PUSAB OFFICIAL
Offcial Telegram Channel Of Private University Students Aliance of Bangladesh - PUSAB facebook.com/com/PrivateUSAB
إظهار المزيد📈 نظرة تحليلية على قناة تيليجرام PUSAB OFFICIAL
تُعد قناة PUSAB OFFICIAL (@pusabofficial) في القطاع اللغوي البنغالي لاعباً نشطاً. يضم المجتمع حالياً 51 402 مشتركاً، محتلاً المرتبة 3 391 في فئة التعليم والمرتبة 295 في منطقة بنغلاديش.
📊 مؤشرات الجمهور والحراك
منذ تأسيسه في невідомо، حقق المشروع نمواً سريعاً وجمع 51 402 مشتركاً.
بحسب آخر البيانات بتاريخ 19 يوليو, 2026، تحافظ القناة على نشاط مستقر. خلال آخر 30 يوماً تغيّر عدد الأعضاء بمقدار -865، وفي آخر 24 ساعة بمقدار -4، مع بقاء الوصول العام مرتفعاً.
- حالة التحقق: غير موثّقة
- معدل التفاعل (ER): يبلغ متوسط تفاعل الجمهور 6.12%. وخلال أول 24 ساعة من النشر يحصد المحتوى عادةً 3.21% من ردود الفعل نسبةً إلى إجمالي المشتركين.
- وصول المنشورات: يحصل كل منشور على متوسط 3 145 مشاهدة. وخلال اليوم الأول يجمع عادةً 1 652 مشاهدة.
- التفاعلات والاستجابة: يتفاعل الجمهور بانتظام؛ متوسط التفاعلات لكل منشور يبلغ 63.
📝 الوصف وسياسة المحتوى
يصف المؤلف القناة بأنها مساحة للتعبير عن الآراء الذاتية:
“Offcial Telegram Channel Of Private University Students Aliance of Bangladesh - PUSAB
facebook.com/com/PrivateUSAB”
بفضل وتيرة التحديث المرتفعة (أحدث البيانات بتاريخ 20 يوليو, 2026) تحافظ القناة على حداثتها ومستوى وصول مرتفع. وتُظهر التحليلات تفاعلاً نشطاً من الجمهور، ما يجعلها نقطة تأثير مهمة ضمن فئة التعليم.
جاري تحميل البيانات...
| التاريخ | نمو المشتركين | الإشارات | القنوات | |
| 20 يوليو | 0 | |||
| 19 يوليو | +2 | |||
| 18 يوليو | 0 | |||
| 17 يوليو | 0 | |||
| 16 يوليو | 0 | |||
| 15 يوليو | 0 | |||
| 14 يوليو | 0 | |||
| 13 يوليو | 0 | |||
| 12 يوليو | 0 | |||
| 11 يوليو | 0 | |||
| 10 يوليو | 0 | |||
| 09 يوليو | 0 | |||
| 08 يوليو | 0 | |||
| 07 يوليو | 0 | |||
| 06 يوليو | 0 | |||
| 05 يوليو | 0 | |||
| 04 يوليو | 0 | |||
| 03 يوليو | +2 | |||
| 02 يوليو | 0 | |||
| 01 يوليو | 0 |
| 2 | আজ ভারতের স্যাটায়ার পার্টি ককরোচ জনতা পার্টি পেপার লিক এর দায়ে ভারতীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে ভারতীয় পার্লামেন্ট অভিমুখে পদযাত্রা করা। কিন্তু পথেই শান্তিপূর্ণ পদযাত্রায় হামলা করে দিল্লি পুলিশ। | 1 433 |
| 3 | বলছিলাম না ,ইরান প্রথমে মাইর খায়! দেয় শেষে!!
৭ দিন টানা মাইর খাওয়ার পর গতদিন আর আজকে সাকসেসফুলি মাইর দিছে।
মধ্যপ্রাচ্যের প্রায় সবকয়টা দেশের অ্যামেরিকান ঘাঁটিতে আক্রমণ করছে।
শুধু ঘাটিতে না! যেখানে বসে অ্যামেরিকার সৈন্য, ইন্টেলিজেন্স ফোর্স প্ল্যান করে করে ইরানে হামলা করে সেখানে টার্গেট করে হামলা চালাচ্ছে।
জর্ডানে একটা ভয়ংকর হামলা করছে।
IRGC বলতেছে ,৫-৭ টা লক্ষবস্তুতে সরাসরি আঘাত করছে। বহু অ্যামেরিকান সৈন্য মারা গেছে আর অ্যামেরিকার অত্যাধুনিক সামরিক বিমান ধ্বংস হইছে কিন্তু অ্যামেরিকা তথ্য গোপন করতে চাইছে।
বলতেছে ,মাত্র ৪ জন সৈন্য মারা গেছে!
কুয়েতে হামলা করছে, একটা অ্যাকাডেমিক সোসাইটি সেন্টারেও।
কারণ এই সেন্টারটা ব্যবহার করতো মূলত অ্যামেরিকার সিকরেড বেইজ হিসেবে।
সৌদির দুইটা পয়েন্টে আক্রমণ করছে।
ঠিক তখনি যখন পাকিস্তান ইরানরে সিস্টেমে হুমকি দিছে যদি তোমরা সৌদিতে আক্রমণ করো তাহলে পাকিস্তান ইরানে আক্রমণ করতে বাধ্য হবে।
কারণ সৌদি পাকিস্তান একটা সামরিক ডিল করছিলো যদি পাকিস্তান কিংবা সৌদিতে কেউ আক্রমণ করে তাহলে একই দেশের আক্রমণ হিসেবে গণ্য হবে।
তবে পাকিস্তানের হুমকির জবাব গতদিন ইরান সৌদির ভিতরে সৌদির সম্পদে আক্রমণ করে পাল্টা জবাব দিছে।
ইরান বাহরাইনে একটা AI ল্যাবে আক্রমণ করে পুরোপুরি ধ্বংস করে দিছে।
নতুন করে সিরিয়াতে আক্রমণ করছে। যেখানে U*S ,Is**rael এর ইন্টেলিজেন্সরা ব্যবহার করতো।
কুয়েত, কাতার, দুবাই, ইরাক ,সিরিয়াতেও আক্রমণ করছে।
তবে একটা ভয়ংকর বাস্তবতা হলো ইরান এখন আর আগের মতো ডিফেন্সিভ মোডে নাই।
তারা পুরোপুরি অফেনসিভ মোডে ফুলস্কেলে যুদ্ধ শুরু করার প্ল্যানে আছে।
সেইম অ্যামেরিকার স্টাইলে যুদ্ধ শুরু করবে,
যেখানে লক্ষবস্তু হতে পারে ,এয়াপোর্ট, ওয়েল রিফাইনারি ,পানি শোধনাগার, ব্রিজ, রাস্তা, বড় বড় স্থাপনা ইত্যাদি।
ইরানের দাবি, অ্যামেরিকা পুরো মধ্যপ্রাচ্যের ভূমি আর আরব শাসকদের সমর্থন ব্যবহার করেই ইরানে ভয়ংকর হামলা চালাচ্ছে।
এবার এরান তাদের উচিত শিক্ষা দিতে ওমান বাদে পুরো মধ্যপ্রাচ্যেকে ২০-৩০ বছর পিছিয়ে ফেলার মিশনে আছে।
যদি ইরান ফুলস্কেলে যুদ্ধ শুরু করে তাহলে হয়তো পুরো পৃথিবী বিপদে পড়বে তবে সবচেয়ে বেশি বিপদে পড়বো আমরা।
এমুহূর্তে আমাদের করনীয় ,মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত ভাইদের সেইফে থাকতে হবে।
বিশেষ করে আপনারা অ্যামেরিকার ঘাঁটির আশেপাশে যায়েন না। অযথা ঘোরাফেরা করিয়েন না।
কারণ ইরান অলরেডি ঘোষণা দিছে, জর্ডান, দুবাই,কতার ,বাহরাইনের সাধারণ মানুষ যেন সাবধানে থাকে ,নিরাপদে থাকে।
ঐ দেশে থেকে ইরানের পক্ষ নিয়ে কিছু বলারও প্রয়োজন মনে করি না।
আর বাংলাদেশ সরকারকেও পূর্ব পরিকল্পনা নিতে হবে। জ্বালানি সমস্যায় পড়ার চান্স অনেকটা বেশি।
যদি ফুলস্কেলে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ে তাহলে নিশ্চিত থাকেন মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত প্রায় ৬০ লাখ প্রবাসীরা ঝাঁকে ঝাঁকে দেশে ফিরতে পারে অনেকে কর্মসংস্থান হারাতে পারে।
তবে প্রবাসী ভাইদের জন্য আমাদের দোয়া রইলো,
মজলুমদের বিজয় হোক, পৃথিবী শান্ত হোক, যুদ্ধ ,প্রাণহানি বন্ধ হোক!!!!
- আনিসুর রহমান | 3 807 |
| 4 | মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের ঘনিষ্ঠ একজন প্রাক্তন মার্কিন বিমান বাহিনীর পাইলট বলেছেন, চিকিৎসা সংক্রান্ত জরুরি বিমানগুলোতে থাকা আরও অন্তত তিন থেকে পাঁচজন সৈন্য "সম্ভবত বাঁচবেন না।" এছাড়াও আরও ১৫ জন সৈন্য রয়েছেন। | 3 738 |
| 5 | 🇺🇸🇮🇷🇯🇴⚡️- ব্রেকিং: মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড ঘোষণা করেছে যে, জর্ডানে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা প্রতিহত করতে গিয়ে দুই মার্কিন সেনা সদস্য নিহত হয়েছেন। | 3 685 |
| 6 | আপনারা যারা বাংলাদেশি ভাগাড় মিডিয়া পড়ে ভাবছেন- অ্যামেরিকা ইরানকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। আর ইরান বসে বসে দেখছে। তাঁদের জন্য বলছি - কিছুক্ষণ আগে সিএনএন সহ প্রায় সকল আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম ব্রেকিং নিউজ করেছে
- Two US service members killed in Jordan and another missing in action (জর্ডানে দুই মার্কিন সেনাসদস্য নিহত, আরেকজন যুদ্ধে নিখোঁজ)
এবং এই খবর অ্যামেরিকার সেন্টকমই জানিয়েছে। তবে একটু আগেই তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মারান্ডি জানিয়েছেন
- ইরানের কাছে সংবাদ আছে, শুধু জর্ডানে না, কুয়েত, সিরিয়া এবং বাহরাইনে শতাধিক অ্যামেরিকান সৈন্য নিহত হয়েছে। অ্যামেরিকা সেই সংবাদ দিচ্ছে না।
আপনাদের জানিয়ে রাখি ইরান আজ ঘোষণা করেছে
- আর যদি কোন ব্রিজ কিংবা রেল লাইনে আঘাত করা হয়। দুবাই এবং আবুধাবি এয়ারপোর্টের অস্তিত্ব থাকবে না।
ইরানের মিসাইল এবং ড্রোনগুলো অ্যামেরিকার ঘাঁটিগুলোই কেবল এতদিন ধ্বংস করেছে। এখন সাম্রাজ্যবাদী অ্যামেরিকার দাস আরবদের তেল, গ্যাস এবং ওয়াটার প্লান্টও ইরানের আওাতায় চলে এসেছে।
আজ আর বড় বিশ্লেষণে যাচ্ছি না। বাংলাদেশিরা অত্যন্ত অকৃতজ্ঞ জাতি। আমি আমার বিদেশি শিক্ষার্থীদেরই ভূ-রাজনীতি পড়াবো। আপনাদের জন্য বিশ্লেষণ করার ইচ্ছা বা রুচি আমার আর নেই। তবুও লিখছি- কারন আমি আমার পাঠকদের ভালোবাসি।
যে কারনে বর্তমান যুদ্ধ চলছে- অ্যামেরিকা মূলত ইরানে স্থল অভিযান চালাতে চাইছে এবং হরমুজ দখলে নিতে চাইছে। এই জন্য হরমুজের আশপাশের অঞ্চলগুলোতে প্রতিদিন আঘাত করছে এবং ওই অঞ্চলগুলোর সাথে তেহরানকে বিচ্ছিন্ন করার চেষ্টা করছে। কিন্তু হচ্ছে হিতে বিপরীত!
মূলত অ্যামেরিকা কুয়েত এবং বাহরাইন দিয়ে হরমুজে ঢুকতে চাইছে (মানে যুদ্ধ সরঞ্জাম সব এই দুই দেশে জড় করেছে।) তাই ইরান গত ছয় দিন এই দুই দেশে অবস্থিত অ্যামেরিকার ঘাঁটিগুলো ধ্বংস করে দিয়ে এখন জর্ডানে থাকা অ্যামেরিকার ঘাঁটি ধ্বংসের পথে আছে।
অ্যামেরিকান অধ্যাপক মেইর শেইমার আজ বলেছেন
- হরমুজেই সাম্রাজ্যবাদী অ্যামেরিকা এবং ট্রাম্পের পতন হবে।
- আমিনুল ইসলাম | 173 |
| 7 | "১৮ জুলাই বীর চট্টলা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিরোধ দিবস"
এই দিনের প্রতিরোধের গল্প টা শুধু ঢাকার নয়। সারা দেশের। তেমনই তীব্র প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলো চট্টগ্রামের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।
Music Rights: Shono Mohajon by Shunno
#PUSAB #privateuniversityresistanceday | 3 549 |
| 8 | July 18, Private University Resistance Day: the spark that lit an uprising.
What began as a student movement demanding quota reform took a historic turn the day private university students poured into the streets and gave the resistance fresh momentum. That single act of defiance would go on to become the bedrock of a far larger uprising.
Like phoenixes rising from ash, these young people shattered the terror, fear, repression, arrogance, and raw power of a brutal autocrat that had loomed over the nation for years. They met injustice with their own blood, refusing to look away even as the cost grew unbearably high. No leader gave the order. It was the spontaneous courage of countless ordinary students, unarmed yet unyielding, standing firm together, that ultimately brought down the tyrant Sheikh Hasina's throne.
Today, we honour the brave students and martyred heroes whose faces remain unforgettable and whose courage continues to inspire every free breath we take.
#PrivateUniversityResistanceDay #PUSAB | 3 452 |
| 9 | ১৮ জুলাই — বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিরোধ দিবস
যে প্রতিরোধ থেকেই অভ্যুত্থানের সূচনা।
কোটা সংস্কার আন্দোলনের দাবিকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া ছাত্র আন্দোলন এক ঐতিহাসিক মোড় নেয়, যখন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা রাজপথে নেমে প্রতিরোধকে নতুন গতি দেয়। সেই প্রতিরোধই পরবর্তীতে বৃহত্তর গণঅভ্যুত্থানের ভিত্তি রচনা করে।
ফিনিক্স পাখির মতো ছাই ভষ্ম থেকে উঠে দাঁড়ানো এই তরুণরা ভয়ংকর স্বৈরাচারের রক্তচক্ষু, ভয়, দমন-পীড়ন, দম্ভ ও ক্ষমতাকে এদিন চূর্ণ বিচূর্ণ করে দিয়েছিলো। বুকের তাজা রক্ত দিয়ে তারা অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল। কোনো নেতার নির্দেশে নয়, বরং অসংখ্য সাধারণ শিক্ষার্থীর স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ, সাহস ও দৃঢ়তার ওপর ভর করেই তারা তছনছ করে দিয়েছিলো নিকৃষ্ট পি"শাচ শেখ হাসিনার ক্ষমতার মসনদ।
আজ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিরোধ দিবসে আমরা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করি সেই সব সাহসী শিক্ষার্থী ও বীর শহীদদের, যাদের আত্মত্যাগ ও প্রতিরোধ ছাড়া জুলাই গণঅভ্যুত্থানের এই ইতিহাস রচিত হতে পারতো না।
#PUSAB #PrivateUniversityResistanceDay | 3 462 |
| 10 | Private University Students Alliance of Bangladesh - PUSAB Page's Issue's solved by Zero•Trace.
Here is the page Link: https://www.facebook.com/share/197rpoQW7L/ | 3 711 |
| 11 | لا يوجد نص... | 6 638 |
| 12 | لا يوجد نص... | 752 |
| 13 | 👉ছবি জমাদানের সময় একদিন বর্ধিত করা হলো👈
"প্রতিরোধের আলোকচিত্র: Echoes of July ’24"
Private University Resistance Day 2026 উপলক্ষে জাতীয় আলোকচিত্র প্রদর্শনী।
২০২৪- এর সেই রক্তাক্ত জুলাইয়ের কথা কি ভুলতে পারবেন কখনো? Complete Shutdown থেকে শুরু করে স্বৈরাচারের পতন পর্যন্ত—যখন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা রাজপথে নেমে আন্দোলনে নতুন প্রাণ জুগিয়েছিল, সেই অবিস্মরণীয় মুহূর্তগুলোকে আলোকচিত্রের মাধ্যমে তুলে ধরতে চাই আমরা।
“প্রতিরোধের আলোকচিত্র: Echoes of July ’24” — এই প্রদর্শনীতে থাকবে তরুণ প্রজন্মের সাহস, ত্যাগ আর সংগ্রামের জীবন্ত ছবি। ছবি শুধু স্মৃতি নয়, ভবিষ্যতের জন্য ইতিহাসের দলিল।
🕰️ সময়সূচি:
• ছবি জমা শুরু: এখনই চলছে
• শেষ তারিখ: ১৩ জুলাই
• প্রদর্শনী: ১৮ জুলাই
👉 ছবি পাঠাবার শর্তাবলি: ১৫ জুলাই – ৫ আগস্ট ২০২৪ এর মধ্যে তোলা শুধুমাত্র বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্দোলন-সংশ্লিষ্ট ছবি হতে হবে। সবাই অংশ নিতে পারবেন (একজন সর্বোচ্চ ১৫টি ছবি দিতে পারবেন)।
👉 ছবি জমাদানের পদ্ধতিঃ
১. সরাসরি ইমেইল: khansowrav5454@gmail.com
২. Google Drive লিংক পাঠান (Anyone with the link)
ফাইল নেম যেমন হবে: নাম_মোবাইল_ক্যাপশন_সিরিয়াল
উদাহরণ: Bappy_01791**_Cholo Shobai_01
সব ছবিতে শুধু বেসিক এডিটিং, কোনো ওয়াটারমার্ক বা হেভি ম্যানিপুলেশন করা যাবে না।
👉 নির্বাচিত সবাই পাবেন মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রনালয় থেকে সার্টিফিকেট ও টোকেন অফ অ্যাপ্রিসিয়েশন।
আসুন, আমাদের সেই দিনগুলোকে ফ্রেমবন্দি করে রাখি। প্রতিটি ছবিই তো একেকটা ইতিহাস!
#প্রতিরোধের_আলোকচিত্র #EchoesOfJuly24 #PrivateUniversityResistanceDay #জুলাই_গণঅভ্যুত্থান | 6 296 |
| 14 | - Iran is restarting its nuclear facilities. ( ইরান তাঁদের পারমাণবিক ক্ষেত্রগুলো নতুন করে চালু করছে।)
সিএনএন-এর এই সংবাদের সাথে ব্রাজিলিয়ান সাংবাদিক পেপ এস্কোবারের তথ্য মিলে যাচ্ছে। তিনি আরও আগেই বলেছেন
- ইরান যে কোন মুহূর্তে পারমাণবিক বো*ম বানানোর পরীক্ষা সেরে ফেলতে পারে।
আমি অবশ্য এস্কোবারের কথা পুরোপুরি বিশ্বাস করি নাই তখন। যদিও আমি তাঁকে ব্যক্তিগত ভাবে চিনি। এখন মনে হচ্ছে- হতেও পারে! বিচিত্র না!
ইরানের হাতে এমনিতেই একটা পারমাণবিক অস্ত্র আছে। সেটা হচ্ছে- হরমুজ প্রণালী। আপনাদের জানিয়ে রাখি- এই চুক্তি (MOU) করার পর অ্যামেরিকায় অনেকেই ট্রাম্পের সমালোচনা করে বলেছিল- এটা তো টোটাল সারেন্ডার! তখন ট্রাম্প নিজেই বলেছে
- আমাদের হাতে আর চার সপ্তাহ সময় ছিল। নইলে আমাদের তেলের রিজার্ভ সব শেষ হয়ে যেত।
এই কথা ট্রাম্প নিজ মুখে বলেছে। আজ আবার ইরান হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দিয়েছে। এভাবে অ্যামেরিকা কয় দিন টিকবে? ইরানের জন্য টিকে থাকাই বিজয়। ইরানিরা যুগের পর যুগ নিষেধাজ্ঞার পরও টিকে আছে। কিন্তু অ্যামেরিকা কী করবে? ওদের জনগণই তো ফুঁসে উঠবে কিছু দিন পর। অথচ দেখেন ইরানের কোটি কোটি জনগণ খামেনির শেষ অনুষ্ঠানে যুদ্ধের মাঝেও শামিল হয়েছে।
অ্যামেরিকান অধ্যাপক মেইর শেইমারের উক্তি দিয়ে আজকের এই লেখা শেষ করছি। তিনি বলেছেন
- যুদ্ধ এখন হরমুজ কেন্দ্রিক। আর এটাই প্রমাণ করে, অ্যামেরিকা এই যুদ্ধে সম্পূর্ণ হেরে গেছে।
তিনি এর সাথে এটাও বলেছেন
- ইরান কোন দিন প্রকাশ্যে সবার জন্য হরমুজ উম্মুক্ত করবে না।
আজকে সাম্রাজ্যবাদী অ্যামেরিকা এই ঘোষণা দিয়ে ইরান যুদ্ধে নিজেদের দ্বিতীয় পরাজয় নিজেরাই ডেকে এনেছে। দিন কয়েক পরে ট্রাম্প আবার যুদ্ধ বন্ধ করে ইরানের সাথে আলোচনায় বসবে। সবাই বলবে- অ্যামেরিকা দ্বিতীয় বারের মত পরাজিত হলো! আর তখন অ্যামেরিকা দাস আরব শেখদের ইরানে কথাতেই উঠতে-বসতে হবে। এদের পরিণতি দেখার অপেক্ষায় আছি।
লেখা: আমিনুল ইসলাম | 4 586 |
| 15 | ট্রাম্প এবং অ্যামেরিকা ইরান যুদ্ধে সব চাইতে বড় ভুলটা করেছে আজ রাতে ঘোষণা দিয়ে। ট্রাম্প বলেছে
- Iran should publicly announce that the Strait of Hormuz is open to everyone. ( ইরানের উচিত প্রকাশ্যে ঘোষণা করা যে, হরমুজ প্রণালি সবার জন্য উন্মুক্ত।)
এখন প্রশ্ন হচ্ছে
- কেন অ্যামেরিকা এই কথা বলছে এবং কেনই বা ইরানে এখন হামলা চালাচ্ছে?
উত্তরটা খুব সহজ। যে চুক্তিটা (MOU) করা হয়েছিল; সেখানকার ৫ নাম্বার প্যারাগ্রাফে পরিষ্কার করে লেখা আছে
- হরমুজ প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ ইরানের হাতে থাকবে এবং ইরানই জাহাজগুলোর নিরাপদে চলাচলের ব্যবস্থা করবে।
কিন্তু অ্যামেরিকা এই সুযোগে ওমানের পাশ দিয়ে হরমুজের যে অংশটুকু আছে; সেখানে আলাদা একটা করিডোর চালু করার চেষ্টা করেছে। কেন করেছে?
যাতে করে ইরানের উপর নির্ভরশীল না হয়ে ভবিষ্যতে এই অংশ দিয়ে জাহাজগুলো চলাচল করতে পারে। এরপর অ্যামেরিকা সৌদি আরব, কাতার এবং আরব আমিরাতের তিনটা জাহাজকে ওই করিডোর দিয়ে যেতে বলেছে।
ইরান সঙ্গে সঙ্গে ওই তিন জাহাজে হামলা করেছে। আর এর বদলা নিতেই মূলত অ্যামেরিকা ইরানে হামলা চালায়। তাহলে বিষয়টা কী দাঁড়ালো?
ইরানই প্রথম হামলা চালিয়েছে। কারন অ্যামেরিকা এবং অ্যামেরিকার দাস আরব দেশগুলো চুক্তি ভঙ্গ করে নতুন করিডোর চালু করার চেষ্টা করছিল। এই করিডোর যদি চালু হয়। তাহলে ইরানের হাতে Leverage (কৌশলগত সুবিধা) থাকবে না। আজকে রাতে আরেকটা জাহাজ ওই করিডোর দিয়ে পার হবার চেষ্টা করেছিল। ইরান আজ আবার হামলা করেছে।
এর জবাবে অ্যামেরিকা ইরানে আজ রাতে আবার পাল্টা হামলা চালিয়েছে এবং ইরানও বাহরাইন, কুয়েত, কাতার এবং জর্দানে এই মুহূর্তে হামলা চালাচ্ছে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে
- অ্যামেরিকা কেন বলেছে, ইরানকে প্রকাশ্যে ঘোষণা দিতে হবে যে হরমুজ প্রণালী সবার জন্য খোলা?
কারন অ্যামেরিকা নতুন করে যে করিডোর তৈরি করেছে। সেই করিডোরে পৃথিবীর কোন দেশের জাহাজ যেতে রাজি হয় নাই। কোন দেশের জাহাজগুলো যেতে রাজি হয়েছে জানেন?
অসভ্য-ব*র্বর আরব শেখদের জাহাজ। আজকে ওমান কী ঘোষণা করেছে জানেন?
- During the negotiations, the Strait of Hormuz should remain open to shipping in both directions. ( আলোচনা চলার সময় হরমুজের দুই দিক দিয়েই জাহাজ চলাচল করার ব্যবস্থা থাকা উচিত।)
অর্থাৎ অ্যামেরিকা যে করিডোর চালু করেছে, সেটা নাকি আলোচনা চলার সময় উম্মুক্ত থাকা উচিত। চিন্তা করে দেখেন এই আরব দেশগুলো অবস্থা। এই যে এখন ইরানে হামলা চালাচ্ছে অ্যামেরিকার বিমানগুলো। এরা কই থেকে উড়ে আসছে? অ্যামেরিকান সামরিক বিশেষজ্ঞ কর্নেল ম্যাক গ্রেগর বলেছেন
- Most of them are flying in from Jordan. (এদের বেশিরভাগই জর্ডান থেকে উড়ে আসছে।)
ইরান এই জন্যই এই লেখা যখন আমি লিখছি মুহুর্মুহু জর্ডানে হামলা করছে। আপনারা যারা মনে করছেন- ইরানের এই সংগ্রাম কোন ধর্মীয় সংগ্রাম। আপনারা ভুল। ইরান লড়ছে সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে। এই যে আমি ইরান যুদ্ধ সিরিজ লিখছি। আমি কি কোন ধর্মীয় কারনে লিখছি? মোটেই না। আমার Area of specialization (বিশেষায়িত ক্ষেত্র) হচ্ছে- সাম্রাজ্যবাদ। আমি সেই জায়গা থেকেই লিখি।
আপনারা দেখছেন না- অ্যামেরিকা কীভাবে প্রকাশ্য দিবালোকে গ্রিনল্যান্ড দখলে নেবার কথা বলছে? কিউবাকে গিলে খেতে চাইছে। এরা কেউ মুসলিম দেশ না। সবই সাম্রাজ্যবাদের অংশ। অ্যামেরিকা কি কোন আরব দেশকে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে এই যুদ্ধের জন্য? কাদের দিয়েছে?
স্পেনকে! কারন এই স্পেন প্রথম দিন থেকে ইরানের পক্ষ নিয়ে অ্যামেরিকার সমালোচনা করে যাচ্ছে। স্পেন কোন মুসলিম দেশ নয়। ওরাও এক সময় সাম্রাজ্যবাদী দেশ ছিল। কিন্তু এখন ওদের সরকার সাম্রাজ্যবাদকে ঘৃণা করে। সকাল-বিকাল অ্যামেরিকার সমালোচনা করে। আমি সব সময় ফুটবলে স্পেনের সমর্থন করেছি এই জন্য।
যা হোক, এই করিডোর যদি অ্যামেরিকা চালু করতে পারে। তাহলে তো আর ইরানের হাতে হরমুজ প্রণালী থাকবে না। আর ইরান কোন দিনও এই করিডোর চালু করতে দিবে না। আজ যখন অ্যামেরিকা বলেছে
- ইরানকে প্রকাশ্যে ঘোষণা দিতে হবে।
ইরান তখন কী করেছে জানেন? প্রকাশ্যে ঘোষণা দিয়েছে। তবে ঘোষণাটা হচ্ছে
- The Strait of Hormuz has been declared completely closed. ( হরমুজ প্রণালী সম্পূর্ণ বন্ধ ঘোষণা করা হলো।)
অ্যামেরিকা গত তিন দিন হরমুজের আশপাশের শহর এবং জায়গাগুলোতে হামলা করছে। এইসব দেখে অ্যামেরিকার শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক পেপ আজ বলেছেন
- There could be no greater folly than this. (এর চাইতে বড় বোকামি আর কিছু হতে পারে না।)
এর পক্ষে যুক্তি দিতে গিয়ে তিনি বলেছেন- ইরান একটা অনেক বড় দেশ। এটি পুরো পশ্চিম ইউরোপের সমান একটা দেশ এবং দেশটির যে কোন জায়গা থেকে তাঁরা হরমুজে হামলা করতে পারবে। অ্যামেরিকা কেন, পৃথিবীর কোন শক্তির সাধ্য নাই ইরানের অনুমতি ছাড়া হরমুজ প্রণালী খোলার।
এদিকে গতকাল অ্যামেরিকার সংবাদ মাধ্যম সিএনএন ব্রেকিং নিউজ করে বলেছে | 3 441 |
| 16 | لا يوجد نص... | 3 847 |
| 17 | "প্রতিরোধের আলোকচিত্র: Echoes of July ’24"
Private University Resistance Day 2026 উপলক্ষে জাতীয় আলোকচিত্র প্রদর্শনী।
২০২৪- এর সেই রক্তাক্ত জুলাইয়ের কথা কি ভুলতে পারবেন কখনো? Complete Shutdown থেকে শুরু করে স্বৈরাচারের পতন পর্যন্ত—যখন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা রাজপথে নেমে আন্দোলনে নতুন প্রাণ জুগিয়েছিল, সেই অবিস্মরণীয় মুহূর্তগুলোকে আলোকচিত্রের মাধ্যমে তুলে ধরতে চাই আমরা।
“প্রতিরোধের আলোকচিত্র: Echoes of July ’24” — এই প্রদর্শনীতে থাকবে তরুণ প্রজন্মের সাহস, ত্যাগ আর সংগ্রামের জীবন্ত ছবি। ছবি শুধু স্মৃতি নয়, ভবিষ্যতের জন্য ইতিহাসের দলিল।
🕰️ সময়সূচি:
• ছবি জমা শুরু: এখনই চলছে
• শেষ তারিখ: ১৩ জুলাই
• প্রদর্শনী: ১৮ জুলাই
👉 ছবি পাঠাবার শর্তাবলি: ১৫ জুলাই – ৫ আগস্ট ২০২৪ এর মধ্যে তোলা শুধুমাত্র বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্দোলন-সংশ্লিষ্ট ছবি হতে হবে। সবাই অংশ নিতে পারবেন (একজন সর্বোচ্চ ১৫টি ছবি দিতে পারবেন)।
👉 ছবি জমাদানের পদ্ধতিঃ
১. সরাসরি ইমেইল: khansowrav5454@gmail.com
২. Google Drive লিংক পাঠান (Anyone with the link)
ফাইল নেম যেমন হবে: নাম_মোবাইল_ক্যাপশন_সিরিয়াল
উদাহরণ: Bappy_01791**_Cholo Shobai_01
সব ছবিতে শুধু বেসিক এডিটিং, কোনো ওয়াটারমার্ক বা হেভি ম্যানিপুলেশন করা যাবে না।
👉 নির্বাচিত সবাই পাবেন মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রনালয় থেকে সার্টিফিকেট ও টোকেন অফ অ্যাপ্রিসিয়েশন।
আসুন, আমাদের সেই দিনগুলোকে ফ্রেমবন্দি করে রাখি। প্রতিটি ছবিই তো একেকটা ইতিহাস!
#প্রতিরোধের_আলোকচিত্র #EchoesOfJuly24 #PrivateUniversityResistanceDay #জুলাই_গণঅভ্যুত্থান | 4 424 |
| 18 | ২০২৪ এর ১০ জুলাই বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু শিক্ষার্থী প্রথম কোটা সংস্কার আন্দোলন এ সংহতি জানিয়ে রামপুরা ব্রিজ এ ব্লকেড দেয়। এখানে মূলত ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি আরও কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ছিলেন।
ছবিটি এখানে উপস্থিত ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সদস্য নায়িম আহমেদ খান এর থেকে নেওয়া।
#RememberingJuly #PUSAB | 4 969 |
| 19 | Emergency (B+) blood needed at Uttara, Lubana Hospital.
+880 1308-340865(Maksud)
Patients blood level is too low.
Please come forward and share | 5 020 |
| 20 | Emergency (B+) blood needed at Uttara, Lubana Hospital.
+880 1308-340865(Maksud)
Patients blood level is too low.
Please come forward and share | 5 164 |
