ar
Feedback
Ikhlas-ইখলাস

Ikhlas-ইখলাস

الذهاب إلى القناة على Telegram

একটি ইসলামিক দাওয়াহ ডিজাইন চ্যানেল। শুধুমাত্র রবের সন্তুষ্টির জন্য ইনশাআল্লাহ।

إظهار المزيد

📈 نظرة تحليلية على قناة تيليجرام Ikhlas-ইখলাস

تُعد قناة Ikhlas-ইখলাস (@ikhlas66) في القطاع اللغوي البنغالي لاعباً نشطاً. يضم المجتمع حالياً 19 159 مشتركاً، محتلاً المرتبة 4 250 في فئة الدين والقيم الروحية والمرتبة 1 145 في منطقة بنغلاديش.

📊 مؤشرات الجمهور والحراك

منذ تأسيسه في невідомо، حقق المشروع نمواً سريعاً وجمع 19 159 مشتركاً.

بحسب آخر البيانات بتاريخ 14 يونيو, 2026، تحافظ القناة على نشاط مستقر. خلال آخر 30 يوماً تغيّر عدد الأعضاء بمقدار 212، وفي آخر 24 ساعة بمقدار 34، مع بقاء الوصول العام مرتفعاً.

  • حالة التحقق: غير موثّقة
  • معدل التفاعل (ER): يبلغ متوسط تفاعل الجمهور 10.63‎%. وخلال أول 24 ساعة من النشر يحصد المحتوى عادةً 5.36‎% من ردود الفعل نسبةً إلى إجمالي المشتركين.
  • وصول المنشورات: يحصل كل منشور على متوسط 2 034 مشاهدة. وخلال اليوم الأول يجمع عادةً 1 026 مشاهدة.
  • التفاعلات والاستجابة: يتفاعل الجمهور بانتظام؛ متوسط التفاعلات لكل منشور يبلغ 73.

📝 الوصف وسياسة المحتوى

يصف المؤلف القناة بأنها مساحة للتعبير عن الآراء الذاتية:
একটি ইসলামিক দাওয়াহ ডিজাইন চ্যানেল। শুধুমাত্র রবের সন্তুষ্টির জন্য ইনশাআল্লাহ।

بفضل وتيرة التحديث المرتفعة (أحدث البيانات بتاريخ 15 يونيو, 2026) تحافظ القناة على حداثتها ومستوى وصول مرتفع. وتُظهر التحليلات تفاعلاً نشطاً من الجمهور، ما يجعلها نقطة تأثير مهمة ضمن فئة الدين والقيم الروحية.

19 159
المشتركون
+3424 ساعات
+1037 أيام
+21230 أيام
أرشيف المشاركات
আল্লাহুম্মাগফিরলী!
আল্লাহুম্মাগফিরলী!

২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপে ব্যয় হয়েছিল ২২০ বিলিয়ন ডলার। অন্যদিকে জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির নির্বাহী পরিচালক ডেভিড বিসলি
২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপে ব্যয় হয়েছিল ২২০ বিলিয়ন ডলার। অন্যদিকে জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির নির্বাহী পরিচালক ডেভিড বিসলি বলেছেন, মাত্র ৪০ বিলিয়ন ডলার হলেই প্রতি বছর পৃথিবীর ৮২ কোটি ৮০ লাখ ক্ষুধার্ত মানুষের খাদ্যচাহিদা পূরণ করা সম্ভব। একদিকে কোটি কোটি ক্ষুধার্ত মানুষ, অন্যদিকে অনর্থক এক খেলার পেছনে চলছে গোটা পৃথিবীর সম্মিলিত উন্মাদনা। এই উন্মাদনা প্রমাণ করে, মনুষ্যত্বের মর্যাদা আমরা অনেক আগেই হারিয়ে ফেলেছি। পৃথিবী জুড়ে এখন কেবলই মনুষ্যত্ব-বিবর্জিত ‘খোলস-মানুষের’ বসবাস। ~ শায়েখ আহমাদুল্লাহ হাফি.

ইসলামের মূল ভিত্তিই হলো ‘তাসলিম’ তথা আল্লাহর ইচ্ছার কাছে পূর্ণ আত্মসমর্পণ। ইসলামের বিধান কোনো মানুষের মর্জির ওপর ঝুলে থাকে না। হিজাব পরা আল্লাহর আদেশ, আর তা বর্জন করা স্পষ্ট গুনাহ। গুনাহ করার ইচ্ছাকে আর যাই হোক, একজন মুসলিম কখনো সম্মান করতে পারে না। আধুনিকতার নামে দ্বীনের এই বিকৃতি আসলে প্রগতির খোলসে এক চরম মনস্তাত্ত্বিক দাসত্ব! সেকুলার লিবারেলরা যেখানে ইলাহ বানিয়ে নেয় মানুষের নফস ও মনস্তাত্ত্বিক চাহিদাকে, ইসলাম সেখানে একমাত্র সার্বভৌমত্ব দেয় আল্লাহকে। • ইসলামে ‘পছন্দ’ বা ‘অপছন্দের’ ভিত্তিতে কোনো ফরজ বিধান পালন বা বর্জনের লাইসেন্স দেওয়া হয়নি। কুরআনে স্পষ্ট বলা হয়েছে, ‘আল্লাহ ও তাঁর রাসুল কোনো নির্দেশ দিলে কোনো মুমিন পুরুষ বা মুমিন নারীর সেই বিষয়ে নিজেদের কোনো সিদ্ধান্তের অধিকার থাকে না। (সূরা আহযাব, আয়াত: ৩৬) অতএব, হিজাব ছাড়ার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানানোর অর্থ হলো আল্লাহর হুকুম অমান্য করার অবাধ্যতাকে স্বীকৃতি ও বাহবা দেওয়া, যা কোনো মুসলিমের মানহাজ হতে পারে না। • শরিয়তের পরিভাষায় হিজাব না পরা একটি স্পষ্ট কবিরা গুনাহ। লিবারেল থিওরি এই অবাধ্যতাকে ‘ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত’ এবং ‘অধিকার’ নামক গালভরা নাম দিয়ে সমাজে বৈধতা দিতে চায়। ইসলামে পাপীর তাওবা করার এবং পাপ লুকানোর সুযোগ আছে, কিন্তু পাপ করার অধিকারকে ‘সম্মান’ করার কোনো সুযোগ নেই। অবাধ্যতাকে সম্মান করার অর্থ হলো—স্রষ্টার চেয়ে সৃষ্টিকে বেশি প্রাধান্য দেওয়া। -সাদিক শাহরিয়ার

photo content

ইনশাআল্লাহ!
ইনশাআল্লাহ!

আবূ উবাইদাহ ইবনুল জাররাহ (রাযিয়াল্লাহু ‘আনহু) বলেছেন— “কত মানুষ আছে, যারা নিজেদের পোশাককে শুভ্র ও পরিচ্ছন্ন রাখে, অথচ নিজেদের দ্বীনকে কলুষিত করে! কত মানুষ আছে, যারা মনে করে সে নিজেকে সম্মানিত করছে, অথচ বাস্তবে সে নিজেকেই অপমানিত ও হেয় করছে! তোমরা পূর্বের গুনাহসমূহকে পরবর্তী সৎকর্মের মাধ্যমে দ্রুত মুছে ফেলার চেষ্টা করো।” (সিয়ারু আ'লামিন নুবালা-খণ্ড: ১, পৃষ্ঠা: ১৮)

আল্লাহুম্মাগফিরলী!
আল্লাহুম্মাগফিরলী!

২৪. رَبَّنَا هَبْ لَنَا مِنْ أَزْوَاجِنَا وَذُرِّيَاتِنَا قُرَّةَ أَعْيُنٍ وَاجْعَلْنَا لِلْمُتَّقِينَ إِمَامًا উচ্চারণ: রব্বানা হাবলানা মিন আজওয়াজিনা ওয়া জুররিয়‍্যাতিনা ক্বুররতা আ'য়ুনিউ ওয়াজ'আলনা লিলমুত্তাক্বীনা ইমামা। অর্থ: "হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের স্ত্রী ও সন্তান-সন্ততিদের পক্ষ থেকে আমাদের জন্য চোখের শীতলতা দান করুন এবং আমাদেরকে মুত্তাকীদের (পরহেজগারদের) জন্য আদর্শস্বরূপ করুন।" ২৫. اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْعَفْوَ وَالْعَافِيَةَ فِي الدُّنْيَا وَالْآخِرَةِ উচ্চারণ:আল্ল-হুম্মা ইন্নী আসআলুকাল 'আ'ফওয়া ওয়াল 'আ-ফিইয়াতা ফিদ্দুনইয়া ওয়াল আ-খিরহ্' অর্থ: "হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে দুনিয়া ও আখেরাতে ক্ষমা এবং পরিপূর্ণ সুস্থতা ও নিরাপত্তা (আফিয়াহ) কামনা করছি।" ২৬. رَبَّنَا آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً وَفِي الْآخِرَةِ حَسَنَةً وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ উচ্চারণ: রব্বানা আতিনা ফিদ্দুনইয়া হাসানাহ, ওয়াফিল আখিরাতি হাসানাহ, ওয়াকিনা আযাবান-নার অর্থ: হে আমাদের রব! আমাদের দুনিয়ায় কল্যাণ দিন, আখিরাতেও কল্যাণ দিন এবং জাহান্নামের শাস্তি থেকে রক্ষা করুন। ২৭. يَا حَيُّ يَا قَيُّومُ بِرَحْمَتِكَ أَسْتَغِيْتُ উচ্চারণ: ইয়া হাইয়ু ইয়া ক্বইয়ুম বিরহমাতিকা আস্তাগিস। অর্থ : হে চিরঞ্জীব, হে চিরস্থায়ী! আপনার রহমতের মাধ্যমে সাহায্য চাই। ২৮. رَّبِّ ارْحَمْهُمَا كَـمَا رَبَّـيَانِـي صَغِيرًا উচ্চারণ: রব্বির হাম-হুমা কামা রব্বা ইয়ানি সগিরা” অর্থ: "হে আমার প্রতিপালক! আমার পিতা-মাতার প্রতি রহম করুন, যেমন তাঁরা আমাকে শৈশবে পরম যত্নে লালন-পালন করেছিলেন।" ২৯. رَبِّ هَبْ لِي مِنَ الصَّالِحِينَ উচ্চারণ: রব্বি হাবলি মিনাস সলিহিন।" অর্থ: হে আমার রব! আমাকে সৎ ও নেক সন্তান দান করুন। ৩০: رَبِّ زِدْنِي عِلْمًا উচ্চারণ: রব্বি জিদনী ইলমা । অর্থ: হে আমার রব! আমার জ্ঞান বৃদ্ধি করে দিন। হাঁটতে-চলতে, কাজের ফাঁকে, অবসরে—যত বেশি সম্ভব আল্লাহর জিকির করুন। "নিশ্চয়ই আল্লাহর স্মরণেই হৃদয়সমূহ প্রশান্তি লাভ করে।" [সূরা রা'দ, ১৩:২৮] -সংগৃহীত

সময় নিয়ে জিকির গুলো করবেন অনেক ফজিলত পাবেন! (ইনশা'আল্লাহ) ১. سُبْحَانَ اللّٰهِ উচ্চারণ: সুবহানাল্লাহ অর্থ: আল্লাহ সকল ত্রুটি ও অপূর্ণতা থেকে পবিত্র। ২. اَلْحَمْدُ لِلّٰهِ উচ্চারণ: আলহামদুলিল্লাহ অর্থ: সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য। ৩. لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ উচ্চারণ: লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ অর্থ: আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই। ৪. اَللّٰهُ أَكْبَرُ উচ্চারণ: আল্লাহু আকবার অর্থ: আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ। ৫. أَسْتَغْفِرُ اللّٰهَ উচ্চারণ: আস্তাগফিরুল্লাহ অর্থ: আমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি। ৬. اَللّٰهُمَّ اغْفِرْ لِي উচ্চারণ: আল্লাহুম্মাগফিরলী অর্থ: হে আল্লাহ! আমাকে ক্ষমা করুন। ৭. يَا رَبِّ اغْفِرْ لِي উচ্চারণ: ইয়া রব্বিগফিরলী অর্থ: হে আমার রব! আমাকে ক্ষমা করুন। ৮. اَللّٰهُمَّ أَجِرْنِي مِنَ النَّارِ উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা আজিরনী মিনান-নার অর্থ: হে আল্লাহ! আমাকে জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা করুন। ৯. لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللّٰهِ উচ্চারণ: লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ অর্থ: আল্লাহর সাহায্য ছাড়া কোনো শক্তি ও সামর্থ্য নেই। ১০. لَا إِلٰهَ إِلَّا أَنْتَ سُبْحَانَكَ إِنِّي كُنْتُ مِنَ الظَّالِمِينَ উচ্চারণ: লা ইলাহা ইল্লা আনতা সুবহানাকা ইন্নি কুনতু মিনাজ-জালিমীন অর্থ: আপনি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই, আপনি পবিত্র। নিশ্চয়ই আমি জালিমদের অন্তর্ভুক্ত ছিলাম। ১১. لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ مُحَمَّدٌ رَّسُولُ اللّٰهِ ﷺ উচ্চারণ: লা ইলাহা ইল্লাল্লহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ সাঃ অর্থ: আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই, মুহাম্মাদ ﷺ আল্লাহর রাসুল। ১২. اَللّٰهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْجَنَّةَ وَأَعُوذُ بِكَ مِنَ النَّارِ উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকাল জান্নাতা ওয়া আউযুবিকা মিনান-নার অর্থ: হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে জান্নাত চাই এবং জাহান্নাম থেকে আশ্রয় চাই। ১৩. اَللّٰهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْعَافِيَةَ উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকাল আফিয়াহ অর্থ: হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে সুস্থতা ও নিরাপত্তা চাই। ১৪. رَبِّ إِنِّي ظَلَمْتُ نَفْسِي فَاغْفِرْ لِي উচ্চারণ: রব্বি ইন্নি জলামতু নাফসী ফাগফিরলি। অর্থ: হে আমার রব! আমি নিজের উপর জুলুম করেছি, আমাকে ক্ষমা করুন। ১৫. اَللّٰهُمَّ حَاسِبْنِي حِسَابًا يَسِيرًا উচ্চারণ: আল্লহুম্মা হাসিবনী হিসাবাই ইয়াসীর অর্থ: হে আল্লাহ! আমাকে সহজ হিসাব দান করুন। ১৬. يَا مُقَلِّبَ الْقُلُوبِ ثَبِّتْ قَلْبِي عَلَى دِينِكَ উচ্চারণ: ইয়া মুক্বল্লিবাল ক্বুলুব, সাব্বিত ক্বলবী আ'লা দীনিক। অর্থ: হে অন্তর পরিবর্তনকারী! আমার হৃদয়কে আপনার দ্বীনের উপর দৃঢ় রাখুন। ১৭. أَسْتَغْفِرُ اللّٰهَ الَّذِي لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ الْحَيُّ الْقَيُّومُ وَأَتُوبُ إِلَيْهِ উচ্চারণ: আসতাগফিরুল্ল-হাল্লাযি লা-ইলাহা ইল্লা হুওয়াল হাইয়ুল ক্বইয়ুম ওয়াতুবু ইলাইহি। অর্থ: আমি সেই আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই যিনি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই, তিনি চিরঞ্জীব, চিরস্থায়ী, এবং আমি তাঁর কাছে তাওবা করছি। ১৮. اَللّٰهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْهُدَى وَالسَّدَادَ উচ্চারণ: আল্লহুম্মা ইন্নী আসআলুকাল হুদা ওয়াস সাদা-দ। অর্থ: হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে হিদায়াত ও সঠিক পথ চাই। ১৯. حَسْبُنَا اللّٰهُ وَنِعْمَ الْوَكِيلُ উচ্চারণ: হাসবুনাল্লাহু ওয়া নি'মাল ওয়াকিল অর্থ: আল্লাহই আমাদের জন্য যথেষ্ট, তিনিই উত্তম কর্মবিধায়ক। ২০. اَللّٰهُمَّ صَلِّ وَسَلِّمْ عَلَى نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ ﷺ উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা সাল্লি ওয়া সাল্লিম আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ ﷺ অর্থ: হে আল্লাহ! আমাদের নবী মুহাম্মদ ﷺ-এর প্রতি রহমত ও শান্তি বর্ষণ করুন। ২১. اَللّٰهُمَّ ارْزُقْنِي شَهَادَةً فِي سَبِيلِكَ وَاجْعَلْ مَوْتِي فِي بَلَدِ رَسُولِكَ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ উচ্চারণ :আল্লহুম্মারযুকনি শাহাদাতাং ফি সাবিলিক, ওয়ায'আ'ল মাওতি ফি বালাদি রসুলিকা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম । অর্থ: “হে আল্লাহ! আমাকে আপনার পথে শহীদ হওয়ার রিজিক দান করুন এবং আমার মৃত্যু আপনার রাসূল ﷺ-এর শহরে (মদিনায়) হওয়ার ব্যবস্থা করে দিন।” ২২. رَبِّ إِنِّي لِمَا أَنزَلْتَ إِلَيَّ مِنْ خَيْرٍ فَقِير উচ্চারণ: রব্বি ইন্নি লিমা আংযালতা ইলাইয়া মিন খাইরিন ফাকির । অর্থ:‌ হে আমার রব! আপনি যে কল্যাণ আমার জন্য নাজিল করবেন, আমি তার মুখাপেক্ষী। ২৩. رَبَّنَا اغْفِرْ لِي وَلِوَالِدَيَّ وَلِلْمُؤْمِنِينَ يَوْمَ يَقُومُ الْحِسَابُ) উচ্চারণ: রব্বানাগ-ফিরলি ওয়ালি ওয়ালিদাইয়্যা ওয়ালিল মুমিনিনা ইয়াওমা ইয়াক্বুমুল হিসাব।’ অর্থ: হে আমাদের রব! আমাকে, আমার পিতা-মাতাকে এবং সমস্ত মুমিনদেরকে ক্ষমা ন সেই , যেদিন হিসাব কায়েম হবে (কিয়ামতের দিন)।”

photo content

উত্তম বিবাহের জন্য বা রিজিকের যদি শুধু একটা আমল সাজেস্ট করতে হয় তাহলে আমি এই আমল টাই সাজেস্ট করবো। ইস্তেগফার....ইস্তেগফার....ইস্তেগফার! প্রচুউউউউর ইস্তেগফার! অতিরিক্ত ইস্তেগফার করলে রিজিক যে কিভাবে বৃদ্ধি পেতে থাকবে। বিয়েও তো রিজিকের ই অংশ। তাই ইস্তেগফারের আমলটাকে শক্ত ভাবে আকড়ে ধরুন। ইস্তেগফার শুধু শুরু করে দেখুন কঠোর ভাবে। সুবহানাল্লহ! আপনি শুধু তাজ্জব হয়ে তাকিয়ে দেখবেন আর ভাববেন – “এও কি সম্ভব? কি করে সম্ভব হলো?” আল্লহু আকবর! আপনি শুধু শুরু করুন বিইযনিল্লাহ। আল্লহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলা নিজেই কুরআনে এই কথা বলেছেন। আল্লহ যা বলেছেন, তা কি আর যেন তেন বা দূর্বল কথা হতে পারে? বলুন? আল্লহ ﷻ নিজেই বলেছেন– “অতঃপর আমি বলেছি, ‘তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করো। নিশ্চয়ই তিনি মহাক্ষমাশীল। তিনি তোমাদের ওপর প্রচুর বৃষ্টি বর্ষণ করবেন, তোমাদের ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি বৃদ্ধি করবেন, তোমাদের জন্য উদ্যান সৃষ্টি করবেন এবং তোমাদের জন্য নদী-নালা প্রবাহিত করবেন।’” — সূরা নূহ, আয়াত ১০–১২ এই আয়াতের উপর আমল করে দেখুন। জীবন বদলে যাবে ইন শা আল্লহ। আসুন এই পোস্ট দেখার সাথে সাথে ১০ বার ইস্তেগফার করে নেই। সম্ভব হলে সবচেয়ে উত্তম ইস্তেগফার অর্থাৎ সাইয়্যেদুল ইস্তেগফার পাঠ করি। সাইয়্যেদুল ইস্তেগফার– اللَّهُمَّ أَنْتَ رَبِّي لَا إِلٰهَ إِلَّا أَنْتَ، خَلَقْتَنِي وَأَنَا عَبْدُكَ، وَأَنَا عَلَى عَهْدِكَ وَوَعْدِكَ مَا اسْتَطَعْتُ، أَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا صَنَعْتُ، أَبُوءُ لَكَ بِنِعْمَتِكَ عَلَيَّ، وَأَبُوءُ بِذَنْبِي، فَاغْفِرْ لِي، فَإِنَّهُ لَا يَغْفِرُ الذُّنُوبَ إِلَّا أَنْتَ উচ্চারণঃ আল্লাহুম্মা আংতা রব্বী, লা ইলাহা ইল্লা আংতা খলাক্বতানী ওয়া আনা আবদুক, ওয়া আনা ‘আলা আহদিকা ওয়া ওয়াদিকা মাসতাতো‘ত, আউযু বিকা মিং শাররি মা ছনা‘ত, আবূউ লাকা বি নি‘মাতিকা ‘আলাইয়্যা, ওয়া আবূউ বি যাম্বী, ফাগফির লী, ফা ইন্নাহু লা ইয়াগফিরুয যুনূবা ইল্লা আংতা। অর্থঃ“হে আল্লাহ! আপনি আমার রব, আপনি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই। আপনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন এবং আমি আপনার বান্দা। আমি আমার সাধ্য অনুযায়ী আপনার অঙ্গীকার ও প্রতিশ্রুতির ওপর অটল আছি। আমি আমার কৃতকর্মের অনিষ্ট থেকে আপনার আশ্রয় চাই। আপনার যে নিয়ামত আমার ওপর রয়েছে তা স্বীকার করছি এবং আমার গুনাহও স্বীকার করছি। অতএব আপনি আমাকে ক্ষমা করুন। নিশ্চয়ই আপনি ছাড়া গুনাহ ক্ষমা করার কেউ নেই।” আরও কিছু ছোট ইস্তেগফার দিচ্ছি। এগুলোও করতে পারেন ইন শা আল্লহ। ১. أَسْتَغْفِرُ اللَّهَ الْعَظِيمَ উচ্চারণ: আস্তাগফিরুল্লহাল আযীম। অর্থ: আমি মহান আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করি। ২. أَسْتَغْفِرُ اللَّهَ الْعَظِيمَ وَأَتُوبُ إِلَيْهِ উচ্চারণ: আস্তাগফিরুল্লাহাল আযীমা ওয়া আতূবু ইলাইহি। অর্থ: আমি মহান আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই এবং তাঁর কাছে তওবা করি। ৩. رَبِّ اغْفِرْ لِي উচ্চারণ: রব্বিগফির লী। অর্থ: হে আমার রব! আমাকে ক্ষমা করুন। ৪. اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي وَارْحَمْنِي উচ্চারণ: আল্লাহুম্মাগফির লী ওয়ারহামনী। অর্থ: হে আল্লাহ! আমাকে ক্ষমা করুন এবং আমার প্রতি দয়া করুন। ৫. رَبِّ اغْفِرْ وَارْحَمْ وَأَنْتَ خَيْرُ الرَّاحِمِينَ উচ্চারণ: রব্বিগফির ওয়ারহাম, ওয়া আনতা খাইরুর রাহিমীন। অর্থ: হে আমার রব! ক্ষমা করুন, দয়া করুন; আপনিই সর্বশ্রেষ্ঠ দয়াকারী। ৬. اللَّهُمَّ إِنَّكَ عَفُوٌّ تُحِبُّ الْعَفْوَ فَاعْفُ عَنِّي উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউন তুহিব্বুল আফওয়া ফা'ফু আন্নী। অর্থ: হে আল্লাহ! আপনি ক্ষমাশীল, ক্ষমা করতে ভালোবাসেন; তাই আমাকে ক্ষমা করুন। ৭. أَسْتَغْفِرُ اللَّهَ وَأَتُوبُ إِلَيْهِ উচ্চারণ: আস্তাগফিরুল্লাহা ওয়া আতূবু ইলাইহি। অর্থ: আমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই এবং তাঁর কাছে তওবা করি। ৮. اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي ذَنْبِي كُلَّهُ উচ্চারণ: আল্লাহুম্মাগফির লী যাম্বী কুল্লাহু। অর্থ: হে আল্লাহ! আমার সকল গুনাহ ক্ষমা করে দিন। সবচেয়ে সহজ ও বেশি পড়া হয়: "أَسْتَغْفِرُ اللَّهَ",(আস্তাগফিরুল্লহ) "أَسْتَغْفِرُ اللَّهَ وَأَتُوبُ إِلَيْهِ",(আস্তাগফিরুল্লহ ওয়া আতুবু ইলাইহ) এবং "أَسْتَغْفِرُ اللَّهَ الْعَظِيمَ"(আস্তাগফিরুল্লহাল আযীম)। এগুলো চলতে-ফিরতে, কাজের ফাঁকে, কিংবা যে কোনো সময় পড়া যাবে ইং শা আল্লহ। লিখা ~ উম্মে আদন

photo content

সমাধান? শরীয়াহ🔥 Elviro
সমাধান? শরীয়াহ🔥 Elviro

অসম্ভবকে সম্ভব করার একটা আমল বলি। আপনার কোনো কিছুর খুব প্রয়োজন হয়েছে। ওটা পাওয়ার সম্ভাবনা দেখছেন না। ধরেন, টাকা বা অন্যকিছ
অসম্ভবকে সম্ভব করার একটা আমল বলি। আপনার কোনো কিছুর খুব প্রয়োজন হয়েছে। ওটা পাওয়ার সম্ভাবনা দেখছেন না। ধরেন, টাকা বা অন্যকিছুর জরুরত হয়েছে খুব। কোনো উপায় নেই, কী করবেন বুঝতে পারছেন না। উঠুন। সুন্দর করে ওযু করুন। উত্তম রূপে দরুদ ও ইসতেগফার পাঠ করুন। অতঃপর, সেই জরুরতটা মাথায় রেখে দুই রাকাত সালাতুল হাজত আদায় করুন। সালাত শেষে আবার দরুদ ও ইসতেগফার পাঠ করে রবের কাছে আকুতি মিনতি করে দোয়া করুন। যদি সেটা আপনার জন্য কল্যাণকর হয়, তাহলে নিশ্চিত আপনার সেই জরুরতটা পূরণ হবে ইনশাআল্লাহ। এটা পরীক্ষিত আমল। -মাহমুদ বিন নূর

তারা আমাকে চোখ বেঁধে বেডরুমে নিয়ে গেল। সব কাপড় খুলতে আদেশ দিল। পুরোপুরি নগ্ন করে তল্লাশি করল আমাকে। বলল–সোজা হয়ে দাঁড়া, ১৪ বার উঠবস কর। তারপর পেছনে ঘুর। ঘুরে ১৪ বার উঠবস কর। আমি উঠবস করছিলাম আর জিজ্ঞেস করছিলাম এর কি আদৌ কোনো দরকার ছিল? তারা বলল–অবশ্যই দরকার আছে। চুপ থাক। যা বলছি সেটা কর। পেছন থেকে ৪-৫ জন মেল সোলজার হো হো করে হাসছিল। তারপর আমি বললাম–ওকে, ঠিক আছে। আমার কাপড়গুলো ফিরিয়ে দাও। তারা স্লো মোশনে একটা একটা করে কাপড় ফেরত দিল। তারপর একটা মেল সোলজার আমার চোখের বাঁধন খুলে দিল। দিয়ে বলল–তোর ফোন ওপেন কর। এখনো তো মরিস নাই। আমি তার মুখে থুতু দিলাম। সাথে থাকা ফিমেল সোলজার আমার উপর হামলে পড়ল। ক্রমাগত আমার মুখে ঘুষি মারতে লাগল। এরপর তারা বেরিয়ে গেল। কিছুক্ষণ পর আবার এল! একজন একজন করে। এসে আমার চারপাশ ঘিরে বসল। আমার শরীর হাতড়াতে লাগল। বলল–উই আর গোইং টু রে*ই*প ইউ! একজন আমার আবায়া টান দিয়ে ছিড়ে ফেলল। আমার গায়ে হাত দিল! আরেকজন টান দিয়ে ভেতরে নামাজের কাপড়টাও ছিড়ে ফেলল। তারপর শুরু হল চারদিক থেকে আক্রমণ! কেউ উপর থেকে হাত দিচ্ছে তো কেউ নিচ থেকে। কেউ সামনে থেকে, কেউ পেছন থেকে। শরীরের কোনো জায়গাই বাদ ছিল না। আমি যতটা সম্ভব শরীর গুটিয়ে রাখছিলাম। তাদেরকে যতটা দূরে রাখা যায়, সেই চেষ্টা করছিলাম। তারপর তারা চলে গেল। আর আসেনি। আল জাযিরার প্রকাশিত বডিজ অব এভিডেন্স ডকুমেন্টারি থেকে এক ফিলিস্তিনি তরুণীর সাক্ষাৎকার। জাতিসংঘ, হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশন্স, লইয়ার, ইজরাইলি হুইসেল ব্লোয়ার, সবার বক্তব্য থেকে একটা প্যাটার্নই উঠে এসেছে–ইজরাইল অত্যন্ত সিস্টেম্যাটিক্যালি শিশু, যুবক, বৃদ্ধ, নারী, পুরুষ সবার বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নকে অস্ত্র হিসেবে ইউজ করে। সূত্রঃ আল জাযিরা

photo content

এই ছবিটি আজ ভোর ৪টার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি থেকে। এমন দৃশ্য শুধু ঢাবিতে নয়, সারা দেশেই দেখা যায়। فَذَرْهُمْ يَخُوضُوا و
এই ছবিটি আজ ভোর ৪টার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি থেকে। এমন দৃশ্য শুধু ঢাবিতে নয়, সারা দেশেই দেখা যায়। فَذَرْهُمْ يَخُوضُوا وَيَلْعَبُوا حَتّٰى يُلٰقُوا يَوْمَهُمُ الَّذِي يُوعَدُونَ “অতএব তাদেরকে ছেড়ে দাও; তারা বেহুদা কথায় মগ্ন থাকুক এবং খেল-তামাশায় মত্ত থাকুক, যতক্ষণ না তারা সেই দিনের সম্মুখীন হয়, যার প্রতিশ্রুতি তাদেরকে দেওয়া হয়েছে।” সূরা আয-যুখরুফ, ৪৩:৮৩

পুরুষ কুদৃষ্টি থেকে এবং নারী বেপর্দা থেকে বাঁচার জন্য একটি চিকিৎসা হল, নিজেই নিজের জন্য সাজা নির্ধারণ করা যে, কুদৃষ্টি হয়ে গেলে আমি নিজেকে এই শাস্তি দিব এবং পরপুরুষের সামনে গেলে এই শাস্তি দিব। যেমন নির্জনে গামছা বা ওড়না পেঁচিয়ে চাবুকের মত বানাবেন। তার তা দিয়ে নিজের পেটে বা পিঠে কয়েকটি আঘাত করুন। তারপর ভাবুন, যখন কেয়ামতের দিন ফেরেশতারা চাবুক মারবে তখন কী অবস্থা হবে? এ পদ্ধতিতে কয়েকদিনের মধ্যেই কুদৃষ্টির চিন্তা এবং বেপর্দার অভ্যাস খতম হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ। -উমায়ের কোব্বাদি হাফি.

স্ত্রীর সম্পদের মধ্যে রয়েছে রোগমুক্তি! এক ব্যক্তি আলী ইবনু আবী ত্বলিব (রা.)-এর কাছে এসে বলল, আমার পেটে তীব্র ব্যথা হচ্ছে। তখন আলী (রা.) তাকে জিজ্ঞেস করলেন, তোমার কি স্ত্রী আছে? সে বলল, হ্যাঁ। আলী (রা.) বললেন, যাও, তার কাছে গিয়ে তার সন্তুষ্টচিত্তে কিছু টাকা চেয়ে নাও। তারপর তা দিয়ে মধু কেনো এবং তার সাথে বৃষ্টির পানি মিশিয়ে পান করো। কারণ মহান আল্লাহ তাঁর কিতাবে স্ত্রীর সম্পদের ব্যাপারে বলেন, "আর তারা (স্ত্রীরা) যদি স্বতঃস্ফূর্ত মনে তোমাদেরকে তার (সম্পদের) কিছু অংশ ছেড়ে দেয়, তবে তা স্বাচ্ছন্দ ও তৃপ্তির সঙ্গে গ্রহণ করো।" (সূরা আন-নিসা: ৪) আর মধু সম্পর্কে বলেছেন: "তার (মৌমাছির) পেট থেকে বিভিন্ন রঙের পানীয় বের হয়, যাতে মানুষের জন্য রয়েছে আরোগ্য।" (সূরা আন-নাহল: ৬৯) এবং বৃষ্টির পানি সম্পর্কে বলেছেন: "আর আমরা আকাশ থেকে বরকতময় পানি বর্ষণ করেছি।" (সূরা ক্বাফ: ৯) সুতরাং, যখন একাধারে বরকত, আরোগ্য এবং স্বাচ্ছন্দ্য ও তৃপ্তি একসাথে তোমার মধ্যে জমা হবে, তখন ইনশাআল্লাহ তুমি অবশ্যই অসুস্থতা থেকে আরোগ্য লাভ করবে। (বর্ণনাকারী বলেন) অত:পর লোকটি গিয়ে তাই করল, এবং আল্লাহর ইচ্ছায় সে সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে গেল। . أن رجلاً جاء إلى علي رضي الله عنه: فقال: إن في بطني وجعاً، فقال له عليٌّ: ألك زوجة؟ قال: نعم، ‏قال: اذهب فاستوهب منها شيئاً من مالها طيِّبة به نفسُها، ثم اشتر به عسلاً، ثم اسكبْ عليه من ماء السماء، ثم اشربْه، فإن الله تعالى يقول في كتابه ‏في مال الزوجة: ‏{فإن طبن لكم عن شيء منه نفسا فكلوه هنيئا مريئا} ويقول في العسل: {يخرج من بطونها شراب مختلف ألوانه فيه شفاء للناس} ويقول في المطر:‏ {ونزلنا من السماء ماء مباركا} فإذا اجتمعت البركة والشفاء والهنيِّ والمريِّ شُفيتَ إن شاء الله. فذهب الرجل ففعل ذلك فشُفي 📚 তাফসীরে রুহুল মা'আনি - ইমাম আলুসী (৪/২০০ পৃষ্ঠা) -মুহাম্মদ শাহরিয়ার

photo content

Ikhlas-ইখলাস - إحصائيات وتحليلات قناة تيليجرام @ikhlas66