1 996
订阅者
+124 小时
+37 天
+430 天
帖子存档
1 996
খানা খাওয়ার সময় সালাম দেয়া কি নিষিদ্ধ?
উত্তরঃ
بسم الله الرحمن الرحيم
যদি সালামকৃত ব্যক্তির মুখে লুকমা হয়। এমতাবস্থায় তার জন্য সালামের উত্তর দেয়া কষ্টকর হয়, তাহলে খানারত ব্যক্তিকে সালাম দেয়া মাকরূহ। কিন্তু যদি মুখে লুকমা না হয়, বা উত্তর দিতে কোন কষ্ট না হয়, তাহলে খানারত ব্যক্তিকে সালাম দিতে কোন সমস্যা নেই। [ফাতাওয়া উসমানী-৪/৪৩৫]
আমাদের সমাজের অনেক ব্যক্তিকে দেখা যায় যে, খানারত ব্যক্তিকে সালাম দিলে, তিনি খানা থেকে মুখ তুলে বলেন যে, খানা খাচ্ছি, তাই সালামের উত্তর দিতে পারছি না। অথচ তিনি একথা যখন বলছেন, তখন অনায়াসে সালামের উত্তর দিতে পারেন।
তা’ই খানা খাওয়া অবস্থায় সালামের উত্তর দেয়া যাবে না, এমন কথা আমভাবে বলা সঠিক নয়। বরং সুযোগ থাকলে উত্তর যেমন দেয়া যাবে, তেমনি তাকে সালাম দিতেও কোন সমস্যা নেই।
أَنَّ الْكَرَاهَةَ إنَّمَا هِيَ فِي حَالَةِ وَضْعِ اللُّقْمَةِ فِي الْفَمِ، كَمَا يَظْهَرُ مِمَّا فِي حَظْرِ الْمُجْتَبَى: يُكْرَهُ السَّلَامُ عَلَى الْعَاجِزِ عَنْ الْجَوَابِ حَقِيقَةً كَالْمَشْغُولِ بِالْأَكْلِ أَوْ الِاسْتِفْرَاغِ، (رد المحتار، كتاب الصلاة، باب ما يفسد الصلاة وما يكره فيها-1/415)
وَقَالَ النَّوَوِيّ: وَيسْتَثْنى من الْعُمُوم بابتداء السَّلَام من كَانَ مشتغلاً بِأَكْل أَو شرب أَو جماع، أَو كَانَ فِي الْخَلَاء أَو الْحمام أَو نَائِما أَو ناعساً أَو مُصَليا أَو مُؤذنًا مَا دَامَ ملتبساً بِشَيْء مِمَّا ذكر، فَلَو لم تكن اللُّقْمَة فِي فَم الْآكِل مثلا شرع السَّلَام عَلَيْهِ، (عمدة القارى شرح صحيح البخارى، كتاب الأدب، باب افشاء السلام-18/353، وكذا فى فتح البارى شرح صحيح البخارى-11/30
والله اعلم بالصواب
বিস্তারিত জানতে পড়ুন
https://facebook.com/100084657573887/posts/252495594249025/
1 996
বাবা-মায়েদের সহবাসে সচেতনতা
শারিরিক মিলন একটি প্রাকৃতিক চাহিদা। বর্তমান সময়ে ১০ বছরের ছেলে মেয়েদের শারিরিক পরিবর্তন হয়ে যায়।তখন থেকেই তাড়া শারারিক মিলন সম্পকে একটু একটু জানতে পারে এবং উত্তেজনা ফিল করে।
বর্তমান সময়ে এক জরিপে দেখা যায় যে, ৯০% ছেলে মেয়ের প্রথম যৌন অনুভুতি তৈরি হয় তাদের পরিবার থেকে। বাবা মা যখন সহবাস করেন তখন প্রাপ্ত বয়স্ক ছেলে মেয়েরা বুঝতে পারেন।
সহবাসের সময় তৃপ্তি জনিত আওয়াজ এবং বাবা মার অসাবধানতার কারনে ছেলে মেয়েরা বুঝে যায় বাবা মা সহবাস করছেন।
তাই বাবা মাকে অবশ্যই সচেতন হতে হবে, ৭ বছরের উপরের ছেলে মেয়েদের আলাদা রুম দিতে হবে।
বাবা মার রুম গুলো একটু দূরে নিতে হবে যাতে তারা অনাকাঙ্ক্ষিত কোন কিছু বুঝতে না পারে ।
সহবাসের সময় বেছে নিতে হবে ছেলে মেয়েদের ঘুমানোর
পরে।
প্রত্যেক মায়ের উচিত ছেলের সামনে পোশাকে সংযত থাকা পর্দা করা।
বড় ছেলে মেয়েদের সামনে ছোট বাচ্চাদের স্তন দান না করা।
মায়ের ব্যক্তিগত কাপড় ( পেটিকোট,পাজামা) নির্দিষ্ট স্থানে রাখা, যাতে ছেলের নজরে না আসে।
যুক্ত হতে পারেন 👉 Recycle Bin FMA
1 996
পিরিয়ডের ব্যথা কমানোর ঘরোয়া উপায়
বেশির ভাগ নারীরই পিরিয়ডের সময় অসহ্য ব্যথা হয়। এই ব্যথা সাধারণ তলপেট থেকে শুরু হয়ে কোমর, ঊরু ও পা পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে। অনেকের সারা শরীর ব্যথা কিংবা বমিও হতে দেখা যায়।
এই যন্ত্রণা থেকে রেহাই পেতে আপনি মেনে চলতে পারেন কিছু ঘরোয়া উপায়।
হালকা ব্যায়াম: বিশেষজ্ঞরা পিরিয়ডের সময় বিভিন্ন ধরনের যোগাসন, বিশেষ করে প্রাণায়াম এবং শবাসন করতে পরামর্শ দিয়ে থাকেন। এ ধরনের ব্যায়াম পিরিয়ডের ব্যথা কমানোর পাশাপাশি শরীরকে অনেকটাই শিথিল করে।
✅আদা:
পিরিয়ডের ব্যথা থেকে আরাম পেতে খেতে লারেন আদা। আদা কার্যকরভাবে পিরিয়ডের ব্যথা কমাতে পারে। এটি প্রোস্টাগ্ল্যান্ডিনের মাত্রা কমায়, অনিয়মিত পিরিয়ডকে নিয়মিত করে এবং ক্লান্তির বিরুদ্ধে লড়াই করতেও সহায়তা করে।
✅হিটিং প্যাড:
পিরিয়ডের সময় হিটিং প্যাড বা হট ব্যাগ অসহ্য ব্যথা থেকে স্বস্তি দেয়। এ সময় পিঠের ব্যথা কম করার জন্য পিঠের নিচের অংশে হিটিং প্যাড রাখা যেতে পারে। হালকা গরম পানিতে গোসলের পাশাপাশি গরম তরল পদার্থ পান করলেও স্বস্তি পাওয়া যায় অনেকটাই।
✅লেবু দিয়ে গ্রীন টি:
পিরিয়ড এর ব্যথা থেকে স্বস্তি পেতে লেবু দিয়ে গ্রীন টি পান করতে পারেন।
✅ পিরিয়ডের ব্যথা থেকে স্বস্তি পেতে ডায়েট লিস্ট থেকে অধিক তেল ও মসলাযুক্ত খাবার বাদ দিন।এবং ক্যাফিনযুক্ত পানীয় কম গ্রহণ করুন।
ডাঃ ইসরাত শারমিন।
স্ত্রী ও প্রসূতি রোগ বিশেষজ্ঞ ও সার্জন
কনসালটেন্ট ( গাইনী এন্ড অবস)
পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার লিঃ
বরিশাল।
মোবাইলঃ ০১৭১৬১৬৭৮৭৯
1 996
.
( বিশেষ দ্রষ্টব্য: এই লেখা চিকিৎসার অথবা চিকিৎসকের বিকল্প নয় )
.
ধন্যবাদ সবাইকে যারা কষ্ট করে এই লেখাটি পড়লেন, আল্লাহ আমাদের সবাইকে ডেঙ্গু জ্বর থেকে সুস্থ রাখুক ভাল রাখুক।
.
লেখক:
.
মোঃ ফাইজুল হক
২১ বছরের অভিজ্ঞ হোমিওপ্যাথিক, আয়ুর্বেদিক এবং ইউনানী চিকিৎসক , শিক্ষক ও লেখক
Gov. Registered Ayurvedic , Unani and Homoeopathic Physician , Ayurved Tirtha
Trained on Cognitive-Behavior Therapy for Depression (DU)
Trained on Therapeutic Counselling
(Department of Clinical Psychology, University of Dhaka)
.
চেম্বারঃ বাসা# এ-৩৮/১ , ইসলামপুর , [হাসপাতাল রোড , খাদ্য গোডাউন মোড়ের একটু আগে আমবাগান জামে মসজিদের গলী ( চার তলা মসজিদ ) ] , ধামরাই , ঢাকা ।.
.
01712 859950
01972 859950
1 996
ডেঙ্গু জ্বর চিকিৎসা নিয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
.
🟩 প্রতিরোধে কী করবেন ?
★ ১) অবশ্যই মশারি টাঙিয়ে ঘুমাবেন অন্য সময় খাঁটি নারিকেল তেলের সাথে ইবনে সিনা কোম্পানির হায়াত অথবা হামদর্দ কোম্পানির কুলজম মিশ্রিত করুন । মেশানোর অনুপাত হবে নারিকেল তেল ২ ভাগ + উল্লেখিত ওষুধ ১ ভাগ। এই মিশ্রণ হাত পা মুখমণ্ডল অর্থাৎ দেহের অনাবৃত অংশে চার ঘন্টা পর পর ( যখন মশারির বাহিরে থাকবেন তখন ) মেখে নিন। এতে ডেঙ্গু মশার কামড় থেকে আপনি মোটামুটি অন্যদের চেয়ে নিরাপদ থাকবেন।
★ ২) প্রতিদিন সকালে এক গ্লাস লেবুর শরবত ও রাতে এক গ্লাস লেবুর শরবত খাবেন। এছাড়াও ভিটামিন সি যুক্ত সিজনাল ফল প্রতিদিন সাধারণ খাবারের সাথে রাখবেন। লেবুর শরবত গরম পানিতে খাবেন না অথবা গরম করবেন না , কারণ গরমে ভিটামিন সি নষ্ট হয়ে যায়। ভিটামিন সি খাবার ফলে অন্যদের চেয়ে আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেশি থাকবে এবং ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য আপনার শরীর প্রস্তুত থাকবে।(লেবুর শরবত অনেকের গ্যাস্টাইটিস এর সমস্যা বাড়িয়ে দেয় বিষয়টি মাথায় রাখবেন)
★ ৩) প্রতিদিন সকালে একটা ও রাতে একটা স্পিরুলিনা ক্যাপসুল / ট্যাবলেট খান। বাজারে রেডিয়েন্ট কোম্পানির Pirulin , একমি কোম্পানির Acme's Spirulina , ইবনে সিনা কোম্পানির ডিরুলিনা , স্কয়ার কোম্পানির Navit নামে স্পিরুলিনা ট্যাবলেট বা ক্যাপসুল পাওয়া যাচ্ছে। অন্যান্য আরো অনেক কোম্পানির আছে কিন্তু আমি যে কোম্পানি গুলো বললাম ,এই কোম্পানিগুলোর স্পিরুলিনা গুণগতমান ভালো। স্পিরুলিনা খেলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেড়ে যায়।
৪) প্রতিদিন সকালে ও রাতে 4-5 ফোঁটা কালোজিরা তেল + ২ চা চামচ মধু মিশিয়ে খেতে পারেন। (ডায়াবেটিস রোগীরা মধু খাবেন না । কালোজিরার তেল প্রোল্যাকটিন হরমোন অনেকক্ষেত্রে বাড়িয়ে দেয় এবং কোন কোন ক্ষেত্রে পেটে হাইড্রোক্লোরিক এসিডের ক্ষরণ বাড়িয়ে দেয় তাই এ বিষয়গুলো মাথায় রাখবেন )
.
.
🟩 জ্বর হলে কি করবেন ?
★ ১) ডেঙ্গু জ্বর হোক বা না হোক জ্বর হলেই দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে যোগাযোগ করুন। এখন সিজন ভালো না জ্বর হলে নানা কারণে জ্বর হতে পারে ।
★ ২) হাসপাতালে পৌঁছানোর আগ পর্যন্ত অথবা চিকিৎসা শুরুর আগ পর্যন্ত বায়োকেমিক ওষুধ ট্যাবলেট ফেরাম ফস পাওয়ার বা শক্তি 6X , ( সকল হোমিওপ্যাথিক ওষুধের দোকানে পাবেন ) । প্রাপ্তবয়স্করা চারটি করে ট্যাবলেট দুই ঘন্টা পর পর চুষে খেতে থাকুন। ( এই ওষুধ রাতে খেলে ঘুম কমে যেতে পারে )
★ ৩) রক্ত পরীক্ষা করে যদি দেখা যায় রক্তের প্লাটিলেট কমে যাচ্ছে তাহলে সবুজ কয়েকটি এলাচির দানা মুখের ভিতর দুই গালে রেখে দিন। এর ফলে প্লাটিলেট দ্রুত বাড়তে সাহায্য করবে।
★ ৪) চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে প্রতিদিন তিন বেলা 30ml পরিষ্কার পেঁপে পাতার রস খেতে পারেন, এর ফলে ও রক্তের প্লাটিলেট দ্রুত বাড়তে সাহায্য করবে। তবে মাথায় রাখবেন পেঁপে পাতার রস প্লাটিলেট স্বাভাবিক অবস্থায় না খাওয়াই ভালো।
পেপে পাতা না পাওয়া গেলে স্কয়ার কোম্পানির ন্যাচারাল ডিভিশনের ওষুধ Syp.Caripa 200ml
বড়দের জন্য তিন চা চামচ তিনবার পাঁচ দিন খাবেন । এই ওষুধটি পেপে পাতা দিয়ে তৈরি করা হয়েছে।
★ ৫) ডেঙ্গু জ্বর হলে , তাই উপরে বর্ণিত নিয়মের সাথে সাথে প্রচুর তরল খাবার , পানিয় ও পানি পান করতে হয়, বিশ্রামে থাকতে হয়। এবং অবশ্যই চিকিৎসকের অধীনে থাকতে হয় কারণ হচ্ছে যে কোন মুহূর্তে জটিল অবস্থার তৈরি হলে যাতে জরুরি চিকিৎসা সাহায্য পাওয়া যেতে পারে।
🟩 যেখানে কোন ডাক্তার নাই বা চিকিৎসার সুযোগ সুবিধা নাই এমন জরুরী অবস্থায়:
⭐ হামদর্দ কোম্পানির সিরাপ এন্টিফেভ ( অমৃতারিস্ট ) ৩ চা চামচ করে ২ বার আধা গ্লাস পানিসহ খেতে পারেন অথবা হামদর্দ কোম্পানির সিরাপ ফেভনিল ( খাকসী ) চার চা চামচ করে রোজ তিনবার খাবেন।
.
⭐ এন্ড্রোগ্রাফিস পেনিকুলেটা গ্রুপের ট্যাবলেট বা ক্যাপসুল খেতে পারেন , এই হার্বস ভাইরাসের বিরুদ্ধে কাজ করে। এই গ্রুপের ওষুধ ইবনে সিনা কোম্পানি Flucare , একমি কোম্পানি Hepafil , স্কয়ার কোম্পানি Livolite নামে বাজারজাত করেছে। এই ওষুধের খাওয়ার নিয়ম হচ্ছে ১ টি করে ট্যাবলেট অথবা ক্যাপসুল তিনবার খাবার পর খেতে হবে ৭ দিন ।
⭐ স্কয়ার কোম্পানির ন্যাচারাল ডিভিশনের ওষুধ Syp.Caripa 200ml
বড়দের জন্য তিন চা চামচ করে দিনে তিনবার পাঁচ দিন খাবেন ।
আবারো বলি, এগুলো অবশ্যই এমন জরুরি অবস্থার চিকিৎসা , যেখানে কোন ডাক্তার নেই। সাথে প্রচুর পানি, বিশ্রাম, তরল খাবার , ভিটামিন সি যুক্ত খাবার খেতে হবে।
কোনোভাবেই চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনো ব্যথার ওষুধ বা অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়া যাবে না।
1 996
গায়রে মাহরাম কখনোই নিরাপদ না, যদিও সে সবচেয়ে দুনিয়ার সবচেয়ে তাকওয়াবান মানুষ হয়ে থাকে। কারণ মানুষের হৃদয় দ্রুত পরিবর্তনশীল। আর শয়তান সুযোগ-সন্ধানী।
.
- ইবন তাইমিয়্যা (রাহিমাহুল্লাহ)
[শারহুল উমদাহ: ৪/৭৮]
وغير المحرم لا يؤمن ولو كان أتقى الخلق؛ فإن القلوب سريعة التقلب، والشيطان بالمرصاد
© আব্দুল্লাহ মজুমদার
1 996
"আমাকে সবচেয়ে সুন্দর শিষ্টাচারের দিশা দাও! তুমি ছাড়া কেউ সুন্দর শিষ্টাচারের দিশা দিতে পারে না। আমার কাছ থেকে মন্দ আচরণ দূর করে দাও! তুমি ছাড়া আর কেউ মন্দ আচরণ দূর করতে পারে না।"
আল্লাহ্র রাসূল (ﷺ) রাতের বেলা সালাতের শুরুতে যে দোয়া পড়তেন, তার একাংশে রয়েছে -
وَاهْدِنِيْ لِأَحْسَنِ الْأَخْلَاقِ لَا يَهْدِيْ لِأَحْسَنِهَا إِلَّا أَنْتَ وَاصْرِفْ عَنِّي سَيِّئَهَا لَا يَصْرِفُ عَنِّي سَيِّئَهَا إِلَّا أَنْتَ
ওয়াহদিনী লিআহসানিল আখলা-ক্বি, লা ইয়াহ্দী লিআহ্সানিহা- ইল্লা আনতা। ওয়াসরিফ ‘আন্নী সায়্যিআহা- লা ইয়াসরিফু আন্নী সায়্যিআহা- ইল্লা আনতা
আমাকে সবচেয়ে সুন্দর শিষ্টাচারের দিশা দাও! তুমি ছাড়া কেউ সুন্দর শিষ্টাচারের দিশা দিতে পারে না। আমার কাছ থেকে মন্দ আচরণ দূর করে দাও! তুমি ছাড়া আর কেউ মন্দ আচরণ দূর করতে পারে না।
রেফারেন্সঃ মুসলিমঃ ৭৭১
Source: দোয়া ও রুকিয়াহ অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ, IRD
1 996
মোটাদাগে এসময় জ্বর হলে কি করবেন?
----------------------------------
আজকে ২২০০+ ডেংগু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এই সংখ্যা আরো বাড়তে পারে। মহামারী পিক হতে পারে আগষ্ট-সেপ্টম্বর মাসে। তাই দীর্ঘ সময়ের জন্য প্রস্তুতির বিষয় এটি।
ডেঙ্গু থেকে সতর্কতার জন্য করণীয়
------------------------------------
১/ বর্তমান সময়ে জ্বর আসলেই সেটাকে ডেঙ্গু মনে করা, বিশেষ করে যারা ঢাকায় থাকেন। এমনকি টেস্টে নেগেটিভ আসলেও। কেননা, ডেঙ্গু হওয়ার পরও বিভিন্ন কারণে টেস্ট নেগেটিভ আসতে পারে।
২/ ট্রিটমেন্ট হলো, প্রাথমিকভাবে প্যারাসিটামল গ্রহণ করা। পাশাপাশি প্রচুর পরিমাণে লিকুইড গ্রহণ করা। যেমন, স্যালাইন, স্যুপ, জুস, ডাবের পানি, নরমাল পানি ইত্যাদি। (দিনে যেনো কমপক্ষে ৬/৭ বার প্রস্রাব হয়)
৩/ জ্বর আসার একদিন পরেই NS1 তথা ডেঙ্গু টেস্ট করা উচিত। রেজাল্ট পজিটিভি বা নেগেটিভ হওয়ার মূলে টাইম খুব গুরুত্বপূর্ণ।
৪/ বমি বা পাতলা পায়খানা, পেট ব্যথা ইত্যাদি সিম্পটম দেখা গেলে দ্রুত হসপিটালে ভর্তি করা।
৫/ জ্বর ভালো হওয়ার ২-৩ দিন পর পর্যন্ত লিকুইড খাওয়া অব্যাহত রাখা। জ্বর ভালো হওয়ার পরের সময়টিই সবচেয়ে ক্রিটিকাল। অনেকে এই সময় কলাপ্স করে।
৬/ প্লাটিলেট নিয়ে দুশ্চিন্তা না করা, লিকুইড খাওয়া অব্যাহত থাকলে জ্বর থেকে ভাল হলে কয়েকদিনের মধ্যে প্লাটলেট কাউন্ট নরমাল হয়ে যায়।
বাংলাদেশের চিকিতকরা ডেংগু ব্যবস্থাপনায় অনেক অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন। তাই তাদের ট্রিটমেন্টের উপর আস্থা রাখা। সর্বোপরি আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করা।
#dengue। #ডেঙ্গু
1 996
ছেঁড়া বা অচল নোট বিনিময় কিভাবে করবেন??
আপনার কাছে যদি এমন কোন নোট থেকে থাকে যা অত্যধিক ছেঁড়া বা পুরোই অচল। চিন্তার কিছু নেই,,আপনি চাইলেই তা বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে চেইঞ্জ করে নতুন নোট নিতে পারবেন।
এর জন্য আপনাকে যা করতে হবে--
ব্যাংকে যাওয়ার পূর্বে নোটের ছেঁড়া অংশে vertical বা horizontal ভাবে আঠা দিয়ে কাগজ লাগিয়ে নিবেন (ছবি)। ১০০/৫০০/১০০০ টাকার নোট হলে, লাগানো সাদা কাগজে আপনার নাম লিখে নিবেন।
এরপর বাংলাদেশ ব্যাংক, নিউমার্কেট শাখার ২ য় তলায়
১০০/৫০০/১০০০ টাকার নোটের জন্য কাউন্টার
নং ৪৫/৪৬
এবং ১০/২০/৫০ টাকার নোটের জন্য কাউন্টার নং ৬২
এ যাবেন। কাউন্টারে গিয়ে আপনার ছেঁড়া নোট জমা দিলেই কর্তব্যরত কর্মকর্তা আপনার ছেঁড়া নোট জমা নিয়ে নতুন নোট আপনাকে দিবেন। সম্পূর্ণ টাকাই আপনি পাবেন।কোন রকম ফি বা জরিমানা কর্তন করা হবে না।
PC:Md Nayem Uddin Tareq
1 996
গ্রামের একটা ছেলে প্রেম করতো। মেয়েটা বিকেলবেলা ফোন দিয়েছে, কী করো? ছেলেটা বলছে, আমার দোতলার ছাদের ফুলগাছগুলোয় পানি দিচ্ছি।
আসলে ভ্যান চালায়, ছাদ দূরে থাক একটা টিনের বাড়িও নেই।
আচ্ছা কোনোভাবে যদি ওই মেয়ের সাথে বিয়ে হয়, আর এসে আসল ব্যাপার জেনে যায়, সে কী ছেলেটাকে আগের মত সম্মান করবে?
পুরুষের ব্যাপারে একটা জিনিস খুব ভালো করে জেনে রাখা দরকার, পুরুষ সেখানেই যাবে, যেখানে সে সম্মান পায়, ইভেন জেলে হলেও। ছেলেরা অ্যাক্সিডেন্ট ভুলতে পারে, অসম্মান কোনোদিনও ভোলে না।
সম্মানের একটা বড় অংশ আসে রহস্য থেকে। কারো ব্যাপারে আগাগোড়া জেনে গেলে সেই সম্মান থাকে না। এলাকার বড়ভাইকে একদিন একা কান্নাকাটি করতে দেখলে আগের মত সম্মান করতে ইচ্ছে করবে?
অ্যারেঞ্জ ম্যারেজ টিকে যাওয়ার বড় একটা কারণ এই রহস্য। মেয়েটা প্রথম দিন থেকেই এসে দেখছে ঘরে প্লাস্টার করা নেই, উপরে টিন। সে আশাহত হবে না, কারণ তাকে ডুপ্লেক্স বাড়ীর লোভ দেখানো হয়নি।
সব একদম স্ক্রাচ থেকে শুরু হয়, এরপর স্বামীর ব্যপারে জানা যেকোনো পজিটিভ কিছু তাকে মুগ্ধ করবে।
নারীরা তার পুরুষের ব্যাপারে উচ্চ-ধারণা করতে পছন্দ করে।
পিচ্চি মেয়েরা যেভাবে বলে, 'আমার রিফাত কিন্ত আলাদা'।
এটা বলে কারণ রিফাত তার কাছে একটা রহস্য, সে রিফাতের ব্যাপারে সবকিছু জানে না।
আগের যুগে পুরুষ শিকারে বের হতো, ঘরে থাকা নারীরা কল্পনা করতো সে দুনিয়া জয় করে ফিরছে।
আপনি যখন সকালবেলা অফিসের জন্য বের হন, আপনার স্ত্রী ভাবে না জানি কী করছেন, সেটা তার কাছে রহস্য, আর এই রহস্যই অন্যতম কারণ সে আপনাকে সম্মান করে।
অনেক বোকা পুরুষ এই রহস্য ভেঙ্গে দেয়, তার স্ত্রী হয়ত ভাবছিলো সে যুদ্ধ জয় করে ফিরছে, অথচ সে নিজেই টেক্সট করে জানালো ফ্যানের নিচে বসে পা দোলাচ্ছে।
ছোট ব্যবসায়ীরা এই ব্যপারে বেশ ঝামেলায় থাকেন। তার বৌ জানেই সে সারাদিন দোকানে বসে কাটায়, চাইলেও তাই কোনো উচ্চ চিন্তা করতে পারেনা। ইভেন ঝগড়ার সময়ও টেনে আনে, "তুমি তো সারাদিন বসেই কাটাও"।
**এই ব্যাপারে হামজা আহমেদের দারুণ একটা ভিডিও আছে, লিংক কমেন্টে থাকবে।
এলাকার বড়ভাইয়ের গল্প শোনাই। ভাই আগে সারাদিন আড্ডা দিত, তাস-পাবজি, আর বিকেলবেলার ফুটবল। বিয়ের পর আর ভাইকে দেখাই যায় না। কেবল ভাবতাম, সব বড়ভাইরাই কি বিয়ের পরে এরকম বউ পাগল হয়ে যায়?
পরে আস্তে আস্তে বুঝলাম কী ঘটেছে।
ভাঙ্গাচোরা মানুষটাকে অটোওয়ালা, তরকারীর ব্যবসায়ি, এলাকার পেশাজীবীরা কেউ বিন্দুমাত্র সম্মানের চোখে দেখে নাই, বেকার-ছন্নছাড়া, বাপের পয়সায় চলে,পজিশন নেই। তাই এতবছর পর কেউ যখন তার ভয়েসের প্রশংসা করছে, তার অস্তিত্বের ব্যাপারে সবাই যত্নবান হয়ে উঠেছে, তখন আর ভাইয়ের আর বাইরের কাউকে পাত্তা দেয়ার দরকার পড়ছে না।
এর আগে মাত্র একবারই তাকে এমন কেয়ার করা হয়েছে, সেটা তার জন্মের পর।
ভাই যেন সত্যি সত্যি নতুন করে জন্ম নিয়েছে।
ভাই বলছিলেন, একদিন মোটামুটি একটা ভিড় ঠেলে ঝালমুড়ি কিনলাম, তোদের ভাবী বলল, কিভাবে আনলেন? যে ভীড়!
তোরা জানিস এর চেয়ে কত ডেঞ্জারাস কাজ করছি, মারামারি করছি, এত সিম্পল একটা কাজের জন্য কেউ আমারে এরকম শ্রদ্ধা করবে জীবনে ভাবতে পারি নাই।
এক সময় পোলাপান নিয়ে এক ডজন স্পীডের বিল দিছি, কেউ পরেরদিন মনে রাখে নাই। এখন ৫০টাকার আইস্ক্রিম নিয়ে ঘরে যাই, আমার স্ত্রীর হাঁসি দেখে মনে হয়, আরেকটু দামীটা আনলে পারতাম!
ভাই এখন আর ১২টা পর্যন্ত বাইরে থাকে না, আগে সত্তর-আশির নিচে বাইক চালাতো না, এখন আর চল্লিশের উপর ওঠায় না।
যাইহোক রহস্যে ফিরি। ভাই বলেন, বৌ ফোন দেয়, এই ফোনকলটার জন্য আমি ২০ বছর ধরে ওয়েট করে ছিলাম। রিলেশনের বিয়ে টেকেনা তার একটা কারণ হলো, ওরা বিয়ের আগের দিনও ঘন্টা ধরে কথা বলেছে। তাই আজকের কলটার আলাদা কোনো মিনিং নাই।
অ্যারেঞ্জ ম্যারেজে যেমন একজন নতুন মানুষকে অল্প অল্প করে জানার আনন্দ (Joy of Exploration), যারা রিলেশন করে তাদের এক্সপ্লোর করার কিছু তো নাইই উলটো ফাও গালগল্প করে এত ভালো জিনিসটা পুরোপুরি নষ্ট করে ফেলে।
যাইহোক, আমরা বুঝে নিলাম, ভাই সুখেই আছে।
(নোটঃ লেখাটা গুগল কিপে ছিল, দ্বিধায় ছিলাম এই পেজের সাথে যায় কিনা। আপনারা যদি এই পেজে এরকম লেখা না চান তাহলে জানাতে পারেন, আমরা সরিয়ে নেব। ধন্যবাদ। )
______
✒️ Ahmad Khan
1 996
কোন বয়সে নারী-পুরুষের বিয়ে করা উচিত
ডা. অপূর্ব চৌধুরী
London, England
একজন পুরুষের সেক্স ড্রাইভ সবচেয়ে বেশি থাকে ১৪ থেকে ২৮ মাত্র । একজন নারীর ড্রাইভ বেশি থাকে ১৩ থেকে ২৬ মাত্র । তারপর কমতে থাকে একটু একটু করে । কিন্তু কমার রেশিও কম থাকে বলে এটি বোঝা যায় না সহজে ।
৩০ বছরের পর থেকে যত দিন বেঁচে থাকে, নারী ও পুরুষ উভয়ের, প্রতিবছর ড্রাইভ এন্ড ডিজায়ারের ১% করে কমতে থাকে ।
তার মানে আপনার যখন ৫০ বছর হয়, নারী হোক, পুরুষ হোক, স্বাস্থ্য ভালো থাকলে, শরীরে হরমোনজনিত কোন সমস্যা না থাকলে, আপনার সক্ষমতার মাত্র ২০% হারান । বাকি ৮০% অক্ষত থাকে ।
নারীদের এই বয়সে মেনোপজ হয় । অনেকের ধারনা এরপর সেক্স ড্রাইভ থাকে না বা কমে যায় । এটি ভুল । নারীদের এমন ধারনার কারণ : সামাজিক চাপ, দাম্পত্য মানসিক চাপ, পার্টনারের সাথে দূরত্ব এবং নতুন করে কারও সাথে সম্পর্কের সুযোগের অভাব, শরীরে বিভিন্ন রোগ বাঁধিয়ে ফেলা, সন্তানরা বড় হয়ে যাওয়ায় সামাজিক লজ্জায় চেপে রাখা, ধর্মীয় শাসনে নিজেকে বন্দি করে ফেলা, এমনসব কারণে সেক্স ড্রাইভ কমে যায় ।
তুলনামূলকভাবে পুরুষদের উপর এসব চাপ কম বলে তাদের একটিভ মনে হয় । বাস্তবে নারী ও পুরুষ, দুজনেরই একই সেক্স ডিজায়ার এন্ড ড্রাইভ থাকে ।
প্রজনন সক্ষমতার সাথে সেক্স ড্রাইভের কোন সম্পর্ক নেই ।
বয়স যখন কম থাকে, সেক্স ড্রাইভের বড় অংশ জুড়ে থাকে ফিজিক্যাল ডিমান্ড । বয়স যত বাড়তে থাকে ড্রাইভের বড় একটি অংশ থাকে মেন্টাল ডিমান্ড । মনে রাখবেন - সেক্স ড্রাইভ হলো ফিজিকেল এবং মেন্টাল ডিমান্ডের সমন্বয় ।
এই মেন্টাল এবং ফিজিক্যাল প্রপোরশান যখন সমান থাকে, তখন সেক্স প্লেজার তার সবচেয়ে পিক পয়েন্টে থাকে ।
সেক্স প্লেজারের ক্ষেত্রে পুরুষদের উত্তম বয়স ২২ থেকে ২৭ । নারীর উত্তম বয়স ২০ থেকে ২৫ ।
দুঃখজনক যে, আমাদের দেশে নারী-পুরুষ বিয়ে করে যখন ড্রাইভ তার কমতির দিকে যায় । আর যখন উপভোগের উত্তম সময়, তখন ওনারা জিকির করেন !
শারীরিক সক্ষমতা এবং প্রয়োজনের দিক থেকে ছেলেদের বিয়ে করার পারফেক্ট বয়স হওয়া উচিত ২১ থেকে ২৫ ।
মেয়েদের বিয়ে করার পারফেক্ট বয়স হওয়া উচিত ১৯ থেকে ২৩ ।
© Opurbo Chowdhury
现已上线!2025 年 Telegram 研究 — 年度关键洞察 
