Abdullah bin bashir
前往频道在 Telegram
📈 Telegram 频道 Abdullah bin bashir 的分析概览
频道 Abdullah bin bashir (@abdullahbinbashir) 孟加拉语 语言赛道中的 是活跃参与者。目前社区聚集了 11 319 名订阅者,在 宗教与灵性 类别中位列第 7 895,并在 孟加拉国 地区排名第 2 063 位。
📊 受众指标与增长动态
自 невідомо 创建以来,项目保持高速增长,吸引了 11 319 名订阅者。
根据 30 八月, 2026 的最新数据,频道保持稳定运转。过去 30 天订阅人数变化为 60,过去 24 小时变化为 -1,整体触达仍然可观。
- 认证状态: 未认证
- 互动率 (ER): 平均受众互动率为 14.01%。内容发布后 24 小时内通常能获得 5.87% 的反应,占订阅者总量。
- 帖子覆盖: 每篇帖子平均可获得 1 587 次浏览,首日通常累积 665 次浏览。
- 互动与反馈: 受众积极参与,单帖平均反应数为 35。
📝 描述与内容策略
作者将该频道定位为表达主观观点的平台:
“প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট”
凭借高频更新(最新数据采集于 31 八月, 2026),频道始终保持新鲜度与高覆盖。分析显示受众积极互动,使其成为 宗教与灵性 类别中的关键影响点。
11 319
订阅者
-124 小时
+47 天
+6030 天
帖子存档
11 319
বর্তমানে প্রকাশনীর জগতে গুরুত্বপূর্ণ বইসমূহের মধ্যে যে বইটা আমি সবার জন্য পড়াকে বাধ্যতামূলক মনে করি তার মধ্যে মুশাজারাতুস সাহাবা বইটি অন্যতম। আপনি টাকা দিয়ে সংগ্রহ করে পড়ুন বা কারো থেকে নিয়ে পড়ুন অবশ্যই পড়ুন।
.
চেতনা প্রকাশনীর অর্ধযুগ পূর্তি উপলক্ষে বিশেষ অফারে বেশ ভালোই ছাড় দিচ্ছে। এই সময়ে অল্পতে চাইলে সংগ্রহ করে নিতে পারবেন৷
11 319
একজন মানুষের জন্য যিল্লতি আর অপদস্ততা কাকে বলে?
একজন মানুষকে তার বিশ্বাসের বিপরীত, কোনো আইন দিয়ে পরিচালনা করা। তার বিশ্বাসের বিপরীত আইন দিয়ে তাকে চলতে বাধ্য করা।
দেখুন, ইবনে হাজার আসকালানী রহিমাহুল্লাহ কী বলে দেখুন,
الحكم على الشخص بما لا يعتقده ويضطر إلى احتماله يستلزم الذل. فتح الباري للعسقلاني، كتاب الجزية، باب الجزية والموادعة مع أهل الذمة والحرب، ٤٧٤/٩)
ব্যক্তি যেটি বিশ্বাস করে না সে অনুযায়ী তাকে বিধান দেওয়া এবং তা গ্রহণ করতে বাধ্য হওয়া লাঞ্ছনাকে আবশ্যক করে। -ফাতহুল বারী ৯/৪৭৪
.
আর মুসলিম উম্মাহকে তাদের বিশ্বাস শরীয়ার বাহিরে আজ কত বছর আইননুযায়ী চলতে বাধ্য করা হচ্ছে!
এরপরেও কীভাবে আমরা মুসলিমরা বলি, আমরা ভালোই আছি!
11 319
আমি নির্দিষ্ট টপিকে গুছিয়ে কথা বলতে তেমন পারি না। এক বিষয়ে কথা বলতে গেলে বিভিন্ন দিকে চলে যাই, অনেক সময় কথার খেই হারিয়ে ফেলি। এটা আমার একটা বড় দূর্বলতা। বিভিন্ন সেমিনারে দাওয়াত পাওয়ার পরেও না যাওয়ার পিছনে এটাও একটা অন্যতম কারণ।
.
উস্তাদে মুহতারাম বেলাল সাহেবের পরামর্শে গত দুইদিন মারকাযুস সাহওয়াতে সিয়াসাত বিষয়ে দুটো মুহাজারা দিয়েছি৷ সেখানেও কথাগুলো ছিলো অগোছালো। সেগুলো রেকর্ড হয়েছে। কিছু ভাই শুনে বললো তাদের ফায়দা হয়েছে। অগোছালো আলাপগুলো শুনে দেখতে পারেন৷ কোনো ভুল নজরে পড়লে বা কোনো বিশেষ পরামর্শ দিলে উপকৃত হবো।
জাযাকাল্লাহ খাইরান
.
প্রথম মুহাজারা :
https://drive.google.com/file/d/11uun5V--u8bdCX6nTZiHD6vP379jKxBk/view
11 319
চেতনা প্রকাশন এর অর্ধযুগে পদার্পণ উপলক্ষে চলছে বিশাল মূল্য ছাড়।
আমার অনূদিত "মুসলিম অমুসলিম সম্পর্ক" পাচ্ছেন ৪০% ছাড়ে।
11 319
Noor_Book_com_أصول_العلاقات_الدولية_في_فقه_الإمام_محمد_بن_الحسن.pdf22.45 MB
11 319
রমাদান মাস কুরআন তিলাওয়াতের মাস। তাই প্রতিটি মুসলিম এই মাসে প্রধান কর্ম ব্যস্থতা কুরআনই রাখবো। তবে মাদরাসার তালেবে ইলম ভাইরা, বিশেষত উপরের দিকের তালেবে ইলম ভাইরা এই মাসে কুরআনের মাসগালার পাশাপাশি নিজেদের জাহালাত কাটানোর পিছনে বিশেষ মনোযোগ দেওয়া প্রয়োজন। বিশেষত, আমাদের নেসাবে যে বিষয়গুলো অবহেলিত, কিন্তু বিষয়গুলোর জাহালাত কাটানো সময়ের চাহিদানুযায়ী একান্ত জরুরি হয়ে গিয়েছে, সেগুলোতে যদি এই একমাস সময় দেই আমরা তাহলে একটা প্রাথমিক জাহালাত আমাদের কেটে যাবে ইনশাআল্লাহ। আমি কয়েকটি বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
১। ইসলামি সিয়াসাত। এই বিষয়ের জাহালাত কাটাতে এই রমাদানে মারকাযুস সাহওয়ার সিয়াসাত বিষয়ক তাদরিবটা করতে পারেন৷
২। আকিদা। এই বিষয়ে জাহালাত কাটাতে মারকাযু আহলিস সুন্নাহের তাদরিবটা করা যেতে পারে।
৩। উলুমুল কুরআন। উলুমুল কুরআন নিয়ে রমাদান মাস ব্যাপি কোথাও তাদরিব হচ্ছে কি না জানা নেই। তবে না হলেও ব্যক্তি উদ্যোগে এটা জরুরি।
৪। উচ্চতর আরবী ভাষা শিক্ষা। আরবী ভাষা দ্বারা ইবারত পড়তে পারি আর তরজমা তুলতে পারি, এটাকে যথেষ্ঠ মনে করা বর্তমান সময়েত অন্যতম ধোঁকা। এই বিষয়ে বিস্তারিত লেখব ইনশাআল্লাহ।
৫৷ ইংরেজি ভাষা শিক্ষা।
11 319
আজ আমাদের এলাকায় মাগরিবের নামাজের পর পাটেরবাগ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ থেকে দাওয়াতে তাবলিগ ও এলাকার পঞ্চায়েত কমিটির পক্ষ থেকে এলাকার সকল হোটেল, চা-বিড়ির দোকানে গাশত করা হয়েছে। উদ্দেশ্য ছিলো, পবিত্র রমাদান উপলক্ষ্যে দিনের বেলা যেনো এই সকল দোকানগুলো বন্ধ রাখা হয়। আলহামদুলিল্লাহ, দোকানদারদের পক্ষ থেকে বেশ ইতিবাচক সারা পাওয়া গিয়েছে।
.
আল্লাহ, আমর বিল মারুফ ও নাহি আনিল মুনকারের এই কাজটি কবুল করে নিক। এলাকার পঞ্চায়েত কমিটিকে দ্বীনের জন্য আরো কাজ করার তাওফিক দান করুন।
#এই_দ্বীন_আমার
#এই_জমিন_আমার
11 319
এইযে সংস্কার চলছে। সংস্কারের প্রথম সাড়ির কাজগুলোর মধ্যে একটা হলো, রসূল অবমাননাকারী, ধর্ম অবমাননাকারী, ইসলামের কোনো একটা নিদর্শনের অবমাননাকারীদের বিচারকে নিশ্চিত করা। এটা সবচে বড় সংস্কার। সবকিছু করা হলো কিন্তু এটা করা হলো না তাহলে হবে না।
এটা মনে রাখতে হবে যে, স্বাধীনতার ভুল ব্যবহার এটা জাহান্নামের রাস্তা। এবং ধ্বংসের রাস্তা। ৭১ এর যুদ্ধের রক্তের অবমাননা হয়েছে কিনা এদেশে? হয়েছে। যারা অবমাননা করেছে ওরা রক্ষা পেয়েছে? রক্ষা পায়নি। জুলাই-আগস্টের যে শহীদ, তাদের রক্তের যদি অবমাননা করা হয় , যেই করবে সে রক্ষা পাবে না। আবু সাঈদসহ যারা ছিল এরা কি ধর্ম অবমাননাকারী ছিল! না। ইসলামের নিদর্শনগুলোর অবমাননাকারী ছিল? না। তাহাজ্জুদের নামাযের বা আখেরী নবীর অবমাননাকারী ছিল! না। না তারা ধার্মিক ছিল? ধার্মিক ছিল। ইসলামের শরীয়তের অনুসারী ছিল। হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উম্মত ছিল। তো তাদের রক্তের ফলে যা কিছু অর্জিত হয়েছে তার সাথে গাদ্দারি করে কোনো কিছু টেকানো যাবে না। ঐটা কখনো থাকবে না। আল্লাহ তাআলা আমাদের তাওফীক দান করুন। নবীর মুহাম্মাদ দান করুন। ইসলামের নিদর্শনগুলোর মুহাব্বাত দান করুন। অমীন।
#মিম্বারের ধ্বনি
#বায়তুল মোকাররম
২৮।০২।২৫
11 319
কাফেরদের মসজিদে প্রবেশের বিধান
কাফেরদের জন্য মুসলমানদের মসজিদে প্রবেশের অধিকার রয়েছে কি না, এই বিষয়ে মুজতাহিদ আলেমদের মাঝে মতানৈক্য রয়েছে।
ইমাম মালেক, শাফেয়ি ও আরও বেশ কিছু আলেমের মত হলো, কাফেররা মুসলমানদের মসজিদে প্রবেশ করতে পারবে না। মুসলমানদের দায়িত্ব হলো, কাফেরদের মসজিদে প্রবেশ থেকে দূরে রাখবে। অন্যদিকে ইমাম আবু হানিফা ও অন্য ইমামদের মত হলো, কাফেরদের মসজিদে প্রবেশ নিষিদ্ধ নয়। তবে মসজিদে প্রবেশে তাদেরকে মসজিদের পূর্ণ আদব ও সম্মানের প্রতি লক্ষ রাখতে হবে এবং কোনোরকম বিশৃঙ্খলার আশঙ্কা না থাকতে হবে।
হানাফি ফকিহ ইমাম কাসানি রহিমাহুল্লাহ লেখেন,
ولا بأس بدخول أهل الذمة المساجد عندنا وقال مالك رحمه الله والشافعي لا يحل لهم دخول المسجد الحرام. (بدائع الصنائع ٨٢١/٥، كتاب الاستحسان، ط. دار الكتب العلمية)
আমাদের হানাফি উলামায়ে কেরামের নিকট জিম্মিদের মসজিদে প্রবেশে কোনো সমস্যা নেই। ইমাম মালেক ও শাফেয়ি বলেন, জিম্মিদের মসজিদে হারামে প্রবেশ বৈধ নয়।
বই: মুসলিম অমুসলিম সম্পর্ক
লেখক : মুফতি উবাইদুর রহমান
অনুবাদ : আব্দুল্লাহ বিন বশির
চেতনা প্রকাশন থেকে প্রকাশিত
11 319
আমাদের মুরব্বি হযরত Ismail Bin Abdul Wahhab সাহেব দা.বা.-এর এই আলোচনাটি আমাদের সকলের হৃদয়ঙ্গম করা দরকার।
.
আল্লাহ হযরতকে জাযায়ে খায়ের দান করুন।
11 319
পিলখানা হত্যাকাণ্ড নিয়ে ইলিয়াসের ভিডিও দেখলাম। ৫৭ জন আর্মির মৃত্যুর কথা জানলেও, এর পরবর্তী সময়ে হাজারো বিডিআর ও তার পরিবারের সাথে ঘটে যাওয়া অন্যায়ের বিষয়ে আমরা কজনই বা জানি!
.
https://youtu.be/L8kEtIZCXXY?si=ehRixqBUms-wxpS6
11 319
মাওলানা আবরার সিদ্দিকি সাহেবের সময়ের অতি গুরুত্বপূর্ণ বইটা চলে এসেছে। এই খণ্ডটা মাদরাসা আর ভার্সিটি—সকলের জন্যই জরুরি।
.
এই বইটা মূলত মাওলানা আবু সাবের আব্দুল্লাহ সাহেবের ‘রাষ্ট্র-রাজনীতি’ বইয়ের খন্ডনে লেখা প্রথম খণ্ড।
.
আচ্ছা, মাওলানা আবরার সিদ্দিকি সাহেবের তত্ত্বাবধানে এই রমাজানে সিয়াসাত বিষয়ে বিশদিন ব্যাপি গুরুত্বপূর্ণ মুহাজারা হবে৷ আগ্রহী তালেবে ইলম ভাইরা মিস দিয়েন না।
11 319
একজন মানুষ, একজন চিন্তক, একজন উম্মাহের প্রতি দরদ রাখা ব্যক্তি উম্মাহের বিভিন্ন বিষয়ে আপনার সাথে শত শত মাসআলায় একমত। এক দুই মাসআলায় হয়তো দ্বিমত রাখে, বা তার অবজারভেশন ভিন্ন, এতটুকুতেই যদি তাকে আমরা বিরোধি বানিয়ে ফেলি, তাহলে এটা খুবই বাজে একটা চর্চা! এই চর্চা আপনার দাওয়াতের ময়দানকে, আপনার বিজয়ের রাস্তাকে সংকীর্ণ করে ফেলবে।
এই বিষয়টিতে আমরা খুবই সতর্ক হই ভাই। খুবই মানি খুবই। বিশেষত যারা উম্মাহের সামগ্রিক বিজয় চান, উম্মাহকে এই কু*ফ*রি জীবনব্যবস্থা থেকে বের করে আনতে চান তাদের জন্য তো অন্যদের তুলনায় এটা আরো বেশি জরুরি।
সাথে, এটাও মনে রাখতে হবে, কেউ আমার কোনো কথা বা কাজের বিরোধিতা করলেই বা শক্ত প্রতিক্রিয়া দেখালেই তাকে আমার দুশমন ভাবাটাও ঠিক না৷
আমার ভুল ধরতে গিয়ে হয়তো ভাইতা কিছুটা বাড়াবাড়ি করছে, আমি নসিহার সাথে ভাইদের সাথে বিষয়গুলো ডিল করতে পারি।
আল্লাহ আমাদের উম্মাহের স্বার্থে আল্লাহর জন্য এক বানিয়ে দিক। আমীন।
11 319
কথিত আছে, একবার সুলতান গিয়াস আল-দীন আযম শাহের তীর নিক্ষেপকালে একজন বিধবার পুত্র নিহত হয়। পুত্রহারা মা কাযির দরবারে নালিশ করলে সুলতান সাধারণ বিবাদীর মতো কাযির বিচারালয়ে হাজির হন। বিচারের রায়
সুলতানের বিপক্ষে গেলে বিধবা সন্তুষ্ট হয়। কাযির এমন দুঃসাহসিকতা দেখে সুলতান খুশি হয়ে তাকে পুরষ্কৃত করেন। এই ঘটনা তৎকালীন বাংলায় বেশ আলোড়ন সৃষ্টি করে। দ্র. রিয়াজ-উস সলাতীন, পৃ. ১০৬-১০৮; M. A. Rahim,
.
সূত্র : সুলতানি আমলে বাংলার শিক্ষাব্যবস্থা, পৃ. ১০৬, ড. আবু নোমান, প্রকাশকাল: ২০২৪
11 319
তেমনিভাবে ডাকাতি করার পর, মালিক ডাকাতকে কোথাও দেখতে পায়, তাহলে মালিক ডাকাত থেকে তার মাল ছিনিয়ে আনতে পারবে। তবে এমতবস্থায় মালিকের জন্য ডাকাতকে হত্যা করা জায়েয হবে না। যদি করে তাহলে তার উপর কিসাস ওয়াজিব হবে৷ -ফাতাওয়ায়ে বাইয়িনাত
৪। ডাকাতির সময় সম্পদের মালিকের চিৎকারে মানুষজন সাহায্যে বের হয়ে আসে, এটা দেখে ডাকাত পালিয়ে যায়, আর ডাকাত কোথায় থাকে এটা জনগনের জানা থাকে এবং তারা চাইলে মালিকের মাল ফিরিয়ে আনতে পারবে, এমতবস্থায় জনগন যদি মাল ফিরিয়ে আনতে গেলে ডাকাত বাধা দেয় আর এতে ডাকাতদের জনগন হত্যা করে ফেলে তাহলে জনগনের উপর কোনো জরিমানা আসবে না।
لو أن لصوصًا أخذوا متاع قوم فاستغاثوا بقوم، و خرجوا في طلبهم إن كان أرباب المتاع معهم حل قتلهم، و كذا إذا غابوا و الخارجون يعرفون مكانهم و يقدرون على رد المتاع عليهم، و إن كانوا لايعرفون مكانهم و لايقدرون على الرد عليهم لايجوز لهم أن يقاتلوهم، ولو اقتتلوا مع قاطع فقتلوه لا شيء عليهم؛ لأنهم قتلوه لأجل مالهم.
11 319
ডাকাত ও ছিনতাইকারীর শরয়ী বিধান
প্রকাশ্যে অস্ত্রের জোরে অন্যের নেসাব পরিমান সম্পদ শরয়ী কোনো কারণ ছাড়া ছিনিয়ে নেওয়াকে ফিকহের পরিভাষায় ‘ডাকাতি’ বলা হয়।
ইসলামি দণ্ডবিধি অনুযায়ী ডাকাতের শাস্তি অপরাধ ভেদে ভিন্ন রকম হয়।
১। কেউ যদি ডাকাতি করার জন্য বের হয়, এবং কিছু করার পূর্বেই গ্রেফতার হয়, তাহলে মুনাসিব মত শাস্তি দিয়ে তাওবা করা পর্যন্ত তাকে গ্রেফতার করে রাখা হবে। তাওবা শুধু মৌখিক কথা বলার মাধ্যমে হবে না, অপরাধীর মাঝে তার কৃতকর্মের জন্য অনুতপ্তের এবং আর কখনো এই কাজ করবে না, এমন আলামত প্রকাশ হতে হবে। -আল-ইখতিয়ার ৬/১২৬, কিতাবুস সারিক্বাহ, ফাসলুন: ফি কতয়িত তারিক; ফাতাওয়ায়ে শামী ৪/১১৩
২৷ যদি অস্ত্রের জোরে শুধু অন্যের সম্পদ ছিনিয়ে নেয়, মালিককে হত্যা না করে, তাহলে এমন অপরাধীর ডান হাত ও বাম পা কেটে দেওয়া হবে।
৩। ডাকাতির সময় সম্পদ না নিয়ে সম্পদের মালিককে অথবা অন্য কাউকে খুন করে তাহলে এমন ডাকাতের শাস্তি হলো মৃত্যুদণ্ড৷ ভিক্টিম যদি ক্ষমাও করে দেয়, তাও এই শাস্তি মাফ হবে না। কারণ, এই শাস্তি হদ হিসেবে দেওয়া হবে, কিসাস হিসেবে নয়।
(وإن قتل) معصوما (ولم يأخذ) مالاً (قتل) وهذه حالة ثالثة (حدًّا) لا قصاصًا(ف) لذا (لا يعفوه ولي، ولا يشترط أن يكون) القتل (موجبا للقصاص) لوجوبه جزاء لمحاربته لله تعالى بمخالفة أمره.
৪। ডাকাতির সময় খুনের পাশাপাশি সম্পদও লুট করে তাহলে এই ধরনের ডাকাতের শাস্তি দেওয়ার ক্ষেত্রে বিচারক কয়েক ধরনের শাস্তি দিতে পারেন।
ক. ডাকাতের হাত পা কেটে তাকে হত্যা করা হবে।
খ. হাত পা কেটে জীবিত শুলে চরানো হবে। অতপর বর্ষা দিয়ে পেটে আঘাত করে করে তাকে হত্যা করা হবে।
গ. শুধু হত্যা করা হবে।
ঘ. শুধু শুলিতে চরানো হবে।
হত্যার পর তিনদিন অপরাধীকে প্রকাশ্যে ঝুলিয়ে রাখা হবে। অত:পর পরিবারের কাছে স্থানান্তরিত করা হবে যেনো দাফন কাফন করতে পারে৷
(و) الحالة الرابعة (إن قتل وأخذ) المال خير الإمام بين ستة أحوال: إن شاء (قطع) من خلاف (ثم قتل أو) قطع ثم (صلب) أو فعل الثلاثة (أو قتل) وصلب أو قتل فقط (وصلب فقط) كذا فصله الزيلعي ويصلب (حيًّا) في الأصح وكيفيته في الجوهرة (ويبعج) بطنه (برمح) تشهيرا له ويخضخضه به (حتى يموت ويترك ثلاثة أيام من موته) ، ثم يخلى بينه وبين أهله ليدفنوه و (لا أكثر منها) على الظاهر وعن الثاني يترك حتى يتقطع (وبعد إقامة الحد عليه لا يضمن ما فعل) من أخذ مال وقتل وجرح زيلعي...
বি.দ্র. ১, এই শাস্তি ডাকাতির কাজে অংশগ্রহণ করা সকলকে দেওয়া হবে। - ফাতাওয়ায়ে শামী
(وتجري الأحكام) المذكورة (على الكل بمباشرة بعضهم) الأخذ و القتل و الإخافة.
বি.দ্র. ২, হত্যার কাজ ডাকাত দলের মধ্যে একজনও করে তাহলে পুরো দলকেই এই শাস্তু দেওয়া হবে। -আল-ইখতিয়ার ৬/১৩১
وإن باشر القتل واحد منهم أجري الحد على الكل؛ لأنَّ المحاربة تتحقق بالكل؛ لأنهم إنما أقدموا على ذلك اعتماداً عليهم،
৫। কারো সম্পদ ডাকাতি করে মালিককে আহত করে শুধু, তাহলে শাস্তি হলো হাত পা কেটে ফেলতে হবে।
و) الحالة الخامسة: (إن انضم إلى الجرح أخذ قطع) من خلاف
৬। ডাকাতির পর ডাকাতদের ধরার পূর্বেই যদি তারা তাওবা করে ফেলে তাহলে শাস্তি মাফ হয়ে যাবে। কিন্তু ডাকাতি করা মাল ফিরিয়ে দিতে হবে।
হাঁ, যদি ডাকাতির সময় কাউকে খুন করে তাকে তাহলে খুনের শাস্তি হিসেবে ডাকাত থেকে কিসাস নেওয়া হবে। -আল-ইখতিয়ার ৬/১৩৩
وإذا تاب قطاع الطريق قبل أن يؤخذوا سَقَطَ عنهم الحد، وبقي حق العباد في المال والقصاص؛ لقوله تعالى: {إِلَّا الَّذِينَ تَابُوا مِن قَبْلِ أَن تَقْدِرُوا عَلَيْهِمْ} [المائدة: ٣٤] ، فيقتضي خروجه عن الجملة عملاً بالاستثناء
দ্বিতীয় মাসআলা :
১। ডাকাতির সময় সম্পদের মালিক নিজের জান-মাল রক্ষা করতে ডাকাতকে আহত করে বা হত্যা করে ফেলে তাহলে এজন্য সে গুনাহগারও হবে না এবং তার উপর কোনোরূপ জরিমানাও আসবে না।
২। তেমনিভাবে তৃতীয় কোনো ব্যক্তি যদি ডাকাতের হাত থেকে কাউকে রক্ষা করতে গিয়ে ডাকাতের কোনো ক্ষতি করে অথবা ব্যক্তিকে বাচাতে গেলে ডাকাতমে হত্যা করা ছাড়া আর কোনো উপায় না থাকে তখন ডাকাতকে একদম হত্যাই করে ফেলে তাহলে সাহায্যকারী ব্যক্তি গুনাহগারও হবে না, এবং তার উপর কোনোরকমের দণ্ড বা জরিমানা আসবে না।
إذا أشهر على رجل سلاحا فقتله أو قتله غيره دفعا عنه فلا يجب بقتله شيء لما بينا ولا يختلف بين أن يكون بالليل أو بالنهار في المصر أو خارج المصر؛ لأنه لا يلحقه الغوث بالليل ولا في خارج المصر، فكان له دفعه بالقتل بخلاف ما إذا كان في المصر نهارا وفي النوادر يغسل ويصلى عليه وعن الثاني يغسل ولا يصلى عليه.(البحر الرائق شرح كنز الدقائق. كتاب الجنايات، باب ما يوجب القصاص وما لا يوجبه، ٨ / ٣٤٤، ط: دار الكتاب الإسلامي
৩। ডাকাতির সময় সম্পদের মালিক যদি চিৎকার করে আর এতে ভয় পেয়ে ডাকাত পালিয়ে যায়, এরপরও মালিক ডাকাতকে ধরে হত্যা করে তাহলে মালিকের উপর কিসাস ওয়াজিব হবে, অর্থাৎ মালিককে হত্যা করা হবে।
11 319
কাফেরদের জন্য দোয়া করা
১. কোনো ব্যক্তি কাফের অবস্থায় মৃত্যুবরণ করলে তার জন্য মাগফেরাতের দোয়া করা জায়েয নয়, তাই সান্ত্বনা দেওয়ার কালে এ বিষয়ে সতর্ক থাকা কাম্য। কুরআনে কারিমে আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন,
مَا كَانَ لِلنَّبِيِّ وَالَّذِينَ ءَامَنُوا أَن يَسْتَغْفِرُوا لِلْمُشْرِكِينَ وَلَوْ كَانُوا أُوْلِي قُرْبَى مِنْ بَعْدِ مَا تَبَيَّنَ لَهُمْ أَنَّهُمْ أَصْحَابُ الْجَحِيمِ.
নবী ও ঈমানদারদের পক্ষে মুশরিকদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করা সংগত নয়, যদিও তারা আত্মীয়স্বজন হোক, যখন এ কথা স্পষ্ট হয়ে গেল যে, তারা দোজখি। (সুরা তাওবা)
আল-বাহরুর রায়েক গ্রন্থে উল্লেখ রয়েছে,
والحق أنه يكون عاصيا بالدعاء للكافر بالمغفرة غير عاص بالدعاء بالمغفرة لجميع المؤمنين. (البحر الرائق ٠٥٣/١، كتاب الصلاة، باب صفة الصلالصلاة
সঠিক কথা হলো কাফেরদের জন্য মাগফেরাতের দোয়া করার দ্বারা ব্যক্তি গোনাহগার হবে। কিন্তু সমস্ত মুসলমানের জন্য মাগফেরাতের দোয়া করার দ্বারা গোনাহগার হবে না।
বাকি রইল জীবিত কাফেরদের জন্য মাগফেরাতের দোয়া করার বিধান। এই বিষয়ে ফকিহদের মাঝে মতানৈক্য দেখা যায়। কতক আহলে ইলমের মতে তা জায়েজ। '
আল-মুতাসার মিনাল মুখতাসার' কিতাবে উল্লেখ হয়েছে,
ومما يدل على جواز الاستغفار للمشرك مادام حيا قوله صلى الله عليه وسلم : اللهم اغفر لقومي فإنهم لا يعلمون المعتصر من المختصر من مشكل الآثار ۱۲۱/۱، كتاب الجنائز، باب في الاستغفار للمشرك)
জীবিত কাফেরের জন্য মাগফেরাতের দোয়া জায়েয হওয়ার দলিল হলো, যেমনটা রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উহুদযুদ্ধের সময় করেছেন- হে আল্লাহ আমার কওমকে ক্ষমা করে দেন, কেননা তারা জানে না।
আর কতকের মতে কুরআনে মাগফেরাতের দোয়া করতে যে নিষেধ করা হয়েছে তা ব্যাপক অর্থেই করা হয়েছে। তাই জীবিত ও মৃত সব কাফেরই এই নিষেধাজ্ঞার অন্তর্ভুক্ত হবে।
কিন্তু বাহ্যত এটাই মনে হয় যে, যদি জীবিত কাফেরের জন্য তার কুফরি অবস্থায় মাগফেরাতের দোয়া করা হয়, তাহলে তা নাজায়েয হবে। তবে যদি এভাবে মাগফেরাত চাওয়া হয় যে, কাফেরের যেন সঠিক ধর্ম ইসলাম কবুলের তাওফিক হয়, তাহলে দোয়া করার সুযোগ আছে। এতে কোনো সমস্যা নেই।
২. হেদায়েত ও সত্য দ্বীন গ্রহনের তাওফিক হয়, এজন্য দোয়া করা। এটা সম্পূর্ণ জায়েজ। বরং কেউ যদি ইখলাসের সাথে দোয়া করে, তাহলে সে অবশ্যই অনেক বড় একটি সওয়াবের কাজ করল। আর এটা হলো তাবলিগের একটি নীরব পদ্ধতি।
৩. দীর্ঘজীবন, নিরাপত্তার জন্য ও সুখশান্তির জন্য দোয়া করা। এখানেও মতানৈক্য রয়েছে। কারও নিকট জায়েয আর কারও নিকট নিষেধ। তবে মাসআলাটির মূল ভিত্তি এটাই মনে হয়, যে দোয়া করছে তার উদ্দেশ্য কী সেটা দেখতে হবে। যদি উদ্দেশ্য হয়, দীর্ঘজীবন পেলে এবং সুখশান্তিময় জীবন লাভ করলে কাফের ব্যক্তিটি ইসলাম গ্রহণ করবে, অথবা দীর্ঘজীবী হলে তার জিজিয়ার মাধ্যমে মুসলমানদের উপকার হবে, এমন উদ্দেশ্য হলে এ ধরনের দোয়ায় কোনো সমস্যা নেই। আর যদি উদ্দেশ্য হয় কুফর নিয়ে সে দীর্ঘজীবী হোক, তাহলে স্পষ্টই এটা নিষিদ্ধ।
