uz
Feedback
Abdullah bin bashir

Abdullah bin bashir

Kanalga Telegram’da o‘tish

প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Ko'proq ko'rsatish

📈 Telegram kanali Abdullah bin bashir analitikasi

Abdullah bin bashir (@abdullahbinbashir) Bengal til segmentidagi kanali faol ishtirokchi. Hozirda hamjamiyat 11 303 obunachidan iborat bo'lib, Din & Maʼnaviyat toifasida 8 130-o'rinni va Bangladesh mintaqasida 2 026-o'rinni egallagan.

📊 Auditoriya ko‘rsatkichlari va dinamika

невідомо sanasidan buyon loyiha tez o‘sib, 11 303 obunachiga ega bo‘ldi.

25 Iyun, 2026 dagi oxirgi ma’lumotlarga ko‘ra kanal barqaror faollikka ega. Oxirgi 30 kunda obunachilar soni 77 ga, so‘nggi 24 soatda esa -2 ga o‘zgardi va umumiy qamrov yuqori darajada qolmoqda.

  • Tasdiqlash holati: Tasdiqlanmagan
  • Jalb etish (ER): Auditoriya o‘rtacha 19.07% darajada jalb etiladi. Nashrdan keyingi dastlabki 24 soatda kontent odatda umumiy obunachilar sonining 8.07% ini tashkil etuvchi reaksiyalarni to‘playdi.
  • Post qamrovi: Har bir post o‘rtacha 2 155 marta ko‘riladi; birinchi sutkada odatda 912 ta ko‘rish yig‘iladi.
  • Reaksiyalar va o‘zaro ta’sir: Auditoriya faol: har bir postga o‘rtacha 46 ta reaksiya keladi.

📝 Tavsif va kontent siyosati

Muallif resursni shaxsiy fikrni ifoda etish maydoni sifatida ta’riflaydi:
প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Yuqori yangilanish chastotasi (oxirgi ma’lumot 26 Iyun, 2026 da olingan) sababli kanal doimo dolzarb va katta qamrovli bo‘lib qoladi. Analitika auditoriya kontent bilan faol hamkorlik qilishini, uni Din & Maʼnaviyat toifasidagi muhim ta’sir nuqtasiga aylantirishini ko‘rsatadi.

11 303
Obunachilar
-224 soatlar
+227 kunlar
+7730 kunlar
Postlar arxiv
২. আমাদের এখন যে কাজগুলোর উপর বেশি ফোকাস দিতে হবে ক্ষমতার জোরে যত আওয়ামীলীগপন্থী মসজিদের ক্ষমতায় এসেছে এদেরকে চূড়ান্তভাবে মসজিদ থেকে বিতারিত করা। এটা আমাদের শক্তি অর্জনে কাজে দিবে। এগুলো নিয়ে ফিকির করেন।

এখন আমাদের শক্ত দাবী তুলতে হবে সাময়িক সময়ের জন্য যে সরকার হবে তাতে দুজন/তিনজিন আলেম থাকা। ইসলামে মূল্যবোধের ব্যাপারে দায়িত্বশীল হবে এমন রাজনৈতিক ব্যক্তি বা এমন অরাজনৈতিক ব্যক্তির নাম সামনে আনা যাদেরকে জনগন মেনে নিবে৷

প্রিয় আলেম ও তালেবে ইলম ভাইরা! আপনি এখনো এমন শক্তি অর্জন করতে পারেন নাই যে, আপনার চাওয়া পাওয়ার উপর পুরো সরকার গঠন হবে। তাই অনর্থক চাওয়া বাদ দিয়ে, আপনার শক্তি অনুপাতে চাপ তৈরি করে কিছুটা অর্জন করে নিন। যাতে দীর্ঘ মেয়াদে আমাদের শক্তি বাড়তে পারে। বিজয়টা ইসলামের না, এই সাধামাটা হিসেবটা কেন বুঝেন না! ড. ইউনুস ক্ষমতায় বসা না বসা আপনার চাওয়ার উপর নির্ভর না। তাই আমাদেরকে আমাদের শক্তির বিবেচনায় দাবী তুলতে হবে এবং সামনে শক্তি বৃদ্ধির কাজগুলোর উপর ফোকাস হইতে হবে।

আমাদের এখন অনেক দায়িত্বের একটি হলো আসিফ মাহতাব স্যারের মুক্তির বিষয়ে জোর দেওয়া। এবার বন্দি হওয়া কাল অনেকে ছাড়া পেয়েছে কিন্তু আসিফ মাহতাব স্যারের কোনো খোঁজ নেই। উনার বিষয়টি দ্রুত নিষ্পত্তি হওয়া দরকার। উনার পিছনে কিন্তু শুধু স্বৈরাচার না, আরো অনেক শকুন লেগে আছে। যার যত লিংক আছে কাজে লাগান। বিশেষত বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক ভাইরা! আপনাদের এই বিজয়ে প্রথম কাতারে যারা সামনে এসেছিলো আসিফ মাহতাব স্যার তাদের একজন। এমন মানুষকে মুক্ত করা আপনাদের নৈতিক অন্যতম দায়িত্ব। আশা করি আপনারা এই সময় এই গুরুত্বপূর্ণ কাজটি করবেন।

বাঙালীরে দোষ দিয়ে নিজেকে একটু সোকোল্ড এলিট প্রমাণ করার পিছনে যে একটা শান্তি আছে এটা প্রমাণ করার জন্য সুশীল্পগুলো আবারো মাঠে নেমেছে! গণভবন লুটপাটের মায়া কান্না করে বাঙালী অসভ্য প্রমান করতেছে! হাউ সুইট! অথচ পৃথিবীর যেকোনো জাতী কোনো জালেমকে হটানোর পর তার বাসভবনে ঢুকলে এই কাজটিই করতো। এবং করেছেও। এই সুশীল এলিট সাজা লোকদের কাছে সভ্য আমেরিকাতে কী এগুলো হয়নি, যে আমেরিকার নাম মুখে আনলেই তাদের মুখ মিষ্টিতে ভরে যায়! মনে রাখবেন এসকল গণআন্দোলন কোনো নিয়মের ভিতর দিয়ে যায় না। এখানে এই সাধারণ মানুষগুলোকে আপনি চাইলেও থামাতে পারবেন না, এরা আপনার বা কারোই নিয়ন্ত্রনে নেই। আর তার থেকেও বড় কথা হলো, এটা ছিলো স্বৈয়াচারের বিরুদ্ধে মানুষের জমানো ক্ষোভের একটা প্রকাশ মাত্র, আপনার আমার পছন্দ হোক বা না হোক এটা মানুষ করবেই। এখানে আরেকটা কথা বলতে চাই, যারা গণতন্ত্রের আদর্শে বিশ্বাসী, তারা কেন লুটের আলাপ তুলছে, এই সম্পদগুলো কী দেশের সম্পদ না? জনগন কী এগুলোর মালিক না? তাহলে জনগনের মালিকানা সম্পদ জনগন নিয়ে আসছে। তাইলে এত কান্নাকাটির কী রইলো এখানে?

শেখ মুজিব হয়তো এদেশে ইসলামের বিজয় পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক থাকতো। কিন্তু তার মেয়ে ডাইনি খু*নিটার কারনে সে আজ থেকেই এদেশে অপ্রাসঙ্গিক হয়ে গেলো। অন্যায়কে যতই গিলাতে চান যত দূরই এগিয়ে নিয়ে যান তা কখনোই বাকি থাকে না। আল্লাহ যা ভালো হিসেবে বাকি রাখতে চান তাই যমীনে বাকি থাকে আর বাকি সব নিঃশেষ হয়ে যায়।

আওয়ামীলীগের যত অঙ্গ সংগঠন আছে, সেগুলোর সকল নেতাকর্মী যারা পালাতে পারেনি তাদেরকে সেনাবাহিনীর উচিত দ্রুত গ্রেফতার করে ফেলা। নাহলে দেশে কোনোভাবেই সংখ্যালঘুদের উপর আক্রমণের আশংকা দেশে থাকবেই। এই বাস্তবতা এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নাই। এদেরকে বাহিরে রাখলে দেশ কিছুতেই নিরাপদ হবে না৷ অন্যথায় দেশের জনগণ তাদের ব্যবস্থা করে ফেলবে। এতে মানুষের মাঝে একধরনের খুনের নেশা চেপে উঠবে। দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে, সেনাবাহিনীর।

সংসদ ভবনে গণকবর মিলছে। লাশের গন্ধে হাটা যাচ্ছে না! ইয়া আল্লাহ! এই খুনিদের তুমি দুনিয়াতেই শাস্তি দেও।

ভাষ্কর্য নামক সকল মূর্তি ভাঙ্গাই হলো মুসলিমদের বিজয়ের উৎযাপনের সুন্নাহ।

জাতির শত্রু মুজিব পরিবারের সদস্যদের নামে থাকা প্রত্যেক হল, রাস্তা, স্থাপনা, প্রতিষ্ঠানের নাম বদলে ফেলতে হবে। হাসিনাসহ এই পরিব
জাতির শত্রু মুজিব পরিবারের সদস্যদের নামে থাকা প্রত্যেক হল, রাস্তা, স্থাপনা, প্রতিষ্ঠানের নাম বদলে ফেলতে হবে। হাসিনাসহ এই পরিবারের সবার নাম ও ছবি সরিয়ে ফেলতে হবে। . বিশেষ করে তাগুত মুজিবের সব মূর্তি এবং ছবি ভেঙ্গে ফেলতে হবে। পুড়িয়ে দিতে হবে। . জনগণ নিজ উদ্যোগে এঈ কাজ করবে। কারও জন্য অপেক্ষা করা যাবে না। . জাতির পিতা ইব্রাহিম আলাইহিস সালাম এর সুন্নাহ জীবিত করুন। ধানমন্ডি ৩২। পুরো বাড়িটা বুলডোজ করে নতুন ভবন তৈরি করতে হবে। লীগের দুঃশাসনের সকল মূর্তি, সকল ন্যারেটিভ, সকল পূজাআচ্চার বস্তু মাটির সাথে মিশিয়ে দিতে হবে।

আমাদের কাজ মাত্র শুরু! . হাজারো মানুষের রক্তের বিনিময়ে এই অর্জনকে বিভিন্নভাবে নষ্ট করার সবধরনের পায়তারা চলবে এখন। একেকজন একেকভাবে হাইজাক করতে চাইবে। তবে এই বিজয়ের পর ইসলামের জন্য মুসলমান দায়ী ও আলেমদের আসল কাজ শুরু। . প্রথমে, এই বিজয়ের অর্জনের প্রথম ফসল ঘরে তুলতে হবে, স্বৈরাচারী খুনিদের যত ভাষ্কর্য তৈরি করা হয়েছে তা ভেঙে ফেলার সময় হয়েছে। এবং তা খুবই দ্রুত। ওদের সকল আস্তানা, শক্তির উৎস সব গুড়িয়ে দেওয়ার সময় এখন। তবে মনে রাখবেন মানুষের জানমালের যেনো কোনো ক্ষতি না হয়। হিন্দুদের মন্দির বা মূর্তি এখনো আমাদের থেকে পূর্ণ নিরাপদ ও তা নিরাপদ রাখতে হবে। . দ্বিতীয়ত, পৃথিবীতে বৈষম্য তৈরির সবচেয়ে বড় মতাদর্শ পুজিবাদ ও সমাজতন্ত্র এবং এগুলোকে সমাজে প্রতিষ্ঠিত রাখা সেকুলার ও লিবারেল মতাদর্শের লোকরা এই বিজয়কে হাইজাক করবে সবচেয়ে বেশি। তাদের ব্যাপারে সোচ্চার হতে হবে আলেম সমাজ ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের। . এই বিষয়ে আরো অনেক লেখালেখি ও সচেতনতার প্রয়োজন। সকল ইসলাম প্রিয় ভাইরা খেয়াল রাখি।

সিজদা আদায় করুন, গণভবনে যারা যাচ্ছেন, সিজদা দিন ও ছবি ভিডিও করে রাখুন, আমাদের বিজয়ের প্রতিক যেনো সেকুলার কুকুরগুলো কেড়ে না নিতে পারে।

?????
?????

যে সেনাবাহিনী খুনিকে পালিয়ে যেতে দিয়েছে তাকে আমরা বিশ্বাস করি না, তারা থাকা আর এই খুনি আর তার প্রভু ইন্ডিয়া ক্ষমতায় থাকা একই। ইজরাইলের জন্য যেমন মিশরের সিসি (লানাতুল্লাহ) তেমনি সেনাবাহিনির ক্ষমতা ভারতের জন্য।

হাসিনা বা তার বাকশালি বাবার নামে কোন সাইনবোর্ড, ব্যানার, পোস্টার দেখতে চাই না। ছিঁড়ে ফেলুন। সকল ভাস্কর্য ভেঙে ফেলুন। কোন স্কুল কলেজের নাম হলে সেটাও ভেঙে নতুন নাম দিন। কোন হলের নাম হলে সেই হলের নতুন নাম দিন। আওয়ামী লীগকে দেশ থেকে মুছে দিন। কপি (জরুরি)

খুনি পালিয়ে গেলো?
খুনি পালিয়ে গেলো?

আলহামদুলিল্লাহ, আমরা বিজয়ের দাঁড়প্রান্তে। কিন্তু এখনই আসলা কাজের সময় আমাদের ফসল যেনো কেউ ছিনিয়ে না নিতে পারে। আলেম ও ইসলাম প্রিয় ভাইরা খুব সতর্ক থাকতে হবে। সমন্বয়ক ভাইরা আশা করি জাতির বাস্তবতা আপনারা উপলব্ধি করতে পারবেন।

ল্যাফটেন্যান্ট ইনতিশার। বারবার শরীরের লোম দাঁড়িয়ে যাচ্ছিলো আর চোখ দিয়ে পানি। জুলুমের দীর্ধ দাস্তান কত অল্প সময়ে এক মহা কাব্যিক ভঙ্গিতে বলে গেলেন! ইনশাআল্লা যে মহান সত্তার প্রতি আপনি বিশ্বাস স্থাপন করেছেন তিনি আপনাকে লাঞ্চিত করবেন না। আমরা আসছি রাস্তায় আপনার ঢাকে সাড়া দিয়ে ইনশাআল্লাহ।

মাওলানা যুবায়ের হাফিজাহুল্লাহের কলামে, ‘সবাই বলছে, তাই আমরাও কিছু না বললে কেমন হয়!’ এ মনোভাব ত্যাগ করতে হবে। ‘সবাই কিছু না কিছু করছে তাই আমরাও কিছু করা উচিৎ!’ এ মনোভাব থেকেও বেরিয়ে আসতে হবে। আমার করণীয় সুনির্ধারিত। দায়িত্বশীল ওলামায়ে কেরামের করণীয় সুনির্ধারিত। মুসলিম কর্ণধার ও দ্বীনর ধারক বাহক আলেম হিসাবে দ্বীন ও শরীয়তের পক্ষ থেকে অর্পিত দায়িত্বই আমাদেরকে পালন করতে হবে। বিপথগামী রাষ্ট্রযন্ত্র, বিপথগামী প্রশাসনের প্রতিটি অঙ্গ প্রতঙ্গ, বিপথগামী প্রতিটি বাহিনীকে তার ভুল ধরে দেয়া এবং তা শুধরে নেয়ার পথ দেখিয়ে দেয়া আমাদের দায়িত্ব। তাদের ভুল শুধরানোর মানসিকতা বিলুপ্ত হয়ে থাকলে কঠোর হাতে তাদেরকে তা থেকে বিরত রাখা আমাদের দায়িত্ব। এরপরও তারা বিরত না হলে, তারা দায়িত্ব পালনে অযোগ্য। ক্ষমতার আসন থেকে তাদেরকে সরিয়ে দেয়ার দায়িত্বও আমাদের। শরীয়তে মুহাম্মদীতে আমাদের এ দায়িত্বগুলোর ধারাবাহিক পর্যায়ক্রম সাজানো আছে। জালিম শুধু জুলুম করেই যাবে, শরীয়ত বিরোধী শক্তি শরীয়তের বিরোধী কর্মকাণ্ড চালিয়ে যেতেই থাকবে, আর আমরা শুধু এর নিরব দর্শক হয়ে পরিস্থিতির নির্মমতা ভোগ করতে থাকবো, এ অনুমতি ইসলামী শরীয়তে নেই।

শু*রের বাচ্চা! একটা বের হলে লাশ ফেলে দেয়া হবে। কোন হুজুর বুঝি না। ... ফজরের নামাজ চলাকালীন, আকাশে গুলি। অতপর মাদ্রাসার গেইটে আর্মির দুই গাড়ি আসে। আমাদের মুহতামিম সাহেব বের হয়ে বলেন আপনারা কেন আসছেন, কেন উত্তেজিত করছেন। গাড়িতে দাঁড়িয়ে থাকা পোশাকি আর্মি বলে, একটা বের হবি লাশ করে ফেলবো। কোন হুজুর টুজুর উঝিনা। এই বলেই হুজুরের পাশে দেয়ালে ঠাস ঠাস গুলি করে। মনির সাহেব তখন গেইটের বাহিরে। ছাত্ররা উত্তেজিত হয়ে একসঙ্গে চিতকার করতে থাকে। আর ভুয়া ভুয়া স্লোগান। ছাত্ররা উত্তেজিত হয়ে লাঠি নিয়ে উপর থেকে নামতে থাকলে হুজুররা বলেন, তোমাদের উত্তেজিত করছে তারা। সবাই সাবধান। আমাদের নির্ঘুম রাত অতঃপর বৃষ্টির মত গুলি দিয়ে ফজর। সবাই দুআ করবেন,এবং শক্ত প্রতিবাদ করবেন! আমাদের খেয়াল রাইখেন। বারিধারা মাদ্রাসা বাদ ফজর ৫ ই আগস্ট ©