Abdullah bin bashir
前往频道在 Telegram
📈 Telegram 频道 Abdullah bin bashir 的分析概览
频道 Abdullah bin bashir (@abdullahbinbashir) 孟加拉语 语言赛道中的 是活跃参与者。目前社区聚集了 11 290 名订阅者,在 宗教与灵性 类别中位列第 8 155,并在 孟加拉国 地区排名第 2 033 位。
📊 受众指标与增长动态
自 невідомо 创建以来,项目保持高速增长,吸引了 11 290 名订阅者。
根据 21 六月, 2026 的最新数据,频道保持稳定运转。过去 30 天订阅人数变化为 76,过去 24 小时变化为 -3,整体触达仍然可观。
- 认证状态: 未认证
- 互动率 (ER): 平均受众互动率为 18.18%。内容发布后 24 小时内通常能获得 7.96% 的反应,占订阅者总量。
- 帖子覆盖: 每篇帖子平均可获得 2 052 次浏览,首日通常累积 899 次浏览。
- 互动与反馈: 受众积极参与,单帖平均反应数为 49。
📝 描述与内容策略
作者将该频道定位为表达主观观点的平台:
“প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট”
凭借高频更新(最新数据采集于 22 六月, 2026),频道始终保持新鲜度与高覆盖。分析显示受众积极互动,使其成为 宗教与灵性 类别中的关键影响点。
11 290
订阅者
-324 小时
+387 天
+7630 天
帖子存档
11 292
অনেকে গণতন্ত্রকে ইসলামের জামা পড়ানোর জন্য বলে থাকে, গণতন্ত্র মানিই সেকুলারিজম নয়। তাদের জন্য চিন্তার খোরাক।
.
সেকুলারিজম কী, তা জানতে ইসলাম ও পশ্চিমা সভ্যতা বইয়ের “সেকুলারিজম” অধ্যায়টি পড়া যেতে পারে।
11 292
সরকার ঢাকার সমস্ত ফুটপাত উঠিয়ে দিয়েছে ও দিচ্ছে। এক্ষেত্রে দু ধরনের মন্তব্য দেখা যাচ্ছে:
১। ঢাকাকে জ্যাম মুক্ত করতে ও ঢাকাবাসীর জীবনযাত্রাকে আরো ভালো করার জন্যই এই কাজ। বৃহত্তর স্বার্থের জন্য ক্ষুদ্র কোরবানি।
২। ফুটপাতগুলো সাময়িক উঠিয়ে দিচ্ছে। কিছুদিন পর ফুটপাত আবার বসবে। এবার বসতে হবে বিএনপির নেতাদের বন্দোবস্তে। বিক্ষিপ্তভাবে বিভিন্ন দলকে দেওয়া ফুটপাতের চাদা বিএনপি যেনো একা তুলতে পারে তার জন্যই এই উদ্যোগ।
.
কোন দলের মন্তব্য সঠিক তা সময় হলেই স্পষ্ট হয়ে যাবে।
.
তবে এখানে একটি কথা স্পষ্ট যে, গণতন্ত্রের রাষ্ট্রের অধিকাংশ থেকে অধিকাংশ উন্নয়নমূলক সিদ্ধান্তই গরিব বান্ধব হয় না।
11 292
মডারেট ইসলাম সম্পর্কে ধারণা পেতে ইসলাম ও পশ্চিমা সভ্যতা বইয়ের “মডার্নিজম” অধ্যায়টি পড়া যেতে পারে।
11 292
সিয়াসাতের পাঠচক্রের জন্য আমাদের ধারণা ও সামর্থ্যের বাহিরে বেশি মানুষকে এখনো পর্যন্ত যুক্ত করা হয়ে গেছে। আর কাউকে আপাতত যুক্ত করতে পারছি না, তাই ক্ষমাপ্রার্থী।
.
সকলের কাছে দোয়া চাই, যে উদ্দেশ্যে আমাদের এই উদ্যোগ আল্লাহ যেনো তা কবুল করেন এবং প্রতিজন ভাই যেনো এই উসিলায় এই মজলুম ও সময়ের প্রয়োজনীয় অধ্যায়গুলো সঠিকভাবে পড়তে ও অনুধাবন করতে পারে।
11 292
আপনারা সকলে এত সাড়া দিবেন তা তো ভাবিনি। এখন পর্যন্ত প্রায় ৫০+ মানুষ ফরম পূরণ করেছেন। এর মধ্যে বাদ দেওয়া হয়েছে ইফতা বা অন্যকোনো তাখাসসুস করেনি অথবা শুধু জাইয়েদ যারা আছে তাদের।
সকলের সাথে যোগাযোগ করতে একটু সময় লাগবে। ইনশাআল্লাহ সকলের সাথেই যোগাযোগ করা হবে।
আর কিছু অনেক বেশী বড় মানুষরাও ফরম পূরণ করেছেন তাদের কাছে মাজেরাত করছি। আমরা আসলে আপনাদের ছাত্র হওয়ার যোগ্য, আমাদের অধিনে আপনারা পাঠচক্র করবেন তা আমাদের জন্য বেশ কষ্টকর!
.
ইনশাআল্লাহ প্রতিটি ফরমপূরণকারী ভাইদের সাথে যোগাযোগ করা হবে। আমাদের আসলে মূল টার্গেট মাত্র ২০-৩০ জন। যাদেরকে নিতে পারবো না, তাদের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি অগ্রিম।
11 292
বর্তমান কর্মস্থল বলতে আপনি কোন মাদরাসায় খেদমতে আছেন সেটা জানান! অধিকাংশই শুধু এলাকার নাম দিচ্ছেন! এতটুকু বিষয় তো ভাই বুঝা দরকার তাই না!
11 292
পাঠচক্রে কারা অংশগ্রহণ করতে পারবেন?
.
সারাদিন মাদরাসার বিভিন্ন প্রয়োজনীয় কাজ করার পর যারা মাসাদির থেকে ৮-১৫ পৃষ্ঠা মোতালাআ করতে পারবেন এবং যাদের হিম্মত ও আগ্রহ আছে তারাই এখানে যুক্ত হবেন। যাদের এতটুকু হিম্মত নাই বা বাস্তবিকই মাদরাসার জরুরি কাজ করে আর সময় পাবেন না, তাদের জন্য এখানে অংশগ্রহণ না করলেই ভালো হবে। কারণ ধারাবাহিক কয়েক সপ্তাহ মোতালাআ ছুটে গেলে আমরা মাজেরাত করতে বাধ্য হবো। এই পাঠচক্র ইলমি পেরেশানি নেওয়ার জন্য, অন্য পেরেশানি বাড়ানোর জন্য না।
.
যারা পাঠচক্রে অংশগ্রহণ করতে আগ্রহী তারা গুগল ফরমটি পূর্ণ করবেন ইনশাআল্লাহ। সেখান থেকে আমরা মুনাসিব সাথীদের সাথে যোগাযোগ করে তাদের যুক্ত করে নিবো ইনশাআল্লাহ।
.
গুগল ফরম লিংক :
https://docs.google.com/forms/d/1lswcAwCKdHFCb0nKkPZmvNGQafpckpZftD9968n2cJY/edit?pli=1
11 292
অনেক অনেক দিন আগের কথা। ঐ যে ফিকহের কয়েকটা অধ্যায় নিয়ে পাঠচক্র হওয়ার কথা ছিলো—কিতাবুল জিনায়াত, হুদুদ, সিয়ার, সিয়াসাত ইত্যাদি। মনে আছে আপনাদের? না, ভুলে গেছেন?
.
বছরের শুরু। উস্তাদদের প্রাতিষ্ঠানিক ব্যস্ততা মোটামুটি শেষ। এখন ইলমি ব্যস্ততা শুরু। এখন থেকে কী শুরু করা যায়?
.
অনলাইন পাঠচক্র কেনো মাথায় আসলো?
https://www.facebook.com/share/p/1EtQk1Sjja/
11 292
একজন মুসলিম শিক্ষার্থীর মিশন কেমন হওয়া উচিত? জানতে পড়ুন
আমরা কি কেবল একটি সার্টিফিকেটের পেছনে ছুটছি, নাকি নিজেকে এক মহান মিশনের জন্য প্রস্তুত করছি? একজন মুমিনের ক্যারিয়ার মানে কেবল জীবিকা নয়, বরং তা হওয়া চাই দুনিয়া ও আখিরাতের সার্থক বিনিয়োগ।
.
গতানুগতিক ইঁদুরদৌড়ের বাইরে ইসলামের আলোয় নিজের যোগ্যতাকে শাণিত করার এক পূর্ণাঙ্গ গাইডলাইন নিয়ে বিশেষ আয়োজন— ‘শিক্ষার্থীদের ক্যারিয়ার ভাবনা’।
.
প্রখ্যাত লেখক ডা. শামসুল আরেফীন এই বইয়ে দেখিয়েছেন কীভাবে একাডেমিক পড়াশোনার পাশাপাশি‘মৌলিক দক্ষতা’ অর্জন করতে হয়। যা আমাদের পাঠ্যপুস্তকগুলো শেখায় না।
.
অহেতুক লক্ষ্যহীনভাবে না ছুটে নিজের মেধা ও শ্রমকে আল্লাহর সন্তুষ্টির পথে পরিচালিত করার কৌশল জানতে আজই সংগ্রহ করুন এই মাস্টারপিস বইটি।
.
অর্ডার লিংক:
https://www.wafilife.com/shikkharthider-carrer-bhabna/pd/76012?fbclid=IwdGRjcAQ52A5jbGNrBDnYB2V4dG4DYWVtAjExAHNydGMGYXBwX2lkDDM1MDY4NTUzMTcyOAABHqHWEuWRumEH_yS22rhv2T3srKRzKbiwsXrTWam8xQhIdVj6ZyabtpTgF2y9_aem_7zv4lkE5xpJpIyt0si9Ptg
11 292
মাওলানা মাহমুদ সিদ্দিকি ভাইয়ের আর্লি ম্যারেজ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটি নুকতা :
আর্লি ম্যারেজ ক্যাম্পেইন ভুল ছিল না, অ্যাপ্রোচ, টার্গেট অডিয়েন্স এবং স্ট্র্যাটেজি ভুল ছিল। আর্লি এইজে বিয়ে করা দরকার বা ভালো—একথা টিনেজারকে বোঝানোর দরকার নেই। বয়সের কারণে সে এমনিতেই এটা অনুভব করে।
দরকার ছিল—সমাজ, বাবা-মা, অভিভাবক শ্রেণিকে টার্গেট করে ক্যাম্পেইন করা। কারণ, বিয়ের কার্যক্রম, অনুমোদন ও আয়োজন তাদের দায়িত্ব।
টিনেজারদেরকে টার্গেট করে দরকার ছিল—আর্লি এইজে ইনকাম, বিয়ের জন্য মোহর জমানো, নিজের ও ভবিষ্যৎ স্ত্রীর খরচ নিজে ব্যবস্থা করার মতো সক্ষমতা অর্জন, স্কিল্ড হওয়া—এসব নিয়ে ক্যাম্পেইন করা।
হয়েছে সম্পূর্ণ উল্টো। পোলাপানকে বলা হয়েছে, বিয়ে করো, বিয়ে করো। পোলাপানের মাথা খারাপ থেকে আরও খারাপ হয়েছে। ইনকামের চিন্তা না করে বিয়ে নিয়ে পাগলামি শুরু করেছে। নিজে চলে বাপের ওপর। সারাদিন করে ফেইসবুকিং আর অলসতা। আবার অভিযোগ করে—বাবা-মা কেন বিয়ে করায় না। যেন বিয়ে করানো থেকে পরবর্তী জীবনে তার বউয়ের অনির্দিষ্টকালের দায়িত্বও বাবা-মায়ের। এটা শারয়ী মেজাজের দৃষ্টিকোণ থেকেই কমপ্লিটলি সমস্যাজনক। অভিভাবক বিয়ে করিয়ে দেবে; কিন্তু বউ পালার দায়িত্ব ছেলের। এতটুকু দায়িত্ববোধ ও গাটস না থাকলে একে বিয়ে করানো কোনোভাবেই উচিৎ না। তাদের জন্য হাদিসে রোজার কথা আছে।
কেউ কেউ আবার গোপনে বিয়ে করে ব্লান্ডার করেছে। ছেলে-মেয়ে উভয়েই। কিছুদিন পর দায়িত্ব চেপে বসলে তালাক, ঝামেলা, নানা সমস্যা।
আর্লি ম্যারেজ ক্যাম্পেইন এখনও দরকার। তবে, সঠিক অডিয়েন্সকে টার্গেট করে, সঠিক অ্যাপ্রোচে।
11 292
+3
শরহে বেকায়ার ছাত্রদের বিশাল বড় একটা পেরেশানি দূর করলো মাকতাবাতুল আমজাদ।
.
ইনশার হাতের সেই নুসখা পড়তে কী যে কষ্ট হইতো!
.
শরহে বেকায়ার উস্তাদ ও ছাত্ররা ইনশার জন্য এটাই সংগ্রহ করবেন ও অন্যকে জানাবেন।
11 292
ইসলাম ও পশ্চিমা সভ্যতা বইয়ের ‘প্রাচ্যবাদ’ অধ্যায় থেকে।
.
বি.দ্র.
অনেক মাদরাসার তালেবে ইলমরা বইটি সংগ্রহের জন্য আমাকে মেসেজ দিয়ে জিজ্ঞাসা করেন, বইটির ছাড় কবে দিবে প্রকাশনী। তাদের জন্য ব্যক্তিগতভাবে আমি এতটুকু সহযোগিতা করতে পারি, আপনারা জামাত ভিত্তিক একাধিক কপি যদি সংগ্রহ করেন তাহলে আমি প্রকাশনীকে বলে ইনশাআল্লাহ ভালো একটি ছাড় নিয়ে দিতে পারবো।
11 292
নারীর হেজাব নিয়ে মডার্নিষ্টদের আপত্তির শেষ নাই। সেই আপত্তিগুলো নিয়ে চমৎকার একটি আলোচনা।
https://youtu.be/kLMqMK5g63w?si=2cySIDMmLj_Skfsj
11 292
৩ মিনিটের ববি হাজ্জাজের কথাগুলো শুনুন।কোনো অস্পষ্টতা নাই। জাহালাতেরও কোনো বিষয় নাই। শরীয়াহ কী তা তার কাছে একদম স্পষ্ট। লিবারেল মূল্যবোধ থেকে সৃষ্ট হওয়া ব্রিটিশ কমন ল কী, তাও তার কাছে পূর্ণ পরিষ্কার। উভয়টি সামনে রেখে তার সিদ্ধান্ত হলো, ‘শরিয়াহ আইনের যে মৌলিক উসুল বা প্রিন্সিপাল তার থেকেও লিবারেল উসুল ও তার থেকে সৃষ্ট ব্রিটিশ কমন ল আমাদের জন্য বেশি উপযোগী।’
.
লিবারেলিজম কী, তা জানতে ইসলাম ও পশ্চিমা সভ্যতা বইটি পড়তে পারেন।
11 292
যারা এক বছরের ইফতা পড়তে চান তারা এখানে যোগাযোগ করতে পারেন। পটিয়ার ইফতার মুশরিফ মুফতি মানজুর সিদ্দিকি সাহেব বেশ যোগ্য ও অভিজ্ঞ মানুষ।
.
আর ইফতা বিভাগে খরচও বেশ কম।
11 292
ডা. শামসুল আরেফিন শক্তি ভাইয়ের নতুন বই “শিক্ষার্থীদের ক্যারিয়ার ভাবনা” আসতেছে। বন্ধু প্রকাশক হওয়ার কারণে বইটি প্রকাশের আগেই পড়ার সুযোগ পেয়েছি। অনেক বেশি মুগ্ধ হয়েছি বইটি পড়ে। আল্লাহ ভাইয়ের কলমে বরকত দান করুন।
স্কুল থেকে নিয়ে সবধরনের শিক্ষার্থী ও ব্যবসায়ীদের জন্য বইটি এতটাই উপকারী হয়েছে যে, বইটি একবার যে পড়বে সে চাইবে বইটি তার আশপাশের প্রত্যেকটা ছাত্রদের পড়াতে। এবং যাদের শিক্ষাজীবন শেষ তারা বইটি পড়ে আফসোস করবেন, এমন গাইডলাইন যদি আগে পেতাম!
.
বইটি চেতনা প্রকাশন থেকে আসতেছে। প্রি-অর্ডার চলছে।
11 292
৬. লিবারেলিজম, সেক্যুলারিজম, হিউম্যানিজম, জাতীয়তাবাদ-সহ আধুনিক বিভিন্ন মতবাদের বিস্তার, যেগুলো মিষ্টি মিষ্টি স্লোগানের মাধ্যমে খুব সহজেই মানুষকে আল্লাহর দাসত্ব থেকে বের করে নিয়ে আসছে।
৭. বশীভূত ও মোহগ্রস্তকারী বিস্তৃত এক বিনোদনব্যবস্থা ও সংস্কৃতি, যা মানুষকে প্রবৃত্তির গোলাম বানাচ্ছে এবং তাদের নৈতিকতা আর মানবপ্রকৃতিকে চরমভাবে বিপর্যস্ত করছে।
বই : ইসলাম ও পশ্চিমা সভ্যতা: দুই জীবনদর্শনের সংঘাত
লেখক: আব্দুল্লাহ বিন বশির
মূল্য: ৩৬০৳ (২৫% ছাড়ে)
অর্ডার করুন আমাদের সহ যে কোন বুকশপে
11 292
জাহিলিয়্যাত ও আধুনিক জাহিলিয়্যাত
কোনো বিষয় জাহিলিয়্যাত হিসেবে চিহ্নিত হলেও তার বিষয়ে আমাদের মৌলিক কয়েকটি মূলনীতি মনে রাখতে হবে।
প্রথমত, যেকোনো জাহিলিয়্যাতেরই কোনো বিশেষত্ব, বিশেষ গুণ বা উঁচু অবদান থাকা আশ্চর্যের ব্যাপার নয়। সম্ভবত কোনো জাহিলিয়্যাতই এর থেকে খালি নয়। কিন্তু তা এটা প্রমাণ করে না যে, সে জাহিলিয়্যাত সুস্থ জীবনযাপন করেছে, অথবা সে জাহিলিয়্যাত অনুসরণযোগ্য বা তার থেকে কিছু গ্রহণীয় রয়েছে।
দ্বিতীয়ত, জাহিলিয়্যাতের কোনো বিশেষত্ব, উত্তম গুণ ও উন্নত অবদান থাকলেই তা জাহিলিয়্যাতের কলঙ্ক থেকে মুক্ত হয়ে যায় না। কেননা, তার মধ্যে এমন কিছু বিকৃতি ও ভ্রষ্টতা রয়েছে যা এসব বিশেষত্ব, গুণ ও উন্নত অবদানকে শেষ পর্যন্ত সম্পূর্ণরূপে বিনষ্ট ও ধ্বংস করে দেবে, তাতে সন্দেহ নেই।
তৃতীয়ত, এসব বিকৃতি ও ভ্রষ্টতার প্রধান কারণই হচ্ছে, জাহিলিয়্যাতগুলো সর্বদা সর্ববিষয়ে নিজ প্রবৃত্তি ও কামনা-বাসনা কিংবা সংকীর্ণ মানবীয় জ্ঞানের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেয়। কেননা, তা আল্লাহর হেদায়েত জানে না, চেনেও না। অথবা হয়তো চেনে ও জানে; কিন্তু তা ত্যাগ করে অন্য কিছু গ্রহণ করে।
জাহিলিয়্যাতের ব্যাপারে এই তিনটি মূলনীতি সামনে রেখে আমরা জাহিলিয়্যাতের এমন কিছু বিশেষ বৈশিষ্ট্যের আলোচনা করব, যা ইতিহাসের প্রতিটি জাহিলিয়্যাতের মাঝে পাওয়া যায়। মনে রাখতে হবে, প্রতিটি জাহিলিয়্যাতের নিজস্ব স্বতন্ত্র কিছু বৈশিষ্ট্য রয়েছে, যা তাকে অন্য জাহিলিয়্যাত থেকে আলাদা করে। কিন্তু কিছু বৈশিষ্ট্য এমন আছে, যা সব জাহিলিয়্যাতের মাঝেই পাওয়া যায়।
প্রথম বৈশিষ্ট্য: সকল জাহিলিয়্যাতের মাঝে একটি মৌলিক বৈশিষ্ট্য হলো, আল্লাহর ওপর সত্যিকারভাবে ঈমান না আনা। হয়তো আল্লাহর সাথে কাউকে শিরক করবে, অথবা আল্লাহকে অস্বীকার করবে, অথবা আল্লাহকে সৃষ্টিকর্তা হিসেবে স্বীকার তো করবে, কিন্তু দুনিয়ার যাবতীয় বিষয়ে আল্লাহর কোনো হস্তক্ষেপ নেই এমন বিশ্বাস করবে। মোটকথা, আল্লাহর তাওহীদ ও একত্ববাদের মৌলিকত্বের ওপর সঠিকভাবে ঈমান না-থাকাই হলো জাহিলিয়্যাতের একটি মৌলিক বৈশিষ্ট্য।
দ্বিতীয় বৈশিষ্ট্য: নিজস্ব চিন্তাভাবনা, ইচ্ছা ও কামনা-বাসনার অনুসরণ করা।
এটা প্রথম বৈশিষ্ট্যের একটি অনিবার্য রূপ। হয়তো আল্লাহর প্রতি ঈমান আনতে হবে, যা থেকে আল্লাহর সামনে আত্মসমর্পিত হওয়া এবং তারই নাজিলকৃত বিধান পালনের আবশ্যকতা সৃষ্টি হয়। অথবা জাহিলিয়্যাতকে মেনে নিতে হবে, যা মানুষের প্রবৃত্তি-ইচ্ছার অনুসরণকে আবশ্যক করে। কেননা, আল্লাহর বিধান ভিন্ন সকল বিধানই নিছক কামনা-বাসনা মাত্র।
তৃতীয় বৈশিষ্ট্য: সকল জাহিলিয়্যাতের মাঝে একটি বৈশিষ্ট্য হলো তাতে আল্লাহদ্রোহী তাগুত গোষ্ঠীর উপস্থিতি। তারা সর্বক্ষণ ও সর্বাত্মক চেষ্টায় থাকে, যাতে মানুষকে এক আল্লাহর ইবাদত থেকে এবং এক আল্লাহর দেওয়া শরিয়ত পালন থেকে বিরত রাখতে পারে; আর মানুষকে তাগুতের দাসত্ব এবং তাদের শরিয়ত পালনের দিকে ধাবিত করতে পারে। (যা তারা নিজেদের প্রবৃত্তির ভিত্তিতে রচনা করেছে)
চতুর্থ বৈশিষ্ট্য: প্রবৃত্তির চাহিদার স্রোতে নিজেকে ভাসিয়ে দেওয়া। প্রবৃত্তির কিছু চাহিদা মানুষের খুবই প্রিয় জিনিস বা তার জীবনের অংশ। এটাকে আল্লাহ মানুষের জন্য বৈধ করেছেন। কিন্তু যখনই সে চাহিদাগুলো তার বেঁধে দেওয়া সীমা ও যুক্তিসংগত পরিমাণ অতিক্রম করে, তখন তা মানুষকে পশুতে পরিণত করে এবং আল্লাহর দাসত্ব গ্রহণের পথে প্রতিবন্ধক হয়ে দাঁড়ায়। তাই দেখা যায়, প্রতিটি জাহিলিয়্যাতের মাঝে একটি চিরাচরিত রূপ হলো, প্রবৃত্তির চাহিদার স্রোতকে জীবনের মূলধারার মাঝে নিয়ে আসার ব্যবস্থা করে দেওয়া। এ কথা অকাট্যভাবে প্রমাণিত যে, দুনিয়ার কোনো জাহিলিয়্যাতই সব ধরনের অশ্লীলতা ও যিনা-ব্যভিচারকে পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ করেনি। তারা অশ্লীলতার বিভিন্ন রূপকে মানুষের সমাজে বাকি রেখেছে এবং সমাজের একটি অংশে পরিণত করেছে।
উপর্যুক্ত নিদর্শনগুলো থেকে ইতিহাসের কোনো জাহিলিয়্যাতই মুক্ত নয়। কিন্তু পশ্চিমা সভ্যতা পূর্বোক্ত সে জাহিলিয়্যাতকে আধুনিক ছাঁচে তৈরি করে এক স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য ধারণ করেছে, যেগুলো স্বতন্ত্রভাবে চিহ্নিত করতে পারলে আধুনিক এই ঈমান-বিধ্বংসী জাহিলিয়্যাত বোঝা আমাদের জন্য সহজ হবে।
সে স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যগুলো হলো:
১. চরম বৈজ্ঞানিক উৎকর্ষ, যা মানুষকে আল্লাহর হেদায়েত থেকে দূরে সরানো এবং আল্লাহর সৃষ্টিকুলকে চরম দুঃখ-কষ্টে নিমজ্জিত করার কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে।
২. বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার, উদ্ভাবন ও উন্নতি উৎকর্ষের নেশায় মত্ত হয়ে মানুষকে আল্লাহর মোকাবেলায় দাঁড় করানো; যেন মানুষ এই কথা মনে করে যে, বর্তমানের এই চরম উন্নত যুগে আল্লাহর কোনো প্রয়োজন মানুষের নেই, অথবা
মানুষ নিজেই নিজের ইলাহ হয়ে গেছে।
৩. বিভিন্ন মডার্ন বৈজ্ঞানিক মতবাদ ও মতাদর্শসমূহ, যেগুলো সমাজ, অর্থনীতি ও মনস্তত্বসহ জীবনের সকল ক্ষেত্রে মানবজীবনকে চরম ভ্রষ্ট, সঠিক পথবিচ্যুত ও বিপর্যস্ত করে দিয়েছে।
৪. বিবর্তনবাদী দর্শন।
৫. নারীস্বাধীনতা ও নারীবাদ।
现已上线!2025 年 Telegram 研究 — 年度关键洞察 
