uz
Feedback
চব্বিশের যোদ্ধা • Warriors of 24

চব্বিশের যোদ্ধা • Warriors of 24

Kanalga Telegram’da o‘tish

আমরা ১৯৭১ এর স্বাধীনতা যুদ্ধ দেখিনি, তবে ২০২৪ এ এসে স্বৈরাচারীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ দেখেছি। আর এই ২৪ এর যুদ্ধ থেকে আমরা সদা-সর্বদা প্রস্তুত জনসাধারণের মাঝে সঠিক তথ্য পৌঁছে দিতে।

Ko'proq ko'rsatish

📈 Telegram kanali চব্বিশের যোদ্ধা • Warriors of 24 analitikasi

চব্বিশের যোদ্ধা • Warriors of 24 (@warriorsof24) Bengal til segmentidagi kanali faol ishtirokchi. Hozirda hamjamiyat 15 315 obunachidan iborat bo'lib, Siyosat toifasida 3 650-o'rinni va Bangladesh mintaqasida 1 493-o'rinni egallagan.

📊 Auditoriya ko‘rsatkichlari va dinamika

невідомо sanasidan buyon loyiha tez o‘sib, 15 315 obunachiga ega bo‘ldi.

10 Iyul, 2026 dagi oxirgi ma’lumotlarga ko‘ra kanal barqaror faollikka ega. Oxirgi 30 kunda obunachilar soni -263 ga, so‘nggi 24 soatda esa -11 ga o‘zgardi va umumiy qamrov yuqori darajada qolmoqda.

  • Tasdiqlash holati: Tasdiqlanmagan
  • Jalb etish (ER): Auditoriya o‘rtacha 10.56% darajada jalb etiladi. Nashrdan keyingi dastlabki 24 soatda kontent odatda umumiy obunachilar sonining 4.02% ini tashkil etuvchi reaksiyalarni to‘playdi.
  • Post qamrovi: Har bir post o‘rtacha 1 618 marta ko‘riladi; birinchi sutkada odatda 616 ta ko‘rish yig‘iladi.
  • Reaksiyalar va o‘zaro ta’sir: Auditoriya faol: har bir postga o‘rtacha 39 ta reaksiya keladi.

📝 Tavsif va kontent siyosati

Muallif resursni shaxsiy fikrni ifoda etish maydoni sifatida ta’riflaydi:
আমরা ১৯৭১ এর স্বাধীনতা যুদ্ধ দেখিনি, তবে ২০২৪ এ এসে স্বৈরাচারীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ দেখেছি। আর এই ২৪ এর যুদ্ধ থেকে আমরা সদা-সর্বদা প্রস্তুত জনসাধারণের মাঝে সঠিক তথ্য পৌঁছে দিতে।

Yuqori yangilanish chastotasi (oxirgi ma’lumot 11 Iyul, 2026 da olingan) sababli kanal doimo dolzarb va katta qamrovli bo‘lib qoladi. Analitika auditoriya kontent bilan faol hamkorlik qilishini, uni Siyosat toifasidagi muhim ta’sir nuqtasiga aylantirishini ko‘rsatadi.

15 315
Obunachilar
-1124 soatlar
-647 kunlar
-26330 kunlar
Postlar arxiv
স্বৈরাচার এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে নেতৃত্ব দিতে গিয়ে তৎকালীন স্বৈরাচারী বাহিনীর হাতে গ্রেফতার হয়েছিলেন শহীদ আব্দুল কাদের মোল্লা
স্বৈরাচার এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে নেতৃত্ব দিতে গিয়ে তৎকালীন স্বৈরাচারী বাহিনীর হাতে গ্রেফতার হয়েছিলেন শহীদ আব্দুল কাদের মোল্লাসহ অন্যান্য জামায়াত নেতারা।

জোবায়েদকে পছন্দ করতেন ছাত্রী, জেনে যাওয়ায় হত্যা করেন বয়ফ্রেন্ড মাহির জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী জোবায়েদ হোসাইনকে (২১)
+1
জোবায়েদকে পছন্দ করতেন ছাত্রী, জেনে যাওয়ায় হত্যা করেন বয়ফ্রেন্ড মাহির জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী জোবায়েদ হোসাইনকে (২১) পছন্দ করতেন তার প্রাইভেট ছাত্রী। এই ঘটনা জেনে যায় মেয়ের বয়ফ্রেন্ড মাহির রহমান (১৯)। তার সঙ্গে বর্ষার ক্লাস ফোর থেকে ৯ বছরের প্রেম ছিল। জোবায়েদকে পছন্দ করায় সেই বয়ফ্রেন্ডের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করায় ক্ষিপ্ত হয়ে জোবায়েদকে হত্যা করে তার বয়ফ্রেন্ড। সেই বয়ফ্রেন্ডে মাহির রাজধানীর বোরহানউদ্দিন কলেজে উন্মুক্ততে পড়াশোনা করে। বাসা বর্ষার এলাকা আরমানীটোলায়।

টিউশনি করাতে গিয়ে বিল্ডিংয়ের সিড়িতে খু-ন হয় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগের ১৫ তম ব্যাচের শিক্ষার্থী জুবায়েদ হোসেন
টিউশনি করাতে গিয়ে বিল্ডিংয়ের সিড়িতে খু-ন হয় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগের ১৫ তম ব্যাচের শিক্ষার্থী জুবায়েদ হোসেন.. ছাত্রীর সাথে কথা বলে বক্তব্য যা পেলাম.. নি-হ-ত জুবায়েদ এই বাসায় পড়াতো গত এক বছর ধরে..মেয়ে ইন্টার প্রথম বর্ষে পড়ে..ফিজিক্স..কেমিস্ট্রি..বায়োলজি পড়াতো..আজ পড়ানোর কথা ছিল..বিকেলে মেয়ে জুবায়েদকে কল দিয়ে জিজ্ঞেস করেছে..স্যার আজ পড়াতে আসবেন..জুবায়েদ বললো হ্যাঁ..আসতেছি..মেয়ে জিজ্ঞেস করেছে স্যার..কোথায় আছেন..জুবায়েদ বললো-নূর বক্স লেনে ঢুকেছি..কল কেটে দিয়ে ছাত্রী জুবায়েদের লোকেশন চেক করে কনফার্ম হলো জুবায়েদ নূর বক্স লেনে প্রবেশ করেছে..মেয়ের বাসা নূর বক্স লেনে..পুরো আলাপে ছাত্রীর মা কে উ-দ্বি-গ্ন..বিহ্বল দেখালেও মেয়ের মাঝে এরকম কিছু আমার চোখে ধরা পড়েনি..তদন্ত শেষে সঠিক ঘটনা উঠে আসতে হবে..মেয়ের বাসা ৫ তলায়..র-ক্ত নিচ তলা থেকে ৩ তলা পর্যন্ত ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে..অথচ এই বিল্ডিং এর কেউ নাকি কিছুই জানে না..অনতিবিলম্বে তদন্তের মাধ্যমে সঠিক তথ্য বের করতে হবে!!

এয়ারপোর্টের এই নাশকতার অন্যতম স্পর্শকাতর টার্গেট কী ছিলো জানেন? রাশিয়া থেকে আসা রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ১৮ টন সরঞ্জাম! হ্যাঁ, যা ভাবছেন তাই হইছে। পুড়ে একবারে তামা তামা হইয়া গেছে। পয়েন্ট ১: এই মুহুর্তে দেশে ক্ষমতাসীন গোষ্ঠী প্রো-মার্কিনী। আর মার্কিনীদের সাথে রুশদের সাপে নেউলে সম্পর্ক। পয়েন্ট ২: ভাড়ত চায় না বাংলাদেশ চীন-রাশা অক্ষ ঘেঁষা হোক। ইতিমধ্যেই তিস্তা পরিকল্পনাসহ একাধিক মেগা প্রজেক্টের প্রস্তাব দিয়ে রেখেছে চায়না। আসন্ন ক্ষমতাসীন এন্টি-ভাড়তীয় দলটির শাসনামলে বাংলাদেশ চীন-রাশা অক্ষে থাকার সম্ভাবনাই প্রবল; যা তাদের উদ্বিগ্নতা চরম পর্যায়ে যাওয়ার প্রধান কারণ। আরেকটা অপ্রয়োজনীয় পয়েন্ট দেই। মাইলস্টোন ট্রাজেডি কবে ঘটছিলো মনে আছে? যেদিন বিমানবাহিনী প্রধান তুরস্কে যান, আধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ক্রয় সংশ্লিষ্ট উদ্দেশ্যে। এবারও কিন্তু উনি চীন সফরেই আছেন। উদ্দেশ্য একই। কী বুঝলেন?

যারা সান জু-র "দ্য আর্ট অফ ওয়ার" পড়েছেন, তারা এই কৌশলটি ধরতে পারবেন। সান জু বলেছেন, যেকোনো যুদ্ধের মূল ভিত্তি হলো প্রতারণা।
যারা সান জু-র "দ্য আর্ট অফ ওয়ার" পড়েছেন, তারা এই কৌশলটি ধরতে পারবেন। সান জু বলেছেন, যেকোনো যুদ্ধের মূল ভিত্তি হলো প্রতারণা। এখানে সবচেয়ে বড় প্রতারণা হলো আমাদের নিজেদের দুর্বলতাকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করা। আমাদের বারবার "দুর্ঘটনায়" আগুন লাগার ইতিহাসকে কৌশলে আড়াল করার জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে। এটি একটি মনস্তাত্ত্বিক অপারেশন বা PSYOPS। তারা আমাদের মনে এমন সন্দেহ সৃষ্টি করেছে যে, এগুলো কি পরিকল্পিত ধ্বংসযজ্ঞ, নাকি আমাদের নিজেদের অবহেলা? এই বিভ্রান্তিই হলো আসল আক্রমণ। সান জু এটাকে বলেছেন "অগ্নি-আক্রমণ"। এটা শুধু আগুন জ্বালানো নয়, বরং কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য ধ্বংস করা, যেমন আমাদের গুদাম (গার্মেন্টস ফ্যাক্টরি) এবং সরবরাহ লাইন (এয়ারপোর্ট কার্গো)। এগুলো কোনো এলোমেলো অগ্নিকাণ্ড নয়; এগুলো শত্রুর অর্থনৈতিক ও লজিস্টিক সম্পদের উপর নির্দিষ্ট আঘাত। এর উদ্দেশ্য একটাই: যুদ্ধ ছাড়াই শত্রুকে পরাজিত করা। তারা কোনো সৈন্য পাঠায়নি। তারা কেবল আমাদের অর্থনীতির মেরুদণ্ড পুড়িয়ে, আতঙ্ক ছড়িয়ে, ভেতর থেকে দেশকে অকার্যকর করে দিচ্ছে। যুদ্ধ ঘোষণার আগেই জয় ছিনিয়ে নিচ্ছে। এই অপারেশন সফল হচ্ছে কারণ ৫ই আগস্টের পর থেকে ডিজিএফআই, এনএসআই-এর মতো গোয়েন্দা সংস্থাগুলো সঠিকভাবে কাজ করছে না, বা করতে পারছে না। মনে হচ্ছে ভেতরে দুটি গ্রুপ সক্রিয়: একটি গ্রুপ জনগণের ইচ্ছার বিরুদ্ধে গিয়ে দেশকে অস্থিতিশীল করতে চায়, আর অন্য গ্রুপ হয়তো এই ধ্বংসযজ্ঞ নিরপেক্ষ করার চেষ্টা করছে। অন্য কোনো গ্রুপও থাকতে পারে, যারা হয়তো ভিন্ন কারো উদ্দেশ্য পূরণ করছে। এটা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এভাবে একটি রাষ্ট্র চলতে পারে না। দায়িত্বপ্রাপ্ত সরকারের শুরুতেই এই সিস্টেমগুলোতে প্রয়োজনীয় "পরিশোধন" অভিযান চালানো উচিত ছিল। এবার কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মনে করিয়ে দেওয়া যাক: ১. যখন বাংলাদেশ শক্তিশালী হতে চাইছে, যেমন চীন ও ইতালি থেকে যুদ্ধবিমান কেনার ঘোষণা দেয়, তখনই দেশে আগুন লাগা শুরু হয়। (গতদিন এয়ারপোর্টে পোড়া রাসায়নিক পদার্থ এবং পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ১৮ টন গুরুত্বপূর্ণ আমদানিকৃত সরঞ্জাম ছিল।) যখন বাংলাদেশের পোশাক শিল্প বিশ্ববাজারে প্রতিযোগীদের ছাড়িয়ে যাচ্ছে, তখনই গার্মেন্টস ফ্যাক্টরিতে আগুন। ২. যখন বাংলাদেশ ভারতের একচেটিয়া লাভজনক প্রকল্প "মিরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চল" ও মোংলা বন্দরের চুক্তি বাতিল করে, ঠিক তার পরদিনই ঢাকা ও চট্টগ্রামের দুটি গার্মেন্টস ফ্যাক্টরিতে আগুন লাগে। ৩. সম্প্রতি আমেরিকা প্রতিযোগীদের পণ্যের উপর ৫০% শুল্ক আরোপ করে। বাংলাদেশের জন্য ৩৭% শুল্কে আমেরিকায় পণ্য রপ্তানির প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু বাংলাদেশ তাতে রাজি হয়নি। ৪. যখন সামরিক বাহিনীর কিছু খুনির বিচার নিয়ে পুরো দেশ উদ্বিগ্ন, গুম ও খুনের বিচার নিয়ে মানুষ গুরুতর, তখনই আগুন। সামরিক বাহিনী ও আদালতের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা। সামরিক বাহিনী চায় অপরাধীরা তাদের হেফাজতে থাকুক, কিন্তু বিচার বিভাগ চায় আদালতের বিচারের মাধ্যমে তাদের বাংলাদেশের কারাগারে রাখা হোক। ২২ তারিখে ১৫ জন খুনিকে আদালতে পাঠানোর কথা। ৫. যখন জুলাই সনদ নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলো ঐক্যবদ্ধ হওয়ার চেষ্টা করছে, তখনই আগুন। এখন আর জুলাই সনদ নিয়ে আলোচনা হচ্ছে না। স্বাক্ষর নিয়ে বিতর্কেরও কোনো সমাধান হচ্ছে না। সবাই এখন আগুন নিয়ে ব্যস্ত। ৬. যখন হাসিনার ১৫ বছরের দুঃশাসনের ভয়াবহ ঘটনাগুলো একের পর এক প্রকাশ পাচ্ছে, একের পর এক রায় হচ্ছে, হয়তো ফাঁসির রায় আসবে, তখনই আগুন। কিন্তু বাংলাদেশের মানুষ এখন বিচার নিয়ে ভাবছে না, ভাবছে আগুন নিয়ে। একটি ঘটনাকে ধামাচাপা দেওয়ার জন্য আরেকটি দুর্ঘটনা ঘটানোর সংস্কৃতি এ দেশে নতুন নয়। তবে যে কোনো মূল্যে এই অগ্নি-সন্ত্রাস বন্ধ করতে হবে। নয়তো দেশ বড় বিপদের মুখে পড়বে!

দেশটা শেষ হয়ে যাচ্ছে তিলে তিলে,,,।
দেশটা শেষ হয়ে যাচ্ছে তিলে তিলে,,,।

জাতীয়তাবাদী গুজবদল এর কাছে নিজেদের নেতাকর্মীদের একফোঁটা রক্তেরও দাম নাই। এরা শুধু বসে থাকে কখন একটা একটা নেতাকর্মী মরবে আর এভ
+1
জাতীয়তাবাদী গুজবদল এর কাছে নিজেদের নেতাকর্মীদের একফোঁটা রক্তেরও দাম নাই। এরা শুধু বসে থাকে কখন একটা একটা নেতাকর্মী মরবে আর এভাবে সেটাকে কেন্দ্র করে অপরাজনীতি করবে। ঠিক এইভাবেই নব্বই এর দশকে জাশির বিরুদ্ধে নানান অপতথ্য ও ন্যারেটিভের রাজনীতি করে আসছে লীগ ও শাহবাগীরা। সেইম কাজ এখন এই গুজবদল করছে। কিন্তু প্রযুক্তির উৎকর্ষতার যুগে এসে এরা বারংবার এভাবে কট খেয়ে যাচ্ছে!

জবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক সদস্য জুবায়েদকে গলা কে!টে হত্যা করা হয়েছে। এভাবে একটা দেশের রাজনীতি চলতে পারেনা। এমন নৃশংসতা বন্ধ হোক। ঘটনার সাথে জড়িত সবার দ্রুত বিচার করতে হবে।

নোয়াখালীতে ছাত্রশিবিরের "দারসুল কুরআন" পোগ্রামে হামলা করে আমাদের ভাইদের র* ক্তা*ক্ত করে দিয়েছে ছাত্রদল, যুবদল ও বিএনপির স/ন্ত
+4
নোয়াখালীতে ছাত্রশিবিরের "দারসুল কুরআন" পোগ্রামে হামলা করে আমাদের ভাইদের র* ক্তা*ক্ত করে দিয়েছে ছাত্রদল, যুবদল ও বিএনপির স/ন্ত্রা*সীরা। যতো ক্ষমতাধর হোক না কেনো, যুগে যুগে জা*লিমরা ধ্বংস হয় অত্যন্ত নিকৃষ্টভাবে এটাই সত্য। (হাসবুনাল্লাহ) এরা ক্ষমতায় না আসতেই ভবিষ্যতে কি করবে তার ট্রেইলার দেখানো শুরু করেছে। দলমত নির্বিশেষে এসব স' ন্ত্রা সী কর্মকাণ্ড এবং তাদের মদদদাতাদের কঠোরভাবে প্রতিহত করা সময়ের দাবি। বিএনপি এই দায় নিতে না চাইলে তাদেরও উচিত এসব স*ন্ত্রা/সীকে রুখে দেয়া। ৫ ই আগস্ট পরবর্তী স্বাধীন বাংলাদেশে এখনো এরকম দৃশ্য দেখা লাগলে এদের মাঝে আর পতিত ফ্যা'সি*স্ট আওয়ামীলীগ এর পার্থক্য কোথায়❓

শান্তিতে নোবেলজয়ী! সব গুলোই মাদার<চো*
শান্তিতে নোবেলজয়ী! সব গুলোই মাদার<চো*

শাপলা পাবা, যদি জামায়াতরে গালি দিয়া একটা পোস্ট দিতে পারো। লে: নাহিদ☝🏼
শাপলা পাবা, যদি জামায়াতরে গালি দিয়া একটা পোস্ট দিতে পারো। লে: নাহিদ☝🏼

বিমানের সিন্ডিকেট ভাঙ্গতে হলে অতিরিক্ত সচিব ফাতেমা রহিম ভিনাকে প্রত্যাহার করতে হবে। বিমান ও সিভিল এভিয়েশন সিন্ডিকেটের নেতৃত্
বিমানের সিন্ডিকেট ভাঙ্গতে হলে অতিরিক্ত সচিব ফাতেমা রহিম ভিনাকে প্রত্যাহার করতে হবে। বিমান ও সিভিল এভিয়েশন সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে এই রানি হাসিনার দোসরদের শেল্টার দিচ্ছেন। বিমান রাষ্ট্রীয় পরিবহণ এটাকে আকিজ গ্রুপের প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরিত করা যাবে না।

পাদ এমন এক বাতাস/বায়ু, যতই চেপে রাখেন সেটা বেড়িয়েই আসবে। ধন্যবাদ আপু, নিজের ওবস্তান ক্লিয়ার করার জন্য।
পাদ এমন এক বাতাস/বায়ু, যতই চেপে রাখেন সেটা বেড়িয়েই আসবে। ধন্যবাদ আপু, নিজের ওবস্তান ক্লিয়ার করার জন্য।

Eurofighter Typhoon এর তিন ধরনের লোড আউট। অপারেশনের ধরন অনুসারে মাল্টিরোল যুদ্ধবিমান বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র ও বোমা বহন করে থাকে
+2
Eurofighter Typhoon এর তিন ধরনের লোড আউট। অপারেশনের ধরন অনুসারে মাল্টিরোল যুদ্ধবিমান বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র ও বোমা বহন করে থাকে। প্রথম ছবিতে এয়ার সুপেরিওরিটি রোলে ইউরোফাইটার টাইফুন যেখানে ৮ টি এয়ার টু এয়ার মিসাইল এবং ২টি এক্সট্রা ফুয়েল ট্যাংক বহন করছে। দ্বিতীয় ছবিতে মেরিটাইম স্ট্রাইকের জন্য ৬ টি Marte-ER এন্টিশিপ মিসাইল বহন করতে দেখা যাচ্ছে। আর তৃতীয় ছবিতে paveway বোমা এবং গ্রাউন্ড এট্যাক মিসাইল সজ্জিত ইউরোফাইটার দৃশ্যমান।এসব ছাড়াও গ্রাউন্ড এট্যাক এবং স্ট্যান্ড অফ ওয়েপন হিসাবে Storm Shadow/Scalp-EG মিসাইল বহন করতে পারে। বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর জন্য ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ১০ টি ইউরোফাইটার টাইফুন যুদ্ধবিমান কেনার পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। সব ঠিক থাকলে এই বছরের ডিসেম্বর মাসে ইটালিয়ান প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ সফরে আসছেন। আর ইটালিয়ান লিওনার্দো কোম্পানি বাংলাদেশে ইউরোফাইটার টাইফুনের মার্কেটিং লিডার এবং বিমানবাহিনী প্রধান ইটালি সফরে যেয়েই Eurofighter উড্ডয়ন করেছেন।

জায়গা মত হিট হওয়ার কারণেই দেশে এতো অরাজকতা চলছে! এইসব তো সাধারণ জনগণকে ও জানানো দরকার। সবার মধ্যে এইগুলোও নিয়ে ডিসকাশন হোক সচ
জায়গা মত হিট হওয়ার কারণেই দেশে এতো অরাজকতা চলছে! এইসব তো সাধারণ জনগণকে ও জানানো দরকার। সবার মধ্যে এইগুলোও নিয়ে ডিসকাশন হোক সচেতনতা এইভাবেই সৃষ্টি হবে তাহলে। সবাই শেয়ার করুণ... ❤️

দেশে আবার কোরআন কিসের!
দেশে আবার কোরআন কিসের!

আওয়ামী লগি বৈঠার স্টাইলে ছাত্রশিবিরের উপর ছাত্রদল বিএনপির সন্ত্রাসীদের হামলা। নোয়াখালীর নেয়াজপুর কাশেমবাজার জামে মসজিদে ছাত্রশিবিরের দারসুল কুরআন প্রোগ্রামে যুবদল নেতা ফারুকের নেতৃত্বে হামলা করেছে। বেশ কয়েকজন নেতা-কর্মী আহত হয়েছে। গতকালও তারা একইভাবে হামলা করেছিলো।

নোয়াখালীর নেয়াজপুর কাশেমবাজার জামে মসজিদে ইসলামী ছাত্রশিবিরের দারসুল কুরআন প্রোগ্রামে যুবদল নেতা ফারুকের নেতৃত্বে হামলা। বেশ কয়েকজন নেতা-কর্মী আহত হয়েছে। গতকালও তারা একইভাবে হামলা করেছিলো।

প্রিয় গ্রাহকবৃন্দ, আপনাদের মধ্যে যারা আগুন লাগার পর আজ ডেলিভারি পাচ্ছেন, তাঁদের প্রতি অনুরোধ — দয়া করে একটি করে পোস্ট দিন য
প্রিয় গ্রাহকবৃন্দ, আপনাদের মধ্যে যারা আগুন লাগার পর আজ ডেলিভারি পাচ্ছেন, তাঁদের প্রতি অনুরোধ — দয়া করে একটি করে পোস্ট দিন যে আপনারা পণ্যটি পেয়েছেন। এতে করে ব্যবসায়ী ও গ্রাহকদের মধ্যে অযথা আতঙ্ক ছড়ানো কমবে। ইনশাআল্লাহ, যদি কারও পণ্য আগুনে ক্ষতিগ্রস্তও হয়, আমরা সম্পূর্ণ রিফান্ডের ব্যবস্থা করব। আপনাদের ধৈর্য, বিশ্বাস ও পাশে থাকার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ। আমরা একসাথে এই পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠব, ইনশাআল্লাহ। ~Air Ship BD