es
Feedback
Abdullah bin bashir

Abdullah bin bashir

Ir al canal en Telegram

প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Mostrar más

📈 Análisis del canal de Telegram Abdullah bin bashir

El canal Abdullah bin bashir (@abdullahbinbashir) en el segmento lingüístico de Bengalí es un actor destacado. Actualmente la comunidad reúne a 11 301 suscriptores, ocupando la posición 8 130 en la categoría Religión y espiritualidad y el puesto 2 026 en la región Bangladesh.

📊 Métricas de audiencia y dinámica

Desde su creación el невідомо, el proyecto ha mostrado un crecimiento acelerado, reuniendo a 11 301 suscriptores.

Según los últimos datos del 25 junio, 2026, el canal mantiene una actividad estable. En los últimos 30 días la variación de miembros fue de 77, y en las últimas 24 horas de -2, conservando un alto alcance.

  • Estado de verificación: No verificado
  • Tasa de interacción (ER): El promedio de interacción de la audiencia es 19.07%. Durante las primeras 24 horas tras publicar, el contenido suele obtener 8.07% de reacciones respecto al total de suscriptores.
  • Alcance de las publicaciones: Cada publicación recibe en promedio 2 155 visualizaciones. En el primer día suele acumular 912 visualizaciones.
  • Reacciones e interacción: La audiencia responde de forma activa: el promedio de reacciones por publicación es 46.

📝 Descripción y política de contenido

El autor describe el recurso como un espacio para expresar opiniones subjetivas:
প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Gracias a la alta frecuencia de actualizaciones (últimos datos recibidos el 26 junio, 2026), el canal mantiene la vigencia y un amplio alcance. La analítica demuestra que la audiencia interactúa activamente con el contenido, lo que lo convierte en un punto de referencia dentro de la categoría Religión y espiritualidad.

11 301
Suscriptores
-224 horas
+227 días
+7730 días
Archivo de publicaciones
১০. পরিশেষে হযরত খুব গুরুত্বের সাথে বলেন, হাদিস না মানা মানে রাসূলের অবমাননা করা। হাদিস নিয়ে মানুষের মাঝে সন্দেহ সৃষ্টি করা। তবে হাদিসের সত্যতা ও শুদ্ধতা যাচাই-বাছাই করা এর অন্তর্ভুক্ত নয়। হাদিস অস্বীকার করা, উপহাস করা, তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করা— এসবের দ্বারা ঈমান চলে যায়। এগুলো করা মানে রাসূলের সাথে অবমাননা করা। "হাদিস না মানা মানে রাসূলের অবমাননা করা"— কথাটি হযরত অনেক তাগিদের সাথে বেশ কয়েকবার বলেন। পরিশেষে হযরত বলেন, আল্লাহ তা’আলা আমাদেরকে কুরআন এবং সুন্নাহর উপর আস্থা, মুহাব্বত এবং ভালোবাসা দান করুন। আমীন... ____ Sadik Shahriar ০২: ৩৩ | ০৮-১১-২০২৪ ঈ. বাইতুল মুকাররম, ঢাকা

মুহতারাম আবদুল মালেক হাফিযাহুল্লাহ আজ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ আলোচনা করেছেন। অল্প সময়ে কুরআন-সুন্নাহর আলোকে হযরত অত্যন্ত জামে-মানে ইলমী আলোচনা করেছেন আজ। হযরতের আলোচনা থেকে আজ উঠে এসেছে গুরুত্বপূর্ণ দশটি নুকতা। খুব সংক্ষেপে নিচে উল্লেখ করছি: ১. প্রথমেই আজকে মুসাফাহার বিষয়ে আলোচনা করেন। মুসাফাহা করার জন্য হুমড়ি খেয়ে পড়া। এটা অবশ্যই মুহাব্বতের কারণে হয়ে থাকে। হযরত বলেন, আমি আপনাদের মুহাব্বতকে মূল্যায়ন করি; কিন্তু এভাবে মুহাব্বত প্রকাশ করাটা সুন্নত মোতাবেক নয়; বরং এটা সুন্নত পরিপন্থী, এটা মহব্বতের সঠিক প্রকাশ নয়। ২. হযরত আজকের আলোচনার প্রাসঙ্গিক আয়াত তেলাওয়াত করেন— يا ايها الذين امنوا اتقوا الله وقولوا قولا سديدا يصلح لكم اعمالكم ويغفر لكم ذنوبكم ومن يطع الله ورسوله فقد فاز فوزا عظيما তরজমা: হে মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং সঠিক কথা বলো; তিনি তোমাদের আমলগুলোকে সংশোধন করবেন এবং তোমাদের গুনাহসমূহ ক্ষমা করবেন। আর যে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য করবে, সে প্রকৃত সাফল্য অর্জন করবে। [সূরা আল-আহযাব, আয়াত ৭০-৭১] হযরত বলেন, মানুষের সবচেয়ে বেশি গুনাহ হয় জবান দ্বারা। জবান ঠিক রাখার চেষ্টা করলে আল্লাহ তোমাদের অন্যান্য আমল ঠিক করে দেবেন। তোমরা আল্লাহর হুকুমে শরীয়তের অনুসরণে জবান নিয়ন্ত্রণ রাখো। আয়াতটি পুনরায় তিলাওয়াত করে হযরত বলেন, এই আয়াতে তাকওয়ার নির্দেশ এবং সঠিক কথা বলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ৩. সঠিক কথার সংজ্ঞা কী? সঠিক কথা কাকে বলে? যে কথায় মিথ্যার মিশ্রণ নেই এবং ভুলের মিশ্রণ নেই, সেটাই সঠিক কথা। এ বিষয়ে ব্যাখ্যা করতে গিয়ে হযরত হাদীসের বাণী পেশ করেন— من كان يؤمن بالله واليوم الاخر فليقل خيرا او ليصمت তরজমা: যার আল্লাহ ও আখেরাতের প্রতি ঈমান আছে, সে কল্যাণকর কথা বলুক অথবা চুপ থাকুক। (বুখারী ও মুসলিম) ৪. হযরত পাঠ করেন— ولا تقف ما ليس لك به علم "যে বিষয়ে তোমার ইলম নেই, তার পেছনে চলো না।" [সূরা আল-ইসরা, আয়াত ৩৬] হযরত বলেন, যে বিষয়ে তোমার ইলম নেই, সে বিষয়ের পিছে পড়ো না। যে বিষয়ে তুমি বিশেষজ্ঞ, সে বিষয়েই কথা বলো; যেটা তোমার সাবজেক্ট নয়, সে বিষয়ে কথা বলতে যেও না। এরপর হযরত বর্তমান সময়ের সাংবাদিকদের অপপ্রচারের বিষয়গুলো তুলে ধরেন। হযরত বলেন, সূরা আহযাবের আয়াতের আলোকে বর্তমান সোশ্যাল মিডিয়াগুলোকে বিচার করুন। সঠিকভাবে জবানের ব্যবহার করলে অনেক সওয়াব হবে। জবানের সঠিক ব্যবহার আমাকে জান্নাতে নিয়ে যাবে আর বেঠিক ব্যবহার আমাকে জাহান্নামে নিয়ে যাবে। ৫. আপনি নিজে বলেন বা শোনান— দুইটার দায় আপনাকে বহন করতে হবে। এই মর্মে দলিল হিসেবে হযরত হাদিস পেশ করেন— كفى بالمرء كذبا ان يحدث بكل ما سمع "এক ব্যক্তির জন্য মিথ্যা বলা যথেষ্ট যে সে যা শোনে, তা-ই বলে বেড়ায়।" [সহিহ মুসলিম] من حدث عني حديثا يرى انه كذب فهو احد الكاذبين তরজমা: "যে আমার থেকে এমন কোনো হাদীস বর্ণনা করে, যা সে মিথ্যা মনে করে, সে অবশ্যই মিথ্যাবাদীদের একজন।" [সহীহ মুসলিম] ৬. বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়াতে মহিলারা সব দেখতে পারবে, পুরুষরা সব দেখতে পারবে— বিষয়টা কি এমন? এই মর্মে জবাব হিসেবে হযরত এই আয়াত পেশ করেন— ان السمع والبصر والفؤاد كل اولئك كان عنه مسؤولا তরজমা: "নিশ্চয়ই কান, চোখ, এবং অন্তর— এদের প্রত্যেকটির ব্যাপারে তাকে জিজ্ঞাসা করা হবে।" [সূরা আল-ইসরা, আয়াত ৩৬] ৭. তথ্য শেয়ার: তথ্য শেয়ারের ক্ষেত্রে অনেক সতর্কতার পরিচয় দিতে হবে। মনে রাখতে হবে, আমার পরিভাষা সিস্টেম যতই পরিবর্তন হোক, বিধান সব এক জায়গায়। كفى بالمرء كذبا ان يحدث بكل ما سمع "এক ব্যক্তির জন্য মিথ্যা বলা যথেষ্ট যে সে যা শোনে, তা-ই বলে বেড়ায়।" [সহিহ মুসলিম] সুতরাং যেকোনো তথ্য শেয়ারের ব্যাপারে শরীয়ত বলে তোমাকে আগে তথ্যটার ব্যাপারে বিচার করতে হবে— তথ্যটা সঠিক কিনা। ৮. সব তথ্য সঠিক হলেও শেয়ার করা উচিত নয়। একটা বাস্তবসম্মত কথা সঠিক হলেই সবাইকে জানাতে হবে— শরীয়ত এমনটা বলে না; বরং দেখতে হবে এতে সাধারণের ফায়দা আছে কিনা। ৯. যার জবান থেকে এবং হাত থেকে অপর মুসলিম ভাই নিরাপদ থাকে, সেই প্রকৃত মুসলিম। হাদীসে এরশাদ হয়েছে— المسلم من سلم المسلمون من لسانه ويده "প্রকৃত মুসলিম সেই ব্যক্তি যার জবান ও হাত থেকে অপর মুসলিম নিরাপদ থাকে।" [বুখারী ও মুসলিম] হাত দ্বারা মানুষকে কষ্ট দেওয়ার কয়েকটি প্রকার তুলে ধরেন যেমন: জুমার দিন পরে এসে সামনের কাতারে যাওয়ার জন্য মানুষকে কষ্ট দেওয়া, কলম দ্বারা অন্যায় কিছু লিখে কষ্ট দেওয়া, কারো নামে অপপ্রচারমূলক তথ্য প্রচার করে কষ্ট দেওয়া। মোটকথা হাত দিয়ে অন্যভাবে কলম চালানোও কষ্ট দেওয়ার শামিল।

❤️❤️❤️
❤️❤️❤️

ইফতার সাথে সংশ্লিষ্ট ভাইরা—ইফতা পড়াচ্ছেন সম্মানিত উস্তাদগণ ও ইফতা পড়ছেন প্রিয় তালেবে ইলম ভাইরা, এই বইটি সংগ্রহে রাখতে পারেন।
ইফতার সাথে সংশ্লিষ্ট ভাইরা—ইফতা পড়াচ্ছেন সম্মানিত উস্তাদগণ ও ইফতা পড়ছেন প্রিয় তালেবে ইলম ভাইরা, এই বইটি সংগ্রহে রাখতে পারেন। আপনার নিকট যে মতটিই প্রাধান্য হোক, কিন্তু উপমহাদেশে সংখ্যাগরিষ্ঠ ওলামায়ে কেরাম ব্যাংকের বিষয়ে কী মত লালন করে, কী দলিল তাঁরা দেন, কী যুক্তিগুলো তাঁরা পেশ করেন তা জানতে বইটি সাথে রাখতে পারেন। অন্যথায় একমুখী পড়াশোনায় অনেক কিছু থেকেই মাহরুম থাকবেন। জাযাকুমুল্লাহু খাইরান। . বি.দ্র. বইয়ের অনুবাদক শায়খে বিলা প্রোফাইল শায়খ Abu Usama Jafar মেলায় চেতনার স্টলে আছেন। আসতে পারেন। শায়খের ঢাকা সফর সংক্রান্ত দিকনির্দেশনা দেখতে কমেন্ট চেক করুন।

ইফতার সাথে সংশ্লিষ্ট সাথী ভাইরা—পড়ছেন বা পড়াচ্ছেন, সংক্ষিপ্ত ও গুরুত্বপূর্ণ এই বইটি অবশ্যই সংগ্রহ করেন। আমাদের জানামতে বাংলাভ
ইফতার সাথে সংশ্লিষ্ট সাথী ভাইরা—পড়ছেন বা পড়াচ্ছেন, সংক্ষিপ্ত ও গুরুত্বপূর্ণ এই বইটি অবশ্যই সংগ্রহ করেন। আমাদের জানামতে বাংলাভাষায় এই বিষয়ে একমাত্র বই এটি। সময়ের অতিপ্রয়োজনীয় একটি বিষয়, এই বিষয়টি না বুঝার কারনে সময়ের হাজারো মাসআলায় আমাদের বড়ধরনের ভুল হয় প্রতিনিয়ত।

ঘৃণা কাফেরের প্রতি, না কুফরের প্রতি? কাফেরদের সাথে ভালোবাসার সম্পর্ক রাখার যে বিধান এখানে বলা হয়েছে, এর ওপর একটি আপত্তি এই উত্থাপিত হয়, ‘ঘৃণা ও বিদ্বেষ কাফেরের প্রতি নয়, বরং কুফরের প্রতি। কারণ কাফেররাও তো মানুষ। মানুষের প্রতি মানুষের ঘৃণা না রাখাই উচিত। ঘৃণা তো হবে তার কর্মের প্রতি।’ এই আপত্তিটি কখনো বিভিন্ন ধর্মীয় ঢঙে উল্লেখ করা হয়, আবার কখনো এমন নিষ্পাপ ভঙ্গিতে উল্লেখ করা হয় যে, সাধারণ মুসলমান ইসলামের মৌলিক বিষয়গুলো না জানা থাকার কারণে এতে বেশ পেরেশান হয় এবং ধোঁকায়ও পতিত হয়ে যায়। বাস্তবতা হলো, এই আপত্তিটির কয়েকটি দিক হতে পারে- ক. ওপরের কথা দ্বারা যদি উদ্দেশ্য এটা হয় যে, কোনো মানুষের প্রতি ঘৃণা ও বিদ্বেষের মূল ভিত্তি কারও ব্যক্তিত্ব বা সত্তা নয়, বরং ব্যক্তির ঘৃণিত ও নিন্দিত চিন্তা ও কর্মই হলো তাকে ঘৃণা করার মূল ভিত্তি, যেগুলো সে স্বেচ্ছায় করেছে। এই হিসাবে উপরিউক্ত কথাটি ভুল নয়। বরং ইসলামের মূলনীতির সাথেও এটা সামঞ্জস্যশীল। কেননা ইসলাম সকল মানুষকেই ‘আল্লাহর সর্বশ্রেষ্ঠ সৃষ্টি’ হিসাবে স্বীকৃতি দেয় এবং তার প্রচার ও প্রসার করে। জাতপাতের কোনো ধারণা ইসলামে নেই। ইসলাম কোনো বংশ বা দলকে সম্মান ও অসম্মানের মাপকাঠি নির্ধারণ করেনি। কুফর ও জুলুমের মতো ঘৃণিত অপরাধ করে কোনো ব্যক্তি নিজের অযোগ্যতার পরিচয় দিলে তার এই পদক্ষেপ নিন্দা ও ঘৃণার যোগ্য হবে, কিন্তু যখনই সে নিজের ভুল বুঝতে পেরে নিজেকে সংশোধন করে নেবে, তখনই সে পূর্বের ইজ্জত ও সম্মান ফিরে পাবে। কিন্তু কোনো কাফেরের ব্যক্তিত্বকেই যদি ঘৃণার মাপকাঠি বানিয়ে নেওয়া হয়, তাহলে সে ইসলাম কবুল করার পরও ঘৃণিতই থেকে যেত, কিন্তু বিষয়টা বাস্তবে তেমন নয়। খ. আর এই বাহ্যত নিষ্পাপ স্লোগানের উদ্দেশ্য যদি এটা হয় যে, আমাদের ঘৃণা শুধু ‘কুফর’ গুণটির সাথে। কিন্তু এই গুণের ধারক কাফেরের সাথে আমাদের কোনো ঘৃণা নেই, বরং তার এই গুণকে ঘৃণা করে তাকে ভালোবাসাই উচিত, তাহলে এটা ইসলামের দৃষ্টিতে সম্পূর্ণ ভুল ও একটি অবাস্তব দাবি। এটা শুধু মানুষের কল্পনাতেই সম্ভব, বাস্তব জীবনে এটার প্রয়োগ অসম্ভব। কেননা ‘ব্যক্তি’ ও ‘তার অর্জিত গুণ’ এ দুটিকে পৃথক করার কোনো মাপকাঠি তৈরি কি আদৌ সম্ভব? এটার কল্পনাও কি কেউ করতে পারবে? কেননা ব্যক্তিই তো ঘৃণিত ‘গুণটি’ নিজের মাঝে ধারণ করে, সেই ‘গুণের’ কারণে শাস্তি ব্যক্তিকেই পেতে হয়, ব্যক্তির সে ‘গুণ’-কে শাস্তি দেওয়া হয় না। এই দাবি ও চিন্তাও কি আদৌ সম্ভব, চুরিকে শাস্তি দেওয়া হোক, চোরকে নয়! সূত্র: মুসলিম-অমুসলিম সম্পর্ক, পৃ. ৩৬-৩৭ মুফতি উবাইদুর রহমান মারদান চেতনা প্রকাশন বাইতুল মুকাররম বইমেলায় পাবেন

এগুলো ভালো লাগার অনূভুতি দেয়। আলহামদুলিল্লাহ, বইটি অনুবাদেরও একটি অন্যতম মাকসাদ এটিই। . বাইতুল মুকাররম বইমেলায় আসেন, বইটি নেড়
এগুলো ভালো লাগার অনূভুতি দেয়। আলহামদুলিল্লাহ, বইটি অনুবাদেরও একটি অন্যতম মাকসাদ এটিই। . বাইতুল মুকাররম বইমেলায় আসেন, বইটি নেড়েচেড়ে দেখেন এবং আপনার বর্তমান প্রয়োজন থাকলে সংগ্রহ করেন, ফেসবুক হাইপ বা স্টলে অনুবাদক বসে আছে সে জন্য নয়।

মুফতি উবাইদুর রহমান সাহেবের বইসমূহ নিয়ে কয়েকটি কথা। . আল্লাহর শোকর, খিদমতের জীবনে আল্লাহ এমন একজন উস্তাদের সোহবতে থাকার সুযোগ দিয়েছেন, যিনি আমাদের কাজের জন্য অফুরন্ত সুযোগ করে দিয়েছেন। কিন্তু আমি এত এত সুযোগ পেয়েও বলা যায় উল্লেখ করার মত কিছুই করিনি! ফেসবুক, গাফলতি, অসুস্থতা, তিনের সমন্বয়ে এত এত গুরুত্বপূর্ণ সময় নষ্ট করেছি ভাবলেও অবাক লাগে, অকাজের মানুষের কাজের সুযোগ পেলে যা করে আরকি। . যাইহোক, এত সমস্যার পরেও আমার মনে কাজের অনেকগুলো তামান্না আছে। এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো বাংলাভাষায় মুফতি উবাইদুর রহমান সাহেবের বইগুলো তরজমা করা ও করানো। সেই লক্ষ্য সামনে রেখেই কিছু কাজ এগিয়ে নিয়েছি, কিছু ভাইয়ের সাথে মুজাকারা করেছি। আপাতত আমরা কয়েকজন ভাই মুফতি সাহেবের যে কাজগুলো শুরু করে দিয়েছি তার একটি তালিকা দিচ্ছি, ১. আমর বিল মারুফ নাহি আনিল মুনকার, মাওলানা আরিফ সাহেব ও আমি। বইটির অনুবাদ শেষ আলহামদুলিল্লাহ, এখন সম্পাদনার কাজ চলছে। ২. বেদয়াত, Abu Usama Jafar ভাই। অনুবাদের কাজ আগামী মাস থেকে শুরু হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ। ৩. উসুলুত তাদলিল, Abdur Rohman ভাই খুলনা। বইটির অনুবাদ আলহামদুলিল্লাহ শেষ। খুব দ্রুতই প্রকাশিত হবে। ৪. আহকামে মাদারেস, আমি অনুবাদ শুরু করছি, দোয়া চাই যেনো খুব দ্রুতই শেষ করতে পারি। ৫. তাওহিদ ও শিরক, Tanjil Arefin Adnan ভাই। মেলার ব্যস্ততা শেষ করেই হযরত কাজ শুরু করবেন বলে জানিয়েছেন। ৬. ফিতনা আউর উনকি ইলাজ, মুহাম্মাদ মীযানুর রহমান, আমাদের সাথী ও শাগরেদ সংক্ষিপ্ত বইটি অনুবাদ শেষ করেছে। খুব দ্রুতই বইটি প্রকাশিত হবে ইনশাআল্লাহ। ৭. তাসাওউফ ও সুলুক, অনুবাদ করছেন Hasan Muhammad ভাই। অনুবাদের কাজ শুরু হয়ে গেছে আলহামদুলিল্লাহ। ৮. কতলে মুসলিম, সাইফ শামীম নামক ভাই শুরু করেছেন। . মুফতি উবাইদুর রহমান সাহেবের অসংখ্য কাজের মধ্যে এই কয়েকটি কাজ আপাতত চলমান রয়েছে। সকলের কাছে দোয়া চাই আল্লাহ যেনো কাজগুলোকে কবুল করেন এবং দ্রুত বাংলাভাষী মানুষের সামনে নিয়ে আসার তাওফিক দেয়।

মেহমান বলেন, "ট্রাম্প মুসলমান সম্পর্কে যা বলেছেন বা যা করছেন তা গুটি কয়েক বিপথগামী সন্ত্রাসীদের কর্মকান্ডের কারণেই বলছেন বা ক
মেহমান বলেন, "ট্রাম্প মুসলমান সম্পর্কে যা বলেছেন বা যা করছেন তা গুটি কয়েক বিপথগামী সন্ত্রাসীদের কর্মকান্ডের কারণেই বলছেন বা করছেন। যার জন্য আমরা মুসলমানরাই দায়ী।"

আমেরিকায় প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট! পারস্য ধ্বংস হওয়ার আগে এমন একজন নারী রাজা হয়েছিলো। আলহামদুলিল্লাহ

মুইতা যদি শাহবাগিদের এত কষ্ট দেয়া যায়, এটা আগে জানতাম, ভাইরে ভাই বিশ্বাস করেন, আমি আজ পাঁচ লিটার পানি খেয়ে সেখানে যেমনেই হোক যেতাম, আর শুধু মুততাম। -বানীতে এক তালেবে ইলম! (হাসতেই আছি)

জাতিসংঘের অফিস খোলা নিয়ে এই সপ্তাহে বাইতুল মুকাররমে মাওলানা আব্দুল মালেক সাহেবের বয়ান। ভিডিও এডিট করেছেন প্রিয় আবু সুফিয়ান, আল্লাহ তাকে উত্তম প্রতিদান দিক। আমীন

জুমার বয়ান (সারাংশ) বাইতুল মুকাররম জাতীয় মসজিদ খতীব: ,মাওলানা আব্দুল মালেক হাফিযাহুল্লাহ ১লা নভেম্বর ২০২৪ হামদ ও সানার পর বয়ানের শুরুতে তিনি জুমার দিনের ফজিলত আলোচনা করেন। এরপর বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তার অধিকাংশ খুতবার শুরুতে তাকওয়া বিষয়ক কয়েকটি আয়াত তেলাওয়াত করতেন। এরমধ্যে সুরা আলে ইমরান, নিসা, আহযাব ও হাশর অন্যতম। আজকে সুরা হাশরের আয়াতের সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা জানবো ইনশাআল্লাহ। আল্লাহ তায়ালা আয়াতের শুরু করেছেন 'হে মুমিনগণ' বলে। এটি অত্যন্ত মোহাব্বত ও আবেদনপূর্ণ আহবান। এই আহ্বানের মাধ্যমে তিনি মুমিনদেরকে ঈমানের গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন বিষয়ে দিকনির্দেশনা দিচ্ছেন। ঈমানের অন্যতম দিকনির্দেশনা হলো, তাকওয়া অর্জন করা। তাকওয়া মানে কি, তাকওয়া হচ্ছে আল্লাহর নেয়ামতকে স্মরণ করে, তার সামনে উপস্থিত হওয়ার বিষয়কে মনে ধারণ করে, আল্লাহর নির্দেশিত সকল বিধান পালন করা এবং নিষেধকৃত সকল কাজ থেকে বিরত থাকা। তাকওয়া মানে শুধু ভয় নয়, কারণ যে ভয়ের পরে করণীয় না থাকে তাকে তাকওয়া বলে না। আরবি শব্দ ওয়াও, কাফ, ইয়া এই মূল ধাতুর অর্থই হচ্ছে বেঁচে থাকা। অর্থাৎ আল্লাহর নিষেধকৃত সকল কাজ থেকে বেঁচে থাকা। পাশাপাশি আল্লাহ এই আয়াতে মুমিনদেরকে কিয়ামত দিবসের জন্য কী প্রেরণ করেছে, তা চিন্তা করার আদেশ দিয়েছেন। মুমিনের আসল জীবন হচ্ছে আখেরাতের জীবন। এই আয়াতে আগামীকাল বলা হয়েছে, কারণ আখেরাতের দীর্ঘ জীবনের তুলনায় পুরো দুনিয়ার সময় একদিনের মতোই বা তার চেয়েও কম। এজন্য প্রতিটি মুমিনের কর্তব্য হল, কবরে যাওয়ার আগে কবরের প্রশ্নের উত্তর তৈরি করে নিয়ে যাওয়া। কবরে যে তিন প্রশ্ন করা হবে তার উত্তর শুধু মুখস্ত করে গেলেই হবে না, বরং যদি সত্যিকার অর্থে নিজের জীবনে তা বাস্তবায়ন করা যায় তাহলে আরবি না জানলেও কবরে গিয়ে আরবিতে উত্তর দেওয়া সম্ভব হবে। কবরের প্রশ্ন সমূহের সারমর্ম হচ্ছে, আল্লাহর উপর বিশুদ্ধভাবে পরিপূর্ণ বিশ্বাস এবং ইসলামকে একমাত্র ধর্ম হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া এবং মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে শেষনবী শ্রেষ্ঠনবী বিশ্বনবী মেনে তার জীবন বিধানকে বাস্তবায়িত করা। বেদাত এবং জাহিলিয়াতমুক্ত জীবন গঠন করা। এরপর তিনি তাকওয়ার বিভিন্ন প্রকাশক্ষেত্রের মধ্যে থেকে দুইটি প্রকাশ ক্ষেত্র আলোচনা করেছেন। প্রথম হলো, জুলুম থেকে বেঁচে থাকা। হাদিসে আল্লাহর রাসুল বলেন, তোমরা জুলুম থেকে বেঁচে থাকো। কারণ জুলুম কেয়ামতের দিন গভীর এবং অনেক অন্ধকারের কারণ হবে। 'একটি জুলুম' বা 'একটু জুলুম' যেটাই হোক না কেন, একজনের উপর জুলুম বা একাধিক ব্যক্তির উপর জুলুম সর্বক্ষেত্রেই জালেমের জন্য অন্ধকার হবে, তার জীবনে কোন আলো থাকবে না। জুলুমের অন্যতম প্রকাশক্ষেত্র হলো, দ্রব্যমূল্য বাড়িয়ে দেওয়া। বর্তমানে অন্যায়ভাবে সিন্ডিকেট করে যেভাবে দ্রব্যমূল্য বাড়িয়ে পুরো দেশের মানুষকে কষ্ট দেওয়া হচ্ছে পূর্বে কখনোই এমন ছিল না। তারপরও দ্রব্যমূল্য বাড়ানো এবং এভাবে বাজার নিয়ন্ত্রণ করে মানুষকে কষ্ট দেওয়ার ব্যাপারে কঠিন শাস্তির কথা বলা হয়েছে। মুসনাদে আহমদে বর্ণিত হাদিসে এসেছে, যে ব্যক্তি কোন বাজারে অন্যায় ভাবে পণ্যের মূল্য বাড়িয়ে দেয়, আল্লাহ কেয়ামতের দিন তাকে আগুনের বড় জায়গায় বসিয়ে শাস্তি দিবেন। আজকে যারা সিন্ডিকেট করছে তাদের অপরাধ চোর ডাকাত বা অর্থ আত্মসাৎকারীদের মতই ভয়ংকর এবং তাদের এই অতিরিক্ত উপার্জন পরিষ্কার হারাম। তাকওয়ার দ্বিতীয় প্রকাশক্ষেত্র হলো, সূরা নিসার প্রথম আয়াতে আল্লাহ বলেছেন, আদম এবং হাওয়া থেকে তিনি পুরুষ এবং নারী সৃষ্টি করেছেন। তাই পুরুষের পুরুষ থাকা এবং পুরুষের জন্য আল্লাহর প্রদত্ত সকল বিধান পালন করা ফরজ। নারীর জন্য নারী থাকা এবং নারী হিসাবে আল্লাহর প্রদত্ত সকল বিধান পালন করা ফরজ। কোন পুরুষ নারীতে রূপান্তরিত হওয়া অথবা নিজেকে নারী মনে করা, অনুরূপভাবে কোন নারী নিজেকে পুরুষে রূপান্তরিত করা অথবা নিজেকে পুরুষ ভাবা হারাম এবং কবিরা গুনাহ। এটা আল্লাহর সাথে যুদ্ধ করার সমতুল্য। এল জি বি টি বা সমকামিতা একটি রুচিবিরুদ্ধ ঘৃণ্য অপরাধ। এই অপরাধকে সমর্থন কোন মুসলমান দিতে পারে না। আজকে বাংলাদেশে জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশনের অফিস খোলার কথা গণমাধ্যমে এসেছে, যতটুকু জানি বাংলাদেশ সরকার এখনো এই সিদ্ধান্ত নেননি। আমরা আশা করব সরকার এই সিদ্ধান্ত নিবেন না এবং এই মুসলিম দেশে তারা সেটা বাস্তবায়ন করতে পারবেন না। যে জাতিসংঘ ইজরায়েলের জুলুম থেকে ফিলিস্তিনের শিশুদের রক্ষা করতে পারেনি, যুদ্ধ বন্ধ করতে পারেনি এমনকি ঔষধ ও খাবার পর্যন্ত অনুরোধ করেও ঢুকাতে পারেনি তারা কিভাবে মানবাধিকারের কথা বলে...! মানবাধিকার শিখতে হবে আল্লাহর কোরআন এবং রাসূলের সুন্নাহ থেকে। আমরা রাসূলের আদর্শ নিজেরা বাস্তবায়ন করব এবং এর দাওয়াত সর্বত্র ছড়িয়ে দিব ইনশাআল্লাহ। Collected from Luthferabbe Afnan

লেখেছেন প্রিয় মাওলানা আবু উসামা জাফর মাক্কী যিন্দেগী কি আদৌ সহজ? মাক্কী যিন্দেগীর মর্ম হলো, فاصدع بما تؤمر و أعرض عن المشركين আপনাকে যা কিছু আদেশ করা হচ্ছে তার সবকিছু উচ্চ আওয়াজে ঘোষণা করুন এবং মুশরিকদের থেকে বিমুখ থাকুন। অর্থাৎ, দীনের সব বিষয় খুলে খুলে স্পষ্টভাবে বর্ণনা করতে হবে, সেদিন মানুষকে আহ্বান করতে হবে। আর এটা করতে গিয়ে যদি আঘাত আসে তাহলে প্রতিঘাত করা যাবে না! আবার দাওয়াতটাও যেমন তেমন হলে হবে না। ওদের কলিজায় গিয়ে আঘাত হানতে হবে। كبر على المشركين ما تدعوهم إليه তুমি মুশরিদেরকে যেদিকে আহবান করছো তা তাদের উপর অনেক ভারি ও কষ্টকর। আমরা মাক্কী যিন্দেগীকে যতটা নিরীহ মনে করি আসলে মাক্কী যিন্দেগী মোটেও নিরীহ নয়। মাক্কী যিন্দেগী হলো বিপ্লবের সূচনা, কষ্ট ও সহিষ্ণুতার অনুশীলন, দীনের জন্য কুরবানীতে অভ্যস্ত হওয়া, শ্রবণ ও আনুগত্যের মাধ্যমে নিজেদেরকে নিয়ন্ত্রণ ও নেতৃত্বের অধীনে রাখা এবং দাওয়াত, তা'লীম ও ইসলাহের মাধ্যমে সর্বাত্মক বিপ্লব ও জি/হাদের প্রস্তুতি। বরং, ইবনুল কাইয়্যিম রাহিমাহুল্লাহর ভাষায় এটাও এক ধরনের (আভিধানিক ও ব্যাপকার্থে) জি/হা/দ। এবার আমরা নিজেদের কথা চিন্তা করি। আমরা কি সমাজ ও মানুষকে এভাবে দাওয়াত দেই? সেকুলারিজম, সংবিধান, গণতন্ত্র ইত্যাদির কুফরগুলো কি আমরা স্পষ্টভাবে ঘোষণা করে সবাইকে এগুলো পরিত্যাগ করার দাওয়াত দিচ্ছি? আমরা কি এমন বিষয়ের দিকে দাওয়াত দিচ্ছি যা তাদের জন্য ভারি ও কষ্টকর? আমরা কি কোনো কাটছাঁট ও রাখঢাক ছাড়াই পূর্ণ দীনের দাওয়াত দিচ্ছি? তাহলে আমরা কেন বারবার সীরাতের ধারাবাহিক ঘটনা দিয়ে দলীল দিই? কেন মদীনায় হিজরতের আগে অমুক আমল ছিল না বলে সেটার দাওয়াত দেওয়া যাবে না কিংবা সেটার চেষ্টা করা যাবে না বলে মার্কেটিং করতে থাকি? বর্তমানে আমরা মাক্কী যিন্দেগীতে অবস্থান করছি বলে জিগির তুলছি? অর্থাৎ, সবাই মেনে নিয়েছে যে ইসলাম পূর্ণাঙ্গ হওয়ার পরে হুবহু ধারাবাহিকতা আর বাকী নেই। বরং, প্রেক্ষাপট বুঝে আমাদেরকে কুরআন সুন্নাহর আলোকে পদক্ষেপ নিতে হবে। যদি তাই হয় তাহলে কুরআন সুন্নাহ থেকে আমাদের দলীল দেওয়া দরকার। কেন বারবার সীরাতের ধারাবাহিকতা থেকে দলীল দেওয়া হয়? এটা কি এক ধরনের হিপোক্রেসি নয়?

খে-লা[ফ]ত প্রতিষ্ঠার পথ ও পদ্ধতি, কিছু বিক্ষিপ্ত ভাবনা-৩ শ-রী-য়াহ প্রতিষ্ঠায় অবৈধ ‘তাদাররুজ’ . পক্ষান্তরে যদি কোনো ব্যক্তি মনে করে, মদ্যপ ও মদের বার কিংবা পতিতা ও পতিতালয় বন্ধ করতে হলে আগে তাদের সঙ্গ দিতে হবে এবং তারা যেসব অন্যায় কর্ম করে সেগুলোতে অংশ গ্রহণ করে তাদের সঙ্গে সম্পর্ক ও বন্ধুত্ব তৈরি করতে হবে এবং সম্পর্ক তৈরি করলেই তাদেরকে দাওয়াত দিয়ে দ্বীনের পথে আনা যাবে, তাহলে এটার অনুমোদন শ[রী]য়ত দিবে না। . একইভাবে ইসলামী আন্দোলনকারীরা যদি মনে করে, ইসলাম প্রতিষ্ঠা করতে হলে আগে গণতন্ত্রীদের সঙ্গ দিতে হবে, গণতন্ত্র ও ধর্ম নিরপেক্ষতা গ্রহণ করতে হবে, গণতন্ত্রে অংশ নিয়ে গণতন্ত্রীদের বুঝাতে হবে এটা কুফর, এটাকেও শ[রী]য়ত অনুমোদন করে না এবং এটা শ[রী]য়ত সম্মত তাদারুরজের অন্তর্ভুক্ত হবে না। কিছু বাস্তব উদাহরণ দিয়ে আরেকটু পরিষ্কার করা যাক! . গণতন্ত্র এবং ধর্মনিরপেক্ষতাসহ গণতন্ত্রের অনেক অনুসঙ্গই যে কুফর, এবিষয়ে আমাদের জানামতে নির্ভরযোগ্য কোনো ইসলামী দল কিংবা ব্যক্তির দ্বিমত নেই। এমনকি যারা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় খে-লা[ফ]ত প্রতিষ্ঠার প্রবক্তা, তাদেরও না। . তবুও মিশর কিংবা তুরস্কে যখন গণতন্ত্রের মাধ্যমে ইসলাম প্রতিষ্ঠার স্বপ্নদ্রষ্টারা ক্ষমতায় আসেন, তারা— ১. গণতান্ত্রিক সংবিধান গ্রহণ করেই রাষ্ট্র পরিচালনা করেন। ২. গণতান্ত্রিক কুফুরি সংবিধান রক্ষা করার শপথ নেন। ৩. কুরআন সুন্নাহকে রাষ্ট্রপরিচালনার একমাত্র ভিত্তি বানাতে পারেন না। ৪. কুরআন সুন্নাহর খেলাফ মানবরচিত আইন বহাল রাখেন। ৫. কুরআন সুন্নাহর আইনকে সংসদের অনুমোদনের মুখাপেক্ষী বানান। ৬. ক্ষমতায় যাওয়ার আগে তারা এমন কিছু বিষয়ে ছাড় দেন, যেগুলো ক্ষমতায় যাওয়ার পর তাদেরকে শরীয়াহ প্রতিষ্ঠায় বাঁধা প্রদান করে। এই কাজগুলো সবই হয় কুফর-শিরক, না হয় অন্তত হারাম। . পক্ষান্তরে মু-জা[হি]দ তা-লে বা নরা যখন জি/হা/দের মাধ্যমে ক্ষমতায় যান, তারা— ১. প্রথম দিন থেকেই গণতান্ত্রিক কুফুরি সংবিধান বিলুপ্ত ঘোষণা করেন। এক মুহূর্তের জন্যও তারা গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতাকে বরদাশত করেন না। ২. কুরআন সুন্নাহর ভিত্তিতে রাষ্ট্রপরিচালনার ঘোষণা দেন। ৩. কুরআন সুন্নাহর খেলাফ সকল আইন প্রথম মুহূর্তেই বিলুপ্ত ঘোষণা করেন। . ফলে জি/হা/দিদের রাষ্ট্র প্রথম দিন থেকেই ইসলামী রাষ্ট্রে রূপান্তরিত হয়; যদিও তারা শক্তি সামর্থ্যের অভাবে এবং মাফসাদা-মাসলাহার বিবেচনায় কিছু মুনকারাতের ক্ষেত্রে নীরবতা পালন করেন বা পদক্ষেপ গ্রহণে বিলম্ব করেন। তাদাররুজ নীতির ভিত্তিতে ধীরে ধীরে অগ্রসর হন। কিন্তু তারা নিজেরা ব্যক্তিগতভাবে এবং রাষ্ট্রীয়ভাবে কোনো কুফর শিরক ও হারামে লিপ্ত হন না। তাদের রাষ্ট্রে আগে থেকে চলে আসা কোনো মদের বার বন্ধ করতে যদি তারা বিলম্বও করেন, তবে সেটা থাকে অবৈধ হিসেবে। রাষ্ট্রীয়ভাবে যার কোনো সম্মান ও নিরাপত্তার অধিকার থাকে না। . পক্ষান্তরে গণতান্ত্রিক ইসলামীদের রাষ্ট্র পাঁচ/দশ বছর পরও গণতান্ত্রিক ও স্যেকুলারই থেকে যায় এবং রাষ্ট্রপরিচালনায় তাদেরকে বিভিন্ন কুফর শিরক ও হারাম বিষয়ে যুক্ত হয়ে চলতে হয়, যা শ[রী]য়তে গ্রহণযোগ্য নয় এবং এটা বৈধ তাদাররুজের অন্তর্ভুক্তও নয়। কুফর-শিরক বন্ধ করার জন্য নিজেরা কিছুদিনের জন্য কুফর-শিরক গ্রহণ করা যায় না, নিজেরা কুফর-শিরক নাফেয করা যায় না। এটা শ[রী]য়তে অনুমোদিত নয়; যদিও উদ্দেশ্য ভল হয়। . হাঁ, গণতান্ত্রিক ইসলামী দলের কাজে রাষ্ট্রে একটি ইতিবাচক প্রভাব অবশ্যই পড়ে, তা আমরা অস্বীকার করি না। নিরেট সেক্যুলার গণতন্ত্রীদের রাষ্ট্র যেভাবে দিন দিন কট্টর থেকে কট্টর সেক্যুলার ও ইসলামবিদ্বেষী হয়ে ওঠে, ইসলামী গণতন্ত্রীদের রাষ্ট্র সেরকম হয় না; বরং তাদের হাতে ক্ষমতা থাকলে রাষ্ট্রটি দিন দিন কিছুটা ইসলামবান্ধব হয়ে ওঠে। কিছু ইসলামসম্মত আইন হয় এবং দীর্ঘমেয়াদে কিছু ইসলামবিরোধী আইন সংশোধন বা বিলুপ্ত হয়। কিন্তু এতটুকু ইতিবাচক প্রভাবের জন্য শ[রী]য়ত কিছুতেই এক মুহূর্তের জন্যও কুফর-শিরক গ্রহণ করার অনুমোদন দেয় না। . উম্মতের এই ক্রান্তিলগ্নে খে-লা[ফ]ত প্রতিষ্ঠায় জি/হা/দি মা/ন/হা/জও গণতান্ত্রিক মানহাজের এই পার্থক্যটা আমাদের খুব ভাল করে অনুধাবন করা জরুরি। লিখেছেন আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ আলমাহদি https://www.facebook.com/abdullah.almahdi.77398

মুসলিম-অমুসলিম বইয়ের শর্ট পিডিএফ। পিডিএফ পড়ে দেখতে পারেন বইটি আপনার জন্য উপকারী কি না। উপকারী হলে অবশ্যই সংগ্রহ করবেন ইনশাআল্লাহ।

প্রথমালো আনিসুল হক একজন কুরআন অবমাননাকারী। আনিসুল হকের বিচার চাই৷ মতিগং এর বিচার চাই। এইগুলো ভাইরাল করেন। প্রথমালো গংকে কোন ছাড় হবে না।

"সাপের মাথা তত্ত্ব--আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক" এই উম্মতের মুজাদ্দিদিনদের কত বড় দূরদর্শীতা ছিলো, হায় এই উম্মাহ যদি তা সঠিকভাবে উপলব্ধি করতো! ফিলিস্তিনে বর্তমান হিজ্রাইল আর আমাদের সাথে ভারতের কর্মকাণ্ডগুলো দেখেও যারা এই উম্মাহের মুজাদ্দিদদের দূরদর্শীতা বুঝতে পারছে না, তাদের জন্য আফসোস করা ছাড়া কিছুই করার নেই।

সকল প্রশংসা মহান রবের। দোয়া চাই বাকি কাজটুকুও যেনো সঠিকভাবে হয়ে যায়। এবং বইটি আমার নাজাতের উসিলা হয়।
সকল প্রশংসা মহান রবের। দোয়া চাই বাকি কাজটুকুও যেনো সঠিকভাবে হয়ে যায়। এবং বইটি আমার নাজাতের উসিলা হয়।

দাবী উঠুক সর্বস্তর থেকে
দাবী উঠুক সর্বস্তর থেকে