uk
Feedback
Abdullah bin bashir

Abdullah bin bashir

Відкрити в Telegram

প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Показати більше

📈 Аналітичний огляд Telegram-каналу Abdullah bin bashir

Канал Abdullah bin bashir (@abdullahbinbashir) у мовному сегменті Бенгальська є активним учасником. На даний момент спільнота об'єднує 11 327 підписників, посідаючи 7 901 місце в категорії Релігія і духовність та 2 063 місце у регіоні Бангладеш.

📊 Показники аудиторії та динаміка

З моменту свого створення невідомо, проект продемонстрував стрімке зростання, зібравши аудиторію у 11 327 підписників.

За останніми даними від 28 серпня, 2026, канал демонструє стабільну активність. Хоча за останні 30 днів спостерігається зміна кількості учасників на 67, а за останні 24 години на -8, загальне охоплення залишається високим.

  • Статус верифікації: Не верифікований
  • Рівень залученості (ER): Середній показник залученості аудиторії становить 15.07%. Протягом перших 24 годин після публікації контент зазвичай збирає 5.70% реакцій від загальної кількості підписників.
  • Охоплення публікацій: В середньому кожен допис отримує 1 708 переглядів. Протягом першої доби публікація в середньому набирає 646 переглядів.
  • Реакції та взаємодія: Аудиторія активно підтримує контент: середня кількість реакцій на один пост – 35.

📝 Опис та контентна політика

Автор описує ресурс як майданчик для висловлення суб'єктивної думки:
প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Завдяки високій частоті оновлень (останні дані отримано 29 серпня, 2026), канал підтримує актуальність та високий рівень охоплення публікацій. Аналітика показує, що аудиторія активно взаємодіє з контентом, що робить його важливою точкою впливу в категорії Релігія і духовність.

11 327
Підписники
-824 години
+157 днів
+6730 день
Архів дописів
মোদীকে খুশি করলেও ঠিকানা জাহান্নাম। আমেরিকাকে খুশি করলেও ঠিকানা জাহান্নাম। খুশি করতে হবে আল্লাহ ও তার রাসুলকে (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)। . সংগীত নিজেই তো একটা অনর্থক ও অনৈসলামিক জিনিষ, তার উপর এই সংগীতের নামে মূলত এদেশে গেন্দুত্ববাদকে চাপিয়ে দেওয়া উদ্দেশ্য। তাওহীদ বিরুদ্ধ এই বিষয়ে এদেশের মুসলমান মেনে নিবে না৷ -মাওলানা আব্দুল মালেক সাহেব

জীবনী ১-২ শর্ট পিডিএফ.pdf4.71 KB

সন্দীপনের স্টলে পাবেন সময়ের এই গুরুত্বপূর্ণ বইটি।
সন্দীপনের স্টলে পাবেন সময়ের এই গুরুত্বপূর্ণ বইটি।

একটা ফিল্টার আছে, কঠিন এক ফিল্টার, নিজের বা কোনো মুসলিম রাষ্ট্রের মুনাফিকি ডিটেকশনের জন্য। কল্পনা করুন, এই মুহূর্তে যদি স্বয়ং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এসে সকলকে কুফফারদের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর ডাক দেন, তবে কতজন মুসলিম সেই ডাকে সাড়া দেবেন? কোন কোন মুসলিম রাষ্ট্রপ্রধান নিজেদের রাজত্ব ও ক্ষমতা ছেড়ে দিয়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের পতাকার নিচে এসে নিজেদের সম্পূর্ণরূপে সমর্পণ করবেন? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গেলেই বোঝা যাবে তথাকথিত ৯০% মুসলিমের দেশ বা ৫৭টি মুসলিম রাষ্ট্রের আসল বাস্তবতা। ©

মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানগুলো বিভিন্ন কারণে হলেও আমার কেনো জানি ভালো লাগে না। এই ভালো না লাগার একটি অন্যতম কারণ হলো শরম৷ অনেক ভাই
মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানগুলো বিভিন্ন কারণে হলেও আমার কেনো জানি ভালো লাগে না। এই ভালো না লাগার একটি অন্যতম কারণ হলো শরম৷ অনেক ভাই আমার বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করার জন্য বলেছেন, তাদের সবাইকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ। মোড়ক উন্মোচনের বদলে আজকে বইটি ও বইয়ের বিষয়বস্তু নিয়ে অনলাইনে আলোচনার ব্যবস্থা করা হয়েছে। আগ্রহীরা অংশগ্রহণ করতে পারেন। . https://chat.whatsapp.com/BjJrEdSeC0kCPDcFYoBvEd?mode=ems_copy_t

সময়ের গুরুত্বপূর্ণ এই বইটি পাওয়া যাচ্ছে মেলায়। রিহাবের স্টলে গেলেই পাবেন ইনশাআল্লাহ।
সময়ের গুরুত্বপূর্ণ এই বইটি পাওয়া যাচ্ছে মেলায়। রিহাবের স্টলে গেলেই পাবেন ইনশাআল্লাহ।

উসমানি সালতানাতের পুনঃপ্রতিষ্ঠাতা এরদোয়ান নিয়ে কোনো প্রবন্ধ দেখতেছি না কেনো? জামাতের পক্ষ থেকেও না, কওমীর পক্ষ থেকেও না! এমন বিপদের মূহুর্তে যদি এভাবে সমর্থন উঠিয়ে নেন, তাহলে তো বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক।

অবশেষে ছুয়ে দেখলাম। .
অবশেষে ছুয়ে দেখলাম। .

পশ্চিমা সভ্যতা আধুনিকতার নামে মানবজাতিকে মুক্তি ও উন্নতির স্বপ্ন দেখালেও, এর ভেতর লুকিয়ে আছে এক ভয়াবহ ফাঁদ-কুফর, ঈমানবিধ্বংসী
পশ্চিমা সভ্যতা আধুনিকতার নামে মানবজাতিকে মুক্তি ও উন্নতির স্বপ্ন দেখালেও, এর ভেতর লুকিয়ে আছে এক ভয়াবহ ফাঁদ-কুফর, ঈমানবিধ্বংসী দর্শন এবং মানবতার সর্বনাশী জীবনবোধ। এই সভ্যতার মূল মতবাদগুলো শুধু মুসলিম সমাজের ঈমান, চরিত্র ও সংস্কৃতিকে ধ্বংস করছে না, বরং পুরো মানব সমাজকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। আজ বিশ্বজুড়ে মানুষের অন্তর শূন্য, পরিবার ভাঙনের পথে, নৈতিকতা পদদলিত, আর মানব জাতি এক নিকৃষ্ট নোংরামি ও পশুত্বে নিমজ্জিত হয়ে পড়েছে। এই বইয়ে উন্মোচন করা হয়েছে- পশ্চিমা সভ্যতার জীবনদর্শন পুরোটাই কুফরি দর্শন। ইসলামের সাথে এর মৌলিক দ্বন্দ্ব ও সহাবস্থানের চূড়ান্ত অসম্ভবতা। মুসলিম সমাজ ও সমগ্র মানব জাতির ওপর এর ভয়াবহ প্রভাব ও বিপর্যয়কর পরিণতি । ইসলাম ও পশ্চিমা সভ্যতা (দুই জীবনব্যবস্থার সংঘাত) by শায়খ আব্দুল্লাহ বিন বশির TK. 312 👉অর্ডার করতে ক্লিক করুন এই লিংকে : https://rkmri.to/V356FPWGTGSY

বিএনপির সাথে নাকি আলেমদের সম্পর্ক প্রাচীন। বিএনপির কোনো আলেমকি এখন জোর গলায় বলতে পারবেন সালাহউদ্দিন সাহেবের এই কাজটা স্পষ্ট কুফর হয়েছে এবং সে জেনে-বুঝে করে থাকলে ঈমানের গণ্ডি থেকে বের হয়ে গেছে? . কোনো দারুল ইফতা কী এই মাসআলাগুলো একটু খুলে ফতোয়া দিবেন, যাতে যারা ঈমান রক্ষা করার ঈমানটা রক্ষা করতো!? . সেক্কুলা..এর খেলাটা দেখেছেন, এই লোজ দুইদিন আগে মাদরাসায় গিয়েছে, টুপি পড়েছে, খাবার খেয়েছে, এটা কোনোটাই ঈমানের কারণে কী? না সেকু ধর্মের কারণে?

ওয়েপন অফ মাস ডেস্ট্রাকশনের মিথ্যা অজুহাতে আমেরিকা হামলে পড়ে ইরাকের ওপর। আশ্চর্যজনক! একটা মাত্র অজুহাত। অভিযোগটি ছিল মিথ্যা, কিন্তু প্রশ্ন হলো যদি ওয়েপন অফ মাস ডেস্ট্রাকশন (WMD) থেকেও থাকে, তাহলে সমস্যা কোথায়? অস্ত্র কি শুধু আমেরিকার পৈত্রিক সম্পত্তি যে, সেটি শুধু তার তৈরি করার অধিকার থাকবে, আর সবাই তার গোলাম হওয়ার জন্য অস্ত্র তৈরি বন্ধ করে অন্যের ওপর ডিপেন্ডেড থাকবে। কুফফার সংগঠন জাতিসংঘ আমেরিকার নেতৃত্বে দশ বছরের নিষেধাজ্ঞায় প্রায় ১০ লক্ষ মুসলিমের গণহত্যা নিশ্চিত করে। তথাকথিত সভ্য সমাজ ইরাকে ধুঁকে ধুঁকে মরতে থাকা পাঁচ লক্ষ শিশুকে শিশু মনে করে না। হ্যাঁ, পাঁচ লক্ষ শিশু! আজকে মুসলিমদের আমেরিকার প্রতি মুগ্ধতা দেখে অবাক হতে হয়। অথচ আমেরিকান সাম্রাজ্যের প্রতিটি ইট খুলে ফেলার কথা ছিল আমাদের। আল্লাহ তাআলার কাছে একজন মুমিনের রক্ত পৃথিবীর সবকিছুর চাইতে দামি। ১০ লক্ষ ইরাকি শিশু, নারী, পুরুষকে হত্যার পরও আমেরিকার রক্তপিপাসা মেটে না। ২০০৩ সালের সমস্ত শক্তিকে একসাথে করে ঝাঁপিয়ে পড়ে ধুঁকতে থাকা বাকি ইরাকি মুসলিমদের ওপর। শুরুতে খুব সহজেই ইরাক দখল করে নিতে পারে দখলদার বাহিনী। কিন্তু কে জানত, সেখানে তাদের জন্য অপেক্ষা করছিল আল্লাহ তাআলার একদল সেনা। আগস্ট ২০০৩ থেকেই শুরু হয় মুজাহিদদের শক্তিশালী সুনির্দিষ্ট পাল্টা আক্রমণ। এতে আমেরিকা দিশেহারা হয়ে যায়। ১৯ আগস্ট ২০০৩ বিকেল ৪টা ৩০, বাগদাদের ক্যানাল হোটেলে অবস্থিত জাতিসংঘ অফিসে সবাই নিজ নিজ কাজ নিয়ে ব্যস্ত। কেউ ভাবতে পারেনি তাদের জন্য কী অপেক্ষা করছিল। একটি ট্রাক এসে দাঁড়ায় গেটের সামনে। কিছুক্ষণ পর দানব আকৃতির ট্রাক বোম্বটি ডেটোনেট করে। জাতিসংঘ অফিসের তিন তলা পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং ইউএন স্পেশাল রিপ্রেজেন্টিটিভ-সহ ২২ জন নিহত হয়। এ হামলার প্রতিক্রিয়ায় আমেরিকার কুখ্যাত প্রেসিডেন্ট বুশ বলে, ‘তারা মধ্যপ্রাচ্যে মুক্ত সমাজের কথা চিন্তা করতে না পারার কারণে আমাদের সাথে লড়াই করছে।’ ঠিক এর ১০ দিন পর শিয়া রেভ্যুলেশন প্রধানকে হত্যা করা হয়। ধীরে ধীরে যা র কা ভি রহ.-এর নেতৃত্বে হামলার সংখ্যা বাড়তে থাকে। উম্মাহর তরে জীবন দিলেন যারা বই থেকে।

রয়িসুদ দালাল পাকিস্তানের মুফতি আব্দুর রহিম সাহেব এবার কী কী বিব্রিতি দিতে পারেন পাক আর্মির পক্ষে—মাসজিদে আকসার মুহাফিজ? তারেক মাসুদ সাহেবরা কী কী ব্যাখ্যা দিবে এবার—এগুলো পাক আর্মির কৌশল এর মাধ্যমে মাহাসকে গোপনে অস্ত্র সাপ্লাই দিতে পারবে? পাক ফৌজ জিন্দাবাদ যতদিন এই উম্মাহ জাতী রাষ্ট্রের এই পোষা আর্মিগুলোর বাস্তবতা না বুঝবে ততদিন লাঞ্চনা এই উম্মাহকে ছাড়বে না। আমাদের একটা কিউট অবস্থান হলো, আমাদের দেশগুলোর রাজনীতিবিদরা খারাপ কিন্তু আর্মি একদন ফুলের মত পবিত্র! গতকাল এক বুড়োর উগান্ডার আর্মিকে নিয়ে পোষ্ট দেখে পোষ্টে থুথু মারতে মন চেয়েছিলো।

যদি স্বার্থবাদী না হইতাম, তাহলে সবাইকে এটাই বলতাম, ভাইয়েরা আমার বই সংগ্রহের দরকার নাই। শুক্রবার মেলায় গিয়ে সিজদাহের স্টলে গিয়
+1
যদি স্বার্থবাদী না হইতাম, তাহলে সবাইকে এটাই বলতাম, ভাইয়েরা আমার বই সংগ্রহের দরকার নাই। শুক্রবার মেলায় গিয়ে সিজদাহের স্টলে গিয়ে এই বইটি সংগ্রহ করুন। . সংগ্রামী সাধকদের এই ইতিহাস....

আলামীন ভাই আমার বইয়ের প্রুফ দেখেছেন৷ প্রুফ দেখার সময় উনাকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, ভাই আপনার তো প্রুফ করতে গিয়ে অনেক বই পড়তে হয়, সে হিসেবে বই সম্পর্কে আপনার বেশ অভিজ্ঞতা আছে। আমার বই সম্পর্কে আপনার মূল্যায়ন কী? উনি বলেছেন, প্রুফ দেখা শেষ হলে একবারে বিস্তারিত বলবে৷ আজ বইটি সম্পর্কে মূল্যায়ন করেছেন। পড়তে পারেন৷ https://www.facebook.com/share/p/172cHHPBSH/

ডেমো কপি চলে আসছে আলহামদুলিল্লাহ। এবার ছুয়ে দেখার পালা। বুধবার থেকে নিয়মিত পাবেন ইনশাআল্লাহ।
ডেমো কপি চলে আসছে আলহামদুলিল্লাহ। এবার ছুয়ে দেখার পালা। বুধবার থেকে নিয়মিত পাবেন ইনশাআল্লাহ।

‘বিদেশি শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবৃত্তি প্রদানের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র সরকার মূলত সারা বিশ্বে নিজের জন্য প্রশিক্ষিত কর্মচারী তৈরি করে। প্রতিটি সেক্টরের নেতা, রাষ্ট্রের প্রধান, রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ী, বিজ্ঞানী ইত্যাদি এদের মধ্য থেকেই হয়ে থাকে। তাদের প্রত্যেকের ব্যাকগ্রাউন্ড চেক করলে একটি জিনিসই কমন পাওয়া যায়। আর তা হলো, এরা প্রত্যেকেই আমেরিকান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শিক্ষাপ্রাপ্ত। শিক্ষার্থী থাকা অবস্থায় যুক্তরাষ্ট্র সরকার তাদের কারও কারও সাথে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করে, কারও সাথে পরোক্ষভাবে যোগাযোগ রক্ষা করে চলে, আর কারও সাথে হয়তো কখনোই যোগাযোগ করে না। এদের মাঝে কেউ CIA অথবা অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থার সাথে কাজ করতে রাজি হয়। এভাবেই স্কলারশিপের কার্যক্রমগুলো সারা বিশ্বে ছড়িয়ে থাকা আমেরিকান পরাক্রমকে শক্তিশালী করে এবং নিয়ন্ত্রণ ছড়িয়ে দিতে সহায়তা করে। যেভাবে আমেরিকা তার সাম্রাজ্যকে সাম্রাজ্য নামকরণ ছাড়াই পরিচালনা করছে, তা বর্তমান বিশ্বে একটি অভাবনীয় উদ্ভাবন।’ -শায়খ AAA রাহিমাহুল্লাহ উম্মাহর তরে জীবন দিলেন যারা বই থেকে। বইটি ইনশাআল্লাহ সামনের শুক্রবার মেলায় পাওয়া যাবে। দুআ চাই, যেন এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কোনো বাধা না আসে। আল্লাহ আপনাদের নেক দুআ কবুল করুন।

মূলত কওমী মাদরাসার ছাত্রদের প্রতি লক্ষ্য করে আলোচনাটা বৃহস্পতিবার দেওয়া হয়েছে। অন্যান্য আলোচনার সাথে বিষয়টি নিয়ে পড়তে গিয়ে যে
মূলত কওমী মাদরাসার ছাত্রদের প্রতি লক্ষ্য করে আলোচনাটা বৃহস্পতিবার দেওয়া হয়েছে। অন্যান্য আলোচনার সাথে বিষয়টি নিয়ে পড়তে গিয়ে যে অভিজ্ঞতা ও যে আকাঙ্ক্ষায় পশ্চিমা সভ্যতা বইটি লেখা হয়েছে তা আলোচনা করবো ইনশাআল্লাহ। . ওয়াটস গ্রুপে এড হতে পারেন। প্রকাশকের পক্ষ থেকে আলোচনার শেষে বিশেষ তবারকের ব্যবস্থা নাকি আছে। . ওয়াটস এপ গ্রুপ লিংক : https://chat.whatsapp.com/FhpYPf6MCuWDUGq3r33Kd7?mode=ems_copy_t

কাফেরদের মসজিদে প্রবেশের বিধান কাফেরদের জন্য মুসলমানদের মসজিদে প্রবেশের অধিকার রয়েছে কি না, এই বিষয়ে মুজতাহিদ আলেমদের মাঝে মত
কাফেরদের মসজিদে প্রবেশের বিধান কাফেরদের জন্য মুসলমানদের মসজিদে প্রবেশের অধিকার রয়েছে কি না, এই বিষয়ে মুজতাহিদ আলেমদের মাঝে মতানৈক্য রয়েছে। ইমাম মালেক, শাফেয়ি ও আরও বেশ কিছু আলেমের মত হলো, কাফেররা মুসলমানদের মসজিদে প্রবেশ করতে পারবে না। মুসলমানদের দায়িত্ব হলো, কাফেরদের মসজিদে প্রবেশ থেকে দূরে রাখবে। অন্যদিকে ইমাম আবু হানিফা ও অন্য ইমামদের মত হলো, কাফেরদের মসজিদে প্রবেশ নিষিদ্ধ নয়। তবে মসজিদে প্রবেশে তাদেরকে মসজিদের পূর্ণ আদব ও সম্মানের প্রতি লক্ষ রাখতে হবে এবং কোনোরকম বিশৃঙ্খলার আশঙ্কা না থাকতে হবে। হানাফি ফকিহ ইমাম কাসানি রহিমাহুল্লাহ লেখেন, ولا بأس بدخول أهل الذمة المساجد عندنا وقال مالك رحمه الله والشافعي لا يحل لهم دخول المسجد الحرام. (بدائع الصنائع ٨٢١/٥، کتاب الاستحسان، ط. دار الكتب العلمية) আমাদের হানাফি উলামায়ে কেরামের নিকট জিম্মিদের মসজিদে প্রবেশে কোনো সমস্যা নেই। ইমাম মালেক ও শাফেয়ি বলেন, জিম্মিদের মসজিদে হারামে প্রবেশ বৈধ নয়।ৎ বই: মুসলিম অমুসলিম সম্পর্ক

ইসলাম ও পশ্চিমা সভ্যতা বইটি গত চার বছর আমি মাদরাসায় ছাত্রদের পড়িয়েছি। গতবছরের এক ছাত্র মাওলানা জাহিদ, সে সে দরসের ও বইয়ের অনূভুতি নিয়ে কিছু বিষয় লেখেছে। পড়তে পারেন৷ https://www.facebook.com/share/p/1731FkQKQS/

শা য় খ আ ই মা ন আজ-জা ও য়া হি রি তার প্রথম স্ত্রী উম্মে মুহাম্মাদের ব্যাপারে বলেন, ‘এই বরকতময় গ্রামে, আমার পরিবারের সাথে দেড় বছর বিচ্ছেদের পর পুনরায় একত্রিত হয়েছি। এর মধ্যে ছয় মাস আমি তাদের কোনো খবরই পাইনি। কারণ, আমি দাগেস্তানের কারাগারে ছিলাম। লুকানো এবং নির্যাতিত অভিবাসী পরিবার, যারা তাদের পরিবার প্রধানকে হারিয়ে ফেলেছিল। দেড় বছর আগে অজানা সময়ের জন্য আমি তাদের ছেড়ে চলে আসি। এই কঠোর মানসিক পরিস্থিতিতে পারিবারিক বিষয়গুলির বোঝা প্রধানত আমার স্ত্রী উম্মে মুহাম্মাদের ওপর পড়ত এবং আমার সম্মানিত ভাইয়েরা তাকে সাহায্য করতেন। উম্মে মুহাম্মাদ রহ. একজন বিরল মানুষ ছিলেন, যার নজির খুঁজে পাওয়া কঠিন। তার অনন্য ব্যক্তিত্বে ধর্মপরায়ণতা, শরিয়তের আইনের প্রতি শ্রদ্ধা, এর প্রতি আহ্বান, উচ্চ নীতি, সূক্ষ্ম অনুভূতি, উঁচু গর্ব, বিনয়, সহানুভূতি, যত্ন, নিপীড়িত ও বঞ্চিতদের সমর্থন, তাদের সাহায্য ও রক্ষা, এবং আল্লাহর পথে নিজের সবকিছু দিয়ে ত্যাগ স্বীকার করার মতো গুণাবলি একত্রিত হয়েছিল। এর সাথে ছিল সংস্কৃতি, জ্ঞান, রুচি, সাহিত্য, মত প্রকাশের স্বাধীনতা এবং আত্মমর্যাদাবোধ। আমার মনে আছে, কান্দাহারে পৌঁছনোর পর আমি যখন তার সাথে যোগাযোগ করি, তখন তিনি আমাকে বলেন, ‘আমাদের ছেড়ে যাবেন না, যদি আপনি কোনো গর্তে বাস করেন তবে আমরা আপনার সাথে সেখানেই বাস করব।’ এই বরকতময় গ্রামে আমরা তিন কক্ষ-বিশিষ্ট একটি বাড়িতে বাস করতাম, দুটি আমাদের জন্য এবং একটি মেহমানদের জন্য। বাড়ির উঠোনে একটি কুয়া ছাড়া আর কোনো পানি ছিল না এবং বিদ্যুৎও ছিল না। আমি আল্লাহর কসম করে বলছি যে, আমার জীবনে এর চেয়ে ভালো কোনো বাড়িতে বা এই পাড়ার চেয়ে ভালো কোনো পাড়ায় থাকিনি। এটি ছিল ধর্মপ্রাণ মু জা হি দ দে র একটি গ্রাম। এর উৎস ছিল একটি পুরোনো কৃষি প্রকল্পের পরিত্যক্ত আবাসস্থল, যা পরে সীমান্তরক্ষা বাহিনীর একটি ব্রিগেড দখল করে। পরে এটিকে পরিত্যক্ত অবস্থায় ছেড়ে দেওয়া হয়। কিছু বেদুইনরা এখানে থাকত। যখন শা য় খ উ সা মা ও তার বিশ্বস্ত সাথিদের জালালাবাদ থেকে আনা হয়, তখন আমিরুল মুমিনিন মো ল্লা মু হা ম্মা দ উ ম র তাদের সেই গ্রামে থাকার ব্যবস্থা করেন, যেখানে প্রায় একশটি বাড়ি ছিল; পূর্বে বিশটি এবং পশ্চিমে আশিটি। শায়খ উ সা মা পশ্চিমের আশিটি বাড়ি একটি উঁচু প্রাচীরযুক্ত দেয়াল দিয়ে ঘিরে ফেলেন এবং সেগুলো বিভিন্ন পরিবারের জন্য বরাদ্দ করেন। অন্য বিশটি অফিস এবং অতিথিদের জন্য বরাদ্দ ছিল। উম্মাহর তরে জীবন দিলেন যারা বই থেকে। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই বইটি প্রকাশিত হবে ইনশাআল্লাহ। আপনাদের দুআয় আমাদের স্মরণ রাখবেন।