ar
Feedback
Revolutionary Students' Front

Revolutionary Students' Front

الذهاب إلى القناة على Telegram

Telegram Channel of RSF Bengal

إظهار المزيد
385
المشتركون
لا توجد بيانات24 ساعات
+27 أيام
+2630 أيام
أرشيف المشاركات
photo content
+1

সাম্প্রতিক নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনের মর্মান্তিক ছাত্রমৃত্যু প্রসঙ্গে বিপ্লবী ছাত্র ফ্রন্টের (RSF) বিবৃতি https://www.facebook.com/share/p/1DDzMSUtWa/ https://www.instagram.com/p/DaX2o3UgS2s/

photo content
+1

সাম্প্রতিক নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনের মর্মান্তিক ছাত্রমৃত্যু প্রসঙ্গে বিপ্লবী ছাত্র ফ্রন্টের (RSF) বিবৃতি রাজ্যে আবারও প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষের গাফিলতিতে ছাত্রমৃত্যুর ঘটনা সামনে এসেছে। কিছুদিন আগেই নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র দীপ্তাংশু মাহাতো খাদ্যনালী পুড়ে গিয়ে মারা যায়। ছাত্রদের বক্তব্য কর্তৃপক্ষকে জানানো সত্ত্বেও তারা দীপ্তাংশুর অবস্থাকে কোনরকম গুরুত্বই দিতে চায়নি। সংকটাপন্ন অবস্থায় মিশনের মহারাজকে জানাতে গেলেও তাদের আটকানো হয়। যার পরিণতিতে সঠিক সময়ে চিকিৎসার অভাবে মৃত্যু হল দীপ্তাংশুর। এরপর থেকেই এই মর্মান্তিক মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ছাত্র ও অভিভাবকদের মধ্যে বিক্ষোভ তীব্র হতে শুরু করেছে। ছাত্র বিক্ষোভের মুখে রামকৃষ্ণ মিশন কর্তৃপক্ষ সুষ্ঠু তদন্তের বদলে স্রেফ প্রধান শিক্ষক সহ তিনজন কর্মচারীকে পদত্যাগ করিয়ে দায় ঝেড়ে ফেলতে চায়। এই ঘটনা আজকের বাংলা তথা ভারতের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলির বাস্তবতা আবার সামনে নিয়ে এল। কিছু মাস আগে বাংলাতেই বাঁশদ্রোণীর একটি স্কুলে তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র অসুস্থ হয়ে পড়লেও তাকে স্কুলে বসিয়ে রেখে মৃত্যুমুখে ঠেলে দেওয়া হয়। সম্প্রতি দিল্লির নয়ডাতেও প্রতিষ্ঠানের উদাসীনতায় মৃত্যু হয়েছে ছাত্রের। শুধু স্কুল নয়, বিশ্ববিদ্যালয়, আইটিআই, আইআইটি, আইজার সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানেই ধারাবাহিক ছাত্রবিরোধী ঘটনা ঘটে চলেছে। ছাত্রছাত্রীদের সুরক্ষা ও স্বার্থের বদলে ব্যবসায়িক স্বার্থকেই কর্তৃপক্ষ গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে। তাদের কাছে ছাত্রছাত্রীরা শুধুমাত্র ‘শিক্ষা’ নামক পণ্যের ক্রেতা, কখনো বা তাদের প্রচারণার বিজ্ঞাপন। বর্তমান ব্রাহ্মণ্যবাদী হিন্দুত্ব ফ্যাসিবাদী আরএসএস-বিজেপির সরকারের দৌলতে আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা ক্রমশ বেসরকারি হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে। নিয়ে আসা হয়েছে জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০। ধাপে ধাপে সম্পূর্ণ শিক্ষা ব্যবস্থাকেই কর্পোরেটের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যে ‘উন্নয়নে’র নামে রাজ্যের ফ্যাসিবাদী সরকার ৫১টি আইটিআই বেসরকারিকরণের উদ্যোগ নিচ্ছে। ফ্যাসিবাদের উপযোগী করে বদলে ফেলা হচ্ছে পাঠক্রম। ছাত্রছাত্রীদের হিন্দুত্ববাদের বড়ে তথা সাম্রাজ্যবাদের অস্ত্র হিসাবে গড়ে তোলার উদ্দেশ্যেই এইসমস্ত পরিবর্তন। বহুদিন ধরেই রামকৃষ্ণ মিশন, ভারত সেবাশ্রমের মতন সংগঠনগুলি বিজেপি-আরএসএসের হিন্দুত্ববাদী চিন্তাধারার ধারকবাহক রূপে কাজ করে আসছে। ঠিক সেই কারণেই ঐতিহাসিকভাবে তাদের বিরুদ্ধে ছাত্রবিরোধী নীতির অভিযোগ রয়েছে। বেসরকারিকরণ আসলে এইসমস্ত নীতিকেই অবাধ ও প্রতিষ্ঠান নিরপেক্ষ হিসাবে ছাত্রশোষণেরই বৃদ্ধি ঘটাবে। উল্টোদিকে, ন্যায্য ছাত্র আন্দোলনকে চিহ্নিত করা হবে ‘অপরাধ’ হিসাবে। আমরা বিপ্লবী ছাত্র ফ্রন্টের (RSF) পক্ষ থেকে দীপ্তাংশুর মৃত্যুর সুষ্ঠু তদন্তের দাবি করছি। এই ঘটনাকে ধামাচাপা দেওয়ার কোনরকম চেষ্টা করা চলবে না। এই গাফিলতিতে জড়িত প্রত্যেক মিশন কর্মচারী, শিক্ষক বা শিক্ষাকর্মীর যথাযথ শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বেসরকারিকরণ আটকাতেই হবে। NEP 2020 বাতিল করতে হবে। ছাত্র-অভিভাবক-প্রতিষ্ঠানের ত্রিপাক্ষিক কমিটি গঠন করতে হবে। এই সমস্ত মৌলিক ছাত্র অধিকার সুনিশ্চিত করতে হবে। সর্বোপরি, এই দাবিগুলি পূরণ করাতে ছাত্রছাত্রী, অভিভাবক, শিক্ষক-শিক্ষাকর্মী সহ সমস্ত সচেতন, গণতান্ত্রিক, ফ্যাসিবিরোধী, প্রগতিশীল সংগঠন ও ব্যক্তিদের জঙ্গি গণআন্দোলন গড়ে তুলতেই হবে।

photo content
+4

পুঁজিপতিদের স্বার্থে হকার উচ্ছেদ, বুলডোজার রাজের বিরুদ্ধে যাদবপুর স্টেশন ও সুকান্ত সেতু চত্বরে বিপ্লবী ছাত্র ফ্রন্টের (RSF) পোস্টারিং। এই অঞ্চলগুলোতে দুই একদিনের মধ্যে হকার উচ্ছেদের নোটিশ দেওয়া হয়েছে। https://www.facebook.com/share/p/1HQvqprkPv/ https://www.instagram.com/p/DaVdtesAUhw/

photo content
+3

রাজ্যজুড়ে ৫১টি সরকারি আইটিআই বেসরকারিকরণের অপচেষ্টা সহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে হিন্দুত্ববাদী আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ছাত্রছাত্রীদের প্রতি জঙ্গি গণআন্দোলন গড়ে তোলার ডাকে প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে বিপ্লবী ছাত্র ফ্রন্টের (RSF) পোস্টারিং। https://www.facebook.com/share/p/19BPKqv1Av/ https://www.instagram.com/p/DaUZdi1AXu3/

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় পাস হওয়া নয়া ‘রাওলাট আইন’ ফ্যাসিবাদী গুণ্ডাদমন আইনের বিরুদ্ধে বিপ্লবী ছাত্র ফ্রন্টের (RSF) বিবৃতি https://www.facebook.com/share/p/1D1LNDXrxA/ https://www.instagram.com/p/DaP_cIKgTPR/

photo content
+1

প্রয়োজনীয় ডাক। আমরা, বিপ্লবী ছাত্র ফ্রন্টের (RSF) পক্ষ থেকে এই নয়া গুণ্ডাদমন আইনের তীব্র বিরোধীতা জানাচ্ছি। এই আইন একটি সম্পূর্ণ জনবিরোধী ষড়যন্ত্র, যা বাংলাকে বিরোধীশূন্য বানিয়ে এক সন্ত্রাসের আঁতুড়ঘর ও ফ্যাসিবাদের মডেল রাজ্য বানাতে চায়। গুণ্ডাদমন আইন সহ ইউএপিএ, এনআইএ, আফস্পার মত আইন অবিলম্বে বাতিল করতে হবে। সাধারণ জনগণের কর্মসংস্থানের ওপর, শিশুদের পুষ্টি ও খাদ্যাভ্যাসের ওপর এই হামলা অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। শিক্ষার বেসরকারিকরণ আটকাতেই হবে। সমস্ত ফ্যাসিবিরোধী, প্রগতিশীল, গণতান্ত্রিক, বামপন্থী সংগঠন ও ব্যক্তি তথা শ্রমিক, কৃষক, ছাত্র, যুব, নারী, সংখ্যালঘু, দলিত, আদিবাসী সহ আপামর জনসাধারণকে আমরা এই আইনের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ জঙ্গি গণআন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানাচ্ছি।

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় পাস হওয়া নয়া ‘রাওলাট আইন’ ফ্যাসিবাদী গুণ্ডাদমন আইনের বিরুদ্ধে বিপ্লবী ছাত্র ফ্রন্টের (RSF) বিবৃতি গত ২৯শে জুন, ২০২৬ পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতাসীন বিজেপি সরকার বিধানসভায় পাস করিয়ে নিয়েছে ‘West Bengal Public Safety and Control of Anti Social Activities Bill’ এবং ‘West Bengal maintenance of public order (amendment) Bill’ নামে দুটি বিল। একত্রে যাদের ‘গুণ্ডা দমন আইন’ নামে প্রচার করা হচ্ছে। মহারাষ্ট্রের পর এই প্রথম কোনো রাজ্যে এধরণের অগণতান্ত্রিক আইন জারি করা হল। এই আইন অনুযায়ী, বিজেপি সরকার, জেলাশাসক বা পুলিশ কমিশনারের শুধুমাত্র নির্দেশেই যে কোন ব্যক্তিকে একবছর পর্যন্ত বিনা বিচারে আটক করে রাখার ক্ষমতা দেওয়া হল পুলিশকে। এমনকি, সেই ব্যক্তির সম্পত্তি বাজেয়াপ্তও করতে পারবে সরকার। তার ওপর নির্দিষ্ট এলাকা থেকে সেই ব্যক্তিকে বহিষ্কার করা যাবে। আক্রান্ত ব্যক্তি আদালতের শরণাপন্ন পর্যন্ত হতে পারবে না। সেই মৌলিক অধিকারটুকুও কেড়ে নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে আবার, কোন বিষয়টিকে ‘গুণ্ডা’ হওয়ার যোগ্যতা বা মাপকাঠি ধরা হবে, তাও ঠিক করে দেবে সরকার। এছাড়াও, যে কোনো জায়গায় স্রেফ ‘সন্দেহের বশে’ তল্লাশি চালানোর ক্ষমতা দেওয়া হল পুলিশকে। সরকারের বক্তব্য, এই আইনের মাধ্যমে তোলাবাজ ও সমাজ বিরোধীদের শায়েস্তা করা যাবে। কিন্তু এই মিথ্যা মুখোশের আড়ালে লুকিয়ে রয়েছে বিজেপি সরকারের আসল উদ্দেশ্য। ‘গুন্ডা দমনে’র নামে পাস হওয়া এই বিল আসলে বাংলার শাসকবিরোধী রাজনীতিকে সমূলে বিনষ্ট করার এক ঘৃণ্য অভিসন্ধি ‘নয়া রাউলাট আইন’। ব্রাহ্মণ্যবাদী হিন্দুত্ব ফ্যাসিবাদী আরএসএস-বিজেপির সরকার নিজেদের শাসনকালকে বাংলাজুড়ে তাদের ফ্যাসিবাদী এজেন্ডা পূরণ করার মাধ্যম বানাতে তৎপর। ক্ষমতায় আসার দিন থেকেই রাজ্যের খেটেখাওয়া মানুষের ওপর একের পর এক আক্রমণ চালিয়ে গেছে বিজেপির ‘গুণ্ডা’ ও তাদের সরকার। আমরা দেখেছি, পুলিশ ও আধাসেনার মদতে রাজ্যের স্টেশনগুলি থেকে হকার ও ছোট ব্যবসায়ীদের উচ্ছেদ করা হয়েছে। রাতের অন্ধকারে বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে দীর্ঘদিনের ব্যবসা স্থান সহ গৃহহীন মানুষদের থাকার আস্তানাও। একটি ক্ষেত্রেও ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থাটুকুও করা হয়নি। আবার এই উচ্ছেদ অভিযানে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছে বিজেপির গুণ্ডারাই। প্রতিবাদে নামা বামপন্থী রাজনৈতিক কর্মীদের উপর লাঠিচার্জ ও তাদের আটক করা হয়েছে। অন্যদিকে, সংখ্যালঘুদের ধর্মাচরণের অধিকারে একের পর এক হস্তক্ষেপ করে চলেছে সরকার। আবার, বাংলার স্কুলগুলোকে ধর্মীয় সংস্থা ইস্কনের হাতে তুলে দিয়ে শিশুদের ওপর ভিনরাজ্যের খাদ্যাভ্যাস জোর করে চাপানো হচ্ছে। যা শিশুদের প্রয়োজনীয় পুষ্টি থেকে বঞ্চিত রাখা তো বটেই, সাথে শিক্ষাক্ষেত্রকে সামগ্রিক বেসরকারিকরণের ষড়যন্ত্রও। এরমধ্যেই আমরা দেখেছি, ৫১টি সরকারি আইটিআই উন্নয়নের নামে বেসরকারি হাতে তুলে দেওয়ার ঘোষণা হয়ে গেছে। এ সবকিছুই পুরোদমে রাজ্যের সংস্থা, সমাজ তথা জনগণের ফ্যাসিকরণ-গেরুয়াকরণ শুরুর অভিব্যক্তি। বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার সঙ্গে সঙ্গেই নিজের হিংস্র চেহারা দেখাতেও পিছপা হচ্ছে না। কারণ তাদের দৃষ্টিতে সংসদীয় ভাবে রাজ্যে বিরোধী নেই। প্রধান বিরোধী দল তৃণমূল শত বিভক্ত হয়ে দলে দলে বিজেপিতে ঢুকতে মরিয়া। এই মুহূর্তে বিজেপির রাজনৈতিক বিরোধী একমাত্র বামপন্থী রাজনৈতিক কর্মী ও ছাত্রযুবরা। আর এই অংশের উপর আক্রমণ নামাতে বিজেপি বদ্ধপরিকর। কিছুদিন আগেই আমরা দেখেছি, বিপ্লবী ছাত্র ফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক সহ বামপন্থী রাজনৈতিক কর্মীদের বাড়িতে সন্ত্রাসবাদী এনআইএ-কে পাঠিয়ে ভয় দেখানোর চেষ্টা চালিয়েছে সরকার। এ সমস্তই রাজ্যকে বিরোধীশূন্য বানিয়ে সাম্রাজ্যবাদের স্বার্থে রাজ্য ও রাজ্যের মানুষকে ব্যবহারের পথ সুগম করা। সেই লক্ষ্যে হিন্দি-হিন্দু-হিন্দুস্তানের মডেল বানাতে চাওয়া শুভেন্দু অধিকারী এখন জনসাধারণকেও ন্যূনতম বিরোধীতায়ও মিথ্যা অভিযোগে আটক করতে চায়। সম্প্রতি, রাজ্যে দুইজন ইউটিউবারকে সরকারের প্রতি প্রশ্ন করার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়। যেখানে বিজেপি দলটাই সজল ঘোষ, কার্তিক মহারাজদের মতো ‘গুন্ডা’, দাঙ্গাবাজ, ধর্ষক, ‘নারদা’র ঘুষ নেওয়া অপরাধী ও ধর্মীয় উস্কানিমূলক মন্তব্য করা নেতায় ভর্তি, সেখানে তাদের পরিবর্তে গুণ্ডা খোঁজার নামে নিরীহ মানুষ ও রাজনৈতিক কর্মীরাই এই আইনের বলি হবে। এই আইন রাউলাট আইন, আফস্পা, এনআইএ, ইউএপিএ-রই উত্তরসূরি। বর্তমানে বাংলাজুড়ে প্রান্তিক মানুষদের যে ধারাবাহিক নিপীড়ন চলমান, একের পর এক মানবাধিকার ও গণতান্ত্রিক অধিকার লঙ্ঘন — এসব নিয়ে প্রতিবাদরত কণ্ঠস্বরকে চুল করিয়ে দেওয়া এবং সরকারের বেআইনি কাজকে আইন স্বীকৃত দেওয়াই এর মূল লক্ষ্য। নাহলে এই আইনকে সম্বল করেই অদূর ভবিষ্যতে জনবিক্ষোভ দমনের মাধ্যমে এনআরসি সহ একাধিক গণবিরোধী নীতি লাগু করা হবে। সরকারি সংস্থা মারফত ফ্যাসিবাদী এজেন্ডা পুরো করার পথ নিষ্কণ্টক বানানোর এই আইনকে আটকানোই আজকে সবথেকে

আজ হুল দিবস। সিধু কানহু ফুলো ঝানো চাঁদ ভৈরবদের হুল দিবস। জল জঙ্গল জমির অধিকারের লড়াই আজও চলমান। https://www.facebook.com/sha
আজ হুল দিবস। সিধু কানহু ফুলো ঝানো চাঁদ ভৈরবদের হুল দিবস। জল জঙ্গল জমির অধিকারের লড়াই আজও চলমান। https://www.facebook.com/share/p/1EChwzR2Af/ https://www.instagram.com/p/DaNplfdB39M/

photo content
+5

photo content

কলকাতার সরকারি স্কুলগুলিতে মিড ডে মিলের দায়িত্বে ইসকন। তারপর থেকেই শিশুপুষ্টির সাথে আপোষের থেকে বেসরকারিকরণের বিষয়টি আসছে সামনে। চলুন বিস্তারিত দেখে নেওয়া যাক https://www.facebook.com/share/p/18wFAerUnr/ https://www.instagram.com/p/DaITaqFAbrB/

Jadavpur University Admission Helpdesk 2026 For any admission related enquiries, assistance and PG/ Hostel Accomodation assis
Jadavpur University Admission Helpdesk 2026 For any admission related enquiries, assistance and PG/ Hostel Accomodation assistance, contact Revolutionary Students' Front (RSF) এবছরের যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে অ্যাডমিশন সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর পেতে, সমস্যা জানাতে এবং হোস্টেল ও পিজিতে থাকার বিষয়ে জানতে যোগাযোগ করুন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় অ্যাডমিশন হেল্পডেস্কে। https://www.facebook.com/share/p/1Fmn5awrFn/ https://www.instagram.com/p/DaGMWLZBhdt/

Jadavpur University Admission Helpdesk 2026 For any admission related enquiries, assistance and PG/ Hostel Accomodation assis
Jadavpur University Admission Helpdesk 2026 For any admission related enquiries, assistance and PG/ Hostel Accomodation assistance, contact Revolutionary Students' Front (RSF) এবছরের যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে অ্যাডমিশন সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর পেতে, সমস্যা জানাতে এবং হোস্টেল ও পিজিতে থাকার বিষয়ে জানতে যোগাযোগ করুন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় অ্যাডমিশন হেল্পডেস্কে। https://www.facebook.com/share/p/1Fmn5awrFn/

photo content
+3

Condemn the Increasing Fascist Assault on Democratic Rights : Stand Against the Criminalisation of Dissenting Voice গণতান্ত্রিক অধিকারের ওপর ক্রমবর্ধমান ফ্যাসিবাদী আক্রমণ ও ভিন্নমতকে অপরাধ বানানোর চক্রান্তের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান https://www.facebook.com/share/p/1BSUTrUKr8/ https://www.instagram.com/p/DaCQAn2gWxf/