা অয়েল/ তেল লিঙ্গ বড় বা মোটা করতে পারেনা। আমার প্রায় ১৮ বছরের অভিজ্ঞতার আলোকে আমি দেখেছি ,এই তেল বা মালিশ বা ক্রিম রোগীকে মানসিক তৃপ্তি প্রদান করে ,মানসিক প্রশান্তির জন্য দেয়া যায় কিন্তু এর দ্বারা কোন রেজাল্ট আসে না। . ★ লিঙ্গ আগা মোটা গোড়া চিকন , এ সমস্যার জন্য কি করব ? উত্তর - এটা কোন সমস্যা না। স্বাভাবিক। এর জন্য কোন মেডিসিন ব্যবহার করতে হবে না। . ★আমার লিঙ্গ এক দিকে একটু বাকা , এর জন্য কি ওষুধ ব্যবহার করব ? উত্তর- লিঙ্গ একটু বাঁকা এটা পার্সোনাল লাইফে কোন সমস্যা করবে না , এটার জন্য কোন মেডিসিন প্রয়োজন নেই। . ★ গরমে আমার অন্ডকোষ ঝুলে যায়। এটাকি কোন রোগ ? উত্তর- অন্ডকোষ গরমে ঝুলে যাবে আবার ঠান্ডায় বা শীতে ছোট হয়ে যাবে । এটাই স্বাভাবিক। . ★ আমার বীর্য পাতলা হয়ে গেছে। আমি কি বাবা হতে পারব ? উত্তর - বীর্য পাতলা অথবা ঘন হওয়ার সাথে বাবা হওয়ার সম্পর্ক নেই। বিশ্বের মধ্যে শুক্রের পরিমাণ, গুণগত মান ঠিক আছে কিনা তার উপর নির্ভর করে আপনি বাবা হতে পারবেন কিনা। সিমেন এনালাইসিস নামের একটা বীর্য পরীক্ষা আছে। যা চাইলে করে দেখতে পারেন আপনার বাসার পাশের কোন ভাল ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে। এই পরীক্ষার মাধ্যমে আপনি জানতে পারবেন আপনি বাবা হতে পারবেন কি পারবেন না। . ★ সপ্তাহে 2 বার হস্তমৈথুন করি , আমার কি কোনো সমস্যা হবে ? উত্তর- মেডিকেল সাইন্স বলে পরিমিত (সপ্তাহে 2 বার হস্তমৈথুন ) করলে শারীরিক কোনো সমস্যা হয় না। কোন কোন ক্ষেত্রে যৌন সমস্যার চিকিৎসা হিসেবে হস্তমৈথুনকে ব্যবহার করা হয়। তবে যেহেতু হস্তমৌথুন একটি অস্বাভাবিক প্রক্রিয়া , তাই অতিরিক্ত অবশ্যই খারাপ। . ইসলাম ধর্মে হস্তমৈথুন হারাম। তাই , হস্তমৈথুন করবেন না । তাই আমরা এটা করতে নিষেধ করি । ধর্মীয় অনুশাষন ও বিধি-বিধান মেনে চলুন। দ্রুত বিয়ে করে ফেলুন । . ★ আমি আগে অনেক হস্তমৈথুন করেছি, এখন আর করিনা । কি করলে আগের হস্তমৈথুনজনিত গ্যাপ পূরণ হবে। উত্তর- হস্তমৈথুন জনিত গ্যাপ বলতে কিছু নাই । আপনি ,১) টেনশন ফ্রি থাকুন ২) পুষ্টিকর খাবার খান ৩) সকালে ও রাতে চার/পাঁচটা খোরমা খেজুর 2 চা চামচ খাঁটি মধু সহ খাবেন। . ★ আমার একটু যৌন দুর্বলতা মনে হচ্ছে , আমি কি খেতে পারি ? আপনি ,১) অশ্বগন্ধা চূর্ণ ২) শিমুল মূল চূর্ণ ৩) শতমূলী চূর্ণ ৪) তেতুল বীজ চূর্ণ একসাথে সবগুলো মেশাবেন। একসাথে বিছানোর পর এখান থেকে 2 চা চামচ পাউডার 2 চা চামচ মধুর সাথে মিশাবেন , মিশিয়ে হালুয়ার মতো তৈরি করে ফেলবেন। সকালে খাবার পর খাবেন ও রাতে খাবার পর খাবেন।