en
Feedback
Praachir - প্রাচীর

Praachir - প্রাচীর

Open in Telegram

আমরা চাই আমাদের চ্যানেলের মাধ্যমে অন্ধকারাচ্ছন্ন আত্মাগুলো আলোকে ফিরে আসুক।ইবাদতে অনাগ্রহী আত্মাগুলোতে আগ্রহ সঞ্চার হোক।মৃতপ্রায় আত্মাগুলোতে ছড়িয়ে পড়ুক প্রাণশক্তি। ভালো কিছুর প্রত্যাশায় ইন শা আল্লাহ... প্রয়োজনেঃ @PraachirBOT

Show more

📈 Analytical overview of Telegram channel Praachir - প্রাচীর

Channel Praachir - প্রাচীর (@praachir) in the Bengali language segment is an active participant. Currently, the community unites 13 265 subscribers, ranking 6 730 in the Religion & Spirituality category and 1 711 in the Bangladesh region.

📊 Audience metrics and dynamics

Since its creation on невідомо, the project has demonstrated rapid growth, gathering an audience of 13 265 subscribers.

According to the latest data from 26 June, 2026, the channel demonstrates stable activity. Although there has been a change in the number of participants by 90 over the last 30 days and by -2 over the last 24 hours, overall reach remains high.

  • Verification status: Not verified
  • Engagement rate (ER): The average audience engagement rate is 11.37%. Within the first 24 hours after publication, content typically collects 4.69% reactions from the total number of subscribers.
  • Post reach: On average, each post receives 1 508 views. Within the first day, a publication typically gains 622 views.
  • Reactions and interaction: The audience actively supports content: the average number of reactions per post is 26.

📝 Description and content policy

The author describes the resource as a platform for expressing subjective opinions:
আমরা চাই আমাদের চ্যানেলের মাধ্যমে অন্ধকারাচ্ছন্ন আত্মাগুলো আলোকে ফিরে আসুক।ইবাদতে অনাগ্রহী আত্মাগুলোতে আগ্রহ সঞ্চার হোক।মৃতপ্রায় আত্মাগুলোতে ছড়িয়ে পড়ুক প্রাণশক্তি। ভালো কিছুর প্রত্যাশায় ইন শা আল্লাহ... প্রয়োজনেঃ @PraachirBOT

Thanks to the high frequency of updates (latest data received on 27 June, 2026), the channel maintains relevance and a high level of publication reach. Analytics show that the audience actively interacts with content, making it an important point of influence in the Religion & Spirituality category.

13 265
Subscribers
-224 hours
+67 days
+9030 days
Posts Archive
"ইমাম সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যিব [রাহ.] স্বীয় সন্তানকে বলেছিলেন, আমি তোমার জন্য কিছু নফল সালাত বাড়িয়ে পড়ি, এই আশায় যে তোমার হেফাজতে তা কাজে দেবে। এরপর তিনি এই আয়াত তিলাওয়াত করলেন, وَكَانَ أَبُوهُمَا صَالِحًا 'আর তাদের উভয়ের পিতা ছিলেন নেককার'[১]। [২] . এই আয়াতে বর্ণিত আছে যে আল্লাহ তাআলা দুই শিশুর জন্য লুক্কায়িত গুপ্তধনকে তাদের প্রাপ্তবয়ষ্ক হয়ে তা বের করা পর্যন্ত হেফাজত করেছিলেন, কেননা তাদের পিতা ছিলেন নেককার। . ইমাম ইবনুল মুনকাদির [রাহ.] বলেছেন, নিশ্চয় আল্লাহ তাআলা একজন নেককার বান্দার জন্য তাঁর সন্তান, নাতি-নাতনী, এবং তার চারপাশের ঘরবাড়িগুলোকে (প্রতিবেশীদের) হেফাজত করেন। ফলে তারা সর্বদাই আল্লাহর পক্ষ থেকে এক বিশেষ রক্ষণাবেক্ষণ ও (নিরাপত্তার চাদরে) আবৃত থাকে' [৩]"। [৪] . ~ শাইখ মুহাম্মাদ সালিহ আল মুনাজ্জিদ [হাফি.] . [১) সূরা কাহাফ: ৮২; ২) ইমাম ইবনু রাজাব হাম্বলী (রাহ.), জামিঊল ঊলূমি ওয়াল হিকাম: ১/৪৬৭; ৩) ইমাম সিবত্ব ইবনুল জাওযী (রাহ.), মিরআতুয যামান: ২/১০০; ৪) যাদুল মুরাব্বী, পৃ: ৮]

সিলেটের সবাই শরিক হবেন, অনুরোধ। নির্দোষ একজন ব্যক্তি বিনা অপরাধে বিশ বছর জেল খাটলেন, এখন তাকে মৃত্যুদন্ড দেয়া হলো। তার বিরুদ্
সিলেটের সবাই শরিক হবেন, অনুরোধ। নির্দোষ একজন ব্যক্তি বিনা অপরাধে বিশ বছর জেল খাটলেন, এখন তাকে মৃত্যুদন্ড দেয়া হলো। তার বিরুদ্ধে কোনো স্বাক্ষ্য প্রমান নেই, নির্যাতনের মুখে দেয়া ১৬৪ ধারার জবানবন্দি ছাড়া। মামলার অন্য আসামিরা বেকসুর খালাস পেলেন ফাসিয়ে দেয়া হলো তাকে।

কার্যক্রম আওয়ামী লীগের প্রয়াত নেতা সুরঞ্জিত সেনগুপ্তকে হত্যাচেষ্টা মামলায় বিএনপি নেতা আরিফুল হক চৌধুরী, হুইপ জি কে গউছ, লুৎফুজ্জামান বাবরসহ আটজনকে খালাস দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় ছাত্র জমিয়ত শাহারপাড়া মাদ্রাসার সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাফেজ সৈয়দ নাঈম আহমেদ আরিফকে মৃত্যুদণ্ড দেয় আদালত । বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দুপুরে সিলেটের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক স্বপন কুমার সরকার এ রায় ঘোষণা করেন। রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেন ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি আবুল হোসেন। রায়ের পর আদালত প্রাঙ্গণে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানান আরিফুল হক চৌধুরী, জি কে গউছ ও লুৎফুজ্জামান বাবর। তাঁরা দাবি করেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে তাঁদের এ মামলায় জড়ানো হয়েছিল। মিথ্যা মামলার কারণে দীর্ঘদিন ধরে তাঁদের হয়রানি ও নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে। তাঁরা রায়ে সন্তুষ্ট। অন্যদিকে মৃত্যুদণ্ড পাওয়া হাফেজ নাঈমের পরিবারের দাবি, দীর্ঘ ২০ বছর কারাগারে আটক রেখে কোনো প্রত্যক্ষ সাক্ষী বা জোরালো প্রমাণ ছাড়াই তাকে মিথ্যা মামলায় জড়ানো হয়েছে। বড় রাজনৈতিক নেতারা মুক্তি পেলেও একজন নিরীহ মাদ্রাসাছাত্রকে বলির পাঁঠা বানানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তারা। নাঈম আহমদের ভাই সৈয়দ মারুফ আহমদ আদালত প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের বলেন, তাঁরা রায়ে সন্তুষ্ট নন। এই রায়ের বিরুদ্ধে তাঁরা উচ্চ আদালতে আপিল করবেন। সৈয়দ নাঈম আহমেদ আরিফকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার রায় পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়েছে ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশ। সংগঠনটির দাবি, একই মামলার অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ আসামিরা খালাস পেলেও দীর্ঘ প্রায় ২০ বছর কারাভোগের পর কেবল নাঈমের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের রায় দেওয়া হয়েছে, যা ন্যায়বিচার নিয়ে প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সভাপতি রিদওয়ান মাযহারী। বিবৃতিতে তিনি অবিলম্বে এ রায়ের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ, নিরপেক্ষ বিচার নিশ্চিত করা এবং নাঈমের প্রতি সুবিচার প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানান।

ইসলামের স্বাতন্ত্র্যবোধ নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মধ্যে এতটাই প্রগাঢ় ছিল যে—ইবাদতেও যেন ই*হু*দিদের অনুকরণ না হয়, সে জন্য তিনি সাহাবিদেরকে আশুরার দুইটি রোজা রাখতে বলেছিলেন। অথচ তাঁর অনুসারী দাবিদার হয়েও আজ আমরা জাগতিক সাধারণ বিষয় তো বটেই; জীবনবোধে, সংস্কৃতিতে, মূল্যবোধে—এমনকি বহু পাপাচারেও তাদের অন্ধ অনুকরণ করছি। শুধু তাই নয়, কখনো কখনো অন্ধ অনুকরণ করে গর্ববোধ করছি। এ যেন রাসুলের (সা.) সেই সতর্কবাণীরই জ্বলন্ত প্রতিচ্ছবি: তোমরা প্রতি বিঘতে ও প্রতি গজে পূর্ববর্তীদের অনুকরণ করবে। এমনকি তারা গুইসাপের গর্তে ঢুকলে তোমরাও ঢুকবে। সাহাবিরা জিজ্ঞেস করলেন, তারা কি ই*হু*দি-খ্রি*স্টান? নবীজি (সা.) বললেন, তবে আর কারা? [বুখারি: ৩৪৫৬] খেয়াল করুন, এটি কোনো প্রশংসাসূচক হাদিস নয়। বরং এটি ভয়ংকর এক ভবিষ্যদ্বাণী। আসুন, যুগের স্রোতে বদলে না গিয়ে বরং যুগকেই বদলানোর চেষ্টা করি। যেভাবে মক্কার জাহিলিয়াতের বিরুদ্ধে একাই বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন আমাদের প্রিয় নবীজি (সা.)। উদাসীনতার পিঠে চাবুক মেরে আত্মপরিচয় ফিরিয়ে আনার এই লড়াই-ই হোক এবারের আশুরার অঙ্গীকার।

মুহাররম ও আশুরা কুরআন মজীদে ও হাদীস শরীফে এ মাস সম্পর্কে যা এসেছে তা হল, এটা অত্যন্ত ফযীলতপূর্ণ মাস। কুরআনের ভাষায় এটি ‘আরবাআতুন হুরুম’-অর্থাৎ চার সম্মানিত মাসের অন্যতম। এ মাসে রোযা রাখার প্রতি বিশেষভাবে গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। হযরত আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত এক হাদীসে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘রমযানের পর আল্লাহর মাস মুহাররমের রোযা হল সর্বশ্রেষ্ঠ।’ -সহীহ মুসলিম ২/৩৬৮; জামে তিরমিযী ১/১৫৭ এর মধ্যে আশুরার রোযার ফযীলত আরও বেশি। হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রা. বলেন, ‘আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে রমযান ও আশুরায় যেরূপ গুরুত্বের সঙ্গে রোযা রাখতে দেখেছি অন্য সময় তা দেখিনি।’-সহীহ বুখারী ১/২১৮ হযরত আলী রা.কে এক ব্যক্তি প্রশ্ন করেছিল, রমযানের পর আর কোন মাস আছে, যাতে আপনি আমাকে রোযা রাখার আদেশ করেন? তিনি বললেন, এই প্রশ্ন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট জনৈক সাহাবী করেছিলেন, তখন আমি তাঁর খেদমতে উপসি'ত ছিলাম। উত্তরে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ‘রমযানের পর যদি তুমি রোযা রাখতে চাও, তবে মুহররম মাসে রাখ। কারণ, এটি আল্লাহর মাস। এ মাসে এমন একটি দিন আছে, যে দিনে আল্লাহ তাআলা একটি জাতির তওবা কবুল করেছেন এবং ভবিষ্যতেও অন্যান্য জাতির তওবা কবুল করবেন।’-জামে তিরমিযী ১/১৫৭ অন্য হাদীসে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘আমি আশাবাদী যে, আশুরার রোযার কারণে আল্লাহ তাআলা অতীতের এক বছরের (সগীরা) গুনাহ ক্ষমা করে দিবেন।’ -সহীহ মুসলিম ১/৩৬৭; জামে তিরমিযী ১/১৫৮ হযরত আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, ‘আমি যদি আগামী বছর বেঁচে থাকি তাহলে ৯ তারিখেও অবশ্যই রোযা রাখব।’-সহীহ মুসলিম ১/৩৫৯ অতএব আশুরার রোযা মূলত ১০ই মুহাররমের রোযা। তবে এই রোযার সাথে আরো একটি রোযা মিলিয়ে রাখার ব্যাপারে হাদীসে গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন- তোমরা আশুরার দিন রোযা রাখ এবং তাতে ইহুদীদের বিরোধিতা কর, আশুরার আগে একদিন বা পরে একদিন রোযা রাখ। (সহীহ ইবনে খুযাইমা, হাদীস ২০৯৫) তাই ৯ ও ১০ অথবা ১০ ও ১১ দুইদিন রোযা রাখা উত্তম। অবশ্য কেউ যদি শুধু ১০ মুহাররম রোযা রাখে তবে সেটিও আশুরার রোযা হিসাবেই গণ্য হবে। তবে হাদীসের নির্দেশনার উপর আমল না করার জন্য মাকরূহ তথা অনুত্তম হবে। -ফাতাওয়া তাতারখানিয়া ৩/৪১৮; বাদায়েউস সানায়ে ২/২১৮; খুলাসাতুল ফাতাওয়া ১/২৬৫; আলবাহরুর রায়েক ২/২৫৭; রদ্দুল মুহতার ২/৩৭৫ (মাসিক আলকাউসার)

দ্বীনের আলোচনার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ একটা শিক্ষা মনে গেঁথে নেন: দ্বীনের আলোচনা পারিপার্শ্বিকতার বিবেচনায় আপনি যত কমাবেন ততই তার জন্য স্পেস সংকুচিত হতে থাকবে। এটা চারিদিকে তাকালেই দেখতে পাবেন। এখন অবস্থা এমন হয়েছে যে আপনি যা-ই বলেন না কেন বিরোধিতা করার লোক এসে জুটে যাবে। আপনার বয়ান, আপনার ওয়াজ, আপনার নাসীহাহ মানুষের নফসানিয়্যাতে যত আঘাত করবে বিরোধিতাও তত বেশি হতে থাকবে, তা আপনি তার প্রতি যতই ইহসান করেন না কেন। . দ্বীনের আমল তো এমনি এমনি আজকের অবস্থায় এসে পৌঁছায় নি। যিয়াদ বিন লাবীদ [রা.] বলেছেন, একবার নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কোনো এক বিষয়ের কথা উল্লেখ করে বললেন, "এটা হচ্ছে ইলম চলে যাবার/বিলুপ্ত হবার সময়ের কথা"। বিস্মিত যিয়াদ [রা.] বললেন, "ইয়া রাসূলাল্লাহ, ইলম কিভাবে লুপ্ত হবে? অথচ আমরা নিজেরা কুরআন পড়ি, আমাদের সন্তানদের পড়াই, আর আমাদের বংশধররাও কিয়ামত পর্যন্ত স্বীয় সন্তানদের কুরআন পড়াতে থাকবে!" . জবাবে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, «ثَكِلَتْكَ أُمُّكَ زِيَادُ إِنْ كُنْتُ لَأَرَاكَ مِنْ أَفْقَهِ رَجُلٍ بِالْمَدِينَةِ، أَوَلَيْسَ هَذِهِ الْيَهُودُ، وَالنَّصَارَى، يَقْرَءُونَ التَّوْرَاةَ، وَالْإِنْجِيلَ لَا يَعْمَلُونَ بِشَيْءٍ مِمَّا فِيهِمَا؟ . "হে যিয়াদ, তোমার মা তোমাকে হারাক! আমি তোমাকে মদীনার শ্রেষ্ঠ বুদ্ধিমান ব্যক্তিদের একজন মনে করতাম। এই যে ইহূদী ও খৃস্টানরা কি তাওরাত ইনজীল পড়ে না? কিন্তু তারা তো এই দু’টি কিতাবে যা আছে তদনুযায়ী কাজ করে না"। [১] . কাজেই শেষ জামানায় কেন ইলম কম হবে এবং ফিতনা বেশি হবে? এর উত্তরে এই হাদিসের আলোকে শাইখ ফাইসাল বিন হাইয়্যান লিখেছেন, "ইলম অনুযায়ী আমল পরিত্যাগ করা ও গাইরুল্লাহর কাছে বিধান প্রত্যাশা করা"। [২] . অর্থাৎ দেখা যাচ্ছে, হ্যাঁ কুরআন তো থাকবে, কুরআনের অনেক পাঠকও থাকবে, থাকবে হাদিস ও ইসলামী জ্ঞানের বিশাল ভাণ্ডারও, কিন্তু আমল করার লোকের অভাব হবে। তাওহীদের ধারক ও গুনাহ থেকে যথাসম্ভব বেঁচে থেকে তাকওয়ার পথে চলা লোকের অভাব হবে। ফলে ক্রমান্বয়ে ইলম হারিয়ে যেতে থাকবে। . এজন্য আমাদের করণীয় হচ্ছে বলে যাওয়া। থেমে যাওয়া যাবে না। আমাদের নিজের আখিরাত তো বাঁচাতে হবে। আর এক্ষেত্রে কোনো অংশে বিশেষ ছাড় দেবার কিছু নেই। যত ছাড় দেবেন, যত কম বলবেন তত জ্ঞানের বিলুপ্তি অবশ্যম্ভাবী। আর নিজেদের সংশোধনে অনেক জোর দিতে হবে। আল্লাহ তাআলা বলেন, یَـٰۤأَیُّهَا ٱلَّذِینَ ءَامَنُوا۟ عَلَیۡكُمۡ أَنفُسَكُمۡۖ لَا یَضُرُّكُم مَّن ضَلَّ إِذَا ٱهۡتَدَیۡتُمۡۚ . "হে মুমিনগণ! তোমাদের দায়িত্ব তোমাদেরই উপর। তোমরা যদি সৎপথে পরিচালিত হও তবে যে পথ ভ্রষ্ট হয়েছে সে তোমাদের কোন ক্ষতি করতে পারবে না।"[৩] . অর্থাৎ তোমরা আল্লাহর কিতাব ও তাঁর রাসূলের সুন্নাহকে আঁকড়ে ধরে নিজেদের সংশোধন করতে থাক। [৪] অথবা এভাবে বলা যায় নিজেদের নফসের সংশোধনে মশগুল থাকো এবং আল্লাহ তোমাদের জন্য যে শরীআহ দিয়েছেন সে মোতাবেক একে পরিশুদ্ধ করতে থাক। যদি তোমরা নিজেরা হিদায়াতের পথে থাক তাহলে অপরের গোমরাহী তোমাদের কোনো ক্ষতি করতে পারবে না।[৫] . [১) ইমাম ইবনু মাজাহ (রাহ.), আস সুনান, হা: ৪০৪৮, ইমাম বূসীরীর (রাহ.) মতে সনদ সহীহ; ২) শাইখ ফাইসাল বিন হাইয়্যান, মাসাইল ফিল ফিতান, পৃ: ১০; ৩) সূরা মাইদাহ: ১০৫; ৪) আল্লামা জামালুদ্দীন আল ক্বাসিমী (রাহ.), মাহাসিনুত তাউইল: ৪/২৭৬; ৫) আল্লামা মুহাম্মাদ রাশীদ রিদ্বা (রাহ.), তাফসিরুল মানার: ৭/১৮৬]

আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে একটা সুন্দর দুআ শিখিয়েছেন। দুআটি হচ্ছে, «رَبَّنَا هَبْ لَنَا مِنْ أَزْوَاجِنَا وَذُرِّيَّاتِنَا قُرَّةَ أَعْيُنٍ» . "হে আমাদের রব! আমাদের জন্য এমন স্ত্রী ও সন্তান-সন্ততি দান করুন যারা হবে আমাদের জন্য চোখজুড়ানো"। [১] . ইমাম হাসান আল বাসরীকে [রাহ.] এই আয়াত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বললেন, "এর মানে হচ্ছে আল্লাহ তাআলা তাঁর মুসলিম বান্দাকে দেখাবেন যে তার স্ত্রী, ভাই ও ঘনিষ্ঠজন আল্লাহর আনুগত্যশীল। আল্লাহর কসম, নিজের সন্তান, নাতি, ভাই ও ঘনিষ্ঠজনকে আল্লাহর অনুগত দেখার চেয়ে একজন মুসলিমের কাছে অধিক নয়নজুড়ানো কিছু হতে পারেনা"। [২] . [১) সূরা ফুরকান: ৭৪; ২) ইমাম ইবনু কাসির (রাহ.), তাফসিরুল কুরআনিল আযীম: ৫/৬১৫, উস্তায ড. হিকমাত বিন বাশীরের মতে সনদ হাসান]

হযরত শাহজালাল (রঃ) মাজারের মাত্র ৩ দিনের টাকা গুনতে দুটি মেশিন এসেছে, সর্বশেষ ১৭ লাখ টাকা গোনা হয়েছে, এবার ৩০ দিনে কত কোটি, ৩
হযরত শাহজালাল (রঃ) মাজারের মাত্র ৩ দিনের টাকা গুনতে দুটি মেশিন এসেছে, সর্বশেষ ১৭ লাখ টাকা গোনা হয়েছে, এবার ৩০ দিনে কত কোটি, ৩৬৫ দিনে কত শত কোটি ? ডিসি সারোয়ার তো যায়গা মতই হাত দিয়েছিলো, নাহলে ২ দিনের মধ্যে সিলেট থেকে ঢাকায় ট্রান্সফার হত?

"এই গুছিয়ে নেবার গোলকধাঁধায় অনেক বছর ঘুরপাক খেয়ে, এখন বুঝি, এই গোলকধাঁধার আসলে কোনো exit নেই। বের হতে হলে দেয়াল ভেঙে বেরিয়ে য
"এই গুছিয়ে নেবার গোলকধাঁধায় অনেক বছর ঘুরপাক খেয়ে, এখন বুঝি, এই গোলকধাঁধার আসলে কোনো exit নেই। বের হতে হলে দেয়াল ভেঙে বেরিয়ে যেতে হবে। গুছিয়ে নেওয়াও আর হবে না, বরং নিজেকে বুঝ দিতে দিতে একদিন হয়তো দেখব সময় শেষ। আসলে এই গুছিয়ে নেব, সবকিছু perfect হয়ে যাবে, তারপর আমি পায়ের উপর পা তুলে নির্বিঘ্নে ইসলাম পালন করে ফাটিয়ে ফেলব, এর দ্বারা একটি জিনিসই পানির মতো পরিষ্কার হয়ে যায় যে আমি দুনিয়াবী হয়ে গেছি। দুনিয়াকে আখিরাতের উপর প্রাধান্য দিচ্ছি। আমি দুনিয়াদারিতে এক চুল ছাড় দিতে প্রস্তুত নই। দুনিয়াটাই মুখ্য আর দ্বীন হচ্ছে optional। আর ভয়াবহ ব্যাপারটা হলো, দুনিয়াদারীর এই Islamic version, সাধারণ দুনিয়াদারীর চেয়ে অনেক মারাত্মক। একজন সাধারণ দুনিয়াদার বুঝে সে দুনিয়া চায়। তার মাঝে হয়তো কিছুটা আত্মগ্লানি কাজ করে। কিন্তু Islamic দুনিয়াদার হয়ে যায় অহংকারী। সে মনে করে সে দোনো জাহানেই সফল হতে যাচ্ছে। পার্থিব অর্জনের প্রশ্ন হলে কোনো ছাড় নেই, শুধু বুঝতে চাইনা যখন দ্বীনের ব্যাপারে আসি।" - আবু মুয়ায

যে ব্যক্তি ঘুমানোর আগে তাসবীহ পাঠে অভ্যস্ত হয়, আল্লাহ তাকে তার প্রয়োজন পূর্ণ করার শক্তিমত্তা এবং ইবাদত-বন্দেগীতে উৎসাহ-উদ্দীপনা দান করেন। — ইমাম ইবনু তাইমিয়্যা (রহিমাহুল্লাহ) [সূত্র : মাজমূ‘উল ফাতাওয়া, ৭/৪৯৩]

"আমি কি তোমাকে এমন কিছু কথা শিখিয়ে দেব না যা তুমি দুঃখ-কষ্টে পড়লে বলবে? সেগুলো হচ্ছে- أَللَّهُ أَللَّهُ رَبِّي لَا أُشْرِكُ بِهِ شَيْئًا . 'আল্লাহ, আল্লাহ আমার রব। আমি তাঁর সাথে কোনো কিছুই শরীক করিনা"। [১] . শাইখ আব্দুর রাযযাক বিন আব্দিল মুহসিন আল বাদার [হাফি.] লিখেছেন, . "এর সামগ্রিক অর্থ হলো, 'তিনিই আমার সেই ইলাহ যাঁর আমি ইবাদত করি এবং ভয়, আশা, বিনয়, আনুগত্য, অন্তরের আকুতি ও আত্মনিবেদনসহ যাবতীয় ইবাদতকে কেবল যাঁর জন্যই সুনির্দিষ্ট করি। . তিনিই আমার সেই 'রব', যিনি আমাকে তাঁর নেয়ামত দিয়ে লালন-পালন করেছেন, শূন্য থেকে আমাকে অস্তিত্ব দান করেছেন এবং নানা প্রকারের দান ও অনুগ্রহ দিয়ে আমাকে ধন্য করেছেন'। . আর তাঁর ﷺ বাণী لَا أُشْرِكُ بِهِ شَيْئاً -আমি তাঁর সাথে কোনো কিছুই শরীক করিনা, এর অর্থ হলো, আমি ইবাদতের ক্ষেত্রে আল্লাহর সাথে অন্য কাউকেই অংশীদার বানাব না, সে যে-ই হোক না কেন। কারণ, বাক্যটিতে ব্যবহৃত شَيْئاً শব্দটি না-বোধক বাক্যের প্রেক্ষাপটে আসার কারণে তা ব্যাপকতা প্রকাশ করে (অর্থাৎ ছোট-বড়, দৃশ্য-অদৃশ্য কোনো শরীকই এর বাইরে নয়)। . যাহোক, এই মহান বাক্যটি তাওহীদের মূল দুটি রুকন বা স্তম্ভকে নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তুলেছে, তা হলো—'নাফি' (অস্বীকৃতি) এবং 'ইসবাত' (স্বীকৃতি)। অর্থাৎ আল্লাহ ছাড়া অন্য সকলের কাছ থেকে উপাস্য হওয়ার যোগ্যতা অস্বীকার করা এবং তা একমাত্র আল্লাহর জন্যই সাব্যস্ত করা। আর এই হাদিসটি একথার সুস্পষ্ট দলিল যে, যাবতীয় বিপদ-আপদ ও কঠিন সংকটে তাওহীদই হলো একমাত্র আশ্রয়স্থল, এবং মানুষের মনের দুশ্চিন্তা ও দুঃখ-কষ্ট দূর হওয়ার সবচেয়ে বড় মাধ্যম।"[২] . [১) ইমাম আবু দাউদ (রাহ.), আস সুনান, হা: ১৫২৫, শাইখ আলবানীর (রাহ.) মতে সহীহ; ২) শাইখ আব্দুর রাযযাক বিন আব্দিল মুহসিন আল বাদার (হাফি.), ফিক্বহুল আদঈয়্যাহ ওয়াল আযকার: ৩/১৮২]

সংবাদের শিরোনামটা দেখেন। কী মনে হবে? আসল ঘটনা মাদ্রাসার একটি নির্মাণাধীন ভবনের টয়লেট থেকে এই জিনিসটা উদ্ধার করা হয়। মাদ্রাসার
+2
সংবাদের শিরোনামটা দেখেন। কী মনে হবে? আসল ঘটনা মাদ্রাসার একটি নির্মাণাধীন ভবনের টয়লেট থেকে এই জিনিসটা উদ্ধার করা হয়। মাদ্রাসার কন্সট্রাকশন সাইটে মাদক ব্যবসায়ীরা মাদক মজুদ করে রাখতো। গোপন খবর পেয়ে র‍্যাব সেখানে অভিযান চালিয়ে বন্দুক ও দুই রাউন্ড গুলি পায়। অথচ 'মাদ্রাসার টয়লেট', 'গায়ে লেখা মেইড ইন পাকিস্তান' শিরোনাম দিয়ে নিউজ করেছে অনেকে মিডিয়া। শিরোনাম যারা করেছে তারা কি আসলেই মানুষ? এই দেশের মিডিয়া ইসলামফোবিয়ায় ভুগে, শয়তান এর চামচা। এদের উপর আল্লাহ র লানত বর্ষিত হোক অবিরত...

গণহত্যার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে ভারত—এমনটাই মনে করছেন জেনোসাইড ওয়াচ-এর প্রতিষ্ঠাতা ড. গ্রেগরি স্ট্যান্টন। কেন তিনি এমনটা মনে করছেন? কীভাবে ভারতের মুসলিমরা ধীরে ধীরে এগিয়ে যাচ্ছে বিলুপ্তির দিকে? - The Missing Pitch

গলার স্বর তো আর এমনি এমনি উচু নাহ তার?
গলার স্বর তো আর এমনি এমনি উচু নাহ তার?

প্রাচীন এক বটগাছের নিচে বসে ভার্সিটির দুই বেস্ট ফ্রেন্ড সজীব ও মেহফুজ প্রতিজ্ঞা করেছিল তাদের এই বন্ধুত্ব আরো অটল রাখার। তারা শপথ করে তাদের যদি ছেলে মেয়ে হয় তাহলে একে অপরের সাথে বিয়ে দেবে। এরপর তারা দেশের দুই প্রান্তের দুই শহরে চলে যায়। দেখা সাক্ষাত খুব একটা না হলেও যোগাযোগ রক্ষা করে গেছে। এবং একে ওপরকে মনে করিয়ে দিয়ে গেছে বিয়ের কথা। ফার্স্ট ফরোয়ার্ড করে ২৫ বছর সামনে যাই। দুই বন্ধুরই ছেলে মেয়ে হয়েছে। ধরি তাদের নাম সাকিব ও লুবনা। দুইজনেই ঢাকা ভার্সিটিতে পড়ে। একই ক্লাসে। ধরি ফিজিক্সে। দুইজনের কেউই জানেনা যে তাদের বাবারা খুবই ঘনিষ্ঠ বন্ধু। এবং তাদের বিয়ের কথাবার্তা পাকা হয়ে আছে আজ থেকে ২৫ বছর আগে। সাকিব এবং লুবনার বাবারা কেউই প্রেম করে বিয়ে করা পছন্দ করে না৷ দুইজনকেই ছোটো থেকেই তাদের বাবারা বলত যে কেন প্রেম করা যাবে না, কেন প্রেম করে বিয়ে করলে আমি কখনোই মেনে নেব না, কারণ তোর বিয়ে আমি ঠিক করে রেখেছি ইত্যাদি ইত্যাদি। একসাথে ক্লাস করতে গিয়ে তাদের মধ্যে কথা চালাচালি থেকে "বন্ধুত্ব" এরপর প্রেম হয়ে গেল। তাদের বাবারা প্রেমের বিয়ে মেনে নেবে না, এমনকি প্রেম করার কথা জানলে কেটে টুকরো টুকরো করে নদীতে ভাসিয়ে দেবে এমন হুমকি তারা বহুবার শুনেছে। কাজেই প্রেমের সম্পর্ক গোপন করল তারা। এরপর একদিন পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করল। এ আই এর যুগে কোনো কিছুই গোপন থাকেনা। তাদের বাবারা জেনে গেল বিয়ের কথা। মাথায় আকাশ ভেংগে পড়ার মতো অবস্থা। মেহফুজ সাহেব, সজীব সাহেবকে ফোন দিয়ে বললেল- দোস্ত, তোমার সাথে করা ওয়াদা আমি রাখতে পারলাম না, আমার মেয়ে আর একজন ছেলের সাথে পালিয়ে বিয়ে করেছে। মেহফুয সাহেবও বলল- আমার ছেলে একজন মেয়েকে পালিয়ে নিয়ে বিয়ে করেছে। কাহিনী সংক্ষেপ করি। মেহফুয ও সজীব সাহেব একসময় আবিষ্কার করল যে আসলে তাদের ছেলেমেয়েরা একে ওপরের সাথে পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করেছে। এরপর কি হলো? দুই বন্ধু কি এই বিয়ে মেনে নিল? নাকি কেটে টুকরো টুকরো করে তাদের সন্তানদের নদীতে ভাসিয়ে দিল? সেদিকে আর না গিয়ে আসেন অন্য একটা এংগেইল থেকে চিন্তা করি। মেহফুয সাহেব এবং সজীব সাহেবের ইচ্ছা ছিল তাদের ছেলেমেয়েদের বিয়ে দেবার। বিয়ে কিন্তু দিনশেষে ঠিকই হয়েছে। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে এখানে কি তাদের ইচ্ছা বাস্তবায়ন হলো নাকি তাদের ছেলেমেয়েদের? উত্তর হচ্ছে - তাদের ইচ্ছা এখানে বাস্তবায়িত হয়নি। হয়েছে তাদের ছেলেমেয়েদের ইচ্ছা। তাদের ইচ্ছার কোনো দাম তাদের ছেলে মেয়েরা দেয়নি। সাকিব এবং লুবনা তাদের নিজেদের ইচ্ছা বাস্তবায়ন করেছে। ”মানুষের চাওয়াটাই গুরুত্বপূর্ণ। একজন নারী যদি নিজের ইচ্ছাতে হিজাব-নিকাব পরতে চায় তাহলে আমরা কেউই তা বাধা দিতে পারিনা।একজন মানুষ চাইলে হিজাব নিকাব পরতে পারে, আবার চাইলে ভারতীয় বা পশ্চিমা পোশাক পরতে পারে। একজন মানুষের এটা বেছে নেবার স্বাধীনতা আছে। একজন প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষ স্বাধীন”। - এমন যুক্তি দিয়ে অনেকেই হিজাব নিকাবের পক্ষে বলেন। নাসিরউদ্দীন পাটোয়ারীদের মতো মানুষেরা মোটাদাগে এমন লজিক দিয়েই হিজাব নিকাব বিরোধিতাকারীদের বিরুদ্ধে কথা বার্তা বলেন। এবং অনেকেই তাদের কথায় মুগ্ধ হয়ে হাততালি দেন। কিন্তু সমস্যাটা খেয়াল করেন। আল্লাহ পর্দার বিধান দিয়েছেন, তাই আমরা পর্দা করব, অর্থাৎ আল্লাহর হুকুম, আল্লাহর ইচ্ছা এখানে বাস্তবায়িত হচ্ছে না। বাস্তবায়িত হচ্ছে মানুষের ইচ্ছা। মানুষের মধ্যে কেউ চাইলে পর্দা করবে, কেউ চাইলে করবে না। অর্থাৎ এখানে মানুষের ইচ্ছাই ডিসাইডিং ফ্যাক্টর। মানুষকে আল্লাহর আসনে বসানো হয়ে যাচ্ছে। সার্বভৌমত্ব কার? শেষ কথা কার? আইন প্রনয়নের চুড়ান্ত অধিকার কার? কার কথার উপর কার হুকুমের উপর আর কোনো খবরদারি চলবে না? দ্বীন ইসলামে এই সকল প্রশ্নগুলোর উত্তর হলো আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা। অন্যদিকে লিবারেলাজিম সেক্যুলারিজমের মূলকথা হলো চুড়ান্ত সার্বভৌমত্ব, চুড়ান্ত কর্ত্রত্ব, চূড়ান্ত ক্ষমতার মালিক মানুষ। মানুষই সকল ক্ষমতার মালিক। মানু্‌ষের ইচ্ছায় শেষ কথা। খুব খেয়াল কইরা। সবার সব কথাতেই হাততালি দিয়েন না ভাইয়েরা... ~ Enamul Hossain Shaon

Same tone 💔
Same tone 💔

ফেইসবুকের ক্যাচালে যত ঢুকবেন তত মানসিক অস্বস্তি হবে। নিজেকে কন্ট্রোল করা ও নিজের ট্র‍্যাকে সুস্থির থাকা দ্বীনদারিতার অনেক বড়
ফেইসবুকের ক্যাচালে যত ঢুকবেন তত মানসিক অস্বস্তি হবে। নিজেকে কন্ট্রোল করা ও নিজের ট্র‍্যাকে সুস্থির থাকা দ্বীনদারিতার অনেক বড় পরিচয়। ফেইসবুক পোস্ট থেকে হক বাতিল শেখার কিছু নেই। ধারাবাহিক ও নিয়মতান্ত্রিক পদ্ধতিতে অনলাইন বা অফলাইনে আকীদা ফিকহ ও মাসায়িল শিখে নেবেন এবং ইলমের উপর স্থির থাকবেন। ফেইসবুক ড্রামা থেকে নিজের ফীড ক্লিন রাখবেন। দেখবেন চারদিকে শান্তি আর শান্তি। এই যেমন মুফতি আবদুল মালিক সাহেবকে এত গ্যাঞ্জাম কিন্তু হুজুরের ফেইসবুকও নাই এত প্যারাও নাই। হা হা।

দুআ ও প্রার্থনার ফযীলত কি কি?
১- দুআ এক মহান ইবাদত
আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বলেন :
وَقَالَ رَبُّكُمُ ادْعُونِي أَسْتَجِبْ لَكُمْ إِنَّ الَّذِينَ يَسْتَكْبِرُونَ عَنْ عِبَادَتِي سَيَدْخُلُونَ جَهَنَّمَ دَاخِرِينَ
‘তোমাদের প্রতিপালক বলেন, তোমরা আমার কাছে প্রার্থনা কর, আমি তোমাদের প্রার্থনা কবুল করব। যারা অহংকারবশত আমার ইবাদত হতে বিমুখ তারা অবশ্যই জাহান্নামে প্রবেশ করবে লাঞ্ছিত হয়ে। (আল-মুমিন : ৬০) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন : الدعاء هو العبادة .(رواه أبو داود 1479 والترمذي 2969 وقال : هذا حديث صحيح، وابن ماجة 3828( দুআ-ই হল ইবাদত। (আবু দাউদ, তিরমিজী ও ইবনু মাজা) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরো বলেন : أفضل العبادة هو الدعاء.)أخرجه الحاكم وصححه الألباني في صحيح الجامع 1122( সর্বশ্রেষ্ঠ ইবাদত হল দুআ। (হাকেম) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরো বলেন : ليس شيء أكرم على الله تعالى من الدعاء . )أخرجه الترمذي 3370 وحسنه الألباني في صحيح الجامع 5392( আল্লাহর কাছে দুআর চেয়ে উত্তম কোনো ইবাদত নেই। (তিরমিজী)
২-দুআ অহংকার থেকে দূরে রাখে
আল্লাহ তা‘আলা বলেন : وَقَالَ رَبُّكُمُ ادْعُونِي أَسْتَجِبْ لَكُمْ إِنَّ الَّذِينَ يَسْتَكْبِرُونَ عَنْ عِبَادَتِي سَيَدْخُلُونَ جَهَنَّمَ دَاخِرِينَ. তোমাদের প্রতিপালক বলেন, তোমরা আমার কাছে প্রার্থনা কর আমি তোমাদের প্রার্থনা কবুল করব। যারা অহংকারবশত আমার ইবাদত হতে বিমুখ তারা অবশ্যই জাহান্নামে প্রবেশ করবে লাঞ্ছিত হয়ে। (আল-মুমিন : ৬০) এ আয়াতে প্রমাণিত হল, যারা আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করে না তারা অহংকারী। অতএব প্রার্থনা করলে অহংকার থেকে মুক্ত থাকা যাবে। ইমাম শাওকানী রহ. বলেন : এ আয়াত স্পষ্টভাবে প্রমাণ করে দুআ অন্যতম ইবাদত। আর এটা পরিহার করা আল্লাহর সঙ্গে অহংকার করার নামান্তর। এ অহংকারের চেয়ে নিকৃষ্ট কোনো অহংকার হতে পারে না। কিভাবে মানুষ আল্লাহর সঙ্গে অহংকার করতে পারে যে আল্লাহ তাকে সৃষ্টি করেছেন, তাকে সব ধরনের জীবনোপকরণ দিয়েছেন, যিনি জীবন দান করেন ও মৃত্যু ঘটান এবং ভাল-মন্দের প্রতিদান দিয়ে থাকেন ? (তুহফাতুয যাকিরীন : আশ-শাওকানী)
৩-দুআ কখনো বৃথা যায় না
যেমন হাদীসে এসেছে : عن أبي سعيد الخدري رضى الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه قال : ما من مسلم يدعو بدعوة، ليس فيها إثم ولا قطيعة رحم إلا أعطاه الله بـها إحدى ثلاث : إما أن يعجل له دعوته، وإما أن يدخرها له في الآخرة وإما أن يصرف عنه من السوء مثلها. قالوا : إذا نكثر قال : الله أكثر)رواه البخاري في الأدب المفرد 710 وصححه الألباني وأحمد( আবু সাঈদ খুদরী রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন : যখন কোনো মুমিন ব্যক্তি দুআ করে, যে দুআতে কোনো পাপ থাকে না ও আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করার বিষয় থাকে না, তাহলে আল্লাহ তিন পদ্ধতির কোনো এক পদ্ধতিতে তার দুআ অবশ্যই কবুল করে নেন। যে দুআ সে করেছে হুবহু সেভাবে তা কবুল করেন অথবা তার দুআর প্রতিদান আখেরাতের জন্য সংরক্ষণ করেন কিংবা এ দুআর মাধ্যমে তার ওপর আগত কোনো বিপদ তিনি দূর করে দেন। এ কথা শুনে সাহাবিগণ বললেন, আমরা তাহলে অধিক পরিমাণে দুআ করতে থাকবো। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন : তোমরা যত প্রার্থনাই করবে আল্লাহ তার চেয়ে অনেক বেশি কবুল করতে পারেন। (বুখারী : আল-আদাবুল মুফরাদ ও আহমদ) এ হাদীসে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে কোনো মুসলিম ব্যক্তির দুআ কখনো বৃথা যায় না। #dua 124 @Praachir

আলহামদুলিল্লাহ্! বাংলাদেশের আকাশে মুহাররম মাসের চাঁদ দেখা গিয়েছে। সেই সাথে আজ থেকে শুরু হলো হিজরি নতুন বছর– ১৪৪৮। মুহাররম মাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ আমল হলো– আশুরার রোজা। আশুরার রোজা রাখার ফজিলত বর্ণনায় রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, “আশুরার দিনের সাওমের ব্যাপারে আল্লাহর কাছে আমার প্রত্যাশা, আল্লাহ এর দ্বারা পূর্ববর্তী এক বছরের সব গুনাহ মাফ করে দেবেন।” (সহীহ মুসলিম : ১১৬২) এ বছর আশুরার রোজা রাখার দিন : ➤ ৯ মুহাররম — ২৫ জুন (বৃহঃবার) ➤ ১০ মুহাররম — ২৬ জুন (শুক্রবার) ➤ ১১ মুহাররম — ২৭ জুন (শনিবার) উল্লেখ্য, আশুরার রোজা দুইটি রাখতে হয়। অতএব, মুহাররমের ৯ ও ১০ অথবা ১০ ও ১১ তারিখ রোজা রাখবো, ইনশাআল্লাহ্। এবং এ মাসের আইয়ামে বীজের রোজা রাখার দিন : ➤ ১৩ মুহাররম – ২৯ জুন (সোমবার) ➤ ১৪ মুহাররম – ৩০ জুন (মঙ্গলবার) ➤ ১৫ মুহাররম – ১ জুলাই (বুধবার) © মাহমুদুল হাসান