1 995
Підписники
-124 години
Немає даних7 днів
+430 день
Архів дописів
1 995
রেগুলার সেক্স দাম্পত্ত্য জীবনে ভালো প্রভাব আনে নাকি খারাপ!!
দাম্পত্য জীবনে সেক্স এর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে Regularity বা নিয়মিত হওয়া। নিয়মিতভাবে সেক্স করার চেষ্টা চালানো উচিত। সব সময় আগ্রহ থাকেনা যেটা খুবই স্বাভাবিক কিন্তু তারপরও আমাদের প্রয়োজনীয়তা ও দায়িত্ববোধের উপর ভিত্তি করে আমাদের অনেক কিছু করতে হয়।
অনেকে বলতে পারে যে আমার আগ্রহ ছাড়া আমি একটা জিনিস কিভাবে করব। স্বামি-স্ত্রীর ক্ষেত্রে আমাদের অনেক কাজ আগ্রহ ছাড়াও দায়িত্ব ও মমত্ববোধের জায়গা থেকে করতে হয়। সেক্স বিষয়টিকে আপনারা একটা জৈবিক (Biological) চাহিদা মনে করবেন। আমাদের প্রতিদিনের দুপুরে ও রাতে খাওয়া, গোসল করা সহ আরও নানান কাজ প্রতিদিন করতে হয়। সেক্সকেও আপনারা এরকম রেগুলার একটা কাজ মনে করবেন।
সেক্স এর মাধ্যমে মস্তিষ্ক থেকে অক্সিটসিন নির্গমন হয় । সেরোটনিন নির্গত হয় যাকে আমরা হ্যাপি হর্মোন (Happy Hormone) বলি। সেক্সের জন্যে নিজেদের মধ্যে বন্ধন অটুট থাকবে। শারীরিক ভাবে, মানসিক ভাবে সকলে সুস্থ থাকতে পারবেন।
যদি আপনাদের মধ্যে কেমিস্ট্রিটা ভালো থাকে তাহলে সম্ভব হলে প্রতিদিন সেক্স করার চেষ্টা করা উচিত। যদি তা না হয় তবে চেষ্টা করা উচিত একদিন পর পর বা কয়েকদিন পর পর সেক্স করার।
যদি সেটাও না হয় তাহলে সপ্তাহে দুই দিন অন্তত সেক্স করার চেষ্টা করেন। সেটা আপনার বৈবাহিক সম্পর্ক যত দিনেরই হোক। আপনারা রেগুলারিটি মেইনটেন করুন, ডাইভারসিটি আনুন তাহলে সম্পর্ক ভালো থাকবে।
ওভারল কাউন্সেলিংয়ের দ্বারা জানা যায় যে, যাদের ফ্যামিলির সেক্স এ রেগুলারিটি আছে তারা দাম্পত্য জীবনে ভালো আছেন। রেগুলার বেসিসে সেক্সুয়াল এক্টিভিটি অনেক ছোট খাটো সমস্যাকে সমাধান করে দেয়।
📢 সব ধরনের Sexual Health Problems এর Expert Solution জানতে Registration করুন LifeSpring এর Healthy Sex Life কোর্সে ❤🔥
1 995
বড় সন্তানের উপর ছোট সন্তানদের দায়িত্ব চাপিয়ে দেবেন না।
কোনো দম্পতি যদি একের অধিক সন্তান জন্ম দেয়, তবে অবশ্যই তাদের মাথায় রাখতে হবে সব সন্তানের দায়িত্ব তাদের, সে যে পরিস্থিতিই হোক না কেন। বড় সন্তানের উপর তার ছোট ভাইবোনদের দায় চাপিয়ে দেয়া যাবেনা, কারণ সেটা তার দায়িত্ব নয়।
আমাদের সমাজে বড় সন্তানের উপর ছোট ভাইবোনের দায়িত্ব চাপিয়ে দেয়াটা যেন অলিখিত নিয়ম। সব ত্যাগ তাকেই করতে হবে। সে নিজেও যে একটা শিশু সেটা ভুলে যায় সবাই। অথচ যে ভাইবোনের জন্ম হয়েছে তাদের এই দুনিয়াতে সে আনে নি। তাহলে কেন তাকে সব ত্যাগ স্বীকার করতে হবে?
বড় সন্তানের বয়সের পার্থক্য সর্বোচ্চ কত হয় সাধারণত? ৫/৬/৭! অনেকক্ষেত্রে দেড় বা দুবছর বা তার চেয়েও কম হয়। তাহলে কিভাবে এই ছোট শিশুটির কাছে আশা করি সে সব বুঝবে? সে তার সব দাবীদাওয়া ছেড়ে দেবে? কেন তাকে সবাই বলে যে - তুমি তো বড়, তুমি এটা ছোট ভাই/বোনকে দাও। ভাইবোনের মাঝে ঝামেলা হলে মা এসে বড়জনকে বকে, পেটায়। বাবাও এসে বড়জনকেই দোষ দেয়, কেন সে বুঝেনা! অথচ মা বাবা দুজনেই প্রাপ্তবয়স্ক হয়েও তো বোঝেনা ওই ছোট শিশুটি কি চায়!
আস্তে আস্তে বড় হয় তারা। বাসার বড়জনকে ঘরের কাজে হাত লাগাতে হয়, কিন্তু ছোটজনকে কুটোটিও নাড়তে দেয়া হয় না, কারণ সে ছোট। পছন্দের কোনো খাবার বা পোশাক সব ক্ষেত্রেই প্রাধান্য পায় ছোটজন, এরপর বাকি থাকলে বড়জন সেটা পায়। যে ছোট সে কখনোই বড় হয়না। বয়স ২০/২৫/৩০ হয়ে গেলেও সে ছোটই থাকে।
সংসারের দায়িত্বও কিন্তু বড়ছেলের। বড়ছেলের পাশাপাশি সে দায়িত্ব এসে পড়ে বড় বউয়ের ঘাড়ে। তারা সংসারের দায়িত্ব নিতে বাধ্য। ছোটরা গায়ে হাওয়া লাগিয়ে ঘুরলেও সমস্যা নেই। এই সমাজ ব্যবস্থায় "বড়ছেলে" টাইপ নাটক মানুষের পছন্দ। বড়ছেলেকে যে ত্যাগ করতে শিখতে হয়, নিজের শখ ও ইচ্ছা বিসর্জন দিতে শিখতে হয়। তা না হলেই সে কুলাংগার সন্তান, তাই ভাইবোনের দায়িত্ব নেয় না। অথচ ভাইবোন যে এখনো সাবলম্বী হতে পারেনি, বা সাবলম্বী হয়েও তুচ্ছ বিষয়ে বড় ভাইয়ের দিকে তাকিয়ে থাকে সে দোষ কার?
সন্তান বছর বছর জন্ম দিলেই হয়না, তাদের প্রতি কর্তব্যটুকুও করতে হয়। এক সন্তানের ঘাড়ে জোয়াল বসিয়ে অন্যসন্তানদের টেনে নিয়ে যেতে বাধ্য করার যে রীতি তা কতটুকু স্বাভাবিক? কতটুকু মানবিক?
দায় চাপিয়ে দিতে হয়না। তখন সেটা গলার ফাঁস হয়ে দাঁড়ায়। সন্তান মা-বাবার প্রতি দায়িত্ব পালন করবে ভালোবেসে, বাধ্য হয়ে নয়। এই সহজ সত্যটা কবে বুঝবো আমরা?
©উম্মে সালমা কলি
#সংগৃহীত🙂🙂🙂
1 995
কালার সাইকোলজি। আপনার পছন্দের রঙ কি বলে আপনার সম্পর্কে ?
#লালঃ
যাদের পছন্দের রঙ লাল,তারা বহির্মূর্খী এবং খুব আশাবাদী হয়।তারা সবসময় আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকতে চান।তারা উচ্চাকাংখী হয় এবং জীবনের লক্ষ্যে পৌছাতে কখনো পিছপা হয়না।এরা খুব ধৈর্য্যশীল হয়।তবে এরা সহজেই রেগে যায়।
#নীলঃ
যাদের পছন্দের রঙ নীল তারা খুব বিশ্বাসযোগ্য হয়।এরা ততো আবেগপ্রবণ হয়না।এরা কিছু বলার আগে বা কিছু করারা আগে ভেবে চিন্তেই করে।এদের প্রতিদিনের জীবনে শান্তি এবং ভারসাম্য থাকা জরুরী।এরা খুব বন্ধুত্বপূর্ণ এবং সামাজিক হয়ে থাকে।এরা এদের প্রিয় মানুষদের সান্নিধ্য অনেক পছন্দ করে।এরা অনেক আত্নবিশ্বাসী হয়।এরা এদের দূর্বল জায়গাগুলো লুকিয়ে রাখতে পছন্দ করে। নিজের উপর তেমন যত্নবান নয়।এরা খুব জ্ঞানতৃষ্ণার্ত হয় এবং এরা কোনো বিষয়ে আগ্রহী হলে সে বিষয়ে অনেক জ্ঞান অর্জন করে থাকে।তবে তারা খুব ছোটো খাটো বিষয়েই চিন্তিত হয়ে পড়ে।
#সবুজঃ
যাদের পছন্দের রঙ সবুজ তারা খুব বাস্তববাদী হয়।তারা নিজেদের ওপর নিজেরা নিয়ন্ত্রণ সহজে হারায় না এবং এরা খুব দয়ালু ও উদার প্রকৃতির হয়।এরা খুব নীতিবান হয়ে থাকে এবং তারা সবসময় সঠিক কাজ করতে চায়।এরা ভালো বন্ধু এবং পার্টনার হয়ে থাকে।এরা তর্কে জিততে পছন্দ করে।তবে এরা জীবনে রিস্ক নিতে চায়না এবং তেমন কর্মঠ হয় না।
#কালোঃ
যাদের পছন্দের রঙ কালো , মর্যাদা এবং ক্ষমতা তাদের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ । তারা
সাধারণত স্বাধীন এবং দৃঢ়প্রতিজ্ঞ । কম আবেগপ্রবন এবং সবসময় নিজেদেরকে সম্ভ্রান্ত
এবং গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হিসেবে উপস্থাপন করে । তারা মানুষের থেকে কিছুটা দুরত্ব বজায় রাখে এবং চারপাশের নেগাটিভিটি থেকে নিজেকে মুক্ত রাখে । নিজের চিন্তা ভাবনা কারো সাথে শেয়ার করে না , কাজের ক্ষেত্রে খুবই সুশৃঙ্খল এবং শেষ বিন্দু পর্যন্ত সুক্ষভাবে সম্পন্ন করে । কালো ড্রেসের আড়ালে নিজেকে লুকিয়ে রাখতেই তাদের স্বাচ্ছন্দ্য।
#সাদাঃ
যাদের সাদা রঙ পছন্দ তারা সাধারণত খুব পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকতে পছন্দ করেন
এরা খুব দূরদর্শীসম্পন্ন মানুষ।এরা খুব পজিটিভ এবং আশাবাদী মানুষ।তারা বিচক্ষণ হয়ে থাকে।এরা নিজেদের উপর নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারে এবং এরা খুব আত্নবিশ্বাসী হয়।এরা খুব জটিল প্রকৃতির হয়ে থাকে।এরা কিছুটা লাজুক প্রকৃতির হয়ে থাকে।
#কমলা
কমলা রঙটি উচ্ছলতা ও আনন্দ প্রকাশ করে। আপনি যদি কমলা রঙটি পছন্দ করেন তাহলে আপনি বেশ হাসিখুশি ধরণের একজন মানুষ। আপনি সব সময় বর্তমানকে বেশি গুরুত্ব দেন। এবং সব সময় হাসিখুশি থাকতে বেশি পছন্দ করেন। আপনি আপনার নিজের মতো চলতে বেশি ভালোবাসেন এবং নিজের জীবনটাকে অনেক বেশি উপভোগ করে কাটাতে চান।তবে কমলা রঙ যারা পছন্দ করেন তারা অনেক বেশি ড্যাম কেয়ার ধরণের হয়ে থাকেন।অনেক সময় তারা নিজের মতামত অন্যের ওপর চাপিয়ে দিয়ে থাকেন।
#হলুদ
হলুদ হচ্ছে আনন্দ, ইচ্ছা এবং কল্পনাশক্তির রঙ। যারা এই রঙটি পছন্দ করেন তারা অনেক বেশি অ্যাডভেঞ্চার প্রিয়, আত্মনির্ভরশীল হয়ে থাকেন। অনেক বেশি সোজাসাপ্টা কথার মানুষ হন তারা। তারা মানুষকে অনেক মানসিক সাপোর্ট দিয়ে থাকেন।তবে হলুদ রঙটি যারা পছন্দ করেন তারা বেশখানিকটা আত্মকেন্দ্রিক হয়ে থাকেন।
#বেগুনী
যারা বেগুনী, ল্যাভেন্ডার, পার্পল ধরনের রঙ পছন্দ করেন তারা অনেক বেশি ক্যারিয়ার মনোযোগী হয়ে থাকেন, তারা সব সময় চেষ্টা করেন সব কিছুর পারফেক্ট অবস্থানে থাকার জন্য। তারা অনেক বেশি আকর্ষণীয় এবং আর্টিস্টিক মনোভাবের হয়ে থাকেন। অনেক বেশি আবেগি হওয়ার কারণে অনেক কষ্ট পান তারা। তারা খুব সহজে মানুষ বিশ্বাস করেন, মানুষ চিনতে পারেন না এবং ভুল পথে পা বাড়ান। যারা বেগুনী রঙ পছন্দ করেন তারা অনেক বেশি রাগি ও অভিমানী ধরণের মানুষ হন।
#গোলাপি
গোলাপি, ম্যাজেন্টা পছন্দের মানুষজন অনেক বেশি পরনির্ভরশীল হয়ে থাকেন। তারা সব সময় ভালোবাসা খুঁজে থাকেন। তারা অনেক বেশি ভদ্র এবং নম্র স্বভাবের হয়ে থাকেন। তারা মানুষকে খুব বেশি ভালোবেসে থাকেন। তারা সব সময় চান সবার নজরে পড়তে।এবং এর জন্য তারা অনেক ভুল কাজও করে থাকেন।
#সোনালি_ধূসর
সোনালি, ধূসর আধ্যাত্মিকতা এবং অতিমানবিকতা প্রকাশ করেন। এই ধরণের রঙ পছন্দের মানুষজন বেশ ঠাণ্ডা মাথার মানুষ হয়ে থাকেন। বেশ দার্শনিক স্বভাবের অধিকারী হন এরা। তাদের সকল চিন্তা থাকে পরিবেশের অনুকূলে। তারা অনেক কম কথার মানুষ হন এবং গম্ভির থাকতে বেশি ভালোবাসেন।তাদের অনেক গম্ভীর স্বভাবের হয়ে থাকেন। এবং প্রয়োজনের সময়ও চুপ থাকা তাদের বড় একটি বদঅভ্যাস।
#সোনালি_বাদামী
সোনালি, বাদামী রঙ আভিজাত্য এবং ব্যক্তিত্ব প্রকাশ করে। এই ধরণের মানুষজন বেশ আকর্ষণীয় হয়ে থাকেন। তাদের কথা বলা থেকে শুরু করে ব্যক্তিত্ব সবই বেশ আকর্ষণীয় হয়ে থাকে। তারা খুব জনপ্রিয় থাকেন। তারা একই সাথে সাধারণ এবং আভিজাত্য প্রকাশে সক্ষম হয়ে থাকেন। যে কারো সাথে ভালো করে মিশে যেতে পারেন।এরা নিজেদের ব্যক্তিত্ব ভালো ও খারাপ দুটো কাজেই ব্যবহার করতে পারেন।
#Dream_Psychology
1 995
অনুমোদনের পর আবেদনকারীর (বিআরটিএ সার্পিভিস পোর্টাল) এর অ্যাকাউন্টে অটো জেনারেটেড স্লিপ (Temporary authorization) প্রিন্ট করার অপশন প্রদর্শিত হবে। যা স্মার্ট কার্ড (Smart card) না পাওয়া পর্যন্ত উক্ত স্লিপটি প্রিন্ট করে লেমিনেশন করে গ্রাহক তার নিজের কাছে সংরক্ষণ করবেন এবং গাড়ি চালানোর কাজে ব্যবহার করবেন।
স্মার্ট কার্ড (Smart card) প্রিন্টিং কার্যক্রম শেষ হলে আবেদনকারী কর্তৃক দাখিলকৃত ঠিকানায় ডাকযোগে স্মার্ট কার্ড ড্রাইভিং লাইসেন্স গ্রাহকের হাতে পৌছে দেয়া হবে।
সহজিকৃত ড্রাইভিং লাইসেন্সের প্রসেস ফ্লো:
1 995
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৩
ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার প্রক্রিয়া
ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রাপ্তির পূর্ব শর্ত:
ড্রাইভিং লাইসেন্সের পূর্বশর্ত হলো লার্নার বা শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্স।
ড্রাইভিং লাইসেন্সের আবেদনকারীর ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা ৮ম শ্রেণী পাশ।
অপেশাদার এর জন্য ন্যূনতম ১৮ বছর এবং পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স-এর জন্য বয়স ন্যূনতম ২১ বছর হতে হবে।
মানসিক ও শারীরিকভাবে সুস্থ থাকতে হবে।
অনলাইনে (বিআরটিএ সার্পিভিস পোর্টাল) এর মাধ্যমে আবেদনের প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টসমূহ:
আবেদনকারীর ছবি (সর্বোচ্চ ১৫০ কে.বি);
রেজিষ্টার্ড ডাক্তার কর্তৃক মেডিকেল সার্টিফিকেট (সর্বোচ্চ ৬০০কে.বি)। মেডিক্যাল সার্টিফিকেটের ফর্মের জন্য এখানে ক্লিক করুন;
জাতীয় পরিচয়পত্রের স্ক্যান কপি (সর্বোচ্চ ৬০০কে.বি);
ইউটিলিটি বিলের স্ক্যান কপি (সর্বোচ্চ ৬০০কে.বি), [ আবেদনকারীর বর্তমান ঠিকানা এবং জাতীয় পরিচয়পত্রের ঠিকানা যদি ভিন্ন হয় তবে বর্তমান ঠিকানার ইউটিলিটি বিল সংযুক্ত করতে হবে ];
শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদের স্ক্যান কপি (সর্বোচ্চ ৬০০কে.বি);
প্রয়োজনীয় ফিসমূহ:
শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য অনলাইনে (বিআরটিএ সার্পিভিস পোর্টাল) এর মাধ্যমে আবেদন শেষে নির্ধারিত ফী, ১ ক্যাটাগরি (যেমন: শুধু কার) ৫১৮/-টাকা ও ২ ক্যাটাগরি (যেমন: কার ও মোটর সাইকেল) ৭৪৮/-টাকা অনলাইনে পরিশোধ করতে হবে।
দক্ষতা যাচাই পরীক্ষায় (ডিসিটিসি) উত্তীর্ণ প্রার্থীকে স্মার্ট কার্ডের জন্য:
অপেশাদার লাইসেন্সের জন্য ৪,৪৯৭/- টাকা (মেয়াদঃ ১০ বছর)
পেশাদার লাইসেন্সের জন্য ২,৭৭২/- টাকা (মেয়াদঃ ০৫ বছর)
ডাক বিভাগের মাধ্যমে ড্রাইভিং লাইসেন্সের বিতরণ করা হবে তাই ফি'র সাথে অতিরিক্ত ৬০/- টাকা প্রদান করতে হবে।
ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রাপ্তির প্রক্রিয়া:
শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য অনলাইনে (বিআরটিএ সার্পিভিস পোর্টাল) এর মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। এই জন্য ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রত্যাশীকে তার এন আই ডি (NID) ব্যবহার করে একটি ইউজার অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে হবে। একটি অ্যাকাউন্ট থেকে শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট এন আই ডি (NID) ধারীর ড্রাইভিং লাইসেন্স সংক্রান্ত সকল আবেদন করা যাবে।
ইউজার প্রোফাইলে তার বিভাগ, জেলা ও থানা অবশ্যই পূরণ থাকতে হবে। ইউজার প্রোফাইল থানার উপর ভিত্তি করে স্মার্ট ড্রাইভিং লাইসেন্স আবেদন টি সংশ্লিষ্ট বি আর টি এ সার্কেল অফিস এর আওতাধীন হবে।
নির্ধারিত দিন গ্রাহকের শিক্ষানবিশ লাইসেন্স ও নির্দেশিত অন্যান্য ডকুমেন্টসমূহ নিয়ে স্ব-শরীরে পরীক্ষা কেন্দ্রে উপস্থিতি, বায়োমেট্রিক তথ্য প্রদান করতে হবে। একই সাথে আবেদনকারীর ফিঙ্গার প্রিন্ট NID সারভার থেকে যাচাইকরণ সম্পন্ন হলেই পরীক্ষার সুযোগ দেয়া হবে।
সর্বোচ্চ ১(এক) কর্মদিবসের মধ্যে বিআরটিএ কর্তৃক উত্তীর্ণ/অনুত্তীর্ণ এর ফলাফল অনলাইনে আপলোড এবং আবেদনকারীর মোবাইলে SMS এর মাধ্যমে উত্তীর্ণ/অনুত্তীর্ণ ফলাফল জানানো হবে।
আবেদনকারী বিআরটিএ সার্ভিস পোর্টাল (BSP) এ নিবন্ধিত একাউন্ট ব্যবহার করে ড্রাইভিং লাইসেন্সের দক্ষতা যাচাই পরীক্ষার ফলাফল ও নির্ধারিত ফি অনলাইনে (মোবাইল ব্যাংকিং, অনলাইন ব্যাংকিং ও অন্য যে কোন প্রচলিত গেটওয়ে ব্যবহার করে) প্রদান করতে হবে। উল্লেখ্য বিআরটিএ কর্তৃক নির্ধারিত ব্যাংকে সরেজমিনে/ব্যাংক কাউন্টার এ ফি প্রদানের কোনো সুযোগ নেই।
আবেদনকারী তার (বিআরটিএ সার্পিভিস পোর্টাল) এর অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে ড্রাইভিং লাইসেন্সের দক্ষতা যাচাই পরীক্ষার ফলাফল ও নির্ধারিত ফি অনলাইনে (মোবাইল ব্যাংকিং, অনলাইন ব্যাংকিং ও অন্য যে কোন প্রচলিত গেটওয়ে ব্যবহার করে) প্রদান করতে হবে। উল্লেখ্য বিআরটিএ কর্তৃক নির্ধারিত ব্যাংকে সরেজমিনে/ব্যাংক কাউন্টার এ ফি প্রদানের কোনো সুযোগ নেই।
আবেদনকারী তার (বিআরটিএ সার্পিভিস পোর্টাল) এর অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে দক্ষতা যাচাই পরীক্ষা (ডিসিটিসি)-এ উত্তীর্ণ প্রার্থীকে পাস/ফেল সিলসহ শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্স স্ক্যান করে আপলোডসহ পূর্বে শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্স করার সময় যদি কোন Attachment সঠিকভাবে দেয়া না হয় তবে Additional Attachment হিসেবে সেগুলো (যেমন: মেডিকেল সনদ/স্কুল সনদ/ইউটিলিটি বিল) সঠিকভাবে স্ক্যান করে আপলোড করতে হবে।
পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্সের আবেদনকারীগণকে অবশ্যই ডোপ টেস্ট রিপোর্ট স্ক্যান করে আপলোড করতে হবে।
উল্লেখ্য বর্তমানে ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য আবেদনকারীর পুলিশ ভেরিফিকেশন প্রতিবেদন প্রযোজ্য নয়।
সংশ্লিষ্ট বিআরটিএ'র লাইসেসিং অথরিটি কর্তৃক প্রত্যেক ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য নির্ধারিত ফি জমা ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংযুক্তিসহ সঠিক পাওয়া স্বাপেক্ষে অনুমোদন প্রদান করা হব
1 995
✅ নামজারি যে সকল কারনে করার প্রয়োজন হয় তা হলোঃ
০১) ভূমি বা জমির বর্তমান মালিকের মৃত্যুর কারণে উত্তরাধিকারদের নামে সরকারি রেকর্ডে রেকর্ডভুক্ত করতে হলে নামজারি করতে হয়।
০২) জমি বিক্রি, দান, ওয়াকফ, হেবা, অধিগ্রহণ, নিলাম ক্রম, বন্দোবস্ত ইত্যাদি সূত্রে হস্তান্তর হলে নতুন ভূমি বা জমি মালিকের নামে রেকর্ডভুক্ত করতে হলে নামজারি করতে হয়।
০৩) কোর্টের রায়ে জমির মালিকানা লাভ করলে সে রায় মোতাবেক নামজারি করতে হয়।
✅ নামজারি সেবা প্রাপ্তি সময়ঃ
সাধারণ ক্ষেত্রে ২৮ (আটাশ) কার্য দিবস ।
প্রবাসীদের জন্য ( মহানগর এলাকায়) ১২ (বার) কার্য দিবস ।
প্রবাসীদের জন্য ( অন্যান্য এলাকায়) ০৯ (নয়) কার্য দিবস ।
সনদ প্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাগণের জন্য ১০(দশ) কার্য দিবস ।
গুরুত্বপূর্ণ/রপ্তানীমুখী/বৈদেশিক বিনিয়োগপুষ্ট শিল্প প্রতিষ্ঠানের জন্য ০৭ (সাত) কার্য দিবস ।
নামজারি প্রয়োজনীয় ফি (সকল ফি অনলাইনে পরিশোধ করতে হবে)
নামজারী করতে সর্বমোট ১১৭০ টাকা লাগে ।
বিস্তারিত নিম্নরূপঃ-
আবেদনে কোর্ট ফী ২০ টাকা ,
নোটিশ জারি ফী ৫০ টাকা ,
খতিয়ান ফি ১০০ টাকা ,
রেকর্ড সংশোধন ফি ১০০০/-টাকা ।
ই-মিউটেশনের আবেদনের সাথে কোর্টফি ও নোটিশ জারি ফি বাবদ একত্রে ৭০/ টাকা এবং নামজারি অনুমোদনের পর বাকি ১১০০ টাকা পরিশোধ করতে হয়। সকল ফি অনলাইনে পরিশোধ করতে হবে।
✅ প্রবাসীরা কিভাবে বিদেশে বসে নামজারি করতে পারবেন?
অনলাইনে নামজারি আবেদন এবং ফী পরিশোধ করবেন। অনলাইনে শুনানীর মাধ্যমে নামজারি কার্যক্রম সম্পাদন করতে পারবেন।
1 995
ব্লাডপ্রেসার ১৩০/৮০ বা এর নিচে রাখা উচিত।
প্রেসার নিয়ন্ত্রণে যেসব খাবার নিয়ন্ত্রণ করা জরুরী --
(১) অবশ্যই কাচা লবণ খাওয়া পরিহার করতে হবে…
যথাসম্ভব কম লবণে তরকারী করতে হবে…
(সারাদিনে সবমিলিয়ে ২ চামচের ৫ গ্রামের কম লবণ খেতে হবে!!)
(২) উচ্চ সোডিয়াম সমৃদ্ধ খাবারগুলো অবশ্যই যথাসম্ভব এড়িয়ে চলতে হবে- গরুর গোশত, কলিজা, বিভিন্ন চিপস, সস, বিস্কুট, বেকিং পাওডার, অাচার, চাটনি, পনির, চকলেট, কেক, পাউরুটি, জলপাই ইত্যাদি।
(৩) যাবতীয় ফাস্টফুড, তেল চর্বি, ভাজাপোড়া যুক্ত খাবার (গ্রিল, চিকেন ফ্রাই, পিজ্জা ইত্যাদি) পরিহার করতে হবে।
(৪) আর যাবতীয় ধূমপান - বিড়িসিগারেট, জর্দা, গুল যাবতীয় নেশাদার দ্রব্য সম্পূর্ণ বর্জনীয়।
@Dr. Maruf
1 995
উপভোগ্য একটি মিলনের উপকারিতাঃ-
-মানসিক সুস্বাস্থ্য
-নরম মেজাজ
-হাতাশামুক্ত জীবন
-আত্মবিশ্বাস
-ফ্রেশ ঘুম এবং
-জীবনসঙ্গীর প্রতি ভালোবাসা।
এর বিপরীত হলেঃ-
-মেজাজ খিটখিটে
-মাথা এবং কোমড় ব্যথা করা
-দাম্পত্য জীবনে অনীহা
-ঠিকঠাক ঘুম না হওয়া
-ডিপ্রেশনে থাকা
-জীবনসঙ্গীর প্রতি অনাকর্ষন
স্বামী স্ত্রীর মধ্যে মানসিক কিংবা শারীরিক মিলন,দুটোই আল্লাহর দেওয়া অনেকগুলো নিয়ামতের মধ্যে অন্যতম।জান্নাতে অনেকগুলো সুখের মধ্যে একটা সুখের নমুনাস্বরূপ পৃথিবীতে দেওয়া হয়েছে।
এই আমানত অনেক মানুষই নষ্ট করে ফেলে বা ভুল পথে অপব্যবহার করে।
এই সামান্য কয়েক সেকেন্ড সুখের জন্য মানুষ পাগল হয়ে ছুটছে,যি-না ব্যভি-চার করছে।
আল্লাহ তাআলা আমাদের হেফাজত করুন,সহীহ বুঝ দিন এবং ঈমান ধরে রাখার তৌফিক দিন।
#DrSRKhan
1 995
আগামী ১ মার্চ হতে NID বা জন্ম নিবন্ধন বা পাসপোর্ট এর মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন ব্যতিত টিকিট ক্রয় করা যাবে না মর্মে রেলওয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। এই পরিপ্রেক্ষিতে সাধারণ জনগণের মাঝে এ বিষয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন উত্থাপিত হচ্ছে। এসকল প্রশ্নের উত্তর নিম্নে দেওয়ার চেস্টা করা হলো:
প্রশ্ন-১: একের অধিক টিকিট ক্রয়ের ক্ষেত্রে সবার এনআইডি লাগবে কিনা?
উত্তর-১: একের অধিক টিকিট ক্রয়ের ক্ষেত্রে যার আইডি ব্যবহার করা হবে ভ্রমণকালে তাকেই আইডি দেখানো লাগবে। অন্যদের আইডি দেখানোর প্রয়োজন নেই।
প্রশ্ন-২: কাউন্টারে টিকিট ক্রয়ের ক্ষেত্রে আইডি লাগবে কিনা?
উত্তর-২: কাউন্টারে টিকিট ক্রয়ের ক্ষেত্রে নিবন্ধিত আইডি বা এই আইডির বিপরীতে দেওয়া ফোন নাম্বার বললেই হবে। টিকেটিং ডাটাবেইজে সংরক্ষিত তথ্যসমূহ স্বয়ংক্রিয়ভাবে টিকিটের উপরে মুদ্রিত হবে। তবে ভ্রমণকালে আইডি বা আইডি'র ফটোকপি দেখালেই চলবে।
প্রশ্ন-৩: কাউন্টারে নিবন্ধন করা যাবে কিনা?
উত্তর-৩: কাউন্টারে নিবন্ধন করার সুযোগ নেই। তবে প্রতিটি জেলা শহরের স্টেশনে হেল্প ডেস্ক স্থাপন করা হয়েছে। সেখানে কোনো যাত্রী গেলে তাকে সহযোগিতা করা হবে নিবন্ধনের জন্য।
প্রশ্ন-৪: রেজিস্ট্রেশনের কোনো তথ্য পরিবর্তন করা যাবে কিনা?
উত্তর-৪: রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে আপাতত শুধু ইমেইল ও ঠিকানা পরিবর্তন করতে পারবেন।
প্রশ্ন-৫: বর্তমানে একবারে সর্বোচ্চ কতজনের টিকিট ক্রয় করা যাবে?
উত্তর-৫: চারজনের টিকিট ক্রয় করা যাবে।
প্রশ্ন-৬: সপ্তাহে দুইবারের বেশি টিকিট ক্রয়ের সুযোগ থাকবে কিনা?
উত্তর-৬: বর্তমানে ৭ দিনে সর্বোচ্চ দুই বার টিকিট ক্রয়ের যে লিমিট দেওয়া তা অচিরেই তুলে নেওয়া হবে। সেক্ষেত্রে একইদিনে একই যাত্রা স্টেশন থেকে একের অধিকবার টিকিট ক্রয়ের সুযোগ
থাকবে না।
প্রশ্ন-৭: টিকিটের উপরে যাত্রীর নাম বা আইডি সাথে ভ্রমণকারীর তথ্য না মিললে কি হবে?
উত্তর-৭: ভ্রাম্যমাণ আদালত বা ভ্রাম্যমাণ টিকিট চেকার বা টিটিই কর্তৃক চেকিংকালে টিকিটের উপরে মুদ্রিত যাত্রীর তথ্যের সাথে ভ্রমণকারীর তথ্য না মিললে যাত্রীর নিকট থাকা টিকিটটা হস্তান্তরের দায়ে অবৈধ হিসেবে বিবেচিত হবে এবং ভ্রমণকারীকে বিনা টিকিটের যাত্রী বিবেচনায় নিয়ে জরিমানা ও ভাড়া আদায় করা হবে। এক্ষেত্রে জরিমানা ভাড়ার সমপরিমান হবে।
প্রশ্ন-৮: এসএমএস এর মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন করলে পরবর্তীতে অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন করা যাবে কিনা?
উয়তর-৮: অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন করা যাবে। সেক্ষেত্রে মোবাইল নাম্বার ও আইডি দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করলেই হবে।
প্রশ্ন-৯: জন্ম নিবন্ধন সনদ কাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
উত্তর-৯: ১২-১৮ বছর বয়সীদের ক্ষেত্রে জন্ম নিবন্ধন সনদ দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করতে পারবে।
প্রশ্ন-১০: জন্ম নিবন্ধন সনদ বা পাসপোর্টের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন কতদিনের মাঝে সম্পন্ন সম্ভব হয়?
উত্তর-১০: যেহেতু ম্যানুয়ালি তথ্য চেক করে রেজিষ্ট্রেশন সম্পন্ন করা হয় তাই এক্ষেত্রে কমপক্ষে ৭২ ঘন্টা সময় প্রয়োজন হবে।
প্রশ্ন-১১: যাদের আগে থেকে আইডি রয়েছে তাদের ক্ষেত্রে কি করণীয়?
উত্তর-১১: যাদের আগে থেকে রেজিস্ট্রেশন করা আছে তারা ফোন নাম্বার ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করবেন। এরপর এনআইডি নাম্বার ও জন্ম তারিখ দিয়ে ভেরিফাই করে নিলেই হবে।
প্রশ্ন-১২: রেজিস্ট্রেশন করা যাবে কি কি ভাবে?
উত্তর-১২: মূলত তিনভাবে একজন রেজিস্ট্রেশন করতে পারবেন। অনলাইন, মোবাইল আ্যপ ও মোবাইল এসএমএস এর মাধ্যমে।
অনলাইনের ক্ষেত্রে eticket.railway.gov.bd এই ওয়েবসাইটে গিয়ে করতে পারবেন। মোবাইল আ্যপের ক্ষেত্রে গুগল প্লে স্টরে গিয়ে Rail Sheba আ্যপের মাধ্যমে এবং মোবাইল এসএমএসের ক্ষেত্রে BR<>NID#<>date of Birth লিখে ২৬৯৬৯ নাম্বারে সেন্ড করতে হবে। এক্ষেত্রে জন্মতারিখের ফরম্যাট হবে YYYY-MM-DD।
আশাকরি উপরের প্রশ্নগুলির বাইরেও আপনাদের মনে আরও প্রশ্ন থাকবে। সেগুলো এই পোস্টের নিচে কমেন্টে জিজ্ঞাসা করলে আপনাদেরকে উত্তর দেওয়ার সর্বোচ্চ চেস্টা করা হবে।
@BD Railway
1 995
আপনি এট্রাক্টিভ হলে পাবলিকদের কাছে যা যা সুবিধা পাবেন।
১)পাবলিকরা আপনাকে হ্যাপিলি হেল্প করতে এগিয়ে আসবে।
২)আপনার ব্যাড জোক্সেও হাসবে। যখন আমরা কাউকে এট্রাক্টিভ মনে করি তখন তার ব্যাড জোক্সের ন্যাচারালি হাসি চলে আসবে।
৩)এট্রাক্টিভ হলে চাকরিতে সহজেই নিয়োগের সম্ভাবনা বেশি। (রিসার্চ বেসড)
৪)আশেপাশের লোক আপনার কথা মনোযোগ সহকারে শোনবে, আপনাকে আগের চেয়ে বেশি গুরুত্ব দিবে।
৫) এট্রাক্টিভ হলে কনফিডেন্স লেভেল হাই হতে পারে। (রিসার্চ বেসড)
৬)আপনি নোটিস করবেন চারপাশে মানুষজনের বিহেভিয়ার চেঞ্জ যখন আপনি তাদের কাছে এট্রাক্টিভ।
৭)যারা আপনাকে কখনোই পাত্তাই দেয়নি তারা আপনার কাছে বন্ধু হতে আসবে।
৮)স্বাভাবিকভাবেই সুন্দর মানুষদের আরও বিশ্বস্ত এবং অনেস্ট হিসাবে বিচার করা যেতে পারে। (রিসার্চ বেসড)
৯)রোম্যান্সের ক্ষেত্রে সুন্দর মানুষদের চাহিদা বেশি হতে পারে। (রিসার্চ বেসড)
১০)আপনি কারো কাছে এট্রাক্টিভ মনে হলে তখন আপনার দিকে যদি সে তাকায় সাব-কনশাসলি তার ভ্রু উপরে উঠে যায়।
1 995
আপনি যাকে সান্ত্বনা দিতে চাচ্ছেন যদি সে আপনার হাজবেন্ড হয় তাহলে তাকে সাপোর্ট করার জন্য "অন্তত খারাপ সময়ে তাকে মেন্টাল প্রেশার দিয়েন না। " নারীজাতির কমন কিছু কমন বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, কী পেয়েছে কী পায়নি এসব নিয়ে কথা শোনায়, কর্মজীবনে ব্যর্থতার জন্য কথা শোনায়,অন্যদের সাথে কম্পেয়ার করে, কিচ্ছু নাই কিচ্ছু পায়নি বলে বলেই অতিষ্ঠ করে ফেলে তাই এসব করবেন না। সারাক্ষণ তার ফ্যামিলি,আত্মীয়স্বজনদের নিয়ে অভিযোগ/সমালোচনা করবেন না। অল্পে সন্তুষ্ট থাকার চেষ্টা করবেন।
আর উনার সমস্যার ব্যাপারে শেয়ার করতে চাইলে শুনবেন,ভুল হলেও তাৎক্ষণিক রিএক্ট করবেন না। আর শেয়ার করতে না চাইলে ফোর্স করবেন না,স্পেস দিন।
©
1 995
সঠিক উপায়ে শ্বাস নিন
সঠিক উপায়ে শ্বাস নিলে দেহের কোষগুলো প্রয়োজনীয় অক্সিজেন পাবে। এছাড়াও শরীরের পিএইচ, কার্বন ডাই অক্সাইড এবং অক্সিজেনের অনুপাত বজায় থাকবে। তা না হলে অক্সিজেনের অভাবে কোষগুলো দেহের চাহিদা অনুযায়ী শক্তি উৎপাদন করতে পারবে না। অক্সিজেন + নিউট্রিশন = শক্তি বা জীবনীশক্তি। কোষ বা সেলগুলো পর্যাপ্ত নিউট্রিশন পাচ্ছে, কিন্তু পর্যাপ্ত অক্সিজেন পাচ্ছে না; এ অবস্থায় দেহ সর্বোচ্চ পর্যায়ে মানুষের কর্মোদ্দীপনা সৃষ্টি করতে পারে না । স্বাভাবিকভাবে একজন সুস্থ মানুষ শুধু সঠিক উপায় শ্বাস গ্রহণের মাধ্যমেই রক্তে ও কোষে পর্যাপ্ত অক্সিজেন সরবরাহ করতে পারে । সেক্ষেত্রে শ্বাস নেয়ার নিয়মটি জেনে নিন।
সাধারণত তিন উপায়ে আমরা শ্বাস গ্রহণ করি-
১। অ্যাবডোমিনাল ব্রিদিং ।
২। চেস্ট ব্রিদিং ।
৩। মিক্স ব্রিদিং।
এখানে শুধু অ্যাবডোমিনাল ব্রিদিং সঠিক ও স্বাস্থ্যসম্মত। অ্যাবডোমিনাল ব্রিদিং পরীক্ষা করতে আপনার এক হাত পেটে বা তলপেটে রাখুন, এবার দেখুন পেট বা তলপেট ওঠা–নামা করছে কি না। যদি শ্বাস নেয়ার সময় পেট উপরে উঠে এবং প্রশ্বাসের সময় পেট নিচে নামে তাহলে বুঝবেন আপনার ব্রিদিং সঠিকভাবে হচ্ছে। আর যদি দেখেন, আপনার পেটের পরিবর্তে বুক ওঠা–নামা করে তাহলে বুঝবেন চেস্ট ব্রিদিং বা অস্বাস্থ্যকর ব্রিদিং হচ্ছে যা পর্যাপ্ত অক্সিজেন দেহে সরবরাহ করছে না। মুখ খোলা রেখে কখনো শ্বাস নেয়া যাবে না, এটি খুবই অস্বাস্থ্যকর। মনে রাখবেন, মুখ হলো খাবার গ্রহণের জন্য এবং নাক শ্বাস প্রশ্বাসের জন্য । প্রতিদিন তিন ধরনের শ্বাস প্রশ্বাসে ব্যায়াম করুন। এগুলো হলে- উইম হফ ব্রিদিং, ডা: উইলস ৪/৭/৮ এবং হামিং ব্রিদিং ।
শ্বাস প্রশ্বাসের ব্যায়াম নিয়ে আমার কিছু ভিডিও রয়েছে এই ভিডিও গুলো দেখুন এতে করে আরো সহজ ভাবে জানতে পারবেন কীভাবে সঠিক উপায়ে শ্বাস প্রশ্বাসের ব্যায়াম করবেন।
কিভাবে সঠিক উপায়ে শ্বাসপ্রশ্বাসের নিবেন
https://youtu.be/LB7iRdZ-IHs
তিন ধরনের শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম যা জানা থাকলে আপনি পাবেন সর্বোত্তম সুস্থতা
https://youtu.be/RSGDzstzTKM
স্বাস্থ্যকর জীবনের ৭ টা গোপন সূত্রের মূল বিষয়বস্তু শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম
https://youtu.be/sCQgyJSy43U
সুস্থ থাকতে করুন শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম ||
https://youtu.be/Au2MPlPXp3I
Dr. Mujibur Rahman MD
Cardiologist & Alternative Doctor
#drmujiburrahman #healthylifesyle #breathing #breathingexercises #breathingtechniques #শ্বাস #শ্বাসেরব্যায়াম
1 995
ট্যাবলেট খেয়ে মাসিক বন্ধ করে রোযা রাখলে রোযা হয়ে যাবে। তবে মেয়েদের স্বাভাবিক অবস্থার বিরুদ্ধে এ নিয়মে শরীরের মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে। তাই ট্যাবলেট না খাওয়াই উত্তম। বরং, স্রাব চালু থাকতে দিবে এবং পরবর্তীতে রোযা কাযা করে নিবে। মনে রাখবেন, এতে রমযানের রোযার সওয়াব কমবে না। ফতওয়ার কিতাবে এসেছে-
‘হায়েজা মহিলার জন্য উত্তম হলো নিজের স্বাভাবিক অবস্থার ওপর থাকা। আল্লাহ তাআলা তার ওপর যে ফয়সালা করেছেন, তার ওপর সন্তুষ্ট থাকা। এমন কিছু ব্যবহার না করা, যার দ্বারা রক্ত বন্ধ হয়ে যায়। বরং হায়েজ অবস্থায় রোজা ছেড়ে দেয়া। অতঃপর রোজাগুলোর কাজা আদায় করে নেয়া। কেননা, উম্মুল মুমিনিন ও আকাবির মহিলারা এমনটিই করেছেন। আর যদি ওষুধ দিয়ে রক্ত বন্ধ করে দেওয়া হয়, তাহলেও রোজা হয়ে যাবে।’(আপকে মাসায়েল : খণ্ড ৩, পৃ. ২০৭)
1 995
আল্লাহ তাআলা ভুল মাসআলার উপর আমল করে জিনার গোনাহ করা থেকে উম্মতে মুসলিমাকে হিফাযত করুন। আমীন।
Khairul Islam 10/1/2022
হানাফী ফিকহ (Hanafi Fiqh)
1 995
"عن شريك بن أبي نمر قال: جاء رجل إلى علي رضي الله عنه فقال: إني طلقت إمرأتي عدد العرفج؛ قال: تأخذ من العرفج ثلاثاً و تدع سائره". (باب الطلق ثلاثاً ٦/٣٠٦).
শারীক বিন আবি নামির থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: এক ব্যক্তি আলী রা.এর কাছে এসে বললো: আমি আমার স্ত্রীকে আরফাজ গাছের সংখ্যা অনুযায়ী তালাক দিয়েছি। তিনি বললেন,তুমি আরফাজের তিনটি নিয়ে নাও এবং বাকিগুলো অকার্যকর হবে। (মুসান্নাফে আবদুর রাজ্জাকে ৬/৩০৬)
ইমাম কুরতুবি রহি.এর তাফসীরে "আহকামুল কুরআনে"- তিন তালাকের ব্যাপারে উম্মাহর ঐকমত্য
উদ্ধৃত হয়েছে,
"قال علمائنا: و اتفق ائمة الفتوى علي لزوم إيقاع الطلاق الثلاث في كلمة واحدة". (١/٦٩٢)
“আমাদের আলেমগণ বলেছেন: ফতোয়া প্রদানকারী ইমামগণ ঐক্যমতপোষণ করেছেন এক বাক্যে তিন তালাক পতিত হওয়ার আবশ্যকীয়তার ব্যাপারে।”(692/1)
মুসলিম শরীফের বিখ্যাত ব্যাখ্যাগ্রন্থ "আল-জামিউস সহীহ'' লিন-নাওয়াভী তে রয়েছে,
"وقد اختلف العلماء فيمن قال لإمرأته: "أنت طالق ثلاثاً" فقال الشافعي و مالك و أبو حنيفة و أحمد و جماهير العلماء من السلف و الخلف: يقع الثلاث". (١/٤٧٨ ط: قديمي)
উলামায়ে কেরাম মতভেদ করেন ঐ ব্যক্তির ব্যাপারে যে তার স্ত্রীকে বলে "তুমি তিন তালাকপ্রাপ্ত।" অতঃপর ইমাম শাফিঈ, মালিক, আবু হানিফা, আহমদ এবং পূর্বসূরি ও উত্তরসূরিদের থেকে জমহুর উলামায়ে কেরাম বলেন,তিন তালাকই কার্যকর হবে।" (1/478)
হানাফী মাযহাবের বিখ্যাত প্রসিদ্ধ ফাতাওয়া গ্রন্থ
"ফাতাওয়ায়ে শামীতে" রয়েছে
"(قوله: ثلاثة متفرقة) و كذا بكلمة واحدة بالأولى ... و ذهب جمهور الصحابة و التابعين و من بعدهم من أئمة المسلمين الي أنه يقع الثلاث". ( كتاب الطلاق : مطلب طلاق الدور ٣/٣٣٣ ط:سعيد).
"(তাঁর উক্তি: তিনটি পৃথক তালাক) এমনিভাবে এক বাক্যে তিন তালাক,সবই কার্যকর হবে......
জমহুর সাহাবায়ে কেরাম ও তাবেয়িনগণ এবং তাদের পরে মুসলিম ইমামগণ সকলেরই মত যে,তাতে তিন তালাকই কার্যকর হবে।" ফাতাওয়ায়ে শামী 3/333
মালেকী মাযহাবের প্রসিদ্ধগ্রন্থ "আত-তামহিদ" লি-ইবনে আব্দিল বার-এ রয়েছে
"فإن طلقها في كل طهر تطليقةً أو طلقها ثلاثاً مجتعات في طهر لم يمس فيه فقد لزمه". (٦/٥٨)
"সুতরাং যদি সে তার স্ত্রীকে প্রত্যেক পবিত্রতার মধ্যে এক তালাক দেয় অথবা তিন তালাক এক সাথে দেয় এমন এক পবিত্রতার সময়,যাতে সহবাস করা হয়নি,
তাহলে তা আবশ্যক হয়ে যাবে। আত-তামহিদ ৬/৫৮
ইমাম শাফিঈ রহ.এর প্রসিদ্ধগ্রন্থ "কিতাবুল উম"এ রয়েছে,
"و القراٰن يدل-و الله اعلم- على أن من طلق زوجةً له دخل بها أو لم يدخل بها ثلاثاً لم تحل له حتى تنكح زوج غيره". (٢/ ١٩٣٩)
"এবং কোরআন ইঙ্গিত করে-এবং আল্লাহই ভাল জানেন - যে,যদি কেউ তার এমন স্ত্রীকে তিন তালাক দেয়, যার সাথে সে সহবাস করেছে বা করেনি,তাহলে সে তার জন্য বৈধ নয় যতক্ষণ না সে অন্য স্বামীকে বিয়ে করে।" (2/1939)
হাম্বলী মাযহাবের প্রসিদ্ধ কিতাব "মাসায়েলে আহমাদ"
এ-রয়েছে
" قلت لأبي: رجل طلق ثلاثاً وهو ينوي واحدةً؟ قال: هي ثلاث". (ص:٣٧٣)
"আমি আমার পিতাকে বললাম: এক ব্যক্তি তার স্ত্রীকে তিন তালাক দিয়েছে এমতাবস্থায় যে সে নিয়ত করে এক তালাকের? তখন তিনি বললেন তিন তালাকই কার্যকর হবে।" (মাসায়েলে আহমাদ 373)
সৌদী উলামাদের সর্বসম্মত ফাতওয়া
সৌদী আরবের গ্রহণযোগ্য গবেষক আলেমগণ গবেষণা করে সিদ্ধান্ত দিয়েছেন যে, তিন তালাকে তিন তালাকই পতিত হবে। সৌদী ওলামাদের নির্ধারিত সিদ্ধান্তের কপি নিম্নরূপ-
بعد الاطلاع على البحث المقدم من الأمانة العامة لهيئة كبار العلماء والمعد من قبل اللجنة الدائمة للبحوث والإفتاء في موضوع ( الطلاق الثلاث بلفظ واحد ) .
وبعد دراسة المسألة ، وتداول الرأي ، واستعراض الأقوال التي قيلت فيها ، ومناقشة ما على كل قول من إيراد – توصل المجلس بأكثريته إلى اختيار القول بوقوع الطلاق الثلاث بلفظ واحد ثلاثا ___الخ (مجلة البحوث الإسلامية، المجلة الأول، العدد الثالث، سنة 1397 ه)
অর্থ: লাজনাতুত দায়িমা লিল বুহুস ওয়াল ইফতা পরিষদ সৌদী আরব কর্তৃক নির্বাচিত ‘এক শব্দে তিন তালাক’ বিষয়ে গবেষণা কর্মে দায়িত্বরত শীর্ষ ওলামাদের সাধারণ পরিষদ কর্তৃক প্রদত্ত গবেষণাপত্র ও এ বিষয়ে গভীর অধ্যয়ন,প্রতিটি উক্তির বাছ বিচার ও তার পক্ষে-বিপক্ষে উপস্থাপিত সকল প্রশ্নের উত্তর উত্থাপিত হওয়ার পর অধিকাংশ ওলামায়ে কিরামের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরিষদ এই সিদ্ধান্তে উপনিত হয় যে,এক শব্দে তিন তালাক দিলে তিন তালাকই পতিত হবে। (মাজাল্লাতুল বুহুসিল ইসলামিয়্যা, প্রথম খন্ড, তৃতীয় সংখ্যা, ১৩৯৭ হিজরী)
ইবনে তাইমিয়া রহ. বলেন, ‘মাশায়েখ ও ইমামগণের মধ্যে কোনো বিষয়ে ইজমা কায়েম হলে তা অকাট্য দলীল হিসেবে বিবেচিত হবে’। (উমদাতুল আসাস: পৃ. ৪২)
চার ইমামের মাযহাবের বিপরীত যা আছে, তা ইজমায়ে উম্মতের পরিপন্থী, যদিও তাতে অন্যদের দ্বিমত থাকে। (আল-আশবাহ ওয়ান নাযায়ের : পৃ.১৬৯)
উপরিউক্ত বর্ণনা দ্বারা প্রমাণ হয়ে গেলো যে, এক মাজলিসে বা একসাথে তিন তালাক দিলে তিন তালাকই হবে; এক তালাক নয়।
1 995
فَإِن طَلَّقَهَا فَلَا تَحِلُّ لَهُ مِن بَعْدُ حَتَّىٰ تَنكِحَ زَوْجًا غَيْرَهُ ۗ فَإِن طَلَّقَهَا فَلَا جُنَاحَ عَلَيْهِمَا أَن يَتَرَاجَعَا إِن ظَنَّا أَن يُقِيمَا حُدُودَ اللَّهِ ۗ وَتِلْكَ حُدُودُ اللَّهِ يُبَيِّنُهَا لِقَوْمٍ يَعْلَمُونَ [٢:٢٣٠]
তারপর যদি সে স্ত্রীকে (তৃতীয়বার) তালাক দেয়া হয়, তবে সে স্ত্রী যে পর্যন্ত তাকে ছাড়া অপর কোন স্বামীর সাথে বিয়ে করে না নেবে, তার জন্য হালাল নয়। অতঃপর যদি দ্বিতীয় স্বামী তালাক দিয়ে দেয়, তাহলে তাদের উভয়ের জন্যই পরস্পরকে পুনরায় বিয়ে করাতে কোন পাপ নেই। যদি আল্লাহর হুকুম বজায় রাখার ইচ্ছা থাকে। আর এই হলো আল্লাহ কর্তৃক নির্ধারিত সীমা; যারা উপলব্ধি করে তাদের জন্য এসব বর্ণনা করা হয়। {সূরা বাকারা-২৩০}
পবিত্র কুরআনের উক্ত আয়াতের দ্বারা পরিস্কার প্রমাণিত হয় যে, তিন তালাক প্রদান করলে তিন তালাকই পতিত হবে। এক তালাক নয়।
তিন তালাক বললে এক তালাক পতিত হবার কথা একটি মু্র্খতাসূলভ বক্তব্য ছাড়া আর কিছু নয়। যা পরিস্কার আয়াতের খেলাফ। আর রাসূল সা. থেকে এমন কোন হাদীস বর্ণিত হয়নি যে, কোন ব্যক্তি তিন তালাক প্রদান করছে, আর রাসূল সা.তাকে বলেছেন যে, এক্ষেত্রে তিন তালাক হয়নি বরং এক তালাক হয়েছে। এমন কোন ঘটনা না রাসূল সা.থেকে পাওয়া যায়, না সাহাবীদের থেকে পাওয়া যায়।
এক বাক্যে তিন তালাক পতিত হওয়ার ব্যাপারে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ফয়সালা সহীহ বুখারী শরীফ (২/৭৯১) এবং সুনানে আবি দাউদ, বাবুল- লিআন (১/৩২৪) এ-উল্লেখ আছে:
হযরত আয়িশা রা. থেকে বর্ণিত, একব্যক্তি তার স্ত্রীকে তিন তালাক দিলো। অতঃপর ঐ মহিলা অন্যজনকে বিবাহ করলে সেও তাকে তালাক দিয়ে দেয়। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর কাছে জিজ্ঞাসা করা হলো, সেকি প্রথম স্বামীর জন্য হালাল হয়েছে? উত্তরে তিনি বললেন, ‘না। যতোক্ষণ পর্যন্ত দ্বিতীয় স্বামী প্রথমজনের মতো ঐ মহিলার মধু আস্বাদন না করবে’, অর্থাৎ যতোক্ষণ পর্যন্ত দ্বিতীয় স্বামী তার সাথে সহবাস না করবে, ততোক্ষণ পর্যন্ত সে প্রথম স্বামীর জন্য হালাল হবে না। (সহীহ বুখারী: ৫২৬১)
"عن ابن شهاب عن سهل بن سعد في هذا الخبر قال: فطلقا ثلاث تطليقات عند رسول الله صلي الله عليه وسلم، فأنفذه رسول الله صلي الله عليه وسلم".( ابو داؤد).
সাহল ইবনু সা’দ আস-সাইদী রা. সূত্র থেকে বর্ণিত,উক্ত ঘটনা প্রসঙ্গে বর্ণিত। তিনি বলেন, অতঃপর ‘উয়াইমির তার স্ত্রীকে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর উপস্থিতিতে তিন তালাক প্রদান করলো। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তা কার্যকর করলেন। (আবু দাউদ,হাদিস নং২২৫০ হাদিসের মান: সহীহ)
হযরত হাসান বিন আলী রা. তার স্ত্রী আয়িশা বিনতে ফযলকে একসাথে তিন তালাক দিলেন। অতঃপর তার স্ত্রীর আবেগময় কথা শুনে কেঁদে ফেলেন এবং বলেন, যদি আমি নানাকে (অন্য বর্ণনায় তার পিতার বরাত দিয়ে বলেন) একথা বলতে না শুনতাম, “কোনো ব্যক্তি যদি তার স্ত্রীকে তিন তালাক দেয়, তবে ঐ স্ত্রী অন্যত্র বিবাহ না বসা পর্যন্ত তার জন্য হালাল হবে না”- তাহলে অবশ্যই তাকে ফেরত নিতাম । (সুনানে বাইহাকী হাদিস নং ১৪৯৭১)
ই’লাউস সুনানে এসেছে,একব্যক্তি তার স্ত্রীকে একশত তালাক দিলে হযরত ইবনে আব্বাস রা. তাকে বললেন, তুমি তোমার প্রতিপালকের নাফরমানী করেছো, তোমার স্ত্রী তোমার থেকে বায়েনা হয়ে গেছে। তুমি তো আল্লাহকে ভয় করোনি যে, আল্লাহ তোমার জন্য কোনো পথ বের করে দিবেন। অতঃপর তিনি এ আয়াত তিলাওয়াত করেন, “যে ব্যক্তি আল্লাহকে ভয় করে, আল্লাহ তার জন্য পথ বের করে দেন”। (ই’লাউস সুনান: ৭/৭০৮, আস সুনানুল কুবরা, বাইহাকী: ৭/৫৪২, হা.নং ১৪৯৪৪)
দ্বিতীয় খলিফা হযরত উমর ইবনে খাত্তাব (রা.)-এর ফয়সালা “মুসান্নাফে ইবনে আবী শায়বাহ”-এ উল্লেখ আছে,
"عن أنس رضي الله عنه: كان عمر رضي الله عنه إذا أتي برجل قد طلق إمرأته ثلاثاً في مجلس أوجعه ضرباً و فرق بينهما". (باب من كره أن يطلق الرجل إمرأته ثلاثاً ٤/١١).
হযরত আনাস রা.থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন,ওমর রা.এর নিকট যখন এমন কোনো ব্যক্তিকে আনা হতো, যে তার স্ত্রীকে এক সমাবেশে তিনবার তালাক দিয়েছে,তিনি তাকে মারধর করতেন এবং তাদের আলাদা করে দিতেন।(মুসান্নাফে ইবনে আবী শায়বাহ ৪/১১)
তৃতীয় খলিফা হযরত উসমান (রা.)-এর ফয়সালা
“মুসান্নাফে ইবনে আবী শায়বাহ”-এ উল্লেখ আছে,
"عن معاوية ابن أبي يحي قال: جاء رجل إلى عثمان فقال: إني طلقت امرأتي مائةً؛ قال: ثلاث تحرمها عليك و سبعة و تسعون عدوان". ( باب ماجاء يطلق إمرأته مائة و ألف في قول واحد ٤/١٣).
মুয়াবিয়া ইবনে আবি ইয়াহইয়ার সূত্রে বর্ণিত,তিনি বলেন: এক ব্যক্তি ওসমানের কাছে এসে বলল: আমি আমার স্ত্রীকে একশত তালাক দিয়েছি। তিনি বললেনঃ “তিনটি তালাকই স্ত্রীকে হারাম করে দিয়েছে এবং সাতানব্বইটি দ্বারা সীমালঙ্ঘন হয়েছে।” (মুসান্নাফে ইবনে আবী শায়বাহ ৪/১৩)
চতুর্থ খলিফা হযরত আলী (রা.)-এর ফয়সালা
“মুসান্নাফে আবদুর রাজ্জাকে” উল্লেখ আছে,
Вже доступно! Дослідження Telegram за 2025 — головні інсайти року 
