en
Feedback

Don't get caught by a cheater! Telemetrio finds and tags such channels 👉 If you want to see the tag, subscribe

জ্ঞান - Knowledge

জ্ঞান - Knowledge

Open in Telegram

🙂🙂🙂

Show more
1 937
Subscribers
-124 hours
-47 days
-2430 days

Loading data

Tags Cloud
No data
Any problems? Please refresh the page or contact our support manager.
Incoming and Outgoing Mentions
---
---
---
---
---
---
Attracting Subscribers
Oct '26
October '26
+9
in 0 channels
September '26
+4
in 0 channels
Get PRO
August '26
+29
in 0 channels
Get PRO
July '26
+17
in 0 channels
Get PRO
June '26
+18
in 0 channels
Get PRO
May '26
+20
in 0 channels
Get PRO
April '26
+17
in 0 channels
Get PRO
March '26
+226
in 0 channels
Get PRO
February '26
+129
in 0 channels
Get PRO
January '26
+9
in 0 channels
Get PRO
December '25
+12
in 0 channels
Get PRO
November '25
+15
in 0 channels
Get PRO
October '25
+16
in 0 channels
Get PRO
September '25
+18
in 0 channels
Get PRO
August '25
+26
in 0 channels
Get PRO
July '25
+53
in 0 channels
Get PRO
June '25
+167
in 0 channels
Get PRO
May '25
+17
in 0 channels
Get PRO
April '25
+24
in 0 channels
Get PRO
March '25
+27
in 0 channels
Get PRO
February '25
+15
in 0 channels
Get PRO
January '25
+14
in 0 channels
Get PRO
December '24
+20
in 0 channels
Get PRO
November '24
+24
in 0 channels
Get PRO
October '24
+31
in 0 channels
Get PRO
September '24
+67
in 0 channels
Get PRO
August '24
+109
in 0 channels
Get PRO
July '24
+19
in 0 channels
Get PRO
June '24
+17
in 0 channels
Get PRO
May '24
+26
in 0 channels
Get PRO
April '24
+107
in 0 channels
Get PRO
March '24
+25
in 0 channels
Get PRO
February '24
+42
in 0 channels
Get PRO
January '24
+94
in 0 channels
Get PRO
December '23
+50
in 0 channels
Get PRO
November '23
+38
in 0 channels
Get PRO
October '23
+105
in 0 channels
Get PRO
September '23
+43
in 0 channels
Get PRO
August '23
+33
in 0 channels
Get PRO
July '23
+103
in 0 channels
Get PRO
June '23
+1 153
in 0 channels
Date
Subscriber Growth
Mentions
Channels
23 October+1
22 October+1
21 October+1
20 October0
19 October0
18 October0
17 October0
16 October0
15 October0
14 October0
13 October+2
12 October+1
11 October+2
10 October+1
09 October0
08 October0
07 October0
06 October0
05 October0
04 October0
03 October0
02 October0
01 October0
Channel Posts
🇮🇹 বাংলাদেশ থেকে ইতালিতে কাজ করতে চাইলে এখন কী করবেন? ২০২৭ সালের জন্য আগ্রহী হলে এখন থেকেই— ✅ বৈধ ও বাস্তব job opportunity খুঁজুন ✅ নিজের passport ও প্রয়োজনীয় documents প্রস্তুত রাখুন ✅ কাজের অভিজ্ঞতা/যোগ্যতার documents প্রস্তুত রাখুন ✅ কোনো employer সত্যিই আপনাকে নিয়োগ করছে কিনা যাচাই করুন ✅ fake offer letter থেকে সতর্ক থাকুন ✅ সরকারি website-এর announcement অনুসরণ করুন ✅ Click Day-এর আগে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করুন 📌 মনে রাখবেন: Decreto Flussi কোনো সাধারণ “ইতালি যাওয়ার আবেদন” নয়। এটি মূলত ইতালিতে থাকা employer-এর মাধ্যমে বিদেশি কর্মী নিয়োগের একটি regulated system। 🇮🇹 ২০২৭ সালে ১,৬৫,৮৫০টি entry quota নির্ধারিত থাকলেও প্রতিটি category, দেশ, sector এবং application-এর জন্য প্রযোজ্য নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলতে হবে। 📢 নতুন official update প্রকাশ হলে তথ্য যাচাই করে তারপর সিদ্ধান্ত নিন। এই পোস্টটি শেয়ার করুন—যাতে ভুল তথ্যের কারণে কেউ প্রতারিত না হন। ℹ️ Disclaimer: আমি কোনো লোক ইতালিতে আনার/চাকরি দেওয়ার/ভিসা করানোর কাজ করি না। শুধুমাত্র তথ্য শেয়ার করছি। সরকারি নিয়ম ও সর্বশেষ ঘোষণাই চূড়ান্ত হিসেবে বিবেচনা করুন।

2
🇮🇹 ২০২৭ সালের ইতালির Decreto Flussi — বাংলাদেশিদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ইতালিতে বৈধভাবে বিদেশি কর্মী নিয়োগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ব্যবস্থা হলো Decreto Flussi। এর মাধ্যমে ইতালি সরকার নির্দিষ্ট সংখ্যক non-EU নাগরিককে কাজের উদ্দেশ্যে ইতালিতে প্রবেশের অনুমতি দেওয়ার জন্য প্রতি বছর quota নির্ধারণ করে। 📌 ২০২৬–২০২৮ সালের জন্য ইতালি মোট ৪,৯৭,৫৫০টি প্রবেশের quota নির্ধারণ করেছে। এর মধ্যে— 🔹 ২০২৬: ১,৬৪,৮৫০ 🔹 ২০২৭: ১,৬৫,৮৫০ 🔹 ২০২৮: ১,৬৬,৮৫০ অর্থাৎ, ২০২৭ সালে মোট ১,৬৫,৮৫০টি প্রবেশের quota নির্ধারিত রয়েছে। 🇧🇩 বাংলাদেশিদের জন্য কী সুযোগ আছে? বাংলাদেশ ইতালির Decreto Flussi-এর আওতাভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে। তবে এর অর্থ এই নয় যে বাংলাদেশ থেকে যে কেউ সরাসরি আবেদন করে ইতালিতে যেতে পারবেন। মূল বিষয় হলো—ইতালিতে একজন বৈধ employer থাকতে হবে, যিনি আপনাকে কাজের জন্য নিয়োগ করতে আগ্রহী এবং আপনার হয়ে প্রয়োজনীয় আবেদন করবেন। বাংলাদেশসহ কিছু দেশের নাগরিকদের ক্ষেত্রে আবেদন যাচাইয়ের অতিরিক্ত ধাপও রয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য nulla osta দেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অতিরিক্ত যাচাইয়ের ব্যবস্থা রয়েছে। 👷 কী ধরনের কাজের সুযোগ থাকতে পারে? Decreto Flussi-এর মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের কাজের জন্য বিদেশি কর্মী নেওয়া হয়। প্রধানত— ✅ Non-seasonal / স্থায়ী বা দীর্ঘমেয়াদি চাকরি যেমন বিভিন্ন অনুমোদিত sector-এর চাকরি। ✅ Seasonal / মৌসুমি কাজ বিশেষ করে— 🌾 কৃষি 🏨 পর্যটন ও হোটেল-রেস্টুরেন্ট খাত ✅ Domestic / Family assistance-এর কাজ নির্দিষ্ট quota-এর মধ্যে family/domestic assistance-এর জন্যও প্রবেশের ব্যবস্থা থাকে। ✅ Self-employed work Decreto Flussi-এর নির্দিষ্ট quota-এর মধ্যে কিছু self-employed প্রবেশের ব্যবস্থাও রয়েছে। ২০২৬ সালের ক্ষেত্রে, উদাহরণ হিসেবে, ৭৬,২০০টি non-seasonal subordinate work, ৮৮,০০০টি seasonal work এবং ৬৫০টি self-employed entry নির্ধারিত হয়েছিল। ২০২৭ সালের সুনির্দিষ্ট sector-wise allocation ও কার্যকর নির্দেশনা প্রকাশের পর সেই বছরের বিভাজন আরও পরিষ্কার হবে। 📝 আবেদন কে করবে? এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ❌ বাংলাদেশি applicant নিজে সাধারণভাবে Decreto Flussi-এর মাধ্যমে নিজের নামে work permit-এর আবেদন করে না। ✅ ইতালির employer-ই আপনার জন্য প্রয়োজনীয় আবেদন করেন। Employer সাধারণত ইতালির ALI online portal-এর মাধ্যমে আবেদন করে এবং প্রয়োজনীয় তথ্য ও documents জমা দেয়। ইতালির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, Flussi-এর আবেদন প্রক্রিয়া অনলাইনে পরিচালিত হয়। 📌 তাহলে পুরো প্রক্রিয়াটি কীভাবে হয়? সহজভাবে বুঝলে— ১️⃣ ইতালিতে employer খুঁজে পাওয়া ⬇️ ২️⃣ Employer আপনাকে নিয়োগ করার সিদ্ধান্ত নেয় ⬇️ ৩️⃣ Employer Decreto Flussi-এর নিয়ম অনুযায়ী আবেদন করে ⬇️ ৪️⃣ Quota এবং অন্যান্য শর্ত অনুযায়ী আবেদন যাচাই হয় ⬇️ ৫️⃣ প্রয়োজনীয় অনুমোদন/Nulla Osta পাওয়া গেলে ⬇️ ৬️⃣ বাংলাদেশি কর্মী ইতালির ভিসার জন্য আবেদন করতে পারেন ⬇️ ৭️⃣ ভিসা পাওয়া গেলে ইতালিতে প্রবেশ ⬇️ ৮️⃣ ইতালিতে গিয়ে প্রয়োজনীয় residence/work formalities সম্পন্ন করা ⚠️ অর্থাৎ quota পাওয়া = সরাসরি ভিসা পাওয়া নয়। Employer-এর যোগ্যতা, চাকরির ধরন, documents, quota availability, সরকারি যাচাই এবং পরবর্তী visa procedure—সবকিছু গুরুত্বপূর্ণ। ⏰ ২০২৭ সালের Click Day কবে? এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আছে। ২০২৭ সালের Click Day-এর নির্দিষ্ট তারিখ এখনো আলাদাভাবে ঘোষণা করা হয়নি। তাই বর্তমানে কেউ যদি বলে— ❌ “২০২৭ সালের Click Day এই তারিখে হবে” ❌ “এই তারিখে টাকা দিলেই application হবে” ❌ “নির্দিষ্ট quota আপনার নামে বুক করে দেওয়া যাবে” —তাহলে সতর্ক থাকুন। ২০২৬ সালের ক্ষেত্রে সরকার আলাদা আলাদা category-এর জন্য Click Day নির্ধারণ করেছিল—যেমন agricultural seasonal, tourism seasonal, non-seasonal এবং domestic assistance-এর জন্য পৃথক তারিখ ছিল। ২০২৭ সালের official calendar প্রকাশ হলে ইতালির সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে সেটি নিশ্চিত করা উচিত। ⚠️ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা Decreto Flussi নিয়ে বাংলাদেশে অনেক সময় ভুল তথ্য এবং প্রতারণার ঘটনা নিয়ে সতর্ক থাকা প্রয়োজন। শুধু “Decreto Flussi খুলেছে” শুনে কাউকে টাকা দেবেন না। কারণ— 🔴 Quota মানেই আপনার জন্য job নিশ্চিত নয়। 🔴 Employer ছাড়া আপনি নিজে job quota তৈরি করতে পারবেন না। 🔴 ভুয়া employer বা fake job offer হতে পারে। 🔴 Nulla Osta পাওয়া গেলেও visa automatically guaranteed নয়। 🔴 কোনো দালাল/এজেন্ট “১০০% visa guarantee” দিতে পারে না। 🔴 সরকারি তথ্য ছাড়া Click Day-এর তারিখ বিশ্বাস করবেন না। ইতালির সরকারি তথ্য অনুযায়ী, employer-এর পক্ষ থেকেই বিদেশি কর্মী নিয়োগের জন্য প্রয়োজনীয় আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়।
62
3
আপনাদের মধ্যে কেউ জার্মানি বা স্পেন আছেন ?
76
4
আপনার যদি নীচের যে কোন একটি বা একাধিক রোগ থাকে তবে অতি দ্রুত Influenza and Pneumococcal vaccine নিন। শুধু এই ভ্যাক্সিন নিয়ে শারীরিক ও অর্থনৈতিকভাবে বহুগুনে লাভবান হতে পারেন। যেমনঃ একবার নিউমোনিয়া হলে অসুস্থ হওয়া এমনকি মৃত্যুর ঝুঁকি পর্যন্ত হতে পারে, চিকিৎসা করত ভ্যাক্সিনের দামের চেয়ে ৪-৫ গুন বেশি খরচ হতে পারে। রোগগুলো হলো 1. ডায়াবেটিস 2. হার্টের 3. কিডনীর সমস্যা 4. লিভারের সমস্যা 5. হার্ট ফেইলর 6. এজমা, সিওপিডি 7. ক্যান্সার ইত্যাদি। ডাঃ রতীন্দ্র নাথ মন্ডল মেডিসিন বিশেষজ্ঞ রংপুর স্পেশালাইজড হাসপাতাল।
78
5
ডিপ্লোমা পাশের সার্টিফিকেট HSC সমমান করা প্রসঙ্গে : কারিগরি শিক্ষাবোর্ড (BTEB) থেকে ৪ বছর মেয়াদী ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং বা সমমানের কোর্স পাশ করার পর সরাসরি কোনো "এইচএসসি (HSC) সার্টিফিকেট" দেওয়া হয় না, তবে বিদেশে পড়াশোনা বা চাকরির প্রয়োজনে বোর্ড থেকে একটি "এইচএসসি সমমান প্রত্যয়নপত্র" (Equivalence Certificate) সংগ্রহ করতে হয়। সরকারি গেজেট অনুযায়ী ডিপ্লোমা পাশ কোর্সটি এইচএসসি-র সমমান হওয়ায় কারিগরি শিক্ষাবোর্ড নিজেই এই প্রত্যয়নপত্রটি ইস্যু করে থাকে। নিচে সমমান সার্টিফিকেট তোলার নিয়ম এবং বিদেশে পড়াশোনার জন্য করণীয় ধাপগুলো বিস্তারিত দেওয়া হলো: ১. এইচএসসি সমমান প্রত্যয়নপত্র (Equivalence Certificate) তোলার নিয়ম আপনাকে সরাসরি ঢাকার আগারগাঁওয়ে অবস্থিত বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে গিয়ে ওয়ান স্টপ সার্ভিস সেন্টারের মাধ্যমে এই আবেদনটি সম্পন্ন করতে হবে: ধাপ ১ (আবেদন ফরম সংগ্রহ): প্রথমে কারিগরি বোর্ডের ওয়ান স্টপ সার্ভিস কাউন্টার অথবা কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট থেকে "সমমান প্রত্যয়নপত্রের জন্য আবেদন ফরম" সংগ্রহ করুন। ধাপ ২ (ফি জমা দেওয়া): ফরম পূরণ করে বোর্ডের নির্দিষ্ট বুথ বা ব্যাংকে (সাধারণত সোনালী ব্যাংক) নির্ধারিত ফি জমা দিয়ে মানি রিসিট বা স্লিপটি সংগ্রহ করুন। ধাপ ৩ (কাগজপত্র জমা): পূরণকৃত আবেদন ফরমের সাথে প্রয়োজনীয় সব ডকুমেন্টের সত্যায়িত ফটোকপি যুক্ত করে বোর্ডের ওয়ান স্টপ কাউন্টারে জমা দিন। ধাপ ৪ (সনদ সংগ্রহ): সাধারণত আবেদন জমা দেওয়ার ৩ থেকে ৭ কর্মদিবসের মধ্যে বোর্ড থেকে মূল সমমান প্রত্যয়নপত্রটি (Equivalence Certificate) দিয়ে দেওয়া হয়। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র:এসএসসি (SSC) পরীক্ষার মূল সার্টিফিকেট ও মার্কশিটের ফটোকপি।ডিপ্লোমা পাসের মূল বা সাময়িক (Provisional) সার্টিফিকেট এবং অল-সেমিস্টার ট্রান্সক্রিপ্ট/মার্কশিটের ফটোকপি。ডিপ্লোমা কোর্সের মূল রেজিস্ট্রেশন কার্ড এবং শেষ পর্বের প্রবেশপত্রের (Admit Card) ফটোকপি।পাসপোর্ট সাইজের ছবি এবং জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) বা জন্ম সনদের ফটোকপি। ২. বিদেশে পড়াশোনার জন্য পরবর্তী প্রয়োজনীয় ধাপ (Attestation)শুধুমাত্র সমমান সার্টিফিকেট তুললেই বিদেশে আবেদন করা যায় না। বিদেশী বিশ্ববিদ্যালয় ও অ্যাম্বাসিতে জমা দেওয়ার জন্য আপনার সব শিক্ষাগত যোগ্যতা ভেরিফাই বা সত্যায়িত (Attestation) করতে হবে:কারিগরি বোর্ড থেকে ভেরিফিকেশন: প্রথমে আপনার ডিপ্লোমা সার্টিফিকেট, ট্রান্সক্রিপ্ট এবং সদ্য তোলা সমমান প্রত্যয়নপত্রটি কারিগরি বোর্ড থেকে অফিসিয়ালি ভেরিফাই (সত্যায়িত) করিয়ে নিতে হবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় সত্যায়ন: বোর্ড থেকে সত্যায়িত করার পর কাগজগুলো শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের myGov (মাইগভ) পোর্টালের মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন করে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে সত্যায়িত করতে হবে।পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় (Foreign Ministry) সত্যায়ন: শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পর সমস্ত ডকুমেন্টস বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় (Consular Section) থেকে সত্যায়িত করতে হবে। বর্তমানে সরকার অ্যাপোস্টিল (Apostille) পদ্ধতি চালু করায় অনেক দেশের জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এই একটি সত্যায়নই যথেষ্ট হয়।অনুবাদ (Translation): আপনি যে দেশে যাচ্ছেন, সেখানে যদি ইংরেজি বাদে অন্য ভাষা থাকে (যেমন: জার্মানি, জাপান, ইতালি), তবে অনুমোদিত প্রতিষ্ঠান বা নোটারি পাবলিক থেকে সার্টিফিকেটগুলো অনুবাদ করিয়ে নিতে হবে। ৩. আন্তর্জাতিক মূল্যায়ন (ECA - optional)আপনি যদি আমেরিকা বা কানাডার মতো দেশে উচ্চশিক্ষার জন্য যেতে চান, তবে অনেক সময় তারা বাংলাদেশের সরাসরি সমমান সার্টিফিকেট গ্রহণ করতে চায় না। সেক্ষেত্রে WES (World Education Services) বা আইকিউএএস (IQAS)-এর মতো আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ECA (Educational Credential Assessment) করিয়ে নিতে হয়। কারিগরি বোর্ডের সার্টিফিকেট দিয়ে সফলভাবে WES মূল্যায়ন করা যায়।
157
6
কোন দেশে বছরের কোন সময় আবেদন করতে হয়? 🤔 অনেকেই জিজ্ঞেস করেন, ভাই, কবে থেকে আবেদন শুরু করবো? সঠিক সময় না জানলে ডেডলাইন মিস হয়ে যায়, আবার অনেক আগে গিয়ে ডকুমেন্টসও রেডি থাকে না। তাই ২০২৭ এর সেপ্টেম্বর/অটাম ইনটেকের জন্য কোন দেশে কখন আবেদন করতে হয় তার লিস্ট দিয়ে দিচ্ছি। 🇸🇪 সুইডেন ➖ ১৬ অক্টোবর ২০২৬ থেকে ১৫ জানুয়ারি ২০২৭, universityadmissions.se এ। ➖ মানে এই সপ্তাহেই শুরু। ডকুমেন্টসের জন্য আলাদা ডেডলাইন থাকে, সেটাও দেখে রাখবেন। 🇳🇴 নরওয়ে ➖ সাধারণত ১ ডিসেম্বরের আশেপাশে ডেডলাইন। এখনই প্রস্তুতি শুরু করে দিন। 🇫🇮 ফিনল্যান্ড ➖ জয়েন্ট অ্যাপ্লিকেশন ৭ থেকে ২১ জানুয়ারি ২০২৭, Studyinfo.fi এ। ➖ কিছু ইংরেজি প্রোগ্রাম এর বাইরে আলাদা সময়ে খোলে, সেগুলো ভার্সিটির সাইটে দেখতে হবে। 🇩🇰 ডেনমার্ক ➖ মাস্টার্সে ভার্সিটি ভেদে জানুয়ারি থেকে ১ মার্চের মধ্যে। যেমন DTU ১৫ জানুয়ারি থেকে ১ মার্চ। ➖ ব্যাচেলরে KOT এর মাধ্যমে ১৫ মার্চ (Quota 2), ৫ জুলাই (Quota 1)। 🇳🇱 নেদারল্যান্ডস ➖ Studielink এ অক্টোবর থেকে আবেদন করা যায়। স্কলারশিপসহ আবেদন হলে ৩১ জানুয়ারি, স্কলারশিপ ছাড়া সাধারণত ১ এপ্রিল (এটা Radboud এর হিসাব)। ➖ কিছু প্রোগ্রামে ১৫ জানুয়ারি আর কিছুতে ১ মে। প্রোগ্রাম ভেদে আলাদা। 🇩🇪 জার্মানি ➖ উইন্টার সেমিস্টারের জন্য সাধারণত ১৫ জুলাই। তবে অনেক ভার্সিটির নিজস্ব ডেডলাইন আরও আগে, বিশেষ করে মাস্টার্সে। ➖ সামার সেমিস্টারের জন্য সাধারণত ১৫ জানুয়ারি। তবে ইঞ্জিনিয়ারিং, কম্পিউটার সায়েন্সের মতো অনেক প্রোগ্রামে সামারে ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্ট নেয় না। ➖ APS সার্টিফিকেট আর uni-assist এ সময় লাগে, তাই ডেডলাইনের অনেক আগে শুরু করতে হবে। 🇫🇷 ফ্রান্স ➖ ব্যাচেলরে Campus France এর প্রসেস সাধারণত ১ নভেম্বর থেকে শুরু, ডেডলাইন ফেব্রুয়ারি থেকে মার্চে। ➖ মাস্টার্সে কিছু স্কুল অক্টোবর থেকেই আবেদন নেয়। বেশিরভাগ ভার্সিটিতে জানুয়ারি থেকে এপ্রিলের মধ্যে। ➖ ভিসা অ্যাপয়েন্টমেন্ট শুরু হয় এপ্রিলের দিকে। 🇧🇪 বেলজিয়াম ➖ মোটামুটি জানুয়ারি থেকে জুনের মধ্যে, ভার্সিটি ভেদে আলাদা। যেমন KU Leuven ১ মার্চ থেকে ১৫ মে, Ghent ১ মার্চ থেকে ১ এপ্রিল। ➖ ভিসার জন্য কোর্স শুরুর অন্তত ৩ মাস আগে হাতে সময় রাখতে হয়। 🇨🇭 সুইজারল্যান্ড ➖ ETH Zurich আর EPFL এর মাস্টার্সে সাধারণত নভেম্বর থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে। ডেট নিয়ে সোর্সে একটু গরমিল আছে, তাই ভার্সিটির সাইটে দেখে নিবেন। ➖ অন্যান্য ক্যান্টনাল ভার্সিটিতে মার্চের শেষ থেকে এপ্রিল। 🇦🇹 অস্ট্রিয়া ➖ WU Vienna এর ইংরেজি মাস্টার্সে ১ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩১ মার্চ। TU Vienna এর কিছু প্রোগ্রামে মার্চ থেকে এপ্রিল। ➖ Vienna, Graz এর মতো ভার্সিটিতে জেনারেল রেজিস্ট্রেশন সেপ্টেম্বরের দিকে। নন-ইইউ ডিগ্রি রিকগনিশনের জন্য আগে থেকে শুরু করতে হয়। 🇮🇹 ইতালি ➖ নন-ইইউ স্টুডেন্টদের Universitaly তে প্রি-এনরোলমেন্ট করতে হয়, সাধারণত ফেব্রুয়ারি থেকে এপ্রিলের মধ্যে। ➖ তবে ভার্সিটি অনুযায়ী ডেডলাইন আলাদা, কিছু ভার্সিটি আরও আগে শেষ করে। প্রতিবছর ডেট বদলায়, তাই আপনার ভার্সিটির সাইটে দেখুন। 🇪🇸 স্পেন ➖ পাবলিক ভার্সিটিতে সাধারণত মে থেকে জুলাই। যেমন Complutense আর Barcelona ৩১ জুলাই। প্রাইভেট ভার্সিটিতে অনেক সময় সারা বছর খোলা। ➖ ফেব্রুয়ারি ইনটেকে কিছু মাস্টার্সে অক্টোবর থেকে ডিসেম্বরে আবেদন। 🇵🇹 পর্তুগাল ➖ সাধারণত মার্চ থেকে জুলাইয়ের মধ্যে, ভার্সিটি ভেদে। যেমন ISCTE ৩১ মে, Lisbon আর Porto ৩১ জুলাই। ➖ মে এর মধ্যে আবেদন করলে ভিসার সময় পাওয়া যায়। 🇬🇷 গ্রিস ➖ ইংরেজি মাস্টার্সে ডিসেম্বর থেকে মে, অনেক প্রোগ্রামে ৩১ মে এর আশেপাশে। দ্রুত সিট শেষ হয়ে যায়। ➖ ব্যাচেলরে নন-ইইউ স্টুডেন্টদের মন্ত্রণালয়ের আলাদা কোটায় আবেদন করতে হয়, এপ্রিল থেকে জুনের মধ্যে। 🇨🇿 চেক রিপাবলিক ➖ ভার্সিটি অনুযায়ী আলাদা। সাধারণত ফেব্রুয়ারির শেষ থেকে এপ্রিল। যেমন Charles University ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩০ এপ্রিল। ➖ Charles University এর ইংরেজি মেডিসিনে ৩০ নভেম্বর, সবার থেকে আগে। ➖ ভিসা প্রসেসিংয়ে ৯০ থেকে ১২০ দিন লাগতে পারে। 🇸🇰 স্লোভাকিয়া ➖ সাধারণত জানুয়ারি থেকে এপ্রিল। যেমন Comenius University তে ৩১ জানুয়ারি থেকে ৩১ মার্চ। ➖ ইংরেজি মেডিসিনে ডিসেম্বরের শেষ থেকে ফেব্রুয়ারি। 🇱🇹 লিথুয়ানিয়া ➖ সাধারণত মার্চ থেকে ৩০ জুন। যেমন Vilnius University ১ মার্চ থেকে ৩০ জুন, KTU আর VMU এপ্রিল থেকে ৩০ জুন। ➖ ফেব্রুয়ারিতেও একটা ছোট ইনটেক আছে। 🇱🇻 লাটভিয়া ➖ সাধারণত এপ্রিল থেকে জুলাই। যেমন RSU ১ এপ্রিল থেকে ৩০ জুন, RTU মে থেকে ৩১ জুলাই। ➖ মেডিসিনে সিট কম, তাই আগে আবেদন করুন। 🇪🇪 এস্তোনিয়া ➖ জানুয়ারিতে আবেদন খোলে, বেশিরভাগ ভার্সিটিতে ১ এপ্রিল পর্যন্ত। যেমন Tartu, Tallinn University। TalTech এ ১ এপ্রিল থেকে ৩১ মে।
149
7
জন্ম নিয়ন্ত্রন পিলের বিষক্রিয়া নিয়ে আজকে কথা বলি। এগুলো জাস্ট পয়জন। ইমার্জেন্সি পিল হোক বা রেগুলার পিল হউক। মজার ব‍্যাপার এসব পিলে রিয়েল Estrogen ও Progesterone থাকে না। যা আছে সেটা সিনথেটিক আর্টিফিশিয়াল ভার্সন, এমন ভাবে বিকৃত করা হইছে যেটা Estrogen কে নকল করে। পিল খাওয়ার ফজিলতগুলো কি কি ? 1 ব্রেস্ট ক‍্যান্সার 2 ফাইব্রয়েড 3 এনডোমেট্রিয়সিস 4 হাইপোথাইরয়েড 5 ইস্ট ইনফেকশন 6 একনি 7 ওজন বাড়তে থাকা 8 ওভারি ও ব্রেস্টে সিস্ট। 9 শরীরে জিংক ও সেলেনিয়ামের ঘাটতি 10 অটোইমিউন ডিজিজ (লুপাস) 11 পেটের মাইক্রবায়োম নস্ট করে 12 ডিপ্রেশন 13 মুড সুইং 14 ভুলে যাওয়ার প্রবনতা ডিমেনশিয়া 15 মেলাজমা 16 হাই প্রেশার 17 ব্লাড ক্লট, স্ট্রোক, হার্ট এট‍্যাক ন‍্যাচারাল কি অপশন হতে পারে? ১ আজল (কেউ কেউ নাকি আবেগের ঠেলায় ব‍্যালেন্স হারায়) ২ মাসিক সাইকেল হিসাব করে যখন ফার্টাইল থাকেনা ওই সময় ( কেউ কেউ নাকি হিসাব রাখতে পারে না) ৩ কনডম (অনেক পুরুষের এইটা ভালো লাগে না) যারা পিল খেয়ে ফেলেছে তাদের Zinc Copper Selenium কম্বো সাপ্লিমেন্ট খেতে হবে। হাইপোথাইরয়েড থাকলে Iodine 1500mcg খেতে হবে।
222
8
فى الدر المختار- أو لمس ) ولو بحائل لا يمنع الحرارة وقال ابن عبدين– ( قوله : بحائل لا يمنع الحرارة ) أي ولو بحائل إلخ ، فلو كان مانعا لا تثبت الحرمة ، كذا في أكثر الكتب (الفتاوى الشامية، كتاب النكاح، فصل فى المحرمات-3/107-108) ২) স্পর্শ করলে পুরুষ মহিলা যেকোন একজনের উত্তেজনা অনুভুত হওয়া। পুরুষের উত্তেজনা অনুভূত হওয়ার লক্ষণ হল গোপনাঙ্গ দাঁড়িয়ে যাওয়া, আর পূর্ব থেকে দাঁড়িয়ে থাকলে স্পর্শ করার পর উত্তেজনা বৃদ্ধি পাওয়া। وفى رد المحتار- قوله (بشهوة) اي ولو من احدهما، وفى الدر المختار- وحدها فيهما تحرك آلته أو زيادته به يفتى وفي امرأة ونحو شيخ كبير تحرك قلبه أو زيادته (الفتاوى الشامية، كتاب النكاح، فصل فى المحرمات-4/107-109) ৩) স্পর্শ করার সময় উত্তেজিত হতে হবে। যদি স্পর্শ করার সময় কেউ উত্তেজিত না হয়, তাহলেও নিষিদ্ধতা প্রমাণিত হবে না। সেই সাথে স্পর্শ করার আগে বা শেষে, হাত ছেড়ে দেওয়ার আগে বা পর যদি উত্তেজনা অনুভূত হয় তাহলেও নিষিদ্ধতার সাব্যস্ত হবে না। وفى الدر المختار- والعبرة للشهوة عند المس والنظر لا بعبفتى وفى رد المحتار- ( قوله : والعبرة إلخ ) قال في الفتح : وقوله : بشهوة في موضع الحال ، فيفيد اشتراط الشهوة حال المس ، فلو مس بغير شهوة ، ثم اشتهى عن ذلك المس لا تحرم عليه (رد المحتار-كتاب النكاح، فصل فى المحرمات-4/108) ৪) স্পর্শ করার পর উদ্ভূত উত্তেজনা স্থীর হওয়ার পূর্বেই বীর্যপাত না হতে হবে। যদি উত্তেজনা হওয়ার সাথে সাথেই বীর্যপাত হয়ে যায়, তাহলেও নিষিদ্ধতা সাব্যস্ত হবে না। وفى الدر المختار- هذا إذا لم ينزل فلو أنزل مع مس أو نظر فلا حرمة به بفتى وفى رد المحتار- قوله : فلا حرمة ) لأنه بالإنزال تبين أنه غير مفض إلى الوطء هداية . قال في العناية : ومعنى قولهم إنه لا يوجب الحرمة بالإنزال أن الحرمة عند ابتداء المس بشهوة كان حكمها موقوفا إلى أن يتبين بالإنزال ، فإن أنزل لم تثبت ، وإلا ثبت(الفتاوى الشامية، كتاب النكاح، فصل فى المحرمات-4/109 ৫) মহিলার বয়স ৯ বছর থেকে কম না হতে হবে। আর পুরুষের বয়স ১২ বছর থেকে কম না হতে হবে। [হুরমতে মুসাহারাত-১৯]। ৬) যদি স্পর্শকারী মহিলা হয়, আর উত্তেজনা হওয়ার দাবি করে, আর স্বামীর এ ব্যাপারে প্রবল ধারণা হয় যে, স্ত্রী সত্য বলছে, বা স্পর্শকারী পুরুষ হয় ও উত্তেজনার দাবি করে, তাহলেও তার সংবাদের উপর স্বামীর প্রবল ধারণা হয় যে, লোকটি সত্য বলছে, তাহলে নিষিদ্ধতা প্রমাণিত হবে নতুবা নয়। কেননা স্ত্রী এ দাবি করার মাধ্যমে স্বামী থেকে বাঁচতে চাচ্ছে, তাই স্বামীর সত্যায়ন জরুরী, তাছাড়া যদি দুই জন সাক্ষী সাক্ষ্য দেয় যে, স্পর্শ করার সময় উত্তেজনা ছিল তাহলে স্বামীর সত্যায়নের কোন প্রয়োজন নেই। {ইমদাদুল ফাতওয়া-২/৩২০, হুরমতে মুসাহারাত-১৯}। ▪️এই নিয়মের ভিত্তিতে একটা মাসয়ালাঃ ▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞ আপন মেয়েকে বাবা যদি সাহওয়াতের সাথে স্পর্শ করে এবং তার উষ্ণতা অনুভব করে তাহলে মেয়ে মা (বউ) মেয়ের বাবার জন্য হারাম হয়ে যাবে। (আদ-দুররুল মুখতার 4/112, ফাতাওয়া হিন্দিয়া 1/340; আল বাহরুর রায়েক 3/177) স্পর্শের দ্বারা উপরোক্ত ৬টি শর্ত পাওয়া গেলে হুরমতে মুসাহারাত সাব্যস্ত হয়ে যাবে। 📌 চক্ষু দ্বারা দৃষ্টিপাতের দ্বারা হুরমতে মুসাহারাত : ▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞ ১। দৃষ্টিপাতটি হতে হবে মহিলা পুরুষের আর পুরুষ নারীর সরাসরি শরীরের দিকে। ছবি বা ভিডিও বা কারো অবয়বের পুতুল হলে হবে না। ২। দৃষ্টিটি নিবদ্ধ হতে হবে মহিলার লজ্জাস্থানের খানিকটা ভিতরাংশে। শুধু উপরের অংশ দেখার দ্বারা হুরমতে মুসাহারাত সাব্যস্ত হবে না। আর পুরুষের ক্ষেত্রে শুধু লজ্জাস্থান দেখার দ্বারাই হুরমত সাবেত হবে। ৩। দৃষ্টি নিবদ্ধের সময় শারিরিক উত্তেজনা অনুভূত হতে হবে। পরে বা আগে হলে হবে না। ৪। যার লজ্জাস্থান দেখছে সে জীবিত হতে হবে। মৃত হলে হুরমত সাব্যস্ত হবে না। ৫। দৃষ্টি নিবদ্ধের সাথে সাথেই বীর্যপাত না হতে হবে। বীর্যপাত হয়ে গেলে হুরমত সাব্যস্ত হবে না। ৬। মেয়ের বয়স কমপক্ষে ৯ বছর আর ছেলের বয়স কমপক্ষে ১২ বছর হতে হবে। দৃষ্টিপাতের দ্বারা উপরোল্লিখিত ৬টি শর্ত পাওয়া গেলেও হুরমাতে মুসাহারাত তথা বৈবাহিক সম্পর্কের দরূন আজীবন বিবাহ হারাম হওয়ার নীতি কার্যকর হবে দৃষ্টিপাতকারী পুরুষ ও মহিলার মাঝে। আর যদি কোনো একটি শর্ত না পাওয়া যায় তাহলে হুরমাতে মুসাহারাত সাব্যস্ত হবে না। তবে তা কবীরা গুনাহ থেকে মুক্ত নয়। মহান আল্লাহ পাক আমাদের সবাইকে উদ্ভূত পরিস্থিতি থেকে বেঁচে থাকার তাওফিক দান করুন। আমীন🤲 💌 মুফতি খাইরুল ইসলাম (হাফি.) এর একটা কিতাব আছে “হুরমতে মুসাহারাত” এর উপর। যেটা পড়লে একদম সব ক্লিয়ার হয়ে যাবে। বিষয়টা ভয়ানক সেনসেটিভ। 📌 ইসলামের যে কোনো বিষয় সুন্দরভাবে জানতে-বুঝতে এবং মহা-জরুরী মাসয়ালাগুলো সহজে পেতে Guidelines to Jannah কে ফলো দিনে রাখুন।👍🌻💛
266
9
থামুন! এই পোস্টটি আপনার জন্য— ছোট থেকে বড় সবারই যে সম্পর্কে জানা জরুরী— ‘হুরমতে মুসাহারাত’ সংক্রান্ত জরুরী মাসায়েল— 📌 অনেকেই আমাদের প্রশ্ন করেন— ▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞ ১। মা+সন্তান শারীরিক সম্পর্ক করলে হুরমতে মুসাহারাত হবে কিনা? ২। দুলাভাই+শালিকা শারীরিক সম্পর্ক করলে হুরমতে মুসাহারাত হবে কিনা? ৩। আপন ভাই+বোন শারীরিক সম্পর্ক করলে হুরমতে মুসাহারাত হবে কিনা? আশাকরি এটা পড়লে সকলেই উত্তর পেয়ে যাবেন। সমাজে এমন কিছু জিনিস প্রচলিত আছে, যা আমাদের অজান্তেই দুনিয়া ও আখেরাত বরবাদ করে চলেছে। এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে ‘হুরমতে মুসাহারাত’। যার কারণে স্ত্রী চিরতরে কেয়ামত পর্যন্ত হারাম হয়ে যায়। চলুন, এ সংক্রান্ত কিছু গুরুত্বপূর্ণ মাসয়ালা জেনে নেয়া যাক— 🪧 মাসআলা – ১ ————————••• ইসলামী বিধান মতে, কোনো বাবা নিজ কন্যার সাথে যিনা করলে বা কামভাব নিয়ে উত্তেজনার সাথে কাপুড়ের আবরণ ছাড়া স্পর্শ করলে নিজ স্ত্রী তথা ওই মেয়ের মায়ের সাথে বৈবাহিক সম্পর্ক সম্পূর্ণ ভেঙ্গে যায় এবং স্ত্রী তার জন্যে চিরতরে হারাম হয়ে যায়। তাই কন্যা বালেগা হবার নিকটবর্তী (সাধারণত ৮+ বছর) হয়ে গেলে তাকে স্পর্শ করার ক্ষেত্রে পিতার এবং ছেলে বালেগ (সাধারণত ১১+ বছর) হয়ে গেলে তাকে স্পর্শ করার ক্ষেত্রে মায়ের খুবই সর্তক থাকা উচিৎ। 🪧 মাসআলা – ২ ————————••• ১ নং মাসআলাটি ছিল পিতা-মাতার দিক থেকে। একই কাজ যদি সন্তানের দিক থেকে হয় তবুও পিতা মাতার বিবাহ ভেঙ্গে পরস্পর চিরতরে হারাম হয়ে যাবে। কাজেই মা-কে স্পর্শ করার ক্ষেত্রে পুত্র ও বাবাকে স্পর্শ করার ক্ষেত্রে কন্যার খুব সতর্কতা আবশ্যক। 🪧 মাসআলা – ৩ ————————••• উপরোক্ত দুটি মাসআলার মতই শ্বশুর কর্তৃক পুত্রবধূ এবং শাশুড়ি কর্তৃক জামাইকে স্পর্শ করার বিধান। অর্থাৎ শর্তগুলি পাওয়া গেলে স্বামী স্ত্রী পরস্পর হারাম হয়ে যাবে। 🪧 মাসআলা – ৪ ————————••• যদি কোন পুরুষ কোন মহিলার সাথে ব্যভিচারে লিপ্ত হয় অথবা কামভাব নিয়ে আবরণহীন তাকে স্পর্শ করে অথবা কামভাব সহকারে মহিলার লজ্জাস্থানের খানিকটা ভিতরাংশে তাকায় অথবা নারী পুরুষের লজ্জাস্থানে তাকায় তাহলে ঐ পুরুষের জন্য ওই মহিলার মা এবং মেয়ে সম্পূর্ণ হারাম হয়ে যায়। আর যদি সেই ব্যক্তি পূর্ব থেকেই ঐ মহিলার মেয়েকে বিবাহ করে থাকে, তাহলে তার সেই স্ত্রী চিরতরের জন্য হারাম হয়ে যাবে। 🪧 মাসআলা – ৫ ————————••• হুরমতে মুসাহারার দ্বারা অটোমেটিক বৈবাহিক সম্পর্ক ছিন্ন হয়ে স্বামী স্ত্রী পরস্পর হারাম হয়ে যায়। আর এই হারামটা সারা জীবনের জন্য বহাল থাকে। অর্থাৎ পুনরায় বিবাহের কোন উপায় আর থাকে না। কাজেই তালাকের কোন ব্যাপার স্যাপার এখানে নেই। 🪧 মাসআলা – ৬ ————————••• যদি কোন পুরুষ ও মহিলা একে অপরকে কামভাবে সাথে স্পর্শ করে অথবা পুরুষ মহিলার লজ্জাস্থানের ভিতরে কামভাব নিয়ে দৃষ্টি দেয়, তবে তাদের প্রত্যেকের জন্য অপরের উপরের সিঁড়ি ও নিচের সিঁড়ির সকলে চিরতরে হারাম হয়ে যায়। অর্থাৎ তাদের কারো সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে পারবে না। আর কেউ বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ থাকলে সে চিরতরে হারাম হয়ে যাবে। একে হুরমতে মুসাহারাত বলে। [এলাউস সুনান-১১/১৩১,১৩২, রদ্দুল মুহতার-৩/৩১-৩৩] 🪧 মাসআলা – ৭ ————————••• কেউ তার শাশুড়ী বা মেয়েকে কামভাব নিয়ে স্পর্শ করলে তার স্ত্রী তার জন্য চিরতরে হারাম হয়ে যায়। [রদ্দুল মুহতার ৩/৩১-৩৩] 🪧 মাসআলা – ৮ ————————••• কোন মহিলা তার ছেলে বা শ্বশুরকে কামভাবে নিয়ে স্পর্শ করলে তার স্বামী তার জন্য চিরতরে হারাম হয়ে যায়।[আদ্দুররুল মুখতার ৩/৩১-৩৩] 🪧 মাসআলা – ৯ ————————••• হুরমতে মুছাহারাত সাব্যস্ত হওয়ার জন্য কামভাব উভয়ের হওয়া শর্ত নয় বরং যে স্পর্শ করেছে বা যাকে স্পর্শ করা হচ্ছে কোন একজনের কামভাব এলেই হুরমতে মুসাহারাত সাব্যস্ত হবে।[রদ্দুল মুহতার ৩/৩৬] 🪧 মাসআলা – ১০ ————————••• হুরমতে মুসাহারাত সাব্যস্ত হতে হলে সরাসরি শরীরে স্পর্শ হতে হবে অথবা এমন কাপড়ের উপরে স্পর্শ হতে হবে যার উপরে শরীরের উষ্ণতা অনুভুত হয়।[আদ্দুররুল মুখতার ৩/৩১] কাজেই পুরুষের জন্য শাশুড়ি ও মেয়ের (সাবালেগ হলে বা সাবালেগের নিকটবর্তী হলে) সাথে চলাফেরার ক্ষেত্রে যথেষ্ট সাবধানতা অবলম্বন প্রয়োজন। অনুরূপভাবে মহিলার জন্য শ্বশুর ও ছেলের (সাবালক বা সাবালকের নিকটবর্তী হলে) সাথে চলাফেরার ক্ষেত্রে সাবধানতা অবলম্বন একান্ত প্রয়োজন। নতুবা সামান্য ভুলের কারনে স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক চিরতরে হারাম হয়ে যেতে পারে। তালাক ছাড়াও যেসব কারণে স্বামী-স্ত্রী হারাম হয়ে যায়– সন্তানের যেসব কারণে বাবা-মা তালাক হয়ে যায়— ❑ হুরমতে মুসাহারাত- সাব্যস্ত হবার জন্য কয়েকটি শর্ত রয়েছে: ▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞ 📌 হাত, পা বা বিভিন্ন অঙ্গের- স্পর্শের দ্বারা হুরমতে মুসাহারাত : ▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞ ১) সরাসরি খালি গায়ে বা এমন কাপড়ের উপর দিয়ে স্পর্শ করে, যা এতটাই পাতলা যে, শরীরের উষ্ণতা অনুভব হয়। যদি এমন মোটা কাপড় পরিধান করে থাকে যে, শরীরের উষ্ণতা অনুভূত না হয়, তাহলে নিষিদ্ধতা সাব্যস্ত হবে না।
200
10
ডাক্তার হিসেবে সামাজিক দায় বদ্ধতা থেকে এটা আমার লেখা উচিত বলে মনে করি। প্রসংগ : #ডাবের_পানি। চারিদিকে ডেংগু। এই সুযোগে বাংলাদেশের অসৎ ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট ডাবের দাম হাসপাতালের সামনে কোথাও কোথাও ২০০-২৫০ টাকার উপরে বিক্রি করছে। কিন্তু আসলে ডাবের পানি কি অপরিহার্য? ডেংগু এবং অনান্য চিকিৎসার ক্ষেত্রে এটা কতটুকু উপকারি? চলুন জেনে নেই মেডিকেল সাইন্সের দৃষ্টিতে। আমাদের দেশের ম্যাক্সিমাম মানুষ এটা কে ঐশ্বরিক কিছু মনে করে থাকেন।এটা যেন সর্ব রোগের মহৌষধ । বমি করলে ডাবের পানি, পায়খানা করলে ডাবের পানি। ঘেমে গেলে ডাবের পানি। আবার অনেকে মনে করে এটা খেলে শৌর্য বীর্য বাড়ে। মজার কথা হলো Coconut water is very much poor in Sodium. তবে সেটা potassium এ বেশ Fortified. আমরা যে খাবার Saline খাই সেখানে যে পরিমান Sodium থাকে সেটা Coconut water দিয়ে পূরন করতে গেলে ৪ টা ডাব খাওয়াতে হবে।এদিকে Sodium কারেক্ট করতে গিয়ে বডিতে potassium হয়ে যাবে ৪ গুণ। যেটা অবশ্যই ভাল কিছু হবে না আপনার হৃদয়ের জন্য। আমাদের ডেংগুতে আমরা চাই রক্তে sodium এর মাত্রা বাড়াতে। তাই ডেংগুর চিকিৎসার ক্ষেত্রে ডাবের পানি মোটেও কোন ভাল সলুশন না। বরং অনেক ক্ষেত্রে Hyperkalemia বা পটাশিয়াম অতিমাত্রায় বেড়ে যাবারই রিস্ক বেশি। আর এটা কখনো বলা সম্ভব না কোন ডাবে কতটুকু পানি থাকবে। আর সেখানে সোডিয়ামের আর পটাশিয়ামের মাত্রা কত এর ঘরে থাকবে। অর্থাৎ এটা মোটেও সার্বজনীন সমসত্ত্ব পানীয় নয়। এবার আসেন দামের কথায় আসি। একটা ডাবের দাম ঢাকায় মেডিকেলের সামনে এখন এখন ২০০ টাকার উপর। যেটা সবচেয়ে ছোট। অথচ, যদি চিকিৎসার জন্যই খেতে চান ,সেক্ষেত্রে সবচেয়ে পারফেক্ট অপশন হলো Orsaline . যেখানে সব রকমের লবন যেমন Sodium , Potassium মানুষের শরীরের সাপেক্ষে সমসত্ত্ব করে বানানো হইছে। আমাদের ডেংগু গাইডলাইনেও কিন্তু Orsaline এর কথা প্রথমে বলা আছে। পৃথিবীর যে কর্নারে এটা পান করেন। এটা একদম সমসত্ত্ব একটা মিশ্রণ। আর দাম মাত্র ৬ টাকা। এখন চিন্তা করেন সারাদিন ঘেমে কিংবা বমি করে আপনি বেশ কিছু Sodium loss করে ফেলছেন বডি থেকে। এই Sodium এর ঘাটতি পূরন করতে আপনি ৬ টাকার স্যালাইন খেলেন। এই স্যালাইন আপনার সোডিয়াম যতটুকু কারেক্ট করবে, সেই পরিমান কারেক্ট ডাব খেয়ে করতে গেলে লাগবে ৬০০-৮০০ টাকার ডাব। সাথে তো আছে Potassium বেড়ে যাবার ভয়। Heart এর রোগী কে ডাব খাওয়ায়ে মেরে ফেলার ইতিহাস ও চোখে দেখা। তাই অতিরিক্ত ঘাম, বমি বা ডায়রিয়া হলে ৬ টাকার একটা স্যালাইন খান। আর ডেংগুর তো চিকিৎসাই এটা। ডাবের এই হাইপের জন্যই আজ ডাব ওয়ালাদের এই সিন্ডিকেট। এটা সত্যিকার অর্থেই স্যালাইনের থেকে কম কার্যকর এবং আলাদা কোন স্বাস্থ্য সুবিধা এতে নেই।ঘুরতে গিয়ে উপভোগের জন্য এটা খাওয়া যেতে পারে। আর ব্যাপার টা তো এমনো না ,যে চুমুকে চুমুকে বেহেস্তের খাবারের মতো স্বাদ পরিবর্তন হয়। ডাবের পানি রিক্রিয়েশন হতে পারে, চিকিৎসার বিকল্প নয়। #ডাঃসওগাত_এহসান
144
11
ভিডিওর সবচেয়ে ডিস্টার্বিং বা অস্বস্তিকর অংশ ছিল টোটালিটারিয়ান বা একনায়কতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার উদাহরণটি। উত্তর কোরিয়ার মতো কোনো রাষ্ট্র যদি এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে? চিন্তা করুন, একটি রাষ্ট্র তার নাগরিকদের আনুগত্য বা লয়্যালটি জেনেটিক্যালি কোড করে দিচ্ছে। এমন মানুষ তৈরি করা হচ্ছে যারা বিদ্রোহ করার কথা চিন্তাই করতে পারবে না, কারণ তাদের মস্তিষ্কের সেই নিউরাল পাথওয়েগুলোই এডিট করে দেওয়া হয়েছে। তারা হবে পারফেক্ট সোলজার, পারফেক্ট ওয়ার্কার, যাদের কোনো ক্লান্তি নেই, প্রশ্ন নেই, শুধু আছে অন্ধ আনুগত্য। একে বলা যেতে পারে বায়ো-ফ্যাসিজম। জর্জ অরওয়েলের ১৯৮৪ উপন্যাসে আমরা ব্রেইন ওয়াশ বা মগজধোলাই দেখেছি, কিন্তু জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং তাকে হার্ডওয়্যার লেভেলে নিয়ে যাবে। তখন আর প্রপাগান্ডার দরকার হবে না, কারণ মানুষটি জন্মগতভাবেই গোলাম হিসেবে প্রোগ্রামড। রাষ্ট্রযন্ত্রের হাতে যদি বায়োলজির চাবিকাঠি চলে যায়, তবে স্বাধীনতা বা ফ্রি উইল শব্দটি ডিকশনারি থেকে মুছে ফেলতে হবে। দর্শনের জায়গা থেকে প্রশ্ন আসে, মানুষের সংজ্ঞা কী? আমাদের ভুলত্রুটি, আমাদের সীমাবদ্ধতা, আমাদের বার্ধক্য, এগুলোই কি আমাদের মানুষ করে না? আমরা যদি সব নিখুঁত বা পারফেক্ট করে ফেলি, তবে আমরা কি আর মানুষ থাকবো, নাকি আমরা অর্গানিক রোবট হয়ে যাবো? আমরা প্রকৃতির বিবর্তন বা ন্যাচারাল সিলেকশনকে বাইপাস করে ইন্টিলিজেন্ট ডিজাইন-এর পথে হাঁটছি। কিন্তু ডিজাইনটা কার? ডিজাইনটা হলো মানুষের, যা লোভ, ভয় আর অহংকারে পূর্ণ। আমরা যখন নিজেদের ডিজাইন করবো, তখন আমরা আমাদের বায়াস বা পক্ষপাতিত্বগুলোকেও এমপ্লিফাই বা বহুগুণ বাড়িয়ে দেবো। আমরা এমন এক জগত তৈরি করবো যেখানে বৈচিত্র্য বা ডাইভারসিটি থাকবে না, থাকবে শুধু অপটিমাইজড মনোটনি বা যান্ত্রিক একঘেয়েমি। তবুও, একজন এনথুজিয়াস্ট হিসেবে আমি এই প্রযুক্তির সম্ভাবনাকে অস্বীকার করতে পারি না। মহাকাশ ভ্রমণের জন্য আমাদের শরীরকে বদলানো প্রয়োজন, রেডিয়েশন সহ্য করার ক্ষমতা প্রয়োজন। ভবিষ্যতে অন্য গ্রহে বসতি স্থাপন করতে হলে আমাদের হিউম্যান ২. ০ হতেই হবে। এটি আমাদের বিবর্তনের পরবর্তী ধাপ। কিন্তু এই ধাপটি পার হওয়ার জন্য আমাদের যে উইজডম বা প্রজ্ঞা দরকার, তা কি আমাদের আছে? আমরা আগুনের ব্যবহার শিখেছি, কিন্তু সেই আগুন দিয়ে ঘর গরম করার চেয়ে শহর পোড়াতেই বেশি ব্যবহার করেছি। ক্রিসপার হলো সেই প্রমিথিউসের আগুন। এটি দিয়ে আমরা রোগমুক্ত পৃথিবী গড়তে পারি, আবার এটি দিয়ে আমরা বায়ো-উইপন বা জীবাণু অস্ত্র বানিয়ে মুহূর্তের মধ্যে সভ্যতা ধ্বংসও করতে পারি। ভিডিওটি শেষ হয়েছে একটি আশার বাণী দিয়ে, কিন্তু আমার কাছে সেটি সতর্কবাণী মনে হয়েছে। বলা হয়েছে, ভবিষ্যত আসছে, আপনি প্রস্তুত হোন বা না হোন। এটিই হলো আল্টিমেট ট্রুথ। টেকনোলজি কারো জন্য অপেক্ষা করে না। আমরা এখন এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছি। আমাদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে, আমরা কি এই টেকনোলজিকে রেগুলেট করবো, নাকি একে আমাদের নিয়ন্ত্রণ করতে দেবো? যারা আজ এই আর্টিকেলটি পড়ছেন, তাদের বলছি, নিজের শরীর এবং জেনেটিক ডেটার ওপর অধিকার বজায় রাখাটাই হবে আগামী দিনের সবচেয়ে বড় সংগ্রাম। কারণ কর্পোরেশনগুলো এখন আর শুধু আপনার পকেটের টাকা বা আপনার ব্রাউজিং ডেটা চায় না, তারা চায় আপনার ডিএনএ, আপনার অস্তিত্বের ব্লু-প্রিন্ট। পরিশেষে, নিজেকে প্রশ্ন করুন, আপনি কি একজন ন্যাচারাল মানুষ হিসেবেই মরতে চান, নাকি আপনি চান আপনার পরবর্তী প্রজন্ম এডিটেড বা সম্পাদিত হোক? উত্তরটা সহজ নয়। কারণ যখন দেখবেন আপনার পাশের বাড়ির এডিটেড বাচ্চাটি আপনার ন্যাচারাল বাচ্চার চেয়ে পরীক্ষায় ভালো করছে, খেলায় ভালো করছে, তখন আপনিও লাইনে দাঁড়াবেন আপনার বাচ্চাকে আপগ্রেড করার জন্য। আমরা সবাই এই ইঁদুর দৌড়ে শামিল হবো এবং এভাবেই একদিন হোমো স্যাপিয়েন্স বিলুপ্ত হয়ে যাবে। তার জায়গায় আসবে এক নতুন প্রজাতি, যাদের শরীর রক্ত-মাংসের, কিন্তু আত্মা সিলিকন ভ্যালির অ্যালগরিদমে তৈরি। পৃথিবীটা তাদেরই হবে, আর আমরা হবো মিউজিয়ামে রাখা ফসিল, যাদের দিকে তাকিয়ে তারা হাসবে আর ভাববে, এরা কতই না প্রিমিটিভ বা আদিম ছিল, যারা মৃত্যুকে মেনে নিতো, ভাগ্যকে মেনে নিতো। এই হ্যাংওভারটা কাটানো কঠিন, কারণ আমরা নিজের অজান্তেই নিজেদের বিলুপ্তির কন্ট্রাক্ট সাইন করে ফেলেছি।
190
12
ভিডিওটি দেখার পর আমার মনে হচ্ছে আমরা হিউম্যান হিস্ট্রির বা বলা ভালো হিউম্যান ইভোলিউশন-এর শেষ অধ্যায়ে দাঁড়িয়ে আছি। কুর্জগেসাগ্ট (Kurzgesagt)-এর এই কালারফুল অ্যানিমেশন দেখে যদি আপনার মনে হয় এটি শুধুই একটি এডুকেশনাল ভিডিও, তবে আপনি বড় ভুল করছেন। এটি আসলে মানবজাতির অবিচ্যুারি বা শোকসংবাদ এবং একই সাথে এক নতুন প্রজাতির বার্থ সার্টিফিকেট। আমরা অনেকেই জানি যে, কোনো সফটওয়্যারের ভার্সন ১. ০ সবসময় বাগি (Buggy) এবং অদক্ষ হয়। বিশ্বাস করুন বা না করুন, আপনি, আমি এবং এই পৃথিবীর ৮০০ কোটি মানুষ, আমরা সবাই হলাম সেই হিউম্যান ১. ০, যা গ্লিচে ভরা, ভাইরাস অ্যাটাকে ক্র্যাশ করে এবং মাত্র ৭০-৮০ বছর চললেই হার্ডওয়্যার ফেইল করে। ক্রিসপার (CRISPR) টেকনোলজি আমাদের হাতে সেই সোর্স কোড তুলে দিয়েছে যা দিয়ে আমরা এই হিউম্যান ১. ০-কে হিউম্যান ২. ০-তে আপগ্রেড করতে পারি। কিন্তু প্রশ্ন হলো, এই আপগ্রেডের প্রাইস ট্যাগ বা মূল্য কে নির্ধারণ করবে? আর এই আপগ্রেড কি সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে, নাকি এটি তৈরি করবে এক চিরস্থায়ী জেনেটিক অ্যারিস্টোক্রেসি? ভিডিওর শুরুতেই যে এনালজি বা উপমা দেওয়া হয়েছে তা অত্যন্ত পাওয়ারফুল, ১৯৮০ সালের কম্পিউটার আর আজকের সুপার কম্পিউটার। আমরা কম্পিউটারকে যতটা বদলেছি, নিজেদের বায়োলজিকে ততটা বদলাইনি। কিন্তু এখন সেই সময় এসেছে। ক্রিসপার ক্যাজ-৯ (CRISPR Cas) টেকনোলজিকে আমি দেখি বায়োলজিক্যাল ফটোশপ হিসেবে। আগে ডিএনএ বদলানো ছিল ম্যাপ দেখে রাস্তা খোঁজার মতো জটিল, আর এখন এটা জিপিএস ব্যবহারের মতো সহজ। মাত্র ১০ ডলারে ফ্লুরোসেন্ট জেব্রাফিশ বা অন্ধকারে জ্বলজ্বল করা মাছ পাওয়া যাচ্ছে, এটা কোনো সায়েন্স এক্সপেরিমেন্ট নয়, এটা বায়োলজির কমোডিফিকেশন বা পণ্যীকরণ। যখন ঈশ্বরের সৃষ্টিকে ১০ ডলারে বিক্রি করা হয়, তখন বুঝতে হবে পবিত্রতা বা স্যাক্রেড বলে আর কিছু অবশিষ্ট নেই। সব কিছুই এখন ইঞ্জিনিয়ারিং প্রবলেম। আর আমরা সবাই জানি, যেকোনো প্রবলেমের অপটিমাইজড সলিউশন বের করা সম্ভব। কিন্তু এই অপটিমাইজেশনের নেশা আমাদের কোথায় নিয়ে যাবে? ডার্ক সাইকোলজির লেন্স দিয়ে দেখলে, মানুষের সবচেয়ে আদিম ভয় হলো মৃত্যু এবং সবচেয়ে আদিম আকাঙ্ক্ষা হলো অমরত্ব বা ইমর্টালিটি। ভিডিওতে এজিং বা বার্ধক্যকে একটি রোগ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। এটি একটি প্যারাডাইম শিফট। এতদিন আমরা মৃত্যুকে নিয়তি ভাবতাম, এখন আমরা মৃত্যুকে ভাবছি টেকনিক্যাল ফেইলিউর। ডিএনএ ব্রেক করছে, সেল রিপেয়ার হচ্ছে না, এগুলো সব ফিক্স করা সম্ভব। কিন্তু ভাবুন তো, যদি সত্যিই মৃত্যুকে জয় করা যায়, তবে এই সমাজের পাওয়ার ডাইনামিক্স বা ক্ষমতার সমীকরণ কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে? আজ একজন বিলিয়নেয়ার বা ক্ষমতাধর রাজনীতিবিদ মারা যান, ফলে তার সম্পদ এবং ক্ষমতা হাতবদল হয়, সমাজে নতুন নেতৃত্ব আসে। মৃত্যুই হলো প্রকৃতির একমাত্র ইকুলাইজার বা সাম্যবাদক। কিন্তু যদি জেফ বেজোস বা ইলন মাস্কের মতো মানুষেরা ১০০০ বছর বাঁচেন? তাদের সম্পদ কম্পাউন্ড ইন্টারেস্টে বাড়তে বাড়তে এমন পর্যায়ে যাবে যে তারা একেকজন কোয়াড্রিলিয়নিয়ার, কুইন্টিলিয়নিয়ার এ পরিণত হবেন। ফলে সাধারণ মানুষ তখন শুধু তাদের প্রজা নয়, তাদের বায়োলজিক্যাল সাব-অর্ডিনেট বা অধস্তন প্রজাতিতে পরিণত হবে। আমরা একটি পার্মানেন্ট রুলিং ক্লাস বা চিরস্থায়ী শাসকগোষ্ঠী তৈরি করার দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে আছি, যেখানে মৃত্যু কেবল গরিবদের জন্যই বরাদ্দ থাকবে। স্লিপারি স্লোপ বা পিচ্ছিল ঢালের কনসেপ্টটি এখানে অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। আমরা শুরু করবো মহৎ উদ্দেশ্য দিয়ে, ক্যান্সার নিরাময়, এইচআইভি নির্মূল, জেনেটিক রোগ দূর করা। কে চাইবে তার সন্তান অসুস্থ হয়ে জন্মাক? কেউ না। এই ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইল বা যৌক্তিকতাই হলো ফাঁদ। একবার যখন আপনি রোগের জন্য ভ্রূণের ডিএনএ এডিট করা মেনে নেবেন, তখন পরবর্তী ধাপগুলো আটকানো অসম্ভব। যদি অ্যালঝাইমার্স দূর করা যায়, তবে কেন মেটাবলিজম বাড়িয়ে স্থূলতা দূর করা যাবে না? যদি দৃষ্টিশক্তি ঠিক করা যায়, তবে কেন কানের রঙ বা চোখের রঙ পছন্দমতো নেওয়া যাবে না? আর যদি এসবই করা যায়, তবে কেন আইকিউ (IQ) বা বুদ্ধিমত্তা বাড়ানো যাবে না? এখান থেকেই শুরু হবে ডিজাইনার বেবির যুগ। মানুষ তখন আর জন্মাবে না, মানুষকে ম্যানুফ্যাকচার বা উৎপাদন করা হবে। (আমি জানি শুনতে অবাক লাগছে, সো আমাকে কমেন্ট এ জানাতে পারেন, যেখানে যেখানে আপনার সমস্যা)। পিতামাতারা সন্তানের জন্য ক্যাটালগ দেখে ফিচার সিলেক্ট করবেন, আমার বাচ্চার আইকিউ ১৮০ চাই, নীল চোখ চাই, আর অলিম্পিক এথলেটদের মতো মাসল চাই। এর ফলে সমাজে এমন এক শ্রেণির মানুষ তৈরি হবে যারা জন্মগতভাবেই আমাদের চেয়ে সুপিরিয়র। তাদের সাথে প্রতিযোগিতায় নামাটা হবে একটা সাধারণ টয়োটা গাড়ি নিয়ে ফর্মুলা ওয়ান রেস কারের সাথে পাল্লা দেওয়ার মতো। এটি কোনো ফেয়ার গেম নয়, এটি বায়োলজিক্যাল ডমিনেশন।
149
13
আপনি প্রবাসে যাচ্ছেন পরিবারের জন্য। কিন্তু পরিবারটাই যদি ভেঙে পড়ে তাহলে কার জন্য উপার্জন করছেন? বছরে অন্তত দুইবার দীর্ঘ সময়ের জন্য পরিবারের কাছে আসুন। স্ত্রীর মানসিক প্রয়োজনটা বুঝুন। সন্তানের সাথে যোগাযোগ রাখুন, শুধু টাকা পাঠালেই দায়িত্ব শেষ নয়। সন্তানের হাতে স্মার্টফোন দেওয়ার আগে ভাবুন। বরং সেই অর্থে পরিবারকে ওমরা বা হজে নিয়ে যান। দ্বীনের সাথে সংযুক্ত রাখুন। এটিই পরিবারকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাবে। মায়েদের এবং পরিবারের সকলের প্রতি পরামর্শ সন্তানের বয়স আট বছর হলেই ঘরের ভেতরেও পোশাকে শালীনতা বজায় রাখুন। ছেলে সন্তানের সাথে একই বিছানায় ঘুমানোর অভ্যাস বন্ধ করুন। ভাই-বোনের জন্য আলাদা ঘরের ব্যবস্থা করুন। আত্মীয়-স্বজন, খালু, মামা, চাচা সকলের সাথে মেলামেশায় ইসলামী শিষ্টাচার মেনে চলতে সন্তানকে শেখান। স্মার্টফোন দেওয়ার আগে সচেতন হন এবং ঘরে পর্দার পরিবেশ তৈরি করুন। যদি এ ধরনের পরিস্থিতিতে পড়ে যান যদি কেউ এই লেখা পড়ে বুঝতে পারেন যে তার পরিবারে এ ধরনের কিছু ঘটে গেছে বা ঘটছে, তাহলে চুপ করে বসে থাকবেন না। একজন বিশ্বস্ত আলেম বা কাউন্সিলরের সাথে কথা বলুন। সমস্যা লুকিয়ে রাখলে সমাধান হয় না, বরং আরও গভীর হয়। আর যদি হুরমতে মুসাহারাত সংক্রান্ত কোনো বিষয় ঘটে থাকে তাহলে বিষয়টি একজন অভিজ্ঞ মুফতির কাছে খুলে বলুন এবং সঠিক সিদ্ধান্ত নিন। শয়তান সবচেয়ে বেশি সফল হয় সেখানে যেখানে মানুষ সবচেয়ে নিরাপদ মনে করে। ঘর, পরিবার, মা-ছেলের সম্পর্ক, বাবা-মেয়ের সম্পর্ক, ভাই-বোনের সম্পর্ক, খালা-ভাগনের সম্পর্ক, এগুলো যে বিষাক্ত হতে পারে তা আমরা কল্পনাও করতে পারি না। কিন্তু বাস্তবে হচ্ছে। প্রতিদিন হচ্ছে। তাই সতর্ক থাকুন, দ্বীনকে আঁকড়ে ধরুন, পরিবারকে সময় দিন, সন্তানকে ইসলামী শিক্ষায় গড়ে তুলুন। হে আল্লাহ, আমাদের পরিবারগুলোকে সকল ফিতনা থেকে হেফাজত করুন। আমাদের মধ্যে গায়রত দান করুন। আমাদের সন্তানদের নেক ও সৎ হিসেবে গড়ে তুলুন। আমিন। #পারিবারিক_সচেতনতা #হুরমতে_মুসাহারাত #ইসলামিক_পরিবার #পর্নোগ্রাফি_আসক্তি #প্রবাসী_পরিবার #সন্তান_লালনপালন #ইসলামিক_জ্ঞান #পারিবারিক_সমস্যা #দ্বীনি_পরিবার #ইসলামিক_বাংলাদেশ Ustad Sultan Nayeem শিক্ষক, লেখক, আলোচক, পরামর্শক
164
14
এই বিধানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং অনেকের অজানা দিকটি হলো, শুধু বিবাহের মাধ্যমেই নয়, ব্যভিচার এবং কামভাবের সাথে স্পর্শ বা দৃষ্টিপাতের মাধ্যমেও হুরমতে মুসাহারাত প্রমাণিত হয়ে যায়। হানাফি, হাম্বলি এবং একটি বর্ণনামতে মালিকি মাযহাবও এই মতের সমর্থক। এর স্বপক্ষে কুরআন ও সুন্নাহর সুস্পষ্ট দলিল রয়েছে। মহান আল্লাহ বলেন, তোমাদের পিতৃপুরুষরা যে নারীদের বিবাহ করেছে তাদের তোমরা বিবাহ করো না। নিশ্চয়ই তা অশ্লীল, মারাত্মক ঘৃণ্য এবং নিকৃষ্ট পন্থা। (সুরা নিসা, ২২) ইমাম আবু বকর জাস্সাস রহ. ব্যাখ্যা করেছেন, এই আয়াতে বিবাহ শব্দের মূল অর্থ সহবাস, আকদে নিকাহ তার রূপক অর্থ। তাই পিতা যে নারীর সাথে হালাল বা হারাম যেকোনো উপায়ে সহবাস করেছে, সেই নারী সেই পুরুষের সন্তানের জন্য চিরতরে হারাম। হুরমতে মুসাহারাত প্রমাণিত হওয়ার চারটি কারণ প্রথমত, সহিহ বিবাহ। এরপর সর্বসম্মতিক্রমে হুরমত প্রমাণিত হয়। দ্বিতীয়ত, সহবাস। সহিহ বিবাহের পরে বা ব্যভিচারের মাধ্যমে সহবাসের দ্বারাও হানাফি ও হাম্বলি মাযহাবমতে হুরমত প্রমাণিত হয়। তৃতীয়ত, কামভাবের সাথে স্পর্শ। যদি পুরুষ বা নারীর যেকোনো একজনের উত্তেজনা অনুভূত হয় তাহলে হুরমত সাব্যস্ত হয়। এর জন্য শর্ত হলো স্পর্শটি সরাসরি বা এতটাই পাতলা কাপড়ের উপর দিয়ে হতে হবে যাতে শরীরের উষ্ণতা অনুভব হয়। স্পর্শের সময়ই উত্তেজনা থাকতে হবে, আগে বা পরে নয়। উত্তেজনার সাথে সাথেই বীর্যপাত হয়ে গেলে হুরমত সাব্যস্ত হয় না। চতুর্থত, কামভাবের সাথে লজ্জাস্থানের ভেতরের অংশ দেখা। শুধু বাইরের অংশ দেখার দ্বারা হুরমত সাব্যস্ত হয় না। হুরমত সাব্যস্ত হলে কী ঘটে? একবার হুরমতে মুসাহারাত প্রমাণিত হয়ে গেলে স্বামী-স্ত্রীর বৈবাহিক সম্পর্ক স্থায়ীভাবে এবং আজীবনের জন্য হারাম হয়ে যায়। পুনরায় বিবাহের কোনো সুযোগ থাকে না। এই হারাম শুধু সরাসরি সম্পর্কিতদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, উর্ধ্বতন এবং নিম্নতন উভয় দিকেই বিস্তার লাভ করে। অর্থাৎ কোনো ছেলে যদি নিজের মায়ের সাথে ব্যভিচার করে তাহলে তার বাবা-মায়ের বিবাহ চিরতরে ভেঙে যায়। তারা আর স্বামী-স্ত্রী থাকেন না। একইভাবে শ্বশুর যদি পুত্রবধূর সাথে কামভাব নিয়ে স্পর্শ করে তাহলে পুত্রের সাথে বউয়ের বিবাহ ভেঙে যায়। এটি কোনো ছোটখাট সাধারণ বিষয় নয়। এটি সংসারের মূল ভিত্তি ভেঙে দেওয়ার মতো ঘটনা। হযরত ইমরান ইবনে হুসাইন রা. বলেন, কোনো ব্যক্তি তার শাশুড়ির সাথে ব্যভিচার করলে তার উভয়ের জন্যই স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক হারাম হয়ে যায়। (মুসান্নাফে আব্দুর রাজ্জাক) হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা. থেকে বর্ণিত, যে ব্যক্তি কোনো মহিলার লজ্জাস্থান দেখে এবং তার মেয়ের লজ্জাস্থানও দেখে, কিয়ামতের দিন আল্লাহ তার দিকে তাকাবেন না। (মুসান্নাফে ইবনে আবি শাইবা) এখন ভাবুন, আমাদের সমাজে কতটা অজ্ঞতার মধ্যে আছি আমরা। অনেক পরিবারে এ ধরনের ঘটনা ঘটে গেছে, অথচ তারা জানতেও পারেনি যে তাদের বিবাহ ভেঙে গেছে। এই অজ্ঞতা দুনিয়া এবং আখিরাত দুটোই বরবাদ করে দিচ্ছে। ঘর যখন সবচেয়ে অনিরাপদ জায়গা মা-ছেলের সম্পর্কের মতোই বাবা-মেয়ের সম্পর্কও আজ কলুষিত হচ্ছে। এক মেয়ে বলেছেন, বাবার সাথে একা ঘরে থাকতে ভয় লাগে। আরেকজন বলেছেন, সেই ছোটবেলা থেকে বাবার হাত থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে বড় হয়েছি। এই কথাগুলো বলার সময় তাদের কণ্ঠ কাঁপছিল। কারণ যে মানুষটি সবচেয়ে নিরাপদ হওয়ার কথা, সেই মানুষটিই তার জীবনের সবচেয়ে বড় আতঙ্ক। ভাই-বোনের সম্পর্কের কথা বলতে গেলে আরও বেশি কষ্ট লাগে। রক্তের সম্পর্ক, একই মায়ের সন্তান। অথচ সেই ভাইয়ের কাছ থেকেই বোনকে নিরাপদ থাকতে হচ্ছে নিজের ঘরে। অনেক বোন বলেছেন, পর্নোগ্রাফিতে আসক্ত ভাই রাতের অন্ধকারে বোনের ঘরে আসত। মা জানতেন না। বাবা জানতেন না। বোন একা বুকে পাথর চেপে বড় হয়েছেন। খালা-ভাগনের ঘটনাও কম নয়। বোনের বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে ভাগনের অস্বস্তিকর আচরণে অপমানিত হয়ে চলে আসতে বাধ্য হয়েছেন এমন খালার সংখ্যা নেহাত কম নয়। আবার উল্টোও হয়েছে। ভাগনে অভিযোগ করেছে খালার বেপর্দা চলাফেরা তাকে পথভ্রষ্ট করেছে। এই সমস্ত ঘটনার একটিই কারণ। ঘরের ভেতরে ইসলামী পর্দার অভাব, সীমানার শিক্ষার অভাব এবং পর্নোগ্রাফির বিষক্রিয়া। শয়তান সবচেয়ে বেশি সফল হয় সেখানে যেখানে মানুষ সবচেয়ে নিরাপদ মনে করে। সমাজের কোন জায়গায় ফাটল ধরেছে? শুধু ব্যক্তির দোষ দিলেই হবে না। এই সমস্যার পেছনে আছে পরিবারের কাঠামোর দীর্ঘমেয়াদি দুর্বলতা। বাবা বছরের পর বছর প্রবাসে থাকেন, পরিবারকে সময় দেন না। মা একা একটি কিশোর সন্তান নিয়ে লড়াই করেন। ঘরে পর্দার ব্যবস্থা নেই। সন্তানের হাতে স্মার্টফোন তুলে দেওয়া হয় বিনা নজরদারিতে। পর্নোগ্রাফির ছড়াছড়িতে কিশোর মস্তিষ্ক বিষাক্ত হয়ে যাচ্ছে। এবং সবচেয়ে ভয়ের কথা এই বিষ একবার ঢুকলে বের হওয়া অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়ে। প্রবাসী ভাইদের প্রতি বিশেষ আহ্বান
160
15
একটি ঘটনা দিয়ে শুরু করি। টাঙ্গাইলের একজন মা, যার স্বামী দশ বছর ধরে সৌদি প্রবাসী। এই ১০ বছরে মাত্র দুই বার দেশে এসেছেন। একা হাতে সংসার টেনেছেন এই মা। ছেলেকে লালন পালন করছেন, পড়াশোনা করাচ্ছেন। কিন্তু ছেলে যখন ক্লাস নাইনে উঠল, বাবার পাঠানো একটি স্মার্টফোন তার জীবন বদলে দিল। আলাদা ঘরে দরজা বন্ধ করে পর্নোগ্রাফিতে ডুবে যেতে থাকল সে। কয়েক মাসের মধ্যে সে সম্পূর্ণ বদলে গেল। তারপর যা ঘটল তা বলতে গেলে বুক কেঁপে ওঠে। ছেলে তার নিজের মাকে জোর করে শারীরিক সম্পর্কে বাধ্য করল। একবার দুবার নয়, অসংখ্যবার। মা তাকে বাধ্য হয়ে এই ১৭ বছর বয়সেই বিয়ে করাতে আমার সাথে যোগাযোগ করেছিলেন। কিন্তু তার ছেলে বিয়েতে রাজি নয়। তাকে জোর করলে ,ছেলে বলে, তুমি আছো না? আমি বিয়ে করব না। এই মা তার এই লজ্জার কথা কাকে বলবেন? স্বামীকে? পারছেন না। নিজের মনে শান্তি পাচ্ছেন? না। পালিয়ে যাবেন? যাওয়ার পথ নেই। এই একটিমাত্র ঘটনা নয়। আরো অনেক ঘটনা আছে যা শুনলে মাথা ঘুরে যায়। আরেকটি ঘটনা বলি। এক আত্মহত্যা প্রবণ বোন জানিয়েছেন, তাদের বাড়ি চট্টগ্রাম। ভাই বোন একসাথে ঢাকায় থাকে পড়াশোনা করে ।একই ফ্লাটে। আর বাবা-মা চট্টগ্রামে থাকে। তার ভাই বেশ কিছুদিন ধরে তার উপর জুলুম করে আসছে। একদিন ভাইয়ের হাত থেকে বাঁচতে রাত তিনটায় বাড়ি থেকে বের হয়ে গেছেন অন্য কোথাও থাকার জন্য। কিন্তু কাউকে বলতে পারেননি। এজন্য ফিরে আসতে হয়েছে আবার এই বাসাতেই।কারণ বললে পরিবারে কলঙ্ক লাগবে, মা ভেঙে পড়বেন, সমাজে মুখ দেখাতে পারবেন না। আরেকটি ঘটনা। মোহাম্মদপুরের এক মেয়ে জানিয়েছেন, তার নিজের বাবা তার শৈশব থেকে কৈশোর পুরোটা জুড়ে তার সাথে এই অপকর্ম করেছেন। মা জানতেন না ঠিক তা নয়, তিনি নিজেও বুঝতেন। কিন্তু তার স্বামীকে ছেড়ে যাওয়ার সাহস ছিল না। সেই মেয়ে আজ বিবাহিত, কিন্তু বুকের ভেতরে একটি পাথর চাপা দিয়ে বেঁচে আছেন। আরো একটি ঘটনা। এক খালা জানিয়েছেন, তার বোনের ছেলে অর্থাৎ তার ভাগনে তাকে বারবার অস্বস্তিকর পরিস্থিতিতে ফেলে। শুরুতে মনে হয়েছিল ছেলেমানুষি। কিন্তু পরে বুঝলেন এটি ইচ্ছাকৃত। বলতে পারেননি কাউকে। কারণ বোনের ছেলে, বোনের সাথে সম্পর্ক ভাঙবে। আপনারা জানেন আমি আত্মহত্যা প্রবণ এবং ডিপ্রেশনে আক্রান্ত মানুষদের কাউন্সিলিং এবং নির্যাতিতা ধর্ষিতা অসহায় নারীদের বিবাহের ব্যবস্থা করি। অসংখ্য মানুষ নিয়মিতই শরীয়তের বিধি-বিধান, হালাল হারাম জায়েজ নাজায়েজ জানার জন্য যোগাযোগ করেন। এই কাজগুলোর কারণে অসংখ্য কেস আমাদের সামনে আসে ।আমরা বুঝতে পারি বর্তমান সামাজিক ব্যবস্থা কতটা ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। বর্তমান সময়ের পর্নোগ্রাফির আগ্রাসন হাজারো লাখো সংসারে আগুন জ্বালিয়ে দিয়েছে আমরা জানিও না। আমাদের আশেপাশে ঘুরতে থাকা সবচেয়ে ভদ্র সভ্য ছেলেটির কাছে তারা নিজের আপন মা মেয়ে বোন ভাগিনী ও নিরাপদ নয়। এগুলো কোনো বানানো গল্প নয়। এগুলো বাস্তব। এই মুহূর্তে বাংলাদেশের কোনো না কোনো ঘরে এই ধরনের ঘটনা ঘটছে। নীরবে। পর্দার আড়ালে। এবং সবচেয়ে ভয়ের কথা হলো, ভুক্তভোগীরা জানেনই না যে তাদের কোথায় যাওয়ার কথা, কার কাছে বলার কথা। এই সমস্যার মূলে কী আছে? একটু গভীরে ভাবুন। বাবা প্রবাসে, মা একা, সন্তানের হাতে স্মার্টফোন, পর্নোগ্রাফির অবাধ অ্যাক্সেস। এর সাথে যোগ হয় ঘরের মধ্যে পর্দার অভাব, পোশাকে অসতর্কতা, একসাথে ঘুমানোর দীর্ঘ অভ্যাস, আর শারীরিক সীমানার কোনো শিক্ষা না থাকা। শয়তান এই ছোট ছোট ফাঁক দিয়ে ঢুকে পড়ে। এবং একদিন এমন এক জায়গায় পৌঁছায় যেখান থেকে ফেরার পথ বের করতে পুরো পরিবার হিমশিম খায়। বিজ্ঞান বলছে, পর্নোগ্রাফি মস্তিষ্কের পুরস্কার কেন্দ্রকে এমনভাবে প্রভাবিত করে যা মাদকাসক্তির মতোই কাজ করে। এটি সম্পর্কের প্রতি, নারীর প্রতি এবং পরিবারের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি বদলে দেয়। একজন কিশোর যখন বছরের পর বছর এই বিষ গ্রহণ করে, সে তখন স্বাভাবিক মানবিক সীমা বুঝতে পারে না। আপন মানুষকেও সে শিকার মনে করতে থাকে। এবং ঘরের সবচেয়ে কাছের মানুষটিই তখন সবচেয়ে বিপদে পড়েন। এখন এই বিষয়গুলোর ইসলামী দৃষ্টিকোণ থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি মাসআলা জানা দরকার, যা অনেকেই জানেন না। অথচ না জানার কারণে অনেক পরিবার অজান্তেই ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। এর নাম হুরমতে মুসাহারাত। হুরমতে মুসাহারাত কী এবং কেন এটা জানা এত জরুরি? ইসলামে মানুষের মধ্যে তিন ধরনের সম্পর্ক আছে। বংশীয় সম্পর্ক, দুধ সম্পর্ক এবং বৈবাহিক সম্পর্ক। বিবাহের মাধ্যমে যে সম্পর্ক তৈরি হয় তাকে বলে মুসাহারাত। শ্বশুর-শাশুড়ি, পুত্রবধূ, জামাই এরা এই সম্পর্কের অন্তর্ভুক্ত। এই সম্পর্ককে কেন্দ্র করে ইসলামে যে হারামের বিধান রয়েছে তাকে বলা হয় হুরমতে মুসাহারাত।
147
16
মেয়েদের কাপড় শুকানো নিয়ে কিছু কথা বলবো। আমাদের সমাজে দেখা যায় অনেক আপু আছেন যারা গোসল করে তাদের কাপড় শুকাতে দেয় বাহিরে এবং ছাদের উপড়ে যেখান দিয়ে মানুষ চলাচল করলে দেখতে পায়। তাদের উদ্দেশ্যেই আজকের লিখা। আমার মহান আল্লাহ্ মেয়েদের জন্য পর্দা ফরজ করেছেন "নারীদের চেহারার মধ্যে শুধু পর্দা না, নারীদের কাপড়ের মধ্যেও রয়েছে পর্দা। এমনকি নারীর নামের মধ্যে রয়েছে পর্দা। অনেক মেয়ে আছে তারা গোসল করে তারা তাদের পায়জামার দুই পা ফাকাঁ করে বাহিরে শুকাতে দেয় "আরোও কামিজ শুকাতে দেয়" এমনকি অনেকেই ছোট্ট ছোট্ট জিনিস গুলোও শুকাতে দেয় "লজ্জার কথা যা বলতেও লজ্জা লাগে।" একজন পরপুরুষ যদি আপনার পায়জামা, জামা, আরোও যা কিছু আছে যদি সে দেখতে পায় এবং সে যদি প্রাপ্তবয়স্ক হয় তাহলে অবশ্যই তার মনের ভিতরে কুমন্ত্রনা সৃষ্টি হবে যদিও আপনাকে কোনদিন সে দেখে নাই। কিন্তু আপনার কাপড় দেখে সে উপলব্ধি করতে পারবে আপনার গঠন কেমন। আর তার মনের ভিতরে যদি কুমন্ত্রনা সৃষ্টি হয় তার অন্তরে যদি যিনার প্রতি আকর্ষন তৈরী হয় তাহলে সেই ব্যক্তির আমলনামায় একটি চোখের যিনা কবিরা গুনাহ লিখা হয়। এমনকি আপনার আমলনামাও এক ভাগ গুনাহ লেখা হয়। কারণ এর জন্য আপনি দ্বায়ী। আর একটি কবিরা গুনাহই যথেষ্ট জাহান্নামে নেওয়ার জন্য। পবিত্র কোরআনের ভিতরে মহান আল্লাহ্ তা 'য়ালা ইরশাদ করছেন "সামন্য বিন্দু পরিমাণ গুনাহ নিয়ে যদি কেউ কবরে আসে তাহলে কবরের মাটি তাকে ছাড় দিবে না। তাই আপনারা গোসল করে কাপড় এমন জায়গায় শুকাতে দিবেন যেখানে কোন পরপুরুষ দেখতে না পায়। আর দয়াকরে ছোট্ট ছোট্ট জিনিস গুলো পরিবারের বাবা ভাই অর্থাৎ- যাদের সামনে আপনার যাওয়া বৈধ তাদের সামনেও রাখবেন না। এগুলো নিজের রুমের ভিতরে অথবা কাপড়ের নিচে শুকাতে দিবেন। লজ্জা ইমানের অংশ। যার লজ্জা নাই তার ইমানের মধ্যে কমতি আছে এটাই প্রমান করে। যদি কেও সতর্ক হয় তাহলে হয়তো এই লিখাটি আমার/আপনার জন্য পরকালে মুক্তির জন্য উছিলাও হয়ে যেতে পারে ইনশাআল্লাহ্! ❤️
294
17
৪০ বছর বয়সেও ২০ বছরের যুবতী হয়ে থাকতে চান? তাহলে রোলড ওটস খান। রোলড ওটসে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকে যা শরীরের ইনফ্লেমেশন কমায়৷ হজমশক্তি ভালো রাখে৷ পেট দীর্ঘ সময় ভরা রাখার কারণে বারবার খাবারের ক্রেভিংস আসেনা। তাই ওজনও নিয়ন্ত্রণে থাকে। বাজারের লোকাল ওটস কিনলে উপকারের চেয়ে ক্ষতি বেশি। আমাদের কাছে পাবেন প্রিমিয়াম রোলড ওটস। সকালের হেলদি খাবারের জন্য একদম পারফেক্ট! তাহলে, ৪০ এ-ও যুবতী থাকতে আপনাকে আর কে ঠেকায় বলুন👀 #মানার
322
18
চাপের পড়লে পুরুষের শরীরে ডোপামিন হরমোন বাড়ে। এটা তাকে অ্যাকশনে নামায়। নারীরা চাপে পড়লে তাদের শরীরে বাড়ে নর-এপিনেফ্রিন।এর কারণে তারা বিষয়টি নিয়ে বেশি চিন্তা করে, গভীর মনোযোগ দেয় বা ভেবে ভেবে অস্থির হয়। দুজনার বেলায় ব্যাপারটা একদম আলাদা আলদা। পুরুষের বেলায় সবসময় ডোপামিন, আর নারীর বেলায় নর-এপিনেফ্রিন। একবার এক সাহাবির ছেলে মারা গেছেন। তিনি বাইরে ছিলেন। বাড়িতে এসেছেন। স্ত্রী জানালেন ছেলে ঘুমিয়ে গেছে। সংকটের সমাধানে স্ত্রী স্বামীর সঙ্গে অন্তরঙ্গ সময় কাটালেন পরের সন্তানের জন্য। পরে সকালে জানিয়েছেন। হুদাইবিয়াতে সন্ধির পর সাহাবিরা কুরবানি দেবেন না। মাথা কামাবেন না। নবিজি বলার পরও তাদের হোলদোল নেই। নবিজির স্ত্রী উম্মু সালামা বুদ্ধি দিলেন, আপনি মাথা কামান। কুরবানি দিন। বাকিরা তখন এমনিএমনি করবে। পরে তা-ই হলো। নারীরা স্ট্রেস সিচুয়েশন অন্যভাবে ভাবতে পারেন। সমস্যার অন্যরকম একটা সলিউশন বের করেন। ভাবুন তো চাপের মুহূর্তে চিন্তা না করে হুট করে কোনো অ্যাকশন নিয়ে বসলে সমস্যা আরও বাড়বে না কমবে? আবার কেবল ভেবেই গেলেন কিন্তু কোনো অ্যাকশন নিলেন না, সমস্যার কোনো সমাধান হবে? আল্লাহ পুরুষ আর নারীকে এমনভাবে তৈরি করেছেন যাতে তারা একসঙ্গে চাপের মোকাবিলা করে ব্যালান্স করে। যাতে দুজনে মিলে সংকটের সঠিক সমাধান বের করে। © মাসুদ শরীফ
387
19
১০ বছর পর বাংলাদেশিদের জন্য চেক রিপাবলিকের 🇨🇿 দরজা খুললো! দীর্ঘ ১০ বছর পর আবারও চেক রিপাবলিক সরকারি স্কলারশিপের দরজা খুললো বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য! ২০১০ থেকে ২০১৫ সালের দিকে বাংলাদেশিরা এই স্কলারশিপের সুযোগ পেতেন। ২০১৬ সালের পর থেকে এটি বন্ধ থাকলেও, দীর্ঘ ১০ বছর পর ২০২৭-২৮ শিক্ষাবর্ষে বাংলাদেশকে আবারও তাদের অফিশিয়াল 'Eligible Country List'-এ ফিরিয়ে আনা হয়েছে। তাই এটি সুযোগ হাতছাড়া না করে আবেদন করার সঠিক সময়! এক নজরে স্কলারশিপের সব 😎: আবেদনের শেষ তারিখ: ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ (হাতে মাত্র কয়েক সপ্তাহ!) কারা আবেদন করতে পারবেন? * কোর্স: মাস্টার্স ও পিএইচডি। * মাধ্যম: ইংরেজি অথবা চেক ভাষা। (চেক ভাষায় পড়তে চাইলে মূল কোর্সের আগে ১ বছরের ফ্রি ভাষা শেখার কোর্স করানো হবে, যা সম্পূর্ণ ফান্ডেড।) * ইউনিভার্সিটি: চার্লস ইউনিভার্সিটি, চেক টেকনিক্যাল ইউনিভার্সিটি, মাসারিক ইউনিভার্সিটিসসহ দেশটির যেকোনো পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়। সুবিধাসমূহ: * ১০০% টিউশন ফি ফ্রি। * মাসিক স্টাইপেন্ড: * মাস্টার্স: CZK ১৬,০০০ * পিএইচডি: CZK ২৪,৯৬০ * হেলথ ইন্স্যুরেন্স সম্পূর্ণ ফ্রি। (নোট: এই স্টাইপেন্ডের টাকায় থাকা-খাওয়া ও যাতায়াত খরচ চালাতে হবে।) প্রয়োজনীয় কাগজপত্র: * studyin.cz পোর্টালে অনলাইন ফর্ম * সিভি (CV) * ব্যাচেলর/মাস্টার্স সার্টিফিকেট ও ট্রান্সক্রিপ্ট (সত্যায়িত ও চেক ভাষায় অনুবাদ করা) * মোটিভেশন লেটার ও ২ টি রিকমেন্ডেশন লেটার * পাসপোর্ট কপি ও মেডিকেল সার্টিফিকেট ⚠️ জরুরি সতর্কতা: * নস্ট্রিফিকেশন (Nostrification): বাংলাদেশের ডিগ্রির সমমান যাচাই (Recognize) করাতে সময় লাগে, তাই এখনই কাজ শুরু করুন। * দ্র: গভর্নমেন্ট স্কলারশিপে আবেদন করলে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব কোনো স্কলারশিপে আলাদা আবেদন করা যাবে না। © Ridoy Alom
334
20
📌 পোস্টটি SAVE করে রাখুন—Citizenship by Investment নিয়ে পরবর্তী পোস্টে আমরা দেখাবো কোন Passport-এ কী সুবিধা এবং Family নিয়ে মোট কত টাকা প্রয়োজন হতে পারে।
256