ch
Feedback
Praachir - প্রাচীর

Praachir - প্রাচীর

前往频道在 Telegram

আমরা চাই আমাদের চ্যানেলের মাধ্যমে অন্ধকারাচ্ছন্ন আত্মাগুলো আলোকে ফিরে আসুক।ইবাদতে অনাগ্রহী আত্মাগুলোতে আগ্রহ সঞ্চার হোক।মৃতপ্রায় আত্মাগুলোতে ছড়িয়ে পড়ুক প্রাণশক্তি। ভালো কিছুর প্রত্যাশায় ইন শা আল্লাহ... প্রয়োজনেঃ @PraachirBOT

显示更多

📈 Telegram 频道 Praachir - প্রাচীর 的分析概览

频道 Praachir - প্রাচীর (@praachir) 孟加拉语 语言赛道中的 是活跃参与者。目前社区聚集了 13 432 名订阅者,在 宗教与灵性 类别中位列第 6 427,并在 孟加拉国 地区排名第 1 731 位。

📊 受众指标与增长动态

自 невідомо 创建以来,项目保持高速增长,吸引了 13 432 名订阅者。

根据 03 十月, 2026 的最新数据,频道保持稳定运转。过去 30 天订阅人数变化为 12,过去 24 小时变化为 -2,整体触达仍然可观。

  • 认证状态: 未认证
  • 互动率 (ER): 平均受众互动率为 10.16%。内容发布后 24 小时内通常能获得 4.03% 的反应,占订阅者总量。
  • 帖子覆盖: 每篇帖子平均可获得 1 365 次浏览,首日通常累积 541 次浏览。
  • 互动与反馈: 受众积极参与,单帖平均反应数为 24。

📝 描述与内容策略

作者将该频道定位为表达主观观点的平台:
“আমরা চাই আমাদের চ্যানেলের মাধ্যমে অন্ধকারাচ্ছন্ন আত্মাগুলো আলোকে ফিরে আসুক।ইবাদতে অনাগ্রহী আত্মাগুলোতে আগ্রহ সঞ্চার হোক।মৃতপ্রায় আত্মাগুলোতে ছড়িয়ে পড়ুক প্রাণশক্তি। ভালো কিছুর প্রত্যাশায় ইন শা আল্লাহ... প্রয়োজনেঃ @PraachirBOT”

凭借高频更新(最新数据采集于 04 十月, 2026),频道始终保持新鲜度与高覆盖。分析显示受众积极互动,使其成为 宗教与灵性 类别中的关键影响点。

13 432
订阅者
-224 小时
-67 天
+1230 天
帖子存档
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: “কোনো মুসলিম আল্লাহর কাছে এমন কোনো দোয়া করলে, যাতে কোনো গুনাহ বা আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করার কথা নেই, আল্লাহ অবশ্যই তাকে তিনটির যেকোনো একটি দান করেন— ১. হয় তার দোয়া দুনিয়াতেই দ্রুত কবুল করেন, ২. অথবা তা তার আখিরাতের জন্য জমা রাখেন, ৩. অথবা তার অনুরূপ কোনো বিপদ তার কাছ থেকে দূরে সরিয়ে দেন।” সাহাবিগণ বললেন, “তাহলে আমরা বেশি বেশি দোয়া করব।” রাসুলুল্লাহ ﷺ বললেন, “আল্লাহ আরও বেশি দানকারী।” 📖 সূত্র: মুসনাদ আহমদ, হাদিস: ১১১৩৩ আল-আদাবুল মুফরাদ, হাদিস: ৭১০

ইসলামী বইমেলার সবচেয়ে বড় দুর্বলতা প্যান্ট শার্ট পরা তরুণদের অনুপস্থিতি... এটানিয়ে কাজ করা দরকার....
+1
ইসলামী বইমেলার সবচেয়ে বড় দুর্বলতা প্যান্ট শার্ট পরা তরুণদের অনুপস্থিতি... এটানিয়ে কাজ করা দরকার....

আর তোমরা নিজ গৃহে অবস্থান করবে এবং প্রাক-জ|হেলী যুগের মত সৌন্দর্য প্রদর্শন করো না। আর তোমরা সালাত কায়েম কর, যাকাত প্রদান কর এবং আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য কর। হে নবী পরিবার, আল্লাহ তো কেবল চান তোমাদের থেকে অপবিত্রতাকে দূরীভূত করতে এবং তোমাদেরকে সম্পূর্ণরূপে পবিত্র করতে। [৩৩:৩৩] আল আহ্‌যাব

হ্যাঁ। এটাই
হ্যাঁ। এটাই

সেনাবাহিনীর অভিযানে পার্বত্য চট্টগ্রামে ইউপিডিএফ বিচ্ছিন্নতাবাদী স-ন্ত্রা-সী সংগঠনের বেশ কিছু সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছিলো। ইন্
+1
সেনাবাহিনীর অভিযানে পার্বত্য চট্টগ্রামে ইউপিডিএফ বিচ্ছিন্নতাবাদী স-ন্ত্রা-সী সংগঠনের বেশ কিছু সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছিলো। ইন্টারেস্টিংলি সেখানে কার্ল মাক্স আর মাও সেতুং এর বই পাওয়া গিয়েছিলো। বামপন্থী লেখক আলতাফ পারভেজের বইও দেখা যাচ্ছে টেবিলে। তারপরও বাম-পন্থাকে উগ্রবাদ, স-ন্ত্রা-সবাদ, জ/ঙ্গিবাদ বলা হয় না। তাদের বই বিক্রি করা নিয়ে কেউ প্রশ্ন তুলে না।

রাজধানীর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের পূর্ব ও দক্ষিণ চত্বরে চলছে মাসব্যাপী বিশাল আয়োজন। ১৪৪টা স্টল। দেশি-বিদেশি মিলিয়ে ১৯৩টা প্রতিষ্ঠান। মিসর, লেবানন, পাকিস্তান ও ভারত থেকে এসেছে সাতটা আন্তর্জাতিক প্রকাশনা সংস্থা। কোরআনের অনুবাদ-তাফসির থেকে হাদিস, সিরাত, ইতিহাস, গবেষণা, শিশু-কিশোরদের বই, সবকিছুর সমাহার। তবু রাস্তায় হাঁটা দশজন মানুষকে জিজ্ঞেস করে দেখুন, কয়জন জানেন এই আয়োজনের কথা? ১২ সেপ্টেম্বর, ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে ধর্মমন্ত্রীর হাত ধরে উদ্বোধন হয় এই আন্তর্জাতিক ইসলামি বইমেলার। ঘোষণা হয়, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রকাশনা বিভাগের আয়োজনে মেলা চলবে ১০ অক্টোবর পর্যন্ত। মেলা প্রাঙ্গণে আছে নারীদের জন্য আলাদা বসার ব্যবস্থা, শিশুদের জন্য শিশু চত্বর, লেখক কর্নার, ও গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য মিডিয়া কর্নার। আছে শাপলা চত্বরের ঐতিহাসিক ঘটনা স্মরণে বিশেষ "শাপলা কর্নার", আছে মহানবী (সা.)-এর জীবনী নিয়ে সিরাত প্রদর্শনী। আছে একটা লিটলম্যাগ কর্নারও, যেখানে জায়গা পেয়েছে অর্ধশতাধিক লিটলম্যাগ, তরুণদের নিজস্ব উদ্যোগে গড়ে ওঠা। মেলা শুরুর আগে এই কর্নার নিয়ে অনিশ্চয়তা ও বিতর্ক থাকলেও শেষ পর্যন্ত এটা জায়গা পেয়েছে মেলায়। সাথে আছে একটা "জুলাই কর্নার"ও। বইয়ে ছাড়ও কম না, দশ থেকে ষাট শতাংশ পর্যন্ত। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের নিজস্ব বইয়ে বিশেষ ছাড় পঁয়ত্রিশ থেকে চল্লিশ শতাংশ। অথচ মেলা শুরুর এক সপ্তাহ পার হতেই সামনে এলো একটা অস্বস্তিকর খবর। বিক্রেতারা নিজেরাই স্বীকার করছেন, বইয়ের এত বৈচিত্র্য থাকার পরও প্রত্যাশিত ক্রেতা নেই। যারাও আছে, এর পুরোটাই মাদরাসা সংশ্লিষ্ট। একটা আন্তর্জাতিক পর্যায়ের আয়োজন, সাতটা দেশের প্রকাশনা সংস্থা, ১৯৩টা প্রতিষ্ঠান, এরপরও এমন কি হওয়ার কথা ছিল? একটা মাসব্যাপী জাতীয় পর্যায়ের সাংস্কৃতিক আয়োজন, যেখানে বিদেশি প্রকাশনা সংস্থা পর্যন্ত অংশ নিচ্ছে, তার খবর কেন পৌঁছাচ্ছে না সাধারণ মানুষের কাছে? দায়টা ছড়িয়ে আছে কয়েক জায়গায়। মূলধারার গণমাধ্যমে এই মেলা নিয়ে আলোচনা প্রায় নেই বললেই চলে। উদ্বোধনের দিনের একটা প্রতিবেদন ছাড়া, মাসজুড়ে চলা এই আয়োজন নিয়ে ধারাবাহিক কোনো কভারেজ চোখে পড়ে না। সামাজিক মাধ্যম বা ভিডিও কনটেন্টেও এই মেলা নিয়ে তেমন কোনো সাড়াশব্দ নেই, লেখকরা কিছু কথা বলছেন, নিজস্ব বলয়ের মধ্যেই। অথচ এখনকার দিনে যেকোনো আয়োজন মানুষের কাছে পৌঁছানোর প্রধান পথ এটাই। একটা তুলনাও এসে যায় অবধারিতভাবে। বাংলা একাডেমি প্রতিবছর সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় আয়োজন করে একুশে বইমেলা, যা নিয়ে মাসজুড়ে চলে ব্যাপক প্রচার, সরাসরি সম্প্রচার, সংবাদ সম্মেলন। অথচ এই বইমেলাও সরকারেরই আরেকটা প্রতিষ্ঠান, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের আয়োজন। তাহলে প্রশ্ন ওঠে, রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় হওয়া দুটো আয়োজনের একটাকে কেন এত বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়, আরেকটাকে প্রায় নীরবে সেরে ফেলা হয়? সরকারের দ্বিচারিতা নাকি সরকার থেকে আদায় করে নেয়ার অক্ষমতা? একুশে বইমেলার প্রচারের পেছনে একটা বড় কারণ, নিবন্ধিত মাল্টিমিডিয়া আর অনলাইন পোর্টালগুলোতে সরাসরি বিজ্ঞাপনী বিনিয়োগ। প্রকাশক ও আয়োজকরা মিলে পরিকল্পিতভাবে টাকা ঢালেন, যার বিনিময়ে নিয়মিত কভারেজ ও রিচ নিশ্চিত হয়। বায়তুল মোকাররমের এই ইসলামি বইমেলায় এই ধরনের সংগঠিত, পেশাদার মিডিয়া-কৌশলের কোনো ছাপ চোখে পড়ে না, যা প্রচারের এই ঘাটতির একটা বড় কারিগরি কারণ হতে পারে। সেইসাথে এমন প্রশ্নও ওঠা স্বাভাবিক, মেলা কর্তৃপক্ষ নিজেরাই হয়তো চান না বাইরের বৃহত্তর জনগোষ্ঠী এই আয়োজন নিয়ে জানুক, নিজেদের পরিচিত গণ্ডির বাইরে এটা ছড়িয়ে পড়ুক। এটা নিশ্চিত করে বলার মতো কোনো প্রমাণ নেই, তবে প্রচারের এই ঘাটতি দেখে প্রশ্নটা এড়ানোও কঠিন। উত্তর যা-ই হোক, ফলাফলটা আমাদের চোখের সামনে জ্বলজ্বল করছে। একটা সমৃদ্ধ আয়োজন, অথচ দেশের অধিকাংশ মানুষের কাছেই এটা অজানা এক ঘটনা, যেখানে আরেকটু প্রচারই হয়তো বদলে দিতে পারত পুরো চিত্রটা।

রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন "তোমার যদি লজ্জা না থাকে, তাহলে যাচ্ছে তাই করতে পারো"। ওয়েস্টার্ন সোসাইটিতে লজ্জা সেই ৭০ (যৌন বিপ্লব) দশক থেকে কমতে কমতে এখন একেবারে তলানীর কোঠায়। এখন কিছু ইনফরমেশন উল্লেখ করবো - যেগুলো নিয়ে সার্চ করবেন না, জাস্ট জানার জন্য যে - এগুলোর গন্তব্য কোথায় এবং আমাদের মতো দেশগুলো সেই উচ্ছিষ্ট জিনিস ইম্পোর্ট করে জাতে উঠতে চায়। লন্ডনে ঘটা করে মেট্রোরেলে (ওরা বলে টিউব) অনেক লোকজন পুরুষ এবং মহিলা আন্ডারওয়্যার পরে একদিন জড়ো হয়, টিউবে ট্রাভেল করে। উপরে জ্যাকেট পরে আবার নীচে আন্ডারওয়্যার। সম্প্রতি আমাদের এখানে মেট্রোতে যে ছেলে শর্ট প্যান্ট পরে উঠেছে, সেরকম না, লিট্রেলি আন্ডারওয়্যার বলতে যা বুঝেন আরকি। প্রশ্ন আসতে পারে কেন ? হয়তো কোনো ঘটনার উদ্ধৃতি আসবে, কিন্তু দ্যাটস নট ইম্পর্ট্যান্ট। বিকৃতমনা এসব মানুষের সমাজে অশ্লীলতা নরমালাইজ করাই হচ্ছে আল্টিমেট উদ্দেশ্য, এরা সুযোগ খুঁজতে থাকে কখন এগুলো উস্কে দেয়া যায়। এছাড়াও পশ্চিমা কয়েকটা দেশে বছরে কোন এক সময়ে হঠাৎ হয় ন্যুড র‍্যালি। পুরাপুরি নগ্ন অবস্থায় পাবলিকলি র‍্যালি করে যায় কয়েকশ মানুষ। এগুলো হচ্ছে অশ্লীলতার টিপ অফ দি আইসবার্গ। আলিয়স ফঁসেস এ ফ্রেঞ্চ শিখতে গিয়েছিলাম, সেকেন্ড সেমিস্টারে যে নাস্তিক টিচারের জন্য কোর্স ড্রপ করে চলে এসেছিলাম সে ব্যাটা বলছে প্যারিসে সে এমন তারছিড়া অশ্লীলতা দেখেছে - যা সে নিতে পারেনি। চিন্তা করেন একজন নাস্তিক, প্রগতিশীল একথা বলছে, তাহলে আমাদের লেন্সে কী হবে। এদেশেও একটা গুড মেজরিটি বিকৃতমনা আছে তারা চায় এসব অশ্লীলতার ওপেন লাইসেন্স থাকুক, তাহলেই তারা "উন্নত" মনে করবে দেশকে। এদের যুক্তি হচ্ছে "Harm Principle" - এ দর্শন অনুযায়ী, একজন মানুষ তার নিজের ইচ্ছা অনুযায়ী যেকোনো কাজ করতে সম্পূর্ণ স্বাধীন, যতক্ষণ না তার সেই কাজের দ্বারা অন্য কোনো ব্যক্তির প্রত্যক্ষ ক্ষতি হচ্ছে। তাদের এই হার্ম প্রিন্সিপাল অনুসারেও তারা এসব পাবলিকলি নগ্ন জিনিস প্রমোট করতে পারে না, কারণ এতে আমাদের পরিবার এর সদস্যদের ক্ষতি হচ্ছে, এসব বিকৃত জিনিস দেখে অবশ্যই মানসিক ক্ষতি হচ্ছে, মোরাল ডিগ্রেডেশন হচ্ছে। -- অনেকে দেখছি পুলিশের বাঁধা দেয়াকে সঠিক হয়নি বলে ব্যাখ্যা করছেন। এদেশের পুলিশ অন্য কাজে আল্টিমেট বদমাইশ হলেও এই নাহি আনিল মুনকার (অসৎ কাজে বাধা) প্র্যাক্টিস করা সঠিক ছিল। আপনারা কি চান সমাজে অশ্লীলতা প্রচার পাক ? আল্লাহ সুরা আন-নুরে কঠিন হুঁশিয়ারি দিয়েছেনঃ "নিশ্চয় যারা এটা পছন্দ করে যে, মুমিনদের মধ্যে অশ্লীলতা ছড়িয়ে পড়ুক, তাদের জন্য দুনিয়া ও আখেরাতে রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক আযাব। আর আল্লাহ জানেন এবং তোমরা জান না।" (আয়াত ১৯) ~ ভাই M. Mahbubur Rahman

একটি দেশ; তার সরকার, প্রশাসন, আইন বিভাগ কত বীভৎস হতে পারে তার উজ্জ্বল উদাহরণ প্রতিবেশী এই দেশটি। সংখ্যালঘু মুসলিমদের কষ্ট দেও
একটি দেশ; তার সরকার, প্রশাসন, আইন বিভাগ কত বীভৎস হতে পারে তার উজ্জ্বল উদাহরণ প্রতিবেশী এই দেশটি। সংখ্যালঘু মুসলিমদের কষ্ট দেওয়ার জন্য প্রায় নিত্যদিন বিভিন্ন ছুঁতায় তাদের বাড়িঘর তো বু/লডো/জার দিয়ে ভা*ঙ*ছেই, সপ্তাহে দু'একদিন তাদের প্রাচীন কোনো এবাদতগাহ মসজিদ ভে/ঙ্গে ফেলছে! সংখ্যাগুরুর ধর্ম ভিন্ন হলেও এরা তো শত শত বছরের পুরনো এই মসজিদগুলোকে সম্মান, শ্রদ্ধা দিয়ে ঐতিহ্য হিসেবেও সুরক্ষা করতে পারতো। কিন্তু না, শুভবুদ্ধির কোনো সুস্থ আঙিনা কিংবা স্বাস্থ্যকর উদ্যান সেখানে নাই। ধ্বং/সেই তাদের আনন্দ।

একটি দেশ; তার সরকার, প্রশাসন, আইন বিভাগ কত বীভৎস হতে পারে তার উজ্জ্বল উদাহরণ প্রতিবেশী এই দেশটি। সংখ্যালঘু মুসলিমদের কষ্ট দেও
একটি দেশ; তার সরকার, প্রশাসন, আইন বিভাগ কত বীভৎস হতে পারে তার উজ্জ্বল উদাহরণ প্রতিবেশী এই দেশটি। সংখ্যালঘু মুসলিমদের কষ্ট দেওয়ার জন্য প্রায় নিত্যদিন বিভিন্ন ছুঁতায় তাদের বাড়িঘর তো বু/লডো/জার দিয়ে ভা*ঙ*ছেই, সপ্তাহে দু'একদিন তাদের প্রাচীন কোনো এবাদতগাহ মসজিদ ভে/ঙ্গে ফেলছে! সংখ্যাগুরুর ধর্ম ভিন্ন হলেও এরা তো শত শত বছরের পুরনো এই মসজিদগুলোকে সম্মান, শ্রদ্ধা দিয়ে ঐতিহ্য হিসেবেও সুরক্ষা করতে পারতো। কিন্তু না, শুভবুদ্ধির কোনো সুস্থ আঙিনা কিংবা স্বাস্থ্যকর উদ্যান সেখানে নাই। ধ্বং/সেই তাদের আনন্দ।

গতকাল শনিবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে বেলা দুইটা-আড়াইটার দিকে ইসলামিক ফাউণ্ডেশন আয়োজিত বাইতুল মুকাররম পূর্ব গেইটে ইসলামি বইমেলায় যাই। বই মেলায় গিয়ে এক ভয়ংকর তিক্ত অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হলাম। আমি নরমালী ঘুরেফিরে বিভিন্ন পাবলিকেশনে পছন্দের বইপত্র দেখছিলাম। তো হঠাৎ করে আমার কাছেই একটা পাবলিকেশনের সামনে চার জন লোক এবং বিক্রেতার মধ্যে বাক-বিতন্ডা দেখে কৌতূহল থেকে এগিয়ে যাই কী ঘটছে তা দেখার জন্য। গিয়ে দেখি তাদের মাঝে তর্কবিতর্ক হচ্ছে। তাদের কথাবার্তার ধরনে বোঝা যাচ্ছিল তারা চারজন প্রশাসনের লোক (পকেটে ওয়াকিটকি), সবাই একই মাস্ক পরা ছিল । এরপর তারা অন্য একটা পাবলিকেশনে যায়। এর কিছুক্ষন পর আমিও বই দেখতে দেখতে সেই পাবলিকেশনের ওখানে যাই। দ্বিতীয় পাবলিকেশনটার স্টলে পাঠকদের জন্য একটা বসার ব্যবস্থা আছে। গিয়ে ওনাদের বসার জায়গাতে একটু বসি রেস্ট নেওয়ার জন্য। আমি অসুস্থ মানুষ, পায়ের হাটুতে ফ্র‍্যাকচার আছে, হাটতে কষ্ট হচ্ছিল। লোকগুলো ওখানে আমাকে দেখেই বলে আপনি আবার এখানে কেন? আমি বললাম এখান থেকেও আমি কিনে থাকি, বই নিতেই আসছি। এই পাবলিকেশনেও তারা কিছু বই নিয়ে তর্কবিতর্ক করছিলো, এদিকে আমি বসে মোবাইলে কিছু প্রয়োজনীয় কাজ করছিলাম। আকষ্মিকভাবে তাদের একজন কিছুটা তেড়ে এসে বলল, আপনার মোবাইল এক্ষুনি পকেটে রাখেন। আমি বললাম আমি কিছু জরুরি কাজ করছি। এবার তাদের আরেকজন বলল বেশি কথা বললে কিন্তু এক্কেবারে ধরে নিয়ে যাব। আরেকজন বলল, এই আপনি কী করেন কোথায় থাকেন? আমি বললাম ব্যবসা করি এবং সাভার এলাকায় থাকি। এরপর তারা আমার ভিজিটিং কার্ড নিলো। এরপর বলল, আপনার মোবাইল দেন। আমি বললাম, মোবাইল কেন দেবো? বলল, একদম কথা বাড়াবেন না, ভালোয় ভালো মোবাইল দেন, মোবাইল চেক করব। একরকম তুলে নিয়ে গুম করে ফেলার আতঙ্ক তখন আমাকে পেয়ে বসেছে। কারণ আওয়ামী আমলে গুমের যে ঘটনাগুলো পড়েছি সেগুলো তো এমনই ছিলো। একরকম বাধ্য করে, ভয় আতংক দেখিয়ে আমার মোবাইল নিয়ে নিলো। সময় নিয়ে আমার ফোনের গ্যালারি ঘাটাঘাটি করল, যেখানে আমার অনেক ব্যক্তিগত ও পরিবারের নারী সদস্যদের ছবিও রয়েছে। এর পর তারা মোবাইল দিয়ে চলে গেল এবং আমিও ভয়ে ভয়ে কোনোরকম মেলা থেকে চলে আসলাম। আমি প্রশাসনের এই ব্যবহারে ভয়ংকর রকম ট্রমাটাইজড, আতংকিত ও ভীতসন্ত্রস্ত । আওয়ামী আমলে ইসলামপন্থীদেরকে এভাবে হয়রানি করা হত। আমরা প্রকাশকেরা এই ভদ্রলোকের অভিযোগের বিষয়টি স্বতন্ত্রভাবে তদন্ত করে দেখেছি এবং এর সত্যতা পেয়েছি। আমাদের প্রকাশকদের বক্তব্য হলো, জুলাই পরবর্তী স্বাধীন বাংলাদেশে একটা সরকারি প্রতিষ্ঠানের তত্তাবধানে আয়োজিত বইমেলায় আগত পাঠকদের সাথে এমন ভয়ংকর ফ্যাসিবাদী আচরণ করার অনুমোদন ও সাহস কি গোয়েন্দা সংস্থাকে সরকার দিয়েছে? নাকি গোয়েন্দা সংস্থার মধ্যে ঘাপটি মেরে থাকা আওয়ামিপন্থী অফিসাররা সরকারের সাথে ইসলামপন্থীদের সংঘাত সৃষ্টির জন্য উদ্দেশ্য এমন আচরণ করছে? অবশ্যই সরকারকে এর সুস্পষ্ট জবাব দিতে হবে এবং যারা এধরণের ন্যাক্কারজনক কাজ করেছে তাদেরকে খুঁজে বের করে জবাবদিহিতার আওতায় আনতে হবে।

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: “দুটি আমল আছে—যার আমলকারীর সংখ্যা কম হবে; তবে যারা এতে অধ্যবসায় করবে, তারা অবশ্যই জান্নাতে যাবে।” (আবু দাউদ: ৫০৬৫, নাসাঈ: ১৩৪৮)। ঐ দুটি আমল কী? ১️. প্রতিটি ফরজ নামাজের পর যে ব্যক্তি এই তিনটি যিকর পাঠ করে 👇 ১০ বার: سُبْحَانَ اللهِ (সুবহানাল্লাহ — আল্লাহ পবিত্র) ১০ বার: الْحَمْدُ لِلّٰهِ (আলহামদুলিল্লাহ — সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য) ১০ বার: اَللّٰهُ أَكْبَرُ (আল্লাহু আকবার — আল্লাহ মহান) মোট ৩০ বার যিকর প্রতিটি সালাতের পরে। ২️. ঘুমানোর পূর্বে যে ব্যক্তি ঘুমানোর আগে এই তিনটি যিকর পাঠ করে 👇 ৩৩ বার: سُبْحَانَ اللهِ (সুবহানাল্লাহ) ৩৩ বার: الْحَمْدُ لِلّٰهِ (আলহামদুলিল্লাহ) ৩৪ বার: اَللّٰهُ أَكْبَرُ (আল্লাহু আকবার) এটি মোট ১০০ যিকর হয়, যা খুবই সহজ কিন্তু বিশাল ফজিলতপূর্ণ। শিক্ষা: এই দুই আমল খুবই সহজ ও স্বল্প সময়ের, কিন্তু ফজিলতে বিশাল। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, যারা নিয়মিত করবে, তারা জান্নাতে প্রবেশ করবে। অনেকেই এই ছোট আমলগুলোকে গুরুত্ব দেয় না, তাই ‘আমলকারীর সংখ্যা কম’ বলা হয়েছে। নামাজের পর ও ঘুমানোর আগে এই যিকর করলে— >> হৃদয়ে শান্তি আসে, >> গুনাহ মাফ হয়, >> নেকি বৃদ্ধি পায়, এবং আল্লাহর স্মরণে মন প্রশান্ত থাকে। যারা প্রতিদিন ফরজ নামাজের পর ও ঘুমানোর আগে এই সহজ যিকরগুলো পড়বে, তারা প্রকৃত অর্থে “ভাগ্যবান” — কারণ আল্লাহর রাসূল ﷺ নিজেই তাদের জান্নাতের সুসংবাদ দিয়েছেন। মহান আল্লাহ আমাদেরকে এই ছোট্ট কিন্তু অতীব গুরুত্বপূর্ণ আমলটি করার তাওফিক দান করে আমাদেরকে জান্নাত নসীব করুন। আমিন। ____ - আবু দাউদ, হাদীস: ৫০৬৫ - নাসাঈ, হাদীস: ১৩৪৮ - সহীহুল জামে (হাদীস নং ৬৩৬৮)

ইয়েমেনের তাইজ শহরে সৌদি বাহিনীর একাধিক হামলার খবর পাওয়া গেছে। এতে ৭ জন নিহত এবং ৪০ জনেরও বেশি মানুষ আহত হয়েছেন।

যখন তুমি দেখবে, নামাজের মধ্যে তোমার অন্তর উপস্থিত থাকছে না, তখন বুঝে নেবে, এটা ইমানের দূর্বলতার কারণ। কঠোর পরিশ্রম করো নিজের
যখন তুমি দেখবে, নামাজের মধ্যে তোমার অন্তর উপস্থিত থাকছে না, তখন বুঝে নেবে, এটা ইমানের দূর্বলতার কারণ। কঠোর পরিশ্রম করো নিজের ঈমানকে মজবুত করার জন্য। - ইমাম ইবনু কুদামাহ আল মাকদিসি (রহ.) @TasawwufOfficial

আপনার রিযক আসে আকাশ থেকে। এই রিযক আপনার জন্য বরাদ্দ। আর কেউ, আর কোনো শক্তি এই রিযক নিতে পারবে না। যেটা আপনার সেটা আপনারই থাকব
আপনার রিযক আসে আকাশ থেকে। এই রিযক আপনার জন্য বরাদ্দ। আর কেউ, আর কোনো শক্তি এই রিযক নিতে পারবে না। যেটা আপনার সেটা আপনারই থাকবে। তাই এত দুশ্চিন্তা করার কিছু নেই। আপনার জন্য বরাদ্দ রিযক আপনার কাছে আসবেই। . . বই: তাওহিদের মূলনীতি . #তাওহিদ #রিযক

(পর্বঃ ০৮) কিভাবে নামাজের মধুরতা আস্বাদন করা যায়? ভালোবাসা আল্লাহর প্রতি ভালোবাসা যত বেশী হবে, নামাজে খুশুও তত বাড়তে থাকবে। যখন অনেক পছন্দের মানুষের সাথে দেখা হয় তখনকার অনুভূতি আর সাধারণ মানুষের সাথে দেখা হওয়ার অনুভূতির বিস্তর ফারাক আছে। আগের লেখাতে আমরা উল্লেখ করেছি যে, কারো প্রতি ভালোবাসা মূলত তার সৌন্দর্য, গুনাবলী এবং তার করা সাহায্য থেকে সৃষ্টি হয়; এবং আল্লাহতায়ালা এই তিনটি ক্ষেত্রেই সর্বোচ্চ মর্যাদায় অধিষ্ঠিত। আমরা তার সৌন্দর্যের কথা তো আগেই বলেছি; কিন্তু তাঁর গুনাবলী কি কি? কিংবা তিনি আমাদের জন্যে কিই বা করেছেন? আমরা জানি একটা মানুষের চরিত্র বা তাঁর দোষ-গুন আমাদের সামনে আসে যখন আমরা তাদের সাথে চলাফেরা করি, তাদের সাথে মিশি। তাহলে আমরা আল-হালীম(সবচেয়ে বড় ধৈর্যধারণকারী), আর-রহীম(পরম করুনাময়) আল-কারীম(যিনি উদারতায় সর্বশ্রেষ্ঠ) আল-ওয়াদুদ(যিনি সবার চেয়ে বেশি ভালোবাসেন) সম্পর্কে কি জানি আর কি বলতে পারি? আল্লাহর সাথে সম্পর্ক: ইবনে আল-কায়য়িম বলেন আমরা তাঁর করুনা সম্পর্কে একটা ধারণা করতে পারি যখন তিঁনি তার বান্দাদের সাথে অতি মধুর সুরে কথা বলেন। যখন তিনি সীমালংঘনকারীদের উদ্দেশ্যে কথা বলেন তখন তিঁনি বলেন না যে “ওহে পাপিষ্ঠ!” বরং তিঁনি বলেন:
“হে আমার বান্দাগণ যারা নিজেদের উপর যুলুম করেছ তোমরা আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না। নিশ্চয় আল্লাহ সমস্ত গোনাহ মাফ করেন। তিনি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।”
[আল-জুমার ৩৯:৫৩] খেয়াল করুন কিভাবে মহান আল্লাহতায়ালা কিভাবে আমাদের সাথে কথা বলছেন| তিঁনি আমাদের চোখ দিয়েছেন, নাক দিয়েছেন, কান দিয়েছেন, মুখ সহ অন্য সকল অঙ্গপ্রত্যঙ্গ দিয়েছেন; তারপর আমরা সেগুলো দিয়েই তাঁর আদেশ অমান্য করে চলেছি, তারপরও তিনি আমাদের শাস্তি দিচ্ছেন না; বরং তিনি ধৈর্যধারণ করে আমাদের তাঁর দিকে ফিরে আসার সুযোগ দিয়ে চলেছেন| আবার যখন আমরা তাঁর কাছে হাত তুলে তাওবা করি, ক্ষমা প্রার্থনা করি তিঁনি আমাদের সকল পাপ এমনভাবে মুছে দেন যেনো তা হয়তো কখনো করাই হয়নি। একবার ভেবে দেখুন কিভাবে আল্লাহতায়ালা আমাদের কতবার কত বড় বড় বিপদ থেকে বাঁচিয়ে দিয়েছেন। এমন কতো সময় গেছে যে আপনি ভেবেছেন কত বড় সর্বনাশই না হয়ে গেলো, আল্লাহর কাছে কতইনা অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন অথচ পরে সবকিছুর পরিনাম দেখে বলেছেন “হায় আল্লাহ, সকল প্রশংসা তোমারই, তুমি যা করেছিলে তা ভালোর জন্যই করেছিলে।” কল্পনা করুনতো যে কেউ আপনাকে একটা উপহার দিলো, আপনার তা পছন্দ হলনা এবং আপনার আচরণেই তা তাকে বুঝিয়ে দিলেন যে আপনার এই ফালতু উপহার মোটেও পছন্দ হয়নি। আর পরে যখন তা আপনার উপকারে আসলো আপনি তার কাছে গেলেন আর হাত ধরে বললেন, “অনেক অনেক ধন্যবাদ, তোমার উপহারের জন্য আজ বেঁচে গেলাম।” ইবনে আল-কায়য়িম বলেন, “আল্লাহ তাঁর বান্দাদের সম্পর্কে অনেক সাবধানী, কিন্তু তাঁর বান্দা তাঁর সামনে একটুকুও লজ্জ্বা বোধ করেন না|” আল্লাহ হাজার হাজার নবী রাসূল পাঠিয়েছেন যাতে আমরা সরলপথে তাঁর দিকে চলতে পারি, তিঁনি নিজে প্রতি রাতের শেষ এক-তৃতীয়াংশে সর্বনিম্ন আসমানে নেমে এসে জিগ্যেস করেন কেউ কি আছে যে আমার কাছে কিছু চায়? কেউ আছে যে তাওবা করবে? আর তিঁনি তাকে মাফ করে দিবেন। আর এসব কিছুই তিনি করেন শুধু আমাদের জন্য, আমরা না থাকলেও তাঁর কিছু যায় আসে না। আমাদেরই তাঁর কাছে সকল চাহিদা, সকল প্রার্থনা, অথচ তারপরও আমরা তাঁর সকল অনুগ্রহকে উপেক্ষা করতে লজ্জাবোধ করিনা। আল্লাহতায়ালাকে জানা এবং চেনা: ইবনে আল-কায়য়িম বলেন যে, তুমি যদি আল্লাহতায়ালকে জানো, তাকে তুমি ভালোবাসে ফেলবেই। যিনি আপনার দূ’আ কবুল করেন, যিনি আপনাকে প্রতিটা কাজের জন্যে পুরস্কৃত করেন, যিনি ক্ষমা করে দেন, যিনি আমাদের দোষ-ত্রুটি গোপন করে রাখেন, যিনি আমাদেরকে আমাদের মায়ের চাইতেও অধিক ভালোবাবাসেন তাকে কি ভালো না বেসে পারা যায়? ইউটিউব একটি ভিডিও ক্লিপ ( https://t.me/PraachirLink/145 ) আছে দেখে আসতে পারেন। এটা কোন মুভির দৃশ্য নয়, বরং সত্যি ঘটনা। দুজন ব্রিটিশ ব্যক্তি একটা সিংহ শাবককে ছোট থেকে বড় করেন, বড় হয়ে যাবার পর তারা সিংহটিকে লোকালয়ে রাখতে না পেরে তাকে আফ্রিকার বনে রেখে আসে। এক বছর কেটে যাবার পর সিংহটাকে তাদের খুব দেখতে ইচ্ছা হলে তারা আবার সেখানে ফিরে যায়; তাদের কে বলা হয়েছিল যে এতদিন বন্য পরিবেশে থেকে সিংহটা খুব হিংস্র হয়ে গেছে; কিন্তু সুবহান-আল্লাহ(সকল গৌরব, অহংকার ও মহিমা আল্লাহর) অনেক খোঁজাখুজির পেয়ে যখন তারা সিংহটির কাছে গেলো; তখন সে তাদের সাথে কি আচরণ করলো তা না দেখলে বর্ণনা করে বোঝানো সম্ভব না; এমনকি সিংহটি তার সিংহীকেও তাদের সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়। চলবে ইনশাআল্লাহ পর্ব৭ঃ https://t.me/Praachir/12059

কুরআনে দুইটি বইয়ের কথা বার বার সম্পর্কযুক্ত করা হয়েছে। প্রথম বইটি হলো আল কুরআন, যা জিব্রাইল আলাইহিস সালামের মাধ্যমে আল্লাহ তায়ালা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের উপর অবতীর্ণ করেন। এছাড়া আছে আরেকটি বই। আমাদের জীবন এগিয়ে চলার সাথে সাথে আমাদের প্রত্যেকের জন্য একটি বই লিখা হচ্ছে। আমার আপনার জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত, প্রতিটি উচ্চারিত শব্দ, প্রতিটি লেনদেন, প্রতিটি কর্ম সেই বইয়ে লিপিবদ্ধ করা হচ্ছে। ছোট বড় কোনো কিছুই সেই বইয়ে লিপিবদ্ধ হওয়া থেকে বাদ পড়ছে না। সে বইটি হলো আমাদের আমলনামা। আর শেষ বিচারের দিন বইটা আমাদেরকে দেওয়া হবে। সেদিন মূল পয়েন্ট হবে--তোমার বইটি আমার দেওয়া বইয়ের সাথে কতটুকু সঙ্গতিপূর্ণ? কুরআন অনুযায়ী জীবন পরিচালনা করেছ কি? আমি চাই, আপনারা এটাকে এভাবে চিন্তা করুন। টেক্সট বুক এবং ওয়ার্ক বুক। যারা শিক্ষকতায় পেশায় আছেন আপনারা এর সাথে পরিচিত। যদি আপনি টেক্স বুকটা ভালোভাবে পড়েন তবেই কেবল ওয়ার্ক বুকে ভালো করতে পারবেন। টেক্সট বুক হলো কুরআন। আর ওয়ার্ক বুক আমাদের দুই কাঁধে। কিরামান কাতেবীন সম্মানজনক ফেরেশতারা আমাদের ওয়ার্ক বইটি প্রতিনিয়ত লিখে চলছেন। এই দুইটি বই আসলে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ওহীর বই এবং আমাদের কর্মের বই, এই দুই বইয়ের ধারণা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, কুরআনের বহু স্থানে আল্লাহ ওহীর বই দিয়ে আলোচনা শুরু করেন আর শেষ করেন আমাদের কর্মের বই দিয়ে অথবা আলোচনা শুরু করেন আমাদের কর্মের বই দিয়ে আর শেষ করেন ওহীর বই দিয়ে। যেমন সূরা ইয়াসিন। ওয়াল কুরআনিল হাকিম। আল্লাহ প্রজ্ঞাময় কুরআন দিয়ে শুরু করেন। আর প্রথম প্যাসেজটি শেষ হয়, ওয়া কুল্লা সাইয়িন আহচইনাহু ফিই ইমামিম মুবিন। "সব কিছুই আমি স্পষ্ট কিতাবে সংরক্ষিত করে রেখেছি।" (৩৬:১২) আমাদের কাজের রেকর্ড। সূরা কাফেও একই চিত্র। শুরুতে এসেছে, কাফ, ওয়াল কুরআনিল মাজিদ। আর কয়েকটি আয়াত পরেই এসেছে, ওয়া ইনদানা কিতাবুন হাফিজ। "আর আমার কাছে আছে এক কিতাব যা সব কিছুর পূর্ণ বিবরণ সংরক্ষণ করে।" (৫০:৪) © নোমান আলী খান

sticker.webp0.15 KB

জীবনে যা ঘটছে, তার সবকিছুর অর্থ আপনি এখনই বুঝতে পারবেন না! মূসা (আলাইহিস সালাম) তাঁর সময়ের সবচেয়ে জ্ঞানী মানুষদের একজন ছিলেন। আল্লাহর সাথে সরাসরি কথা বলতেন, ওহী পেতেন। তবুও যখন জানতে পারলেন, একজন বিশেষ বান্দার কাছে এমন জ্ঞান আছে যা তাঁর জানা নেই, তখন সেই জ্ঞান অর্জনের জন্য দীর্ঘ সফরে বেরিয়ে পড়লেন। তিনি শুধু সেই ব্যক্তির কাছে গিয়ে কিছু শোনার জন্য যাননি। বলেছিলেন, “আমি কি আপনার অনুসরণ করতে পারি?” অর্থাৎ কিছু জ্ঞান বই পড়ে নয়, বাস্তব অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়েও অর্জন করতে হয়। তারপর ঘটতে থাকলো অদ্ভুত তিনটি ঘটনা। যে মানুষগুলো তাঁদের কোনো বিনিময় ছাড়াই নৌকায় তুলে নিয়েছিলো, সেই নৌকাতেই ছিদ্র করে দেওয়া হলো। মূসা (আলাইহিস সালাম) বললেন, “আপনি কি এর আরোহীদের ডুবিয়ে দেওয়ার জন্য নৌকাটি ফুটো করে দিলেন?” এরপর এমন একটি শিশুকে হত্যা করা হলো, যে কোনো অপরাধ করেনি। মূসা (আলাইহিস সালাম) এবারও প্রশ্ন করলেন, “আপনি কি একজন নিষ্পাপ প্রাণকে হত্যা করলেন?” তৃতীয় ঘটনায় এমন একটি জনপদে পৌঁছালেন, যাদের মানুষ তাঁদের খাবার পর্যন্ত দিতে রাজি হয়নি। অথচ সেখানকার একটি ভেঙে পড়া দেয়াল কোনো পারিশ্রমিক ছাড়াই মেরামত করে দেওয়া হলো। তিনটি ঘটনাই মূসার (আলাইহিস সালাম) কাছে অযৌক্তিক মনে হচ্ছিলো। কিন্তু পরে জানা গেলো, নৌকাটি ফুটো করা না হলে একজন জালিম রাজা সেটি কেড়ে নিতো। দরিদ্র মাঝিদের নৌকাটি বাঁচাতেই সেটিতে সামান্য ত্রুটি তৈরি করা হয়েছিলো। যে শিশুটিকে দেখে মূসা (আলাইহিস সালাম) অন্যায় মনে করেছিলেন, তার ভবিষ্যৎ ছিলো তার নেককার বাবা-মায়ের জন্য কষ্ট ও বিপদের কারণ হওয়ার। আল্লাহ তাঁদের এর পরিবর্তে উত্তম সন্তান দেওয়ার ইচ্ছা করেছিলেন। আর সেই ভেঙে পড়া দেয়ালের নিচে ছিলো দুই এতিম শিশুর জন্য তাদের নেককার বাবার রেখে যাওয়া সম্পদ। দেয়ালটি ভেঙে পড়লে সম্পদটি মানুষের হাতে চলে যেতো। তাই দেয়ালটি ঠিক করে দেওয়া হয়েছিলো। আমরা জীবনের ঘটনাগুলোর শুধু দৃশ্যমান অংশটুকুই দেখি। কেউ আমাদের উপকারের প্রতিদান না দিয়ে ক্ষতি করলে মনে হয়, “আমি তো তার কোনো ক্ষতি করিনি!” হঠাৎ চাকরি চলে গেলে মনে হয়, “আমার সাথেই কেন এমন হলো?” প্রিয় কোনো মানুষকে হারালে মনে হয়, “আল্লাহ এটা হতে দিলেন কেন?” কিন্তু আমরা জানি না, সেই ঘটনার আড়ালে কী আছে। মূসা (আলাইহিস সালাম)-এর মতো একজন মহান নবীও কোনো ঘটনার বাহ্যিক দিক দেখে সঙ্গে সঙ্গে তার অন্তর্নিহিত রহস্য বুঝতে পারেননি। তাহলে আমাদের জীবনে এমন কিছু ঘটলে, যার কোনো অর্থ আমরা এখনো বুঝতে পারছি না, সেখানে একটু ধৈর্য ধরার প্রয়োজন নেই? সবকিছু এখনই বুঝতে হবে—এমন নয়। কখনো কখনো আল্লাহ আপনার জীবনে এমন কিছু ঘটতে দেন, যেটাকে আপনি আজ ক্ষতি মনে করছেন; অথচ সময় গেলে বুঝবেন, সেটাই হয়তো আপনাকে আরও বড় কোনো ক্ষতি থেকে বাঁচিয়েছে। আমরা গল্পের মাঝখানে আছি। আল্লাহ পুরো গল্পটা জানেন। (লেখাটি 'The Secret Lesson Of Surah Al-Kahf Most People Miss!' লেকচার অবলম্বনে) © আরিফুল ইসলাম