uz
Feedback
Abdullah bin bashir

Abdullah bin bashir

Kanalga Telegram’da o‘tish

প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Ko'proq ko'rsatish

📈 Telegram kanali Abdullah bin bashir analitikasi

Abdullah bin bashir (@abdullahbinbashir) Bengal til segmentidagi kanali faol ishtirokchi. Hozirda hamjamiyat 11 301 obunachidan iborat bo'lib, Din & Maʼnaviyat toifasida 8 134-o'rinni va Bangladesh mintaqasida 2 025-o'rinni egallagan.

📊 Auditoriya ko‘rsatkichlari va dinamika

невідомо sanasidan buyon loyiha tez o‘sib, 11 301 obunachiga ega bo‘ldi.

24 Iyun, 2026 dagi oxirgi ma’lumotlarga ko‘ra kanal barqaror faollikka ega. Oxirgi 30 kunda obunachilar soni 81 ga, so‘nggi 24 soatda esa 4 ga o‘zgardi va umumiy qamrov yuqori darajada qolmoqda.

  • Tasdiqlash holati: Tasdiqlanmagan
  • Jalb etish (ER): Auditoriya o‘rtacha 19.46% darajada jalb etiladi. Nashrdan keyingi dastlabki 24 soatda kontent odatda umumiy obunachilar sonining 8.31% ini tashkil etuvchi reaksiyalarni to‘playdi.
  • Post qamrovi: Har bir post o‘rtacha 2 199 marta ko‘riladi; birinchi sutkada odatda 939 ta ko‘rish yig‘iladi.
  • Reaksiyalar va o‘zaro ta’sir: Auditoriya faol: har bir postga o‘rtacha 48 ta reaksiya keladi.

📝 Tavsif va kontent siyosati

Muallif resursni shaxsiy fikrni ifoda etish maydoni sifatida ta’riflaydi:
প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Yuqori yangilanish chastotasi (oxirgi ma’lumot 25 Iyun, 2026 da olingan) sababli kanal doimo dolzarb va katta qamrovli bo‘lib qoladi. Analitika auditoriya kontent bilan faol hamkorlik qilishini, uni Din & Maʼnaviyat toifasidagi muhim ta’sir nuqtasiga aylantirishini ko‘rsatadi.

11 301
Obunachilar
+424 soatlar
+317 kunlar
+8130 kunlar
Postlar arxiv
ড. আয়মান এক ভিডিওতে বলেছিলেন, ফিলিস৩ এবং ডারতের পরিণতি ও করনীয় একই। . সশস্ত্র প্রতিরোধের সামর্থ্য না থাকা আর ইচ্ছা না থাকা বা ইচ্ছা বাস্তবায়নের জন্য সামর্থ্যের মধ্যে কিছু করতে না থাকা, এই দুয়ের মাঝে রয়েছে আকাশ পাতাল পার্থক্য। . মূলত জি হা দের কথা যারা বলে, তাদের আর অন্যদের মৌলিক ইখতিলাফ এখানেই।

এই চ্যানেলটা মাদরাসার তালেবে ইলম ভাইরা নিয়মিত শুনতে পারেন৷ https://youtu.be/Dg94Rvcofyc?si=QdB2CU3MBWjhS5Oi

এই ভিডিও দেখে আমার অনুভূতি, হারুন ইজহার সাহেবের নামে আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা দেওয়া হোক।

মুসলিম-অমুসলিম সম্পর্ক বই থেকে...
মুসলিম-অমুসলিম সম্পর্ক বই থেকে...

মুফতি আব্দুল মালেক সাহেব হাফি. এর আজকের এক আজীব কারগুজারি। বাইতুল মুকাররমের খতিব মুফতি আব্দুল মালেক হাফি. প্রোগ্রাম শেষ হবার পর স্টেজে বসে আছেন। গেস্ট সবাই চলে গেছেন একা উনিই বসা। শরীর অনেকটা অসুস্থ। সর্বশেষ উনাকে নিয়ে মন্দির গেইটে যাওয়া হয় পায়ে হেঁটে। সেখান থেকে বায়তুল মোকাররম যাবেন কিন্তু একটা গাড়িও নেই, রিক্সাও পাওয়া যাচ্ছেনা। অনেক কষ্টের পর একটা ছোট ভ্যান পাওয়া যায়। মুফতি আব্দুল মালেক হাফি. চালকের কাছে গিয়ে বলতেছেন ভাই কষ্ট হবে, যেতে পারবেন?! অবশেষে হুজুর সাধারণ মানুষের মতো ভ্যানে বসে বায়তুল মোকাররম গেইটে আসেন আমাদের আস সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের স্বেচ্ছাসেবকরা দৌড়ে হুজুরের সাথে বায়তুল মোকাররম গেইটে আসেন। হুজুর ভ্যান থেকে নামলেন পকেট থেকে একটা টাকার খাম বের করে ভ্যান চালকের হাতি দিয়ে আস্তে করে বললেন ভাই এগুলো আমাদের পক্ষ থেকে আপনাকে হাদিয়া! সম্ভবত টাকাগুলো সভাপতি হিসেবে আজকে দেওয়া হয়েছে কিন্তু হুজুর খাম খোলেও দেখেননি! কতটা দুনিয়া বিমুখ একটু চিন্তা করুন! বারাকাল্লাহু ফি হায়াতিহ। ©সালিকুর রাহমান

ইনশাআল্লাহ, আগামীর গাজ্জার জন্য আয়োজনগুলোতে আমরা এভাবে সজ্জিত হয়ে বিশ্ব দরবারে আমাদের বার্তা দিবো।
ইনশাআল্লাহ, আগামীর গাজ্জার জন্য আয়োজনগুলোতে আমরা এভাবে সজ্জিত হয়ে বিশ্ব দরবারে আমাদের বার্তা দিবো।

রাজু চত্বরে কালেমার পতাকা, একটু পরপর জি হা দের স্লোগান! এদিকে শাহবাগিরা পোষ্ট দিয়ে কান্না করবে তাও পারতেছে না! . শাহবাগিদের নিরব কান্না দেখার কী আজ কেউ নাই? হিউম্যানিটি কী আজ শেষ হয়ে গেলো পৃথিবী থেকে?

আল্লাহ এদেশে মেঙ্গল সাহেবের মত একজন গাইরাতবান আলেম দান করুন। আমীন। . নোট: করাচির মৌলবি দ্বারা সম্ভবত রশিদিয়ার মুফতি আব্দুর রহিম উদ্দেশ্য। (কিছু বলার নাই আপাতত)

আপনি একদল মানুষকে পছন্দ করেন না, তারা ট্রল করে, তারা মানুষকে নিয়ে আলেমদের নিয়ে ব্যাঙ্গ করে। অথচ আপনি তাদের কাউন্টার দিচ্ছেন ট্রল আর ব্যাঙ্গাত্মক শব্দ দিয়ে। . কী করছেন, তা নিয়ে একটু ভাবেন।

কালিমার পতাকার প্রতি যে ন্যারিটিভ এদেশে ও বৈশ্বিকভাবে হয়ে আছে তা ভাঙ্গা দরকার। কিন্তু এই ন্যারিটিভ ভাঙ্গতে গিয়ে কোনো নির্ভরযোগ্য দায়িত্বশীল ব্যক্তিকে আক্রমণ করা তার সামগ্রিক কল্যাণকর কাজগুলোর ব্যাপারে মানুষকে অনাস্থাশীল করাটা উচিত নয়। . একই কাজ ব্যক্তির সামগ্রিক জীবনের দিকে লক্ষ্য করে ভিন্ন ভিন্ন ব্যাখ্যা হয়, এটাই হলো উসুলের দাবী। মনে করেন, মিশরের ইসলামের শত্রু সিসিসহ জাতী রাষ্ট্রগুলো ফিলিস৩এ আক্রমণ পরিচালনা করছে না আবার তালেবরাও করছে না৷ এই দুটোকে কী আমরা এক পাল্লায় রাখবো? স্বাভাবিক কখনোই না। তার কারণ তালেবদের সামগ্রিক জীবন ও কর্মপন্থা আমাদের জানা এবং মুসলিম নামধারী শাসকগুলোর কর্মপন্থাও আমাদের জানা। . কেউ কালিমার পতাকা নিষেধ করা মানি অবশ্যই আব্বো মাইন্ড করবে, আবার কারো নিষেধ করার কোনো যুক্তিযুক্ত কারণ আছে, এটাও আমাদের মাথায় রাখতে হবে। . আর আমার কাছে পুরো ইস্যুটা এভাবে মনে হচ্ছে, দায়ীত্বশীলরা পতাকা মানা করছে, কৌশল হিসেবেই, যেনো অনাকাঙ্ক্ষিত কিছু ঘটে গেলে তারা সেকুলার প্রশাসকদের এটা দেখাতে পারে, আমরা তো না করেছি। কিন্তু কেউ পতাকা নিয়ে গেলে তাকে সেখানে বাধা দেওয়া হবে বলে মনে হচ্ছে না।

আমেরিকা সোমালিল্যান্ডে (সোমালিয়ায় না) গাজ্জাবাসীদের সরিয়ে নেওয়ার আলোচনা উঠিয়েছিলো। ফলে অনেক গবেষকদের কাছে এটা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিলো শাবাব হলো একটা সন্ত্রাসী সংগঠন। . এখন তুর্কি+কাতারের মাধ্যমে গাজ্জাবাসীকে সিরিয়ায় স্থানান্তরিত করার আলোচনা শুরু হয়েছে, আলোচনায় সরাসরি অংশগ্রহণ করছে তুর্কি। এখন গবেষকদের গবেষণা হলো তুর্কি মুসলিমদের জন্য কত কল্যাণকামী! . এই হলো অবস্থা! এভাবেই গবেষণা চলে আরকি!

শরিয়ত ও সুস্থ বিবেকের দৃষ্টিতে কু'ফর নিজেই একটি অপরাধ আর কাফের একজন অপরাধী। বস্তুবাদের এই যুগে মানুষ এটাকে যে নামে ও শিরোনামেই ব্যক্ত করুক অথবা যে রং ও ঢঙেই উপস্থাপন করুক, শরিয়তের দৃষ্টিতে কুফ'র সাধারণ কোনো অপরাধ নয়, বরং সবচেয়ে জঘণ্য অপরাধ এবং অসংখ্য অপরাধের গোড়া। দুনিয়ার সকল আইনেই অপরাধী ও নিরপরাধ নির্ণয়ের নিজস্ব মাপকাঠি ও প্রয়োগক্ষেত্র রয়েছে। সে বিবেচনায় অপরাধী ও নিরপরাধীর সাথে আচরণে পার্থক্য করা হয়। সকলের সাথে সমান আচরণ করা হয় না। ইসলামেও কাফের ও মুসলমানের সাথে একরকম আচরণ রাখা হয়নি। বড় আফসোসের বিষয় হলো, বর্তমানে মানুষ চুরি, ডাকাতি, জিনা ও গুম-খুনকে অপরাধ মনে করে কিন্তু এটাকে অপরাধই মনে করে না। অথচ কুফর হলো এই সকল অপরাধ থেকেও আরও বড় অন্যায় ও সকল অপরাধের মূল! বই: মুসলিম অমুসলিম সম্পর্ক লেখক : মুফতি উবাইদুর রহমান অনুবাদ : আব্দুল্লাহ বিন বশির চেতনা প্রকাশন থেকে প্রকাশিত

মিশরের আলেমদের দরবারী ফতোয়ার বিরুদ্ধে সারা পৃথিবীর আলেমরাই লেখা শুরু করেছে আলহামদুলিল্লাহ। . এই লেখাটা সকল তালেবে ইলম ভাইদের পড়ার আহবান রইলো। কেউ যদি দ্রুত অনুবাদ করে ফেলতে পারেন তাহলে অনেক উপকার হবে। জাযাকাল্লাহ খাইরান। https://www.facebook.com/share/p/15y2KUeefR/

ওলীপুরী সাহেব এগুলো কী বলে! . এই কথাগুলো লিখিত সংরক্ষণ রাখা প্রয়োজন, নাহলে একসময় এগুলো হারিয়ে যাবে আর একদল মৌলভি আবার তাদের বিকৃতি করেই যাবে।

একটা কমন কথা সবসময় শুনে থাকবেন, ‘আলেমরা জি হা দের ডাক দিক। সবার সামনের কাতারে আমরাই থাকবো’। . ইন্টারন্যাশনাল মুফতি সাহেবরা জি হা দের ফতোয়া দিলো, কোই কারো কোনো সারাশব্দ দেখেছেন? দেখবেনও না। এক্ষেত্রে সাইদ আহমদ পালনপুরী রহিমাহুল্লাহের কথাটা মনে রাখবেন, ‘যারা করতে চায়, তারা ফতোয়ার আশায় বসে থাকে না, আর যারা করবো না, তারাই সারদিন জিজ্ঞাসা করে, জি হা দ ফরজ হয়েছে কি না’। (সারমর্ম কথা এটাই) . বরং ফতোয়ার পর উলটো চিত্র দেখা গেছে, মিশরের আলেম এই ফতোয়ার খণ্ডনে লিপ্ত হয়ে গেছে! জি, এটাই বাস্তব। এমনটাই হবে। আলেমদের জি হা দের ফতোয়ার আশায় বসে থাকবেন, আর যখন আসবে, তখন হয় বেকার বসে থাকবেন, আর নাহয় ফতোয়া ভুল বলে সেই আলেমদের বিরোধিয় লিপ্ত হবে, অত জযবা বলে উড়িয়ে দিবেন! . জি হা দ শুধু ডাক দেওয়ার বিষয় না। এটা একটা দীর্ঘ প্রস্তুতির বিষয়, এজন্যই আল্লাহ বলেছেন, যদি বাস্তবিকই তাদের জি হা দে বের হওয়ার ইচ্ছা থাকতো, তাহলে অবশ্যই তারা কিছু না কিছু প্রস্তুতি নিয়ে রাখতো। এই আয়াত পড়লে নিজেকে মুনাফিক ছাড়া কিছুই মনে হয় না। আল্লাহ আমাকে ক্ষমা করুক।

পিও আযহার ❤️ (আল্লাহ তোদের ধ্বংস করুক। আমীন)
পিও আযহার ❤️ (আল্লাহ তোদের ধ্বংস করুক। আমীন)

নরসিংদী মাধবদীতে এক ভাই খুবই অসুস্থ। ইমার্জেন্সি A+ রক্ত লাগবে। কোনো ভাই যদি একটু সাহায্য করতেন উপকৃত হতাম। আগ্রহীরা নীচের নাম্বারে যোগাযোগ করবেন। 01740754115

ইয়াসির আরাফাত আল হিন্দির ব্যাপারে আল্লাহর ওয়াস্তে আমাকে কেউ জিজ্ঞাসা করবেন না। ওর মত একটা মিথ্যুক আর প্রতারক আর গালিবাজ নিয়ে আমি কিছুই বলতে চাই না। এরকম এক অজানা ফাত্তান নিয়ে মাথা ঘামানোর সময় আমার নাই। শুধু এতটুকু বলি, সে ইন্ডিয়ায় থাকে, ইন্ডিয়ার মুসলিমরা ইতিহাস সবচেয়ে কঠিন সময় অতিক্রম করছে, তাকে এখনো পর্যন্ত ইন্ডিয়া নিয়ে কোনো লেখা লেখতে দেখেছেন? ওয়াকফ বিলের মত এত বড় ঘটনা ভারতে ঘটলো একটা সাধারন পোষ্টও কী তাকে দিতে দেখেছেন কেউ? অথচ সারাদিন তুরস্কের মধ্য-ট্যাঙ চাটা আর কাইদার বিরুদ্ধে মিথ্যাচার আর অসম্পূর্ণ তথ্য দেওয়া তার একমাত্র এজেন্ডা! . মুফতি তাকী উসমানি হাফিজাহুল্লাহর ব্যাপারে কেউ অযাচিত* শব্দ দিয়ে ফেসবুকে পোষ্ট দিলে ফেসবুকে প্রসিদ্ধ আদাবুল ইখতিলাফের ডিলাররা সব উল্টায়া ফেলেন, যারা করেন তাদের থেকে বারাআতের জন্য হুলস্থুল বাধিয়ে ফেলেন, অথচ এই হিন্দি ছেলেটা সারাটাদিন ওসামা রহিমাহুল্লাহসহ অসং্খ্য মুজা হি দ দের ব্যাপারে আবোলতাবোল বকতেই থাকে, কোই আদাবুল ইখতিলাফের ঠিকাদার ভাইরা তো কোনোদিন এই মিথ্যুক ফিতনাবাজ থেকে বারায়াত করেন নাই! তার পোষ্টের বিরোধিতা করেন নাই? বরং এই হিন্দির সাথে দহরম মহরম, তারে প্রমোট করাসহ তার বই এদেশ থেকে ছাপানোর জন্য বহু ভাইরা কত প্রচেষ্টা! . বাস্তবতা হলো, ফেসবুকের কথিত আদাবুল ইখতিলাফের ঝান্ডাবাহীদের অধিকাংশগুলোই আমার দেখামতে মাসলাকবাজ। এদের পুরো আদব শুধুই এবং শুধু মাসলাকের পক্ষে। মাসলাকের ভিন্ন আলেম হোক বা মুজা হি দ, তাদের নিয়ে নোংরা গালিগালাজ করলেও এই আদাবুল ইখতিলাফের ঝান্ডাবাহীদের চেতনা দণ্ডে দাঁড়ায় না। . *নির্ভরযোগ্য ও উম্মাহের কল্যাণকামী যেকোনো ব্যক্তি নিয়ে অযাচিত কথাবার্তা বলা তাদের ইজ্জত নষ্ট করার জন্য অযথা সমালোচনা করা সবটাই নিন্দনীয়। এমন কাজ যেই করুক, আমরা সেগুলোর বিরোধিতা করি এবং করতে থাকবো ইনশাআল্লাহ।

মুসলিম উম্মাহ যেদিন এই মহান মানুষকে বুঝবে এবং তার মিশনকে আঁকড়ে ধরবে, সেদিন আর আল্লাহ ছাড়া দুনিয়ার কোনো খোদাকে তোয়াক্কা করা লা
মুসলিম উম্মাহ যেদিন এই মহান মানুষকে বুঝবে এবং তার মিশনকে আঁকড়ে ধরবে, সেদিন আর আল্লাহ ছাড়া দুনিয়ার কোনো খোদাকে তোয়াক্কা করা লাগবে না। আর সেদিন থেকেই আমাদের বিজয় শুরু।

তুফানুল আকসা.pdf3.07 MB