1 955
订阅者
-124 小时
-67 天
-1730 天
帖子存档
1 955
শায়খ মুহাম্মাদ ইবনু উসায়মিন (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘এই দুনিয়ার জীবনে কোনও মানুষের পক্ষে সর্বদা আনন্দে থাকা সম্ভব নয়। তার একটি দিন যদি যায় প্রফুল্লতায়, তো আরেকটি দিন যাবে দুশ্চিন্তায় (এটাই স্বাভাবিক)।’ [ইবনু উসায়মিন, শারহু রিয়াদিস সালিহিন: ১/২৪৩]
1 955
কাবিননামায় সাক্ষর করলেই বিবাহ হয়ে যায়?
কাবিননামা হচ্ছে নিবন্ধন সনদ। কোনো বিবাহ সংঘটিত হওয়ার পর কাবিননামার মাধ্যমে তা সরকারিভাবে নিবন্ধন করা হয়। মৌখিক ইজাব কবুল ছাড়া শুধুমাত্র এতে দস্তখত করার দ্বারা বিবাহ সংঘটিত হয় না। বিবাহ সহীহ হওয়ার জন্য দুইজন পুরুষ বা একজন পুরুষ ও দুইজন মহিলার উপস্থিতিতে পাত্র-পাত্রীর কিংবা তাদের প্রতিনিধির মাধ্যমে মৌখিক ইজাব কবুল করা শর্ত।
[ফাতহুল কাদীর ৩/১০২, বাহরুর রায়েক ৩/৮৩, মাজমাউল আনহুর ১/৪৬৮, রদ্দুল মুহতার ৩/১২, ফাতাওয়া হিন্দিয়া ১/২৭০]
1 955
আদ্দাইয়ান ইবন কুত্বন আল-হারেসী তার মেয়েকে উপদেশ দেন,
.
“মেয়ে আমার! তোমার গলার আওয়াজ যেন তোমার স্বামীর আওয়াজের চাইতে উঁচু না হয়। তোমার আদেশ যেন তার আদেশের উপরে না থাকে। জেনে রাখো— সম্মানিতা নারী তারাই, যারা (স্বামীর কাছে) পরাজিত, বিজয়ীরা নয়। সে যদি তোমকে অল্প কিছু দেয়, সেটাকে তুমি বেশি মনে করো, তুচ্ছজ্ঞান করো না। সে যদি তোমার জন্য বেশি বেশি করে, তাহলে কৃতজ্ঞতা পোষণ করো, বড়াই করো না।
তার কোনো স্বভাব তোমার কাছে খারাপ মনে হলে তার প্রতি সদয় হবে। জেনে রাখো— অভাবগ্রস্ত হলেও যে মানুষটা দানশীল, সে দশজন কৃপণ ধনী থেকে উত্তম।"
.
[ইবনুদ্দাজ্জাজীর ”সাফাত্বুল মুলাহ ওয়া-যাওহুত তারাহ”: ১/৫৭]
1 955
জিনদের ধর্মীয় বিধি-বিধান:
মানুষের মতো জিনদের ক্ষেত্রেও ধর্মীয় অনুশাসনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। তাদের ইহকালীন কৃতকর্মের জন্য হাশরের ময়দানে নিজ নিজ কর্মের হিসাব দিতে হবে। সৎকর্মশীলদের জন্য জান্নাত এবং মন্দ কর্মের জন্য অপরাধীদের জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে। (সুরা : আরাফ, আয়াত : ৩৪)। আরও বলা হয়েছে “আমি জ্বীন ও মানুষকে কেবলমাত্র আমার ইবাদতের জন্য সৃষ্টি করেছি” (সূরা আয্-যারিয়াত, ৫৬)। “ পৃথিবীতে তিন ধরনের জ্বীন আছে- এক প্রকারের জ্বীন পাখার মাধ্যমে বাতাসে ওড়ে, এক প্রকারের জ্বীন সাপ এবং মাকড়শার আকারে থাকে, শেষ প্রকারের জ্বীনরা সাধারনভাবে থাকে এবং চলাচল করে।” (আত তাবারানী, আল হাকিম ৩৭০২, বায়হাক্বী এবং সহীহ আল জামে’ ৩১১৪)। নাম ও কাজ অনুযায়ী -
ইবলিস: এই জ্বীন আদম আঃ কে সিজদা/সালাম করতে অস্বীকার করেছিল বলে কুরআনে বর্ণিত হয়েছে। মুসলিমরা বিশ্বাস করে, এই জ্বীন জান্নাতে থাকাকালে আদম আঃ কে আল্লাহর আদেশ অমান্য করতে প্ররোচিত করেছিল এবং পৃথিবীতেও সে মানুষদেরকে পথভ্রষ্ট করে।
খানজাব: এই জ্বীন সালাতরত মানুষের মনে নানারকম চিন্তা ঢুকিয়ে নামাজ থেকে অমনোযোগী ও উদাসীন করে তুলে।[৯]
ওলহান: এরা হচ্ছে একপ্রকার শয়তান জ্বীন যারা মানুষকে ওযুর সময় ওয়াসওয়াসা দেয়।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]
ক্বারীন: ক্বারিন অর্থ হচ্ছে সংগী, প্রত্যেক মানুষের সাথেই শয়তান জ্বীন লেগে থাকে, সংগী হিসেবে। এরা সবসময় বান্দার অন্তরে খারাপ চিন্তা ঢুকিয়ে দিয়ে পাপ কাজ করতে উৎসাহিত করে। “যে এই আয়াত (আয়াতুল কুরসী) পড়বে, আল্লাহ তা’আলা তার জন্য একজন প্রহরী নিযুক্ত করে দিবেন এবং কোন পুরুষ এবং নারী জ্বীন-শয়তান তার কাছে আসতে পারবে না।” (সহিহ বুখারী, ৫০১০)।
1 955
আপনি হয়তো ভাবছেন শুক্রবারের এই দিনটায় কি করবেন, হয়তো ফোন চালিয়েই কাটিয়ে দিতে চাচ্ছেন পুরো বিকেল। কিন্তু সবচেয়ে উত্তম একটি সিদ্ধান্ত হবে যদি আপনি আপনার স্ত্রীকে নিয়ে বাইরে ঘুরতে বের হন।
সারা সপ্তাহের ক্লান্তি যেন আমাদের ছাড়তেই চায়না। তাই অনেকেই অলসতায়, শুয়ে, বসে শুক্রবারের এই দিনটি কাটায়। এতে করে সুন্দর একটি সময় থেকে স্বামী স্ত্রী বঞ্চিত হয়। অথচ বাইরে থেকে ঘুরে আসলে স্বামী স্ত্রীর সম্পর্কটা আরো গভীর হতো।
তাই ভাইদের প্রতি পরামর্শ থাকবে এ দিনটি যেন মিস না হয়। যেকোন সুন্দর একটি জায়গা থেকে ঘুরে আসুন। দেখবেন ভালো লাগবে।
বোনদের প্রতি পরামর্শ থাকবে আপনার স্বামীকে উৎসাহিত করুন,তাকে বোঝান এতে করে যে ভালোবাসা বৃদ্ধি পায়। সময়টাকে দামী করে তুলুন।
দিনশেষে একটা কথা মাথায় রাখবেন, সন্তানের বিয়ে হয়ে যাবে, পরিবারের প্রতিটি সদস্য আলাদা জায়গাতে চলে যাবে। থেকে যাবেন আপনারা দুইজন স্বামী স্ত্রী 💜
1 955
খানা খাওয়ার সময় সালাম দেয়া কি নিষিদ্ধ?
উত্তরঃ
بسم الله الرحمن الرحيم
যদি সালামকৃত ব্যক্তির মুখে লুকমা হয়। এমতাবস্থায় তার জন্য সালামের উত্তর দেয়া কষ্টকর হয়, তাহলে খানারত ব্যক্তিকে সালাম দেয়া মাকরূহ। কিন্তু যদি মুখে লুকমা না হয়, বা উত্তর দিতে কোন কষ্ট না হয়, তাহলে খানারত ব্যক্তিকে সালাম দিতে কোন সমস্যা নেই। [ফাতাওয়া উসমানী-৪/৪৩৫]
আমাদের সমাজের অনেক ব্যক্তিকে দেখা যায় যে, খানারত ব্যক্তিকে সালাম দিলে, তিনি খানা থেকে মুখ তুলে বলেন যে, খানা খাচ্ছি, তাই সালামের উত্তর দিতে পারছি না। অথচ তিনি একথা যখন বলছেন, তখন অনায়াসে সালামের উত্তর দিতে পারেন।
তা’ই খানা খাওয়া অবস্থায় সালামের উত্তর দেয়া যাবে না, এমন কথা আমভাবে বলা সঠিক নয়। বরং সুযোগ থাকলে উত্তর যেমন দেয়া যাবে, তেমনি তাকে সালাম দিতেও কোন সমস্যা নেই।
أَنَّ الْكَرَاهَةَ إنَّمَا هِيَ فِي حَالَةِ وَضْعِ اللُّقْمَةِ فِي الْفَمِ، كَمَا يَظْهَرُ مِمَّا فِي حَظْرِ الْمُجْتَبَى: يُكْرَهُ السَّلَامُ عَلَى الْعَاجِزِ عَنْ الْجَوَابِ حَقِيقَةً كَالْمَشْغُولِ بِالْأَكْلِ أَوْ الِاسْتِفْرَاغِ، (رد المحتار، كتاب الصلاة، باب ما يفسد الصلاة وما يكره فيها-1/415)
وَقَالَ النَّوَوِيّ: وَيسْتَثْنى من الْعُمُوم بابتداء السَّلَام من كَانَ مشتغلاً بِأَكْل أَو شرب أَو جماع، أَو كَانَ فِي الْخَلَاء أَو الْحمام أَو نَائِما أَو ناعساً أَو مُصَليا أَو مُؤذنًا مَا دَامَ ملتبساً بِشَيْء مِمَّا ذكر، فَلَو لم تكن اللُّقْمَة فِي فَم الْآكِل مثلا شرع السَّلَام عَلَيْهِ، (عمدة القارى شرح صحيح البخارى، كتاب الأدب، باب افشاء السلام-18/353، وكذا فى فتح البارى شرح صحيح البخارى-11/30
والله اعلم بالصواب
বিস্তারিত জানতে পড়ুন
https://facebook.com/100084657573887/posts/252495594249025/
1 955
বাবা-মায়েদের সহবাসে সচেতনতা
শারিরিক মিলন একটি প্রাকৃতিক চাহিদা। বর্তমান সময়ে ১০ বছরের ছেলে মেয়েদের শারিরিক পরিবর্তন হয়ে যায়।তখন থেকেই তাড়া শারারিক মিলন সম্পকে একটু একটু জানতে পারে এবং উত্তেজনা ফিল করে।
বর্তমান সময়ে এক জরিপে দেখা যায় যে, ৯০% ছেলে মেয়ের প্রথম যৌন অনুভুতি তৈরি হয় তাদের পরিবার থেকে। বাবা মা যখন সহবাস করেন তখন প্রাপ্ত বয়স্ক ছেলে মেয়েরা বুঝতে পারেন।
সহবাসের সময় তৃপ্তি জনিত আওয়াজ এবং বাবা মার অসাবধানতার কারনে ছেলে মেয়েরা বুঝে যায় বাবা মা সহবাস করছেন।
তাই বাবা মাকে অবশ্যই সচেতন হতে হবে, ৭ বছরের উপরের ছেলে মেয়েদের আলাদা রুম দিতে হবে।
বাবা মার রুম গুলো একটু দূরে নিতে হবে যাতে তারা অনাকাঙ্ক্ষিত কোন কিছু বুঝতে না পারে ।
সহবাসের সময় বেছে নিতে হবে ছেলে মেয়েদের ঘুমানোর
পরে।
প্রত্যেক মায়ের উচিত ছেলের সামনে পোশাকে সংযত থাকা পর্দা করা।
বড় ছেলে মেয়েদের সামনে ছোট বাচ্চাদের স্তন দান না করা।
মায়ের ব্যক্তিগত কাপড় ( পেটিকোট,পাজামা) নির্দিষ্ট স্থানে রাখা, যাতে ছেলের নজরে না আসে।
যুক্ত হতে পারেন 👉 Recycle Bin FMA
1 955
পিরিয়ডের ব্যথা কমানোর ঘরোয়া উপায়
বেশির ভাগ নারীরই পিরিয়ডের সময় অসহ্য ব্যথা হয়। এই ব্যথা সাধারণ তলপেট থেকে শুরু হয়ে কোমর, ঊরু ও পা পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে। অনেকের সারা শরীর ব্যথা কিংবা বমিও হতে দেখা যায়।
এই যন্ত্রণা থেকে রেহাই পেতে আপনি মেনে চলতে পারেন কিছু ঘরোয়া উপায়।
হালকা ব্যায়াম: বিশেষজ্ঞরা পিরিয়ডের সময় বিভিন্ন ধরনের যোগাসন, বিশেষ করে প্রাণায়াম এবং শবাসন করতে পরামর্শ দিয়ে থাকেন। এ ধরনের ব্যায়াম পিরিয়ডের ব্যথা কমানোর পাশাপাশি শরীরকে অনেকটাই শিথিল করে।
✅আদা:
পিরিয়ডের ব্যথা থেকে আরাম পেতে খেতে লারেন আদা। আদা কার্যকরভাবে পিরিয়ডের ব্যথা কমাতে পারে। এটি প্রোস্টাগ্ল্যান্ডিনের মাত্রা কমায়, অনিয়মিত পিরিয়ডকে নিয়মিত করে এবং ক্লান্তির বিরুদ্ধে লড়াই করতেও সহায়তা করে।
✅হিটিং প্যাড:
পিরিয়ডের সময় হিটিং প্যাড বা হট ব্যাগ অসহ্য ব্যথা থেকে স্বস্তি দেয়। এ সময় পিঠের ব্যথা কম করার জন্য পিঠের নিচের অংশে হিটিং প্যাড রাখা যেতে পারে। হালকা গরম পানিতে গোসলের পাশাপাশি গরম তরল পদার্থ পান করলেও স্বস্তি পাওয়া যায় অনেকটাই।
✅লেবু দিয়ে গ্রীন টি:
পিরিয়ড এর ব্যথা থেকে স্বস্তি পেতে লেবু দিয়ে গ্রীন টি পান করতে পারেন।
✅ পিরিয়ডের ব্যথা থেকে স্বস্তি পেতে ডায়েট লিস্ট থেকে অধিক তেল ও মসলাযুক্ত খাবার বাদ দিন।এবং ক্যাফিনযুক্ত পানীয় কম গ্রহণ করুন।
ডাঃ ইসরাত শারমিন।
স্ত্রী ও প্রসূতি রোগ বিশেষজ্ঞ ও সার্জন
কনসালটেন্ট ( গাইনী এন্ড অবস)
পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার লিঃ
বরিশাল।
মোবাইলঃ ০১৭১৬১৬৭৮৭৯
1 955
.
( বিশেষ দ্রষ্টব্য: এই লেখা চিকিৎসার অথবা চিকিৎসকের বিকল্প নয় )
.
ধন্যবাদ সবাইকে যারা কষ্ট করে এই লেখাটি পড়লেন, আল্লাহ আমাদের সবাইকে ডেঙ্গু জ্বর থেকে সুস্থ রাখুক ভাল রাখুক।
.
লেখক:
.
মোঃ ফাইজুল হক
২১ বছরের অভিজ্ঞ হোমিওপ্যাথিক, আয়ুর্বেদিক এবং ইউনানী চিকিৎসক , শিক্ষক ও লেখক
Gov. Registered Ayurvedic , Unani and Homoeopathic Physician , Ayurved Tirtha
Trained on Cognitive-Behavior Therapy for Depression (DU)
Trained on Therapeutic Counselling
(Department of Clinical Psychology, University of Dhaka)
.
চেম্বারঃ বাসা# এ-৩৮/১ , ইসলামপুর , [হাসপাতাল রোড , খাদ্য গোডাউন মোড়ের একটু আগে আমবাগান জামে মসজিদের গলী ( চার তলা মসজিদ ) ] , ধামরাই , ঢাকা ।.
.
01712 859950
01972 859950
1 955
ডেঙ্গু জ্বর চিকিৎসা নিয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
.
🟩 প্রতিরোধে কী করবেন ?
★ ১) অবশ্যই মশারি টাঙিয়ে ঘুমাবেন অন্য সময় খাঁটি নারিকেল তেলের সাথে ইবনে সিনা কোম্পানির হায়াত অথবা হামদর্দ কোম্পানির কুলজম মিশ্রিত করুন । মেশানোর অনুপাত হবে নারিকেল তেল ২ ভাগ + উল্লেখিত ওষুধ ১ ভাগ। এই মিশ্রণ হাত পা মুখমণ্ডল অর্থাৎ দেহের অনাবৃত অংশে চার ঘন্টা পর পর ( যখন মশারির বাহিরে থাকবেন তখন ) মেখে নিন। এতে ডেঙ্গু মশার কামড় থেকে আপনি মোটামুটি অন্যদের চেয়ে নিরাপদ থাকবেন।
★ ২) প্রতিদিন সকালে এক গ্লাস লেবুর শরবত ও রাতে এক গ্লাস লেবুর শরবত খাবেন। এছাড়াও ভিটামিন সি যুক্ত সিজনাল ফল প্রতিদিন সাধারণ খাবারের সাথে রাখবেন। লেবুর শরবত গরম পানিতে খাবেন না অথবা গরম করবেন না , কারণ গরমে ভিটামিন সি নষ্ট হয়ে যায়। ভিটামিন সি খাবার ফলে অন্যদের চেয়ে আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেশি থাকবে এবং ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য আপনার শরীর প্রস্তুত থাকবে।(লেবুর শরবত অনেকের গ্যাস্টাইটিস এর সমস্যা বাড়িয়ে দেয় বিষয়টি মাথায় রাখবেন)
★ ৩) প্রতিদিন সকালে একটা ও রাতে একটা স্পিরুলিনা ক্যাপসুল / ট্যাবলেট খান। বাজারে রেডিয়েন্ট কোম্পানির Pirulin , একমি কোম্পানির Acme's Spirulina , ইবনে সিনা কোম্পানির ডিরুলিনা , স্কয়ার কোম্পানির Navit নামে স্পিরুলিনা ট্যাবলেট বা ক্যাপসুল পাওয়া যাচ্ছে। অন্যান্য আরো অনেক কোম্পানির আছে কিন্তু আমি যে কোম্পানি গুলো বললাম ,এই কোম্পানিগুলোর স্পিরুলিনা গুণগতমান ভালো। স্পিরুলিনা খেলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেড়ে যায়।
৪) প্রতিদিন সকালে ও রাতে 4-5 ফোঁটা কালোজিরা তেল + ২ চা চামচ মধু মিশিয়ে খেতে পারেন। (ডায়াবেটিস রোগীরা মধু খাবেন না । কালোজিরার তেল প্রোল্যাকটিন হরমোন অনেকক্ষেত্রে বাড়িয়ে দেয় এবং কোন কোন ক্ষেত্রে পেটে হাইড্রোক্লোরিক এসিডের ক্ষরণ বাড়িয়ে দেয় তাই এ বিষয়গুলো মাথায় রাখবেন )
.
.
🟩 জ্বর হলে কি করবেন ?
★ ১) ডেঙ্গু জ্বর হোক বা না হোক জ্বর হলেই দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে যোগাযোগ করুন। এখন সিজন ভালো না জ্বর হলে নানা কারণে জ্বর হতে পারে ।
★ ২) হাসপাতালে পৌঁছানোর আগ পর্যন্ত অথবা চিকিৎসা শুরুর আগ পর্যন্ত বায়োকেমিক ওষুধ ট্যাবলেট ফেরাম ফস পাওয়ার বা শক্তি 6X , ( সকল হোমিওপ্যাথিক ওষুধের দোকানে পাবেন ) । প্রাপ্তবয়স্করা চারটি করে ট্যাবলেট দুই ঘন্টা পর পর চুষে খেতে থাকুন। ( এই ওষুধ রাতে খেলে ঘুম কমে যেতে পারে )
★ ৩) রক্ত পরীক্ষা করে যদি দেখা যায় রক্তের প্লাটিলেট কমে যাচ্ছে তাহলে সবুজ কয়েকটি এলাচির দানা মুখের ভিতর দুই গালে রেখে দিন। এর ফলে প্লাটিলেট দ্রুত বাড়তে সাহায্য করবে।
★ ৪) চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে প্রতিদিন তিন বেলা 30ml পরিষ্কার পেঁপে পাতার রস খেতে পারেন, এর ফলে ও রক্তের প্লাটিলেট দ্রুত বাড়তে সাহায্য করবে। তবে মাথায় রাখবেন পেঁপে পাতার রস প্লাটিলেট স্বাভাবিক অবস্থায় না খাওয়াই ভালো।
পেপে পাতা না পাওয়া গেলে স্কয়ার কোম্পানির ন্যাচারাল ডিভিশনের ওষুধ Syp.Caripa 200ml
বড়দের জন্য তিন চা চামচ তিনবার পাঁচ দিন খাবেন । এই ওষুধটি পেপে পাতা দিয়ে তৈরি করা হয়েছে।
★ ৫) ডেঙ্গু জ্বর হলে , তাই উপরে বর্ণিত নিয়মের সাথে সাথে প্রচুর তরল খাবার , পানিয় ও পানি পান করতে হয়, বিশ্রামে থাকতে হয়। এবং অবশ্যই চিকিৎসকের অধীনে থাকতে হয় কারণ হচ্ছে যে কোন মুহূর্তে জটিল অবস্থার তৈরি হলে যাতে জরুরি চিকিৎসা সাহায্য পাওয়া যেতে পারে।
🟩 যেখানে কোন ডাক্তার নাই বা চিকিৎসার সুযোগ সুবিধা নাই এমন জরুরী অবস্থায়:
⭐ হামদর্দ কোম্পানির সিরাপ এন্টিফেভ ( অমৃতারিস্ট ) ৩ চা চামচ করে ২ বার আধা গ্লাস পানিসহ খেতে পারেন অথবা হামদর্দ কোম্পানির সিরাপ ফেভনিল ( খাকসী ) চার চা চামচ করে রোজ তিনবার খাবেন।
.
⭐ এন্ড্রোগ্রাফিস পেনিকুলেটা গ্রুপের ট্যাবলেট বা ক্যাপসুল খেতে পারেন , এই হার্বস ভাইরাসের বিরুদ্ধে কাজ করে। এই গ্রুপের ওষুধ ইবনে সিনা কোম্পানি Flucare , একমি কোম্পানি Hepafil , স্কয়ার কোম্পানি Livolite নামে বাজারজাত করেছে। এই ওষুধের খাওয়ার নিয়ম হচ্ছে ১ টি করে ট্যাবলেট অথবা ক্যাপসুল তিনবার খাবার পর খেতে হবে ৭ দিন ।
⭐ স্কয়ার কোম্পানির ন্যাচারাল ডিভিশনের ওষুধ Syp.Caripa 200ml
বড়দের জন্য তিন চা চামচ করে দিনে তিনবার পাঁচ দিন খাবেন ।
আবারো বলি, এগুলো অবশ্যই এমন জরুরি অবস্থার চিকিৎসা , যেখানে কোন ডাক্তার নেই। সাথে প্রচুর পানি, বিশ্রাম, তরল খাবার , ভিটামিন সি যুক্ত খাবার খেতে হবে।
কোনোভাবেই চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনো ব্যথার ওষুধ বা অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়া যাবে না।
1 955
গায়রে মাহরাম কখনোই নিরাপদ না, যদিও সে সবচেয়ে দুনিয়ার সবচেয়ে তাকওয়াবান মানুষ হয়ে থাকে। কারণ মানুষের হৃদয় দ্রুত পরিবর্তনশীল। আর শয়তান সুযোগ-সন্ধানী।
.
- ইবন তাইমিয়্যা (রাহিমাহুল্লাহ)
[শারহুল উমদাহ: ৪/৭৮]
وغير المحرم لا يؤمن ولو كان أتقى الخلق؛ فإن القلوب سريعة التقلب، والشيطان بالمرصاد
© আব্দুল্লাহ মজুমদার
