uz
Feedback
Abdullah bin bashir

Abdullah bin bashir

Kanalga Telegram’da o‘tish

প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Ko'proq ko'rsatish

📈 Telegram kanali Abdullah bin bashir analitikasi

Abdullah bin bashir (@abdullahbinbashir) Bengal til segmentidagi kanali faol ishtirokchi. Hozirda hamjamiyat 11 290 obunachidan iborat bo'lib, Din & Maʼnaviyat toifasida 8 155-o'rinni va Bangladesh mintaqasida 2 033-o'rinni egallagan.

📊 Auditoriya ko‘rsatkichlari va dinamika

невідомо sanasidan buyon loyiha tez o‘sib, 11 290 obunachiga ega bo‘ldi.

21 Iyun, 2026 dagi oxirgi ma’lumotlarga ko‘ra kanal barqaror faollikka ega. Oxirgi 30 kunda obunachilar soni 76 ga, so‘nggi 24 soatda esa -3 ga o‘zgardi va umumiy qamrov yuqori darajada qolmoqda.

  • Tasdiqlash holati: Tasdiqlanmagan
  • Jalb etish (ER): Auditoriya o‘rtacha 18.18% darajada jalb etiladi. Nashrdan keyingi dastlabki 24 soatda kontent odatda umumiy obunachilar sonining 7.96% ini tashkil etuvchi reaksiyalarni to‘playdi.
  • Post qamrovi: Har bir post o‘rtacha 2 052 marta ko‘riladi; birinchi sutkada odatda 899 ta ko‘rish yig‘iladi.
  • Reaksiyalar va o‘zaro ta’sir: Auditoriya faol: har bir postga o‘rtacha 49 ta reaksiya keladi.

📝 Tavsif va kontent siyosati

Muallif resursni shaxsiy fikrni ifoda etish maydoni sifatida ta’riflaydi:
প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Yuqori yangilanish chastotasi (oxirgi ma’lumot 22 Iyun, 2026 da olingan) sababli kanal doimo dolzarb va katta qamrovli bo‘lib qoladi. Analitika auditoriya kontent bilan faol hamkorlik qilishini, uni Din & Maʼnaviyat toifasidagi muhim ta’sir nuqtasiga aylantirishini ko‘rsatadi.

11 290
Obunachilar
-324 soatlar
+387 kunlar
+7630 kunlar
Postlar arxiv
সিয়াসাত বিষয়ক অনেকেই পরামর্শ করেন আমার সাথে। এর মধ্যে অনেকেই আগ্রহ প্রকাশ করেন এক বছর স্বতন্ত্র এই বিষয়ে পড়াশোনা করবেন। তাদের
সিয়াসাত বিষয়ক অনেকেই পরামর্শ করেন আমার সাথে। এর মধ্যে অনেকেই আগ্রহ প্রকাশ করেন এক বছর স্বতন্ত্র এই বিষয়ে পড়াশোনা করবেন। তাদের জন্য আপাতত এটাই পরামর্শ যে, আমি কোনো মাদরাসায় স্বতন্ত্র সিয়াসাত পড়াই না৷ আমাদের ইফতায় এক ফাতরার একটি দরসি মাত্র থাকে সিয়াসাত বিষয়ক। তাই যারা স্বতন্ত্র এই বিষয়ে পড়তে চান তারা মারকাযুস সাহওয়াতে যোগাযোগ করতে পারেন দ্রুত। এখানের পড়ালেখার মান ও নেসাব খুবই চমৎকার। . জাযাকাল্লাহ খাইরান।

আগামীকাল সকাল ৮টা থেকে মাদরাসাতু আলী রা.-র ইফতা বিভাগের ভর্তি পরিক্ষা শুরু। . যে সকল ভাইরা আমাদের উপর আস্থা রেখে ছাত্র বা আত্মীয় পাঠাবেন বলেছেন, তারা যথাসময়ে পাঠিয়ে দিবেন ইনশাআল্লাহ। আল্লাহ আপনাদের কবুল করুন। আমীন।

যারা দু'বছর যোগ্যা, অভিজ্ঞ সময় সম্পর্কে সচেতন উস্তাদদের নিবিড় তত্ত্বাবধানে দু'বছর ইফতা ও হাদিস নিয়ে বিশেষভাবে পড়তে চান তারা ম
যারা দু'বছর যোগ্যা, অভিজ্ঞ সময় সম্পর্কে সচেতন উস্তাদদের নিবিড় তত্ত্বাবধানে দু'বছর ইফতা ও হাদিস নিয়ে বিশেষভাবে পড়তে চান তারা মৌচাকে সীমিত পরিসরে তৈরি হওয়া মাহাদুল ইতেসামে যোগাযোগ করতে পারেন ইনশাআল্লাহ। . মাওলানা যুবায়ের হোসাইন সাহেবসহ বেশকিছু মুরব্বিদের সরাসরি তত্ত্বাবধান মাদরাসাটি পরিচালিত। . আগামীকাল সেখানের দ্বিতীয় পর্বের ভর্তি পরিক্ষা। আগ্রহীরা আজ থেকেই মাদরাসায় উপস্থিত হয়ে যেতে পারি। .

কুমিল্লা ও তার আশপাশের ভাইরা এই মাদরাসায় নিজের সন্তান, ছোট ভাই ও আত্মীয়দের ভর্তি করাতে পারেন। একঝাক স্বপ্নবাজ ও মুখলিস তরুন আ
কুমিল্লা ও তার আশপাশের ভাইরা এই মাদরাসায় নিজের সন্তান, ছোট ভাই ও আত্মীয়দের ভর্তি করাতে পারেন। একঝাক স্বপ্নবাজ ও মুখলিস তরুন আলেমদের হাতে পরিচালিত, সাথে রয়েছেন উম্মাহ দরদি কিছু মুরব্বির নেক দোয়া৷ . ইনশাআল্লাহ, নিশ্চয়তার সাথে বলা যায় এখানে ভালো পড়া লেখা হয় এবং আপনার সন্তানকে যোগ্য আলেম বানানোর ফিকিরই উস্তাদদের একমাত্র ফিকির! বাকিটা আল্লাহর তাওফিক।

এক আলোচনাতে কমছে কম ৩০ থেকে ৪০ বার মালোশিয়ার নাম উচ্চারণ করা ও তাদের পলিসিগুলো কতটা উপযুক্ত তা বুঝানো ভাইটিও বলতেছে, বাংলাদেশে আফগানি মডেল চিন্তা করাটা একটা বড় ধরনের সমস্যা! এবং যারা এটা বলেন তারা ইসলামের প্রকৃত মর্মই নাকি বুঝে নাই৷ . মৃত্যু পর্যন্ত আরো কত সার্কাস ও সার্কাসের জোকারদের দেখতে হবে আল্লাহই জানে। . অথচ বাস্তবতা হলো যারা এদেশে আফগানিস্তানের না বেশি নেয়, আফগানিস্তানের আলোচনাগুলো খুব করে তারা কেউই হুবহু আফগানি সংস্কৃতি বা আফগানিদের পূঙ্খানুপুঙ্খ ফলো করতে বলে না। তারা অর্ধ সত্যগুলো খুব দেদারসে এতেদালের সাথে! কিন্তু বুদ্ধবৃত্তিক চাপাবাজগুলোর অসততা এই জায়গাতেই।

মিশন অব্যাহত রাখায় সবাইকে ধন্যবাদ আজাজিলের। সন্ধায় এক জনাকীর্ন সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন৷ লিখিত বক্তব্যে আজাজিল বলেন, আজকাল মুখস্থ বক্তব্য দেয়ার সুযোগ নেই। একটু বেফাঁস কথা বললেই ভাইরাল হয়ে যাবে। আমার কোনো লাভ হবে না, লোকজনের গালি শুনবো কিন্তু ইউটিউবাররা বড়লোক হয়ে যাবে। তাই লিখিত বক্তব্য দিয়েই ক্ষান্ত হচ্ছি। দীর্ঘ এক মাস বন্দি ছিলাম। ফলে মিশনের সাফল্য নিয়ে কিছুটা দুশ্চিন্তা ছিল। কিন্তু আমার ঘনিষ্ঠ শিষ্য বিশ্বমোড়লদের কর্মতৎপরতায় মিশনে কোনো ব্যাঘাত ঘটেনি। স্নেহের টিকটকাররাও তাদের দায়িত্ব পালনে সচেষ্ট ছিল। স্নেহের ট্রাম্প তো একটা বড়সড় যুদ্ধই বাঁধিয়ে দিয়েছে। ছোট ভাই আসেম মুনিরও নিজের বংশের মুখ উজ্জ্বল করছে। এই বংশটি রত্নগর্ভা বংশ। গনহত্যাকারী থেকে সাইকোপ্যাথ সবই পাওয়া যায় এই বংশে। তার বাবা ইয়াহইয়া খানের সাথে আমার ভালো সম্পর্ক ছিল। আমার পরামর্শমত সে বাংলাদেশে গনহত্যা চালায়। নারীবিলাসেও সে বেশ এগিয়ে ছিল। মুনিরের দাদা আইয়ুব খানও অনেক গুনে গুনান্বিত ছিলেন৷ তার চাচাতো ভাই পারভেজ মোশাররফ ছিল আরেক চিজ। তার যুগে সে আমার অন্য সকল শিষ্যের চেয়ে শয়তানিতে এগিয়ে ছিল। আমি বন্দি থাকাকালে বিভিন্ন গুজবপেইজের এডমিনরা সফলভাবে প্রোপাগান্ডা চালিয়ে গেছে। যাকে উঠানো দরকার উঠিয়েছে, যাকে নামানো দরকার নামিয়েছে। এই মাসটি ছিল তাদের তরবিয়তি মাস। এ মাসেই যেহেতু ভাল কাজ করেছে, আশা করি সারাবছর এই ধারা অব্যাহত থাকবে। সবার জন্য শুভেচ্ছা। সকালে ছোট ভাই এমামুজ্জামান সেলিমের সাথে ঈদগাহে যাব। যারা আসবেন দেখা হবে।

যাদের সম্ভব হয় তারা এই খাতেও কিছু সদকাহ কর‍তে পারি।
যাদের সম্ভব হয় তারা এই খাতেও কিছু সদকাহ কর‍তে পারি।

এই হলো জামাতি ভাইদের অবস্থা!
+1
এই হলো জামাতি ভাইদের অবস্থা!

photo content

হিউম্যানিজম (পশ্চিমা সভ্যতা): এক নতুন ধর্ম হিউম্যানিজম-এক আকর্ষণীয় মোড়ক; তবে এর ভেতরে রয়েছে স্তূপীকৃত ভয়ানক দুর্গন্ধ ও কদর্যতাযুক্ত আধুনিক কুফর। এ কুফর পূর্বের যেকোনো সময়ের চেয়ে অধিক দুর্গন্ধময় ও ভয়াবহ। আধুনিক এ কুফর ও জান্দাকা আমাদের সমাজে দ্বীন থেকে দূরে থাকা ছেলে-মেয়েদের ঈমান ছিনতাই করছে এবং চুপিসারে ইরতিদাদ-ধর্মত্যাগের পরিবেশ কায়েম করছে। এই কুফর হিন্দু, খ্রিষ্টান বা ইহুদি ধর্মের পোশাকে আসেনি; এসেছে বিজ্ঞান, গবেষণা ও যুক্তিবাদের পোশাকে। এ ধর্মের কোনো নির্দিষ্ট নাম নেই, অন্য ধর্মের যেমন রয়েছে-হিন্দু, ইহুদি ইত্যাদি। এ ধর্মের কাছে আকিদা ও ওহীর সামান্যতম গুরুত্বও নেই; তবে বিজ্ঞান, যুক্তি, পর্যবেক্ষণ ও অভিজ্ঞতার গুরুত্ব রয়েছে ঢের। এই ধর্মের অনুসারীরা ইসলাম নাম উচ্চারণ না করেও মহাবিশ্ব ও মানুষ সৃষ্টিতত্ত্ব ইত্যাদি বিষয়ে ব্যাখ্যার মাধ্যমে ইসলাম নিয়ে হাসি-ঠাট্টা করে। নাউজুবিল্লাহ! পূর্বেকার জামানায় যারা মুরতাদ হতো, তারা পুরোনো কোনো মিথ্যা ধর্ম গ্রহণপূর্বক মন্দির, গির্জা ইত্যাদিতে গিয়ে ইবাদত করত। মুসলিম সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে মুসলিমদের থেকে সামাজিক, আর্থিক, রাজনৈতিক সব ধরনের সম্পর্ক ছিন্ন করত। জীবনযাপন, আহার-খাদ্য, সভ্যতা-সংস্কৃতিতে পূর্ণ বৈপরীত্য ধারণ করত। ফলে বুঝা যেত যে, এর সাথে এখন থেকে মুসলিম সমাজ, কুরআন, ইসলাম বিশেষভাবে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কোনো সম্পর্ক নেই। কিন্তু এই আধুনিক কুফর-হিউম্যানিজম ধর্মে অন্তর্ভুক্তির সময় আল্লাহ, রাসূল, ওহী, আখেরাত সব অস্বীকার করা সত্ত্বেও এ ধর্ম তার অনুসারীদের অনুমতি প্রদান করে, যাতে তারা নাম, সংস্কৃতি, ইবাদত, খাদ্য, ব্যবসা-বাণিজ্যে ইসলামের ছাঁচের অনুসরণ করে। শুধু দ্বীন-ধর্মের উপর্যুক্ত বিষয়গুলো অস্বীকার করে আর বেশভূষা ও চলাফেরায় মুসলিম সমাজের সাথেই থাকে। পূর্বে কাফের-মুরতাদদের জন্য আবশ্যক ছিল-ইবাদত, লেনদেন, চলাফেরা- সহ সার্বিকভাবে মুসলিম জামাত থেকে দূরে থাকা। তবে এখন আর এগুলো আবশ্যক নয়; বরং গোপনে আল্লাহ-রাসূলকে অস্বীকার করা এবং এর বিপরীতে যুক্তি, পর্যবেক্ষণ ও পঞ্চেন্দ্রিয়ে অনুধাবনযোগ্য বিষয়গুলোকে মেনে নেওয়াই যথেষ্ট। বই : ইসলাম ও পশ্চিমা সভ্যতা: দুই জীবনদর্শনের সংঘাত লেখক: আব্দুল্লাহ বিন বশির মূল্য: ৩৬০৳ (২৫% ছাড়ে) অর্ডার করুন আমাদের সহ যে কোন বুকশপে

ইমারতে ইসলামিয়া আর পাকিস্তানি জান্তার লড়াই দীর্ঘায়িত হলে এর প্রভাব শুধু কাবুল আর ইসলামাবাদে সীমাবদ্ধ থাকবে না। পুরো উপমহাদেশের ভূ-রাজনৈতিক ভারসাম্য এতে নড়ে যেতে পারে। . সামরিক সক্ষমতার বিচারে পাকিস্তান অনেক, অনেক এগিয়ে। তাদের পূর্ণাঙ্গ বিমানবাহিনী আছে, যা ইমারতের নেই। ভারী অস্ত্র, আর্টিলারি কিংবা আধুনিক নজরদারি ব্যবস্থা—সব ক্ষেত্রেই পাকিস্তান অগ্রসর। বড় আকারের যুদ্ধ শুরু হলে তারা ইমারতের শীর্ষ নেতৃত্বের ওপর বড় আঘাত হানতে সক্ষম। . কিন্তু সামরিক শক্তি আর রাজনৈতিক ফলাফল এক জিনিস না। আমেরিকা এখন পারস্য উপসাগরে এ সত্যটা হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছে। . পাকিস্তানি জান্তা অনেক কিছুই করতে পারবে। কিন্তু তারা যা পারবে না, সেটাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। . প্রথমত, তারা আফগানিস্তানকে দীর্ঘমেয়াদে দখল করে রাখতে পারবে না। দ্বিতীয়ত, তারা আফগান মুজাহিদিনকে নিশ্চিহ্ন করতে পারবে না। . এর আগে বিভিন্ন পরাশক্তিও এই দুটো কাজ করতে পারেনি। সোভিয়েত ইউনিয়ন পারেনি। অ্যামেরিকা পারেনি। এমনকি ব্রিটিশ সাম্রাজ্যও ব্যর্থ হয়েছে। পাকিস্তানি জান্তা পারার প্রশ্নই আসে না। . আগের আগ্রাসনকারীরা অন্তত ফিরে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিল। পাকিস্তানের সেই সুযোগ নেই। তারা প্রতিবেশী। ভৌগোলিক বাস্তবতা তাদের এই সংঘাতের সাথে চিরস্থায়ীভাবে জড়িয়ে রাখবে। . ইমারতের শক্তির জায়গা গেরিলা লড়াই, প্রথাগত যুদ্ধ না। বিকেন্দ্রীভূত কমান্ড আর আদর্শিক ভিত্তি নিয়ে তারা দীর্ঘ যুদ্ধে অভ্যস্ত। তাই এই সংঘাত সরলরৈখিক হবে না। . বিমানবাহিনী না থাকলেও ইমারতের আছে ‘হিউম্যান ড্রোন’ নেটওয়ার্ক। যারা পাকিস্তানের ভেতরের যেকোনো লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে প্রস্তুত। এধরণের আক্রমণ কতটা ভয়ঙ্কর হতে পারে, পাকিস্তানী জান্তা সেটা অ্যামেরিকানদের কাছ থেকে জেনে নিতে পারে। . এর সাথে যুক্ত হবে আরও কিছু ফ্যাক্টর— -- ডুরান্ড লাইনের দুই পাশে থাকা পশতুন গোত্রগুলোর জান্তা-বিরোধী এবং লড়াকু মনোভাব। -- পাকিস্তানজুড়ে ছড়িয়ে থাকা দেওবন্দী মাদ্রাসা নেটওয়ার্ক। মুরুব্বীদের বড় একটি অংশ প্রকাশ্যে জান্তার পক্ষে অবস্থান নিলেও, এই নেটওয়ার্কের একটা উল্লেখযোগ্য অংশ ইমারতের প্রতি অনুগত। -- ইমারতের ঐতিহাসিক আন্তর্জাতিক মিত্রগোষ্ঠী। যারা যেকোন লড়াইয়ে ওয়াইল্ডকার্ড ফ্যাক্টর হয়ে উঠতে পারে। . সব মিলিয়ে, যুদ্ধ দীর্ঘ হলে তার আঁচ সরাসরি পাকিস্তানের ভেতরে গিয়ে পড়বে। ঐ পাকিস্তানে যেখানে ইতিমধ্যে তুমুল জনপ্রিয় সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে অবৈধভাবে কারাবন্দী করে রাখা হয়েছে। যেখানে বেলুচিস্তান আর খাইবার পাখতুনখাওয়ায় এরই মধ্যে জ্বলছে অস্থিরতার আগুন। যেখানে অর্থনীতির অবস্থা নাযুক। যেখানে জনগণের মধ্যে জান্তাবিরোধী মনোভাব প্রবল। . এই পরিস্থিতির মধ্যে দীর্ঘমেয়াদী সীমান্ত যুদ্ধ, আর পাকিস্তানের ভেতরে ইমারতের সামরিক তৎপরতা শুরু হলে জান্তাকে একসাথে অনেকগুলো ফ্রন্ট সামলাতে হবে। . দীর্ঘ যুদ্ধে পাকিস্তান ইমারতের নেতৃত্ব আর যোদ্ধাদের বড় ক্ষতি করতে পারবে। কিন্তু ইমারত যদি সর্বাত্মক লড়াইয়ের পথ বেছে নেয়, তবে তারা উপমহাদেশের মানচিত্র বদলে ফেলার সম্ভাবনা রাখে। —আসিফ আদনান

বাদাখশান অঞ্চলের বিখ্যাত আলেম শাইখুল হাদিস আব্দুল বাসির দা.বা.-এর ফতোয়া, পাকিস্তানের আইন হলো ব্রিটিশ কুফরি আইন। তাদের বিরুদ্ধে জিহাদ করা ফরজ৷

৭১-এ জামাত নাপাক আর্মির পক্ষে কতটা নিকৃষ্ট হয়েছিলো তার নমুনা আজ সকাল থেকে জামাতি আইডিগুলোতে আমরা দেখলাম আলহামদুলিল্লাহ। . আল্লাহ এই পথভ্রষ্ট দল থেকে সমস্ত মুসলমানদের হেফাজত করুন৷

photo content

টিটিপির হাতে একবার শুধু নাপাক আর্মির কিছু বালেগ সন্তানরা আক্রমণের শিকার হয়েছিলো, এরপর থেকে আজো পাক ও বাংলার বহু আলেমদের কলমে মুজাহিদদের প্রতি অনাস্থা জাতীয় লেখা বের হয়, আজকের এই ৫০০ আফগানি জনসাধারণকে নাপাক আর্মির হত্যার পর তাদের অবস্থানগুলো শুধু একটু লক্ষ্য রাখবেন ইনশাআল্লাহ।

আজ ২৭ রমাজানের রাত। বহু আলেমদের মতে ২৭ রমাজানেই শবহে কদর হওয়ার প্রবল সম্ভবনা। তাই আজকের রাতে আপনাদের দোয়ায় অবশ্যই পাকিস্তানের নাপাক আর্মির ধ্বংসের দোয়ার বিষয়টি ভুলবেন না।

রোমান সভ্যতা ও তার বৈশিষ্ট্য রোমানরা সাম্রাজ্য ও শক্তির দিক থেকে সে সময়ের অনন্য জাতি হলেও চিন্তা ও বিশ্বাসগত দিক থেকে তারা ছিল পূর্বের গ্রীক সভ্যতার উচ্ছিষ্টভোগী। কিন্তু তাদের মাঝে এমন কিছু বৈশিষ্ট্য আছে, যা আজকের পশ্চিমা সভ্যতার মাঝে ব্যাপকভাবে পরিলক্ষিত হয়। ১. রোমান জাতির পৃথক যে বৈশিষ্ট্য ছিল তা হচ্ছে সাম্রাজ্যবাদী স্বভাব এবং জীবনের প্রতি আগাগোড়া জড়বাদী ও বস্তুবাদী দৃষ্টিভঙ্গি। বস্তুত এই জড়বাদ ও বস্তুবাদই ছিল রোমান জাতির ধর্ম এবং তাদের পরিচয়-প্রকৃতি। আজকের ইউরোপ রোমানদের থেকে এটাই উত্তরাধিকারসূত্রে লাভ করেছে। ২. রোমান জাতির অন্যতম আরেকটি বৈশিষ্ট্য ছিল বিলাসিতা। তারা এটাকে জীবনের স্বাভাবিক অংশ হিসেবে নয়; বরং ভোগ-বিলাসকে একটি দর্শন হিসেবে গ্রহণ করেছিল। ৩. রোমান জাতির আরেকটি বৈশিষ্ট্য ছিল বাহ্যিকতাবাদ। রোমানরা গ্রীক সভ্যতা থেকে ব্যাপকভাবে প্রভাবিত হলেও তাদের এই বাহ্যিকতাবাদী বৈশিষ্ট্যের কারণে তারা গ্রীক সভ্যতা থেকে শুধু ওই বিষয়গুলোই ব্যাপকভাবে গ্রহণ করেছে, যা ব্যক্তি ও সামাজিক জীবনের বাহ্যিকতার সাথে সম্পৃক্ত। রোমানদের এই স্বভাবকেই আধুনিক পশ্চিমা সভ্যতা মডেল হিসেবে গ্রহণ করে নিয়েছে। ৪. রোমান জাতি ধর্ম ও ধার্মিকতাকে কখনোই নিষ্ঠার সাথে গ্রহণ করেনি। তারা শুধু নিজেদের সামাজিক বন্ধন ও জাতীয় ঐক্য টিকিয়ে রাখার জন্য দেবতাদের প্রতি বিশ্বাসকে ব্যবহার করেছে। কিন্তু বাস্তব জীবনে তাদের কোনো প্রকার হস্তক্ষেপ অনুমোদন করেনি। আধুনিক পশ্চিমা সভ্যতার অন্যতম মূল বক্তব্য ও চিন্তা এটাই। ধর্ম যতক্ষণ বস্তুবাদী চিন্তার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ ততক্ষণ ঠিক আছে, বিষ বাস্তব জীবনে ধর্মের কোনো স্থান নেই। বই : ইসলাম ও পশ্চিমা সভ্যতা: দুই জীবনদর্শনের সংঘাত লেখক: আব্দুল্লাহ বিন বশির মূল্য: ৩৬০৳ (২৫% ছাড়ে) অর্ডার করুন যে কোন বুকশপে

photo content

কুরআনের আলোকে পশ্চিমা সভ্যতার বিশ্বাসের মূল্যায়ন এক আধুনিক পশ্চিমা সভ্যতা মৌলিক যে আকিদা-বিশ্বাস নিজের মাঝে ধারণ করে এবং যে বিশ্বাস থেকে অন্যান্য কুফর ও বিভ্রান্তি ডালপালা ছড়ায়, তার একটি ইঙ্গিত আমরা কুরআনের ভাষায় পাই। আল্লাহ তাআলা সূরা জাসিয়ার ২৩. ৩২৪ নং আয়াতে ইরশাদ করেন, أَفَرَعَيْتَ مَنِ اتَّخَذَ إِلَهَهُ، هَوْنَهُ وَأَضَلَّهُ اللَّهُ عَلَى عِلْمٍ وَخَتَمَ عَلَى سَبْعِهِ وَقَلْبِهِ، وَجَعَلَ عَلَى بَصَرِهِ، غِشَوَةً فَمَن يَهْدِيهِ مِنْ بَعْدِ اللَّهِ أَفَلَا تَذَكَّرُونَ وَقَالُوا مَا هِيَ إِلَّا حَيَاتُنَا الدُّنْيَا تَمُوتُ وَنَحْيَا وَمَا يُهْلِكُنَا إِلَّا الدَّهْرُ وَمَا لَهُم بِذلِكَ مِنْ عِلْمٌ إِنْ هُمْ إِلَّا يَظُنُّونَ) আপনি কি তাকে দেখেছেন, যে নিজের প্রবৃত্তিকে স্বীয় প্রভু বানিয়ে নিয়েছে এবং আল্লাহ তাকে জেনেশুনে পথভ্রষ্ট করেছেন। তার কান ও অন্তরে মোহর করে দিয়েছেন এবং তার চোখের ওপর পর্দা ফেলে দিয়েছেন? অতঃপর আল্লাহর পর কে তাকে সৎপথে আনবে? তোমরা কি চিন্তাভাবনা করো না? তারা বলে 'জীবন বলতে আমাদের এই দুনিয়ার জীবনটাই। আমরা মরি ও বাঁচি। এবং কালই আমাদের মৃত্যু ঘটায়।' বস্তুত এ ব্যাপারে ওদের কোনো জ্ঞান নেই। সবটাই ওদের অনুমান। আয়াত দুটিতে পশ্চিমা সভ্যতার মৌলিক দুটি আকিদাই যেন তুলে ধরা হয়েছে- ১। 'নিজের প্রবৃত্তিকে স্বীয় প্রভু বানিয়ে নিয়েছে'-পশ্চিমা সভ্যতার মৌলিক বিশ্বাস হলো, আল্লাহ নয়, মানুষই সকল কিছুর মূল। মানুষের জীবনের জন্য আল্লাহর সিদ্ধান্ত নয়; মানুষের নিজেদের সিদ্ধান্তই হবে চূড়ান্ত। পশ্চিমা প্রতিটি মতবাদের সারকথা এটাই। ইনশাআল্লাহ বইয়ের প্রতিটি অধ্যায়েই এই বাস্তবতা স্পষ্ট হবে। ২। 'জীবন বলতে আমাদের এই দুনিয়ার জীবনটাই'-পশ্চিমা সভ্যতার দ্বিতীয় মৌলিক বিশ্বাস এটি। তাই মানুষের জীবনের যত অনুষঙ্গ আছে সবকিছু বিবেচিত হবে, আলোচিত হবে ও গ্রহণীয় হবে দুনিয়ার দৃষ্টিকোণ থেকে। এর বাহিরে অন্য কোনো জগৎ নিয়ে মাথা ঘামানোর কিছু নেই। বই : ইসলাম ও পশ্চিমা সভ্যতা: দুই জীবনদর্শনের সংঘাত লেখক: আব্দুল্লাহ বিন বশির মূল্য: ৩৬০৳ (২৫% ছাড়ে) অর্ডার করুন যে কোন বুকশপে

photo content