uz
Feedback
Abdullah bin bashir

Abdullah bin bashir

Kanalga Telegram’da o‘tish

প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Ko'proq ko'rsatish

📈 Telegram kanali Abdullah bin bashir analitikasi

Abdullah bin bashir (@abdullahbinbashir) Bengal til segmentidagi kanali faol ishtirokchi. Hozirda hamjamiyat 11 298 obunachidan iborat bo'lib, Din & Maʼnaviyat toifasida 8 092-o'rinni va Bangladesh mintaqasida 2 030-o'rinni egallagan.

📊 Auditoriya ko‘rsatkichlari va dinamika

невідомо sanasidan buyon loyiha tez o‘sib, 11 298 obunachiga ega bo‘ldi.

27 Iyun, 2026 dagi oxirgi ma’lumotlarga ko‘ra kanal barqaror faollikka ega. Oxirgi 30 kunda obunachilar soni 71 ga, so‘nggi 24 soatda esa 4 ga o‘zgardi va umumiy qamrov yuqori darajada qolmoqda.

  • Tasdiqlash holati: Tasdiqlanmagan
  • Jalb etish (ER): Auditoriya o‘rtacha 19.52% darajada jalb etiladi. Nashrdan keyingi dastlabki 24 soatda kontent odatda umumiy obunachilar sonining 7.72% ini tashkil etuvchi reaksiyalarni to‘playdi.
  • Post qamrovi: Har bir post o‘rtacha 2 206 marta ko‘riladi; birinchi sutkada odatda 873 ta ko‘rish yig‘iladi.
  • Reaksiyalar va o‘zaro ta’sir: Auditoriya faol: har bir postga o‘rtacha 46 ta reaksiya keladi.

📝 Tavsif va kontent siyosati

Muallif resursni shaxsiy fikrni ifoda etish maydoni sifatida ta’riflaydi:
প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Yuqori yangilanish chastotasi (oxirgi ma’lumot 28 Iyun, 2026 da olingan) sababli kanal doimo dolzarb va katta qamrovli bo‘lib qoladi. Analitika auditoriya kontent bilan faol hamkorlik qilishini, uni Din & Maʼnaviyat toifasidagi muhim ta’sir nuqtasiga aylantirishini ko‘rsatadi.

11 298
Obunachilar
+424 soatlar
+97 kunlar
+7130 kunlar
Postlar arxiv
photo content

দুঃখজনক হলেও সত্য যে একদল আলেম এই খান্নাসগুলোকে মুসলিমদের উলুল আমর বলে, এবং এদের অনুমতি ছাড়া জিহাদ করা যাবে না বলে ফতোয়া দেয়!
দুঃখজনক হলেও সত্য যে একদল আলেম এই খান্নাসগুলোকে মুসলিমদের উলুল আমর বলে, এবং এদের অনুমতি ছাড়া জিহাদ করা যাবে না বলে ফতোয়া দেয়! আল্লাহ এদের ও এদের সহযোগী ওলামায়ে সু'দের ব্যাপারে সিন্ধান্তের ফায়সালা করে দিক। আমীন।

শরীফ মুহাম্মদ সাহেব একবার মাদানীনগর মাদরাসার পাশে এক মাহফিলে আলোচনা প্রসঙ্গে বলেছিলেন, এদেশে কওমী মাদরাসার সিলেবাস নিয়ে চিন্তিত বুদ্ধিজীবীদের অধিকাংশই গোসলের কয় ফরজ তাই জানে না! অথচ কওমী মাদরাসায় দ্বীনের কী সিলেবাস পড়াবে এটা নিয়ে তাদের মাথা ব্যাথার শেষ নেই!

মাদরাসা থেকে বাসায় আসার জন্য বাসে উঠলাম, পাশের দুইসিটে দুজন কলেজে পড়ুয়া ছেলে ছিলো। তারা কওমী মাদরাসার শিক্ষা বর্তমান সময়ে কেন অনুপযোগী তা নিয়ে তাত্ত্বিক আলাপ করতেছিলো। আগ্রহ নিয়ে শুনতেছিলাম। একজন বললো, “কুরআনের কোথায় বলা আছে সারাদিন শুধু কুরআন নিয়ে বসে থাকতে হবে!? অথচ দেশের মাদরাসাগুলোতে দেখ সারাদিন শুধু কুরআন পড়ায়!” পাশেরজন বেশ সহমত ভাই হয়ে মাথা নাড়তেছে আর ‘হুম’ করতেছে খেয়াল করলাম। ছেলেটা আরো জোড়ালো যুক্তি উপস্থাপন করে বললো, “মাদরাসাগুলোতে ফার্সি পড়ায়, বল এদেশে ফ্রান্সের ভাষা শিখানোর কোনো মানি আছে!? ফ্রান্সের ভাষা কেন শিখবে!” . এতক্ষণের মনোযোগি মনোভাব আর ধরে রাখতে পারলাম না! ভেবেছিলাম, কওমী মাদরাসা বা এদেশের মাদরাসা শিক্ষা নিয়ে কোনো সমাধান পেয়ে যাবো! হলো না আর!

দ্বীন ও শরীয়তের বিষয়াদি নিয়ে যারা গবেষণা করেন, বিশেষত একেবারে স্পর্শকাতর বিষয়গুলো নিয়ে যারা কথা বলেন, তারা যদি ছোট থেকে ছোট কোনো বিষয়েও বাচ্চাদের তাহকীক ও গবেষণার উপর নির্ভর করে কথা বলেন এবং নিজে সরাসরি বিষয়গুলো তাহকীক না করেন, তাহলে এক দিকে তা দ্বীন ও ইলমে দ্বীনের সঙ্গে খেয়ানতের শামিল হবে, অন্য দিকে তা মহান ব্যক্তির ব্যক্তিত্বকে প্রশ্নবিদ্ধ করে দেবে এবং তাঁর নির্ভরযোগ্যতাকেও নড়বড়ে করে দেবে। মাওলানা যুবায়ের হোসাইন হাফিজাহুল্লাহ

প্রচলিত গণতান্ত্রিক নির্বাচন নিয়ে একটি লেখা কিছুদিন আগে গ্রুপে দিয়েছিলাম, সে লেখাটি আমার সাইটে আপলোড করা হয়েছে। যারা সাইটে পড়
প্রচলিত গণতান্ত্রিক নির্বাচন নিয়ে একটি লেখা কিছুদিন আগে গ্রুপে দিয়েছিলাম, সে লেখাটি আমার সাইটে আপলোড করা হয়েছে। যারা সাইটে পড়তে আগ্রহি তারা এখান থেকে দেখে নিতে পারেন। https://abdullahbinbashir.me/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%9a%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%a4-%e0%a6%97%e0%a6%a3%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8d/

আবদুর রহমান ইবনে আবু নুম রাহিমাহুল্লাহর মাথায় প্রচুর উকুন ছিলো। উকুনের কারণে তিনি অতিষ্ঠ ছিলেন। উকুন নিধনের জন্য অনেককিছু করলেন, কোনো লাভ হলো না। একদিন তিনি আল্লাহর কাছে দু’আ করলেন- “হে আল্লাহ! আমার মাথায় অনেক উকুন। উকুন থেকে আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই।” আল্লাহ তার দু’আ কবুল করলেন। দু’আ শেষ করতে না করতেই তার মাথা থেকে বলের মতো উকুনগুলো ঝরে পড়লো। আমরা ছোটোখাটো বিষয়ে কি আল্লাহর কাছে দু’আ করি? মাথায় খুশকি আছে, স্যাম্পু ব্যবহার করে কাজ হচ্ছে না। আল্লাহর কাছে কি দু’আ করি- “আল্লাহ! আমার মাথার খুশকি দূর করে দিন?” ছোটোখাটো ব্যাপারে আল্লাহর কাছে সাহায্য চাই না কেনো? আমাদের কি মনে হয় ছোটোখাটো ব্যাপারে আল্লাহ সাহায্য করেন না? কিংবা এসব ছোটোখাটো ব্যাপারে আল্লাহর কাছে চেয়ে কী হবে? সালাফগণ ‘ছোটোখাটো’ ব্যাপারেও আল্লাহর কাছে সাহায্যপ্রার্থনা করতেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন: “তোমাদের প্রত্যেকেই যেন তার প্রতিটি অভাব পূরণের উদ্দেশ্যে তার রবের নিকটে প্রার্থনা করে, এমনকি তার জুতার ফিতা ছিঁড়ে গেলে তাও যেন তাঁর নিকটে চায়।” [জামে আত-তিরমিজি: ৩৬০৪] @কপি

ইসলামি রাষ্ট্রে আলেমদের সম্মান দেখুন, কিছুদিন পূর্বে ইমারতে ইসলামিয়া আফগানিস্থানে সফর করেন পৃথিবীর বিখ্যাত কয়েকজন আলেম। সফরে তারা ইমারার প্রতিরক্ষামন্ত্রী মোল্লা ইয়াকুবের সাথে সাক্ষাত করেন, সে সাক্ষাতের ভিডিও এটি। বি. দ্র. মোল্লা ইয়াকুব হলেন তালেবান আন্দোলনের প্রতিষ্ঠিতা আমিরুল মুমিনিন মোল্লা ওমর রহ.-এর সুযোগ্য সন্তান।

অবাক বিষয় খেয়াল করলাম এত আলোচনা সমালোচনা উপেক্ষা করেও পাঠ্যপুস্তকের ইতিহাসবিকৃতি থেমে নেই। বিষেশত, পঞ্চম-ষষ্ঠ শ্রেণী থেকে শুরু করে একেবারে মাধ্যমিক পর্যায়ে পর্যন্ত বাংলাদেশের প্রতিটি পাঠ্যপুস্তকে নজিরবিহীন ইতিহাস বিকৃতি ঘটেছে। একজন শিক্ষকের পাশাপাশি ইতিহাস ও প্রত্নতত্ত্বের গবেষক এবং অবশ্যই কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিসেবে এই বিষয়টি নিয়ে কথা বলা আমি নিজের দায়িত্ব মনে করছি। সুপ্রিয় পাঠক এবং শ্রোতা দর্শক আপনাদের আগ্রহ থাকলে আমি প্রতিটি ক্লাসের ইতিহাস বই নিয়ে তার ভুলের জায়গাগুলো আপনাদের সামনে তুলে ধরতে চাই। প্রথম পাতা জুড়ে অন্তত ডজন খানেক লেখকের নাম থাকলেও সেখানে কোন সম্পাদক নেই। অথচ শিশুদের বই লেখার ক্ষেত্রে নানা ধাপে সম্পাদনা থাকা জরুরি। এমনকি কপি এডিটর এবং ভাষাগত সম্পাদনার জন্য আলাদা মানুষ থাকতে হবে। প্রথমে লেখকের হাতে বই তার নিজস্ব গতিতে তৈরি হবে। পান্ডুলিপি হিসেবে বই হাতে পাওয়ার পর কপি এডিটর পুরো বইটি পড়ে দেখে নানা স্থানে প্রয়োজনীয় সংস্কার করবেন। পাঠ্যপুস্তক প্রণয়নের সবথেকে জটিল এবং গুরুত্বপূর্ণ কাজটি হল বইয়ের ভাষাগত সম্পাদনা এবং সুখপাঠ্য করা। বর্তমান গ্রন্থগুলো হাতে নিলে অভিজ্ঞ মানুষ মাত্র বুঝতে পারবেন এখানে ভাষাগত সম্পাদনা কিংবা বইকে সুখপাঠ্য করার কোন উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। অথচ অবাক করার বিষয় হলেও সত্য আমরা এই বইগুলোই শিশুদের পড়ার জন্য তাদের হাতে তুলে দিতে যাচ্ছি। ‌ বইগুলো কোনরকম সম্পাদনা করা হয়নি তার বড় প্রমাণ বইয়ের প্রথম পাতাতেই রাখা হয়েছে। অজ্ঞাত ক্ষমতা বলে যারা লেখক হয়েছেন তারাই নিজের লেখার সম্পাদক হিসেবে সরাসরি উপরে উল্লেখ করেছেন 'রচনা ও সম্পাদনা' শীর্ষক অংশ। আমি সবথেকে ভয় পেলাম একটা কারণে যে এখানে এমন ব্যক্তিও লেখক হিসেবে আছেন; যিনি জটিল বাক্যের কারণে তার লেখা নিজে পড়ে ব্যাখ্যা করতে গেলেও প্রতিবার ভিন্ন রকম অর্থকরে গুলিয়ে ফেলবেন। যাই হোক ইতিহাসবিকৃতির এই ভয়াবহতা নিয়ে আমাদের এখনই মুখ খোলা উচিৎ। এমনিতেই প্রাচীন এবং মধ্যযুগের বাংলার ইতিহাস দিয়ে তেমন গবেষণা হয় না বললেই চলে। অধ্যাপক আহমেদ হাসান দানী, অধ্যাপক আব্দুল মমিন চৌধুরী, অধ্যাপক আব্দুল করিম, অধ্যাপক একেএম ইয়াকুব আলী, অধ্যাপক মোফাখখারুল ইসলাম, অধ্যাপক এবিএম হোসেন, অধ্যাপক শাহানারা হোসেন, অধ্যাপক একেএম শাহনাওয়াজ, অধ্যাপক মোজাহিদুল ইসলাম কিংবা সম্প্রতি ইফতেখার ইকবালের পর বাংলাদেশের প্রাচীন ও মধ্যযুগের ইতিহাস নিয়ে সুস্পষ্ট ধারণা আছে এমন ব্যক্তির সংখ্যা খুঁজে পাওয়া কম। বিশেষকরে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতার চাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সুবিধা প্রাপ্তির আশা শিক্ষার্থীদের বাধ্য করে প্রাচীন ও মধ্যযুগ বাদ দিয়ে উপনিবেশিক সময়কালের পর থেকে স্বাধীন বাংলাদেশ নিয়ে গবেষণা করতে। ফলে আমাদের প্রজন্মের কাছে প্রাচীন এবং মধ্যযুগ পুরোপুরি অবহেলিত থেকে যায়। এর ফলাফল কতটা ভয়াবহ তা আমি অনুমান করতে পেরেছিলাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন সিনিয়র অধ্যাপিকা যখন অধ্যাপক শাহনাওয়াজ স্যারকে প্রশ্ন করেছিলেন 'স্যার বখতিয়ার খলজি আলাউদ্দিন হোসেন সাহের আগে নাকি পরে? অথচ ওই অধ্যাপিকা স্বঘোষিত বিরাট নারীবাদী এবং তার সাগরেদদের বর্ণনায় বাংলাদেশের সেরা ইতিহাসবিদের একজন। কিন্তু মধ্যযুগের ইতিহাস নিয়ে এই ন্যূনতম ধারণাটুকু তিনি রাখেন না। ধারণা না রাখা সমস্যার কিছু না। ‌ মূল ভেজালের জায়গা হচ্ছে হাঁটু পানিতে নামার সক্ষমতা না থাকা মানুষগুলো যখন লুঙ্গি কাছা মেরে কিংবা ল্যাংটা হয়ে অক্সিজেন সিলিন্ডার ছাড়া গভীর সমুদ্রে স্কুবা ডাইভিং শুরু করে। ইতিহাস থেকে কি ধরনের ভয়াবহ তথ্য বিকৃতি ঘটেছে এবং বর্ণনার ক্ষেত্রে কতটা সাম্প্রদায়িকতা এবং নগ্ন জাতিবিদ্বেষ প্রবেশ করানো হয়েছে আমি সে বিষয়গুলো নিয়ে কথা বলতে চাই। ‌ সুপ্রিয় শ্রোতা দর্শক এবং প্রিয় পাঠক আপনারা কোন বিষয়ে ফোকাস করলে ভালো হয় এ বিষয়ে মন্তব্যে জানাতে পারেন। এতে আমার পক্ষে আলোচনা সহজ সাবলীল এবং সবার জন্য বোধগম্য করা সম্ভব হবে। কারিকুলাম নিয়ে কথা বলবেন শিক্ষা গবেষকরা, এটা নিয়ে কথা বলার অধিকার আমার নাই। কারণ বাংলাদেশের বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষা ও গবেষণা বিষয়ক অনুষদে এটি নিয়ে ব্যাপক গবেষণা ও পাঠদান করা হয়। তারপরেও বাংলাদেশের শিক্ষানীতি প্রণয়নের সঙ্গে যুক্ত থাকার নামান্তে দু পয়সা ইনকামের ধান্দায় যারা গায়ের জোরে কম্বলের মধ্যে পা ঢুকিয়ে দেন তারা এক অর্থে অসভ্য। তাদের ব্যাপারে কথা বলে মুখ নষ্ট করার আগ্রহ আমার নাই। ©

শাইখুল ইসলামের এই ঐতিহাসিক বয়ান ইউটিউব কর্তৃপক্ষ সরিয়ে দিচ্ছে। এখানে সংগ্রহ হিসেবে থাকুক। ইনশাআল্লাহ, এই বয়ান উম্মতকে আন্দোলিত করবে।

পুরো পৃথিবী আমেরিকার গোলাম আমেরিকার প্রভুতত্ত্ব . এবিষয়গুলো শায়খ রহ. দুই যুগ আগেই উম্মতের সামনে পেশ করে গিয়েছেন। উম্মতের শার্দুলরা সে তত্ত্বে আন্দোলিত হয়েছিলো এবং এখনো হচ্ছে। আজ শাইখুল ইসলামের পাক যবানেও আল্লাহ সে তত্ত্বগুলো বের করলেন, ইনশাআল্লাহ উম্মত এবার আরো বড় পরিসরে আন্দোলিত হবে।

শাইখুল ইসলাম যে জায়গা থেকে এই কথাগুলো বলেছে, এখন নাপাক বাহিনি তাদের প্রভুদের ইশারায় হযরতকে শহিদ না করে দিলেই উম্মতের জন্য এই নাপাক বাহিনির বড় ইহসান হবে! . আল্লাহ হযরতকে হিফাজত করুক। হযরতের এই কথাগুলো মু*জা*হিদে উম্মতের জন্য অনেক বড় রহমত হবে সামনের দিনগুলোতে ইনশাআল্লাহ।

আসলেই বিষাক্ত মেডিসিনের বাস্তবতা জানা নেই। তবে পুজিবাদি এই পৃথিবীতে এটা অসম্ভব নয়। গ্রুপে যদি এ বিষয়ে কোনো বিশেষজ্ঞ থাকেন বা কারো পরিচিত কোনো বিশেষজ্ঞ থাকে তাহলে এই বিষয়টি একটু তাহকিক করার অনুরোধ রইলো। কারন ড্রাগন ফল বর্তমান এদেশের সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয় একটি ফল। আমাদেত ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রশ্ন এটি।

দুইটার যেটাই হয়, ইমাম জুয়াইনি থেকে ইদরিস কান্ধলবিসহ জমহুর ওলামাদের রায় হলো শাসনকার্য পরিচালনায় নারীদের সাক্ষ্যগ্রহণ করা যাবে না৷ তাহলে গণতন্ত্রের নির্বাচনে নারীর সাক্ষ্য পূর্ণরূপে গ্রহনীয় হয়, তাহলে তা শাহাদাতের সাথে কিভাবে মিললো? আর যদি মিলে তাহলে কিভাবে? ২. ইসলামে শরীয়তে সর্বসম্মত মত হলো, নারীর শাহাদাত পুরুষের অর্ধেক। কিন্তু গ*ণ*তন্ত্রের নির্বাচনে নারী-পুরুষের ভোট সমান। শাহাদাত যদি হয় তাহলে কিভাবে নারী-পুরুষের সাক্ষ্য সমান হওয়া কোন দলিলের ভিত্তিতে বিবেচিত হলো? ৩. নারী পার্থীদের ভোট দেওয়ার বিধান কী? পুরুষ বিদ্যমান থাকা অবস্থায় নারীর বিষয়ে সাক্ষ্য দেওয়ার কী বিধান? ৪. মানলাম এই যুগে আদালাতের পূর্ণ শর্ত পাওয়া যাবে না। তাই বলে স্পষ্ট মদখোর, ঘুষখোর, গাঞ্জাখোর, দুর্নীতিবাজ যাদের বিষয়গুলো সকলেই জানে, তাদের সাক্ষ্য আর একজন ন্যায়পরায়ণ নামাজি ব্যক্তির সাক্ষ্যি এক হয়ে যাচ্ছে, গ*ণ*তন্ত্রে কি এই ধরনের খারাপ মানুষের সাক্ষ্য নেওয়া হবে না বলে কোনো বক্তব্য আছে? ৫. পাঁচ বছর মেয়াদি সাক্ষ্যের ইসলামি শরীয়তের কোন দলিলের আলোকে হচ্ছে। দিলের খবর আল্লাহ জানে। গ*ণ*তন্ত্রের নির্বাচনকে শাহাদাতের সাথে তাকয়িফ করা থেকে এই প্রশ্নগুলো মাথায় ঘুরছে।

প্রচলিত গ*ণ*তা*ন্ত্রিক নির্বাচন ও দুটি কথা : এক. প্রচলিত গ*ণ*ত*ন্ত্র ও তার নির্বাচন পদ্ধতি মুসলিম ইতিহাসে কখনোই ছিলো না। এই পদ্ধতি মুসলিমরা সেচ্ছায় গ্রহণ করেনি। বহু হত্যা আর জুলুমের পরে মুসলিমদের উপর তা চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। মুসলিম বিশ্ব যখন থেকে এই নির্বাচন দেখে এসেছে তখন থেকে আজ পর্যন্ত মুসলিমরা ছিলো পরাজিত ও লাঞ্চিত। তাই পরাজিত মানসিকতা থেকে ও কেউ কেউ অপারগ হয়ে নির্বাচনকে গ্রহণ করে নেয়। কিন্তু বর্তমান সময়ে সেই অপারগ মাসআলাকে শরিয়তের গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ করে মুসলিম উম্মাহের সামনে পেশ করা হচ্ছে। মাসআলা এতটুকু পর্যন্ত গড়িয়েছে যে, এখন গ*ণ*ত*ন্ত্রের গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ নির্বাচনকে শুধু প্রয়োজনে জায়েযের পর্যায়েই নয় বরং ওয়াজিব বলে পেশ করা হচ্ছে, আর যারা এই নির্বাচনের খারাপি উম্মাহকে তুলে ধরছে তাদেরকে বলা হচ্ছে উগ্রাবাদি! দুঃখজনক হলো এই মাসআলা ওলামায়ে দেওবন্দেরই একটি বড় অংশ এখন প্রচার করছে! . যাইহোক, মুসলিমদের উপর গ*ণ*তন্ত্র ও তার নির্বাচন চাপিয়ে দেওয়ার শত বছরের মাথায় আল্লাহ জমিনের এখ ছোট্ট ভুখণ্ডে ইসলামি শাসন ও প্রকৃত মুসলিম শাসক প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সেখানে সম্পূর্ণ ইসলামি শক্তি ও ভাবধারা সামনে রেখে, ইসলামি আত্মমর্যাদাবোধ সম্পন্ন একজন মুসলিম বিচারপতি নির্বাচন বিষয়ে বাস্তবতা তুলে ধরেছেন। আমি তার লেখাটুকু তুলে ধরছি। এখন মুসলিমরা ভেবে দেখুক, ইসলামি আইনের ও শক্তির অধিনে থাকা একজন গাইরাতবান ব্যক্তির ফতোয়া মেনে নিবে, না পরাজিত জাতির মধ্যকার কোনো আলেমের। . বর্তমান ই*মা*রতে ইসলামিয়া আফ*গা*ন*স্তানের কাজিউল কুজাত আব্দুল হাকিম হ*ক্কা*নী হাফিজাহুল্লাহ লেখেন, “আধুনিক গণতান্ত্রিক নির্বাচন-পদ্ধতি দ্বারা শাসক নির্বাচন জেনে রাখবেন, আধুনিক নির্বাচন-ব্যবস্থার স্বপক্ষে কোনো প্রকার শরয়ি দলিল-প্রমাণের সমর্থন নেই। মুসলিম উম্মতের কাছেও এটা সম্পূর্ণ অপরিচিত এক বিষয়। আসলে এর মধ্যে যদি সত্যিই কোনো কল্যাণ থাকত, তবে সাহাবায়ে কেরাম নিশ্চয় তা এড়িয়ে যেতেন না। বস্তুত এটা উগরে এসেছে কাফেরদের থেকে আমদানিকৃত জাহেলি গণতান্ত্রিক-ব্যবস্থার পেট হতে। তাই সহজেই বলা যায়, মুসলিম জাতির জন্য এ বিষয়ের চর্চা একেবারেই অনুচিত। উপরন্তু এই নির্বাচন-পদ্ধতি বহুবিধ অকল্যাণ ও সমস্যার কেন্দ্র। যেমন: তার কিছু হলো- ১. এটা সমাজের মাঝে মতভেদ, বিবাদ, বিচ্ছিন্নতা ও অনৈক্যের বীজ বপন করে। মানুষের মাঝে জাতীয়তা, দলীয় চেতনা ও ভাষার আড়ালে নিন্দিত ও নিকৃষ্ট সাম্প্রদায়িকতার বিষবাষ্প ছড়িয়ে দেয়। অথচ হাদিসে দেখা যায়, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জাতীয়তাবাদের আহ্বানকে জাহেলি ও পূতিগন্ধময় আহ্বান বলে অভিহিত করেছেন। ২. আধুনিক নির্বাচন-ব্যবস্থা মতামত প্রদানের ক্ষেত্রে সকলের সমতার নীতির ওপর প্রতিষ্ঠিত। ফলে এখানে বিবেচক আলেম আর পাপাচারী। জাহেলের পাল্লা সমান, নারী ও পুরুষের ওজন সমান, এমনকি মুমিন ও কাফেরকেও এখানে একইভাবে মূল্যায়ন করা হয়। গণতান্ত্রিক শাসক নির্বাচনের এই প্রক্রিয়ায় প্রতিটি মানুষকে তাদের বৈশিষ্ট্য ও গুণগত ভার থেকে মুক্তি দিয়ে একই কাতারে এনে দাঁড় করানো হয়। তাই এই পদ্ধতি ইসলামের শিক্ষার সম্পূর্ণ বিপরীত। ৩. . বিভিন্ন গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে আমরা সব সময় দেখি, এই অসুস্থ পদ্ধতির চর্চায় সম্পূর্ণ শরিয়ত অসমর্থিত পন্থায় অবাধে ব্যক্তিগত ও রাজকোষের সম্পদ অপচয় করা হয়। ৪. নির্বাচনের প্রতিটি প্রার্থী হাজারো মিথ্যা প্রতিশ্রুতির মাধ্যমে মানুষকে তাকে ভোট প্রদানের জন্য ডাকে। উপরন্তু এটা শরিয়তের নিষিদ্ধ বিষয় নেতৃত্ব কামনার অন্তর্ভুক্ত। ৫. গণতান্ত্রিক নির্বাচন-পদ্ধতি শরিয়তের নিষিদ্ধ কর্মসমূহ থেকে মুক্ত থাকতে পারে না। ভোট পাওয়ার জন্য সাধারণ জনতার সাথে ধোঁকাবাজি করা, অর্থ ও ঘুষের মাধ্যমে ভোটব্যাংক তৈরি করাসহ এমন নানা মন্দাচার গণতান্ত্রিক নির্বাচনি ফলাফলকে ভীষণভাবে প্রভাবিত করে। আমার আলোচনা এটুকুই। সঠিক বিষয়ে আল্লাহ সর্বজ্ঞ।” (সূত্র: আলইমা*রাতুল ইসলামিয়া) . দুই. গ*ণতন্ত্রের নির্বাচন শাহাদাত ও কয়েকটি প্রশ্ন : গ*ণতন্ত্রের নির্বাচনকে যারা জায়েয বলেন, তারা এটাকে শরীয়তের শাহাদাত বা সাক্ষ্যের সাথে তাকয়িফ করে থাকেন। আকাবীরে দেওবন্দের কয়েকজন মহিরুহের লেখায় এভাবে পাওয়া যায়। উনাদের লেখাগুলো পড়ে কয়েকটি খটমা জেগেছে। যেহেতু ফেসবুকে এই নিয়ে আলোচনা চলছে তাই এই বিষয়ের খটকাগুলো এখানেই আলোচনা করা যেতে পারে। ১. গ*ণ*তন্ত্রের নির্বাচন কী শাসক নির্বাচনের সাক্ষ্য, নাকি, আহলুল হাল্লি ওয়াল আকদ নির্বাচনের সাক্ষ্য। যদি শাসক নির্বাচন হয়, তাহলে শাসক নির্বাচনের জন্য সাক্ষ্য ইসলামের কোথায় আছে? শুধুই সাক্ষ্য? না কি, এখানে ক্ষমতায় যাওয়ার উপর নিজের মতকে অন্যের উপর চাপিয়ে দেওয়া?

বিশ্ব নন্দিত ওলামায়ে কেরাম চলমান সংকট উত্তরণে ইমারাতে আফগানের সরকারের সাথে এক জরুরী বৈঠক করেছেন। ইসলামিক ওয়ার্ল্ড স্কলারস ইউন
বিশ্ব নন্দিত ওলামায়ে কেরাম চলমান সংকট উত্তরণে ইমারাতে আফগানের সরকারের সাথে এক জরুরী বৈঠক করেছেন। ইসলামিক ওয়ার্ল্ড স্কলারস ইউনিয়নের পক্ষ থেকে প্রতিনিধি দলটিতে উপস্থিত ছিলেন ইমাম হাসান আল দাদো শানকেতি, ড. আলি আল কারাদাগি, ড. নাওয়াফ তাকরুরি, ড. আলি সাল্লাবি, ড. মুহাম্মাদ মুহসিন, ড. সাঈদ বাশার সহ এর মত বিদগ্ধ আলেমে দ্বীন। অনুষ্ঠিত মিটিংয়ে পাকিস্তান থেকে বেআইনিভাবে পাঠানো আ/ফগা/ন শরণার্থী সমস্যা, হেরাত প্রদেশে ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ ও ফিলিস্তি/ন সংকট নিয়ে আলোচনা হয়। ফিলিস্তি/ন উলামা পরিষদের চেয়ারম্যান শায়খ নাওয়াফ তাকরুরি বলেন, ইসলামী বিশ্বের উলামায়ে কেরাম সর্বদা আফগানিস্তান ইসলামী ইমারতের সাথে আছেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী আমির খান মুত্তাকি তেল উত্তোলনের দিকে ইশারা করে বলেন, প্রথমবারের মতো আফগাানিস্তান একসাথে বহুমুখী উন্নয়ন ঘটাতে সক্ষম হচ্ছে। কয়েকদিন আগে বিশ্বের তেল উৎপাদনকারী দেশের তালিকায় আফগাানিস্তানের নামও যুক্ত হয়েছে, আলহামদুলিল্লাহ!

উম্মাহের শ্রেষ্ঠ কাফেলার লোকদের উপর মিথ্যা অপবাদ দেওয়াই হলোও মাদখালি ফিরকার গুরু আর তার অনুসারী আবু বকর জাকারিয়াদের এজেন্ডা!
উম্মাহের শ্রেষ্ঠ কাফেলার লোকদের উপর মিথ্যা অপবাদ দেওয়াই হলোও মাদখালি ফিরকার গুরু আর তার অনুসারী আবু বকর জাকারিয়াদের এজেন্ডা! অথচ মুজাহিদরাই তাদের সকলকিছুকে সবচেয়ে বেশি কুরবানী করে থাকে! মিথ্যা অপবাদ দেওয়া এদের উপর আল্লাহর লানত পড়ুক।

আল্লাহর হাকিমিয়্যাতের লেখক মাওলানা যুবায়ের সাহেব দা.বা.কে চিনেন না এমন তালেবে ইলম খুজে পাওয়া মুশকিল। চিন্তার জগতকে নাড়িয়ে দেওয়া হুজুরের কিছু লেখা যা উনি ফেসবুকে লেখেছে, সেগুলো কোনো এক ভাই পিডিএফ করেছেন। আল্লাহ তাকে জাযায়ে খায়ের দান করুক। আমীন। হুজুরের আইডি লিংক: https://www.facebook.com/zubairhosain70?mibextid=ZbWKwL

চাও জিহাদ! আর হও মাদখালি! কীভাবে সংসার আর রাষ্ট্র চলবে।
চাও জিহাদ! আর হও মাদখালি! কীভাবে সংসার আর রাষ্ট্র চলবে।

মুমিনের দিল শান্তি করা একটি ভিডিও। আফগান ইমারার সফলতা। আল্লাহ এতে আরো বারাকাহ দিক। তাদের সকল ফিতনা থেকে হিফাজত করুক ও তাদের নিরাপদ রাখুক। তাদের মাধ্যমে পুরো উম্মাহকে উপকার পৌঁছাক। আমীন।