uz
Feedback
Abdullah bin bashir

Abdullah bin bashir

Kanalga Telegram’da o‘tish

প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Ko'proq ko'rsatish

📈 Telegram kanali Abdullah bin bashir analitikasi

Abdullah bin bashir (@abdullahbinbashir) Bengal til segmentidagi kanali faol ishtirokchi. Hozirda hamjamiyat 11 300 obunachidan iborat bo'lib, Din & Maʼnaviyat toifasida 8 092-o'rinni va Bangladesh mintaqasida 2 030-o'rinni egallagan.

📊 Auditoriya ko‘rsatkichlari va dinamika

невідомо sanasidan buyon loyiha tez o‘sib, 11 300 obunachiga ega bo‘ldi.

27 Iyun, 2026 dagi oxirgi ma’lumotlarga ko‘ra kanal barqaror faollikka ega. Oxirgi 30 kunda obunachilar soni 71 ga, so‘nggi 24 soatda esa 4 ga o‘zgardi va umumiy qamrov yuqori darajada qolmoqda.

  • Tasdiqlash holati: Tasdiqlanmagan
  • Jalb etish (ER): Auditoriya o‘rtacha 19.52% darajada jalb etiladi. Nashrdan keyingi dastlabki 24 soatda kontent odatda umumiy obunachilar sonining 7.72% ini tashkil etuvchi reaksiyalarni to‘playdi.
  • Post qamrovi: Har bir post o‘rtacha 2 206 marta ko‘riladi; birinchi sutkada odatda 873 ta ko‘rish yig‘iladi.
  • Reaksiyalar va o‘zaro ta’sir: Auditoriya faol: har bir postga o‘rtacha 46 ta reaksiya keladi.

📝 Tavsif va kontent siyosati

Muallif resursni shaxsiy fikrni ifoda etish maydoni sifatida ta’riflaydi:
প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Yuqori yangilanish chastotasi (oxirgi ma’lumot 28 Iyun, 2026 da olingan) sababli kanal doimo dolzarb va katta qamrovli bo‘lib qoladi. Analitika auditoriya kontent bilan faol hamkorlik qilishini, uni Din & Maʼnaviyat toifasidagi muhim ta’sir nuqtasiga aylantirishini ko‘rsatadi.

11 300
Obunachilar
+424 soatlar
+97 kunlar
+7130 kunlar
Postlar arxiv
শুনেছিলাম, শাইখুল মু-জাহিদীন (আসলি) জালালুদ্দিন হক্কানীর কথা, ওনার এক স্ত্রী ছিলেন আরব। ওই স্ত্রী শুধু ওনার বীরত্বের কথা শুনে ওনাকে বিয়ে করতে চেয়েছিলেন। তিনি যে শুধু বীর, তা-ই নয়, বরং এক অবিশ্বাস্য রকমের সংগঠক। আমার ইচ্ছা করে যে ওনার বক্তব্যগুলো ঘন্টার পর ঘন্টা আপনাদের শুনাই। আমীরুল মু'মিনীন মোল্লা উমার যখন বা'য়াত নিচ্ছিলেন, তখন এই ব্যক্তি অনেক বড় মু-জাহিদ নেতা। নিজের শক্তিশালী দল "হক্কানী নেটওয়ার্ক" আছে। অথচ তিনি নিজে নেতা না হয়ে অগ্রজ হয়েও অনুজের হাতে বা'য়াত হয়েছিলেন। এর আগেও তিনি তার দল নিয়ে আন্তঃর্কোন্দলে জড়ান নি। যদি বলা হয় আফগানে একিউর সবচাইতে কাছের লোকরা কারা, সবাই জানবে তারা হচ্ছে হক্কানী নেটওয়ার্কের লোকেরা। তিনি তার ভাই, সন্তান মিলিয়ে মোট কত জনকে যে কুরবানী দিয়েছেন, হাতের আঙ্গুলে গুণে সেই সংখ্যা বের করা দায়। এই পরিবারটা বলতে গেলে তৎকালীন সোভিয়েত থেকে শুরু করে সাম্প্রতিক মার্কিন নেতৃত্বধীন জোটবাহিনীকে, অর্থাৎ সময়ের দুই পরাশক্তিকে পরাজিত করেছে। তার ছেলে সিরাজউদ্দীন হক্কানী এখন ইমারতের নায়বে আমীর এবং হোমমিনিস্টার। একবারের এক মজার ঘটনা, শাইখ বলেন যে, কোন একটা এলাকা দখল খুব জরুরী ছিল, কিন্তু গোলা-বারুদ শেষ। রিইনফোর্সমেন্ট আসতে আসতে তারা শত্রুর কবলে পড়ে যেতে পারে। কারণ অতর্কিত অবস্থায় শত্রুর এলাকায় চলে আসলেও শত্রু সজাগ না থাকলেও গোলা-বারুদ তো ছিল না। এমন সময় আকাশ-বাতাশ কাপিয়ে সোভিয়েত হেলিকপ্টার একটা আসতে লাগলো। ওনারা ভাবলেন, আজই মনে হয় দুনিয়ার শেষ দিন। শাহাদাতের প্রস্তুতি নেয়া শুরু করলেন। কিন্তু অবাক হয়ে দেখলেন যে হেলিকপ্টার থেকে ওনাদের উপর কোনরূপ হামলা তো হলোই না, উল্টো গোলাবারুদ বোঝাই বক্স ফেলে হেলিকপ্টারটি চলে গেলো। এ যেন আসল মু-জাহিদদের এক কারামত! শাইখ ব্যাখ্যা দেন যে, এলাকাটি শত্রুর দখলে থাকায়, সোভিয়েত হেলিকপ্টার মু-জাহিদদেরই তাদের পক্ষের শক্তি মনে করে অস্ত্র সাহায্য দিয়ে গেছে। পরে ফ্রিতে পাওয়া সেই গণিমত দিয়েই মু-জাহিদরা শত্রুদের থেকে সেই এলাকটি দখলে সক্ষম হয়। শাইখ এতটাই নরম মনের মানুষ ছিলেন যে, উনি পরাজিত আহত শত্রু সেনাদের নিজ খরচে হসপিটাল পাঠাতেন। একবার হলো কি, বন্দী শত্রু সেনারা শাইখের প্রতি খুশি হয়ে বললো, মু-জাহিদিন জিন্দাবাদ, ইসলাম জিন্দাবাদ, আল্লাহ জিন্দাবাদ! এই কথ শুনে মু-জাহিদরা গেলো ক্ষেপে। বন্দীরা বলে, মু-জাহিদ জিন্দাবাদ বললে খুশি হও, অথচ আল্লাহ জিন্দাবাদ বললে ক্ষেপে যাও, আল্লাহ কি বড় না? শাইখ নিজে এ ঘটনা বর্ণনা করে বলেন যে, এই ছিল তাদের আক্বীদার অবস্থা! এদের ছেড়ে উম্মাহ আজ কাদের তাদের হিরো ভাবছে! হায় উম্মাত! হায় উম্মাত!

photo content

ইসলামের বীজ বপন করতে হবে ইসলামিক পদ্ধতিতে, আব্রাহামের পদ্ধতিতে নয়। মুরসির ত্যাগ থেকে আমরা শিক্ষা নেই নি। এখন পাকিস্তানের অবস্থা থেকেও আমাদের উপলব্ধি হবে না। গণতন্ত্র দিয়ে দ্বীন কায়েম একটা চরম অযৌক্তিক, অবাস্তব, এমনকি চরম পর্যায়ের হাস্যকর চিন্তাধারা। আমেরিকান সেন্ট্রিক বিশ্ব ব্যবস্থায় তার আব্রাহামী তরীকায় তাকে উলটে দেয়া সম্ভব নয়। পশ্চিমার বিপরীতে যে কোন উদাহরণ তৈরি করতে হবে জোর করে, তা কম্যুনিজম, সোস্যালিজম, বা দ্বীনে ইসলাম যা-ই হোক না কেন। মানব সৃষ্টির সময় থেকে যে পদ্ধতিতে ক্ষমতা দখল করা হয়, এবং নিজাম বাস্তবায়ন করা হয়, সে পথ ব্যতীত অন্য কোনো পথে উদ্দেশ্য হাসিল হবে না। চীনা কম্যুনিজম, রাশিয়ার পুতিন, আরবের কিং, বা আফগানিস্তানের আমিরিয়াত আজ প্রতিষ্ঠা পেয়েছে শুধু মাত্র অতীতের পদ্ধতি অনুসরণ করে, এরা কেউ আব্রাহামিক পদ্ধতিতে উদ্দেশ্য হাসিল করেনি। আমাদের দেশও এখন এক জলজ্যান্ত উদাহরণ। ইখওয়ানুল মুসলিমিনের কেন্দ্র মিসরে, ৭৫ বছরের সংগ্রামী ইতিহাসে তাদেরকে এক বছরও ক্ষমতায় টিকে থাকতে দেয়া হয়নি। মুরসি রহিমাহুল্লাহকে আল্লাহ ক্ষমা করুন। জামায়াতে ইসলামির কেন্দ্র পাকিস্তানে, ৭৫ বছরের সংগ্রামী দল এবার একটি আসন পেতেও ব্যর্থ হয়েছে। পরিশেষে আমিরে জামায়াত পদত্যাগ করেছেন। জনপ্রিয়তার শীর্ষে থাকা ইমরান, আমেরিকান বিরোধী হওয়ায়, বর্তমান বিশ্বে সব থেকে জনপ্রিয় নেতা হওয়া সত্ত্বেও তাকে ক্ষমতা দেয়া হচ্ছে না। আব্রাহামিক পদ্ধতিতে ৭৫ বছর কেন ৭৫০ বছরও সংগ্রাম করলে ফলাফল একই হবে। এই কথা আমাদের মাথায় ঢুকবে না। একই কথা খাটে পাকিস্তানের জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের জন্য। PDM গঠন করে ইমরানকে উপড়ে ফেলতে তিনিই কাজ করেছেন কিন্তু নতুন নির্বাচনে তেমন কোন অর্জন হয়নি। ইনারা সেকুলারদের ক্ষমতায় যাওয়ার ক্ষেত্রে কিছু হেল্পিং হ্যান্ড হিসেবেই টিকে থাকবে। নিজেরা কখনো ক্ষমতা পাবে না। বাংলাদেশে আবার নতুন নতুন দল গজিয়েছে, এরা রাজনীতিতে জামায়াতের চাইতে ৩০ বছর পিছিয়ে। একই পথে হেঁটে চলছে তারা। ৩০ বছর পর এরাও জামায়াতের মত ব্যর্থ হবে। গনতন্ত্র তখন পর্যন্ত ঠিক আছে যতক্ষণ পর্যন্ত আমেরিকা বান্ধব কেউ এতে বিজয় লাভ করে। অন্যথায় গনতন্ত্রসহ তাকে উপড়ে ফেলা হয়। এরপর তারা ইসলাম প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য ভুলে গিয়ে গণতন্ত্র উদ্ধারের লড়াইয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। ১০-২০ বছর সংগ্রাম করে গণতন্ত্র উদ্ধার হয়। অতপর কোনো ফাঁক ফোঁকর পেয়ে ক্ষমতায় গেলে, আবারো উপড়ে ফেলা হয়। এভাবে চক্রাকারে খেলা চলতে থাকে। আমরা গোলোক ধাঁধায় আঁটকে থাকি। আমরা কখনোও কি এটা বুঝব না?

হযরত থানবি রহ. দেওবন্দি পড়াকালীন প্রসিদ্ধ আহলে হাদিস আলেম নজির হোসাইন দেহলবির সাথে দুবার সাক্ষাত করেন। একবার দিল্লিতে সাক্ষাত করলে নজির হোসাইন রহ. হযরত থানবির কাছে শেকায়াত করেন, দারুল উলুম দেওবন্দে এক গাইরে মুকাল্লিদ ছাত্রকে হানাফি মাজহাবের ছেলেরা পিটিয়েছে। এটা শুনে থানবি রহ. আদবের সাথে বলেন, ‘আপনি ঘটনা শুনেছেন, কারন জানা আছে কি?’ ‘না কারন জানা নেই’ বলে জানালেন নজির হোসাইন সাহেব। ‘সে গাইরে মুকাল্লিদ ছাত্র হযরত ইমাম মুহাম্মদের শানে বেয়াদবি মূলক শব্দাবলী ব্যবহার করেছে, বলে গেলেন হযরত থানবি, ‘এতে কতক ছাত্রদের রাগ উঠে ও তারা পিটিয়ে দেয়।’ কারণ শুনে নজির হোসাইন রহ. বলেন, তবে তো এ অবশ্যই সে ছাত্রের অন্যায় ছিলো।’ . আহলে হাদিস সম্পর্কে হযরত থানবি বলতেন, 'যদি বদ-গুমানী ও বদ-যবানী থেকেমুক্ত হয়, তবে যাই হোক এও সলফে সালেহীনের তরীকাসমূহের অন্যতম, যদিও সলফ বা পূর্ববর্তীদের সঙ্গে পরবর্তীদের কিয়াস এক্ষেত্রে সামঞ্জস্যহীন।' তদুপরি বলেন, 'কতিপয় গাইর-মুকাল্লেদ আমার নিকট বাইআতপ্রাপ্ত। আমি এ ব্যাপারে কঠোর নই, তাদেরও বাইআত করে নেই। তবে শর্ত হল, তাকলীদ (বা মাযহাবের অনুসরণ) কে ওয়াজিব না জানলেও তাকে গুনাহ না বলে জায়েয মনে করতে হবে। কিন্তু মনের মিল যাকে বলা হয়, দিলের তাওয়াজ্জুহ সত্ত্বেও তা হয় না। তাঁদের এধ্যে সাধারণত আদবের অভাব থাকে, ভয়-ভীতি থাকে না এবং তাওয়াহ, পরহেযগারী ও সতর্কতা খুবই কম হয়। ফলে তাদের সঙ্গে মন এক রকম সংকুচিত থাকে।' সূত্র: আশরাফ চরিত পৃ.১২৪ #থানবির_পরশে ৩

এত সংক্ষিপ্ত একটি বই থেকে এতটা মুস্তাফিদ হবো ভাবিনি! . আমাদের দেশে একদলকে দেখা যায়, গণ*ত*ন্ত্র, নির্বাচন, হাকিমিয়াত ইত্যাদির আলোচনা উঠলে প্রায় মুর্খের মত চিল্লিয়ে উঠে—এগুলো তো সালাফিদের বলা মাসআলা, ফিকহের সাথে এগুলোর কোনো সম্পর্ক নাই, যারা সালাফি প্রভাবিত তারাই এগুলো বলে বেড়ায়! সম্ভবত এমন কিছু মূর্খের জামাত পাকিস্তানেও আছে। এদের খণ্ডনেও বোধহয় ওজারিস্তানের এই লেখক বইটির নামই দিয়েছেন, ‘ফিকহে হানাফি আউর জমহুরিয়াত’। . বইটিকে সম্মানিত লেখক ওলামায়ে আহনাফ ও ওয়ালামায়ে দেওবন্দের স্বীকৃত ব্যক্তিদের উদ্ধৃতির আলোকে সাজিয়েছেন। এমন অনেক উদ্ধৃতি এনেছেন এই সংক্রান্ত বইয়ে এর আগে আমি কখনোই দেখিনি, এতে ধারণা হয় লেখকের দীর্ঘদিনের নিজস্ব মুতালায়ার সারসংক্ষেপ এই বইতে তুলেধরেছেন। আল্লাহ তাকে জাযায়ে খায়ের দান করুক। . বইটির প্রতিটি অধ্যায় ইলমি উদ্ধৃতি ও খাজানায় ভরপুর, তবে শুরু হাকিমিয়াতের অধ্যায়, এরপর গণ*তন্ত্রের শাব্দিক অর্থের অংশে মানতেকের আলোকে যেভাবে পুরো বিষয়টি সংক্্ষেপে তুলে ধরেছেন, মনের অজান্তেই লেখকের জন্য দোয়া বের হয়ে এসেছে মুখ থেকে। আল্লাহ তাকে জাযায়ে খায়ের দান করুক। আমীন। . নির্বাচনের অধ্যায়টি তো আমি উর্দু জানা সমল ভাইদের পড়ার পরামর্শ দিবো, বিশেষত, গন*ত*ন্ত্রের নির্বাচনকে বিভিন্ন ফিকহি তাকয়িফ দিয়ে জায়েয বলেছেন, এমন আলেমদের লেখা পড়ে যারা এটাকেই সর্বশেষ সিন্ধান্ত ভেবে বসে আসেন তাদের। ইনশাআল্লাহ, মাসআলা ফিকহের আলোকে যারা হল্ল করতে চান তাদের জন্য খোরাক রয়েছে, আর যারা যেহেতু অমুকের কলমে উঠে এসেছে তাই সেটাই সঠিক তাদের আলোচনা ভিন্ন! . যাইহোক, বইটি পড়ার সময় সিন্ধান্ত নিয়েছিলাম সময় নিয়ে অনুবাদ করে ফেলবো, কিন্তু আমার এক ছাত্র বইটি পড়ে মুগ্ধতা জানায় ও অনুবাদের পরামর্শ চায়। শুনে খুশি হলাম ও তাকেই কাজটি দিলাম। ইনশাআল্লাহ, দ্রুতই সে কাজটি শুরু করবে। সকলের কাছে দোয়া চাই, আল্লাহ যেনো আমাকে ও সে তালেবে ইলম ভাইকে কবুল করে নেয়। আমীন।

খুবই সংক্ষিপ্ত ও ফুকাহাদের বক্তব্য ও বিশ্লেষণের আলোকে গণতন্ত্র ও নির্বাচন বিষয়ে এত চমৎকার বই আগে নজরে পড়েনি। বইটি আহলে ইলম ও তালেবে ইলম ভাইদের জন্য একটি বিশাল তোহফাহ। ইনশাআল্লাহ, সময় নিয়ে খুব দ্রুতই পড়ে ফেলুন।

ইসলামি ইমারাহ- এর সামরিক সক্ষমতা ও সরঞ্জাম সম্পর্কে খুব কমই জানা যায়। যতটুকু অফিসিয়াল কুচকাওয়াজে প্রকাশিত হয়েছে তারা সংক্ষিপ্ত চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। খুব শীঘ্রই সেনাবাহিনীর সদস্য সংখ্যা ২ লাখ ছাড়িয়ে যাবে। সেনাবহরে যুক্ত হতে যাচ্ছে উন্নত আকাশ প্রতিক্ষাব্যবস্থা। নিজস্ব প্রযুক্তিতে ড্রোন তৈরির কাজ চলছে। এছাড়া তুরস্ক থেকে বায়রাক্তার টিবি ২ কেনার গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। ... ভিডিও ক্রেডিট : কাবুল ফ্রন্টলাইন ©

ইমারার একজন মন্ত্রীর ইমানদীপ্ত সাক্ষাতকার!

#থানবির_পরশে “আলেমদের অস্তিত্বের উপর দীন নির্ভরশীল” হযরত থানবি বলেন, ‘সূফিদের চেয়ে আলেমদের প্রয়োজন অধিক। কারণ, তাঁদেরই বদৌলতে দীনের ব্যবস্থাপনা টিকে রয়েছে। তাঁরা না হলে দীনের আহকাম ও সীমাসমূহের পাত্তাও কারো কাছে থাকত না, দরবেশী তো এর পরবর্তী জিনিস।' হযরত অপরস্থানে সূফী ও আলেমদের বিষয়টি এভাবে বুঝিয়ে বলেন, ‘আল্লাহ তাআলার মুআমালাও সূফীদের সঙ্গে ছোট বাচ্চার মত, আর ফকীহদের সঙ্গে বড় ছেলের মত। বাচ্চার হৈচৈ তো ভালই লাগে এবং অনেক কাজেই তার দোষ ধরা হয় না; কিন্তু কাজ বড় ছেলের দ্বারাই সম্পাদিত হয়ে থাকে। আল্লাহ তাআলা হযরাতে ফুকাহাদেরকে জাযায়ে খাইর দান করুন, তাঁরা দীনের বিরাট খেদমত করেছেন এবং উম্মতের জন্য দীনের রাস্তা একেবারে পরিষ্কার করে দিয়ে গেছেন, অন্যথায় অন্ধকার বিদ্যমান থাকত। কুরআন হাদীছের আলোকে এমন এমন উসূল নির্ধারণ করে গিয়েছেন, যেগুলিদ্বারা কিয়ামত পর্যন্ত কাজ চলবে এবং যত নয়া সমস্যাই উদ্ভব হোক না কেন, তার হুকুম (বা সমাধান) ঐ উসূলসমূহ দ্বারাই জানা যাবে।’ সূত্র: আশরাফ চরিত পৃ. ৭৩

হযরত থানভি রহ. বলেন, 'আমি কানপুরের পটকাপুর মহল্লাতেই সর্বদা থাকতাম। কারণ, সেখানেই মাদরাসা অবস্থিত ছিল। যদিও সেখানকার লোক প্রায়ই স্বাধীন মনোভাবের ও নির্লজ্জ বলে খ্যাত ছিল, কিন্তু অপরাপর মহল্লার লোকদের তুলনায় বিবেক-বুদ্ধি সম্পন্নও ছিল। আমি সর্বদা তাদের মধ্যে রয়েছি, কিন্তু আমার সঙ্গে তো তাদের অশেষ মহব্বতের সম্পর্কই সদা বিদ্যমান ছিল। এর কারণ এই ছিল যে, আমি কোন বিষয়েই তাদের সঙ্গে কঠোরতা করিনি এবং কখনো তাদের কাছে লোভ-লালসা করিনি। বরং আমি নিজে বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে সেখানকার গরীবদের প্রতি সাহায্য-সাহানুভূতি করতাম। একদা দুর্ভিক্ষ হলে প্রতিবেশীদের প্রতি করণীয় হিসাবে আমি একাধিক বার চাঁদা উঠিয়ে গরীবদের মধ্যে খাদ্যশস্য ও কাপড় বিতরণ করেছিলাম।

'বাংলাদেশ মু জা হি দ কমিটি' ও 'আমিরুল মু জা হি দি ন' নামের ব্যবহার এবং গণতান্ত্রিক নির্বাচনের ভোটাভুটিকে 'জি হা দ' বলে চালিয়ে
+2
'বাংলাদেশ মু জা হি দ কমিটি' ও 'আমিরুল মু জা হি দি ন' নামের ব্যবহার এবং গণতান্ত্রিক নির্বাচনের ভোটাভুটিকে 'জি হা দ' বলে চালিয়ে দেওয়া আর 'আমরা নির্বাচন করি না; জি হা দ করি' টাইপের ডায়লগ মারার ব্যাপারে দারুল উলুম করাচীর সুস্পষ্ট ফাতওয়া। বাংলাদেশ থেকে ফাতওয়াটি জিজ্ঞেস করা হয়েছে মাওলানা লুৎফুর রহমান ফরায়েজির আহলে হক মিডিয়ার মেইল থেকে; যার প্রমাণ মন্তব্যের ঘরে দেওয়া রয়েছে। আকাবিরের এই ফাতওয়া গ্রহণ করার উদারতা কি এবার বামুক দেখাবে? তারা কি নিজেদের নাম পরিবর্তন করে আদর্শিক দৃষ্টান্ত উপস্থাপন করবে?

শায়েখ হওয়ার গল্প ২০০৭ সাল। প্রফেসর হযরতের একটি গাড়ি আছে। নাইন্টি মডেল। এমনিতেই অনেক পুরোনো। ব্যবহৃত হতে হতে সেটি আরও পুরোনো হয়ে গেছে। পুরোনোরও মাত্রা থাকে। এর মাত্রা নির্ধারণ করা যাচ্ছে না। এজন্য কেউ কেনার আগ্রহ দেখায় না। হযরতের চলতে-ফিরতে খুব কষ্ট। এটি নিয়ে আর পারা যাচ্ছে না। এর মধ্যে হযরতের প্রবাসী ছোট ভাই কিছু টাকা পাঠিয়েছে। সেটি দিয়ে আরেকটি গাড়ি কেনা হয়েছে। নাভানা মাইক্রো। সেটিও পুরোনো। তিনি এগুলো নিয়েই সারা বাংলাদেশে মক্তব-মাহফিল করে বেড়াচ্ছেন। দিন-রাত গাড়ি চলছেই। একজন ড্রাইভারে কুলোচ্ছে না। নতুন একজন ড্রাইভার দরকার। খোঁজ নিতেই একজন এসে হাজির হলো। ড্রাইভারের নাম আব্দুল আলীম। অদ্ভুত রঙয়ের প্যান্ট-সার্ট পরে হাজির হয়েছে। গায়ের রং ঘন কালো অন্ধকারের মতো। থুতনির নিচে দাড়ি বড় হতে পারেনি কখনো। মাথার চুলেরও কোনো শ্রী নেই। বড় বড় চুল এলোমেলা হয়ে আছে। একজন উঁচু মাপের বুযুর্গের গাড়ি চালাবে, এ ব্যাপারে তার কোনো বিকার নেই। মানুষ তো মানুষই। বুযুর্গরা কি মানুষ নয়? তাদের আলাদা করে দেখতে হবে কেন? সে আলাদা করে না দেখে পারল না। হযরতকে দেখে জড়সড় হয়ে গেল। কথা শুনে স্যার স্যার বলে ফ্যাল ফ্যাল করে তাকিয়ে থাকল। আব্দুল আলীমের চাকুরীটা খুব দরকার। বাগেরহাটে বাড়ি। সেখানে একটা ঝামেলা পাকিয়ে এসেছে। গ্রামে ফেরা যাচ্ছে না। চাচাদের সঙ্গে গণ্ডগোল। খুনাখুনির পর্যায়ে চলে গেছে। তার ধারণা, সে ফিরে গেলে তাকে মেরেই ফেলবে। ঢাকা শহরে থাকার মতো জায়গাও নেই। এজন্য বেতন-ভাতা নিয়ে কথা বাড়ায়নি। চাকুরীটা হয়ে গেল। প্রথম ডিউটি। হযরতকে নিয়ে আইইউটি এসেছে। আব্দুল আলীম ভালোই গাড়ি চালাল। পথে কোনো অসুবিধা হয়নি। প্রফেসর হযরতকে তার ভালো লেগেছে। হুযুর হয়েও তার প্যান্ট-সার্ট দেখে কিছু বলেননি। দাড়ির কথাও কিছু জিজ্ঞেস করেননি। কোনো অসুবিধা হচ্ছে কিনা, বার বার এই একই খবর নিয়েছেন। এতক্ষণ কোনো অসুবিধা হয়নি। আইইউটিতে ঢুকেই একটা মারাত্মক বিপদ দেখা দিল। তার বাথরুম চেপেছে। এটুকু পথ এসেই এরকম চাপ আসার কথা না। নতুন জায়গা। কোথায় কি আছে, জানা নেই। মুখে কিছু বলতে সাহস হচ্ছে না। চাকুরীটা থাকবে তো! একাডেমিক বিল্ডিং-এর সামনে গাড়ি পার্ক করা হলো। হযরত নামলেন। তখন আব্দুল আলীমের অবস্থা কাহিল। সাহস করে কথাটা বলেই ফেলল, ‘স্যার, আমাকে বাথরুমে যেতে হবে।’ ‘ঠিক আছে। আমার সঙ্গে আস।’ হযরত তাকে আইইউটির নিচ তলায় বাথরুমে নিয়ে গেলেন। টিচারদের জন্য আলাদা ব্যবস্থা। হযরত তাকে একটু দাঁড়াতে বললেন। আব্দুল আলীম দাঁড়িয়ে আছে। দূর থেকে হযরতকে দেখা যাচ্ছে। তিনি একটা বাথরুমে ঢুকে কমোডে বার কয়েক ফ্লাস করলেন। টিস্যু পেপার দিয়ে কমোডের সীটটা খুব ভালো করে মুছলেন। বদনায় পানি ভরলেন। তারপর ফিরে এসে ড্রাইভারকে বললেন, ‘এবার যাও।’ আব্দুল আলীম পুরো দৃশ্য দেখে অবাক। তার হাত-পা ঠান্ডা হয়ে আসছে। এটা স্বপ্ন না বাস্তব বুঝতে পারছে না। একটা ঘোর লাগা অবস্থায় সে বাথরুমের দিকে এগিয়ে গেল। তারপর এগারো বছর চলে গেছে। তার সেই ঘোর এখানো কাটেনি। বরং বেড়েই চলছে। লেখক: আদম আলী ভাই

হযরত হোসাইন আহমেদ মাদানী রহ. খাদেম নিয়ে ট্রেনে কোথাও যাচ্ছিলেন। খাদেমের বাথরুমের প্রয়োজন দেখা দিলো। গিয়ে দেখে ট্রেনের বাথরুম এত ময়লা হয়ে আছে যে—ব্যবহারের অযোগ্য। প্রয়োজন না সেড়েই সে নিজ জায়গায় ফিরে আসে। মাদানী রহ. বুঝতে পারলেন। দ্রুত উঠে গিয়ে বাথরুমে ঢুকে দরজা আটকে দেন। কিছুক্ষণ পর ফিরে এসে খাদেমকে বললেন, এখন যাও। খাদেম বাথরুমে এসে পুরো ‘থ’ হয়ে গেলো! পুরো বাথরুম একদম পরিষ্কার! বুঝতে বাকি রইলো না, তার বাথরুম করতে না পারার কষ্ট মাদানী রহ. বুঝতে পেরেছেন এবং নিজে এসে খাদেমের জন্য ট্রেনের বাথরুম পরিষ্কার করে দিয়েছেন! এবিনয়ের কোনো উদাহরণ কি এই দুনিয়ায় খুজে পাওয়া যাবে? সূত্র: আমরা জীবনকথা, মাওলানা মঞ্জুর নোমানী পৃ. ১৯৯

ট্রান্সজেন্ডার বিষয়ে সমস্ত লেখা ও ভিডিও একসাথে এই সাইটটি ভিজিট করতে পারেন ও সাইটের লোকদের সহযোগিতা করতে পারেন।

হযরত মাওলামা ইলিয়াস সাহেব শেষ জীবনে বেশ অসুস্থ, কান্দালা থেকে পরিবারের কিছু আত্মীয় অসুস্থতার খোজ নিতে দিল্লিতে আসলেন। হযরত আগতদের জিজ্ঞাসা করলেন, “তোমরা কেন এসেছো?” “আপনার খবর নেওয়ার জন্য এসেছি” উত্তরে তারা জানালো। হযরত বললেন, “যার সর্বশেষ পরিনতি হলো মরে যাবে, নিঃশেষ হয়ে যাবে, তার খবরাখবর নেওয়ার জন্য এত দূর থেকে এসেছো। আর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আনিত প্রিয় দ্বীন আজ মিটে যাচ্ছে তার খবর নেওয়ার কোনো চিন্তা নেই?” সূত্র: আমার জীবনকথা, মাওলানা মঞ্জুর নোমানী রহ. পৃ. ১৭২

ব্যথিত মনে আরজি ------- মা ন হা জি / উগ্র ইত্যাদি ট্যাগ দিতে আল্লাহকে ভয় করি, ইকটু বিবেকের সাথে বুঝাপড়া করি। আমাদের অনেককেই নিজ মাসলাক বিরোধীদের কথায় কথায় ট্যাগ দিতে বেশ অভ্যস্হ। উম্মাহ দরদী এসব উলামাদের তথ্য প্রমান ছাড়া ট্যাগ দিয়ে জালিমের রোষনলে ঠেলে দিয়ে দ্বীনের কি ফায়দা? বরং অনেক সময় একজন আলেমের জীবন ধ্বংশ করে দিতে যথেষ্ট। কয়েক বছর আগে মুশতাকুন্নবী ভাই যখন গুম হয়েছিলন, ওনার খোঁজে সর্বমহলে যোগাযোগ করে প্রশাসন ওনার ব্যাপারে যে তথ্য পেশ করেছিলো,রীতিমত গা শিহরে উঠার মত। শাইখুল হাদীস আল্লামা আশরাফ আলী সা রহ এর মাধ্যমে সরকারের সর্বোচ্চ মহলে কথা হয়। আশরাফ আলী সা রহ এর কাছে তিনি বলেন, " হুজুর, তদন্তের স্বার্থে প্রয়োজনে গোয়েন্দাদের কাছে কিছুদিন থাকা হতে পারে, তবে প্রশাসনকে আমি বলে দিয়েছি, বড় বড় সব উলামারা উনার ব্যাপারে আমাকে ফোন দিয়েছে, উনি যেন জীবিত ফিরত আসেন।" এই কথা শুনে সেদিন আমরা অঝোরে কেঁদেছিলাম। হয়তো মুশতাকুন্নবী ভাইকে আর ফিরত পাবোনা। আলহামদুলিল্লাহ সারাদেশের উলামা- আওয়ামের দুআয় তিনি আমাদের মাঝে ফেরত এসেছেন। জামিন পেয়ে প্রথমদিনই অশ্রুকন্ঠে আমাকে বলেছিলেন, ভাই ধারনাও ছিলনা, আপনাদের সাথে আবার কোনদিন দেখা হবে। কল্পনা করতে পারি? প্রশাসন কি মনে করেছিলো?উনার ব্যাপারে প্রশাসনে জঘন্য ভুল তথ্যগুলো কারা দিয়েছিলো? তিনি হয়তো আল্লাহর মেহেরবানীতে খালাসী পেয়েছেন, কিন্তু আরো অসংখ্য উলামা?? সন্দীপের হযরত রহ এর জামাতা মাদানীনগর মাদরাসার আকবর সা যিনি রমনা বটমুলের মামলায় ফাঁসির দন্ডপ্রাপ্ত, অথচ এর আগে তিনি নাকি রমনা বটমুলের নামও শুনেননি। এর দায় কি এড়াতে পারবো? আবু রেজা নদভী প্রতিশোধের আগুনে ক্ষমতার দাপটে বাবুনগরী রহ. সহ হেফাযতের অনেক নেতৃবৃন্দ নিয়ে কি না করেছে? সংসদে তার বক্তব্য ষড়যন্ত্রের গভীরতার ইংগিত পাওয়া যায়। সেই সময় " হেফাযতে মানহাজি গ্রুপ"৷ শিরোনামে কয়েকটি বাম টিভি মুফতী মুশতাকিন্নবী সা, হাসান জামিল সা সহ কয়েকজনকে মান হা জি দের লিডার দাবী করে কি জঘন্য ষড়যন্ত্রমুলক সংবাদ প্রচার করেছিলো। প্রশ্ন হলো এই পরিভাষা ও মিথ্যা তথ্য কারা সাপ্লাই করেছিলো ঘৃন্য স্বার্থে! এই ঝুঝুর ভয়ে কত আলেম প্রশাসনের কঠিন রোষানলে পড়েছেন, কত আলেম ও তাদের পরিবারের জীবন শেষ, এর জবাব আল্লাহর কাছে দিতে হবেনা? সন্ত্রাস দমন অন্তরালে তা/লে/বা/ন দের বিশ বছর পাহাড়ের গুহায় কি কুরবানীর জীবন দিতে হয়েছিলো। এর সাথে মিডিয়ার অপপ্রচারে কত কিছুর ট্যাগ নিয়ে কত অপমানজনক! সময় কাটিয়েছেন। অথচ আজ বিশ্বে তারাই ইসলামের পতাকা উঁচু করে দেখিয়েছে। আর আমাদের অনেকে আতংকে আছি, না জানি এ দেশ আ ফ গা ন ফিলিস্হিন হয়ে যায়! কে না জানে, আন্তার্জাতিক পরিমন্ডলে তথাকথিত টেরোরিষ্ট দমনের নামে কিছু পদক্ষেপ সরকারকে দেখাতে হয়। আমরা নিজ মাসলাক বিরোধীদের নাম মা /ন/ হা /জি বলছি, আর প্রশাসন তা লুফে নিচ্ছে। আহ! অথচ যারা এই ট্যাগ দিচ্ছে, তারা কোন তথ্যই পেশ করতে পারবেনা। এমনকি মা ন হা জি র সংজ্ঞাটাও ভালভাবে জানেননা! প্রশাসনের রোষানলে যারা পড়ে গেছেন, তাদেরকে রক্ষা করা ছিলো আমাদের মানবতা, ইমানী দায়িত্ব।সেখানে তথ্য প্রমান ছাড়া ট্যাগ দেওয়া কতবড় অমানবিক ও আদর্শহীনতার পরিচয় দিচ্ছি, তা ভেবে দেখা দরকার। কাহারো কোন বিষয়ে অভিযোগ থাকলে দালিলিক আলোচনা হতে পারে, কিন্তু মাজলুমীনদের আরো মাজলুমিয়্যাতের অভিশাপ বহন করতে পারবো তো? মুফতী হারুন ইযহারকে রিমান্ডে প্রশ্নোত্তরের পর খোদ প্রশাসনই আশ্চর্য হয়ে জিজ্ঞাসা করতেছিলো - " অনেক বিষয় তো আপনার সাথে আলাপের পর পরিস্কার হচ্ছে। তাহলে আপনাদের লোকেরাই আপনাদের মানহাজি বলছে কেন? "" জেলের ভিতরেই হারুন ভাই শীর্ষ একজন আলেমকে বলেছিলেন, আপনিও নাকি গোয়েন্দাদের কাছে আমাকে মা ন হা জি বলে স্বীকৃতি দিয়েছেন? কেন ভাই? জবাবে তিনি বললেন, ভাই লেক মুখে শুনে বলেছি। বাস্তবতা জানিনা। হারুন ভাই এর ব্যাপারে প্রশাসন পরিস্কার হওয়ার কারনে অনেক কারাবন্দীদের ব্যাপারে তিনি কার্যকর সুপারিশ এবং সহযোগীতা করতে পেরেছেন। এমন অসংখ্য উম্মাহ দরদী যোগ্য উলামাদের আমরা অভিযুক্ত বানাচ্ছি, জাতির সামনে তাদেরকে হেয় করার অপচেষ্টায় করছি । অথচ ইলম তাকওয়া আর দ্বীনি চেতনা ও কুরবানীতে তাদের কাছেও পৌঁছতে পারবেনা। আল্লাহ তাআলা আকাবিরও আসলাফের আদর্শ ও চেতনা নিয়ে চলার তাওফীক দিন। আমীন।

ওলামায়ে ও তালেবে ইলম ভাইরা শুনুন! উম্মতের আসল দায়িত্ব তো আপনাদের।

লিবারেলরা জনাব আসিফ মাহতাব এর ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে তার সম্ভাব্য লিবারেল লাইফস্টাইলের স্ক্রিনশট ভাইরাল করে প্রমাণ করতে চাচ্ছে যে উনার চরিত্র খারাপ৷

শায়খ... আপনার মিশন থামেনি..!