es
Feedback
Abdullah bin bashir

Abdullah bin bashir

Ir al canal en Telegram

প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Mostrar más

📈 Análisis del canal de Telegram Abdullah bin bashir

El canal Abdullah bin bashir (@abdullahbinbashir) en el segmento lingüístico de Bengalí es un actor destacado. Actualmente la comunidad reúne a 11 301 suscriptores, ocupando la posición 8 130 en la categoría Religión y espiritualidad y el puesto 2 026 en la región Bangladesh.

📊 Métricas de audiencia y dinámica

Desde su creación el невідомо, el proyecto ha mostrado un crecimiento acelerado, reuniendo a 11 301 suscriptores.

Según los últimos datos del 25 junio, 2026, el canal mantiene una actividad estable. En los últimos 30 días la variación de miembros fue de 77, y en las últimas 24 horas de -2, conservando un alto alcance.

  • Estado de verificación: No verificado
  • Tasa de interacción (ER): El promedio de interacción de la audiencia es 19.07%. Durante las primeras 24 horas tras publicar, el contenido suele obtener 8.07% de reacciones respecto al total de suscriptores.
  • Alcance de las publicaciones: Cada publicación recibe en promedio 2 155 visualizaciones. En el primer día suele acumular 912 visualizaciones.
  • Reacciones e interacción: La audiencia responde de forma activa: el promedio de reacciones por publicación es 46.

📝 Descripción y política de contenido

El autor describe el recurso como un espacio para expresar opiniones subjetivas:
প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Gracias a la alta frecuencia de actualizaciones (últimos datos recibidos el 26 junio, 2026), el canal mantiene la vigencia y un amplio alcance. La analítica demuestra que la audiencia interactúa activamente con el contenido, lo que lo convierte en un punto de referencia dentro de la categoría Religión y espiritualidad.

11 301
Suscriptores
-224 horas
+227 días
+7730 días
Archivo de publicaciones
যেমন ছিলেন ওলামায়ে দেওবন্দ . হাজী ইমদাদুল্লাহ মুহাজেরে মক্কী রহিমাহুল্লাহ নিয়মতান্ত্রিক কোনো আলেম ছিলেন না। কিন্তু ইলমে তাসাওউফের ছিলেন মহান ইমাম। যার কারণে যুগের বড় বড় আলেমগণ উনার কাছে তাসাওউফের বাইয়াত নেন। তাদের মাঝে উল্লেখযোগ্য ছিলেন ওলামায়ে দেওবন্দের শিরোমনি হযরত কাসেম নানুতবি, রশিদ আহমদ গাঙ্গুহী প্রমুখগণ রহিমাহুমুল্লাহ। হাজি সাহেবকে উনারা কী পরিমাণ মহব্বত ও ভক্তি শ্রদ্ধা করতেন তা শুধু গাঙ্গুহী রহিমাহুল্লাহের এই বক্তব্য থেকেই স্পষ্ট হয় "যে শাস্ত্রে হাজি সাহেব ইমাম সেখানে আমরা তার সাধারণ গোলামের কাতারে"। কিন্তু ওলামায়ে দেওবন্দের অনন্যতা এখানেই, এত ভক্তি সত্ত্বেও ফিকহের মাসআলায় তারা কখনোই হাজি সাহেবের আমলকে দলিল বানাতেন না। বা হাজি সাহেবের কোনো আমলকে ইনিয়ে বিনিয়ে বৈধতার চেষ্টা করতেন না। একবার এক লোখ একটি মাসআলার বিষয়ে রশিদ আহমদ গাঙ্গুহী রহিমাহুল্লাহের নিকট এসে বলে 'হাজি সাহেবে আমাকে এই বিষয়ে অনুমতি দিয়েছেন'। জবাবে গাঙ্গুহী রহিমাহুল্লাহ বলেন, 'তিনি অনুমতি দিলেও তা দলিল হবে না। ফিকহি মাসআলার ক্ষেত্রে তিনি ইমাম নন, এখানে আমরা ফকিহদের অনুসরণ করবো। আর ফিকহের ক্ষেত্রে আমল করতে হলে হযরতকেও আমাদের থেকে অনুমোদন নিয়ে আমল করতে হবে।" হযরত থানবি রহিমাহুল্লাহ বলেন, "কোনো ব্যক্তি যদি হযরত গাঙ্গুহী রহিমাহুল্লাহের সামনে শরয়ী ফাতাওয়ার ব্যাপারে হাজি সাহেবের উক্তি পেশ করতো, তাহলে তিনি সাফ বলে দিতেন, হযরত হাজি সাহেবের জন্য এসব শাখাগত মাসআলায় আমাদের অনুসরণ করা ওয়াজিব। এসব মাসআলায় আমাদের জন্য তার অনুসরণ করা জায়েয নয়।" . সূত্র: মাওলানা রশিদ আহমাদ গাঙ্গুহি: জীবন ও কর্ম, আব্দুর রশিদ তারাপাশী পৃ. ১৩৮, ইত্তেহাদ প্রকাশনী

খে/লা/ফত প্রতিষ্ঠার পথ ও পদ্ধতি, কিছু বিক্ষিপ্ত ভাবনা-২ শ[রী[য়াহ প্রতিষ্ঠায় বৈধ ‘তাদাররুজ’ . যারা ইসলাম প্রতিষ্ঠার ব্রত নিয়ে গণ[তান্ত্রি]ক প্রক্রিয়ায় প্রবেশ করেন, তারাও তাদাররুজ তথা ধীর-নীতির আশ্রয় নিয়েই কাজটি করেন, যা একটি বিভ্রান্তি। . তাদাররুজের একটি ক্ষেত্র হচ্ছে, শ[রীয়]ত নযিল হওয়ার ক্ষেত্রে এক ধাপে না করে ধীরে ধীরে করা, যাতে মানুষ বিষয়টির সঙ্গে পরিচিত হয়ে তার কল্যাণ-অকল্যাণ বুঝে সহজে আমলে যেতে পারে। এটি শ[রীয়]ত অনেক বিধানের ক্ষেত্রেই করেছে। সুস্পষ্ট একটি উদাহরণ হচ্ছে মদ হারাম করার বিষয়টি। . এই তাদাররুজ শরীয়তপ্রণেতার সঙ্গে খাস। পরবর্তী কারো জন্য এটির অবকাশ নেই। সুতরাং এখন একজন ইসলাম গ্রহণ করার সঙ্গে সঙ্গেই মদ তার জন্য হারাম সাব্যস্ত হবে এবং তাকে তা পরিত্যাগ করতে হবে। একথা বলার সুযোগ নেই যে, আমি ধীরে ধীরে ছাড়ব। এখন আমার জন্য তা বৈধ। . তাদাররুজের দ্বিতীয় ক্ষেত্র হচ্ছে ইসলাহি পদক্ষেপ ও দাওয়াতের উপস্থাপন। আমি যখন কাউকে দাওয়াত দিব, তখন তাকে সব বিষয়ে একসঙ্গে দাওয়াত দেয়া সম্ভবও নয়, কাম্যও নয়। এখানে গুরুত্বের বিচারে বিষয়গুলো সাজাতে হবে এবং ধীরে ধীরে আগাতে হবে। . যেমন একজন মুশরিককে দাওয়াত দিতে গেলে প্রথমে ঈমান ও তওহীদের দাওয়াত দিতে হবে, তারপর নামায রোযার দাওয়াত দিতে হবে। কারো ইসলাহের ক্ষেত্রেও একটি অগ্রাধিকারের বিন্যাস অনুযায়ী কাজ করতে হবে এবং ধীরে ধীরে আগাতে হবে। . তাদাররুজের তৃতীয় ক্ষেত্র হচ্ছে, শ[রী[য়াহ প্রতিষ্ঠা এবং আমর বিলমারুফ ও নাহি আনিল মুনকার। এগুলোর জন্য শক্তি সামর্থ্যের প্রয়োজন। যার যতটুকু শক্তি আছে, সে ততটুকু করবে, বাকিটার জন্য শক্তি অর্জনের চেষ্টা করবে। যে অংশের শক্তি সামর্থ্য নেই, সে অংশ কারো উপর ওয়াজিবও হয় না। . উপরোক্ত তিন ক্ষেত্রে তাদাররুজ তথা ধীরনীতি অবলম্বন করে ধাপে ধাপে আগানো শুধু জায়েযই নয়; বরং জরুরিও। এটি ব্যক্তির ক্ষেত্রে যেমন প্রযোজ্য, রাষ্ট্রের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। একজন মদ্যপ ও একজন পতিতাকে তার কর্ম থেকে বিরত রাখা এবং একটি মদের বার ও একটি পতিতালয় বন্ধ করা যেমন ব্যক্তির দায়িত্ব তেমন রাষ্ট্রেরও দায়িত্ব। তবে তা অবশ্যই সামর্থ্য সাপেক্ষে। . বলা বাহুল্য, এসব ক্ষেত্রে ‘তাদাররুজ’ গ্রহণ করার মধ্যে কর্তার জন্য কোনো কুফর, শিরক কিংবা হারামে লিপ্ত হওয়ার বিষয় নেই। সর্বোচ্চ যেটা আছে, সেটা হল সক্ষমতা অর্জিত হওয়া পর্যন্ত অন্যায় ও অপরাধীকে ছেড়ে রাখা, বিচারের মুখোমুখি না করা। লিখেছেন আবু আব্দুল্লাহ আলমাহদি https://www.facebook.com/abdullah.almahdi.77398

উৎসর্গে একজন তালেবে ইলমের আবেগ।
উৎসর্গে একজন তালেবে ইলমের আবেগ।

ঢাকায় জাতিসঙ্ঘের মানবাধিকার পরিষদের কার্যালয় হবে বলে ঘোষণা দিয়েছে উপদেষ্টা শারমিন মুরশেদ। . জাতিসঙ্ঘের মানবাধিকার পরিষদের কার্যালয় আর কোন কোন দেশে আছে দেখা যাক- . বুরকিনা ফাসো, কম্বোডিয়া, চাদ, গুয়েতেমালা, গায়েনা, হন্ডুরাস, লাইবেরিয়া, মৌরিতানিয়া, মেক্সিকো, নাইজার, ফিলিস-৩, cরিয়া, সুদান, তিউনিসিয়া এবং ইয়েমেন। . কোনো না কোনো সংকটে রয়েছে এমন দেশেই ওএইচসিএইচআর কান্ট্রি অফিস খুলতে পেরেছে। . এই লিস্টে বাংলাদেশের নাম আসার সায়েন্সটা কী? . সম্ভাব্য ৪টা উত্তর মাথায় আসছে, . মিয়ানমার-আরাকান কোল্ড ওয়ার ২.০ পার্বত্য চট্টগ্রাম এলজি টিভি . এনজিওবাগী উপদেষ্টারা দিল্লীর গোলামির পর আমাদের গলায় ওয়াশিংটনের গোলামির শেকল পরাতে উঠেপড়ে লেগেছে। ©আসিফ আদনান ভাই।

কাফেরদের সাথে বন্ধুত্ব ও ভালোবাসা : একটি ভুল বোঝাবুঝি একটি ধারণা অনেকের মাঝে কাজ করে, কাফেরের সাথে সম্পর্ক নিষিদ্ধ হওয়ার বিষয়টি তার কুফরি বিশ্বাসকে সমর্থন করার সাথে শর্তযুক্ত। অর্থাৎ কেউ যদি কুফরি বিশ্বাসকে সমর্থন না করে, তাহলে কাফেরের সাথে বন্ধুত্ব করতে কোনো বাধা নেই। আসলে বিষয়টি এমন নয়। বরং স্বাভাবিকভাবেই কাফেরের সাথে বন্ধুত্ব রাখা অবৈধ। তবে এতটুকু প্রার্থক্য রয়েছে যে, তার কুফরি আকিদা-বিশ্বাসের কারণে মুহাব্বত রাখা কেবল অবৈধ বা গোনাহই নয়, বরং সুস্পষ্ট কুফর। আর পার্থিব বিষয়াদিতে বিশেষ কোনো প্রয়োজন ছাড়া কাফেরদের সাথে মিত্রতা করা কুফরি নয় বটে, তবে তাও নিষিদ্ধ। আর কুফর ও কুফরির কারণ, অনুষঙ্গ ও উপসর্গ ইত্যাদির প্রতি মুহাব্বত নিষিদ্ধ ও নিন্দনীয় হওয়া তো আকল, নৈতিক বিচারবোধ ও শরিয়তের দৃষ্টিতে একদমই স্পষ্ট। তাই সে সম্পর্ক নিয়ে বিস্তর ও জোরালো আলোচনার বিশেষ প্রয়োজন নেই। বাকি নিছক পার্থিব বিষয়ে সম্পর্ক রাখার ক্ষেত্রে বিভিন্ন ব্যাখ্যা, অজুহাত অনুপ্রবেশ করার ছিদ্র ছিল, তাই এই সম্পর্ক নিয়ে জোরালো আলোচনার প্রয়োজন। আর কুরআন-সুন্নাহ ও ফিকহে ইসলামিতে এই অংশ নিয়েই বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এর একটি বড় কারণ এটিও যে, যদিও ভালোবাসার উৎস ধর্মীয় কোনো বিষয় নাও হয়, বরং পার্থিব উদ্দেশ্যেই হয়, তবুও এই সম্পর্ক ও বন্ধুত্বই ক্রমান্বয়ে কুফর, কুফরের আচার-অনুষ্ঠান, কুফরি ধারণা-বিশ্বাস ও অভ্যাসের প্রতি ব্যক্তিকে কোমল ও নমনীয় বানিয়ে ফেলে। দেখা যায়, ব্যক্তি কার্যত কোনো কুফরি করার পদক্ষেপ না নিলেও কুফর ও তার পাপাচারের প্রতি ব্যক্তির ঘৃণা, বিদ্বেষ ও অনুশোচনাবোধ একেবারেই দুর্বল হয়ে যায়। কারণ কোনো জিনিসের প্রতি ভালোবাসা একজন মানুষকে অন্ধ ও বধির করে ফেলে, যার পরিণাম অত্যন্ত ভয়াবহ। এ কারণেই ফকিহগণ কাফেরদের সাথে সম্পর্ক ও ভালোবাসার সকল দিককে অবৈধ বলে ঘোষণা করেছেন, যদিও সে সম্পর্ক কুফরের প্রতি সমর্থনের ওপর ভিত্তি করে না হয়। . প্রকাশিতব্য : 'মুসলিম-অমুসলিম সম্পর্ক' বই থেকে লেখক: মুফতি উবাইদুর রহমান (মুফতি তাকী উসমানী ও সমিউল হক হক কানী রহিমাহুমাল্লাহের শাগরেদ)

যদি কোনো ধরনের আর কোনো ঝামেলা না হয় তাহলে ইনশাআল্লাহ এই শুক্রবার থেকে বইটি পাবেন বাইতুল মুকাররম বই মেলায় ইনশাআল্লাহ। শুক্রবার
যদি কোনো ধরনের আর কোনো ঝামেলা না হয় তাহলে ইনশাআল্লাহ এই শুক্রবার থেকে বইটি পাবেন বাইতুল মুকাররম বই মেলায় ইনশাআল্লাহ। শুক্রবার দুপুর থেকে থাকবো মেলায়, দেখা হবে, কথা হবে ইনশাআল্লাহ।

মাওলানা আব্দুল মাজিদ হাফিজাহুল্লাহ লেখেন, আপনি কি জানেন ছোটবেলায় আপনাকে পেন্সিল দিয়ে কেন লেখান হত ? আর বড় হওয়ার পর আপনি কেন কলম দিয়ে লেখেন ? কারণ, ছোটদের বেশি বেশি ভুল হয় তাই তা বারবার মুছার সুযোগ থাকাচাই , এজন্যই তাদের হাতে পেন্সিল তুলে দেয়া হয় । আর বড়দের এত বেশি ভূল কাম্য নয় তাই মুছার জন্য এত ব্যবস্থাও রাখা হয় না তাই বড়দের হাতে কলম । ফলে আপনি যদি কোন আলিমেদ্বীন বা দায়িত্বশীল ব্যক্তি হন তাহলে ভাবা দরকার আপনি কিন্তু পেন্সিলের যুগ পারকরে কলমের যুগে অবস্থান করছেন । শিশু কালের মত মুছেফেলার সুযোগ বারবার ফিরে আসবে না । তাই তীর নিক্ষেপের আগেই ভাবুন লক্ষ্য ঠিক আছে কিনা ? পরে ভাবার দিন শৈশব কালেই শেষ হয়ে গেছে । বাচ্চাদের ন্যায় প্রতি পাঁচ মিনিট পর খেলনা পরিবর্তনের সময় আপনার জন্য নেই । এখন সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে দীর্ঘক্ষণ চিন্তাকের মত ভাবুন । আপনার হাতে পেন্সিল ও নাই আছে কলম । ঘনঘন মত ও পথ পরিবর্তনকারিরা যদি যুগ ও সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাথে শিক্ষার উপকরণের এই পরিবর্তনের ফিলোসফি বুঝত তাহলে তারা বাঁচত বিব্রতহওয়া থেকে সমাজ পেত দূরদর্শী এক রাহবার ।

ধর্ম উপদেষ্টার কাছে পা ধরা অনুরোধ থাকবে উদারতার নামে নিজের দীন ও ঈমানকে প্রশ্নবিদ্ধ করবেন না। . কোনোরকম ভূমিকা ছাড়াই বলি, ধর্ম উপদেষ্টা সম্প্রতি বৌদ্ধদের কোনো এক অনুষ্ঠানে একটি ঘৃণিত বক্তব্য দিয়েছে। সে বক্তব্যের সবচেয়ে জঘন্য অংশ ছিলো, “এক সময় অস্ট্রেলিয়া থেকে আফগানিস্তান পর্যন্ত বৌদ্ধদের শাসন ছিলো। আজ তা সংকুচিত। আর এটা শুধুই আমাদের অসহিষ্ণুতার কারণে” কতটা জঘন্য ছিলো এই বক্তব্য একটি বারের জন্যও কী কল্পনা করা যায়? আমাদের পূর্বসুরিরা কু]ফ]রের অন্ধকার থেকে ঈমানের নূরের আনার জন্য নিজেদের সর্বোচ্চ বিলিন করেছে তা অসহিষ্ণুতা ছিলো? কী বলতেছেন এগুলো এমন ঘৃণিত বক্তব্য তো কোনো রামবামও তো দেশে দেয়ার সাহস করে না! হযরত যদি আপনাদের ভাষাতে আমি এভাবে বলি, “মাজুসি ধর্মের দ্বারা পরিচালিত পারস্য পুরো পৃথিবীর অর্ধেকের উপরে ছিলো। সাহাবাদের অসহিষ্ণুতার কারণে আজ তা নাই” তাহলে আপনার বক্তব্য দিয়ে কী আমার এই বক্তব্যকে ডিফেন্ড করতে পারবো! আপনার এজাতীয় বক্তব্য শুধুই ভুলই নয় বরং ভুল থেকেও বড় কিছু। স্বল্প মেয়াদি এই পদে গিয়ে নিজেকে কোথায় নিয়ে যাচ্ছেন তা একটি বার ভেবে দেখবেন। প্রতিটি ধর্মের মজমায় গিয়ে তাদের খুশি করার জন্য যা করতেছেন মনে রাখবেন কস্মিনকালেও তাতে সফল হবেন না। তারা আপনার প্রতি শুধুই এবং শুধু সন্তুষ্ট হবে যখন আপনি ঈমানের গণ্ডিকে পারি দিবেন। . আরেকটি বিষয়, মুহতারাম, ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, আপনি লিখিত বক্তব্য পাঠ করছেন। এগুলো কী আপনাকে লেখে যারা দিয়েছে তারাই করেছে না আপনি স্ক্রিপ্টের বাহিরে গিয়ে এগুলো বলছেন! বি. দ্র. পুরো ভিডিও জুরে বেগানা নারী থাকার কারণে ভিডিওসহ দিতে পারিনি। যাদের ভিডিও দেখা লাগবেই তারা নীচের লিংক থেকে দেখে নিবেন। https://www.facebook.com/share/v/AkAXVaMis6MGeLGK/

ফিকহুল জিহাদ সম্পৃক্ত যে কয়টা কিতাব নেড়ে ছেড়ে দেখা সুযোগ হয়েছে তার মাঝে অন্যতম উপকৃত হয়েছি এই কিতাবটি পড়ে। . বেশ অবাক হবেন, লেখক এই কিতাবে মোট বিশটি মাসআলা আলোচনা করেছেন মৌলিকভাবে। এরমাঝে প্রতিটি মাসআলা বলেছেন চারো মাজহাবের আলোকে। এবং চারো মাজহাবের বক্তব্যগুলো মুকারানা করে। মজার বিষয় হলো লেখক উল্লেখযোগ্য পরিমান শেষ কথার উপর ফতোয়া দিয়েছেন হানাফি মাজহাবের বক্তব্যকেই। . কাফেরদের পক্ষে নিয়ে মুসলমানদের বিরুদ্ধে গোয়েন্দাগিরি করা মুসলমানদের বিধান নিয়ে লেখক যা বলেছেন, সেটার সাথে একমত নই। লেখকের দাবী হলো এর দ্বারা ব্যক্তি কাফের হয়ে যাবে। বেশকিছু হানাফী আলেম থেকেও এমন ব্যক্তব্য পাওয়া গেলেও এটা মাজহাবেত ফতোয়া না। তবে যাদের এই মাসআলা ইতকানের সাথে হল নেই তারা লেখকের একেরপর এক দলিলের ফুলঝুরি দেখে অবাকই হবেন এবং দ্বিধায়ও পড়ে যেতে পারেন। . দুঃখজনক বিষয় হলো এই বিশাল বইটি লেখকের একটি বড় বইয়ের দ্বিতীয় অধ্যায়। আর শুধু এই অধ্যায়টিই আজ সংরক্ষিত আছে যতটুকু জানি! ইশ! পুরো বইটি সংরক্ষিত থাকলে উম্মতের কী বিশালই না ফায়েদা হতো! . যাইহোক, জি হা দ সম্পৃক্ত ফিকহের এত এত ইবারত একসাথে পেতে হলেও বইটি নেড়ে দেখতে পারেন। আশা করি উপকৃত হবেন।

সেকু শাহবাগীগুলোর জন্য বেশ দুঃখই লাগে! কয়দিন পর দেশ আফগান হয়ে যাচ্ছে এটাও বলতে পারবে না।
সেকু শাহবাগীগুলোর জন্য বেশ দুঃখই লাগে! কয়দিন পর দেশ আফগান হয়ে যাচ্ছে এটাও বলতে পারবে না।

সম্ভবত দুইবছর আগের ঘটনা। বাইতুল মুকাররম সিরাত বইমেলায় বসেছিলাম। হঠাৎ সংবাদ আসলো মুফতি তাকী উসমানী সাহেব ইনতেকাল করেছেন। ফেসবুকেও মুহুর্তে এই বিষয়ে পোষ্ট আসতে শুরু করেছে। বুকের ভিতরটা এমন ভয়ংকর চিপ দিয়ে উঠেছে, এমনটা এর আগে আমার কখনো হয়েছে বলে মনে হয় না৷ চোখের কোনায় মনের অজান্তেই দেখি পানি জমা শুরু হয়েছে! কী যেনো হারিয়্ব ফেললাম! সামনে বসা একজন মুফতি সাহেব বেদনাবিধুর স্বরে বললেন, পুরো উপমহাদেশ তো এতিম হয়ে গেলো! অল্পক্ষণের মধ্যেই ‘মৃত্যুর সংবাদ সম্পূর্ণ মিথ্যা’ এই সুসংবাদ আসলো। কী যেনো এক মহান রত্ন ফিরে এসেছে এমন একটা অনূভুতি সামনে বসা সকলের চেহারায় লক্ষ্য করলাম। ‘তাকী সাহেব নেই’ এই সংবাদ এই পুরো উপমহাদেশের মানুষ কীভাবে সহ্য করবে তার সামান্য ঝলক সেদিন দেখেছিলাম! . আজকের এক সেমিনারে হযরতের দূর্বল হাটার চিত্র দেখে দিলটা কেমন এক অজানা বিষন্নতায় ভরে উঠলো। বুকের চিনচিন ব্যাথাটা আবার অনুভব করলাম! অথচ... আল্লাহ হযরতের ছায়াকে আমাদের উপর দীর্ঘায়িত করুক। হযরতের আধুরা স্বপ্নগুলো শেষ করেই যেনো দুনিয়ার এই খেলার জীবন শেষ করে প্রিয় রবের সান্নিধ্যে যেতে পারে সেই দোয়া করি।

.... শরীয়ত ও সুস্থ বিবেকের দৃষ্টিতে কু]ফ]র নিজেই একটি অপরাধ আর কা]ফে]র একজন অপরাধী। বস্তুবাদের এই যুগে মানুষ এটাকে যে নামে ও শিরোনামেই ব্যক্ত করুক অথবা যে রঙ ও ঢঙ্গেই উপস্থাপন করুক ।শরীয়তের দৃষ্টিতে কু]ফ]র সাধারণ অপরাধই শুধু নয় বরং সবচেয়ে বড় অপরাধ এবং অসংখ্য অপরাধের গোড়া। দুনিয়ার সকল আইনেরই অপরাধ ও নিরপরাধ নির্ধারনের নিজস্ব মাপকাঠি ও প্রয়োগক্ষেত্র রয়েছে। এবং সে বিবেচনায় অপরাধী ও নিরাপরাধীর সাথে আচরণে পার্থক্য করা হয়। সকলের সাথে সমান আচরণ করা হয় না। ইসলামেও কা*ফে*র ও মুসলমানের সাথে একরকম আচরণ রাখা হয়নি। বড় আফসোসের বিষয় হলো বর্তমানে মানুষ চুরি, ডাকাতি, যিনা ও গুম-খুনকে অপরাধ মনে করে অথচ কু*ফ*র হলো এই সকল অপরাধ থেকেও আরো বড় অন্যায় ও সকল অপরাধের মূল! "। প্রকাশিতব্য মুসলিম-অমুসলিম সম্পর্ক বই থেকে মুফতি উবাইদুর রহমান

মুশতাকুন্নবী সাহেবের বক্তব্যটা শুনা ও শুনানো দরকার।

অমুসলিমদের ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ ও শুভেচ্ছা জানানোর বিধান। বিস্তারিত আসবে “মুসলিম অমুসলিম সম্পর্ক” বইতে। এখন জানার জন্য এ
অমুসলিমদের ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ ও শুভেচ্ছা জানানোর বিধান। বিস্তারিত আসবে “মুসলিম অমুসলিম সম্পর্ক” বইতে। এখন জানার জন্য এই পোষ্টটি দেখতে পারেন। https://www.facebook.com/share/p/zLEWB8KydB2uWMPR/

স্পষ্ট ও সাফ কথা, ধর্মউপদেষ্টার জন্য তাওবা করা জরুরি। উনি নিজের মুখেই বলছেন, যেটা উনি গায়ে দিয়েছেন সেটা অমুসলিমদের একটি শেয়ার বা প্রতীকী। আর কোনো মুসলমানের জন্য অমুসলিমদের প্রতীকী গায়ে দেওয়া কুফরের অন্তর্ভুক্ত। তবে এজন্য উনাকে কাফের বলা জায়েয না হলেও উনার জন্য তাওবা করা জরুরি। এটা অবশ্যই উনি নিকৃষ্ট একটি গুনাহের কাজ করেছেন। উনি প্রকাশ্যে না হলেও আল্লাহর কাছে যেনো ক্ষমা চেয়ে নেন। এটা কোনো সাধারণ বিষয় নয়, কাফে রের শেয়ার বহন করে একজন আলেম গর্ববোধ করা, এটা কত মানুষের জন্য কুফরের রাস্তা খুলে দিবে, আল্লাহই ভালো জানেন! উনি একজন আলেম উনার জন্য গ্রহণযোগ্য কোনো তাবিল আছে বলে মনে হয় না। . দ্বিতীয়ত, অমুসলিমদের সামনে তিনি যেভাবে এদেশের মুসলমানদের লাঞ্চিত করেছেন এটা ছিলো আরো বেশি দুঃখজনক। উনার উচিত প্রকাশ্য মুসলমানদের কাছে ক্ষমা চাওয়া!

ইনশাআল্লাহ মেলার প্রথম সপ্তাহে আসবে। . জীবনের একান্ত একটি ইচ্ছে ছিলো প্রথম বইটি মৌলিক আনবো। যার কারণে এই ফাইলটি বহু আগে শেষ হ
ইনশাআল্লাহ মেলার প্রথম সপ্তাহে আসবে। . জীবনের একান্ত একটি ইচ্ছে ছিলো প্রথম বইটি মৌলিক আনবো। যার কারণে এই ফাইলটি বহু আগে শেষ হলেও এবং বন্ধু Borhan Ashrafi -এর বারবার তাগাদার পরেও পাশ কেটে গিয়েছি। আসলে জীবনের সবকিছু নিজের ইচ্ছে দিয়ে হয় না। . যাইহোক, সকলের কাছে দোয়া চাই, আল্লাহ যেনো কাজগুলোকে নাজাতের উসিলা বানায়। উম্মাহের জন্য কল্যাণকর বানায়।

প্রচুর বিভ্রান্তি চলে প্রতি বছর এই জায়গাগুলোতে! আশা করি লিংকের লেখাটি পুরোটা পড়বেন এবং সাধ্যমতো অন্য মুসলিমভাইয়ের কাছে পৌঁছাব
প্রচুর বিভ্রান্তি চলে প্রতি বছর এই জায়গাগুলোতে! আশা করি লিংকের লেখাটি পুরোটা পড়বেন এবং সাধ্যমতো অন্য মুসলিমভাইয়ের কাছে পৌঁছাবেন। https://www.facebook.com/share/p/nhSfmELgze5DoKZe/

শাইখ রহ. এ দৃষ্টিভঙ্গির ঘোর বিরোধী ছিলেন যে, মুজা'হিদগণ নিজেদেরকে উম্মতের শ্রেষ্ঠ ও সেরা অংশ মনে করবে আর অবশিষ্ট উম্মতকে ফাসেক ও গোনাহগার মনে করে তাদের প্রতি অবজ্ঞাপূর্ণ মানসিকতা লালন করবে। শাইখ রহ. যেহেতু মুসলমানদের সকল শ্রেণিকে একতাবদ্ধ করে ক্রু'সে'ডারদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে শামিল করতে চাইতেন তাই যেকেউ যেকোনভাবে ক্রু'সেডা'রদের বিরুদ্ধে কোন ভূমিকা রাখলে শাইখ তাকে উৎসাহিত করতেন এবং আরো জোরালো প্রচেষ্টা চালানোর প্রেরণা জোগাতেন। সুত্র: এইসে হোতে হ্যাঁয় ইসলাম কে রাহনুমা, নবম অধ্যায়, পৃ. ২৯৩ ©আবু উসামা সিরাজ

এতদিন যিনি গণ'তন্ত্র ইস্যুতে অন্যদের নিয়ে বাড়াবাড়ি করেছেন, অতিরঞ্জিত বক্তব্য দিয়ে ঘৃণা ছড়িয়েছেন, তুচ্ছতাচ্ছিল্য করেছেন; তার ব্যাপারেও এখন এই ইস্যুতে বাড়াবাড়ি করা হবে, অতিরঞ্জিত মন্তব্য করা হবে, তুচ্ছতাচ্ছিল্য করা হবে—এটাই স্বাভাবিক। ময়দানের শাইখরা কখনোই গণ'তান্ত্রিক পদ্ধতিতে দ্বীন কায়েমে প্রত্যাশী ব্যক্তিবর্গের ব্যাপারে ঘৃণাপূর্ণ, বি'দ্বে'ষমূলক বা তাচ্ছিল্যপূর্ণ মন্তব্য করেন না। প্রশ্নই আসে না। এটা তারা কীভাবে করবেন যেখানে “আবু তালে'বান” খ্যাত মাওলানা সামি'উল হক হক্কানি রহ. ছিলেন পাকিস্তান জমিয়তের একাংশের নেতা এবং দুই মেয়াদে পাকিস্তান সিনেটের (পার্লামেন্টের আইনসভার উচ্চ পরিষদ) সদস্য। তাঁর কাজ ছিল তাঁর নির্বাচনী অঞ্চলে শরি'য়াকামি মুসলমানদের জন্য পাকিস্তানের রাষ্ট্রীয় ও রাজনৈতিক সুযোগ সুবিধার ব্যবস্থা করা। এখন কোন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব যদি রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে ইসলামের পক্ষে কাজ করার জন্য এবং জাতীয় পর্যায়ে মুসলমানদের রাজনৈতিক সুযোগ সুবিধার জন্য প্রচলিত গণ'তান্ত্রিক রাজনীতি করেন তাহলে আমরা শুধুমাত্র গণ'তান্ত্রিক রাজনীতিতে অংশগ্রহণের অপরাধে (?) তাকে ধুলোয় মিশিয়ে দিবো? এটাই কি শরি'য়তের বুঝ? এই কি তবে জিহা'দি চেতনা? আঞ্চলিক পর্যায়ে আপনার জিহা'দের দ্বারা উদ্দেশ্যটা কী? দ্বীন ও শরিয়তের সুরক্ষাই তো? তাহলে লক্ষ্মীপুর, কমলনগর থানার চেয়ারম্যান মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহর ব্যাপারে আপনি কী সিদ্ধান্ত নিবেন, যাঁর ব্যাপক দাওয়াতি মেহনত এবং রাজনৈতিক প্রভাবে কমল নগর উপজেলা বিশেষত চরকাদিরা ইউনিয়নে আজ কয়েক বছর যাবৎ প্রকাশ্যে শরি'য়া পরিপন্থি কর্মকাণ্ড সব বন্ধ হয়ে গেছে। এসবই স্থানীয় জনতাকে সঙ্গে নিয়েই হয়েছে। যা নিয়ে একাত্তর টিভির হাইপ্রেশার উঠে গেছিলো। দেখুন, গণ'তন্ত্রের মধ্যে দুটি বিষয় আছে। এক হল তার ম্যানেজমেন্ট বা ব্যবস্থাপনাগত বিষয়। আরেক হল তার নৈতিক দর্শন বা আইনি উৎস। গণ'তন্ত্রের ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে শির'ক কুফ'রের বিশেষ সম্পর্ক নেই। শির'ক-কুফ'রের সম্পর্ক হল গণ'তন্ত্রের নৈতিক দর্শন বা আইনি উৎসের সঙ্গে। কারণ পশ্চি'মা গণ'তন্ত্র স্বাভাবিকভাবে তার দর্শন বা আইনি উৎস হিসেবে সে'ক্যু'লারিজমকে মান্য করে। যা সুস্পষ্ট শির'ক ও কুফ'র। আমাদের আকাবির আলিমদের মধ্যে হাফেজ্জি হুজুর, আমিনি সাহেব এবং কাসেমি সাহেবদের মতো যারা গণ'তান্ত্রিক রাজনীতি করেছেন তাঁরা এখানেই ছিলেন ব্যতিক্রম। তারা গণ'তন্ত্রের ম্যানেজমেন্টটা গ্রহণ করেছিলেন বটে কিন্তু তার দর্শন বা আইনি উৎসটাকে সতর্কভাবে সবসময়ই প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। এখন আপনি তাদেরকে কুফরে লিপ্ত কীভাবে দাবি করবেন? মুফতি আমিনি রহ. সংসদে দাঁড়িয়ে সংবিধানে কুরআন বিরোধী ও ফত'ওয়া বিরোধী ধারার অন্তর্ভুক্তির কারণে সেই সংবিধান ডাস্টবিনে ছুঁড়ে ফেলার প্রকাশ্য হুম'কি দিয়েছিলেন৷ একারণে তাঁর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদোহের মামলা পর্যন্ত হয়েছিল। এখন আপনি তাকে কুফ'রে লিপ্ত দাবি করবেন? যাইহোক, আলী হাসান ভাইকে আমি সবসময়ই একজন যথেষ্ট যোগ্য এবং ইলমি মানুষ হিসেবে মুহাব্বত করতাম, সমীহ করতাম। কিন্তু আমি তাকে কখনোই জিহা'দ বা ইকামতে দ্বীনের দাওয়াতের ক্ষেত্রে আদর্শ বা অনুসরণীয় ব্যক্তি মনে করতাম না। আমি আমার ছাত্রদেরকেও মাঝেমধ্যে এ ব্যাপারে সতর্ক করতাম। কারণ দাওয়াতের ক্ষেত্রে ময়দানের শাইখদের পক্ষ থেকে যে নির্দেশনাবলী আছে সেসবের সাথে তার কোনই মিল পেতাম না। দেখুন, গণ'তান্ত্রিক পদ্ধতিতে দ্বীন কায়েমের মেহনতকারী ব্যক্তিবর্গের ব্যাপারে শাইখ আই'মান রহ. এর দৃষ্টিভঙ্গি কেমন ছিল— শাইখ আই'মান রহ. মুসলমানদেরকে দাওয়াত দেয়ার ক্ষেত্রে এ বিষয়টি খুব গুরুত্ব দিতেন যে, আমাদের আর অন্যান্য সাধারণ মুসলমানদের মধ্যে মূল সম্পর্ক হল ওয়ালা বা মৈত্রীর। অর্থাৎ বন্ধুত্ব, ভালোবাসা ও সহযোগিতার। সে হিসেবে মুসলমানদেরকে দাওয়াত দেয়ার পন্থা তেমনই হওয়া চাই, যেমনটা নিজেদের প্রিয়জন ও বন্ধুদের বেলায় হয়ে থাকে। শাইখ রহ. মনে করতেন, যেখানে আল্লাহ তাআলা ফেরআউনকে দাওয়াত দেয়ার ক্ষেত্রেও মুসা আ. কে নম্রতা অবলম্বন করতে বলেছেন, সেক্ষেত্রে সাধারণ মুসলমান নিজেদের সকল অজ্ঞতা ও গোমরাহি সত্ত্বেও আমাদের ভাই। সুতরাং তাদেরকে তো আরো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কোমলতা ও ভালোবাসার সাথে দাওয়াত দেয়া উচিত। এজন্য শাইখ আই'মান রহ. গণ'তন্ত্র বিরোধী দাওয়াত দেয়ার সময় অভদ্রতাপূর্ণ ভাষা ব্যবহার করা, কটাক্ষ করা, তাচ্ছিল্যপূর্ণ ভাষায় কথা বলা এবং ধমকের সুরে কথা বলা অপছন্দ করতেন। বরং শাইখ রহ. যেখানে গণ'তন্ত্রের নিন্দা প্রকাশ করতেন সেখানেও ঐ সকল ব্যক্তিত্বের প্রতি পূর্ণ শ্রদ্ধা রেখে কথা বলতেন যারা ইখলাসের সাথে গণ'তন্ত্রের মাধ্যমে ইসলামী শাসন ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনার প্রচেষ্টায় রত আছেন। তিনি তাদের ইখলাস ও কুরবানির যথাযথ মূল্যায়ন করার চেষ্টা করতেন এবং তাদেরকে তাদের পূর্বসুরিদের ত্যাগ ও অবিচলতার ইতিহাস স্মরণ করিয়ে দিয়ে হকের উপর দৃঢ়পদ থাকার উপদেশ প্রদান করতেন।

পাকিস্তানে বর্তমান যে কজন আলেম ইসলামি খি লা ফ ত এবং সিয়াসাত বিষয়ক কাজ করছেন তাদের মধ্যে তরুন একজন আলেম হলেন মাওলানা আব্দুর রহমান সাত্তি সাহেব। তার একটি মুনাজারা থেকে তাকে প্রথম চিনি। . খি লা ফ ত, খুরুজ আলাল হুক্কামসহ পুরো ইসলামি সিয়াসাত আমাদের বুঝতে হবে ও হল করতে হবে কুরআন সুন্নাহের ধারকবাহক ফকিহদের ব্যাখ্যার আলোকে। এর বাহিরে অন্যকোনো মাপকাঠি দিয়ে আমি বুঝতে যাবো বা বুঝাতে যাবো তখনই আমি ধোঁকা খাবো ও ধোঁকা দিবো। . আব্দুর রহমান সাত্তি সাহেব মাত্র কয়েক পৃষ্ঠায় ইসলামের খিলাফাতের এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টিকে তুলে এনেছেন, কুরআন হাদিস ও চৌদ্দশত বছরের ফকিহদের বক্তব্যের আলোকে। বইটি আশা করি আলেম ও তালেবে ইলম ভাইরা পড়বেন ইনশাআল্লাহ। . লেখক এখানে আমাদের একজন ফকিহের বক্তব্যের আলোকে একটি মাসআলা বলেছেন, খিলা ফ ত অস্বীকারকারী কাফের। এই মাসআলায় কিছুটা ব্যাখ্যা সাপেক্ষ। লেখক সেটা সেভাবে উল্লেখ করেননি কোনো কারনে। পড়ার সময় বিষয়টি যেহেনে রাখবো ইনশাআল্লাহ। .