ar
Feedback
Ikhlas-ইখলাস

Ikhlas-ইখলাস

الذهاب إلى القناة على Telegram

একটি ইসলামিক দাওয়াহ ডিজাইন চ্যানেল। শুধুমাত্র রবের সন্তুষ্টির জন্য ইনশাআল্লাহ।

إظهار المزيد

📈 نظرة تحليلية على قناة تيليجرام Ikhlas-ইখলাস

تُعد قناة Ikhlas-ইখলাস (@ikhlas66) في القطاع اللغوي البنغالي لاعباً نشطاً. يضم المجتمع حالياً 19 169 مشتركاً، محتلاً المرتبة 4 226 في فئة الدين والقيم الروحية والمرتبة 1 146 في منطقة بنغلاديش.

📊 مؤشرات الجمهور والحراك

منذ تأسيسه في невідомо، حقق المشروع نمواً سريعاً وجمع 19 169 مشتركاً.

بحسب آخر البيانات بتاريخ 07 يوليو, 2026، تحافظ القناة على نشاط مستقر. خلال آخر 30 يوماً تغيّر عدد الأعضاء بمقدار 130، وفي آخر 24 ساعة بمقدار 8، مع بقاء الوصول العام مرتفعاً.

  • حالة التحقق: غير موثّقة
  • معدل التفاعل (ER): يبلغ متوسط تفاعل الجمهور 9.47‎%. وخلال أول 24 ساعة من النشر يحصد المحتوى عادةً 5.25‎% من ردود الفعل نسبةً إلى إجمالي المشتركين.
  • وصول المنشورات: يحصل كل منشور على متوسط 1 816 مشاهدة. وخلال اليوم الأول يجمع عادةً 1 006 مشاهدة.
  • التفاعلات والاستجابة: يتفاعل الجمهور بانتظام؛ متوسط التفاعلات لكل منشور يبلغ 67.

📝 الوصف وسياسة المحتوى

يصف المؤلف القناة بأنها مساحة للتعبير عن الآراء الذاتية:
একটি ইসলামিক দাওয়াহ ডিজাইন চ্যানেল। শুধুমাত্র রবের সন্তুষ্টির জন্য ইনশাআল্লাহ।

بفضل وتيرة التحديث المرتفعة (أحدث البيانات بتاريخ 08 يوليو, 2026) تحافظ القناة على حداثتها ومستوى وصول مرتفع. وتُظهر التحليلات تفاعلاً نشطاً من الجمهور، ما يجعلها نقطة تأثير مهمة ضمن فئة الدين والقيم الروحية.

19 169
المشتركون
+824 ساعات
-77 أيام
+13030 أيام
أرشيف المشاركات
আজ কিছু কথায় কিছু ভুল ধারণা ভাঙতে চাই। অনেকেই মনে করেন, দ্বীনি মেয়ে মানেই কেবল মাদ্রাসার ছাত্রী। জেনারেল লাইনের মেয়েরা দ্বীন বুঝে না, দ্বীন শিখতে পারে না— এমন ধারণা অনেকের মনে আছে। অথচ এটা একদমই ভুল। হেদায়াত কারো পড়ালেখার লাইনের ওপর নির্ভর করে না। হেদায়াত আসে একমাত্র আল্লাহর পক্ষ থেকে। আল্লাহ যাকে ভালোবাসেন, তাকেই তিনি সঠিক পথে চলার তাওফিক দেন। কাজেই, কাউকে তার ব্যাকগ্রাউন্ড দেখে দ্বীনের মানদণ্ডে বিচার করা ঠিক না। মাদ্রাসার সব মেয়ে ভালো— এমন নিশ্চয়তা নেই। আবার জেনারেল লাইনের মেয়েরা খারাপ— এমনটাও বলা যাবে না। দ্বীন শুধু বোরকা বা নেকাবের মাঝে সীমাবদ্ধ নয়। মূল বিষয় হলো চরিত্র, নিয়ত ও আল্লাহভীতি। একজন মেয়ের মাথায় হিজাব থাকতেই পারে, কিন্তু যদি তার কথাবার্তা, ব্যবহার, ও চলাফেরা দ্বীনের সীমা ছাড়িয়ে যায়, তাহলে বোরকা বা নেকাবই তাকে পূর্ণ দ্বীনদার বানিয়ে দিতে পারে না। দ্বীনদার সে, - যার অন্তর আল্লাহভীতিতে ভরা, - যে নিজের গুনাহ নিয়ে লজ্জিত, - যে অহংকার না করে নিজের দ্বীনকে গোপনে সুন্দর করে গড়ে তোলে, ইত্যাদি যে মানুষকে ছোট করে দেখে না, বরং তাদের জন্য দোয়া করে। আমরা কাউকে দেখে বলে বসি—"এ মেয়ে দ্বীনদার", "ও মেয়ে দ্বীনদার মেয়ে না"। অথচ আমরা জানি না—হয়তো আজ যার দিকে আমরা অবজ্ঞার চোখে তাকালাম, সে রাতের আঁধারে কান্না করে আল্লাহর কাছে এমনভাবে ক্ষমা চেয়েছে যে আল্লাহ তাকে তাঁর প্রিয় বানিয়ে ফেলেছেন— আর আমরা সেই জায়গায় পৌঁছাতেই পারিনি। আমরা যেন কাউকে ছোট না করি, কারো দ্বীনি অবস্থার উপরে ফতোয়া না দিই, বরং নিজেকে সংশোধন করার দিকে মনোযোগ দিই। দ্বীন মানে শুধুই চেহারার পরিবর্তন নয় কিংবা নেকাব বোরকা নয়, বরং অন্তরের পরিশুদ্ধতা। . ~ লেখা: বিনতে আলী

photo content

আমারো এই কথাটাই মনে হয়। আল্লাহর কাজগুলো করতে থাকলে আল্লাহ দু'আ কবুল করবেন। বিষয় হলো আমরা এখন ঘরে বসে অল্প সময়ে সব কাজ করতে পারি। ক্ষুদা লাগলে অনলাইন থেকে খাবার অর্ডার করতে পারি, শপিং করতে পারি, প্রয়োজনীয় সকল কাজ অল্প সময়ে করতে করতে ভাবি আল্লাহর কাছে দু'আ করলে সেটাও হয়তো সাথে সাথে কবু হবে। যদি সাথে সাথে না পাই তবে আমরা ধৈর্যহারা হয়ে যাই এছাড়াও আমরা ভাবি আল্লাহ দু'আ কবুল করছেন না। আচ্ছা আপনিই বলুন আগেকার যুগে যেখানে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যেতে এত এত সময় লাগতো সেখানে আপনি কিভাবে নিজেকে ধৈর্যধারণ করতেন? আমি বলছিনা যে আপনি এখন হেটে হেটে চলাচল করেন, আমি বুঝাতে চাচ্ছি যে আগের যেই রব দু'আ কবুল করতেন এখনো সেই রবই দু'আ কবুল করবেন তাই আমাদের উচিত ধৈর্যধারণ করা। হ্যাঁ অনেক দু'আ কবুল কখনোই হয়না। তবে সেটার কি বিনিময় নেই? অবশ্যই ই আছে। এক আলেমে দ্বীন বলতেন- আখিরাতে যখন বান্দার গুনাহ বেশি হয়ে যাবে আল্লাহ দেখবেন এই বান্দা দুনিয়াতে কি কি দু'আ করছে। যে দু'আ গুলো দুনিয়াতে কবুল হয়নি সেগুলো আল্লাহ আখিরাতে কবুল করে নিবেন। এই ভাবনা থেকে কীভাবে ধৈর্য্যহারা হই? কবুল করার মালিল আল্লাহ! আমার কাজ দু'আ করে যাওয়া। দুনিয়ায় কবুল না হল্র্ব আল্লাহ আখিরাতে আমাদের উত্তম প্রতিদান দিবেন৷ আল্লাহ আমাদের বেশি বেশি দু'আ করার তাওফীক দান করুন এবং সন্তুষ্টচিত্তে জান্নাতে যাওয়ার পথকে সহজ করুন। -ইখলাস

photo content

কোনো জাতিকে যদি বিনোদনের কারাগারে আটক করা যায়, তবে তাদেরকে যেভাবে খুশি সেভাবে ব্যবহার করা যায়। অন্ধ ছাগলের মতো তারা পাগল হয়ে যায়, তাদেরকে যেদিকে খুশি হাঁকিয়ে নেওয়া যায়। তারা হবে এমন এক প্রজন্ম, যারা ভোগবিলাসে জন্ম নেবে এবং এতেই বেড়ে উঠবে। তাদের চিন্তা-চেতনা ঘুরপাক খাবে কেবল রকমারি খাবার, পোশাক আর প্রমোদের মাঝে। তাদের কথায় থাকবে অদ্ভুত দম্ভ আর দ্বীনের প্রতি চরম উদাসীনতা। বিনোদনকেই তারা জীবনের ধর্ম বানিয়ে নেবে! বই : পুঁজিবাদের আফিম (আধুনিক খেলাধুলা ও বিনোদনব্যবস্থার চরিত্র বিশ্লেষণ)

আমি আমার জীবনের একটি ঘটনা আপনাদের সামনে তুলে ধরতে চাই। আল্লাহর কসম, আমার জীবনে যত ঘটনা ঘটেছে, তার মধ্যে এই ঘটনাটিই আমার অন্তরকে সবচেয়ে বেশি নাড়া দিয়েছে। আজও যখন সেই দৃশ্যটি মনে পড়ে, তখন নিজেকে স্থির রাখতে খুব কষ্ট হয়। অন্তরের গভীরে এক অজানা ভয় কাজ করতে শুরু করে। ঘটনাটি আজ থেকে বেশ কয়েক বছর আগের। একদিন আসরের নামায আদায় করে মসজিদে বসে ছিলাম। এমন সময় একজন ভাই আমার কাছে এসে বললেন, হুজুর, আমার বাবা খুবই অসুস্থ। তিনি মৃত্যুশয্যায় আছেন। আপনি যদি একটু কষ্ট করে আমাদের বাসায় যান এবং তাঁর হাতে তাওবা করিয়ে দেন। আসলে মৃত্যুপথযাত্রী মানুষকে তাওবার তালকীন করা আমাদের আকাবির ও আসলাফের একটি সুন্দর আমল ছিল। আমাদের বুযুর্গ হযরত শামসুল হক ফরিদপুরী রহ.-এর ব্যাপারে শুনেছি—তাঁর একটি অভ্যাস ছিল, তিনি লালবাগ মাদরাসার সিনিয়র ছাত্রদের প্রতি বৃহস্পতিবার ছুটি দিয়ে বলতেন, 'তোমরা বিভিন্ন হাসপাতালে যাও। রোগীদের কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করো—কেউ যদি তাওবা করতে চান, তাহলে তাঁকে তাওবা করিয়ে দাও।' বর্তমানে যেমন বৃহস্পতিবারে অনেক মাদরাসা থেকে ২৪ ঘণ্টার দাওয়াত জামাত বের হয়, তেমনি তিনি ছাত্রদের হাসপাতালমুখী করতেন, যেন তারা মৃত্যুপথযাত্রী মানুষের আখিরাতের প্রস্তুতিতে সহযোগিতা করতে পারে। এটি ছিল আমাদের আকাবিরদের একটি সুন্দর ঐতিহ্য। যাই হোক, আমি সেই ভাইকে বললাম, চলুন। আমরা রিকশায় করে তাঁর বাসার দিকে রওনা হলাম। পথিমধ্যে বিভিন্ন কথা হচ্ছিল। একপর্যায়ে তিনি বললেন, হুজুর, আব্বা খুবই অসুস্থ। ঠিকমতো কথা বলতে পারেন না, কাউকেও ভালোভাবে চিনতে পারেন না। আমি মনে মনে ভাবলাম, তাহলে হয়তো শুধু তাওবার বাক্যগুলো শুনিয়ে দিলেই হবে। বাসায় পৌঁছালাম। পুরোনো দিনের একটি বাড়ি। ঘরে প্রবেশ করে তাঁর বাবার পাশে গিয়ে বসলাম। সালাম দিলাম। সালামের উত্তর দিয়েছিলেন কি না, এখন আর মনে নেই। আমি খুব কোমলভাবে বললাম, চাচা, আমি এসেছি আপনাকে তাওবা করিয়ে দিতে। আমার কথা শেষ হতেই তিনি এমন একটি উত্তর দিলেন, যা আজও আমার কানে বাজে। একেবারে স্পষ্ট, দৃঢ় কণ্ঠে বললেন, আমি তাওবা করব না। আমি যেন হতবাক হয়ে গেলাম। মনে হলো, বুকের ভেতর কেউ হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করছে। আমি বিশ্বাসই করতে পারছিলাম না, মৃত্যুশয্যায় থাকা একজন মানুষ এমন কথা কীভাবে বলতে পারেন! এরপর আমি তাঁর ছেলের দিকে তাকালাম। চোখের ভাষায় যেন বলতে চাইলাম, আপনি তো বলেছিলেন, উনি কথা বলতে পারেন না! এখন তো খুব পরিষ্কার করেই কথা বলছেন! ছেলেও অসহায়ভাবে ইঙ্গিত করল, হুজুর, আমিও কিছু বুঝতে পারছি না। আমি আবার তাঁর দিকে ফিরে বললাম,ৎচাচা, তাওবা করবেন না কেন? এরপর তাওবার ফজিলত নিয়ে খুব সংক্ষেপে—এক মিনিট বা দেড় মিনিটের মতো কিছু কথা বললাম। কারণ মৃত্যুপথযাত্রীর সামনে দীর্ঘ নসিহত করা সুন্নাহর পরিপন্থী। কিন্তু তিনি আবারও একই কথা বললেন—আমি পারব না। এবার আমি কিছুটা কঠোর হয়ে বললাম, কেন পারবেন না? আপনার সমস্যা কী? আমার প্রশ্ন শুনে তিনি হঠাৎ শিশুর মতো কান্না শুরু করলেন। চোখ দিয়ে অঝোরে পানি ঝরছে। কাঁপা কণ্ঠে তিনি জানালার উপরের সানশেডের দিকে আঙুল তুলে বললেন, হুজুর... আমি তাওবা করব কীভাবে? দেখেন... ওইখানে একজন ভয়ংকর লোক মুগুর হাতে বসে আছে। সে আমাকে বলছে, 'তুই যদি তাওবা করিস, তাহলে এই মুগুর দিয়ে তোকে মেরে ফেলব। আল্লাহু আকবার! আমি তাকিয়ে দেখলাম, সেখানে তো কিছুই নেই। কিন্তু তিনি যা দেখছিলেন, তা তাঁর কাছে ছিল বাস্তবের চেয়েও বাস্তব। সেদিন আমি গভীরভাবে উপলব্ধি করলাম—মৃত্যুর মুহূর্ত কত ভয়াবহ হতে পারে! শয়তান শেষ সময় পর্যন্ত মানুষের ঈমান কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। তাই কেউই নিজের ঈমান নিয়ে নিশ্চিন্ত থাকতে পারে না। কার মৃত্যু কোন অবস্থায় হবে, শেষ মুহূর্তে কী পরীক্ষা আসবে—এ কথা পৃথিবীর কোনো মানুষ বলতে পারে না। এই কারণেই সালাফে সালিহীন সবসময় একটি দোয়া করতেন—হে আল্লাহ! আমাদেরকে ঈমানের ওপর অটল রাখুন এবং ঈমানের সাথেই আমাদের মৃত্যু দান করুন। আল্লাহ তাআলা আমাদের সকলকে সুস্থ জীবন দান করুন, ঈমানের ওপর অবিচল রাখুন এবং ঈমানের সাথেই আমাদের দুনিয়া থেকে বিদায় নেওয়ার তাওফিক দান করুন। আমীন। -শায়েখ উমায়ের কোব্বাদি হাফি.

photo content

আমি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের একজন ছাত্রী। আজ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব ফয়জুন্নেসা চৌধুরানী হলে একটি সমস্যার মুখোমুখি হলাম,যা আমাকে গভীরভাবে কষ্ট দিয়েছে এবং একজন শিক্ষার্থী হিসেবে আমার আত্মমর্যাদাবোধে আঘাত করেছে। একটা প্রয়োজনীয় কাজে আমি হলের প্রভোস্ট ম্যাম এর অফিসে দেখা করতে গিয়েছিলাম।তখন আমি নিকাব পরা ছিলাম। আমার মনে হয়েছে আমার নিকাব পরা নিয়ে এমন কিছু মন্তব্য করা হয়েছে, যা আমাকে অপমানিত ও বিব্রত করেছে। একজন শিক্ষার্থী হিসেবে আমি বিশ্বাস করি, প্রত্যকের ধর্মীয় বিশ্বাস, ব্যক্তিগত পোশাক ও স্বাধীন পছন্দের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা উচিত। ওনার বলা উচিত ছিল,, অফিসে এভাবে মুখ বেঁধে আসা নিষেধ, কিন্তু ওনি বলেছেন যে,, ফাজলামো করতে আসছো? মুসলিমদের এভাবে পর্দা করতে হবে সেটা ইসলামে কোথায় লেখা আছে দেখাও? পর্দা করতে চাইলে হাতমোজা পরবা,মুখ ঢাকতে হবে কেন? আমার ভুল ছিল আমি মুখ খুলে ভাইভা দিতে যায়নি,,ওনি তার জন্য বকা দিলে মেনে নেওয়া যেত,,তবে ইসলামের বিরুদ্ধে কথা বলাটা আমার খারাপ লেগেছে। আমি চাই, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি শিক্ষার্থী যেন তার ধর্মীয় বা ব্যক্তিগত পোশাকের কারণে অস্বস্তিকর মন্তব্যের শিকার না হয় এবং সবাই যেন সম্মানজনক পরিবেশে নিজের কথা বলতে পারে। -T W Shawreen

photo content

আগে বুঝতাম না তবে এখন বুঝি কেন আল্লাহ দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ বাধ্যতামূলক করেছেন। আমি মোটামুটি শিওর ‘Prayer’ বিষয়টা না থাকলে
আগে বুঝতাম না তবে এখন বুঝি কেন আল্লাহ দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ বাধ্যতামূলক করেছেন। আমি মোটামুটি শিওর ‘Prayer’ বিষয়টা না থাকলে অধিকাংশ মানুষ দম আটকায় মা*রা যেতো। আপনি যদি মুসলমান না হন তাও আপনি ব্যাপারটা রিলেট করতে পারবেন। এটা এজন্য বলছি না যে আমি বেশ ভালো একজন নামাজী মানুষ। আমার অধিকাংশ সময়ই নামাজ মিস হয় তবে যে কয়েক ওয়াক্ত নামাজ পড়ি তা আমাকে এই ক্রুয়েল ওয়ার্ল্ডকে ডিল করার মতো এনার্জি সাপ্লাই করে। মনে আছে, ছোটবেলায় গরমের দিনে আম্মু গলার নিচে পাউডার লাগায় দিতো? কি একটা শান্তি লাগতো, না? ঠিক সেইম ফিলটা পাবেন প্রতিবার নামাজ শেষ করার পর। ক্ষত-বিক্ষত হৃদয় নিয়ে যখন আমরা আমাদের রবের সামনে উপস্থিত হই, রব আমাদের হৃদয়ের উপর পরম মমতায় তার রহমতের প্রলেপ লাগিয়ে দেন। সিজদায় লুটিয়ে পড়তেই যখন আমাদের দুঃখগুলো দুচোখ বেয়ে নামতে থাকে আর আল্লাহ তার কুদরতি রহমত আমাদের উপর বর্ষিত করেন আর বলেন, “It’s going to be alright, I promise." লেখা : সংগৃহীত

কুরআনে কেন ছেলেদের আগে নজর হেফাজতের কথা বলা হয়েছে, সেটা নিয়ে ভাবতাম বেশ কিছু দিন হলো। তারপর থেকে আমি কোন মেয়ে পাশে দিয়ে গেলে আশে পাশের পুরুষদের দিকে তাকাই। বিশ্বাস করুন, আমি টোটালি শকড হয়ে গেসি, একটা মেয়ে কে যত এংগেল থেকে দেখা যায়, একটা মেয়েকে যত ভাবে দৃষ্টিপাত দিয়ে উপভোগ করা যায় তার সবটাই করেন এই পুরুষজাতি" ইভেন মেয়েটা যতক্ষণ অবধি আড়াল না হচ্ছে তাদের প্রতি দৃষ্টিপাত চলতেই থাকে। বিশেষ করে যারা রাস্তার দু'পাশে থাকেন- তারা এই কাজ গুলো করেন। চলাচলরত লোক গুলো সাধারণত এমন করতে পারেন না। আবার কোন কোন মেয়েকে দেখে লোকজন একটু পাশ থেকে কি ব্রিশ্রী মন্তব্য করেন, তা নিজ কানে না শুনলে হয়তো জানতেই পারতাম না। গবেষণায় দেখা যাচ্ছে ০.১ সেকেন্ডে মেয়েদের বডি শেইপ ছেলেদের মস্তিষ্কে গেঁথে যায়, এবং তা থেকে তাদের অনুভূতি চলে আসে। এই জন্য ইসলাম প্রথমবার (অনিচ্ছাকৃত) দৃষ্টিপাত কে এলাউ করলেও; পরের বার ইচ্ছে করে দেখতে বারণ করেছেন মেয়েদের প্রতি এবং এটা পাপ হিসেবে গণ্য করেছেন। যারা মোটামুটি ইসলাম মানেন, তারা মেয়ে দেখলেই মাথা নিচু করে হাঁটেন, কারণ তাদের নজরের হেফাজত অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ! কিন্তু আজকের বোনদের বেশিরভাগেরই ইসলামি ক্রাইটেরিয়া অনুযায়ী পর্দা হয় না, এমনকি বোরকা পড়ে এমন অনেক বোনের পর্দা মেইনটেইন হয় না। অনেক জন বোরকা পড়েন ফ্যাশন হিসেবে, হিজাব কে আল্ট্রা মর্ডান ফ্যাশনের কালার, স্টাইল দিয়ে ডিজাইন করানো হয়েছে, যা কখনোই পর্দার সাথে যায় না। অনেক বোরকা পড়া মেয়েও বিভিন্ন বাজে কমেন্টের স্বীকার হন, আর এর জন্য মূলত দায়ী তাদের পূর্ণ পর্দা না হওয়া। তাহলে যেসব বোন পর্দাই করেন না, তাদের দিকে এই সমাজ কিভাবে তাকায় সেটা আপনাকে কিভাবে বোঝাবো? আল্লাহ এসব থেকে হেফাজত করুন, আর আমাদের বোনদের বোঝার তৌফিক দান করুন। সেই সাথে ভাইদের নজর হেফাজতের গুরুত্ব আরো বাডিয়ে দিক, কারণ এই নজর হেফাজত না করলে খুব দ্রুতই দ্বীন থেকে দূরে সরে যেতে মানুষ . ~ সামিউল ইসলাম শাকিল

photo content

গুনাহের কারণে জাহান্নামে যাওয়ার যে শাস্তি, সেই শাস্তিটা তো পরে দেওয়া হবে। গুনাহ করার সাথে সাথে সে শাস্তিটা বান্দার জন্য নেমে আসে সেটা হলো—আমল আর ইবাদাতের স্বাদ হারিয়ে ফেলা। আল্লাহর স্মরণগুলো যান্ত্রিক হয়ে উঠা। সালাতের জন্য পা না আগানো, সিয়াম রাখার জন্য দিল সাঁয় না দেওয়া, যিকিরের জন্য ঠোঁট নড়তে না চাওয়া। -আরিফ আজাদ

তুমি যে তাওবার ভরসায় গোনাহে লিপ্ত হতে চলেছো, কী নিশ্চিয়তা আছে যে, তাওবার সুযোগ তুমি পাবে। কে জানে মৃত্যুর ফিরেশতা তখন থাবা দেয়ার জন্য তৈয়ার হয়ে আছেন কি না! . একবার হাসান বসরী রহ. এর ছেলে বাবার কাছে এসে বলল, আব্বাজান! তীরটা ভেঙ্গে গেছে। তিনি বললেন, দেখি, কোনটা? ছেলে দেখাল যে, এটা। তখন তিনি দেখে বললেন الْأَمْرُ أَسْرَعُ مِنْ ذَلِكَ মৃত্যু এর চেয়েও দ্রুত ধাবমান। (ইবনু আবিদ্দুনয়া, ক্বাসরুল আমল : ৩৮) -শায়েখ উমায়ের কোব্বাদি হাফি.

‘মানুষ যখন অনবরত গুনাহ করতে থাকে, তখন একপর্যায়ে গুনাহের কাজটা তার কাছে একদম সহজ হয়ে যায় এবং তার অন্তরে এর ভয়াবহতা সম্পূর্ণ হারিয়ে যায়। আর এটাই হলো মানুষের চূড়ান্ত ধ্বংসের লক্ষণ।’ -ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম(রাহিঃ) [আদ-দা' ওয়াদ-দাওয়া, পৃঃ১৪৪]

কেন দ্বীনদার স্ত্রী এবং নেককার সন্তানের জন্য এত দু'আ করো? - এই যে উত্তর!
কেন দ্বীনদার স্ত্রী এবং নেককার সন্তানের জন্য এত দু'আ করো? - এই যে উত্তর!

বিয়ের পরও মানুষ প্রয়োজনে পরস্পরকে ছেড়ে যাচ্ছে"আর তুমি কারো কাছ থেকে শুধু বিয়ের প্রতিশ্রুতি নিয়ে সবকিছু বিসর্জন দিয়ে কাঁদছো?’        ____আতাউর রহমান নদভী

👀‼️
👀‼️

ট্রু🔥
ট্রু🔥

"ভালো স্বামীদের আল্লাহ তা'আলা যেসকল বিষয় দ্বারা পরীক্ষা করেন, তার মধ্যে একটি হলো— স্ত্রীর কটু কথায় ধৈর্যধারণ করা।" — ইমাম আল-গাজ্জালী (রহ.) [ইহইয়াউ উলুমিদ্দীন, ২/৪১]