uz
Feedback
Abdullah bin bashir

Abdullah bin bashir

Kanalga Telegram’da o‘tish

প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Ko'proq ko'rsatish

📈 Telegram kanali Abdullah bin bashir analitikasi

Abdullah bin bashir (@abdullahbinbashir) Bengal til segmentidagi kanali faol ishtirokchi. Hozirda hamjamiyat 11 298 obunachidan iborat bo'lib, Din & Maʼnaviyat toifasida 8 092-o'rinni va Bangladesh mintaqasida 2 030-o'rinni egallagan.

📊 Auditoriya ko‘rsatkichlari va dinamika

невідомо sanasidan buyon loyiha tez o‘sib, 11 298 obunachiga ega bo‘ldi.

27 Iyun, 2026 dagi oxirgi ma’lumotlarga ko‘ra kanal barqaror faollikka ega. Oxirgi 30 kunda obunachilar soni 71 ga, so‘nggi 24 soatda esa 4 ga o‘zgardi va umumiy qamrov yuqori darajada qolmoqda.

  • Tasdiqlash holati: Tasdiqlanmagan
  • Jalb etish (ER): Auditoriya o‘rtacha 19.52% darajada jalb etiladi. Nashrdan keyingi dastlabki 24 soatda kontent odatda umumiy obunachilar sonining 7.72% ini tashkil etuvchi reaksiyalarni to‘playdi.
  • Post qamrovi: Har bir post o‘rtacha 2 206 marta ko‘riladi; birinchi sutkada odatda 873 ta ko‘rish yig‘iladi.
  • Reaksiyalar va o‘zaro ta’sir: Auditoriya faol: har bir postga o‘rtacha 46 ta reaksiya keladi.

📝 Tavsif va kontent siyosati

Muallif resursni shaxsiy fikrni ifoda etish maydoni sifatida ta’riflaydi:
প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Yuqori yangilanish chastotasi (oxirgi ma’lumot 28 Iyun, 2026 da olingan) sababli kanal doimo dolzarb va katta qamrovli bo‘lib qoladi. Analitika auditoriya kontent bilan faol hamkorlik qilishini, uni Din & Maʼnaviyat toifasidagi muhim ta’sir nuqtasiga aylantirishini ko‘rsatadi.

11 298
Obunachilar
+424 soatlar
+97 kunlar
+7130 kunlar
Postlar arxiv
মুফতি আহমদ মুমতাজ সাহেব পাকিস্তানের অন্যতম প্রসিদ্ধ একজন আলেম। মুফতি রশিদ আহমদ লুধিয়ানবির খাস শাগরেদ ও হাকিম আখতার সাহেবের খলিফা। যিনি ইসলামি ব্যাংকগুলোকে মানুশকে গিলানোর জন্য বর্তমান বিশ্বব্যাপী যে কাজ করা হচ্ছে এটার খণ্ডনে বেশ শক্তভাবে কাজ করছেন পাকিস্তানে। বেশকিছু মূল্যবান বই লেখেছেন, তারমাঝে একটি হলো ‘চার মাসায়েল’। সেখানে ব্যাংকের যে প্রসিদ্ধ কিছু পদ্ধতি, যেগুলো দিয়ে ব্যাংককে ইসলামি বলার ও ইসলামি করার চেষ্টা করা হয় সেগুলোর মুদাল্লাল খন্ডন করে দেখিয়ে দিয়েছেন, কীভাবে ইসলামি ব্যাংকের সমর্থকগণ জোড়াতালি দিয়ে ব্যাংককে ইসলামি করে যাচ্ছে!

ইসলামি সিয়াসাত বইপত্র (২) . ইসলামি সিয়াসাত নিয়ে সমকালীন যতজনের লেখা নেড়েচেড়ে দেখার তাওফিক হয়েছে তারমাঝে ‘ইমামাতুল উজমা’ বইটি বেশ চমৎকার ও অনন্য লেগেছে। একদিকে পশ্চিমের গণতন্ত্রের মাদকতা আর প্রাচ্যবিদদের অপপ্রচার অন্যদিকে ইখওয়ানি হিজবুত তাহরির ধারার কিছু মডারেট চিন্তার মুসলিমের বিকৃতি—এতসবকিছুর মধ্য দিয়ে ইসলামি সিয়াসাতকে আহলুস সুন্নাহের মানহাজ ও পরিভাষা দিয়ে বুঝা ও সম্পূর্ণ নির্ভয়ে লেখে যাওয়া, এই লেখকের এক অনন্য কীর্তি ঠেকেছে আমার কাছে। আল্লাহ লেখককে জাযায়ে খায়ের দান করুক। আমীন। . বইটিতে শুধু ইসলামি খে*লা*ফ*তের প্রধান খ*লি*ফা বা আমিরুল মুমিমিনের সাথে সংশ্লিষ্ট বিধান নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। একটি ইসলামি ভূখণ্ডে খ*লি*ফা নিয়োগ দেওয়ার বিধান, কাকে নির্ধারণ করবে এবং কারা নির্ধারণ করবে এবং তার পদ্ধতি কী হবে? একজন মুসলিম শাসকের দায়িত্ব কী? খ*লিফাকে কখন তার পদ থেকে বহিষ্কার করা যাবে। আসবাবুল আজল কী কী এই সংক্রান্ত আলোচনাই পুরো ছয়শত পৃষ্ঠা জুড়ে। . বইটির কিছু বৈশিষ্ট্য : ১. বইটিতে পূর্ণভাবে ইসলামি ফিকহকেই লেখক মূল ভিত্তি বানিয়েছেন। এবং ইসলামি ফিকহের নামে যারা পশিচমা রাষ্ট্রনীতিকে ইসলামিকরণের ঘৃণ্যকাজে লিপ্ত তাদেরকে প্রতিটি স্থানে সংক্ষেপে তবে জোড়ালো খণ্ডন করেছেন। নারীর পার্লামেন্টে সদস্য, শুরার সাথে যারা গ*ণত*ন্ত্রকে মিলিয়ে দ্বীনের তাহরিফে লিপ্ত তাদেরকে গোড়া থেকে খণ্ডন করেছেন। লেখকের ইসলামি ফিকহের আলোকেই আধুনিক বিষয়গুলোর মূল্যায়ন করেছেন, ইসলামিকরনের ঘৃণ্য মানসিকতার শিকার হননি। আলহামদুলিল্লাহ। ২. লেখক প্রাচীন বা আধুনিক যেকোনো ইখতিলাফি মাসআলাতে উভয় দলের মত, দলিল ও দলিলের মুনাকাশা করেছেন বড় চমৎকার ভঙ্গিতে ও এত ভেঙ্গে ভেঙ্গে যে, এরপর যখন ‘আলকওলুর রাজেহ’ বলে নিজের সিন্ধান্ত বলেন তখন পাঠকের পুরো আলোচনার সবদিক স্পষ্ট হয়ে যায়। লেখকের সিন্ধান্ত বুঝতে আর কোনো অস্পষ্টতা থাকে না। হাঁ তার কিছু সিন্ধান্তে অবশ্যই দ্বিমত করার জায়গা আছে, তবে লেখকের দলিল সমৃদ্ধ মতটির দ্বিমত করতে অবশ্যই দলিলের প্রয়োজন হবে। কারন নিজের মতকে লেখক যেভাবে দলিল সমৃদ্ধ করে ও অন্য দলিলগুলোকে উসুলের আলোকে খণ্ডন দেখবেন তখন দলিল ছাড়া দ্বিমত করতে পারবেন না৷ ৩. ইসলামি খেয়াফতের কিছু পরিভাষা সমকালীন রাজনীতি ও রাষ্ট্রনীতিতে আলোচিত। সে পরিভাষাগুলো এত বেশি তাহরিফের শিকার যে, যা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে পড়াশোনা করা ছাড়া ধারনা করাও সম্ভব না। তার মাঝে একটি হলো, ইসলামি শুরা ব্যবস্থা। লেখক ইসলামি শুরা ব্যবস্থা ও তার মূল বিধান বিস্তারিত আলোচনা করেছেন। দেখিয়েছেন গ*ণ*ত*ন্ত্র আর ইসলামি শুরা ব্যবস্থাকে কস্মিনকালেও এক করে দেখার সুযোগ আছে কি না। লেখক বেশ দালালিকভাবে গ*ন*তন্ত্রের প্রেমিক, পুজারি আর ঝাকঝিক্ক দেখে ধোকা খাওয়া ব্যক্তিদের এই বিশাল তাহরিফ—ইসলামি শুরাই হলো আধুনিক গ*ন*ত*ন্ত্র—কে একদম তাদের দলিলসহ দেখিয়েছেন। কীভাবে তাহরিফ করা হয়েছে এই অধ্যায়টিকে। . একজন বড় সত্যই বলেছেন ‘আধুনিক সময়ে ইসলামি রাজনীতি নিয়ে যতজন লেখেছেন তাদের সবাই কমবেশি আধুনিক চিন্তাধারা প্রভাবিত হয়েছে ইমামাতুল উজমার লেখক দুমাইজি আর... ছাড়া।’ কথাটাতে কিছুটা অতিরঞ্জন থাকলেও ভুল বলেননি তিনি।

এই বছর ইসলামি খিলাফাহ নিয়ে পড়া সবচেয়ে চমৎকার বইয়ের একটি এই বইটি। এই বিষয়ে যারা পড়তে আগ্রহি তালেবে ইলমগণ এই বইটি সংগ্রহ রাখতে পারেন। বইটি নিয়ে আমার একটা পর্যালোচনা আছে তা দেখে নিতে পারেন।

বুরহান উদ্দীন রাব্বানী একজন আলেম - একজন মুজাহিদ নেতা। বলা যায় মোল্লা ওমরের চাইতে অনেক বড় আলেম, অভিজ্ঞ। কওমীরা তাকে ক্লেইম করতে পারবে, ইখওয়ানীরাও পারবে। আলী মিয়া নদভীর সফর সঙ্গী, সায়্যিদ কুতুবের রচনা সব তো তার নখদর্পনে ছিল। চোস্ত আরবী, ফার্সী, উর্দু পারতেন। আফগানে কওমীতে পড়ার পর, কাবুল বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েছিলেন, আবার সেখানে প্রফেসরও হয়েছিলেন ইসলামী শাস্ত্রে। আল-আজহারে গিয়েও পড়েছেন। রাশিয়ার বিরুদ্ধে জি-হাদে মু-জাহিদ নেতাও ছিলেন। এত বিপ্লবী আসবাব তো মোল্লা ওমরেরও ছিল না, যতটা তার ছিল। কিন্তু তাকে হত্যা করলো কারা? তালিবরা! বিশ্বাস করতে কষ্ট হয়? কারণ তিনি তালিবদের বিরুদ্ধে কা-ফিরদের পক্ষে হাত মিলিয়েছিলেন। না, তিনি শরীয়াহ শাসন অস্বীকার করেন নি, তিনি তো তালিবদের চেয়েও ভালো করে আলী মিয়া নদভীকে চিনতেন, সায়্যিদ কুতুবকে জানতেন। কিন্তু তালিবরা প্রথমবার ইমারাহ গঠনের আগে, আফগানকে যে ইসলামী রাষ্ট্র ঘোষণা করা হয়েছিল, তাকে সে রাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বানানো হয়েছিল। টেকনিক্যালি তার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেই তালিবদের প্রথম ইমারাহ তৈরী। তিনি তালিবদের মেনে নিলেন না। তিনি আমরিকানদের পাতানো গণতান্ত্রিক সিস্টেমের অংশ হলেন। মু-জাহিদদের বিরুদ্ধে ওয়ার অন টেররের অংশ হলেন। আপনারা একটু অনুধাবন করুন। তার নামটা নেয়ার জন্য তার পক্ষেরও কোন লোক নেই। কওমীরা বলবে না, তিনি আমাদের হিরো, অথচ তিনি কওমীর সন্তান। ইখওয়ানী, জামাতি, চরমোনাই কেউ তার পক্ষে বলবে না, অথচ তিনি তাদের চিন্তাধারার রাজনীতি করতে চেয়েছিলেন। অথচ মাপলে দেখা যাবে যে, তার ক্যালিবারের আলেম আবার মু-জাহিদ নেতা কোন কালে জা'মাত কিংবা চরমোনাইতে এসেছিলো কিনা আমার জানা নেই৷ ইখওয়ানে থাকতে পারে। কিন্তু কেনো এমন হল? আফগানের সেকুলাঙ্গাররাও তার নাম নেয় না। কিন্তু কেউ যদি নাম নেয়, এই যে আমার মত, তার দোষ তুলে ধরতেই নেয়। ইতিহাসে তার নাম বিশ্বাসঘাতকার খাতায় লেখা থাকবে। আমার নিজেরই ভাবলে কষ্ট হয় এত ক্যালিবারের একটা লোকের এই পরিণতি হলো। তার থেকে আমাদের শিক্ষা নেয়া উচিত। যেই মাসলাকি-মানহাজি বড়াই করি, আল্লাহই ভালো জানেন, কাদের সাথে হাত মিলাই বিভিন্ন পরিস্থিতিতে পড়ে। আল্লাহ মাফ করুক! ©

রমজানে কিতাবটির মূল নুসখা দেখেছিলাম, ভালো লেগেছিলো সূচি দেখে, কিন্তু তেমন প্রয়োজন নেই আরো বড় কথা সংগ্রহের মত টাকা ছিলো না দেখে সংগ্রহ করতে পারিনি। আজ পিডিএফ পেলাম। মোঘল ও ইবনে তাইমিয়া নিয়েই ৩৫০+ পৃষ্ঠার এই গবেষণা! আশা করি আগ্রহী ভাইদের কাজে লাগবে। আমি সংগ্রহের উদ্দেশ্যে এখানে রেখে দিলাম।

নববর্ষ উদযাপন এখানে কি শুধু অনুষ্ঠান? নাকি তাদের কৃষ্টি কালচারের প্রতি ভালবাসাও আছে? তাদের অনুষ্ঠানের প্রতি আন্তরিকতা , এই খ্রিস্টানদের বর্ষ উদযাপন এবং এটার জন্য হইহুল্লোড় এবং তাদের প্রতি ভালবাসার প্রকাশ এগুলো কিছু কিছু ক্ষেত্রে হারামের সীমানা পেরিয়ে কুফর পর্যন্ত পৌঁছে যায়। তাদের প্রতি ভালোবাসা ,তাদের সাথে বন্ধুত্ব, তাদের প্রতি আন্তরিকতা, তাদের জন্য হৃদয়ের কোনে চিনচিন ব্যাথা অনুভব করা এগুলো শুধু হারাম নয় বরং কুফর পর্যন্ত পৌঁছায়। একটি জিনিস জেনে রাখার মত যখন তাদের কৃষ্টি কালচার অনুসরণ হয় না জেনে না বুঝে অথবা প্রবৃত্তির মোহে পড়ে তখন তো হারামাই থাকে। কিন্তু যখন তাদের সংস্কৃতির বিরুদ্ধে বললে জ্বালাপোড়া শুরু হয় কোন মুমিনের, অথবা তাদের কৃষ্টি কালচার কে প্রমোট করা হয়, তাদের কৃষ্টি কালচারের জন্য মুসলিমদের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে যাওয়া হয় তখন তা স্বাভাবিক সৌজন্যতা থাকে না বরং আন্তরিকতা এবং বন্ধুত্ব ভালোবাসার পর্যায়ে পৌঁছে যা ক্ষেত্র বিশেষে কুফর পর্যন্ত পৌঁছে। এজন্য আজকের এই দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন হারামের সমন্বয়ে যা চলছে তা থেকে পরিপূর্ণরূপে বেরিয়ে আসা, পরিহার করা এবং হৃদয়ের গভীর থেকে ঘৃণা করা উম্মতের প্রত্যেকটি সদস্যের কর্তব্য। আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তা'য়ালা বোঝার তৌফিক দান করেন। আমীন। ©শায়খ জাকারিয়া আমীন হাফিজাহুল্লাহ

হারামকে হালাল মনে করা- এই ব্যাপারটি অন্তরের বিষয়। আর অন্তরের কোন বিষয় কারো বুক চিরে জানা সম্ভব না। ইস্তিহলালের ইতিকাদ বা হালাল মনে করার বিশ্বাস দুভাবে প্রকাশিত হয়। ১। মুখের স্বীকৃতি ২। বিশ্বাসের প্রমাণবহনকারী আমল। এটা কোন নজদি উসুল নয়। পাকিস্তানের বিজ্ঞ হানাফি মুফতি উবায়দুর রহমান হাফিজাহুল্লাহ তাঁর লিখিত গ্রন্থ "উসুলে তাকফির" গ্রন্থে ইস্তিহলালে আমালি বা আমলগতভাবে হারামকে হালাল মনে করা বিষয়ে আলোচনা করেছে। ( ৩৪০-৩৪২ পৃষ্ঠা) এখন কেউ যদি কোন হারামকে নৈতিক, অধিকার, প্রাকৃতিক ও স্বাভাবিক হিসেবে মুখে স্বীকৃতি দেয় এবং বিষয়টাকে আইনিভাবে লিগ্যাল বানানোর জন্য প্রকাশ্য দাবিমূলক তৎপরতা চালায়, তবে এটা ব্যক্তির অন্তরের ইতিকাদ বা বিশ্বাসের স্বীকৃতির একটি অবস্থান। কোন ব্যক্তির এরকম অবস্থান তার ইস্তিহলালের ইতিকাদ বা বিশ্বাসের মৌখিক স্বীকৃতিরই নামান্তর। তথাপি কোন হারাম বিষয়কে মুখে বুক ফুলিয়ে অধিকার, নৈতিক ও স্বাভাবিক হিসেবে সুস্পষ্ট স্বীকারোক্তি দেয়ার পরও যদি কেউ এই অবস্থানকে মৌখিক স্বীকৃতি মানতে নারাজ হয়, তবে তার জন্য দ্বিতীয় অপশন আছে। আর সেটা হল, ইস্তিহলালে আমালি। ব্যক্তি উল্লেখিত আচরণের মাধ্যমে বিষয়টিকে বৈধ মনে করার বিশ্বাসকে জানান দিচ্ছে। ব্যক্তির এরকম ঔদ্ধত্য কর্মকাণ্ড যদি ইতিকাদের প্রমাণবহনকারী আমল না হয়, তাহলে ইতিকাদ বা বিশ্বাসের প্রমাণবহনকারী আমল কিংবা অবস্থা আর কি হতে পারে? এর উপর তো আমলের আর কোন সুরত হতে পারে না। সুতরাং কোন মতবাদ যদি, ইসলামের হারাম কিছু বিষয়কে নিয়ে গড়ে উঠে এবং সেটাকে বৈধ, স্বাভাবিক, নৈতিক ও অধিকার হিসেবে প্রতিষ্ঠার উভর ভিত্তি করেই যদি সেই মতবাদের আন্দোলনের ভীত নির্মাণ করা হয়, তবে সেই মতবাদ ও আন্দোলন একটি কুফুরি আন্দোলন ও মতবাদ হিসেবেই চিহ্নিত হবে। এর ব্যাপারে সাধারণ হুকুম কুফুরেরই হবে। তবে ব্যক্তিবিশেষের অজ্ঞতা, তাবিল ইত্যাদি মাওয়ানিয়ে তাকফির বা কাফের আখ্যাদানের প্রতিবন্ধকতা ব্যক্তিবিশেষের সাথেই খাস হবে। কিন্তু মৌলিকভাবে উক্ত আন্দোলনের ব্যাপারে হুকুম কুফুরেরই হবে। এজন্য ইলমি ও দাওয়াতি উভয় দায়িত্বের জায়গা থেকেই এরকম আন্দোলনকে ঈমানবিধ্বংসী হিসেবে চিহ্নিত করা জরুরী। তবে ব্যক্তিবিশেষের ব্যাপারে হুকুম প্রয়োগ করা থেকে দায়ী ও সাধারণ আলেম সকলকেই বিরত থাকতে হবে। এটি কেবল বিজ্ঞ মুফতিয়ানে কেরামের দায়িত্ব। আমাদের কাজ হবে আন্দোলনের ব্যাপারে ইসলামের সাধারণ হুকুম প্রচার করা এবং মানুষকে দাওয়াহ প্রদান করা। নির্দিষ্টভাবে মানুষের উপর বিধান প্রয়োগ করা নয়। ©ইফতেখার সিফাত ভাই।

তাকফির ও উসুলিত তাকফির সম্পর্কে আমার ছোট দৃষ্টিতে এখন পর্যন্ত পড়া সেরা কিতাব এটি। বর্তমান পৃথিবীতে আমার অত্যন্ত পছন্দের একজন আলেম মুফতি উবাইদুর রহমান সাহেবের লেখা। কিতাবটি কিছুদিন আগে মুফতি তাকী উসমানি হাফিজাহুল্লাহের দৃষ্টিগোচর হয় এবং তিনি তার উল্লেখযোগ্য একটি অংশ পড়ে অত্যন্ত খুশি হন এবং একটি প্রশংসাবানী লেখে দেন। কিতাবটির দ্বিতীয় এডিশনে সে প্রশংসাবানীটি যুক্ত করে ছাপানো হয়। ব্যক্তিগতভাবে মনে করি প্রত্যেক তালেবে ইলমের কাছে এই কিতাবটি এক কপি থাকা উচিত ও নিয়মিত মোতালায়াতে তা থাকা দরকার।

মুহতারাম হারুন ইজহার হাফি. এর ফতোয়া সম্পর্কে... হারামকে হালাল মনে করার দুটি দিক রয়েছে। ক) বিশ্বাসগত খ) কর্মগত। ক) বিশ্বাসগত তথা, কোনো ছোটো বা বড় গোনাহকে হালাল বলে বিশ্বাস করাই কুফর। আল্লামা ফারহাওয়ি রহি. বলেন, গুনাহের ইস্তিহলাল তথা তা হালাল বলে বিশ্বাস করাই কুফর; চাই তা ছোটো গোনাহ হোক বা বড় গোনাহ। কেননা, ইস্তিহলাল শরীয়ত প্রণেতাকে অস্বীকারের মতই। ( নিবরাস পৃ:৫৪৩) সুতরাং ইস্তিহলাল যদি সজ্ঞানে, কোনো ব্যাখ্যা, তাওয়িল বা ইজতিহাদের আলোকে না হয়, চাই তা ছোটো বা বড় কোনো গুনাহ হোক, ব্যক্তি কাফির হয়ে যাবে। খ) কর্মগত বা কাজ দ্বারা হারামকে হালাল মনে করা। কোনো ব্যক্তি যদি হারাম কাজে এমনভাবে লিপ্ত হয় যে বাহ্যিকভাবে মনে হয় সে উক্ত কাজটি হালাল মনে করে, তাহলে তা কুফর হবে। যদিও সে মুখে স্বীকার না করুক এবং এই ক্ষেত্রে তার অন্তর চিরে দেখা জরুরী নয়। তবে হারামে লিপ্ত হওয়াই হালাল মনে করা নয়, তার লিপ্ত হওয়াটা যদি এমন হয় যে, তার বাহ্যিক আচরণ দেখে মনে হয় সে কাজটি হালাল মনে করে, তাহলে তা কুফর হবে। আল্লামা তাফতাজানি রহি. বলেন, শুধু নফসের প্রবৃত্তি, অলসতা বা অহংকারের কারণে গোনাহে লিপ্ত হওয়া ইমান বিরোধী নয়... তবে কেউ যদি ইস্তিহলালের পদ্ধতিতে অর্থাৎ এমনভাবে কবিরা গুনাহ করে, যা দেখে মনে হয় যে সে হালাল মনে করে, অথবা অবজ্ঞা করে কবিরা গোনাহে লিপ্ত হয়, তাহলে তা কুফর হবে। (শারহুল আকায়িদ আন নাসাফিয়্যাহ পৃ: ৬৩) সুতরাং ট্রা ন্স জে ন্ডা র নিয়ে হারুন ইজহার হাফি. যেই বক্তব্য দিয়েছেন, তা ভুল বলে উড়িয়ে দেওয়া ঠিক নয়। যারা ট্রা ন্সের মতবাদ প্রতিষ্ঠায় চেষ্টা প্রচেষ্টা ব্যয় করে, আইন প্রতিষ্ঠা করে, আন্দোলন করে, ব্লগ করে অথবা নিজে হালাল মনে করে করে, তাহলে কাফের হওয়াই হয়ত যুক্তিযুক্ত। আর হারুন ইজহার হাফি. মুতলাক (ব্যাপক) ভাবে তাকফির করেছে, এখানে তো ভুলের কিছু দেখছি না। উল্লেখ্য যে উনার এই তাকফিরের হুকুম আমি আপনি লাগানো থেকে বিরত থাকব। ব্যক্তি বিশেষ বা মুতলাক তাকফির, এটা যোগ্য মুফতিদের কাজ। আমাদের মত সাধারণ মানুষ তাকফির করা থেকে বিরত থাকা অপরিহার্য । ©উসামা রউফ ভাই।

লি*বা*রে*লি*জ*ম নিয়ে চমৎকার কিছু দরসের সংকলন পড়লাম। . প্রথমেই ধন্যবাদ জানাই মুহাম্মাদ তাজবীদ উল্লাহ নাবীল ভাইকে। উনি এই দরসগুলো যদি ব্যবস্থা না করে দিতেন তাহলে হয়তো এত গোড়া থেকে লি*বা*রে*লি*জ*ম নিয়ে জানার একটি কমতি রয়ে যেতো। আপনাকে জাযাকাল্লাহ খাইরান। . মুফতি ইয়াসির নাদিম সাহেবের দরসগুলোর সংকলন ছিলো সাবলিল। উর্দুতে সাধারণত এই বিষয়ে শাস্ত্রীয় লেখাগুলোও একটু কঠিনই। কিন্তু এখানের দরসের সংকলন বেশ সাবলিলই ছিলো। . ইয়াসির নাদিম সাহেব খুব চমৎকার পুরো নয়টি দরসে (যা প্রায় ২৭০+ পৃ.) দেখিয়েছেন, আধুনিক পরিভাষার একজন লি*বা*রে*ল আর ফিকহি ইসলামির প্রাচীন পরিভাষার একজন মু*ল*হি*দ মূলত একই। . দরসগুলোর একটি অন্যতম বৈশিষ্ট্য লেগেছে, ইয়াসির নাদিম সাহেব পশ্চিমা মূল্যবোধের আলোকে ইসলামের সৌন্দর্য দেখানোর চেষ্টা করেননি, বরং পশ্চিমা লি*বা*রে*ল মূল্যবোধের প্রতিটি চিন্তাকেই উনি অবাস্তব ও ভিত্তিহীন হিসেবে চিহ্নিত করেছেন এবং দেখিয়েছেন এগুলো মূলনীতি হওয়ারই যোগ্য নয়। এই ধরনের আলোচনাগুলো অত্যন্ত জরুরি। আমাদের ভিতর পশ্চিমের মূল্যবোধগুলোকে মেনে নিয়ে সেগুলোর আলোকে ইসলামের মহানুভাব প্রকাশের একটি দৃষ্টিকটু দৃষ্টিকোণ রয়েছে, যা কিছু ফায়দা হলে অধিকাংশ জায়গায় ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। . উনার আরো তিনটি দরসও নাবীল ভাই দিয়েছেন, ফে*মি*নি*জ*ম, সে*কু*লা*রি*জ*ম ও স*ম*কা*মি*তা ও ট্রা*ন্স*জে*ন্ডা*র নিয়ে সেগুলোও ইনশাআল্লাহ দ্রুত পড়ার ইচ্ছে আছে।

মুফতি ইয়াসির নাদিম আলওয়াজেদি সাহেবের ফেমিনিজম নিয়ে দরসের সংকলন। .

মুফতি ইয়াসির নাদিম আলওয়াজেদি সাহেবের লিবারেলিজম নিয়ে দরসের সংকলন। .

বর্তমান সময়ের একটি কুফুরি ও ঈমান বিধ্বংসী আইডোলজি বা মতাদর্শ হল জেন্ডার ধারণা। নারীবাদ, সমকামিতা, ট্রান্স জেন্ডার সহ এই ধরণের মতবাদ ও আন্দোলনগুলোর মূল ভিত্তি হল এই জেন্ডার আইডোলজি। ইসলামের দৃষ্টিতে মানুষের লিঙ্গ দুটি। নারী ও পুরুষ। এর বাইরে আর কোন লিঙ্গ নেই। আর মানুষ সৃষ্টিগতভাবেই বায়োলজিকালি নারী কিংবা পুরুষ হয়ে জন্মগ্রহণ করে। এমনকি হিজড়ারাও নারী কিংবা পুরুষ হয়েই জন্মগ্রহণ করে। মানুষের লিঙ্গ নির্ধারিত হবে তার অভ্যন্তরীণ প্রজননব্যবস্থা দ্বারা। কিন্তু জেন্ডার আইডোলজি ইসলামের এই দৃষ্টিভঙ্গিকে অস্বীকার করে। জেন্ডার আইডোলজি মানুষের জন্মগত ও বায়োলজিক্যাল লিঙ্গের ধারণাকে প্রত্যাখ্যান করে সামাজিক এক লিঙ্গের ধারণার কথা বলে। জেন্ডার আইডোলজি মতে, মানুষ নির্দিষ্ট শারীরিক গঠন নিয়ে জন্মগ্রহণ করলে নারী হবে কিংবা পুরুষ হবে এবং তারা সেই শারীরিক গঠন অনুযায়ী তাদের জন্য নির্দিষ্ট এক্টিভিটি পরিচালনা করবে- এটি সমাজ সৃষ্ট ধারণা। এর সাথে মানুষের প্রকৃত লিঙ্গের কোন সম্পর্ক নেই। বরং মানুষের মনের চাহিদা ও কামনার লিঙ্গই তার প্রকৃত লিঙ্গ। একজন মানুষ নিজেকে মনে মনে যেই লিঙ্গে কল্পনা করবে এবং সে যেই ধরণের এক্টিভিটি পরিচালনার প্রতি আগ্রহ প্রকাশ করবে, সে সেই লিঙ্গের অন্তর্ভুক্ত হবে। ( নাঊযুবিল্লাহ) জেন্ডার আইডোলজি আরো মনে করে, মানুষের লিঙ্গ পুরুষ ও নারীর মাঝে সীমাবদ্ধ নয়। বরং মানুষের লিঙ্গ বহুবিধ হতে পারে। এজন্য পশ্চিমা বিশ্ব জেন্ডার শব্দের অধীনে সমকামী, ট্রান্সজেন্ডার, বাইসেক্সুয়াল সহ নানা ধরণের যৌনবিকৃতি ও যৌন পরিচয়ের সংকটধর্মী রোগকে ব্যাপকভাবে প্রচার করছে। এই জেন্ডার আইডোলজির অধীনেই তারা এই সমস্ত বিকৃত চিন্তাচেতনাকে স্বাভাবিক ও লিগ্যাল হিসেবে উপস্থাপন করছে। আগে মানুষের লিঙ্গকে বুঝানোর জন্য ইংরেজিতে সেক্স শব্দের ব্যবহার হত। কিন্তু আধুনিক সময়ে এসে সেক্সের জায়গায় জেন্ডারের ধারণা প্রতিষ্ঠিত করা হচ্ছে। সুতরাং জেন্ডার আইডোলজি একই সাথে মানুষের ঈমান ও ফিতরাত উভয়টারই বিরোধী। এরকম ঈমান ও প্রকৃতি বিরোধী কুফুরি মতাদর্শের ব্যাপারে মুসলিম সমাজকে সোচ্চার করা জরুরী। বর্তমান বিশ্বে জেন্ডার এডুকেশন, সেক্স এডুকেশনের নামে ইউনিভার্সিটি, কলেজ ও স্কুলে নানা ধরণের কারিকুলাম ও কার্যক্রম প্রচলিত আছে এবং এসব কার্যক্রমকে আরো বিস্তৃত করা হচ্ছে। এসব কারিকুলাম ও কার্যক্রমের আলোকে ছাত্রদের মূলত ঈমানবিধ্বংসী এই জেন্ডার আইডোলজির শিক্ষা দেয়া হয়। বিভিন্ন মুসলিম দেশে জেন্ডার আইডোলজির বিরুদ্ধে উলামায়ে কেরাম ফতোয়া প্রদান করেছেন। আমাদের দেশের উলামায়ে কেরাম ও ইফতাবোর্ডগুলোকেও এই ব্যাপারে অবগত করা এবং প্রশ্ন পাঠানো জরুরী। যেন বয়ান ও ফতোয়ার মাধ্যমে উলামায়ে কেরাম এই জাতিকে সতর্ক করতে পারেন। ©ইফতেখার সিফাত

ক্রিসমাস চলতেছে! কত মুমিন ঈমানবিধ্বংসি এই উতসবে অংশগ্রহণ করতেছে! জাহালাতের কারণে হয়তো কাফের হবে না! কিন্তু অজ্ঞতার দোহাই দিয়ে আর কতদিন! অমুসলিমদের ধর্মীয় উৎসবে অংশগ্রহণ ও তাদের শুভেচ্ছা জানানোর বিধান নিয়ে আমার লেখা প্রবন্ধটি পড়তে পারেন। https://abdullahbinbashir.me/%e0%a6%85%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%b8%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%ae%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a7%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a7%80%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a7%81%e0%a6%b7%e0%a7%8d/

প্রত্যেকেই যার যার জায়গা থেকে ভিডিওটা প্রচার করি। https://youtu.be/g3OHBUGNi0Q?si=9b7bMOFZyTPHOO_O

শীতকাল হলো আরাম-অলসতার সময়। কাজ শেষে রাত আটটা/নয়টায় কম্বল গায়ে দিয়ে মানুষ বিছানায় যায়, উঠে ভোর সাড়ে পাঁচটা থেকে পৌনে ছয়টায়। ফজরের পর থেকে অফিস/কর্মস্থলে যাওয়ার আগ পর্যন্ত আবারও বিছানায়। দিনের সময় তো দেখতে দেখতেই চলে যায়। সাহাবা-সালাফদের কাছে শীতকাল ছিল ইবাদতের বসন্তকাল। দিন ছোট হওয়ায় নিয়ম করে রোজা রাখতেন। রাত দীর্ঘ হওয়ায় লম্বা সময় নামাজ, তেলাওয়াত করতেন। উমর ইবনুল খাত্তাব রাযিয়াল্লাহু আনহু বলতেন, "শীতকাল হলো ইবাদতগুজার মুমিনের জন্য গনিমত।"[মুসান্নাফে ইবনে আবি শাইবা : ৩৪৪৬৭] ছেলে আব্দুল্লাহ ইবনে উমর রা. নিজে ইবাদত তো করতেনই, অন্যদেরও উৎসাহ দিতেন। শীতকাল এলেই ঘোষণা করতেন, "হে কুরআনের ধারক-বাহক উম্মাহ, রাত দীর্ঘ হয়েছে তোমাদের সালাত আদায়ের সুবিধার্থে; দিন ছোট হয়েছে তোমাদের সিয়াম পালনের জন্য। এই সুযোগকে গনিমত হিসেবে লুফে নাও।"[মুসান্নাফে ইবনে আবি শাইবা : ৯৭৪৩] নফল সালাত, নফল রোজা পালনের মাধ্যমে শীতের মৌসুম হতে পারে মুমিনের বসন্তকাল। অথবা হতে পারে শীতের প্রকোপে পাতা ঝরে যাওয়া কোনো অসহায় গাছ। নফল সালাত-সিয়ামের পাশাপাশি যাদের ফরজ রোজা কাজা আছে, তাদের জন্যও এটা সুবর্ণ সুযোগ। ইবাদতের এই মৌসুমটা যেন আমাদের কম্বলের নিচে নিছক অলসতা-অবহেলায় কেটে না যায়। ©

আজকের দিনের সাথে সংশ্লিষ্ট জ্ঞান অর্জন করতে লেখাটি দেখতে পারেন। লিংক: https://abdullahbinbashir.me/416-2/

শুনতে পারেন, ট্রান্সজেন্ডার ফিতনা সম্পর্কে আমাদের সচেতনতা বৃদ্ধিতে আশা করি ভিডিওটি কাজে দিবে। মূল ভিডিও লিংক: https://fb.watch/oXR0OllUg5/?mibextid=Nif5oz

সময়ের অতিপ্রয়োজনীয় একটি বই। . মডার্জিনম ও তার ওয়ার্ল্ডভিউ থেকে তৈরি হওয়া হাজারো ইমান বিধ্বংসী চিন্তা-বিশ্বাস আজ মুসলিম বিশ্বে ছড়িয়ে গেছে। তাতে আক্রান্ত্র হয়ে আছে আমার আপনার ধারনার চেয়েও অধিক মুসলমান! কিন্তু আমরা অসচেতন হয়ে বসে আছি। উম্মাহের ওলামায়ে কেরাম সীমিত হলেও পশ্চিমের ছোবল থেকে মুসলমানদের ঈমান বাচানোর জন্য চেষ্টা করে যাচ্ছেন, কিন্তু দুঃখজনক হলেও যতটা ভয়াবহ এই ইমান বিধ্বংসী ফিতনা ততটা কাজ ও কাজ করা দরকার তা কেনো যেনো হচ্ছে না! . যাইহোক, বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলে এই বিষয়ে কিছু কাজ হলেও বাংলায় একদম অসহায় ও নিঃস্ব এই দিকটি! অথচ...! যাক, হতাশার বানী বলে বলে আর কী লাভ, অল্প হলেও পশ্চিমা সভ্যতা ও তার ঈমান বিধ্বংসী চিন্তাগুলো নিয়ে বাংলাভাষায় কাজ হচ্ছে আলহামদুলিল্লাহ। এই পর্যন্ত যতগুলো কাজ হয়েছে তার মাঝে অন্যতম চমৎকার কাজটি উঠে এসেছে মাওলানা ইমরান রাইহান ভাইয়ের কলম থেকে। আল্লাহ তাকে জাযায়ে খায়ের দান করুক৷ . বইটিতে পশ্চিমে তৈরি হওয়া মূল ফিতনাগুলো নিয়ে নয় বরং সেই ফিতনাগুলোর থেকে সৃষ্ট মুসলিম মননে যে হাজারো ইলহাদি চিন্তা ছড়িয়ে গিয়েছে সেগুলোর মধ্যে মৌলিক কিছু সংশয় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। বইটির সূচিপত্র যদি একটু ভালো করে নজর বুলানো হয় তাহলেই একজন সচেতন মুসলমান বুঝে যাবে এখানে লেখা প্রতিটি সংশয়ের সম্মুখীন সে নিয়মিত সমাজে হচ্ছে, তাই বইটি কতটুকু প্রয়োজন তা বলে বুঝানো যাবে না! . বইটিতে যদি আর কোনো অধ্যায় নাও থাকতো, শুধু মুসলিম মডার্নিজম অধ্যায়টি থাকতো তাও এই বই সবার জন্য অবশ্যই সংগ্রহ তালিকায় থাকার মত হতো। প্রতিটি সচেতন মুসলিম, বিশেষত আলেম, তা*লে*বে ইলম ভাইদের কাছে আকুল আবেদন এই অংশটুকু অবশ্যই পড়ুন। . শেষে একটি কথা বলি, বড় দুঃখজনক হলো পশ্চিমা সভ্যতা যতটা ইমান বিধ্বংসী এবং যতটা আজ মুসলমানদের আক্রান্ত করেছে তার শতভাগের একভাগও আজ আমরা তা*লে*বে ইলমরা সচেতন না। আমি বলি না, সবাই পশ্চিমা সভ্যতা নিয়ে গবেষণা পর্যায়ের পড়াশোনা করবে। অবশ্যই বিভিন্ন মানুষ বিভিন্ন ফিতনা সম্পর্কে গবেষণা করবে। কিন্তু আজ যে ফিতনা আমার ঘর পর্যন্ত পৌঁছে গেছে, হাজারো কোটি মানুষকে আক্রান্ত করেছে সেই ফিতনা সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণাটুকু নিতেও কেন যেন আমি ইচ্ছুক না! এটা বড়ই দুঃখজনক! বরং সত্য তো হলো পশ্চিমা সম্পর্কে সঠিক ধারণা না থাকার কারণে সমকালীন বহু ফিকহি বিষয়ে আমাদের বিচ্যুতি ও অস্পষ্ট ফিকহি সমধান ও বহু কুফরি বিষয়কে মনে অজান্তেই ইসলামিকরণ করে যাচ্ছি! অথচ সেটাকেই ভেবে বসে আছি গভির ইলম! আল্লাহ আমাদের সঠিক বিষয় অনুধাবন করার তাওফিক দান করুক। আমীন।