fa
Feedback
Praachir - প্রাচীর

Praachir - প্রাচীর

رفتن به کانال در Telegram

আমরা চাই আমাদের চ্যানেলের মাধ্যমে অন্ধকারাচ্ছন্ন আত্মাগুলো আলোকে ফিরে আসুক।ইবাদতে অনাগ্রহী আত্মাগুলোতে আগ্রহ সঞ্চার হোক।মৃতপ্রায় আত্মাগুলোতে ছড়িয়ে পড়ুক প্রাণশক্তি। ভালো কিছুর প্রত্যাশায় ইন শা আল্লাহ... প্রয়োজনেঃ @PraachirBOT

نمایش بیشتر

📈 تحلیل کانال تلگرام Praachir - প্রাচীর

کانال Praachir - প্রাচীর (@praachir) در بخش زبانی بنگالی بازیگری فعال است. در حال حاضر جامعه شامل 13 344 مشترک است و جایگاه 6 639 را در دسته دین و مذهبی و رتبه 1 729 را در منطقه بنغلاديش دارد.

📊 شاخص‌های مخاطب و پویایی

از زمان ایجاد در невідомо، پروژه رشد سریعی داشته و 13 344 مشترک جذب کرده است.

بر اساس آخرین داده‌ها در تاریخ 26 ژوئیه, 2026، کانال فعالیت پایداری دارد. در ۳۰ روز گذشته تغییر اعضا برابر 83 و در ۲۴ ساعت گذشته برابر 3 بوده و همچنان دسترسی گسترده‌ای حفظ شده است.

  • وضعیت تأیید: تأیید نشده
  • نرخ تعامل (ER): میانگین تعامل مخاطب 11.93% است و در ۲۴ ساعت نخست پس از انتشار، محتوا معمولاً 4.68% واکنش نسبت به کل مشترکان کسب می‌کند.
  • دسترسی پست‌ها: هر پست به طور میانگین 1 592 بازدید دریافت می‌کند. در اولین روز معمولاً 625 بازدید جمع‌آوری می‌شود.
  • واکنش‌ها و تعامل: مخاطبان به‌طور فعال حمایت می‌کنند؛ میانگین واکنش به هر پست 23 است.

📝 توضیح و سیاست محتوایی

نویسنده این فضا را محل بیان دیدگاه‌های شخصی توصیف می‌کند:
আমরা চাই আমাদের চ্যানেলের মাধ্যমে অন্ধকারাচ্ছন্ন আত্মাগুলো আলোকে ফিরে আসুক।ইবাদতে অনাগ্রহী আত্মাগুলোতে আগ্রহ সঞ্চার হোক।মৃতপ্রায় আত্মাগুলোতে ছড়িয়ে পড়ুক প্রাণশক্তি। ভালো কিছুর প্রত্যাশায় ইন শা আল্লাহ... প্রয়োজনেঃ @PraachirBOT

به لطف به‌روزرسانی‌های پرتکرار (آخرین داده در تاریخ 27 ژوئیه, 2026)، کانال همواره به‌روز و دارای دسترسی بالاست. تحلیل‌ها نشان می‌دهد مخاطبان به‌طور فعال با محتوا تعامل دارند و آن را به نقطه اثرگذاری مهم در دسته دین و مذهبی تبدیل کرده‌اند.

13 344
مشترکین
+324 ساعت
+227 روز
+8330 روز
آرشیو پست ها
হযরত হাকীমুল উম্মাত থানভী রহ. বলেন- দিনের মধ্যে কোনো একটা সময় নির্জনতার জন্য বের করুন। এরপর ঐ সময় এ কথার একটু ধ্যান করবেন যে, আমার শেষ সময় এসে গেছে। ফেরেশতা রূহ কবয করার জন্য এসে গেছেন। মালাকুত মউত বা মৃত্যুর ফেরেশতা আমার রূহ কবয করে ফেলেছেন। আমার আত্মীয়-স্বজনরা আমার গোসল ও কাফন-দাফনের ব্যবস্থা আরম্ভ করে দিয়েছে। অবশেষে আমাকে গোসল দিয়ে কাফন-দাফন পরিধান করিয়ে খাটিয়ায় উঠিয়ে কবরস্থান নিয়ে গেছে। জানাযার নামাযের পরে আমাকে একটি কবরে রেখেছে। অতঃপর ঐ কবরটি বন্ধ করে দিয়েছে। আর উপরে কয়েক মণ মাটি ঢেলে সবাই সেখান থেকে বিদায় হয়ে গেছে। এখন অন্ধকার কবরে আমি একা। ইতোমধ্যে প্রশ্নোত্তরের জন্য ফেরেশতাগণ এসে গেছেন। তাঁরা আমাকে প্রশ্ন করছেন। এরপর আখেরাতের ধ্যান করুন যে, আমাকে দ্বিতীয়বার কবর থেকে উঠানো হলো। এখন হাশরের ময়দান কায়েম হয়েছে। সমস্ত মানুষ হাশরের মাঠে একত্রিত হয়েছে। সেখানে প্রচণ্ড গরম লাগছে। ঘাম পড়ছে। সূর্য একেবারেই নিকটবর্তী। প্রত্যেকটা মানুষ পেরেশান। লোকেরা আম্বিয়ায়ে কেরাম আ.-এর নিকট গিয়ে সুপারিশ করছে, যেন তাঁরা আল্লাহ পাকের নিকট হিসাব-কিতাব শুরু হওয়ার দরখাস্ত করেন। অতঃপর এভাবেই হিসাব ও কিতাব, পুলসিরাত ও জান্নাত-জাহান্নামের ধ্যান করবেন। প্রত্যহ ফযর নামাযের পর কুরআনে কারীম তিলাওয়াত, মুনাজাতে মাকবুল এবং নিজ যিকির-আযকার থেকে অবসর হওয়ার পর একটু ধ্যান করবে যে, এই সময় আসছে। জানা নেই কখন এসে যাবে? আজকেই যে আমার মৃত্যু হবে না সেটার নিশ্চয়তা কী? এসব চিন্তা করার পর দুআ করবে হে আল্লাহ! আমি দুনিয়ার কারবার এর উদ্দেশ্যে বের হচ্ছি। এমন কোনো কাজ যেন আমার দ্বারা না হয় যা আমার আখেরাতের জন্য ধ্বংসের কারণ হয়। প্রতিদিন এভাবে ধ্যান করবেন। যখন একবার মৃত্যুর ধ্যান দিলের মধ্যে বসে যাবে, তখন ইনশাআল্লাহ স্বীয় ইসলাহ বা আত্মশুদ্ধির ফিকির পয়দা হবে। [ইরশাদাতে আকাবির : ৫৭-৫৮]

গভীর রাত। চারপাশ নির্জন নিস্তব্ধ। দূরে শুধু শোনা যায় ভবঘুরে কুকুরের তারস্বরে চিৎকার। থেমে থেমে নাইটগার্ডের হুইসেল বেজে উঠে। হাসান অনেক আগেই শুয়েছে। কিন্তু ঘুম এখনো আসেনি। তার হাতে ফোন। চোখ স্থির ফোনের স্ক্রিনে। সে অন্য এক নেশায় বুঁদ হয়ে আছে। সারাটা দিন গেছে অলসতায়। এই রাত্তিরে ঘুম আসছে না। অলস মস্তিষ্ক কোনো কাজও খুঁজে পাচ্ছে না। তাই সে কিছুক্ষণ ফেইসবুক স্ক্রল করে। আবার কিছুক্ষণ দেখে ইন্সটাগ্রামের রিলস। শোয়া থেকে উঠে বসল সে। একটু ইতিউতি করে নিলো। নাহ! দরজা লাগানোই আছে। মা বাবা ঘুমিয়ে পড়েছে। বাবা একবার এসে অবশ্য বকে গেছে। যেন ফোন রেখে ঘুমিয়ে পড়ে। এখন আর আসবে না। তাই নিশ্চিন্ত হয়ে নিলো হাসান। ঠিক সেই মূহুর্তে শয়তান ধোঁকাটা দিয়ে দিলো। এই ছেলে! বয়স তোমার এখন আঠারোর চৌকাঠে। এখন যদি একটু আধটু নিজেকে আনন্দ না দাও আর কবে! কদিন পর তোমাকে অনেক ব্যস্ত হতে হবে। পড়াশোনার চাপ বাড়বে। কী হবে এত আত্মনিয়ন্ত্রণ করে। একটু মজা করো। হাসান ঢুকে গেলো অন্য এক জগতে। নিষিদ্ধ জগত। বড়ই অন্ধকার জগত। যে জগত পম্পেই ধ্বংস করেছে। যে জগত ধ্বংস করে চলছে বর্তমান জগতটাকে। পর্ণগ্রাফি! একি! তার চোখ এভাবে দুলছে কেন! খাটের কোণায় এভাবে এগিয়ে আসছে কে? শ্বাস বন্ধ হয়ে এলো যে! আঙ্গুল নড়ছে না কেন? সে কি অজ্ঞান হয়ে যাচ্ছে যে? ভোর পর্যন্ত তার জ্ঞান ফিরে পাবে তো! মা বাবা এসে যদি দেখে তার হাতে ফোন ধরা। ফোনে চলছে আদিম অশ্লীলতা! হাতও নড়ছে না। ফোনও বন্ধ করা যাচ্ছে না। চোখটা খুলে গেলো। চোখ লেগে এসেছিলো। হাতে ফোন ধরা অবস্থাতেই। সে মাত্র ভেবেছিলো সে গুগলের সার্চবারে যাবে। কিন্তু এভাবে ঘোর লাগা ঘুম এলো কী করে? ঘেমে নেয়ে একাকার হয়ে গেলো হাসান। পরক্ষণেই মনে পড়ে গেলো একটা আয়াতের কথা: لَعَلِّي أَعْمَلُ صَالِحًا فِيمَا تَرَكْتُ ۚ كَلَّا ۚ إِنَّهَا كَلِمَةٌ هُوَ قَائِلُهَا ۖ وَمِنْ وَرَائِهِمْ بَرْزَخٌ إِلَى يَوْمِ يُبْعَثُونَ যেন আমি যা (দুনিয়া) ছেড়ে এসেছি সেখানে সৎকাজ করতে পারি। কক্ষনো না! এ তো কেবল তার একটি কথার কথা মাত্র। আর তাদের সামনে আছে পুনরুত্থানের দিন পর্যন্ত ‘বারযাখ’ (এক অন্তরাল বা পর্দা)। এই ক্ষনিকের আনন্দের জন্য এই অশ্লীলতায় ডুবতে গিয়ে সে কবরের জগতকে ভুলতে বসেছিলো? যেখানে কবরের চাপে পাঁজরের হাড় ঢুকে যাবে? গুনাহের সুখ তো শেষ হয়ে যায়। পরিতাপ রয়ে যায়। পরিণাম তাড়িয়ে বেড়ায়। ভেতরটা ফোকলা করে দেয়। হাসান উঠে গেলো। অজু করে দাঁড়িয়ে গেলো জায়নামাযে। মাওলা! একমুহূর্তে তোমার ভুলতে বসেছিলাম। তুমি আমায় ফিরিয়ে নাও। [গোপন গুনাহ ও চোখের যিনা যাদের ভাবায় না তাদের জন্য এই ভিডিও]

"আল্লাহ তা'আলা তাঁর মু'মিন বান্দাদের তাঁর আদেশ ব্যতীত অন্য কোন বস্তুর প্রতি খুশি ও সন্তুষ্ট থাকার অনুমতি দান করেন নি। এমনিভাবে আল্লাহ তাআলার অবতীর্ণ বিধান ব্যতীত অন্য কোন বস্তুকে হাকিম ও বিচারক মনোনীত করা অথবা তার নিকট মীমাংসার প্রত্যাশী হবারও অনুমতি তিনি দেননি; বরং তিনি তাঁর হুকুম ও বিধান ব্যতীত অন্য সকল হুকুম-বিধান ও মতবাদসমূহকে অস্বীকার করার নির্দেশ দিয়েছেন এবং তাঁর হুকুম ও বিধান ছাড়া অন্য কোন হুকুম ও বিধানের প্রতি আন্তরিকভাবে সন্তুষ্ট থাকাকে কঠোর গুমরাহী এবং শয়তানের আনুগত্যকরণ বলে অভিহিত করেছেন; যেমন আল্লাহ তা'আলা ইরশাদ করেছেন: . أَلَمۡ تَرَ إِلَى ٱلَّذِینَ یَزۡعُمُونَ أَنَّهُمۡ ءَامَنُوا۟ بِمَاۤ أُنزِلَ إِلَیۡكَ وَمَاۤ أُنزِلَ مِن قَبۡلِكَ یُرِیدُونَ أَن یَتَحَاكَمُوۤا۟ إِلَى ٱلطَّـٰغُوتِ وَقَدۡ أُمِرُوۤا۟ أَن یَكۡفُرُوا۟ بِهِۦۖ وَیُرِیدُ ٱلشَّیۡطَـٰنُ أَن یُضِلَّهُمۡ ضَلَـٰلَۢا بَعِیدࣰا . 'আপনি কি তাদেরকে দেখেননি যারা দাবি করে যে, আপনার প্রতি যা নাযিল হয়েছে এবং আপনার পূর্বে যা নাযিল হয়েছে তাতে তারা ঈমান এনেছে, অথচ তারা তাগূতের কাছে বিচারপ্রার্থী হতে চায়, যদিও সেটাকে প্রত্যাখ্যান করার জন্য তাদেরকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। আর শয়তান তাদেরকে ভীষণভাবে পথভ্রষ্ট করতে চায়'। [সূরা নিসা: ৬০] . সুতরাং যে কোন লোকই আল্লাহ তা'আলা এবং তাঁর রসূলের দেয়া হিদায়াত ব্যাতীত অন্য কোন মতবাদ দ্বারা স্বীয় জীবন সমস্যার সমাধান নিতে চায়, তাদের তাগুতকে স্বীয় ফয়সালাকারী ও সমাধানকারীরূপে সমর্থন করে নেওয়া এবং তার নিকট ফয়সালা প্রার্থনা করা হয়ে থাকে। ঐ সব বস্তুকে তাগুত বলা হয়, যা বান্দা হবার সীমা অতিক্রম করে মাবুদ বা অনুকরণীয় হওয়ার পদমর্যাদা গ্রহণ করে থকে। . সুতরাং প্রত্যেকটি জাতির তাণ্ডত হলো তারাই, যাদেরকে মানুষ আল্লাহ তাআলা এবং তার রসূল (স) ব্যতীত নিজেদের মীমাংসাকারী ভেবে থাকে অথবা আল্লাহ তা'আলা ব্যতীত তাদের বন্দেগীতে লেগে যায় অথবা জ্ঞানচক্ষু বন্ধ করে তাদের অন্ধ অনুকরণ করতে থাকে। অথবা ঐ বস্তুগুলোর আনুগত্য এমনভাবে করে যায় যে, আনুগত্য পাবার অধিকারী যে একমাত্র আল্লাহ তা'আলা তা একটুও উপলব্ধি করতে পারে না। . সুতরাং যারাই আল্লাহ তা'আলার প্রতি ঈমান আনবে তাদের জন্য গায়রুল্লাহর প্রতি ঈমান আনা এবং আনুগত্য করা আর আল্লাহ তা'আলার হুকুম ব্যতীত অন্য কারো হুকুমকে বৈধ আইন বলে সমর্থন করে নেওয়ার অনুমতি তাদের জন্য কোনক্রমেই নেই"। . ~সায়্যিদ আব্দুল কাদির আওদা [রাহ.] . [ ইসলামী আইন বনাম মানব রচিত আইন, পৃ: ৩৫-৩৬, অনু: মাওলানা কারামত আলী নিযামী ]

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, « إِذَا قَالَ الرَّجُلُ: هَلَكَالنَّاسُ فَهُوَ أَهْلَكُهُمْ "যখন একজন লোক বলে যে লোকেরা তো ধ্বংস হয়ে গিয়েছে, তখন সে-ই তাদের মাঝে সর্বাধিক ধ্বংসপ্রাপ্ত"।[১] . ব্যাখ্যা: "ইমাম মালিক [রাহ.] বলেছেন, কোনো ব্যক্তি যখন মানুষের মধ্যে (দ্বীনের অবক্ষয়) দেখে নিজের দুঃখ ও অনুশোচনা প্রকাশ করার উদ্দেশ্যে এরূপ বলে, অর্থাৎ মানুষের দ্বীনের ব্যাপারে (হতাশা থেকে বলে) তখন আমি এতে কোনো সমস্যা দেখি না। আর যদি সে নিজের প্রতি অহংকার ও আত্মতুষ্টিবশত এবং অন্য মানুষকে ছোট ও তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করার উদ্দেশ্যে এরূপ বলে, তবে এটিই হলো সেই অপছন্দনীয় কাজ,যা (হাদিসে) নিষেধ করা হয়েছে"। [২] . ইমাম ইসহাক [রাহ.] বলেন, আমি ইমাম মালিককে [রাহ.] জিজ্ঞেস করলাম, এর কারণ কী (অর্থাৎ এই লোক অধিক ধ্বংসপ্রাপ্ত হবার কারণ কী)? তিনি বললেন, "এই লোক আসলে লোকেদের তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করেছে এবং ভেবেছে যে সে তাদের চেয়ে ভালো। এজন্য নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন যে সে-ই তাদের মাঝে সর্বাধিক ধ্বংসপ্রাপ্ত অর্থাৎ সবচাইতে নিকৃষ্ট লোক"। [৩] . [১) ইমাম মুসলিম (রাহ.), আস সহীহ, হা: ২৬২৩; ২) ইমাম আবু দাউদ (রাহ.), আস সুনান: ৫/২৯৬; ৩) ইমাম বাইহাক্বী (রাহ.), আল আদাব, পৃ: ১১৯]

ইসলাম আজ এদের জন্য প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে। কিন্তু আমাদের বিজ্ঞ আলেম রা এগুলা নিয়ে কোন ব্যবস্থা নেন না। আর এই ব্যবস্থা না নেওয়ার ফল আমনে খুব ভয়াবহ হবে। মিলিয়ে নিয়েন।

❁ শুক্রবারের গুরুত্বপূর্ণ সুন্নাহসমূহ ❁ • ফজরের সালাতে সুরা আস-সাজদাহ ও সুরা ইনসান পড়া। [১] • মিসওয়াক করা। [২] • গোসল করা এবং
❁ শুক্রবারের গুরুত্বপূর্ণ সুন্নাহসমূহ ❁ • ফজরের সালাতে সুরা আস-সাজদাহ ও সুরা ইনসান পড়া। [১] • মিসওয়াক করা। [২] • গোসল করা এবং যথাসাধ্য পবিত্রতা অর্জন করা। [৩] • উত্তম পোশাক পরিধান করা এবং সুগন্ধি লাগানো। [৪] • জুমু'আহ সালাতের জন্য আগে আগে রওনা হওয়া। [৫] • বেশি বেশি দরূদ পাঠ করা। [৬] • সুরা আল-কাহাফ পাঠ করা। [৭] • নীরব থেকে খুতবা শোনা ও জুমু'আহর সালাত আদায় করা। [৮] • জুমু'আহর সালাত এর পর হাল্কা নিদ্রায় যাওয়া।[৯] • বেশি করে দু’আ করা,বিশেষ করে আসরের শেষের দিকে। [১০] 📑 রেফারেন্সঃ [১] সহীহ বুখারী ৮৯১,সহীহ মুসলিম ১৯২০ [২] সুনান ইবনু মাজাহ ১০৯৮ [৩] সহীহ বুখারী ৮৮৩,৮৭৭ [৪] সুনান আবূ দাউদ ৩৪৩ [৫] সহীহ বুখারী ৮৮১ [৬] সুনান আবূ দাউদ ১০৪৭ [৭] মিশকাতুল মাসাবীহ ২১৭৫ (মিশকাত),দারেমী, হা/৩৪০৭, শাইখ আলবানী হাদিসটিকে সহীহ বলেছেন, দ্রষ্টব্য: সহীহুল জামে হা/৬৪৭১ [৮] সহীহ বুখারী ৯৩৪ [৯] সহীহ বুখারী ৯৪০ [১০] সুনান আবূ দাউদ ১০৪৮

খুলনা ফুলতলার এই কুলাংগার তন্ময় দাসের আপডেট কি কেউ জানেন? সলিমুল্লাহ মেডিকেলে নারীদের উপর হামলা চালানো সেই নেড়িটা! এর বাবার এ
খুলনা ফুলতলার এই কুলাংগার তন্ময় দাসের আপডেট কি কেউ জানেন? সলিমুল্লাহ মেডিকেলে নারীদের উপর হামলা চালানো সেই নেড়িটা! এর বাবার একটা মিষ্টির দোকান আছে ফুলতলায়!(শ্যামা মিষ্টান্ন ভান্ডার)

মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের সাথে কোটা বিষয়টা অপ্রাসঙ্গিক। তারা এসেছিল খুনের বিচার চাইতে, ফ্যাসিস্টের বিদায় করতে। কৃতজ্ঞতা তাদের প
মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের সাথে কোটা বিষয়টা অপ্রাসঙ্গিক। তারা এসেছিল খুনের বিচার চাইতে, ফ্যাসিস্টের বিদায় করতে। কৃতজ্ঞতা তাদের প্রতি।

মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের সাথে কোটা বিষয়টা অপ্রাসঙ্গিক। তারা এসেছিল খুনের বিচার চাইতে, ফ্যাসিস্টের বিদায় করতে। কৃতজ্ঞতা তাদের প
মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের সাথে কোটা বিষয়টা অপ্রাসঙ্গিক। তারা এসেছিল খুনের বিচার চাইতে, ফ্যাসিস্টের বিদায় করতে। কৃতজ্ঞতা তাদের প্রতি।

মুসলিমদের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা এবং স্বাধীন পূর্ব বাংলা প্রতিষ্ঠার বিরোধিতাকারী রবীন্দ্রনাথ এর লেখা গান কিভাবে ব
মুসলিমদের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা এবং স্বাধীন পূর্ব বাংলা প্রতিষ্ঠার বিরোধিতাকারী রবীন্দ্রনাথ এর লেখা গান কিভাবে বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত হতে পারে? যেই রবীন্দ্রনাথ বাংলাদেশের নাগরিকও না , তার লেখা গান কিভাবে বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত হতে পারে ?

"দুটি বিষয় এমন রয়েছে, যদি তুমি তা হেফাজত করতে পারো, তবে এরপর তুমি যা-ই করো না কেন তাতে তোমার কোনো ক্ষতি হবে না: ১) তোমার পরকালের জন্য তোমার দ্বীন , ২) এবং তোমার ইহকালের জীবিকার জন্য তোমার দিরহাম (অর্থকড়ি)"। . ~ তাবিঈ খালিদ বিন সাফওয়ান [রাহ.] . [ইমাম ইবনু আবিদ দুনইয়া (রাহ.), ইসলাহুল মাল, হা: ৬৯]

" শরীয়তী বিধান হচ্ছে আল্লাহ তা'আলার বিধান। আর অপরদিকে আইন হচ্ছে এর বিপরীত মানবিক জ্ঞান ও অভিজ্ঞতাপ্রসূত বিধান। শরীয়ত ও মানবরচিত আইন উভয়ই আপন আপন সত্তায় সমুজ্জ্বল। . যেহেতু মনবরচিত আইন হচ্ছে মানবিক জ্ঞানের উৎপাদন, সেহেতু সে নিজের মধ্যে মানবিক অপূর্ণতা, অপারগতা ও মুখাপেক্ষিতা এবং অদূরদর্শিতাকে ধারণ করে বলেই তাকে বারংবার বিবর্তন ও সংস্কার-সংশোধনের শিকারে পরিণত হতে হয়। আপনি তার নাম প্রগতি বা অগ্রগতি যা-ই রাখেন না কেন, কোন মানব সমাজ যখন এমন স্তরে গিয়ে উপনীত হয়, ইতিপূর্বে যার কোন আশা পোষণ করা হতো না অথবা এর অবস্থার মধ্যে এমন বিরাট আকারের বিবর্তন দেখা দেয়, যার ধারণা ও চিন্তা ইতিপূর্বে মনেও আসেনি, তখন আইনের ক্ষেত্রে সংস্কার ও সংশোধন অপরিহার্য হয়ে পড়ে। এমনিভাবে মানব রচিত আইন-কানুন সর্বক্ষণ অপূর্ণই থাকে এবং তার জন্য ততক্ষণ পর্যন্ত পূর্ণতার সীমারেখায় গিয়ে উপনীত হওয়া সম্ভব হয় না, যতক্ষণ পর্যন্ত তার প্রণেতারা পূর্ণতার গুণাবলী দ্বারা গুণান্বিত না হয়। আর এমন হওয়া যে আদপেই সম্ভব নয় তা দিবালোকের ন্যায় সুস্পষ্ট। কেননা মানুষ কেবল অতীতকেই জানতে পারে এবং অতীতের প্রতিই দৃষ্টি নিবদ্ধ রাখতে পারে, ভবিষ্যত সম্পর্কে কোনরূপ জ্ঞান রাখা এবং ভবিষ্যতের প্রতি দৃষ্টি নিবদ্ধ করা তার দ্বারা আদৌ সম্ভব নয়। এটা তার ক্ষমতার বাইরে। . পক্ষান্তরে শরীয়তের প্রণেতা হলেন আল্লাহ তা'আলা। সুতরাং এর সৃষ্টিগত ক্ষমতা, এর পূর্ণত্ব ও মহত্ত্ব এবং ভূত, বর্তমান ও ভবিষ্যতের জ্ঞানের পরিধি, সবকিছু তিনি নিজের মধ্যে ধারণ করে থাকেন। আর মৌখিক ভাষা ও বাস্তবতার ভাষা উভয়ের দ্বারাই তিনি তাঁর ঘোষণাপত্র প্রকাশ করেন। সুতরাং শরীয়তী বিধান সেই মহাজ্ঞানী ও মহাসাংবাদিকই রচনা করেছেন, যিনি বর্তমান ও ভবিষ্যতের প্রয়োজন সম্পর্কে পূর্ণরূপে ওয়াকিফহাল"। . ~সায়্যিদ আব্দুল কাদির আওদা [রাহ.] . [ ইসলামী আইন বনাম মানব রচিত আইন, পৃ: ১৬, অনু: মাওলানা কারামত আলী নিযামী ]

আল্লাহ তাআলা বলেন, وَلَا تَتَّخِذُوا آيَاتِ اللَّهِ هُزُوًا . "আর তোমরা আল্লাহর আয়াতসমূহকে ঠাট্টার বস্তুতে পরিণত করো না"। [১] . শাইখ আব্দুল আযীয আত তারিফী [হাফি.] এর ব্যাখ্যায় লিখেছেন, "এখানে আল্লাহ তাআলার আয়াতসমূহ দিয়ে উদ্দেশ্য হচ্ছে আল্লাহর নির্ধারিত সীমারেখা এবং হালাল ও হারামের বিস্তারিত বিবরণ। আর আল্লাহর আয়াতসমূহ নিয়ে ঠাট্টা-উপহাস করার একটি দিক হচ্ছে সেগুলো জানা সত্ত্বেও কোনো তোয়াক্কা না করে বর্জন করা বা অমান্য করা। যদিও সে মৌখিকভাবে বিধান সম্পর্কে কোনো মন্দ কথা বলে না। এটা হচ্ছে আমলগতভাবে ঠাট্টা বা উপহাস করা"। [২] . [১) সূরা আল বাকারাহ: ২৩১; ২) শাইখ আব্দুল আযীয আত তারিফী (হাফি.), আত তাফসীর ওয়াল বায়ান লি আহকামিল কুরআন: ১/৪৪৯]

মহিলাদের জন্য শাড়ির বিধান শাড়ি একসময় হিন্দু নারীর পোশাক ছিল। কিন্তু এখন আর তাদের বিশেষ পোশাক থাকেনি। এখন এটা মিশ্র পোশাকের
মহিলাদের জন্য শাড়ির বিধান শাড়ি একসময় হিন্দু নারীর পোশাক ছিল। কিন্তু এখন আর তাদের বিশেষ পোশাক থাকেনি। এখন এটা মিশ্র পোশাকের অন্তর্ভুক্ত হয়ে গেছে। সুতরাং শাড়ি পরলে এবং অনুকরণের নিয়ত না করলে বিধর্মীদের সাদৃশ্যের গুনাহ হবে না বটে কিন্তু যেহেতু শাড়ি পরিধান করলে সাধারণত শরীরের বিভিন্ন জায়গা খোলা থাকে যেমন-পেট, পিঠ, বুক হাতের বাহু ইত্যাদি, তাই এভাবে শাড়ি পরিধান করা বৈধ হবে না। হ্যাঁ কেউ যদি ব্লাউজ এমনভাবে বানায় যদ্দারা উপরোক্ত অংশগুলোও পুরোপুরি ঢেকে যায় এবং শাড়ির উপর থেকে পেট-পিঠ ও বুকের আকৃতি ফুটে না উঠে তাহলে তা পরিধান করা নাজায়েয নয়। (কেফায়াতুল মুফতী ৯/১৭০।আপকে মাসায়িল আওর উনকা হল ৭/১৬৩) সুত্র: আল কাউসার।

ওয়ালাইকুমুস সালাম। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হযরত জাবির রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে একটা দুআ শিখিয়েছিলেন। اللهم
ওয়ালাইকুমুস সালাম। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হযরত জাবির রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে একটা দুআ শিখিয়েছিলেন। اللهم ثبتني واجعلني هاديا مهديا আল্লাহুম্মা সাব্বিতনি ওয়াজআলনি হাদিয়াম মাহদিয়্যা। হে আল্লাহ! আপনি আমাকে স্থির রাখুন এবং আমাকে হেদায়াতপ্রাপ্ত ও হেদায়াতকারী বানিয়ে দিন। #dua 125 @Praachir

আল্লাহ তাআলা বলেন, [১] سَوَاۤءٌ عَلَیۡكُمۡ أَدَعَوۡتُمُوهُمۡ أَمۡ أَنتُمۡ صَـٰمِتُونَ . "অর্থাৎ তাদেরকে ডাকা না ডাকা সমান, ডাকলেও তোমাদের কোন উপকার হবে না, নীরব থাকলেও যে অবস্থা ডাকলেও সেই একই অবস্থা। হে মুশরেকের দল! আল্লাহ ব্যতীত তোমরা যাদেরকে ডাক, যাদের তোমরা পূজা কর তারাও তোমাদেরই মত সৃষ্টি, অতএব তোমরা তাদেরকে ডাকলে তাদের উচিত তোমাদের ডাকে সাড়া দেয়া, যদি তোমরা তোমাদের কথায় সত্যবাদী হও। কিন্তু না, তারা জবাব দিতে পারেনা, কোন দিন পারবে না। . আর তোমাদের বিশ্বাসের ভ্রান্ত হওয়ার এবং তোমাদের পথভ্রষ্টতা প্রমাণিত হওয়ার জন্যে একথাই যথেষ্ট। যেহেতু এ ভ্রান্ত, পথভ্রষ্ট মানুষ তাদের নিজেদের তৈরী মূর্তিকে পূজা করতো, চন্দ্র, সূর্য, গ্রহ তারার সম্মুখে মাথানত করতো, এমনকি তাদের কাছে আশা করতো, মনের আরজী পেশ করতো অথচ কারো উপকার বা অপকার করার তাদের কোন ক্ষমতা ছিল না, তাই এরশাদ হয়েছে, যদি তোমরা তাদেরকে উপাস্য হিসেবে গ্রহণে সত্যবাদী হও তবে তাদেরকে ডাক, তাদের নিকট আরজী পেশ কর কিন্তু তোমরা যদি সারা জীবন চিৎকার কর তবুও তারা তোমাদের ডাকে সাড়া দিতে সক্ষম হবে না। . তাদেরকে ডাকা অথবা নীরব থাকা উভয়ই সমান, এ দুয়ের মধ্যে কোন পার্থক্য নেই, এখন চিন্তা কর সৃষ্টিকে স্রষ্টার আসনে তোমরা কেন বসাও? এটি নির্বুদ্ধিতা ব্যতীত আর কিছুই নয়"। [২] . [১) সূরা আ'রাফ: ১৯৩; ২) মাওলানা মো. আমিনুল ইসলাম (রাহ.), তফসীরে নূরুল কোরআন: ৯/২১১]

হায়! আন্দালুস!! আমাদের হারানো ফিরদাউস। স্পেন ৮০০ বছর শাসন করেছি আমরা। কি না ছিলো আমাদের? আর আজ ছেলেরা নিজেদের মুসলিম পরিচয় নিয়েই হীনমন্য। অথচ তারা জানেই না এ পৃথিবী ছিল আমাদের। রাজার মতো করে চলতাম আমরা। স্পেন, মুসলমানদের হারানো আন্দালুস, কিন্তু এটাকে পুনরুদ্ধার করার মানসিকতা মুসলিম জাতি হারিয়ে ফেলেছি! আল আন্দালুসের দেশ ফাইনালে জাস্ট মনে করিয়ে দিলাম মুসলমান ঘরের সন্তানদের। ফুটবল নিয়ে আমার কোন আগ্রহ নেই।

হারাম দৃশ্য দেখার কারণে কি কি ক্ষতি হয়? বয়ান: জুলফিকার আলী নকশবন্দী রহ.

আজকে মসজিদে নববীতে জুমার খুতবা ছিল সংক্ষিপ্ত, তবে গুরুত্বপূর্ণ। দাম্পত্য জীবনের সংহতি ছিল প্রতিপাদ্য বিষয়। মূল পয়েন্টগুলো সংক্ষেপে আমি নিজের ভাষায় তুলে ধরছি- ক. তালাক নিয়ে সবাইকে সতর্ক করা হয়েছে, যেন এই বিষয়ে আল্লাহর সীমা কেউ লঙ্ঘন না করে। খ. স্বামীরা যেমন স্ত্রীদেরকে অহেতুক তালাক দিবে না, তেমনি স্ত্রীরাও যথেষ্ট শক্তিশালী কারণ ছাড়া স্বামীর থেকে তালাক চাইবে না। গ. স্ত্রীর কোন কিছু পছন্দ না হলে তার মধ্য তালাশ করলে পছন্দ হবার মতো অনেক কিছু পাবে। সেগুলোর দিকে লক্ষ্য করলে আগের অপছন্দটা সহনশীল হবে। ঘ. কোন নারী অহেতুক স্বামীর থেকে তালাক চাইলে সে জান্নাতের সুঘ্রাণও পাবে না। ঙ. দাম্পত্য জীবনের স্থিতিশীলতার সবচে বড় মাধ্যম হলো উভয় পক্ষ থেকেই সবর অবলম্বন করার চর্চা করা। - আব্দুল্লাহ আল মাসুদ

"আল্লাহর কাছে সর্বোত্তম ঐ ব্যক্তি যে ইসলামে দীর্ঘজীবী হয় আর তাঁর তাকবির (আল্লাহু আকবার), তাসবীহ (সুবহানআল্লাহ), তাহলীল (লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ) ও তাহমীদের (আলহামদুলিল্লাহ) পরিমাণও বৃদ্ধি পায়" . لَيْسَ أَحَدٌ أَفْضَلَ عِنْدَ اللهِ مِنْ مُؤْمِنٍ يُعَمَّرُ فِي الْإِسْلَامِ، يُكْثِرُ تَكْبِيرَهُ، وَتَسْبِيحَهُ، وَتَهْلِيلَهُ، وَتَحْمِيدَهُ . ~ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম . [ ইমাম নাসাঈ (রাহ.), আস সুনানুল কুবরা, হা: ১০৬০৬, আল্লামা শুআইব আরনাউত্বের (রাহ.) মতে সনদ শক্তিশালী- সুনানু ইবনি মাজাহ: ৫/৭৯ এর টীকা)]