en
Feedback
PUSAB OFFICIAL

PUSAB OFFICIAL

Open in Telegram

Offcial Telegram Channel Of Private University Students Aliance of Bangladesh - PUSAB facebook.com/com/PrivateUSAB

Show more

📈 Analytical overview of Telegram channel PUSAB OFFICIAL

Channel PUSAB OFFICIAL (@pusabofficial) in the Bengali language segment is an active participant. Currently, the community unites 52 290 subscribers, ranking 3 318 in the Education category and 284 in the Bangladesh region.

📊 Audience metrics and dynamics

Since its creation on невідомо, the project has demonstrated rapid growth, gathering an audience of 52 290 subscribers.

According to the latest data from 18 June, 2026, the channel demonstrates stable activity. Although there has been a change in the number of participants by -745 over the last 30 days and by -34 over the last 24 hours, overall reach remains high.

  • Verification status: Not verified
  • Engagement rate (ER): The average audience engagement rate is 18.07%. Within the first 24 hours after publication, content typically collects 4.42% reactions from the total number of subscribers.
  • Post reach: On average, each post receives 9 453 views. Within the first day, a publication typically gains 2 312 views.
  • Reactions and interaction: The audience actively supports content: the average number of reactions per post is 170.

📝 Description and content policy

The author describes the resource as a platform for expressing subjective opinions:
Offcial Telegram Channel Of Private University Students Aliance of Bangladesh - PUSAB facebook.com/com/PrivateUSAB

Thanks to the high frequency of updates (latest data received on 19 June, 2026), the channel maintains relevance and a high level of publication reach. Analytics show that the audience actively interacts with content, making it an important point of influence in the Education category.

52 290
Subscribers
-3424 hours
-2087 days
-74530 days
Posts Archive
জরুরী ভিত্তিতে রক্তের প্রয়োজন 🔍রোগীর সমস্যাঃ Baby delivery 🔴রক্তের গ্রুপঃ O+ 💉পরিমাণঃ 1 bag 📅তারিখঃ 19 June ⏰সময়ঃ 11.30 🏣রক্তদানের স্থানঃ Dhanmondi popular 📞যোগাযোগঃ01758451482

জরুরী ভিত্তিতে রক্তের প্রয়োজন 🔍রোগীর সমস্যাঃ সার্জারি করা লাগবে 🔴রক্তের গ্রুপঃ o+ve 💉পরিমাণঃ 5 ব্যাগ 📅তারিখঃ ২০/০৬/২৬ ⏰সময়ঃ রাতে 🏣রক্তদানের স্থানঃ শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ 📞যোগাযোগঃ +8801873454565

photo content
+1

২০ জুলাই রায়েরবাগে শাহাদাত বরণ করে শহীদ আব্দুর রহমান জিসান। স্বামীর মৃত্যু সইতে না পেরে ২৯ জুলাই জিসানের স্ত্রী রাবেয়া মিষ্
২০ জুলাই রায়েরবাগে শাহাদাত বরণ করে শহীদ আব্দুর রহমান জিসান। স্বামীর মৃত্যু সইতে না পেরে ২৯ জুলাই জিসানের স্ত্রী রাবেয়া মিষ্টি আত্মহত্যা করে। মাত্র ১৪ মাস আগেই ভালোবেসে বিয়ে করেছিলো তারা। জিসানের পাশের ঘরের এক নারী বর্ণনা দিয়েছিলেনঃ "মিষ্টি জিসানকে ছাড়া কিছুই বুঝতো না। জিসান মারা যাওয়ার পর তার প্যান্ট আর শার্ট গায়ে জড়িয়ে সবসময় কান্না করতো। কিছুই খেতো না। খাইতে বললে বলতো, জিসানও তো কিছুই খায় নাই, ওরে আইনা দেন... একসাথে খামু।" আজ শহীদ আব্দুর রহমান জিসানের জন্মদিন।

----রক্ত প্রয়োজন--- রোগীর সমস্যা : Delivery Patient 🛑 রক্তের গ্রুপ  : O+ 🕝 রক্তদানের সময় : 5 PM 🔔 রক্তদানের তারিখ : 18/06/2026 🏥 স্থানঃ National Hospital (মেহেদিবাগ, চট্টগ্রাম) 📳 যোগাযোগঃ +880 17 6173 5830 (Shah Aziz)

Pusab has much to share for the nation. Follow our page to stay updated with our latest posts. Starting now, we'll also do our best to share everything on Telegram so you don't miss any updates. Thank you for your constructive criticism and valuable suggestions. Your feedback helps us improve. Sakib Chowdhury Head - Student Wing PUSAB

World Cup AT DIU #PUSAB
+3
World Cup AT DIU #PUSAB

The names of the 18,457 children killed by Israel
The names of the 18,457 children killed by Israel

ইরানের ঘোষিত রেডলাইন অনুযায়ী পাল্টা হামলা করা উচিত ইরানের। ইরান যদি আজকের চুক্তি স্বাক্ষরের অজুহাতে পাল্টা সামরিক প্রতিক্রিয়া না দেখায়, তাহলে ময়দানের ইকুয়েশনে প্রভাব পড়বে। Let's see what happens. ইসরাইলী হামলা মানে আমেরিকারই হামলা। Good cop bad cop game আরকি। একদিকে ভালোমানুষ সেজে 'চুক্তি' করে, আরেকদিকে ইসরাইল সেজে হামলা করে।

লেবাননের রাজধানী বৈরুতে হামলা চালিয়েছে ইসরাইল। এখন পর্যন্ত একজন নিহত ও ৪ জন আহত।

জরুরি রক্ত প্রয়োজন রক্তের গ্রুপ বি+ হার্ট সার্জারি রাতেই অপারেশন হবে। স্থান- ইউরো বাংলা হসপিটাল, লালমাটিয়া৷ যোগাযোগ: 01954957390 একটু দ্রুত দেখার জন্য অনুরোধ করছি।

একদিকে সারাবিশ্ব আছে ওয়ার্ল্ডকাপ উন্মাদনায় ব্যাস্ত, অন্যদিকে গা*জায় চলছে সন্ত্রাসী ইসরাইলের বোমা বর্ষণ! নিশ্চুপ বিশ্ব বিবেক।
একদিকে সারাবিশ্ব আছে ওয়ার্ল্ডকাপ উন্মাদনায় ব্যাস্ত, অন্যদিকে গা*জায় চলছে সন্ত্রাসী ইসরাইলের বোমা বর্ষণ! নিশ্চুপ বিশ্ব বিবেক।

ইরান–যুক্তরাষ্ট্রের ১৪ দফা খসড়া সমঝোতা স্মারকের নতুন বিস্তারিত প্রকাশ: ১/ লেবাননসহ সব ফ্রন্টে অবিলম্বে এবং স্থায়ী যুদ্ধবিরতি কার্যকর করা হবে। ২/ যুক্তরাষ্ট্র ইরানের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা এবং দেশটির সার্বভৌমত্বের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের অঙ্গীকার করবে। ৩/ সর্বোচ্চ ৩০ দিনের মধ্যে ইরানের বিরুদ্ধে আরোপিত নৌ অবরোধ সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করা হবে। ইরানের চারপাশের অঞ্চলগুলো থেকে মার্কিন বাহিনী প্রত্যাহারের প্রতিশ্রুতি থাকবে। ৪/ ইরানের ব্যবস্থাপনায় ৩০ দিনের মধ্যে হরমুজ প্রণালী পুনরায় উন্মুক্ত করা হবে। ৫/ ইরানি তেল, পেট্রোরাসায়নিক পণ্য এবং সংশ্লিষ্ট রপ্তানির ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করা হবে এবং এসব বিক্রয় থেকে অর্জিত অর্থে ইরানের পূর্ণ প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা হবে। ৬/ যুক্তরাষ্ট্র এবং তার মিত্ররা ইরানের পুনর্গঠনের জন্য কমপক্ষে ৩০০ বিলিয়ন ডলারের পরিকল্পনা প্রদান করবে। ৭/ পারমাণবিক ইস্যু, মার্কিন প্রাথমিক ও ছোট নিষেধাজ্ঞার সম্পূর্ণ প্রত্যাহার, এবং সংশ্লিষ্ট জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ ও আন্তর্জাতিক পরমাণু সংস্থার পদক্ষেপসমূহ প্রত্যাহারের লক্ষ্যে ৬০ দিনের আলোচনার সময়সীমা নির্ধারণ করা হবে। ৮/ ইরান পুনরায় নিশ্চিত করবে যে, তারা Treaty on the Non-Proliferation of Nuclear Weapons-এর অঙ্গীকার অনুযায়ী পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না। ৯/ আলোচনার সময় যুক্তরাষ্ট্র এই অঞ্চলে অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন করবে না এবং নতুন কোনো নিষেধাজ্ঞাও আরোপ করবে না। ১০/ ৬০ দিনের আলোচনাকালে ইরানের জব্দকৃত ২৪ বিলিয়ন ডলারের সম্পদ মুক্ত করা হবে, যার অর্ধেক আলোচনা শুরু হওয়ার আগেই ইরানের জন্য উন্মুক্ত করা হবে। ১১/ চুক্তির বাস্তবায়ন তদারকির জন্য একটি পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা গঠন করা হবে। ১২/ চূড়ান্ত চুক্তি জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের একটি প্রস্তাবের মাধ্যমে অনুমোদিত হবে। ১৩/ ইরানের জব্দকৃত সম্পদের অর্ধেক মুক্তি, তেল নিষেধাজ্ঞা স্থগিত এবং নৌ অবরোধ প্রত্যাহারের পরেই চূড়ান্ত আলোচনা শুরু হবে। ১৪/ চূড়ান্ত চুক্তির আলোচ্য বিষয় শুধুমাত্র ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ, সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম উপাদান, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং ইরানের অর্থনৈতিক পুনর্গঠনকে কেন্দ্র করে হবে। ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি এবং প্রতিরোধ আন্দোলনগুলোর প্রতি সমর্থনের বিষয়টি আলোচনার এজেন্ডার বাইরে রাখা হবে। সূত্র: মেহর নিউজ এজেন্সি

"সবচেয়ে ভয়ংকর মুহূর্ত ছিল যখন তারা আমার সাথে এমন কাজ করল যা আমি কোনোদিন ভুলব না। তিনি চোখের পানি মুছে বলেন: "সেই ধাক্কা আর অপমান আমি কোনোদিন ভুলব না। তখন আমার বয়স ছিল মাত্র ১৮ বছর। তবে ফিলিস্তিনি নারী ও বন্দীদের প্রতি আমার বার্তা—আপনারা দুর্বল নন। এই দখলদার বাহিনী আমাদের শরীর ও যৌনতাকে আমাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে আমাদের ভেঙে ফেলতে চায়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এই পাপের বোঝা তাদেরই ধ্বংস করবে। আমরা যত দৃঢ় থাকব, তত দ্রুত এই অন্ধকার কেটে যাবে।" ​মুক্তির পর তাঁর পরিবার তাঁর পাশে এসে দাঁড়ায়। তাঁরা বলেন, "তুমি একা নও, আমরা তোমার সাথে আছি।" একজন মনোরোগ বিশেষজ্ঞের অধীনে চিকিৎসার পর তিনি মানসিকভাবে ঘুরে দাঁড়ান এবং আবার উচ্চমাধ্যমিকে ভর্তি হন। তিনি দৃঢ়তার সাথে বলেন, "আমাকে আগের চেয়েও শক্তিশালী হয়ে বাঁচতে হবে।" আইনজীবীর সাক্ষ্য: কারাগারের ভেতরের চিত্র : ফিলিস্তিনি বন্দীদের এক আইনজীবী একটি ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরেছেন। তিনি বলেন: ৭ অক্টোবরের পর আমার মক্কেলের সাথে প্রথমবারের মতো দেখা করতে পারি ২৩ এবং ২৪ এপ্রিল ২০২৪ তারিখে। সেদিন "আমি কোনো মানুষ দেখিনি, দেখেছি একটি জীবন্ত কঙ্কাল।" বন্দীদের দৈনিক মাত্র ৮০০ ক্যালোরি খাবার দেওয়া হতো, যা দেখতে ছিল কুকুরের খাবারের মতো। বন্দীদের গড় ওজন কমে ৬৫ কেজিতে নেমে এসেছিল। "প্রথম দিনই হিংস্র কুকুর এবং সাউন্ড গ্রেনেড নিয়ে বন্দীদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছিল সেনারা। বন্দীদের হাত-পা বেঁধে মেঝেতে চিত করে শুইয়ে দিয়ে তাদের ওপর কুকুর লেলিয়ে দেওয়া হতো।" ​নিয়মিত মারধর, হাড় ভাঙা, দাঁত উপড়ে ফেলা এবং ধর্ষণ ছিল নিত্যদিনের ঘটনা। যৌন সহিংসতা এবং ধর্ষণ ছিল নিয়মিত অভ্যাস। তিনি আরও বলেন: "আমি তাঁর সারা শরীরে ক্ষত দেখেছি। আমি তিনজন বন্দীকে দেখেছি করিডোর দিয়ে এমনভাবে হাঁটতে যেন তাদের ধর্ষণ করা হয়েছে।" তিনি আরও জানান, ইসরাইলি কারা কর্তৃপক্ষ (IPS) কারাগারের ভিতর আইনজীবীদের যাওয়া একেবারেই পছন্দ করে না। কারণ রেডক্রস নিষিদ্ধ হওয়ায় আইনজীবীরাই কারাগারের ভেতরের খবর বাইরে আনার একমাত্র মাধ্যম। তাই প্রতিশোধ হিসেবে, কোনো আইনজীবী কোনো বন্দীর সাথে দেখা করতে গেলেই, সাক্ষাতের পর সেই বন্দীর ওপর নির্যাতনের মাত্রা দ্বিগুণ বাড়িয়ে দেওয়া হতো। এক পর্যায়ে ভুক্তভোগী বন্দীরাই আইনজীবীদের অনুরোধ করতে থাকেন, "আপনারা আর আমাদের সাথে দেখা করতে আসবেন না, আমরা এই নির্যাতন আর সহ্য করতে পারছি না। লিক হওয়া ভিডিও এবং উচ্চপদস্থ গ্রেপ্তার: আল জাজিরার এই প্রতিবেদনে ইসরাইলি সেনাদের নিজেদের লিক করা একটি ভিডিও ফুটেজ দেখানো হয়। সেখানে দেখা যায়, এক ফিলিস্তিনি বন্দীকে নির্জন কেন্দ্রে নিয়ে সামরিক সরঞ্জাম ব্যবহার করে দলবদ্ধভাবে ধর্ষণ করা হচ্ছে। এটি ছিল বন্দীদের ওপর ইসরাইলি যৌন নির্যাতনের প্রথম সরাসরি ভিডিও প্রমাণ। ​এই ভিডিও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ছড়িয়ে পড়লে বিশ্বজুড়ে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। লোকদেখানো ব্যবস্থা হিসেবে ইসরাইলি সামরিক বিচার ব্যবস্থার একজন শীর্ষ কর্মকর্তাকে (মেজর জেনারেল) আটক করা হলেও, আদালতের ভেতরে বিচারকরা বিষয়টিকে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন। আইনজীবীরা যখনই ধর্ষণের প্রসঙ্গ তোলেন, বিচারকরা একযোগে বলেন, "আমরা এখন এই বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করব না।" এটি আসলে অপরাধীদের রাষ্ট্রীয় সুরক্ষার এক নির্লজ্জ নজির। "আন্তর্জাতিক আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, যুদ্ধক্ষেত্রে বা দখলকৃত অঞ্চলে একক কোনো যৌন সহিংসতার ঘটনাকে "যুদ্ধাপরাধ" (War Crime) হিসেবে গণ্য করা হয়। কিন্তু যখন এই অপরাধগুলো কোনো রাষ্ট্রের সুনির্দিষ্ট নীতির অংশ হিসেবে ব্যাপক এবং পদ্ধতিগতভাবে (Systematic and Widespread) ঘটে, তখন তা আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (ICC) আইন অনুযায়ী "মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ" (Crimes Against Humanity) এবং "গণহত্যা" (Genocide) এর পর্যায়ে পড়ে। ​বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৯৪৮ সালের নাকবার (Nakba) মতো করেই ২০২৪-২০২৬ সালেও ফিলিস্তিনিদের জাতিগতভাবে নির্মূল ও তাদের নিজস্ব ভূমি থেকে বিতাড়িত করার জন্য যৌন সহিংসতাকে একটি মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধাস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে ইসরাইল। অথচ ইসরাইলি সমাজ ও মিডিয়াতে এই খুনি ও ধর্ষক সেনাদের "জাতীয় বীর" হিসেবে সংবর্ধনা দেওয়া হয়, যা তাদের আরও বেশি অপরাধ করতে উৎসাহিত করে। (প্রথম পর্ব) #fridaypost

৭ অক্টোবর ২০২৩-এর পর থেকে ইসরাইলি কারাগারগুলোতে ফিলিস্তিনি বন্দীদের ওপর যৌন সহিংসতা, শারীরিক নির্যাতন এবং অমানবিক দমন-পীড়ন এমন এক মাত্রায় পৌঁছেছে যা মানবাধিকার সংগঠনগুলো পরিকল্পিত / নিয়মিতভাবে পরিচালিত বলে আখ্যা দিচ্ছে। কাতার ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার অনুসন্ধানী প্রতিবেদন "প্রমাণের দেহ" এই ভয়াবহতার ওপর এক বিরল সাক্ষ্য উপস্থাপন করেছে — যেখানে বেঁচে থাকা বন্দীরা, আইনজীবীরা এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার বিশেষজ্ঞরা একযোগে চিত্রিত করেছেন কীভাবে ইসরাইলি সামরিক, গোয়েন্দা ও কারাগার কর্তৃপক্ষ দশকের পর দশক ধরে এই নির্যাতন প্রয়োগ করে আসছে। প্রতিবেদনে জাতিসংঘের মানবাধিকার বিশেষজ্ঞ ফ্রান্সেস্কা আলবানিজ একটি নির্মম সত্য উচ্চারণ করেছেন: ​"আজ বিশ্ব ফিলিস্তিনি বন্দীদের ওপর নির্যাতন সম্পর্কে যা জানে, তা আসলে যা ঘটেছে তার ৫ শতাংশেরও কম।" ইসরাইল পৃথিবীর একমাত্র রাষ্ট্র ( অবৈধ) যেখানে নিজের সুপ্রিম কোর্টের রায়ের মাধ্যমে নির্যাতনকে আইনি বৈধতা দেওয়া হয়েছে। ১৯৮৭ সালের একটি রায়ে ইসরাইলি আদালত "দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদ" এর জন্য শারীরিক জোর প্রয়োগকে বৈধ ঘোষণা করেছিল — যা আসলে নির্যাতনেরই অন্য নাম। মানবাধিকার সংগঠনগুলোর তথ্যমতে, ৭ অক্টোবরের পর থেকে বন্দীদের প্রতি বর্বরতা সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছেছে, যৌন সহিংসতা ও ধর্ষণ আর "ব্যতিক্রম" নয় — এটি এখন "নিয়ম", শিশু বন্দীদের ওপর নির্যাতন সাধারণ বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে এবং আন্তর্জাতিক রেডক্রসকে কারাগারে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি অক্টোবর ২০২৩ থেকে। প্রথম সাক্ষ্য: একজন শিক্ষকের গল্প মোহাম্মদ জাকি আল-বাকরি একজন শিক্ষা ও প্রশাসন বিভাগের সরকারি কর্মচারী। অক্টোবর ২০২৩-এ এক রাতে তিনি খান ইউনিস শহরে তাঁর পরিবারের সাথে ছিলেন। রাতে ইসরাইলি সেনারা গাযার নাগরিকদের ওপর অবিরাম গোলাবর্ষণ শুরু করে। বাড়িঘরে বোমা পড়ছিল, বেসামরিক মানুষ আতঙ্কে দিগভ্রান্ত হয়ে পালাচ্ছিল। ড্রোন এবং হেলিকপ্টার আকাশে চক্কর দিচ্ছিল। নিরাপদ স্থানে আশ্রয়ের খোঁজে বের হওয়া আল-বাকরি এবং তাঁর স্ত্রী-সন্তানদের সেনারা থামায়। তিনি বিস্মিত হয়ে জিজ্ঞেস করলেন: "কেন? আমি একজন বেসামরিক কর্মচারী। প্রতিরোধ সংক্রান্ত কাজের সাথে আমার কোন সম্পর্ক নেই।" সেনারা তাঁকে বলল: তুমি কে তা জানার দরকার নেই?" এবং তাঁর বুকে জোরে ঘুষি মারল। তারপর তাঁর হাত বেঁধে দিল, চোখ বাঁধল এবং একটি নম্বর দিল: "৪২। এটাই তোমার নাম।" আল-বাকরি বলেন: "প্রথম যে জিনিসটি আমি অনুভব করলাম তা হলো ভয় — অসহনীয় ভয়।" আমাকে একটি ঘরে নিয়ে যাওয়া হলো। সেখানে সম্পূর্ণ নগ্ন করে সারা শরীর তল্লাশি করানো হলো। এই প্রক্রিয়া ১৪ বার পুনরাবৃত্তি করা হলো — উঠতে-নামতে, মুখ ঘুরাতে। তদন্তের সময় এবং আটকের সময় সম্পূর্ণ নগ্ন করে চিড়িয়াখানার মতো প্রদর্শনের শিকার হয়েছি। এটি অত্যন্ত যন্ত্রণাদায়ক ছিল। তল্লাশির সময় তারা আমাকে সম্পূর্ণ নগ্ন করত এবং ছবি তুলত। চার-পাঁচ-ছয়জন তরুণ সৈনিক পিছনে দাঁড়িয়ে হাসতে হাসতে এসব করত। এক রাতে ভোর চারটার দিকে এক হিংস্র সেনা তাঁকে বলে, "একজনের কাজ শেষ, এবার তোকে ধর্ষণ করা হবে।" আল-বাকরি আল্লাহর ওপর ভরসা রেখে বলেন, "আল্লাহ এর বিচার করবেন।" তখন এক সেনা তাঁর কেড়ে নেওয়া ফোন বের করে স্ক্রিন সামনে ধরে বলে, "এই দেখ, তোর স্ত্রীর সাথে আমরা কী করছি!"" আল-বাকরি ১৫ মাস কারাগারে ছিলেন। তিনি বলেন: "কারাগার থেকে বের হওয়ার পর আমি অনুভব করলাম আমি নতুনভাবে জন্ম নিয়েছি। কিন্তু বুক ফেটে কান্না আসছিল পেছনের সেলগুলোতে রেখে আসা সেই ছোট ছোট বাচ্চাদের কথা মনে করে।" এক তরুণী সাক্ষ্য : সাংস্কৃতিক ও শিক্ষামূলক ক্ষেত্রে যুক্ত থাকা বিরজাইট বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ১৮ বছর বয়সী ছাত্রীকে ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ তারিখে গ্রেপ্তার করা হয়। যাঁর স্বপ্ন ছিল একজন পশু চিকিৎসক হওয়া, তাঁর জীবন ওলটপালট হয়ে যায় এক রাতে। তাঁকে ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ তারিখে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি সেই রাতের স্মৃতিচারণ করে বলেন: "সেদিন রাতে যখন সেনারা বাড়ি ঘেরাও করল, আমার স্বামী জিজ্ঞেস করেছিলেন—'কোথায় নিয়ে যাচ্ছে তোমাকে?' আমি শুধু বলেছিলাম—'জানি না, আল্লাহর ওপর ভরসা রাখো।' বিদায় নেওয়ার সুযোগটুকুও তারা দেয়নি।" প্রথমে তাঁকে বলা হয়েছিল ৭২ ঘণ্টার জন্য আটক করা হয়েছে এবং ফাইলটি "গোপন"। কিন্তু ৭২ ঘণ্টা পর কোনো অভিযোগ বা বিচার ছাড়াই তাঁকে চার মাসের "প্রশাসনিক আটক" দেওয়া হয়। কারাগারে এক রাতে তাঁর সাথে যা ঘটেছে তা তিনি এভাবে বর্ণনা করেছেন: "এক সৈনিক এসে সরাসরি আমার ওপর যৌন নির্যাতন শুরু করল। আমি প্রতিবাদ করলে সে আমার গালে সজোরে থাপ্পড় মারে। এরপর একের পর এক সেনা এসে আমাকে স্পর্শ করতে থাকে। আমি তখন জায়নামাজে সালাতরত অবস্থায় ছিলাম, সেই অবস্থাতেই এক কারারক্ষী আমার ওপর পাশবিক নির্যাতন চালায়। রাত আটটা পর্যন্ত এই নরককান্দন চলে।

photo content

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে: ‘বারবার যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন এবং লেবানন ও ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের বিরুদ্ধে জায়নবাদী শাসনের আগ্রাসী কর্মকাণ্ডের পরিপ্রেক্ষিতে, যার মধ্যে রয়েছে গত দুই সপ্তাহে দেশটির দক্ষিণাঞ্চলে ইরানি জাহাজ ও লক্ষ্যবস্তুর ওপর হামলায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সন্ত্রাসী সেনাবাহিনীর সাথে যোগসাজশ এবং ইরানি জাতির বিরুদ্ধে সামুদ্রিক জলদস্যুতায় মার্কিন শাসনের সাথে সহযোগিতা, ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের সশস্ত্র বাহিনী জাতিসংঘ সনদের ৫১ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আত্মরক্ষার সহজাত অধিকারের আওতায়, ২০২৬ সালের ৭ই জুন, রবিবার সন্ধ্যায় অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডের উত্তরে বেশ কয়েকটি সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে।’ ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরান, যেকোনো উপযুক্ত মুহূর্তে নিজেদের নিরাপত্তা ও জাতীয় স্বার্থ চূড়ান্তভাবে রক্ষা করার জন্য ইরানি জাতির দৃঢ় সংকল্পের ওপর জোর দিয়ে স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে যে, লেবাননে যুদ্ধবিরতি ছিল ২০২৬ সালের ৮ই এপ্রিলের যুদ্ধবিরতি চুক্তির একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ, এবং জায়নবাদী শাসনের দ্বারা এই যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন ও তার পরিণতির জন্য, সেইসাথে এই অঞ্চলে উত্তেজনা বৃদ্ধির যেকোনো পরিস্থিতির জন্য মার্কিন সরকার সরাসরি দায়ী। ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরান সতর্ক করে দিচ্ছে যে, লেবানন বা ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের বিরুদ্ধে জায়নবাদী শাসনের যেকোনো অশুভ দুঃসাহসিকতার জবাব দেওয়া হবে ইরানের উদ্যমী সশস্ত্র বাহিনীর পক্ষ থেকে এক কঠোর ও ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার মাধ্যমে।

photo content

লেবাননে ইসরাইলের ক্রমাগত হামলার জের ধরে, ইসরাইলে গতরাতে কয়েকদফায় ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। কয়েকটি সরাসরি ইসরাইলে আঘাত হানার খবর পাওয়া গেছে।

গাজায় সন্ত্রাসী রাষ্ট্র ইসরাইলের হামলায় অক্টোবর ৭, ২০২৩ থেকে এখন পর্যন্ত শহীদ হয়েছেন ৭২ হাজার ৯৩৮ ফিলিস্তিনি, যার মাঝে শুধু শিশুই আছে প্রায় ২৩ হাজার। এটা শুধু প্রাপ্ত বডির হিসাবে, আর নিখোঁজ আছে হাজার হাজার।