en
Feedback
Ikhlas-ইখলাস

Ikhlas-ইখলাস

Open in Telegram

একটি ইসলামিক দাওয়াহ ডিজাইন চ্যানেল। শুধুমাত্র রবের সন্তুষ্টির জন্য ইনশাআল্লাহ।

Show more

📈 Analytical overview of Telegram channel Ikhlas-ইখলাস

Channel Ikhlas-ইখলাস (@ikhlas66) in the Bengali language segment is an active participant. Currently, the community unites 19 181 subscribers, ranking 4 161 in the Religion & Spirituality category and 1 131 in the Bangladesh region.

📊 Audience metrics and dynamics

Since its creation on невідомо, the project has demonstrated rapid growth, gathering an audience of 19 181 subscribers.

According to the latest data from 28 July, 2026, the channel demonstrates stable activity. Although there has been a change in the number of participants by 7 over the last 30 days and by 11 over the last 24 hours, overall reach remains high.

  • Verification status: Not verified
  • Engagement rate (ER): The average audience engagement rate is 11.70%. Within the first 24 hours after publication, content typically collects 5.22% reactions from the total number of subscribers.
  • Post reach: On average, each post receives 2 245 views. Within the first day, a publication typically gains 1 001 views.
  • Reactions and interaction: The audience actively supports content: the average number of reactions per post is 71.

📝 Description and content policy

The author describes the resource as a platform for expressing subjective opinions:
একটি ইসলামিক দাওয়াহ ডিজাইন চ্যানেল। শুধুমাত্র রবের সন্তুষ্টির জন্য ইনশাআল্লাহ।

Thanks to the high frequency of updates (latest data received on 29 July, 2026), the channel maintains relevance and a high level of publication reach. Analytics show that the audience actively interacts with content, making it an important point of influence in the Religion & Spirituality category.

19 181
Subscribers
+1124 hours
+227 days
+730 days
Posts Archive
শয়নে, স্বপনে, জাগরণে শুধু কুরআন আর কুরআন। রাব্বে কারীম সবার বংশে, কেয়ামত পর্যন্ত কুরআনের ধারকবাহক নেকসন্তান পয়দা করে দিন। আমীন। -শায়েখ আতিক উল্লাহ হাফি. এর টাইমলাইন থেকে।

"তোমাদের প্রত্যেকেই যেন তার প্রতিটি অভাব পূরণের উদ্দেশ্যে তার রবের নিকট প্রার্থনা করে, এমনকি তার জুতার ফিতা ছিঁড়ে গেলে তাও যেন তাঁর নিকটে চায়।" . [জামে আত-তিরমিজি, ৩৬০৪]

একদম🔥
একদম🔥

দ্বীনদারির ভিত দুর্বল করে দেয়— •কুরআন ত্যাগ •বিলম্বে সালাত •জিকির-ইবাদতহীন সময় কাটানো •গাফেলের সঙ্গ •দৃষ্টি ও জবানের লাগামহীনতা। ~শায়েখ আতীক উল্লাহ হাফি.

কিছু গুনাহের খারাপ প্রভাব ঠিক মৃ*ত্যুর সময় প্রকাশ পায়। তন্মধ্যে একটি হচ্ছে যি*নার গুনাহ। যি*নার গুনাহের কারণে মানুষ মৃ*ত্যুর সময় ঈমান থেকে বঞ্চিত হয়, জিহ্বা অকেজো হয়ে যায়, কালেমা পড়তে চাইলেও পড়তে পারে না। আল্লাহ তাওফীক ছিনিয়ে নেন। এজন্য এসমস্ত গুনাহ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে তাওবা করে নেয়া জরুরি। — শায়খ জুলফিকার আহমেদ নকশবন্দি (রহি.)

এক চায়ের দোকানে এসে বসেছি। চা আসার অপেক্ষা। সামনেই তিন চারজন লোক খোশগল্প করছে। খোশগল্প না বলে আসলে গালিগালাজ করছে বলা যায়। কারো প্রতি ক্ষুব্ধ হয়ে কিংবা কোন ব্যক্তিকে গালিগালাজ করছে এমন কিন্তু না, হুদাই কথায় কথায় কুৎসিত, কানে আঙুল দেওয়া লাগে এমন সব গালি। সেদিন গ্রামের বাড়িতে টমটমে চড়ছিলাম শখের বসে। সাথে আরও কয়েকজন ছিলো। একে অন্যের সাথে কথা বলছিলো, সেই একই অবস্থা, কোন কারণ ছাড়াই মা বাপ তুলে এমন কুৎসিত সব গালি! আমরা যেমন বলি,অমুক ভাই, অমুকের ছেলে, ঠিক তেমনি এরা সেই অমুকের মা-বাপ তুলে একটা কুৎসিত গালি দিয়ে, তবেই তাকে সম্বোধন করে। . রাস্তা ঘাটে, পাবলিক বাসে, রিকশায় চড়তে গেলে দুই রিকশাওয়ালার মাঝে...এসব গালি, কুৎসিত কথা, নোংরা ভাষা আমাদের নিত্য সঙ্গী। আমাদের মনের অজান্তেই আমাদের হৃদয়ে এসবের একটা প্রভাব আছে। মুমিনের অন্তরে এর প্রভাব আরও বেশী। মিথ্যা শুনলে আমাদের খারাপ লাগে, বাজে কথা, গালমন্দ এসব আমাদের মন খারাপ করে। মিথ্যা কথা বলতে আমাদের ভালো লাগে না, কিন্তু কেন? কারণ আমাদেরকে মিথ্যা কথা বলার জন্য তৈরি করা হয়নি। এটা আমাদের ফিতরাত বিরুদ্ধ। কিন্তু চারপাশে মানুষ যে এত অনায়াসে মিথ্যা কথা বলে যাচ্ছে? তাদের ফিতরাত নষ্ট হয়ে গেছে। আর সেই নষ্ট ফিতরাতে ভরা মানুষের ভিড়ে অল্প কিছু ফিতরাতওয়ালা মানুষের অবস্থা ডাঙায় তোলা মাছের মত, হাপড়াতে থাকে। . আর তাই আমাদের রব তাঁর বান্দাদের জন্য এমন জান্নাতের কথা বলেছেন যেখানে কোন গালিগালাজ নেই, যেখানে কেউ মিথ্যা কথা বলে না, যেখানে কোন অসার, অর্থহীন কথাও কেউ বলবে না। যেখানে কুৎসিত গালি শুনে কারো মন খারাপ হবে না। আল্লাহ্‌ কুরআনে বলেন, . ﻳَﺘَﻨَﺎﺯَﻋُﻮﻥَ ﻓِﻴﻬَﺎ ﻛَﺄْﺳًﺎ ﻻ ﻟَﻐْﻮٌ ﻓِﻴﻬَﺎ ﻭَﻻ ﺗَﺄْﺛِﻴﻢٌ "তারা পরস্পরের মধ্যে পানপাত্র বিনিময় করবে; সেখানে থাকবে না কোন বেহুদা কথাবার্তা এবং কোন পাপ কাজ।" (সূরাহ আত-তুর, ৫২:২৩) . .ﻓِﻲ ﺟَﻨَّﺔٍ ﻋَﺎﻟِﻴَﺔٍ ﻻ ﺗَﺴْﻤَﻊُ ﻓِﻴﻬَﺎ ﻻﻏِﻴَﺔً "সুউচ্চ জান্নাতে। সেখানে তারা শুনবে না কোন অসার বাক্য।" (সূরাহ গাশিয়াহ, ৮৮: ১০-১১) . ﻻ ﻳَﺴْﻤَﻌُﻮﻥَ ﻓِﻴﻬَﺎ ﻟَﻐْﻮًﺍ ﻭَﻻ ﻛِﺬَّﺍﺑًﺎ "তারা সেখানে শুনবে না কোন অসার ও মিথ্যা কথা।" (সূরাহ আন-নাবা, ৭৮: ৩৫) . ﻻ ﻳَﺴْﻤَﻌُﻮﻥَ ﻓِﻴﻬَﺎ ﻟَﻐْﻮًﺍ ﻭَﻻ ﺗَﺄْﺛِﻴﻤًﺎ ﺇِﻻ ﻗِﻴﻼ ﺳَﻼﻣًﺎ ﺳَﻼﻣًﺎ "তারা সেখানে শুনতে পাবে না কোন বেহুদা কথা, এবং না পাপের কথা; শুধু এই বাণী ছাড়া, ‘সালাম, সালাম’।" (সূরাহ ওয়াকিয়া, ৫৬: ২৫-২৬) . দুনিয়ার যা কিছু কষ্টের, মন খারাপের, শূন্যতার, তার বিপরীতে জান্নাতের আনন্দ, সুসংবাদ আর অফুরন্ত নেয়ামতের প্রতিশ্রুতি আল্লাহর পক্ষ থেকে আছে। এমনকি খারাপ কথা, নোংরা বাক্য শুনে মুনিনের মন খারাপ হয়, এই মানসিক কষ্টের ব্যাপারটিও আল্লাহ্‌ উল্লেখ করেছেন এবং প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন জান্নাতে এসব থাকবে না। সুবহানআল্লাহ্‌! এমন এক জান্নাতে যেতে না পারলে এর চেয়ে বড় আফসোস আর কী হতে পারে! -সংগৃহীত

photo content

সালাফরা একে অপরকে সান্ত্বনা দিতেন এবং ভরসা দিয়ে বলতেন: এইতো আর কিছুদিন মাত্র, আসল ঠিকানা তো জান্নাত। তথ্যসূত্র: ছিফাতুছ-ছাফওয়ালি ইবনে জাওযি; ১/১২২

একদম🔥
একদম🔥

অন্তরগুলো সৃষ্টি করা হয়েছিল আল্লাহকে স্মরণ করার জন্য কিন্তু সেগুলো আজ দুনিয়াবি লোভ-লালসায় ভরে গেছে। ~ ইউসুফ ইবনু আসবাত (রহ.) সুত্র: [সিয়ারু আ'লামিন নুবালা, ৯/৮৭০]

হযরত আনাস ইবন মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, যে ব্যক্তি সকালে - এই দোয়াটি একবার পড়ে আল্লাহ তার শরীরের এক-চতুর্থাংশ (১/৪ অংশ) জাহান্নাম থেকে মুক্ত করে দেন। যে ব্যক্তি তা দুইবার পড়ে, আল্লাহ তার অর্ধেক (১/২ অংশ) জাহান্নাম থেকে মুক্ত করেন। যে ব্যক্তি তা তিনবার পড়ে, আল্লাহ তার তিন-চতুর্থাংশ (৩/৪ অংশ) জাহান্নাম থেকে মুক্ত করেন। আর যে ব্যক্তি তা চারবার পড়ে, আল্লাহ তাকে সম্পূর্ণরূপে জাহান্নাম থেকে মুক্ত করে দেন। اَللَّهُمَّ إِنِّي أَصْبَحْتُ أُشْهِدُكَ ، وَأُشْهِدُ حَمَلَةَ عَرْشِكَ، وَمَلَائِكَتِكَ، وَجَمِيعَ خَلْقِكَ، أَنَّكَ أَنْتَ اللَّهُ لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ وَحْدَكَ لَا شَرِيكَ لَكَ، وَأَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُكَ وَرَسُولُكَ হে আল্লাহ্‌, আমি সকালে উপনীত হয়েছি। আপনাকে আমি সাক্ষী রাখছি, আরও সাক্ষী রাখছি আপনার ‘আরশ বহনকারীদেরকে, আপনার ফেরেশতাগণকে ও আপনার সকল সৃষ্টিকে, (এর উপর) যে- নিশ্চয় আপনিই আল্লাহ্‌, একমাত্র আপনি ছাড়া আর কোন হক্ব ইলাহ নেই, আপনার কোনো শরীক নেই; আর মুহাম্মাদ (ﷺ) আপনার বান্দা ও রাসূল।

গুরুত্বপূর্ণ ‼️
গুরুত্বপূর্ণ ‼️

মাওলানা আব্দুল মালেক হাফিযাহুল্লাহ সায়্যিদুল ইস্তিগফার এভাবে পড়েন আমরা যেভাবে আস্তাগফিরুল্লাহ পড়ি। --- মুফতি মুশতাকুন্নবি হাফিযাহুল্লাহ এর বয়ান থেকে সংগৃহীত সুবহানাল্লাহ!  বড়দের বড় আমল।

ঠিকই তো👀 Elviro
ঠিকই তো👀 Elviro

কুদৃষ্টির কারণে কত ইবাদতগুজারের দ্বীনদারী যে বিলীন হয়ে গেছে! —ইবনুল জাওযী (রাহিমাহুল্লাহ) (আহকামুন নিসা: ২৬৫)

সুন্দর আখলাক & আল্লাহর ভালোবাসা ❤️

বুকে জমে থাকা কষ্ট, বুকে থাকা চাপ দূর করতে "সূরা ইনশিরাহ" অনেক ইফেক্টিভ আমল। বুকে হাত রেখে ৭ বার সূরা ইনশিরাহ পড়ুন...দেখবেন ব
বুকে জমে থাকা কষ্ট, বুকে থাকা চাপ দূর করতে "সূরা ইনশিরাহ" অনেক ইফেক্টিভ আমল। বুকে হাত রেখে ৭ বার সূরা ইনশিরাহ পড়ুন...দেখবেন বুক হালকা হয়ে যাবে এবং কষ্টও দূর হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ। -Ruqyah Zone

ভাতের মাড় ফেলবেন কিন্তু লুছনী খুঁজে পাচ্ছেন না, গোসলে যাবেন গামছা খুঁজে পাচ্ছেন না সাথে সাথে আল্লাহকে বলবেন যে, আল্লাহ খুঁজে পাচ্ছিনা পাইয়ে দাও। যদিও এগুলো জিনিস হাতের কাছেই থাকে একটু খুঁজলেই পাওয়া যায় তবুও আগে আল্লাহকে বলবেন। আমার ছেলে ঘুমের মধ্যে পুরো বিছানা গড়াগড়ি করে, খাটের মাথায় গিয়ে বাড়ি খায় নয়তো নিচে পড়ে যায় এইজন্য দুই পাশে কোল বালিশ দিয়ে রাখি। রাতে ঘুমের মধ্যে হঠাৎ হাত দিয়ে দেখি এক পাশে বালিশ নাই। ঘুমের মধ্যেই উঠে বিছানার চারপাশে খুঁজলাম পেলাম না পরে বিরক্ত হয়ে শুয়ে পড়লাম। তখনই মনে খেয়াল আসলো, আল্লাহ তো জুতার ফিতাও চাইতে বলছেন আচ্ছা আল্লাহকেই বলি। বলে আবার খুঁজা শুরু করলাম। আলহামদুলিল্লাহ পেয়ে গেলাম অথচ সেই একই জায়গায় মাত্রই দেখেছি কিন্তু পাইনি। বড় বড় বিপদ ছাড়া আল্লাহকে বলার অভ্যাস নাই আমাদের কিন্তু বলা উচিত তাহলে জীবন সহজ হয়ে যায়। কারণ লুছনী বলেন বা গামছা প্রত্যেকটা জিনিসের মালিক আল্লাহ। এই ছোট্ট জিনিসটাও আল্লাহর ইচ্ছে ছাড়া ফিরে পাওয়া সম্ভব না। যতই নাগালে থাকুক, চোখের সামনে থাকুক। তাই খুঁজবেন কিন্তু আল্লাহকে বলে নিবেন। একটা আইসক্রিম খেতে চাইলেও হাজব্যান্ড বা বাবাকে বলার আগে আল্লাহকে বলবেন। এই ছোট্ট জিনিসটা কিনে দিতে কোনো বাবা বা হাজব্যান্ডই না করবেন না। কিন্তু এমন হতে পারে যে, তাদের আনার কথা মনে থাকলোনা কিংবা আনার পথে হারিয়ে গেলো বা কোনোভাবে নষ্ট হয়ে গেলো। কিন্তু আল্লাহ ইচ্ছে করলে যেভাবেই হোক আপনার হাতে পৌঁছে যাবে। সবচেয়ে বড় ফায়দা হলো, এই ধরনের ছোট ছোট বিষয়ে বলার অভ্যাস থাকলে আল্লাহর সাথে স্ট্রং একটা কানেকশন তৈরি হয়ে যায় তখন বড় বড় বিপদে মাথা ঠান্ডা থাকে। নয়তো আমরা প্যানিক করে ফেলি, হসপিটালে দৌড়াই টাকা ঢালতে থাকি, এর কাছে বলি ওর কাছে দৌড়াই, এই সেক্টরে পরিচিত উচ্চপদস্থ কে আছে খুঁজতে থাকি। সবশেষে যখন কোন কাজ হয়না তখন আল্লাহকে বলি অথচ শুরুতেই আল্লাহকে বললে আল্লাহ বিষয়টা সবচেয়ে সুন্দরতম উপায়ে সহজ করে দিতেন। : Sadia Samha

photo content

প্রতিটি দ্বীনের জন্য উত্তম চরিত্র রয়েছে, আর ইসলামের উত্তম চরিত্র হল, লজ্জা। -ইবনে মাজাহ: ৪১৮১
প্রতিটি দ্বীনের জন্য উত্তম চরিত্র রয়েছে, আর ইসলামের উত্তম চরিত্র হল, লজ্জা। -ইবনে মাজাহ: ৪১৮১