en
Feedback
Abdullah bin bashir

Abdullah bin bashir

Open in Telegram

প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Show more

📈 Analytical overview of Telegram channel Abdullah bin bashir

Channel Abdullah bin bashir (@abdullahbinbashir) in the Bengali language segment is an active participant. Currently, the community unites 11 299 subscribers, ranking 8 134 in the Religion & Spirituality category and 2 025 in the Bangladesh region.

📊 Audience metrics and dynamics

Since its creation on невідомо, the project has demonstrated rapid growth, gathering an audience of 11 299 subscribers.

According to the latest data from 24 June, 2026, the channel demonstrates stable activity. Although there has been a change in the number of participants by 81 over the last 30 days and by 4 over the last 24 hours, overall reach remains high.

  • Verification status: Not verified
  • Engagement rate (ER): The average audience engagement rate is 19.46%. Within the first 24 hours after publication, content typically collects 8.31% reactions from the total number of subscribers.
  • Post reach: On average, each post receives 2 199 views. Within the first day, a publication typically gains 939 views.
  • Reactions and interaction: The audience actively supports content: the average number of reactions per post is 48.

📝 Description and content policy

The author describes the resource as a platform for expressing subjective opinions:
প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Thanks to the high frequency of updates (latest data received on 25 June, 2026), the channel maintains relevance and a high level of publication reach. Analytics show that the audience actively interacts with content, making it an important point of influence in the Religion & Spirituality category.

11 299
Subscribers
+424 hours
+317 days
+8130 days
Posts Archive
মাওলানা রফিকুল ইসলাম (মাদানী) ‘ঈমান আনার পর জি হা দ সর্বশ্রেষ্ঠ আমল’ এই কথা বলে যা বলেছেন তা তার উপস্থাপনাগত সমস্যা হলেও এটা মোটাদাগে তেমন কিছু না। কিন্তু এতটুকু বলার কারণে মাওলানা আফফান ভাই রফিকুল ইসলামের ব্যাপারে যেভাবে টোকাই শব্দসহ আরো বিশ্রীকিছু বস্তির শব্দ ব্যবহার করেছেন তা দেখে শুধু অবাকই হয়নি। অনেক্ষণ বিশ্বাসও হয়নি। যদি এটা বলার কারণে রফিকুল ইসলামকে টোকাই বলতে হয় তাহলে ইবনে তাইমিয়াকেও টোকাই বলতে হবে। আব্দুল্লাহ আজ্জমকেও টোকাই বলতে হবে, আব্দুল্লাহ আজ্জমের ফতোয়ায় সাইন করা অসংখ্য আলেমকে টোকাই বলতে হবে। আফফান ভাইয়ের উচিত রফিকুল ইসলামের কাছে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়া এমন বিশ্রী ও নিম্নজাতীর শব্দ চয়নের কারণে।

ইরানের সাবেক প্রেসিডেন্ট আহমাদ নিজাদের সরল স্বীকারোক্তি, “আমরা আমেরিকাকে ইরাক ও আফগানিস্তানে সাহায্য করেছি”। জামাতের ভাইরা কী
ইরানের সাবেক প্রেসিডেন্ট আহমাদ নিজাদের সরল স্বীকারোক্তি, “আমরা আমেরিকাকে ইরাক ও আফগানিস্তানে সাহায্য করেছি”। জামাতের ভাইরা কী এখনো বিশ্বাস করবেন, ইরান আর আমেরিকা শত্রু রাষ্ট্র? ইরান আর ইজরাইল শত্রু রাষ্ট্র? আর কত অন্ধের মত দৌড়াবেন?!

Repost from Al Firdaws
ইমারতে ইসলামিয়া আফগানিস্তানের সর্বোচ্চ নেতা আমিরুল মুমিনিন হিবাতুল্লাহ আখুন্দজাদা হাফিযাহুল্লাহ দেশটিতে ভবন নির্মাণ এবং প্রতি
ইমারতে ইসলামিয়া আফগানিস্তানের সর্বোচ্চ নেতা আমিরুল মুমিনিন হিবাতুল্লাহ আখুন্দজাদা হাফিযাহুল্লাহ দেশটিতে ভবন নির্মাণ এবং প্রতিবেশীর দিকে জানালা রাখার বিষয়ে পাঁচ দফার একটি নির্দেশনা জারি করেছেন। এই আদেশ অনুযায়ী, যদি কেউ তার মালিকানাধীন জমিতে বা রাস্তার পাশের কোনো জায়গায় ভবন নির্মাণ করেন, তবে তাকে প্রতিবেশীর দিকে এমন কোনো জানালা স্থাপন করতে নিষেধ করা হয়েছে, যার মাধ্যমে প্রতিবেশীর ঘর দেখা যাবে। এছাড়াও, যারা পূর্বেই প্রতিবেশীর দিকে জানালা রেখেছেন, তাদেরকে মানব উচ্চতার সমান একটি দেয়াল বা অন্য কোনো উপায় অবলম্বন করে প্রতিবেশীর ক্ষতি দূর করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ২৯ ডিসেম্বর, আফগান গণমাধ্যম হুররিয়াত রেডিও-এ প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানানো হয়, আমিরুল মুমিনিন কর্তৃক জারিকৃত এই নির্দেশনাটি আফগানিস্তানের পৌরসভা ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে দেওয়া হয়েছে। নির্দেশনায় বলা হয়েছে যে, প্রশাসন ভবন নির্মাণ প্রকল্পের উপর নজরদারি করবে এবং আদেশের লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

শায়খ আব্দুল্লাহ আজ্জাম রহিমাহুল্লাহ বসে বসে জিহাদের আলোচনা করতে অপছন্দ করতেন। কারণ হিসেবে তিনি বলতেন, বড় দোষনীয় বিষয় হলো আমরা জিহাদ নিয়ে কথা বলি নরম আসনে বসে। সূত্র: শায়খ আব্দুল্লাহ আজ্জাম; উম্মাহের মহিরুহ পৃ. ৯৭, সিজদাহ পাবলিকেশন

এই কুলাঙ্গকার পাপীর নাম হলো শুজা আলি, যে "হুলা গণহত্যার" কসাই ছিলো। এর সাহস আর সকল বীরত্ব শুধু শুধুমাত্র মহিলা, শিশু এবং "নির
এই কুলাঙ্গকার পাপীর নাম হলো শুজা আলি, যে "হুলা গণহত্যার" কসাই ছিলো। এর সাহস আর সকল বীরত্ব শুধু শুধুমাত্র মহিলা, শিশু এবং "নিরস্ত্রদের" উপরই ছিলো। একবার এক ছোট্ট মেয়েকে সে জবাই করার জন্য প্রস্তুত করছিলো, তখন মেয়েটি কসাইকে বললো, ‘আঙ্কেল, আমার গলা ব্যথা করছে।' অথচ নিস্পাপ ছোট্ট শিশুটি বুঝতেই পারেনি যে তাকে এই পিচাশ এখন জবাই করবে। সব প্রশংসা সেই আল্লাহর জন্য, যিনি আমাদের চোখকে এই নরপিচাশের ধ্বংসের মাধ্যমে শান্তি দিয়েছেন। *হুলা গণহত্যা হলো সিরিয়ার গৃহযুদ্ধের সময় ২০১২ সালে হেমস প্রদেশের এক নিকৃষ্ট গণহত্যা। . এক আরব লেখকের টেলিগ্রাম চ্যানেল থেকে।

সিরিয়ান একজন মু জা হিদ গণতন্ত্র ও সেকুলারিজম নিয়ে কী বলতেছে দেখেন। অনেকেই খুশিতে আত্মহারা সিরিয়ায় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হবে! আল্লাহ এদেরকে লাঞ্চিত করুক। মনে রাখবেন জুলানি যদি গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার দিকে আগায় তাহলে সে হবে উম্মাহের অন্যতম শ্রেষ্ঠ গাদ্দার। হাজারো লাখো মুহাজির মুজাহিদ গণতন্ত্র বা সেকুলার জীবনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্য জান দেয় নাই।

পরিভাষার অজ্ঞতা; পশ্চিমের ইসলামি করণের সবচেয়ে বড় হাতিয়ার দুনিয়ার সকল জ্ঞানশাস্ত্রের নিজস্ব পরিভাষা রয়েছে, এবং প্রতিটি জ্ঞানশাস্ত্রকে তার সে পরিভাষার প্রকৃত মর্ম ছাড়া উদ্ধার করা সম্ভব নয়। ভিন্ন ভাষার পরিভাষাগুলো বুঝার ক্ষেত্রে প্রচলিত একটি পদ্ধতি হলো নিজস্ব ভাষায় সে পরিভাষার সামর্থবোধক শব্দ খোঁজা বা শাব্দিক অর্থ বের করে বুঝা। কিন্তু পরিভাষার মর্ম উদ্ধারের এই পদ্ধতি অগ্রহণযোগ্য একটি পদ্ধতি। কেননা প্রতিটি পরিভাষার তৈরির—চাই তা ইসলামি হোক বা অনিসলামি—নির্দিষ্ট ইতিহাস, সংস্কৃতি, ধর্মীয় ও মনস্তাত্ত্বিক পটভূমি থাকে। আর সেগুলোর জ্ঞানতত্ত্ব (Epistemology), অস্তিত্বতত্ত্ব (Ontology), সৃষ্টিতত্ত্ব (Cosomology) ও অদিবিদ্যা (Metaphysics) থেকে তৈরি হয়। পরিভাষা শুধুই অন্যের কাছে নিজের চিন্তা পৌছানোর মাধ্যম শুধু নয়, বরং তা একটি জাতীর ইতিহাস ও দর্শনের আয়না। এজন্য কোনো পরিভাষার প্রকৃত মর্ম উদ্বার করা পরিভাষার পিছনের অদিবিদ্যা (Metaphysics) পটভুমি জানা ছাড়া সম্ভব নয়। এই সুক্ষ বিষয়টি একটি সহজ উদাহরণ দিয়ে বুঝা যাক। Dead Labour মার্ক্সবাদিদের একটি নিজস্ব পরিভাষা। যার শাব্দিক অর্থ হয় ‘মৃত মজদুর’ বা ‘মৃত শ্রমিক’। অথচ মার্ক্সবাদিদের পরিভাষায় এর মর্ম হলো ‘পুঁজি’। একজন মুসলমান চাই সে যতই সঠিক ও মজবুত আকিদা বিশ্বাসের অধিকারী হোক না কেনো, যদি সে পশ্চিমা পরিভাষার প্রকৃত মর্ম ও বাস্তবতা না জানে, তাহলে সে পশ্চিমা মতবাদগুলোকে শুধু শাব্দিক কিছু মিলের কারণে ইসলামাইজেশন বা ইসলামিকরণ করতে থাকবে। যে সকল মডার্নিষ্টরা পশ্চিমা পরিভাষাগুলোকে ইসলামিকরণ করে তাদের একটি গোড়ার ভুল হলো, তারা পশ্চিমা পরিভাষাগুলোর বাহ্যত বা আংশিক কিছু মিল দেখেই সেগুলোকে ইসলামি বিভিন্ন পরিভাষার উপর কেয়াস করে ফেলে। এবং উভয়টি একই এমন সিন্ধান্ত দিয়ে ফেলে। যেমন ধরুন, Democracy বা গণতন্ত্র পশ্চিমের নির্দিষ্ট দর্শন থেকে উঠা আসা একটি পরিভাষা। ইসলামের শুরায়ী নেজামের সাথে এর আসমান জমিনের পার্থক্য থাকলেও কিছু আংশিক মিল দেখা যায়। এখন এই আংশিক আর বাহ্যত কিছু সামাঞ্জস্যে প্রভাবিত হয়ে গণতন্ত্রের পশ্চিমা দর্শন, ইতিহাস ও যে অতিপাকৃত বিশ্বাসের উপর তা প্রতিষ্ঠিত সেগুলোর সম্পর্কে অজ্ঞ ব্যক্তিরা গণতন্ত্রকে ইসলামিকরণ করে ফেলে। অথচ ইলমে কিয়াস সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা রাখা ব্যক্তিও জানে, একটি বিষয়কে আরেকটি বিষয়ের উপর কেয়াস করতে হলে উভয়ের মাঝে অনেকগুলো মৌলিক বিষয়ে মিল থাকতে হয়। অন্যথায় সে কেয়াস শাস্ত্রীয় বিবেচনায় কেয়াস মাআল ফারেক বলে বিবেচিত হবে। পরিভাষার এই মৌলিক ভুল ও অজ্ঞতার কারণে মর্ডানিষ্টরা পশ্চিমের অসংখ্য বিষয়কে ইসলামের মাঝে খুঁজে পায়। এবং সেগুলোকে ইসলামি করণ করে মানুষকে হয় ধোঁকা দেয় অথবা নিজেরা ধোঁকা খায়। পরিভাষা বুঝার সঠিক পদ্ধতি মানবতাবাদ (Humanism), যুক্তিবাদ (Rationalisom), রেনেসাঁ (Renaissance), এনলাইটেনমেন্ট (Enlightenment), ব্যক্তিস্বাতন্ত্রবাদ (Individualism), সমতা (Equality), স্বাধীনতা (freedom), পুঁজিবাদ (Capitalism)সহ পশ্চিম থেকে উঠে আসা প্রতিটি পরিভাষাকে শাব্দিকরণ ও বাহ্যত মিলের সাথে সামাঞ্জস্য করে না বুঝে সেগুলোর জ্ঞানতত্ত্ব ও যে অতিপাকৃত বিশ্বাসের উপর সেগুলো প্রতিষ্ঠিত তার আলোকে বুঝা অত্যান্ত জরুরি। তেমনিভাবে ইসলামি পরিভাষাগুলোও নিজস্ব জ্ঞানতত্ত্ব ও অতিপাকৃত কিছু বিশ্বাসের পটভুমিতে তৈরি হয়েছে। একেকটি পরিভাষায় নিজস্ব মূল্যবোধ, সংস্কৃতি ও মনস্তত্ত্ব রয়েছে। যেমন, সুন্নাত, ইজমা, ইজতিহাদ, মাকাসেদে শরয়িয়্যাহ, আজমতে সাহাবা, ফাতাওয়া, তাকলিদ, তালফিক, ইল্লত, ইবারাতুন নস, দালালাতুন নস, ইশারাতুন নস, ইকতিযায়ুন নস, ইসতিহসান, মাজাযে মুরসাল ইত্যাদি অসংখ্য পরিভাষাগুলোর গঠণ, গড়ন ও সৃষ্টি নির্দিষ্ট জ্ঞানতত্ত্ব ও কিছু বিশ্বাসের পটভূমিতেই তৈরি হয়েছে। যেগুলোর শাব্দিকিকরণ করে বুঝা কস্মিনকালেও সম্ভব নয়। বরং এগুলোকে বুঝতে হলে এগুলোর নিজস্ব ইতিহাস, জ্ঞানতত্ত্ব ও অতিপাকৃত বিশ্বাসগুলো জানতে হবে। মোটকথা প্রতিটি পরিভাষার নির্দিষ্ট জ্ঞানতত্ত্ব ও অতিপ্রাকৃত (Specific Epistemological Metaphysical) পটভূমি জানা ছাড়া সম্ভব নয়। সূত্র : লেখাটি কিছুটা পরিমার্জন, সংক্ষেপণ ও সংযোজনসহ নেয়া হয়েছে পাকিস্তানি গবেষক জাফর ইকবাল রচিত ‘ইসলাম আউর জাদিদিয়াত কা মাশমাকাশ’ (পৃ. ৭,৮,৯) গ্রন্থ থেকে।

এক তালেবান আফগানিস্তানের নতুন ম্যাপ প্রকাশ করে লেখেছে ২০২৯ ইনশাআল্লাহ। . এটাকে বিশেষজ্ঞরা কীভাবে দেখবে?
এক তালেবান আফগানিস্তানের নতুন ম্যাপ প্রকাশ করে লেখেছে ২০২৯ ইনশাআল্লাহ। . এটাকে বিশেষজ্ঞরা কীভাবে দেখবে?

এক তালেবাম অফিসারের টুইট। ইজরাইলের পর নতুন পেম্পাস বাহিনী।
এক তালেবাম অফিসারের টুইট। ইজরাইলের পর নতুন পেম্পাস বাহিনী।

হে গাজাবাসী, তোমাদের রক্ত আমাদের রক্ত, তোমাদের ঘরবাড়ি আমাদের ঘর বাড়ি, আমি আফগানবাসীর পক্ষ থেকে বলছি, আমরা তোমাদের সাথে আছি, প্রকাশ্যে ও গোপনে। -কাবুল থেকে মৌলবি শাহ মুহাম্মদ হাফিজাহুল্লাহ।

এক একজন আলেমকে জিজ্ঞাসা করা হলো, তালেবদের হাতে মাইর খাওয়া পাকিস্তানের সেনাবাহিনীকে শহীদ বলা হচ্ছে, এটা কোন ধরনের শহীদ। আলেম উত্তর দিলেন, এটা শহীদ দুনা শহীদ।

হায়াতি ও মামাতি সংক্রান্ত বিষয়ে মাওলানা মাঞ্জুর মেঙ্গল সাহেবের মাওকিফের খণ্ডনে লেখা এসেছে পাকিস্তানের অন্যতম নির্ভরযোগ্য ম্যা
হায়াতি ও মামাতি সংক্রান্ত বিষয়ে মাওলানা মাঞ্জুর মেঙ্গল সাহেবের মাওকিফের খণ্ডনে লেখা এসেছে পাকিস্তানের অন্যতম নির্ভরযোগ্য ম্যাগাজিন ‘মাজাল্লায়ে সাফদার’-এ। মেঙ্গল সাহেব পাকিস্তানের এখন অন্যতম একজন মুরব্বি আলেম হওয়া সত্ত্বেও তার যে অবস্থান আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাতের সাথে পূর্ণভাবে সঙ্গতিপূর্ণ নয় বলে একজন আলেম তা খণ্ডণ করেছেন। এবং তা ছেপেছে দেওবন্দি আলেমদের বিখ্যাত একটি ম্যাগাজিন। এখানে এটা বিবেচনা করা হয়নি, যে লেখেছে, সে বড় আলেম না মেঙ্গল সাহেব বড় আলেম, একজন ছোট কেনো বড় মেঙ্গলের রদ করলো, ইত্যাদি। দ্বিতীয় একজন শ্রদ্ধেয় আলেমের রদ কীভাবে করতে হয় তাও আমাদের শিখার আছে। প্রবন্ধের লিংক: https://t.me/mujallasafdar/408

তালেবদের সাধারণ এক ধাক্কাতেই ১৯টা নাপাক সেনা জয়বাংলা! এই মুনাফিক সেনাবাহিনীর সর্বোচ্চ দৌড় নিরস্ত্র মুসলিম মারা পর্যন্তই!
তালেবদের সাধারণ এক ধাক্কাতেই ১৯টা নাপাক সেনা জয়বাংলা! এই মুনাফিক সেনাবাহিনীর সর্বোচ্চ দৌড় নিরস্ত্র মুসলিম মারা পর্যন্তই!

তালেবান নেতা পাকিস্তানকে ৭১-এর যুদ্ধ নিয়ে খোচা দিচ্ছে। নাপাক বাহিনীর মুনাফিকি ছাড়া এদের কোনো বিরত্বের ইতিহাস নাই, এরা আসছে তা
তালেবান নেতা পাকিস্তানকে ৭১-এর যুদ্ধ নিয়ে খোচা দিচ্ছে। নাপাক বাহিনীর মুনাফিকি ছাড়া এদের কোনো বিরত্বের ইতিহাস নাই, এরা আসছে তালেবদের সাথে যুদ্ধে জড়াতে!

শায়খ আব্দুল্লাহ আজ্জম রহিমাহুল্লাহ জিহাদের জন্য পড়ালেখা ছেড়ে দেন। কিন্তু পরবর্তীতে তার কিছু সাথী পীড়াপীড়ি করেন, যেনো তিনি মিশর থেকে মাষ্টার্স সম্পন্ন করেন। সে সময়ে আযহারে মাষ্টার্সের জন্য থিসিস লেখার নিয়ম শুরু হয়নি। আজ্জাম রহিমাহুল্লাহের কাছে ময়দানে পর্যাপ্ত কিতাব ছিলো না। তিনি ময়দান থেকে পরিক্ষার জন্য আসেন। এবং পরিক্ষা দিয়ে ময়দানে ফিরি যান। পরিক্ষার পর আজ্জম রজিমাহুল্লাহের ধারণা ছিলো, তিনি কোনোমতে পাশ করবেন। কিন্তু দেখা গেলো উনার ব্যাচের উনি ফাস্ট হয়েছেন! . শায়খ আব্দুল্লাহ আজ্জম রহিমাহুল্লাহ মাত্র ১৬ মাস সময়ে তার পিএইচডি থিসিস শেষ করেন। যা দেখে থিসিসের পর্যবেক্ষক কমিটি খুব আশ্চর্যান্বিত হয়। কেননা সাধারণত থিসিস শেষ করতে ছাত্রদের তিন থেকে পাঁচ বছর সময় লাগতো। সূত্র: উম্মাহের মহিরুহ শায়খ আব্দুল্লাহ আজ্জম পৃ. ৪৪, সিজদাহ পাবলিকেশন

অমুসলিমদের মোকাবেলায় কখনো মুমিনকে তুলনা করা যাবে না। চাই মুসলিমের আখলাক যতই খারাপ হোক আর কাফেরের আখলাক যতই ভালো হোক। আল্লাহ এটাকে অনেক বেশি অপছন্দ করেন। মাওলানা আব্দুল মালেক ৪ অক্টোবর ২০২৪ ইং মাসিক ইসলাহি মজলিসের বয়ান।

এটাই স্পষ্ট কথা, এবং এই কথা বলতে শক্তি লাগে। যাদের শক্তি নাই, তারাই ডিপ্লোম্যাসি ইত্যাদি ভুগিঝুগি বুঝ দেয়।
এটাই স্পষ্ট কথা, এবং এই কথা বলতে শক্তি লাগে। যাদের শক্তি নাই, তারাই ডিপ্লোম্যাসি ইত্যাদি ভুগিঝুগি বুঝ দেয়।

সোমালিয়ায় আশশাবাবের বিরুদ্ধে যুদ্ধের জন্য মিশর বিশ হাজার সেনাবাহিনী পাঠাতে সম্মত হয়েছে সোমালি সরকারের সাথে। যদিও মিশরের পাশে গাজায় কিছুই করার সামর্থ্য তাদের নেই। বরং ইজরাইলকে সাহায্যের জন্য যা যা করা দরকার মিশরের বর্ডারে তাই করেছে মিশরের সরকার সিসি। এর আগে শাবাবদের বিরুদ্ধে যুদ্ধের সামরিক সহায়তা দেওয়ার জন্য তুরস্ক চুক্তি করেছিলো, যা এখনো আছে। শাবাবের তাহলে এখন শত্রু দাঁড়ালো সোমালী পুতল সরকার+আফ্রিকান ইউনিয়ন+জাতি সংঘ+মিশর+তুরষ্ক।

দুর্গা পূজার সূচনাই শুধু তাদের ধর্মীয় বিশ্বাসের সাথে নয় বরং এই পূজার যাবতীয় বিধিবিধান ও পালনেরে রীতিও রয়েছে। দূর্গা পূজা কয়েক দিনে হয়, একেকদিনে রয়েছে ধর্ম পালনের একেকটি রীতি এবং সে রীতিগুলোকেই কেন্দ্র করে হয় একেকটি অনুষ্ঠান। একদিন পালন হয় কুমারী পূজা, সর্বশেষ প্রতিমা বিসর্জন। দূর্গা পূজা মোট পাঁচদিন হয়। একেকদিন তাদের একেকটি ধর্মীয় উৎসবকে কেন্দ্র করেই পালন হয়। যেমন, দুর্গা পুজো শুরু হয় ষষ্ঠীর দিন থেকে। মনে করা হয় যে, শরৎকালে দুর্গা পুজোর সূচনা করেছিলেন রাম। রাবণকে পরাজিত করার জন্য দশভূজার আশীর্বাদের কামনায় তিনিই এ সময় দুর্গা পুজো করেন। বোধনের মাধ্যমেই দুর্গাকে আবাহন করা হয়। ষষ্ঠীর দিনে এ ছাড়াও আরও অন্যান্য অনেক নিয়ম-আচার পালিত হয় ও সকলকে রীতিনীতি মেনে দুর্গার আরাধনার জন্য অঙ্গীকারবদ্ধ হন। অষ্টমীর সমাপ্তি ও নবমীর সূচনার সন্ধিক্ষণে সন্ধিপুজো হয়। এই সময় দুর্গা চণ্ড-মুণ্ড বধের জন্য তাঁর চামুণ্ডা স্বরূপ ধারণ করেন। এ সময় ১০৮টি প্রদীপ প্রজ্জ্বলিত করা হয়। এককালে এদিন পশুবলি দেওয়া হত, তবে বর্তমানে সবজি বলি দেওয়া হয়। অঞ্জলি- পুষ্পাঞ্জলি প্রদানের মাধ্যমে দুর্গার প্রতি নিজের বিশ্বাস ও শ্রদ্ধা প্রকাশ করেন ভক্তরা। সাধারণত সপ্তমী, অষ্টমী ও নবমী এই তিনদিনই পুষ্পাঞ্জলি হয়, তবে অষ্টমীর অঞ্জলিকে অত্যধিক গুরুত্ব দেওয়া হয়ে থাকে। পুরোহিতের মন্ত্রোচ্চারণের পর হাতে ধরে থাকা ফুল-পাতা মহিষাসুরমর্দিনীর চরণে অর্পণ করার রেওয়াজ আছে। উৎসবের একেকটি বিষয় আর পালনের একেকটি রীতি ধর্মীয় বিধিনিষেধ ও পদ্ধতিনুযায়ী চলছে। সুতরাং কেউ যদি বলে অমুসলিমদের ঈদগুলো তাদের ধর্মীয় প্রতিক নয় বরং এগুলো একটি সামাজিক কালচার তাহলে তার কথার কোনো ধর্তব্য হবে না। কেননা, প্রত্যেক ধর্মে ঈদ স্বয়ং সে ধর্মের ধর্মীয় বিধিনিষেধে পূর্ণ একটি শিয়ার বা প্রতিক হয়ে থাকে যা আমরা সংক্ষেপে উপরে আলোচনা থেকে স্পষ্ট দেখতে পেলাম। তাই তা সামাজিক দৃষ্টিতে পালন করুক বা কালচার হিসেবে, এসব ধোকাপূর্ণ কথা কোনো ধর্তব্য নেই। ধরুন, কোনো ইউরোপিয়ান গলায় ক্রুশ ঝুলিয়ে এসে বললো সে তা ধর্মীয় কারনে পড়েনি, বরং ফ্যাশন হিসেবে পড়েছে তাহলে তা কী কোনো মুসলিমের জন্য ব্যবহার করা জায়েয হয়ে যাবে? হবে না, কারণ ক্রুশ সত্তাগতভাবেই কুফরের একটি প্রতীকী। চাই তা যে উদ্দেশ্যেই পড়া হোক তার কোনো ধর্তব্য এখানে হবে না। পূজা বা অমুসলিমদের ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ ও তাতে শুভেচ্ছা জানানো থেকে বিরত থাকার জন্য একজন মুমিনের এতটুকু জানাই যথেষ্ঠ ছিলো—এসব কুফরের শিয়ার বা প্রতীকী। কিন্তু বড় দুঃখজনক এক সময় আমরা অতিবাহিত করছি। ঈমান-কুফরের স্পষ্ট সীমারেখা থাকার পরেও আজ পশ্চিমের তৈরি উদারতার সবক আমাদের মাথায় এমনভাবে ঢুকেছে যে, উদারতার নামে আমরা সে সীমানা অতিক্রম করছি। আজ হাজারো মুসলিম অমুসলিমদের মুর্তি-প্রতিমা ও সেগুলোর উৎসবে অংশগ্রহণ করছে। কুফরি শব্দ দিয়ে একে অপরকে অভিনন্দন জানাচ্ছে! এমন দুঃখভরা দৃশ্য যখন একজন নবির ওয়ারিসের অন্তর বিধির্ণ করে যায়, মুসলমানদের এমন ধ্বংসের হাত থেকে কীভাবে রক্ষা করবে সে চিন্তায় বিভোর হতে হয় তখন একদল আলেম শ্রেণী কুফরের এই সয়লাব থেকে উম্মাহকে রক্ষার বদলে বলে বেড়াচ্ছে, এসকল অনুষ্ঠান অংশগ্রহণ ও এতে একে অপরকে শুভেচ্ছা জানাতে ইসলামের দৃষ্টিতে কোনো সমস্যা নেই। এগুলো মূলত সামাজিকতার একটি অংশ। আর ইসলাম তো সবচেয়ে বেশি সামাজিক ধর্ম! .... (বিস্তারিত দেখুন, মুসলিম অমুসলিম সম্পর্ক; সীমারেখা ও বিধিবিধান, মুফতি উবাইদুর রহমান মারদান, অনুবাদ আব্দুল্লাহ বিন বশির) একদিকে পশ্চিমা শিক্ষাব্যবস্থার ফলে আমাদের মুসলিম মনে উদারতার নামে কুফরের বিষ রোপন করা হচ্ছে, অন্যদিকে এসকল আলেম শ্রেণীর এমন বিভ্রান্তিকর বক্তব্যে বহু দ্বীন পালনে সচেষ্ট মানুষও বিভ্রান্ত হচ্ছে। তার থেকেও বড়, ইসলামের একটি স্পষ্ট বিধানে বিকৃতি সাধন হচ্ছে যা বড় ভয়ংকর রূপ ধারণ করে মানুষের ঈমানকে প্রতিনিয়ত নষ্ট করে যাচ্ছে। তাই এবিষয়টি কুরআন-সুন্নাহ, সাহাবায়ে কেরাম ও ফুকাহায়ে উম্মাতের বক্তব্যের আলোকে স্পষ্ট করে বুঝা প্রয়োজন হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমাদের সংক্ষিপ্ত প্রবন্ধে ইসলামের স্পষ্ট বিধানটির দলিলগুলো নিয়ে আমরা আলোচনা করবো। আল্লাহ তাওফিক দাতা।

অমুসলিমদের ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ ও তাতে শুভেচ্ছা জানানো আব্দুল্লাহ বিন বশির সূত্র: মুসলিম অমুসলিম সম্পর্ক; সীমারেখা ও বিধিবিধান পৃ. ১৫৯ (চেতনা প্রকাশন) শরীয়তের দৃষ্টিতে ঈদ শুধুই কোনো সামাজিক প্রথা নয় বরং তা হলো প্রত্যেক ধর্মের শিয়ারের অন্তর্ভুক্ত ও সেই দিনগুলো পালনের থাকে বিভিন্ন ধর্মীয় বিধিনিষেধ। মুসলিমদের ঈদ দুটোকেই আমরা যদি দেখি, এই দুই ঈদে রয়েছে মুসলমানদের জন্য ধর্মের পক্ষ থেকে বিভিন্ন বিধান। একটি মৌলিক বিধান তো হলো উভয় ঈদেই একজন মুমিনের জন্য রোজা রাখা নাজায়েয। আল্লাহর পক্ষ থেকে এদিনে উত্তম খাবার খাওয়া ও খাওয়ানোর উৎসাহিত করা হয়েছে। ঈদুল ফিতর যেটাকে আমরা রোজার ঈদ বলি, এদিনকে কেন্দ্র করেও রয়েছে অসংখ্য বিধান, ঈদের নামাজে যাওয়ার আগে সদকাতুল ফিতর, একটি বিশেষ পদ্ধতিতে ঈদের নামাজ পড়া, খুতবা শোনা, উত্তম পোষাক পড়া ইত্যাদি। অপরদিকে ঈদুল ফিতর যাকে কুরবানির ঈদ বলা হয়, সেদিনের তো রয়েছে তাওহিদের অন্যতম শিক্ষা আল্লাহর মহিমে পশু জবাইয়ের বিধান। এখন মুসলিমদের দীর্ঘ এই চৌদ্দশত বছরের ইতিহাসের কালপরিক্রমায় যদি মুসলিমরা এই দিনদুটোকে শুধুই সামাজিক প্রথা হিসেবে পালন করে তাহলে কী এটাকে শুধুই সামাজিক প্রথা বলার কোনো সুযোগ কী রয়েছে? কস্মিনকালেও নয়। ইবনে তাইমিয়া রহিমাহুল্লাহ (মৃত্যু: ৭২৮ হি.) এখানে বড় চমৎকার বলেছেন, « أن الأعياد من جملة الشرع والمناهج والمناسك، التي قال الله سبحانه {لِكُلِّ أُمَّةٍ جَعَلْنَا مَنْسَكًا هُمْ نَاسِكُوهُ} [الحج: 67] كالقبلة والصلاة والصيام، فلا فرق بين مشاركتهم في العيد وبين مشاركتهم في سائر المناهج، ‌فإن ‌الموافقة في جميع العيد، موافقة في الكفر. والموافقة في بعض فروعه: موافقة في بعض شعب الكفر، بل الأعياد هي من أخص ما تتميز به الشرائع، ومن أظهر ما لها من الشعائر، فالموافقة فيها موافقة في أخص شرائع الكفر، وأظهر شعائره، ولا ريب أن الموافقة في هذا قد تنتهي إلى الكفر في الجملة بشروطه». (اقتضاء الصراط المستقيم في أصحاب الجحيم 1/528، فصل في الأعياد، النهي عن موافقتهم في أعيادهم بالاعتبار) ঈদ (বা ধর্মীয় উৎসব পালন করা) ধর্মীয় বিধিবিধান ও ধর্ম পালনের মৌলিক পদ্ধতি ও রীতিনীতিরই একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। যেমন আল্লাহ তা'আলা বলেন, প্রত্যেক উম্মতের জন্য আমি ইবাদতের একটি পদ্ধতি নির্ধারণ করে দিয়েছি যার অনুসরণ তারা করে। (সূরা হাজ্জ: ৬৭) এটারই বিভিন্ন রূপ হলো, কিবলা, নামাজ, রোজা ইত্যাদি। সুতরাং, কাফেরদের ঈদ-উৎসবসমূহে অংশগ্রহণ করা এবং তাদের অন্যান্য ধর্মীয় রীতিনীতি ও বিধানাবলীতে অংশগ্রহণের মাঝে কোনো পার্থক্য নেই। এজন্য, অমুসলিমদের ঈদের (উ্ৎসবের) সকল বিষয়ে একাত্মতা প্রকাশ করার অর্থ হলো তাদের পুরো কুফরির সাথে একাত্মতা প্রকাশ করা, আর তাদের ঈদের (উৎসবের) কিছু বিষয়ে একাত্মতা প্রকাশ করা করা মানে কুফরের কিছু শাখার সাথে একাত্মতা প্রকাশ করা। বরং, বাস্তবতা হলো, ঈদ উৎসবসমূহই হলো বিভিন্ন ধর্ম ও শরীয়তের অন্যতম বৈশিষ্ট্য যার মাধ্যমে এক ধর্ম আরেক ধর্ম থেকে পৃথক হয় এবং বিভিন্ন ধর্মের অন্যতম বড় বাহ্যিক ও সুস্পষ্ট নিদর্শন । আর এতে কোনো সন্দেহ নেই যে, এক্ষেত্রে কাফেরদের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করা শেষ পর্যন্ত (শর্তসাপেক্ষে) ব্যক্তিকে কুফরের দিকেই নিয়ে যায়। অমুসলিমদের ধর্মের মধ্যে এদেশে প্রসিদ্ধ দূর্গা পূজার উদাহরণ আমরা দেখতে পারি। নওমুসলিম আবুল হোসেন ভট্টাযার্চ লেখেন, “স্কন্দ পুরানের বর্ণনা থেকে জানা যায়—ভগবান রামচন্দ্র রাবণ বধের নিমিত্ত শরৎকালে দূর্গা দেবীর অর্চনা করে ছিলেন। এ থেকে শরৎকালে এ পূজা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। দেবী ভাগবতের বর্ণনায় প্রকাশ, রম্ভ নামক অসুরের পুত্র মহিষাসুর পর্বতে অযুত বর্ষকাল কঠোর তপস্যায় রত হয় এবং “পুরুষ জাতীয় কোনো জীব মহিষাসুরকে বধ করতে পারবে না”—ব্রহ্মার নিকট থেকে এ বর লাভ করে। এ বর লাভের পরে সে ভীষণভাবে দুর্মদ হয়ে ওঠে এবং দেবতাদের স্বর্গরাজ্য দখল করে নেয়। অনন্যোপায় হয়ে দেবতারা সাহায্যের জন্য বিষ্ণু ও শিবের নিকটে সমবেত হয়। তখন দেবতাদের তেজ থেকে দেবী ভগবতী (দূর্গা) উৎপন্ন হয়ে মহিষাসুরকে বধ করে।…