ch
Feedback
PUSAB OFFICIAL

PUSAB OFFICIAL

前往频道在 Telegram

Offcial Telegram Channel Of Private University Students Aliance of Bangladesh - PUSAB facebook.com/com/PrivateUSAB

显示更多

📈 Telegram 频道 PUSAB OFFICIAL 的分析概览

频道 PUSAB OFFICIAL (@pusabofficial) 孟加拉语 语言赛道中的 是活跃参与者。目前社区聚集了 51 100 名订阅者,在 教育 类别中位列第 3 405,并在 孟加拉国 地区排名第 312

📊 受众指标与增长动态

невідомо 创建以来,项目保持高速增长,吸引了 51 100 名订阅者。

根据 31 七月, 2026 的最新数据,频道保持稳定运转。过去 30 天订阅人数变化为 -762,过去 24 小时变化为 -26,整体触达仍然可观。

  • 认证状态: 未认证
  • 互动率 (ER): 平均受众互动率为 11.54%。内容发布后 24 小时内通常能获得 5.18% 的反应,占订阅者总量。
  • 帖子覆盖: 每篇帖子平均可获得 5 901 次浏览,首日通常累积 2 647 次浏览。
  • 互动与反馈: 受众积极参与,单帖平均反应数为 58

📝 描述与内容策略

作者将该频道定位为表达主观观点的平台:
Offcial Telegram Channel Of Private University Students Aliance of Bangladesh - PUSAB facebook.com/com/PrivateUSAB

凭借高频更新(最新数据采集于 01 八月, 2026),频道始终保持新鲜度与高覆盖。分析显示受众积极互动,使其成为 教育 类别中的关键影响点。

51 100
订阅者
-2624 小时
-1767
-76230
帖子存档
"এ শহর প্রত্যেকদিন বেঁচে বাসায় ফেরাই বরং অবাক বিষয়" অভাবের সংসারে কিছু অর্থ বাঁচাতে ঢাকার অনেক নিম্ন আয়ের মানুষ ভরসা করেন টিস
"এ শহর প্রত্যেকদিন বেঁচে বাসায় ফেরাই বরং অবাক বিষয়" অভাবের সংসারে কিছু অর্থ বাঁচাতে ঢাকার অনেক নিম্ন আয়ের মানুষ ভরসা করেন টিসিবির পণ্যের ওপর। তাদেরই একজন ছিলেন পরিচ্ছন্নতাকর্মী নাসিমা বেগম। আজ মঙ্গলবার দুপুরে খাবারের বিরতির এক ঘণ্টা সময় কাজে লাগাতে না খেয়েই টিসিবির পণ্য কেনার লাইনে দাঁড়িয়েছিলেন তিনি। কিন্তু কম দামের চাল তখনও হাতে আসেনি নাসিমার। তার আগেই মিরপুর বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের দেয়াল ধসে চাপা পড়ে মারা যান তিনি।

+880 1713-048390 Universal Medical Hospital, Mohakhali. 🚨 URGENT: O NEGATIVE (O-) BLOOD DONOR NEEDED A young child is currently in critical condition in the ICU fighting severe pneumonia and sepsis, and urgently requires O Negative (O-) blood. . কারো ও নেগেটিভ ব্লাড থাকলে জরুরি ভিত্তিতে এই নাম্বারে যোগাযোগ করুন।

হ্যালো আওয়ামিলীগ, কেমন বোধ করছো আজ দুই বছর পর?? কমেন্টে উত্তর দিও। রাজনৈতিক ট্যাগিং দিয়ে, গুজব ছড়িয়ে, গু"ম করে জীবন বিপন্ন কর
হ্যালো আওয়ামিলীগ, কেমন বোধ করছো আজ দুই বছর পর?? কমেন্টে উত্তর দিও। রাজনৈতিক ট্যাগিং দিয়ে, গুজব ছড়িয়ে, গু"ম করে জীবন বিপন্ন করেও তো থামাইতে পারোনাই আমাদের! মনে রেখো, আমরা বিজয়ী, তোমরা পরাজিত। মনে রেখো, তোমাদের পরাজয় কোন প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক দলের কাছে হয়নাই। তোমাদের পরাজয় হয়েছে দেশের আপামর সাধারণ মানুষের কাছে। আমরা কারা? আমরা তারা যারা রাজনীতি করি না কিন্তু অন্যায়ের বিরুদ্ধে ছেড়ে কথা বলি না। তাই আমাদের থামানো যায় না। ২৬ জুলাই, ২০২৪। সেদিন তাদের সবগুলো প্লাটফর্ম, সবগুলো গ্রুপে এক যোগে শত শত পোস্ট হয়েছে আমাদের নিয়ে। একই সাথে ডিবিসি ও সময় নিউজ থেকে নিউজ করেছে তারা। এই ঘটনার পর পর হাসিনার সকল বাহিনী সর্বশক্তি প্রয়োগ করেছে আমাদের খুঁযে বের করতে। একের পর এক শিক্ষার্থীদের তুলে নিয়ে গিয়েছে CTTC ও ডিবি আমাদের আইডেন্টিফাই করতে। অতঃপর ২৮ জুলাই তারা সফল হয়েছে আমাদের প্রতিষ্ঠাকালীন ও স্থায়ী কমিটির একজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য কে মধ্য রাতে তার বাসা থেকে তুলে নিতে। তাকে গুম করে রেখেছিলো ৩ দিন, ৩ দিন পর ডিবি অফিসে আমরা তার অবস্থান জানতে সক্ষম হই। যে যত ষড়যন্ত্র ই করেন, জুলাইতে পুসাবের অবদান মুছে ফেলা যাবে না। #PUSAB

পশ্চিম তীরে ইসরায়েল ইতিহাসের সবচেয়ে বড় আগ্রাসন চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। আর এর পেছনে আছে শহিদ শেখ ফারুক রমাদানের প্রতিরোধের গল্প। শেখ ফারুক রমাদান ছিলেন পশ্চিম তীরের নাবলুস শহরের দক্ষিণ পশ্চিমে অবস্থিত তেল গ্রামের বাসিন্দা। গতকাল ইসরায়েলি সেটলাররা তাদের বাড়িতে আক্রমণ করে। এটা নতুন কোনো ঘটনা না। গত কয়েক বছর ধরে আমাদের নিউজ ফীডে শুধু গাযার গণহত্যাই এসেছে। কিন্তু এর আড়ালে ইসরায়েলি সেটটলাররা অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে অনেক বেশি হারে পশ্চিম তীরের গ্রামগুলোতে আক্রমণ চালিয়ে গেছে, বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ করে গেছে। তাদের আক্রমণে এই কয়েক বছরে পশ্চিম তীরে হাজার দশেক মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে, শতাধিক মহল্লা পুরোপুরি জনশূন্য হয়ে পড়েছে, এবং কয়েকশত ফিলিস্তিনি শহিদ হয়েছে। গতকালের আক্রমণটা ছিল এরই ধারাবাহিকতা। সেটলার সন্ত্রাসীরা ফারুক রমাদানের ভাই এবং কাজিনদের উপর আক্রমণ করে, তাদেরকে রাইফেলের বাট দিয়ে প্রহার করে, আর পাশ থেকে ইসরায়েলি সৈন্যরা দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে সেটলারদেরকে পাহারা দেয়। শেখ ফারুক রমাদান প্রথমে নিজের ভাইকে রক্ষা করার জন্য এগিয়ে যান। ভাইয়ের মাথায় যখন একজন রাইফেল দিয়ে আঘাত করে, তখন ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে তিনি রাইফেলটা কেড়ে নেন। এরপর আত্মরক্ষার্থে গুলি চালালে দুই সেটলার সন্ত্রাসী নিহত হয়। এরপরেই তাদের উপর সেটলারদের এবং সেই সাথে ইসরায়েলি সৈন্যদের গুলি বর্ষণ শুরু হয়। তাদের আক্রমণে শেখ ফারুক রমাদানসহ মোট চারজন শহিদ হয় এবং আরও তিনজন গুরুতর আহত হয়। কিন্তু এখানেই শেষ না। ঐ ঘটনার পর ইসরায়েলি সেনাবাহিনী এবং সেটলাররা পশ্চিম তীরের বিভিন্ন গ্রামে ব্যাপক অভিযান এবং আক্রমণ শুরু করেছে। তারা বিভিন্ন এলাকায় ফিলিস্তিনিদের বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ করছে, ফিলিস্তিনিদের জয়তুন গাছগুলো বুলডোজার দিয়ে উপড়ে ফেলছে। ধারণা করা হচ্ছে, এই স্কেলের অভিযান এর আগে পশ্চিম তীরে কখনো চালানো হয়নি। ইসরায়েল বেসিক্যালি পশ্চিম তীরকেও আরেকটা গাযায় পরিণত করতে চাচ্ছে। এই অভিযানের মাত্রা এতই ব্যাপক এবং এর প্রকৃতি এতই মানবতাবিরোধী যে, জাতিসংঘের বিশেষ প্রতিনিধি ফ্রান্সেস্কা আলবানিজ এবং ইসরায়েলি মানবাধিকার সংস্থা বেইত সালেম উভয়েই একে "পোগ্রম" বা সংখ্যালঘু নিধন কর্মসূচি হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন এবং এটা থামানোর জন্য বিশ্বকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন।

photo content

🚨 URGENT: AB+ BLOOD NEEDED 🚨Hospital: Monowara Hospital, Shiddeshwari Road Amount: 2 Bags Reason: Delivery Patient (Operation) When: Probable dates (26th-28th July) Contact: Maruf Hossain 01725854594 (Patient's Brother)

একটানা প্রায় ১ মাসের চলমান আন্দোলনের প্রেক্ষিতে পদত্যাগ করেছেন ভারতীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান, যন্তর-মন্তরে শিক্ষার্থীদের আনন্দোচ্ছ্বাস।

Actress "Ayesha Khan" was arrested yesterday for supporting neet aspirants in india. Listen to the statement.

AB+ Blood Needed ৩ মাসের বাচ্চার ওপেন হার্ট সার্জারীর জন্য ৪ ব্যাগ AB+ Blood লাগবে। Location - Bangladesh Heart foundation যোগাযোগ - 01886988496 বাচ্চাটাকে বাচাতে সহযোগীতার হাত বাড়ানোর অনুরোধ

রক্তের গ্রুপ B+ যোগাযোগ- মুগ্ধ মোবাইল : +8801916876215 ইউনাইটেড হাসপাতাল, ঢাকা। শনিবার ৬ ব্যাগ রক্ত লাগবে। রোগীর বাইপাস সার্জারি হবে।

ছাত্রদের পক্ষে দাঁড়ানোয় মোদির বাসভবনের সামনে থেকে গ্রেপ্তার হয়েছেন রাহুল গান্ধী। ভারতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপরে দমন পীড়ন চালানোর দায়ে প্রধানমন্ত্রী মোদির বাসভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচীতে উপস্থিত হয়েছিলেন দেশটির প্রধান বিরোধীদল ভারতীয় কংগ্রেসের জৈষ্ঠ নেতারা। সেখান থেকে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীকে মাটিতে ফেলে এভাবেই গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায় ভারতীয় পুলিশ।

ভারতের আন্দোলনের গুরুত্বপূর্ণ টার্নিং পয়েন্ট আজ। এই আন্দোলন সোনম ওয়াংচুক বা ককরোচ জনতা পার্টির একক সিদ্ধান্তে আর ন্যাস্ত আছে বলে মনে হচ্ছেনা। ইতিমধ্যে অভিজিৎ আন্দোলন কন্টিনিউ করবে না বলে ঘোষণা দিলেও তা রীতিমতো অবজ্ঞা করেই মানুষ নিজেদের মত করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে নিজেদের গতিপথ ঠিক করে নিচ্ছে। রাত গভীর হলেও যন্তরমন্তরে মানুষের ঢল থামছে না। জায়গা না পেয়ে অনেকে আশপাশের এলাকায় বসেই সংহতি জানাচ্ছেন। রাজধানীর বাইরে থেকেও মানুষ নানাভাবে যুক্ত হচ্ছেন এই প্রতিবাদের সঙ্গে। শীখদের ইনক্লুশনের একটা কন্টেন্ট রীতিমতো সোশাল দুনিয়ায় ভাইরাল হয়েছে এবং ভারতের বিভিন্ন প্রদেশেও আন্দোলনের দাবানল ক্রমান্বয়ে বেড়ে চলছে। আজকের এই গুরুত্বপূর্ণ টার্নিং পয়েন্টের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি কম্পোনেন্ট এর একটি হলো রাহুল গান্ধী, প্রিয়ঙ্কা গান্ধীর হেনস্তা এবং গ্রেপ্তার। এই ভুল সিদ্ধান্তে আরো বেশি আগুন ঢেলেছে আরএসএস এর সরব এবং সশস্ত্র উপস্থিতি এবং পুলিশের সাথে যুক্ত হয়ে আন্দোলনকারীদের উপর নির্বিচারে হামলা। সরকারপন্থী প্রচারণা কিংবা গণমাধ্যমের তৈরি বয়ানের বাইরে গিয়ে আন্দোলনটি এখন নিজের গতিতে এগোচ্ছে। ফলে এটিকে আর কোনো এক ব্যক্তি বা সংগঠনের কর্মসূচি বলে সীমাবদ্ধ করা কঠিন তবে অবস্থা এটিই জানান দিচ্ছে যে এটি ধীরে ধীরে একটি স্বতঃস্ফূর্ত গণঅভিব্যক্তিতে পরিণত হবে। প্রতিটি দেশের রাজনৈতিক বাস্তবতা আলাদা। তাই ভারতের এই পরিস্থিতির সঙ্গে বাংলাদেশের বাস্তবতার সরাসরি তুলনা করার সুযোগ নেই। তবে ইতিহাস বারবার দেখিয়েছে যখন সাধারণ মানুষ নিজেরাই কোনো আন্দোলনের চালিকাশক্তি হয়ে ওঠে, তখন সেই শক্তিকে সহজে আটকে রাখা যায় না। দেখা যাক কোথায় গিয়ে ঠেকে আন্দোলন। - তাহসিন রিয়াজ

ভারতীয় শিক্ষার্থীদের ন্যায্য দাবিতে মুখ খোলা শুরু করেছে শোবিজ তারকারা

পুলিশি বাঁধা সত্ত্বেও জনসমুদ্রে পরিণত হয়েছিলো ককরোচ জনতা পার্টির পদযাত্রা

আজ ভারতের স্যাটায়ার পার্টি ককরোচ জনতা পার্টি পেপার লিক এর দায়ে ভারতীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে ভারত
+5
আজ ভারতের স্যাটায়ার পার্টি ককরোচ জনতা পার্টি পেপার লিক এর দায়ে ভারতীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে ভারতীয় পার্লামেন্ট অভিমুখে পদযাত্রা করা। কিন্তু পথেই শান্তিপূর্ণ পদযাত্রায় হামলা করে দিল্লি পুলিশ।

বলছিলাম না ,ইরান প্রথমে মাইর খায়! দেয় শেষে!! ৭ দিন টানা মাইর খাওয়ার পর গতদিন আর আজকে সাকসেসফুলি মাইর দিছে। মধ্যপ্রাচ্যের প্রায় সবকয়টা দেশের অ্যামেরিকান ঘাঁটিতে আক্রমণ করছে। শুধু ঘাটিতে না! যেখানে বসে অ্যামেরিকার সৈন্য, ইন্টেলিজেন্স ফোর্স প্ল্যান করে করে ইরানে হামলা করে সেখানে টার্গেট করে হামলা চালাচ্ছে। জর্ডানে একটা ভয়ংকর হামলা করছে। IRGC বলতেছে ,৫-৭ টা লক্ষবস্তুতে সরাসরি আঘাত করছে। বহু অ্যামেরিকান সৈন্য মারা গেছে আর অ্যামেরিকার অত্যাধুনিক সামরিক বিমান ধ্বংস হইছে কিন্তু অ্যামেরিকা তথ্য গোপন করতে চাইছে। বলতেছে ,মাত্র ৪ জন সৈন্য মারা গেছে! কুয়েতে হামলা করছে, একটা অ্যাকাডেমিক সোসাইটি সেন্টারেও। কারণ এই সেন্টারটা ব্যবহার করতো মূলত অ্যামেরিকার সিকরেড বেইজ হিসেবে। সৌদির দুইটা পয়েন্টে আক্রমণ করছে। ঠিক তখনি যখন পাকিস্তান ইরানরে সিস্টেমে হুমকি দিছে যদি তোমরা সৌদিতে আক্রমণ করো তাহলে পাকিস্তান ইরানে আক্রমণ করতে বাধ্য হবে। কারণ সৌদি পাকিস্তান একটা সামরিক ডিল করছিলো যদি পাকিস্তান কিংবা সৌদিতে কেউ আক্রমণ করে তাহলে একই দেশের আক্রমণ হিসেবে গণ্য হবে। তবে পাকিস্তানের হুমকির জবাব গতদিন ইরান সৌদির ভিতরে সৌদির সম্পদে আক্রমণ করে পাল্টা জবাব দিছে। ইরান বাহরাইনে একটা AI ল্যাবে আক্রমণ করে পুরোপুরি ধ্বংস করে দিছে। নতুন করে সিরিয়াতে আক্রমণ করছে। যেখানে U*S ,Is**rael এর ইন্টেলিজেন্সরা ব্যবহার করতো। কুয়েত, কাতার, দুবাই, ইরাক ,সিরিয়াতেও আক্রমণ করছে। তবে একটা ভয়ংকর বাস্তবতা হলো ইরান এখন আর আগের মতো ডিফেন্সিভ মোডে নাই। তারা পুরোপুরি অফেনসিভ মোডে ফুলস্কেলে যুদ্ধ শুরু করার প্ল্যানে আছে। সেইম অ্যামেরিকার স্টাইলে যুদ্ধ শুরু করবে, যেখানে লক্ষবস্তু হতে পারে ,এয়াপোর্ট, ওয়েল রিফাইনারি ,পানি শোধনাগার, ব্রিজ, রাস্তা, বড় বড় স্থাপনা ইত্যাদি। ইরানের দাবি, অ্যামেরিকা পুরো মধ্যপ্রাচ্যের ভূমি আর আরব শাসকদের সমর্থন ব্যবহার করেই ইরানে ভয়ংকর হামলা চালাচ্ছে। এবার এরান তাদের উচিত শিক্ষা দিতে ওমান বাদে পুরো মধ্যপ্রাচ্যেকে ২০-৩০ বছর পিছিয়ে ফেলার মিশনে আছে। যদি ইরান ফুলস্কেলে যুদ্ধ শুরু করে তাহলে হয়তো পুরো পৃথিবী বিপদে পড়বে তবে সবচেয়ে বেশি বিপদে পড়বো আমরা। এমুহূর্তে আমাদের করনীয় ,মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত ভাইদের সেইফে থাকতে হবে। বিশেষ করে আপনারা অ্যামেরিকার ঘাঁটির আশেপাশে যায়েন না। অযথা ঘোরাফেরা করিয়েন না। কারণ ইরান অলরেডি ঘোষণা দিছে, জর্ডান, দুবাই,কতার ,বাহরাইনের সাধারণ মানুষ যেন সাবধানে থাকে ,নিরাপদে থাকে। ঐ দেশে থেকে ইরানের পক্ষ নিয়ে কিছু বলারও প্রয়োজন মনে করি না। আর বাংলাদেশ সরকারকেও পূর্ব পরিকল্পনা নিতে হবে। জ্বালানি সমস্যায় পড়ার চান্স অনেকটা বেশি। যদি ফুলস্কেলে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ে তাহলে নিশ্চিত থাকেন মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত প্রায় ৬০ লাখ প্রবাসীরা ঝাঁকে ঝাঁকে দেশে ফিরতে পারে অনেকে কর্মসংস্থান হারাতে পারে। তবে প্রবাসী ভাইদের জন্য আমাদের দোয়া রইলো, মজলুমদের বিজয় হোক, পৃথিবী শান্ত হোক, যুদ্ধ ,প্রাণহানি বন্ধ হোক!!!! - আনিসুর রহমান

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের ঘনিষ্ঠ একজন প্রাক্তন মার্কিন বিমান বাহিনীর পাইলট বলেছেন, চিকিৎসা সংক্রান্ত জরুরি বিমানগুলোতে থাকা আরও অন্তত তিন থেকে পাঁচজন সৈন্য "সম্ভবত বাঁচবেন না।" এছাড়াও আরও ১৫ জন সৈন্য রয়েছেন।

🇺🇸🇮🇷🇯🇴⚡️- ব্রেকিং: মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড ঘোষণা করেছে যে, জর্ডানে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা প্রতিহত করতে গিয়ে দুই মার্কিন সেনা সদস্য নিহত হয়েছেন।

আপনারা যারা বাংলাদেশি ভাগাড় মিডিয়া পড়ে ভাবছেন- অ্যামেরিকা ইরানকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। আর ইরান বসে বসে দেখছে। তাঁদের জন্য বলছি - কিছুক্ষণ আগে সিএনএন সহ প্রায় সকল আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম ব্রেকিং নিউজ করেছে - Two US service members killed in Jordan and another missing in action (জর্ডানে দুই মার্কিন সেনাসদস্য নিহত, আরেকজন যুদ্ধে নিখোঁজ) এবং এই খবর অ্যামেরিকার সেন্টকমই জানিয়েছে। তবে একটু আগেই তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মারান্ডি জানিয়েছেন - ইরানের কাছে সংবাদ আছে, শুধু জর্ডানে না, কুয়েত, সিরিয়া এবং বাহরাইনে শতাধিক অ্যামেরিকান সৈন্য নিহত হয়েছে। অ্যামেরিকা সেই সংবাদ দিচ্ছে না। আপনাদের জানিয়ে রাখি ইরান আজ ঘোষণা করেছে - আর যদি কোন ব্রিজ কিংবা রেল লাইনে আঘাত করা হয়। দুবাই এবং আবুধাবি এয়ারপোর্টের অস্তিত্ব থাকবে না। ইরানের মিসাইল এবং ড্রোনগুলো অ্যামেরিকার ঘাঁটিগুলোই কেবল এতদিন ধ্বংস করেছে। এখন সাম্রাজ্যবাদী অ্যামেরিকার দাস আরবদের তেল, গ্যাস এবং ওয়াটার প্লান্টও ইরানের আওাতায় চলে এসেছে। আজ আর বড় বিশ্লেষণে যাচ্ছি না। বাংলাদেশিরা অত্যন্ত অকৃতজ্ঞ জাতি। আমি আমার বিদেশি শিক্ষার্থীদেরই ভূ-রাজনীতি পড়াবো। আপনাদের জন্য বিশ্লেষণ করার ইচ্ছা বা রুচি আমার আর নেই। তবুও লিখছি- কারন আমি আমার পাঠকদের ভালোবাসি। যে কারনে বর্তমান যুদ্ধ চলছে- অ্যামেরিকা মূলত ইরানে স্থল অভিযান চালাতে চাইছে এবং হরমুজ দখলে নিতে চাইছে। এই জন্য হরমুজের আশপাশের অঞ্চলগুলোতে প্রতিদিন আঘাত করছে এবং ওই অঞ্চলগুলোর সাথে তেহরানকে বিচ্ছিন্ন করার চেষ্টা করছে। কিন্তু হচ্ছে হিতে বিপরীত! মূলত অ্যামেরিকা কুয়েত এবং বাহরাইন দিয়ে হরমুজে ঢুকতে চাইছে (মানে যুদ্ধ সরঞ্জাম সব এই দুই দেশে জড় করেছে।) তাই ইরান গত ছয় দিন এই দুই দেশে অবস্থিত অ্যামেরিকার ঘাঁটিগুলো ধ্বংস করে দিয়ে এখন জর্ডানে থাকা অ্যামেরিকার ঘাঁটি ধ্বংসের পথে আছে। অ্যামেরিকান অধ্যাপক মেইর শেইমার আজ বলেছেন - হরমুজেই সাম্রাজ্যবাদী অ্যামেরিকা এবং ট্রাম্পের পতন হবে। - আমিনুল ইসলাম

"১৮ জুলাই বীর চট্টলা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিরোধ দিবস" এই দিনের প্রতিরোধের গল্প টা শুধু ঢাকার নয়। সারা দেশের। তেমনই তীব্র প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলো চট্টগ্রামের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। Music Rights: Shono Mohajon by Shunno #PUSAB #privateuniversityresistanceday