en
Feedback
Ikhlas-ইখলাস

Ikhlas-ইখলাস

Open in Telegram

একটি ইসলামিক দাওয়াহ ডিজাইন চ্যানেল। শুধুমাত্র রবের সন্তুষ্টির জন্য ইনশাআল্লাহ।

Show more

📈 Analytical overview of Telegram channel Ikhlas-ইখলাস

Channel Ikhlas-ইখলাস (@ikhlas66) in the Bengali language segment is an active participant. Currently, the community unites 19 291 subscribers, ranking 4 085 in the Religion & Spirituality category and 1 176 in the Bangladesh region.

📊 Audience metrics and dynamics

Since its creation on невідомо, the project has demonstrated rapid growth, gathering an audience of 19 291 subscribers.

According to the latest data from 27 September, 2026, the channel demonstrates stable activity. Although there has been a change in the number of participants by -29 over the last 30 days and by -6 over the last 24 hours, overall reach remains high.

  • Verification status: Not verified
  • Engagement rate (ER): The average audience engagement rate is 11.65%. Within the first 24 hours after publication, content typically collects 4.63% reactions from the total number of subscribers.
  • Post reach: On average, each post receives 2 248 views. Within the first day, a publication typically gains 894 views.
  • Reactions and interaction: The audience actively supports content: the average number of reactions per post is 66.

📝 Description and content policy

The author describes the resource as a platform for expressing subjective opinions:
“একটি ইসলামিক দাওয়াহ ডিজাইন চ্যানেল। শুধুমাত্র রবের সন্তুষ্টির জন্য ইনশাআল্লাহ।”

Thanks to the high frequency of updates (latest data received on 28 September, 2026), the channel maintains relevance and a high level of publication reach. Analytics show that the audience actively interacts with content, making it an important point of influence in the Religion & Spirituality category.

19 291
Subscribers
-624 hours
-97 days
-2930 days
Posts Archive
আসুন হিসাব করি। সর্বোচ্চ ভালবাসাটা আমি আল্লাহকে বাসি কিনা। কীভাবে মাপবো সর্বোচ্চটা কিনা? যার ভালোবাসার জন্য অন্য সবার ভালোবাস
আসুন হিসাব করি। সর্বোচ্চ ভালবাসাটা আমি আল্লাহকে বাসি কিনা। কীভাবে মাপবো সর্বোচ্চটা কিনা? যার ভালোবাসার জন্য অন্য সবার ভালোবাসা ত্যাগ করা যায়, অন্য সবকিছুর ভালোবাসা ত্যাগ করা যায়, তাকেই আপনি সর্বোচ্চ ভালোবাসেন। আল্লাহর জন্য আমি কীসের কীসের ভালোবাসা ছাড়তে রাজি আছি? মিউজিকের ভালোবাসা, স্ক্রীনের গুনাহের টান, হারাম প্রেমের আকর্ষণ, ধূমপান-মাদকের ভালোবাসা, হারাম চাকরির ভালোবাসা, লাইফস্টাইলের ভালোবাসা, লোকে-কী-বলবে-র ভালোবাসা? আসুন আল্লাহকে দেখিয়ে দিই: আল্লাহ, তোমাকে আমি কতটা ভালোবাসি। তোমার জন্য, শুধু তোমার জন্য কী কী ছাড়তে পারি। কাকে কাকে অবলীলায় ছেড়ে তোমার কাছে চলে আসতে পারি। -শামসুল আরেফীন শক্তি হাফি.

আল্লাহুম্মাগফিরলী!
আল্লাহুম্মাগফিরলী!

নারীদের জন্য তিতা করলার আমল হলো স্বামীর আনুগত্য করা। --- শাইখ আহমাদ উল্লাহ হাফিযাহুল্লাহ

🔥
🔥

চাঁদের সাথে কথোপকথন!
+3
চাঁদের সাথে কথোপকথন!

‘‘গুনাহের আযাব হিসেবে এতটুকুই যথেষ্ট যে, আপনি আমল করার তাওফীক পাবেন না।’’ —ইবনুল কাইয়্যিম (রহ.). আদ-দাউ ওয়াদ দাওয়া, পৃঃ ৮৭

সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!

"সর্বাবস্থায় নবী (সালাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)- এর উপর দুরুদ পড়া আমি খুব পছন্দ করি, তবে জুমআর দিন পড়া আমার নিকটে সর্বাধিক প্রিয়।" . — ইমাম আশ-শাফিঈ রাহিমাহুল্লাহ। — [আল-কওলুল বাদী লিল সাখাভী: ৩৭৭]।

মেঘের আবরণে চাঁদের নিঃসঙ্গতা!
+1
মেঘের আবরণে চাঁদের নিঃসঙ্গতা!

হে অন্তর সমুহের পরিবর্তনকারী! আমার অন্তরকে আপনার দ্বীনের উপর অবিচল রাখুন। — তিরমিজীঃ ৩৫২২

নারীদের বইমেলায় যাওয়া-না যাওয়া নিয়ে অনেক লিখালিখাই চোখে পড়েছে। এ বিষয়ে আমাদের কিছু কথা বলা প্রয়োজন মনে করছি। ১. নারীদের ইসলামি বইমেলায় যাওয়াটা ঢালাওভাবে সমর্থন করিনা। কারণ অধিকাংশ ই সেখানে পুরুষরা ভীড় করে। এত পুরুষের মাঝে নারীদের না যাওয়াই উত্তম৷ এটা গায়রত ও তাকওয়ার পরিপন্থি। ২. অনেকে মাহরাম নিয়ে যেতে চান। এটা যাওয়া যায় অবশ্য বাট যখন ভীড় একেবারেই কম থাকে যেমন দুপুরের সময়। তখন বইমেলায় ভীড় অনেক কম থাকে [বন্ধের দিন ব্যতীত]। ৩. অনেকেই গিয়ে নন মাহরাম এর পিকচার তুলে [কোন স্টল এর সেলার] টাইমলাইন এ পোস্ট করেন এটা অবশ্যই গায়রত এর সাথে যায়না। মোটাদাগে এটা তাকওয়া পরিপন্থি। ৪. বইমেলায় গিয়ে একেবারে প্রয়োজন ছাড়া সেলারদের সাথে মাহরাম দিয়ে কথা বলিয়ে বই পছন্দ করে কেনা উত্তম। ৫. সবশেষে কিছু কথা বলি, নারীদের কন্ঠ, চলন ও পর্দার অন্তর্ভুক্ত। তাই তাকওয়া বিবেচনায় পুরুষদের ভীড়ে বইমেলায় না যাওয়াই উত্তম। একান্তই যদিও যেতে হয় তবে মাহরাম নিয়ে একেবারে কম ভীড় বা মানুষ যখন কম থাকবে তখন যাওয়া যায়। এমন হলে দুপুরের দিকেই যাওয়া যায় কারন সকাল-দুপুরে তেমন ভীড় দেখা যায়না। যারা গিয়ে নন মাহরামের পিকচার তুলে পোস্ট করছেন এটা অবশ্যই আল্লাহ পছন্দ করেন না তাই এটা থেকে কঠোরভাবেই দূরে থাকা উচিত। আল্লাহ আমাদের সকল রকম ফিতনা থেকে হেফাজত করুন এবং তাকওয়ান, দ্বীনদার জীবনসঙ্গী দান করুন। আমিন।

photo content

"সমস্ত আমলের মূল হলো নিয়ত। মানুষ তার নিয়তের বরকতে এমন মর্যাদা পেতে পারে, যা তার আমল দ্বারা অর্জন করা সম্ভব নয়।" ~জাফর ইবনে হাইয়ান (রহ.) সুত্র: [ইবনুল মুবারাকের 'আয-যুহদ', হাদীস নং ৬৩]

ইসলাম শিখব Chat Gpt থেকে👀
ইসলাম শিখব Chat Gpt থেকে👀

রাসুলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, "যখন কিয়ামত সন্নিকট হবে, আমল কমে যাবে, অন্তরে কৃপণতা ঢেলে দেওয়া হবে এবং হারজ বেড়ে যাবে।" সাহাবাগণ জিজ্ঞেস করলেন, "হারজ কী?" তিনি বললেন, "হত্যা, হত্যা।" — সহিহ বুখারি: ৬০৩৭

আমি মারা গেলে তোমরা আমাকে দাফন করে ফেলো এবং রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে খবর দিও না। মুল ঘটনা: তালহা ইবনে বারা রাদিয়াল্লাহু আনহু অসুস্থ হয়ে পড়লে রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে দেখতে যান। দেখা শেষে তিনি বলেন, আমি তালহার মধ্যে মৃত্যুর লক্ষণ ছাড়া আর কিছু দেখছি না। সুতরাং তাঁর মৃত্যু ঘটলে আমাকে খবর দিয়ো এবং দাফনের প্রস্তুতি দ্রুত কোরো। কারণ কোনো মুসলমানের লাশকে তার পরিবারের মাঝে আটকে রাখা অনুচিত। এরপর রাত হয়ে গেলে তালহা (রা.) তাঁর পরিবারকে বলেন: আমি মারা গেলে তোমরা আমাকে দাফন করে ফেলো এবং রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে খবর দিও না।কারণ আমি ভয় পাচ্ছি যে, রাতে আসার পথে ইহুদিরা তাঁর কোনো ক্ষতি করতে পারে। ​পরদিন সকালে রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে বিষয়টি জানানো হলে তিনি তাঁর কবরের কাছে যান এবং হাত তুলে তাঁর জন্য দোয়া করেন: হে আল্লাহ! আপনি তালহার সাথে এমনভাবে সাক্ষাৎ করুন যেন আপনি তার ওপর সন্তুষ্ট থাকেন এবং সে-ও আপনার ওপর সন্তুষ্ট থাকে। মাজমাউয যাওয়াইদ ৯/৩৬৮ তবরানী ৪/২৮ সনদ- হাসান আল জামিউস সাগীর-২৬৩৫ ইমাম সুয়ুতি রহ.এর সনদকে সহীহ বলেছেন। -আরিফ বিন হাবিব হাফি.

তার এই কান্নাতে কোনো ভেজাল নাই, তাকাল্লুফ নাই। একেবারে নির্ভেজাল মোহাব্বতের কান্না। اللهم صل وسلم علي نبينا محمد

সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আস্তাগফিরুল্লাহ।
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আস্তাগফিরুল্লাহ।

দান-সদকার নিশ্চিত উপকারিতা সমূহ : এক. দানে বিপদাপদ দূর হয়। (আবু দাউদ:১১৯১) দুই. সম্পদে বরকত হয়। (সহিহ মুসলিম:২৫৮৮) তিন. জটিল অসুখ ভালো হয়। (সহি জামে: ৩৩৫৮) চার. আল্লাহর ক্রোধ নিভিয়ে দেয়। (সহিহ জামে: ৩৭৬৬) পাঁচ. খারাপ মৃত্যু ঠেকিয়ে দেয়। (সিলসিলাহ সহিহা: ১৯০৭) ছয়. কিয়ামতে ছায়া হিসেবে হাজির হয়। (সহিহ ইবনু খুযাইমা ১৭৬৬) সাত. ফেরেশতারা দুয়া করেন সম্পদ বৃদ্ধির জন্য। (বুখারী: ১৩৭৪) আট. গোনাহ মাফ হয়। (তিরমিজি: ২৬১৬) নয়. জান্নাত নসিব হয়। (সহিহ বুখারী: ১৮৯৭)

"মুসলিম হওয়া মানে আপনার কোনো সমস্যা থাকবে না এমনটা নয়। তবে আপনার সাথে থাকবে সকল সমস্যার সমাধান দেওয়ার একমাত্র উৎস আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়াতা’আলা।" – ড. বিলাল ফিলিপস