uz
Feedback
Abdullah bin bashir

Abdullah bin bashir

Kanalga Telegram’da o‘tish

প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Ko'proq ko'rsatish

📈 Telegram kanali Abdullah bin bashir analitikasi

Abdullah bin bashir (@abdullahbinbashir) Bengal til segmentidagi kanali faol ishtirokchi. Hozirda hamjamiyat 11 300 obunachidan iborat bo'lib, Din & Maʼnaviyat toifasida 8 141-o'rinni va Bangladesh mintaqasida 2 028-o'rinni egallagan.

📊 Auditoriya ko‘rsatkichlari va dinamika

невідомо sanasidan buyon loyiha tez o‘sib, 11 300 obunachiga ega bo‘ldi.

23 Iyun, 2026 dagi oxirgi ma’lumotlarga ko‘ra kanal barqaror faollikka ega. Oxirgi 30 kunda obunachilar soni 85 ga, so‘nggi 24 soatda esa 5 ga o‘zgardi va umumiy qamrov yuqori darajada qolmoqda.

  • Tasdiqlash holati: Tasdiqlanmagan
  • Jalb etish (ER): Auditoriya o‘rtacha 19.42% darajada jalb etiladi. Nashrdan keyingi dastlabki 24 soatda kontent odatda umumiy obunachilar sonining 7.99% ini tashkil etuvchi reaksiyalarni to‘playdi.
  • Post qamrovi: Har bir post o‘rtacha 2 194 marta ko‘riladi; birinchi sutkada odatda 903 ta ko‘rish yig‘iladi.
  • Reaksiyalar va o‘zaro ta’sir: Auditoriya faol: har bir postga o‘rtacha 48 ta reaksiya keladi.

📝 Tavsif va kontent siyosati

Muallif resursni shaxsiy fikrni ifoda etish maydoni sifatida ta’riflaydi:
প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Yuqori yangilanish chastotasi (oxirgi ma’lumot 24 Iyun, 2026 da olingan) sababli kanal doimo dolzarb va katta qamrovli bo‘lib qoladi. Analitika auditoriya kontent bilan faol hamkorlik qilishini, uni Din & Maʼnaviyat toifasidagi muhim ta’sir nuqtasiga aylantirishini ko‘rsatadi.

11 300
Obunachilar
+524 soatlar
+357 kunlar
+8530 kunlar
Postlar arxiv
প্রথম আলো যেদিন মালির বিজয়ের সুসংবাদ দিবে সেদিনই আমি মালির বিজয়কে বিশ্বাস করবো এর আগে না৷ . কিছু করার নাই ভাই। দুঃখিত। ক্ষমা করবেন আমায়৷

মালির যারা ক্ষমতা নিতে চাচ্ছে, তাদের বিষয়ে যে কয়েকটা বিষয় আমরা জানি না৷ . ফ্রান্স যখন রাষ্ট্রীয়ভাবে পৃথিবীএ ইতিহাসে সর্বশ্রেষ্ঠ মানুষ পেয়ারে আকা হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের শানে কুটুক্তি করলো, তখন আমরা যখন শুধুই আন্দোলন আর বিবৃতিতে ছিলাম তখন মালির ভাইরা রাসুলের শান রক্ষার্থে ফ্রান্সের বাহিনীদের কড়া মাইর দিয়েছিলো। ঐ মাইরের তীব্রতা এমন ছিলো ফ্রান্স দিশেহারা হয়ে যায়। কিন্তু আপনি জানেন না। (এই নিয়ে তারা সে সময় ভিডিও করেছিলো, টেলিগ্রামে দেখেছিলাম) . বোন আফিয়াকে যখন নাপাক বাহিনী তার আব্বো আমেরিকার হাতে বিক্রি করে দেয় তখন মালির ভাইরা আমেরিকানদের অপহরণ করে আফিয়ার মুক্তির জন্য দরকষাকষি করে। কিন্তু নাপাক আর্মির অসহযোগীতার কারণে তা আর হয় নাই। (এক পাকিস্তানি আলেমের মুখি শুনেছি, মালি না সোমালিয়ার ভাইরা এটা একটু খটকা আছে) . সুদানে যখন আমিরাতের ভাড়াটে গুণ্ডারা গণ-হ*ত্যা চালাচ্ছিলো তখন মালির ভাইরা ইমারার লোকদের অপহরণ করে বড় অংকের জামানাত উদ্ধার করেছে তো এই কয়দিন আগেই। . এভাবে বিভিন্ন অঞ্চলে একদেহ একপ্রাণ হয়েই মুসলিম উম্মাহের সন্তানরা বিজয়ের পথে আগায়। আপনি যদি তাদের বিজয়ের রহস্য খুজতে চান, তাহলে কুরআনের দিকে তাকান। দুনিয়ার বাহ্যিক শক্তিতে এদের বিজয় কস্মিনকালেও সম্ভব নয়।

পাঠকের ক্লিক 🙂 . কেমন লাগলো আপনাদের বইটি? নিজের অনূভুতি জানাবেন।
পাঠকের ক্লিক 🙂 . কেমন লাগলো আপনাদের বইটি? নিজের অনূভুতি জানাবেন।

আবুল হাসান আলী নদবী রহিমাহুল্লাহ বলেন, ইসলামে ইমামত তথা নেতৃত্বের বিষয়টি ব্যাপক ও বিস্তৃত গুণাবলি দাবি করে। বিশেষ করে, একজন নেতার দুটি যোগ্যতা থাকা আবশ্যক। ১. জিহাদ ২. ইজতিহাদ ১. জিহাদ: একজন মুসলমানের সব চাইতে বড় লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হলো, আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভ এবং তাঁর সার্বভৌমত্ব ও বিধি-বিধানের সামনে পূর্ণ আত্মসর্মপণ। এর জন্য প্রয়োজন, এমন প্রতিটি বিশ্বাস, নৈতিক চরিত্র ও কামনা-বাসনার বিরুদ্ধে দীর্ঘ জিহাদের, যা এতে প্রতিকূলতা সৃষ্টি করে। এবং ভেতর বাহিরের ঐ সমস্ত উপাস্য ও মিথ্যা মা'বুদগুলোর বিরুদ্ধে, যা আল্লাহর আনুগত্য ও ইসলামের ক্ষেত্রে প্রতিপক্ষ ও প্রতিদ্বন্দ্বীরূপে দেখা দেয়। এসব লক্ষ্য যখন অর্জিত হবে, তখন একজন মুসলমানের জন্য জরুরী হলো, সে আল্লাহর সার্বভৌমত্ব ও তাঁর বিধানসমূহকে তার চারপাশের পৃথিবী এবং সব মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দেবার জন্য চেষ্টা করবে, প্রয়াস চালাবে। —এটা তার ধর্মীয় দায়িত্ব ও আল্লাহর সৃষ্টিকূলের কল্যাণ কামনার স্বাভাবিক চাহিদা। —এটা এজন্যও জরুরী, কোন কোন সময় ব্যক্তিগত দ্বীনদারী পরিবেশের আনুকূল্য ব্যতিরেকে কঠিন হয়ে পড়ে। কুরআন মজীদের পরিভাষায় একেই ফেতনা বলে। এর উদ্দেশ্য হলো, ইসলামের সমান্তরালে কোনো প্রতিপক্ষ বা প্রতিদ্বন্দ্বী শক্তি যেন অবশিষ্ট না থাকে। যারা মানবপ্রকৃতিকে বিরোধী দিকের পানে টানবে এবং অসংখ্য মানুষের জন্য কুফর ও ইসলামের মাঝে সংঘাত হিসেবে দেখা দিবে। (২:১৯৩) এই জিহাদের একটি দাবী হলো, মানুষ যে ইসলামের জন্য জিহাদ করবে, তার সম্পর্কে পূর্ণ জ্ঞান রাখবে। এবং যে কুফর ও জাহিলিয়্যাতের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে, তার সম্পর্কেও অবহিত থাকবে। তারা গভীরভাবে অবহিত হবে, যাতে করে যেই পোষাকে এবং যেই রঙেই তা জাহির হোক, দেখা মাত্রই তা চিনবে। ২. ইজতিহাদ: মুসলমানদের নেতৃত্ব ও কর্তৃত্ব (ইমামত) সে সমস্ত লোকের হাতে থাকবে, যারা সামনে আসা জীবনের নতুন নতুন সমস্যা-সংকটে এককভাবে অথবা সমষ্টিগতভাবে সঠিক ও যথাযথ ফয়সালা করার যোগ্যতা ও সামর্থ্য রাখেন। এবং ইসলামের স্পিরিট ও ইসলামের আইন প্রয়োগের মৌল নীতিমালা সম্পর্কে এতটা অবহিত এবং মাসয়ালা বের করার ব্যাপারে এতটা পারদর্শী হবেন যে, তারা মুসলিম উম্মাহর সামনে বিরাজমান সংকটগুলোর সমাধান করতে পারেন। এবং বিভ্রান্তিকালে ও সংকটাবস্থায় যিনি তাদের দিক-নির্দেশনা দিতে পারেন। অধিকন্তু তারা এতটা মেধা, কর্মক্ষমতা ও জ্ঞানের অধিকারী ও পরিশ্রমী হবেন যাতে আল্লাহতায়ালা সমস্ত সৃষ্টিজগতে ও মানবের বুকে যেই প্রাকৃতিক শক্তি, সম্পদ ও শক্তির উৎস রেখে দিয়েছেন তা থেকে তারা কাজ নিতে পারেন। এবং সেগুলোকে ইসলামের লক্ষ্য অর্জনের সহায়ক বানাতে পারেন। বাতিলপন্থীরা সেগুলোকে তাদের কামনা-বাসনা চরিতার্থ করার জন্য ব্যবহার করবে এবং যমিনে ফেতনা-ফাসাদ, অশান্তি ও অবজ্ঞাত সৃষ্টি কাজেই এ সবের সাহায্য নেবে। পক্ষান্তরে সত্য পথের পথিক এসব থেকে কাজ নেবে, যেজন্য আল্লাহ তায়ালা এসব সৃষ্টি করেছেন। —আবুল হাসান আলী নদবী রহ.। মুসলমানদের পতনে বিশ্ব কি হারালো : ১৫৮।

বুকে পাথর চাপা দিয়ে যে নিউজটি করতে হলো, //জঙ্গি গোষ্ঠী বিষয়ক সংস্থা কাউন্টার এক্সট্রেমিসম প্রজেক্ট (সিইপি) জানিয়েছে, জেএনআইএম
বুকে পাথর চাপা দিয়ে যে নিউজটি করতে হলো, //জঙ্গি গোষ্ঠী বিষয়ক সংস্থা কাউন্টার এক্সট্রেমিসম প্রজেক্ট (সিইপি) জানিয়েছে, জেএনআইএমের ফাইটাররা সরকারি বাহিনীর কাছ থেকে বিপুল অস্ত্র ছিনতাই করেছে। এছাড়া তারা আধুনিক ড্রোনও উড়াতে সক্ষম। তারা সরাসরি কোনো অবকাঠামোর ওপর হামলা না চালিয়ে কৌশল বদল করেছে বলে জানিয়েছেন সন্ত্রাসবাদ বিশ্লেষক ড্যানিয়েল গারোফালো। করেছেন//

সেক্যুলারিজম প্রতিষ্ঠিত অঞ্চল দারুল হারব, শায়খ মুসতফা সবারি রহিমাহুল্লাহের বক্তব্য . শায়খ মুসতফা সবারি রহিমাহুল্লাহের পরিচয় আহলে ইলমের কাছে অজানা নয়৷ তার জগতবিখ্যাত কিতাব হলো ‘মাওকিফুল আকলি ওয়াল ইলম'। ঐ কিতাবের ভুমিকায় শায়খ আলোচনা প্রসংগে বলতেছিলেন, বর্তমানে মুসলমানদের আমলি দূর্বলতা থেকে ঈমানি দূর্বলতা বেশি। এরপর কিছু উদাহরণ দিয়ে বলেছেন বিভিন্ন ইউরোপীয় আইনকে মুসলিমদের দেশে প্রচলিত করা। এই কথার টিকায় শায়খ লেখেন, قال مصطفى الصبري في كتابه موقف العقل: دار الإسلام في عرف الفقهاء تطلق على البلاد التي يحكم فيها بقوانين الإسلام، ويسمى خلافها دار الحرب. ١/ ٣٦ ফকিহদের পরিভাষায় দারুল ইসলাম হলো ঐ ভূখণ্ড যেখানে ইসলামি আইন অনুযায়ী শাসন করা হয়, আর এর বিপরীত হলে তা দারুল হরব। ১/৩৬ এরপর শায়খ কিতাবের চতুর্থ খণ্ডে সে সময়ের সেক্যুলারিজমের যে চিত্র ছিলো—রাষ্ট্র থেকে ধর্ম আলাদা, তা নিয়ে লম্বা আলোচনা করেন। ধর্মকে রাষ্ট্র থেকে আলাদা করলে সে রাষ্ট্র ও সেখানের জনগনের কী বিধান ও দায়িত্ব এই সংক্রান্ত আলোচনার প্রসঙ্গে আরেকটি টিকা লেখেন, وقد قلنا في مقدمة الكتاب: إن مدار الفرق بين دار الإسلام، ودار الحرب، على القانون الجاري أحكامه في تلك الديار، كما أن فصل الدين عن السياسة معناه أن لا تكون الحكومة مقيدة في قوانينها بقواعد الدين . ٤/ ٢٥٠ ভূমিকাতে আমরা বলেছি, দারুল ইসলাম ও দারুল হরবের মাঝে পার্থক্যের মূল ভিত্তি হলো উক্ত রাষ্ট্রের চলমান আইন। যেমন ধর্মকে রাষ্ট্র থেকে আলাদা করার মর্মই হলো রাষ্ট্রটি তার আইন-কানুনে দীনের বিধান অনুযায়ী চলতে বাধ্য নয়। ৪/২৫০ .

মুসলিম উম্মাহের উপর এই তিন ব্যক্তির ছায়াকে আরো দীর্ঘায়িত করুন। আমীন।
মুসলিম উম্মাহের উপর এই তিন ব্যক্তির ছায়াকে আরো দীর্ঘায়িত করুন। আমীন।

Noor_Book_com_الأحكام_السياسية_للأقليات_المسلمة_في_الفقه_الإسلامي.pdf5.79 MB

আওয়ামী স্বার্থে জামাতের সমালোচনা করে জাতির সামনে কওমীর ভাবমূর্তিকে যেভাবে বারোটা বাজিয়েছে একদল, এবার আরেকদল বিএনপির স্বার্থে একই কাজ করতেছে। কিন্তু, সব বুঝেও আমাদের চুপচাপ বসে থাকা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই। যারা মুখ খুললে কিছুটা ফায়দা হবে তারা বিভিন্ন কারনে চুপ করে আছে। তাদের নিরবতা যেনো কস্মীনকালেও ভাঙ্গবে না! অবশ্য অনূকুল পরিবেশে উনারা সর্বদা মুখ খুলেন। . আর কতকাল গেলে আমাদের কিছু দায়িত্বশীল মুরব্বিরা কিছুটা দীনি গাইরাতের পরিচয় দিবেন তা আল্লাহই ভালো জানে।

পাকিস্তানি সাংবাদিক ওয়াকার মল্লিকের এক্স পোষ্ট অনুযায়ী, পাকিস্তান গ*আ*জ্জায় নিজের সেনাবাহিনী পাঠাবে। তাদের মৌলিক উদ্দেশ্য দুই
পাকিস্তানি সাংবাদিক ওয়াকার মল্লিকের এক্স পোষ্ট অনুযায়ী, পাকিস্তান গ*আ*জ্জায় নিজের সেনাবাহিনী পাঠাবে। তাদের মৌলিক উদ্দেশ্য দুইটা থাকবে। এক. মাহাসকে নিরস্ত্র করা। দুই. হিজরাইলের বর্ডার রক্ষা করা। যাতে বাহিরের কেউ সেখানে ঢুকতে না পারে। . বাইতুল্লাহের মুহাফিজ পাক ফৌজ। ধন্যবাদ। . ছবি : নেতানিহুয়ার সবচেয়ে বিশ্বস্ত বন্ধু জর্ডার আর্মি চিফের সাথে ওয়াহেদ মূলক পাকিস্তানের জান্নাতি আর্মির প্রধান হাফেজ আসিফ মুনির।

মালিতে আমেরিকা হাই-এলার্ট জারি করেছে। সকল নাগরিককে দেশ ত্যাগের আদেশ দিয়েছে। মালির রাজধানীতে সেখানে কায়দা সমর্থিত বিদ্রোহী গোষ
মালিতে আমেরিকা হাই-এলার্ট জারি করেছে। সকল নাগরিককে দেশ ত্যাগের আদেশ দিয়েছে। মালির রাজধানীতে সেখানে কায়দা সমর্থিত বিদ্রোহী গোষ্ঠীর বিদ্রোহ তীব্র থেকে তীব্রতর হচ্ছে।

তুরস্কে আফগান-পাকিস্তান দ্বিপাক্ষিক আলোচনার সময় তালেবরা প্রস্তাব দেয়, পাকিস্তান তার আকাশ আফগানের বিরুদ্ধে কাউকে ব্যবহার করতে দিবে না, বিশেষ করে আমেরিকান ড্রোন। পাকিরা সরাসরি নাকি তা অস্বীকার করেছে। তারা স্পষ্ট বলেছে আমেরিকার সাথে আমাদের চুক্তি আছে এই বিষয়ে। . মুসলিম ভাই পাকিস্তানের সাথে আফগানের যুদ্ধ করাটা ইসলাম সমর্থিত নয়। ধন্যবাদ।

আমেরিকার সাথে পাক সেনাদের মিটিং, কীভাবে পুরো পৃথিবীর ইসলামকে রক্ষা করা যায় সে বিষয়ে। আমেরিকা না থাকলে আজ ইসলামের কী যে এক দূর
আমেরিকার সাথে পাক সেনাদের মিটিং, কীভাবে পুরো পৃথিবীর ইসলামকে রক্ষা করা যায় সে বিষয়ে। আমেরিকা না থাকলে আজ ইসলামের কী যে এক দূর্দশা হতো!

এক্সে স্ক্রল করার সময় হঠাৎ সামনে আসলো। আর থমকে দাঁড়ালাম কিছুক্ষণ। এরপর আবার স্ক্রল করে নিচে চলে গেলাম।
এক্সে স্ক্রল করার সময় হঠাৎ সামনে আসলো। আর থমকে দাঁড়ালাম কিছুক্ষণ। এরপর আবার স্ক্রল করে নিচে চলে গেলাম।

কাফের সম্পর্কে ধারণা কেমন হবে ইসলামের সূর্য উদিত হয়ে আলো ছড়ানোর সাথে সাথে পূর্বাপর সকল ধর্মমত নিষ্প্রভ, অকার্যকর ও রহিত হয়ে গেছে। সেগুলো অনুসরণের পথ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। সুতরাং পূর্বের সকল আসমানি ধর্ম নির্দিষ্ট সময় ও কালের মধ্যে সীমাবদ্ধ। ইসলাম আবির্ভূত হওয়ার পর আল্লাহর সন্তুষ্টি ও পরকালের মুক্তি কেবল ইসলামের মাঝেই নিহিত। মনেপ্রাণে ইসলাম গ্রহণকারীরাই কেবল সফলতার চূড়ায় পৌঁছবে। এর থেকে যারা মুখ ফিরিয়ে নেবে তারা হবে চরম ব্যর্থ। জাহান্নামের অতল গহ্বরই হবে তাদের শেষ ঠিকানা। আল্লাহ তাআলা বলেছেন, وَمَن يَبْتَغِ غَيْرَ الْإِسْلَامِ دِينًا فَلَن يُقْبَلَ مِنْهُ وَهُوَ فِي الْآخِرَةِ مِنَ الْخَاسِرِينَ আর যে-কেউ ইসলাম ছাড়া অন্য কোনো দ্বীন অন্বেষণ করবে, তার পক্ষ থেকে তা মোটেই গ্রহণ করা হবে না। আর সে আখেরাতে ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হবে। (২৩) এ প্রসঙ্গে আল্লামা বাগাবি রহিমাহুল্লাহ (মৃত্যু: ৫১০ হি.) হজরত জাবের রা. থেকে বর্ণিত হাদিস উল্লেখ করেছেন, لقد جئتكم بها بيضاء نقية، ولو كان موسى حيا ما وسعه إلا اتباعي. (شرحالسنة كتاب العلم، باب حديث أهل العلم. আমি তো তোমাদের জন্য বিশুদ্ধ শুভ্রতা (শরিয়ত) নিয়ে এসেছি। যদি মুসা আ. জীবিত থাকতেন, তাহলে আমার আনুগত্য ছাড়া তার আর কিছুই করার সুযোগ ছিল না। (২৪) কাফেররা সত্য দ্বীন থেকে বিচ্যুত ও গভীর অন্ধকারে নিমজ্জিত-এই বিশ্বাস লালন করা প্রতিটি মুমিনের জন্য আবশ্যক। কাফের অবস্থায় মৃত্যু হলে জাহান্নামই হবে তাদের ঠিকানা। তারা পূর্বের রহিত কোনো ধর্ম বা মতবাদ পালনে যতই নিষ্ঠাবান হোক, পরস্পরে যতই মার্জিত আচরণের অধিকারী হোক না কেন, ঈমানের নূর ও ইসলামের দীপ্তি ব্যতীত বাহ্যিক সব ভালো গুণ পরকালে তাদের কোনো কাজে আসবে না। জাহান্নামের লাঞ্ছনাদায়ক আজাব থেকে তারা বিন্দু পরিমাণও রেহাই পাবে না। ইমাম আজম আবু হানিফা রহিমাহুল্লাহ (মৃত্যু: ১৫০ হি.) কাফেরদের ব্যাপারে একজন মুসলিমের আকিদা-বিশ্বাস কী হবে সে ব্যাপারে স্বীয় শিষ্যের প্রশ্নের উত্তরে অত্যন্ত দ্বার্থহীন ভাষায় বলেছেন, قلت : إن قال قائل لا أعرف الكافر كافرا، قال : هو مثله، قلت : فإن قال لا أدري أين مصير الكافر ، قال : هو جاحد لكتاب الله تعالى وهو كافر. (الفقهالأبسط ص ٣١١، باب فِي الْبَعْيِ والخروج على الإمام) ছাত্র: যদি কেউ বলে, আমি কাফেরকে কাফের মনে করি না। ইমাম: তাহলে সে লোকও কাফেরদের হুকুমেই হবে। ছাত্র: যদি সে বলে, কাফেরের শেষ ঠিকানা-জান্নাত না জাহান্নাম-কোথায় হবে আমি জানি না। ইমাম: তাহলে সে আল্লাহর কিতাব প্রত্যাখ্যানকারী, তাই সে কাফের। (২৫) আল্লামা কাজি বায়াদিয়্যি আল-হানাফি রহিমাহুল্লাহ (মৃত্যু: ১০৯৮ হি.) (২৯) উপরিউক্ত বক্তব্যের সাথে নিম্নোক্ত বক্তব্যটিও যুক্ত করেছেন, من لم ينزل الكفار منزلهم من النار فهو مثلهم. যে মুসলমান 'কাফেরদের শেষ ঠিকানা জাহান্নাম' এই আকিদা পোষণ করে না, সেও কাফের বলে বিবেচিত হবে। বই: মুসলিম অমুসলিম সম্পর্ক লেখক: মুফতি উবাইদুর রহমান অনুবাদ: আবদুল্লাহ বিন বশীর চেতনা প্রকাশন থেকে প্রকাশিত

photo content

কাজের মানুষদের চিন্তা আর যারা কাজের মানুষদের ভালোবাসার দাবী করে তাদের চিন্তার মাঝে কত পার্থক্য। ভালোবাসার দাবীদারদের আচরণের কারণেই আজ কাজের মানুষের বদনাম!

শায়খ আইমান গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে দাওয়াত দিতে গিয়ে নৈতিকতা-বিবর্জিত ভাষা ব্যবহার করা, গালমন্দ করা, তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করে কথা বলা এবং হুমকি-ধমকি দেয়াকে খুবই অপছন্দ করতেন। এমনকি শায়খ যেখানে গণতন্ত্রের অপকারিতা নিয়ে আলোচনা করতেন, তখন পূর্ণ শ্রদ্ধা সহকারে ওই হজরতগণের কথা তুলে ধরতেন, যারা নিষ্ঠা সহকারে গণতন্ত্রের মাধ্যমে ইসলাম প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টায় নিয়োজিত। তিনি তাদের নিষ্ঠা ও ত্যাগ-তিতিক্ষা মূল্যায়ন, তাদেরকে শ্রদ্ধা করার এবং তাদের শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তিদের সংকল্প ও অবিচলতা স্মরণ করিয়ে সত্যের পথে টিকে থাকার নসিহত করেন। মুজাহিদরা নিজেদেরকে উম্মাহর সর্বোৎকৃষ্ট সারনির্যাস মনে করবে এবং উম্মাহর অবশিষ্ট অংশকে পাপিষ্ঠ গুনাহগার মনে করে তাদের প্রতি ঘৃণা পোষণ করবে-শায়খ এমন চিন্তা-চেতনার ঘোর বিরোধী। তিনি যেহেতু উম্মাহর সকল শ্রেণিকে সঙ্ঘবদ্ধ করে ক্রুসেডারদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করাতে চান, এজন্য যদি কেউ যেকোনো পন্থায় ক্রুসেডারদের বিরুদ্ধে ভূমিকা পালন করতে চায়, শায়খ তাকে সাহস দেন, মনোবল বৃদ্ধি করেন এবং আরও অধিক প্রচেষ্টার উপদেশ দেন। শায়খ ওই মুসলিমদেরকেও নিজের সাথি মনে করেন, যারা একটি কথার মাধ্যমে হলেও আমেরিকা এবং তার মিত্রদের বিরুদ্ধাচরণ করে। বর্তমান সময়ে মুসলিমরা মজলুম ও নির্যাতিত। একদিকে ক্রুসেডারদের নির্যাতন-নিষ্পেষণ, অপরদিকে তাদের স্থানীয় তাঁবেদারদের জুলুম-অত্যাচার, যারা ইংরেজ আমল থেকেই জুলুম-নির্যাতনে বেশ দক্ষ; এই সকল শ্রেণির নির্যাতন ও টর্চারে মুসলিম উম্মাহ যখন পিছপা হয়ে আছে, কুফরি শাসনব্যবস্থার ভয় শতাব্দীকাল ধরে তাদেরকে কাবু করে রেখেছে-এহেন পরিস্থিতিতে যদি ওই কাফেরদের বানানো গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার মাধ্যমে অথবা সহাবস্থানের রাজনীতির মধ্য দিয়ে তারা নিজেদের কিছু অধিকার নিশ্চিত করে অথবা তাদের ওপর থেকে জুলুম-অত্যাচারের মাত্রা কমাতে চেষ্টা করে তখন ভালোবাসা নম্রতা সহকারেই তাদেরকে পথনির্দেশনা দেওয়া উচিত। শায়খ মুসলিম উম্মাহর সঙ্গে মুজাহিদদের দূরত্ব মেনে নেন না। তিনি মনে করেন, মুজাহিদরা যেন উম্মাহর বড় অংশ থেকে সরে না দাঁড়ায় এবং আলাদা শ্রেণি বলে নিজেদেরকে বিবেচনা না করে। মুজাহিদদের ওপর কোনো একক ঘরানার চিন্তার হাল তিনি পছন্দ করতেন না; বরং উম্মাহর এমন দল হিসেবে তাদেরকে দেখতে চাইতেন, যাদের মাঝে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআতের সকল ঘরানা অংশগ্রহণ করবে কোনো সংকীর্ণতা ছাড়াই। . উম্মাহের তরে জীবন দিলেন যারা ২/১৯২ .

নাপাক রেজিম কতটা খারাপ। আফগান মুহাজিরদের জোর করে তাদের বসতভিটা থেকে উচ্ছেদ করে দিচ্ছে কোনোরকম নিয়ম কানুনের তোয়াক্কা না করেই। বসতভিটা হারানো আফগান ফিরে যাওয়ার জন্য মানুষগুলো চামান বর্ডারে গেলে নাপাক বর্ডারগার্ড ও আর্মিরা তাদের আটকে রাখছে। ঘুষ নেওয়া ছাড়া কাউকে বর্ডার পার হতে দিচ্ছে না! . এই হলো ভাতৃত্ব! যেটা দিয়ে নাপাক আর্মির দালাল মৌলভিগুলোর কান্নার শেষ নাই।

কোনো মতবাদ বা চিন্তার শুদ্ধতা যাচাইয়ের আরেকটি অন্যতম পদ্ধতি হলো, তার ধারক-বাহক কারা, কেমন তাদের ব্যক্তিচরিত্র, তাদের চিন্তা-বিশ্বাস কী ইত্যাদি বিষয়গুলো পর্যবেক্ষণ করা। ইসলামের ধারক-বাহকদের জীবনী আর পশ্চিমা সভ্যতার ধারক-বাহকদের জীবনী লক্ষ করলে আপনি দেখতে পাবেন, উভয়ের মাঝে কী আশ্চর্য পার্থক্য বিদ্যমান! ইসলামের ধারক-বাহকদের জীবনী কতটা পবিত্র আর নিষ্কলুষ। বিপরীতে পশ্চিমা সভ্যতার মূল দার্শনিকদের অধিকাংশেরই চরিত্র নোংরামিতে ভরপুর ও নৈতিকতায় শূন্য। উদাহরণত, পশ্চিমা সভ্যতার অন্যতম শ্রেষ্ঠ দার্শনিক রুশো ছিল নারীলোভী। ঘনঘন বিবাহ-বহির্ভূত নারী বদলানো ছিল তার স্বভাব।' আরেক দার্শনিক মিশেল ফুকো ছিল স*ম*কা*মী। শুধু স*ম*কা*মীই নয়, স*ম*কা*মী আন্দোলনের একজন প্রচারকও ছিল সে। তাহলে কীভাবে এদের তৈরি দর্শন ও জীবনব্যবস্থাকে আমরা নিজেদের জন্য কল্যাণকর মেনে নেব? . বই : ইসলাম ও পশ্চিমা সভ্যতা : দুই জীবনদর্শনের সংঘাত অধ্যায় : হিউম্যানিজম