en
Feedback
জ্ঞান - Knowledge

জ্ঞান - Knowledge

Open in Telegram

🙂🙂🙂

Show more
1 954
Subscribers
No data24 hours
-77 days
-1830 days
Posts Archive
পাত্র হিসেবে আপনার লম্বা ছেলে পছন্দ পাত্রী হিসেবে আমারও সুদর্শনা কাউকে পছন্দ হবে প্রথমটার নাম দিয়েছেন 'চয়েস' আর দ্বিতীয়টা 'রেসিজম'। টাক মাথা ছেলে দেখলে আপনার মুখ গোমড়া হয়ে যায় আপনি চান মাথা ভর্তি চুল অথচ আমি লম্বা চুলের কোনো মেয়েকে চাইলেই দোষ! পছন্দ শুধু আপনারই থাকবে আমার নয়? বিয়ে করতে গেলে আপনি বিসিএস ক্যাডার বা সরকারি চাকরিজীবী ছেলেকে প্রাধান্য দেন এইটা হচ্ছে আপনার 'ডিমান্ড', অথচ আমি বড়লোক বাপের মেয়ে চাইলেই হয়ে যাই 'লোভী'! ভুঁড়ি ওয়ালা ছেলে আপনার পছন্দ না আপনি খোঁজেন ঋত্বিক এর মতো ফিট বডি এটা হচ্ছে আপনার স্মার্টনেস, অথচ আমি স্লিম ফিগারের মেয়ে চাইলেই, দেখছো- ছেলেটা মনে করে মেয়েরা পণ্য! মানুষ বুঝি মোটা হয় না? আপনি সুন্দর হ্যান্ডসাম চাপদাড়ি ওয়ালা ছেলে চান, অথচ আমি অল্প বয়সী মেয়ে খুঁজলেই 'এতো কচি মেয়ে খোঁজা ক্যান'? টাইপ খোঁচা দিতে ছাড়েন না। নিজের ভাইয়ের বিয়ের সময় আপনি সবসময় নিট এন্ড ক্লিন একটা মেয়ে খোঁজেন রিলেশন থাকা যাবে না, ফর্সা, সুন্দরী, ধার্মিক, সংসারী, রান্না জানে ইত্যাদি। কিন্তু আপনাকে দেখতে গিয়ে কেউ যদি বলে রিলেশন ছিল কি না? ধর্ম কর্ম করো কী না? রান্না পারো কী না? তাইলে ওরা হচ্ছে ব'দ অশিক্ষিত! আপনি যদি কোনো কারণ দেখিয়ে রিলেশন ব্রেকআপ করেন তাহলে আপনি হলেন বুদ্ধিমতী মেয়ে, আর কোনো ছেলে করলে সে হচ্ছে চি'টার বাট'পার! আপনি যদি বয়ফেন্ড ছেড়ে ভালো ক্যারিয়ার ওয়ালা ছেলেকে বিয়ে করেন তাহলে আপনি হলেন প্রজ্ঞা সম্পূর্ণ মহিলা, আর আমি যদি সেম কাজ করি, আমি হলাম চরি'ত্রহীন কাপুরুষ! আপনার ভাইয়ের বিয়েতে শ্বশুরবাড়ি থেকে প্রচুর জিনিস দিলে সেইটা হচ্ছে 'উপহার' এগুলো নিতে আপনার কোনো আপত্তি নাই, একই কাজ আপনার বিয়েতে হলে সেইটা 'যৌতুক' আর তারা অমানুষ! আপনি চান দশ লক্ষ টাকা কাবিন এটা আপনার 'সিকিউরিটি' অথচ আমি ভা'র্জিন কখনও প্রেম করেনি এমন মেয়ে চাইলেই সেকেলে গোঁ'ড়া ব'র্বর! ভালবাসা আর সৌন্দর্যের জায়গাটা অনেক বড়, সেখানে ভালোবেসে অসুন্দরী কালো মেয়েকে নিয়েও কেউ সারাজীবন কাটিয়ে দিতে পারে তেমনই গরিব অল্প আয়ের ছেলেকে ভালোবেসেও একটা মেয়ে সংসার করতে পারে। সমস্যা আপনার কালো চেহারায় নয়, সমস্যা নয় ছেলের ক্যারিয়ার টাকা পয়সায়, সমস্যা হচ্ছে আমাদের হীনমন্যতায়! যেটা আমাদের শিখিয়েছে ফর্সা মানেই সুন্দর আর টাকা ওয়ালা ছেলে মানেই সুখী সংসার। ©AL-Amin

অনেকগুলো গবেষণায় দেখা গেছে... বাথরুমে বসে যারা...সেলফোন ব্যবহার করেন...পাইলস এ আক্রান্ত হওয়ার হার তাদের অনেকগুণ বেড়ে যায়। নরমাল মানুষ ৭-১০ মিনিট বাথরুম ইউজ করে...সাথে মোবাইল থাকলে সে সময় বেড়ে দাঁড়ায় ২০-২৫ মিনিট... অধিক সময় বাথরুমে বসে থাকা...এবং অধিক সময়জনিত কারণে পায়ুপথে বাড়তি চাপ পড়া...এই ২ কারণ পাইলস এর ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। তাই, -যাদের পাইলস আছে -যাদের পরিবারে পাইলে আছে -এবং যাদের পাইলস নিয়ে ভীতি আছে... বাথরুমে মোবাইল ব্যবহার করা তাদের জন্যে একেবারে নিষিদ্ধ। Dr. Saklayen Russel

মারজুক রাসেলের একটা কথা আছে, “তুমি কারো কাছে ডাইল-ভাত, কারো কাছে কাচ্চি” ♥️ কথাডা ডাহা সত্য। আমরা কারোর কাছে দু’পয়সারও দাম পাই না; আবার কারোর কাছে বিশেষ প্রায়োরিটি পাই! সমস্যা হইলো, আমরা ঘুইরা - ফিরা তাদের কাছেই যাই, যাদের কাছে আমরা ভ্যালুলেস। আর অন্যদিকে যারা আমাদের প্রায়োরিটি লিস্টের উপরে রাখে, তাদের সঙ্গ আমাদের ভালো লাগে না। মানুষ হিসেবে আমরা যথেষ্ট'ই বেকুব; ডাইল-ভাতের হোটেলে গিয়া আমরা কাচ্চির আশায় বইসা থাকি।

নারীবাদীদের আমার ভাল লাগে। একজন নারীবাদী মনে প্রাণে বিশ্বাস করে খাবারের বিল, ফ্লাট ভাড়া সহ সকল খরচ সমান ভাগে ভাগ করা উচিত। আমিও তাই মনে করি। জিনিস পত্রের যা দাম! তাদের আন্দোলনগুলো ও আমার বেশ কিউট লাগে। এই যেমন নো ব্রা ডে কিংবা ফ্রি দ্য নিপল মুভমেন্ট। এইসব আন্দোলনে বস্তুত কোন লাভ হয় কিনা জানি না তবে দেখতে তো ভালই লাগে। বাংলাদেশে এমন আন্দোলন হয় না কেন? আমাদের দেশের আবহাওয়া তো বেশ আদ্র। এই আদ্র আবহাওয়াও শরীরে দরকার পর্যাপ্ত আলো বাতাসের ব্যবস্থা। একটা মানুষ এত কাপড় চোপড় পরে থাকবে কেন? আসলে, বাংলাদেশের আনাচে কানাচে এমন আন্দোলন হলে আমাদের দেশে নারীদের এত বঞ্চনার শিকার হতে হত না। তারাও পেত পুরুষের সমান হবার অনুভূতি। আমি প্রতিদিন অবাক হই নারীকে দেখে। জগতের সকল প্রাণি বিপরীত লিঙ্গকে আকর্ষণ করার জন্য অনেক কিছু করে। ব্যাঙ ডাকে, ময়ূর পাখা মেলে। একটা ব্যাঙ কে যদি বলেন ভাই আপনি এমন নন স্টপ ডাকতেছেন কেন? সে কখনই বলবে না সে নিজের জন্য ডাকতেছে। কিন্তু নারী বলবে তারা পুরুষকে আকর্ষণ করার জন্য সাঁজে না, তারা সাঁজে নিজেদের জন্য। কারণ নারী "অন্যান্য প্রাণিদের মত না"। তারা মেকাপ করে নিজের জন্য, হাই হিল পরে নিজের জন্য, পোষাক পরে নিজের জন্য, পুশ আপ ব্রা পরে নিজের জন্য, প্লাস্টিক সার্জারি করে নিজের জন্য। এরপর তারা একটা আয়নার সামনে নিজেকে দেখে এবং হর্ণি ফিল করে। পুরুষের জন্য সাঁজে মূলত "অন্য মেয়েরা"। আমি এই জীবনে এই "অন্য মেয়েদের" দেখা পাই নাই। আমি জানি না তারা কোথায়, দেখতে কেমন, কেমন আছে। তবে যত মেয়ের দেখা পেয়েছি তারা আমাকে আশ্বস্ত করেছে যে তারা আসলে "অন্য মেয়েদের মত না।" অন্য দিকে পুরুষের জীবন নারীময়। পুরুষ পড়ালেখা করে মেয়ে পটানোর জন্য, চাকরী করে মেয়ে পটানোর জন্য, চুল আচড়ায় মেয়েদের জন্য, গান গায় মেয়ে পটানোর জন্য, কবিতা লিখে মেয়ে পটানোর জন্য, দু:খ কষ্টে নেশাও করে মেয়ের জন্য। মূলত পুরুষের জীবনের প্রায় সব কাজের পিছনেই রয়েছে মেয়ে পটানোর ধান্ধা। এই যে আমি এত বড় একটা পোস্ট লিখলাম, এটাও মেয়ে পটানোর জন্য। এই পোস্ট পড়ার পর মেয়েরা আমার দিকে হুমড়ি খেয়ে পড়বে। আমাকে ছাড়া তাদের বেঁচে থাকা আর সম্ভব হবে না। ©রশীদ আবরার রিয়াদ

নন মাহরাম নারীদের একাকি পড়ানো অথবা পর্দা ছাড়া কোনো নারীকে পড়ানো থেকে যেসব ইনকাম আসে ঐ ইনকামে সম্পূর্ণ হারাম। আর শিক্ষকরা বাবার মতো অথবা শিক্ষকরা মেয়ের চোখে দেখে ভুল এগুলো. ©

জোড়া কলা খেলে কী জমজ বাচ্চা হয়? উত্তরঃ মেডিকেল সাইন্সের মতে, জোড়া কলায় পটাশিয়ামের পরিমাণ অন্যান্য কলার তুলনায় অধিক থাকে। এবং যা আমাদের জন্য অধিক স্বাস্থ্যকর। জোড়া কলা খেলে জমজ সন্তান হবে এমন কোন তথ্য ইসলামে এবং বিজ্ঞানে নেই। আমাদের সমাজে কিছু প্রচলিত কুসংস্কার রয়েছে যেগুলো অধিকাংশই মানুষের তৈরি করা। কোথাও রওনা দিলে ঝাড়ু, খালি কলসি বা কেউ হাছি দিতে দেখলে অযাত্রা হয়! জোড়া কলা খেলে জমজ বাচ্চা হয় আসলে ইসলামে এ ধরনের কুসংস্কারের কোনো ভিত্তি নেই। শুধু জোড়া কলা কেন কোনো খাবারেই জোড়া সন্তান জন্মানোর ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখার কোনো ক্ষমতা নেই। উত্তর দিয়েছেন, Mr. Jahidul Hasan Founder, 20 Minute Medical ইউটিউবে আমরা লিংকঃ https://youtube.com/@20MinuteMedical Instagram এ আমরা লিংকঃ https://www.instagram.com/20_minute_medical/ Linkedin এ আমরা লিংকঃ https://www.linkedin.com/company/20-minute-medical/

প্রশ্নঃ তিন তালাক পতিত হয়ে গেলে পুনরায় স্বামী-স্ত্রী হিসেবে থাকার কোন সুযোগ আছে কিনা? উত্তর ঃ যেকোনো উপায়ে তিন তালাক দেওয়া হলে বৈবাহিক সম্পর্ক সম্পূর্ণরূপে শেষ হয়ে যায়। এ অবস্থায় শুধু মৌখিকভাবে স্ত্রীকে বিবাহে ফিরিয়ে আনার যেমন কোনো সুযোগ থাকে না তেমনি নতুন করে বিবাহ দোহরানোর মাধ্যমেও ফিরিয়ে নেওয়ার পথ খোলা থাকে না। একসাথে তিন তালাক দেওয়া কিংবা বিভিন্ন সময় তালাক দিতে দিতে তিন পর্যন্ত পৌঁছে যাওয়া একটি জঘণ্য অপরাধ ও ঘৃণিত কাজ। আল্লাহ তাআলা এর শাস্তি হিসেবে এই বিধান দিয়েছেন যে, তারা স্বামী-স্ত্রী হিসেবে পুনরায় একসাথে বসবাস করতে চাইলে স্ত্রীর ইদ্দত অতিবাহিত হওয়ার পর অন্যত্র তার বিয়ে হওয়া এবং সে স্বামীর সাথে তার মিলন হওয়া অপরিহার্য। এরপর কোনো কারণে সে তালাকপ্রাপ্তা হলে কিংবা স্বামীর মৃত্যু হলে ইদ্দত পালনের পর পুনরায় প্রথম স্বামীর সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে চাইলে নতুন করে মহর ধার্য করে সাক্ষীর উপস্থিতিতে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে পারবে। আল্লাহ্ তাআলা পবিত্র কোরআন মাজিদে বলেন, فَاِنۡ طَلَّقَہَا فَلَا تَحِلُّ لَہٗ مِنۡۢ بَعۡدُ حَتّٰی تَنۡکِحَ زَوۡجًا غَیۡرَہٗ ؕ فَاِنۡ طَلَّقَہَا فَلَا جُنَاحَ عَلَیۡہِمَاۤ اَنۡ یَّتَرَاجَعَاۤ اِنۡ ظَنَّاۤ اَنۡ یُّقِیۡمَا حُدُوۡدَ اللّٰہِ ؕ وَ تِلۡکَ حُدُوۡدُ اللّٰہِ یُبَیِّنُہَا لِقَوۡمٍ یَّعۡلَمُوۡنَ ﴿۲۳۰﴾ অতঃপর যদি সে তালাক প্রদান করে তাহলে এরপরে অন্য স্বামীর সাথে বিবাহিতা না হওয়া পর্যন্ত সে তার জন্য বৈধ হবেনা, অতঃপর সে তাকে তালাক প্রদান করলে যদি উভয়ে পরস্পর প্রত্যাবর্তিত হয় তাতে উভয়ের পক্ষে কোনই দোষ নেই, যদি আল্লাহর সীমারেখা বজায় রাখার ইচ্ছা থাকে। এবং এগুলিই আল্লাহর সীমাসমূহ, তিনি জ্ঞানী সম্প্রদায়ের জন্য এগুলি ব্যক্ত করে থাকেন। (সূরা বাকারা আয়াত নং ২৩০)

বিবাহের সর্বনিম্ন মহর দশ দিরহাম। অর্থাৎ দুই তোলা সাড়ে সাত মাশা বা ৩০.৬১৮ গ্রাম রূপা। আর মহরে ফাতেমী হল ৫০০ দিরহাম। অর্থাৎ ১৩১.২৫ তোলা বা ১.৫৩০৯ কিলোগ্রাম রূপা। এক দিরহামের ওজন হল ৩.০৬১৮ গ্রাম। বর্তমানে প্রতি তোলা রূপার মূল্য ১২০০/- টাকা হলে ১০ দিরহামের মূল্য দাঁড়ায় ৩,১৫০/- টাকা। আর মহরে ফাতেমীর মূল্য হয় ১,৫৭,৫০০/- টাকা। -শরহু মুখতাসারিত তাহাবী ৪/৩৯৮ মাসিক আল কাউসার

শ^রীর কি শুধুই ছেলেরা চায়? মে^য়েরা চায় না? আমি তো আমার প্রেমিকের শ^রীর চাই। হ্যাঁ সত্যিই চাই। চাইবো না কেন? শ^রীর ছাড়া তো ওকে আমি ভালোবাসিনি। প্রেমের শুরুতে আমি কি অপেক্ষা করিনি কবে সে আমায় বুকে টেনে নেবে? আমার ঠোঁ^টে ঠোঁ^ট রেখে সব ক্লান্তি দূর করে দেবে, দিন শেষে লাজুকভাবে আমায় বলবে আবার কবে সুযোগ হবে? আমি কি কথায় কথায় তার শ^রীরে ঢলে পড়িনি? আমি কি সুযোগ পেলে তার হাতটি ধরিনি? হ্যাঁ, আমি সত্যিই আমার প্রেমিকের শ^রীর ও চাই! মন ছোঁয়ার সাথে সাথে আমি শ^রীর ও ছুঁতে চাই। যতই থাক না কেন তার শ^রীরে ক্ষত! শুধু আমার প্রিয় মানুষটার শ^রীর পেলেই হলো। কে বললো কা*মুক শুধু প্রেমিক হয়? প্রেমিকারাও তো কা*মুক হয়!

কোন দেশে কত IELTS স্কোর লাগে? এটা একটা ভুল কথা। বিশ্ববিদ্যালয় ও সাবজেক্টের উপর কত স্কোর লাগবে নির্ভর করে। যেমন, ইউরোপের একই দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কোর দেখুন: University of Oslo, Norway 6.0 Télécom Paris, France 5.5 Wageningen University and Research, Netherlands 6.0 Autonomous University of Barcelona, Spain 6.0 Ghent University, Belgium 6.0 University of Vienna, Austria 6.0 Vienna University of Technology, Austria 5.5 University of Manchester, UK 6.0 University of Bristol, UK 6.0 University of Glasgow, UK 6.0 University of Sheffield, UK 6.0 University of Birmingham, UK 6.0 Lancaster University, UK 6.0 University of Leeds, UK 6.0 University of Aberdeen, UK 6.0 University of Leicester, UK 6.0 University of Sussex, UK 6.0 University of Liverpool, UK 6.0 University of Bristol, UK 6.0 University of Glasgow UK 6.0 Queen Mary University of London UK 6.0 Budapest Metropolitan University, Greece 6.0 University of Dundee, Scotland 6.0 KU Leuven, Belgium 6.0 Utrecht University, Netherlands 6.0 Antwerp Management School, Belgium 6.0 University of Vaasa, Finland 6.0 University of Bergen, Norway 6.0 Budapest Metropolitan University, Greece 6.0 University of Southern Denmark, Denmark 6.5 আবার আমেরিকার দিকে তাকালে দেখা যাবে যে: California State University USA 5.5 North Dakota State University USA 5.5 Old Dominion University USA 5.5 Southern Arkansas University USA 5.5 University of Alabama in Huntsville USA 5.5 University of Mississippi USA 5.5 University of New Haven USA 5.5 University of Missouri USA 5.5 University of South Alabama USA 5.5 State University of New York USA 5.5 Ohio University USA 5.5 North Dakota State University USA 5.5 The University of Texas-Pan American USA 5.5 Central Michigan University USA 5.5 University of Louisiana USA 5.5 Southern New Hampshire University USA 5.5 New Mexico State University USA 5.5 Kent State University USA 6.0 Murray State University USA 6.0 Washington State University USA 6.0 Oklahoma City University USA 6.0 University of Florida USA 6.0 Texas A & M University USA 6.0 অন্যদিকে কানাডা বলছে এমন: St. Clair College of Applied Arts and Technology Canada 6.0 Charles Sturt University Canada 6.0 Sault College Canada 6.0 Concordia University Canada 6.0 University of Alberta Canada 6.5 Brock University Canada 6.5 Canadore College Canada 6.0 Royal Roads University Canada 6.0 Algonquin College Canada 6.0 Lethbridge college Canada 6.0 Camosun College Canada 6.0 পাশাপাশি অস্ট্রেলিয়া যেতে পারেন! © Banglay IELTS

ফ্রিল্যান্সিং/আউটসোর্সিং সেক্টরে আসার আগে মাথায় রাখুন: ১. তাড়াহুড়া করে কাজ শিখে আয় করা যায় না। সিরিয়াসভাবে মাথায় রাখবেন। ২. প্রথমত একটা সাবজেক্ট পছন্দ করতে হবে যা আপনার সাথে ঠিকঠাক কাজ করবে। সাবজেক্ট পছন্দ করতে ২/৩ জন ব্যক্তি যারা এই সেক্টরে কাজ করে তাদের সাথে সরাসরি বসে কাউন্সিলিং করে নিন। বুঝার চেষ্টা করুন আপনার সাথে কোনটা পারফেক্ট হয়। বেশি আয় করা যায়, সহজে শেখা যায় এমন চিন্তা করে সাবজেক্ট পছন্দ করলে ধরা খাবেন নিশ্চিত। ৩. নির্বাচিত সাবজেক্টের উপর এ্যাডভান্স লেভেলের দক্ষতা উন্নয়ন করতে হবে। ৪. দক্ষতা উন্নয়ন করতে হলে শুয়ে বসে হবে না, কঠোর পরিশ্রম করার মানসিকতা রাখতে হবে। ৫. সুন্দরমত একটা প্লান করে প্রতিদিন অন্তত ৩/৪ ঘন্টা এই বিষয়ে কাজ শেখার জন্য সময় দিতে পারবেন বা প্রাক্টিস করতে পারবেন তা সিরিয়াসভাবে বিবেচনা করতে হবে এবং এইভাবে অন্তত ২ বছর শুধু শেখার জন্যই বরাদ্ধ রাখবেন। যদি কেউ বা কোন প্রতিষ্ঠান বলে ৩/৪/৫ মাসে কোর্স করেই আপনি আয় করতে পারবেন বুঝে নিবেন সে/তারা প্রতারক। ঐ সময়ে আপনার বেসিকটা পরিস্কার হবে মাত্র। ৬. একটা ভালো প্রতিষ্ঠান যারা বাস্তবভিত্তিক এই সকল বিষয়ে কাজ করেন সেখান থেকে শিখতে হবে। শুধু ট্রেনিং করায় যারা তাদের থেকে শিখে কিছুই করতে পারবেন না। ৭. একজন দক্ষ ও প্রফেশনাল মেন্টরের তত্ত্বাবধানে কাজ শিখতে হবে। ©Aminur Islam

সুখী থাকার সহজ উপায় নিজের অজান্তে কিংবা চারপাশের চাপে, অন্যের আয়নায় নিজেকে আমরা কম বেশি সবাই দেখতে চাই আর সেটাকেই সুখী হবার উপায় ভাবি। আর এর ফলে যে বড় বড় ক্ষতি হয়ে যায় সেটা অনুভবও করি না। কিভাবে? তা নিয়ে নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করি। আমি সুডেনের নর্থে থাকি। বছর পাঁচেক আগের ঘটনা । আমার শহরে তখন বেশ পশ আর রকমারি খাবারের একটা রেস্টুরেন্ট হয়েছে। যাবো যাবো করে যাওয়া হয়ে উঠছিল না। তো একদিন সন্ধ্যায় জাস্ট ঘুরতে বের হয়েছি। সাথে এক বন্ধু । যেহেতু শুধুই শর্ট ড্রাইভিং এর প্ল্যান ছিল তাই ট্রাউজার আর টিশার্ট পড়েই বিন্দাস ঘুরছিলাম। তো পাশে থাকা বন্ধু বলল, চল যাই ঐ রেস্টুরেন্টে খেয়ে আসি। আমি প্রথমেই হুর-হুর করে রাজি হলেও নিজের পোশাক এর দিকে তাকিয়ে চুপসে গেলাম। মনে মনে ভাবলাম, ওখানে নিশ্চই পরিচিত কেউ মিলে যাবে, তারপর তাদের সামনে পোশাকি ইমেজের বারটা বাজবে, এসব ভেবে খাওয়া বাদ দিয়ে বাসায় চলে এলাম। বাসায় এসে মন খারাপ হয়ে গেল। কেন মন খারাপ হল, এ নিয়ে ভাবতে ভাবতে হুট করেই মাথায় এলো, আজকে আমার তিনটা ক্ষতি হল। এক, খাওয়া হল না ,দুই ঐ বন্ধুরও খাওয়ার বারটা বাজালাম আর তিন, সব চেয়ে বড় ক্ষতি হল, মন খারাপ করে বাসায় ফিরলাম। অর্থাৎ অনেকেই তো সেজে-গুজে রেস্টুরেন্টে যায়, তাই আমারও যাওয়া উচিৎ। আমি ট্রাউজার টিশার্ট পরে গেলে মানাবে না, লোকে কি ভাববে ! এই সব ভেবেই নিজের হ্যাপিনেসের রফাদফা করলাম। অথচ অন্যের মত পশ পোশাক পরেই যেতে হবে, এসব না ভাবলে আজ চমৎকার একটা ডিনার হত, বন্ধু আমি আড্ডা মারতে মারতে সময় পার করতাম আর বাসায় ফিরে সেই সব ভেবে স্বস্তি তে ঘুমাতাম। এই চিন্তা আমাকে শেখালো, অন্যের আয়নায় নিজেকে দেখা যাবে না। তার জীবন, তার সময়, তার পরিস্থিতি, আমার সাথে মিলবে না। তাই তার হ্যাপিনেস এর সূত্র আমার জন্য প্রযোজ্য না। শুধু অন্যের জীবনের মত আমার জীবন বানাতে হবে এই চিন্তাই আমাদের অসুখী করে ফেলে। আচ্ছা কখনো ভেবেছেন, আপনার বান্ধবীর হার্ট বিট যাকে দেখে বেড়ে যায় তাকে দেখে তো আপনি প্রেমে পড়বেন না, কিংবা আপনার ঝাল পছন্দ কিন্তু বন্ধু মিষ্টি পছন্দ করে, তাহলে আপনি নিশ্চয়ই মিষ্টি খেয়ে সুখী হবেন না। অমুকের এটা আছে আমার নাই কেন, এই ভাবনা আপনাকে অসুখী করবে। তার চেয়ে এটা ভাবুন, অমুকের যা আছে ওটা আমার হলেই আমি কেন সুখী হব ? বরং আমার যা আছে সেটাই আমার প্রয়োজন আর আমি তাই নিয়েই সুখী । অমুকের একটা ওয়াশিং মেশিন আছে, আমার নাই কেন, না ভেবে, এটা ভাবতে পারেন, আমি যখন হাত দিয়ে কাপড় ধুই তখন আমি আমার জামাগুলোর সাথে জরিয়ে থাকা স্মৃতিগুলো ভাবি, পানিতে বুদবুদ দেখে ছোট বেলার কথা মনে করি, কিংবা আমি নিজেই ফেনার বেলুন বানিয়ে খিলখিল করে হাসি, এগুলো সুখ, এগুলো সুন্দর। নিজেকে নিয়ে আপনি যদি সন্তুষ্ট না হন, পৃথিবীর সমস্ত কিছু আপনার থাকলেও আপনি সুখী হবেন না। তাই অন্যের আয়নায় নিজেকে না দেখে বরং নিজের আয়নাটাই পরিষ্কার রাখুন, নিজেকে দেখুন, সুখগুলোর যত্ন করুন আপনি সুখী থাকবেন।

✴️ ৬৩তম সি ক্যাটাগরী ফার্মাসিস্ট ব্যাচে ভর্তির জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রঃ — ভর্তির সার্কুলার এখনো দেয় নি। দিলে এই গ্রুপে সবার আগে জানতে পারবেন । আপাতত এই কাগজপত্র সত্যায়িত করে স্ক্যান করে মোবাইলে সংরক্ষণ করে রাখুন। প্রয়োজনীয় কাগজপত্রঃ 👇👇👇 ১. ১ কপি পাসপোর্ট সাইজের ল্যাবপ্রিন্ট ছবি [৩০০*৩০০ পিক্সেল করে Jpg বা png ফরমেটে ] ২.এসএসসি সনদের সত্যায়িত ফটোকপি [ স্ক্যান করে PDF এ কনফার্ট করতে হবে। সাইজ 1 mb এর নিচে রাখতে হবে ] ৩. ড্রাগ লাইসেন্সের সত্যায়িত ফটোকপি [ স্ক্যান করে PDF এ কনফার্ট করতে হবে। সাইজ 1 mb এর নিচে রাখতে হবে ] ৪.Nid / Birthday day certificate এর সত্যয়িত ফটোকপি [ স্ক্যান করে PDF এ কনফার্ট করতে হবে। সাইজ 1 mb এর নিচে রাখতে হবে ] ৫. মালিক কর্তৃক প্রত্যয়ন পত্র ( ড্রাগ লাইসেন্স নিজের হলে দরকার নেই এটি) - সত্যায়িত না করলেও চলবে। [স্ক্যান করে PDF এ কনফার্ট করতে হবে। সাইজ 1 mb এর নিচে রাখতে হবে ] ৬. সরকারি ভর্তি ফি ৪০০০ টাকা। ৬৩ তম ব্যাচে ভর্তি ফি বাড়তে পারে। এই টাকা নিজ বিকাশ, রকেট, নগদ নাম্বারে রাখবেন। Note: সবগুলো ডকুমেন্টস স্পষ্ট হতে হবে। প্রত্যয়ন পত্র এবং ছবি ছাড়া বাকী ডকুমেন্টস ১ম শ্রেনীর গেজেটেড অফিসার ( সরকারি হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার / সরকারি কলেজের প্রভাষক / ভেটেনারি সার্জন etc) দ্বারা সত্যায়িত হতে হবে। ✳ পোস্টে সকল ডকুমেন্টসের ডেমো রয়েছে। কাজ শেষ. এই ৬ টি জিনিস সঠিকমত সংরক্ষণ করলে রাখলেই, আপনি কোন ঝামেলা ছাড়া নিজেই যেকোন কম্পিউটার দোকান থেকে অনলাইন আবেদনের মাধ্যমে পরবর্তী ৬৩ তম ব্যাচে অনায়াসে ভর্তি হতে পারবেন। অনলাইন আবেদনের লিংক[ যখন সার্কুলার দিবে তখন ওয়েবসাইটে দেখতে পারবেন - সি-ক্যাটাগরী রেজিষ্ট্রেশন সনদ ভর্তির আবেদন] 👉 https://pcbapps.com.bd/application/panel জানার থাকলে ইনবক্সে নক দিয়েন

- ক্লাইটোরিয়াল অর্গাজম - নারীর ক্লাইটোরিসে রয়েছে প্রচুর পরিমানে স্নায়ু তন্ত্র।ক্লাইটোরিস সঠিকভাবে ফোরপ্লে বা উত্তেজনার মাধ্যমে নারীকে অল্প সময়ে, দ্রুত তৃপ্ত করা অর্থাৎ অর্গাজম করানো সহজ হয়। অনেক পুরুষ না জানার কারনে ক্লাইটোরিয়াল অর্গাজম করতে ব্যর্থ হয়।এভাবে দিনের পর দিন চলতে থাকলে নারী জন্য কষ্টকর হয়,মেজাজ খিটখিটে হওয়া,মুড সুইং করা বা বিকল্প উপায় অবলম্বন করার সম্ভবনা বেড়ে যায়। স্বামী স্ত্রীর মধ্যে সম্পর্কের অবনতি ঘটে। নারীর শরীরে যতোগুলো টিস্যু আছে তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি টিস্যুুর স্নায়ু গুলো মিলিত হয়েছে এই ক্লাইটোরিসে!! সেজন্য নারীর ক্লাইটোরিস বেশি স্পর্শকাতর! একশত নারীর মধ্যে সত্তরজন নারীর অর্গাজম ক্লাইটোরিসে উত্তেজনার মাধ্যমে সম্ভব। ক্লাইটোরিসের পরেই যোনিপথের গুরুত্ব। এর সম্পূর্ণ দেওয়াল সংবেদনশীল হলেও জি স্পট বেশি স্পর্শকাতর। বাকি ত্রিশভাগ অর্গাজম নারীর যোনিপথে উত্তেজনার মাধ্যমে হয়ে থাকে, যদিও এটা কঠিন ধাপ।বেশির ভাগ নারীর আশা এবং পুরুষের ইচ্ছা থাকে যেন সম্পূর্ণ অর্গাজমটা যেন যোনিপথের মাধ্যমে হয়। ক্লাইটোরিস ছাড়া এককভাবে যোনিপথের অর্গাজম কঠিন আর যাদের দ্রুত বীর্যপাত হয় তাদের জন্য এটা তো স্বপ্নের মতো! মিনিমাম এখানে ১০ থেকে ২০ মিনিট সময় প্রয়োজন লিঙ্গ সঞ্চালন করে! অর্গাজমের মুহূর্তে নারীর মূত্রনালীর স্ফিংটার শক্ত হয়ে বন্ধ হয়ে যায় ফলে প্রসাবের বেগ মিলনের সময় অনুভূত হলে বের হয়না তবে সেটা অন্যভাবে সম্ভব হয় যেটাকে আমরা ফিমেল ইজাকুলেশন বা নারীর বীর্যপাত Squirting বলি। সেটা আমারা পরবর্তীতে বিস্তারিত ভাবে আলোচনা করবো। #20minutemedical