uz
Feedback
Abdullah bin bashir

Abdullah bin bashir

Kanalga Telegram’da o‘tish

প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Ko'proq ko'rsatish

📈 Telegram kanali Abdullah bin bashir analitikasi

Abdullah bin bashir (@abdullahbinbashir) Bengal til segmentidagi kanali faol ishtirokchi. Hozirda hamjamiyat 11 300 obunachidan iborat bo'lib, Din & Maʼnaviyat toifasida 8 092-o'rinni va Bangladesh mintaqasida 2 030-o'rinni egallagan.

📊 Auditoriya ko‘rsatkichlari va dinamika

невідомо sanasidan buyon loyiha tez o‘sib, 11 300 obunachiga ega bo‘ldi.

27 Iyun, 2026 dagi oxirgi ma’lumotlarga ko‘ra kanal barqaror faollikka ega. Oxirgi 30 kunda obunachilar soni 71 ga, so‘nggi 24 soatda esa 4 ga o‘zgardi va umumiy qamrov yuqori darajada qolmoqda.

  • Tasdiqlash holati: Tasdiqlanmagan
  • Jalb etish (ER): Auditoriya o‘rtacha 19.52% darajada jalb etiladi. Nashrdan keyingi dastlabki 24 soatda kontent odatda umumiy obunachilar sonining 7.72% ini tashkil etuvchi reaksiyalarni to‘playdi.
  • Post qamrovi: Har bir post o‘rtacha 2 206 marta ko‘riladi; birinchi sutkada odatda 873 ta ko‘rish yig‘iladi.
  • Reaksiyalar va o‘zaro ta’sir: Auditoriya faol: har bir postga o‘rtacha 46 ta reaksiya keladi.

📝 Tavsif va kontent siyosati

Muallif resursni shaxsiy fikrni ifoda etish maydoni sifatida ta’riflaydi:
প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Yuqori yangilanish chastotasi (oxirgi ma’lumot 28 Iyun, 2026 da olingan) sababli kanal doimo dolzarb va katta qamrovli bo‘lib qoladi. Analitika auditoriya kontent bilan faol hamkorlik qilishini, uni Din & Maʼnaviyat toifasidagi muhim ta’sir nuqtasiga aylantirishini ko‘rsatadi.

11 300
Obunachilar
+424 soatlar
+97 kunlar
+7130 kunlar
Postlar arxiv
রমাজান হলো রুহানিয়াত অর্জনের মাস। দীনের দরদ রাখা প্রতি ভাইয়ের জন্য আবশ্যক হলো তার রূহানী শক্তি অর্জনের জন্য ঠিক তেমন ফিকর করা যেমন সে বাহ্যিক শক্তি অর্জন করার জন্য করে।

রমাজান উপলক্ষে আমরা প্রচুর পরিমান কুরআন পড়বো ইনশাআল্লাহ। কুরআনের খতম যত বেশি করা যায় ততই শুধু কল্যাণ। কুরআনের প্রতিটি খতমকে আমরা চাইলে বিভিন্ন নিয়তে পড়তে পারি, আল্লাহ আমার এই খতমের উসিলায় তুমি অমুক কাজটি করে দেও, অমুক নিয়ত পুরণ করে দেও ইত্যাদি। এবং প্রতি খতম শেষে নিয়তের বিষয়ের জন্য বিশেষভাবে দোয়া করবো। কারন কুরআন খতমের পর দোয়া কবুল হয়। নিজের অন্যান্য অনেক প্রয়োজনীয় নিয়তের সাথে আমরা আরো বিশেষ যে কয়টি দিক সামনে রেখে কুরআন খতম করতে পারি— *গাজার মুসলমানদের জন্য যেন আল্লাহ একজন সাহায্যকারী পাঠান, তাদের জন্য যেনো আসমান ও যমীনের সমস্ত খাজানা খুলে দেয়। *উইগুর মুসলমানদের জন্য যেন আল্লাহ একজন সাহায্যকারী পাঠান। *বাংলাদেশে হিন্দুত্ববাদি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে আল্লাহ যেন এদেশের মুসলমানদের একজন যোগ্য আমিরের অধীন দান করেন। *ইমারতে ইসলামিয়া আফগানিস্তানকে আল্লাহ যেনো আরো শক্তিশালী করে এবং তাদের যেনো সমস্ত ফিতনা থেকে হিফাজত করে মুসলিম বিশ্বের সাহায্যে এগিয়ে আসার তাকফিক দান করে। *সোমালিয়া,পাকিস্তানসহ বিশ্বের যেখানেই আমাদের মুসলিম ভাইরা কাফের আর তাগুতের বিরুদ্ধে লড়াইরত আছে আল্লাহ যেন তাদেরকে নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে নেন ও তাদের জন্য দুনিয়ার সকল আসবাব ও উপকরণ সহজ করে দেন এবং তাদের বিজয়কে তরান্বিত করেন। এছাড়াও আরো বিভিন্ন নেক বিষয় সামনে রেখে আমরা কুরআন খতম করতে পারি।

ব্রাকের ইস্যুতে দুইটা কথা বলি . যেকোনো শিক্ষাব্যবস্থা তৈরি হয় রাষ্ট্রের উপযোগী নাগরিক তৈরি করার জন্য। আমাদের রাষ্ট্রের যে সিলেবাস, সে সিলেবাস তৈরি করা হয়েছে লি*বা*রেল ও গ*ণ*তান্ত্রিক মূল্যবোধকে ধারণ করে তার উপযোগী নাগরিক তৈরি করার জন্য। ইসলামি ই*মা*রার উপযোগী নাগরিক নয়। আর ব্রাকে আজ যা হয়েছে এটাই লি*বা*রেল ও ডেমোক্রেসির আসল চিত্র! এটাই সংবিধানুযায়ী বৈধ ও একজন দেশের বৈধ সম্মানিত নাগরিক হওয়ার জন্য এই কাজ কোনো প্রতিবন্ধক নয়। এবার যারা গ*ণ*তন্ত্রের ইসলামাইজেশনে নেমেছেন, তারা নিজেদের এই জাহালাতকে যত বুঝবেন ততই এই গভীর সমস্যার সমাধানের পথ খুজা সম্ভব হবে। অন্যাথায় গ*ণ*তন্ত্র ও লিবারেল মূল্যবোধকে ইসলামের আলোকে ব্যাখ্যা করে ইসলামাইজেশন করে ব্রাকের এগুলো দেখে মায়া কান্না করে কোনো লাভ নেই, এগুলো দেখে শুধুই হাসি পায়! . ব্রাকসহ এই যে দৈনিক বিভিন্ন সংকট দেখতে পাচ্ছি, হিন্দুত্ববাদের আক্রমন ও ফাহেশার যে তুফান ধেয়ে আসছে আমাদের উপর, এগুলো দেখেও যদি নিজের ইসলাহ করে উম্মাহের জন্য কিছু করার ব্যাপারে আরো বেশি অগ্রসর না হয়ে আসেন প্রত্যেকে যার যার জায়গা থেকে, তাহলে বিশ্বাস করেন আমার আপনার এই ফেসবুক পোষ্টগুলো শুধুই নিজেকে হাইলাইটস করা ও কিছু ভক্ত বৃন্দ যুগানো ছাড়া আর কিছুই না! আসন্ন রমাজান মাস, তরুন আলেম ও দায়ী ভাইরা দৃঢ়প্রতিজ্ঞা করি, এই মাসকে নিজের ইসলাহ ও সংশোধনের জন্য নিজেকে পূর্ণ ফারেগ করবো এবং পরবর্তী সময়তে তা ধরে রেখে উম্মাহের সংশোধনের জন্য নিজেকে আরো বেশি উজার করে দিবো৷ আল্লাহ আমাদের তাওফিক দান করুক।

ট্রান্সজেন্ডার মতবাদ একটি কুফরি মতবাদ। এটা কুরআনের অসংখ্য আয়াতকে অস্বীকার করে। -মাওলানা আব্দুল মালেক ৩-৩-২০২৪ রবিবার, বাদ মাগরিব

আধুনিকতার ব্যাপারে একটা বক্তব্য এমন আছে, মডার্নিজম সকল ঐতিহ্য ভেঙ্গে মানুষকে আধুনিক ও আলোকিত করে, মডার্নিজমের মূল কাজই হলো সকল ঐতিহ্যের শিকল ভেঙ্গে দেয়া। আমি এই বক্তব্যকে পুরোপুরি সঠিক মনে করি না। বরং আধুনিকতা শুধু ঐ সকল ঐতিহ্যকেই ছুড়ে ফেলে, যা মানুষের জীবন থেকে ঐ সকল বিষয়কে বিচ্ছিন্ন করার কাজ করে যার সম্পর্ক ওহির সাথে ও মানুষকে আখিরাতে মুক্তির পথ দেখায়। এছাড়া যেসকল ঐতিহ্য কোনো কু*ফ*রি ও শিরকি বিশ্বাসের সাথে সম্পৃক্ত আধুনিকতা যে সকল ঐতিহ্য রক্ষায় বেশ উদার ও সেগুলো রক্ষার জন্য নিজের জ্ঞানতত্ত্বকে ব্যবহারও করে থাকে।

আগামীকাল থেকে আমাদের রমাজানের তাদরিবের দাখেলা নেওয়া হবে, যারা বিষয়গুলোতে আগ্রহী তারা যোগাযোগ করতে পারেন।
আগামীকাল থেকে আমাদের রমাজানের তাদরিবের দাখেলা নেওয়া হবে, যারা বিষয়গুলোতে আগ্রহী তারা যোগাযোগ করতে পারেন।

হেফজখানা থেকে কিতাবখানায় আসবেন এমন তালেবে ইলম ও তাদের অবিভাবকদের সমীপে একটি কথা বলতে চাই। আপনি বা আপনার সন্তান হেফজ শেষ করে কিতাবখানায় যাবে এটা আনন্দের হলেও, দুঃখজনক হলেও সত্য আমাদের হেফজখানাগুলোর যে নেসাব সেখান থেকে সাধারণত একজন ছেলে কুরআন হিফজ ছাড়া পুরো নিরক্ষর হয়েই বের হয়। এমতবস্থায় রমজানের পরে কিতাব বিভাগে যখন ভর্তি হয়, হঠাৎ করে নতুন ভাষা আর শাস্ত্র পড়ার চাপে দেখা যায় অনেক মেধাবী ছেলেরাও শুরুতেই খেই হারিয়ে ফেলে যা আর অনেকের জন্য কখনোই কাটিয়ে উঠা সম্ভব হয় না। বিশেষত মাদানী নেসাবে যারা ভর্তি হয় তাদের অনেকের অবস্থা হয় খুবই শোচনীয়! আমার ক্ষুদ্র জীবনে এটা বহু মানুষের ক্ষেত্রে দেখেছি, আবার উস্তাদদেরও এটাই তাজরেবা। তাই কিতাবে আসবেন এমন নতুন তালেবে ইলম ভাই ও তাদের অবিভাবকদের সমীপে আবেদন হলে রমাজানে আপনার সন্তানকে কিতাব বিভাগের জন্য প্রস্তুত করে নিন। এখন থেকেই বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য মাদরাসাগুলোতে যোগাযোগ করুন। . নতুন তালেবে ইলম ভাইদের এই সংকটের দিকে লক্ষ্য রেখে আমার প্রাণপ্রিয় উস্তাদ সাইফুল সাহেব প্রথম বর্ষ ভর্তি তাদরিব শুরু করেছেন। উস্তাদজির ঐখানে যোগাযোগ করতে পারেন৷ এছাড়া এমন আয়োজন আর কোথাও আছে বলে আমার জানা নেই। আমাদের মাদরাসাতু আলীতে সমর্থ সীমিত হওয়ার কারনে আমরা এই বিষয়টি শুরু করতে পারিনি। তবে কোনো তালেবে ইলম ভাই বা অবিভাবকগণ যদি প্রথম বর্ষের জন্য রমাজানে আসেন তাহলে সল্প পরিসরে ব্যবস্থা করবো ইনশাআল্লাহ। . এছাড়া প্রত্যেকে নিজ নিজ জায়গায় ব্যবস্থা করতে পারেন।

photo content

গোটা হিন্দস্তানের ইতিহাসে আহলুস সুন্নাহর সকল ধারার মাঝে আকাবিরে দেওবন্দ সর্বাপেক্ষা রহমদিল, মুসলমানদের প্রতি সর্বাপেক্ষা অনুগ্রহশীল, উম্মাহর প্রতি সবচেয়ে বড়ো মুহসিন কাফেলা। এমন একটি সময়ে তারা আবির্ভূত হয়েছিলেন যখন গোটা হিন্দস্তান বরং আরব বিশ্বও তাকফীর-তাফসীকের ফাঁদে আটকে ছিল। প্রতিদিন কোথাও না কোথাও কেউ কাউকে কাফের-মুরতাদ ফাতাওয়া দিচ্ছিল। কিন্তু তারা সতর্কভাবে এই ফাঁদ এড়িয়ে গিয়েছেন। এক পর্যায়ে খোদ উলামায়ে দেওবন্দও ফাতাওয়ার শিকার হন, আহমদ রেজা খান ব্রেলভী তাদেরকে প্রথমে ওয়াহাহবী এবং পরে সরাসরি কাফের ফাতাওয়া দেন। এমন কোনো গালি-গালাজ নেই যা তিনি তাদের ওপর প্রয়োগ করেননি। এমন কোনো অশ্লীল শব্দ নেই যা তিনি তাদের ক্ষেত্রে ব্যবহার করেননি। এক্ষেত্রে সভ্যতা-ভব্যতা কোনো কিছুর ধার ধারেননি; বরং তাদের নামগুলো পর্যন্ত বিকৃত করে উচ্চারণ করতেন। তাদের পেছনে নামাজ অবৈধ বলতেন। বরং তিনি তাদেরকে সালাম পর্যন্ত দিতেন না। কাফেরদেরকে যেভাবে সম্বোধন করা হয় সেভাবে (السلام على من اتبع الهدى) বলতেন। আমৃত্যু তিনি তাদেরকে গালি-গালাজ করে গেছেন, কাফের-মুরতাদ বলে গেছেন। কিন্তু আকাবিরে দেওবন্দ এক বারের জন্যও আহমদ রেজাখানকে কাফের ফাতাওয়া দেননি। তার গালির জবাব গালি দিয়ে দেননি, মিথ্যাচারের জবাবে মিথ্যাচার করেননি। বরং শ্রদ্ধার সঙ্গে 'খান সাহেব', 'জনাব খান' বলতেন। কখনো নাম উল্লেখ না করে 'কারও কারও আকীদা', 'কারও বক্তব্য' এমন বলতেন। আবার কখনো 'মেহেরবান' হিসেবেও উল্লেখ করতেন। বরং হাকীমুল উম্মত আশরাফ আলী থানভী বলেন, ‘আমার অন্তরে আহমদ রেজার প্রতি সীমাহীন শ্রদ্ধা রয়েছে। যদিও তিনি আমাদেরক কাফের বলেন সেটা তো ইশকে রাসূলের কারণেই বলেন। অন্য কোনো কারণে তো নয়’! হযরত থানভী (র.) আরো বলেন, ‘যদি আমার মাওলানা আহমদ রেজা খান ব্রেলভীর পেছনে নামাজ পড়ার সুযোগ হতো তবে আমি পড়ে নিতাম’! এই ছিল তাদের উদারতা! কেবল আহমদ রেজা খান নন; হিন্দস্তানে মুসলমানদের যতোগুলো ধারা ছিল, সবগুলোর প্রতি আকাবিরে দেওবন্দ সর্বোচ্চ ইহসানপূর্ণ আচরণ করেছেন। হ্যাঁ মতপার্থক্য করেছেন, অভিযোগের জবাব দিয়েছেন, ভ্রান্ত আকীদা খণ্ডন করেছেন, কখনো কঠোর ভাষাও প্রয়োগ করেছেন, কিন্তু 'গালি-গালাজ', খিস্তিখেউড়, প্রতিপক্ষকে অশ্লীল শব্দে আঘাত, জবাবের ক্ষেত্রে সীমালঙ্ঘন এগুলো তাদের কর্মপন্থা ছিল না। কারও সমালোচনা করতে গিয়ে তারা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়ে মিথ্যাচার করেননি। বিতর্কে জেতার জন্য কারও ইতিবাচক দিক লুকিয়ে কেবল নেতিবাচক দিক প্রচার করেননি। উদাহরণত তারা ইবনে তাইমিয়্যাহ (র.) এর নানান বক্তব্যের সমালোচনা করলেও তাঁর প্রতিভা ও স্বাতন্ত্র্যের স্বীকৃতি দিতে কুণ্ঠিত হননি। হ্যাঁ তারা মা'সূম ছিলেন না, তাদের নানান জায়গায় শব্দচয়নে ভুল হয়েছে, তথ্যস্বল্পতার ফলে কারও ব্যাপারে মতামত প্রদানের ক্ষেত্রে বিচ্যুতি হয়েছে, কিন্তু সেটা খুবই নগন্য। সম্মিলিতভাবে তারা ছিলেন কুরআনের এই আয়াতের উজ্জ্বল নমুনা: (فبما رحمة من الله لنت لهم ولو كنت فظا غليظ القلب لانفضوا من حولك) অর্থা‌ৎ 'আল্লাহর অনুগ্রহেই আপনি তাদের প্রতি দয়ার্দ্র হয়েছেন। আপনি যদি রূঢ়ভাষী ও কঠোরচিত্তের হতেন তবে তারা আপনার আশপাশ থেকে সরে পড়তো'! [আলে ইমরান: ১৫৯] এটাই তাদের কবূলিয়্যাত, দুনিয়াতে তাদের দাওয়াত প্রচারিত ও প্রতিষ্ঠিত হবার অন্যতম রহস্য। আজ যারা নিজেদেরকে মহান আকাবিরে দেওবন্দের উত্তরসূরী মনে করেন, তারা যেন প্রতিপক্ষের প্রতি আকাবিরদের মতোই মুহসিন হন। গোটা উম্মাহর প্রতি অনুগ্রহশীল ও রহমদিল হন। মানুষকে সংশোধনের মতো উত্তম উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন করতে উত্তম পদ্ধতি অবলম্বন করেন।

জামাতে ইসলামের সমর্থক ও কর্মীরা নিজেদের নেতার জন্য সাহাবায়ে কেরামের শানে যে জঘন্য আচরণ করছে তা আজ নতুন না। এদের অসফলতার জন্য
জামাতে ইসলামের সমর্থক ও কর্মীরা নিজেদের নেতার জন্য সাহাবায়ে কেরামের শানে যে জঘন্য আচরণ করছে তা আজ নতুন না। এদের অসফলতার জন্য শুধু এতটুকুই দায়ী। এই ইস্যুতে আমাদের উচিত সাহাবায়ে কেরামের শানে লিখিত কিতাবসমূহের ব্যাপক পড়া ও প্রচার করা। আমি এই বইটিকে সকলকে পড়তে উদ্ধুদ্ধ করছি ও যেন তা ব্যাপক প্রচার হয় তা কামনা করি।

এবছর এক রমজান থেকে ইফতা বিভাগের নিয়মতান্ত্রিক কার্যকর শুরু হবে তাদরিবের মাধ্যমে। সকলের নিকট দোয়া চাই আল্লাহ যেন কবুল করেন ও আ
এবছর এক রমজান থেকে ইফতা বিভাগের নিয়মতান্ত্রিক কার্যকর শুরু হবে তাদরিবের মাধ্যমে। সকলের নিকট দোয়া চাই আল্লাহ যেন কবুল করেন ও আসান করেন। আমীন।

নিয়মতান্ত্রিক বিদায় . আজ আমাদের মাদরাসাতু আলী রা.-এর ১৪৪৪-১৪৪৫ হি.-এর নিয়মতান্ত্রিক ইফতা ও তাইসীর বিভাগের দরস ও ইমতাহিন শেষ হয়ে ছাত্রদের বিদায় দেয়া হয়েছে। উস্তাদদের পরামর্শে আগামী বছর থেকে যেহেতু আমাদের তাইসির বিভাগ থাকবে না, বরং মাদানীনেসাব শুরু হবে তাই ছোট সকলকে বিদায় জানাতে হয়েছে। আর ইফতার সাথী ভাইরা এক বছরের চুক্তিতেই এখানে দাখেলা নিয়েছেন তা শেষ হয়েছে (উস্তাদদের পরামর্শে একজন সাথী ভাইকে দ্বিতীয় বছর আরো মুতালাআর সুযোগ দেওয়া হবে)। এবছরই আমি নিয়মতান্ত্রিকভাবে একটি জামাতের নেগরান ছিলাম—তাইসিরের। নেগরানির সফলতার হিসাব করারই সাহস হচ্ছে না! আল্লাহ ভুল ত্রুটিগুলো ক্ষমা করে দিক। ইফতার সাথী ভাইদের বিদায় মুহুর্তে অগোছালো কিছু কথা বলেছি। সেগুলো নোট করে রাখলাম। এখানে তার কয়েকটি দিচ্ছি, এক. জীবনের চলার পথে কখনো যদি এমন হয় আমার কোনো বিষয় শরীয়তের দৃষ্টিতে আপনাদের কাছে আপত্তিকর মনে তাহলে অবশ্যই আমার সংশোধন করে দিবেন—লিখিত হোক বা শরীয়ত সম্মত অন্যকোনো পদ্ধতিতে। তবে উস্তাদ হিসেবে আপনাদের কাছে এটাই চাওয়া আপনারা সেখানে আদাবুল ইখতিলাফের প্রতি লক্ষ্য রাখবেন ও সম্ভব হলে আমাকে পূর্বে অবগত করবেন। যদি অবগত করার পর আমার উজর আপনাদের নিকট শরীয়তের আলোকে গ্রহণযোগ্য না মনে হয় তাহলে তা প্রচার করবেন, এতে ইনশাআল্লাহ মুসলিম ভ্রাত্বিত্বে কোনো প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হবে না। এখানে মনে রাখবেন, কথাগুলো আমি যত সহজে বলছি বাস্তবে হয়ে গেলে হয়তো এত সহজ হবে না তাই দোয়া করবেন যেন এখন যা বলছি যখন ঘটবে তখনও তাই থাকতে পারি। মনে রাখবেন নকদের এই সিলসিলা উম্মতের তাওয়ারুসি সিলসিলা, এটাকে কেউ ব্যক্তিত্ব দিয়ে, ক্ষমতা দিয়ে বা রাগঢাক দিয়ে বন্ধ করতে পারবে না, কারণ এটা উম্মাহের ওলামায়ে কেরামের দায়িত্বেরই অংশ, সুতরাং যেটাকে কেউ বন্ধ করতে পারবে না, সেটাকে আমি কীভাবেই বা বন্ধ করবো বা এর চিন্তা করবো! সুতরাং যেটা দায়িত্বের অংশ তা হবেই, শুধু খেয়াল রাখার বিষয় হলো ইসলামের পালনীয় অন্যান্য বিধানের মত এই পালনীয় কাজেও যে শর্ত রয়েছে তা আমি যথাযথা মেনে করছি কি না। দুই. জীবনে যেখানেই থাকেন যে অবস্থায় থাকান দীনি কাজের সাথে জুড়ে থাকবেন, চাই কোনো দুনিয়ার শিরোনামে চাকরি করেন বা ব্যবসা করেন। তবে উস্তাদ হিসেবে আপনাদের কাছে আমার একটা চাওয়া হলো, আপনাদের মধ্যে যারা মেধাবী ও বুঝবান আছেন তারা অবশ্যই তালিম ও তাআল্লুমের সাথে জুড়ে থাকবেন। বর্তমান সময়ে মেধাবী ছাত্রদের মধ্যে তালিমের যে অনিহা তৈরি হচ্ছে, অদূর ভবিষ্যতে এক বিশাল শূন্যতা তৈরি হবে তার প্রতিরোধে আমার শাগরেদরা যেন অগ্রণী ভূমিকা রাখতে পারে আপনাদের কাছে এই আবদারটুকু রইলো। দেখুন দীনের অন্যান্য প্রয়োজনীয় খেদমতকে আমি অস্বীকার করছি না, উস্তাদদের পরামর্শে বা দীনের তাগাদা থেকে অবশ্যই করবেন, কিন্তু রিজাল তৈরির সহজতম পদ্ধতি হলো তালিমের সাথে জুড়ে থাকা। আর রিজাল তৈরি করা কতটা জরুরি তার আলোচনা তো পুরো বছর আল্লাহর তাওফিকে, বড়দের জীবনি ও দিকনির্দেশনা পড়ে ও আমার বুঝ ও ফাহমনুযায়ী বলেছি। আল্লাহ আমাদের কথাগুলো আমল করার তাওফিক দান করুক। আমীন। . আরো দুটি বিষয়ে আলোচনা হয়েছে, তা এখানে দেয়া মুনাসিব মনে হচ্ছে না। আল্লাহর কাছে দোয়া চাই তালেবে ইলম ভাইরা যেখানে থাকুক দীনের উপর ও আল্লাহর নিরাপত্তার চাদরের আবৃত থাকুক। আমীন,

প্রচলিত_ইসলামি_ব্যাংকিং_শর্ট_পিডিএফ_.pdf1.22 MB

মূল কিতাব (মুরাউওয়াজা ইসলামি ব্যাংকারি) নিয়ে কিছু কথা কিতাবটিতে প্রচলিত ইসলামি ব্যাংকিং ব্যবস্থার ব্যাপারে পাকিস্তানের অধিকাংশ আহলুল ইলম ও মুফতির মত ও সিদ্ধান্ত সংকলন করা হয়েছে। তাদের সকলের মতামত প্রচলিত ইসলামি ব্যাংকিং ব্যবস্থা পরিপূর্ণভাবে নাজায়েজ ও হারাম। এ ধরণের তথাকথিত ইসলামি ব্যাংকের সাথে কোনো ধরণের অধ্যায়ন পদ্ধতিতে যুক্ত হওয়া বৈধ নয়। একদম অপারগতার ভিত্তিতে ব্যাংকের সাথে যেসব লেনদেন উলামায়ে কেরাম জায়েজ বলেন সেগুলোর ক্ষেত্রে ইসলামি ব্যাংক এবং কনভেনশনাল ব্যাংকের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই। উভয় ধরনের ব্যাংকেই জায়েজ লেনদেনগুলো করা বৈধ। কিতাবটিতে প্রথমে ইসলামি ব্যাংকিংকে আদর্শিক ও দার্শনিক দিক থেকে রদ করা হয়েছে। এর মৌলিক কথা হলো, ব্যাংক তার হাকিকত ও বাস্তবতা বজায় রেখে কখনো ইসলামি হতে পারে না। এরপর স্বীকার করা হয়েছে যে, যদি ব্যাংককে তার আপন অবস্থান, হাকিকত ও বাস্তবতা থেকে সরিয়ে একটি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা সম্ভব হয় তাহলে শরিয়ত সম্মত শিরকত ও মুদারাবার মাধ্যমে সেই প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করা সম্ভব; নাম হিসেবে সেটার নাম ব্যাংক রাখা হোক অথবা অন্য কিছু রাখা হোক। কারণ নামটা মূল ব্যাপার না, মূল ব্যাপার হলো বাস্তবতা ও হাকিকত। আমাদের আকাবির উলামায়ে কিরামের মধ্যে যারা ব্যাংকিং ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব বলে ব্যক্ত করেছেন তাদের উদ্দেশ্য মূলত এই ধরনের ব্যাংকিং ব্যবস্থা যেটা আদতে ব্যাংকিং নয় বরং বাণিজ্য। এজন্যই তারা শিরকত ও মুদারাবার ভিত্তিতে ব্যাংকিং ব্যবস্থা পরিচালনা করার জন্য চেষ্টা প্রচেষ্টা করার ফিকির করেছেন এবং সেটাকে বৈধ বলেছেন। মৌলিকভাবে সম্মিলিত ফতোয়ার সংকলন এমনটাই বলেন। এজন্য যদি কেউ বাস্তবেই এইভাবে চেষ্টা প্রচেষ্টা করে তাহলে তাদের ব্যাপারে তাদের কোনো আপত্তি নেই। কিন্তু সাথে সাথে তারা এটাও প্রকাশ করেছেন যে, বর্তমান পৃথিবীতে পুঁজিবাদী অর্থনৈতিক ব্যবস্থার অধীনে ব্যাংকিংকে তার আপন অবস্থা থেকে সরিয়ে বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান বানানো অসম্ভব প্রায়। এখন এটাকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে যদি কেউ করতে পারে তাহলে তো ভালো! আর যদি এভাবে না পারে বরং তাহলে যেভাবে ইসলামি ব্যাংকিং ব্যবস্থা বর্তমানে পরিচালিত হচ্ছে অর্থাৎ ব্যাংকিং ব্যবস্থাকে আপন অবস্থায় বাকি রেখে শুধু কিছু হিলা-বাহানার মাধ্যমে ঘুরিয়ে পেচিয়ে সুদ খাওয়ানো হচ্ছে, এসবের মাধ্যমে পুঁজিবাদী উদ্দেশ্যকেই পূর্ণ করা হচ্ছে, পুঁজিবাদের যে সকল জুলুম ও শোষণ সেগুলোই বারবার হচ্ছে, এমনকি এসব প্রমাণের জন্য কুরআন, সুন্নাহ ও ফিকহ থেকে বিভিন্ন অপব্যাখা করা হচ্ছে এবং নিষিদ্ধ হিলা, রুখসত ও যাচ্ছেতাইভাবে আলেমদের বিচ্ছিন্ন মতগুলোকে গ্রহণ করা হচ্ছে। এই বিষয়টাকে তারা কোনভাবেই সমর্থন করতে পারবেন না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন। তাদের মতে এমনটা পুরোপুরি নাজায়েজ ও হারাম। পারলে আকাবির উলামায়ে কিরামের দেখানো পথে করতে হবে আর যদি কঠিন বাস্তবতার কারণে সম্ভব না হয় তাহলে দরকার নেই! আমাদেরকে কেন এতো জঘন্য কাজগুলো আঞ্জাম দিতে হবে?! এই হলো মোটামুটি পুরো কিতাবের খোলাসা। সামগ্রিকভাবে আমার কাছে কিতাবটি খুবই চমৎকার ও সুখপাঠ্য মনে হয়েছে। আর দালিলিক উপস্থাপনা ছিলো অসাধারণ। যদিও অনেক মাসআলায় উল্লেখিত দলিলগুলোর চেয়ে আরো অনেক সমৃদ্ধ ও শক্তিশালী দলিল আনা সম্ভব ছিলো। পুরো কিতাবে বিভিন্ন জায়গায় মুফতি তাকি উসমানি হাফিজাহুল্লাহর রদ করা হয়েছে, কিন্তু খুবই সম্মানজনক ও আদবপূর্ণ ভাষায়। আদাবুল ইখতেলাফের একটি উৎকৃষ্ট নমুনা আমরা এই কিতাবের মধ্যে পাবো ইনশাআল্লাহ। কিতাবের একটি দুর্বল দিক হলো কিতাবটি কয়েকজন মিলে সংকলন করেছে। এজন্য বিভিন্ন জায়গায় প্রকাশভঙ্গি বিভিন্ন রকম হয়েছে। কিছু কিছু বিষয় কয়েকবার আলোচনায় এসে গিয়েছে। কিতাবে শক্তিশালী দলিলের পাশাপাশি কিছু দুর্বল দলিল ও মূল বিষয়ের বাইরে কিছু গৌণ ও অপ্রাসঙ্গিক ও আনুষঙ্গিক বিষয়ও এসে গিয়েছে। এগুলো না থাকলে আরো ভালো হতো (কারণ অনেক সময় প্রতিপক্ষ মৌলিক ও শক্তিশালী দলিল, আপত্তি, ইশকাল ইত্যাদি বিষয়ে সম্পূর্ণ বা অনেকাংশে এড়িয়ে গিয়ে এসব দুর্বল দলিল এবং গৌণ ও অপ্রাসঙ্গিক বিষয় নিয়েই নিজেদের রদকে সীমিত রাখে! আর মানুষকে ধারণা দেয়ার চেষ্টা করে যে, আমরা তো সব দলিল ও আপত্তির দিয়ে দিয়েছি!!)। যাইহোক দুনিয়ার গ্রহণযোগ্য সকল কিতাবেরই গ্রহণযোগ্যতার অর্থ এই নয় যে, তার প্রতিটা হরফ সঠিক হতে হবে! বরং, সামগ্রিকভাবে কোনো কিতাব যদি শক্তিশালী দলিলে সমৃদ্ধ হয় তাহলে কিছু দুর্বল দলিলের উপস্থিতি কিতাবের মান ক্ষুণ্ন করতে পারে না। আর আলহামদুলিল্লাহ এই কিতাবটি সেই মানে পরিপূর্ণ উত্তীর্ণ। ©উস্তাদ আবু উসামা জাফর

photo content

সেকু*লারি*জম নিয়ে তাত্ত্বিক একটি চমৎকার গ্রন্থ! . সেকু*লারি*জম নিয়ে যতগুলো প্রবন্ধ-নিবিন্ধ বা বইপত্র দেখা হয়েছে তারমাঝে সবচেয়ে দলিল সমৃদ্ধ ও তাত্ত্বিকভাবে গোড়া থেকে সেকু*লারি*জমের আসল বাস্তবতা, তার খণ্ডন ও ইসলামি দৃষ্টিকোণকে তুলে এনেছেন আরবের মুহাক্কিক আলেম ড. সামি আমেরি। তার বিখ্যাত বই ‘ আল আলামানিয়্যাহ তায়ুনুল আসর’ বইটি আমার দেখা এখনো পর্যন্ত সেকু*লারি*জম বিষয়ে সবচেয়ে জামে-মানের একটি কাজ। . ৩২০ পৃষ্ঠার এই গ্রন্থে লেখক সেকু*লারি*জম সম্পৃক্ত ছোটছোট বিষয়গুলোকে তুলে এনেছেন পূর্ণ দলিলসহকারে যা অন্যকোনো বইতে নজরে পড়েনি। লেখকের সবচেয়ে শক্তিশালী দিক মনে হয়েছে তার ভাষাজ্ঞান। আরবি,ইংরেজি, ফারসি, ল্যাটিনসহ আরো বেশকিছু ভাষা লেখক আয়ত্ত্ব আছে বলে মনে হলো। এবং সে সকল ভাষার মৌলিক গ্রন্থ থেকে রেফারেন্স উল্লেখ করে সেকু*লারি*জমের পরিচয়, বাস্তবতা, ধোঁকা ও খণ্ডন করেছেন। . বইটিতে লেখক বেশকিছু নতুন তাহকিক পেশ করেছেন যা এর আগে নজরে পড়েনি। তারমাঝে অন্যতম হলো, সেকু*লারি*জমের আরবী প্রতিশব্দ ব্যবহার করা হয় ‘আল ইলমানিয়্যাহ’ ও ‘আল আলমানিয়্যাহ’। সেকু*লারি*জমের আরবী হিসেবে প্রথমটি ভুল এবং ধোঁকা এটা বহু আরব আলেমগণ তাদের লেখায় উল্লেখ করেছেন। তারা ‘আল আলমানিয়্যাহ’কে সঠিক বলেছেন। ড. আমেরি পর্যাপ্ত দলিল দিয়ে দেখিয়েছেন, সেকু*লারি*জমের আরবী হিসেবে ‘আল আলমানিয়্যা’ও আরবী সঠিক শব্দ নয়। বরং আরবীতে সঠিক শব্দ হবে ‘আল আলামানিয়্যাহ’। আমার কাছে এটাকে বেশি সঠিক মনে হয়েছে। দ্বিতীয়ত, বিভিন্ন দেশে দেশে সেকু*লারি*জমের একটি অনুবাদ করা হয় ধর্মনিরপেক্ষতা দিয়ে। আর প্রমান করতে চায় সেকু*লারি*জম খারাপ কিছু নয়। লেখক ‘ধর্মনিরপেক্ষতা’ শব্দটির একদম গোড়ার ইতিহাস টেনে দেখিয়েছে যে, এই শব্দটিও স্বতন্ত্র একটি কু*ফ*রি বিশ্বাস লালন করে। বরং সেকু*লারি*জম শব্দটি যে বিশ্বাস ধারন করে তাই ধারন করে ধর্মনিরপেক্ষ শব্দটিও। (বাংলা ধর্মনিরপেক্ষতা শব্দটি নিয়ে আমি বিস্তারিত আমার প্রবন্ধে আলোচনা করেছি) . সেকু*লারি*জম মতবাদ কীভাবে ধোঁকা সৃষ্টি করে নিজের মাঝে এই সংক্রান্ত আলোচনাটা ছিলো মনমাতানো। এত চমতকার করে পুরো বিষয়টি সেকু*লারি*জমের গোড়া থেকে ও ইসলামি দৃষ্টিভঙ্গিতে লেখক আলোচনা করেছেন, যা লেখকের সুক্ষদৃষ্টি ও গভির থেকে মতবাদটি বুঝার প্রমাণ বহন করে। . অনেক মুহাক্কিক আলেমগণ সেকু*লারি*জমকে একটি ধর্ম বআ দ্বীন হিসেবে উপস্থাপন করেন। লেখক এই আলোচনা বিস্তারিত করেছেন। প্রথমে ইসলামের প্রাচীন গ্রন্থগুলো থেকে আলোচনা করেছেন ধর্ম বা দ্বীন কাকে বলে। এরপর সে সংজ্ঞানুযায়ী সেকু*লারি*জমের অবস্থান কী তা খুব সাবলিল ভাষায় উপস্থাপন করেছেন। . যাইহোক, সামান্য কিছু ভালোলাগার বিষয় আলোচনা করলাম, মাদরাসার তালেবে ইলম ভাই, যারা দুনিয়া বিধ্বংসী এই মতবাদকে গোড়া থেকে ও তাত্ত্বিকভাবে বুঝতে চান, তাদের জন্য এই বই অনেক সহায়ক হবে ইনশাআল্লাহ। . বইটির আরবী তুলনামূলক কঠিন। যারা আমার মত মুয়াসির আরবীতে দূর্বল তাদের একটু কষ্ট হবে। তবে হিম্মত করে অল্প অল্প করে পড়লে এবং যে জায়গাগুলো একটু কঠিম মনে হয় তা কয়েকবার ও সময় লাগিয়ে পড়লে আশা করি উপকৃত হবেন। বইটির বিষয়ে সবচেয়ে ভালো হয় মূল নুসখা সংগ্রহ করা, অথবা প্রিন্ট দিয়ে পড়া। এবং কয়েকবার পড়া। তাহলে করি বেশি উপকৃত হতে পারবেন। . আল্লাহ আমাদেরকে এইধরনের ফিতনাগুলো সম্পর্কে সচেতন হওয়ার তাওফিক দান করুক। ও উম্মাহকে সচেতন করার মত ফিকির ও হিম্মত দান করুক। আমীন৷

920_Samrei_alalmanitaonasar.pdf5.39 MB

আদালতের বাইরে তারা "ধইরা ধইরা জবাই কর" এই স্লোগান দিচ্ছে উ গ্র হি ন্দুরা । আপনারা বুজতেছেন এটা তারা কিভাবে বলছে? সরাসরি উন্মুক্তভাবে তারা মুসলমানদেরকে গণহত্যার আহ্বান করতেছে। এর আগে তারা হেফাজতকে জ ঙ্গি সংগঠন বলে চট্রগ্রামে উন্মুক্তভাবে ইসলামের বিরোধীতা করে স্লোগান তুলছিল। অথচ এই গণহত্যা উস্কানিমূলক স্লোগান নিয়ে প্রশাসনের কোন মাথাব্যথা নেই। সরকার যদি নিজের ক্ষমতা রেখে অন্তত নিজ দেশের সার্বভৌমত্ব এবং অধিকার নিয়ে সচেতন থাকতো, এই ধরনের উস্কানিমূলক স্লোগানের সাথে সাথে তাদেরকে গ্রেফতার করার কথা ছিলো। সরাসরি একটা দাঙ্গার দিকে পরিকল্পিতভাবে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে প্রজন্মকে এটা স্পষ্টভাবে বুঝা যাচ্ছে। এই সমস্ত ছোট ছোট কেস হচ্ছে তাদের শক্তির‌ বহিঃপ্রকাশের একটা উপলক্ষ। প্রশাসনের লোকজন সরাসরি এর সাথে সম্পৃক্ত এবং উস্কানিদাতাদের তারা পরক্ষভাবে ব্যাকআপ দিচ্ছে। সরকার যদি অজ্ঞাত থাকে, তবুও সত্য হলো প্রশাসনের হি ন্দু আমরা আমলারা এর সাথে অবশ্যই সংশ্লিষ্ট আছে। ©

চরম বাস্তবতা উঠে এসেছে। ভিডিওটি শেয়ার হওয়া দরকার! ইসলামি ব্যাংক সম্পর্কে জানতে প্রি-অর্ডার করুন চেতনা প্রকাশন থেকে প্রকাশিত প্রচলিত ইসলামি ব্যাংকিং বইটি।

সর্বদিক থেকে আমাদের সামর্থ্য সীমিত। সেই সীমিত সামর্থ্য নিয়েই আসন্ন রমজানে মাদরাসাতু আলী রা.তে কিছু বিষয়ের তাদরিবের আয়োজন করা
সর্বদিক থেকে আমাদের সামর্থ্য সীমিত। সেই সীমিত সামর্থ্য নিয়েই আসন্ন রমজানে মাদরাসাতু আলী রা.তে কিছু বিষয়ের তাদরিবের আয়োজন করা হয়েছে। সকলের কাছে দোয়া চাই, আল্লাহ যেনো আমাদের সর্বদিকের সামর্থ্য বাড়িয়ে দেয়। এবং এই তাদরিবকে আমাদের আখিরাতের নাজাতের উসিলা বানায়। . পশ্চিমা সভ্যতা নিয়ে অনেকদিন থেকেই একটু ঘাটাঘাটি করছি। সে থেকে কিছু বিষয়ে নোট করে একটি সংকলনের রূপ দিয়েছি, মূলত সে সংকলন সামনে রেখেই তাদরিবে আলোচনা করবো। আল্লাহ সঠিক বিষয়টি উপলব্ধি করার ও উম্মতকে বুঝানোর তাওফিক দান করুক।