Abdullah bin bashir
الذهاب إلى القناة على Telegram
📈 نظرة تحليلية على قناة تيليجرام Abdullah bin bashir
تُعد قناة Abdullah bin bashir (@abdullahbinbashir) في القطاع اللغوي البنغالي لاعباً نشطاً. يضم المجتمع حالياً 11 322 مشتركاً، محتلاً المرتبة 7 895 في فئة الدين والقيم الروحية والمرتبة 2 063 في منطقة بنغلاديش.
📊 مؤشرات الجمهور والحراك
منذ تأسيسه في невідомо، حقق المشروع نمواً سريعاً وجمع 11 322 مشتركاً.
بحسب آخر البيانات بتاريخ 30 أغسطس, 2026، تحافظ القناة على نشاط مستقر. خلال آخر 30 يوماً تغيّر عدد الأعضاء بمقدار 60، وفي آخر 24 ساعة بمقدار -1، مع بقاء الوصول العام مرتفعاً.
- حالة التحقق: غير موثّقة
- معدل التفاعل (ER): يبلغ متوسط تفاعل الجمهور 14.01%. وخلال أول 24 ساعة من النشر يحصد المحتوى عادةً 5.87% من ردود الفعل نسبةً إلى إجمالي المشتركين.
- وصول المنشورات: يحصل كل منشور على متوسط 1 587 مشاهدة. وخلال اليوم الأول يجمع عادةً 665 مشاهدة.
- التفاعلات والاستجابة: يتفاعل الجمهور بانتظام؛ متوسط التفاعلات لكل منشور يبلغ 35.
📝 الوصف وسياسة المحتوى
يصف المؤلف القناة بأنها مساحة للتعبير عن الآراء الذاتية:
“প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট”
بفضل وتيرة التحديث المرتفعة (أحدث البيانات بتاريخ 31 أغسطس, 2026) تحافظ القناة على حداثتها ومستوى وصول مرتفع. وتُظهر التحليلات تفاعلاً نشطاً من الجمهور، ما يجعلها نقطة تأثير مهمة ضمن فئة الدين والقيم الروحية.
11 322
المشتركون
-124 ساعات
+47 أيام
+6030 أيام
أرشيف المشاركات
11 325
কুরবানির ঈদে বংশীয়ভাবে আমরা কয়েকটা দায়িত্ব পেয়েছি। এক. গরুর হাটে নিয়ে যাওয়ার জন্য ঝগড়া। দুই. দ্রুত গরু কিনার জন্য ঝগড়া। তিন. বড় গরু কিনার জন্য ঝগড়া।
ছোট বেলায় বুঝ হওয়ার পর থেকেই দেখি আব্বু ও চাচার সাথে বড় আপুরা এই ঝগড়া করতো। উপরের তিনোটা কাজের কোনোটাই বাপ-চাচা করতে চাইতো না। তাই আপুদের দেখতাম অধিকার আদায়ের জন্য কান্নাকাটি করা ও রাত জেগে আব্বু-চাচার অপেক্ষায় বসে থাকতে। আর এই পালে হাওয়া দিতো আমার ফুফাতো ভাইরা। তারা আব্বু ও চাচার দোকানে কাজ করতো। আমাদের বাসায় থাকতো।
.
এখন মনে হচ্ছে এই মিরাছ আলহামদুলিল্লাহ খাদিজারও খুব ভালোভাবেই দখলে আসছে। গতকাল এক বায়না ভাঙ্গাতে গিয়ে বললাম, কাল সকালে তোমাকে গরুর হাটে নিয়ে যাবো। রাতে জযবায় বলেছি, তখন থেকেই কয়েক ধফা কান্না হয়েছে তাহলে এখনই কেনো নিচ্ছি না। বহু কষ্টে বুঝালাম, রাতে গরুর হাটে ভালোভাবে গরু দেখা যায় না আর গরু তো তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে যায়। সকালে আলো আসলে তখন যেতে হয়। খাদিজা খুব ভালোভাবেই বুঝেছে এগুলো ওকে শুধু শুধু সান্ত্বনা। যাইহোক সে অন্যে খেলার ব্যস্ত হয়ে যায়। আর আমিও গরুর কথা ভুলে যাই। সকাল সারে সাতটা বা আটটার দিকেই খাদিজা ঘুম থেকে উঠে গেছে। যেখানে এগারোটা বা বারোটার আগে কখনোই ঘুম ভাঙ্গে না। উঠেই আমাকে ঘুম থেকে টেনে তুললো। সকাল তো হয়েছে, এখন কেনো হাটে নিয়ে যাচ্ছি না। আমি ঘুমের ঘোরে বললাম, নিবো তো বলেছি। মাত্রই তো সকাল হলো। আগে ঘুমিয়ে নেই তারপর। এরপর থেকে প্রতি দশ-বিশ মিনিট পর পর শুধু একটাই প্রশ্ন আর কতক্ষন ঘুমাবা বাবা? গরু দেখতে যাবা না? এগারোটা পর্যন্ত এই খেনখেন চলতেই থাকলো! এরপর ঘুম থেকে উঠে বললাম আগে নাস্তা খাও তারপর যাবো। তার একটাই কথা, আগে গরুর হাট তারপর সব। এছাড়া সে কিছুই খাবে না। বাধ্য হয়ে না খেয়েই বের হলাম হাটে।
.
হাটে ঢুকেই প্রথম ঘোষণা দিলো তাকে যেনো গরুর সামনে না নেই। আমি বললাম, গরুর সামনে না গেলে আসলা কেনো। প্রথমের ভয়টা অল্প সময়ের মধ্যেই কেটে গেলো। এত গরু একসাথে দেখার উচ্ছ্বাস একটু পর পর বলতে থাকলো। পরে লক্ষ্য করলাম, গরুর বিষয়ে খাদিজার যে সাহস এখন আছে দনিয়া কলেজের ‘পাপা কি পারি’দের থেকেও বেশি। হাটে আইসা হুদাই গ্রামের ব্যাপারীদের বিনোদন দেওয়া ছাড়া এদের আসলে কি কাম তাই বুঝি না!
আসার সময় রিক্সায় বসে বললো তার জন্য যেনো বড় দুইটা গরু কিনে বাসায় নিয়ে আসি। বুঝলাম পরের মিরাছগুলোও সে অল্প সময়েই অধিকার করে নিবে। আর ‘পাপ বাপেরেও ছাড়ে না’ এটার উৎকৃষ্ট একটি উদাহরণ হয়ে যাবো।
11 325
ইসলামি বিচারব্যবস্থা ও বিচার পরিচালনা বিষয়ক নিজের জাহালাত কাটানোর জন্য সামর্থ্যের মধ্যে কিছু পড়ার ও সংগ্রহের চেষ্টা করছি। সেই সুবাধেই ইমাম সিমনানি রহিমাহুল্লাহের এই কিতাবটি সন্ধান পাই। আলহামদুলিল্লাহ, কিতাবটির এক তৃতীয়াংশ নেড়েচেড়ে দেখে ব্যাপক উপকৃতও হয়েছি এবং আমাদের সালাফদের প্রতি নিজের আকিদত ও মহব্বতও আরো বৃদ্ধি পেয়েছে।
.
কিতাবটি সন্ধান ও সুদূর কুয়েত থেকে হাদিয়া নিয়ে আসেন Farid Imdad ভাই। আল্লাহ তাকে ও তার পরিবারকে সিহহাত ও আফিয়াতের সাথে রাখুক। আমীন।
.
ইমাম সিমনানি রহিমাহুল্লাহের সাথে পরিচয় এই কিতাবের মাধ্যমেই। কিতাবটির সন্ধান পাওয়ার পর সিয়ারু আলামিন নুবালা ও বিভিন্ন জায়গা থেকে তার তরজমা দেখে দিলে খুশিই লাগলো। হানাফি মাজহাবের একজন ইমাম থেকে এই বিষয়ে কিতাব আছে যেখানে আলোচনা প্রসঙ্গে ইমামতের গুরুত্বপূর্ণ মাসআলাগুলোও চলে আসছে!
.
সিমনানি রহিমাহুল্লাহ এই কিতাবটি মূলত লেখেছেন উনার সময়ের এই উম্মতের উপর আল্লাহর বিশেষ রহমত নেজামুল মুলকের আবদারে। কিতাবটি লেখা হয়েছে একজন বিচারকের বিচারকার্য পরিচালনা করতে শুরু থেকে শেষ যা যা বিষয় প্রয়োজন তা যেনো সংক্ষেপে হলেও চলে আসে। সাথে মুসলিম জনসাধারণও যেনো ইসলামি বিচারকার্য ও কাজির দরবারে গিয়ে নিজের বিচার সঠিকভাবে আদায় করে নিতে পারে সে বিষয়গুলোও যেনাও হল থাকে। এজন্য বইটি লেখক একদম সহজ উসলুবে লেখেছেন। ছোট ছোট শিরোনাম দিয়ে শুধু মুল মুল মাসআলাগুলো বলে গিয়েছেন। বিশেষ তেমন প্রয়োজন ছাড়া দলিলও উল্লেখ করেননি। কিতাবটির এত এত বৈশিষ্ট্য নজরে পড়েছে যে, যত পড়া সামনে এগিয়েছে ততই শুধু লেখকের প্রতি মুগ্ধ হয়েছি এবং সে সময় এমন আন্দাজে কিতাব লেখা দেখে বেশ অবাক হয়েছি!
.
কিতাবটিকে মোটাদাগে চারভাগে ভাগ করা যায়।
১। প্রথম ভাগে ইসলামি শরীয়াতে একজন কাজি হওয়ার জন্য কী কী শর্ত ও গুনাবলি প্রয়োজন সে বিষয়ক বিস্তারিত আলোচনা করেছেন লেখক। তো, কাজির নিয়োগ যেহেতু ইমামের পক্ষ থেকে হওয়া জরুরি, তাই প্রসঙ্গে ইমামের পরিচয়, শর্ত ইত্যাদি বিষয়গুলোও নিয়ে আসা হয়েছে। যদি ধরে নেই কখনো আমাদের মধ্যে ইমাম না থাকে তখন কী করনীয় সে বিষয়ক লেখক চমৎকার একটি উসুল বলেছেন,
وإذا خلا الزمان من الإمام والمتغلبين على سبيل الفرض والتقدير، فكل حكم يلزم العامة والإمام بين أظهرهم فهو لازم لهم مع عدمه، وكل حكم لا يلزمهم ولا يجوز لهم فعله مع وجوده فهم فيه أيضاً مع عدمه غير مخاطبين بفعله، والأول كالزكاة والصلاة وسائر العبادات التي يتفردون بها، والعقود التي يعقدونها.
١١٤ - والثاني كالحدود والقطع في السرقة وضرب الجزية والإحياء وما هو مفوض إلى الإمام، فإنه لا يستوفي ولا يأخذه بعضهم من بعض، وكذلك الأحكام وتوليها
২। এরপর একজন কাজি নিয়োগ হওয়ার পর থেকে বিচারকার্য শুরু করা পর্যন্ত কি কি করবে, কীভাবে করবে সে সংক্রান্ত মাসআলাগুলো সহজ সাবলিলভাবে বলেছেন! যেমন, নিয়োগের পর নিজ এলাকায় গিয়ে প্রথম কাজি কী করবে? কোথায় বসবে? জনগনের সাথে কতটুকু হাসবে, জনগন সালাম দিলে উত্তর নিবে কি না, ঘুষের মাসআলা ইত্যাদি ছোট্ট ছোট্ট বিষয়গুলোও সিমনানি রহিমাহুল্লাহ উল্লেখ করেছেন।
৩। এরপর একজন কাজি সাহেব বিচারকার্য পরিচালনা করার জন্য কিতাবুল বুয়ু থেকে নিয়ে কিতাবুল মিরাস পর্যন্ত প্রতিটি বাবের মৌলিক মাসআলা ও বিচারকার্য সংক্রান্ত বিষয়গুলো তুলে এনেছেন। বলা যায় প্রতিটি অধ্যায়ের একদম মৌলিক বিষয়গুলো চলে এসেছে এই বইয়ে।
৪। একদম শেষে লেখক রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে নিয়ে লেখকের জামানা পর্যন্ত মুসলিম শাসক ও তাদের সময়কালে যারা তাদের প্রধান বিচারক ছিলো তাদের পরিচয় উল্লেখ করেছেন।
.
কিতাবটির যে দুটো বৈশিষ্ট্য মুগ্ধ করেছে।
১। সাধারণত সে সময়ের কিতাবগুলো দেখবেন, একটি ব্যাপক শিরোনামের অধিনে সে সংক্রান্ত যাবতীয় মাসআলাগুলো দলিল ইখতিলাফ বিভিন্নভাবে উল্লেখ করেন। যার ফলে অনেক সময় পড়তে পড়তে খেই হারিয়ে ফেলতে হয়। মাসআলা মনে রাখতে যথেষ্ট কষ্ট হয়। এই বইতে লেখক একদম ছোট ছোট শিরোনাম দিয়ে প্রতিটি মাসআলা উল্লেখ করেছেন। ফলে মাসআলা বুঝতে ও মনে রাখতে বেশ সহজ।
২। একজন কাজির জন্য যা যা প্রয়োজিন কিতাবটিতে তা এসে গেছে। এবং সুক্ষ সুক্ষ বিষয়ও লেখক লেখেছেন, যেগুলো এই সংক্রান্ত লেখা বইয়ে সালাফগণ প্রয়োজনও বোধ করেন না। যেমন কাজি সাহেবের জন্য লেখক রাখা, দারোয়ান রাখা, যে এলাকায় তার নিয়োগ সেখানে কিভাবে যাবে কখন যাবে, সে এলাকায় যাওয়ার পূর্বে কী করবে, কাজির দরবারে কেউ আসলে কাজি উঠে গিয়ে তাকে অভ্যর্থনা জানাতে পারবে কি না, জনগন এসে কাজির দরবারে কি ধরনের প্রশংসাবানী করতে পারবে, কী ধরনের পারবে না ইত্যাদি প্রায় সব বিষয় চলে এসেছে এই বইতে!
.
আল্লাহ মৃত্যু পর্যন্ত ইলমের হক আদায় করে তার সাথে যুক্ত থাকার তাওফিক দান করুন। আমার গুনাহ ও গাফলতির কারণে যেনো আল্লাহ আমাকে দ্বীন ও ইলম থেকে বঞ্চিত না করেন, সকলের কাছে সে দোয়া চাই।
11 325
গাজার প্রতি সংহতি জানিয়ে আগামী এক সপ্তাহে ইমারাতে ইসলামিয়া আফগানে এক সপ্তাহব্যাপি কার্যক্রমের ঘোষণা দিয়েছে!
11 325
গণ তন্ত্রের মাধ্যমে দ্বীন প্রতিষ্ঠার কাজে যেকোনো ধরনের কাজ করা যায়। কারণ এখানে ব্যক্তির অনেক সীমাবদ্ধতা থাকে। কিন্তু জি হা দের মাধ্যমে দ্বীন প্রতিষ্ঠার মেহনতের জন্য ‘ইসমতে আম্বিয়া শর্ত’। এখানে মু জা হি দদের কোনো ভুল হলে নগদ নিজেকে সেই দল থেকে বারায়াতের ঘোষণা দিতে হবে, এবং এগুলো ইসলাম সমর্থন করে না বলে জানান দিতে হবে।
সূত্র: এসো রাজনীতি করি ৩/৪২০
11 325
মাত্র তিন মাসে সাড়ে ছয় হাজারেরও বেশি মামলার নিষ্পত্তি করেছে ইমারাতে ইসলামিয়ার আদালত। যেগুলো ছিল নারীদের অধিকারসংক্রান্ত—যেমন উত্তরাধিকার, মালিকানা, দেনমোহর এবং শরঈ দলিলপত্র নিয়ে।
এটি নিছক কােনাে পরিসংখ্যান নয়; বরং ইসলামী শরীয়াহর ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জীবন্ত উদাহরণ। শরীয়া আইন যথাযথভাবে প্রয়োগ করা হলে তা যে কতটা কার্যকর ও মানবিক হতে পারে, এসব ঘটনাই তার প্রমাণ।
এ উদ্যোগ শুধু নারীদের প্রাপ্য অধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার মাঝেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং তা নারীর ক্ষমতায়নের এক গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। ইমারাতে ইসলামিয়ার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান নারীদেরকে তাদের শরয়ী অধিকার বুঝিয়ে দিতে আন্তরিকভাবে কাজ করছে।
সূত্র: আফগান বিল-আরাবিয়্যি | ভাষান্তর: সাদিক শাহরিয়ার
11 325
ড্রোন বিশেষজ্ঞ ৫০০ নতুন সেনা পাঠাচ্ছে এরদোয়ান, সোমালিয়াকে ইসলামের হাত থেকে রক্ষা করতে।
ভালোবাসা❤️
11 325
‘ইসলামে খলিফা হওয়ার জন্য শর্ত হলো পুরুষ হতে হবে। নারীদের জন্য খলিফা হওয়া জায়েয নেই। খারেজিদের মধ্যে একদল আছে যারা নারীদের খলিফা হওয়াকে জায়েয বলেন।” -রওজাতুল কুজাত পৃ. ৫৬
ইমাম সিমনানি রহিমাহুল্লাহ (মৃত্যু: ৪৯৯ হি.)। নিজ সময়ের অনেক বড় হানাফি হুজুর। সেলজুকি মন্ত্রী নিজামুল মুলকের আবদারে তিনি মুসলিম কাজিদের (বিচারকদের) জন্য জগত বিখ্যাত কিতাব লেখেন “রওজাতুল কুজাত ও তরিকুন নাজাত” নামে। সে কিতাবে তিনি এই কথাটি লেখেছেন।
মন্তব্য : যিন্দেগী ম্যে ক্যেয়া ক্যেয়া দেখনা প্যারতা হ্যায়!
কে কীভাবে কোথায় খারেজি হয়ে যায়! ভাভা যায় এগ্লা!
11 325
পঞ্চগড়ের ঝুঁকি আর দশটা এলাকার মতো না। ওখানে কাদিয়ানীদের নিজস্ব গ্রাম আছে। মারকায আছে। অর্থবিত্ত আছে। তারা নানাভাবে অর্থকে ব্যবহার করে মানুষকে প্রভাবিত করে। কুরবানীর মাংসও যাদেরকে দিলে ওদের প্রতি দুর্বল হওয়ার সম্ভাবনা আছে, তাদের দেয়। এটা তাদের একটা দাওয়াতী টুল। ধীরে ধীরে এভাবেই দলে দলে মানুষকে কাদিয়ানী বানানো হয়।
অভাবের দিনে মানুষের দ্বীন ও ঈমানকেও প্রভাবিত করে। উলামায়ে কেরাম পঞ্চগড় নিয়ে এসব কারণেই বেশি পেরেশান। এসব সমস্যার সমাধানে নানামুখী উদ্যোগও গ্রহণ করা হয়।
আলহামদুলিল্লাহ, গতবছর আমরা পঞ্চগড়ের মুরতাদ ও ইরতিদাদের ফিতনায় আক্রান্ত পঞ্চগড়ের নির্দিষ্ট এলাকার দরিদ্র মুসলমান এবং ৩ শতাধিক দরিদ্র নব মুসলিমের মাঝে ঈদে কুরবানির গোশত ও ঈদের বাজার পৌছে দেয়ার একটি পরিকল্পনা গ্রহণ করেছিলাম। মারকাযুদ্দাওয়া ও আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন এ ব্যাপারে কিছু সহযোগিতা করেছিলেন। বিশেষ করে আস সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের অবদান ছিল সবচেয়ে বেশি।
পাশাপাশি আমাদের বেশকিছু ভাই-বোন কুরবানীর জন্য অর্থ দান করেছিলেন।
এবারও ইনশাআল্লাহ আমরা সেই চেষ্টা করব।
আপনারা চাইলে নিজের, প্রবাসী ভাই বন্ধুর বা কয়েকজন মিলে এই কাজে অংশগ্রহণ করতে পারেন।
নিজেদের ওয়াজিব বা নফল কুরবানীর অংশ তুলে দিতে পারেন দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের দ্বীনি ভাইবোনদের হাতে।
পরিবারে একাধিক ব্যক্তির ওপর কুরবানী ওয়াজিব হলে পরামর্শক্রমে একজনের কুরবানী দিতে পারেন পঞ্চগড়ে।
অনেকেই মরহুম মা-বাবা বা অন্যান্য কবরবাসী আত্মীয়স্বজনের নামে কুরবানী দিয়ে থাকেন। এমন কুরবানীর পুরোটাই যদি গরীব মানুষের হাতে ওঠে, তাহলে মরহুমের আমলনামা আরও সমৃদ্ধ হবে ইনশাআল্লাহ
পাশাপাশি ঈদের বাজারের জন্য অনুদান দিয়ে শরীক হতে পারেন।
গরু: প্রতি ভাগ ১২০০০/= (১২ হাজার) টাকা
ছাগল/খাসি: প্রতি ভাগ ১২-১৫ হাজার টাকা
বি: দ্র:
১. কুরবানীর বিষয়ে আগে যোগাযোগ করে পরে টাকা পাঠানোর অনুরোধ রইল।
২. সাধারণ অনুদানের জন্য জাকাত ও সদকার টাকা দেয়া যাবে। রেফারেন্সে Eid লিখে দিলে ভালো হয়।
যোগাযোগ:
বিকাশ ও নগদ পার্সোনাল
01311338237
রকেট পার্সোনাল
013113382378
ব্যাংক একাউন্ট
Mohammad hossain epu
Dutch bangla bank ltd
Uttarkhan branch
21410123583
11 325
রিসালাতুল ইসলাম বিডির গা*যওয়াতুল হিন্দ সংক্রান্ত নতুন ভিডিও দেখলাম। এই বিষয়ে আমার কিছু বলার নাই। আগ্রহও নাই। তবে একটা জায়গা একটু অস্পষ্ট লাগলো,
১। ভিডিওতে বানুরীটাউনের ব্যাপারে বলা হয়েছে, উনারা আবু হুরাইরা রা.-এর দুর্বল হাদিসের উপর ভিত্তি করে গাযওয়া শেষ জামানায় হবে, অথচ বাস্তবতা হলো উনারা শুধুই আবু হুরাইরার হাদিস নয় বরং হযরত সাওবানের সহিহ হাদিস থেকেই ইঙ্গিত নিচ্ছেন যে, শেষ জামানায় হওয়াটাই রাজেহ।
এছাড়া এই বিষয়ে আমার শেষ কয়েকটা কথা।
১। হযরতের সাওবানের সহিহ হাদিসে একটা নির্দিষ্ট দলই এই হাদিসের মিসদাক হবে বলা হইলো, এখন এই একদল আম কীভাবে হলো? আর যদি খাস হয় তাহলে এই মিসদাক তো হযরত ওমর রা.-এর আমলেই পূরণ হয়ে গেছে, এটার জন্য মুহাম্মদ বিন কাসেম পর্যন্ত আসার কী দরকার?
ভাষার দালালত হলো অন্যান্য দলিল থেকেও মজবুত, সাওবান রা.-এর সহিহ হাদিসে হিন্দে যুদ্ধ করা একটা দলের সাথেই বলা হচ্ছে, এবং এটা একটা শক্তিশালীই ইঙ্গিত। যাইহোক, এটা নিয়ে কিছু বলা আর মুনাসিব মনে করছি না।
২। গা*যওয়াতুল হিন্দের হাদিস নিয়ে পক্ষে বিপক্ষে আর লেখার সামান্যতম আগ্রহ নাই। কারণ এই হাদিসের সাথে আমাদের উপর আরোপিত কোনো বিধানের সম্পর্ক নাই। যদি হতো তাহলে এটার পিছনে সময় দেওয়ার যৌক্তিকতা ছিলো।
৩। যারা বলছেন গাযওয়াতুল হিন্দ হয়ে গেছে, এবং এটা নিয়ে প্রচুর জোরাজোরি করছেন, তাদের কাছে হিন্দ সামনে কীভাবে মুসলমানদের করায়ত্বে আসবে, ভারতের মুসলমানরা আবার কীভাবে মাথা উচু করে আল্লাহর যমীনে আল্লাহর দ্বীনকে বিজয় করবে এমন কোনো বাস্তবিক রোডম্যাপ নাই। আর যারা বলছে হয়নি বা এটা একটি আম বিষয়, হিন্দের মুশরিকদের সাথে যেকোনো যুদ্ধই এখানের অন্তর্ভুক্ত, তারা হিন্দকে পূনরায় বিজয়ী করতে, হিন্দ বিজয় করে আকসায় পৌঁছতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ এবং সেটার জন্য পূর্ণ রোড ম্যাপ ও সে অনুযায়ী কাজে রয়েছে।
এখানে দুই জামাতের মৌলিক একটা পার্থক্যের বিষয়।
.
আল্লাহ আমাদের রাসুল সুসংবাদ অর্জন করার তাওফিক দান করুন। আমীন।
11 325
আফগানিস্তান তাদের বৈদেশিক বাণিজ্যে ডলারের আধিপত্য থেকে বেরিয়ে আসছে!
শিল্প ও বাণিজ্যের ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী নূরউদ্দিন আযিযী ঘোষণা করেছেন যে, কাবুল ও মস্কো নিজেদের জাতীয় মুদ্রা ব্যবহার করে বাণিজ্যিক লেনদেন চালুর প্রস্তুতি নিচ্ছে — যা মার্কিন ডলারের পরিবর্তে হবে। এই পদক্ষেপটি আফগানিস্তানের অর্থনৈতিক স্বাতন্ত্র্য আরও জোরদার করবে।
আযিযী আরও জানিয়েছেন যে, বেইজিংয়ের সঙ্গে একই ধরনের প্রক্রিয়া চালুর বিষয়ে কাবুলে অবস্থিত চীনা দূতাবাসের সঙ্গে আলোচনা চলছে।
©আবু উসামা জাফর হাফি.
11 325
অল্পকথায় অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় চলে এসেছে। আধুনিক বিশ্বব্যবস্থার গোড়াটা না বুঝলে ফিকহে যতই মাহারাত অর্জন করেন, ধোকাটা খাবেন নিশ্চিত!
11 325
যারা বাশার আলআসাদ যখন সিরিয়ার আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাতের লক্ষ্য মুসলমানকে হত্যা করছিলো, ইরানের প্রক্সি হিজবুল লাত (হিজবুল্লাহ) আহলুস সুন্নাহের নারীদের ধর্ষণ করছিলো, তখন বাশারের থেকেই এই পরিস্থিতির জন্য মুজাহিদদের দায়ী করা ব্যক্তিরা এই কথা বললে, আমরা তো কখনোই মুজাহিদদের বিরোধি না আমরা সন্ত্রাস বিরোধী, তখন বড্ড হাসি পায়। আরো হাসি পায় সাইদ রমাদান বুতি সঠিক আর জুলানীদের সন্ত্রাস বলা ব্যক্তিরা আমাদের জিহাদের সবক দিতে আসে, আরো অট্টহাসি আসে, যখন এই ব্যক্তিরাই এই আত্মখুশিতে বসে আছে, তাদের থেকেই উম্মতের জিহাদ শিখতে হবে।
এই সমস্ত তালেবে ও উস্তাদদের বলবো দুনিয়াকে এতটা সোজা ভাবার কোনো কারণ নাই আসলে বা আমাদেরও এত শর্টটাইম মেমোরির অধিকারি ভাবার কোনো কারণ নাই।
আপনাদের প্রতি একজন কল্যাণকামী হিসেবে এটাই নসিহাহ, অন্তত অন্তর থেকে হলেও দুই হাত দুলে নিজেদের সেই ঘৃণিত অবস্থানের জন্য ক্ষমা চান।
11 325
এক তালেবে ইলমের রোজনামচা
“
করাচী তে পানির ব্যাপক সংকট। সপ্তাহে কম করে হলেও দুয়েকবার এই ভোগান্তি আমাদের পোহাতে হয়। তবে সমস্যার ষোলকলা পূর্ণ করে এই ভোগান্তি চলাকালীন সময়ে দুর্গতির বড়ভাই হিসেবে আবির্ভূত হওয়া নির্দিষ্ট দুয়েকটা কলের পানি। মানে করাচীকে কটু কথা শোনাতে শোনাতে তায়াম্মুম দিয়ে কাজ চালিয়ে দেয়ার পরিবর্তে অন্তহীন লাইনে দাঁড়িয়ে পূর্বোক্ত ওজিফা পাঠে মনোযোগী হতে হয়। তেমনি আজকের দিনটা শুরু হয়েছে ফজরে ইমাম সাহেবের সালাম ফেরানোর আওয়াজ অজুর লাইনে দাঁড়িয়ে শ্রবণ করার মতো অতিব সুলভ মুহুর্তের মধ্য দিয়ে।
.
দো আন্ডে ফুল ফ্রাই, হাফ ছোলে, এক চাপাতি, এক চায়ে দিয়ে কোনমতে নাস্তা টা সেরে খোশ মেজাজে রুমে ফিরছি। মনে মনে পাক্কা ইরাদা—জমিয়ে একটা ঘুম দিবো মাইকে শেখ সাহেবের আওয়াজ বেজে উঠার আগ পর্যন্ত। সেই স্বাদ আর মিটলো কই। রুমে তো রীতিমতো গল্পের আসর বসে জমে ক্ষীর হওয়ার পথে। পাঁচ সিট বিশিষ্ট কামরায় আমাদের থাকা হয়। আমি অপর এক দেশি সাথি এক ওয়াজিরিস্তানী আর দুই কেপিকের বাসিন্দা। মূলত গল্পটা আজ জমলো আমার আর ওয়াজিরিস্তানীর মাঝে। গত দুদিন আগে তাদের ওখানে আবার ড্রোন হাম/লা হয়েছে। শহীদ হয়েছে ফুলের মতো দুইটা বাচ্চা। একদম পয়লা দিন থেকেই ওয়াজিরিস্তানীর সাথে খাতির লাগানোর মিশন টা এতদিনে অনেকটা সফলের পথে। সে যেই ব্যাথায় কাঁদে তার অনুভূতি খানিকটা হলেও আমার মাঝে আছে দেখতে পেয়েই কিনা টুকটাক মুখ খুলে ইদানিং। বহু বছর ধরে ওই অঞ্চলে চলতে থাকা এই জুলুমের গল্পে তাদের সমবেদী কেউ নেই। গত দুদিনের জমা কষ্ট আজ যেন অনেকটাই উগড়ে দিলো সে। বলতে থাকলো— 'ফলাস্তিনে ইজ্রে/লের জুলুম নিপিড়নের কথা আমরা জানি, শুনি। ইয়া/হুদী জালিমদের হাতে শহীদ ছোট বাচ্চার ছবি দেখে পুরো মুসলিম উম্মাহর হৃদয় ব্যাথিত হয়। আর কিছু করতে না পারি এই ব্যাথা এই কলজে পোড়া আহাজারি তো অন্তত প্রকাশ করতে পারি। অথচ দেখ, আমাদের সেই অধিকারটুকুও নেই। বছর বছর ধরে গুম, খু/ন, টার্গেট কিলিং, ড্রোন হামলার স্বীকার আমরা এই সিস্টেমের বিরুদ্ধে নিজেদের জান মাল হিফাজত করতে বাধ্য হয়ে হাতিয়ায় তুলে নিয়েছি বলে নিজ দেশের আলেমরাও আমাদের প্রতি নাখোশ। এসি রুমে বসে হযরতরা আমাদের কে বাগি ফতোয়া দিচ্ছেন আর ফলাস্তিনে কটা টাকা পাঠিয়ে নিজেদের দ্বীনের বড় ঠিকাদার মনে করে বসে আছেন। আমি কোনভাবেই পবিত্রভূমির ত্যাগ ও সংগ্রামের সাথে নিজেদের তুলনা করছি না। বরং শুধুই তোমাদের বোঝাতে বলছি। জানো, নিজের এলাকা ছেড়ে এখানে কেন পড়তে এসেছি? যাতে আলিম হওয়ার মাঝ পথে মরে না যাই! নিখোঁজ হয়ে না যাই!' এপর্যায়ে এসে হঠাৎই একদম চুপ হয়ে গেল ওয়াজিরিস্তানী। প্রসঙ্গ পাল্টানোর কসরত দুএকবার চালিয়ে শেষে ব্যর্থ ও ব্যাথাতুর হৃদয় নিয়ে বিছানার দিকে ফিরলাম সবাই। এখানে এসেছি কয়টাদিন হলো সবে। দিনদিন যা দেখছি, শুনছি, বুঝছি এসব হজম করতে করতেই একদিন হয়তো আমিও ভারী গুরুগম্ভীর কিসিমের হয়ে যাবো। বুক তো একটাই অথচ দিকে দিকে উম্মাহর বিপর্যয় গুলো সব তাতেই আঁচড় কাটছে। দীর্ঘশ্বাসে দাফন হচ্ছে। আয় মাবুদ আপনি রহম করুন আমাদের উপর।
তেইশ|পাঁচ|পঁচিশ
দারুল উলুম কৌরাঙ্গি, করাচী।”
11 325
খুব পড়ি ভাই। বিশেষত যারা এই দুনিয়ায় দ্বীনের বিজয় চান তারা তো দরুর ইসতিগফার ছাড়া সময় কাটানো একদমই ঠিক নয়।
11 325
এনসিপি ভারতের বিরুদ্ধে জাতীকে ঐক্যবদ্ধের যে আহবান এটা স্পষ্ট ধোকা ছাড়া এবং ওদের নিজের স্বার্থ ছাড়া কিছুই নয়। এর অন্যতম কারণ হলো, ভারতের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে এদেশে ভারতের উপনিবেশের সবচেয়ে বড় প্রমাণ রঠার সংগীতের বিরুদ্ধে বলবে না, তারমানে এগুলো বাটপারি ছাড়া কিছুই না।
সুতরাং তারা তাদের দাবীতে সৎ হতে হলে তারা নিজের পক্ষে প্রমাণ দিক। আর এর নূন্যতম হলো রঠার এই সংগীতের বিরুদ্ধে সম্মেলিত বক্তব্য। অন্যথায় এদেশের মুসলমানদেফ উচিত বাটপারগুলোর থেকে সতর্ক থাকা।
11 325
মাহফুজের মাফ চাওয়ার নাটক দেখে যতটুকু বিরক্ত হচ্ছি তার থেকেও বেশি বিরক্ত হচ্ছি ঐ সকল বুদ্ধিজীবিদের দেখে, যারা মাহফুজের পোষ্টকে ইতিবাচক নিয়ে আবেগ ঝাড়তেছেন।
বুঝি না, বোকা বা বলদের কী কোনো লিমিটেশন নাই!? নাকি কে কার থেকে বড় বোকা বা বলদ এটা প্রমাণের আয়োজন চলছে!
11 325
আফগানদের নারী বিষয়ক পশ্চিম যতটা চিন্তিত তার থেকে বেশি চিন্তিত কিছু মুসলিম গবেষক। তবে এদের চিন্তা ঠিক তেমনই, শব্দও ঠিক তেমনই যেমনটা পশ্চিম চিন্তা করে ও শব্দ বলে!
.
অথচ ঐদিকে আফগানের বাস্তবতা হলো এই!
11 325
বানুরীটাউনের ফারেগ পাকিস্তানি আলেম মাওলানা সাইদ আদনান সাহেবের এই বয়ানটা খুবই মনোযোগ সহকারে শুনি। যাদের সম্ভব হয় উর্দুটা অনুবাদ করে বিভিন্ন মানুষের কাছে পৌঁছাই।
জাযাকাল্লাহ খাইরান।
