ar
Feedback
PUSAB OFFICIAL

PUSAB OFFICIAL

الذهاب إلى القناة على Telegram

Offcial Telegram Channel Of Private University Students Aliance of Bangladesh - PUSAB facebook.com/com/PrivateUSAB

إظهار المزيد

📈 نظرة تحليلية على قناة تيليجرام PUSAB OFFICIAL

تُعد قناة PUSAB OFFICIAL (@pusabofficial) في القطاع اللغوي البنغالي لاعباً نشطاً. يضم المجتمع حالياً 50 793 مشتركاً، محتلاً المرتبة 3 398 في فئة التعليم والمرتبة 314 في منطقة بنغلاديش.

📊 مؤشرات الجمهور والحراك

منذ تأسيسه في невідомо، حقق المشروع نمواً سريعاً وجمع 50 793 مشتركاً.

بحسب آخر البيانات بتاريخ 13 سبتمبر, 2026، تحافظ القناة على نشاط مستقر. خلال آخر 30 يوماً تغيّر عدد الأعضاء بمقدار -4، وفي آخر 24 ساعة بمقدار -10، مع بقاء الوصول العام مرتفعاً.

  • حالة التحقق: غير موثّقة
  • معدل التفاعل (ER): يبلغ متوسط تفاعل الجمهور 9.98‎%. وخلال أول 24 ساعة من النشر يحصد المحتوى عادةً 3.69‎% من ردود الفعل نسبةً إلى إجمالي المشتركين.
  • وصول المنشورات: يحصل كل منشور على متوسط 5 069 مشاهدة. وخلال اليوم الأول يجمع عادةً 1 875 مشاهدة.
  • التفاعلات والاستجابة: يتفاعل الجمهور بانتظام؛ متوسط التفاعلات لكل منشور يبلغ 26.

📝 الوصف وسياسة المحتوى

يصف المؤلف القناة بأنها مساحة للتعبير عن الآراء الذاتية:
Offcial Telegram Channel Of Private University Students Aliance of Bangladesh - PUSAB facebook.com/com/PrivateUSAB

بفضل وتيرة التحديث المرتفعة (أحدث البيانات بتاريخ 14 سبتمبر, 2026) تحافظ القناة على حداثتها ومستوى وصول مرتفع. وتُظهر التحليلات تفاعلاً نشطاً من الجمهور، ما يجعلها نقطة تأثير مهمة ضمن فئة التعليم.

50 793
المشتركون
-1024 ساعات
+5917 أيام
-430 أيام
أرشيف المشاركات
গুলশানে মিছিলের পর ধাওয়া খেয়ে গু'য়ের নর্দমায়.... পোস্টের কমেন্টে আইসা "কিরে পুসাব ভয় পাইছিস", " ভয়ে পে*ব করে দিলো পুসাব" আর অন্যদিকে দুই মিনিটের মিছিল করে বিএনপির ধাওয়া খেয়ে গু'য়ের নর্দমায় ঝাপ দিয়ে ৩০ মিনিট সাতার কাটলো বাঙ্গী লীগ! বি.দ্রঃ ফেসবুকে দেয়া ভিডিও রিপোর্ট মাইরা ভিউ ব্লক করছে শরম ঢাকতে, টেলিগ্রামে দিলাম, এবার রিপোর্ট দে পারলে।

আজ রাতেই অন্তত এক ব্যাগ এ পজিটিভ ব্লাড লাগবে পিজি হসপিটালে, অত্যন্ত ক্রিটিক্যাল অপারেশন প্যানক্রিয়াটিকোডুওডেনেক্টমি মূলত অগ্ন্যাশয় (Pancreas), পিত্তনালী বা ক্ষুদ্রান্ত্রের ক্যানসার এবং জটিল টিউমার নিরাময়ের জন্য করা একটি বড় অস্ত্রোপচার। জরুরী ভিত্তিতে রক্তের প্রয়োজন.. 🔍রোগীর সমস্যাঃ Pancreaticoduodenectomy 🔴রক্তের গ্রুপঃ A+ 💉পরিমাণঃ ৭ ব্যাগ 📅তারিখঃ ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ⏰সময়ঃ রাত ১০ টা 🏣হাসপাতালের নামঃ পিজি হসপিটাল 📌ঠিকানাঃ শাহবাগ, ঢাকা 📞যোগাযোগ নম্বরঃ 01866654307 নিজে না দিতে পারলে অন্তত এটা কপি করে ছড়িয়ে দিন

প্রতিরক্ষা অবস্থানে ফিরে যেতে। মোস্তফা যখন নূর মোহাম্মদ শেখকে ধরে তুলতে চাচ্ছিলেন তখন তিনি পার্শ্ববর্তী একটি গাছের গুঁড়ি আঁকড়ে ধরে থাকেন এবং বলেন- 'আহত নান্নু মিয়া ও এলএমজিটিসহ তোমরা নিরাপদ স্থানে ফিরে যাও নতুবা আমরা সবাই মারা যাব। সেই সঙ্গে আমাদের প্রতিরক্ষা অবস্থানটিও হুমকির সম্মুখীন হয়ে পড়বে'। দলনেতা ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদের এই অনড় সিদ্ধান্ত মেনে নিতে বাধ্য হন সিপাহি মোস্তফা। তাঁর এসএলআরটি নূর মোহাম্মদের হাতে দিয়ে নান্নু মিয়াসহ বাকি সবাই নিরাপদ স্থানের দিকে এগোতে থাকে। এই পুরোটা সময় নূর মোহাম্মদ তাঁর আঘাতপ্রাপ্ত দেহটাকে টেনে নিয়ে বারবার অবস্থান পরিবর্তন করে শত্রুদলের দিকে এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়তে থাকেন। ইতোমধ্যে সহযোদ্ধাগণ নিরাপদ দূরত্বে পৌঁছে গিয়েছে দেখে তিনি স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেন। কিন্তু মারাত্মক আহত অবস্থায় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তিনি ধীরে ধীরে নিস্তেজ হয়ে পড়েন। ঘটনাস্থল থেকে গুলিবর্ষণ কমে যেতে দেখে পাকিস্তানিরা অগ্রসর হয় এবং মৃতপ্রায় ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ'কে একা দেখতে পেয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করে। এর প্রায় এক ঘণ্টা পর মুক্তিযোদ্ধাদের একটি সংগঠিত দল সমন্বিতভাবে তীব্র আক্রমণ করে হানাদার বাহিনীকে পিছু হঠতে বাধ্য করে। ঘটনাস্থলে পৌছে তাঁরা দেখতে পান নূর মোহাম্মদ শেখের নিথর দেহটি পার্শ্ববর্তী ঝোপের আড়ালে পড়ে আছে। চোখ দুটি উপড়ানো এবং পুরো শরীর বেয়নেটের আঘাতে ক্ষতবিক্ষত। তাঁর ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার করে যশোর জেলার মুক্তাঞ্চল নামে পরিচিত শার্শা থানার কাশিপুর গ্রামে এই বীর যোদ্ধাকে সমাহিত করা হয়। [লেখার এই অংশটি বাংলাদেশ আর্মি পেজ হতে সংগৃহীত] বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখের স্ত্রী, তোতাল বিবি, ২২ নভেম্বর ২০১৮-তে মৃত্যুবরণ করেন। নূর মোহাম্মদের মোট চার সন্তান রয়েছে—এক ছেলে এসএম গোলাম মোস্তফা কামাল এবং তিন মেয়ে: হাসিনা বেগম, সুফিয়া রহমান ও রোকেয়া রহমান। তার ছেলে এসএম গোলাম মোস্তফা কামাল বর্তমানে “বীরশ্রেষ্ঠ, মুক্তিযোদ্ধা ও প্রজন্ম সংগ্রামী ঐক্য পরিষদ”-এর কেন্দ্রীয় সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁর মহান বীরত্বপূর্ণ আত্মত্যাগের স্বীকৃতি স্বরূপ বাংলাদেশ সরকার তাঁকে বীরশ্রেষ্ঠ খেতাবে ভূষিত করে। আমরা শ্রদ্ধা সম্মানে মহান মুক্তিযুদ্ধে তার এই বীরত্বপূর্ণ আত্মত্যাগ কে স্মরণ করছি। #PUSAB #privateuniversitystudentsallainceofbangladesh

শত্রুপক্ষ তিন দিক থেকে তাদের ঘিরে ফেলে এবং নূর মোহাম্মদের প্যাট্রলকে ফাঁদে ফেলার চেষ্টা করে এবং বিরামহীন গুলিবর্ষণ শুরু করে নূর মোহাম্মদের দলের দিকে অগ্রসর হয়। শত্রুর প্রচণ্ড গোলাগুলিতে নূর মোহাম্মদ শেখের সহযোদ্ধা সিপাহি নান্নু মিয়া গুলিবিদ্ধ হন এবং মারাত্মকভাবে আহত হন। গুলির জবাবে গুলি ছুড়তে লাগলেন নূর মোহাম্মদ। আহত নান্নু মিয়াকে নিজ কাঁধে নিয়ে তার জীবন বাঁচাতে তাকে নিরাপদ যায়গায় রাখতে গিয়ে নিজে গুলিবিদ্ধ হন নূর মোহাম্মদ! কাধে ও হাটুতে মর্টারের গুলি লাগে! তার সহযোদ্ধারা তাকে বার বার বলেন ক্যাম্পে ফিরে আসতে, কিন্তু তিনি তাদের নিরাপদে সরে যেতে বলে নিজে রক্তাক্ত শরীরে দেশের জন্য যুদ্ধ চালিয়ে যান! একদিকে পাকিস্তানি সশস্ত্রবাহিনী, সঙ্গে অত্যাধুনিক স্বয়ংক্রিয় অস্ত্রশস্ত্র, অন্যদিকে মাত্র অর্ধমৃত সৈনিক (ই.পি.আর.) যাঁর সম্বল একটি রাইফেল ও সীমিত গুলি। এই অসম অবিশ্বাস্য যুদ্ধে তিনি শত্রুপক্ষের এমন ক্ষতিসাধন করেন যে তারা এই মৃত্যুপথযাত্রী বীর যোদ্ধাকে বেয়নেট চার্জ করে চোখ দুটো উপড়ে ফেলে এবং মস্তক বিদীর্ণ করে ঘিলু ছড়িয়ে ফেলে। পরে মুক্তিযোদ্ধারা প্রতিরোধ গড়ে পাকিস্তানি সেনাদের বিতারিত করার পর পাশের একটি বাঁশঝাড় থেকে তার ক্ষতবিক্ষত মৃতদেহ উদ্ধার করে। ১৯৩৬ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন যশোর জেলার নড়াইল থানাধীন (পরবর্তীতে নড়াইল জেলা) মহেশখালী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন, যা বর্তমানে ‘নূর মোহাম্মদ নগর" নামকরণ করা হয়েছে। মাত্র ১৩ বছর বয়সেই পিতা-মাতাকে হারিয়ে জীবনের নানা প্রতিকূলতার মুখোমুখি হতে হয়েছিল তাঁকে। তিনি মাত্র সপ্তম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করেন এবং এরপর আর পড়াশোনা চালাতে পারেননি। ষোলো বছর বয়সে তিনি একই গ্রামের তোতাল বিবিকে বিয়ে করেন; স্ত্রীর বয়স তখন মাত্র ১২ বছর। পরিবারের প্রয়োজনে ১৯৫৯ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি ২৩ বছর বয়সে নূর মোহাম্মদ শেখ ইপিআর এ যোগদান করেন। ১৯৬৫ সালের পাক–ভারত যুদ্ধে তিনি আহত হন এবং বীরত্বের স্বীকৃতিতে ‘তমানা-এ-জং’ ও ‘সিতারা-এ-হারব’ পদকে ভূষিত হন। ১৯৭০ সালের আগস্ট মাসে তাকে ইপিআরের যশোর সেক্টর হেডকোয়ার্টারে বদলি করা হয়। ২৫ মার্চের গণহত্যার সময় নূর মোহাম্মদ শেখ নিয়মিত ছুটিতে গ্রামের বাড়িতে ছিলেন। পাকিস্তান সেনাবাহিনীর নৃশংসতার খবর জানতে পেরে ছুটি শেষ হওয়ার পূর্বেই তিনি নিজ কর্মস্থল ৪ নং ইপিআর উইংয়ে যোগদান করেন। এসময় ৪ নং উইং ৮ নং সেক্টরের অধীনে যশোর এলাকায় অবস্থান করছিল। একটি চৌকস গেরিলা দল আগস্ট মাসের শুরুতেই যশোর জেলার চৌগাছা থানার ছুটিপুর গ্রামে অবস্থান নেয়। ক্যাপ্টেন নাজমুল হুদার নেতৃত্বাধীন এই দলেই ছিলেন ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ। ছুটিপুর গ্রামটি যশোর ক্যান্টনমেন্ট থেকে বেশ নিকটবর্তী এবং পাকিস্তান সেনাবাহিনীর অন্যতম শক্তিশালী সদর দপ্তর ছিল যশোর ক্যান্টনমেন্ট। যার ফলে এই এলাকায় মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে পাকিস্তানিদের বহুবার সংঘর্ষ হয়েছে। সীমান্তবর্তী ছুটিপুর তাই পাকিস্তানিদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ ছিলো। ৫ই সেপ্টেম্বর, ১৯৭১ সকাল প্রায় ৯:৩০ মিনিটে ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ ৪জন সহযোদ্ধাসহ ছুটিপুর প্রতিরক্ষা এলাকার সামনে গোয়ালহাটি গ্রামের কাছে স্ট্যান্ডিং প্যাট্রল ডিউটিতে ছিলেন। তিনি ছিলেন প্যাট্রল অধিনায়ক। শত্রুর উপর দৃষ্টি রাখা ও তাদের আক্রমণের পরিকল্পনা নিজ প্রতিরক্ষা অবস্থানে পাঠানোর নির্দেশ ছিল তাঁর উপর। শত্রুপক্ষ তিন দিক থেকে তাদের আক্রমণাত্মকভাবে ঘিরে ফেলে এবং নূর মোহাম্মদের প্যাট্রলকে ফাঁদে ফেলার চেষ্টা করে। সঙ্গে সঙ্গে শত্রুরা বিরামহীন গুলিবর্ষণ শুরু করে এবং নূর মোহাম্মদের দলের দিকে অগ্রসর হয়। শত্রুর প্রচণ্ড গোলাগুলিতে নূর মোহাম্মদ শেখের সহযোদ্ধা সিপাহি নান্নু মিয়া গুলিবিদ্ধ হন এবং মারাত্মকভাবে আহত হন। দলের অধিনায়ক হিসাবে নূর মোহাম্মদ শেখ দ্রুত আহত নান্নু মিয়ার দিকে এগিয়ে আসেন এবং নান্নু মিয়ার এলএমজি দিয়ে শত্রুর দিকে গুলিবর্ষণ শুরু করেন। এর ফলে শত্রুর সামনে আসা বাধাগ্রস্ত হয়। এই পর্যায়ে নূর মোহাম্মদ শেখ নিজে এবং তাঁর অধীনস্থ সৈনিকদের বারবার অবস্থান বদল করে শত্রুর দিকে গুলি ছুড়তে নির্দেশ দেন যেন শত্রুপক্ষ তাঁদের অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হতে না পারে। অবস্থান পরিবর্তনের সময় নূর মোহাম্মদ নিজেই আহত নান্নু মিয়াকে কাঁধে নিয়ে এক স্থান থেকে আরেক স্থানে যাচ্ছিলেন। এ-সময় তাঁর ডান কাঁধে একটি গুলি লাগে এবং ২ ইঞ্চি মর্টার শেলের আঘাতে ডান হাঁটু ক্ষতবিক্ষত হয়ে যায়। এই অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে অপর সহযোদ্ধা সিপাহি মোস্তফা'কে নির্দেশ দেন আহত নান্নু মিয়াসহ সবাইকে নিরাপদ স্থানে ফিরে যেতে। ইতোমধ্যেই শত্রুপক্ষ তাঁদের আরও কাছাকাছি পৌছে যায়। তখন তাঁদের সামনে দুটো পথই খোলা ছিল। প্রথমটি হল পিছু হটা এবং অন্যটি সরাসরি শত্রুর মোকাবিলা করা। কিন্তু মারাত্মকভাবে আহত নূর মোহাম্মদ ইতোমধ্যেই প্রচণ্ড রক্তক্ষরণজনিত কারণে অসম্ভব দুর্বল হয়ে পড়েছিলেন। সিপাহি মোস্তফা চাচ্ছিলেন তাঁদের দলনেতা নূর মোহাম্মদ শেখসহ সবাই এক সঙ্গে

photo content

🩸 জরুরি রক্তের প্রয়োজন 🩸 🔴 Blood Group: A+ 🩸 Total Blood Needed: 7 Bags ✅ Managed: 3 Bags 🚨 Still Needed: 4 Bags 🏥 Location: PG Hospital 🏨 Surgery: Pancreaticoduodenectomy 🙏 একজনের জীবন বাঁচাতে আপনার এক ব্যাগ রক্ত হতে পারে সবচেয়ে বড় সাহায্য। যারা A+ রক্ত দিতে পারবেন, দয়া করে দ্রুত যোগাযোগ করুন। 📞 Contact: 01643941543 🤲 রক্ত দিন, জীবন বাঁচান। ❤️ 🔄 পোস্টটি বেশি বেশি Share করে সহযোগিতা করুন।

Our sister from Gaza 😢

২০২১ সাল! আহছানউল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের EEE থেকে রাফি কোনরকমে গ্রাজুয়েশন টা শেষ করেছেন! আহসানউল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ
২০২১ সাল! আহছানউল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের EEE থেকে রাফি কোনরকমে গ্রাজুয়েশন টা শেষ করেছেন! আহসানউল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ইলেকট্রিক্যালে পড়ার সময় রাফি ছিলেন যাকে বলে একজন বিলো এভারেজ ছাত্র। ল্যাব ও কুইজে শূন্য পাওয়া, একের পর এক ব্যাকলগ এমনকি এক সেমিস্টারে সিজিপিএ নেমে গিয়েছিলো ২.৩৭ এ! অবশেষে ২.৭৬ CGPA নিয়ে শেষ হবার আগেই ৬টি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পেলেন ফুল ফান্ডেড স্কলারশিপ! কি করে হলো?? বাবা মায়ের একটাই কথা ছিল চেষ্টা করো, আমরা জানি তুমি পারবে। রাফি রেজাল্টের দিকে না তাকিয়ে টেকনিক্যাল স্কিল ও রিসার্চ প্রোফাইলে মন দেন। মেশিন লার্নিং শেখেন, গবেষণাপত্র প্রকাশ করেন, টোফেল দেন এবং নিজ উদ্যোগে প্রফেসরদের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেন। ফলাফল ২.৭৬ সিজিপিএ ও ব্যাকলগ নিয়েও গ্র্যাজুয়েশনের আগেই ৬টি ফুল ফান্ডেড মাস্টার্স ও পিএইচডির অফার। বর্তমানে তিনি সাউথ কোরিয়ার Hanyang Unuversity তে PhD করছেন, একই সাথে তিনি স্যামসাং হেডকোয়ার্টারের সঙ্গে যৌথ গবেষণায় এক্সপ্লেইনেবল এআই ও সেমিকন্ডাক্টর ফেলিওর অ্যানালাইসিস নিয়ে কাজ করছেন। কাজ করছেন কোরিয়ার ন্যাশনাল রিসার্চ ফাউন্ডেশনে রিসার্চার হিসেবেও। #PUSAB

🩸একজন ক্রিটিকাল রুগীর জন্য "(O-) ও নেগেটিভ রক্ত প্রয়োজন 🩸 জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল, মোহাম্মদপুর,ঢাকা। রক্ত : Blood ( O-), দুই ব্যাগ রক্ত প্রয়োজন। নাম্বার : 01879261659

২০২৬ এর HSC পরীক্ষা তো শেষ হলো। কোন বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হবো? মনের ভেতর অনেক প্রশ্ন!! তোমরা অনেকেই সরাসরি বিভিন্ন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে যাচ্ছো নেক্সট সেশনেই। কোন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হবো, কোথায় খরচ কেমন, একই খরচে কোন বিশ্ববিদ্যালয় টা এই সাবজেক্ট এর জন্য ভালো হবে এ ধরনের নানা প্রশ্ন মনে ঘুরপাক খাচ্ছে। পুরো লেখাটি পড়লে সিদ্ধান্ত নিতে সহজ হবে। ▪️যে কয়টি বিষয় কে প্রাধান্য দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় সিলেক্ট করতে হবে তা উল্লেখ করছিঃ ✅ ১। যদি আর্থিক কোন ইস্যু না থাকে, তাহলে একদম প্রথম সারির যে বিশ্ববিদ্যালয় গুলো আছে যারা আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা প্রদান করছে সেগুলোই তালিকায় রাখতে হবে। খরচ অনেক বেশি হলেও। এরপর সাবজেক্ট অনুসারে এদের মধ্যে ওই সাবজেক্টে সবচাইতে ভালো যে করছে (সর্বাধুনিক ল্যাব, উচ্চতর গবেষনা, আন্তর্জাতিক মানের কারিকুলাম, স্পেশাল কোলাবোরেশান ইত্যাদি) সেখানে ভর্তি হতে হবে। ✅ ২। যদি আর্থিক দিক সামান্য ব্যালেন্স করতে হয়, তাহলে পরবর্তী তালিকার মধ্যে যে বিশ্ববিদ্যালয় গুলো পার্মানেন্ট ক্যাম্পাসে শিফট করেছে এবং একই সাথে একাডেমিক কারিকুলামের পাশাপাশি সহ শিক্ষা কার্যক্রমে গুরুত্ব দেয় তাদের মধ্যে থেকে চয়েস করতে হবে। তবে এক্ষেত্রে গুরুত্ব দিতে হবে সাবজেক্ট চয়েসের ক্ষেত্রে, যে সাবজেক্ট এ পড়তে ইচ্ছুক তার ল্যাব ফ্যাসিলিটিজ, শিক্ষক তালিকায় অধ্যাপক ও পার্মানেন্ট শিক্ষক কেমন আছে, গবেষণার সুযোগ কতটা, প্রয়োজনীয় এক্রিডিটেশন আছে কি না ইত্যাদি বিষয় গুলো যাচাই করতে হবে। ✅ ৩। এবার আসছে ৩য় পর্যায়। যদি উপরোক্ত দুই তালিকা সাধ্য ও সামর্থ্যের বাইরে থাকে তাহলে বেশ সতর্কতার সাথেই বিশ্ববিদ্যালয় পছন্দ করতে হবে। ‼️ এক্ষেত্রেও প্রাধান্য দিতে হবে সর্বপ্রথম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউজিসি অনুমোদন কি পর্যায়ে আছে, কোন লাল বা কালো তালিকাভুক্ত আছে কি না, কিংবা কোন বিশেষ নিষেধাজ্ঞা আছে কি না। এগুলো ইউজিসি ওয়েবসাইট থেকে অবশ্যই যাচাই করে নিতে হবে। ইউজিসি ওয়েবসাইটেই হালনাগাদ তথ্য দেয়া থাকে। এভাবে যাচাই করা হলে খোঁজ নিতে হবে শিক্ষা কার্যক্রম কেমন, কতটুকু ল্যাব সুবিধা আছে, অন্যান্য প্রয়োজনীয় সুবিধাগুলো কতটুকু দিচ্ছে, শিক্ষক শিক্ষার্থী অনুপাত, কতজন পার্মানেন্ট অধ্যাপক বা সহঃঅধ্যাপক আছেন, শিক্ষার্থী যারা পাশ করেছে বা বর্তমানে অধ্যায়ন করছে তাদের মতামত ইত্যাদি। নেক্সট যেটা অবশ্যই দেখতে হবে তা হলো, বিশ্ববিদ্যালয় টি স্থাপিত হবার কত বছর পার হয়েছে, পার্মানেন্ট ক্যাম্পাসের যায়গা আছে কি না বা কার্যক্রম শুরু করেছে কি না। যাদের যায়গা আছে এবং কার্যক্রম শুরু করেছে তাদেরকে প্রাধান্য দিতে হবে। সর্বশেষ, শুধুমাত্র সহজে সার্টিফিকেট প্রাপ্তির আশায় অল্প টাকায় পড়ার জন্য এমন কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া যাবেনা যা তোমার ভবিষ্যৎ কে অন্ধকারে ঠেলে দিবে কিংবা ভবিষ্যৎ উন্নয়নের সম্ভাবনা সংকুচিত করবে। মনে রাখতে হবে নুন্যতম গুনগত শিক্ষার মান ব্যাতিত কিংবা চটকদার বিজ্ঞাপন দেখে কালো তালিকা ভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হলে তা সাময়িক প্রশান্তির হলেও হুট করে যখন বিশ্ববিদ্যালয় টি নিষেধাজ্ঞায় পড়বে কিংবা অন্যান্য সমস্যা দেখা দিবে তখন তোমার ক্যারিয়ার নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়তে হবে। উচ্চতর শিক্ষার মাঝপথে এসে শিক্ষা-কার্যক্রম ব্যাহত হবে এবং মানহীন সার্টিফিকেট এর সাথে মানহীন শিক্ষা তোমাকে আজীবন ভোগাবে। তাই, জেনে বুঝে যাচাই-বাছাই করে তবেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে আমার জীবনের মুল্যবান সময় ও কষ্টার্জিত অর্থ আমি কোথায় ব্যয় করবো। তা কি আমাকে সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়তে সহায়তা করবে ও বর্তমান বিশ্বের উপযোগী শিক্ষা গ্রহণে সহায়তা করবে নাকি ক্ষনিকের ভুল সিদ্ধান্তে আমার ভবিষ্যৎ ক্ষতিগ্রস্ত করবে! সকলের জন্য শুভকামনা ❤️ #PUSAB #privateuniversitystudentsallainceofbangladesh #PUSABAdmissionGuideline

photo content

২০২৬ এর HSC পরীক্ষা তো শেষ হলো। কোন বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হবো? মনের ভেতর অনেক প্রশ্ন!! তোমরা অনেকেই সরাসরি বিভিন্ন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে যাচ্ছো নেক্সট সেশনেই। কোন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হবো, কোথায় খরচ কেমন, একই খরচে কোন বিশ্ববিদ্যালয় টা এই সাবজেক্ট এর জন্য ভালো হবে এ ধরনের নানা প্রশ্ন মনে ঘুরপাক খাচ্ছে। পুরো লেখাটি পড়লে সিদ্ধান্ত নিতে সহজ হবে। ▪️যে কয়টি বিষয় কে প্রাধান্য দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় সিলেক্ট করতে হবে তা উল্লেখ করছিঃ ✅ ১। যদি আর্থিক কোন ইস্যু না থাকে, তাহলে একদম প্রথম সারির যে বিশ্ববিদ্যালয় গুলো আছে যারা আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা প্রদান করছে সেগুলোই তালিকায় রাখতে হবে। খরচ অনেক বেশি হলেও। এরপর সাবজেক্ট অনুসারে এদের মধ্যে ওই সাবজেক্টে সবচাইতে ভালো যে করছে (সর্বাধুনিক ল্যাব, উচ্চতর গবেষনা, আন্তর্জাতিক মানের কারিকুলাম, স্পেশাল কোলাবোরেশান ইত্যাদি) সেখানে ভর্তি হতে হবে। ✅ ২। যদি আর্থিক দিক সামান্য ব্যালেন্স করতে হয়, তাহলে পরবর্তী তালিকার মধ্যে যে বিশ্ববিদ্যালয় গুলো পার্মানেন্ট ক্যাম্পাসে শিফট করেছে এবং একই সাথে একাডেমিক কারিকুলামের পাশাপাশি সহ শিক্ষা কার্যক্রমে গুরুত্ব দেয় তাদের মধ্যে থেকে চয়েস করতে হবে। তবে এক্ষেত্রে গুরুত্ব দিতে হবে সাবজেক্ট চয়েসের ক্ষেত্রে, যে সাবজেক্ট এ পড়তে ইচ্ছুক তার ল্যাব ফ্যাসিলিটিজ, শিক্ষক তালিকায় অধ্যাপক ও পার্মানেন্ট শিক্ষক কেমন আছে, গবেষণার সুযোগ কতটা, প্রয়োজনীয় এক্রিডিটেশন আছে কি না ইত্যাদি বিষয় গুলো যাচাই করতে হবে। ✅ ৩। এবার আসছে ৩য় পর্যায়। যদি উপরোক্ত দুই তালিকা সাধ্য ও সামর্থ্যের বাইরে থাকে তাহলে বেশ সতর্কতার সাথেই বিশ্ববিদ্যালয় পছন্দ করতে হবে। ‼️ এক্ষেত্রেও প্রাধান্য দিতে হবে সর্বপ্রথম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউজিসি অনুমোদন কি পর্যায়ে আছে, কোন লাল বা কালো তালিকাভুক্ত আছে কি না, কিংবা কোন বিশেষ নিষেধাজ্ঞা আছে কি না। এগুলো ইউজিসি ওয়েবসাইট থেকে অবশ্যই যাচাই করে নিতে হবে। ইউজিসি ওয়েবসাইটেই হালনাগাদ তথ্য দেয়া থাকে। এভাবে যাচাই করা হলে খোঁজ নিতে হবে শিক্ষা কার্যক্রম কেমন, কতটুকু ল্যাব সুবিধা আছে, অন্যান্য প্রয়োজনীয় সুবিধাগুলো কতটুকু দিচ্ছে, শিক্ষক শিক্ষার্থী অনুপাত, কতজন পার্মানেন্ট অধ্যাপক বা সহঃঅধ্যাপক আছেন, শিক্ষার্থী যারা পাশ করেছে বা বর্তমানে অধ্যায়ন করছে তাদের মতামত ইত্যাদি। নেক্সট যেটা অবশ্যই দেখতে হবে তা হলো, বিশ্ববিদ্যালয় টি স্থাপিত হবার কত বছর পার হয়েছে, পার্মানেন্ট ক্যাম্পাসের যায়গা আছে কি না বা কার্যক্রম শুরু করেছে কি না। যাদের যায়গা আছে এবং কার্যক্রম শুরু করেছে তাদেরকে প্রাধান্য দিতে হবে। সর্বশেষ, শুধুমাত্র সহজে সার্টিফিকেট প্রাপ্তির আশায় অল্প টাকায় পড়ার জন্য এমন কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া যাবেনা যা তোমার ভবিষ্যৎ কে অন্ধকারে ঠেলে দিবে কিংবা ভবিষ্যৎ উন্নয়নের সম্ভাবনা সংকুচিত করবে। মনে রাখতে হবে নুন্যতম গুনগত শিক্ষার মান ব্যাতিত কিংবা চটকদার বিজ্ঞাপন দেখে কালো তালিকা ভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হলে তা সাময়িক প্রশান্তির হলেও হুট করে যখন বিশ্ববিদ্যালয় টি নিষেধাজ্ঞায় পড়বে কিংবা অন্যান্য সমস্যা দেখা দিবে তখন তোমার ক্যারিয়ার নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়তে হবে। উচ্চতর শিক্ষার মাঝপথে এসে শিক্ষা-কার্যক্রম ব্যাহত হবে এবং মানহীন সার্টিফিকেট এর সাথে মানহীন শিক্ষা তোমাকে আজীবন ভোগাবে। তাই, জেনে বুঝে যাচাই-বাছাই করে তবেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে আমার জীবনের মুল্যবান সময় ও কষ্টার্জিত অর্থ আমি কোথায় ব্যয় করবো। তা কি আমাকে সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়তে সহায়তা করবে ও বর্তমান বিশ্বের উপযোগী শিক্ষা গ্রহণে সহায়তা করবে নাকি ক্ষনিকের ভুল সিদ্ধান্তে আমার ভবিষ্যৎ ক্ষতিগ্রস্ত করবে! সকলের জন্য শুভকামনা ❤️ #PUSAB #privateuniversitystudentsallainceofbangladesh #PUSABAdmissionGuideline

photo content

'অপরাজিতা ২৪': অদম্য নারী শক্তি রক্তাক্ত জুলাইয়ের সেই উত্তাল দিনগুলো... চারদিকে বুলেটের গর্জন, টিয়ারশেলের ঝাঁঝালো ধোঁয়া আর বারুদের গন্ধ। যখন চারপাশ ছেয়ে গিয়েছিল তীব্র আতঙ্কে, ঠিক তখনই ভয়ের দেওয়াল ভেঙে রাজপথে গর্জে উঠেছিল অদম্য নারী শক্তি! আমাদের নারীরা ঘরে বসে থাকেননি। জুলাই গণঅভ্যুত্থান ও মুক্তির মিছিলে তাঁরা তাঁদের ভাই ও সহযোদ্ধাদের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে নেমে এসেছিলেন তপ্ত রাস্তায়। ব্যারিকেড ভেঙে, রক্তচক্ষুকে উপেক্ষা করে, আকাশ-বাতাস কাঁপিয়ে রাজপথে উত্তাল স্লোগান দিয়েছিলেন "আমার ভাই মরলো কেন? জবাব চাই, জবাব চাই!" নিজের রক্ত, সর্বোচ্চ ত্যাগ আর ইস্পাতকঠিন সাহসের বিনিময়ে তাঁরা ছিনিয়ে এনেছেন নতুন এক সূর্য। রাজপথ কাঁপানো সেই অদম্য নারী শক্তিকে বিনম্র শ্রদ্ধা ও সম্মাননা জানাতে Private University Students Alliance Bangladesh (PUSAB) নিয়ে আসছে বিশেষ সম্মাননা আয়োজন ‘অপরাজিতা ২৪’। এটি কেবল কোনো অনুষ্ঠান নয়; এটি শৃঙ্খল ভাঙা সেইসব অপরাজিতাদের জয়গান, যাঁরা ভয়ের বুক চিরে আমাদের দেখিয়েছেন মুক্তির আলো। জুলাইয়ের রক্তিম অধ্যায়ে নারীদের বীরত্ব, তাঁদের অপ্রকাশিত গল্প আর অকুতোভয় আত্মত্যাগের মহাকাব্য উন্মোচিত হতে যাচ্ছে আগামী ৩১ আগস্ট, ২০২৬ তারিখে।ইতিহাস গড়া সেই অপরাজিতাদের সম্মান জানাতে এবং তাঁদের সাহসের গল্প শুনতে চলে আসুন আমাদের আয়োজনে। তারিখ: ৩১ আগস্ট, ২০২৬ ভেন্যু: আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট আয়োজক: Private University Students Alliance Bangladesh (PUSAB) #অপরাজিতা_২৪ #HerVoicesHerStories #অদম্য_নারী_শক্তি #জুলাই_গণঅভ্যুত্থান #PUSAB #অপরাজিতা২৪'

৩০ জুলাই, ২০২৪ জুলাই গনঅভ্যুত্থানের অত্যন্ত দ্বিধান্বিত সময়, লাশের সারি দেখতে দেখতে পুরো দেশ যখন ভারি হয়ে উঠছিলো! অধ্যাপক খান
+1
৩০ জুলাই, ২০২৪ জুলাই গনঅভ্যুত্থানের অত্যন্ত দ্বিধান্বিত সময়, লাশের সারি দেখতে দেখতে পুরো দেশ যখন ভারি হয়ে উঠছিলো! অধ্যাপক খান হঠাৎই সামনে এলেন, হুংকার ছুড়ে বললেন, "যে সরকার নিজেরাই খুনী তাদের কাছে কিভাবে খুনের বিচার চাইবো? তাদেরকেও নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়ে পদত্যাগ করতে হবে" সেদিন তার সে স্পষ্টভাষী কথায় সারাদেশের মানুষ নতুন করে উজ্জীবিত হয়েছিলো। অনেকে মজা করেই বলেন, অধ্যাপক সলিমুল্লাহ খান জীবনে প্রথমবারের মতো এত সহজ করে, সাবলীল ভাবে এবং অত্যন্ত কঠোরতার সাথে সেদিন কথা বলেছিলো। এ মানুষটার আজ (১৮ আগষ্ট) ৬৮ তম জন্মদিন। আমাদের পক্ষ থেকে আপনার জন্য নিরন্তর শ্রদ্ধা স্যার, আপনার বুদ্ধিবৃত্তিক লড়াইকে আমরা আজীবন শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করবো। #PUSAB

ট্রাম্প ইরানে পারমাণবিক হামলা চালানোর পরিকল্পনা করছে! ট্রাম্পের এক সময়কার খুব কাছের বন্ধু এবং সাবেক কংগ্রেস সদস্য মারজারি টেলর গ্রিন ঘণ্টা কয়েক আগে টুইট করে লিখেছেন - They are discussing the use of nuclear weapons against Iran in strategy meetings. ( তারা কৌশলগত বৈঠকে ইরানের বিরুদ্ধে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের বিষয়ে আলোচনা করছে।) এরপর সে লিখেছে - You read that correctly. It’s real. I am not speculating. I know, and it’s pure evil. ( আপনি ঠিকই পড়েছেন। এটা সত্যি। আমি অনুমান করে বলছি না। আমি জানি, আর এটা নিখাদ শয়তানি।) ওর টুইট পড়ে আমার প্রথমেই মনে হয়েছে - কেন পারমাণবিক হামলা চালানোর জন্য আলোচনা করতে হচ্ছে ট্রাম্পকে? উত্তরটা অবশ্য অ্যামেরিকান অধ্যাপক রবার্ট পেপ দিয়ে দিয়েছেন - Because Trump has no other weapon left (কারন ট্রাম্পের হাতে আর কোন অস্ত্র নাই।) মারজারি টেলর গ্রিনের টুইটের ঠিক পর পরই দেখছি ইরানের বিশ্লেষকরা নিজেদের কথা বলার ভঙ্গী চেঞ্জ করেছেন। আমি নিমা আল খোরসেইদের শো দেখছিলাম। সে কিছুক্ষণ আগে বলেছে - যুদ্ধের সময় ইরানের সরকার অনেকবার বলেছে, আমাদের কাছে সারপ্রাইজ আছে। এরপর সে নিজেই বলেছে - এই সারপ্রাইজটা কী হতে পারে? ইরানের মিসাইল অস্ট্রেলিয়ায় অ্যামেরিকান ঘাঁটিতে আঘাত করতে সক্ষম। যেটার দূরত্ব ১১ হাজার কিলোমিটার। আর ওয়াশিংটনের দূরত্ব ইরান থেকে কত? সে নিজেই উত্তর দিয়েছে - ১০ হাজার কিলোমিটারের একটু বেশি। এরপর সে ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা নিয়েও কথা বলেছে। পরিষ্কার করে বলেছে - কারও কি জানা আছে, ইরানের কাছে আদৌ পারমাণবিক অস্ত্র নেই? মজার তথ্য দিয়েছেন তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মারান্ডি। তিনি বলেছেন - অ্যামেরিকা ইরানে কয়টা পারমাণবিক অস্ত্র ব্যাবহার করবে? ইরান কত বড় দেশ ওদের জানা আছে? মাটির নিচে যে মিসাইল সিটিগুলো আছে। এর সংখ্যাই তো ৭০/৮০টার উপর হবে। এইসব কি পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করে শেষ করতে পারবে? আর সব শেষ প্রশ্নটা করছে ইরানি বিশ্লেষক নিমা। সে বলেছে - এরপর ইজরাইলকে রক্ষা করবে কে? আমি অবশ্য মারজারি টেলর গ্রিনের এই টুইট পড়ে আনন্দিত হয়েছি। এই টুইট স্রেফ একটাই বার্তা দিচ্ছে- অ্যামেরিকা এই যুদ্ধে তাঁদের সকল প্রকার অস্ত্র ব্যাবহার করেও পরাজিত হয়েছে। চিন্তা করে দেখেন- যারা ওদের কাছ থেকে বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র কেনে। তাঁরা কী ভবছে। এইসব অস্ত্রের কি আদৌ কোন মূল্য আর থাকবে? অ্যামেরিকার মিলিটারি ইন্ডাস্ট্রি কমপ্লেক্সের ভবিষ্যৎটা চিন্তা করেন শুধু। যারা সরকারগুলোকে ক্ষমতায় আনে। এদের ভবিষ্যৎ এখন অন্ধকার। কোন দেশ তো ওদের অস্ত্র কিনতে চাইবে না। পারমাণবিক অস্ত্র ট্রাম্প ব্যাবহার করবে, এমনটা আমার মনে হয় না। যদি করে; সেই দিনই অ্যামেরিকান সাম্রাজ্য সম্পূর্ণ ভাবে ভেঙে পড়বে। পৃথিবীর সকল দেশ তখন নিজেদের নিরাপত্তার জন্য পারমাণবিক অস্ত্র বানাতে চাইবে। এই টুইটের পর বরং ইরানের বিশ্লেষকদের কথা বলার ভঙ্গী দেখে একটা বিষয় পরিষ্কার হলো- ওদের কাছে আসলেই সারপ্রাইজ কিছু আছে। সরকার বলতে পারছে না। তাই বিশ্লেষকরা বলে দিচ্ছে। এক ইরানকেই ওরা হারাতে পারছে না। ওদের কনভেনশনাল অস্ত্র কোন কাজে আসছে না। লিখে রাখেন- এই যুদ্ধের পর অ্যামেরিকার অস্ত্র ব্যবসা লাটে উঠবে। - আমিনুল ইসলাম

মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আগারগাঁও চীন-মৈত্রী মাঠ সংলগ্ন সড়কে আজ রোববার (১৬ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত শিক্ষার্থী
মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আগারগাঁও চীন-মৈত্রী মাঠ সংলগ্ন সড়কে আজ রোববার (১৬ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত শিক্ষার্থীর নাম অলি নূর। তিনি ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ (আইইউবি) এর শিক্ষার্থী। অলি নূরের বন্ধু আরিফুর রহমান ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সকাল ১০টার দিকে অলি নূর মোটরসাইকেল চালিয়ে যাচ্ছিলেন। চীন-মৈত্রী মাঠ সংলগ্ন সড়কে একটি ব্যাটারিচালিত রিকশা তাকে অসাবধানতাবশত মোড় নিয়ে ধাক্কা দিলে তিনি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তায় ছিটকে পড়েন। সেই মুহূর্তেই পেছন থেকে আসা একটি দ্রুতগতির আইসক্রিম পরিবহনকারী ট্রাক নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে না পেরে অলি নূরের মাথার ওপর দিয়ে চলে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। আমরা অলি নূরের এই মর্মান্তিক মৃত্যুতে গভিরভাবে শোকাহত। অটোরিকশার এই বেপরোয়া গতির দৌরাত্ম্যে আর কত প্রাণ সড়কে ঝড়বে আমরা জানিনা! মহান আল্লাহ অলি নূরকে জান্নাতবাসী করে তার পরিবারকে এই শোক সামলে উঠবার তৌফিক দান করেন। #PUSAB

কলম্বিয়ায় গতকাল সন্ধ্যায় হয়ে যাওয়া এক বিভৎস ৭.৪ মাত্রার ভূমিকম্পের পর সৃষ্ট ক্ষয়ক্ষতি.. ঢাকায় ৭ মাত্রার উপরে ভূমিকম্পের জন্য আমরা কতটুকু প্রস্তুত? আল্লাহ ক্ষমা করুন.. আরো ভিডিও আসছে

𝐍𝐞𝐭𝐫𝐚 𝐍𝐞𝐰𝐬 𝐫𝐞𝐜𝐨𝐠𝐧𝐢𝐬𝐞 𝐏𝐔𝐒𝐀𝐁 𝐚𝐬 𝟑𝐫𝐝 𝐦𝐨𝐬𝐭 𝐈𝐧𝐟𝐥𝐮𝐞𝐧𝐜𝐢𝐚𝐥 𝐩𝐥𝐚𝐭𝐟𝐨𝐫𝐦 𝐢𝐧 𝟐𝟎𝟐𝟒
𝐍𝐞𝐭𝐫𝐚 𝐍𝐞𝐰𝐬 𝐫𝐞𝐜𝐨𝐠𝐧𝐢𝐬𝐞 𝐏𝐔𝐒𝐀𝐁 𝐚𝐬 𝟑𝐫𝐝 𝐦𝐨𝐬𝐭 𝐈𝐧𝐟𝐥𝐮𝐞𝐧𝐜𝐢𝐚𝐥 𝐩𝐥𝐚𝐭𝐟𝐨𝐫𝐦 𝐢𝐧 𝟐𝟎𝟐𝟒 In December 2024, Netra News recognise PUSAB as 3rd most Influencial platform among Ten Bangladeshi individuals and groups who have been the most influential in 2024. They said, these are the people who influenced the way in which the year would play out. It is a recognition of PUSAB's long time work as a tireless advocates for the rights and inclusion of private university students from 2015 to 2024. Receiving this honor from an outstanding news organization like Netra News will remain a source of inspiration for us to work responsibly for our future and to uphold our rights. https://netra.news/2024/bangladesh-in-2024-the-most-influential-ten/

আজ ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের জুলাই স্মরণে অনুষ্ঠান! অনুষ্ঠানের মধ্যমনি যারা ছিলেন: - ড. মুহাম্মদ ফরাশ উদ্দিন, পিএস টু শেখ ম
আজ ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের জুলাই স্মরণে অনুষ্ঠান! অনুষ্ঠানের মধ্যমনি যারা ছিলেন: - ড. মুহাম্মদ ফরাশ উদ্দিন, পিএস টু শেখ মুজিব ১৯৭৩-১৯৭৫, আওয়ামিলীগ এর মনোনয়ন সংগ্রহ ২০১৮ সাল, হবিগঞ্জ-৪ (চেয়ারম্যান, বোর্ড অফ ট্রাস্টিজ) - ড. শামস্ রহমান, সভাপতি অস্ট্রেলিয়া আওয়ামিলীগ, বিশেষজ্ঞ সদস্য, আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপকমিটি আওয়ামিলীগ। (ভাইস চ্যান্সেলর) - আরও উপস্থিত আছেন আওয়ামিলীগ কে লেজুড়বৃত্তিক চাটাচাটি করা কিছু প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও শিক্ষক। ❗আয়োজনে যারা নেই: আন্দোলনে নেতৃত্ব দেয়া কিংবা গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখা কোন শিক্ষার্থী / সমন্বয়ক।❗ গেটের সামনে সবাই দাঁড়িয়ে কিছু ছেলে মেয়েকে গান গাইতে বলে একটা দায়সারা আয়োজন করে তারা জুলাইকে ধারণ করিলেন। #PUSAB