ar
Feedback
Abdullah bin bashir

Abdullah bin bashir

الذهاب إلى القناة على Telegram

প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

إظهار المزيد

📈 نظرة تحليلية على قناة تيليجرام Abdullah bin bashir

تُعد قناة Abdullah bin bashir (@abdullahbinbashir) في القطاع اللغوي البنغالي لاعباً نشطاً. يضم المجتمع حالياً 11 319 مشتركاً، محتلاً المرتبة 7 894 في فئة الدين والقيم الروحية والمرتبة 2 062 في منطقة بنغلاديش.

📊 مؤشرات الجمهور والحراك

منذ تأسيسه في невідомо، حقق المشروع نمواً سريعاً وجمع 11 319 مشتركاً.

بحسب آخر البيانات بتاريخ 31 أغسطس, 2026، تحافظ القناة على نشاط مستقر. خلال آخر 30 يوماً تغيّر عدد الأعضاء بمقدار 58، وفي آخر 24 ساعة بمقدار -7، مع بقاء الوصول العام مرتفعاً.

  • حالة التحقق: غير موثّقة
  • معدل التفاعل (ER): يبلغ متوسط تفاعل الجمهور 13.99‎%. وخلال أول 24 ساعة من النشر يحصد المحتوى عادةً 5.84‎% من ردود الفعل نسبةً إلى إجمالي المشتركين.
  • وصول المنشورات: يحصل كل منشور على متوسط 1 584 مشاهدة. وخلال اليوم الأول يجمع عادةً 661 مشاهدة.
  • التفاعلات والاستجابة: يتفاعل الجمهور بانتظام؛ متوسط التفاعلات لكل منشور يبلغ 37.

📝 الوصف وسياسة المحتوى

يصف المؤلف القناة بأنها مساحة للتعبير عن الآراء الذاتية:
প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

بفضل وتيرة التحديث المرتفعة (أحدث البيانات بتاريخ 01 سبتمبر, 2026) تحافظ القناة على حداثتها ومستوى وصول مرتفع. وتُظهر التحليلات تفاعلاً نشطاً من الجمهور، ما يجعلها نقطة تأثير مهمة ضمن فئة الدين والقيم الروحية.

11 319
المشتركون
-724 ساعات
-47 أيام
+5830 أيام
أرشيف المشاركات
জুলানীর কিছু প্রদক্ষেপ অবশ্যই যথেষ্ট সন্দেহের উদ্গ্রীব তবে তার ব্যাপারে এখনোই চূড়ান্ত কিছু বলা বা সরলীকরণকে পছন্দ করি না। যুদ্ধের সাহায্য হিসেবে তুর্কী থেকে সাহায্য নেওয়া ভালো সিন্ধান্ত হলেও রাষ্ট্র পরিচালনায় তুর্কীকে বিশ্বাস করা হবে হাজারো-লাখো শহিদের সাথে গাদ্দারী করা। বাকি, এখনো চূরান্ত সিন্ধান্ত মূলক একটা অবস্থান না নিয়ে বিষয়গুলো আরো গভিরভাবে দেখাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে।

একজন আলেমের ব্যাপারে সবচেয়ে বড় আপত্তি হলো উনি দাওলার সমর্থক। এবং এই আপত্তি একদম অনর্থকও নয়। তার আশপাশে ভিড়তে থাকা অধিকাংশ ছেলেগুলো দায়েশ ভক্ত, তার সবচেয়ে কাছের একজন মাদরাসা পড়ুয়া দায়েশের দায়ী, এবং সে তালেবে ইলম উনার সহকারী লেখকও! তার কাছে গেলে কিছুদিনের মাথায় দায়েশের প্রতি একটা সফট ভাব ও তালেব ও অন্যান্য জিহাদি জামাতের ব্যাপারে আপত্তি ইশকালের তুফান শুরু হয়ে যায়। এই যখন অবস্থা, তখন তার কাছে এই বিষয়ে বারবার স্পষ্ট করতে বলা হলে, সে শুধু ঘুরিয়ে পেছিয়ে উত্তর দেয়, অস্পষ্ট উত্তর দেয় এবং যারা তার ব্যাপারে সন্দেহ করে, তার বিষয়টি স্পষ্ট হওয়ার আগে তার কাছে যাওয়া থেকে বিরত থাকলে বা রাখলে তিনি সেটাকে কুরআনে বর্ণিত কাফেররা মুসলিমদেরকে দীন পালনে বাঁধা দেওয়া সংক্রান্ত বিভিন্ন ধমকির সাথে তুলনা করে! ওজাহাতের নামে উনি বারবার ভিডিও দেয়, লেখা দেয়, কিন্তু মূল বিষয়টি কখনোই স্পষ্ট করে না! এদিকে দায়েশের ব্যাপারে অন্যতম আপত্তিই হলো তারা তাকিয়াবাজ! তারা শীয়াদের মত নিজেদের অবস্থান গোপন করে মানুষের মাঝে খারেজিয়াত চর্চা করে। বিষয়গুলো খুবই ভয়ংকর! আমরা কারো ভিজা কথায় কান দিবোনা, সতর্ক থাকবো, জিহাদের শীরোনামে যেনো কেউ আমাদের খারেজিয়াতের দিকে নিয়ে যেতে না পারে।

সমতার যুদ্ধ একটি দিবাস্বপ্নমাত্র মাওলানা যুবায়ের হোসাইন সমতার ভিত্তিতে ও সমতার বিচারে কখনো যুদ্ধ হয় না। পৃথিবীর ইতিহাস এমনই। একটি প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সুশৃংখল সশস্ত্র বাহিনী ও ক্ষমতাসীনের বিপরীতে নিরস্ত্র সাধারণ জনগণের যুদ্ধ কখনো সমতার যুদ্ধ নয়। পারমাণবিক শক্তিধরের বিরুদ্ধে গেরিলাদের পিস্তল রিভলবারের যুদ্ধ কখনো সমতার যুদ্ধ নয়। জোটবদ্ধ অনেকগুলো কাফের রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে একটি মুসলিম দেশের যুদ্ধ কখনো সমতার যুদ্ধ নয়। আর্থিকভাবে উন্নত দেশগুলোর বিরুদ্ধে অনুন্নত ও স্বল্পোন্নত দেশের যুদ্ধ কখনো সমতার যুদ্ধ নয়। অথচ যুদ্ধের ইতিহাসগুলো এমনই। যুদ্ধের দুই প্রতিপক্ষ এমনই ছিল। এটাই সত্য। এর সাথে সাথে এও সত্য যে, দুই পক্ষের মধ্যে শক্তিশালীই সব সময় বিজয়ী হয়নি। বাহ্যিকভাবে যারা দুর্বল পক্ষ, অধিকাংশ ক্ষেত্রে তারাই বিজয়ী হয়েছে। সহজে বোঝার মত আরেকটি বিষয় হচ্ছে, পৃথিবীর প্রতিটি প্রান্তেই ক্ষমতাসীনদের পালাবদল হয়েছে। কোন ক্ষমতাসীনই চিরকাল ক্ষমতায় থাকেনি। ক্ষমতার পালাবদল একটি চলমান প্রক্রিয়া। আর সে ক্ষতাসীনকে যে শক্তি ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দেয়, সে শক্তিটি ক্ষমতাসীন নয়। সে শক্তিটি হচ্ছে তৃণমূল থেকে উঠে আসা দুর্বল ও ক্ষুদ্র একটি শক্তি। ক্ষুদ্র ও দুর্বল সে শক্তিই ক্ষমতাসীনের চেয়ারের একটি একটি পায়া ও একটি একটি খুঁটিকে তার মূল থেকে উপড়ে ফেলতে থাকে। খুঁটির নিচের মাটি সরিয়ে সরিয়ে ক্ষমতাসীনকে শূণ্যের উপর ভাসিয়ে রাখে। এরপর একসময় আকস্মিক একটি প্রচণ্ড আঘাতে ক্ষমতার মসনদকে তছনছ করে দেয়। ক্ষমতার মোহে বিভোর ক্ষমতাসীন যা বুঝে উঠতে উঠতে নাট্যলীলা সাঙ্গ হয়ে যায়। যুদ্ধ ও জয় পরাজয় এমনই। জিহাদ ও লড়াইয়ের প্রকৃতি এমনই। অতএব যারা সমতার যুদ্ধের অপেক্ষায় অপেক্ষমান, তাদের এ দিবাস্বপ্নের ঘোর কাটার সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ। এ ঘোর কেটে উঠার একটি উসিলা পৃথিবীর ইতিহাসের সঠিক অনুধাবন। আরেকটি মাধ্যম এবং টেকসই মাধ্যম, ইসলামী শরীয়ার সিদ্ধান্তের কাছে পূর্ণাঙ্গ আত্মসমর্পণ।

যেমন ছিলেন ওয়ালামে দেওবন্দ .... মুফতি রশিদ আহমদ লুধিয়ানবি রহিমাহুল্লাহ বলেন, اس دور کی حکومتوں سے ادنی رعایت بھی حاصل کرنا دین کے لۓ سخت مضر بلکہ مہلک ہے، جن مدارس نے حکومت سے امداد لی ہے آیندہ کے لۓ ان کی زبان حق گو‏ئی سے بند ہوگئ اور حکومت اس احسان کے عوض ان سے بہت سے خلاف ‎شریعت کام کرا لیتی ہے۔ এ যামানার শাসকদের থেকে সামান্য সহোযোগিতা নেওয়া দ্বীনের জন্য শুধু ক্ষতিকরই নয়, একটি ধ্বংসাত্মক বিষয়ও বটে। যে সমস্ত মাদরাসা সরকারের কোনরকম সাহায্য সহোযোগিতা গ্রহণ করেছে, ভবিষ্যতে সরকারের বিরুদ্ধে হক বলার ক্ষেত্রে তাদের মুখ বন্ধ হয়ে গেছে। আর সরকারও ঐ অনুগ্রহের বিনিময়ে তাদের মাধ্যমে অনেক শরীয়ত বিরোধী কাজ করিয়ে নেয়। -আহসানুল ফাতওয়া ৮/২৩৮

নিজেদের দূর্বলতা আর অসহায়ত্বকে আমরা হেকমত বলি, এটা কস্মিনকালেও তা সঠিক নয়। মাওলানা মঞ্জুর মেঙ্গল হাফিজাহুল্লাহ পুরো ভিডিওটা শুনতে পারেন।

এদেশের কিছু তালেবান ভক্ত আধাজল খেয়ে মাকদেসীর পিছনে লেগেছে তাকে খারেজি প্রমাণ করতে। আর ওদিকে মূল তালেবান বিশ্বের বড় বড় আলেম যারা মোল্লা ওমরের ব্যাপারে মন্তব্য করেছেন সে সবের মাঝে সম্মানের সাথে মাকদেসির বক্তব্য উল্লেখ করেছেন! মাঝখানে আমি পড়ে গেছি ফিতনায়! (মাকদেসীর অবশ্যই কিছু বাড়াবাড়ি আছে, যার সাথে আমিও একমত না। তবে কথা হলো কিছু শুজুজ ও বাড়াবাড়ি থেকে কী কেউই মুক্ত!)

মোল্লা ওমর রহিমাহুল্লাহের অফিসিয়াল একটি জীবনী বের হয়েছে—ওমর সালেস নামে। পশতু ভাষায় বইটির কাজ হয়েছে, মোল্লা ওমরের ছেলে বর্তমান
মোল্লা ওমর রহিমাহুল্লাহের অফিসিয়াল একটি জীবনী বের হয়েছে—ওমর সালেস নামে। পশতু ভাষায় বইটির কাজ হয়েছে, মোল্লা ওমরের ছেলে বর্তমান আফগানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী মোল্লা ইয়াকুবের তত্ত্ববধানে। বইটির একটি আরবী তরজমাও হয়েছে আলহামদুলিল্লাহ। শীঘ্রই হাতে পাবো। যাইহক, যা বলার জন্য মূলত এই লেখা। এই বইতে মোল্লা ওমর রহিমাহুল্লাহ সম্পর্কে বিশ্বের বড় বড় আলেমদের মতামত একটি অধ্যায়ে জমা করা হয়েছে। সেখানে সর্বপ্রথম যার মতটি উল্লেখ করেছেন সে হলো আলকায়দার দ্বিতীয় প্রধান ড. আয়মান আযযাওয়াহিরি রহিমাহুল্লাহের। তালেবদের কাছে কায়দার মূল্য কেমন তা এতটুকু থেকেও বুঝলে বুঝা যায়।

পিলখানা হত্যাকাণ্ড নিয়ে একটি প্রমাণ্য বই। এই বিষয়ে তো শত শত বই ও ডকুমেন্ট হওয়ার দরকার ছিলো। কিন্তু এই হত্যাকাণ্ডের সহযোগি স্বৈরাচার তা হতে দিলো কই। তবে এতকিছুর পরেও সাহসী কিছু মানুষ থেমে থাকেনি। দায়িত্ববোধ থেকে তারা তথ্যগুলো সংগ্রহ করে রেখেছে। স্বৈরাচারের পতনে ভেবেছিলাম এমন অসংখ্য বই হয়তো বের হয়ে আসবে! কিন্তু.... যাইহোক, বইটি পড়া ও এর বার্তা জনসম্মুখে নিয়ে আসা এখন এ ভুখণ্ডের সকলের তবে বিশেষভাবে মুসলমানদের কর্তব্য।

বিডিআর হত্যা কাণ্ড নিয়ে বেশ চমৎকার একটি ভিডিও। যতদিন বিডিআর হত্যাখাণ্ডের বিচার এদেশে হবে না, ততদিন স্পষ্ট বাংলাদেশ ভারতের উপনিবেশ থেকে মুক্ত হতে পারেনি। দেখতে পারেন। https://www.youtube.com/watch?v=J7JUm8IXoBU

দেশী ও আন্তর্জাতিক নিউজের জন্য এই চ্যানেলটা বেশ ভালো লাগে। জানিনা কারা চালায়, তবে ওদের নিউজের বিশ্লেষণ অন্যদের তুলনায় অনেক বেশি বস্তুনিষ্ট ও ইসলামবান্ধব মনে হয়। দেখতে পারেন, আপনারাও। https://t.me/Alfirdaws02

তুরষ্কের পরারাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান আল জাযিরার সাক্ষাতকারে সিরিয়া যুদ্ধে তাদের অবস্থানকে বেশ স্পষ্ট করেই বলেছে। পিছনে ডেপ্লোম্যাটিক তারা কী কাজ করেছে সেটা বেশ স্পষ্টই ছিলো। ঘুরে ফিরে সকল কিছুর দায় জিহাদের কাধে দিতে ইচ্ছুক কিছু বঙ্গীয় গবেষকদের দেখলাম, তুর্কীর সেই ডিপ্লোম্যটিক অবস্থানের কারণেই আজকে সিরিয়া আজাদ হয়েছে বলে তারা চূড়ান্ত ঘোষণা দিয়ে দিয়েছে, আর ডিপ্লোম্যাসি না থাকলে তাহরিরুশ শাম ধ্বংস হয়ে যাইতো! বাস্তবতা হলো এদের জন্য আমার করুনা হয়। এরা মূলত ডিপ্লোম্যাসি, জিওপলিটিক্স, ইত্যাদি ভোংচোংয়ের একধরনের পূজারি। এরা কখনোই এভাবে কল্পনা করতে পারে না, রাশিয়ার চূড়ান্ত শক্তির কাছে মুজাহিদদের টিকে থাকার ফলেই তুরষ্ক ডিপ্লোম্যটিক খেলাটা খেলতে পেরেছে। খুবই সাধারণ হিসেবে মুজাহিদদের অস্ত্রের জোর না থাকলে এধরনের চুলের ডিপ্লোম্যটি যে কোনো চুলও ছিড়তে পারতো না, এটা যেকোনো সাধারণ বিশ্লেষকও বুঝে।কিন্তু জিওপলিটিক্সের পুজারিদের এগুলো বুঝার তাওফিক কখনো হবে না। এরা একাডেমিয়ার উপর নির্মহ ইমান নিয়ে আসা! আর একাডেমিয়ার উপর নির্মহ ইমান এদের সামনে কখনোই বাস্তবতাকে স্পষ্ট করতে দিবে না। এরা দুনিয়ার সব জিহাদকে দোষী সাব্যস্ত করতে শুধু আইএসআইয়ের ভাঙ্গা পুরান বাসি বাজাইয়া যাবে। এবং এটাই এদের সর্বোচ্চ দৌড়। একাডেমিয়া আর জিওপলিটিক্সের নামে এরা যে ভুগিঝুগি দেয় এগুলো জিহাদ ও মুজাহিদদের যারা মহব্বত করে এদের সামনে মুহুর্তেই স্পষ্ট হয়ে যায়। এজন্য এদের সকল রাগ জিহাদের কথা বলা ভাইদের উপর। আর এটা তারা খুব সহজেই দিতে পারে দায়েশের নাম দিয়ে। বেশ সফল প্রজেক্ট। তাদের ডিপ্লোম্যটি হলো জুলানীর পূর্ণ শরীয়ার কথা না বলা, পেনশার্ট পড়া। নারীদের সাথে দেখাসাক্ষাত করা। বাস্তবতা হলো এদের কাছে মোল্লা ওমরদের আজিমত হলো কট্টর ইসলাম। এবং অনর্থক কাজ।

পিনাকীর ভিডিও দেখি আসলেই কড়া হইছে! বেশ গোছালো এবং বাস্তবভিত্তিক তথ্য তার কাছে ছিলো। এবং তার দেওয়া সমাধানটাই আসলে বর্তমানের প্রকৃত সমাধান। https://www.youtube.com/watch?v=3GXEu55UDfc

পিনাকী ভট্টাচার্যের ভিডিওটা বেশ ভালো হয়েছে। কোন এক অজানা কারণে বহু আগে থেকেই মানুষগুলোকে আমার অস্বস্তি লেগেছে। আমি জানি না কেন। তাবলীগের লোকেরা একটা প্র্যাক্টিস খুব করে। সেটা হল, 'বড়রা বলেছেন' 'বড়দের কথা মানার মাঝেই কামিয়াবি'। এই সোকল্ড 'বড়'-দের রেফারেন্সিংটা ইসলামের মেজাজ পরিপন্থী। রসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাদিস রয়েছে: "এই ইলম হচ্ছে দীন, অতএব ইলম কার কাছ থেকে নিচ্ছো, তা খেয়াল করবে"। অবশ্যই উল্লেখ করতে হবে এই কথাটা আপনি কার মুখে শুনেছেন। 'বড়দের কথা' নাম দিয়ে যা মন চায় চালিয়ে দিয়ে দিয়ে এই কাজটার আজ এই অবস্থা। মিম্বরে বসে কে কথা বলছে, এটাও জানতে নিরুৎসাহিত করা হতো। বলা হত: কে কথা বলছে সেদিকে ফোকাস করো না, কার কথা বলছে (আল্লাহর) সেদিকে খেয়াল দাও। এটা ডেফিনেটলি ইসলামের মেজাজ পরিপন্থী। অবশ্যই আপনাকে জানতে হবে, চিনতে হবে, খেয়াল করতে হবে কার কাছ থেকে আপনি দীনের কথা শুনছেন, নিচ্ছেন। এবং তার যোগ্যতা কী, তিনি কাদের কাছ থেকে শুনেছেন বা শুনতে পারেন। একদিকে 'ইলম' দফার অধীনে তাহকীকী (যাচাইয়ের) মেজাজ তৈরির কথা বললেন, অন্যদিকে 'আমাদের বড়রা বলেছেন' নাম দিয়ে অমুক-তমুকের কথা চালিয়ে দেবার প্র্যাক্টিস। অবশ্যই দীনের কথা আলিমদের থেকেই নিবেন। আর জেনারেল শিক্ষিত দাঈরা স্পষ্টভাবে বড় কোনো আলিমের রেফারেন্স দিলে মানতে পারেন। যতখন আমরা আলিমদের কথাকে পুনরুচ্চারণ করছি, আমাদের কথা নিবেন, ব্যতিক্রম মনে হলে আলিম থেকে যাচাই করবেন। বিঃদ্রঃ সাদ সাহেবপন্থীদের (শিক্ষিত মানুষজন) সিরিয়াসলি পুনর্মূল্যায়ন করা দরকার তাদের নেতৃত্বে থাকা লোকদের। পিনাকীদার পয়েন্টগুলো একটাও অমূলক নয়। বহু আগে থেকেই তাদের ব্যাপারে সাথীদের সুধারণা নেই। আর ভারতের পক্ষে নিজামুদ্দিন কর্তৃপক্ষ বা কর্তাব্যক্তিদের ম্যানিপুলেট করা সহজ। যেভাবে একটা সময় আওয়ামী লীগ হেফাজত নেতৃত্বকে ম্যানিপুলেট করেছে। বেশি না, মাথা দুয়েক্টাকে ব্ল্যাকমেইল করলেই এটা সম্ভব। বর্তমান প্রেক্ষাপটে বিশেষ করে। দরকার হলে একা একা কাজ করেন, ভারতের দাবার ঘুঁটি হবার চেয়ে।

আফগানিস্তানের আপডেটগুলো আরবীতে নিয়মিত পাওয়া যায় এই চ্যানেলে। যারা আরবী বুঝেন, বা আরবী শিখছেন তারা নিয়মিত এই ভিডিওগুলো দেখবেন ইনশাআল্লাহ। আরবীতে বেশ ফায়েদা হবে। মূল নিউজগুলোও জানা হয়ে গেলো। আবার আরবী ভাষা শিখার ক্ষেত্রেও ফায়দা হবে। মাদরাসার তালেবে ইলম ভাইরা যারা অনলাইনে থাকেনই, তারা এদিক সেদিক সময় নষ্ট না করে এই ভিডিওগুলো দেখলেও কিছুটা ফায়দা হবে ইনশাআল্লাহ। https://www.youtube.com/@afghanarabc/videos

Repost from Al Firdaws

একদল আলেম আছেন দায়েশের দায় আলকায়দার উপর চাপায়। কিন্তু এতাআতিদের দায় পুরো তাবলীগ ও আলেম সমাজের উপর চাপায় না! কবে যে আমরা দ্বিম
একদল আলেম আছেন দায়েশের দায় আলকায়দার উপর চাপায়। কিন্তু এতাআতিদের দায় পুরো তাবলীগ ও আলেম সমাজের উপর চাপায় না! কবে যে আমরা দ্বিমুখী অবস্থান থেকে বের হয়ে আসবো।

সাদ সাহেবের আন্দোলনের প্রথম সারীতে চিহ্নিত ছাত্রলীগের পোলাপান কী করে? কে কার স্বার্থে এখানে কাজ করছে?
সাদ সাহেবের আন্দোলনের প্রথম সারীতে চিহ্নিত ছাত্রলীগের পোলাপান কী করে? কে কার স্বার্থে এখানে কাজ করছে?

আল্লাহ ছাড় দেন, ছেড়ে দেন না, কথাগুলো নাস্তিকদের কাছে হাস্যকর ঠেকে, কিন্তু বাস্তবতা হলো এই।
আল্লাহ ছাড় দেন, ছেড়ে দেন না, কথাগুলো নাস্তিকদের কাছে হাস্যকর ঠেকে, কিন্তু বাস্তবতা হলো এই।

একের পর এক আন্দোলনে অংশগ্রহণ করা ছাত্রকে হত্যা করা হচ্ছে! দেশে প্রতিটি মানুষের জীবন কতটা অনিরাপদ তা কী আমরা বুঝতে পারছি, আঞ্চলিক সাপের মাথা ভারতের স্পষ্ট সাহায্য ছাড়া যে এগুলো কস্মিনকালেও সম্ভব না, তা কী আমরা ধরতে পারছি? যদি পেরে থাকি এবং এরপরও চুপ থাকি তাহলে এই চুপ থাকাই হবে আমাদের নিজেদের মৃত্যুর জন্য নিজেদের দস্তখত। কারণ হাসিনা বিরোধী আন্দোলনে আমি আপনি সবাই অংশগ্রহণ করেছিলাম। আজকে অন্যদিকের কিছু ভাইকে মারছে, তাদের শেষ করে আমাদের ধরবে। এখন আমি চুপ আছি, আগামীকাল আমাকে মারলেও অন্যরা চুপ থাকবে। অবাক করা বিষয় হলো সমন্বয়কদের পক্ষ থেকে একাধিক ব্যক্তি সরকারের থাকার পরেও এইসকল হত্যাকাণ্ডের জন্য আন্দোলন করতে হচ্ছে, নিন্দা জানাতে হচ্ছে! হায় আমাদের হাজারো রক্তের বেহাত বিপ্লব!

দামেশকের একজন পরিচ্ছন্নতা কর্মী দামেশক পরিষ্কার করছে।
দামেশকের একজন পরিচ্ছন্নতা কর্মী দামেশক পরিষ্কার করছে।