ar
Feedback
Abdullah bin bashir

Abdullah bin bashir

الذهاب إلى القناة على Telegram

প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

إظهار المزيد

📈 نظرة تحليلية على قناة تيليجرام Abdullah bin bashir

تُعد قناة Abdullah bin bashir (@abdullahbinbashir) في القطاع اللغوي البنغالي لاعباً نشطاً. يضم المجتمع حالياً 11 334 مشتركاً، محتلاً المرتبة 7 907 في فئة الدين والقيم الروحية والمرتبة 2 062 في منطقة بنغلاديش.

📊 مؤشرات الجمهور والحراك

منذ تأسيسه في невідомо، حقق المشروع نمواً سريعاً وجمع 11 334 مشتركاً.

بحسب آخر البيانات بتاريخ 27 أغسطس, 2026، تحافظ القناة على نشاط مستقر. خلال آخر 30 يوماً تغيّر عدد الأعضاء بمقدار 77، وفي آخر 24 ساعة بمقدار 8، مع بقاء الوصول العام مرتفعاً.

  • حالة التحقق: غير موثّقة
  • معدل التفاعل (ER): يبلغ متوسط تفاعل الجمهور 15.13‎%. وخلال أول 24 ساعة من النشر يحصد المحتوى عادةً 5.64‎% من ردود الفعل نسبةً إلى إجمالي المشتركين.
  • وصول المنشورات: يحصل كل منشور على متوسط 1 716 مشاهدة. وخلال اليوم الأول يجمع عادةً 640 مشاهدة.
  • التفاعلات والاستجابة: يتفاعل الجمهور بانتظام؛ متوسط التفاعلات لكل منشور يبلغ 35.

📝 الوصف وسياسة المحتوى

يصف المؤلف القناة بأنها مساحة للتعبير عن الآراء الذاتية:
প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

بفضل وتيرة التحديث المرتفعة (أحدث البيانات بتاريخ 28 أغسطس, 2026) تحافظ القناة على حداثتها ومستوى وصول مرتفع. وتُظهر التحليلات تفاعلاً نشطاً من الجمهور، ما يجعلها نقطة تأثير مهمة ضمن فئة الدين والقيم الروحية.

11 334
المشتركون
+824 ساعات
+337 أيام
+7730 أيام
أرشيف المشاركات
হযরত ওমরের শাসনামল চলছিলো। শামে এক আশ্চর্য ঘটনা ঘটে যায়। একদল লোক মদ পান করে। ইয়াযিদ বিন আবু সুফিয়ান তখন শামের গভর্নর। তিনি সকলকে পাকড়াও করলেন। তারা নিজেদের ভুল স্বীকার না করে উল্টো বললো, ‘মদ তো আমাদের জন্য হালাল।’ এবং নিজেদের দাবীর পক্ষে তারা কুরআনের একটি আয়াতের অপব্যাখ্যাও দাঁড় করালো। ইয়াযিদ বিন আবু সুফিয়ান কিছুটা পেরেশান হয়ে গেলেন। সমাধানের জন্য খলিফা হযরত ওমরের কাছে ঘটনার পুরো বিবরনসহ চিঠি পাঠালেন। হযরত ওমর তড়িৎ উত্তর পাঠালেন, ‘এরা সেখানে ফাসাদ তৈরির আগেই এদেরকে আমার কাছে পাঠিয়ে দেও।’ . অপরাধীদের মদিনায় পাঠানো হলো। খলিফা ওমর দায়িত্বশীল সাহাবীদের কাছে অপরাধীদের শাস্তির বিষয়ে পরামর্শ চাইলেন। মজলিসের সকলেই বললেন, ‘হে আমিরুল মুমিনিন! এরা আল্লাহর উপর মিত্থারোপ করেছে এবং দ্বীনের মধ্যে এমন বিধানের প্রবর্তন করেছে যার অনুমতি আল্লাহ দেননি। তাই আমাদের রায় হলো, এদের গর্দান উড়িয়ে দেওয়া হোক।’ . মজলিসে সবাই সিদ্ধান্ত দিলেও হযরত আলী ছিলেন চুপচাপ। খলিফা ওমর আলীর এই নিরাবতা দেখে বললেন, ‘হে আবুল হাসান! আপনার কী অভিমত এই বিষয়ে?’ হযরত আলী নিজেকে কিছুটা প্রস্তুত করে বললেন, ‘আমিরুল মুমিনিন! আমার মত হলো তাদের কাছে তাওবা চাওয়া হবে। যদি তারা তাওবা করে তাহলে মদ পানের অপরাধে প্রত্যেককে ৮০টি করে বেত্রাঘাত করা হবে। আর যদি তাওবা না করে তাহলে তাদের গর্দান উড়িয়ে দেওয়া হবে। কারণ তারা আল্লাহর উপর মিথ্যচার করেছে এবং দ্বীনের মধ্যে এমন বিধানের প্রবর্তন করেছেন যার অনুমতি আল্লাহ দেননি।’ . মজলিসের এই বিধান শুনে অপরাধীরা সকলেই তাওবা করে নিলো। ফলে তাদের প্রত্যেককেই মদ পানের শাস্তি হিসেবে ৮০টি করে বেত্রাঘাত করা হয়। . সূত্র: মুসান্নাফ ইবনে আবি শাইবা, ১৪/৪৩৪; শরহে মাআনিল আসার ৩/১৫৪, বাবু হাদ্দিল খমর

চুরি করে বাঁচতে হলে বিয়ে করে ফেলতে হবে! হে যুবক....। «الاختيار لتعليل المختار» (4/ 112): «ولو سرقت من أجنبي أو سرق من أجنبية ثم تزوجا سقط القطع، لأن اعتراض الزوجية بعد القضاء يمنع الاستيفاء فيمنع القضاء أولى»

খেলাফতব্যবস্থা ও গণতন্ত্র বিপরীত মেরুর দুটি জীবনব্যবস্থা। ধর্মীয় রাজনৈতিক দলগুলোর গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে অংশগ্রহণের মাধ্যমে বাতিল গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার সমর্থন ও অনুমোদন দেওয়া হয়। সাধারণ মানুষ ভাবতে শুরু করে, যখন আলেমরাই এই গণতান্ত্রিক রাজনীতির অংশ হচ্ছেন, তো এর মানে হলো এ ব্যবস্থা সঠিক এবং ইসলামের সাথে তা সাংঘর্ষিক নয়, অন্যথায় আলেমরা এতে অংশ নিতেন না। ধর্মীয় রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ এ মর্মে যতই ব্যাখ্যা হাজির করুক না কেন যে, তারা এই ব্যবস্থাকে সমর্থন করেন না-একপ্রকার বাধ্য হয়েই এতে অংশ নিচ্ছেন; তবুও সাধারণ মানুষ এসব ব্যাখ্যা বুঝতে অক্ষম এবং বাস্তবতাও এ জাতীয় আজগুবি ব্যাখ্যার সত্যতা নিশ্চিত করে না। কারণ অভিজ্ঞতার আলোকে দেখা গেছে, নির্বাচনে বিজয়ের পর সংসদ ও রাজনৈতিক কার্যক্রমে ধর্মীয় ও সেক্যুলার দলগুলোর কর্মপন্থায় তেমন কোনো পার্থক্য পরিলক্ষিত হয় না। বই: ইসলামি খেলাফত লেখক: মাওলানা জাহিদ ইকবাল অনুবাদক: ফাদলুল্লাহ জাবের মূল্য: ৪৮০৳ (২৫% ছাড়ে)

পৃথিবীর যেকোনো দেশে যদি মুসলমানরা ইলায়ে কালিমাতুল্লাহের পথে সামান্য এগিয়ে যায় এটা একজন মুমিনের অন্তরে প্রশান্তি দিবে, তার খুশির কারণ হবে এটা একদম স্বাভাবিক একটি বিষয়। বলা যায় এটা তার মধ্যে থাকা ঈমানের আলামত। কিন্তু মুমিনদের এই স্বাভাবিক খুশিও বহু ইন্টেলেকচুয়াল পন্ডিত ভাইদের পছন্দ হয় না। শুধু এই খুশিটুকুর ইজহারের কারণে কত কত শব্দে মুমিনদের এই মেধাবী ভাইরা সম্বোধন করে! সুবহানাল্লাহ! . প্রতিটি ভূখণ্ডের নিজস্ব বাস্তবতা আছে, এটা আলহামদুলিল্লাহ সবচেয়ে বেশি লক্ষ্য করেন যারা আল্লাহর কালিমাকে বুলন্দ করার জন্য কাজ করে। কিন্তু এই ইন্টেলেকচুয়াল ভাইদের ভাবসাব এমন যে, দুনিয়ার সব বাস্তবতা তারাই বুঝে, আর ইসলাম ও মুসলমানদের বিজয়ের খুশি হওয়া সবাই মূর্খ! এদের বাস্তবতা বুঝার হালত হলো, এরা এই দুনিয়াকে ধর্মের দৃষ্টিতে দেখতে নারাজ। এদের স্পষ্ট ঘোষণা, ধর্মের ভিত্তিতে নাকি এখন কিছুই হয় না। প্রকৃত বাস্তবতা হলো, এরা না বুঝে ধর্ম আর না বুঝে দুনিয়ার প্রকৃত বাস্তবতা। আসলে ধর্ম বাদ দিয়ে এদের দুনিয়া দেখার চশমাটাই আলাদা। . বারবার, আফগান আর তালেবদের মত রাষ্ট্র চাওয়া দ্বারা আসলে কী বুঝানো হয়, এই সহজ হিসাবটা এই বুদ্ধিজীবী ইন্টেলেকচুয়াল ভাইরা বুঝে না। অথচ এদের ইন্টেলেকচুয়াল আলাপে হাজারবারের মত উঠে আসে ইবনে খালদুনের সেই আলাপ—মানুষ বিজয়ী জাতীর অনুসরণ করে। তাহলে বিজয়ী তালেবদের মত অন্য অঞ্চলের পরাজিত মুসলিমরা হতে চাইলে সমস্যাটা কী? আসলে ইচ্ছায় হোক বা অনিচ্ছায় বিজয়ী জাতির অনুসরণের আলাও দিয়ে তারা পশ্চিমের অনুগামীতার মজাকেই আস্বাদন করতে চায় ও অন্যদের করাতে চায়। আর তাদের বুদ্ধবৃত্তিক ইন্টেলেকচুয়ালগিরি মূলত এখানেই সীমাবদ্ধ। . যাইহোক, আল্লাহ সকলকে ভালো রাখুক। হকের উপর অটল থাকা ভাইদের বিজয় দান করুন এবং পুরো পৃথিবীর সমস্ত মুমিনের অন্তরকে শান্ত করুন। আমীন।

একদিনে কী একটা মাইর হইছে মালির উপর চিন্তা করে দেখেন ১। প্রতিরক্ষামন্ত্রী ২। গোয়েন্দাপ্রধান ৩। সেনাপ্রধান এই সবগুলো পটল ব্যবসায় চলে গেছে! একটা দেশের ডিফেন্স বলতে আর কী থাকে? . বি. দ্র. উপরের তিনজনই মুসলিম। বাকিটা দেখেন আপনারা যা ভালো মনে করেন। আপনারা এমন কিছুর সমর্থন করবেন কি না, এটা আপনাদের বিষয়!

মালির বিজয় সংক্রান্ত একটি পোষ্ট ও দাবী থেকে আমার স্পষ্ট রুজুনামা . কোনোরকম অভ্যান্তরীন বা বহিরাগত চাপে নয়; সম্পূর্ণ নিজের দ্বায়বদ্ধতা থেকে এবং সহজ্ঞানে আমি এই রুজুনামা লেখছি। কারণ হক গ্রহণ করে তার লেজ হওয়া আমার জন্য শ্রেয় বাতিলের মাথা হওয়া থেকে। . বহুদিন আগে মালির বিজয় সংক্রান্ত আমি লেখেছিলাম ও অনেককে বলেওছিলাম--মালি যদি অমুক দিনের আগে বিজয় হয় তাহলে আমি এটাঐটা খাওয়াবো। এখন আমার কাছে হক স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে যে, আমি আসলে তখন ভুল ছিলাম। আবেগের বশীভূত হয়ে এমন অবাস্তব কথা আমি বলে ফেলেছিলাম। তাই কোনোরকম সংশয় ও "যদি" কিন্তু" ছাড়া আমি আমার পূর্বের চিন্তা থেকে ফিরে আসলাম। আল্লাহ আমাকে হক গ্রহণের তাওফিক দান করুন। এবং বাস্তবতা বিবর্জিত কথাবার্তা থেকে পরিপূর্ণ হেফাজত করুন। . বি. দ্র. রুহুল আমিনের রুহানী মা কওমী জননী ও তার একাংশের প্রভু ম্রে-রিকা যেহেতু আগষ্টে জয় বাংলা ও জয় বঙ্গুবন্ধু হয়েছে, তাই আগষ্ট ছাড়া অন্যকোনো মাসের বিজয়কে বিজয় মানতে পারবো না। ধন্যবাদ . বিনীত আব্দুল্লাহ বিন বশির বিশ্ব তাবিল কমিটির ভারপ্রাপ্ত সহসভাপতি

যারা এখনো বিয়ে করেননি, তাদের জন্য জরুরি দিকনির্দেশনা।

ঢাকার ভাইরা কোনোভাবেই মিস দিয়েন না।
ঢাকার ভাইরা কোনোভাবেই মিস দিয়েন না।

মালির ম্রামারি তীব্র হচ্ছে! . তুর্কি ও সৌদি মালির রাজধানীতে বিদ্রোহীদের হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। উম্মাহের সালাফি-কালামি এক জায়গায় একত্রিত হয়েছে দেখে ভালো লাগলো। উম্মাহ ফকিন্ন আর দাসদের এভাবে ঐক্যমত হতে দেখে উম্মাহের বিজয় সুনিশ্চিত এবিষয়ে আর কোনো সন্দেহ রইলো না। . মালির স্থানীয় পত্রিকা খবর করেছে গতকালের আক্রমণে প্রতিরক্ষামন্ত্রী জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু হয়ে গিয়েছে! . এদিকে বিভিন্ন বিজিত এলাকায় ব্যাপকাভাবে আফ্রিকান কর্পস (সাবেক ওয়াগনার) বাহিনী আত্মসমর্পন করছে এবং রাশিয়ান ভাড়াটিয়া সৈন্যরা বিভিন্ন ফ্রন্টে মালির পক্ষে ম্রামারি করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে! . বুকে পাথর চাপা দিয়ে নিউজগুলো দেখতে হচ্ছে! এভাবে একটি দেশ থেকে গণতন্ত্র উঠে যাচ্ছে আর কেউ কিছুই করতে পারছে না! আধুনিক যুগের ভোট যুদ্ধের কী হবে! বিষয়টি এলার্মিং!!

একটা দেশের জাতীয় পরিচয় হলো সেখানের পতাকা! অথচ দেখেন, এরা যেখানেই যায় প্রথমে নিরিহ এই পতাকার উপরই এদের সকল ক্ষোভ! . পতাকা ঘায়ে দিয়ে ১৬ ডিসেম্বর ইসলাম ও দেশ প্রেমের যে সমন্বিত ভার্সন আমরা পালন করি, এটার শত্রু এরা। এদের বিচার করার জন্য ম্রেরিকা হা. কী আসবে না?

International Crisis Group (ICG) এর সাহেল অঞ্চলের ডেপুটি ডিরেক্টর ইব্রাহিম ইয়াহয়াহ ইব্রাহিম লেখেন, "এই হামলার মাত্রা “অভূতপূর্ব”, কারণ অন্তত ছয়টি বড় শহরে একসাথে আক্রমণ চালানো হয়েছে, যার মধ্যে বামাকো, কাতি, গাও এবং কিদালও রয়েছে। ইব্রাহিম আরও বলেন, একাধিক স্থানে একই সময়ে আক্রমণ চালানোর ক্ষমতা JNIM-এর ক্রমবর্ধমান সক্ষমতার ইঙ্গিত দেয়। “এই বিভিন্ন স্থানে একসাথে সমন্বিত হামলা চালানোর ক্ষমতা সত্যিই একটি শক্তি প্রদর্শন। এটি শুধু তাদের সংগঠনিক সক্ষমতার উল্লেখযোগ্য উন্নতিই নয়, বরং তাদের অপারেশনাল পরিসরও বৃদ্ধি পেয়েছে।” -সূত্র আল জাজিরা

মালিতে আজ বিদ্রোহীদের রাজধানী আক্রমনের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে মুসলিমদের আন্তর্জাতিক সংগঠন ওয়াইসি (OIC)। . বিদ্রোহীদের আর রক্ষা নেই আজ।

কাতি সামরিক ঘাটিটি হলো মালির রাজধানী বামকোর নিয়ন্ত্রণের একদম হৃদপিণ্ড পর্যায়ের। শহর থেকে মাত্র ১৪ কিলো দূরত্ব। এটাকে মালির প্রধান সামরিক ঘাটিও বলা হয়। আজ সেই ঘাটির একদম ভিতরে ঢুকে আক্রমণ করেছে বিদ্রোহীরা। স্থানীয় সোর্স যদিও বলছে আপাতত নিয়ন্ত্রন সরকারি বাহিনীর হাতেই আছে, তবে আন্তর্জাতিক কিছু নিউজে "এখনো নিরাপদ হয় কাতি ঘাটি" এমন বক্তব্য এসেছে। . রাজধানীর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পাশে হলো ওয়াগনারের ঘাটি। সেখানেও আজ তীব্র আক্রমণ হয়েছে। রাজধারনীর প্রতিরক্ষার সবচেয়ে বড় দূর্গ হলো এই দুটো স্থান। . এর মধ্যে মালির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শহর কিদাল পরিপূর্ণ বিদ্রোহীদের দখলে এমন অসংখ্য নিউজ আসতেছে! . খেলা কোন লেভেলে চলছে কিছুই বুঝা যাচ্ছে না। যারা এশার নামাজ পড়েন নাই। দ্রুত পড়ে নেন। বাংলাদেশে তেলের দাম বেড়ে যেতে পারে।

মালির অবস্থা তো ভয়াবহ! . আনাদোলু এজেন্সির নিউজ মতে আজ মালির রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলোতে একযোগে বিদ্রোহী গোষ্ঠী হা*ম*লা চালিয়েছে। এরমধ্যে রাজধানী থেকে মাত্র ১৫ কিলোর মত দূরে প্রতিরক্ষামন্ত্রীর বাসভবনে তীব্র মাইর হয়েছে। মাইরের পর এটাও ছড়িয়ে পড়েছে যে, বিদ্রোহীরা প্রতিরক্ষামন্ত্রীকে গ্রেফতার করে নিয়ে গেছে। যদিও প্রতিরক্ষা মন্ত্রনালয় তা অস্বীকার করেছে। এরপর রাজধানীর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এলাকায়ও তীব্র আক্রমণ হয়েছে। এছাড়া রাজধানী ও রাজধানীর আশপাশের বড় বড় সামরিক ঘাটিগুলোতে একযোগে হামলা হয়েছে! . নিউজের তথ্যমতে ম্রামারি এখনো চলমান! যাই মাগরিবের নামাজ পড়ে আসি। আপনারা নিউজগুলো ঘাটতে থাকেন। . আনাদোলু এজেন্সির নিউজটা এখানে https://www.aa.com.tr/en/africa/coordinated-attacks-hit-mali-fighting-ongoing-in-capital-banako-other-cities/3917683

আমার ইসলাম ও পশ্চিমা সভ্যতা নিয়ে মাওলানা ফাদলুল্লাহ জাবেরের দীর্ঘ রিভিউ। সে নাকি আরেক পর্বও লেখবে। পড়তে পারেন রিভিউটি। আপনার উপযুক্ত হলে আর সংগ্রহ না থাকলে সংগ্রহও করতে পারেন৷ https://www.facebook.com/share/p/1CZwJSP8pY/

আমার দেশ পাকিস্তান পুরো পৃথিবীতে নমক (লবন) বানানোতে দুই নাম্বার। তবে নিমকহারাম বানানোতে এক নাম্বার। -আনওয়ার মাকসুদ

পশ্চিমা সভ্যতা ক্যাটাগরিতে ওয়াফি লাইফে আমার বই ১নং বেস্টসেলারে আছে। দেখে দিলটা ভরে গেলো। খুশিতে একদম ফেটে যাওয়া অবস্থা। সামষ্টিক না হোক, কোনো এক ক্যাটাগরিতে তো এক নাম্বার আছে আমার বইটা! খুশিমনে প্রকাশক বন্ধু Borhan Ashrafi কে মেসেজ দিয়ে জিজ্ঞাসা করলাম, —‘এই ক্যাটাগরিতে আর কী কী বই আছে, যাদেরকে আমি পিছনে ফেলে এক নাম্বারের পজিশনে আছি।’ মেসেজ দেখে বন্ধু বললো, —‘তুমিই এক নাম্বার। আর ক্লাশে ছাত্রও একজন।’ এরপর ব্যঙ্গাত্মক একটা হাসি দিয়ে বললো, —‘এই ক্যাটাগরিতে বই এই একটাই।’ মুহুর্তের মধ্যেই আমার হাসিমাখা আকাশে হঠাৎ বিষাদের কালো পর্দা নেমে এলো। আমার সাথেই কেনো এত বড় ধোকা হলো। আমার সাথেই কেন!

মাদরাসার তালেবে ইলম ও উস্তাদ ভাইয়েরা, আধুনিক জিওপলিটিক্সে কী চলছে, এটা বুঝার জন্য এক শ্বাসে এই লেখাটা পড়ে ফেলেন। https://www.facebook.com/share/p/1BJqVGMNDD/