es
Feedback
Ikhlas-ইখলাস

Ikhlas-ইখলাস

Ir al canal en Telegram

একটি ইসলামিক দাওয়াহ ডিজাইন চ্যানেল। শুধুমাত্র রবের সন্তুষ্টির জন্য ইনশাআল্লাহ।

Mostrar más

📈 Análisis del canal de Telegram Ikhlas-ইখলাস

El canal Ikhlas-ইখলাস (@ikhlas66) en el segmento lingüístico de Bengalí es un actor destacado. Actualmente la comunidad reúne a 19 308 suscriptores, ocupando la posición 4 079 en la categoría Religión y espiritualidad y el puesto 1 159 en la región Bangladesh.

📊 Métricas de audiencia y dinámica

Desde su creación el невідомо, el proyecto ha mostrado un crecimiento acelerado, reuniendo a 19 308 suscriptores.

Según los últimos datos del 31 agosto, 2026, el canal mantiene una actividad estable. En los últimos 30 días la variación de miembros fue de 127, y en las últimas 24 horas de -5, conservando un alto alcance.

  • Estado de verificación: No verificado
  • Tasa de interacción (ER): El promedio de interacción de la audiencia es 10.41%. Durante las primeras 24 horas tras publicar, el contenido suele obtener 4.81% de reacciones respecto al total de suscriptores.
  • Alcance de las publicaciones: Cada publicación recibe en promedio 2 011 visualizaciones. En el primer día suele acumular 928 visualizaciones.
  • Reacciones e interacción: La audiencia responde de forma activa: el promedio de reacciones por publicación es 67.

📝 Descripción y política de contenido

El autor describe el recurso como un espacio para expresar opiniones subjetivas:
একটি ইসলামিক দাওয়াহ ডিজাইন চ্যানেল। শুধুমাত্র রবের সন্তুষ্টির জন্য ইনশাআল্লাহ।

Gracias a la alta frecuencia de actualizaciones (últimos datos recibidos el 01 septiembre, 2026), el canal mantiene la vigencia y un amplio alcance. La analítica demuestra que la audiencia interactúa activamente con el contenido, lo que lo convierte en un punto de referencia dentro de la categoría Religión y espiritualidad.

19 308
Suscriptores
-524 horas
Sin datos7 días
+12730 días
Archivo de publicaciones
ইমাম শাফেয়ী (রহ.) বলেন — ‘দরিদ্রতার কারণে আমি কখনও দুশ্চিন্তায় পড়ি না। কেননা যতটুকু দরকার - তার চেয়ে বেশি দুনিয়াবি সম্পদ তালাশ করাটা একরকম শাস্তি। এর মাধ্যমে মুমিন বান্দাদের শাস্তি দেওয়া হয়।’ [সিয়ারু আ'লামিন নুবালা, ১০/৯৭]

"আমি যখন মৃত্যুকে স্মরণ করি, তখন দুনিয়ার সবকিছু আমার কাছে হালকা মনে হয়!" . — ইমাম আহমাদ বিন হাম্বল রাহিমাহুল্লাহ। — [তারিখুল ইসলাম লিল যাহাবী: ১৮/৮১]।

একদম🔥
একদম🔥

জান্নাতে যাওয়ার ১০ শর্তঃ ১। ঈমানঃ এটা হলো জান্নাতে যাওয়ার রূহ। ২। আমলঃ এটা জান্নাতে যাওয়ার দেহ। ৩। ইহসানঃ এটা হলো রূহ এবং দেহের শক্তি। হাদিসে আছে, এমনভাবে আল্লাহ তা'আলার ইবাদত করতে হবে যেন আমি আল্লাহ তা'আলা কে দেখছি, এমন সম্ভব না হলে এটা মনে করা যে আল্লাহ তা'আলা আমাকে দেখছেন। ইহসান দুইভাবে হাসিল হয়ঃ ক) অধিক পরিমাণে আল্লাহ তা'আলার জিকরের মাধ্যমে খ) হক্কানি উলামায়ে কেরামের সাহচর্যের দ্বারা । ৪। সুন্নাহঃ এটা হলো জান্নাতে যাওয়ার রাস্তা। তবে শুধু টুপি দাড়ি লম্বা জামা এসব ই সুন্নত নয়, রাসুল সাল্লাল্লহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের তরিকা নয়। সমস্ত ইসলাম ই রাসুল সাল্লাল্লহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের তরিকা। ৫। ইলমে ওহিঃ এটা হলো জান্নাতে পৌছানোর রাস্তা। কুরআন ও হাদিসের সহিহ ইলম। ৬। আল কুরআনঃ এটা হলো জান্নাতে যাওয়ার জন্য আলো। ৭। রাসুল সাল্লাল্লহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামঃ তিনি হলেন জান্নাতে যাওয়ার পথ প্রদর্শক। তিনি দুনিয়ায় তাঁর ওয়ারিশ হিসেবে রেখে গেছেন হক্কানি উলামায়ে কেরাম। তাঁরা রাসুল সাল্লাল্লহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর অবর্তমানে পথ প্রদর্শক। ৮। সর্ব প্রকার হারাম এবং গুনাহ থেকে বিরত থাকাঃ হারাম কাজ জান্নাতে যাওয়ার পথে প্রতিবন্ধকতা। ৯। ইখলাসঃ এটা হলো নিরাপত্তা। ইখলাস ওয়ালা আমল নিরাপদে জান্নাতে যাওয়ার রাস্তা। ১০। ইকদামঃ নেক আমলের প্রতি উদ্বুদ্ধ হওয়া। আমলের আগ্রহ না থাকলে জান্নাতে যাওয়া যাবেনা। -মুফতি দিলাওয়ার হুসাইন হাফিযাহুল্লাহ এর বয়ান থেকে সংগৃহীত

সে যেন স্বপ্নের নারীকে নিজের করে পেয়েছে!
সে যেন স্বপ্নের নারীকে নিজের করে পেয়েছে!

কনসার্ট বন্ধ কেন? জাতিসংঘ জবাব চাই👀
কনসার্ট বন্ধ কেন? জাতিসংঘ জবাব চাই👀

দু'আ, সবর & অপেক্ষা...
দু'আ, সবর & অপেক্ষা...

সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!

মৃত্যু কি তোমাকে ডাকেনি?
মৃত্যু কি তোমাকে ডাকেনি?

গুনাহ থেকে বেঁচে থাকার দশটি কৌশলঃ ১) নিয়ত করা (গুনাহের সুযোগ পেলেও গুনাহ করবো না)। ২) সর্বদা ওযু অবস্থায় থাকা। ৩) অধিক পরিম
গুনাহ থেকে বেঁচে থাকার দশটি কৌশলঃ ১) নিয়ত করা (গুনাহের সুযোগ পেলেও গুনাহ করবো না)। ২) সর্বদা ওযু অবস্থায় থাকা। ৩) অধিক পরিমাণে ইস্তেগফার করা। ৪) গুনাহের পরিবেশ পরিবর্তন করা। ৫) প্রত্যেক কাজের শুরুতে বিসমিল্লাহ বলা। ৬) ঘর থেকে বের হওয়ার সময় দোয়া পড়া। بِسْمِ اللَّهِ تَوَكَّلْتُ عَلَى اللَّهِ لاَ حَوْلَ وَلاَ قُوَّةَ إِلاَّ بِاللَّهِ. ৭) সর্বদা জিকিরে কলবী (মনে মনে জিকির) করা। ৮) ফজরের নামাজ জামাতের সাথে পড়া। ৯) জবানের হেফাজত করা। ১০) প্রত্যেক নামাযের পরে নিম্নোক্ত আয়াতের দুই থেকে পাঁচ মিনিট মোরাকাবা করা। وَهُوَ مَعَكُمْ أَيْنَ مَا كُنتُمْ (তোমরা যেখানেই থাকো না কেন আল্লাহ তোমাদের সাথে আছেন) -শায়েখ উমায়ের কোব্বাদি হাফি.

মিউজিক হারাম না হালাল এই ছোট্ট একটা বিষয় দিয়েই ইমান এবং কুফরের দ্বন্দ্ব স্পষ্ট হয়ে যাচ্ছে। . রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তো আগেই আমাদের বলে গিয়েছেন - “আমার উম্মতের মধ্যে এমন কিছু লোক জন্মাবে, যারা ব্যভিচার, রেশমি পোশাক, মদ এবং বাদ্যযন্ত্রকে হালাল বা বৈধ মনে করবে...” (সহিহ বুখারী, হাদিস নং ৫৫৯০) . কুফর আর ইমানের বিভক্তির এই ধারা অব্যাহত থাকবে ইন শা আল্লাহ। আল্লাহ কপটতা পছন্দ করেন না । কপট দের মুখোশ উন্মোচন শুরু হয়ে গিয়েছে । -মুইন খান পাঠান

আহ!
আহ!

রবিউল আওয়াল মাসের আজকের চাঁদ!
+3
রবিউল আওয়াল মাসের আজকের চাঁদ!

রাসুল (ﷺ) রাগ হতেন, কিন্তু গালি দিতেন না। তিনি মজা করতেন, কিন্তু অশ্লীল বা মিথ্যা বলতেন না। অকৃত্রিম ভাবে সবার সাথে মিশতেন কি
রাসুল (ﷺ) রাগ হতেন, কিন্তু গালি দিতেন না। তিনি মজা করতেন, কিন্তু অশ্লীল বা মিথ্যা বলতেন না। অকৃত্রিম ভাবে সবার সাথে মিশতেন কিন্তু আত্মমর্যাদাহীন ছিলেন না। তিনি গম্ভীর থাকতেন, তবে অহংকারী ছিলেন না। সবচেয়ে নরম মেজাজের ছিলেন তিনি। সবর ও ধৈর্যের ছিলেন মূর্তপ্রতীক কিন্তু দ্বীনের কোন বিষয়ে ত্রুটি বা অবহেলাতে তিনিই হয়ে উঠতেন সবচেয়ে কঠোর। কখনো কখনো দামী পোষাক পরেছেন, কিন্তু শো অফ করতেন না। তালিযুক্ত জামাও থাকতো, কিন্তু অকৃতজ্ঞ ছিলেন না। দুর থেকে কেউ তাকে দেখলে ভয় পেত। কিন্তু তার সাথে মিশলে তিনিই হয়ে উঠতেন তার সবচেয়ে প্রিয়। পরিবারকে শাষন করতেন, তবে বদমেজাজী ছিলেন না। পরিবারকে ভালবাসতেন, কিন্তু দ্বীনের ব্যাপারে কোন ছাড় দিতেন না। তাকে সাহাবীরা সর্বোচ্চ সম্মান ও শ্রদ্ধা করতেন,তার সামনে উচু আওয়াজে কথা বলতেন না। কিন্তু তার কাছেই নিজের সমস্যা কষ্ট অকপটে শেয়ারও করতে পারতেন। তিনি এমনই একজন ছিলেন, যাকে একই সাথে শ্রদ্ধা ও ভালবাসা, ভয় ও মুহাব্বত করা যেত। ব্যালেন্সড ও সর্বোত্তম আখলাকের অধিকারী ছিলেন আমার রাসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। [রিযওয়ানুল কবির সানিন]

শাইখুল ইসলাম ইমাম ইবনে তাইমিয়্যাহ রাহিমাহুল্লাহ বলেছেন, "তাঁর জন্মদিনের ব্যাপারে মতভেদ রয়েছে, তবে তিনি যে সোমবার মৃত্যুবরণ করেছিলেন সে বিষয়ে কোন মতভেদ নেই। আর ১২ই রবিউল আউয়াল যে তাঁর মৃত্যু দিবস, সে বিষয়ে জুমহুর (অধিকাংশ আলেম) একমত।" (মাজমু' আল-ফাতাওয়া ২৫/২৫২)

সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!

সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম 💚
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম 💚

একদম🔥
একদম🔥

গুরুত্বপূর্ণ!!
গুরুত্বপূর্ণ!!