Abdullah bin bashir
前往频道在 Telegram
📈 Telegram 频道 Abdullah bin bashir 的分析概览
频道 Abdullah bin bashir (@abdullahbinbashir) 孟加拉语 语言赛道中的 是活跃参与者。目前社区聚集了 11 325 名订阅者,在 宗教与灵性 类别中位列第 7 950,并在 孟加拉国 地区排名第 2 062 位。
📊 受众指标与增长动态
自 невідомо 创建以来,项目保持高速增长,吸引了 11 325 名订阅者。
根据 01 九月, 2026 的最新数据,频道保持稳定运转。过去 30 天订阅人数变化为 63,过去 24 小时变化为 4,整体触达仍然可观。
- 认证状态: 未认证
- 互动率 (ER): 平均受众互动率为 13.27%。内容发布后 24 小时内通常能获得 5.34% 的反应,占订阅者总量。
- 帖子覆盖: 每篇帖子平均可获得 1 502 次浏览,首日通常累积 605 次浏览。
- 互动与反馈: 受众积极参与,单帖平均反应数为 31。
📝 描述与内容策略
作者将该频道定位为表达主观观点的平台:
“প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট”
凭借高频更新(最新数据采集于 02 九月, 2026),频道始终保持新鲜度与高覆盖。分析显示受众积极互动,使其成为 宗教与灵性 类别中的关键影响点。
11 325
订阅者
+424 小时
-37 天
+6330 天
帖子存档
11 326
উম্মুল কুরা ইউনিভার্সিটির ইসলামি সাংস্কৃতিক বিষয়ক শিক্ষক ড. ফাহাদ আজলান। পশ্চিম থেকে ধেয়ে আসা ফিতনা নিয়ে যে কজন আলেমের কাজ খুব বেশি ভালো লেগেছে এবং উপকৃত হওয়ার চেষ্টা করেছি তাদের মাঝে উনি অন্যতম। উনার ‘যুখরুফাল কওল’, ‘মারাকাতুন নস’ ও ‘সুয়ালাত তাহকিমিশ শারয়িয়্যাহ’ এই তিনটি কিতাব বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। উনারই সিয়াসাত বিষয়ক একটি অন্যতম বই হলো আল মুহাররার ফিস সিয়াসাতিশ শারয়িয়্যাহ।
11 326
খিলাফত নিয়ে বর্তমানে তুমুল আলোচনা চলছে। ভালো আলোচনা যেমন আসতেছে তেমনি প্রচুর বিকৃত লেখাও আসতেছে। এই বিকৃতগুলো খুবই কমন—প্রাচ্যবাদরা যে বিকৃতগুলো সমাজে ছড়িয়েছে সে বিকৃতগুলোকেই বিভিন্ন ভঙ্গিতে উপস্থাপন করা হচ্ছে। কিছুদিন পূর্বে কালান্তরের রাজনৈতিক সংখ্যার জন্য একটি প্রবন্ধ তৈরি করেছিলাম। বর্তমান সময়ে খিলাফত সংক্রান্ত যে আপত্তিগুলো বাজারে চলছে তার প্রায় সবগুলোর উত্তরই খেয়াল করে দেখলাম আমার সে প্রবন্ধে উঠে এসেছে।
প্রবন্ধটির মূল উপাদন নেওয়া হয়েছে ড. যাহেদ সিদ্দিক মোঘল সাহেবের প্রবন্ধ ‘ইসলামি খিলাফত আউর মাওজুদা মুসলিম রেয়াসাতো কা তারিখি তানাজুর ম্যে মুয়াজানা’। প্রবন্ধটি মূলত লেখকের একটি বয়ান সংকলন যা পরবর্তীতে ইসলাম ইয়া জমহুরিয়্যাত কিতাব ছাপা হয়। মূল প্রবন্ধের বিষয় ঠিক রেখে কথাগুলোকে আমি নিজের মত সাজিয়েছি ও বিভিন্ন দলিল আলোকে বিষয়গুলোকে আরো বোধগম্য করে লেখেছি।
11 326
তুহিন খানরে চাইলে বহুভাবেই খণ্ডন করা যায়। যেহেতু আলাপটা ইসলামি শরিয়া বা খিলাফতের, তাই খণ্ডন আর পালটা খণ্ডন হইতে হবে ইসলামি ফিকহ ও ফুকাহাদের বক্তব্য দিয়া। কিন্তু সেগুলো আমি পুরো দুনিয়া ভরে ফেললেও তুহিন খানদের অন্তর পশমিত হবে না৷ কারন তারা তাদের অন্তরের সুখকে বুকিং দিয়ে দিছে রুশো, ম্যাকিয়াভেলি ও তাদের মানস সন্তানদের কাছে।
.
যে মডার্ন স্টেটের ধারনাগুলোকে ধ্রুব কিছু মনে করে তার সাথে আর যাইহোক ইসলামি শাসন নিয়ে আলাপ করা বোকামি। তুহিন ভাই ধইরাই লইছে জাতিরাষ্ট্রগুলোতে শরীয়া কায়েম মানিই হইলো মডার্ণ স্টেটই হওয়া, এরবাহিরে আর এক রাস্তা হইলো পুরো পৃথিবীতে খিলাফত করা, এর বাহিরে আর কিছুই নাই। অর্থাৎ ইসলাম হইতে হইলে পুরো পৃথিবীতে হইতে হবে, আর আঞ্চলিক হওয়া মানিই হইলো মডার্ণ রাষ্ট্র। আর মডার্ণ স্টেট হইলে যেহেতু আর সহসা পুজিবাদ থেকে বের হওয়া যাবে না, এর ফলাফলই হইলো শরীয়া কায়েম কস্মিনকালেও হইতেছে না। সুতরাং এগুলো একটা অনর্থক আলাপ। বা সত্য হইলো এগুলো জঙ্গিবাদি আলাপ।
.
জনতারে সাথে নিয়ে আর জনতাকে দ্বীন বুঝিয়ে শরীয়া কায়েমরে সে ধরেই নিছে এটাই জেনারেল উইল। শব্দতো একটা ইংরেজি কইছে, আর পারসিয়ানদের জিন্দিকদের মত ধইরাই লইছে হুজুররা সব মূর্খ, তারা এই জিনিষ কইত্থে বুঝবো, সুতরাং আর কে দেহে আমারে! অথচ বাস্তবতা হলো পিও তুহিন ভাই জেনারেল উইলটাই বুঝলো না।
সে ফলাফল বের করছে শরীয়া যেহেতু মানুষরের ম্যান্ডটরী না, তাইলে ফলাফল হইলো মানুষকে বোম মারা ছাড়া উপায় নাই। বাকি আপনারা যা ভালো মনে করেন।
.
তুহিন ভাই আরেকটা বিষয় ধইরাই লইছে রাষ্ট্রের কিছু বিষয় থাকে যেটা স্বভাবগতভাবেই সেকুলার! তারমানে মানুষের জীবনের কিছু বিষয় আছে যেগুলোতে ইসলামের কোনো কাম নাই। সেটা সম্পূর্ণ ধর্মের বাহিরে। ধর্ম এখানে পুরা মাইর! কে কইছে তালাল আসাদ। বাস, এবার পুরো দুনিয়ার হুজুর আর হুজুরগো পড়ালেখা করা ফকিহরা কি কইছে তা দিয়ে তুহিন ভাইয়ের কী কাম! তালাল আসাদরে নিয়ে যেহেতু পশ্চিমে আলাপ আছে তাই ইসলামি রাষ্ট্র বুঝতে হবে, সেকুলার বুঝতে হবে তালাল দিয়াই। ইংরেজি সেকুলারেটি, সেকুলারিজম আর সেকুলার এই শব্দগুলোর পার্থক্য তুহিন ভাই যা বুঝছেন এটা তুহিন ভাই আর তুহিন ভাই যাদের দিয়ে আত্মার খোরাক খুজে তারাই পার্থক্য করেন। মোল্লা আর হুজুরদের যারা গবেষণা করে (যারা মূলত আদৌ গবেষক বলতে কিছুই না) তারা এগুলোর পার্থক্য জীবনেও বুঝবো না।
.
যাইহোক, যেহেতু ধুমাইয়ে ইংরেজি শব্দ ব্যবহার হইছে তার লেখায়, আর ইংরেজিতে যেহেতু কইছে সত্যই কইছে, কমেন্টে আবার কওমীর বুদ্ধিজীবী বেশকিছু ব্যক্তি সহমত বা সহমত টাইপ জানাইয়া আসছে, সেই লেখায় ভুল নাই এটাই ধ্রুব সত্য। ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন পিও রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ভাইলোক। সালাম।
11 326
শরীআহ্'ই সমাধান। এ জায়গায় হীনমন্যতা নেফাক।
কিন্তু ভাইয়েরা আমার!
আগে তাওহীদের ডিবেট,ঈমানের বয়ান।
জাহিলিয়্যাহ্'র সমাজটাকে বুঝুন!
অবচৈতনিক রিদ্দাহ্'র সংকটটা বুঝুন!
এভাবে আকীদহ্ আর দা'ওয়াহ্ নিয়ে কথা বলুন!!
এক দশক পর আপনি দেখবেন শরীআহ্'র পিপাসায় মানুষ কাতর হয়ে পড়ছে।
এ সময়টাতে বিতর্কে জড়াবেন না।
সময়ের আগে প্রজন্মকে এমন কিছু খাওয়াতে বাধ্য না করি, যা খেতে সে একদিন মরিয়া হয়ে উঠবে।
এ রোগাক্রান্ত সমাজ ফত্ওয়ার ভাষা নিতে পারবেনা, দা'ওয়াহ্'র উপর চলতে হবে আরো বহুদিন। দা'ওয়াহ্ মানেই নবীদের রোডম্যাপ, একদম গোড়া থেকে শুরু করা।
এর মধ্যে তায়েফায়ে মানসুরার তলওয়ার সময়কে গ্লোবাল বাস্তবতায় আরো গুছিয়ে দিবে। অবধারিত বিজয়ের সিগনাল যারা বুঝে তাদের উচিত দেশীয় বাস্তবতায় সবরের সাথে দাওয়াতি কাজে সর্বাত্মকভাবে আত্মনিয়োগ করা এবং বিতর্ককে এড়িয়ে যাওয়া।
#দাওয়াহ্ #ফার্স্ট
শায়খ হারুন ইজহার
11 326
গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে হাফিজ্জি হুজুর, মুফতি আমিনি বা শাইখুল হাদীস রাহিমাহুমুল্লাহ এর অংশগ্রহণ নিয়ে লোকে এত বেশি কথা না বললেও চরমোনাইকে নিয়ে কেন বলে? কারণ হলো, তাদের নায়েবে আমীর সাহেবের লাগামহীন কথাবার্তা। গণতন্ত্র/নির্বাচন/জি(হাদ প্রসঙ্গে নানান সময়ে উনার করা অগভীর ও হাস্যকর যুক্তিনির্ভর কথাবার্তা এবং দলে শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দের খিলাফাহ চেতনাকে ঘিরে কোন মুজবুত অবস্থান প্রকাশ্যে দেখা না যাওয়া। যেনবা গণতন্ত্র দিয়েই তারা শরীয়ত কায়েম করে ফেলবেন। এটা যে ওজরের হালত, সেই ওজরখাহির প্রকাশ কথাবার্তায় ও আচার-আচরণে প্রকাশ না পাওয়া। গণতন্ত্রের পক্ষে এমন এমন সব যুক্তি দেওয়া, যা যে-কোন সচেতন মানুষকে কষ্ট দিবে। (যেমন কাবিননানায় বা টাকায় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার লেখা থাকা এবং সেগুলো ব্যবহার করা মানে গণতন্ত্র মেনে নেবার মত কু-যুক্তি ইত্যাদি। সেম যুক্তি ধরে বলা যায় নারী নেতৃত্বের সমালোচক হবার পরেও আপনারা যখন নারী নেত্রীর কাছেই বিভিন্ন দাবী-দাওয়া পেশ করেছেন মিছিল-সমাবেশে এর দ্বারা আপনারাও প্রকারান্তরে নারী নেতৃত্বকে মেনে নিচ্ছেন।)
যারা বারবার বলেন, অমুক অমুক আলেম রাজনীতি করেছেন তাদের নিয়ে কেন সমালচনা হয় না? এই পয়েন্টটা তাদের বুঝতে হবে। তারা যদি ভাবেন, এগুলো হিংসা বা বিদ্বেষ থেকে সবাই বলে তাহলে ভুল হবে। কেউ কেউ করলে করতে পারে, তবে সবাই না। তাদের উচিত, নিজেদের ত্রুটিগুলো নিয়ে আত্মসমালোচনা করা। এমন লাগামহীন কথাবার্তাকে নিয়ন্ত্রণ করা।
11 326
এই দলটির ভালো অনেকগুলো দিক আছে। সম্ভবনা আছে তাদের। দলীয় শৃঙ্খলা, সুদৃঢ় সাংগঠনিক কাঠামো, দেশব্যাপী বিস্তৃতি, গোছানো কার্যক্রম ইত্যাদি বিষয়কে সামনে রাখলে (জামাত বাদে) তাদের সমান আর কোন ইসলামী দল নেই। চরমোনাইর দাওয়াতী খেদমতও কম নয়। বহু ফাসেক-ফুজ্জার দ্বীনের পথে এসেছে এই সিলসিলার হাত ধরে। ইসলামি আইর বাস্তবায়নের চেতনার লোক বাড়ানোর ক্ষেত্রেও তাদের ভূমিকা আছে। এই দল বড় হওয়া মানে ইসলামী আইনের পক্ষেরর লোক বাড়া। একটা সেক্যুলারকে বা ইসলামী আইন বাস্তবায়নের ব্যাপারে বেখবর কাউকে যখন তারা দাওয়াত দিয়ে বুঝিয়ে-সুজিয়ে তাদের দলে ভেড়ায়, এর মানে ইসলামী আইন চাওয়ার একটা লোক বাড়ে। তাই তাদের অবদান ও প্রয়োজনীয়তাকে অস্বীকার করছি না। কিন্তু নিজেদের কর্মপন্থা নিয়ে তাদের নিয়মিত রিসার্চ করা উচিত। বিশেষত তাদের দলগত চেতনা, মূল লক্ষ্য এগুলো বারবার পর্যালোচনা করা ও তৃণমূলের কর্মীদের মাঝে তা ছড়িয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত। নইলে এই ঝড় দু'দিন পরপরই উঠবে। কেননা কোন ভূখন্ড এমন নেই, যেখানে দ্বীনের সামান্য বিকৃতি, বা দ্বীনী চেতনার খেলাফ কিছু দেখলে কিছু মানুষ সেটা নিয়ে জোর গলায় কথা বলবে না।
11 326
গণতন্ত্রের সংজ্ঞা ও পরিচিতি এবং এর বাস্তবিক প্রয়োগ সামনে রাখলে নিশ্চিতভাবে বলতে হয়, এটি একটি কুফরি পন্থা। এবং এর মাধ্যমে কখনো কোন রাষ্ট্রকে শরঈ রাষ্ট্র বানানোও সম্ভব নয়।
শরীয়তি রাষ্ট্র কায়েমের পথ শুধু দুইটা-
ক. জি/হাদ
খ. দাওয়াত
ইসলামের ইতিহাসে এই দুই পদ্ধতির বাইরে তৃতীয় কোন পদ্ধতি আজ পর্যন্ত প্রমাণিত হয়নি। যদি হতো, তাহলে সেটা নিয়ে চিন্তা করা যেত।
উপরের কথাগুলো হলো মৌলিক কথা। এগুলোর সাথে দ্বিমত করার সুযোগ নেই কারো।
বর্তমানে আমাদের কর্মপন্থা কী হবে এটা হলো ইজতিহাদী বিষয়। এটা নিয়ে একেক জনের ভাবনা ও কর্মপন্থা একেক রকম হতে পারে। এখানে দ্বিমতেরও সুযোগ আছে।
ইসলামপন্থী যারা গণতান্ত্রিক রাজনীতি করছেন, তারাও এটা স্বীকার করেন যে, এটি একটি কুফরি ব্যবস্থা। তাদের মূল উদ্দেশ্য হলো একে হটিয়ে ইসলামী শরীয়তকে প্রতিষ্ঠা করা। এই বিষয়ে ইসলামী রাজনীতির নেতৃস্থানীয় অনেকের থেকে আমি সরাসরি শুনেছি। চরমোনাইর মরহুম পীরসাহেবের এই সংক্রান্ত একটি ভিডিও ক্লিপ আছে। কারো সংগ্রহে থাকলে দেওয়ার অনুরোধ। আমি অনেক খুঁজেও বের করতে পারিনি।
বিদ্যমান ব্যবস্থায় যেহেতু আপাতত জি/হাদের সুযোগ নেই, তাই দাওয়াহ হলো মূল কর্মপন্থা। এটাকে বেগবান করতে এবং ইসলামী শরীয়াহ বাস্তবায়নের প্রতি মানুষকে উদ্বুদ্ধ করতে ও জনমত গঠন করতে সাংগঠনিক রূপ অনেক বেশি সহায়ক। তাছাড়া বিভিন্ন দাবী-দাওয়া পেশ করা, নানান ইস্যুতে প্রতিবাদ জানানো, সরকারের উপর চাপ প্রয়োগ করা ইত্যাদি বিভিন্ন প্রয়োজনেও ইসলামী রাজনৈতিক দলগুলোর দরকার আছে আমাদের। নিজেদের খেলাফতের চেতনাকে অক্ষুন্ন রেখে, সেটাকে মূল ধরে এবং গণতন্ত্রের কুফরিনীতির ব্যাপারে ইতিকাদকে ঠিক রেখে বিদ্যমান ব্যবস্থায় নির্বাচনে অংশ নেওয়া এবং যতটুকু সম্ভব আমল বিল মারুফ ও নাহি আনিল মুনকার পালনে ভূমিকা রাখা যেতে পারে। এটাই জুমহুর উলামাদের গৃহীত নীতি। এই নীতি ধরেই হাফেজ্জি হুজুর রাহ., মুফতি আমিনী রাহ. শাইখুল হাদীস রাহ. প্রমুখ মনীষী আলেমগণ রাজনীতি করেছেন এবং নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করেছেন।
জি/হিদের পরিবেশ নাই বিধায় এটা ছিল ওজরের সুরত। কারণ 'সিস্টেমের ভেতরে ঢুকে সিস্টেম পাল্টানো' এর মতো মুখরোচক শ্লোগানের পেছনে পড়ে যদি সব রকমের রাজনৈতিক কর্মতৎপরতা থেকে হাত গুটিয়ে বসে থাকা হয়, এটা জালেমের জুলমের রাস্তাকে আরো দীর্ঘায়িত ও প্রশস্তই করবে শুধু। তাই মূল চেতনা ও আকীদা ঠিক রেখে এবং মূল উদ্দেশ্যের ব্যাপারে সচেতন থেকে সাধ্যানুযায়ী প্রচলিত রাজনৈতিক সিস্টেমকে কাজে লাগানোটা ছিল আমাদের মাথার তাজ আলেমদের নীতি। সেটা নির্বাচনে অংশ নেবার দ্বারা হোক, কিংবা শুধু রাজনৈতিক দল গঠন করে কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে হোক। মুফতি শফী রাহ. এর লিখিত ভোট ও নির্বাচন বিষয়ক একটা রিসালাহ আহলে ইলমদের জন্য এক্ষেত্রে অবশ্য পাঠ্য।
এই যে বিদ্যমান ব্যবস্থায় আমাদের ওজরের হালত, এটাকে কেউ অস্বীকার করে না। সেদিন আব্বাসী সাহেবও এটা স্বীকার করেছেন এবং বলেছেন এগুলো সব সাময়িক একটা পদক্ষেপ মাত্র। মূল হলো সেই দাওয়াত ও জি/হাদ। এগুলো তার সহায়ক হতে পারে। সমস্যা হলো, অনেকে সহায়ককেই মূল বানিয়ে নিচ্ছে। মনে মনে না হলেও, তাদের কথাবার্তায় সেটাই প্রকাশ পায় এবং তাদের প্রকাশ্য চেতনায় মূল উদ্দেশ্যের অনুপস্থিতি থাকে প্রকট।
গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে হাফিজ্জি হুজুর, মুফতি আমিনি বা শাইখুল হাদীস রাহিমাহুমুল্লাহ এর অংশগ্রহণ নিয়ে লোকে এত বেশি কথা না বললেও চরমোনাইকে নিয়ে কেন বলে? কারণ হলো, তাদের নায়েবে আমীর সাহেবের লাগামহীন কথাবার্তা। গণতন্ত্র/নির্বাচন/জি(হাদ প্রসঙ্গে নানান সময়ে উনার করা অগভীর ও হাস্যকর যুক্তিনির্ভর কথাবার্তা এবং দলে শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দের খিলাফাহ চেতনাকে ঘিরে কোন মুজবুত অবস্থান প্রকাশ্যে দেখা না যাওয়া। যেনবা গণতন্ত্র দিয়েই তারা শরীয়ত কায়েম করে ফেলবেন। এটা যে ওজরের হালত, সেই ওজরখাহির প্রকাশ কথাবার্তায় ও আচার-আচরণে প্রকাশ না পাওয়া। গণতন্ত্রের পক্ষে এমন এমন সব যুক্তি দেওয়া, যা যে-কোন সচেতন মানুষকে কষ্ট দিবে। (যেমন কাবিননানায় বা টাকায় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার লেখা থাকা এবং সেগুলো ব্যবহার করা মানে গণতন্ত্র মেনে নেবার মত কু-যুক্তি ইত্যাদি। সেম যুক্তি ধরে বলা যায় নারী নেতৃত্বের সমালোচক হবার পরেও আপনারা যখন নারী নেত্রীর কাছেই বিভিন্ন দাবী-দাওয়া পেশ করেছেন মিছিল-সমাবেশে এর দ্বারা আপনারাও প্রকারান্তরে নারী নেতৃত্বকে মেনে নিচ্ছেন।)
যারা বারবার বলেন, অমুক অমুক আলেম রাজনীতি করেছেন তাদের নিয়ে কেন সমালচনা হয় না? এই পয়েন্টটা তাদের বুঝতে হবে। তারা যদি ভাবেন, এগুলো হিংসা বা বিদ্বেষ থেকে সবাই বলে তাহলে ভুল হবে। কেউ কেউ করলে করতে পারে, তবে সবাই না। তাদের উচিত, নিজেদের ত্রুটিগুলো নিয়ে আত্মসমালোচনা করা। এমন লাগামহীন কথাবার্তাকে নিয়ন্ত্রণ করা।
11 326
মাওলানা জসিমুদ্দিন রাহমানি সাহেব তার গ্রেফতার বিষয়ে যে কথাগুলো বললেন, সেগুলো বেশি বেশি প্রচার হওয়া জরুরি, যাতে সামনে উনি প্রকাশ্যে কাজ করতে পারেন।
11 326
ইমাম মাহদি আসার পর সুশীল: এভাবে সবগুলো রাষ্ট্রকে জোর করে দখল করে এক ক্ষমতার অধিনে নিয়ে আসতেছেন, এটা স্পষ্টই মানধিকারের লঙ্ঘন। ইসলামই তো মানবাধিকারের কথা বলে, সে ইসলামের নাম নিয়ে এভাবে মানবতাকে আজ শেষ করছেন, এটা আর যাইহোক প্রকৃত ইসলাম না! এভাবে জোর করে অন্যের রাষ্ট্র দখল তো ইসলাম সমর্থন করে না।
11 326
আফম খালেদ সাহেব রাষ্ট্রবিজ্ঞান মাদরাসায় পড়ানোর জন্য বলেছে। জানিনা, কে এটাকে কীভাবে নিবে। বাকি, আমাদের ইফতা বিভাগে আলহামদুলিল্লাহ ইসলামি সিয়াসাত খুবই গুরুত্বের সাথে নেসাবভুক্ত করা হয়েছে। প্রায় ৫০টির মত দরস করানো হয়। সেখানে সামনে থাকে ইবনুল জামাআ রহিমাহুল্লাহ রচিত ‘তাহরিরুল আহকাম’। আর ছাত্রদের বাধ্যতামূলক মুতালায় থাকে ‘ইসলামি নেজামে খিলাফত আউর হামারে জিম্মাদারী’। এছাড়া মুফতি তাকী উসমানী হাফিজাহুল্লাহের ‘ইসলাম আউর সিয়াসি নাজরিয়্যাত’ কিতাবের নির্বাচিত অংশ পরিক্ষায় সুয়ালে আসে, সে হিসেবে সেটাও পড়া লাগে বাধ্যতামূলক। এছাড়া ঐচ্ছিক মুতাআলায় ইমারতের প্রধান বিচারপতির ‘আলইমারাতুল ইসলামিয়্যাহ’, আব্দুল্লাহ দামিজির ‘আলইমামাতু উজমা’ কিতাবদুটো পড়ার জন্য গুরুত্ব দেয়া হয়। এবছর এদুটোর সাথে বর্তমান ইমারতের শিক্ষামন্ত্রী আব্দুল বাক হ ক কা নী হাফিজাহুল্লাহের কিতাবটিকেও গুরুত্বের সাথে মুতালাআ করানো হবে ইনশাআল্লাহ। এছাড়া বিভিন্ন ভাষায় লেখা স্কলারদের সিয়াসি প্রবন্ধগুলো দরসের বাহিরে মুতালার জন্য বিশেষভাবে দেয়া হয় এবং পরবর্তীতে সেগুলোর খোজ নেয়া ও সেগুলো নিয়ে পরষ্পর মুজাকারাও হয়। আলহামদুলিল্লাহ।
.
দরসের ক্ষেত্রে সমকালীন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দেয়া হয়। ফুকাহায়ে কেরামের ইবারত থেকে আধুনিক মাসআলাগুলোর সমাধান বের করার চেষ্টার প্রতি বেশি গুরুত্ব দেয়া হয়। এছাড়া সমকালীন রাষ্ট্রবিজ্ঞানের গুরুত্ব মৌলিক বিষয়গুলোকে ইসলামি শরীয়ার সাথে তুলনামূলক বিশ্লেষণের ক্ষেত্রেও গুরুত্ব দেয়া হয়। এছাড়া প্রচীন ও সমকালীন সিয়াসাত বিষয়ক তুরাসের সাথে বিশেষভাবে পরিচয় করিয়ে দেয়ার প্রতি গুরুত্বারোপ করা হয়। মোটকথা, একদম গোড়া থেকে ইসলামি সিয়াসাত বিষয়ক একটি সচ্ছ ধারনা যেনো একজন তালেবে ইলমের হয় এবং এই বিষয় সামনে বিস্তৃত পড়তে চাইলে একটি রূপরেখা তার সামনে স্পষ্ট হয় এইবিষয়ে যথেষ্ট চেষ্ঠা থাকে।
.
জি, ভাই সঠিকটাই ধরতে পারছেন, এটা পূর্ণই একটি মার্কেটিং পোষ্ট। আএ দরসের এই কাজটি যিনি করেন তিনি হলেন, সময়ের অন্যতম নাজিয, আহকার হাফিজাহুল্লাহ আব্দুল্লাহ বিন বশির। জাযাকাল্লাহ খাইরান।
11 326
সিয়াসাত নিয়ে ইমাম জুয়াইনি, মাওরদি, কাজি আবু ইয়ালা, ইবনুল জামাআ রহিমাহুমাল্লাহ, এদিকে ইদ্রিস কান্ধলবি রহিমাহুল্লাহ মুফতি তাকী উসমানি হাফিজাহুল্লাহ থেকে বর্তমান ইমারতের দুইমন্ত্রী আব্দুল হাকিম ও আব্দুল বাকী হক্কানি হাফিজাহুমাল্লাহুদের লেখা পড়ার তাওফিক হওয়াতে এখন এই বিষয়ে যেকোনো ঘরনার লেখা পড়ার সাহস পাই। সে কারনেই ইউসুফ কারযাবি থেকে নিয়ে নুরানী কায়েদা, সবঘরনার লেখা সংগ্রহ করি এবং পড়ার চেষ্টা করি।
.
বেশকিছুদিন আগে নুরানী কায়েদার একজন সম্মানিত আলেম শায়খ হারেস আননাজ্জারির সিয়াসাত বিষয়ক সংক্ষিপ্ত তবে চমতকার ও সারগর্ভ একটি বই পড়ার সুযোগ হয়। বইটিতে অতিসংক্ষিপ্ত শব্দে সালাফের উদ্ধৃতিতে সিয়াসাতের মৌলিক মাসায়েলগুলো উনি লিপিবদ্ধ করেছেন। সাথে যেখানে সমকালীন কিছু বিষয় বলার দরকার হয়েছে তাও অল্প কথায় উল্লেখ করেছেন। বিভিন্ন মাসআলা বলার সময় সে বিষয়ে সালাফদের স্বীকৃত মতানৈক্য থাকলে সেগুলোও উল্লেখ করেছেন।
.
যাইহোক বইটির প্রমোট উদ্দেশ্য না। তবে তালেবে ইলমরা চাইলে পড়তে পারেন। আমি শুধু বইয়ের দুটো উদ্ধৃতি দিবো যা বইটিতে আমাকে মুগ্ধ করেছে।
উদ্ধৃতি এক.
‘“অনেকের মুখে এই কথাটি শোনা যায়, যদি কোনো মাসআলায় ইখতিলাফ হয় তাহলে মু*জা*হিদগণ যার উপর থাকে তাই গ্রহণ করো। কেননা তাদেরকে আল্লাহ হিদায়েত দিয়েছেন।” এই কথাটি ভুল। এখানে এমন অনেক জি হা দি দল আছে যারা সত্য থেকে বিচ্যুত হয়েছে।
হাঁ, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এটা বলেছেন, “আমার উম্মতের একদল সর্বদা হকের উপর থাকবে।...” এটা ঠিক, একদল সর্বদা হকের উপর থাকবে। কিন্তু সে দলটি তোমারই দল এই কথাটি তোমায় কে বললো? উদাহরণত আমরা কি বলি সেই হক দল হলো একমাত্র আল-কা*য়েদা? “আল-কা*য়ে*দাই হলো হাদিসে বর্ণিত হকের উপর প্রতিষ্ঠিত সে জামাত” এধরনের কথা শুধুই বেদআতিরাই বলে। এত বড় দুঃসাহস কোথা থেকে আসে?
আমরা এতটুকু আশা করি, হাদিসে বর্ণিত সে হক দলে আমরাও অন্তর্ভুক্ত। কিন্তু হাদিসের সেই হক দলকে শুধু আল-কা*য়ে*দার মাঝে অথবা অন্যকোনো দলের মাঝে সীমাবদ্ধ মনে করা সঠিক নয়। বরং এভাবে সীমাবদ্ধ করে দেয়া নববি হিদায়াত ও পবিত্র সুন্নাহ থেকে বিচ্যুতি।’ -আল-মুজায ফি আহকামিল ইমারাহ পৃ. ৪৬
উদ্ধৃতি দুই.
‘এখানে একটি বিষয় স্পষ্ট করে দেয়া জরুরি মনে করছি, যা সর্বদা সকলের যেহেনে থাকা দরকার। তা হলো, সমস্ত মানুষের মধ্য থেকে মুসলমানরা হলো স্বতন্ত্র একটি উম্মাহ। আর মু*জা*হি*দগণ হলেন সে উম্মতের একটি জামাত। পুরো উম্মাহ নয়। মু*জা*দি*দদের বিরোধিতা করলেই কেউ মুরজিয়া ও পদভ্রষ্ট আলেম হয়ে যায় না এবং মুজাহিদদের বিরোধিতা করলেই কেউ দরবারি আলেমও নন। বরং বহু নেককার ও সম্মানিত আলেম রয়েছেন। হতে পারে তার গবেষণা তাকে এই বিরোধিতার দিকে উদ্ধুদ্ধ করেছে। তোমারও যেমন গবেষনা রয়েছে (যার ফলে তুমি মুজাহিদদের পক্ষ নিচ্ছো) তারও নিজস্ব গবেষনা রয়েছে (যার ফলে সে বিরোধিতা করছে)। যাইহোক, আমাদের উদ্দেশ্য হলো এটা বুঝানো, মুজাহিদরাই গোটা উম্মাহ নয় বরং উম্মাহের একটি দল।’ -আলমুজায ফি আহকামিল ইমারাহ পৃ. ৪৫
.
আশা করি উদ্ধৃতি দুটো আমাদেরকে নতুন করে চিন্তা করতে শিখাবে এবং আমাদের আচরণকেও ঠিক করে দিবে।
11 326
লেখেছেন কায়সার আহমাদ
খেলাফতের আগে প্রয়োজন ইমারত প্রতিষ্ঠার। অর্থাৎ নিজ অঞ্চলে বা রাষ্ট্রে ইসলামী শারিয়াহ কায়েম করতে হবে। এর পরের স্টেজ হবে খেলাফত। ইমারত প্রতিষ্ঠার পদ্ধতি ভৌগলিক, ঐতিহাসিক, মানুষের স্বভাব ও প্রকৃতি ইত্যাদি কারনে এক এক অঞ্চলে এক এক রকম হবে। আফ্রিকার অঞ্চলে যে পদ্ধতি কার্যকরী এশিয়া অঞ্চলে তা কার্যকরী নাও হতে পারে। তবে এতে কোনো সন্দেহ নেই সূচনায় যে পদ্ধতিই অনুসরণ করা হোক না কেন দাওয়াতের চূড়ান্ত সফলতা কেবল মাত্র সুন্নাহ পদ্ধতিতে আসবে।
এবার অন্য বিষয় ভাবা যাক। শারিয়াহ প্রতিষ্ঠা কোনো সহজ পথ নয়, কন্টকাকীর্ণ পথ পাড়ি দিতে হবে। এতে প্রয়োজন বহু ত্যাগ-কুরবানির। ত্যাগ শুরু হবে নিজ কমফোর্ট জোন থেকে। এরপর মালের ও প্রাণের। শারিয়াহ প্রতিষ্ঠা হয়ে গেলেও কিন্তু কুরবানি থেমে যাবে না। আজকের দুনিয়াবি যে সুযোগ সুবিধা আমরা পাচ্ছি, তখন সেই সুযোগ সুবিধা আমরা পাবো না। আমাদের উপর নিষেধাজ্ঞা আসবে। পার্শ্ববর্তী রাষ্ট্র তা পুরো পুরি মানবে। আফগানের মত আমাদের পাশে ইরান নেই, যে নিজেই নিষেধাজ্ঞা প্রাপ্ত, তাই আফগানের সাথে ট্রেড আরামে চালিয়ে যাচ্ছে। পাকিস্তানের মত অরক্ষিত কোনো সীমান্ত নেই। ইভেন চীনের মত কোনো রাষ্ট্রও নেই। এমতাবস্থায় আমাদের অবস্থা হবে উত্তর কোরিয়ার চাইতেও নাজুক। আমরা, আমাদের পরিবার, আমাদের সমাজ দ্বীনের জন্য কি এই ত্যাগ করতে রাজী আছি? বস্তুবাদে আক্রান্ত এই জাতী দ্বীনের জন্য আরাম-আয়েশ ছেড়ে সাধারণ জীবন যাপন করতে চাইবে? পাকিস্তানের জনগণও কিন্তু এই প্রশ্নের সম্মুখীন। মিশর ও সৌদি আরবের জনগণও এই স্টেজ পার করছে। এদের অধিকাংশই আরাম আয়েশকে বেঁছে নিয়েছে।
এই প্রশ্ন গুলো আমাদের নিজেকে করতে হবে, তারপর পরিবার ও সমাজকে। প্রশ্নের উত্তর 'না'- হলে ধাপে ধাপে দ্বীনের জন্য সর্বোচ্চ কুরবানি দেওয়ার মানসিকতা তৈরি করতে হবে। এর দাওয়াত দিতে হবে।
11 326
আওয়ামীলীগের গুম-খুনের সবচেয়ে বড় মাধ্যম ছিলো র্যাব। আর র্যাবের প্রধান বেনজির। স্বৈরাচারের দোষরের এই গুম-খুনকে যে কয়জন ‘আলেমে সু’ বিশেষভাবে বৈধতা দিয়েছে তার মধ্যে অন্যতম একজন হলো বর্তমানে বাইতুল মুকাররমে নিয়োগ পাওয়া খতিব ওয়ালীউর রহমান খান।
স্বৈরাচারের সহযোগীগুলো কীভাবে ধীরে ধীরে এত বড় পদগুলো পাচ্ছে, এবিষয়গুলো কী আন্দোলনরত ছাত্রদের নজরে পড়ে না! বিষয়টা দুঃখজনক!
এই ওয়ালীউর রহমান হলো উবাইদুর রহমান নদভি ও মুহিব খানের ভাই! তিনো ভাই কী তাহলে....
11 326
শুক্রবার উপলক্ষে অনেক ভাইরা দরুদ শরীফ পড়ার পোষ্ট দিয়ে থাকে। যতবার পোষ্টগুলো সামনে আসবে চারপাঁচবার সাথে সাথে ‘সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম’ বলে ফেলবেন। দেখবেন মনের অজান্তেই কয়েকশবার দরুদ শরীফ পড়া হয়ে গেছে দিনে। আমি ব্যক্তিগত আমল করে বেশ ফায়েদা পেয়েছে। এভাবে দরুদ শরীফ পড়ার একটা মানসিকতাও হয়ে যায়, যা একজন মুমিনের জন্য অনেক বড় সৌভাগ্যের বিষয়।
11 326
স্বেচ্ছাসেবী কাফেলার পক্ষ থেকে দেশবাসীর উদ্দেশ্যে উদাত্ত আহ্বান।
আলহামদুলিল্লাহ আজকে ২ হাজারের উর্ধ্ব পরিবারের প্যাকেট অলরেডি ২৬ টি এলাকায় বিতরণের জন্য চলে গিয়েছে। আল্লাহ পাকের অশেষ মেহেরবানি। আমাদের আরও অনেক এলাকা থেকে তাকাজা আসছে। সেগুলোও আল্লাহর খাজানা থেকে ব্যবস্থা হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ।
আপনারা যারাই হাদিয়া নোয়াখালী ঢুকবেন। তারা অবশ্যই স্থানীয়দের সাথে যোগাযোগ করে আসবেন। তাহলেই প্রকৃত হকদারগণ হাদিয়া পাবেন ইনশাআল্লাহ।
সহযোগিতা পাঠানোর মাধ্যম:
01729-714125 (বিকাশ)
01954-248187 (নগদ)
01865-125300 (বিকাশ, নগদ)
(সবগুলো নাম্বার পার্সোনাল)
11 326
আফগানিস্তানে সম্প্রতি কিছু শরীয়া আইন বাস্তবায়ন করা হয়েছে, যার মাঝে পুরুষের জন্য একমুষ্টি দাঁড়ি, নারীদের নিকাব বাধ্যতামূলক, ও পুরুষ ছাড়া দূরপাল্লার সফর নিষিদ্ধ ইত্যাদি। বিধানগুলো বাস্তবায়িত হওয়াতে জাতিসংজ্ঞ উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং বিবৃতি দিয়েছে। এর পালটা বিবৃতি দিয়েছেন ছাত্র ভাইদের মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ। এবং বেশ শক্ত ভাষায় দিয়েছেন। বিবৃতির ভাষ্যটি প্রতিটি ইসলামি দলের সমর্থক ভাইদের পড়ার আহবান করছি।
“উক্ত বিবৃতিতে তিনি বলেছেন, আফগানিস্তানে সদ্য অনুমোদিত এই আইনে ৪টি অধ্যায় ও ৩৫টি অনুচ্ছেদ রয়েছে, যা আমির-উল-মুমিনীন কর্তৃক আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদিত এবং প্রকাশিত হয়েছে। এই আইনগুলি ইসলামি শরিয়ার সাথে গভীরভাবে জড়িত, যা হানাফি ফিকাহের উপর ভিত্তি করে প্রণীত হয়েছে। এ আইনের প্রতিটি ধারা স্পষ্টভাবে প্রমাণিত, ইসলামি উৎসের ভিত্তিতে নির্ধারিত ও স্পষ্টভাবে বর্ণনা করা হয়েছে।
এরপর তিনি বলেছেন, যারা ইসলামি শরিয়া আইন সম্পর্কে পরিচিত নন, বিশেষ করে যারা অমুসলিম তাদের এই আইন সম্পর্কে সংশয় থাকতে পারে, আমারা তাদেরকে ইসলামি মূলনীতি অনুযায়ী বিস্তারিতভাবে আইনগুলি সম্পর্কে অনুসন্ধান এবং শ্রদ্ধাশীলভাবে বিবেচনা করার আহ্বান জানাচ্ছি। কোনরকম বোঝাপড়া ছাড়া এই আইনগুলি প্রত্যাখ্যান করা আমাদের দৃষ্টিতে ঔদ্ধত্যের বহিঃপ্রকাশ।
এরপর তিনি মুসলিমদের উদ্দেশ্য করে বলেছেন, আমরা পরামর্শ দিচ্ছি এ আইন সম্পর্কে ভালোভাবে বুঝতে বিশেষজ্ঞ আলেমদের পরামর্শ নিন। একজন মুসলিম হিসেবে এই আইনগুলো যদি কেউ প্রত্যাখ্যান করে বা সমালোচনা করে, তাহলে তা তার ধর্মীয় জ্ঞানহীনতাকেই প্রদর্শন করে এবং এতে তার ঈমান ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। আফগানিস্তান একটি মুসলিম দেশ, তাই শরিয়াহ আইন এখানকার সমাজে প্রাকৃতিকভাবেই প্রযোজ্য।
প্রত্যেক মুসলিম ও ইসলামিক সরকারের জন্য এটি একটি মৌলিক দায়িত্ব যে তারা পবিত্র কুরআনের নির্দেশ অনুযায়ী ভালো কাজ প্রচার এবং মন্দ কাজ প্রতিরোধ করবে। এজন্য সৎ কাজে আদেশ ও অসৎ কাজে নিষেধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়কে এইসব শরিয়া আইন সুষ্ঠু যথাযথভাবে প্রয়োগের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেছেন, এই আইনগুলির প্রয়োগ নিয়ে কোনো উদ্বেগের কারণ নেই। কোনো ব্যক্তির অধিকার লঙ্ঘিত হবে না এবং কোনো ব্যক্তির প্রতি অবিচারও হবে না। এই আইনগুলি সমাজে সমানভাবে ও ন্যায়সঙ্গতভাবে প্রয়োগ করা হবে।
সর্বশেষে তিনি সমালোচনাকারীদের উদ্দেশ্যে হুশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, আমারা নিশ্চিতভাবে বলে দিচ্ছি, বিভিন্ন পক্ষের উত্থাপিত উদ্বেগ ইমারতে ইসলামিয়াকে শরিয়া আইন রক্ষা ও প্রয়োগের প্রতিশ্রুতি থেকে বিচ্যুত করতে পারবে না।”
11 326
এদেশের হানাফি বলেন, আহলে হাদিস বলেন, বেরলবি বলেন, প্রত্যেকেই তাদের দল যে সঠিক, তাদের কাজ যে সঠিক এটা প্রমান করে কী দিয়ে? কী দিয়ে প্রত্যেকেই চেষ্টা করে, যে তারা সঠিক? স্বাভাবিক কুরআন হাদিস দিয়ে। অর্থাৎ কুরআন-সুন্নাহ দিয়ে যদি তারা প্রমান না করতে পারে তাহলে তাদের ইসলাম অনুযায়ী কোনো বৈধতা নেই। তারা একটি বাতিল দল। এখন তাদের নিজেদের পক্ষে কুরআন-সুন্নাহের ব্যাখ্যা সঠিক হোক বা ভুল, তাদের একটা দায়বদ্ধতা আছে নিজেদের সঠিক প্রমান করার জন্য কুরআন-সুন্নাহেএ কাছে। তারা ভুল হলেই কুরআনই পেশ করতে হবে নিজের জন্য এছাড়া তাদের ইসলাম হিসেবে বৈধতার কোনো অর্থ নেই। এ যে কুরআন-হাদিসের কাছে যে দায়বদ্ধতা এটাই হলো আল্লাহর হাকিমিয়্যাহ।
এইযে যেকোনো কাজ, দল, আইন ওগুলোকে আপনি সঠিক আর বেঠিক, হালাল-হারাম, জায়েয নাজায়েয বলছেন বা এগুলোর সীমা নির্ধারণ করছেন কুরআন হাদিস দিয়ে, ভুল শুদ্ধ নির্নয়ের মাপকাঠি রাখছি কুরআন ও হাদিস। এটাই আল্লাহর হাকিমিয়্যাহ। আর এই হাকিমিয়্যাতই হলো আল্লাহর একটি সিফাত যার অস্বীকারকারী কাফের।
.
এবার বাংলাদেশসহ সকল সেকুকার রাষ্ট্রের বিষয়টি দেখি। দেশের একটি দল গঠন, একটি প্রতিষ্ঠান গঠন, দেশের যেকোনো আইন প্রনয়ন তৈরি এগুলোকে বৈধতা দেয়ার ভিত্তি কী? কিভাবে একটা দেশের দলকে অবৈধ বা বৈধ ঘোষনা করা যায়? রাষ্ট্রের কোনো কাজ আপনার পছন্দ না হলে আপনি কিসের ভিত্তিতে চ্যালেঞ্জ করতে পারবেন? আপনি বৈধ এটাকে আদালতে প্রমান করবেন কী দিয়ে? কুরআন হাদিস দিয়ে? না এগুলোর বৈধতার একমাত্র ভিত্তি হলো দেশের সংবিধান। আর যেকোনো সেকুলার রাষ্ট্রের সংবিধানের বৈধতার মাপকাঠি হলো হিউম্যানরাইটসের উসুলগুলো অনুযায়ী হচ্ছে কি না।
.
আশা করি। একটু হলেও জটলা খুলেছে।
11 326
শোনেন, খেলাফত, ইমারত সব বাদ। ধরে নিলাম এগুলো ঐশী কোন কিছু না। আসেন একটা সোজাসাপটা কথা আমরা একমত হই। 'স্রষ্টার অবাধ্যতায় সৃষ্টির আনুগত্য নাই'। এই ক্লজ আপনাদের নতুন সংবিধানে ঢুকান। সুদ বাদ, মিডিয়ায়, সিনেমায় গলা থেকে পায়ের গোড়ালি পর্যন্ত মেয়েদের নগ্ন শরীর নিষিদ্ধ করেন। এটুকু পারবেন? পারবেন না। কোন চুলই পারবেন না। তাহলে এতো ত্যানা না পেঁচিয়ে বলেন, 'আমরা মার খেতে চাই না। এমন কোন কিছু করেন না যাতে আমাদের পুচ্ছে মার পরে'। তাহলেই কেচাল শেষ।
আপনারাতো শুধু মিশর এবং সিরিয়ার উদাহরণ টানেন। তিউনিসিয়া টানেন না কেন? সেখানেতো সেক্যুলারদের খুশি করতে প্যান্ট খুলে রাস্তায় শুয়ে পরেছিলেন। তাহলে ফেল করলেন কেন? আমি জানি আপনারা এতোটাই চুতিয়া যে যদি বাংলাদেশে প্রতিবিপ্লব হয় এবং হার্ডলাইনাররা একটা ফুলও না ছুড়ে তবু আপনারা এই ব্যর্থতার দায় কিছু অংশ হলেও তাদের উপর চাপাবেন। আপনাদের শুয়োরপনা দেখলে জর্জ অরওয়েলের 'এনিমেল ফার্ম' এর কথাই শুধু মনে পরে। ইরাক, মিশর, সিরিয়ায় কট্টরপন্থীরা অনেক আজেবাজে কাজ করেছে সন্দেহ নাই কিন্তু এটুকু স্বীকার করেন কথিত মডারেটরাও প্রচুর অযোগ্যতা দেখিয়েছে এবং শয়তানি করেছে। লুঙ্গি খুলে পশ্চাৎদেশ খুলে দিলেই বিপ্লব টিকে যায় এসব কাঁচা কথা আপনাদের কে শেখায়?
©
