es
Feedback
বাঁশেরকেল্লা - Basherkella

বাঁশেরকেল্লা - Basherkella

Ir al canal en Telegram

Official Telegram Channel of Basherkella Page. Page Link: https://www.facebook.com/Basherkella07

Mostrar más

📈 Análisis del canal de Telegram বাঁশেরকেল্লা - Basherkella

El canal বাঁশেরকেল্লা - Basherkella (@basherkella) en el segmento lingüístico de Bengalí es un actor destacado. Actualmente la comunidad reúne a 219 433 suscriptores, ocupando la posición 730 en la categoría Noticias y medios y el puesto 17 en la región Bangladesh.

📊 Métricas de audiencia y dinámica

Desde su creación el невідомо, el proyecto ha mostrado un crecimiento acelerado, reuniendo a 219 433 suscriptores.

Según los últimos datos del 23 septiembre, 2026, el canal mantiene una actividad estable. En los últimos 30 días la variación de miembros fue de -2 604, y en las últimas 24 horas de -65, conservando un alto alcance.

  • Estado de verificación: No verificado
  • Tasa de interacción (ER): El promedio de interacción de la audiencia es 3.34%. Durante las primeras 24 horas tras publicar, el contenido suele obtener 2.92% de reacciones respecto al total de suscriptores.
  • Alcance de las publicaciones: Cada publicación recibe en promedio 7 326 visualizaciones. En el primer día suele acumular 6 408 visualizaciones.
  • Reacciones e interacción: La audiencia responde de forma activa: el promedio de reacciones por publicación es 310.

📝 Descripción y política de contenido

El autor describe el recurso como un espacio para expresar opiniones subjetivas:
“Official Telegram Channel of Basherkella Page. Page Link: https://www.facebook.com/Basherkella07”

Gracias a la alta frecuencia de actualizaciones (últimos datos recibidos el 24 septiembre, 2026), el canal mantiene la vigencia y un amplio alcance. La analítica demuestra que la audiencia interactúa activamente con el contenido, lo que lo convierte en un punto de referencia dentro de la categoría Noticias y medios.

219 433
Suscriptores
-6524 horas
-3987 días
-2 60430 días
Archivo de publicaciones
সুনামগঞ্জ জেলার গোবিন্দগঞ্জ কলেজের নবীন বরণ অনুষ্ঠানে বিনা উস্কানিতে হামলা চালিয়েছে ছাত্রদল। দেশীয় অস্ত্র, চাপাতি, রামদা হাতে নিয়ে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা এই সন্ত্রাসী হামলা চালায়।

আরেকজন সাধারণ পথচারী!
আরেকজন সাধারণ পথচারী!

তারপর বলেন, নির্বাচনের আগে দেওয়া বিএনপির এই প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কে কে ১০০ টাকার বাজার ৫০ টাকায় করতে পারতেছেন?

আজ দুপুরের দিকে রাজধানীর যমুনা ফিউচার পার্কের সামনে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মিছিল দেখে দৌড়ে গিয়ে মিছিলে অংশ নেওয়া এক দুর্বৃত্তকে আ
আজ দুপুরের দিকে রাজধানীর যমুনা ফিউচার পার্কের সামনে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মিছিল দেখে দৌড়ে গিয়ে মিছিলে অংশ নেওয়া এক দুর্বৃত্তকে আটক করে ছাত্রদল নেতা। পরে তাঁকে হুমকি-ধামকি দিয়ে আগথেকেই উৎপেতে থাকা একটি সংঘবদ্ধ গ্রুপ তাৎক্ষনিক ঐ মিছিলকারীকে ছাড়িয়ে নিয়ে যায়। ছাড়িয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে অন্যতম অভিযুক্ত ব্যক্তি ছিল এই মার্ক করা ব্যক্তি টা। সে সবাইকে সমানে উস্কে দিচ্ছিল। তার 'মোঃ হিমেল মন্ডল' নামের ফেসবুক আইডি ঘেটে দেখা যায় সে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সাথে সংশ্লিষ্ট। আর এই পুরো ঘটনার ভিডিও শুধুমাত্র ধারণ করেছিল ইত্তেফাকের সাংবাদিক। যে কিনা আগথেকেই নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কাছ থেকে খবর পেয়ে মিছিলের ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকে। একটি নিষিদ্ধ দলের মিছিলের তথ্য জেনেও সে পুলিশকে ইনফর্ম করেনি। উল্টো পরে ইত্তেফাকে এই ঘটনাকে এইভাবে শিরোনাম দেয় "রাজধানীতে ছাত্রলীগ কর্মীকে আটক করলো ছাত্রদল নেতা, ছাড়িয়ে নিলো পথচারীরা।" অর্থাৎ, ইত্তেফাক জেনেবুঝেই এই ছাত্রলীগ সন্ত্রাসীদেরকে পথচারী ফ্রেম করে প্রচার করলো তাদের মিডিয়ায়।

নওগাঁর বদলগাছীতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের এক নেতাকে গ্রেপ্তার অভিযানে গিয়ে মায়ের পেটের ভাই মনে করে পালাতে সহযোগিতা করার দায়ে এসআই অ
নওগাঁর বদলগাছীতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের এক নেতাকে গ্রেপ্তার অভিযানে গিয়ে মায়ের পেটের ভাই মনে করে পালাতে সহযোগিতা করার দায়ে এসআই অসিত কুমারকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরীসহ ২ এমপির উপস্থিতিতে কিশোরগঞ্জে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিলে ব্যানার ধরাকে কেন্দ্র করে বিএনপি নেতাদের ধাক্কাধাক্কি। একসময় সেটা হাতাহাতি পর্যায়ে চলে যায়। সামান্য ব্যানার ধরার লোভ যারা সামলাতে পারে না, তারা নাকি দেশের জন্য সব রকমের ত্যাগ শিকার করতে পারে। হা হা হা

রাজশাহী সরকারী সিটি কলেজে ক্লাসরুমের সামনে এবং কলেজের মূল প্রবেশ গেইট আটকে রেখে ছাত্রদলের দলীয় শ্লোগান।

রাজধানীতে মিছিল থেকে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ কর্মীকে আ'টক করলো ছাত্রদল নেতা, ছাড়িয়ে নিলো পথচারীরা।

জাতীয়তাবাদী মহিলা দলকে ‘নষ্ট দল’ বললেন ফেনী সরকারি কলেজ ছাত্রদলের ছাত্রী বিষয়ক সম্পাদক চুমকি আক্তার। এ ঘটনায় ছাত্রদলের এই নেত্রীর বিরুদ্ধে মামলা করার হুমকি দিয়েছে স্থানীয় মহিলা দল।

ভোক্তা অধিকারের বিষয়টা দেখা দরকার। ডাকাতির একটা লিমিট থাকে। এটা তো লিমিট ক্রস করে ফেলছে।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গত ৯ আগস্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের ‘ভোলা মিশন’ নামের একটি পেজে ‘সন্ত্রাসীদের বাপের নাম তারে
বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গত ৯ আগস্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের ‘ভোলা মিশন’ নামের একটি পেজে ‘সন্ত্রাসীদের বাপের নাম তারেক রহমান’ ও ‘খেলা জমে গেছে’ শিরোনামে একটি ভিডিও প্রকাশ করা হয়। অভিযোগ, ওই ভিডিওতে লাইক দেন শিক্ষক মামুন অর রশিদ তালুকদার।

চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে যুবদল নেতার নেতৃত্বে ৪ ট্রাক মুরগির বিষ্ঠা লুট, গ্রেপ্তার ২।
চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে যুবদল নেতার নেতৃত্বে ৪ ট্রাক মুরগির বিষ্ঠা লুট, গ্রেপ্তার ২।

এই ছেলেটাকে চিনে রাখুন। ছেলেটা খু*নী। দিনদুপুরে গাড়ি চাপা দিয়ে একজন গরীর মানুষকে হ*ত্যা করেছে। ছেলেটার বাবা রাষ্ট্রের আহামরি
এই ছেলেটাকে চিনে রাখুন। ছেলেটা খু*নী। দিনদুপুরে গাড়ি চাপা দিয়ে একজন গরীর মানুষকে হ*ত্যা করেছে। ছেলেটার বাবা রাষ্ট্রের আহামরি কেউ না। বিমান বাংলাদেশের সামান্য একজন ক্যাপ্টেন। ক্যাপ্টেন হলেও বেসুমার টাকা তার। হয়তো স্বর্ণ চোরাচালান করে সেই টাকা কামিয়েছেন। যা দিয়ে কিনে ফেলেছেন থানা পুলিশ ও রাষ্ট্রকে। ভিডিও, ছবি, প্রত্যক্ষদর্শী, স্বাক্ষ্য সবই আছে। তবু খু*নী ছেলেটার নামে মামলা হয়নি। মামলা হয়েছে আরেক গরীব গাড়ি চালকের নামে। আগে এমপির ছেলেরা গাড়ি চাপা দিয়ে মানুষ হ*ত্যা করলে মামলা/বিচার হতো না। এখন সেটা বিমানের ক্যাপ্টেনে নেমেছে। রাষ্ট্র একজন বিমান চালকের কাছে নতি স্বীকার করতে পারে। কিন্তু আপনি যদি সৎ হয়ে থাকেন, মানুষ হয়ে থাকেন, তাহলে আপনি ওকে শাস্তি দিতে পারেন। এই ছেলে, ছেলের বাবা আব্বাস আলী শরীফকে সামাজিকভাবে বয়কট করে শাস্তি দিতে পারেন। আপনার সন্তান ঐ ছেলের বন্ধু কিনা, আপনার সন্তান খু*নীর সাথে মিশবে কিনা সে সিদ্ধান্ত আপনিই নিতে পারেন। আপনার মেয়েকে খু*নীর সাথে বিয়ে দিবেন কিনা সে সিদ্ধান্তও আপনার। এই খু*নী ছেলেটাকে চিনে রাখুন। জেনে রাখুন। -রুহুল

জাতীয় পার্টিকে সবাই খুব দুর্বল মনে করে। কিন্তু এই দলটি বাংলাদেশের রাজনীতিতে এখনো বেশ খেলাধুলা করার চেষ্টা করে যাচ্ছে। তাদের খুঁটির জোরও কম নয়। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় জাতীয় পার্টি সবগুলো চাপই কীভাবে যেন অতিক্রম করে গেল। আওয়ামী লীগের সাড়ে ১৫ বছরের ফ্যাসিবাদী আমলের সবচেয়ে কনসিসটেন্ট পার্টনার হওয়ার পরও তারা সব রকমের বিচার প্রক্রিয়া ও জবাবদিহিতার বাইরে রয়ে গেল। গণ অধিকার পরিষদের ভিপি নুর জাতীয় পার্টি নিয়ে সরব হয়েছিলেন। তার ওপর হামলা হলো। জাতীয় পার্টি রয়ে গেল আগের জায়গাতেই। সরকার তাদেরকে সুযোগ দিল। আবার নুরকে বিদেশে পাঠিয়ে তাকেও খুশি করলো। সেই নুর এখন প্রতিমন্ত্রী হয়েছেন। কিন্তু ক্ষমতায় গিয়ে তিনিও জাতীয় পার্টির কার্যক্রম নিয়ে কোনো একটি শব্দ উচ্চারণ করেননি। তিনিও কীভাবে ম্যানেজড হয়ে গেলেন, জানি না। এই তো কয়েকদিন আগে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান কাদের সাহেব প্রকাশ্য মিডিয়াতেই জানালেন, আওয়ামী লীগের নেত্রীর সাথে তার যোগাযোগ হয়; তিনি তাদের ১২ ফেব্রুয়ারীর নির্বাচনে অংশ নিতে নিষেধ করেছিলেন। তারা তা শুনেননি এবং না শুনে ভুল করেছেন। হাসিনার ভাষণ শোনা, প্রচার করা নিয়ে অনেকে অনেক কথা বললেও জাতীয় পার্টির সাথে শেখ হাসিনার যোগাযোগ নিয়েও কোনো দল বা মহলকে কথা বলতে শুনিনি। জাতীয় পার্টি সব আমলেই এরকম আরামে থাকার, জবাবদিহিতার বাইরে থাকার সুযোগ কেন পেয়ে যাচ্ছে জানি না। -আলী আহমদ মাবরুর

সাম্প্রতিক সময়ে তাঁর বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কিছু লেখালেখির জেরে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ছ
সাম্প্রতিক সময়ে তাঁর বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কিছু লেখালেখির জেরে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সদস্য সচিব ওয়াসিম আহমেদ অনিককে হুম*কি প্রদান করেন। অথচ অনিক এসব ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নন। নব্য বিএনপির পক্ষ থেকে ছাত্রদলের নির্যাতিত ও ত্যাগী নেতাকর্মীদের প্রতি এ ধরনের হু*মকি শুধু ছাত্রদলের জন্যই অপমানজনক নয়, বরং সমগ্র জাতীয়তাবাদী পরিবারের জন্যও একটি অশনিসংকেত। প্রতিহিংসাপরায়ণ মানসিকতার কোনো ব্যক্তি যদি বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে পৌঁছান, তাহলে তা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভবিষ্যৎ এবং জাতীয়তাবাদী রাজনীতির জন্য কতটা উদ্বেগের কারণ হতে পারে, সেটি সংশ্লিষ্ট সবার গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা উচিত। -সায়দার রহমান সোহান আহ্বায়ক সদস্য, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল।

চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এবং সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহিউদ্দিন খান আলমগীরের পিএস ফয়েজ আহমেদ স্বপন আটক।
চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এবং সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহিউদ্দিন খান আলমগীরের পিএস ফয়েজ আহমেদ স্বপন আটক।

আফগানিস্তানের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর কান্দাহারে পাকিস্তানের শক্তিশালী বিমান হামলা!

শ্রীলঙ্কার পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশের নারপিট্টিমুনাই এলাকার তামিল যুবক শিবারাসা অনোজন মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-কে নিয়ে কটূক্তি ক
শ্রীলঙ্কার পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশের নারপিট্টিমুনাই এলাকার তামিল যুবক শিবারাসা অনোজন মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-কে নিয়ে কটূক্তি করায় সৌদি আরবে মৃত্যুদণ্ডের মুখোমুখি হয়েছে। প্রায় নয় মাস আগে কর্মসংস্থানের জন্য তিনি সৌদি আরবে গিয়েছিল শিবারাসা।

বাকপ্রতিবন্ধী একটা ছেলে। নির্মাণ শ্রমিকের কাজ করত আর অবসরে কাগজ দিয়ে ফুল বানাত৷ বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে ঘুরে বিক্রি করত সেই ফুলগুলো। কিছু টাকা জমিয়ে নিজেদের ভাঙা ঘরটা মেরামত করবে—এমন স্বপ্ন নিয়ে এসেছিল ঢাকা শহরে। ঢাকার বারিধারায় একটা রাস্তার ফুটপাতে বসে জিরিয়ে নিচ্ছিল একটু। আচমকা একটা কালো প্রাইভেট কার এসে উঠে গেল ফুটপাতের উপর৷ ঠিক বাকপ্রতিবন্ধী মেহেদি হাসানের গায়ের উপর। মেহেদি হাসানের জীবন আর স্বপ্নের সেখানেই সমাপ্তি ঘটল৷ যে কালো প্রাইভেট কারটা মেহেদির গায়ের উপর উঠে গিয়েছিল, সেটা ড্রাইভ করছিল বাংলাদেশ বিমান এয়ারলাইন্সের এক সিনিয়র কর্মকর্তার ছেলে। গাড়িটা ফুটপাতে তুলে দেওয়ার পর, দ্রুত ড্রাইভারের পজিশান থেকে নেমে আসে জিন্স আর গেঞ্জি পরা এক কিশোর। মধ্যবয়েসি একটা লোক (গাড়ির ড্রাইভার) নামে অন্যপাশ থেকে। গুলশান থানা মামলা নিলো ঠিকই, কিন্তু সেই মামলায় মূল যে অপরাধী, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স কর্মকর্তার ছেলে, তার নাম রাখেনি৷ আসামি হিশেবে রেখেছে ড্রাইভারকে যে আদতে গাড়িটা ড্রাইভই করেনি। দুঃখিত মেহেদি। বাংলাদেশটা তোমার-আমার না। এই দেশটা বারিধারা, গুলশান, বনানীর বড়লোকদের। -আরিফ আজাদ

শিবিরের ছাত্র সংসদের ইতিহাসে ডাকসুর সাদিক-ফরহাদ জুটির আগে আরও একটি সাড়া জাগানো জুটি ছিলো। সেটি ছিলো খুলনার হালিম-কাশেম পাঠান
+1
শিবিরের ছাত্র সংসদের ইতিহাসে ডাকসুর সাদিক-ফরহাদ জুটির আগে আরও একটি সাড়া জাগানো জুটি ছিলো। সেটি ছিলো খুলনার হালিম-কাশেম পাঠান জুটি। খুলনার ছাত্ররাজনীতির ইতিহাসে এই দুইটি নাম অদ্যাবধি কিংবদন্তিতুল্য। এককালে দক্ষিণবঙ্গের অক্সফোর্ডখ্যাত খুলনা সরকারি বিএল কলেজের সর্বশেষ নির্বাচিত জিএস-এজিএস ছিলেন তারা। একই সাথে মুন্সী আব্দুল হালিম ছিলেন বিএল কলেজ শাখা শিবিরের সভাপতি এবং আবুল কাশেম পাঠান ছিলেন সেক্রেটারী। ১৯৯৩ সালের ২০শে সেপ্টেম্বর বিএল কলেজ ক্যাম্পাসে ছাত্রদল প্রকাশ্য দিবালোকে জ*বা*ই করে খু*ন করেছিলো হালিমকে এবং ১৯৯৪ সালের ২৩ শে অক্টোবর খুলনা সিটি কলেজে জনসম্মুখে গু*লি করে আবুল কাশেম পাঠানকে খু*ন করেছিলো। ছাত্রদলের অনেকেই দেখি আজকে ৯০ এর দশকে শিবিরের সন্ত্রা*সের ইতিহাসের গ*রুরচনা লিখছেন। ৯০ এর দশকের ধোয়া তুলসীপাতা ছাত্রদলের অগণিত সন্ত্রা*সের দুয়েকটি তুলে ধরলাম জাস্ট। আর সেই সাথে হালিম এবং কাশেম পাঠানদেরকে শিবির নতুন প্রজন্মের কাছে কতোটুকু রিলেভ্যান্ট করতে পেরেছে বা পারেনি সেই দায় একান্ত শিবিরেরই।