Al Firdaws
আমাদের সকল প্লাটফর্মে যুক্ত হোন- https://linktr.ee/AlFirdaws01
إظهار المزيد📈 نظرة تحليلية على قناة تيليجرام Al Firdaws
تُعد قناة Al Firdaws (@alfirdaws02) في القطاع اللغوي البنغالي لاعباً نشطاً. يضم المجتمع حالياً 10 914 مشتركاً، محتلاً المرتبة 17 388 في فئة الأخبار والوسائط والمرتبة 2 088 في منطقة بنغلاديش.
📊 مؤشرات الجمهور والحراك
منذ تأسيسه في невідомо، حقق المشروع نمواً سريعاً وجمع 10 914 مشتركاً.
بحسب آخر البيانات بتاريخ 14 يوليو, 2026، تحافظ القناة على نشاط مستقر. خلال آخر 30 يوماً تغيّر عدد الأعضاء بمقدار 183، وفي آخر 24 ساعة بمقدار -4، مع بقاء الوصول العام مرتفعاً.
- حالة التحقق: غير موثّقة
- معدل التفاعل (ER): يبلغ متوسط تفاعل الجمهور 5.96%. وخلال أول 24 ساعة من النشر يحصد المحتوى عادةً 4.06% من ردود الفعل نسبةً إلى إجمالي المشتركين.
- وصول المنشورات: يحصل كل منشور على متوسط 650 مشاهدة. وخلال اليوم الأول يجمع عادةً 443 مشاهدة.
- التفاعلات والاستجابة: يتفاعل الجمهور بانتظام؛ متوسط التفاعلات لكل منشور يبلغ 14.
📝 الوصف وسياسة المحتوى
يصف المؤلف القناة بأنها مساحة للتعبير عن الآراء الذاتية:
“আমাদের সকল প্লাটফর্মে যুক্ত হোন-
https://linktr.ee/AlFirdaws01”
بفضل وتيرة التحديث المرتفعة (أحدث البيانات بتاريخ 15 يوليو, 2026) تحافظ القناة على حداثتها ومستوى وصول مرتفع. وتُظهر التحليلات تفاعلاً نشطاً من الجمهور، ما يجعلها نقطة تأثير مهمة ضمن فئة الأخبار والوسائط.
جاري تحميل البيانات...
| التاريخ | نمو المشتركين | الإشارات | القنوات | |
| 15 يوليو | 0 | |||
| 14 يوليو | +1 | |||
| 13 يوليو | 0 | |||
| 12 يوليو | 0 | |||
| 11 يوليو | 0 | |||
| 10 يوليو | +1 | |||
| 09 يوليو | 0 | |||
| 08 يوليو | 0 | |||
| 07 يوليو | +6 | |||
| 06 يوليو | +19 | |||
| 05 يوليو | +135 | |||
| 04 يوليو | +90 | |||
| 03 يوليو | +2 | |||
| 02 يوليو | +2 | |||
| 01 يوليو | +2 |
| 2 | ভারতের উত্তর প্রদেশে অবস্থিত ঐতিহাসিক দারুল উলুম দেওবন্দ মাদ্রাসার ১৪ ফুট নিচে শিব মন্দির রয়েছে দাবি করে আবারও বিতর্ক উস্কে দিয়েছে উগ্র হিন্দুত্ববাদী সংগঠন হিন্দু রক্ষা দলের নেতা ললিত শর্মা। প্রশাসন মন্দির নির্মাণের জন্য মাদ্রাসাটি পুনরুদ্ধারে কোনও ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে, তারা ত্রিশূল নিয়ে এসে সেখানে জলভিষেক করবে বলেও সে হুমকি দিয়েছে।
উল্লেখ্য, জলভিষেক হলো হিন্দুদের একটি শিরকি প্রথা, যেখানে কথিত শিব দেবতা বা শিবলিঙ্গে তারা ভক্তিমূলক জল অর্পণ করে।
১৪ জুলাই উত্তর প্রদেশের সাহারানপুরে এক সাংবাদিক সাক্ষাৎকারে ঔদ্ধত্যের সাথে সে এই দাবিগুলো তুলে ধরে। তার অভিযোগ, মুসলমানরা শত বছর ধরে দেওবন্দ মাদ্রাসার স্থান দখল করে আছে।
প্রশাসনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে সে বলেছে, দেওবন্দে তদন্ত প্রক্রিয়া আরম্ভ করতে প্রশাসন বিলম্ব করছে। শিব মন্দির তৈরির লক্ষ্যে দেওবন্দ মাদ্রাসায় অবিলম্বে তদন্ত আরম্ভ করতে সে প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। | 95 |
| 3 | এর আগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরিচালক-৯ হিসেবে কর্মরত মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন সারোয়ারকে সরিয়ে দেওয়া হয়। জুলাই আন্দোলনের চূড়ান্ত পর্যায়ে ১, ৪ ও ৫ আগস্ট ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে দায়িত্ব পালন করা এই কর্মকর্তা এত দিন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে কর্মরত ছিল। শেখ হাসিনার শাসনামলে সে রাষ্ট্রপতির প্রটোকল অফিসার এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এপিডি (অ্যাপয়েন্টমেন্ট, পোস্টিং অ্যান্ড ডেপুটেশন) অনুবিভাগে কর্মরত ছিল।
এরই ধারাবাহিকতায় বুধবার তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগ থেকে সায়েম ইমরানকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। | 101 |
| 4 | ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই রাজধানীর রামপুরা টিভি ভবন এলাকায় নির্বিচারে ২৭৯ রাউন্ড গুলি চালানোর নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তৎকালীন ঢাকা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার সায়েম ইমরানের বিরুদ্ধে। তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসা এই কর্মকর্তাকে শাস্তির আওতায় আনার পরিবর্তে সেখান থেকে সরিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে।
গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, বুধবার (১৫ জুলাই) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।
জানা যায়, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থান দমাতে মাঠপর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে গুলির নির্দেশ দেওয়া বিতর্কিত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছে। যাদের বিচারের আওতায় আনার কথা ছিল, উল্টো তারা এখন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় (পিএমও), মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মতো রাষ্ট্রের অতি গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরে নীতিনির্ধারণী পদে দায়িত্ব পালন করছে। | 103 |
| 5 | হা!রা@কাতু!শ শা!বা!ব আল-মু!জা@হি!দিন দক্ষিণ সোমালিয়ায় দখলদার ইথিয়পীয়ান ও উগান্ডান সেনাবাহিনীর ২টি ঘাঁটিতে সফল হাম!লা চালিয়েছে। এতে বহু সংখ্যক দখলদার সৈন্য হতাহতের শিকার হয়েছে বলে জানা গেছে।
হা!রা!কাতু!শ শা!বা!ব আল-মু!জা!হি@দিন গত ১৩ জুলাই সোমবার রাতে দক্ষিণ সোমালিয়ার জিজু রাজ্যে ইথিওপীয়ান বাহিনীর উপর আক্রমণ চালিয়েছে। রাজ্যটির প্রশাসনিক কেন্দ্র গারবাহারে অবস্থিত ইথিওপীয় একটি সেনা ঘাঁটি লক্ষ্য করে অভিযানটি চালানো হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, এই অভিযানের সময় সামরিক ক্যাম্পের চারপাশে তীব্র গোলাগুলি ও বি!স্ফোর!ণের শব্দ শোনা গেছে। একই সময় একটি অ্যাম্বুলেন্স হতাহত সেনাদের উদ্ধারে ঘটনাস্থলে পৌঁছে।
একই রাতে হারা!কা!তুশ শা!বা!বের মু!জা!হিদ!রা লোয়ার শাবেলি রাজ্যের জানালে শহরের উপকণ্ঠে আরও একটি অভিযান চালিয়েছেন। মু!জাহি!দরা উক্ত এলাকায় অবস্থিত দখলদার উগান্ডান বাহিনীর একটি সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে অতর্কিত আক্রমণ চালান। এসময় ঘাঁটিটির চারপাশে আশ-শাবাব ও উগান্ডান বাহিনীর মধ্যে তীব্র লড়াই শুরু হয়, যার ফলশ্রুতিতে উগান্ডান বাহিনীতে ব্যাপক হতাহতের ঘটনা ঘটে এবং বস্তুগত ক্ষতি হয়। | 112 |
| 6 | তবে সংশ্লিষ্টদের মতে, উদ্ধার হওয়া মাদকের পরিমাণ প্রকৃত চিত্রের একটি অংশমাত্র। সীমান্ত দিয়ে আরও বড় বড় চালান দেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করছে, যা সব সময় আটক করা সম্ভব হচ্ছে না। | 214 |
| 7 | ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্ত এলাকায় মাদকের বিস্তার নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। জানা যায়, সীমান্ত দিয়ে প্রতিনিয়ত বিভিন্ন ধরনের মাদক দেশে প্রবেশ করছে। সম্প্রতি উপজেলার শ্যামকুড় ইউনিয়নের তালশার গ্রামে অভিযান চালিয়ে একটি পরিবারের চার সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তালশার গ্রামের মজিবর রহমানের ছেলে ইসরাফিল হোসেনের (৪৬) বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। এ সময় ইসরাফিলের দুই ছেলেসহ মোট চারজনকে আটক করা হয়। অভিযানে ১৪৪ বোতল স্কাফ সিরাপ এবং ৫০০ পিস ভারতীয় ইনজেকশন উদ্ধার করা হয়েছে।
বিজিবির বরাতে দৈনিক ইত্তেফাক জানায়, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত ছয় মাসে সীমান্ত এলাকায় পরিচালিত বিভিন্ন অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদক জব্দ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ২ হাজার ৬৮৫ বোতল মদ, ৩৫০ বোতল ফেনসিডিল, ২৭ দশমিক ৪০২ কেজি গাঁজা, ৩৩৬ পিস ইয়াবা, ৭ হাজার ৫৫ বোতল সিরাপ, ২০ হাজার ৩৩১ পিস ভায়াগ্রা ট্যাবলেট এবং প্রায় ১ লাখ ২৫ হাজার ৬০০ পিস বিভিন্ন ধরনের ভারতীয় ওষুধ। | 214 |
| 8 | অভিযোগপত্রে আসামিরা হল— প্রধান অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে রাহুল ওরফে দাউদ, তার বাবা মো. হুমায়ুন কবির, মা হাসি বেগম, স্ত্রী সাহেদা পারভীন সামিয়া, শ্যালক ওয়াহিদ আহমেদ শিপু, বান্ধবী মারিয়া আক্তার লিমা, মো. কবির, মো. নুরুজ্জামান নোমানী ওরফে উজ্জ্বল, ভারতে পালাতে সহায়তার অভিযোগ থাকা সিবিয়ন দিউ, সঞ্জয় চিসিম, মো. আমিনুল ইসলাম ওরফে রাজু এবং হত্যায় ব্যবহৃত অস্ত্র ও গুলি উদ্ধারের ঘটনায় গ্রেপ্তার মো. ফয়সাল, মো. আলমগীর হোসেন ওরফে আলমগীর শেখ, সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পী, ভারতে পালাতে সহায়তাকারী ফিলিপ স্নাল, মুক্তি মাহমুদ ও জেসমিন আক্তার। এদের মধ্যে ফয়সাল করিমসহ শেষের পাঁচজন পলাতক রয়েছে। | 211 |
| 9 | শরিফ ওসমান হাদিকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ পিছিয়ে আগামী ২০ আগস্ট ধার্য করেছে আদালত। এ নিয়ে ১৮ বারের মতো পেছাল প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ।
বুধবার (১৫ জুলাই) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহ এ দিন ধার্য করেছে। প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই রুকনুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
আদালত সূত্রে দৈনিক আমার দেশ জানায়, এ দিন অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য ছিল। তবে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)-এর সহকারী পুলিশ সুপার আবদুল কাদির ভূঞা আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করতে না পারায় নতুন এ দিন ধার্য করে আদালত।
চলতি বছরের ১৫ জানুয়ারি মামলার বাদী আবদুল্লাহ আল জাবের একই আদালতে ডিবির দেওয়া অভিযোগপত্রে (চার্জশিট) অসন্তোষ জানিয়ে নারাজি আবেদন দাখিল করেন। আদালত জাবেরের নারাজি আবেদন মঞ্জুর করে মামলাটি পুনরায় তদন্তের আদেশ দেয়।
এর আগে গত ৬ জানুয়ারি হাদি হত্যা মামলায় অভিযোগপত্র দেয় গোয়েন্দা পুলিশ। এতে সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পী, ফয়সাল করিম মাসুদসহ ১৭ জনকে অভিযুক্ত করা হয়। | 391 |
| 10 | প্রকাশিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে যে, গত ৪ জুলাই শুরু হওয়া এই অপারেশনের ধারাবাহিকতায় জেএন/আইএম মু*জাহি/দরা মালির রাজধানী বামাকোর পশ্চিমে অবস্থিত সেভারে, সুফারা ও কেনিরুবা এবং মধ্য মালির কুয়াকুরু, কোনা, লেরে, কোনা, সুমাদুগু, কারাকানি, সেইনি কোরো ও গোরলে বগ শহর, সেই সাথে বুরকিনা ফাসোর ডিগনে, টিউ, স্ফেঙ্গা, টিয়েরা, ডেলফান, কুকারনি, তৌগুই ও তগুরিত শহরগুলোতে বৃহৎ পরিসরে অভিযান চালিয়েছেন। উক্ত ১৯টি শহরে পরিচালিত এই অভিযানের মাধ্যমে মু*জাহি/দরা মালি ও বুরকিনা ফাসোর জান্তা বাহিনী এবং রাশিয়ার ভাড়াটে আফ্রিকান কর্পস বাহিনী ও স্থানীয় মিলিশিয়া গোষ্ঠীগুলোর অসংখ্য সামরিক ঘাঁটি, সদর দপ্তর, সামরিক স্থাপনার নিয়ন্ত্রণ নিয়েছেন এবং আরও কতক সামরিক ঘাঁটি মুজাহিদের হামলায় ভারী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
জেএন/আইএম আরও জানিয়েছে যে, আজাওয়াদ লিবারেশন ফ্রন্ট (এফএলএ)-এর সাথে যৌথভাবে পরিচালিত অভিযানের অংশ হিসেবে মু*জাহি/দরা উত্তর মালিতেও বৃহৎ পরিসরে সামরিক অপারেশন চালিয়েছেন।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, এফএলএ এর ভাইদের সাথে যৌথ এই সামরিক অপারেশনের অংশ হিসেবে, জেএন/আইএম-এর বীর মু*জাহি/দরা মালির উত্তরাঞ্চলের আনফিফ, গাও এবং আগুয়েলহোক শহরে অবস্থিত শত্রু বাহিনীর সমস্ত সামরিক ঘাঁটি, বিমানবন্দর এবং সদর দপ্তরগুলো লক্ষ্য করে বৃহৎ পরিসরে ভারী আক্রমণ শুরু করেন। এই আক্রমণে শত্রু বাহিনীতে মু*জাহি/দদের অনুপ্রবেশ, ইস্তে/শহাদী হামলা, ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, বিস্ফোরক ডিভাইস বিস্ফোরণ, আত্মঘাতী ড্রোন হামলা, নজরদারি ড্রোন, অ্যাম্বুশ এবং অতর্কিত আক্রমণ অন্তর্ভুক্ত ছিল।
মু*জাহি/দদের এসকল বীরত্বপূর্ণ অভিযানের ফলে মালির জান্তা (সেনাবাহিনী) এবং রাশিয়ার আফ্রিকান কর্পস বাহিনীর শত শত সৈন্য নিহত এবং আহত হয়েছে। এছাড়াও কয়েক ডজন সৈন্য মু*জাহি/দদের হাতে বন্দী হয় এবং অনেক সৈন্য যু/দ্ধের ময়দান থেকে পালিয়ে অজ্ঞাত স্থানে চলে গেছে।
শত্রু বাহিনীতে বিপুল সংখ্যক হতাহত ও মু*জাহি/দদের হাতে বন্দী ছাড়াও, এই অভিযানগুলোতে শত্রুপক্ষের অসংখ্য সামরিক যান ও সরঞ্জাম ধ্বংস হয়েছে। রাশিয়ার তৈরি একটি এমআই-২৪ হেলিকপ্টার গুলি করে ভূপাতিত করা হয়েছে, ফলে এর সমস্ত ক্রু নিহত হয়েছে। সেই সাথে এই অঞ্চলে শত্রুপক্ষের অনেক চালকবিহীন আকাশযানও মু*জাহি/দদের হামলার সফল লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
জেএন/আইএম বিবৃতিতে আজাওয়াদ লিবারেশন ফ্রন্ট (এফএলএ)-কে নিজেদের মিত্র এবং সৈন্যদের ভাই বলে সম্বোধন করে। এসময় যু/দ্ধে এফএলএ যো/দ্ধাদের আত্মত্যাগ, বীরত্ব, সাহসিকতা এবং ভ্রাতৃত্বের নজির স্থাপন করার প্রশংসাও করে জেএন/আইএম। একই সাথে মালি ও বুরকিনা ফাসোতে শরি/য়াহ্ প্রতিষ্ঠার এই যু/দ্ধে শত্রুর মোকাবেলায় যেসকল মু*জাহি/দরা নিজেদের জীবন দিয়েছেন, সেইসব নেককার ভাইদের জন্য মহান রবের দরবারে তাদের জি/হাদ ও শা/হাদাত কবুল করার জন্যও দোয়া করা হয়। তাদেরকে যেনো নবী, সালেহীন, শ/হীদ ও নেককারদের সান্নিধ্যে সমর্পণ করা হয়।
এসময় সর্বশক্তিমান আল্লাহর কাছে আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করা হয়। আর যারা দুটি উত্তম জিনিসের একটির জন্য অপেক্ষা করছে — হয় বিজয় ও সাফল্য, নয় শা/হাদাহ —তাদের জন্য দৃঢ়তা ও ধৈর্যের দোয়া করা হয়।
জেএন/আইএম তাদের বিবৃতির শেষে ঘোষণা করেছে যে, আজাওয়াদ লিবারেশন ফ্রন্টের সাথে যৌথভাবে পরিচালিত এই অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং তারা এই অঞ্চলের শরি/য়াহ্ ও মুসলিম বিরুদ্ধে সরকার ও রুশ উপস্থিতির বিরুদ্ধে তাদের জি/হাদ চালিয়ে যাবেন। | 333 |
| 11 | আল-কা/য়েদা সংশ্লিষ্ট পশ্চিম আফ্রিকা শাখা জামায়াত নুসরাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলিমিন (জেএন/আইএম)। দলটির অফিসিয়াল মিডিয়া শাখা আয-যাল্লাকা ৩ পৃষ্ঠার একটি বিবৃতি প্রকাশ করেছে। বিবৃতিতে মালি ও বুরকিনা ফাসোতে গত ৪ জুলাই জান্তা, রাশিয়ান বাহিনী এবং স্থানীয় মিলিশিয়াদের বিরুদ্ধে একযোগে শুরু হওয়া মু*জাহি/দদের সমন্বিত সামরিক অপারেশনের বিষয়ে তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে।
বিবৃতিতে ঘোষণা করা হয়েছে যে, জেএন/আইএম মু*জাহি/দরা একযোগে পরিচালিত সমন্বিত অভিযানের মাধ্যমে মালি ও বুরকিনা ফাসোতে শত্রু বাহিনীর অসংখ্য সামরিক ঘাঁটিকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেছেন। এই যু/দ্ধে জেএন/আইএম মু*জাহি/দরা বীরত্ব, আত্মত্যাগ এবং বিজয়ের সবচেয়ে বিস্ময়কর মহাকাব্য রচনা করেছেন। ফলশ্রুতিতে শত্রুপক্ষের অসংখ্য সৈন্য হতাহত, ব্যাপক বস্তুগত ক্ষতি এবং বাহিনীতে অনৈক্য তৈরির পাশাপাশি বহু সংখ্যক সৈন্য আত্মসমর্পণ করেছে। | 301 |
| 12 | ইমারাতে ইসলামিয়া আফগানিস্তানের প্রশাসনিক প্রধান শাইখ নূরুলহক আনোয়ার হাফিযাহুল্লাহ বলেছেন, ইসলামে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা একটি স্বীকৃত অধিকার, তবে এই স্বাধীনতার সীমা অতিক্রম করে সরকারি ব্যবস্থার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ, অপপ্রচার কিংবা মানুষের অধিকার ক্ষুণ্ন করে কোনো বক্তব্য প্রদান করলে তা অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে।
সাংবাদিকদের সক্ষমতা বাড়াতে ময়দান ওয়ার্দাক প্রদেশে আয়োজিত এক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় তিনি এই মন্তব্য করেন।
প্রায় ৪০০ সাংবাদিক, লেখক, যুবক ও উপজাতি প্রবীণের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এই কর্মশালায় তিনি বিশেষভাবে সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে সত্য ও ন্যায়ের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, বাক্স্বাধীনতা সমাজের সংস্কার ও কল্যাণের জন্য ব্যবহার করা উচিত। যে কথা বলে, তার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো সত্যবাদিতা। সত্য ও ন্যায় থেকে বিচ্যুত হয়ে মানুষের অধিকার লঙ্ঘন, মিথ্যা ব্যাখ্যা বা নেতিবাচক উদ্দেশ্যে অভিযোগ করার কোনো স্থান ইসলামে নেই।
তিনি আরও আরও বলেন, ইসলামে বাক্স্বাধীনতা সমাজের কল্যাণ, সংশোধন ও সংস্কারের জন্য ব্যবহার করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তাই এই অধিকার এমনভাবে প্রয়োগ করতে হবে, যাতে সত্য প্রতিষ্ঠিত হয়, ন্যায়বিচার নিশ্চিত হয় এবং সমাজে বিভ্রান্তি বা অন্যায়ের প্রসার না ঘটে। | 296 |
| 13 | ইমারাতে ইসলামিয়া আফগানিস্তানের প্রশাসনিক প্রধান শাইখ নূরুলহক আনোয়ার হাফিযাহুল্লাহ বলেছেন, ইসলামে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা একটি স্বীকৃত অধিকার, তবে এই স্বাধীনতার সীমা অতিক্রম করে সরকারি ব্যবস্থার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ, অপপ্রচার কিংবা মানুষের অধিকার ক্ষুণ্ন করে কোনো বক্তব্য প্রদান করলে তা অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে।
সাংবাদিকদের সক্ষমতা বাড়াতে ময়দান ওয়ার্দাক প্রদেশে আয়োজিত এক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় তিনি এই মন্তব্য করেন।
প্রায় ৪০০ সাংবাদিক, লেখক, যুবক ও উপজাতি প্রবীণের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এই কর্মশালায় তিনি বিশেষভাবে সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে সত্য ও ন্যায়ের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, বাক্স্বাধীনতা সমাজের সংস্কার ও কল্যাণের জন্য ব্যবহার করা উচিত। যে কথা বলে, তার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো সত্যবাদিতা। সত্য ও ন্যায় থেকে বিচ্যুত হয়ে মানুষের অধিকার লঙ্ঘন, মিথ্যা ব্যাখ্যা বা নেতিবাচক উদ্দেশ্যে অভিযোগ করার কোনো স্থান ইসলামে নেই। | 278 |
| 14 | গণমাধ্যম ও সাংবাদিকদের আরও দ্রুত, স্বচ্ছ এবং কার্যকরভাবে তথ্য সরবরাহ নিশ্চিত করতে নতুন একটি বিভাগ গঠন করেছে ইমারাতে ইসলামিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। "তথ্য সহায়তা" নামে প্রতিষ্ঠিত এই বিভাগের মাধ্যমে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে সমন্বয় আরও জোরদার করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
পাকতিয়া প্রদেশে সাংবাদিকদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক সমন্বয় সভায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ বিভাগের প্রধান আব্দুল হাকিম হেমত আখুন্দজাদা হাফিযাহুল্লাহ এ ঘোষণা দেন। তিনি জানান, নবগঠিত "তথ্য সহায়তা" বিভাগের মূল দায়িত্ব হবে গণমাধ্যম ও সাংবাদিকদের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ, তাদের প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান এবং সময়মতো তথ্যপ্রাপ্তি নিশ্চিত করা।
তিনি আরও বলেন, এই বিভাগের মাধ্যমে সাংবাদিকদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে সমন্বয় বাড়ানো এবং তথ্য আদান-প্রদানের প্রক্রিয়াকে আরও সহজ ও কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যাতে তারা নির্ধারিত সময়ে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করতে পারেন। | 297 |
| 15 | সূত্র জানায়, ধারাবাহিক অভিযানের ফলে সুন্দরবনে সক্রিয় দস্যু বাহিনীগুলো চাপে পড়ে। এরই ধারাবাহিকতায় এর আগে ছোট সুমন বাহিনীর সাত সদস্য এবং বড় জাহাঙ্গীর বাহিনীর তিন সদস্য অস্ত্রসহ আত্মসমর্পণ করে। সর্বশেষ ছোট জাহাঙ্গীর বাহিনীর প্রধান জাহাঙ্গীর শেখ তার সহযোগীদের নিয়ে আত্মসমর্পণের সিদ্ধান্ত নেয়। আত্মসমর্পণকারীদের অধিকাংশই খুলনার পাইকগাছা, কয়রা ও বটিয়াঘাটা উপজেলার বাসিন্দা। এছাড়া বাগেরহাটের রামপাল, ফকিরহাট, কচুয়া, মোংলা ও শরণখোলা উপজেলার কয়েকজন এবং পিরোজপুর জেলার একজন সদস্যও আত্মসমর্পণ করেছে।
আত্মসমর্পণের সময় দস্যুরা কোস্ট গার্ডের কাছে তিনটি বিদেশি বন্দুক, একটি এইট শুটার, একটি ফোর শুটার, পাঁচটি দেশীয় একনলা বন্দুক, ১৫টি দেশীয় পাইপগান, দুটি চায়না পাইপগান, ৩৪০ রাউন্ড তাজা কার্তুজ এবং ৫৫ রাউন্ড ফাঁকা কার্তুজ জমা দেয়। কোস্ট গার্ড জানায়, আত্মসমর্পণকারী এসব দস্যু দীর্ঘদিন ধরে সুন্দরবনে ডাকাতি, অপহরণ, জেলে ও বাওয়ালিদের জিম্মি করে মুক্তিপণ আদায়সহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ছিল। জব্দ করা অস্ত্র-গোলাবারুদ এবং আত্মসমর্পণকারী দস্যুদের বিরুদ্ধে আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। সরকারের পুনর্বাসন নীতিমালার আওতায় আত্মসমর্পণকারীদের পুনর্বাসনের সুযোগ দেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, দেশি-বিদেশি বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ সন্ত্রাসীদের কিছু গ্রেফতার ও কিছু আত্মসমর্পণ করেছে, তা সত্ত্বেও কোন মিডিয়া তাদেরকে জঙ্গী-সন্তাসী বলে সম্ভোধন করতে দেখা যায়নি। অথচ কিছু মিডিয়া প্রতিনিয়ত কোন কারণ ছাড়াই উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আলেম-উলামাদের জঙ্গি তকমা দেয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছে। | 271 |
| 16 | সুন্দরবনের কুখ্যাত ছোট জাহাঙ্গীর বাহিনীর প্রধানসহ মোট ২৭ জন সদস্য অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের কাছে আত্মসমর্পণ করেছে। সোমবার (১৩ জুলাই) বিকেল ৫টার দিকে বাগেরহাটের মোংলা থানার সুন্দরবনের চরপুটিয়া খালসংলগ্ন এলাকায় তারা আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণ করে।
কোস্ট গার্ডের বরাতে দৈনিক আমার দেশ জানায়, সরকারের নির্দেশনায় সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত এবং উপকূলীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দীর্ঘদিন ধরে অপারেশন রিস্টোর পিস ইন সুন্দরবন ও অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড পরিচালনা করা হচ্ছে। এসব অভিযানে ইতোমধ্যে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে। পাশাপাশি ৪৫ জন বনদস্যুকে গ্রেপ্তার এবং দস্যুদের হাতে জিম্মি থাকা ৪২ জন জেলে ও বাওয়ালিকে জীবিত উদ্ধার করে চিকিৎসা শেষে তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। | 273 |
| 17 | বিদ্যালয় শেষে জেরিন বাড়ি না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে রাত সাড়ে ১০টার দিকে মোহনগঞ্জ রেলস্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা আন্তঃনগর মোহনগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেনের খাবারের বগি থেকে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করেন। এ সময় তাকে মোহনগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে পাঠান।
এর আগের দিন রোববার (১২ জুলাই) বিকেল ৪টার দিকে পৌরশহরের টেংগাপাড়া এলাকার মোহনগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী সোমাইয়া আক্তারকে (৯) অপহরণের চেষ্টা করা হয়।
ভুক্তভোগী, প্রত্যক্ষদর্শী ও পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য, বিদ্যালয় ছুটির পর বাড়ি ফেরার পথে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা এসে থামে। সেখান থেকে নেমে এক যুবক সোমাইয়ার হাত ধরে জোর করে গাড়িতে তুলে মুখ চেপে ধরে। পরে সিএনজিটি দ্রুত নেত্রকোনার দিকে রওনা দেয়। পথিমধ্যে উপজেলার বিরামপুর বাজার এলাকায় পৌঁছালে সোমাইয়া অপহরণকারীর হাতে কামড় দিয়ে চলন্ত সিএনজি থেকে লাফিয়ে পড়ে। স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে পরিবারের কাছে পৌঁছে দেন।
পরপর দুই শিক্ষার্থী অপহরণের ঘটনায় মোহনগঞ্জের অভিভাবকদের মধ্যে চরম উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তারা দ্রুত অপহরণচক্রের সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন।
অভিভাবক শামীমা আক্তার শিশির সাংবাদিকদের বলেন, ‘ছেলে-মেয়েদের নিয়ে এমনিতেই আতঙ্কে থাকি। এই ঘটনার পর সেই আতঙ্ক আরও বেড়েছে। শহরের বিভিন্ন সড়কে সিসিটিভি ক্যামেরা রয়েছে। ফুটেজ পর্যালোচনা করে দ্রুত অপহরণকারীদের গ্রেপ্তার করা হোক।’
মোহনগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক উম্মে হাবিবা আসমা বলেন, ‘ঘটনার পর শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। শিক্ষার্থীদের একা বিদ্যালয়ের বাইরে না যেতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজন হলে অভিভাবক বা কয়েকজন সহপাঠীর সঙ্গে যেতে বলা হয়েছে।’
দৌলতপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘জেরিনের ঘটনায় শিক্ষক-অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। সে বর্তমানে নেত্রকোনা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে দ্রুত জড়িতদের গ্রেপ্তার করা উচিত।’ | 265 |
| 18 | নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে মাত্র দুই দিনের ব্যবধানে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থী অপহরণের ঘটনায় এলাকায় চরম উদ্বেগ ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। এক শিক্ষার্থীকে অজ্ঞান করে অপহরণের পর রাতে আন্তঃনগর মোহনগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেনের খাবারের বগি থেকে উদ্ধার করা হয়। অপরদিকে আরেক শিক্ষার্থী অপহরণকারীর হাতে কামড় দিয়ে চলন্ত সিএনজিচালিত অটোরিকশা থেকে লাফিয়ে পড়ে রক্ষা পায়।
দৈনিক আমার দেশ জানায়, সর্বশেষ সোমবার (১৩ জুলাই) দুপুরে পৌরশহরের দৌলতপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ঘটনাটি ঘটে। বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী জেরিন আক্তার (১১) টিফিনের সময় বিদ্যালয়ের গেটের বাইরে গেলে কয়েকজন যুবক তাকে রাস্তায় পড়ে থাকা একটি রুমাল তুলে দিতে বলে। পরিবারের দাবি, রুমালটি তুলতেই সে অজ্ঞান হয়ে পড়ে। পরে অপহরণকারীরা তাকে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় তুলে নিয়ে যায়। | 253 |
| 19 | আশিক ঘটনাটি জানতে পেরে রাতে এলাকায় আসে। ৪ জুলাই বিকেলে ঘটনাটি নিয়ে বাগবিতণ্ডার একপর্যায়ে সে নজরুলকে গুলি করে। ঘটনার পর থেকে আশিক পলাতক ছিল। এ ঘটনায় আশিকের বিরুদ্ধে ৬ জুলাই ভিকটিম নজরুল বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন। | 256 |
| 20 | লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে সালিসি বৈঠকে বাগবিতণ্ডা জের ধরে নজরুল ইসলাম (৭০) নামে এক বৃদ্ধকে গুলি করে মো. আশিক (২৩) নামে এক যুবক। তারা সম্পর্কে দাদা-নাতি। এ ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় আশিককে গ্রেপ্তারসহ একটি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করেছে র্যাব।
সোমবার (১৩ জুলাই) রাতে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকা থেকে আশিককে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দুপুরে তাকে সঙ্গে নিয়ে চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার বশিকপুর ইউনিয়নের রশিদপুর গ্রামের হামিদ উল্যা পাটওয়ারী বাড়ি থেকে একটি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করে র্যাব।
দৈনিক আমার দেশ সূত্র জানায়, গ্রেপ্তার আশিকের বাবা ফারুক ও মা আয়েশা বেগমের সঙ্গে পারিবারিক বিরোধে চলে আসছিল। এ ঘটনায় ৩ জুলাই সন্ধ্যায় স্থানীয়ভাবে সালিসি বৈঠক হয়। এতে ফারুকের চাচা নজরুলসহ আরও একজন ছিল। ঘটনার সময় আয়েশার সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয়। এ ঘটনায় আয়েশা ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে। পরে তিনি মোবাইলফোনে ঢাকায় থাকা তার ছেলে আশিককে বিষয়টি জানায়। | 276 |
