es
Feedback
Praachir - প্রাচীর

Praachir - প্রাচীর

Ir al canal en Telegram

আমরা চাই আমাদের চ্যানেলের মাধ্যমে অন্ধকারাচ্ছন্ন আত্মাগুলো আলোকে ফিরে আসুক।ইবাদতে অনাগ্রহী আত্মাগুলোতে আগ্রহ সঞ্চার হোক।মৃতপ্রায় আত্মাগুলোতে ছড়িয়ে পড়ুক প্রাণশক্তি। ভালো কিছুর প্রত্যাশায় ইন শা আল্লাহ... প্রয়োজনেঃ @PraachirBOT

Mostrar más

📈 Análisis del canal de Telegram Praachir - প্রাচীর

El canal Praachir - প্রাচীর (@praachir) en el segmento lingüístico de Bengalí es un actor destacado. Actualmente la comunidad reúne a 13 427 suscriptores, ocupando la posición 6 485 en la categoría Religión y espiritualidad y el puesto 1 749 en la región Bangladesh.

📊 Métricas de audiencia y dinámica

Desde su creación el невідомо, el proyecto ha mostrado un crecimiento acelerado, reuniendo a 13 427 suscriptores.

Según los últimos datos del 05 septiembre, 2026, el canal mantiene una actividad estable. En los últimos 30 días la variación de miembros fue de 46, y en las últimas 24 horas de 3, conservando un alto alcance.

  • Estado de verificación: No verificado
  • Tasa de interacción (ER): El promedio de interacción de la audiencia es 11.74%. Durante las primeras 24 horas tras publicar, el contenido suele obtener 4.07% de reacciones respecto al total de suscriptores.
  • Alcance de las publicaciones: Cada publicación recibe en promedio 1 577 visualizaciones. En el primer día suele acumular 546 visualizaciones.
  • Reacciones e interacción: La audiencia responde de forma activa: el promedio de reacciones por publicación es 20.

📝 Descripción y política de contenido

El autor describe el recurso como un espacio para expresar opiniones subjetivas:
আমরা চাই আমাদের চ্যানেলের মাধ্যমে অন্ধকারাচ্ছন্ন আত্মাগুলো আলোকে ফিরে আসুক।ইবাদতে অনাগ্রহী আত্মাগুলোতে আগ্রহ সঞ্চার হোক।মৃতপ্রায় আত্মাগুলোতে ছড়িয়ে পড়ুক প্রাণশক্তি। ভালো কিছুর প্রত্যাশায় ইন শা আল্লাহ... প্রয়োজনেঃ @PraachirBOT

Gracias a la alta frecuencia de actualizaciones (últimos datos recibidos el 06 septiembre, 2026), el canal mantiene la vigencia y un amplio alcance. La analítica demuestra que la audiencia interactúa activamente con el contenido, lo que lo convierte en un punto de referencia dentro de la categoría Religión y espiritualidad.

13 427
Suscriptores
+324 horas
+147 días
+4630 días

Carga de datos en curso...

Nube de Etiquetas
Sin datos
¿Algún problema? Por favor, actualice la página o contacte a nuestro gerente de soporte.
Menciones Entrantes y Salientes
---
---
---
---
---
---
Atraer Suscriptores
septiembre '26
septiembre '26
+29
en 1 canales
agosto '26
+125
en 1 canales
Get PRO
julio '26
+175
en 3 canales
Get PRO
junio '26
+125
en 1 canales
Get PRO
mayo '26
+197
en 2 canales
Get PRO
abril '26
+200
en 7 canales
Get PRO
marzo '26
+118
en 5 canales
Get PRO
febrero '26
+123
en 4 canales
Get PRO
enero '26
+74
en 4 canales
Get PRO
diciembre '25
+142
en 6 canales
Get PRO
noviembre '25
+104
en 4 canales
Get PRO
octubre '25
+189
en 5 canales
Get PRO
septiembre '25
+78
en 3 canales
Get PRO
agosto '25
+93
en 3 canales
Get PRO
julio '25
+288
en 11 canales
Get PRO
junio '25
+101
en 1 canales
Get PRO
mayo '25
+219
en 9 canales
Get PRO
abril '25
+69
en 5 canales
Get PRO
marzo '25
+177
en 5 canales
Get PRO
febrero '25
+240
en 4 canales
Get PRO
enero '25
+557
en 12 canales
Get PRO
diciembre '24
+580
en 15 canales
Get PRO
noviembre '24
+524
en 10 canales
Get PRO
octubre '24
+606
en 9 canales
Get PRO
septiembre '24
+775
en 7 canales
Get PRO
agosto '24
+1 381
en 21 canales
Get PRO
julio '24
+550
en 6 canales
Get PRO
junio '24
+363
en 0 canales
Get PRO
mayo '24
+640
en 5 canales
Get PRO
abril '24
+882
en 3 canales
Get PRO
marzo '24
+669
en 6 canales
Get PRO
febrero '24
+738
en 7 canales
Get PRO
enero '24
+477
en 14 canales
Get PRO
diciembre '23
+632
en 8 canales
Get PRO
noviembre '23
+226
en 12 canales
Get PRO
octubre '23
+511
en 9 canales
Get PRO
septiembre '23
+154
en 0 canales
Get PRO
agosto '23
+130
en 0 canales
Get PRO
julio '23
+132
en 0 canales
Get PRO
junio '23
+145
en 0 canales
Get PRO
mayo '23
+129
en 0 canales
Get PRO
abril '23
+167
en 0 canales
Get PRO
marzo '23
+218
en 0 canales
Get PRO
febrero '23
+100
en 0 canales
Get PRO
enero '23
+259
en 0 canales
Get PRO
diciembre '22
+130
en 0 canales
Get PRO
noviembre '22
+165
en 0 canales
Get PRO
octubre '22
+153
en 0 canales
Get PRO
septiembre '22
+136
en 0 canales
Get PRO
agosto '22
+271
en 0 canales
Get PRO
julio '22
+111
en 0 canales
Get PRO
junio '22
+106
en 0 canales
Get PRO
mayo '22
+162
en 0 canales
Get PRO
abril '22
+109
en 0 canales
Get PRO
marzo '22
+150
en 0 canales
Get PRO
febrero '22
+157
en 0 canales
Get PRO
enero '22
+244
en 0 canales
Get PRO
diciembre '21
+253
en 0 canales
Get PRO
noviembre '21
+283
en 0 canales
Get PRO
octubre '21
+70
en 0 canales
Get PRO
septiembre '21
+443
en 0 canales
Fecha
Crecimiento de Suscriptores
Menciones
Canales
06 septiembre0
05 septiembre+5
04 septiembre+4
03 septiembre+6
02 septiembre+10
01 septiembre+4
Publicaciones del Canal
ওরা কত সূক্ষ্মভাবে কাজ করে কিশোরগঞ্জ সদরে নাম দেওয়া হয়েছে কওমি টেইলার্স অথচ হিন্দুদের পরিচালনা এজন্য সবাই সাবধান কিশোরগঞ্জ
ওরা কত সূক্ষ্মভাবে কাজ করে কিশোরগঞ্জ সদরে নাম দেওয়া হয়েছে কওমি টেইলার্স অথচ হিন্দুদের পরিচালনা এজন্য সবাই সাবধান কিশোরগঞ্জ সদর, ইসাখারোড ।

2
আমরা হুজুর রা সবসময়ই শরিয়া আইনে বিচার করার কথা বলি এবং শরিয়া আইনেই বিশ্বাস করি। ছো আমাদের এটা কার্যকর করে দেখানো উচিত। কার
আমরা হুজুর রা সবসময়ই শরিয়া আইনে বিচার করার কথা বলি এবং শরিয়া আইনেই বিশ্বাস করি। ছো আমাদের এটা কার্যকর করে দেখানো উচিত। কারণ সবসময় তো আমরা মুখে বলি আমাদের অন্তরে কি আছে সেটা বাস্তবায়ন না করলে বোঝা যাবে না তো। যদি আমরা এটা বাস্তবায়ন করতে পারি ইনশাল্লাহ এটা ইসলামের জন্য যেমন সর্বোত্তম পদক্ষেপ হবে এবং বাংলাদেশে ইতিহাস হয়ে থাকবে ইনশাআল্লাহ
687
3
"নিশ্চয়ই এই কুরআন তোমাদের জন্য সওয়াবের কারণ, তোমাদের জন্য স্মরণের উপকরণ, তবে তা তোমাদের গুনাহের কারণও হতে পারে। সুতরাং তোমরা কুরআনের অনুসরণ করো। এমন যেন না হয় যে, কুরআন তোমাদের অনুসরণ করে। কারণ, যে ব্যক্তি কুরআনের অনুসরণ করবে, কুরআন তাকে জান্নাতের উদ্যানসমূহে অবতরণ করাবে। আর যার বিরুদ্ধে কুরআন সাক্ষ্য দেবে/যাকে কুরআন অনুসরণ করবে, তাকে ঘাড়ের পেছনে ধাক্কা দিয়ে জাহান্নামে নিক্ষেপ করবে"।[১] . ~ আবু মূসা আল আশআরী [রা.] . উল্লেখ্য যে কুরআন তার বিরুদ্ধেই সাক্ষ্য দেবে যে কুরআন অনুযায়ী আমল করে না। . [ ১) ইমাম আদ দারিমী (রাহ.), আল মুসনাদ, হা: ৩৩৭১]
801
4
ভাবছিলাম সাভারে ৭ বছর বয়সী মাদ্রাসাপড়ুয়া শিশুটাকে বল*ৎকারের ঘটনা নিয়ে নিন্দা করে কিছু লিখব। কিন্তু কী হবে লিখে? যারা জেগে জেগে ঘুমায় তাদের কি আর ভদ্র কথা বলে জাগানো যায়? এমন ব্যক্তিদের জাগানোর জন্য দরকার 'খোঁচা'। এসব নিয়ে কিছু লিখলেই পোস্টের কমেন্ট সেকশনে দলে দলে মাদ্রাসার লোকজন বা কিছু অতিভক্ত এসে নানাভাবে আমার গোষ্ঠী উদ্ধার করবেন এবং আমাকে শত্রু বানিয়ে দেবেন, যদিও বাস্তবে আমি তাদের শত্রু না বরং পরম বন্ধু ও শুভাকাঙ্খী। বরং এক কাজ করি, এই ঘটনা নিয়ে আমি কিছু লিখলে কমেন্ট সেকশনে ওনারা যেসব কথাবার্তা লিখতেন, এর একটা লিস্ট এখানে দিয়ে দেই। ওনাদের কাজটা আরো সহজ করে দেই। সেই সাথে ব্রাকেটে কিছু 'ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ'ও উল্লেখ করে দেই। আপনাদের ইচ্ছা হলে কমেন্ট সেকশনে আমার গোষ্ঠী উদ্ধার করে আরো কমেন্ট করতে পারেন অথবা লিস্টের জন্য আরো আইডিয়া দিতে পারেন। উপযুক্ত মনে করলে এডিট করে পোস্টের লিস্টে তা যুক্ত করে দেবো। --- . ১। "আপনি আলেমবিদ্বেষী, মাদ্রাসাবিদ্বেষী!" {একটা সমস্যার বিরুদ্ধে ও কিছু ক্রিমিনালের বিরুদ্ধে কথা বলা কিভাবে "আলেমবিদ্বেষ" বা "মাদ্রাসাবিদ্বেষ" হল, এই সাইন্স আজও বুঝতে পারলাম না!} . ২। "স্কুল-কলেজেও অনেক পচা পচা কাজ হয়, সেগুলা দেখেন না কেন?" {যে কথা সরাসরি বলা হবে নাঃ কাজেই মাদ্রাসায় এইসব হওয়াকেও মেনে নিতে হবে!} . ৩। "সব হলুদ মিডিয়ার চক্রান্ত!" {যদিও দুনিয়ার আর সব বিষয়ে এই "হলুদ মিডিয়া" থেকে তথ্য নিয়েই অন্যদের সমালোচনা করি, এমনকি রাস্তায়ও নামি। কিন্তু মাদ্রাসার ব্যাপারে কোনো নিউজ এলেই মিডিয়ার কথা আর বিশ্বাস করি না! এটাই সাইন্স!} . ৪। "এগুলা য়িহুডি-নাশারার ষড়যন্ত্র!" {এইসব ঘটনার সাথে জড়িত মাদ্রাসার এত হাফেজ-মাওলানা-ছাত্র-শিক্ষক সব মনে হয় য়িহুডি-নাশারা! কিন্তু মাদ্রাসার মধ্যে এত য়িহুডি-নাশারা কই থেকে এলো তা বিরাট এক রহস্য!} . ৫। "এগুলা সব বিচ্ছিন্ন ঘটনা!" {অতীতে যেমন ছাত্রলীগের হাজার হাজার অপকর্মকে "বিচ্ছিন্ন ঘটনা" বলে এড়ানো হইতো, সেই একই নিঞ্জা টেকনিক।} . ৬। "ছি ছি ছি। বুঝা গেল আপনি আহালে হাদিস! আপনি সৌদির দালাল!! লামাযহাবী!!!" {যদিও বাস্তবে আমি এর একটাও না। কিন্তু আমি যদি এগুলো হয়েও থাকি, এর ফলে কি মাদ্রাসার সমস্যাগুলো মিথ্যা প্রমাণ হবে?} . ৭। "আর জামাত-শিবির বুঝি খুব ভালো? বুঝা গেল আপনি জাশির দালাল। আপনি মউদুদীবাদী। সব দোষ জামাতের!" {এইখানে মাওলানা মউদুদী আর জামাত কই থেকে এলো?! + আগের বিশ্লেষণের পুনরাবৃত্তি হবে।} . ৮। ধুর ব্যাটা জেনারেল লাইনের ***, তুই মাদ্রাসা নিয়ে কী বুঝস? তুই কিছু জানোস না। {যে কথা সরাসরি বলা হবে নাঃ আর আমরা পুরোহিত, আমরাই সব জানি। মুহাহাহা!!} . ৯। দেশে ৫০ হাজার মাদ্রাসা। এর মধ্যে দুই-চার জায়গায় এরকম ঘটনা মানে কি সব জায়গায় এমন? এগুলাই খালি ফোকাস করেন! শাহবাগী কোথাকার! {আসলেই তো! বছরের প্রায় রোজ যেই ঘটনা নিয়ে নিউজ আসে, সেইসব ঘটনা যদি "দুই-চার জায়গার মামুলী" (!) ঘটনা হয় আর এগুলা যদি আমি বেহুদা ফোকাস করি, তাহলে তো আমি আসলেই শাহবাগী! } . ১০। ভাই আমি তো সারাজীবন মাদ্রাসায় পড়লাম! কই আমার সাথে তো কিছু হয়নাই! {কী অসাধারণ যুক্তি!! একই যুক্তি (!) প্রয়োগ করে বলা যায়ঃ বাংলাদেশে সারাজীবন বাস করতেছি, কিন্তু আমি তো খু*ন হইনাই! কাজেই বাংলাদেশে কোনো খু*ন হয় না। } . ১১। ভাই ইদানিং মাসলাক নিয়ে এত কথা বলেন কেন? একটা নির্দিষ্ট মাসলাককে টার্গেট করে খারাপ কথা কেন বলেন? আগে তো এমন ছিলেন না! {আমি বরাবরই অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলতাম, এখনো তাই করি। একটা সমস্যা এবং ক্রিমিনালদের বিরুদ্ধে কথা বলা কিভাবে কোনো মাসলাককে এটাক করা হল তা তো বুঝলাম না। অবশ্য যদি আপনার মাসলাকের নাম হয় "শিশু বল*ৎকার", বা "ধ*র্ষণ" - তাহলে অবশ্যই আমি আপনার মাসলাকের বিরোধী!} . ১২। * Censored * {উড়াধুরা গালাগালি। বহু "হক্কানী" (!) ভাইয়ের মোক্ষম অস্ত্র এইটা। এই 'অস্ত্র' প্রয়োগ করে ওনারা সব বাতেলকে একদম লাজওয়াব করে দেন।} ~ মুশফিকুর রহমান মিনার ভাই
930
5
আনাস ইবনু মালিক রদ্বিইয়াল্ল-হু 'আনহু একদিন হয়তো মুহতারামকে একাকী পেয়ে গেলেন। . আর সরাসরি আবদার করে ফেললেন, "কিয়ামতের দিন আপনি আমার জন্য শাফায়াত করবেন ইয়া রাসূলাল্ল-হ্!" (সল্লাল্ল-হু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) . রাসূলুল্লাহ্ বললেন, ঠিকাছে, করব। . -তো আপনাকে সেদিন কোথায় পাব? :প্রথমে পুলসিরাতের কাছে আসিও। -যদি না পাই? :মীযানের এখানে খুঁজিও। -সেখানেও যদি না পাই? :হাউজের (কাউসার) নিকট আসবা। . কিয়ামত নিয়ে পেরেশান আনাস হয়ত আরও জিজ্ঞেস করতেন, যদি হাউজের নিকটও......... . এর আগেই রাসূলুল্লাহ্ নিজে তাকে শান্ত করলেন। "হাউজের নিকট আসবা। এই তিন জায়গার কোথাও না কোথাও আমি থাকবই।" . কিয়ামতের দিন একদল মানুষ মহান আল্লাহর আরশের শীতল ছায়ায় বিশ্রাম নিতে থাকবে। . কতশত মানুষ রাসূলুল্লাহর মোবারক হাত থেকে কাউসারের পানি পান করে আজীবনের জন্য তৃপ্ত হয়ে নিশ্চিন্তে বসে থাকবে। . কারো হালত থাকবে ضَاحِکَةٌ مُّسۡتَبۡشِرَۃٌ হাসোজ্জল, প্রফুল্ল। যারা ডান হাতে আমলনামা পেয়ে যাবে তারাও উৎফুল্লতায় ডুবে থাকবে। . . কিন্তু একটা মানুষের দায়িত্ব তখনও শেষ হবেনা। পুলসিরাত, মীযান, হাউজের কাছে দৌঁড়াদৌড়ি করতে থাকবেন। . তিঁনি রাসূলুল্ল-হ্। সল্লাল্ল-হু আলাইহি ওয়াসাল্লাম! . কার জন্য? নিজের জন্য? না না। আমার জন্য , আপনার জন্য। . আমরা আল্লাহর কাছে তাঁর রাসূলের শাফায়াত চাই। . আল্লাহর রহমতে যদি এই নিয়ামত পেয়ে যাই, পেয়েই তো আমি আনন্দে আত্মহারা হয়ে যাব। সকল পেরেশানী থেকে মুক্ত হয়ে যাব। উড়তে শুরু করব, লাফালাফি শুরু করে দিব। . কিন্তু তখনও কি রাসূলুল্লাহর পেরেশানি কমবে? তিঁনি তখনও অন্য কারো না কারো জন্য আল্লাহর সুপারিশ করতে থাকবেন। . দুনিয়ার নিয়মে একটা সময় মানুষের দায়িত্ব শেষ হয়। রিটায়ারমেন্টে যায়, রেস্ট করে, অলস বিকেল কাটায়, ট্যুরে যায়। . কিন্তু এই মানুষটাকে আল্লাহ্ কি এক মহাদায়িত্ব দিয়েছেন। রিসালাতের দায়িত্ব। পুরো উম্মতকে বাঁচানোর দায়িত্ব। . দুনিয়ার জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত যে দায়িত্ব কাটায় কাটায় পালন করে গেছেন। কিয়ামতের দিনও করবেন। একজন মু'মিন বান্দার মুক্তি বাকী থাকা পর্যন্ত তার দায়িত্ব শেষ হবেনা। . আপনার জন্য আমার পিতা-মাতার কুরবান , ইয়া রসূলাল্ল-হ্! . اللَّهُمَّ صَلِّ وَسَلِّمْ وَبَارِكْ عَلَى نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ ~ মাহ্দী ফয়সাল ভাই
824
6
একটা ঘরোয়া মজলিসে কয়েকজন মাদ্রাসা পড়ুয়া তরুণ আলিমদের সাথে আমিও ছিলাম। একটা সময় ওনারা আলোচনার টপিক নিয়ে যান মাদ্রাসার স***কা*/তা ইস্যুতে। একজন বলেন, কম বেশ অনেক কওমী মাদ্রাসায় এগুলো হয়। নাম মনে করতে পারছি না এমন একজন পপুলার তরুণ মুফতির বিষয়ে বলেন যে, এই লোকও সমবয়সীদের সাথে এসব করে বেড়াতো। এখন তো সুফি হয়ে গেছে। আলেম-উলামারা যদি এই সমস্যাকে যথাযথ ভাবে এড্রেস না করেন তাহলে এদেশের মাদ্রাসাগুলোর ভবিষ্যত বলে আর কিছু থাকবে না। দিন দিন লজ্জায় মাথা খাওয়ার মতো অবস্থা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
738
7
‘উলামায়ে কিরামের প্রতি’ বাঁচার একটা বুদ্ধি বলি- . কওমী সংশ্লীষ্টদের বলছি, দয়া করে আপনারা এবার ন্যায় বিচারের জন্য অন্তত সাভারে
‘উলামায়ে কিরামের প্রতি’ বাঁচার একটা বুদ্ধি বলি- . কওমী সংশ্লীষ্টদের বলছি, দয়া করে আপনারা এবার ন্যায় বিচারের জন্য অন্তত সাভারে একটি বিক্ষোভ মিছিল করেন। আলেমগণেরই দায়িত্ব হলো সত্যের পক্ষে দৃঢ় হয়ে লড়াই করা। . বাঁচার জন্য, ন্যায় বিচারের জন্য, মাদরাসা বাঁচানোর জন্য, এ দেশে থাকার জন্য হলেও ন্যায় বিচারের পক্ষে দাঁড়ান।
859
8
(পর্বঃ ০৭) কিভাবে নামাজের মধুরতা আস্বাদন করা যায়? ১. সৌন্দর্য সৌন্দর্য সবসময়ই আমাদের হৃদয়কে ছুঁয়ে যায়। এটা অনেকটা আমাদের ফিতরাত(যা প্রাকৃতিকভাবে থাকে)এর মতো। আলী ইবনে আবি তালিব (রাদি-আল্লাহু আনহু) নবী(সা:)সম্পর্কে বলেন যে “তাকে দেখে মনে হত তাঁর মুখ থেকে সূর্যের কিরণ বের হচ্ছে।” [মিশকাতঃ ৩৭৩, তিরমিজীঃ ৬] জাবির(রা:) বলেন: “রাসূলুল্লাহ(সা:) পূর্নিমার চাঁদের চেয়েও সুশ্রী, সুন্দর এবং উজ্জ্বল ছিলেন।” (শামায়েল তিরমিজীঃ৯) আল্লাহতায়ালা তাঁর সকল নবী রাসূলগনকে অসাধারণ সৌন্দর্য দান করেছিলেন যাতে মানুষ তাঁদের প্রতি প্রাকৃতিকভাবেই আকৃষ্ট হয়। আর সৌন্দর্য শুধু মানুষের মুখের মাঝেই সীমাবদ্ধ না, সৌন্দর্য সকল সৃষ্টিজগতের মাঝেই ছড়িয়ে রয়েছে এবং প্রায়ই তা আমাদের মুগ্ধ করে, আমাদের করে বাকহারা এবং সাথে সাথে আমাদের দেয় এক স্বর্গীয় শান্তির অনুভুতি।পূর্ণিমা রাতের শান্ত চাঁদের আলো, পাহাড় বয়ে নেমে আসা স্বচ্ছ পানির ঝর্না, কিংবা সমুদ্র পাড়ের রক্তিম সূর্যাস্ত…ইত্যাদির সামনে এলে কেমন যেনো একটা গভীর অনুভুতি আমাদের মাঝে বয়ে যায় যা খুবই পবিত্র, আমাদের করে তোলে মোহিত, মুগ্ধ। অবশ্য আজকাল শহরের যান্ত্রিকতা আর রুক্ষতা অবশ্য আমাদের এই পবিত্র অনুভুতি গুলোকেও মলিন করে দিয়েছে। আর আল্লাহতায়ালা হলেন সেই সত্তা যিনি এইসব সৌন্দর্যকে সৃষ্টি করেছেন, সাজিয়েছেন, সৌন্দর্যমন্ডিত করেছেন। তাহলে আল্লাহর নিজের সৌন্দর্য কোন পর্যায়ের হতে পারে? ইবনে আল-কায়য়িম বলেন, “আর আল্লাহতায়ালার সৌন্দর্য উপলব্ধি করার জন্যে এটা জানা থাকাই যথেষ্ঠ যে এই জীবন এবং এর পরের জীবনের অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক সকল সৌন্দর্য তাঁরই সৃষ্টি, তাহলে তাদের সৃষ্টিকর্তা কতটা সুন্দর হতে পারেন?” আল্লাহতায়ালা সুন্দর, এ জন্যেই সৌন্দর্যের জন্য আকর্ষণ আমাদের ফিতরাত। আল্লাহতায়ালার একটি নাম হল আল-জামীল(যিনি সবচেয়ে সুন্দর)। ইবনে আল-কায়য়্যিম বলেন আল্লাহ তায়ালার সৌন্দর্য এমন যে কেউ শুধু তা জেনে রাখতে পারেন, তা কল্পনা করার ক্ষমতা কারোরই নেই। এই মহাজগতের সকল সৌন্দর্য একত্রেও তাঁর নিজের সৌন্দর্যের এক বিন্দুও নয়। ইবনে আল-কায়য়িম বলেন সুর্য কিরণের যেমন সূর্যের সাথে তুলনা হয় না, ঠিক তেমন যদি সময় সৃষ্টির শুরু থেকে কেয়ামতের আগ পর্যন্ত সকল কিছুর সৌন্দর্য একত্র করা হয়, তবুও তা আল্লাহর সৌন্দর্যের সাথে তুলনা করারো যোগ্য হবে না। আল্লাহতায়ালা এত প্রবল সৌন্দর্যের অধিকারী যে এই জগতে আমাদের তা সহ্য করার ক্ষমতা নেই| পবিত্র কোরআনে, আল্লাহ তায়ালা মুসা(আ:)এর অনুরোধ বর্ণনা করেন: “তারপর মূসা যখন আমার প্রতিশ্রুত সময় অনুযায়ী এসে হাযির হলেন এবং তাঁর সাথে তার পরওয়ারদেগার কথা বললেন, তখন তিনি বললেন, হে আমার প্রভু, তোমার দীদার আমাকে দাও, যেন আমি তোমাকে দেখতে পাই। তিনি বললেন, ‘তুমি আমাকে দেখতে পাবে না, তবে তুমি পাহাড়ের দিকে দেখতে থাক, সেটি যদি স্বস্থানে দঁড়িয়ে থাকে তবে তুমিও আমাকে দেখতে পাবে|’ তারপর যখন তার পরওয়ারদগার পাহাড়ের উপর আপন জ্যোতির বিকিরণ ঘটালেন, সেটিকে বিধ্বস্ত করে দিলেন এবং মূসা অজ্ঞান হয়ে পড়ে গেলেন…।” [আল আরাফ ৭:১৪৩] পাথরের পাহাড়ও আল্লাহর সৌন্দর্যের সামান্য জ্যোতি বহন করতে পারেনি এবং বিধ্বস্ত হয়ে গেছে, এবং এই ঘটনা দেখে মুসা(আ:) জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। এ কারণেই হাশরের ময়দানে সবকিছু আল্লাহর সৌন্দর্যে দীপ্তিময় হয়ে উঠবে। আমরা শুধু তাঁর সৌন্দর্যের কথা আলোচনাই করতে পারি কিন্তু তা অবলোকন করা আমাদের আয়ত্তের বাহিরে। এই বিশ্বজগতের এত সুন্দর, এত মোহনীয় সব জায়গা, জিনিস, মানুষ অথবা তাদের সবার সৌন্দর্য একত্রেও একটি নির্দিষ্ট গন্ডির মাঝেই সীমাবদ্ধ; আসল মহিমা আর সৌন্দর্যতো আল্লাহতায়ালার। আল্লাহতায়ালা বলেন: “আর তখন শুধু বাকি রয়ে যাবে আপনার রবের মহিমা এবং সম্মান।" [আর রাহমান ৫৫:২৭] এসব কিছু ভেবেই, মহানবী(সা:) বলেছেন: “বান্দা যখন নামাজে দাঁড়ায় আল্লাহতায়ালা ততক্ষণ বান্দার দিকে তাকিয়ে থাকেন যতক্ষন সে অন্যদিকে মুখ না ফেরায়।” [আহমাদ ১৭৮০০] নামাজে দাঁড়িয়ে এই কথা মাথায় রাখবেন যে আল্লাহ আপনাকে দেখছেন, এবং প্রার্থনা করবেন যেন আল্লাহ আপনাকে জান্নাতে তাঁকে দেখার সুযোগ দেন| এই ভালোবাসাকে কি আরও উপরে নিয়ে যেতে চান? তাহলে সাথেই থাকুন। চলবে ইনশাআল্লাহ পর্ব৬ঃ https://t.me/Praachir/12051
1 078
9
পেট যত বড়ই হোক, একসময় খাবারে তৃপ্ত হয়ে যায়। কিন্তু চোখ ছোট হলেও এর চাহিদার কোনো শেষ নেই। যৌবন হোক বা বার্ধক্য - চোখের গুনাহের
পেট যত বড়ই হোক, একসময় খাবারে তৃপ্ত হয়ে যায়। কিন্তু চোখ ছোট হলেও এর চাহিদার কোনো শেষ নেই। যৌবন হোক বা বার্ধক্য - চোখের গুনাহের প্রবণতা নিজ থেকে কখনো কমে না। তাই চোখকে নিয়ন্ত্রণে রাখার মাধ্যমে নফসকে দমন করা অত্যন্ত জরুরি। -- মুফতী শহীদুল্লাহ সাহেব দা.বা.
1 181
10
বিকাশ আপনার কাছ থেকে তিন জায়গায় অর্থ উপার্জন করে... ১. আপনার আমানত অন্য কাওকে ঋণ দিয়ে সেই সুদ থেকে আয়। ২. ক্যাশ আউটের ক্ষেত্রে ১.৮৫% চার্জ কেটে যায়। ৩. প্রতিবার সেন্ড মানি করলে সেখান থেকে চার্জ কেটে আয়। এর বাইরে রেমিটেন্স, মুদ্রা বিনিময়, পেমেন্ট, ফোন রিচার্জ, ডোনেশন, রিটেইল ইত্যাদি ক্ষেত্র থেকে বিকাশের আয় হয়। তবে সে আলাপে আর না গেলাম। প্রধান ৩ উপার্জন মাধ্যমের ৩ নম্বরটা খেয়াল করুন। একটা টাকা যতবার হাত বদল হবে, ততবার ১০ টাকা কেটে নিবে বিকাশ। ধরুন, ১০০ টাকা ক্যাশ ইন করে পরে আপনার মাকে পাঠালেন। সে পাবে ৯০ টাকা। আপনার মা সেই টাকা তার বুয়াকে পাঠালে, বুয়া পাবে ৮০ টাকা। বুয়া এটা ক্যাশ কাউট করলে ফাইনালি পাবে ৭৮.৫২ টাকা। হাত বদল আরও বেশি হলে বুয়া ৫০-৬০ টাকা পেতো। এখানে থিওরিটিকালি টাকাটা ৩ বার হাত বদল হয়েছে। কিন্তু প্র্যাকটিকালি টাকাটা হাত বদল হয়নি। বিকাশের সার্ভারের অভ্যন্তরীণ সিস্টেমে জাস্ট দুয়েকটা কোড এদিক সেদিক হয়েছে। আপনার একাউন্ট থেকে ইলেক্ট্রিক মানির কোড নিয়ে সে আপনার মায়ের একাউন্টে সমন্বয় করেছে। পরে বুয়ার একাউন্টে করেছে। আপনি যে টাকাটা বিকাশকে দিয়েছেন, সেটা আদতে কোনদিন ট্রান্সফার হয়নি, ওটা ব্র্যাক ব্যাংকেই রক্ষিত আছে। কেবল ক্যাশ আউটের সময়ই টাকাটা সত্যিকার অর্থে ট্রান্সফার হয়। ক্যাশ আউট বাদে সেন্ড মানির যে লেনদেন - এটাকে বলে পিটুপি ট্রানজ্যাকশন। ভারতে ১ লাখ রুপি পর্যন্ত এই পিটুপি লেনদেন ফ্রি। মিয়ানমারে পুরোপুরি ফ্রি। থাইল্যান্ডে ৫০০০ বাথ মানে ১৩০০০ টাকা পর্যন্ত ফ্রি। ভিয়েতনামে সম্পূর্ণ ফ্রি। বিকাশে ফ্রি না। প্রতিবারে ১০ টাকা। ডাকাতিটা এখানেই শেষ হলে পারতো। হয়নি। এর চেয়ে ভয়াবহ একটা কাজ করেছে বিকাশ। আগে পিটুপি লেনদেনে টাকার পরিমাণ কম হলে বিকাশ কম টাকা চার্জ করতো। টাকার পরিমাণ বেশি হলে, শতকরা হিসাব করে বেশি টাকা চার্জ করতো। অর্থাৎ ২০০ টাকায় চার্জ কম। ৫০০০ টাকায় চার্জ বেশি। কিন্তু এখন আর সেটা করে না। সবার জন্য এক রেট। ১০০ টাকা লেনদেন করলেও ১০ টাকা। ৪০ হাজার টাকা লেনদেন করলেও ১০ টাকা। এর মাধ্যমে বিকাশ বলতে চাচ্ছে, দ্যাখেন আমরা শত শত টাকা চার্জ করছি না। যত বড় এমাউন্টই পাঠান, মাত্র ১০ টাকার বিনিময়ে আপনার টাকা আমরা পৌঁছে দিবো। কিন্তু আপনি শেষ কবে ৪০ হাজার টাকা বিকাশে লেনদেন করেছেন? ১০ হাজার টাকার উপরে বাঙলাদেশের সাধারণ মানুষ ও অফিসগুলো বিকাশে লেনদেন করে না, পলিসির কারণে করতে পারে না। বিকাশ মূলত ছোট ছোট লেনদেনের অ্যাপ। সাধারণ মানুষ, গার্মেন্টস কর্মী, ছাত্র, কৃষক একে অন্যকে ২০০ টাকা, ৪০০ টাকা এভাবে পাঠায়। রিকশায় ভাংতি না থাকলে বিকাশে দেয়। রাইড শেয়ারিং অ্যাপে ভাড়া দেয়। সব রকম ভাংতির সংকটে বিকাশ ব্যবহার করে। সেলামি, বখশিশ, চটজলদি যে কোন ২০০-৫০০ টাকা পাঠাতে দেশের মানুষের একমাত্র একচেটিয়া সম্বল হলো বিকাশ। আর এই প্রতিটা ট্র্যানজেকশনে বিকাশ নেয় ১০ টাকা। রিকশাওয়ালাকে ৭০ টাকা ভাড়া দিলেও ১০ টাকা। সেলামিতে ২০০ টাকা দিলেও ১০ টাকা। দোস্ত একটু আটকে গেছি, ২০০ টাকা সেন্ড মানি কর - ক্ষেত্রেও ১০ টাকা। বিকাশের এই ইউনিভার্সাল রেইটের ক্ষেত্রে সবচেয়ে ভালনারেবল হলো গরীব মানুষ। যেহেতু প্রতিদিন ৪-৫টা লেনদেনে মাত্র ৫০ টাকা ব্যয় হচ্ছে, সে খেয়াল করে না। কিন্তু ক্যাশ আউট চার্জ বাদ দিয়েই সারা দেশের নিম্নমধ্যবিত্ত ৫ জনের একটি পরিবার মাসে ১৫০০ টাকা বিকাশকে দিচ্ছে। এটা সেই পরিবারের বিদ্যুৎ বিলের চেয়ে বেশি! বাঙলাদেশে বহু প্রতিষ্ঠান আছে যারা মধ্যবিত্ত আর উচ্চ মধ্যবিত্তদের লুট করে। যেমন উবার অথবা লালা মুভ। কিন্তু বিকাশের সিস্টেম তৈরিই হয়েছে ২০০-৪০০ লেনদেন করা গরীব মানুষকে নিপীড়ন করতে। একদম গরীব মানুষকে টার্গেট করে তারা এই সিস্টেম ডেভলপ করেছে। এই মুহূর্তে এর চাইতে গরীব বিধ্বংসী কোন ঐতিহাসিক পণ্য বা সেবা মনে পড়ছে না। ৩৫০ এমপির মধ্যে একটা প্রাণী নাই যে এটা নিয়ে সংসদে অর্থমন্ত্রীকে প্রশ্ন করবে। তাদের সবার রাজনীতি জনবিচ্ছিন্ন। তাদের রাজনীতি শুধু অর্থহীন জাতীয়তাবাদ, ধর্মীয় পরিচয় আর সংবিধান নিয়ে। একদা ঐকমত্য কমিশনের বৈঠকে দেখেছিলাম, রাষ্ট্রীয় মূলনীতি সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক সুবিচার হবে নাকি গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, জাতীয়তাবাদ আর ধর্মনিরপেক্ষতা হবে তা নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলো কামড়াকামড়ি করছে। আমি প্রচন্ড বিতৃষ্ণা নিয়ে বের হয়ে গেলাম। আমার বের হওয়াতে কিচ্ছু যায় আসে না। কিন্তু এটলিস্ট আমি জেনে গেছিলাম - এরা আমাদের লোক না। এরা আমাদের রাজনীতিটা করে না।
1 303
11
২২৬ টাকার একটা প্রোডাক্ট কিনতে গেলে দারাজকে আপনার এক্সট্রা পে করতে হচ্ছে ডেলিভারি ফি ৮৫ টাকা, প্লাটফর্ম ফি ৫ টাকা এবং ক‍্যাশ
২২৬ টাকার একটা প্রোডাক্ট কিনতে গেলে দারাজকে আপনার এক্সট্রা পে করতে হচ্ছে ডেলিভারি ফি ৮৫ টাকা, প্লাটফর্ম ফি ৫ টাকা এবং ক‍্যাশ অন ডেলিভারির জন‍্য আলাদা করে ২০ টাকা ! সবমিলিয়ে ১১০ টাকা বাড়তি খরচ… বাংলাদেশ থেকে দারাজ হয়ত শীঘ্রই বিলুপ্ত হয়ে যাবে। বিলুপ্ত হবার আগে লক্ষ লক্ষ গ্রাহকের তথ‍্য তারা কোনো বিদেশি শক্তির কাছে বিক্রি করে দিবেনা, সরকারের পক্ষ থেকে এই বিষয়গুলো যেনো নিশ্চিত করা হয়…
1 361
12
মুসলিম উম্মাহর পরিস্থিতির উপর গুরুত্বারোপ করা কোনো চিন্তক অথবা উলামা কিংবা কোনো দেশ বা দলের ঠিক করে দেয়া কোনো আদর্শিক ও চৈন্ত
মুসলিম উম্মাহর পরিস্থিতির উপর গুরুত্বারোপ করা কোনো চিন্তক অথবা উলামা কিংবা কোনো দেশ বা দলের ঠিক করে দেয়া কোনো আদর্শিক ও চৈন্তিক ইখতিয়ার নয়। কখনোই তা হতে পারে না। মুসলমানদের পারস্পরিক সম্পর্ক ও একে অপরকে নিজেদের পরিস্থিতিতে সাহায্য করার প্রতি গুরত্বারোপ আপনার আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের প্রতি রাখা ঈমানের দাবি। যদি আপনি ঈমানদার হয়ে থাকেন। রাসূলে আকরাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: মুমিনদের মধ্যকার পারস্পরিক ভালোবাসা ও মমত্ববোধ এবং একে অপরের প্রতি দয়া করার উদাহরণ শরীরের মত। শরীরের কোথাও ব্যথা হলে সারা শরীরে তা ছড়িয়ে পড়ে। জ্বর উঠে যায়। রাত জাগতে হয়। তো মুমিনদের এই উদাহরণ কোনো নির্দিষ্ট দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। মুমিনদের উদাহরণ ঈমান শব্দের সাথে সম্পৃক্ত। কোনো ভৌগলিক সীমারেখার সাথে যুক্ত নয়। কোনো সুনির্দিষ্ট স্থান-কালের ফিতায় বাঁধা নয়। ~ শাইখ আহমাদ ইউসুফ আস সায়্যিদ
1 313
13
“নিশ্চয়ই আল্লাহ তাআলা কিয়ামতের দিন দিনগুলোকে তাদের নিজ নিজ আকৃতিতে পুনরুত্থিত করবেন। আর তিনি জুমআর দিনকে উজ্জ্বল ও আলোকময় অবস্থায় পুনরুত্থিত করবেন। তার আহলরা (অর্থাৎ এ দিনের আমলকারীরা) তাকে ঘিরে থাকবে, যেমন কোনো নববধূকে তার সম্মানিত স্বামীর কাছে নিয়ে যাওয়া হয়। জুমআর দিন তাদের জন্য আলো ছড়াবে। তারা সেই আলোর মধ্যে চলবে। তাদের রং হবে বরফের মতো শুভ্র, আর তাদের সুগন্ধ মিশকের মতো সুবাসিত হবে। তারা কর্পূরের পাহাড়সমূহের মধ্যে বিচরণ করবে। মানুষ ও জ্বীন উভয় সম্প্রদায়ই তাদের দিকে তাকিয়ে বিস্ময়ে হতবাক হয়ে যাবে। তারা বিস্ময়ের কারণে তাদের দিকে চোখের পলকও ফেলবে না। অবশেষে তারা জান্নাতে প্রবেশ করবে। তাদের সঙ্গে কেবল তারাই থাকবে, যারা সওয়াবের আশায় (পারিশ্রমিক ব্যতীত) আযান দেয়”। . «إِنَّ اللَّهَ تَعَالَى يَبْعَثُ الْأَيَّامَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ عَلَى هَيْئَتِهَا وَيَبْعَثُ الْجُمُعَةَ زَهْرَاءَ مُنِيرَةً أَهْلُهَا يَحِفُّونَ بِهَا كَالْعَرُوسِ تُهْدَى إِلَى كَرِيمِهَا تُضِيئُ لَهُمْ يَمْشُونَ فِي ضَوْئِهَا أَلْوَانِهِمْ كَالثَّلْجِ بَيَاضًا وَرِيحُهُمْ يَسْطَعُ كَالْمِسْكِ، يَخُوضُونَ فِي جِبَالِ الْكَافُورِ يَنْظُرُ إِلَيْهِمُ الثَّقَلَانِ لَا يَطْرُقُونَ تَعَجُّبًا حَتَّى يَدْخُلُوا الْجَنَّةَ لَا يُخَالِطُهُمْ أَحَدٌ إِلَّا الْمُؤَذِّنُونَ الْمُحْتَسِبُونَ» . ~ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম . [ ইমাম বাইহাক্বী (রাহ.), ফাদ্বাইলুল আউক্বাত, হা: ২৫৪; শুআবুল ঈমান, হা: ২৭৭৯; ইমাম বাইহাক্বী (রাহ.), আল মুস্তাদরাক আলাস সহীহাইন, হা: ১০৪০; ইমাম ইবনু খুযাইমাহ (রাহ.), আস সহীহ, হা: ১৭৩০; ইমাম কুরতুবীর রাহ. মতে সনদ সহীহ, আত তাযকিরাহ বি আহওয়ালিল মাউতা ওয়া উমূরিল আখিরাহ: ২/৫০০]
1 368
14
একজন লোক একবার হাসান আল বাসরীকে [রাহ.] বলল, অমুক ব্যক্তি আপনার গীবত করেছে। হাসান [রাহ.] ঐ ব্যক্তির কাছে এক পাত্র তাজা খেজুর পাঠিয়ে বললেন, "আমি জানতে পেরেছি যে, তুমি তোমার কিছু নেক আমল আমাকে উপহার দিয়েছ। তাই আমি তার বিনিময়ে তোমাকে কিছু দেওয়ার ইচ্ছা করেছি। তবে আমাকে ক্ষমা করো; কারণ আমি তোমাকে তার পূর্ণ প্রতিদান দেওয়ার সামর্থ্য রাখি না"। [ ইমাম গাযালী (রাহ.), ইহইয়াউ ঊলূমিদ্দীন: ৩/১৫৪]
1 512
15
মাত্র ২০ টাকায় হোম ডেলিভারিতে স্বাস্থ্যকর থেকে অর্ডার করুন প্রিমিয়াম কোয়ালিটি র আজওয়া খেজুর। 📥 অর্ডার করুন👇 📩টেলিগ্রামঃ @
মাত্র ২০ টাকায় হোম ডেলিভারিতে স্বাস্থ্যকর থেকে অর্ডার করুন প্রিমিয়াম কোয়ালিটি র আজওয়া খেজুর। 📥 অর্ডার করুন👇 📩টেলিগ্রামঃ @ShopContact 📥হোয়াটসঅ্যাপঃ +8801982027508
1 623
16
(পর্বঃ ০৬) কিভাবে নামাজের মধুরতা আস্বাদন করা যায়? যখন আমরা আমাদের কৃত পাপের কথা স্মরণ করি তখনো আল্লাহর ভয় বাড়তে থাকে। আমরা আমাদের হীনতা ও দুর্বলতা বুঝতে পারি, আমাদের অবজ্ঞা আমাদের কাছে ধরা পরে যায় যে এত পাপ করার পরও কতখানি ধৈর্য ধরে আল্লাহ আমাদের শাস্তি না দিয়ে সুযোগ দিয়ে চলেছেন। সব ধরনের ভয়ই আমাদের বিচলিত করে শুধু আল্লাহর ভয়, হায়বা, ছাড়া, কারণ এই ভয়ের কারণেই আমরা প্রবল আশায় বুক বাঁধি যে আল্লাহ আমাদের তাওবা কবুল করবেন এবং জান্নাতের পথে পরিচালিত করবেন। চলুন তাহলে আজ থেকে নামাজে রযার সাথে সাথে হায়বা-কে এক সাথে জুড়ে দিই। আবেগ-অনভূতির সর্বোচ্চ শিখর: আজ আমরা আরো গভীরে প্রবেশ করব; এখন পর্যন্ত আমরা একাগ্র হয়েছি, যা উচ্চারণ করি তা অর্থ বুঝে করি, এবং দুই ধরনের আবেগ নিয়ে নামাজে আল্লাহর সামনে দাঁড়াই, আর আজকে আরো এক ধরনের আবেগ নিয়ে কথা।এই আবেগ নিয়ে নামাজে দাড়ালে আমাদের নামাজকে খুব কম সময়ের নামাজ বলে মনে হবে, কিন্তু নামাজ শেষ করে ঘড়ি দেখলে মনে হবে, “আরে! এত তারাতারি ১০ মিনিট পার হয়ে গেছে?” কিংবা ১৫ মিনিট বা ২০ মিনিট(ইনশা-আল্লাহ)। যে ব্যক্তি নামাজে এই আবেগটা প্রয়োগ করতে শুরু করবে তার ইচ্ছা হবে এই নামাজ যেনো কখনো শেষ না হয়|এটি এমন একটি আবেগ যা সম্পর্কে ইবনে কায়য়্যিম বলেন, “যার জন্যে প্রতিযোগীরা প্রতিযোগিতা করে….এটা হল আত্মার জন্য পুষ্টি আর চোখের জন্য শীতলতা।” তিনি আরো বলেন, “যদি হৃদয় থেকে এই অনুভুতি বের হয়ে যায়, এটা অনেকটা এমন যেমন প্রাণ ছাড়া শরীর।” এই আবেগ কোনটি জানেন? ভালোবাসা(الحب) কিছু কিছু মানুষের আল্লাহর সাথে সম্পর্ক শুধু তাঁর আদেশ আর নিষেধ এর মাঝেই সীমাবদ্ধ, যাতে সে জাহান্নাম থেকে বাঁচা যায়| অবশ্যই আমাদের আদেশ, নিষেধ মেনে চলতে হবে, কিন্তু এটা শুধু ভয় আর আশা নিয়ে নয়, বরং আল্লাহ তায়ালার প্রতি পরম ভক্তি ও ভালোবাসা নিয়ে করতে হবে| আল্লাহতায়ালা কোরআনে বলেন: “…..অচিরে আল্লাহ এমন সম্প্রদায় সৃষ্টি করবেন, যাদেরকে তিনি ভালবাসবেন এবং তারা তাঁকে ভালবাসব।” [আল মাঈদা ৫:৫৪] সচারচর দেখা যায় যখন মানুষ তার পছন্দের মানুষের কাছে আসে, হৃদয়ে চাঞ্চল্যতা আসে, আন্তরিকতা আসে। কিন্তু আল্লাহর সাথে দেখা করার সময়, নামাজে আমরা বিন্দুমাত্রও এই আবেগ অনুভব করিনা। আল্লাহতায়ালা পবিত্র কোরআনে বলেন: “আর কোন লোক এমনও রয়েছে যারা অন্যান্যকে আল্লাহর সমকক্ষ সাব্যস্ত করে এবং তাদের প্রতি তেমনি ভালবাসা পোষণ করে, যেমন আল্লাহর প্রতি ভালবাসা হয়ে থাকে। কিন্তু যারা আল্লাহর প্রতি ঈমানদার তাদের ভালবাসা ওদের তুলনায় বহুগুণ বেশী।” [সুরা বাকারা ২:১৬৫] যখন আমরা নামাজের জন্য হাত উপরে তুলি তখন সেখানে আল্লাহর জন্য আকুলতা থাকা উচিত, ভালোবাসা ও আন্তরিকতায় আমাদের হৃদয় পূর্ণ থাকা উচিত কারণ আমরা এখন আল্লাহর সাথে মিলিত হতে যাচ্ছি। নবী(সা:) এর একটি দূ’আ আছে: “ইয়া আল্লাহ, তোমার সাথে মিলিত হবার আকুলতা আমার হৃদয়ে স্থাপন করে দাও।” [মুসনাদে আহমাদ ৩০/২৬৫, নাসায়ী ১৩০৫] ইবনে আল কায়য়িম তাঁর ‘তারিখ আল-হিজরাতাঈন’ নামক বইতে বলেন আল্লাহতায়ালা তাঁর রাসুলদের এবং তাঁর মুমিন বান্দাদের ভালোবাসেন, এবং রাসূলগণ এবং মুমিনরাও তাঁকে ভালোবাসেন এবং তাদের কাছে আল্লাহতায়ালার চেয়ে বেশী প্রিয় আর কিছু নেই। পিতামাতার প্রতি ভালোবাসার মাধুর্য এক ধরনের, সন্তানের প্রতি ভালোবাসাও আরেক রকম, কিন্তু আল্লাহ তায়ালার প্রতি ভালোবাসা অন্যসব কিছুর তুলনায় বেশী মাধুর্যময়। নবী(সা:) বলেছেন: “যে ব্যক্তি তিনটি গুনকে একত্রে সংযুক্ত করতে পারবে সে ঈমানের প্রকৃত মজা পাবে…” প্রথম যে জিনিসটি তিনি(সা:) উল্লেখ করেন সেটা হল যে: “..আল্লাহ ও তাঁর রাসূল তার কাছে সবকিছুর চেয়ে বেশী প্রিয় হতে হবে…” [সহীহ বুখারী, পর্ব ১, অধ্যায় ২, হাদীস নং ১৬] ইবনে আল-কায়য়িম বলেন, ‘যেহেতু ‘কোন কিছুই তাঁর অনুরূপ নয়।’ [সুরা আস-শুরা ৪২:১১] সেহেতু তাকে ভালোবাসার অনুরূপও আর কিছুই হতে পারেনা।”যদি আপনি এই ভালোবাসার গভীরতা ও মাধূর্য একবার অনুভব করতে পারেন, তাহলে আপনার আর নামাজ ছেড়ে উঠতে ইচ্ছে করবে না| আমি এই ভালোবাসা অনুভব করতে চাই; কিন্তু কিভাবে? আপনি কি সত্যিই এই ভালোবাসা অনুভব করতে চান? তাহলে নিজেকেই জিগ্যেস করুন- কেন আপনি আল্লাহকে ভালোবাসতে চান? কারণ এটা জেনে রাখেন যে মানুষ মূলত ভালোবাসে তিনটি কারণের যেকোনো একটির(অথবা কমবেশি মাত্রায় তিনটির জন্যই) জন্য: ১. তাদের সৌন্দর্যের জন্য; ২. তাদের মান-সম্মান বা উচ্চমর্যাদার জন্য; ৩. অথবা তারা আপনার জন্য ভালো কিছু করেছে এই জন্য; আরও এটা জেনে রাখেন যে আল্লাহতায়ালা এই তিনটি গুনেই অন্য সবার চেয়ে অনেক অনেক উপরে| চলবে ইনশাআল্লাহ ✨ পর্ব৫ঃ https://t.me/Praachir/12047
1 703
17
নর্থ-ওয়েস্টার্ন বাংলাদেশ রিজিয়ন, রংপুরে, কাকে যেন সপরিবারে হত্যা করা হয়েছে। এটি নিয়ে নানাজনের নানান মন্তব্য। হরেক রকমের বিশ্লেষণ। আপনাদের একটা বাস্তবতা শিখিয়ে দিই। তা হলো, আপনারা যাই বলেন না কেন, সামান্যতম মূল্য নাই। এখানে কারো এই ধারাণাটিও নাই যে, এটা কি হচ্ছে। আপনাদের আপনার শত্রুর জন্য ঐ মাত্রার Viciousness নাই, যা আপনার শত্রুর আপনার জন্য আছে। ইণ্ডিয়ান মিলিটারি Cognitive Warfare Action Force দাঁড় করানোর পরিকল্পনা বাস্তবায়নের পথে রয়েছে। Eastern Command তার পাইওনিয়ার ভূমিকা রাখছে বড় আকারে। আমি আপনাদের আগে এটি সম্পর্কে বলেছি। এখন আর বলব না। কারণ, আপনারা বিভিন্নভাবে ইতিমধ্যে এর শিকারে পরিণত হয়েছেন। এখন আর আপনাদের বলে কিছুই বোঝানো সম্ভব না। বরং যে বলবে তার জন্য চরম ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। আপনারা সেই ঝুঁকির কারণ হতে পারেন। This is the highest form of war fighting। সান জু বলেছিলেন, To subdue the enemy without fighting is the highest form of warfare। আর Cognitive Warfare হলো সেই আর্ট, যার দ্বারা এটি অর্জন করা হয়। আপনাদের যুদ্ধ ছাড়াই বশ করে নেওয়া হয়েছে। যদিও আপনারা নিজেদের মারাত্মক ইণ্ডিয়া বিদ্বেষী মনে করছেন। ওদিকে আপনার বাস্তবতা পরিবর্তন করে দেওয়া হয়েছে। আমাদের সর্ব বিশ্বস্তরা শত্রুর সর্ব ভয়ানক অস্ত্রে রূপান্তর লাভ করেছে। ধন্যবাদ।
1 550
18
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ذَاقَ طَعْمَ الْإِيمَانِ مَنْ رَضِيَ بِاللَّهِ رَبًّا وَبِالْإِسْلَامِ دِينًا وَبِمُحَمَّدٍ رَسُولًا "যে লোক আল্লাহকে রব, ইসলামকে দ্বীন এবং মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে রসূল হিসেবে পেয়ে সন্তুষ্ট, সে-ই ঈমানের স্বাদ পেয়েছে"।[১] . এর ব্যাখ্যায় আল্লামা উবাইদুল্লাহ আল মুবারাকপুরী [রাহ.] লিখেছেন, "তাহরীর” গ্রন্থের রচয়িতা বলেন: কোনো বিষয়ের ব্যাপারে ‘আমি সন্তুষ্ট হয়েছি’ (رَضِيتُ بِالشَّيْءِ)—এর অর্থ হলো, আমি তাতে সন্তুষ্ট থেকেছি, সেটাকেই যথেষ্ট মনে করেছি এবং তার পাশাপাশি অন্য কিছু চাইনি। সুতরাং হাদিসের অর্থ হলো—সে আল্লাহ তাআলা ছাড়া অন্য কাউকে চায়নি, ইসলামের পথ ছাড়া অন্য কোনো পথে চলার চেষ্টা করেনি এবং মুহাম্মাদ ﷺ-এর শরীআতের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বিষয় ছাড়া অন্য কোনো পথ অবলম্বন করেনি। এ বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই যে, যার বৈশিষ্ট্য এমন, তার অন্তরে ঈমানের মিষ্টতা পূর্ণরূপে প্রবেশ করেছে এবং সে ঈমানের স্বাদ আস্বাদন করেছে"।[২] . [১) সহীহ মুসলিম, মিশকাত, হা: ৯; ২) আল্লামা উবাইদুল্লাহ আল মুবারাকপুরী (রাহ.), মিরআতুল মাফাতীহ: ১/৫৩]
1 556
19
বর্তমানে গ্লোবাল জব মার্কেটের অবস্থা খারাপ! তারপর ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেসগুলোতেও AI এর বেশ বড় রকম প্রভাব পড়েছে! এর মাঝে এইরক
বর্তমানে গ্লোবাল জব মার্কেটের অবস্থা খারাপ! তারপর ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেসগুলোতেও AI এর বেশ বড় রকম প্রভাব পড়েছে! এর মাঝে এইরকম প্রকল্প সরকারী টাকা খাওয়ার ফাত্রামী ছাড়া আর কিছুনা!!
1 433
20
(পর্বঃ ০৫) কিভাবে নামাজের মধুরতা আস্বাদন করা যায়? কিন্তু “হায়বা” হল কারো সম্মান, শ্রদ্ধা, মহিমা, ক্ষমতা সম্বদ্ধে সঠিক ধারণা সহকারে ভয়। উদাহরণ হিসেবে বলা যেতে পারে- আমরা আগুনকে ভয় পাই, কারণ আমরা জানি আগুন আমাদের ক্ষতি করতে পারে কিন্তু আগুনের কোন ‘হায়বা’ নেই; আমরা তাকে কোন শ্রদ্ধা দেখাইনা, এটা হল ‘খশিয়া’| কিন্তু আমাদের পিতা-মাতাদের, শিক্ষকদের ‘হায়বা’ আছে, কারণ যখন আমরা খারাপ কিছু করি তখন তাদের ভয় করি, তাদের সামনে দাঁড়াতে লজ্জাবোধ করি- তাদের প্রতি আমাদের শ্রদ্ধার কারণে। প্রথমে ‘রযা’, আবার এখন ‘হায়বা’? এই দুইটা অনুভুতি তো পরস্পর বিরোধী। তাহলে, কিভাবে আমরা এই দুটিকে এক জায়গায় করতে পারি? আসলে এটা একদমই কঠিন কোন কাজ না, আমরা আমাদের প্রতিদিনের জীবনেই এই কাজটা করে থাকি যখন চারপাশের মানুষের মাঝে চলাফেরা করি। যেমন একজন ছাত্র প্রশ্ন কমন না পেলে হাবিজাবি অনেক কিছুই লিখে দিয়ে আসে পরীক্ষার খাতায়, সে জানে যে তার পরীক্ষা খারাপ হয়েছে এবং হয়তো পাসও করবে না তবুও একইসাথে সে এই আশাও করে যে স্যার হয়তো দয়া করে পাস করে দিবেন, এটাই হল রযা এবং হায়বা একত্রে। আল্লাহতায়ালার ব্যাপারেও অন্যকিছু না। আমাদের কৃত পাপ সম্পর্কে আমরা কমবেশি সবাই জানি, এইসব পাপ স্মরণে রেখে যখন আল্লাহর নিকটে আসি, আমাদের মনে শাস্তির অনেক ভয় থাকে কিন্তু একইসাথে আমরা তাঁর অসীম করুনায় ক্ষমা পাওয়ার প্রত্যাশা করি। এটা আরো স্পষ্টরূপে বোঝা যায় ‘সায়্যিদ আল-ইস্তিগফার’ বা ক্ষমা চাওয়ার সর্বশ্রেষ্ঠ দুয়ায়, যা প্রত্যেক সকালে ও সন্ধায় পড়তে বলা হয়, যেটা নবী(সা:) ক্ষমার চাওয়ার সেরা উপায় হিসেবে বর্ণনা করেছেন, সেই দুয়াতে: “আল্লাহুম্মা আন্তা রাব্বি লা-ইলাহা ইল্লা আন্তা, আন্তা খালাকতানি ওয়া আনা আ’ব্দুকা, ওয়া আনা আ’লা আহদিকা ওয়া ওয়া’দিকা মাস্তাত’তু, আ’উজু বিকা মিন শাররী মা সানা’তু, আবু-উ লাকা বিনি’মাতিকা আ’লাইয়া, ওয়া আবুউ লাকা বিযানবি ফাগফিরলি ফাইন্নাহু লা ইয়াগফিরু আজনুবা ইল্লা আন্তা।” [সহিহ বুখারী ৭/১৫০, নাসাঈ, তিরমিজী] অর্থ: “ইয়া আল্লাহ, তুমি আমার পালনকর্তা, কেউই ইবাদাতের যোগ্য নয় একমাত্র তুমি ব্যতীত। তুমি আমাকে সৃষ্টি করেছ এবং আমি তোমারই বান্দা। আমি আমার সাধ্যমতো যতটুকু পারি তোমারই নিয়ম ও আমার প্রতিজ্ঞা অনুযায়ী চলি। আমি তোমার আশ্রয় প্রার্থনা করছি সেই সব পাপ থেকে যা আমি করে ফেলেছি। আমি আমার ভুল স্বীকার করছি এবং আপনার অনুগ্রহ প্রার্থনা করছি। আপনি আমাকে ক্ষমা করুন; আপনি ছাড়া আর কেউ তো নেই যে আমায় ক্ষমা করতে পারে।” একটু খেয়াল করলেই বোঝা যায় এই দু’য়ায় রযা এবং হায়বা দুটিরই সংমিশ্রণ ঘটেছে; আপনি আপনার ভুল গুলোও স্বীকার করেছেন, এবং সাথে সাথে প্রতাশায় আছেন যে তিনি আপনাকে ক্ষমা করে দিবেন| এ ধরনের ভয়ের আসল সৌন্দর্য: আমরা যা কিছু ভয় করি, আমরা সবসময় তার থেকে দূরে থাকি, কিন্তু আল্লাহ তায়ালা বাদে। আল্লাহর ভয় আমাদের আল্লাহর আরো নিকটে নিয়ে আসে। আল্লাহ বলেন: “অতএব, আল্লাহর দিকে ধাবিত হও।” [সুরা যারিয়াত ৫১:৫০] নবী(সা:) তাঁর দুয়ায় বলতেন: “তোমার কাছে ছাড়া, তোমার (শাস্তি) থেকে বাঁচার আর কোন আশ্রয় বা নিরাপদ জায়গা নেই”। [আবু দাঊদঃ১৪২৫, তিরমিজীঃ ৪৬৪] নবী(সা:) আরো বলতেন: “ইয়া আল্লাহ, আমি তোমার আশ্রয় প্রার্থনা করি তোমারই পরিতোষে, তোমার ভয়ানক রোষ থেকে, এবং তোমারই ক্ষমা প্রার্থনা করি তোমার ভয়ংকর শাস্তি থেকে, তোমারই কাছে-তোমারই থেকে| তোমার উপযুক্ত প্রশংসা তো আমি কোনদিনও করতে পারবনা তা শুধু তোমার দ্বারাই সম্ভব।” [মুসলিমঃ ৪/২০৯৭] আল্লাহর শাস্তি চরম পর্যায়ের কিন্তু তাঁর কাছেই আমাদের ক্ষমা, তাঁর কাছ থেকে বাঁচার একমাত্র উপায় হল তাঁরই আশ্রয় প্রার্থনা করা| ইবনে আল-কায়য়িম এই দূ’আ সম্পর্কে বলেন এই শব্দ গুলোতে যে কি পরিমানে আল্লাহর একত্ববাদ, জ্ঞান ও দাসত্ব লুকিয়ে আছে-খুব উচুঁ স্তরের জ্ঞানীরা ছাড়া কেউই তা কেউ জানেনা| তিনি বলেন যে যদি কেউ এই দূ’আর অর্থ বিশ্লেষণ করতে চায় তাহলে বিশাল বই লিখতে হবে, আর এই জ্ঞানসমুদ্রে একবার ঢুকতে পারলে এমনসব কিছু তার সামনে উন্মোচিত হবে যা চোখ কখনো দেখেনি, কোন কান কখনো শুনেনি, কেউ কখনো কল্পনাও করেনি| আল্লাহকে জানা এবং নিজেকে জানা: ‘হায়বা’ হল সর্বোচ্চ স্তরের ভয়, যার সাথে শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও জ্ঞান মিশ্রিত রয়েছে। এই ভয় বাড়তে থাকে যখন বান্দা আল্লাহর সম্পর্কে বেশী বেশী জানতে থাকে একইসাথে নিজেকেও চিনতে থাকে। যখন আল্লাহর ক্ষমতা ও প্রতাপ সম্পর্কে আমরা বেশী বেশী জানতে থাকি আমাদের ভয় বাড়তে থাকে। নবী(সা:) যে রাতে আল্লাহর কাছে উর্ধাগমন করেছিলেন, সে রাতের বর্ণনায় নবী(সা:) জিবরাইল(আ:), যাঁর কিনা ৬০০ পাখা রয়েছে এবং যিনি অহি নিয়ে আসার যোগ্যতায় ভূষিত, সেই মহিমান্বিত মালাইকার ভীত-সন্ত্রস্ত অবস্থা বর্ণনা করেছেন। চলবে ইনশাআল্লাহ ✨ পর্ব৪ঃ https://t.me/Praachir/12032
1 590